Bartaman Patrika
গল্পের পাতা
 

ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়

১৩
দীনবন্ধু মিত্র সেইসময় কর্মসূত্রে যশোরে বসবাস করেন। তাঁর বাড়ির খুব কাছেই এক কুলীন বৃদ্ধের বাড়ি। সদ্য সেই বৃদ্ধের তরুণী স্ত্রী কয়েকদিনের জ্বরে ভুগে গত হয়েছেন। তাঁদের একটি আট ন-বছরের কন্যা সন্তান রয়েছে। স্ত্রী রোগ শয্যায় শুয়ে বৃদ্ধ স্বামীর দুটি হাত ধরে অনুরোধ করে বলেছিলেন, তুমি খুকির মুখ চেয়ে আর বিয়ে করো না। তুমি যদি আবার বিয়ে কর সৎমা এসে খুকির ওপর খুব অত্যাচার করবে। যা আমি মরেও সহ্য করতে পারব না। বৃদ্ধ মৃত্যু পথযাত্রী স্ত্রীর মাথায় হাত রেখে বলেছিলেন, তুমি শান্তিতে যাও, আমি কথা দিলাম আর বিয়ে করব না। আর বিয়ে করবই বা কেন। আমি তো কুলীন ব্রাহ্মণ। তুমি আমার কত তম স্ত্রী— তাই তো আমার মনে নেই! অসহায়, মৃত্যুপথযাত্রিণী মহিলার চোখ দিয়ে গড়িয়ে পড়েছিল কয়েক ফোঁটা অশ্রু।
স্ত্রী মারা গিয়েছেন প্রায় পাঁচ-ছ’বছর আগে। সংসারের হাল এখন খুকির হাতে। বৃদ্ধ পিতার সেবা-যত্ন, তামাক সেজে দেওয়া থেকে সংসারের সমস্ত কাজ সে নিজের হাতেই করে। খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠেই সে লেগে পড়ে কাজে।
একদিন সকালবেলায় বৃদ্ধ ব্রাহ্মণ কন্যাকে বললেন, শোনো, আজ দু’জন অতিথি আমার বাড়িতে আসবেন। তুমি তাঁদের সামনে কখনও আসবে না। পিতার এই কথা শুনে কিশোরী কন্যার কৌতূহল প্রবল ভাবে বেড়ে গেল। অতিথিরা আসার পর সে আড়িপেতে তাঁদের কথা শুনে বুঝল, তার বৃদ্ধ পিতা আবার বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন। মেয়েটির মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ল। দুপুরে বাবাকে খাইয়ে পাশের আমবাগানে গিয়ে বহুদিন বাদে মৃতা মায়ের জন্য অনেকক্ষণ কেঁদে বলল, মা, তুমি কোথায় আছ আমি জানি না। যদি আমার কথা শুনতে পাও তাহলে আমাকে তোমার কাছে নিয়ে চলো।
একদিন সকালে তাঁর পিতা আবার বিয়ে করে নতুন বউ নিয়ে বাড়ি ফিরলেন। সৎমা সতীন কন্যার থেকে এক বছরের ছোট। তা সত্ত্বেও মায়ের যে কোনও হুকুম তামিল করার জন্য সে ব্যস্ত হয়ে থাকত। এইভাবে কেটে গেল মাস ছয়েক। এইবার সৎমা তার স্বরূপ প্রকাশ করল। শুরু হল প্রবল অত্যাচার ও স্বামীর কাছে অহরহ নালিশ— এ আপদকে যত তাড়াতাড়ি পারেন বিদেয় করুন। পাত্রের বয়েস যদি বেশি হয় তাতেও কোনও ক্ষতি নেই। আপনিও তো আমার থেকে কত বড়। আমার বাবা কী আপনার হাতে আমাকে সমর্পণ করতে কোনও দ্বিধা করেছেন। তাহলে আপনি কেন এতবড় মেয়েকে বাড়িতে বসিয়ে রেখেছেন। যত তাড়াতাড়ি পারেন একে বিদেয় করুন! সৎমায়ের কথা শুনে কিশোরী মেয়েটি কেঁপে উঠল। ছুটল তার শেষ ভরসাস্থল — সেই আমবাগানে। আবার মৃতা মায়ের কাছে তাঁর সেই প্রাত্যহিক নিবেদন পেশ করল— মা আমাকে তোমার কাছে নিয়ে চলো।
মনমরা মেয়েটি একসময় ফিরে এল বাড়িতে। দুপুর গড়িয়ে তখন ঢলছে বিকেলের কোলে। সৎমা মেয়েটিকে ডেকে বলল, আমার চুলটা কে বেঁধে দেবে আজ! তোমার মরা মা!
মেয়েটি দৌঁড়ে এসে চুল আঁচড়াতে বসল।
বেশ কাজ চলছিল, মেয়েটি তখন মায়ের খোঁপা বাঁধছে। হঠাৎ প্রবল ভাবে কেঁপে উঠল সেই শান্ত কন্যা। তারপর চিৎকার করে উঠে বলল— ‘এবার আমি সতীন খাব, সতীন খাব’। তারপর সৎমায়ের গলা দু হাত দিয়ে চেপে সে গালে বসাল এক জোরদার কামড়।
যন্ত্রণায় চিৎকার করে কেঁদে উঠল নতুন বউ। বউয়ের আর্ত চিৎকারে ছুটে এলেন বৃদ্ধ স্বামী। তিনি মেয়ের বজ্র কামড় থেকে বউকে ছাড়াবার চেষ্টা করতেই মেয়ে মাকে ছেড়ে উঠে দাঁড়াল। চোখ দুটো তার তখন লাল টকটকে। সে বাপকে ধাক্কা মেরে মাটিতে ফেলে দিয়ে তাঁর বুকে চেপে বসে দুহাত দিয়ে গলা টিপে ধরে বলল, কী রে তোকে বারণ করেছিলাম বিয়ে করতে, কথাটা তোর সেদিন কানে ঢোকেনি তা তো বেশ বুঝতে পারছি। আমার মেয়েটাকে তোরা দুজনে মিলে অনেক কষ্ট দিয়েছিস। আর নয়। আমার কথা না শোনার শাস্তি আজ তোরা পাবি। আমি আজ তোদের দুটোকেই আমার সঙ্গে নিয়ে যাব।
এলাকার জোয়ান, শক্তসমর্থ যুবকরা ছুটে এল বৃদ্ধকে বাঁচাতে। তারাও মেয়েটির শক্তির কাছে পরাস্ত হয়ে রনেভঙ্গ দিল। এরপর আর কেউ মেয়েটির কাছে আসার সাহস দেখালেন না। তখন কেউ ছুটলেন ডাক্তারের কাছে, কেউ গেলেন ওঝার বাড়িতে। আর দীনবন্ধু মিত্র পুরো ব্যাপারটা নি঩জের চোখে প্রত্যক্ষ করে পা চালালেন মহাত্মা শিশিরকুমারের বাড়ির দিকে।
মহাত্মাকে গিয়ে তিনি সবিস্তারে সব কথা বললেন। শিশিরকুমার বললেন, আপনি একটু দাঁড়ান । আমি নোটবইটা নিয়ে আসি। তারপর তিনি পুরোটাই নিজের নোট বুকে লিখে রাখলেন। পরবর্তীকালে তিনি এই ঘটনাটি নিয়ে একটা বড় প্রবন্ধ লিখেছিলেন ‘ইন্ডিয়ান ডেলি নিউজ’ পত্রিকায়।
এই ঘটনার দিন দুয়েক বাদেই মহাত্মার বাড়িতে বিষম বিপদে পড়লেন দীনবন্ধু মিত্র। সেদিন তাঁকে মিডিয়াম করে শুরু হল প্ল্যানচেট। বেশ কিছুক্ষণ কেটে যাওয়ার পর দীনবন্ধু কেমন যেন ছটফট করতে শুরু করলেন, টেবিলের ওপর ক্রমাগত পেন্সিল ঠুকতে থাকলেন।
সঞ্জীবচন্দ্র দীনবন্ধুবাবুর এইরূপ আচরণ দেখে হাসতে হাসতে বললেন, আপনি আমাদের সঙ্গে রসিকতা করছেন!
দীনবন্ধু মিত্র ভয়ঙ্কর চোখে তাঁর দিকে বেশ কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইলেন। সঞ্জীবচন্দ্রকে ইশারা করে চুপ করতে বলে শিশিরকুমার জানতে চাইলেন, আপনি কে?
দীনবন্ধুবাবু সামনে রাখা সাদা কাগজে লিখলেন— কুরন সরকার। তারপর অচেতন হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়লেন।
বেশ কিছুক্ষণ বাদে তিনি কিছুটা সুস্থ হওয়ার পর সকলে তাঁর কাছে কুরন সরকারের পরিচয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, আপনারা তাঁকে চিনবেন না। কুরন সরকার আমার গোমস্তা ছিলেন। বহুদিন পূর্বেই তিনি মারা গিয়েছেন।
এই বাড়িতেই একবার এক প্ল্যানচেট সন্ধ্যায় গিরিশচন্দ্রকে মিডিয়াম করে তাঁরা এনেছিলেন কবি মিলটনকে। শোনা যায় কবি মিলটন তাঁদের অনুরোধে মিডিয়ামের মাধ্যমে কয়েক লাইনের কবিতাও লিখেছিলেন।
(ক্রমশ)
ছবি : সংশ্লিষ্ট সংস্থার সৌজন্যে
26th  May, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধূলোয়
সৌন্দত্তির দেবী ইয়েলাম্মা, পর্ব-২৮
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়  

এবার রওনা দেওয়া যাক সুদূর কর্ণাটকের দিকে। এখানে সৌন্দত্তিতে আছেন ভক্তজন বাঞ্ছিতদেবী ইয়েলাম্মা। ইনি হলেন মূলত দেবদাসীদের আরাধ্যা দেবী। প্রতিবছর মাঘীপূর্ণিমা তিথিতে দলে দলে মেয়েরা এই মন্দিরে দেবদাসী হন। 
বিশদ

15th  September, 2019
ছায়া আছে, কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায় 

২৮
আবার মৃত্যু, কবি-জীবন থেকে ঝরে যাবে আরও একটি ফুল। কবির জ্যেষ্ঠা কন্যা মাধুরীলতা। ডাকনাম বেলা। কবির বেল ফুল-প্রীতির কথা পরিবারের সবাই জানতেন। সেই ভালোবাসার কথা মাথায় রেখেই কবির মেজ বৌঠান জ্ঞানদানন্দিনী দেবী সদ্যোজাত কন্যার নাম রাখলেন বেলা। রবীন্দ্রনাথ তাঁর এই কন্যাকে নানা নামে ডাকতেন, কখনও বেলা, কখনও বেল, কখনও বেলি, কখনও বা বেলুবুড়ি। 
বিশদ

15th  September, 2019
অবশেষে এল সে
রঞ্জনকুমার মণ্ডল 

ঋজু অফিস থেকে ফিরতেই রণংদেহি মূর্তি নিয়ে সামনে দাঁড়াল রিনি, প্রশ্ন করল, ‘তুমি গতকাল আদিত্যদের বাড়িতে গিয়েছিল?’
একটু থমকে দাঁড়াল ঋজু, জানতে চাইল, ‘তুমি কোন আদিত্যর কথা বলছ? আমার কলিগ?’ 
বিশদ

15th  September, 2019
ছায়া আছে, কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়

প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুরের পুত্র, ব্রাহ্ম নেতা,আচার্য, দানবীর মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর জীবনের শেষ উইলটি এবার করবেন। তাঁর মন আজকে বড়ই শান্ত, কাকে কী দেবেন তা পূর্ব রাত্রেই ঠিক করে ফেলেছেন। মনে আর কোনও দ্বিধা বা সংশয় নেই। কারণ তিনিও যে তার পায়ের শব্দ শুনতে পাচ্ছেন। মৃত্যুর পায়ের শব্দ— দিন ফুরিয়ে এল, এবার ফেরার পালা!
বিশদ

08th  September, 2019
কোলহাপুরের মহালক্ষ্মী - পর্ব-২৭
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

ভারতের মুখ্য দেবীপীঠগুলির মধ্যে করবীর নিবাসিনী মহালক্ষ্মী হলেন অন্যতমা। করবীর বর্তমানে কোলহাপুর নামে খ্যাত। কোলহাপুরং মহাস্থানং যত্র লক্ষ্মী সদা স্থিতা। পঞ্চগঙ্গার দক্ষিণ তীরে অবস্থিত এবং ৫১ (মতান্তরে ৫২) পীঠের অন্তর্গত এই মহাপীঠে সতীর ত্রিনয়ন (ঊর্ধ্বনেত্র) পতিত হয়েছিল। মহারাষ্ট্রের পুনে থেকে আমি কোলহাপুরে গিয়েছিলাম।
বিশদ

08th  September, 2019
তর্পণ
দেবাঞ্জন চক্রবর্তী

রাত শেষ হয়ে এসেছে। এই সময় স্বপ্নটা দেখছিল সমীরণ। স্বপ্ন বলে কোনওভাবেই সেটাকে শনাক্ত করা যাচ্ছে না। অথচ সে স্পষ্ট বুঝতে পারছে— এখন যা ঘটছে তা বাস্তবে ঘটা সম্ভব নয়। বাবা চলে গেছেন আজ পঁচিশ বছর হল। পঁচিশ বছরে বাবার মাত্র একটা স্বপ্ন দেখেছে সে। এই নিয়ে সমীরণের মনের মধ্যে দুঃখও আছে। লোকে নাকি মৃতদের নিয়ে স্বপ্ন দেখে।
বিশদ

08th  September, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধূলোয়
দেবী সপ্তশৃঙ্গী, পর্ব-২৬
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়  

সহ্যাদ্রি পর্বতে দেবী সপ্তশৃঙ্গীর বাস। তাই এবারে আসা যাক সহ্যাদ্রি পর্বতমালার বুকে নাসিকের সপ্তশৃঙ্গীতে। এর উচ্চতা ৫ হাজার ২৫০ ফুট। কাজেই স্থানটি শীতল ও রমণীয়। 
বিশদ

01st  September, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়  

২৬
বাজার সরকার শ্যামলাল গঙ্গোপাধ্যায়ের কন্যা, ঠাকুর পরিবারের অন্যতম কৃতী ও গুণবান সন্তান জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্ত্রী কাদম্বরী দেবীর মৃত্যু জোড়াসাঁকোর সেই বিখ্যাত বাড়ির সদস্যদের সম্পর্কের ভিতে বোধহয় চোরা ফাটল ধরিয়ে দিয়েছিল। অনেকেই কাদম্বরী দেবীর মৃত্যুর জন্য তাঁর স্বামীর দিকেই আঙুল তুলতেন। তাঁরা মনে করতেন স্বামীর অবহেলা, কথার খেলাপ অভিমানিনী কাদম্বরী দেবী কিছুতেই মেনে নিতে পারতেন না।  
বিশদ

01st  September, 2019
তিথির অতিথি
প্রদীপ আচার্য 

‘বাবা, উনি কাঁদছেন।’ চোখের ইশারায় গোলোকচন্দ্রকে বাইরে ডেকে নিয়ে নিচুস্বরে কথাটা বলল তিথি। গোলোকচন্দ্র আকাশ থেকে সটান মাটিতে পড়লেন। বললেন, ‘ধ্যাৎ, খামোখা কাঁদতে যাবেন কেন?’ 
বিশদ

01st  September, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায় 

২৫
‘কাদম্বিনী মরিয়া প্রমাণ করিল, সে মরে নাই।’ ‘জীবিত ও মৃত’। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ছোট গল্প। এখানেও এসেছেন কাদম্বরী দেবী, তবে নিজ নামে নয় কাদম্বিনী নামে। এই গল্পের শেষ অর্থাৎ ক্লাইম্যাক্সে কি হল! শোনাব আপনাদের। ‘কাদম্বিনী আর সহিতে পারিল না; তীব্রকণ্ঠে বলিয়া উঠিল, ‘ ওগো, আমি মরি নাই গো, মরি নাই।  
বিশদ

25th  August, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধূলোয়
পাওয়াগড়ের কালী, পর্ব-২৫
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় 

‘আদ্যেতে বন্দনা করি হিঙ্গুলার ভবানী। তারপরে বন্দনা করি পাওয়াগড়ের কালী।’ পাওয়াগড় যেতে হলে গুজরাত প্রদেশের বারোদা থেকেই যাত্রা শুরু করতে হবে। বারোদা এখন নাম পাল্টে ভাদোদারা।  
বিশদ

25th  August, 2019
কুঞ্জবিহারী
তরুণ চক্রবর্তী 

‘জানো তো হাটতলার কোণে পান-বিড়ির একটা দোকান দিয়েছে কুঞ্জবিহারী?’
গাঁয়ের বাড়িতে গিয়ে কথাটা শুনে প্রথমে নিজের কানকেই বিশ্বাস করতে পারিনি— অ্যাঁ, ঠিক শুনছি তো?
কথাটা যে ঠিক, এখন দোকানটা থেকে একটু দূরে দাঁড়িয়ে স্বচক্ষেই তা দেখছি আর উপভোগ করছি বিস্ময়ের আনন্দ। 
বিশদ

25th  August, 2019
এ ফেরা অন্য ফেরা
তপন বন্দ্যোপাধ্যায়

উচ্চতা ৪ ফুট ৬ ইঞ্চি, গায়ের রং আধাফর্সা, রোগা-পাতলা চেহারা। পরনে অতিসাধারণ শাড়ি-ব্লাউজ, কিন্তু পরিষ্কার। ঈষৎ গম্ভীর থাকে কাজের সময়। ঠিক সময়ে ঘরে ঢোকে, দ্রুত নিজের কাজটি সেরে বেরিয়ে যায় অন্য বাড়ির উদ্দেশে। কামাই প্রায় করেই না।
বিশদ

18th  August, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধূলোয়
বহুচরা দেবী
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

গুজরাত প্রদেশে আর এক তীর্থে আছেন বহুচরা দেবী। দিল্লি অথবা আমেদাবাদ থেকে মাহেসানায় নেমে এই তীর্থে যেতে হয়। স্থানীয়রা এই দেবীকে বলেন বেচরাজি। কিন্তু কেন ইনি বেচরাজি? প্রবাদ, বহুকাল আগে এক চাষি চাষ করতে করতে এখানকার দেবী দুর্গা বা অম্বিকাকে খেতের মধ্যে কুড়িয়ে পান।
বিশদ

18th  August, 2019
একনজরে
সংবাদদাতা, ঘাটাল: কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপির সংসদ সদস্য বাবুল সুপ্রিয়কে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে হেনস্তার প্রতিবাদে শুক্রবার দুপুরে দাসপুর থানার গৌরা বাসস্টপে বিজেপি পথ অবরোধ করে।  ...

বিএনএ, রায়গঞ্জ: দুই শিক্ষাকর্মীর বদলির প্রতিবাদে ছাত্র আন্দোলনে শুক্রবার উত্তাল হল রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়। এদিন বিশ্ববিদ্যালয়ে অঙ্ক ও কম্পিউটার অ্যান্ড ইনফর্মেশন সায়েন্স বিভাগের সামনে কয়েকশ’ ছাত্রছাত্রী ...

 ওয়াশিংটন, ২০ সেপ্টেম্বর (পিটিআই): আমেরিকার রাস্তায় ফের প্রকাশ্যে বন্দুকবাজের তাণ্ডব। গুলিতে একজন প্রাণ হারিয়েছেন এবং আরও পাঁচজন জখম হয়েছেন। পুলিস জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাত ১০টা নাগাদ কলম্বিয়া হাইটস এলাকায় ওই ঘটনা ঘটেছে। জায়গাটি হোয়াইট হাউস থেকে খুব বেশি দূরে নয় বলেও ...

 গুয়াহাটি, ২০ সেপ্টেম্বর (পিটিআই): এনআরসির বিরোধিতায় শুক্রবার অসমজুড়ে ১২ ঘণ্টার বন্ধ পালন করা হয়। অল কোচ রাজবংশী স্টুডেন্টস ইউনিয়ন (একেআরএসইউ)-এর ডাকা ওই বন্঩ধে এদিন স্বাভাবিক ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শরীর ভালো যাবে না। সাংসারিক কলহবৃদ্ধি। প্রেমে সফলতা। শত্রুর সঙ্গে সন্তোষজনক সমঝোতা। সন্তানের সাফল্যে মানসিক ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস
১৮৬৬: ব্রিটিশ সাংবাদিক, ঐতিহাসিক ও লেখক এইচ জি ওয়েলসের জন্ম
১৯৩৪: জাপানের হনসুতে টাইফুনের তাণ্ডব, মৃত ৩ হাজার ৩৬ জন
১৯৪৭: মার্কিন লেখক স্টিফেন কিংয়ের জন্ম
১৯৭৯: ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেটার ক্রিস গেইলের জন্ম
১৯৮০: অভিনেত্রী করিনা কাপুর খানের জন্ম
১৯৮১: অভিনেত্রী রিমি সেনের জন্ম
১৯৯৩: সংবিধানকে অস্বীকার করে রাশিয়ায় সাংবিধানিক সংকট তৈরি করলেন তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বরিস ইয়েলৎসিন
২০০৭: রিজওয়ানুর রহমানের মৃত্যু
২০১৩: কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবিতে ওয়েস্ট গেট শপিং মলে জঙ্গি হামলা, নিহত কমপক্ষে ৬৭

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.১৯ টাকা ৭২.৭০ টাকা
পাউন্ড ৮৬.৪৪ টাকা ৯১.১২ টাকা
ইউরো ৭৬.২৬ টাকা ৮০.৩৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৭,৯৯০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,০৪৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬,৫৮৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৫,৯০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৬,০০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৪ আশ্বিন ১৪২৬, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, শনিবার, সপ্তমী ৩৭/১২ রাত্রি ৮/২১। রোহিণী ১৪/৪৩ দিবা ১১/২২। সূ উ ৫/২৮/২৩, অ ৫/৩১/৪০, অমৃতযোগ দিবা ৬/১৬ মধ্যে পুনঃ ৭/৪ গতে ৯/২৯ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৪ গতে ৩/৬ মধ্যে পুনঃ ৩/৫৫ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ১২/৪১ গতে ২/১৭ মধ্যে, বারবেলা ৬/৫৯ মধ্যে পুনঃ ১/০ গতে ২/৩০ মধ্যে পুনঃ ৪/০ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ৭/১ মধ্যে পুনঃ ৩/৫৯ গতে উদয়াবধি।
৩ আশ্বিন ১৪২৬, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, শনিবার, সপ্তমী ২৫/২২/২১ দিবা ৩/৩৭/৫। রোহিণী ৭/১/২৪ দিবা ৮/১৬/৪৩, সূ উ ৫/২৮/৯, অ ৫/৩৩/২৯, অমৃতযোগ দিবা ৬/২০ মধ্যে ও ৭/৭ গতে ৯/২৯ মধ্যে ও ১১/৪৮ গতে ২/৫৫ মধ্যে ও ৩/৪২ গতে ৫/৩৩ মধ্যে এবং রাত্রি ১২/৩৮ গতে ২/১৭ মধ্যে, বারবেলা ১/১/২৯ গতে ২/৩২/৯ মধ্যে, কালবেলা ৬/৫৮/৪৯ মধ্যে ও ৪/২/৪৯ গতে ৫/৩৩/২৯ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/২/৪৯ মধ্যে ও ৩/৫৮/৪৯ গতে ৫/২৮/২৮ মধ্যে।
২১ মহরম

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
অস্কারে মনোনীত গালি বয় ছবির নাম 

06:03:00 PM

ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় যুবককে মারধর
স্কুলের ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করার প্রতিবাদ করায় এক যুবককে লাঠি-রড দিয়ে ...বিশদ

05:22:00 PM

মুর্শিদাবাদে আগ্নেয়াস্ত্র সহ গ্রেপ্তার ১ 
আজ সকালে মুর্শিদাবাদের পাহাড়ঘাটি মোড় থেকে আগ্নেয়াস্ত্র সহ সফিকুল ইসলাম ...বিশদ

05:13:00 PM

দীঘায় ডুবন্ত ব্যক্তিকে উদ্ধার করল নুলিয়া
 

দীঘার সমুদ্রে তলিয়ে যাওয়ার মুখে এক পর্যটককে উদ্ধার করল নুলিয়া। ...বিশদ

05:05:00 PM

রায়গঞ্জে বাজ পড়ে মৃত্যু মহিলার, আহত আরও ১
রায়গঞ্জে বাজ পড়ে মৃত্যু হল এক মহিলা শ্রমিকের। গুরুতরভাবে জখম ...বিশদ

04:46:00 PM

সুরঞ্জন দাসকে দেখতে হাসপাতালে শিক্ষামন্ত্রী
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সুরঞ্জন দাসকে দেখতে হাসপাতালে গেলেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ ...বিশদ

03:39:30 PM