গল্পের পাতা
 

ভা লো মা নু ষ - ম ন্দ মা নু ষ
ভা গ্যা ন্বে ষী মা নু ষ

অমর মিত্র:  বাংলা সন ১৩৪৮, ইংরিজি ১৯৪১, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলছে। যুদ্ধের বাজারের মন্দা শুরু হয়ে গেছে। কেউ কেউ লাখপতি হচ্ছে, কেউ নিঃস্ব। অনেকগুলি পুত্র কন্যা নিয়ে তিনি গঙ্গার পশ্চিমকুলে হাওড়া জেলার সালকিয়ায় পৈতৃক বাড়িতে মুখ গুঁজে থাকতেন। কিছুই করে উঠতে পারছিলেন না। তাঁর জ্যাঠতুতো বোনের বিয়ে হয়েছিল দূর মেদিনীপুর জেলার এক অহল্যাভূমি এবং বনাঞ্চলে। সেখানে শালজঙ্গল আর লাল মাটি। ব্যাবসা বাণিজ্য হতো। লাল মাটিতে চাষ বাস মানে সেই সময় বছরে একবার ধান। তিনি তো সালকিয়ার মানুষ, কৃষি জানেন না। লেখাপড়া আর ব্যাবসাপাতি এই সব জানেন। বোন বলছিল শালবনি যেতে। জমি খুব শস্তা। আর ওই অঞ্চলে মানুষের বসতিও কম। তিনি ভাগ্য অন্বেষণে বেরিয়ে পড়লেন। তখন এমনি হতো। ১৯২৯-এ পথের পাঁচালি প্রকাশিত হয়ে গেছে। কন্যার মৃত্যুর পর বিপর্যস্ত হরিহর বন্দ্যোপাধ্যায় স্ত্রী পুত্র নিয়ে কাশী চলে গিয়েছিলেন ভাগ্য অন্বেষণে। এই মানুষটি তার সন্তানাদি নিয়ে গঙ্গায় ভাসলেন। আকাশে যুদ্ধ বিমান। শহরে সেনাবাহিনীর বুটের শব্দ। তিনি নদী পথে গঙ্গা থেকে শিলাবতী ধরে ঘাটাল শহরে পৌঁছে ছিলেন। ঘাটাল থেকে শালবনি অনেক দূর। কিন্তু স্থল পথে যাওয়া যায়। গরুর গাড়িতে করে স্ত্রী পুত্র কন্যা নিয়ে প্রায় নিরুদ্দেশ যাত্রা করলেন। গরুর গাড়িতে চেপে দিন তিনেক লেগেছিল শালবনি পৌঁছতে।
আমার মনে পড়ে যায় বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘নদীর ধারে বাড়ি’ গল্পের কথা। সেখানেও যুদ্ধের সময় সওদাগরী অফিসের কেরানিবাবু কলকাতার বসতি তুলে, চাকরি ছেড়ে চলে গিয়েছিল বনগাঁ- রাণাঘাট লাইনে গাংনাপুর স্টেশনে নেমে দশমাইল দূরের এক নদীর ধারের গ্রামে। বিভূতিভূষণ সেই গল্পে বলছেন, বিলেত থেকে লোক গিয়ে আমেরিকায় বাস করে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র স্থাপন করেছিল। অজানায় পাড়ি না দিলে মানুষ মানুষ হয়ে ওঠে না। জীবনে ঝুঁকি নিয়েই মানুষ বড় কিছু করতে পারে। বাঁচতে পারে ভালোভাবে। কেমন জায়গা, সেখানে কতটা কী করে উঠতে পারবেন জানেন না। কিন্তু যেতে তো হবেই। তাঁর সন্তানরা বেঁচে বর্তে থাকবে তো। স্ত্রী প্রকৃতই সহধর্মিণী। আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে। যে করে হোক বাঁচতে হবে। হেরে গেলে চলবে না। এমনিই তখন চারদিক থেকে অভাব ছেয়ে ধরছে। হ্যাঁ, আর দু বছর বাদেই তো দুর্ভিক্ষ, সেই পঞ্চাশের মন্বন্তর এসেছিল। সেই সময়টা ছিল ভয়ঙ্কর। তিনি খুব শস্তায় আড়াই বিঘে জমি কিনে মাটির বাড়ি খড়ের চাল দিয়ে বসতবাটি নির্মাণ করে বাসকরতে আরম্ভ করেন সেই অচেনা গঞ্জে। আর কিনেছিলেন বিঘে পঁচিশ জংলা জমি, পাথুরে। চাষবাস করবেন। ভাগে চাষ করে দিত আদিবাসীরা। যে বছর বৃষ্টি হতো ভালো, ধান পেতেন, না হলে জমির ধান পাকার আগেই জমিতে মরত। ওদেশে জলের খুব অভাব। গ্রীষ্ম ভয়ানক। শীত খুব তীব্র। বর্ষা খুব বেশি হয় না। মাটিতে জল পড়লেই শুষে নেয়। পুঁজি ফুরিয়েছিল দ্রুত। তখন কী করবেন? ব্যাবসাপাতি। ছোটখাটো ব্যাবসা। কোনোটায় লাভ করেছেন, কোনোটায় পুরো লোকসান। ছেলে মেয়েদের লেখাপড়া শেখাবেন, কী করে তা হবে? ছয় পুত্রের কনিষ্ঠজন ব্যতীত কেউ গ্রাজুয়েট হয়নি। তবে সে আমলে ক’জনই বা গ্রাজুয়েট ছিল। ছেলেরা বড় হতে নেমে পড়েছিল ব্যাবসায়। তারাও যে সফল হয়েছিল তা নয়। তিনি কী না করেছেন, দোকানে কাজ করেছেন, মিলিটারি ক্যাম্পে ভাত সাপ্লাই করিয়েছেন পুত্রকে দিয়ে। আসলে সাধারণ মানুষ যে কীভাবে বাঁচত তার খোঁজ আমরা তেমন জানি না। কিন্তু সেই মানুষ যে স্বপ্ন দেখতে পারত, ব্যাবসা করে দাঁড়াতে চাইত সেই খবরও না। দূর মাড়োয়ারের নিঃস্ব প্রকৃতি ত্যাগ করে যাঁরা এই পুবের দিকে পাড়ি দেন ব্যাবসা করবেন বলে, তাঁরাও কিন্তু স্বপ্ন দেখতে জানেন। আমার জীবনের উদ্দেশ্য যদি হয় কেরানিগিরি করে ঝুঁকিহীন জীবন-যাপন করব, তাহলে কেরানিই হব। আর কিছু না। আমি যাঁর কথা বলছি, সেই আশ্চর্য মানুষটি আস্তে আস্তে সব কিছু সামলে ওঠেন। পুত্রদের বিবাহ দেন। কন্যাদের পাত্রস্থ করেন। ছয় পুত্র, পাঁচ কন্যা, কেউ তো ভেসে যায়নি। ভেসে যায়নি বলেই তৃতীয় পুরুষ সব উচ্চ শিক্ষিত। দেশ বিদেশে থাকেন তাঁরা। পশ্চিমবঙ্গের নানা শহরে ছড়িয়ে গেছে পৌত্র, প্রপৌত্ররা। দৌহিত্ররা। হ্যাঁ, কেউ কেউ তো প্রপিতামহর পথে গেছেন। ব্যাবসা করেন। থাকেন, লালগড়, পীরাকাটা, ঝাড়গ্রাম, একদা মাওবাদী অধ্যুষিত এলাকায়। তখন খুব কষ্টে কেটেছে। মৃত্যুভয় নিয়ে দিন কেটেছে। কিন্তু প্রপিতামহ চৈতন্যচরণ যেন ছায়া দিয়ে রেখেছিলেন। বাঁচতে তো হবে। হার শব্দটি কি তিনি তা জানতেন না। আমি শুনতে শুনতে মোহিত হয়ে গিয়েছি। পুত্রবধূ অশীতিপর সন্ধ্যা দেবী বলছিলেন তাঁর শ্বশুরের গল্প। চোদ্দ বছর বয়সে বিয়ে হয়ে আসা। রোজ সকালের খাবার করতে ছ’কেজি আটার রুটি হত। পরিবারের সকলে ব্যতীত মজুর কামিন সকলের জন্যই হত তা। তখন চৈতন্যবাবু সম্পন্ন গৃহস্থ হয়ে উঠেছেন। ছয় পুত্র নিয়ে একান্নবর্তী পরিবার। শুক্রবারে পুত্রবধূদের বলতেন সন্ধের ভিতরে কাজ সেরে নিতে। রাত আটটায় রেডিও নাটক। বড় রেডিও ছিল। সকলে লাইন দিয়ে বসে মুগ্ধ হয়ে শুনতেন তা। আর ছিল এক অদ্ভুত খেয়াল। যেদিন হত পূর্ণিমা, বাড়ির কর্তা বলতেন সন্ধের ভিতরে কাজ সেরে নাও, জোছনা রাতে লুকোচুরি খেলা হবে। নাতি, নাতনি, পুত্রবধূ, কন্যারা সকলেই জোছনা রাতে লুকোচুরি খেলতে নেমে পড়ত প্রশস্ত আঙিনায়। আম গাছের ছায়া পড়েছে চাঁদের আলোয়, নিম ফুলের গন্ধ ছড়িয়েছে জোছনার ভিতর। সকলে মিলে লুকোচুরি খেলছেন। তখন তিনি প্রবীন। কিন্তু উচ্ছ্বাসে নবীন। মনে করুন, কোজাগরী পূর্ণিমার রাতে লুকোচুরি খেলতে নেমেছে সমস্ত পরিবার। চাঁদের আলোয় ঝলমল করছে সব মুখ। জীবন এত মধুময় হয় ? এমন জীবন হলেই তা হয়।
অলংকরণ: সোমনাথ পাল
07th  May, 2017
 কালাপাহাড়

 বারিদবরণ ঘোষ: তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর গল্পে একটি বিধ্বংসী মোষের নাম দিয়েছিলেন কালাপাহাড়। কে জানে কেন এমন নামকরণ! মোষ সে কালো, সে ভেঙেচুরে ফেলে—তাতে কালো হতে পারে। কিন্তু কালা তো বধির—যে কানে শুনতে পায় না।
বিশদ

কিছু পথ কিছু কথা কলকাতা

 তরুণ চক্রবর্তী: রাজপুতানার ইতিহাসে আমরা পড়েছি ‘ধাত্রী পান্নার কাহিনি।’ নিজের সন্তানের প্রাণের বিনিময়েও প্রভুর পুত্রকে রক্ষা করে ত্যাগ ও কর্তব্য পরায়ণতার অনন্যা সাধারণ নজির গড়েছিলেন তিনি। আমাদের শাস্ত্রেও ধাত্রী বা ধাই-মাকে মাতৃসদৃশা জ্ঞানে উচ্চাসন দেওয়া হয়েছে।
বিশদ

 নির্জন অবভাসে

 কমলেশ রায়: আজ ফুলবেলা। রোজই সকলে ফুল পায় না। সপ্তাহে এই একটি দিন, রোববারের সকালে পাওয়া যায়। বাকি ক’টা দিন চরাচরের কোন দিক থেকে ওঠে ঘর-হলুদ রোদ। আর রাতে জুঁই-জ্যোৎস্নার বেহিসেবি ফিনকি দেওয়া, কখনও ঘন, কখনও কুয়াশার মতো আরও ঘনতর। লুকোচুরি খেলতে খেলতে এই পাহাড়ি টিবি স্যানাটোরিয়ামের ওপর দিয়ে পেরিয়ে যায়, রোগীরা কোনও খবর রাখে না। আসলে খবর রাখার জন্যে যে ঘরোয়া মানসিকতা, সেটাও কবে ফুরিয়ে গেছে। বিশদ

সেই যুবক

কলকাতা থেকে দূরে রজতপুরের পলিক্লিনিকে বসতে প্রথমটাই আপত্তি করেছিলেন সাইকিয়াট্রিস্ট ডঃ মৈনাক গুহ। বন্ধু শংকর বলেছিলেন, ‘ওখানে চেম্বার করো। একেবারে সোনার খনি। তোমার কপাল খুলে যাবে।’
বিশদ

16th  July, 2017
 ঠগবাজের দোকানে লাল বাতি

 বাড়ি ছিল তালুকদারদের। সেই বাড়ির ছেলে স্বপন আমার বাল্যকালের বন্ধু। স্বপনের বাবা মরে গেলে সে মায়ের সঙ্গে চলে যায় মামার বাড়ি। তারপর আর দেখা হয়নি। নাকি হয়েছিল একবার। স্বপন এসেছিল বাড়িতে তাদের অংশ দাবি করতে। সে ছিল ভয়ানক সময়। স্বপনের কাকা যোগেন স্বপনকে ভয় দেখিয়েছিল নকশাল বলে পুলিশের হাতে তুলে দেবে। ১৯৭১-’৭২-এর কথা বলছি। স্বপন দাবি ত্যাগ করে চলে গিয়েছিল। বিশদ

16th  July, 2017
 তারাখ্যাপা, মাতাজি ও নেতাজি সুভাষচন্দ্র

 ১৮৩৫ সাল। প্রসিদ্ধ রায় বেল্‌হর দুর্গ। এই দুর্গের কোনও এক কক্ষে মাতাজি গঙ্গাবাঈ প্রথম পৃথিবীর আলো দেখেন। দাক্ষিণাত্যের আর্কট প্রদেশের রাজা যোগীরাজের বংশের রাজকন্যা ছিলেন মাতাজি। রাজপরিবারে জন্ম হওয়া সত্ত্বেও ছোট থেকেই ভোগবিলাসের প্রতি তাঁর বিন্দুমাত্র আকর্ষণ ছিল না। রাজকন্যা হওয়ার ফলে তাঁকে রাজবংশের নানাবিধ নিয়মকানুন মেনেই চলতে হত। তা সত্ত্বেও তিনি বিদ্যাচর্চার পাশাপাশি নিয়মিত শরীরচর্চাও করতেন। সংস্কৃত ভাষার ওপর তাঁর দখল ছিল অপরিসীম। চিরকুমারী থাকার সংকল্প নিয়ে তিনি পঞ্চাগ্নিব্রতও পালন করেছিলেন।
বিশদ

16th  July, 2017
সভাঘরে

 সভাঘরে কবিতা পাঠের আগে বক্তৃতা পর্ব চলছে। সভাপতির আসনে সাহিত্যিক অনিমেষ নাথ। অকস্মাৎ পাখির ডাক। সভাপতির চলভাষ থেকে। মিনিট পাঁচেক আগে ঘোষক উপস্থিত সকলকে এই বাক বিনিময় যন্ত্রটি নির্বাক করে রাখার অনুরোধ জানালে সভাপতিমশাই নিজেও জোরালো সায় দিয়েছিলেন খানিক বক্তৃতাসহ। একটু অপ্রস্তুত হয়ে ফোন ধরে চাপা গলায় বললেন, ‘বল’।
বিশদ

09th  July, 2017
কিছু পথ কিছু কথা-কলকাতা
পর্ব-৩

 যে এলাকার পথের কথায় আসছি সেখানকার নামের পেছনেও ঘটনার কিছু ঘনঘটা আছে। নেমেছি যখন পথে এবং বিশেষ করে গলিঘুঁজির যতটা যা পারি তত্ত্বতালাশ করতে, তখন এটুকু প্রথমে বলে নিতেই হচ্ছে। সেকালের সুতানুটি গ্রাম আজকের শোভাবাজার বলে যাকে আমরা জানি, তার নাম হয়েছিল সভাবাজার এবং তারও আগে ওই গাঁয়ের নাম ছিল রাসপল্লি।
বিশদ

09th  July, 2017
 চিতোর রানি পদ্মিনী

  পদ্মা, পদ্মাবতী, পদুমাবৎ, পদ্মিনী— যে নামেই তাঁকে ডাকি— তিনি সাড়া দেবেন। সাড়া দেবেন ইতিহাসে এবং কিংবদন্তিতে। কট্টর ঐতিহাসিক বলবেন— পদ্মিনী একটা গল্পের নায়িকা, ইতিহাসের এর অস্তিত্ব নেই। কিংবদন্তি প্রতিবাদ জানাবে— যাঁর সৌন্দর্যের কাছে একটা পদ্মফুল হার মানে, তিনি গল্প হয়ে যাবেন। আলাউদ্দিন কি তবে মিছিমিছিই চিতোর দুর্গ দখল করেছিলেন।
বিশদ

09th  July, 2017
তারানাথের রোষে কপাল পুড়ল ম্যাজিষ্ট্রেটের 

অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়: শাসকদের রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছিলেন বড়মার জ্যেষ্ঠ সন্তান বামদেবের প্রিয় শিষ্য তারানাথ বা তারাখ্যাপা। এই প্রসঙ্গে ডাক্তার অভয়পদ চট্টোপাধ্যায় লিখছেন, ‘ তন্ত্রসাধকগণ ধরিত্রী বা বসুন্ধরাকে আপন ইষ্ট মাতৃকাস্বরূপেই দেখে থাকেন। বিশদ

02nd  July, 2017
ভা লো মা নু ষ - ম ন্দ মা নু ষ
কন্ধ উপজাতি-গঞ্জের চিকিৎসক
 

অমর মিত্র: ক’দিন আগেই সুখ্যাত এক বেসরকারি হাসপাতালে ধরা পড়েছে জাল ডাক্তার। নামের পাশে এমবিবিএস। আমি যে ডাক্তারবাবুর কথা বলছি, তিনিও ডাক্তার। আধুনিক চিকিৎসাবঞ্চিত আদিবাসী গ্রামে চিকিৎসা করেন। না তাঁর নামের পাশে ভুয়ো ডিগ্রি নেই। কেতাও নেই। বলি তাঁর কথা।
বিশদ

02nd  July, 2017



একনজরে
ইসলামাবাদ, ২২ জুলাই (পিটিআই): পানামা পেপার ফাঁস কেলেঙ্কারিতে শেষ পর্যন্ত গদি খোয়াতে হতে পারে নওয়াজ শরিফকে। এমন আশঙ্কায় শরিফের উত্তরসূরি হিসাবে বেছে নেওয়া হল তাঁর ভাইকেই। শাহবাজ শরিফ এখন পাঞ্জাব প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এবং নওয়াজের ছোট ভাই। তবে শাহবাজ শরিফ পাক ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বহরমপুর সেন্ট্রাল জেল থেকে চিকিৎসার জন্য কলকাতায় নিয়ে আসা বিচারাধীন বন্দি উধাও হল হাসপাতাল থেকে। পলাতক ওই বন্দির নাম সোহেল রানা (২৫)। ...

 সংবাদদাতা, ঘাটাল: দুই দেশের খেলা দেখার জন্য ভিড় উপচে পড়ল দাসপুর-১ ব্লকের কলোড়াতে। শনিবার পশ্চিম মেদিনীপুর ফুটি অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে কলোড়া স্কুল ফুটবল মাঠে ভারতের জাতীয় ...

বিএনএ, রায়গঞ্জ: রায়গঞ্জ পুর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন স্থানে গত ৯ জুলাই আদিবাসী নাবালিকাদের ধর্ষণ এবং ঘটনার প্রতিবাদে ১৪ জুলাই শহরে আদিবাসীদের তাণ্ডবের পর শনিবার রায়গঞ্জে এসে বৈঠক করলেন আদিবাসী উন্নয়নমন্ত্রী জেমস কুজুর। এদিন কর্ণজোড়ায় সার্কিট হাউসে এই বৈঠক হয়েছে। ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ব্যাবসা সূত্রে উপার্জন বৃদ্ধি। বিদ্যায় মানসিক চঞ্চলতা বাধার কারণ হতে পারে। গুরুজনদের শরীর স্বাস্থ্য নিয়ে ... বিশদ



ইতিহাসে আজকের দিন

 ১৮৫৬- স্বাধীনতা সংগ্রামী বাল গঙ্গাধর তিলকের জন্ম
 ১৮৯৫ – চিত্রশিল্পী মুকুল দের জন্ম
 ২০০৪- অভিনেতা মেহমুদের মৃত্যু
 ২০১২- আই এন এ’ যোদ্ধা লক্ষ্মী সায়গলের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৫৫ টাকা ৬৬.২৩ টাকা
পাউন্ড ৮১.৯৮ টাকা ৮৪.৯৬ টাকা
ইউরো ৭৩.৫৬ টাকা ৭৬.১৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
22nd  July, 2017
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৯,০৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৭,৫৮০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৭,৯৯৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৬০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

 ৭ শ্রাবণ, ২৩ জুলাই, রবিবার, অমাবস্যা দিবা ৩/১৬, পুনর্বসুনক্ষত্র দিবা ৯/৫৩, সূ উ ৫/৭/৫৭, অ ৬/১৮/৫, অমৃতযোগ প্রাতঃ ৬/১-৯/৩১ রাত্রি ৭/৪৫-৯/১১, বারবেলা ১০/৪-১/২২, কালরাত্রি ১/৪-২/২৬।
৬ শ্রাবণ, ২৩ জুলাই, রবিবার, অমাবস্যা ৩/৫২/৫৯, পুনর্বসুনক্ষত্র ১১/৫/৩৬, সূ উ ৫/৪/৫০, অ ৬/২০/৬, অমৃতযোগ দিবা ৫/৫৭/৫১-৯/২৯/৫৫, বারবেলা ১০/৩/৩-১১/৪২/২৮, কালবেলা ১১/৪২/২৮-১/২১/৫২, কালরাত্রি ১/৩/৪-২/২৩/৩৯।
 ২৮ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ভারতের জয়ের জন্য ৬ ওভারে ৩১ রান প্রয়োজন 

09:47:31 PM

ভারত ১৪৫/৩ (৩৫ ওভার) 

09:08:03 PM

ভারত ১২০/২ (৩০ ওভার) 

08:45:54 PM

ভারত ৬৯/২ (২০ ওভারে)

08:10:29 PM

ভারত ৪৩/২ (১২ ওভারে)

07:41:49 PM

ভারত ৩১/১ (৮ ওভারে)

07:26:26 PM