Bartaman Patrika
গল্পের পাতা
 

প্রাণেশদার শান্তিনিকেতন
আশিস ঘোষ 

স্টাফরুমে বসেছিলাম। ঘরের টিউব লাইট খারাপ থাকায় আবছা অন্ধকার। একটু আগেই এক পশলা বৃষ্টি হয়েছে। একটু যেন শীত শীত ভাব। অশোক কথা বলছিল। আমাদের কয়েকজনের অফ পিরিয়ড। কোনও তাড়া নেই। আড্ডা বেশ জমে উঠেছে। এমন সময় খবর এল, প্রাণেশবাবু আর নেই। আজ সকালেই মারা গিয়েছেন।
অশোক কথা থামিয়ে উঠে দাঁড়াল। লম্বা বেঞ্চিতে দেবু আড়াআড়িভাবে বসেছিল। সোজা হয়ে বসল। হঠাৎ এমন একটা খবরে সবাই হকচকিয়ে গেলাম। হেডমাস্টারমশাই ছুটে এলেন। যাঁরা ক্লাসে ছিলেন, স্টাফরুমে এসে জড়ো হল। বাইরের লনে ছেলেদের নিয়ে মিটিং করতে হবে। ছুটির ঘণ্টা পড়ল। সবাই ব্যস্ত হয়ে পড়লাম।
সেই প্রাণেশবাবু। প্রাণেশদা। লম্বা ফর্সা চেহারা। সব সময় ধুতি-পাঞ্জাবি পরতেন। এক সময়ে শান্তিনিকেতনে পড়াশোনা করেছেন। রামকিঙ্কর বেইজের নাকি ছাত্র ছিলেন। সুযোগ পেলেই শান্তিনিকেতনের গল্প শোনাতেন। মাঝে মাঝে বলতেন মানিকবাবু অর্থাৎ সত্যজিৎ রায় নাকি ওঁর সহপাঠী ছিলেন। সত্যি-মিথ্যে জানি না, শুনতে শুনতে সব আমাদের মুখস্থ। প্রায়ই বলতেন সুযোগ পেলেই শান্তিনিকেতনে চলে যাবেন। আমরা মজা করে বলতাম, আর কবে যাবে দাদা? চুল তো সব সাদা হয়ে গেল।
প্রাণেশদা গম্ভীর হয়ে যেতেন। কিন্তু রাগতেন না। বলতেন, শান্তিনিকেতনে যাওয়ার কোনও বয়স নেই। যে কোনও বয়সেই যাওয়া যায়।
প্রাণেশদার আর শান্তিনিকেতনে যাওয়া হল না। এখন শোকসভা হচ্ছে। ছেলেরা সব লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে। এক-একজন প্রাণেশবাবু সম্পর্কে বলে যাচ্ছেন। আমরা যারা পুরনো, প্রাণেশদাকে দীর্ঘদিন ধরে দেখেছি, মিশেছি, আমাদের চাইতে যারা নতুন, প্রাণেশদার সঙ্গে যাদের পরিচয় বা মেলামেশা ততটা ছিল না, তারাই যেন বেশি কথা বলতে চাইছে। দেবু আমার পাশেই ছিল। কানের কাছে মুখ এনে ফিসফিসিয়ে বলল— এভাবে আর কতক্ষণ চলবে? কিন্তু কে বলবে সে কথা? সমীরের দিকে চাইলাম। চোখাচোখি হতেই হাতের ইশারা করলাম। গরমে প্রাইমারির একটা বাচ্চা অসুস্থ হয়ে পড়েছে। উঁচু ক্লাসের ছেলেরা ওকে ধরাধরি করে অফিস ঘরের দিকে নিয়ে গেল। সমীর হেডমাস্টারমশাইকে কী যেন বলল। উনি আমাদের দিকে চাইলেন একবার। তারপর ছেলেদের দিকে। বাঁ হাত তুলে ঘড়ি দেখলেন। এবার এক মিনিট নীরবতা। সবাই বোধহয় এই অপেক্ষাতেই ছিল। সোজা হয়ে দাঁড়াল। প্রয়াত আত্মার শান্তি কামনায় গোটা স্কুল বাড়িটা নিঝুম। পেছন দিকে আমগাছের পাতা শিরশিরিয়ে কাঁপছে। একটা কাক টেলিফোনের তারে বসে অনেকক্ষণ ধরে ডেকে যাচ্ছে। গেটের দিকে দমকা হাওয়ায় খানিকটা ধুলো উড়ল। নীরবতা শেষ হতেই, ছেলেরা লাইন করে আস্তে আস্তে চলে গেল। আমরাও আবার স্টাফরুমের দিকে গেলাম।
আমাদের এই স্কুল বাড়িটা অনেক দিনের পুরনো। কোনও এক সাহেবের বাগানবাড়ি ছিল। পুরু দেওয়ালের অনেক জায়গায় পলেস্তারা খসে পড়েছে। স্টাফরুমের কড়িবরগার একটা জায়গা বেশ ঝুলে আছে। এই পুরনো বাড়ির নীচেটা ফাঁকা। সেটা নাকি গুমঘর ছিল। আমরা কিন্তু এই ঘরেই বেশ আছি। রাজনীতি, সাহিত্য, হাসি-ঠাট্টা সব কিছুই চলে। অফ-পিরিয়ডে বেঞ্চিতে টান টান হয়ে শুয়ে থাকি।
কথা হচ্ছিল শ্মশানে যাওয়া নিয়ে। কিন্তু সেখানে যেতে হলে তো স্কুলের তরফে অন্তত একটা ফুলের মালা চাই। কে আনবে? বিশেষ কাউকে উদ্দেশ্য না করেই প্রশ্নটি করলাম। সবাই চুপ। আসলে বাইরে এখন দারুণ রোদ। কে বলবে কিছুক্ষণ আগেই বৃষ্টি হয়েছিল। গরমে এখন কেউ বেরতে চাইছে না। আমিও একটু গড়িমসি করছি। আজ সন্ধ্যায় বিন্দুকে নিয়ে নন্দনে একটা সিনেমা দেখার কথা। হলের সামনেই ও দাঁড়াবে। এখন এই রোদে বেরিয়ে শরীর খারাপ করতে চাই না। সবার মুখের দিকে চাইলাম। দরজায় দাঁড়িয়ে যতীন আমাদের দিকেই চেয়েছিল। ছেলেটার বয়স কম। কিন্তু অন্যদের মতো নয়। সব কিছুতেই বেশ উৎসাহ। ওকেই বললাম, যাবে তুমি? যতীন রাজি হল। ভুবন চা নিয়ে এল। চা-বিস্কুট খেতে খেতে আবার প্রাণেশবাবুর কথা শুরু হল। পাশের ঘরের লম্বা টেবিলে পুরনো হারমোনিয়ামটা রাখা আছে। পেছনের দেওয়াল ঘেঁষে রবি ঠাকুরের আবক্ষ মূর্তি। ওই প্লাস্টার মূর্তিটা প্রাণেশদারই তৈরি। পাশের দরজা দিয়ে চাইলেই চোখ পড়ছে। চায়ে চমুক দিতে দিতে অশোক বলল— ওই হারমোনিয়াম আর মূর্তিটা দেখলেই প্রাণেশদাকে মনে পড়ে। জর্দা পান চিবুতে চিবুতে দেবু কী যেন বলতে যাচ্ছিল। বাইরে থেকে হঠাৎ একঝলক গরম হাওয়া এল। সমীর কাছাকাছি বসেছিল। আমার দিকে চেয়ে চাপা গলায় বলে উঠল— দশ-বারো বছর এই স্কুলে আছি, এর মধ্যেই চারজনকে যেতে দেখলাম। ওর কথা শেষ হতে না হতেই দপ করে আলো জ্বলে উঠল। চারদিকের মুখগুলো এবার স্পষ্ট। ব্যাগ গোছাতে গোছাতে অশোক হঠাৎ উঠে দাঁড়াল। চলি, খুব জরুরি একটা কাজ আছে। ও দরজার দিকে পা বাড়াতে যাবে, দেবু বলে বসল— কাল ছুটি থাকবে কিনা জেনে যাবি না?
জানার কী আছে? একজন শিক্ষক মারা গিয়েছেন, ছুটি তো থাকবেই। এটুকু সম্মান তাঁর নিশ্চয়ই প্রাপ্য।
—কিন্তু নোটিস দেওয়া হবে না?
—আরে, রাখ তোর নোটিস।
সত্যিই তো, একটা নোটিস দেওয়া উচিত ছিল। স্টাফরুমে বসে আড্ডা দিচ্ছি। প্রাণেশবাবুর কথা বলছি। অথচ কারুর মনেও হল না, নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে একটা শোক প্রস্তাব লেখা উচিত।
ইতিমধ্যেই হেডমাস্টারমশাইয়ের কাছে খবরটা পৌঁছেছিল। ভদ্রলোক হন্তদন্ত হয়ে ছুটে এলেন।— কী ব্যাপার? প্রথমে দেবুর গলাই শোনা গেল। — অনেকেই তো বেরিয়ে যাচ্ছে। কালকের ছুটির নোটিসটা?
ভদ্রলোক একটু যেন থমকে গেলেন।— আজকেই হাফডে হল। কাল আবার ছুটি কেন?
মুহূর্তে সবাই চুপসে গেলাম। একজন আর একজনের দিকে তাকাচ্ছি। সংস্কৃতের রমাপতি টেবিল চাপড়ে গর্জে উঠল।
—এটা কী বলছেন? আমাদের একজন প্রয়াত শিক্ষকের সম্মানে পুরো ছুটি থাকবে না? চারদিকে একবার চোখ ঘুরিয়ে হেডমাস্টারমশাই আমাদের মুখগুলো দেখার চেষ্টা করলেন। —আপনারা যদি বলেন তো ছুটি দিতেই হবে। সামনেই ছেলেদের পরীক্ষা। এভাবে ছুটি দেওয়াটা— ভদ্রলোকের কথা শেষ হতে না হতেই চিৎকার, পাল্টা চিৎকার শুরু হয়ে গেল। সবাই বলছে। কারুর কথাই বোঝা যাচ্ছে না। হেডমাস্টারমশাই কী যেন বোঝাতে চাইছেন। কেউ শুনছে না। অশোক হঠাৎ পাশের ঘর থেকে হারমোনিয়ামটা এ ঘরের টেবিলে এনে এলোপাতাড়ি ‘রিড’ টিপতে শুরু করল। বিশ্রী যান্ত্রিক শব্দ। মানুষ আর যন্ত্রের মিলিত শব্দে কড়িবরগার কিছুটা অংশ বোধহয় এবার খসে পড়বে। দেবু হঠাৎ উঠে দাঁড়াতেই ধাক্কা লেগে হারমোনিয়ামটা আর একটু হলেই নীচে পড়ে যেত।
হেডমাস্টারমাশাই বিড় বিড় করতে করতে চলে গেলেন। কোনও কথা না বলে অশোকও বেরিয়ে গেল। কিছুক্ষণ আগে বৃষ্টি হলেও বাইরে এখন আবার দারুণ রোদ। সবাই চুপচাপ বসে। একটু পরেই দেবু টিউশন করতে চলে গেল। সমীর বিড়বিড় করে কী যেন বলছিল। ফুলের মালা আর মোড়ক নিয়ে যতীন কখন যে দরজায় এসে দাঁড়িয়েছে, খেয়াল করিনি। এবার ভেতরে এসে হারমোনিয়ামের সামনে রেখে মুখ মুছতে শুরু করল। ঘরে আমরা এখন চারজন। আমি, সমীর, নীলকমলবাবু আর যতীন। দেওয়ালের ক্যালেন্ডার মাঝে মাঝে বাইরের হাওয়ায় দুলছে। সামনের টিনের শেডে পেছনের বস্তি থেকে হঠাৎ একটা রবারের বল এসে পড়ল। বলটা লাফাতে লাফাতে এ ঘরের চৌকাঠে এসে লাগল। গড়িয়ে বাথরুমের দিকে গেল। আমরা চুপচাপ বসে। ফুলের মৃদু গন্ধে কেমন যেন নেশায় ধরছে।
—চলুন এবার যাওয়া যাক— একটু নড়েচড়ে বসে সমীর। গালে হাত দিয়ে যতীন একপাশে দাঁড়িয়ে। নীলকমলবাবু হারমোনিয়ামে একটা হাত রেখে চুপচাপ বসে। এই তো গত বছর রবীন্দ্রজয়ন্তীতে ওই হারমোনিয়ামটা বাজিয়ে প্রাণেশদা গান গেয়েছিলেন। গানের শেষে হারমোনিয়ামের রিড টিপতে টিপতে বলেছিলেন— আমি চলে গেলে এই হারমোনিয়াম আর রবি ঠাকুরের মূর্তি আমাকে মনে করিয়ে দেবে। সেই প্রাণেশদা। সুযোগ পেলেই শান্তিনিকেতনের গল্প জুড়ে দিতেন। কাদের কাছে গান শিখেছেন। ছবি আঁকা বা মূর্তির কাজ কীভাবে করতেন। সেখানকার ছাতিমতলা। শুনতে শুনতে সব আমাদের মুখস্থ। প্রায়ই বলতেন— একটা চাকরি বা কোনও সুযোগ পেলেই শান্তিনিকেতনে চলে যাবেন। খুব নাকি ইচ্ছে হয় পুরনো দিনের স্মৃতি জড়ানো জায়গাগুলো দেখতে। কথা বলতে বলতে কেমন যেন অন্যমনস্ক হয়ে যেতেন। নাম না বললেও একজন মহিলার কথাও প্রায়ই বলতেন। এক ক্লাসে একসঙ্গেই পড়াশোনা করেছেন। তিনি নাকি এখনও শান্তিনিকেতনেই আছেন। মজা করে বলতাম— তিনি কি তোমার বান্ধবী? প্রাণেশদা উত্তর দিতেন না।
এই তো সেদিন। স্কুলের টিফিনের সময় স্টাফরুমে সবাই চা খেতে খেতে আড্ডা দিচ্ছি। কয়েকদিন পরেই বাইশে শ্রাবণ। স্বাভাবিকভাবেই শান্তিনিকেতনের কথা উঠেছিল। প্রাণেশবাবু পাশের ঘরে ছিলেন। এ ঘরে এসে বললেন— একবার বাইশে শ্রাবণে শান্তিনিকেতনে যাব। কত গান, উৎসব হতো— প্রাণেশদা আরও কী যেন বলতে যাচ্ছিলেন। দেবু হঠাৎ বলে বসল— সেখানে যাবে- যাবে বলতে বলতে তো তোমার মাথার চুল পেকে আয়ু শেষ হয়ে এল—
দেবুর কথায় প্রাণেশদা চমকে উঠেছিলেন— এসব কী বলছ?
—বলব না তো কী? শান্তিনিকেতনের কথা শুনতে শুনতে কানে তো পোকা ধরে গেছে।
দেবুর কথায় প্রাণেশদার মুখটা ফ্যাকাশে হয়ে গিয়েছিল।
—দেখো আমার শিকড় রয়েছে সেখানে। এ যে কী টান বুঝবেন না।
—বোঝার দরকার নেই। যাবে তো যাও না। সবসময় ভ্যানর-ভ্যানর ভালো লাগে না—যত্ত সব!
প্রাণেশদা বিড়বিড় করে কী যেন বললেন। হাত-পা কাঁপছিল। কোনওদিন এরকম দেখিনি। স্টাফরুম থেকে আস্তে আস্তে বেরিয়ে গেলেন। এরপর তিন দিন আর স্কুলে আসেননি। সেই প্রাণেশদা। চোখ বুজলেই যেন স্পষ্ট দেখতে পাই, পাশের ঘরে পায়চারি করছেন।

সন্ধে প্রায় ছ’টা নাগাদ বিন্দু এল। কথা মতো নন্দনের সামনে দাঁড়িয়েছিলাম। বিন্দু এল উল্টো দিক দিয়ে। অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে?
কই না তো— ওকে আর বললাম না যে, প্রায় চল্লিশ মিনিট দাঁড়িয়ে। স্কুল থেকে শ্মশানে গিয়েছিলাম। সেখান থেকেই সোজা এখানে। হাতের ব্যাগ দিয়ে খোঁচা দেয় বিন্দু। এখনও তো মিনিট কুড়ি বাকি। চলো চা খেয়ে আসি। যেতে যেতে বিন্দুকে বললাম— আমাদের এক সহকর্মী আজ মারা গেলেন। শ্মশানে গিয়েছিলাম।
—সে কী! চলতে চলতে আমার দিকে তাকায় বিন্দু। গম্ভীর হয়ে যায়।
এদিকে আলো কম। শুকনো পাতা ছড়িয়ে। পাশের বাঁধানো পুকুর রেলিং ঘেরা। গাছের পাতায় আলোর আভাস। সিমেন্ট বাঁধানো জায়গায় পাশাপাশি বসলাম। আমার হাত ধরে বিন্দু বলল— কী ব্যাপার, কথা বলছ না?
—কী বলব? মেজাজটাই তো ভালো নেই— হাত ছাড়িয়ে বললাম— আজ আর সিনেমা দেখতে ইচ্ছে করছে না—
ও-পাশের রাস্তা কাঁপিয়ে একটা ভারী গাড়ি চলে গেল। হাত তুলে ঘড়ি দেখে বিন্দু। কিছু না বলেই মুখ নিচু করে। ওকে এখন কী করে বলি, এখানে বসে থাকতেই ইচ্ছে করছে না। কীসের যেন গন্ধ পাচ্ছি। এটা কী শ্মশানের গন্ধ? শ্মশানের একটা গন্ধ থাকে। সেখানে গেলেই পাওয়া যায়। এইরকম একটা গন্ধ যেন নাকে লেগে আছে। এই গন্ধটাই প্রাণেশদাকে মনে করিয়ে দিচ্ছে। কাল বাদে পরশু তো আবার স্কুল। ছেলেরা আসবে। ক্লাস চলবে। স্টাফরুমে আমাদের আড্ডাও হবে। হারমোনিয়ামটা পাশের ঘরের টেবিলে পড়ে থাকবে। বিন্দুকে এসব বলব? কিছু মনে করবে না তো?—
অনেকক্ষণ বসে থাকারও ক্লান্তি আছে। এক সময় বিন্দুকে বললাম— চল, এবার ওঠা যাক—
বিন্দু মুখ নিচু করে বসেছিল। বলামাত্রই উঠে দাঁড়াল। আমাদের সিনেমা দেখার কথা ছিল। কিন্তু সেই গন্ধটা নাকে এসে সব কেমন গোলমাল করে দিল। সিনেমা দেখার মেজাজটাই আর নেই। বিন্দু উসখুস করছে। কী গো, যাবে না?
উত্তর দিলাম না। দ্বিতীয়বার বলতেই, পকেট থেকে টিকিট দুটো বের করে বললাম— একদম ভালো লাগছে না। তুমি দেখে এস। আমি এখানেই অপেক্ষা করছি।
বিন্দু মুখ তুলে তাকাল। মুঠোয় ধরা টিকিট দেখল। তারপর মুখ গোঁজ করে গেটের দিকে হাঁটা শুরু করল। একটু পরেই রাস্তা পেরিয়ে আমরা পিজি হাসপাতালের সামনের রাস্তা ধরলাম। হাসপাতালের গেটে একটা ট্যাক্সি ঘিরে কয়েক জনের জটলা। ফাঁকা আর একটা ট্যাক্সি ধোঁয়া ছাড়তে ছাড়তে ময়দানের দিকে ছুটে গেল। বিন্দুকে বললাম— এবার তো যেতে হয়—
—কোথায় যাবে?
—কেন বাড়িতে।
—সাততাড়াতাড়ি বাড়ি ফিরবে? সিনেমাও তো দেখা হল না— বিন্দু ঘড়ি দেখল। আমার দিকে তাকাল। সামনের স্টপে একটা মিনি দাঁড়িয়ে। কেউ নামছে না, উঠছেও না। কন্ডাক্টর— ‘হাওড়া-হাওড়া’ বলে সমানে চিৎকার করছে। মিনিটার সামনে গিয়ে বিন্দু হঠাৎ থমকে দাঁড়াল।— যাই এবার?
কী বলব ভাবছি, বিন্দু মিনিটায় উঠে পড়ল। গাড়িটাও চলতে শুরু করল। মুহূর্তে অনেকটা পথ এগিয়ে গেল। আমাদের মাঝখানের দূরত্ব ক্রমশ বাড়ছে।
প্রাণেশদার সঙ্গেও আমাদের দূরত্ব এখন অনেকটাই। এই কালো পিচের রাস্তার মতোই তা ক্রমশ দীর্ঘ হয়ে যাচ্ছে। বিন্দুকে নিয়ে মিনিটা আর পাঁচটা গাড়ির ভিড়ে হারিয়ে গেছে। ওদিকে চেয়ে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে রইলাম। তারপর কোনওদিকে না তাকিয়ে, দু’দিক দিয়ে ছুটে আসা গাড়িগুলোকে অগ্রাহ্য করেই রাস্তা পেরলাম।  
16th  June, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধূলোয়
সৌন্দত্তির দেবী ইয়েলাম্মা, পর্ব-২৮
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়  

এবার রওনা দেওয়া যাক সুদূর কর্ণাটকের দিকে। এখানে সৌন্দত্তিতে আছেন ভক্তজন বাঞ্ছিতদেবী ইয়েলাম্মা। ইনি হলেন মূলত দেবদাসীদের আরাধ্যা দেবী। প্রতিবছর মাঘীপূর্ণিমা তিথিতে দলে দলে মেয়েরা এই মন্দিরে দেবদাসী হন। 
বিশদ

15th  September, 2019
ছায়া আছে, কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায় 

২৮
আবার মৃত্যু, কবি-জীবন থেকে ঝরে যাবে আরও একটি ফুল। কবির জ্যেষ্ঠা কন্যা মাধুরীলতা। ডাকনাম বেলা। কবির বেল ফুল-প্রীতির কথা পরিবারের সবাই জানতেন। সেই ভালোবাসার কথা মাথায় রেখেই কবির মেজ বৌঠান জ্ঞানদানন্দিনী দেবী সদ্যোজাত কন্যার নাম রাখলেন বেলা। রবীন্দ্রনাথ তাঁর এই কন্যাকে নানা নামে ডাকতেন, কখনও বেলা, কখনও বেল, কখনও বেলি, কখনও বা বেলুবুড়ি। 
বিশদ

15th  September, 2019
অবশেষে এল সে
রঞ্জনকুমার মণ্ডল 

ঋজু অফিস থেকে ফিরতেই রণংদেহি মূর্তি নিয়ে সামনে দাঁড়াল রিনি, প্রশ্ন করল, ‘তুমি গতকাল আদিত্যদের বাড়িতে গিয়েছিল?’
একটু থমকে দাঁড়াল ঋজু, জানতে চাইল, ‘তুমি কোন আদিত্যর কথা বলছ? আমার কলিগ?’ 
বিশদ

15th  September, 2019
ছায়া আছে, কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়

প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুরের পুত্র, ব্রাহ্ম নেতা,আচার্য, দানবীর মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর জীবনের শেষ উইলটি এবার করবেন। তাঁর মন আজকে বড়ই শান্ত, কাকে কী দেবেন তা পূর্ব রাত্রেই ঠিক করে ফেলেছেন। মনে আর কোনও দ্বিধা বা সংশয় নেই। কারণ তিনিও যে তার পায়ের শব্দ শুনতে পাচ্ছেন। মৃত্যুর পায়ের শব্দ— দিন ফুরিয়ে এল, এবার ফেরার পালা!
বিশদ

08th  September, 2019
কোলহাপুরের মহালক্ষ্মী - পর্ব-২৭
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

ভারতের মুখ্য দেবীপীঠগুলির মধ্যে করবীর নিবাসিনী মহালক্ষ্মী হলেন অন্যতমা। করবীর বর্তমানে কোলহাপুর নামে খ্যাত। কোলহাপুরং মহাস্থানং যত্র লক্ষ্মী সদা স্থিতা। পঞ্চগঙ্গার দক্ষিণ তীরে অবস্থিত এবং ৫১ (মতান্তরে ৫২) পীঠের অন্তর্গত এই মহাপীঠে সতীর ত্রিনয়ন (ঊর্ধ্বনেত্র) পতিত হয়েছিল। মহারাষ্ট্রের পুনে থেকে আমি কোলহাপুরে গিয়েছিলাম।
বিশদ

08th  September, 2019
তর্পণ
দেবাঞ্জন চক্রবর্তী

রাত শেষ হয়ে এসেছে। এই সময় স্বপ্নটা দেখছিল সমীরণ। স্বপ্ন বলে কোনওভাবেই সেটাকে শনাক্ত করা যাচ্ছে না। অথচ সে স্পষ্ট বুঝতে পারছে— এখন যা ঘটছে তা বাস্তবে ঘটা সম্ভব নয়। বাবা চলে গেছেন আজ পঁচিশ বছর হল। পঁচিশ বছরে বাবার মাত্র একটা স্বপ্ন দেখেছে সে। এই নিয়ে সমীরণের মনের মধ্যে দুঃখও আছে। লোকে নাকি মৃতদের নিয়ে স্বপ্ন দেখে।
বিশদ

08th  September, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধূলোয়
দেবী সপ্তশৃঙ্গী, পর্ব-২৬
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়  

সহ্যাদ্রি পর্বতে দেবী সপ্তশৃঙ্গীর বাস। তাই এবারে আসা যাক সহ্যাদ্রি পর্বতমালার বুকে নাসিকের সপ্তশৃঙ্গীতে। এর উচ্চতা ৫ হাজার ২৫০ ফুট। কাজেই স্থানটি শীতল ও রমণীয়। 
বিশদ

01st  September, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়  

২৬
বাজার সরকার শ্যামলাল গঙ্গোপাধ্যায়ের কন্যা, ঠাকুর পরিবারের অন্যতম কৃতী ও গুণবান সন্তান জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্ত্রী কাদম্বরী দেবীর মৃত্যু জোড়াসাঁকোর সেই বিখ্যাত বাড়ির সদস্যদের সম্পর্কের ভিতে বোধহয় চোরা ফাটল ধরিয়ে দিয়েছিল। অনেকেই কাদম্বরী দেবীর মৃত্যুর জন্য তাঁর স্বামীর দিকেই আঙুল তুলতেন। তাঁরা মনে করতেন স্বামীর অবহেলা, কথার খেলাপ অভিমানিনী কাদম্বরী দেবী কিছুতেই মেনে নিতে পারতেন না।  
বিশদ

01st  September, 2019
তিথির অতিথি
প্রদীপ আচার্য 

‘বাবা, উনি কাঁদছেন।’ চোখের ইশারায় গোলোকচন্দ্রকে বাইরে ডেকে নিয়ে নিচুস্বরে কথাটা বলল তিথি। গোলোকচন্দ্র আকাশ থেকে সটান মাটিতে পড়লেন। বললেন, ‘ধ্যাৎ, খামোখা কাঁদতে যাবেন কেন?’ 
বিশদ

01st  September, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায় 

২৫
‘কাদম্বিনী মরিয়া প্রমাণ করিল, সে মরে নাই।’ ‘জীবিত ও মৃত’। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ছোট গল্প। এখানেও এসেছেন কাদম্বরী দেবী, তবে নিজ নামে নয় কাদম্বিনী নামে। এই গল্পের শেষ অর্থাৎ ক্লাইম্যাক্সে কি হল! শোনাব আপনাদের। ‘কাদম্বিনী আর সহিতে পারিল না; তীব্রকণ্ঠে বলিয়া উঠিল, ‘ ওগো, আমি মরি নাই গো, মরি নাই।  
বিশদ

25th  August, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধূলোয়
পাওয়াগড়ের কালী, পর্ব-২৫
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় 

‘আদ্যেতে বন্দনা করি হিঙ্গুলার ভবানী। তারপরে বন্দনা করি পাওয়াগড়ের কালী।’ পাওয়াগড় যেতে হলে গুজরাত প্রদেশের বারোদা থেকেই যাত্রা শুরু করতে হবে। বারোদা এখন নাম পাল্টে ভাদোদারা।  
বিশদ

25th  August, 2019
কুঞ্জবিহারী
তরুণ চক্রবর্তী 

‘জানো তো হাটতলার কোণে পান-বিড়ির একটা দোকান দিয়েছে কুঞ্জবিহারী?’
গাঁয়ের বাড়িতে গিয়ে কথাটা শুনে প্রথমে নিজের কানকেই বিশ্বাস করতে পারিনি— অ্যাঁ, ঠিক শুনছি তো?
কথাটা যে ঠিক, এখন দোকানটা থেকে একটু দূরে দাঁড়িয়ে স্বচক্ষেই তা দেখছি আর উপভোগ করছি বিস্ময়ের আনন্দ। 
বিশদ

25th  August, 2019
এ ফেরা অন্য ফেরা
তপন বন্দ্যোপাধ্যায়

উচ্চতা ৪ ফুট ৬ ইঞ্চি, গায়ের রং আধাফর্সা, রোগা-পাতলা চেহারা। পরনে অতিসাধারণ শাড়ি-ব্লাউজ, কিন্তু পরিষ্কার। ঈষৎ গম্ভীর থাকে কাজের সময়। ঠিক সময়ে ঘরে ঢোকে, দ্রুত নিজের কাজটি সেরে বেরিয়ে যায় অন্য বাড়ির উদ্দেশে। কামাই প্রায় করেই না।
বিশদ

18th  August, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধূলোয়
বহুচরা দেবী
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

গুজরাত প্রদেশে আর এক তীর্থে আছেন বহুচরা দেবী। দিল্লি অথবা আমেদাবাদ থেকে মাহেসানায় নেমে এই তীর্থে যেতে হয়। স্থানীয়রা এই দেবীকে বলেন বেচরাজি। কিন্তু কেন ইনি বেচরাজি? প্রবাদ, বহুকাল আগে এক চাষি চাষ করতে করতে এখানকার দেবী দুর্গা বা অম্বিকাকে খেতের মধ্যে কুড়িয়ে পান।
বিশদ

18th  August, 2019
একনজরে
 ইন্দোনেশিয়া, ২০ সেপ্টেম্বর: দ্বিতীয় ভারতীয় ব্যাডমিন্টন প্লেয়ার হিসেবে এশিয়ান টেবল টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠলেন জি সাথিয়ান। বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ে ভারতের টপ র‌্যাঙ্কিং সাথিয়ান ১১-৭, ১১-৮, ১১-৬ পয়েন্টে হারালেন উত্তর কোরিয়ার আন-জি সংকে। ...

সংবাদদাতা, ঘাটাল: কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপির সংসদ সদস্য বাবুল সুপ্রিয়কে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে হেনস্তার প্রতিবাদে শুক্রবার দুপুরে দাসপুর থানার গৌরা বাসস্টপে বিজেপি পথ অবরোধ করে।  ...

বিএনএ, রায়গঞ্জ: দুই শিক্ষাকর্মীর বদলির প্রতিবাদে ছাত্র আন্দোলনে শুক্রবার উত্তাল হল রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়। এদিন বিশ্ববিদ্যালয়ে অঙ্ক ও কম্পিউটার অ্যান্ড ইনফর্মেশন সায়েন্স বিভাগের সামনে কয়েকশ’ ছাত্রছাত্রী ...

 ওয়াশিংটন, ২০ সেপ্টেম্বর (পিটিআই): আমেরিকার রাস্তায় ফের প্রকাশ্যে বন্দুকবাজের তাণ্ডব। গুলিতে একজন প্রাণ হারিয়েছেন এবং আরও পাঁচজন জখম হয়েছেন। পুলিস জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাত ১০টা নাগাদ কলম্বিয়া হাইটস এলাকায় ওই ঘটনা ঘটেছে। জায়গাটি হোয়াইট হাউস থেকে খুব বেশি দূরে নয় বলেও ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শরীর ভালো যাবে না। সাংসারিক কলহবৃদ্ধি। প্রেমে সফলতা। শত্রুর সঙ্গে সন্তোষজনক সমঝোতা। সন্তানের সাফল্যে মানসিক ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস
১৮৬৬: ব্রিটিশ সাংবাদিক, ঐতিহাসিক ও লেখক এইচ জি ওয়েলসের জন্ম
১৯৩৪: জাপানের হনসুতে টাইফুনের তাণ্ডব, মৃত ৩ হাজার ৩৬ জন
১৯৪৭: মার্কিন লেখক স্টিফেন কিংয়ের জন্ম
১৯৭৯: ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেটার ক্রিস গেইলের জন্ম
১৯৮০: অভিনেত্রী করিনা কাপুর খানের জন্ম
১৯৮১: অভিনেত্রী রিমি সেনের জন্ম
১৯৯৩: সংবিধানকে অস্বীকার করে রাশিয়ায় সাংবিধানিক সংকট তৈরি করলেন তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বরিস ইয়েলৎসিন
২০০৭: রিজওয়ানুর রহমানের মৃত্যু
২০১৩: কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবিতে ওয়েস্ট গেট শপিং মলে জঙ্গি হামলা, নিহত কমপক্ষে ৬৭

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.১৯ টাকা ৭২.৭০ টাকা
পাউন্ড ৮৬.৪৪ টাকা ৯১.১২ টাকা
ইউরো ৭৬.২৬ টাকা ৮০.৩৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৭,৯৯০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,০৪৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬,৫৮৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৫,৯০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৬,০০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৪ আশ্বিন ১৪২৬, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, শনিবার, সপ্তমী ৩৭/১২ রাত্রি ৮/২১। রোহিণী ১৪/৪৩ দিবা ১১/২২। সূ উ ৫/২৮/২৩, অ ৫/৩১/৪০, অমৃতযোগ দিবা ৬/১৬ মধ্যে পুনঃ ৭/৪ গতে ৯/২৯ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৪ গতে ৩/৬ মধ্যে পুনঃ ৩/৫৫ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ১২/৪১ গতে ২/১৭ মধ্যে, বারবেলা ৬/৫৯ মধ্যে পুনঃ ১/০ গতে ২/৩০ মধ্যে পুনঃ ৪/০ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ৭/১ মধ্যে পুনঃ ৩/৫৯ গতে উদয়াবধি।
৩ আশ্বিন ১৪২৬, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, শনিবার, সপ্তমী ২৫/২২/২১ দিবা ৩/৩৭/৫। রোহিণী ৭/১/২৪ দিবা ৮/১৬/৪৩, সূ উ ৫/২৮/৯, অ ৫/৩৩/২৯, অমৃতযোগ দিবা ৬/২০ মধ্যে ও ৭/৭ গতে ৯/২৯ মধ্যে ও ১১/৪৮ গতে ২/৫৫ মধ্যে ও ৩/৪২ গতে ৫/৩৩ মধ্যে এবং রাত্রি ১২/৩৮ গতে ২/১৭ মধ্যে, বারবেলা ১/১/২৯ গতে ২/৩২/৯ মধ্যে, কালবেলা ৬/৫৮/৪৯ মধ্যে ও ৪/২/৪৯ গতে ৫/৩৩/২৯ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/২/৪৯ মধ্যে ও ৩/৫৮/৪৯ গতে ৫/২৮/২৮ মধ্যে।
২১ মহরম

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
রাজীব কুমারের আগাম জামিনের আবেদন খারিজ
আজ রাজীব কুমারের আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করে দিল আলিপুর ...বিশদ

08:21:33 PM

ফের সিএবি প্রেসিডেন্ট সৌরভ
আরও একবার সিএবি-র প্রেসিডেন্ট হলেন সৌরভ গঙ্গোপাধধ্যায়। আজ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ...বিশদ

07:39:27 PM

অস্কারে মনোনীত ছবি-গালি বয়

06:03:00 PM

ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় যুবককে মারধর
স্কুলের ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করার প্রতিবাদ করায় এক যুবককে লাঠি-রড দিয়ে ...বিশদ

05:22:00 PM

মুর্শিদাবাদে আগ্নেয়াস্ত্র সহ গ্রেপ্তার ১ 
আজ সকালে মুর্শিদাবাদের পাহাড়ঘাটি মোড় থেকে আগ্নেয়াস্ত্র সহ সফিকুল ইসলাম ...বিশদ

05:13:00 PM

দীঘায় ডুবন্ত ব্যক্তিকে উদ্ধার করল নুলিয়া
 

দীঘার সমুদ্রে তলিয়ে যাওয়ার মুখে এক পর্যটককে উদ্ধার করল নুলিয়া। ...বিশদ

05:05:00 PM