গল্পের পাতা
 

ভা লো মা নু ষ - ম ন্দ মা নু ষ
ভা গ্যা ন্বে ষী মা নু ষ

অমর মিত্র:  বাংলা সন ১৩৪৮, ইংরিজি ১৯৪১, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলছে। যুদ্ধের বাজারের মন্দা শুরু হয়ে গেছে। কেউ কেউ লাখপতি হচ্ছে, কেউ নিঃস্ব। অনেকগুলি পুত্র কন্যা নিয়ে তিনি গঙ্গার পশ্চিমকুলে হাওড়া জেলার সালকিয়ায় পৈতৃক বাড়িতে মুখ গুঁজে থাকতেন। কিছুই করে উঠতে পারছিলেন না। তাঁর জ্যাঠতুতো বোনের বিয়ে হয়েছিল দূর মেদিনীপুর জেলার এক অহল্যাভূমি এবং বনাঞ্চলে। সেখানে শালজঙ্গল আর লাল মাটি। ব্যাবসা বাণিজ্য হতো। লাল মাটিতে চাষ বাস মানে সেই সময় বছরে একবার ধান। তিনি তো সালকিয়ার মানুষ, কৃষি জানেন না। লেখাপড়া আর ব্যাবসাপাতি এই সব জানেন। বোন বলছিল শালবনি যেতে। জমি খুব শস্তা। আর ওই অঞ্চলে মানুষের বসতিও কম। তিনি ভাগ্য অন্বেষণে বেরিয়ে পড়লেন। তখন এমনি হতো। ১৯২৯-এ পথের পাঁচালি প্রকাশিত হয়ে গেছে। কন্যার মৃত্যুর পর বিপর্যস্ত হরিহর বন্দ্যোপাধ্যায় স্ত্রী পুত্র নিয়ে কাশী চলে গিয়েছিলেন ভাগ্য অন্বেষণে। এই মানুষটি তার সন্তানাদি নিয়ে গঙ্গায় ভাসলেন। আকাশে যুদ্ধ বিমান। শহরে সেনাবাহিনীর বুটের শব্দ। তিনি নদী পথে গঙ্গা থেকে শিলাবতী ধরে ঘাটাল শহরে পৌঁছে ছিলেন। ঘাটাল থেকে শালবনি অনেক দূর। কিন্তু স্থল পথে যাওয়া যায়। গরুর গাড়িতে করে স্ত্রী পুত্র কন্যা নিয়ে প্রায় নিরুদ্দেশ যাত্রা করলেন। গরুর গাড়িতে চেপে দিন তিনেক লেগেছিল শালবনি পৌঁছতে।
আমার মনে পড়ে যায় বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘নদীর ধারে বাড়ি’ গল্পের কথা। সেখানেও যুদ্ধের সময় সওদাগরী অফিসের কেরানিবাবু কলকাতার বসতি তুলে, চাকরি ছেড়ে চলে গিয়েছিল বনগাঁ- রাণাঘাট লাইনে গাংনাপুর স্টেশনে নেমে দশমাইল দূরের এক নদীর ধারের গ্রামে। বিভূতিভূষণ সেই গল্পে বলছেন, বিলেত থেকে লোক গিয়ে আমেরিকায় বাস করে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র স্থাপন করেছিল। অজানায় পাড়ি না দিলে মানুষ মানুষ হয়ে ওঠে না। জীবনে ঝুঁকি নিয়েই মানুষ বড় কিছু করতে পারে। বাঁচতে পারে ভালোভাবে। কেমন জায়গা, সেখানে কতটা কী করে উঠতে পারবেন জানেন না। কিন্তু যেতে তো হবেই। তাঁর সন্তানরা বেঁচে বর্তে থাকবে তো। স্ত্রী প্রকৃতই সহধর্মিণী। আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে। যে করে হোক বাঁচতে হবে। হেরে গেলে চলবে না। এমনিই তখন চারদিক থেকে অভাব ছেয়ে ধরছে। হ্যাঁ, আর দু বছর বাদেই তো দুর্ভিক্ষ, সেই পঞ্চাশের মন্বন্তর এসেছিল। সেই সময়টা ছিল ভয়ঙ্কর। তিনি খুব শস্তায় আড়াই বিঘে জমি কিনে মাটির বাড়ি খড়ের চাল দিয়ে বসতবাটি নির্মাণ করে বাসকরতে আরম্ভ করেন সেই অচেনা গঞ্জে। আর কিনেছিলেন বিঘে পঁচিশ জংলা জমি, পাথুরে। চাষবাস করবেন। ভাগে চাষ করে দিত আদিবাসীরা। যে বছর বৃষ্টি হতো ভালো, ধান পেতেন, না হলে জমির ধান পাকার আগেই জমিতে মরত। ওদেশে জলের খুব অভাব। গ্রীষ্ম ভয়ানক। শীত খুব তীব্র। বর্ষা খুব বেশি হয় না। মাটিতে জল পড়লেই শুষে নেয়। পুঁজি ফুরিয়েছিল দ্রুত। তখন কী করবেন? ব্যাবসাপাতি। ছোটখাটো ব্যাবসা। কোনোটায় লাভ করেছেন, কোনোটায় পুরো লোকসান। ছেলে মেয়েদের লেখাপড়া শেখাবেন, কী করে তা হবে? ছয় পুত্রের কনিষ্ঠজন ব্যতীত কেউ গ্রাজুয়েট হয়নি। তবে সে আমলে ক’জনই বা গ্রাজুয়েট ছিল। ছেলেরা বড় হতে নেমে পড়েছিল ব্যাবসায়। তারাও যে সফল হয়েছিল তা নয়। তিনি কী না করেছেন, দোকানে কাজ করেছেন, মিলিটারি ক্যাম্পে ভাত সাপ্লাই করিয়েছেন পুত্রকে দিয়ে। আসলে সাধারণ মানুষ যে কীভাবে বাঁচত তার খোঁজ আমরা তেমন জানি না। কিন্তু সেই মানুষ যে স্বপ্ন দেখতে পারত, ব্যাবসা করে দাঁড়াতে চাইত সেই খবরও না। দূর মাড়োয়ারের নিঃস্ব প্রকৃতি ত্যাগ করে যাঁরা এই পুবের দিকে পাড়ি দেন ব্যাবসা করবেন বলে, তাঁরাও কিন্তু স্বপ্ন দেখতে জানেন। আমার জীবনের উদ্দেশ্য যদি হয় কেরানিগিরি করে ঝুঁকিহীন জীবন-যাপন করব, তাহলে কেরানিই হব। আর কিছু না। আমি যাঁর কথা বলছি, সেই আশ্চর্য মানুষটি আস্তে আস্তে সব কিছু সামলে ওঠেন। পুত্রদের বিবাহ দেন। কন্যাদের পাত্রস্থ করেন। ছয় পুত্র, পাঁচ কন্যা, কেউ তো ভেসে যায়নি। ভেসে যায়নি বলেই তৃতীয় পুরুষ সব উচ্চ শিক্ষিত। দেশ বিদেশে থাকেন তাঁরা। পশ্চিমবঙ্গের নানা শহরে ছড়িয়ে গেছে পৌত্র, প্রপৌত্ররা। দৌহিত্ররা। হ্যাঁ, কেউ কেউ তো প্রপিতামহর পথে গেছেন। ব্যাবসা করেন। থাকেন, লালগড়, পীরাকাটা, ঝাড়গ্রাম, একদা মাওবাদী অধ্যুষিত এলাকায়। তখন খুব কষ্টে কেটেছে। মৃত্যুভয় নিয়ে দিন কেটেছে। কিন্তু প্রপিতামহ চৈতন্যচরণ যেন ছায়া দিয়ে রেখেছিলেন। বাঁচতে তো হবে। হার শব্দটি কি তিনি তা জানতেন না। আমি শুনতে শুনতে মোহিত হয়ে গিয়েছি। পুত্রবধূ অশীতিপর সন্ধ্যা দেবী বলছিলেন তাঁর শ্বশুরের গল্প। চোদ্দ বছর বয়সে বিয়ে হয়ে আসা। রোজ সকালের খাবার করতে ছ’কেজি আটার রুটি হত। পরিবারের সকলে ব্যতীত মজুর কামিন সকলের জন্যই হত তা। তখন চৈতন্যবাবু সম্পন্ন গৃহস্থ হয়ে উঠেছেন। ছয় পুত্র নিয়ে একান্নবর্তী পরিবার। শুক্রবারে পুত্রবধূদের বলতেন সন্ধের ভিতরে কাজ সেরে নিতে। রাত আটটায় রেডিও নাটক। বড় রেডিও ছিল। সকলে লাইন দিয়ে বসে মুগ্ধ হয়ে শুনতেন তা। আর ছিল এক অদ্ভুত খেয়াল। যেদিন হত পূর্ণিমা, বাড়ির কর্তা বলতেন সন্ধের ভিতরে কাজ সেরে নাও, জোছনা রাতে লুকোচুরি খেলা হবে। নাতি, নাতনি, পুত্রবধূ, কন্যারা সকলেই জোছনা রাতে লুকোচুরি খেলতে নেমে পড়ত প্রশস্ত আঙিনায়। আম গাছের ছায়া পড়েছে চাঁদের আলোয়, নিম ফুলের গন্ধ ছড়িয়েছে জোছনার ভিতর। সকলে মিলে লুকোচুরি খেলছেন। তখন তিনি প্রবীন। কিন্তু উচ্ছ্বাসে নবীন। মনে করুন, কোজাগরী পূর্ণিমার রাতে লুকোচুরি খেলতে নেমেছে সমস্ত পরিবার। চাঁদের আলোয় ঝলমল করছে সব মুখ। জীবন এত মধুময় হয় ? এমন জীবন হলেই তা হয়।
অলংকরণ: সোমনাথ পাল
07th  May, 2017
কবির পুরস্কার
চন্দন চক্রবর্তী

‘কি হল! সকালবেলাতেই বিছানায় বসে কবিতার জাবর কাটছ!’ দুখিরাম তখন কবিতার ডায়েরিটা খুলে সবে বসেছে। গতকাল রাতে একটু বৈশাখী ঝড়, টুপুর টুপুর বৃষ্টি হয়েছে। সকালের মেঘেও নরম খবর। দুখিরামের স্ত্রী সতী রকম সকম দেখে কথাটা বলে দাঁড়ায়। গলায় শ্লেষ এনে বলে!
বিশদ

22nd  October, 2017
ফুটবল ঘিরে জেগে উঠেছে এক বুক স্বপ্ন

কলকাতা এমনই এক জা‌য়গা যেখানে ভারত বা কলকাতার কোনও দলের খেলা থাকলে দর্শকের ভিড়ে মাঠ উপচে পড়ে, কিন্তু বিদেশি খেলায় উৎসাহ থাকে অনেকটাই স্তিমিত। এবারে কিন্তু তার উজ্জ্বল ব্যতিক্রম। লিখেছেন সুকুমার সমাজপতি। বিশদ

15th  October, 2017
বনানীগড়ের ঝগড়ামহল
রতনতনু ঘাটী

সে রাজ্যের নাম বনানীগড়। সে এক ভারী মজার রাজ্য। তার দক্ষিণ দিকে একটা মস্ত উঁচু পাহাড়। উত্তর দিকে ধু ধু মরুভূমি। পুব দিকে বিরাট সাগর। আর পশ্চিম দিকে দিগন্তের পর দিগন্তে মিশে যাওয়া আকাশ। রাজা না থাকলে কি আর রাজ্য হয় নাকি? তাই সে রাজ্যেরও একজন রাজাআছেন। তাঁর নাম পক্ষীকেতু। সেই রাজার রানিও আছেন একজন। তাঁর নাম কুসুমকান্তা।
বিশদ

15th  October, 2017
লোকনাথজির কৃপায় মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এলেন নিশিকান্ত বসু 

অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়
পর্ব-২৬
ডাক্তার নিশিকান্ত বসু, বিএসএমডি। পিতা রজনীকান্ত বসু। মাতা রাজকুমারী বসু। অধুনা বাংলাদেশের বারদীর বড় জমিদার স্বর্গীয় কালীকিশোর নাগ মহাশয়ের কনিষ্ঠা কন্যা ছিলেন রাজকুমারী দেবী। বিশদ

08th  October, 2017
ভা লো মা নু ষ - ম ন্দ মা নু ষ: পর্ব-২৮
ভুবন ভরা জালিয়াত 

অমর মিত্র: টাকার জন্য, জমির জন্য, সম্পত্তির জন্য মানুষ কী না পারে? আমাদের দেশটি ভাগই হয়েছিল স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তির মালিকানা এবং শাসন ক্ষমতা অধিকারের জন্য। সম্পত্তি এখানে ক্ষমতা। দেশ শাসন করবে কে? কোন দল? ক্ষমতাই সমস্ত কিছু করায়ত্ত করার মূল।
বিশদ

08th  October, 2017
আগন্তুক 

পার্থ বন্দ্যোপাধ্যায়: হাঁসফাঁস করা গরম। একটু স্বস্তির জন্য ট্রেনের ভিতর থেকে দরজার কাছে এসে দাঁড়িয়ে ছিল অলোকনাথ। বারাসত স্টেশনে ট্রেনটা থামতেই দু-দ্দাড় করে উঠে এল ১০-১২ জন যুবক। বিশদ

08th  October, 2017
অন্নদাসুন্দরী
দীপান্বিতা মিত্র

 পুরানো দিনের বাড়ি, লম্বা লম্বা বারান্দা পেরিয়ে যে ঘরটার সামনে আমাকে দাঁড় করানো হল সেটি হল ‘দিদির ঘর’। তখনও জানতাম না, কে এই দিদি। ঘোমটার ফাঁক দিয়ে দেখলাম প্রকাণ্ড একটা পালঙ্কের উপর দুধ সাদা থান পরে এক মহিলা বসে আছেন, যার চারপাশ দিয়ে যেন জ্যোতি বের হচ্ছে। বেশ ফর্সা, দোহারা চেহারা, মাথার চুল খাটো করে কাটা, দুটি প্রকাণ্ড চোখ নিয়ে আমার দিকে স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছেন, আমি ধীর পায়ে ঘরে প্রবেশ করে তাঁকে প্রণাম করলাম। ওই পরিচয়ের শুরু.... তারপর আজ ষোলো বছর ধরে তার অস্তিত্বকে অস্বীকার করার ক্ষমতা আমার হয়নি। বিশদ

27th  September, 2017
পিতা পুত্র
শান্তনু বসু

 জেনেতুন্নেসা বেগমের করুণ আর্তনাদ শেলের মতো এসে বিঁধছে বিজয় সিংয়ের অন্তরে, অপরাধবোধ যেন কুরে কুরে খাচ্ছে তাঁকে। নবাবের মৃত্যুর সব দায়ই যেন তাঁর। অথচ তিনি তো যুদ্ধ করছিলেন অন্যদিকে। নিষেধ না শুনে সামনে অনেকটা এগিয়ে গিয়েছিলেন সরফরাজ খাঁ। ভুল কৌশলে নিজের বিপদ নবাব নিজেই ডেকে এনেছিলেন। একথা যে বিজয় সিং জানেন না তা নয়। তবুও অপরাধবোধ, আত্মধিক্কার। অন্নদাতা প্রভুকে রক্ষা করতে পারেননি বিজয় সিং।
বিশদ

27th  September, 2017
দুর্গাদুপুর
বাণীব্রত চক্রবর্তী

 গৌতমের মোবাইল বেজে উঠল। অরণি ফোন করছে, ‘কী হল! এত দেরি করছিস কেন! শুভায়ু দুটোর মধ্যে চলে এসেছে।’ গৌতম বলল, ‘কী করব! বাস পাচ্ছি না।’ গৌতমের পকেটে কেবল সাঁইতিরিশ টাকা আছে। অরণি বলল, ‘ট্যাক্সিতে চলে আয়। আমি ভাড়া দিয়ে দেব।’ গৌতম ফোনটা কেটে দিল এবং সঙ্গে সঙ্গে ফোনের সুইচ অফ করে দিল। বিশদ

27th  September, 2017
আগমনি
সায়ন্তনী বসু চৌধুরী

 অনেকক্ষণ থেকে মোবাইলটা বেজে চলেছে। একটানা ঘ্যানর ঘ্যানর শব্দ। বিরক্ত হয়ে মহুয়া ঘরের দিকে এগিয়ে গেল। এই এক জিনিস হয়েছে। দু’ দণ্ড একলা থাকতে দেয় না কাউকে। যখনই একটু নিভৃতে নিজের সঙ্গে আলাপ চলে ওমনি বেজে উঠে সব তালগোল পাকিয়ে দেয়। সাত ইঞ্চির চওড়া স্ক্রিনে মায়ের নম্বরটা ফুটে উঠছে। মহুয়ার মুখে এক আকাশ কালো মেঘ এসে জমা হল। দু’তিনবার ঢোঁক গিলে গলাটা যতদূর সম্ভব স্বাভাবিক করে ও কলটা রিসিভ করল,
—‘হ্যাঁ মা, বলো বলো।’
বিশদ

27th  September, 2017
ঝাড়খিলি
পাপিয়া ভট্টাচার্য

 দালানের অন্য দিকে প্রবল চেঁচামেচি হচ্ছে। ‘বলু গো, কুমোরদের বলু! নারায়ণকে তুলে নিয়ে পালিয়েছে।’ হাঁপাতে হাঁপাতে খবর দিল শেফালি। সে এতক্ষণ শাঁখ বাজাচ্ছিল দালানে। ‘শাঁখ রাখতে গিয়েই তো দেখলুম, মশারি তুলে শ্রীধরকে নিয়ে ছুটল। আবার বলছে সন্ধ্যে থেকে রোজ ঘুম! এত ঘুম কিসের, এ্যাঁ? চলো আমার সঙ্গে বেড়িয়ে আসবে।’
বিশদ

27th  September, 2017
একনজরে
সংবাদদাতা, ইসলামপুর: রবিবার বিকালে উত্তর দিনাজপুর জেলার গোয়ালপোখর থানার পাঞ্জিপাড়ায় ৩১ নম্বর জাতীয় সড়কে দুর্ঘটনায় বাইক আরোহী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। দুর্ঘটনায় তার বাবা জখম হয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, মৃত তানিয়া মিত্র(৬) ইসলামপুরের পুরাতনপল্লির বাসিন্দা। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ফিফা অনূর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপ এখন শেষ লগ্নে। অন্যান্য যেসব রাজ্যে বিশ্বকাপের খেলা হয়েছে, তার তুলনায় কলকাতায় উন্মাদনা ছিল অনেক বেশি। তার মধ্যে বাংলার ছাত্রছাত্রীদের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পাতাল সফরে আরও বেশি এসি ট্রেন চাইছেন যাত্রীরা। বেড়েছে যাত্রীও। তবুও মেট্রোয় আসা দু’টি নতুন এসি রেককে যাত্রী পরিবহণে ব্যবহার করা হচ্ছে ...

সংবাদদাতা, ঘাটাল: শনিবারের চেয়ে রবিবার ঘাটাল মহকুমায় বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা অবনতি হয়েছে। এদিন ভোরে চন্দ্রকোণা-১ ব্লকের খামারবেড়িয়াতে ফেরিবাঁধ এবং চন্দ্রকোণা-২ ব্লকের কালাকড়িতে শিলাবতী নদীর বাঁধ ভেঙে নতুন করে বেশ কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ছোটখাট সমস্যার কারণে কর্মপ্রার্থীদের কর্মলাভে বিলম্ব হতে পারে। ব্যাবসা শুরু করা যেতে পার। মাঝে মাঝে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৫৪: কবি জীবনানন্দ দাশের মৃত্যু
১৯৮৮: অভিনেত্রী পরিণীতি চোপড়ার জন্ম
২০০৮: চিত্রশিল্পী পরিতোষ সেনের মৃত্যু
২০০৮: চন্দ্রায়ন-১-এর সূচনা

22nd  October, 2017
ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৪.২০ টাকা ৬৫.৮৮ টাকা
পাউন্ড ৮৩.৭৮ টাকা ৮৬.৬৩ টাকা
ইউরো ৭৫.৬০ টাকা ৭৮.২৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
21st  October, 2017
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৯,৯১০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৮,৩৭৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৮,৮০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪০,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪০,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৬ কার্তিক, ২৩ অক্টোবর, সোমবার, চতুর্থী অহোরাত্র, নক্ষত্র-অনুরাধা, সূ উ ৫/৪০/১২, অ ৫/১/৫৬, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৭/১১ মধ্যে পুনঃ ৮/৪২ গতে ১০/৫৮ মধ্যে। রাত্রি ঘ ৭/৩৫ গতে ১০/৫৬ মধ্যে পুনঃ ২/১৮ গতে ৩/৯ মধ্যে, বারবেলা ঘ ৭/৫ গতে ৮/৩০ মধ্যে পুনঃ ২/১২ গতে ৩/৩৭ মধ্যে, কালরাত্রি ৯/৪৭ গতে ১১/২১ মধ্যে।
৫ কার্তিক, ২৩ অক্টোবর, সোমবার, চতুর্থী রাত্রি ৫/০/৩৮, অনুরাধানক্ষত্র, সূ উ ৫/৪০/৮, অ ৫/১/৩৩, অমৃতযোগ দিবা ৭/১০/৫৯, ৮/৪১/৫১-১০/৫৮/৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩৩/১৭-১০/৫৫/৩৬, ২/১৭/৫৪-৩/৮/২৮, বারবেলা ২/১১/১২-৩/৩৬/২৩, কালবেলা ৭/৫/১৯-৮/৩০/২৯, কালরাত্রি ৯/৪৬/১-১১/২০/৫০। 
২ শফর

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
  ভারতের নিকোবর আইল্যান্ডে ভূমিকম্প
নিকোবর আইল্যান্ডে আজ সন্ধ্যায় ভূমিকম্প অনুভুত হয়। রিখটার স্কেলে যার ...বিশদ

08:25:00 PM

বাগুইআটিতে গ্রেপ্তার হাইকোর্টের আইনজীবী
সিগন্যাল ভেঙে এগিয়ে যাওয়া একটি গাড়ি ধরায় এক সিভিক ভলান্টিয়ারকে ...বিশদ

07:26:00 PM

অনুর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনাল গুয়াহাটির পরিবর্তে কলকাতায়

২৫ অক্টোবরের অনুর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপের ইংল্যান্ড-ব্রাজিল সেমিফাইনাল ম্যাচটি গুয়াহাটির পরিবর্তে ...বিশদ

05:40:00 PM

দক্ষিণেশ্বরের রামকৃষ্ণ সারদা মিশনের উদ্যোগে বাগবাজারে ভগিনী নিবেদিতার সার্ধশত জন্মজয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠানে ১৬ নং বোস পাড়া লেনের নিবেদিতার বাড়ি উদ্বোধন করলেন মূখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

04:51:00 PM

অমিতাভ মালিকের মৃত্যুর ঘটনায় তদন্তভার সিআইডির হাতে দিল রাজ্য সরকার 

04:30:10 PM

ডেবরায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে গোষ্ঠী সংঘর্ষের অভিযোগ, জখম ১০ 
তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষে উত্তপ্ত পশ্চিম মেদিনীপুরের ডেবরা। ঘটনায় ...বিশদ

04:09:02 PM

পর্ণশ্রীতে আত্মঘাতী মহিলা 
পর্ণশ্রীতে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হলেন এক মহিলা। ...বিশদ

02:33:00 PM