গল্পের পাতা
 

ভা লো মা নু ষ - ম ন্দ মা নু ষ
ভয় দেখাতেন বংশীচন্দ্র

পর্ব-১৭ 
অমর মিত্র: বংশীবাবুর বাড়ি তফাবনি কিংবা কুলবনি। বাঁকুড়া। তিনি সম্পন্ন গেরস্ত। জমি আছে। ছেলে ইস্কুল টিচার। ভালই বেতন। তাঁর জমির ধারে ঝোরা আছে। ফলে অসেচ এলাকার জমি সেচসেবিত হয়ে গেছে। ঝোরার বিস্তৃতি সামান্য, কিন্তু সারা বছর তিরতিরে জল থাকে। এপার ওপার দুই পারে তাঁর জমি। তখন হাতির উপদ্রব ছিল না। জঙ্গল গভীর ছিল। আমি পঁচিশ বছর আগের কথা বলছি। পঁচিশ বছর আগে বংশীবাবুর সঙ্গে আমার দেখা হয়েছিল বড়জোড়ায়। বড়জোড়া দুর্গাপুর বাঁকুড়া মহাসড়কের ধারে এক গঞ্জ। সেই গঞ্জে বংশীবাবুর অফিস। ভূমি সংস্কার দপ্তরের বড়বাবু। কৃষ্ণকায় গোলগাল মানুষ। মাথাভর্তি ঘন কালো চুল। তখন তাঁর বয়স বছর পঞ্চাশ। শাদা ধুতি আর শার্ট পরেন। প্রতিদিন এগারটায় অফিসে ঢোকেন। তারপর জল খাওয়া, চা খাওয়া, এর ওর খবর নেওয়া, খবর দেওয়া করতে করতে বেলা বারোটা। মধ্যে দশ মিনিটের জন্য অফিসারের ঘরে ঢোকেন। গুড মর্নিং স্যার, বেলিয়াতোড় থেকে বড়জোড়া রাস্তাটা এত খারাপ হয়েছে যে একটা বড় কিছু না হয়ে যায় না।
বড় কিছু মানে ? তরুণ অফিসার একটু উদ্বিগ্ন হয়ে জিজ্ঞেস করেন।
অ্যাকসিডেন্ট, বাস না উলটে যায় না, আপনি বড়জোড়ায় বাসা নিন।
কলকাতার মানুষ অফিসার বাসা নিয়ে একা থাকেন বেলিয়াতোড়। বেলিয়াতোড় থেকে বড়জোড়া বাসে মিনিট কুড়ি। বংশীবাবু আসেন যে তফাবনি থেকে, তাঁকেও আসতে হয় বেলিয়াতোড় হয়ে একই পথে। নিজের বাস উল্টোবে না, অফিসারের বাস উলটে যাওয়ার সম্ভাবনা যথেষ্ট ? সেই কথা জিজ্ঞেস করলে, তিনি বললেন, তাঁর যা ছিল সব পঞ্চাশ বছরের আগে। মহাজ্যোতিষী বলেছেন। আর কোষ্টী গণনায়ও তা আছে। বছর পঁয়তাল্লিশে তিনি দিল্লি যাচ্ছিলেন কালকা মেলে। গাড়ি কোথায় একটা লাইন চ্যুত হয়েছিল। খুব বাঁচা বেঁচে গিয়েছিলেন। একটা দিন খুব হয়রানি হয়েছিল। সেই গেছে ফাঁড়া। আর একবার, যখন তাঁর আটচল্লিশ, বছর তিন আগে ট্যাক্সি ধাক্কা মেরেছিল গাছে। তাঁর কিছু হয়নি। আপনার একটু সাবধান হওয়া উচিত, বছর চল্লিশ কিন্তু খুব ঝুঁকির বয়স।
বংশীবাবুর কথা শুনে আর এক ক্লার্ক লিয়াকত আলি ্বলল, আপনি ভয় দেখাচ্ছেন কেন স্যারকে, আপনার গাড়ির কিছু হবে না, স্যারের গাড়ির হবে।
বংশীবাবু বললেন, চান্স আছে, হবেই যে এমন কথা বলছি না, হতেও পারে।
বংশীচরণ চক্রবর্তী মশায় সব সময় ভয় দেখাতেন। ভয় দেখানই তাঁর অভ্যাস ছিল। সব কিছুই বক্র দৃষ্টিতে দেখতেন। মন্দ দৃষ্টিতে দেখতেন সব কিছুকেই। কোনো কিছুই ভালো না। কোনো কিছুর সম্ভাবনাই ভালো না। কেউ যদি কিছু করতে যায়, তার পতন অবসম্ভাবী। বংশীবাবু ছিলেন এমন। অথচ মানুষটি খারাপ নন। খারাপ নন মানে ঘুষ নিতেন না, কাউকে ফেরাতেন না। কিন্তু অনুগ্রহ প্রার্থীকে প্রথমেই বলতেন, দেখি সে ফাইল খুঁজে পাই কি না, কিংবা দেখি তোমার জমির পরচা খতিয়ান ইঁদুরে কাটল কি না। বুঝলে তো এই অফিসে ইঁদুর আর উই দুইই আছে, আর তাদের কাজ কাগজ খাওয়া।
লোকটি তো ভয় পেয়েছে খুব। ভয় পাবেই। সে তার জমি বিক্রি করবে বলেই পরচার কপি তুলতে এসেছে। এই সব বলে বংশীচন্দ্র কিন্তু ডি-গ্রুপ কর্মচারীকে বললেন ফুলডিহি মৌজার জমির রেকর্ড নিয়ে আসতে। ডি-গ্রুপ কর্মচারীকে অর্ডার করে আবার চাষীটিকে বললেন, বললাম তো, কিন্তু পাওয়া যাবে বলে সন্দেহ, এতদিন নাওনি কেন ?
কী বলবে সে? হাত কচলাতে থাকে। আধঘন্টার উপর হয়ে গেল। রেকর্ড আসেনি। খুঁজছে রেকর্ড কিপার। এই আধঘন্টা সেই গ্রাম্য মানুষটির কাছে ভয়ানক হয়ে উঠল। সামনের চেয়ারে বসিয়ে নিজের পয়সায় তাকে চা খাওয়াতে খাওয়াতে বংশীবাবু বলে যাচ্ছেন, যদি পরচা না পাওয়া যায়, তবে তার সমূহ বিপদ। কী বিপদ, না সে জমি বেচতে পারবে না। জমি যদি অন্য কেউ দখল করে নেয়, তাহলে জমি ফেরত পেতে তো অসুবিধে হবে। পরচা দেখাতে হবে তো সরকারি আমিনকে। কী দেখাবে? লোকটির পর্চা ছিল। তা সে হারিয়েছে। তার চোখে প্রায় জল এসে গেল। তখন রেকর্ড এল বংশীবাবুর টেবিলে। তিনি বললেন, তোমার কপাল খুব ভালো, পেয়ে গেলে, পাওয়ার কথা নয় তবু পেলে।
এই হলেন বংশীচন্দ্র। তাঁর অফিসের কর্তা যে কাজই করতে যান, যে সিদ্ধান্ত নিতে যান, শুনলেই বংশীচন্দ্র বলবেন,ভেবে চিন্তে সিদ্ধান্ত নেবেন স্যার, দেখবেন পরে আপনার পেনশন আটকে না যায়! অদ্ভুত কথা। অফিসার অবসর নেবেন আরো কুড়ি বছর পরে। সেই কথা স্মরণ করিয়ে বংশীচন্দ্র তাঁকে সাবধান করছেন। তিনি দামোদর নদ এ তদন্ত করাতে তিনজনকে পাঠাচ্ছেন। নদী থেকে যথেচ্ছ বালি তুলে পাচার করে দিচ্ছে দুর্গাপুরের এক বালি ব্যবসায়ী। তদন্ত করতে বলেছে হেড অফিস। কিন্তু বংশীচন্দ্র বলছেন, বালি ব্যবসায়ী নরহরি যাদবের হাত অনেক দূর। তার বিরুদ্ধে রিপোর্ট করলে বিপদ হতে পারে। কিন্তু মিথ্যে রিপোর্ট কি দেওয়া যায়? না স্যার, তাহলেও পেনশন নিয়ে সমস্যা হতে পারে। প্রমোশনও পিছিয়ে যেতে পারে। অফিসার ভয় পান না। বলেন, হলে আর কী হবে?
বংশীচন্দ্র উদাহরণ দেন, অজিত মুখার্জি মশায়ের। তিনি ঠিক কাজ করে উত্তরবঙ্গ বদলি হয়ে গিয়েছিলেন। আবার নিমাই পালিত সারা জীবন ঠিক কাজ করে একবার তাঁর উপরওয়ালার মর্জি মতো কাজ করতে গিয়ে সাসপেন্ড। উপরওয়ালা তো দায়ই নিলেন না। সরকারি চাকরি খুব রিস্কি স্যার। যা করবেন ভেবে চিন্তে করবেন। যা করবেন না, তাও ভেবে চিন্তে করবেন। এই সেদিন বাঁকুড়া যাওয়ার পথে বড়জোড়া পার হলাম। বংশীচন্দ্রের কথা মনে পড়ল। ভয় দেখিয়ে খুব আনন্দ হতো তাঁর। সেই সময় ভয় পাইনি আমি তাই একটু দুঃখে ছিলেন বংশীচন্দ্র। সেই দুঃখটিকে আমি টের পাই এখনও।
অলংকরণ: সোমনাথ পাল
23rd  April, 2017
 কালাপাহাড়

 বারিদবরণ ঘোষ: তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর গল্পে একটি বিধ্বংসী মোষের নাম দিয়েছিলেন কালাপাহাড়। কে জানে কেন এমন নামকরণ! মোষ সে কালো, সে ভেঙেচুরে ফেলে—তাতে কালো হতে পারে। কিন্তু কালা তো বধির—যে কানে শুনতে পায় না।
বিশদ

কিছু পথ কিছু কথা কলকাতা

 তরুণ চক্রবর্তী: রাজপুতানার ইতিহাসে আমরা পড়েছি ‘ধাত্রী পান্নার কাহিনি।’ নিজের সন্তানের প্রাণের বিনিময়েও প্রভুর পুত্রকে রক্ষা করে ত্যাগ ও কর্তব্য পরায়ণতার অনন্যা সাধারণ নজির গড়েছিলেন তিনি। আমাদের শাস্ত্রেও ধাত্রী বা ধাই-মাকে মাতৃসদৃশা জ্ঞানে উচ্চাসন দেওয়া হয়েছে।
বিশদ

 নির্জন অবভাসে

 কমলেশ রায়: আজ ফুলবেলা। রোজই সকলে ফুল পায় না। সপ্তাহে এই একটি দিন, রোববারের সকালে পাওয়া যায়। বাকি ক’টা দিন চরাচরের কোন দিক থেকে ওঠে ঘর-হলুদ রোদ। আর রাতে জুঁই-জ্যোৎস্নার বেহিসেবি ফিনকি দেওয়া, কখনও ঘন, কখনও কুয়াশার মতো আরও ঘনতর। লুকোচুরি খেলতে খেলতে এই পাহাড়ি টিবি স্যানাটোরিয়ামের ওপর দিয়ে পেরিয়ে যায়, রোগীরা কোনও খবর রাখে না। আসলে খবর রাখার জন্যে যে ঘরোয়া মানসিকতা, সেটাও কবে ফুরিয়ে গেছে। বিশদ

সেই যুবক

কলকাতা থেকে দূরে রজতপুরের পলিক্লিনিকে বসতে প্রথমটাই আপত্তি করেছিলেন সাইকিয়াট্রিস্ট ডঃ মৈনাক গুহ। বন্ধু শংকর বলেছিলেন, ‘ওখানে চেম্বার করো। একেবারে সোনার খনি। তোমার কপাল খুলে যাবে।’
বিশদ

16th  July, 2017
 ঠগবাজের দোকানে লাল বাতি

 বাড়ি ছিল তালুকদারদের। সেই বাড়ির ছেলে স্বপন আমার বাল্যকালের বন্ধু। স্বপনের বাবা মরে গেলে সে মায়ের সঙ্গে চলে যায় মামার বাড়ি। তারপর আর দেখা হয়নি। নাকি হয়েছিল একবার। স্বপন এসেছিল বাড়িতে তাদের অংশ দাবি করতে। সে ছিল ভয়ানক সময়। স্বপনের কাকা যোগেন স্বপনকে ভয় দেখিয়েছিল নকশাল বলে পুলিশের হাতে তুলে দেবে। ১৯৭১-’৭২-এর কথা বলছি। স্বপন দাবি ত্যাগ করে চলে গিয়েছিল। বিশদ

16th  July, 2017
 তারাখ্যাপা, মাতাজি ও নেতাজি সুভাষচন্দ্র

 ১৮৩৫ সাল। প্রসিদ্ধ রায় বেল্‌হর দুর্গ। এই দুর্গের কোনও এক কক্ষে মাতাজি গঙ্গাবাঈ প্রথম পৃথিবীর আলো দেখেন। দাক্ষিণাত্যের আর্কট প্রদেশের রাজা যোগীরাজের বংশের রাজকন্যা ছিলেন মাতাজি। রাজপরিবারে জন্ম হওয়া সত্ত্বেও ছোট থেকেই ভোগবিলাসের প্রতি তাঁর বিন্দুমাত্র আকর্ষণ ছিল না। রাজকন্যা হওয়ার ফলে তাঁকে রাজবংশের নানাবিধ নিয়মকানুন মেনেই চলতে হত। তা সত্ত্বেও তিনি বিদ্যাচর্চার পাশাপাশি নিয়মিত শরীরচর্চাও করতেন। সংস্কৃত ভাষার ওপর তাঁর দখল ছিল অপরিসীম। চিরকুমারী থাকার সংকল্প নিয়ে তিনি পঞ্চাগ্নিব্রতও পালন করেছিলেন।
বিশদ

16th  July, 2017
সভাঘরে

 সভাঘরে কবিতা পাঠের আগে বক্তৃতা পর্ব চলছে। সভাপতির আসনে সাহিত্যিক অনিমেষ নাথ। অকস্মাৎ পাখির ডাক। সভাপতির চলভাষ থেকে। মিনিট পাঁচেক আগে ঘোষক উপস্থিত সকলকে এই বাক বিনিময় যন্ত্রটি নির্বাক করে রাখার অনুরোধ জানালে সভাপতিমশাই নিজেও জোরালো সায় দিয়েছিলেন খানিক বক্তৃতাসহ। একটু অপ্রস্তুত হয়ে ফোন ধরে চাপা গলায় বললেন, ‘বল’।
বিশদ

09th  July, 2017
কিছু পথ কিছু কথা-কলকাতা
পর্ব-৩

 যে এলাকার পথের কথায় আসছি সেখানকার নামের পেছনেও ঘটনার কিছু ঘনঘটা আছে। নেমেছি যখন পথে এবং বিশেষ করে গলিঘুঁজির যতটা যা পারি তত্ত্বতালাশ করতে, তখন এটুকু প্রথমে বলে নিতেই হচ্ছে। সেকালের সুতানুটি গ্রাম আজকের শোভাবাজার বলে যাকে আমরা জানি, তার নাম হয়েছিল সভাবাজার এবং তারও আগে ওই গাঁয়ের নাম ছিল রাসপল্লি।
বিশদ

09th  July, 2017
 চিতোর রানি পদ্মিনী

  পদ্মা, পদ্মাবতী, পদুমাবৎ, পদ্মিনী— যে নামেই তাঁকে ডাকি— তিনি সাড়া দেবেন। সাড়া দেবেন ইতিহাসে এবং কিংবদন্তিতে। কট্টর ঐতিহাসিক বলবেন— পদ্মিনী একটা গল্পের নায়িকা, ইতিহাসের এর অস্তিত্ব নেই। কিংবদন্তি প্রতিবাদ জানাবে— যাঁর সৌন্দর্যের কাছে একটা পদ্মফুল হার মানে, তিনি গল্প হয়ে যাবেন। আলাউদ্দিন কি তবে মিছিমিছিই চিতোর দুর্গ দখল করেছিলেন।
বিশদ

09th  July, 2017
তারানাথের রোষে কপাল পুড়ল ম্যাজিষ্ট্রেটের 

অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়: শাসকদের রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছিলেন বড়মার জ্যেষ্ঠ সন্তান বামদেবের প্রিয় শিষ্য তারানাথ বা তারাখ্যাপা। এই প্রসঙ্গে ডাক্তার অভয়পদ চট্টোপাধ্যায় লিখছেন, ‘ তন্ত্রসাধকগণ ধরিত্রী বা বসুন্ধরাকে আপন ইষ্ট মাতৃকাস্বরূপেই দেখে থাকেন। বিশদ

02nd  July, 2017
ভা লো মা নু ষ - ম ন্দ মা নু ষ
কন্ধ উপজাতি-গঞ্জের চিকিৎসক
 

অমর মিত্র: ক’দিন আগেই সুখ্যাত এক বেসরকারি হাসপাতালে ধরা পড়েছে জাল ডাক্তার। নামের পাশে এমবিবিএস। আমি যে ডাক্তারবাবুর কথা বলছি, তিনিও ডাক্তার। আধুনিক চিকিৎসাবঞ্চিত আদিবাসী গ্রামে চিকিৎসা করেন। না তাঁর নামের পাশে ভুয়ো ডিগ্রি নেই। কেতাও নেই। বলি তাঁর কথা।
বিশদ

02nd  July, 2017



একনজরে
 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বহরমপুর সেন্ট্রাল জেল থেকে চিকিৎসার জন্য কলকাতায় নিয়ে আসা বিচারাধীন বন্দি উধাও হল হাসপাতাল থেকে। পলাতক ওই বন্দির নাম সোহেল রানা (২৫)। ...

 সংবাদদাতা, ঘাটাল: দুই দেশের খেলা দেখার জন্য ভিড় উপচে পড়ল দাসপুর-১ ব্লকের কলোড়াতে। শনিবার পশ্চিম মেদিনীপুর ফুটি অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে কলোড়া স্কুল ফুটবল মাঠে ভারতের জাতীয় ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ইষ্টার্ন কোলফিল্ডের সালানপুর এলাকায় থাকা কর্মী আবাসন থেকে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ অনুসারে অন্তত ১০০ বেআইনি দখলদারকে উচ্ছেদ করা হয়েছে। বস্তুত, এই রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার বহু আবাসনেই তারপরেও প্রচুর বেআইনি দখলদার রয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। ...

দিব্যেন্দু বিশ্বাস, নয়াদিল্লি, ২২ জুলাই: জাতীয় গড়ের তুলনায় পশ্চিমবঙ্গে বেকারত্বের হার বেশি। সম্প্রতি লোকসভায় কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রী বন্দারু দত্তাত্রেয়’র পেশ করা রিপোর্টে প্রকাশ পেয়েছে এই তথ্য। একইসঙ্গে সংশ্লিষ্ট রিপোর্টে কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রী এও উল্লেখ করেছেন যে, ২০১২-১৩ আর্থিক বছরের তুলনায় ২০১৫-১৬ অর্থবর্ষে ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ব্যাবসা সূত্রে উপার্জন বৃদ্ধি। বিদ্যায় মানসিক চঞ্চলতা বাধার কারণ হতে পারে। গুরুজনদের শরীর স্বাস্থ্য নিয়ে ... বিশদ



ইতিহাসে আজকের দিন

 ১৮৫৬- স্বাধীনতা সংগ্রামী বাল গঙ্গাধর তিলকের জন্ম
 ১৮৯৫ – চিত্রশিল্পী মুকুল দের জন্ম
 ২০০৪- অভিনেতা মেহমুদের মৃত্যু
 ২০১২- আই এন এ’ যোদ্ধা লক্ষ্মী সায়গলের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৫৫ টাকা ৬৬.২৩ টাকা
পাউন্ড ৮১.৯৮ টাকা ৮৪.৯৬ টাকা
ইউরো ৭৩.৫৬ টাকা ৭৬.১৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
22nd  July, 2017
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৯,০৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৭,৫৮০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৭,৯৯৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৬০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

 ৭ শ্রাবণ, ২৩ জুলাই, রবিবার, অমাবস্যা দিবা ৩/১৬, পুনর্বসুনক্ষত্র দিবা ৯/৫৩, সূ উ ৫/৭/৫৭, অ ৬/১৮/৫, অমৃতযোগ প্রাতঃ ৬/১-৯/৩১ রাত্রি ৭/৪৫-৯/১১, বারবেলা ১০/৪-১/২২, কালরাত্রি ১/৪-২/২৬।
৬ শ্রাবণ, ২৩ জুলাই, রবিবার, অমাবস্যা ৩/৫২/৫৯, পুনর্বসুনক্ষত্র ১১/৫/৩৬, সূ উ ৫/৪/৫০, অ ৬/২০/৬, অমৃতযোগ দিবা ৫/৫৭/৫১-৯/২৯/৫৫, বারবেলা ১০/৩/৩-১১/৪২/২৮, কালবেলা ১১/৪২/২৮-১/২১/৫২, কালরাত্রি ১/৩/৪-২/২৩/৩৯।
 ২৮ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ভারতের জয়ের জন্য ২ ওভারে ১১ রান প্রয়োজন 

10:09:14 PM

ভারতের জয়ের জন্য ৬ ওভারে ৩১ রান প্রয়োজন 

09:47:31 PM

ভারত ১৪৫/৩ (৩৫ ওভার) 

09:08:03 PM

ভারত ১২০/২ (৩০ ওভার) 

08:45:54 PM

ভারত ৬৯/২ (২০ ওভারে)

08:10:29 PM

ভারত ৪৩/২ (১২ ওভারে)

07:41:49 PM