Bartaman Patrika
গল্পের পাতা
 

পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
সিদ্ধপীঠ জলপা, পর্ব-১৬
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

মৈহরপীঠ দর্শনের পর সে রাতটা মৈহরেই কাটালাম। পরদিন সকাল সাড়ে সাতটার ইন্টারসিটি এক্সপ্রেসে ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই কাটনিতে। মধ্য রেলওয়ের কাটনি একটি গুরুত্বপূর্ণ জংশন স্টেশন। এ যাত্রায় আমি ঘরমুখো হব বলেই কাটনিতে এলাম। কেন না এখানে ট্রেন একটু বেশিক্ষণ দাঁড়ায় তাই।
আমার সঙ্গে সামান্য মালপত্তর সহ যে কিটব্যাগটা থাকে সেটি রেলের ক্লোকরুমে রেখে এলাম।
এখানে যে রেলকর্মচারী ছিলেন তিনি বেশ সদালাপী। আমার ব্যাগ জমা নিয়ে বললেন, ‘কাটনিতে কোথায় এসেছিলেন? এখানে কোনও আত্মীয় আছে নাকি?’
আমি তখন আমার কথা বললাম। ‘বহু তীর্থ দর্শন করলেও মৈহরপীঠ বাকি ছিল। তাই মৈহর মাতাকে দর্শন করে ট্রেন ধরার সুবিধার জন্য এখানে এসেছি।’
উনি দু’হাত জোড় করে কপালে ঠেকিয়ে বললেন, ‘আপনি আসেননি। এখানকার মা-ই আপনাকে কৃপা করে টেনে নিয়ে এসেছেন। এই কাটনিতেই সিদ্ধপীঠে বিরাজ করছেন জলপা দেবী। কেউ কেউ জালোয়া বা জলবাও বলেন। ইনি হলেন ত্রিগুণাত্মিকা দেবী। এখন আপনি আর এদিক-সেদিক না করে এখনকার জাগ্রতা মাতাকে দর্শন করে আসুন।’
আমি উল্লসিত হয়ে বললাম, ‘নিশ্চয়ই যাব। এটাই তো আমার কাজ। জলপা দেবীর মন্দির এখান থেকে কতদূর? যাবই বা কীভাবে?’
‘স্টেশনের বাইরে গিয়ে একটা অটো অথবা রিকশ নিন। মাত্র দু’ কিলোমিটার পথ।’
মুহূর্তমাত্র দেরি না করে বাইরে এসে এক কাপ চা খেয়ে সেই দোকান থেকে পথ নির্দেশ নিয়ে হাঁটা শুরু করলাম। দু’ কিমি পথের জন্য কোনও পরিবহনেরই দরকার হয় না আমার।
নতুন এক দেবী তীর্থ দেখার আনন্দে মন আমার দারুণভাবে উন্মুখ হয়ে উঠেছে। ভাগ্যে কাটনিতে এসেছিলাম।
কিছুদূর আসার পর প্রশস্ত রাজপথের উপর একটি মন্দিরকে ঘিরে অনেক জনসমাগম দেখে ভাবলাম এই বোধহয় জলপা মাতার স্থান। তবে মন্দিরে বিগ্রহ দর্শন করে ভুল ভাঙল। এই মন্দির হল দক্ষিণমুখী বড়ে হনুমানের মন্দির। ইনি হলেন এখানকার রক্ষক। সর্বজনের সংকটমোচনের জন্য ইনি সদা জাগ্রত।
মন্দিরে প্রণাম জানিয়ে আরও খানিক যাওয়ার পর এলাম লক্ষ্মীনারায়ণ মন্দিরে। সেখানে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে আরতি দর্শন করে আর এক রম্য মন্দিরে এলাম। এটি সাঁই মন্দির। শিরডি সাঁইবাবার শ্বেতপাথরের পূর্ণাবয়ব মূর্তি দর্শন করে মন ভরে গেল। এই মন্দিরেরই বিপরীত দিকের গলিতে নবনির্মিত একটি কালীমন্দির অতিক্রম করলেই জলপা দেবীর স্থান।
একটি তোরণ পার হয়ে প্রথমেই এলাম ভৈরব মন্দিরে। জাগ্রত ভৈরবকে দর্শনের পর জলপা মন্দিরে। হিমালয় ভ্রমণের সময় চম্বাতে রাভী নদীর তীরে জলপা ভবানীর মন্দির ও বিগ্রহ দেখেছিলাম। সেই দেবী হলেন চণ্ডী। কিন্তু এখানকার যিনি অধিষ্ঠাত্রী তিনি কে?
অনেকখানি পাঁচিল ঘেরা জায়গা জুড়ে জলপা দেবীর মন্দির। মন্দির প্রাঙ্গণে ভক্ত দর্শনার্থীদের সংখ্যাও অনেক। তবে বেশিরভাগই মেয়ে। একপাশে বিশাল একটি বটবৃক্ষের নীচে অনেক দেব-দেবীর মূর্তি। সেখানেও জল ঢালা, সিঁদুর লেপা ও পুজো-আচ্চা চলছে। আমি সেখানে মাথা ছুঁইয়ে মূল মন্দিরে এলাম। মন্দিরটি বেশ খোলামেলা। ঘিঞ্জি নয়। সেখানে আছেন পরপর তিন দেবী। মন্দিরের সেবায়েতকে জিজ্ঞেস করলাম, ‘পণ্ডিতজি, এঁদের মধ্যে জলপা মাতা কোনটি?’
সেবায়েত বললেন, ‘মাঝেরটি। এখানে ত্রিগুণাত্মিকা দেবী, মহাকালী, মহালক্ষ্মী ও মহাসরস্বতী। তবে মহাসরস্বতী এখানে মধ্যস্থলে। এই দেবী এখানে পিণ্ডরূপা নন। মূর্তিমতী।’
আমি অনিমেষ নয়নে জলপা দেবীকে দর্শন করে বললাম, ‘এই দেবী কি একান্ন পীঠের অন্তর্গত কোনও দেবী?’
‘না। এটি কোনও পীঠ বা উপপীঠ নয়। এটি হল সিদ্ধপীঠ।’
জলপা দেবী দর্শনের পর মন্দির প্রাঙ্গণে প্রাচীরের গায়ে বহু দেবদেবীর মূর্তি খোদাই করা আছে দেখলাম। পুণ্যার্থী ভক্ত মহিলারা এঁদের সবাইকে ক্লান্তিবিহীনভাবে পুষ্পচন্দন, আলোচালসহ জলসিঞ্চন করছেন দেখলাম। এই দেবীরা কেউ ভয়ঙ্করী, কেউ সৌমাতিসৌম্য, কেউ বরাহমুখী, কেউ অশ্বমুখী, কেউ বা সারমেয়মুখী। ধন্দে পড়লাম। এঁরা কোন দেবী? অনুসন্ধানে জানলাম এই সব মূর্তি হল চৌষট্টি যোগিনীর। এঁরা মন্দির বেষ্টন করে জলপা দেবীকে রক্ষা করছেন।
এখানকারই একজন সেবায়েতের মুখে শুনলাম এই কাটনি শহর বা সিদ্ধপীঠ একসময় ছিল ভয়ঙ্কর মহারণ্যে ভরা ও শ্বাপদ সংকুলে পরিণত। কিছু ভীল ও শবর শ্রেণীর মানুষের বসবাস ছিল এখানে। এমনকী কোনও জলাশয়েরও চিহ্ন ছিল না। রামায়ণের যুগে ব্রহ্মর্ষি জাবালি এই মহারণ্যে কঠোর তপস্যা করেন। তাঁরই তপোপ্রভাবে এই স্থান সিদ্ধপীঠে রূপান্তরিত হয়।
রামায়ণ পরবর্তী যুগেরও অনেক পরে এই মহারণ্যে হঠাৎ আবির্ভাব হয় এক দিব্যজ্যোতিসম্পন্ন যোগীর। বর্তমান মন্দির প্রাঙ্গণে যে গাছটি আছে (প্রাচীন গাছটি নেই) সেখানে বসে তিনি কঠোর সাধনা শুরু করেন। এমনই সাধনা যে তিনি ছিলেন ক্ষুধা তৃষ্ণা রহিত। বনবাসী ভীলরা তাঁর সামনে কোনও ফল মূলাদি রেখে গেলেও তিনি তা গ্রহণ করতেন না।
এমন যখন অবস্থা তখন একরাতে এক অতীব সুন্দরী রমণী নানাবিধ অন্নব্যঞ্জন ও পরমান্ন এনে তাঁর তপোভঙ্গ করালেন। তারপর যোগীর মনোরঞ্জনের জন্য নানারকম ছলাকলায় নৃত্যগীতাদির দ্বারা তাঁর চিত্তবৈকল্য আনার চেষ্টা করলেন। এমনকী এও বললেন, ‘হে যোগীবর! শরীরের ধর্ম পালন না করে শরীরকে কষ্ট দিয়ে সিদ্ধিলাভ করা যায় না। অতএব তুমি প্রসাদ গ্রহণ করো।’ যোগীবর প্রসাদ গ্রহণ করলেন কিন্তু ছলাকলায় মজলেন না।
এইভাবে চৌষট্টি রমণীর ছলনায় চৌষট্টি রজনী অতিক্রান্ত হলে তাঁরা সবাই দিব্য শরীরে দেখা দিয়ে সাধককে বললেন, ‘আর তোমাকে সাধনা করতে হবে না যোগীবর। তুমি সিদ্ধিলাভ করেছ।’
যোগীবর বললেন, ‘আপনাদের পরিচয়?’
‘আমরা এখানকার দেবীর সহচরী। দেবী ত্রিগুণাত্মিকা। মহাকালী, মহাসরস্বতী ও মহালক্ষ্মী। ত্রিশক্তির ধারিকা হয়েও তিনি একাঙ্গী। এই বনভূমে এক রমণীয় সরোবরে দেবীর অধিষ্ঠান। দেবী কখনও উগ্রচণ্ডী, কখনও অশুভনাশিনী, জ্ঞানদায়িনী। আমরা এই চৌষট্টি যোগিনী সব সময় দেবীকে পাহারা দিই। রক্ষা করি। দেবীর প্রকাশ ব্রহ্ম হতে। দেবীর সহচরী আমরা। আসুন আপনি আমাদের সঙ্গে। আমরা দেবীকে দর্শন করিয়ে আনি।’
চৌষট্টি যোগিনীর সঙ্গে সরোবরের তীরে আসতেই শ্বেতশুভ্রা হংসবাহনা দেবীর দর্শন পেলেন সাধক।
দেবীর মহিমা প্রকট হল। জল থেকে উৎপত্তি বলে দেবীর নাম হল জালোয়া, জলবা বা জলপা। সাধকের কৃপায় এই স্থান সিদ্ধপীঠে পরিণত হল।
(ক্রমশ)
23rd  June, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধূলোয়
সৌন্দত্তির দেবী ইয়েলাম্মা, পর্ব-২৮
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়  

এবার রওনা দেওয়া যাক সুদূর কর্ণাটকের দিকে। এখানে সৌন্দত্তিতে আছেন ভক্তজন বাঞ্ছিতদেবী ইয়েলাম্মা। ইনি হলেন মূলত দেবদাসীদের আরাধ্যা দেবী। প্রতিবছর মাঘীপূর্ণিমা তিথিতে দলে দলে মেয়েরা এই মন্দিরে দেবদাসী হন। 
বিশদ

15th  September, 2019
ছায়া আছে, কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায় 

২৮
আবার মৃত্যু, কবি-জীবন থেকে ঝরে যাবে আরও একটি ফুল। কবির জ্যেষ্ঠা কন্যা মাধুরীলতা। ডাকনাম বেলা। কবির বেল ফুল-প্রীতির কথা পরিবারের সবাই জানতেন। সেই ভালোবাসার কথা মাথায় রেখেই কবির মেজ বৌঠান জ্ঞানদানন্দিনী দেবী সদ্যোজাত কন্যার নাম রাখলেন বেলা। রবীন্দ্রনাথ তাঁর এই কন্যাকে নানা নামে ডাকতেন, কখনও বেলা, কখনও বেল, কখনও বেলি, কখনও বা বেলুবুড়ি। 
বিশদ

15th  September, 2019
অবশেষে এল সে
রঞ্জনকুমার মণ্ডল 

ঋজু অফিস থেকে ফিরতেই রণংদেহি মূর্তি নিয়ে সামনে দাঁড়াল রিনি, প্রশ্ন করল, ‘তুমি গতকাল আদিত্যদের বাড়িতে গিয়েছিল?’
একটু থমকে দাঁড়াল ঋজু, জানতে চাইল, ‘তুমি কোন আদিত্যর কথা বলছ? আমার কলিগ?’ 
বিশদ

15th  September, 2019
ছায়া আছে, কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়

প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুরের পুত্র, ব্রাহ্ম নেতা,আচার্য, দানবীর মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর জীবনের শেষ উইলটি এবার করবেন। তাঁর মন আজকে বড়ই শান্ত, কাকে কী দেবেন তা পূর্ব রাত্রেই ঠিক করে ফেলেছেন। মনে আর কোনও দ্বিধা বা সংশয় নেই। কারণ তিনিও যে তার পায়ের শব্দ শুনতে পাচ্ছেন। মৃত্যুর পায়ের শব্দ— দিন ফুরিয়ে এল, এবার ফেরার পালা!
বিশদ

08th  September, 2019
কোলহাপুরের মহালক্ষ্মী - পর্ব-২৭
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

ভারতের মুখ্য দেবীপীঠগুলির মধ্যে করবীর নিবাসিনী মহালক্ষ্মী হলেন অন্যতমা। করবীর বর্তমানে কোলহাপুর নামে খ্যাত। কোলহাপুরং মহাস্থানং যত্র লক্ষ্মী সদা স্থিতা। পঞ্চগঙ্গার দক্ষিণ তীরে অবস্থিত এবং ৫১ (মতান্তরে ৫২) পীঠের অন্তর্গত এই মহাপীঠে সতীর ত্রিনয়ন (ঊর্ধ্বনেত্র) পতিত হয়েছিল। মহারাষ্ট্রের পুনে থেকে আমি কোলহাপুরে গিয়েছিলাম।
বিশদ

08th  September, 2019
তর্পণ
দেবাঞ্জন চক্রবর্তী

রাত শেষ হয়ে এসেছে। এই সময় স্বপ্নটা দেখছিল সমীরণ। স্বপ্ন বলে কোনওভাবেই সেটাকে শনাক্ত করা যাচ্ছে না। অথচ সে স্পষ্ট বুঝতে পারছে— এখন যা ঘটছে তা বাস্তবে ঘটা সম্ভব নয়। বাবা চলে গেছেন আজ পঁচিশ বছর হল। পঁচিশ বছরে বাবার মাত্র একটা স্বপ্ন দেখেছে সে। এই নিয়ে সমীরণের মনের মধ্যে দুঃখও আছে। লোকে নাকি মৃতদের নিয়ে স্বপ্ন দেখে।
বিশদ

08th  September, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধূলোয়
দেবী সপ্তশৃঙ্গী, পর্ব-২৬
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়  

সহ্যাদ্রি পর্বতে দেবী সপ্তশৃঙ্গীর বাস। তাই এবারে আসা যাক সহ্যাদ্রি পর্বতমালার বুকে নাসিকের সপ্তশৃঙ্গীতে। এর উচ্চতা ৫ হাজার ২৫০ ফুট। কাজেই স্থানটি শীতল ও রমণীয়। 
বিশদ

01st  September, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়  

২৬
বাজার সরকার শ্যামলাল গঙ্গোপাধ্যায়ের কন্যা, ঠাকুর পরিবারের অন্যতম কৃতী ও গুণবান সন্তান জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্ত্রী কাদম্বরী দেবীর মৃত্যু জোড়াসাঁকোর সেই বিখ্যাত বাড়ির সদস্যদের সম্পর্কের ভিতে বোধহয় চোরা ফাটল ধরিয়ে দিয়েছিল। অনেকেই কাদম্বরী দেবীর মৃত্যুর জন্য তাঁর স্বামীর দিকেই আঙুল তুলতেন। তাঁরা মনে করতেন স্বামীর অবহেলা, কথার খেলাপ অভিমানিনী কাদম্বরী দেবী কিছুতেই মেনে নিতে পারতেন না।  
বিশদ

01st  September, 2019
তিথির অতিথি
প্রদীপ আচার্য 

‘বাবা, উনি কাঁদছেন।’ চোখের ইশারায় গোলোকচন্দ্রকে বাইরে ডেকে নিয়ে নিচুস্বরে কথাটা বলল তিথি। গোলোকচন্দ্র আকাশ থেকে সটান মাটিতে পড়লেন। বললেন, ‘ধ্যাৎ, খামোখা কাঁদতে যাবেন কেন?’ 
বিশদ

01st  September, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায় 

২৫
‘কাদম্বিনী মরিয়া প্রমাণ করিল, সে মরে নাই।’ ‘জীবিত ও মৃত’। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ছোট গল্প। এখানেও এসেছেন কাদম্বরী দেবী, তবে নিজ নামে নয় কাদম্বিনী নামে। এই গল্পের শেষ অর্থাৎ ক্লাইম্যাক্সে কি হল! শোনাব আপনাদের। ‘কাদম্বিনী আর সহিতে পারিল না; তীব্রকণ্ঠে বলিয়া উঠিল, ‘ ওগো, আমি মরি নাই গো, মরি নাই।  
বিশদ

25th  August, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধূলোয়
পাওয়াগড়ের কালী, পর্ব-২৫
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় 

‘আদ্যেতে বন্দনা করি হিঙ্গুলার ভবানী। তারপরে বন্দনা করি পাওয়াগড়ের কালী।’ পাওয়াগড় যেতে হলে গুজরাত প্রদেশের বারোদা থেকেই যাত্রা শুরু করতে হবে। বারোদা এখন নাম পাল্টে ভাদোদারা।  
বিশদ

25th  August, 2019
কুঞ্জবিহারী
তরুণ চক্রবর্তী 

‘জানো তো হাটতলার কোণে পান-বিড়ির একটা দোকান দিয়েছে কুঞ্জবিহারী?’
গাঁয়ের বাড়িতে গিয়ে কথাটা শুনে প্রথমে নিজের কানকেই বিশ্বাস করতে পারিনি— অ্যাঁ, ঠিক শুনছি তো?
কথাটা যে ঠিক, এখন দোকানটা থেকে একটু দূরে দাঁড়িয়ে স্বচক্ষেই তা দেখছি আর উপভোগ করছি বিস্ময়ের আনন্দ। 
বিশদ

25th  August, 2019
এ ফেরা অন্য ফেরা
তপন বন্দ্যোপাধ্যায়

উচ্চতা ৪ ফুট ৬ ইঞ্চি, গায়ের রং আধাফর্সা, রোগা-পাতলা চেহারা। পরনে অতিসাধারণ শাড়ি-ব্লাউজ, কিন্তু পরিষ্কার। ঈষৎ গম্ভীর থাকে কাজের সময়। ঠিক সময়ে ঘরে ঢোকে, দ্রুত নিজের কাজটি সেরে বেরিয়ে যায় অন্য বাড়ির উদ্দেশে। কামাই প্রায় করেই না।
বিশদ

18th  August, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধূলোয়
বহুচরা দেবী
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

গুজরাত প্রদেশে আর এক তীর্থে আছেন বহুচরা দেবী। দিল্লি অথবা আমেদাবাদ থেকে মাহেসানায় নেমে এই তীর্থে যেতে হয়। স্থানীয়রা এই দেবীকে বলেন বেচরাজি। কিন্তু কেন ইনি বেচরাজি? প্রবাদ, বহুকাল আগে এক চাষি চাষ করতে করতে এখানকার দেবী দুর্গা বা অম্বিকাকে খেতের মধ্যে কুড়িয়ে পান।
বিশদ

18th  August, 2019
একনজরে
 দিব্যেন্দু বিশ্বাস, নয়াদিল্লি, ২০ সেপ্টেম্বর: যাদবপুর-কাণ্ডে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে রিপোর্ট দেবে বঙ্গ বিজেপি। আজ এ কথা জানিয়েছেন বিজেপির অন্যতম কেন্দ্রীয় সম্পাদক তথা পশ্চিমবঙ্গের দায়িত্বপ্রাপ্ত দলের সহনেতা সুরেশ পূজারি। তিনি বলেছেন, ‘যে রাজ্যে একজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরই কোনও নিরাপত্তা নেই, সেই ...

সংবাদদাতা, ঘাটাল: কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপির সংসদ সদস্য বাবুল সুপ্রিয়কে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে হেনস্তার প্রতিবাদে শুক্রবার দুপুরে দাসপুর থানার গৌরা বাসস্টপে বিজেপি পথ অবরোধ করে।  ...

 ইন্দোনেশিয়া, ২০ সেপ্টেম্বর: দ্বিতীয় ভারতীয় ব্যাডমিন্টন প্লেয়ার হিসেবে এশিয়ান টেবল টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠলেন জি সাথিয়ান। বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ে ভারতের টপ র‌্যাঙ্কিং সাথিয়ান ১১-৭, ১১-৮, ১১-৬ পয়েন্টে হারালেন উত্তর কোরিয়ার আন-জি সংকে। ...

বিএনএ, রায়গঞ্জ: দুই শিক্ষাকর্মীর বদলির প্রতিবাদে ছাত্র আন্দোলনে শুক্রবার উত্তাল হল রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়। এদিন বিশ্ববিদ্যালয়ে অঙ্ক ও কম্পিউটার অ্যান্ড ইনফর্মেশন সায়েন্স বিভাগের সামনে কয়েকশ’ ছাত্রছাত্রী ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শরীর ভালো যাবে না। সাংসারিক কলহবৃদ্ধি। প্রেমে সফলতা। শত্রুর সঙ্গে সন্তোষজনক সমঝোতা। সন্তানের সাফল্যে মানসিক ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস
১৮৬৬: ব্রিটিশ সাংবাদিক, ঐতিহাসিক ও লেখক এইচ জি ওয়েলসের জন্ম
১৯৩৪: জাপানের হনসুতে টাইফুনের তাণ্ডব, মৃত ৩ হাজার ৩৬ জন
১৯৪৭: মার্কিন লেখক স্টিফেন কিংয়ের জন্ম
১৯৭৯: ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেটার ক্রিস গেইলের জন্ম
১৯৮০: অভিনেত্রী করিনা কাপুর খানের জন্ম
১৯৮১: অভিনেত্রী রিমি সেনের জন্ম
১৯৯৩: সংবিধানকে অস্বীকার করে রাশিয়ায় সাংবিধানিক সংকট তৈরি করলেন তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বরিস ইয়েলৎসিন
২০০৭: রিজওয়ানুর রহমানের মৃত্যু
২০১৩: কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবিতে ওয়েস্ট গেট শপিং মলে জঙ্গি হামলা, নিহত কমপক্ষে ৬৭

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.১৯ টাকা ৭২.৭০ টাকা
পাউন্ড ৮৬.৪৪ টাকা ৯১.১২ টাকা
ইউরো ৭৬.২৬ টাকা ৮০.৩৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৭,৯৯০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,০৪৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬,৫৮৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৫,৯০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৬,০০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৪ আশ্বিন ১৪২৬, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, শনিবার, সপ্তমী ৩৭/১২ রাত্রি ৮/২১। রোহিণী ১৪/৪৩ দিবা ১১/২২। সূ উ ৫/২৮/২৩, অ ৫/৩১/৪০, অমৃতযোগ দিবা ৬/১৬ মধ্যে পুনঃ ৭/৪ গতে ৯/২৯ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৪ গতে ৩/৬ মধ্যে পুনঃ ৩/৫৫ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ১২/৪১ গতে ২/১৭ মধ্যে, বারবেলা ৬/৫৯ মধ্যে পুনঃ ১/০ গতে ২/৩০ মধ্যে পুনঃ ৪/০ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ৭/১ মধ্যে পুনঃ ৩/৫৯ গতে উদয়াবধি।
৩ আশ্বিন ১৪২৬, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, শনিবার, সপ্তমী ২৫/২২/২১ দিবা ৩/৩৭/৫। রোহিণী ৭/১/২৪ দিবা ৮/১৬/৪৩, সূ উ ৫/২৮/৯, অ ৫/৩৩/২৯, অমৃতযোগ দিবা ৬/২০ মধ্যে ও ৭/৭ গতে ৯/২৯ মধ্যে ও ১১/৪৮ গতে ২/৫৫ মধ্যে ও ৩/৪২ গতে ৫/৩৩ মধ্যে এবং রাত্রি ১২/৩৮ গতে ২/১৭ মধ্যে, বারবেলা ১/১/২৯ গতে ২/৩২/৯ মধ্যে, কালবেলা ৬/৫৮/৪৯ মধ্যে ও ৪/২/৪৯ গতে ৫/৩৩/২৯ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/২/৪৯ মধ্যে ও ৩/৫৮/৪৯ গতে ৫/২৮/২৮ মধ্যে।
২১ মহরম

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
রাজীব কুমারের আগাম জামিনের আবেদন খারিজ
আজ রাজীব কুমারের আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করে দিল আলিপুর ...বিশদ

08:21:33 PM

ফের সিএবি প্রেসিডেন্ট সৌরভ
আরও একবার সিএবি-র প্রেসিডেন্ট হলেন সৌরভ গঙ্গোপাধধ্যায়। আজ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ...বিশদ

07:39:27 PM

অস্কারে মনোনীত ছবি-গালি বয়

06:03:00 PM

ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় যুবককে মারধর
স্কুলের ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করার প্রতিবাদ করায় এক যুবককে লাঠি-রড দিয়ে ...বিশদ

05:22:00 PM

মুর্শিদাবাদে আগ্নেয়াস্ত্র সহ গ্রেপ্তার ১ 
আজ সকালে মুর্শিদাবাদের পাহাড়ঘাটি মোড় থেকে আগ্নেয়াস্ত্র সহ সফিকুল ইসলাম ...বিশদ

05:13:00 PM

দীঘায় ডুবন্ত ব্যক্তিকে উদ্ধার করল নুলিয়া
 

দীঘার সমুদ্রে তলিয়ে যাওয়ার মুখে এক পর্যটককে উদ্ধার করল নুলিয়া। ...বিশদ

05:05:00 PM