Bartaman Patrika
গল্পের পাতা
 

পুন্য ভূমির পুন্য ধুলোয়
দেবী ত্রিপুরমালিনী
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় 

পর্ব-১৪

এবার বলি দেবী ত্রিপুরমালিনীর কথা। পীঠ নির্ণয় তন্ত্রে আছে ‘ভীষণা ভৈরবস্তত্র দেবী ত্রিপুরমালিনী’। পাঞ্জাব প্রদেশে এই সতীপীঠ জলন্ধর পীঠ নামে খ্যাত। কিন্তু এই পীঠ সম্বন্ধে নানারকম বিভ্রান্তিকর তথ্য পাওয়ার কারণে এর সঠিক অবস্থান কিছুতেই নির্ণয় করতে পারিনি। অবশেষে কাশীর এক মাতাজির পরামর্শে আমি জলন্ধরে গিয়েই জলন্ধর পীঠের অনুসন্ধান করব এই স্থির করলাম। তাই একদিন বারাণসী থেকেই দুপুর বারোটা পঞ্চাশের বেগমপুরা এক্সপ্রেসে জলন্ধরের পথে রওনা হলাম।
ভাগ্যক্রমে এই ট্রেনে আমার সহযাত্রীদের মধ্যে পাঁচজন মহিলা বৈষ্ণোদেবী যাত্রী ছিলেন। আমি জলন্ধর পীঠ যাচ্ছি শুনে ওঁদেরই একজন বললেন, ‘জলন্ধর পীঠ দেবী কা মুখ্য পীঠ। লেকিন উধার যাকে দেবীতালাও বোলনা পড়েগি। তব মালুম হো যায়েগি সবকো।’
ব্যস। সেদিন এবং রাতটা বেশ ভালোভাবেই কাটল। পরদিন সকালে জলন্ধর ক্যান্ট থেকে সিটিতে এসে রওনা হলাম দেবী তালাওয়ের পথে। ভাড়া শেয়ারের অটোয় দশ টাকা।
এক বিশাল প্রাচীর ঘেরা অঞ্চলের মধ্যে দেবীতালাও বা জলন্ধর পীঠ। তোরণ পার হলেই প্রকট স্থানে পৌঁছনো যায়। প্রথমেই চোখে পড়ে দেবীতালাও। বিশাল একটি স্বচ্ছ জলের সরোবর। এখানে দেবীর বাম স্তন পতিত হয়েছিল। কালিকাপুরাণে আছে ‘জলন্ধরে স্তনযুগং স্বর্ণহার বিভূষিতম্‌’। দেবী এখানে ত্রিপুরমালিনী। যেখানে দেবীপীঠ সেখানেই ভৈরব। ভৈরবও তাই এখানে বিরাজমান। এই পীঠ হল ষষ্ঠ মহাপীঠ।
জলন্ধর মাহাত্ম্যে আছে, পুরাকালে জলন্ধর নামে এক দৈত্যের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে দেবতারা যুদ্ধ ঘোষণা করলে বহুবর্ষ ধরে দেব-দানবের এক তুমুল যুদ্ধ চলতে থাকে। ভগবান বিষ্ণু ও মহাদেবের কপট মায়ায় জলন্ধর যখন জর্জরিত, মরণাপন্ন, তখন দুই দেবতাই জলন্ধর পত্নী বৃন্দার অভিশাপের ভয়ে জলন্ধরকে প্রত্যক্ষ দর্শন দিয়ে বর প্রার্থনা করতে বললেন। জলন্ধর তখন করজোড়ে বলল, ‘হে সর্বশক্তিমান প্রভু, যদিও আপনারা আমায় কপট যুদ্ধে হত্যা করলেন তবুও আমাকে প্রত্যক্ষ দর্শন দেওয়ার ফলে আমার মতো তমোগুণসম্পন্ন ও অহংকারী একজন দৈত্য উদ্ধার প্রাপ্ত হল। তাই অন্তিমকালে আমার প্রার্থনা এই যে, যুদ্ধকালীন সময়ে আমার দেহের যে সমস্ত অংশ এই প্রদেশের বিভিন্নস্থানে পড়েছে সেই সমস্ত অঞ্চল যেন তীর্থের মহিমা পায়। বিভিন্ন দেবদেবীর মঠ মন্দির যেন গড়ে ওঠে এই স্থানকে ঘিরে। স্নান-তর্পণে দেবভক্তগণ যেন অশেষ পুণ্যফল প্রাপ্ত হন। শ্রীবিষ্ণু ও মহাদেব জলন্ধরের মনোবাঞ্ছা পূর্ণ করতে তথাস্তু বলে সেই বরই প্রদান করলেন। তখন থেকেই এই শিবালিক পর্বতমালার প্রদেশে দ্বাদশযোজন ক্ষেত্র জুড়ে চৌষট্টি মন্দির ও নানা তীর্থ গড়ে ওঠে। জলন্ধরের কান যেখানে পড়েছিল বর্তমানে সেই স্থানের নাম কাংড়া। এখানে বজ্রেশ্বরী দেবীর মন্দির আছে। আর জলন্ধরের পৃষ্ঠদেশ যেখানে পড়েছিল লম্বালম্বিভাবে সেই অংশ এবং আশপাশের জনপদ ‘জলন্ধর’ নামেই অভিহিত।
মন্দিরে প্রবেশ করলে প্রথমেই চোখে পড়ে প্রবেশ পথের ডানদিকে এক উন্নতমানের সুবিশাল ধর্মশালা।
যাই হোক, এবার মাতৃমন্দিরের পথে মন্দিরের পাশেই দৃষ্ট হয় উচ্চ বেদিকায় বাঁধানো এক বিশাল অশ্বত্থ গাছ। একে বলা হয় কল্পবৃক্ষ। ধর্মপ্রাণ নরনারীরা এই কল্পবৃক্ষতলে ধূপদীপ ইত্যাদি প্রজ্বলন করেন। অনেকের বিশ্বাস মন্দিরের বাইরে এই কল্পবৃক্ষেই দেবীর অবস্থান। দেবী এখানে সর্বক্ষণ বিরাজ করেন। কেন না এই বিশাল ভূখণ্ড হল জলন্ধরের মাথা। দেবীশক্তি না থাকলে মাথা নড়ে উঠবে। ফলে বিপর্যয় অবশ্যম্ভাবী। শুধু তাই নয় কেউ কোনও শুভকামনা নিয়ে এখানে মানত করলে তা বিফলে যায় না।
কল্পবৃক্ষে মাথা ছুঁইয়ে উচ্চ সোপান বেয়ে ওপরে উঠে এখানকার অধিষ্ঠাত্রী দেবী ত্রিপুরমালিনীকে দর্শন করলাম। আমার অনেক দিনের আশা পূর্ণ হল। দেবীর র‌ম্যমূর্তি শ্বেতপাথরের। তাঁর দু’পাশে সিদ্ধিবিনায়ক গণেশ। এই দেবী এখানে বিশ্বমুখী নামেও পরিচিতা। জলন্ধরে বিশ্বমুখী, তারা কিষ্কিন্ধ্যা পর্বতে।
দেবীপীঠ দর্শনের পর মন্দির চত্বরেই দর্শন করলাম দেবীতালাওয়ের পাশে ভৈরবকে। শিবলিঙ্গ ছাড়াও এখানে রয়েছে পীতবর্ণের এক বিশাল ভৈরবমূর্তি। সচরাচর এমন মূর্তি চোখে পড়ে না।
এরপর এলাম এখানকার সিদ্ধসাধক হেমগিরি মহারাজের সমাধি মন্দির দেখতে। সমাধি মন্দির দর্শনের পর পরশুরাম মন্দির। তারও পরে বালাজি মন্দির। আরতির সময় এসেছিলাম। তাই বোঁদে ও অমৃতি প্রসাদ পাওয়া গেল।
এরপর এলাম অমরনাথের গুহায়। সারা ভারতের বহুতীর্থ আমি একাধিকবার দর্শন করলেও অমরনাথে আমি বারবার বাধাপ্রাপ্ত হয়ে যেতে পারিনি। এখন দুধের স্বাদ ঘোলে মেটালাম। এখানকার অমরনাথের গুহামন্দির অনেকটা উচ্চস্থানে। তবু দারুণ উৎসাহ নিয়ে সেখানে গিয়ে দর্শন করে ধন্য হলাম।
এই মন্দিরচত্বরে দেবীতালাওকে ঘিরে অনেক মন্দির আছে। আমি প্রায় সবকটিই দর্শন করে দেবীতলাওতে স্নান করে ধন্য হলাম।
মন্দিরের বাইরেও এই অঞ্চলের কাছে দূরে আরও অনেক মন্দির আছে। তবে আমি আর সে সবের দর্শন না করে বাসস্ট্যান্ডে এসে রওনা দিলাম অমৃতসরের পথে। সেখানে দুর্গিয়ানা মন্দির, স্বর্ণমন্দির ও জালিয়ানওয়ালাবাগ দেখে রাতের ট্রেনে রওনা হব হরিদ্বারের পথে। হর হর গঙ্গে। জয় মা গঙ্গে।
(ক্রমশ)
অলংকরণ : সোমনাথ পাল 
09th  June, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
সিদ্ধপীঠ জলপা, পর্ব-১৬
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

 মৈহরপীঠ দর্শনের পর সে রাতটা মৈহরেই কাটালাম। পরদিন সকাল সাড়ে সাতটার ইন্টারসিটি এক্সপ্রেসে ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই কাটনিতে। মধ্য রেলওয়ের কাটনি একটি গুরুত্বপূর্ণ জংশন স্টেশন। এ যাত্রায় আমি ঘরমুখো হব বলেই কাটনিতে এলাম। কেন না এখানে ট্রেন একটু বেশিক্ষণ দাঁড়ায় তাই।
বিশদ

23rd  June, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
১৬
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়

 গিরীন্দ্রনাথ সরকার। সাহিত্যিক হিসেবে তেমন খ্যাতি অর্জন করতে না পারলেও, তিনি ছিলেন একজন প্রখ্যাত ভূপর্যটক। পৃথিবীর প্রায় সব দেশই তাঁর ঘোরা ছিল। বহুকাল তিনি সরকারি কন্ট্রাক্টর হিসেবে ব্রহ্মদেশে কাজ করেছিলেন। আর এইসময়ই তাঁর সঙ্গে পরিচয় হয় শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের।
বিশদ

23rd  June, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায় 

১৫
নিস্তব্ধ নির্জন ঘর, দেবতা বিশ্রাম করছেন খাটে। ঘরের এককোণে চুপ করে বসে আছেন মতিলাল। প্রদীপটা তখনও মিটমিট করে জ্বলছে। সময় যেন আর কাটতেই চাইছে না। মাঝে একটু তন্দ্রাচ্ছন্ন মতো হয়ে পড়েছিলেন মতিলাল। সেই রেশ কাটাতে তিনি ঘরের ভেতর পায়চারি করতে শুরু করলেন।  
বিশদ

16th  June, 2019
পুন্য ভূমির পুন্য ধুলোয়
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় 

মৈহর পীঠ, পর্ব-১৫
মৈহর হল মধ্যপ্রদেশের সাতনা জেলা তহশিলের এক প্রসিদ্ধ দেবীস্থান। একান্ন পীঠের অন্তর্গত পীঠ না হলেও উপপীঠ। এখানে সতীর দেহাংশ নয় কণ্ঠহার পড়েছিল। এই পুণ্যভূমিতেই ত্রিকূট পর্বতের চূড়ায়। সতীমাঈ কি হার। তাই থেকেই মাঈহার, মৈহার ও বর্তমানে মৈহর।  
বিশদ

16th  June, 2019
প্রাণেশদার শান্তিনিকেতন
আশিস ঘোষ 

স্টাফরুমে বসেছিলাম। ঘরের টিউব লাইট খারাপ থাকায় আবছা অন্ধকার। একটু আগেই এক পশলা বৃষ্টি হয়েছে। একটু যেন শীত শীত ভাব। অশোক কথা বলছিল। আমাদের কয়েকজনের অফ পিরিয়ড। কোনও তাড়া নেই। আড্ডা বেশ জমে উঠেছে। এমন সময় খবর এল, প্রাণেশবাবু আর নেই। 
বিশদ

16th  June, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায় 

১৪

কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পিতা মতিলাল চট্টোপাধ্যায়। ভাগ্যদেবী কোনওদিনই এই মানুষটির প্রতি বিন্দুমাত্র সদয় ছিলেন না। চিরকালই তিনি তাঁর কৃপা-করুণা লাভে বঞ্চিত থেকেছেন। ফলস্বরূপ তাঁর পরিবার পরিজনকে যথেষ্ট সঙ্কটের মধ্যেই দিন কাটাতে হতো।  
বিশদ

09th  June, 2019
দাদা, কেমন আছ?
 অমর মিত্র

দাদা, কেমন আছ?
কে বলছ? বীরেন জিজ্ঞেস করে।
দাদা, আমি অনুপ।
কোন অনুপ?
গলার স্বরে বুঝতে পারছ না, বেলঘরিয়ার অনুপ।
ও, মিত্রা সিনেমার অনুপ? বীরেন চিনতে পারে।
 
বিশদ

09th  June, 2019
পুন্য ভূমির
পুন্য ধুলোয়
কালকার কালিকা দেবী
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

কালকার কালিকা দেবী দর্শনে কোনও দুর্গম পন্থার পথিক হতে হবে না। কলকাতা থেকে কালকায় যাওয়ার একমাত্র ট্রেন দিল্লি কালকা মেল। এছাড়াও আম্বালা ক্যান্ট থেকে কালকাগামী বাসে কালকায় আসা যায়। তবে নয়নাদেবীর যাত্রীদের উচিত ফেরার পথে চণ্ডীগড়ে এসে কালকায় যাওয়া। চণ্ডীগড় থেকে কালকার দূরত্ব মাত্র ২৫ কিলোমিটার।
বিশদ

26th  May, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়

 দীনবন্ধু মিত্র সেইসময় কর্মসূত্রে যশোরে বসবাস করেন। তাঁর বাড়ির খুব কাছেই এক কুলীন বৃদ্ধের বাড়ি। সদ্য সেই বৃদ্ধের তরুণী স্ত্রী কয়েকদিনের জ্বরে ভুগে গত হয়েছেন। তাঁদের একটি আট ন-বছরের কন্যা সন্তান রয়েছে। স্ত্রী রোগ শয্যায় শুয়ে বৃদ্ধ স্বামীর দুটি হাত ধরে অনুরোধ করে বলেছিলেন, তুমি খুকির মুখ চেয়ে আর বিয়ে করো না।
বিশদ

26th  May, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়  

নয়নাদেবী, পর্ব-১২

শিবালিক পর্বতমালার উত্তমশৃঙ্গে রমণীয় পরিবেশে নয়নাদেবীর অধিষ্ঠান। নয়নাদেবীতে সতীর দুটি নয়নই পতিত হয়েছিল। কিন্তু কোথায় সেই স্থান? সচরাচর কোনও যাত্রীরও যাতায়াত নেই সেখানে।  
বিশদ

19th  May, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়  

১২
অভাব অনটন তাঁর পরিবারের নিত্য সঙ্গী তবু পিতা কালাচাঁদ মিত্র আদর করে পুত্রের নাম রাখলেন গন্ধর্বনারায়ণ।১৮৩০ সালে নদীয়া জেলার চৌবেড়িয়া গ্রামে জন্ম হল বাংলার এই অন্যতম কৃতী সন্তানের।  
বিশদ

19th  May, 2019
ব্যাডমিন্টন
মণিদীপ রায় 

সাড়ে আটটার লোকালটা যদি টাইমে আসে তাহলে নির্ঘাত মিস। কোনদিনই অবশ্য আসে না, এটুকুই যা ভরসা। প্লেটে একখানা আস্ত পরোটা, হাতে মেরেকেটে আর পাঁচটা মিনিট। অপর্ণা চায়ের কাপটা আমার দিকে এগিয়ে দিয়ে বলল, ‘এতো দামি গাড়িটা কিনলে বসিয়ে রাখার জন্যে?’ অপর্ণা বেছে বেছে ঠিক এই সময়টাই বের করে তার দাবি দাওয়া পেশ করার জন্য। 
বিশদ

19th  May, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায় 

১১

‘নিশীথ রাক্ষসীর কাহিনী’— সাহিত্যসম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অসমাপ্ত এক কাহিনী। এই লেখাটি তিনি শেষ করে যেতে পারেননি। লেখাটি শুরু করে বেশ কিছুটা এগবার পরই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন।  
বিশদ

12th  May, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় 

চিন্তাপূর্ণী দেবী, পর্ব-১১

গাড়োয়াল হিমালয় ও সংলগ্ন হিমাচল প্রদেশে চিন্তাপূর্ণী দেবীর মান্যতা খুব। কেননা ইনিও নয় দেবীর এক অন্যতমা মহাদেবী। জ্বালামুখী ও কাংড়ার খুব কাছেই চিন্তাপূর্ণী দেবীর স্থান। নগরকোট কাংড়া থেকে চিন্তাপূর্ণীর দূরত্ব ৫০ কিমির মতো।  
বিশদ

12th  May, 2019
একনজরে
সংবাদদাতা, রঘুনাথপুর: শনিবার রাতে পাড়া থানার পুলিস ঝাপড়া গ্রামে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় এক অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকের মৃতদেহ উদ্ধার করে। তাঁর রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিস জনিয়েছে, মৃতের নাম বাণেশ্বর কুমার সাহাবাবু(৮২)।   ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ইস্ট-ওয়েস্ট পথে বাণিজ্যিকভাবে ট্রেন চালানোর চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য ‘কমিশনার অব রেলওয়ে সেফটি’ (সিআরএস)-র কাছে আবেদনের করল ‘কলকাতা মেট্রো রেল কর্পোরেশন লিমিটেড’ (কেএমআরসিএল)। সংস্থা সূত্রের খবর, কয়েকদিন আগে সিআরএসের কাছে এই আবেদন করা হয়েছে।  ...

বিএনএ, কোচবিহার: লোকসভা নির্বাচনে ভরাডুবির পর কোচবিহারে একের পর এক পঞ্চায়েত তৃণমূলের হাতছাড়া হচ্ছে। দলের এই ভাঙন ঠেকাতে কার্যত ব্যর্থ হচ্ছেন জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব। বিগত দিনে শাসক দলের বিরুদ্ধে বিরোধী রাজনৈতিক দলের জনপ্রতিনিধিদের দল ভাঙানোর অভিযোগ উঠেছিল।   ...

আদ্দিস আবাবা, ২৩ জুন (এএফপি): দেশকে অর্থনৈতিক সংস্কারের দিকে ঠেলে দিতে চাইছেন ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যাবি আহমেদ। তার জেরেই রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং হিংসা শুরু হয়েছে দেশজুড়ে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মপ্রার্থীদের নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ আছে। সরকারি বা আধাসরকারি ক্ষেত্রে কর্ম পাবার সুযোগ আছে। ব্যর্থ প্রেমে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৮৩- অস্ট্রীয়-মার্কিন পদার্থ বিজ্ঞানী ভিক্টর ফ্রান্সিস হেসের জন্ম
১৯০৮- প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট গ্রোভার ক্লিভল্যান্ডের মৃত্যু
১৯৫০- বাংলাদেশি কবি তথা মুক্তিযোদ্ধা আবিদ আনোয়ারের জন্ম
১৯৮৭- আর্জেন্তিনার ফুটবলার লায়োনেল মেসির জন্ম
 

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.৯৫ টাকা ৭০.৬৪ টাকা
পাউন্ড ৮৭.১২ টাকা ৯০.৩১ টাকা
ইউরো ৭৭.৪০ টাকা ৮০.৩৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
22nd  June, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৪,৫৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩২,৭৮০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৩,২৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৭,৯৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,০৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
23rd  June, 2019

দিন পঞ্জিকা

৯ আষা‌ঢ় ১৪২৬, ২৪ জুন ২০১৯, সোমবার, সপ্তমী ৫৩/৯ রাত্রি ২/১৩। পূর্বভাদ্রপদ ৫৫/১১ রাত্রি ৩/২। সূ উ ৪/৫৭/১৩, অ ৬/২০/১৭, অমৃতযোগ দিবা ৮/৩১ গতে ১০/১৮ মধ্যে। রাত্রি ৯/১০ গতে ১২/০ মধ্যে পুনঃ ১/২৫ গতে ২/৫০ মধ্যে, বারবেলা ৬/৩৭ গতে ৮/১৮ মধ্যে পুনঃ ২/৫৯ গতে ৪/৪০ মধ্যে, কালরাত্রি ১০/১৯ গতে ১১/৩৯ মধ্যে। 
৮ আষাঢ় ১৪২৬, ২৪ জুন ২০১৯, সোমবার, সপ্তমী ৪৬/৭/৫৫ রাত্রি ১১/২৩/২৬। পূর্বভাদ্রপদনক্ষত্র ৫০/২৩/৩২ রাত্রি ১/৫/২১, সূ উ ৪/৫৫/৫৬, অ ৬/২৩/৪১, অমৃতযোগ দিবা ৮/৩৫ গতে ১০/২৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/১৩ গতে ১২/৩ মধ্যে ও ১/২৮ গতে ২/৫৪ মধ্যে, বারবেলা ৩/১/৪৫ গতে ৪/৪২/৩৩ মধ্যে, কালবেলা ৬/৩৪/৫৪ গতে ৮/১৭/৫২ মধ্যে, কালরাত্রি ১০/২০/৪৭ গতে ১১/৩৯/৪৯ মধ্যে।
 
মোসলেম: ২০ শওয়াল 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
বিশ্বকাপ: আফগানিস্তানকে ২৬৩ রানের টার্গেট দিল বাংলাদেশ 

06:55:20 PM

বিশ্বকাপ: বাংলাদেশ ১৯৩/৪ (৪০ ওভার) 

06:10:23 PM

দেউলিয়া বরিস বেকার, নিলামে উঠল ট্রফি 
কিংবদন্তি জার্মান লন টেনিস প্লেয়ার বরিস বেকার দেউলিয়া। না, মোটেই ...বিশদ

06:01:43 PM

বিশ্বকাপ: বাংলাদেশ ১৪৩/৩ (৩০ ওভার) 

05:22:32 PM

বিজেপিতে যোগ দিলেন আরও দুই তৃণমূল নেতা 
বিজেপিতে যোগ দিলেন দক্ষিণ দিনাজপুরের প্রাক্তন জেলা সভাপতি তথা প্রবীণ ...বিশদ

05:16:00 PM

বিশ্বকাপ: বাংলাদেশ ১০৩/২ (২০ ওভার) 

04:41:32 PM