Bartaman Patrika
গল্পের পাতা
 

পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয় 

ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়: মধ্যপ্রদেশের গুণা জেলায় সুন্দরী চান্দেরিতে এক বনময় পর্বতের গুহায় দেবী জাগেশ্বরীর অধিষ্ঠান। ইনি শুধু দেবী নন, মহাদেবী। মাত্র ২০০ মিটার উঁচু এই দুর্গ শহরের আকর্ষণ ঐতিহাসিক গুরুত্ব, দেবী মহিমা ও লোভনীয় চান্দেরি শাড়ির জন্য।
প্রথমবার গিয়েছিলাম গোয়ালিয়র শিবপুরী হয়ে। দ্বিতীয়বার ঝাঁসি থেকে ললিতপুরের পথে। হাওড়া বা কলকাতার দিক থেকে কেউ গেলে ঝাঁসি হয়ে যাওয়াই ভালো।
চান্দেরিতে এলে দুর্গ পাহাড়ের নীচে অনেক দর্শনীয় স্থানের মধ্যে বাদলমহল একটি। বাদলমহল হল সুউচ্চ প্রাচীর ঘেরা উদ্যানময় নয়নাভিরাম একটি স্থান। চান্দেরির শ্রেষ্ঠ আকর্ষণ এটি। একদা যুদ্ধ জয়ের স্মারক হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে হলুদ রঙের পাথরে তৈরি এখানকার বিশাল তোরণ ও স্তম্ভ। এর পিছনেই সেই ঐতিহ্যময় দুর্গ। যার আকর্ষণেই সবাই আসে।
এখান থেকে জাগেশ্বরী মাতার মন্দির ও দুর্গ দেখতে যাওয়ার জন্য অটোর ব্যবস্থা আছে। তবে আমি পাহাড়ি পথে সিঁড়ি বেয়েই দর্শনে গিয়েছিলাম।
পাহাড়ে ওঠার মুখে নির্জন বনময় প্রদেশে প্রথমে একটু ভয় যে করেনি তা নয়। তবুও সাহস করে দু-এক ধাপ যাওয়ার পর কয়েকজন রমণীকে পুজো দিয়ে ফিরতে দেখে মনে জোর এল। ভরসা পেলাম। শুরু করলাম পর্বতারোহণ। ধাপে ধাপে সিঁড়ি ক্রমশ উঠে গেছে উপর দিকে। কী দারুণ সুন্দর প্রকৃতি এখানকার। তবে বড্ড খাড়াই। আশপাশে অনেক পুরনো কেল্লা ও প্রাসাদের ধ্বংসাবশেষ দেখে মনটা উদাস হয়ে গেল।
এইভাবে বেশ কিছুক্ষণ যাওয়ার পর এসে পৌঁছলাম দেবীকুণ্ডে। তারই পাশ দিয়ে ধাপে ধাপে সিঁড়ি বেয়ে তোরণ পেরিয়ে মন্দির প্রাঙ্গণে প্রবেশ করলাম। একটি গুহাকে কেন্দ্র করে দেবীর মন্দির। দেবী জাগেশ্বরী এখানে মহাকালী রূপে অধিষ্ঠিতা। আমি সামান্য পুজো দিয়ে এখানকার যিনি পূজারি, তাঁর কাছে দেবীর মাহাত্ম্য জানতে চাইলাম।
পূজারি আমার মুখের দিকে তাকিয়ে আমি কোথা থেকে এসেছি তা জেনে বললেন, ‘আপনি কি দেবীকুণ্ড দর্শন করেছেন?’
আমি বললাম, ‘অবশ্যই। পাহাড়ের মাথায় এমন বনময় পরিবেশে এই ধরনের কুণ্ড সচরাচর দেখা যায় না।’
‘তাহলে বলি শুনুন। এখানকার দেবীকে নিয়ে কোনও পৌরাণিক আখ্যান জড়িয়ে নেই। দেবী এখানে স্ব-মহিমায় জাগ্রতা। বহুকাল আগে এই বনময় পার্বত্য প্রদেশে চান্দের নামে এক দুর্বৃত্ত এসে ঘাঁটি করেছিল। তা একবার তার দলের লোকেরা দূরের কোনও জনপদে ডাকাতি ও লুণ্ঠন করতে গেলে চান্দের একাই ছিল ঝোপড়িতে।
এখানকার পাহাড়ে তখন অনেক ছোট ছোট গুহা ছিল। চান্দের তার লুটের মাল সেখানেই লুকিয়ে রেখে পাহারা দিত। একদিন সে এক পূর্ণিমার রাতে নির্ভয়ে একা একাই পায়চারি করছিল। এমন সময় সে দেখতে পেল দুগ্ধধবলা এক গাভী কাছেই একটি জলাশয়ে জলপান করছে। এমন সময় সে দেখল বনের ভেতর থেকে একটা কেঁদো বাঘ এক পা এক পা করে গাভীটির দিকে এগিয়ে আসছে। চান্দের বুঝল পরিণতি খুব ভয়ঙ্কর। তাই বাঘটাকে হত্যা করবার জন্য সঙ্গে রাখা তির-ধনুক নিয়ে মারতে উদ্যত হল। কিন্তু আশ্চর্য! বাঘটা গাভীর কিছুই করল না। গাভীও ভয় পেল না বাঘকে দেখে। বাঘ অনেকক্ষণ ধরে গাভীকে আদর করে চলে গেল স্ব-স্থানে। গাভীটিও পাহাড়ের একটু উচ্চ স্থানে উঠে একটি গুহার মধ্যে প্রবেশ করল।
এমন অভাবনীয় দৃশ্য দেখে চান্দের কেমন যেন হয়ে গেল। পরদিন সকালে সে গুহা দর্শনে গিয়ে গতরাতের কোনও নিদর্শনই দেখতে পেল না।
সেদিনই সন্ধ্যায় আবার ওই আশ্চর্য দৃশ্য দেখবার জন্য উন্মুখ হয়ে রইল চান্দের। এমন সময় দেখল গাভীর বদলে এক পরমাসুন্দরী রমণী গুহার ভেতর থেকে ধীরে ধীরে নেমে আসছে জলাশয়ের দিকে। চান্দের আর থাকতে পারল না। তখনই সেই রমণীর কাছে গিয়ে বলল, ‘কে তুমি মা? এই গহন বনে একাকী বিচরণ করছ কেন?’
রমণী বললেন, ‘আমি তো একা নই। আমার স্বামীও আছেন।’
‘কোথায় তিনি?’
‘এখনও তাঁর আসার সময় হয়নি।’
চান্দের বলল, ‘আমি দীর্ঘদিন এই বনে বাস করছি। এর আগে তো কখনও দেখিনি আপনাকে।’
‘আমাকে দেখার সময় যে তখনও হয়নি তোমার। ওই যে শিলাটি তুমি দেখছ উনিই আমার স্বামী। এই জলাশয় হল দেবীকুণ্ড। এর জলে আমি ওর অভিষেক করব। কাল রাতে যা তুমি দেখেছ তা সবই আমার মায়ায়। ওই গাভী ও বাঘ আমরাই স্বামী-স্ত্রী রূপে তোমাকে দেখা দিয়েছি।’
চান্দের বলল, ‘তা তো দিয়েছেন। এখন মা আপনি কৃপা করে বলুন আপনি কে?’
রমণী বললেন, ‘আমি পার্বতী। এখানে আমি গুপ্তভাবে আছি। এই রম্যস্থানে আমি সদাজাগ্রত থাকি। তাই এখানে আমি জাগেশ্বরী। আমি তোমার কাছ থেকে ভক্তির পূজা পেতে চাই। তুমি দস্যুবৃত্তি ত্যাগ করে এখন থেকে আমার এই গুহায় বসে সাধনা এবং জীবের কল্যাণ কামনা করো। এই জলাশয়ের মধ্যে আমার একটি শিলাময় রূপ আছে। ওই গুহায় নিয়ে গিয়ে তাকেই তুমি প্রতিষ্ঠা করো।’
পরদিন সকালেই চান্দের সেই জলাশয়ের ভেতর থেকে দেবীর শিলাময় মূর্তি উদ্ধার করে গুহায় নিয়ে গিয়ে দেবীকে প্রতিষ্ঠা করে সাধনা করতে লাগল। দেবীর মায়ায় চান্দেরের সেই দস্যুদলও আর ফিরে এল না। ধীরে ধীরে দেবী মহিমা প্রকাশ হতেই অথবা স্বপ্নাদেশ পেয়ে দূর-দূরান্ত থেকে ভক্ত যাত্রীরা আসতে লাগল দলে দলে এবং দেবীর মহিমা বিস্তার করতে লাগল। পরবর্তী কালে চান্দেল্লা রাজবংশের রাজারা এখানে এসে দেবীকুণ্ডের সংস্কার ও গুহাকে কেন্দ্র করে মন্দির নির্মাণ করেন।
কাহিনী শুনে আপ্লুত হয়ে আমি দেবী ও তাঁর পূজারিকে প্রণাম করে তাঁরই নির্দেশিত পথে চান্দেরির দুর্গ দেখতে চলে গেলাম। এই দেবভূমির রমণীয় পরিবেশে দু’বার এসেও আমার মন ভরেনি। বারে বারেই মনে হয় চান্দেরির ওই গুহা মন্দিরে আরও একবার গিয়ে দেবী জাগেশ্বরীর চরণ বন্দনা করে আসি।
(ক্রমশ)
অলংকরণ : সোমনাথ পাল 
30th  June, 2019
বীরবল
তপন বন্দ্যোপাধ্যায়

 বাদশাহের মর্জিতেই তাকে নামানো হয়েছে লড়াইতে, কিন্তু তাকে কিছুতেই বাগ মানাতে পারছে না তার পিলবান। কিছুক্ষণের মধ্যেই সে প্রতিদ্বন্দ্বী হাতিকে ছেড়ে তাড়া করল এক জওয়ান লেড়কা দর্শককে, সেই লেড়কা দ্রুত পালিয়ে ঢুকে গেল আম-আদমির ভিড়ের মধ্যে। হাতিটা তখন দূর থেকে দেখছে বীরবরের লাল বেনিয়ান পরা চেহারাটা। বিশদ

17th  November, 2019
 বন্ধুত্ব
তপনকুমার দাস

দীনবন্ধুর যে ক’জন বন্ধু ছিল, তাদের সবাই প্রায় হারিয়ে গেছে। কলেজবেলার পর চাকরিবেলার শুরুতেই হারানোর পালা শুরু হতে হতে সংসারবেলায় পৌঁছে একেবারে ফেড আউট হয়ে গেছিল যাবতীয় বন্ধুত্ব। একে অপরকে ভুলে যেতে যেতে একসময় গল্পের উঠোনে গিয়ে দাঁড়িয়েছিল সব বন্ধুত্ব।
বিশদ

17th  November, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
পুষ্করের সাবিত্রী মা
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় 

পর্ব-৩৫

রাজস্থান ভ্রমণে এসে পুষ্কর তীর্থে স্নান করে ভারতের একমাত্র ব্রহ্মা মন্দিরে পুজো দিয়ে সাবিত্রী পাহাড়ে সাবিত্রী মাতাকে দর্শন করেন না এমন যাত্রী নেই বললেই চলে।
আজমির থেকে পুষ্করের দূরত্ব ১১ কিমি।  
বিশদ

10th  November, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়  

৩৫

ঔপন্যাসিক উপেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়। ১৩৩৪ বঙ্গাব্দের আষাঢ় মাসে ‘বিচিত্রা’ পত্রিকা প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হল এক নতুন যুগের। জন্ম হল উপেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় নামে এক স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রতিষ্ঠানের। সম্পর্কে তিনি ছিলেন কথা সাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মামা।   বিশদ

10th  November, 2019
সম্পর্ক
সম্পন্ন চৌধুরী 

রাত প্রায় বারোটা
মুষলধারে বৃষ্টি হয়েই চলেছে। থামার কোনও লক্ষণই যেন নেই। কিন্তু গরমটা কিছুতেই যেন কমছে না। মানে বৃষ্টিটা আরও হবে। গোটা বাড়িটাই প্রায় জলে ভরে গেছে। ঘরের ভিতরেও জল ঢুকবে ঢুকবে করছে। 
বিশদ

10th  November, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
দেশনোকের করণীমাতা
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

পর্ব-৩৪

দেশনোকের করণীমাতার প্রসঙ্গে এবার আসা যাক। ইনি রাজস্থানের মরু অঞ্চলে রাজ পরিবারের আরাধ্যা দেবী। করণীমাতার মন্দির হচ্ছে পৃথিবীবিখ্যাত মন্দির, অসংখ্য ইঁদুরের জন্য এই মন্দির ‘চুহা মন্দির’ নামে প্রসিদ্ধ। সেবার রাজস্থান ভ্রমণের সময় মুলতানি ঘাঁটির কোলায়েতে গিয়েছিলাম কপিলমুনির মন্দির ও পবিত্র সরোবর দেখতে।  
বিশদ

03rd  November, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায় 

৩৪

সংসার সুখের হয় রমণীর গুণে। জমে উঠল বন্দ্যোপাধ্যায় দম্পতির সুখের সংসার। আর সেই দৃশ্য দেখে বিধাতা বোধহয় একটু মুচকি হেসেছিলেন, হয়তো মনে মনে বলেছিলেন, বিভূতিভূষণ, সুখ নয় , তোমাকে আমি পৃথিবীতে পাঠিয়েছি সৃষ্টি করার জন্য, সুখভোগের অধিকারী তুমি নও!  
বিশদ

03rd  November, 2019
পরম্পরা
বিনতা রায়চৌধুরী 

প্রাণগোপাল সরকার জমিদার না হলেও গ্রামের একজন অত্যন্ত সম্পন্ন গৃহস্থ। বিঘের পর বিঘে জমিতে তাঁর ধান চাষ হয়। ধান-চালের ব্যবসায়ে প্রাণগোপাল সবদিক থেকেই সার্থক। তারসঙ্গে সে সৎ-ও। তাঁর অধীনস্থ কোনও কর্মচারীকে সে ঠকায় না।  
বিশদ

03rd  November, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
সিদ্ধপীঠ রাজরপ্পা
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

 এবার ছিন্নমস্তা দেবীর কথা বলি। দশমহাবিদ্যার ভয়ঙ্করী রূপের প্রকাশ ছিন্নমস্তায়। এটি হল মহাদেবীর অন্তর্মুখী রূপ। এঁর স্বরূপ অনুধাবন করার শক্তি একমাত্র সাধকের পক্ষেই সম্ভব। ছিন্নশির হয়েও ইনি জীবিত থাকেন। চতুর্দিকে এঁর বসন। অর্থাৎ ইনি দিগবসনা। বিশদ

27th  October, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়

 কিন্তু সুখ দীর্ঘস্থায়ী নয়। পঞ্চাননবাবু মারা যাওয়ার আগে জাহ্নবীদেবী এক কন্যা সন্তানের মাতা হন। কিন্তু পিতার অকাল মৃত্যুর দায় বহন করতে হয়েছিল সদ্যোজাত সেই কন্যা সন্তানকে। তাকে চট পেতে শুইয়ে রাখা হতো বাড়ির বাইরের নারকেল গাছের তলায়। স্বভাব কবি বিভূতিভূষণকে নাড়িয়ে দিয়েছিল এই দৃশ্য। বিশদ

27th  October, 2019
ঝাঁপ
পার্থ বন্দ্যোপাধ্যায়

 বাবলু তিনতলার ছাদ থেকে দূরের চার্চের ঘড়িটার দিকে তাকিয়ে আছে। ঘড়ির কাঁটা ঘুরে চলেছে। সেকেন্ডের কাঁটা ঘুরে ঘুরে বারোটার কাছে যাচ্ছে। আর কয়েকটা মুহূর্ত। তারপর-ই বাবলু ঝাঁপ দেবে। নিজেকে ছিন্নভিন্ন করে শেষ করে দেবে। এখন ছাদের এক কোণায় এসে ও দাঁড়িয়েছে। এখানটাতে রেলিং নেই।
বিশদ

20th  October, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

 নদীর বালুচরে পথ চলতে চলতে হঠাৎই একটি বালি সংগ্রহকারী লরি এসে পড়ায় আমরা তারই সাহায্যে এগিয়ে গেলাম অনেকটা পথ। এইভাবে বিশেষ একটি জায়গায় যাওয়ার পর যেখানে লরি থেকে নামলাম সেখান থেকে একই নদী-কাঠের গুঁড়ির সাঁকোয় কতবার যে পার হলাম তার ঠিক নেই। বিশদ

20th  October, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়

 এই দাম্পত্য জীবন কিন্তু মোটেই দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। ঠিক ষোলো মাসের মাথায় পুজোর পর পরই একই দিনে আগে মা কামিনী দেবী এবং তার কিছুক্ষণ পরেই চলে গেলেন মেয়ে গৌরী দেবী। মহামারীর আকারে সেবার বাংলায় প্রবেশ করেছিল ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো এক জ্বর। সেই জ্বরে কিছুক্ষণের তফাতে একই পরিবার থেকে অকালে ঝরে গেল দুটি প্রাণ। বিশদ

20th  October, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
মণিকূটের বিগ্রহ, পর্ব-৩১
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় 

তিব্বতের লোহিত সরোবর থেকে বয়ে আসা সাংমা (ব্রহ্মপুত্র) নদের তীরে পাহাড় নদী ও নানা দেব-দেবীর মন্দিরে ভরা এক অন্য তীর্থভূমির কথা এবার বলব। তার কারণ স্থানটি গুয়াহাটি শহর থেকে মাত্র ৩২ কিমি দূরে— হাজো। এটি হল নানা ধর্মসমন্বয়ের ক্ষেত্র। অনেকেই কিন্তু এই স্থানটির সম্বন্ধে পরিচিত নন। 
বিশদ

13th  October, 2019
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: শয়নে স্বপনে এখন শুধুই গোলাপি টেস্ট। যার উন্মাদনা কেবল সমর্থকদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে ভারতীয় ক্রিকেটারদের মধ্যেও। দেশের মাটিতে প্রথমবার ...

ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল।  ...

ইসলামাবাদ, ১৮ নভেম্বর (পিটিআই): ভারতের অগ্নি-২ ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষার একদিন পরেই পাকিস্তান শাহিন-১ নামের একটি ক্ষেপণাস্ত্রের সফল উৎক্ষেপণ করল। ৬৫০ কিলোমিটার দূরের বস্তুকে আঘাতে সক্ষম পাক ক্ষেপণাস্ত্র শাহিন-১। ...

মাইসুরু, ১৮ নভেম্বর: রবিবার মাইসুরুতে একটি বিয়েবাড়িতে যোগ দিতে গিয়ে আততায়ীর হামলায় গুরুতর জখম হলেন কর্ণাটকের কংগ্রেস বিধায়ক তনভির সাইত। তাঁর উপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় এক ব্যক্তি। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মপ্রার্থীদের কর্মলাভ কিছু বিলম্ব হবে। প্রেম-ভালোবাসায় সাফল্য লাভ ঘটবে। বিবাহযোগ আছে। উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় থেকে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৩৮: সমাজ সংস্কারক কেশবচন্দ্র সেনের জন্ম
১৮৭৭: কবি করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯১৭: ভারতের তৃতীয় প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর জন্ম
১৯২২: সঙ্গীতকার সলিল চৌধুরির জন্ম
১৯২৮: কুস্তিগীর ও অভিনেতা দারা সিংয়ের জন্ম
১৯৫১: অভিনেত্রী জিনাত আমনের জন্ম 





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৮৪ টাকা ৭২.৫৪ টাকা
পাউন্ড ৯১.০৬ টাকা ৯৪.৩৪ টাকা
ইউরো ৭৭.৮৫ টাকা ৮০.৮১ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৫৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৬০৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,১৫৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৪,৪০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৪,৫০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১৯ নভেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার, সপ্তমী ২৪/১১ দিবা ৩/৩৬। অশ্লেষা ৩৮/৩৮ রাত্রি ৯/২২। সূ উ ৫/৫৫/২২, অ ৪/৪৮/২৩, অমৃতযোগ দিবা ৬/৪০ মধ্যে পুনঃ ৭/২৩ গতে ১১/০ মধ্যে। রাত্রি ৭/২৬ গতে ৮/১৯ মধ্যে পুনঃ ৯/১১ গতে ১১/৪৯ মধ্যে পুনঃ ১/৩৪ গতে ৩/১৯ মধ্যে পুনঃ ৫/৫ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৭/১৬ গতে ৮/৩৮ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৩ গতে ২/৫ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/২৭ গতে ৮/৫ মধ্যে। 
২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১৯ নভেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার, সপ্তমী ১৯/২৬/৫২ দিবা ১/৪৩/৫৬। অশ্লেষা ৩৬/১/৪১ রাত্রি ৮/২১/৫১, সূ উ ৫/৫৭/১১, অ ৪/৪৮/১৯, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫০ মধ্যে ও ৭/৩০ গতে ১১/৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/২৮ গতে ৮/২১ মধ্যে ও ৯/১৪ গতে ১১/৫৪ মধ্যে ও ১/৪১ গতে ৩/২৮ মধ্যে ও ৫/১৪ গতে ৫/৫৮ মধ্যে, বারবেলা ৭/১৮/৩৬ গতে ৮/৪০/১ মধ্যে, কালবেলা ১২/৪৩/১৫ গতে ২/৫/৪০ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/২৭/৪ গতে ৮/৫/৪০ মধ্যে।
২১ রবিয়ল আউয়ল  

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
বুধেরহাটে অ্যাসিড খেয়ে আত্মঘাতী বধূ 
স্বামীর সঙ্গে অশান্তির জেরে অ্যাসিড খেয়ে আত্মঘাতী হলেন এক বধূ। ...বিশদ

06:22:42 PM

মালদহের প্রশাসনিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় 

06:13:00 PM

বিধানসভায় পালিত হবে সংবিধান দিবস 
২৬ এবং ২৭ নভেম্বর রাজ্য বিধানসভায় পালিত হবে সংবিধান দিবস। ...বিশদ

03:59:00 PM

প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিতে মালদহে পৌঁছলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

03:58:52 PM

ডেঙ্গুতে পাঁচ বছরের এক শিশুকন্যার মৃত্যু 
ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল পাঁচ বছরের এক শিশুকন্যার। মৃতের ...বিশদ

02:28:49 PM

শিশুদের সঙ্গে মঞ্চে অভিনয়ে নামছেন মদন মিত্র 
শিশুদের নিয়ে এবার নাট্য উৎসবের আয়োজন করতে চলেছেন মদন মিত্র। ...বিশদ

02:22:00 PM