Bartaman Patrika
গল্পের পাতা
 

ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায় 

১৫
নিস্তব্ধ নির্জন ঘর, দেবতা বিশ্রাম করছেন খাটে। ঘরের এককোণে চুপ করে বসে আছেন মতিলাল। প্রদীপটা তখনও মিটমিট করে জ্বলছে। সময় যেন আর কাটতেই চাইছে না। মাঝে একটু তন্দ্রাচ্ছন্ন মতো হয়ে পড়েছিলেন মতিলাল। সেই রেশ কাটাতে তিনি ঘরের ভেতর পায়চারি করতে শুরু করলেন। রাত যে বেশ গভীর হয়েছে তা বোঝা যাচ্ছে। কাশী ক্রমশ শান্ত হচ্ছে। লোক চলাচল অনেকক্ষণ আগেই বন্ধ হয়ে গিয়েছে। মতিলাল পায়চারি বন্ধ করে ফিরে এলেন নির্দিষ্ট আসনে। দুই হাঁটুর ওপর চিবুকটা স্থাপন করে তিনি অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করতে শুরু করলেন— কী ঘটে তা দেখার জন্য!
হাতে ঘড়ি নেই , ফলে কটা বেজেছে তা বোঝারও কোনও উপায় নেই। হঠাৎ মতিলাল দেখলেন ঘরে তিনি আর একা নন। এক বৃদ্ধ ব্রাহ্মণ কোথা থেকে প্রবেশ করেছেন ঘরের ভিতরে এবং তিনি তাঁর দিকে দৃকপাত না করে এগিয়ে গেলেন দেবতার খাটের দিকে।
ভদ্রলোকের বয়স সত্তর-পঁচাত্তর তো হবেই। পরনে গরদের ধুতি, গায়ে নামাবলি। চুলগুলো ছোট ছোট করে কাটা। লম্বা একটা শিখা ঝুলছে মাথার পেছন দিকে। সেটি কাঁধ স্পর্শ করেছে। ধবধবে সাদা দীর্ঘ উপবীত তাঁর কোমর ছুঁয়ে ঝুলছে।
বৃদ্ধ মানুষটি এরপর দেবতাকে তাঁর শয্যা থেকে তুলে নিয়ে এসে স্থাপন করলেন তাম্রকুণ্ডে। আসন পাতলেন, কোষাকুষি নামিয়ে এনে রাখলেন দেবতার সামনে। গঙ্গাজলের ঘটি থেকে জল ঢাললেন কোষাতে। ঘষে নিলেন চন্দন। আসনশুদ্ধি ও আচমন করে শুরু হল তাঁর পুজো। সে এক দীর্ঘ পুজো। বেশ অনেকক্ষণ বাদে একসময় বৃদ্ধ উঠে দাঁড়ালেন। পঞ্চপ্রদীপ জ্বালিয়ে শুরু হল আরতি। ঘণ্টার আওয়াজে ঘর তখন মুখরিত। পুজো শেষ করে বৃদ্ধ সাষ্টাঙ্গে প্রণাম করলেন দেবতাকে। তারপর বাতাসে মিলিয়ে গেলেন। দেবতা কিন্তু তাঁর শয্যায় আর ফিরে গেলেন না। বৃদ্ধ তাঁকে তাম্রকুণ্ডে রেখেই অদৃশ্য হয়েছেন।
এতক্ষণে ভয়ে নিজের জায়গায় চুপ করে বসেছিলেন মতিলাল। আস্তে আস্তে তিনি দরজার সামনে এসে তালা খুলতে বললেন। ঘণ্টার আওয়াজ শুনেই পরিবারের সবাই তখন ঠাকুরঘরের সামনে এসে দাঁড়িয়ে আছেন। বাড়ির গৃহকর্তা দরজা খুলে দেওয়া মাত্রই বাইরে বেরিয়ে এলেন মতিলাল।
ভদ্রলোক মতিলালের কাছে জানতে চাইলেন, ঘরের ভেতরে আপনি কী দেখলেন? কে পুজো করছিলেন দেবতাকে।
মতিলাল বললেন, এক বৃদ্ধ ব্রাহ্মণ দেবতার পুজো করছিলেন। তারপর তিনি সেই বৃদ্ধের চেহারার বর্ণনা দিলেন।
মতিলালের মুখে ব্রাহ্মণের চেহারার বর্ণনা শুনে পরিবারের সবাই চমকে উঠলেন। ভদ্রলোক বললেন, এইরকম চেহারা!
মতিলাল বললেন, হ্যাঁ।
ভদ্রলোক বললেন, আপনি আজ যাঁকে পুজো করতে দেখলেন তিনি আমার স্বর্গত পিতা। কিন্তু তিনি কেন রোজ পুজো করতে এত রাতে আসেন!
মতিলাল বললেন, আজ আমার সাহস হয়নি তাঁকে এ কথা জিজ্ঞাসা করার। তবে ঘরে ঢুকে তিনি আমার দিকে একবারও তাকাননি। আমাদের কোনও ক্ষতি করার ইচ্ছা যে তাঁর নেই তা খুব ভালোভাবেই বুঝেছি। আপনার এই প্রশ্নের উত্তর আপনাকে আমি কাল রাতে দেবো। আজ অনেক রাত হয়ে গিয়েছে। আমি যেখানে আছি সেই জায়গাটার দূরত্ব এখান থেকে অনেকটা। আজ রাতে আপনার বাড়িতেই আমাকে থাকতে হবে।
ভদ্রলোকের নির্দেশে বাড়ির একটি ঘরে মতিলালের থাকার ব্যবস্থা করে দিলেন ওই পরিবারের সদস্যরা। পরদিন খুব ভোরেই ভদ্রলোকের সঙ্গে দেখা করে মতিলাল বললেন, আজ সন্ধের সময় আবার আমি আপনাদের বাড়িতে আসব। আমি আসার পরেই আপনি পুজো শুরু করবেন।
সারাটা দিন মতিলাল ঘুরে বেড়ালেন কাশীর এ মাথা থেকে ও মাথা। গেলেন কাশীর সচল বিশ্বনাথ ত্রৈলঙ্গ স্বামীজির আশ্রমে।
সন্ধ্যার সময় মণিকর্ণিকায় ডুব দিয়ে পরিষ্কার শুদ্ধ বস্ত্র পরে চলে এলেন ভদ্রলোকের বাড়িতে। মতিলালকে দেখেই তিনি বললেন, আমি এইমাত্র চা খেলাম। আপনি খেলে আমিও আর এক কাপ খেতে পারি।
গম্ভীরভাবে মতিলাল বললেন, এখন আমার চায়ের প্রয়োজন নেই। চলুন পুজোর ঘরে।
দুজনে মিলে প্রবেশ করলেন পুজোর ঘরে। যথারীতি পুজো শেষ করে ভদ্রলোক দেবতাকে শয়ন করিয়ে দিয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে গেলেন। সেই ঘরে তখন ঘুমন্ত দেবতার সঙ্গে একা রয়ে গেলেন মতিলাল।
ঠিক বারোটার সময় ঘরে আর্বিভূত হলেন সেই বৃদ্ধ ব্রাহ্মণ। আজ মতিলাল যথেষ্ট সাহসী। তিনি মুখোমুখি হলেন বৃদ্ধের। বললেন, আজকের পুজোটা কী আমি করতে পারি।
বৃদ্ধ বললেন, করো, কেমন করতে পার দেখি!
গতকাল বৃদ্ধ যেভাবে পুজো করেছিলেন ঠিক সেইভাবেই পুজো সাঙ্গ করলেন মতিলাল। তারপর সাষ্টাঙ্গে প্রণাম করলেন দেবতাকে।
পুজো সমাপ্ত করে মতিলাল বৃদ্ধকে বললেন, আপনার সঙ্গে আমার কিছু কথা আছে।
বৃদ্ধ বললেন, বলো।
মতিলাল বললেন, এত কষ্ট করে রোজ রাতে আপনি কেন এই ইহলোকে ফিরে আসেন!
উত্তরে বৃদ্ধ বললেন, সাধে কী আসি বাবা! তুমি আজ সারাদিন জলস্পর্শ করনি শুদ্ধভাবে দেবতার পুজো করবে বলে। কী সুন্দর পুজো করলে! কিন্তু আমার কুলাঙ্গার পুত্রটা অনাচারী। আজকে সন্ধ্যাতেও চা খেয়ে অশুদ্ধ ভাবে দেবতার পুজো করল। এ আমি সইতে পারি না। আমার এক পূর্বপুরুষ স্বপ্নাদিষ্ট হয়ে এই দেবতাকে লাভ করেছিলেন। দেবতা আমাদের পরিবারের রক্ষক। তাঁকে অশ্রদ্ধা করছে আমার পুত্র। ও এটা কী পুজো করে? এটা ভড়ং। ওকে বলে দিও এই দেবতাকে গঙ্গায় বিসর্জন দিয়ে আসতে । তারপর তার ফল ও হাতেনাতে পাবে। ওরা আমার বংশধর, ওদের ক্ষতি হোক তা আমি চাই না। তাই রোজ রাতে আমি দেবতাকে পুজো করতে আসি। প্রথমদিকে ওরা আমার ঘণ্টার আওয়াজ পেত না। কিন্তু সকালে এই ঘরে ঢুকেও এদের মনে কোনও প্রশ্ন জাগেনি— কেন দেবতা শয্যা ত্যাগ করে নেমে আসেন তাম্রকুণ্ডে। তারপর ঘণ্টার আওয়াজ যাতে ওরা শুনতে পায় আমি তার ব্যবস্থাও করলাম। তাতেও ওদের টনক নড়ল না।
মতিলাল বললেন, আমি আপনার পুত্রকে আপনার সব কথা জানাব।
বৃদ্ধ বললেন, দেখো কথা বলে! তবে আমার এখানে আসতে সত্যি কষ্ট হয়।
মতিলাল ঘর ছেড়ে বেরিয়ে আসছেন, বৃদ্ধ বসে আছেন ভূমিতে। তিনি বললেন, বাবা দাঁড়াও, তোমার বন্ধুকে একটা ছোট্ট কথা আমার হয়ে জানিও। গয়ায় গিয়ে পিতার পিণ্ডদান করাটা কী খুব কষ্টকর! যদি সম্ভব হয় সেটা যেন করে আসে।
মতিলাল চট্টোপাধ্যায় ঘরের বাইরে এসে ব্রাহ্মণ পুত্রকে তাঁর পিতার অনুযোগের কথা জানালেন।
পুত্র কথা দিলেন, আর হবে না এরকম। শুদ্ধভাবে দেবতার পুজো আমি করব। আর গয়ায় গিয়ে পিতার পিণ্ডও দিয়ে আসব।
তারপর থেকে রাত বারোটায় ওই বাড়ির তালা বন্ধ ঠাকুর ঘরে আর কোনওদিন ঘণ্টা বাজেনি।
(ক্রমশ) 
16th  June, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধূলোয়
মরুতীর্থের দেবী, পর্ব ২০
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

 আমার বারো বছর বয়সের সময় বাবা-মায়ের সঙ্গে তীর্থযাত্রায় গিয়ে দ্বারকা থেকে ফেরার পথে ভাটিয়া স্টেশনে নেমে সমুদ্রের খাড়ি পার হতে হয়েছিল। ওখান থেকে গন্তব্য ছিল সুদামাপুরী (পোরবন্দর)। পথে যেতে যেতে এক জায়গায় বাসযাত্রীরা সবাই নেমে পড়লেন এক জাগ্রতা দেবীকে দর্শন করবার জন্য।
বিশদ

ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়

 একদিন মিউগেন্স সাহেবকে বললাম, আমি বাড়িতে মাঝে মাঝে মিডিয়াম হয়ে ‘স্পিরিটের’ সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছি। কিন্তু খুব ভালো পারছি বলে মনে হচ্ছে না। মিউগেন্স সাহেবের গম্ভীর মুখের দিকে তাকিয়ে আবার বললাম, — অথচ বিলেতের কাগজে পড়েছি, এফিসিয়েন্ট মিডিয়ামের সাহায্যে তারা একান্ত আপনজনের স্পিরিট নিয়ে আসছে....
বিশদ

এমনি বরষা ছিল সেদিন
ছন্দা বিশ্বাস

দশ দিন হতে চলল অর্ণব ঠাকুরপোকে পাওয়া যাচ্ছে না। অনিকেতের ছেলেবেলার বন্ধু অর্ণব। আমার বিয়ের পরে বেশ কয়েকবার আমাদের বাড়িতে এসেছে। তারপর বহুদিন আর দেখা হয়নি। মাঝখানে হঠাৎ একদিন এসেছিল আমাদের বাড়িতে। সেও বেশ কিছুদিন হতে চলল। অনিকেত শুনলাম থানায় একটা মিসিং ডায়েরি করেছে।
বিশদ

14th  July, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধূলোয় 
গিরিতীর্থ হিংলাজ, পর্ব-১৯

 এবার গিরিতীর্থ হিংলাজে যাওয়া যাক। ভারতের বিভিন্ন স্থানে বিশেষ করে গুজরাত প্রদেশে হিংলাজ মাতার মন্দির আছে। তবে সে সবের সন্ধান আমার জানা নেই। দৈবকৃপায় আমি যে দুটি স্থানে গিয়ে পড়েছিলাম তারই বর্ণনা দেব। বিশদ

14th  July, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়

 প্যারীচাঁদ মিত্র সেইসময় কলিকাতার বেঙ্গল লাইব্রেরির (বর্তমানে জাতীয় গ্রন্থাগার) সম্পাদক ছিলেন। স্ত্রীর মৃত্যুর পর তিনি পরলোক চর্চা নিয়ে অতিশয় মেতে উঠলেন। লাইব্রেরির সংগ্রহশালায় থাকা পরলোকতত্ত্ব সম্বন্ধীয় বিভিন্ন পুস্তক ও প্রবন্ধাদি পাঠ করতে শুরু করলেন। বিশদ

14th  July, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই

অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়: জোড়াবাগান থানার বিপরীতে নিমতলার বিখ্যাত মিত্র বাড়ির এই দুপুরের সময়টা বউদের বড়ই ব্যস্ততার মধ্যে কাটে। এই বাড়ির প্রখ্যাত, রাশভারী শ্বশুরমশাই পুজো সেরে এখনই খেতে বসবেন।   বিশদ

07th  July, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
অমরকণ্টক  পর্ব-১৮

ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়: বিন্ধ্যপর্বতের যে অংশটির নাম মেকল বা মৈকল, তীর্থভূমি নর্মদার সেই স্থানই অমরকণ্টক। শুধু তীর্থভূমি নয়, অমরকণ্টক হল সৌন্দর্যের খনি। এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বর্ণনাতীত।  বিশদ

07th  July, 2019
শাল-পিয়ালের চুপকথা 

সুপর্ণা সেনগুপ্ত: পুরুলিয়ার প্রত্যন্ত অঞ্চল বাগমুণ্ডি। আকাশ যেখানে গল্প করে মেঘের সঙ্গে। ঘন জঙ্গল, পাহাড় আর ঝর্ণা ঘেরা ছোট ছোট গ্রাম, আঁকা থাকে নীল আকাশের ক্যানভাসে। বর্ষায় সেখানে নদীর জল ছাপিয়ে যায়।   বিশদ

07th  July, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয় 

ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়: মধ্যপ্রদেশের গুণা জেলায় সুন্দরী চান্দেরিতে এক বনময় পর্বতের গুহায় দেবী জাগেশ্বরীর অধিষ্ঠান। ইনি শুধু দেবী নন, মহাদেবী। মাত্র ২০০ মিটার উঁচু এই দুর্গ শহরের আকর্ষণ ঐতিহাসিক গুরুত্ব, দেবী মহিমা ও লোভনীয় চান্দেরি শাড়ির জন্য।  বিশদ

30th  June, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই 

অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়: ঋষি এবং তাঁর স্ত্রী খুব ভালো মিডিয়াম— এই কথাটা শুনে শরৎচন্দ্র হাসতে হাসতে ভাইয়ের কাছে জানতে চাইলেন, তুমি কী করে জানলে তাঁরা খুব ভালো মিডিয়াম?
গিরীন্দ্রনাথ বললেন, আমি এবং আমার বন্ধু রায়সাহেব হরিসাধন মুখোপাধ্যায় তাঁদের সঙ্গে প্ল্যানচেটে বসেছিলাম। বিশদ

30th  June, 2019
মোম জোছনা 

সঞ্জয় রায়: ‘হেই, হ্যাট্‌-হ্যাট্‌-হ্যাট্‌, যাঃ যাঃ-যাঃ। উঃ, দ্যাকো দিকিনি উঠোনটা খালি খালি নোংরা করে। অ্যাই, যাঃ-যাঃ-যাঃ।’ কুসুম সক্কালবেলায় হাঁসের দলটাকে উঠোন থেকে তাড়াচ্ছিল। দীননাথ দাওয়ায় বসে কুসুমের ছলকে পড়া যৌবনটাকে জরিপ করছিল।  বিশদ

30th  June, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
সিদ্ধপীঠ জলপা, পর্ব-১৬
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

 মৈহরপীঠ দর্শনের পর সে রাতটা মৈহরেই কাটালাম। পরদিন সকাল সাড়ে সাতটার ইন্টারসিটি এক্সপ্রেসে ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই কাটনিতে। মধ্য রেলওয়ের কাটনি একটি গুরুত্বপূর্ণ জংশন স্টেশন। এ যাত্রায় আমি ঘরমুখো হব বলেই কাটনিতে এলাম। কেন না এখানে ট্রেন একটু বেশিক্ষণ দাঁড়ায় তাই।
বিশদ

23rd  June, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
১৬
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়

 গিরীন্দ্রনাথ সরকার। সাহিত্যিক হিসেবে তেমন খ্যাতি অর্জন করতে না পারলেও, তিনি ছিলেন একজন প্রখ্যাত ভূপর্যটক। পৃথিবীর প্রায় সব দেশই তাঁর ঘোরা ছিল। বহুকাল তিনি সরকারি কন্ট্রাক্টর হিসেবে ব্রহ্মদেশে কাজ করেছিলেন। আর এইসময়ই তাঁর সঙ্গে পরিচয় হয় শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের।
বিশদ

23rd  June, 2019
পুন্য ভূমির পুন্য ধুলোয়
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় 

মৈহর পীঠ, পর্ব-১৫
মৈহর হল মধ্যপ্রদেশের সাতনা জেলা তহশিলের এক প্রসিদ্ধ দেবীস্থান। একান্ন পীঠের অন্তর্গত পীঠ না হলেও উপপীঠ। এখানে সতীর দেহাংশ নয় কণ্ঠহার পড়েছিল। এই পুণ্যভূমিতেই ত্রিকূট পর্বতের চূড়ায়। সতীমাঈ কি হার। তাই থেকেই মাঈহার, মৈহার ও বর্তমানে মৈহর।  
বিশদ

16th  June, 2019
একনজরে
  নয়াদিল্লি, ২০ জুলাই: বিশ্বকাপের সময় ভারতীয় ক্রিকেটাররা মাত্র ১৫ দিন পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে খাকার সুযোগ পাবেন। এটাই ছিল বিসিসিআইয়ের নিয়ম। কিন্তু এখন জানা যাচ্ছে, ...

 বিএনএ, চুঁচুড়া: প্রায় ২৪ ঘণ্টা পরে হুগলির চাঁপদানির ডালহৌসি জুটমিলে কাজ শুরু হল। শুক্রবার বিকেলে একাংশের কর্মী কাজ বন্ধ করে দেন। তারপর রাতে কারখানার সমস্ত কর্মী কাজ বন্ধ করে দিয়েছিলেন। কর্মীদের অভিযোগ, কারখানার উৎপাদন বাড়ানোর জন্য বেশি সময় ধরে কাজের ...

 ওয়াশিংটন, ২০ জুলাই (পিটিআই): আন্তর্জাতিক চাপের মুখে মুম্বই হামলার মূলচক্রী হাফিজ সইদকে গ্রেপ্তার করেছে পাকিস্তান। এরপরেও পাকিস্তানের উপর থেকে সন্দেহ যাচ্ছে না আমেরিকার। ট্রাম্প প্রশাসনের প্রবীণ এক কর্তাব্যক্তি শুক্রবার জানিয়েছেন, আগেও হাফিজকে গ্রেপ্তার করেছিল ইসলামাবাদ। ...

সংবাদাতা, রায়দিঘি: রাজ্যে বর্ষা ঢুকে গিয়েছে। উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্ত বৃষ্টিতে ভেসে গেলেও দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির দেখা নেই। তাই বৃষ্টি যাতে দ্রুত আসে, সেই কারণে ধুমধাম করে ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চবিদ্যার ক্ষেত্রে ভালো ফল হবে। ব্যবসায় যুক্ত হলে খুব একটা ভালো হবে না। প্রেমপ্রীতিতে বাধাবিঘ্ন। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯২০: মা সারদার মৃত্যু
১৮৬৩: কবি, গীতিকার ও নাট্যকার দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের জন্ম
১৮৯৯: লেখক বনফুল তথা বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৫৫: প্রাক্তন ক্রিকেটার রজার বিনির জন্ম
২০১২: বাংলাদেশের লেখক হুমায়ুন আহমেদের মূত্যু 

20th  July, 2019
ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৭.৯৫ টাকা ৬৯.৬৪ টাকা
পাউন্ড ৮৪.৭৭ টাকা ৮৭.৯২ টাকা
ইউরো ৭৬.১০ টাকা ৭৯.০৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
20th  July, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৫,৫২৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৩,৭০৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৪,২১০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪০,৫৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪০,৬৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৪ শ্রাবণ ১৪২৬, ২১ জুলাই ২০১৯, রবিবার, চতুর্থী ১৬/২২ দিবা ১১/৪০। শতভিষা ৫/৪৫ দিবা ৭/২৫। সূ উ ৫/৬/৫২, অ ৬/১৮/১৬, অমৃতযোগ প্রাতঃ ৫/৫৯ গতে ৯/৩১ মধ্যে। রাত্রি ৭/৪৫ গতে ৯/১১ মধ্যে, বারবেলা ১০/৪ গতে ১/২২ মধ্যে, কালরাত্রি ১/৩ গতে ২/২৪ মধ্যে।
৪ শ্রাবণ ১৪২৬, ২১ জুলাই ২০১৯, রবিবার, চতুর্থী ৯/২৬/৩১ দিবা ৮/৫২/১৬। শতভিষানক্ষত্র ২/০/৪৮ প্রাতঃ ৫/৫৩/৫৯, সূ উ ৫/৫/৪০, অ ৬/২১/৪৭, অমৃতযোগ দিবা ৬/৪ গতে ৯/৩২ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪১ গতে ৯/৮ মধ্যে, বারবেলা ১০/৪/১৩ গতে ১১/৪৩/৪৪ মধ্যে, কালবেলা ১১/৪৩/৪৪ গতে ১/২৩/১৪ মধ্যে, কালরাত্রি ১/৪/১২ গতে ২/২৪/৪২ মধ্যে।
১৭ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ওভারথ্রোয়ের নিয়ম বদলাতে পারে এমসিসি
বিশ্বকাপের ফাইনালে ওভারথ্রো নিয়ে বিতর্ক তৈরি হওয়ায় নিয়ম বদল করা ...বিশদ

10:15:00 AM

  ইস্ট বেঙ্গলে জুনিয়র বিশ্বকাপার
ইস্ট বেঙ্গলের অনুশীলনে যোগ দিলেন যুব ভারতীয় দলের স্ট্রাইকার অভিজিৎ ...বিশদ

09:28:53 AM

প্রয়াত দিল্লির প্রাক্তন বিজেপি সভাপতি মঙ্গেরাম গর্গ 

09:25:00 AM

তেলেঙ্গানার নালগোন্ডায় জামাইবাবুর গলা কেটে খুন করল শ্যালক 

09:22:00 AM

হায়দরাবাদের জুলজিক্যাল পার্কে একটি সিংহের মৃত্যু 

09:20:00 AM

‘সি সি’ না নিলে মিলবে না ফ্ল্যাটের রেজিস্ট্রেশন
পুরসভার দেওয়া ‘কমপ্লিশন সার্টিফিকেট’ বা সিসি না দেখে ফ্ল্যাট কিনবেন ...বিশদ

09:19:10 AM