গল্পের পাতা
 

জ্বলন্ত চিতায় তারামাকে দর্শন করলেন তারানাথ  

পর্ব-১৬
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়:  মাসটা কার্তিক। বেশ ঠাণ্ডাও পড়েছে। প্রায় বাহাত্তর ঘন্টা ট্রেন- সফর করে বীরভূমের মল্লারপুর স্টেশনে এসে নামলেন ব্রহ্মচারী প্রমথেশ। রামপুরহাটের আগের স্টেশনটিই মল্লারপুর। সেখান থেকে তারাপীঠ-চণ্ডীপুরের দূরত্ব প্রায় পাঁচ মাইল। প্রমথেশ সাত্ত্বিক ব্রাহ্মণ তায় হঠযোগী। তাই যত্রতত্র আহারে তাঁর বড়ই অনীহা। ফলে তিনদিন তিনি জল ভিন্ন আর কিছুই গ্রহণ করেননি। এখন বড় ক্লান্ত মনে হচ্ছে নিজেকে। তবু সময় নষ্ট করলেন না প্রমথেশ। স্টেশনে বসে না থেকে তিনি নেমে এলেন পথে। শুরু হল পথচলা। পায়ে হেঁটে তিনি এসে পৌঁছলেন ভাবী গুরু বামদেবের বড়মায়ের সাম্রাজ্যে।
এদিকে শিমূলতলায় বসে শিষ্যের আগমন বার্তা অনেক আগেই জানতে পেরেছিলেন তারাপীঠের সচল ভৈরব, স্বয়ং মহাদেব বামদেব। ভক্ত ও পাণ্ডাদের ডেকে তিনি হাসতে হাসতে বলেছিলেন, ‘ দাদা আজকেই আসছেন।’
প্রমথেশ এলেন। প্রবেশ করলেন মন্দিরে। তারামা কে প্রাণভরে দর্শন করে প্রণাম করলেন। এইসময় তাঁর সঙ্গে দেখা হল জনৈক কালীপাণ্ডার। তারপর কী ঘটল সেই প্রসঙ্গে যাওয়ার আগে ব্রহ্মচারী প্রমথেশ সম্পর্কে দু-চার কথা বলা অবশ্যই প্রয়োজন। সদ্য তিনি হিমালয় থেকে নেমে এসেছেন সমতলে। দৈববাণী ‘ বামা বীরভূম’ তাঁর মনকে বড়ই উতলা করে তুলেছে। তখনকার প্রমথেশকে নিয়ে ডাক্তার অভয়পদ চট্টোপাধ্যায় তাঁর
‘সিদ্ধসাধক তারাক্ষ্যাপা’ গ্রন্থের এক জায়গায় লিখছেন, ‘ তরুণ যোগী তারানাথের এখন পূর্ণযৌবন. দীর্ঘকাল হিমালয়ের জলবায়ুতে শরীর সুদৃঢ়, সবল ও পরিপুষ্ট। সুবিস্তারিত বক্ষস্থল, আজানুলম্বিত বাহু, চক্ষুতে অপূর্বজ্যোতি, হাতে পরশু (কুঠার) ও দীর্ঘ যষ্ঠি, পায়ে পার্ব্বত্য পদত্রাণ, পরিধানে রেশমী বস্ত্র, গায়ে রেশমী পিরাণ, কাঁধে নিজের ব্যবহারের দ্রব্যসম্ভার।’
পরশু হস্তে পরশুরাম রূপী প্রমথেশকে দেখে কালীপাণ্ডা প্রথমে বেশ ভয় পেয়েছিলেন। কিন্তু বামদেবের নাম শোনার পর তাঁর সেই ভয় কেটে গেল। তিনিই প্রমথেশকে পৌঁছে দিলেন তাঁদের বাবার কাছে। অবশেষে দেখা হল গুরু বামদেবের সঙ্গে শিষ্য প্রমথেশ বা ভাবীকালের তারানাথ কিংবা তারা খ্যাপার।
ডাক্তার চট্টোপাধ্যায় তাঁর বইতে এই ক্ষণটির সুন্দর এক চিত্র এঁকে রেখেছেন আমাদের জন্য— তারানাথ গুরুর পদপ্রান্তে উপনীত হওয়া মাত্র বামদেব বললেন, দাদা এসেছেন? আমি কতই ভাবছিলাম।
বীরাচারী সাধক তারানাথ এরপর গুরুকে জিজ্ঞাসা করলেন, কেন ডাকলেন আমায়?
তাঁর থেকে প্রায় নবছরের ছোট শিষ্যকে বামদেব উত্তরে বলেছিলেন— আপনার জন্ম ভ্রাতৃদ্বিতীয়াতে। কাল কিংবা তার পরেরদিন নয়, আপনার সঙ্গে আমার বোঝাপড়া হবে তারও পরের দিন।
চমকে উঠলেন প্রমথেশ। সেই মুহূর্তে তাঁর গুরু যে সত্যিই অন্তর্যামী তা তিনি উপলব্ধি করতে পারলেন। তারানাথের জন্ম ১২৫৩ সালের (ইংরেজি ১৮৪৬ খ্রিষ্টাব্দ), ৮ কার্তিক, শুক্রবার শেষরাতে, শুক্লা দ্বিতীয়া তিথিতে।
শিষ্যকে চিন্তান্বিত দেখে বামদেব এরপর স্নেহঝরা কন্ঠে বলেছিলেন, আপনি ক’দিন কিছু খাননি, একটু ছোলা সিদ্ধ ও মুড়ি খান। গুরুর নির্দেশে তিনি ছোলা সিদ্ধ ও মুড়ি দিয়ে উপবাস ভঙ্গ করলেন। বামদেব মৃদু হেসে শিষ্যকে বললেন, আজ রাতে অনেক কিছু হবে। তৈরি থাকবেন।
তারাপীঠে কয়েকজন ভৈরব ও ভৈরবী সেদিন এসেছিলেন। কৃষ্ণা চর্তুদশীর রাত। তাঁদের অনুরোধে বামদেব রাজি হলেন চক্রানুষ্ঠানে চক্রেশ্বরের পদ গ্রহণ করতে। শিমূলতলার সেই অনুষ্ঠানে গুরুর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তারানাথও। এই প্রথম তিনি তন্ত্রাচার দেখলেন। অনুষ্ঠান শেষে অন্য সাধক-সাধিকারা যখন বিশ্রাম নিতে গেলেন সেইসময় বামদেব তাঁর ভাবী শিষ্যকে নিয়ে প্রবেশ করলেন মহাশ্মশানের আরও গভীর প্রান্তে।
তাঁরা শবভূমিতে প্রবেশ করা মাত্র হঠাৎই একটা চিতা জ্বলে উঠল। আর সেই প্রজ্জ্বলিত চিতার মধ্যে তারানাথ দর্শন করলেন মা তারাকে। আর তখনিই একযোগে শত শত হাতির বৃংহণধ্বনিতে মুখরিত হয়ে উঠল শ্মশান। বিন্দুমাত্র ভয় পেলেন না তারানাথ। তিনি গুরুকে জিজ্ঞাসা করলেন, কর্তা, এসব কি আপনার খেলা, ঐশ্বর্য?
বামদেব উত্তরে বললেন, এত তারামায়ের রাজ্য, এসব মায়ের ঐশ্বর্য।
পরদিন সূর্যগ্রহণ এবং অমাবস্যা। হঠযোগী প্রমথেশ ঠিক করলেন, এইরকম দিনে কোনও রকম খাদ্য গ্রহণ করবেন না,সারাদিন জপতপ করেই কাটাবেন। কিন্তু তাঁর মনোবাসনা পূর্ণ হতে দিলেন না গুরু বামদেব। তিনি শিষ্যকে দিয়ে মাংস ও পরমান্ন রান্না করিয়ে নি‌জে গ্রহণ করলেন এবং তারানাথকে বাধ্য করলেন সেই প্রসাদ খেতে।
ভাবী গুরুর আদেশ অমান্য করতে পারেন নি প্রমথেশ। গুরুর প্রসাদ খেয়ে বলেছিলেন, কর্তা সবই আপনার বিপরীত!
উত্তরে বামদেব বলেছিলেন, এ যে শিমূলতলা, তারা মা যে বামা।
এই উত্তর শুনে তারানাথ বুঝতে পারলেন, তাঁর গুরু স্বয়ং মহেশ্বর, অবধূত।
সব কিছু বোঝার পরও তারানাথ বামদেবের কাছে জানতে চেয়েছিলেন, পিশাচে পেলে সত্যবর্জিত হয়?
গুরু মৃদু হেসে মায়ের হাতের খড়্গটি দেখিয়ে বলেছিলেন, ইনিই গুরু, দেব-দানব-যক্ষ- গন্ধর্ব সকলেই এর উপাসক। এতেই রয়েছে ব্রহ্মদণ্ড, আবার এটা দিয়েই পিশাচমোচন হয়। এই খড়্গ মহেশ্বরের প্রাণ, রোহিণী এর উৎপত্তি স্থান, রুদ্রদেব তাঁর গুরু।
মুগ্ধ তারানাথ গুরুর কথা শেষ হওয়া মাত্রই তাঁর চরণে লুটিয়ে পড়লেন। এদিকে রাতের মেয়াদ প্রায় ফুরিয়ে এসেছে। অন্ধকার ক্রমশ পাতলা হচ্ছে। গুরু বামদেব শিষ্যের পিঠে হাত রেখে বললেন, শুরু হল আপনার পথ চলা। নির্ভীক তারানাথ আবার গুরুর চরণ স্পর্শ করে উঠে দাঁড়ালেন। আর ঠিক তখনিই নতুন দিনের নতুন সূর্য উঁকি দিল পূব আকাশে।
অলংকরণ: স. প.
07th  May, 2017
 কালাপাহাড়

 বারিদবরণ ঘোষ: তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর গল্পে একটি বিধ্বংসী মোষের নাম দিয়েছিলেন কালাপাহাড়। কে জানে কেন এমন নামকরণ! মোষ সে কালো, সে ভেঙেচুরে ফেলে—তাতে কালো হতে পারে। কিন্তু কালা তো বধির—যে কানে শুনতে পায় না।
বিশদ

কিছু পথ কিছু কথা কলকাতা

 তরুণ চক্রবর্তী: রাজপুতানার ইতিহাসে আমরা পড়েছি ‘ধাত্রী পান্নার কাহিনি।’ নিজের সন্তানের প্রাণের বিনিময়েও প্রভুর পুত্রকে রক্ষা করে ত্যাগ ও কর্তব্য পরায়ণতার অনন্যা সাধারণ নজির গড়েছিলেন তিনি। আমাদের শাস্ত্রেও ধাত্রী বা ধাই-মাকে মাতৃসদৃশা জ্ঞানে উচ্চাসন দেওয়া হয়েছে।
বিশদ

 নির্জন অবভাসে

 কমলেশ রায়: আজ ফুলবেলা। রোজই সকলে ফুল পায় না। সপ্তাহে এই একটি দিন, রোববারের সকালে পাওয়া যায়। বাকি ক’টা দিন চরাচরের কোন দিক থেকে ওঠে ঘর-হলুদ রোদ। আর রাতে জুঁই-জ্যোৎস্নার বেহিসেবি ফিনকি দেওয়া, কখনও ঘন, কখনও কুয়াশার মতো আরও ঘনতর। লুকোচুরি খেলতে খেলতে এই পাহাড়ি টিবি স্যানাটোরিয়ামের ওপর দিয়ে পেরিয়ে যায়, রোগীরা কোনও খবর রাখে না। আসলে খবর রাখার জন্যে যে ঘরোয়া মানসিকতা, সেটাও কবে ফুরিয়ে গেছে। বিশদ

সেই যুবক

কলকাতা থেকে দূরে রজতপুরের পলিক্লিনিকে বসতে প্রথমটাই আপত্তি করেছিলেন সাইকিয়াট্রিস্ট ডঃ মৈনাক গুহ। বন্ধু শংকর বলেছিলেন, ‘ওখানে চেম্বার করো। একেবারে সোনার খনি। তোমার কপাল খুলে যাবে।’
বিশদ

16th  July, 2017
 ঠগবাজের দোকানে লাল বাতি

 বাড়ি ছিল তালুকদারদের। সেই বাড়ির ছেলে স্বপন আমার বাল্যকালের বন্ধু। স্বপনের বাবা মরে গেলে সে মায়ের সঙ্গে চলে যায় মামার বাড়ি। তারপর আর দেখা হয়নি। নাকি হয়েছিল একবার। স্বপন এসেছিল বাড়িতে তাদের অংশ দাবি করতে। সে ছিল ভয়ানক সময়। স্বপনের কাকা যোগেন স্বপনকে ভয় দেখিয়েছিল নকশাল বলে পুলিশের হাতে তুলে দেবে। ১৯৭১-’৭২-এর কথা বলছি। স্বপন দাবি ত্যাগ করে চলে গিয়েছিল। বিশদ

16th  July, 2017
 তারাখ্যাপা, মাতাজি ও নেতাজি সুভাষচন্দ্র

 ১৮৩৫ সাল। প্রসিদ্ধ রায় বেল্‌হর দুর্গ। এই দুর্গের কোনও এক কক্ষে মাতাজি গঙ্গাবাঈ প্রথম পৃথিবীর আলো দেখেন। দাক্ষিণাত্যের আর্কট প্রদেশের রাজা যোগীরাজের বংশের রাজকন্যা ছিলেন মাতাজি। রাজপরিবারে জন্ম হওয়া সত্ত্বেও ছোট থেকেই ভোগবিলাসের প্রতি তাঁর বিন্দুমাত্র আকর্ষণ ছিল না। রাজকন্যা হওয়ার ফলে তাঁকে রাজবংশের নানাবিধ নিয়মকানুন মেনেই চলতে হত। তা সত্ত্বেও তিনি বিদ্যাচর্চার পাশাপাশি নিয়মিত শরীরচর্চাও করতেন। সংস্কৃত ভাষার ওপর তাঁর দখল ছিল অপরিসীম। চিরকুমারী থাকার সংকল্প নিয়ে তিনি পঞ্চাগ্নিব্রতও পালন করেছিলেন।
বিশদ

16th  July, 2017
সভাঘরে

 সভাঘরে কবিতা পাঠের আগে বক্তৃতা পর্ব চলছে। সভাপতির আসনে সাহিত্যিক অনিমেষ নাথ। অকস্মাৎ পাখির ডাক। সভাপতির চলভাষ থেকে। মিনিট পাঁচেক আগে ঘোষক উপস্থিত সকলকে এই বাক বিনিময় যন্ত্রটি নির্বাক করে রাখার অনুরোধ জানালে সভাপতিমশাই নিজেও জোরালো সায় দিয়েছিলেন খানিক বক্তৃতাসহ। একটু অপ্রস্তুত হয়ে ফোন ধরে চাপা গলায় বললেন, ‘বল’।
বিশদ

09th  July, 2017
কিছু পথ কিছু কথা-কলকাতা
পর্ব-৩

 যে এলাকার পথের কথায় আসছি সেখানকার নামের পেছনেও ঘটনার কিছু ঘনঘটা আছে। নেমেছি যখন পথে এবং বিশেষ করে গলিঘুঁজির যতটা যা পারি তত্ত্বতালাশ করতে, তখন এটুকু প্রথমে বলে নিতেই হচ্ছে। সেকালের সুতানুটি গ্রাম আজকের শোভাবাজার বলে যাকে আমরা জানি, তার নাম হয়েছিল সভাবাজার এবং তারও আগে ওই গাঁয়ের নাম ছিল রাসপল্লি।
বিশদ

09th  July, 2017
 চিতোর রানি পদ্মিনী

  পদ্মা, পদ্মাবতী, পদুমাবৎ, পদ্মিনী— যে নামেই তাঁকে ডাকি— তিনি সাড়া দেবেন। সাড়া দেবেন ইতিহাসে এবং কিংবদন্তিতে। কট্টর ঐতিহাসিক বলবেন— পদ্মিনী একটা গল্পের নায়িকা, ইতিহাসের এর অস্তিত্ব নেই। কিংবদন্তি প্রতিবাদ জানাবে— যাঁর সৌন্দর্যের কাছে একটা পদ্মফুল হার মানে, তিনি গল্প হয়ে যাবেন। আলাউদ্দিন কি তবে মিছিমিছিই চিতোর দুর্গ দখল করেছিলেন।
বিশদ

09th  July, 2017
তারানাথের রোষে কপাল পুড়ল ম্যাজিষ্ট্রেটের 

অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়: শাসকদের রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছিলেন বড়মার জ্যেষ্ঠ সন্তান বামদেবের প্রিয় শিষ্য তারানাথ বা তারাখ্যাপা। এই প্রসঙ্গে ডাক্তার অভয়পদ চট্টোপাধ্যায় লিখছেন, ‘ তন্ত্রসাধকগণ ধরিত্রী বা বসুন্ধরাকে আপন ইষ্ট মাতৃকাস্বরূপেই দেখে থাকেন। বিশদ

02nd  July, 2017
ভা লো মা নু ষ - ম ন্দ মা নু ষ
কন্ধ উপজাতি-গঞ্জের চিকিৎসক
 

অমর মিত্র: ক’দিন আগেই সুখ্যাত এক বেসরকারি হাসপাতালে ধরা পড়েছে জাল ডাক্তার। নামের পাশে এমবিবিএস। আমি যে ডাক্তারবাবুর কথা বলছি, তিনিও ডাক্তার। আধুনিক চিকিৎসাবঞ্চিত আদিবাসী গ্রামে চিকিৎসা করেন। না তাঁর নামের পাশে ভুয়ো ডিগ্রি নেই। কেতাও নেই। বলি তাঁর কথা।
বিশদ

02nd  July, 2017



একনজরে
 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বহরমপুর সেন্ট্রাল জেল থেকে চিকিৎসার জন্য কলকাতায় নিয়ে আসা বিচারাধীন বন্দি উধাও হল হাসপাতাল থেকে। পলাতক ওই বন্দির নাম সোহেল রানা (২৫)। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ফের শহরে তোলাবাজির অভিযোগ। পাঁচ লক্ষ টাকা তোলা চেয়ে হুমকি দেওয়ায় কলকাতার বেনিয়াপুকুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন এক প্রোমোটার। মহম্মদ ওমর ফারুখ নামে ওই প্রোমোটারের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তিন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে। লালবাজার সূত্রে এই ...

বিএনএ, রায়গঞ্জ: রায়গঞ্জ পুর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন স্থানে গত ৯ জুলাই আদিবাসী নাবালিকাদের ধর্ষণ এবং ঘটনার প্রতিবাদে ১৪ জুলাই শহরে আদিবাসীদের তাণ্ডবের পর শনিবার রায়গঞ্জে এসে বৈঠক করলেন আদিবাসী উন্নয়নমন্ত্রী জেমস কুজুর। এদিন কর্ণজোড়ায় সার্কিট হাউসে এই বৈঠক হয়েছে। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ২১ জুলাই শহিদ দিবসের সমাবেশে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের করা মন্তব্য নিয়ে ওঠা বিতর্কের ঝড় রাজ্যের গণ্ডি পেরিয়ে এবার জাতীয় স্তরে উঠে এল। নরেন্দ্র মোদির ব্যর্থতা তথা বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলির অপশাসন নিয়ে শুক্রবার ধর্মতলার ঐতিহাসিক সমাবেশমঞ্চ থেকে ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ব্যাবসা সূত্রে উপার্জন বৃদ্ধি। বিদ্যায় মানসিক চঞ্চলতা বাধার কারণ হতে পারে। গুরুজনদের শরীর স্বাস্থ্য নিয়ে ... বিশদ



ইতিহাসে আজকের দিন

 ১৮৫৬- স্বাধীনতা সংগ্রামী বাল গঙ্গাধর তিলকের জন্ম
 ১৮৯৫ – চিত্রশিল্পী মুকুল দের জন্ম
 ২০০৪- অভিনেতা মেহমুদের মৃত্যু
 ২০১২- আই এন এ’ যোদ্ধা লক্ষ্মী সায়গলের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৫৫ টাকা ৬৬.২৩ টাকা
পাউন্ড ৮১.৯৮ টাকা ৮৪.৯৬ টাকা
ইউরো ৭৩.৫৬ টাকা ৭৬.১৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
22nd  July, 2017
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৯,০৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৭,৫৮০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৭,৯৯৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৬০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

 ৭ শ্রাবণ, ২৩ জুলাই, রবিবার, অমাবস্যা দিবা ৩/১৬, পুনর্বসুনক্ষত্র দিবা ৯/৫৩, সূ উ ৫/৭/৫৭, অ ৬/১৮/৫, অমৃতযোগ প্রাতঃ ৬/১-৯/৩১ রাত্রি ৭/৪৫-৯/১১, বারবেলা ১০/৪-১/২২, কালরাত্রি ১/৪-২/২৬।
৬ শ্রাবণ, ২৩ জুলাই, রবিবার, অমাবস্যা ৩/৫২/৫৯, পুনর্বসুনক্ষত্র ১১/৫/৩৬, সূ উ ৫/৪/৫০, অ ৬/২০/৬, অমৃতযোগ দিবা ৫/৫৭/৫১-৯/২৯/৫৫, বারবেলা ১০/৩/৩-১১/৪২/২৮, কালবেলা ১১/৪২/২৮-১/২১/৫২, কালরাত্রি ১/৩/৪-২/২৩/৩৯।
 ২৮ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ভারতের জয়ের জন্য ২ ওভারে ১১ রান প্রয়োজন 

10:06:00 PM

ভারতের জয়ের জন্য ৬ ওভারে ৩১ রান প্রয়োজন 

09:47:31 PM

ভারত ১৪৫/৩ (৩৫ ওভার) 

09:08:03 PM

ভারত ১২০/২ (৩০ ওভার) 

08:45:54 PM

ভারত ৬৯/২ (২০ ওভারে)

08:10:29 PM

ভারত ৪৩/২ (১২ ওভারে)

07:41:49 PM