গল্পের পাতা
 

বিরিয়ানিবাবু

স্বপ্নময় চক্রবর্তী: দমদম জংশন থেকে নাগেরবাজার মোড়— এই দেড় কিলোমিটার ব্যাপ্তির দমদম রোডের ওপর ৯৫টি বিরিয়ানির দোকান গুণেছিলাম। প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে।
দোকানগুলো চলছে। একটাও খদ্দেরের অভাবে উঠে যাচ্ছে না, বরং বাড়ছে। একটি তেলেভাজার দোকান, ওখানে দেখলাম দেওয়ালে সাটা বিরিয়ানি পাওয়া যায়। জিজ্ঞাসা করি তেলেভাজার সঙ্গে বিরিয়ানিও করেছেন?— বলল সন্ধের পর করছি। দেশে বিরিয়ানিবাবুরা বেড়ে চলেছে যে...।
‘বিরিয়ানিবাবু’।
বিরিয়ানির সঙ্গে বাবু যুক্ত কথাটা আমার বেশ লাগল। একটু যেন বিদ্রুপও। বাবু শব্দটা একসময় সম্মানজ্ঞাপক বিশেষণ ছিল এখন কি ততটা আছে? চুরুটবাবু, স্যুটবাবু, এলআইসিবাবু (এজেন্ট অর্থে), ড্যানচিবাবু, নেতাবাবু— সবই একটু বিদ্রুপ মেশানো। বাবু শব্দটা বাংলায় এল কোত্থেকে? বাবা থেকে কি? বাপা বা বাপ থেকে বাপু এসেছে। বাংলা তো বটেই, সমস্ত উত্তর ভারতীয় ভাষায় ভালোবাসা বোঝাতে শব্দের শেষে উ-ধ্বনি যুক্ত হয়। যেমন ভালোবাসা বোঝাতে শব্দের শেষে উ-ধ্বনি যুক্ত হয়। যেমন বোঁচা-বুচু, ভাত-ভাতু, দুধ-দুদু, ন্যাড়া-নেড়ু ইত্যাদি। বাপা সেভাবেই বাপু হয়েছে। (ব্যাজস্তুতির মতো ছদ্ম ভালোবাসার চিহ্ন ও বাংলাভাষায় আছে। মার্কসবাদীদের সংক্ষেপে মাকু বলা হয় এখানে অবশ্য ভালোবেসে উ-ধ্বনি যুক্ত হয়নি। বাপা থেকে যেমন বাপু, বাবা থেকে বাবু।
কিছু উচ্চমধ্যবিত্ত ঘরে বাবাকে আদর করে বাপি ডাকা হয়। নিম্নমধ্যবিত্ত ঘরে বাবাকে বাবু ডাকতে শুনেছি। বাপা আর বাবা কাছাকাছি শব্দ। ব এবং প ধ্বনি প্রায়শই এধার-ওধার হয়ে যায়।
বপ্র শব্দটি সংস্কৃত। বাপা সংস্কৃতজাত। কিন্তু বাবা ফারসি। তবে বাবা এবং বাপার উৎস নিশ্চয়ই এক। (ইন্দো ইরানিয়ান)
সতেরশো সত্তর/ আশির আগে নামের সঙ্গে ‘বাবু’ যুক্ত হওয়ার কোনও প্রমাণ পাননি ঐতিহাসিকরা। বিনয় ঘোষ, গৌতম ভদ্র, অবন্তীকুমার সান্যাল, অরুণ নাগ এরা বাবু কালচার নিয়ে কাজ করেছেন। ওরা বাদশাহী খেতাবের মধ্যে বাবু পাননি। রাজা, খান, চৌধুরি, রায়বাহাদুর, খা বাহাদুর ইত্যাদি উপাধি প্রচলিত ছিল।
১৮৭১ সালে একজন বাবু বাহাদুরের সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল। ১৭৮০-৯০-এর আগে বাঙালি সম্ভ্রান্তদের বাবু উপাধি প্রায় নেই, আগেই বলেছি। কিন্তু ব্যক্তিগণ হিসাবে ‘বাবু’দেখা গিয়েছে। ‘বর্ধমান’ জমিদার বংশের আবু রায়ের ছেলের নাম বাবু রায়। ১৭০৫-১০ নাগাদ বাবু রায়ের জমিদারি ছিল। ১৭৬৬ সালে রাধাচরণ মিত্রের ফাঁসির হুকুম মকুবের জন্য বঙ্গ-বিহার-ওড়িশার কিছু বিশিষ্ট ব্যক্তি আবেদন করেছিলেন, তাদের মধ্যে একজনের নাম ছিল বাবুরাম পালিত। বিনয় ঘোষের বইতে দেখি— প্রথম দেশি মুদ্রণ যন্ত্রের মালিকের নাম বাবুরাম। মল্লিক পরিবার লাহা পরিবারের বংশতালিকাতেও বাবুরাম পাওয়া যায়। আর বাবুরাম সাপুড়ের কথা তো সবাই জানি। কিন্তু এই বাবুরা সবাই বিশেষ্য, বিশেষণ নয়।
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সঙ্গে ব্যাবসা পাতায় বেশ কিছু দেশি মানুষ। তারা অনেকেই পয়সাকড়ি করেছিলেন। তারা ক্রমশ বাবু নামে খ্যাত হতে থাকলেন। কিছুদিনের মধ্যে বাবু গুলিয়ে গেল কেরানিদের সঙ্গে। সাহেবি কোম্পানিগুলিতে যে সব বাঙালি কাজ করতেন, সাহেব রা ওদের বাবু বলতেন। বাবুদের অশুদ্ধ কৌতুককর ইংরেজিকে বলা হত বাবু’জ ইংলিশ। যেমন রথযাত্রা বোঝাতে বাবু বলছেন, উডেন টেম্পল। হুইল অ্যাট বটম। গড ইনসাইড, পুল-পুল-পুল গড়গড়... গড়গড়...। আবার ধনাঢ্য বেনিয়ান ও মুৎসুদ্দিদেরও বাবু বলা হতে লাগল। যেমন রামদুলাল বাবু, ছাতুবাবু, লাটুবাবু, তনুবাবু ইত্যাদি। কেরানিদের সঙ্গে এদের পৃথক করার জন্য কেরানি শব্দের পর বাবু বলা হত। কেরানিবাবু। আরও স্পষ্টভাবে আলাদা করার জন্য ধনাঢ্য বিলাসীদের নামের আগে বাবু বসানো হতে থাকে যেমন বাবু জগৎরাম মল্লিকবাবু রাধাকান্ত দেব, বাবু প্রসন্ন ঠাকুর...।
তিরিশ-চল্লিশ বছর পর এই প্রভেদটা আর রইল না। আশুতোষদের আশুতোষবাবু রাজেন্দ্র দত্ত রাজেনবাবু। কেশবচন্দ্র সেন থাকলেন। এই ধারাবাহিকতাতেই রবিবাবু, বঙ্কিমবাবু, শরৎবাবু থেকে জ্যোতিবাবু।
কিন্তু এই বাবু বিশেষণ বা সম্বোধন হিন্দুদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য ছিল। মুসলমানদের সম্মানসূচক বিশেষণ হল সাহেব। যেমন জিন্না সাহেব, সুধাওদি সাহেব, ফজলুল হক সাহেব ইত্যাদি। এই প্রসঙ্গে একটি সাম্প্রতিক কবি সম্মেলনের কথা বলি। সঞ্চালক কবিদের আহ্বান করছেন। শ্রীরণজিত দাস, শ্রীসব্যসাচী দেব ইত্যাদি। এবার সৈয়দ কওসর জামান সাহেব। কওসর সঞ্চালকের দিকে তাকিয়ে মৃদু হেসে বললেন— আমাকে দেখতে কি সাহেবের মতো মনে হচ্ছে?
এরকম একটা বিচ্ছিরি প্রথা সংগীত জগতেও দেখি। বড় মাপের মুসলমান সংগীত শিল্পীদের নামের আগে ওস্তাদ এবং হিন্দু শিল্পীদের নামের আগে পণ্ডিত বসানো হয়। যেখানে সাহেব কিংবা বাবু থাকে না, সেখানেও ধর্মীয় বিভাজন। হিন্দুদের নামের আগে শ্রী, মুসলমানদের ক্ষেত্রে জনাব। কর্পোরেট জগতে অবশ্য সবাই মিস্টার।
আঠারো শতকের শেষ দিকের ইংরেজি খবর কাগজগুলিতে Mr.-এর বিকল্প হিসাবে এদেশীয় সম্ভ্রান্তদের নামের আগে বাবু বলা হত। কিন্তু ব্রাহ্মণ পণ্ডিতেরা যতই ধনী হোক না কেন, বাবু হননি। বিদ্যাসাগর একসময় বিস্তর পয়সাকড়ি করেছিলেন, কিন্তু বাবু ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর হতে পারেননি। আর একটা মজার ব্যাপার বাঙালি হিন্দুরাই কেবল বাবু হলেন। পাশের রাজ্য অসম এবং ওড়িশাতেও নামের সঙ্গে বাবু বলার চল আছে যেমন অক্ষয়বাবু, রিজুবাবু, নবীনবাবু। কিন্তু উত্তর ভারতে নেই। লালুবাবু কেজরিয়ালবাবু হয় না। লালুজি হয়। মোদিবাবুও হয়, সেটা রাজনৈতিক রাগ দেখানোর জন্য। ব্যাঙ্গার্থে বাবু উচ্চরাণের সময় বা ধ্বনির পর ‘আ’ ধ্বনি একটু দীর্ঘ করা হয়। জ্যোতি বা-আ-আ-বু, বুদ্ধ বা-আ-আ-বু যেমন।
বাবু সম্বোধন এখন বেশ চাপে আছে। বাবুরাই এজন্য দায়ী। সে সময়ের বাবুরা যে সমস্ত কাণ্ড-কারখানা করেছেন, তা ধরা আছে টেকচাঁদের আলালের ঘরের দুলাল। ভবানীচরণের নববাবু বিলাস, কালীপ্রসন্নের হুতোম ইত্যাদি বইতে এবং গত কয়েক দশকের বাবু চর্চার বাবু শব্দটার ব্যবহার কমিয়ে দিয়েছে। ৫০/৬০ বছর আগেও কলেজে ছাত্ররাও বাবু যুক্ত হত।
এখন কেউ বাবু যুক্ত করে না। হাউসে বসরাও দাদা। বস যদি বয়সে বেশ বড় হয়, তখন দাদা বলা মুশকিল, অন্য উপায় বের করতে হয়। মেয়েরা বয়স নির্বিশেষ পরস্পরকে দিদি বলতে পারে। লেখক কবিরাও দাদাই হন। সুনীলবাবু, শক্তিবাবু, সুভাষবাবু, জয়বাবু নয়, সুনীলদা, শক্তিদা। ব্যতিক্রম শঙ্খ ঘোষের মতো প্রবল ব্যক্তিবানদের ক্ষেত্রে। শঙ্খ ঘোষকে শঙ্খদা ডাকা যায় না।
জ্যোতিদা ডাকতে পারতেন না ওর কমরেডরা। অর্মত্য সেনকে অর্মত্যদা ডাকা যায়না, আবার অর্মত্যবাবু বলাও মুশকিল। সব মিলিয়ে বাবু বড় মিষ্টি শব্দ। কতরকম রূপ।
যখন বলি বাবু হয়ে বসো— বুঝতে হবে মেঝেতে অনেকটা অর্ধ পদ্মাসনে বসতে হবে। যদি বলি বাবুসোনা— সব সময় আদর বোঝায় না। ব্যাঙ্গও বোঝায়। খবর কাগজে আমার একটি নিবন্ধের সঙ্গে সহমত না হয়ে একজন বিখ্যাত কবি অন্য নিবন্ধে আমাকে বাবুসোনা সম্বোধন করেছিলেন। বাদল সরকারের একটি পথ নাটিকায় বাবুচন্দ’র শব্দটা গালাগালির মতোই ব্যবহৃত হয়েছিল। ফুলবাবু শব্দটাও ‘ব্যাঙ্গার্থে’ই ব্যবহৃত হয়।
বঙ্কিমচন্দ্র বলেছিলেন, বিষ্ণুর ন্যায় বাবুদেরও দশম অবতারের নাম হল নিষ্কর্মা।
বঙ্কিমের পর আমরা এখন আরও দশ শতাব্দী পেরলাম। এখন বাবু কালচার পালটেছে অনেকটাই। নব্য বাবুরা বাগান বাড়িতে বাইজি নাচায় না, ডিস্কো থেকে নিজেরাই নাচে। বাবরি রাখে না, মাশরুম ছাঁট দেয়। ইংরেজের নয়, শাসকদলের কাছাকাছি থাকে। আতর নয়, ‘ডিও’ মাখে। লেবুর শরবত নয় লেমন জুস খায়। দই নয়, ইয়োগার্ট। এই নব্যবাবুদের ঘরে রান্না কম, বাইরের খাবার বেশি। গায়ে ফ্যাট হলে জিমে যাওয়া। এইসব ড্যানচিবাবুদের নিত্যনতুন নাম। ক্যামেরাবাবু, ভিডিওবাবু, ঘোড়াবাবু, বেনারসিবাবু ইত্যাদি। সেদিন শুনলাম বিরিয়ানিবাবু।
30th  April, 2017
 কালাপাহাড়

 বারিদবরণ ঘোষ: তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর গল্পে একটি বিধ্বংসী মোষের নাম দিয়েছিলেন কালাপাহাড়। কে জানে কেন এমন নামকরণ! মোষ সে কালো, সে ভেঙেচুরে ফেলে—তাতে কালো হতে পারে। কিন্তু কালা তো বধির—যে কানে শুনতে পায় না।
বিশদ

কিছু পথ কিছু কথা কলকাতা

 তরুণ চক্রবর্তী: রাজপুতানার ইতিহাসে আমরা পড়েছি ‘ধাত্রী পান্নার কাহিনি।’ নিজের সন্তানের প্রাণের বিনিময়েও প্রভুর পুত্রকে রক্ষা করে ত্যাগ ও কর্তব্য পরায়ণতার অনন্যা সাধারণ নজির গড়েছিলেন তিনি। আমাদের শাস্ত্রেও ধাত্রী বা ধাই-মাকে মাতৃসদৃশা জ্ঞানে উচ্চাসন দেওয়া হয়েছে।
বিশদ

 নির্জন অবভাসে

 কমলেশ রায়: আজ ফুলবেলা। রোজই সকলে ফুল পায় না। সপ্তাহে এই একটি দিন, রোববারের সকালে পাওয়া যায়। বাকি ক’টা দিন চরাচরের কোন দিক থেকে ওঠে ঘর-হলুদ রোদ। আর রাতে জুঁই-জ্যোৎস্নার বেহিসেবি ফিনকি দেওয়া, কখনও ঘন, কখনও কুয়াশার মতো আরও ঘনতর। লুকোচুরি খেলতে খেলতে এই পাহাড়ি টিবি স্যানাটোরিয়ামের ওপর দিয়ে পেরিয়ে যায়, রোগীরা কোনও খবর রাখে না। আসলে খবর রাখার জন্যে যে ঘরোয়া মানসিকতা, সেটাও কবে ফুরিয়ে গেছে। বিশদ

সেই যুবক

কলকাতা থেকে দূরে রজতপুরের পলিক্লিনিকে বসতে প্রথমটাই আপত্তি করেছিলেন সাইকিয়াট্রিস্ট ডঃ মৈনাক গুহ। বন্ধু শংকর বলেছিলেন, ‘ওখানে চেম্বার করো। একেবারে সোনার খনি। তোমার কপাল খুলে যাবে।’
বিশদ

16th  July, 2017
 ঠগবাজের দোকানে লাল বাতি

 বাড়ি ছিল তালুকদারদের। সেই বাড়ির ছেলে স্বপন আমার বাল্যকালের বন্ধু। স্বপনের বাবা মরে গেলে সে মায়ের সঙ্গে চলে যায় মামার বাড়ি। তারপর আর দেখা হয়নি। নাকি হয়েছিল একবার। স্বপন এসেছিল বাড়িতে তাদের অংশ দাবি করতে। সে ছিল ভয়ানক সময়। স্বপনের কাকা যোগেন স্বপনকে ভয় দেখিয়েছিল নকশাল বলে পুলিশের হাতে তুলে দেবে। ১৯৭১-’৭২-এর কথা বলছি। স্বপন দাবি ত্যাগ করে চলে গিয়েছিল। বিশদ

16th  July, 2017
 তারাখ্যাপা, মাতাজি ও নেতাজি সুভাষচন্দ্র

 ১৮৩৫ সাল। প্রসিদ্ধ রায় বেল্‌হর দুর্গ। এই দুর্গের কোনও এক কক্ষে মাতাজি গঙ্গাবাঈ প্রথম পৃথিবীর আলো দেখেন। দাক্ষিণাত্যের আর্কট প্রদেশের রাজা যোগীরাজের বংশের রাজকন্যা ছিলেন মাতাজি। রাজপরিবারে জন্ম হওয়া সত্ত্বেও ছোট থেকেই ভোগবিলাসের প্রতি তাঁর বিন্দুমাত্র আকর্ষণ ছিল না। রাজকন্যা হওয়ার ফলে তাঁকে রাজবংশের নানাবিধ নিয়মকানুন মেনেই চলতে হত। তা সত্ত্বেও তিনি বিদ্যাচর্চার পাশাপাশি নিয়মিত শরীরচর্চাও করতেন। সংস্কৃত ভাষার ওপর তাঁর দখল ছিল অপরিসীম। চিরকুমারী থাকার সংকল্প নিয়ে তিনি পঞ্চাগ্নিব্রতও পালন করেছিলেন।
বিশদ

16th  July, 2017
সভাঘরে

 সভাঘরে কবিতা পাঠের আগে বক্তৃতা পর্ব চলছে। সভাপতির আসনে সাহিত্যিক অনিমেষ নাথ। অকস্মাৎ পাখির ডাক। সভাপতির চলভাষ থেকে। মিনিট পাঁচেক আগে ঘোষক উপস্থিত সকলকে এই বাক বিনিময় যন্ত্রটি নির্বাক করে রাখার অনুরোধ জানালে সভাপতিমশাই নিজেও জোরালো সায় দিয়েছিলেন খানিক বক্তৃতাসহ। একটু অপ্রস্তুত হয়ে ফোন ধরে চাপা গলায় বললেন, ‘বল’।
বিশদ

09th  July, 2017
কিছু পথ কিছু কথা-কলকাতা
পর্ব-৩

 যে এলাকার পথের কথায় আসছি সেখানকার নামের পেছনেও ঘটনার কিছু ঘনঘটা আছে। নেমেছি যখন পথে এবং বিশেষ করে গলিঘুঁজির যতটা যা পারি তত্ত্বতালাশ করতে, তখন এটুকু প্রথমে বলে নিতেই হচ্ছে। সেকালের সুতানুটি গ্রাম আজকের শোভাবাজার বলে যাকে আমরা জানি, তার নাম হয়েছিল সভাবাজার এবং তারও আগে ওই গাঁয়ের নাম ছিল রাসপল্লি।
বিশদ

09th  July, 2017
 চিতোর রানি পদ্মিনী

  পদ্মা, পদ্মাবতী, পদুমাবৎ, পদ্মিনী— যে নামেই তাঁকে ডাকি— তিনি সাড়া দেবেন। সাড়া দেবেন ইতিহাসে এবং কিংবদন্তিতে। কট্টর ঐতিহাসিক বলবেন— পদ্মিনী একটা গল্পের নায়িকা, ইতিহাসের এর অস্তিত্ব নেই। কিংবদন্তি প্রতিবাদ জানাবে— যাঁর সৌন্দর্যের কাছে একটা পদ্মফুল হার মানে, তিনি গল্প হয়ে যাবেন। আলাউদ্দিন কি তবে মিছিমিছিই চিতোর দুর্গ দখল করেছিলেন।
বিশদ

09th  July, 2017
তারানাথের রোষে কপাল পুড়ল ম্যাজিষ্ট্রেটের 

অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়: শাসকদের রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছিলেন বড়মার জ্যেষ্ঠ সন্তান বামদেবের প্রিয় শিষ্য তারানাথ বা তারাখ্যাপা। এই প্রসঙ্গে ডাক্তার অভয়পদ চট্টোপাধ্যায় লিখছেন, ‘ তন্ত্রসাধকগণ ধরিত্রী বা বসুন্ধরাকে আপন ইষ্ট মাতৃকাস্বরূপেই দেখে থাকেন। বিশদ

02nd  July, 2017
ভা লো মা নু ষ - ম ন্দ মা নু ষ
কন্ধ উপজাতি-গঞ্জের চিকিৎসক
 

অমর মিত্র: ক’দিন আগেই সুখ্যাত এক বেসরকারি হাসপাতালে ধরা পড়েছে জাল ডাক্তার। নামের পাশে এমবিবিএস। আমি যে ডাক্তারবাবুর কথা বলছি, তিনিও ডাক্তার। আধুনিক চিকিৎসাবঞ্চিত আদিবাসী গ্রামে চিকিৎসা করেন। না তাঁর নামের পাশে ভুয়ো ডিগ্রি নেই। কেতাও নেই। বলি তাঁর কথা।
বিশদ

02nd  July, 2017



একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ২১ জুলাই শহিদ দিবসের সমাবেশে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের করা মন্তব্য নিয়ে ওঠা বিতর্কের ঝড় রাজ্যের গণ্ডি পেরিয়ে এবার জাতীয় স্তরে উঠে এল। নরেন্দ্র মোদির ব্যর্থতা তথা বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলির অপশাসন নিয়ে শুক্রবার ধর্মতলার ঐতিহাসিক সমাবেশমঞ্চ থেকে ...

 সংবাদদাতা, ঘাটাল: দুই দেশের খেলা দেখার জন্য ভিড় উপচে পড়ল দাসপুর-১ ব্লকের কলোড়াতে। শনিবার পশ্চিম মেদিনীপুর ফুটি অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে কলোড়া স্কুল ফুটবল মাঠে ভারতের জাতীয় ...

বিএনএ, রায়গঞ্জ: রায়গঞ্জ পুর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন স্থানে গত ৯ জুলাই আদিবাসী নাবালিকাদের ধর্ষণ এবং ঘটনার প্রতিবাদে ১৪ জুলাই শহরে আদিবাসীদের তাণ্ডবের পর শনিবার রায়গঞ্জে এসে বৈঠক করলেন আদিবাসী উন্নয়নমন্ত্রী জেমস কুজুর। এদিন কর্ণজোড়ায় সার্কিট হাউসে এই বৈঠক হয়েছে। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ইষ্টার্ন কোলফিল্ডের সালানপুর এলাকায় থাকা কর্মী আবাসন থেকে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ অনুসারে অন্তত ১০০ বেআইনি দখলদারকে উচ্ছেদ করা হয়েছে। বস্তুত, এই রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার বহু আবাসনেই তারপরেও প্রচুর বেআইনি দখলদার রয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ব্যাবসা সূত্রে উপার্জন বৃদ্ধি। বিদ্যায় মানসিক চঞ্চলতা বাধার কারণ হতে পারে। গুরুজনদের শরীর স্বাস্থ্য নিয়ে ... বিশদ



ইতিহাসে আজকের দিন

 ১৮৫৬- স্বাধীনতা সংগ্রামী বাল গঙ্গাধর তিলকের জন্ম
 ১৮৯৫ – চিত্রশিল্পী মুকুল দের জন্ম
 ২০০৪- অভিনেতা মেহমুদের মৃত্যু
 ২০১২- আই এন এ’ যোদ্ধা লক্ষ্মী সায়গলের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৫৫ টাকা ৬৬.২৩ টাকা
পাউন্ড ৮১.৯৮ টাকা ৮৪.৯৬ টাকা
ইউরো ৭৩.৫৬ টাকা ৭৬.১৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
22nd  July, 2017
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৯,০৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৭,৫৮০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৭,৯৯৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৬০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

 ৭ শ্রাবণ, ২৩ জুলাই, রবিবার, অমাবস্যা দিবা ৩/১৬, পুনর্বসুনক্ষত্র দিবা ৯/৫৩, সূ উ ৫/৭/৫৭, অ ৬/১৮/৫, অমৃতযোগ প্রাতঃ ৬/১-৯/৩১ রাত্রি ৭/৪৫-৯/১১, বারবেলা ১০/৪-১/২২, কালরাত্রি ১/৪-২/২৬।
৬ শ্রাবণ, ২৩ জুলাই, রবিবার, অমাবস্যা ৩/৫২/৫৯, পুনর্বসুনক্ষত্র ১১/৫/৩৬, সূ উ ৫/৪/৫০, অ ৬/২০/৬, অমৃতযোগ দিবা ৫/৫৭/৫১-৯/২৯/৫৫, বারবেলা ১০/৩/৩-১১/৪২/২৮, কালবেলা ১১/৪২/২৮-১/২১/৫২, কালরাত্রি ১/৩/৪-২/২৩/৩৯।
 ২৮ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ভারতের জয়ের জন্য ২ ওভারে ১১ রান প্রয়োজন 

10:09:14 PM

ভারতের জয়ের জন্য ৬ ওভারে ৩১ রান প্রয়োজন 

09:47:31 PM

ভারত ১৪৫/৩ (৩৫ ওভার) 

09:08:03 PM

ভারত ১২০/২ (৩০ ওভার) 

08:45:54 PM

ভারত ৬৯/২ (২০ ওভারে)

08:10:29 PM

ভারত ৪৩/২ (১২ ওভারে)

07:41:49 PM