Bartaman Patrika
গল্পের পাতা
 

ব্যাডমিন্টন
মণিদীপ রায় 

সাড়ে আটটার লোকালটা যদি টাইমে আসে তাহলে নির্ঘাত মিস। কোনদিনই অবশ্য আসে না, এটুকুই যা ভরসা। প্লেটে একখানা আস্ত পরোটা, হাতে মেরেকেটে আর পাঁচটা মিনিট। অপর্ণা চায়ের কাপটা আমার দিকে এগিয়ে দিয়ে বলল, ‘এতো দামি গাড়িটা কিনলে বসিয়ে রাখার জন্যে?’ অপর্ণা বেছে বেছে ঠিক এই সময়টাই বের করে তার দাবি দাওয়া পেশ করার জন্য। ‘দাদাকে দেখো তো’, অপর্ণা যোগ করল। সব ব্যাপারে নিজের দাদাকে জুড়ে দেওয়াটা অবশ্য কিছু নতুন নয়। প্রথম দিকে কথাটা গায়ে লাগলেও এখন বেশ গা সওয়া হয়ে গেছে। আমার পরোটা শেষ। চায়ের কাপে চুমুক দিয়ে বললাম, ‘দাদাকে আবার কি দেখব?’
—‘এই তো, কি সুন্দর বউদি আর বুবুনকে নিয়ে মন্দারমণি থেকে ঘুরে এল।’
—‘সে, তোমার দাদা মস্ত অফিসার। হাজারটা ক্লায়েন্ট। কেউ পেট্রোল খরচ দিচ্ছে, তো কেউ হোটেল। তার সাথে কি আমার তুলনা চলে?’ চা শেষ করে আমি জুতো পরতে লাগলাম।
—‘খুব চলে। ইচ্ছে থাকলে সব হয়। অন্ততঃ কাছেপিঠে থেকেই একদিন ঘুরে আসি চলো। মেয়েটা এত বায়না করছে। সামনেই তো বড়দিন। চলো না গো।’
শেষের দিকটায় সুর কিছুটা নরম। অপর্ণা বুঝেশুনে সবরকমের টেকনিকই অ্যাপ্লাই করে, যেটা লেগে যায়। কলকাতা থেকে ডায়মন্ড হারবার মাত্র দেড় ঘণ্টার রাস্তা। আমরা সকাল ন’টার মধ্যেই ঢুকে পড়লাম। স্টেশন বাজার পেরিয়ে একটা রাস্তা পশ্চিম দিকে ঢালু হয়ে নেমে গেছে। আমি স্টিয়ারিং এ বসে অপর্ণাকে লক্ষ করছিলাম। দীর্ঘ দাবদাহের পর প্রথম বর্ষণে প্রকৃতি যেমন ঝলমলিয়ে ওঠে, ওকে দেখে অনেকটা সেরকমই মনে হচ্ছিল। মেয়ে পিছনের সিটে বসে মোবাইল গেম নিয়ে ব্যস্ত।
ছোট একটা কালভার্ট পড়ল। সেটা পেরিয়ে ডান হাতে একটা গার্লস স্কুল।
তারপর একটু এগিয়ে, সামনে একটা বাঁক নিয়ে গাড়িটা একটা ইট বাঁধানো রাস্তার সামনে এসে দাঁড়াল। বুঝলাম আর এগোনো যাবে না। পেঁজা মেঘের ফাঁক দিয়ে ঝকঝকে নীল আকাশ। বাতাসে একটা শিরশিরানি ভাব। ইটের রাস্তাটা সরু হয়ে এঁকেবেঁকে কিছু কৃষ্ণচূড়া গাছ আর টালির চালের বাড়ির মাঝখান দিয়ে যেন একদম নদীর বুকে নেমে গেছে। সামনে একটা বিশাল বটগাছ তার ডালপালা নিয়ে নদীটা আড়াল করে দাঁড়িয়ে আছে। তার লম্বা ঝুরির ফাঁক দিয়ে দেখা যায় নদীর চরে দুটো নৌকা বাঁধা রয়েছে। সেখান থেকে একটু দূরে নদীর পাড় ধরে কিছুটা এগতেই সবুজ ঘাসে মোড়া একফালি জায়গা পাওয়া গেল। আমরা শতরঞ্চি পাতলাম। আজকে বড়দিন। আমাদের মতো অনেকেই এসে ভিড় জমাতে শুরু করেছে। অপর্ণা রাত জেগে লুচি আর আলুরদম বানিয়েছিল। ফ্লাস্কে চা-ও আছে। কতক্ষণ গরম থাকবে জানি না। ব্যাডমিন্টন খেলার সরঞ্জামও রয়েছে। মা মেয়ে দুজনেরই খেলার খুব শখ। আমি রবীন্দ্রনাথের সঞ্চয়িতা এনেছি।
এখানে নদীটা বেশ চওড়া। একের পর এক ঢেউ এসে আছড়ে পড়ছে। কিছুদূর এসেই আবার মিলিয়ে যাচ্ছে। তারপর আরেকটা, আবার আরেকটা। কত যুগ ধরে যেন বয়ে চলেছে। বহু যুগের ওপার থেকে যেন বয়ে নিয়ে আসছে কোন বার্তা। কোন সুদূর অতীত যেন আজ সামনে এসে দাঁড়িয়েছে।

হাফপ্যান্ট পরা ছেলেটা রোজ এখানটায় এসে দাঁড়ায়। দূর থেকে তাকিয়ে থাকে নৌকোগুলোর দিকে। মাঝিরা খুব সকালেই বেরিয়ে যায় মাছের সন্ধানে। দুপুরের দিকে আবার ফিরে আসে। নদীর চরে স্টোভ জ্বেলে চলে রান্নাবান্না। বেশ লাগে মাঝিদের এই সহজ-সরল আড়ম্বরহীন জীবন। আর ভালো লাগে শীতকালে শহর থেকে আসা মানুষদের ভিড় দেখতে। নদীর পাড়ে যেন মেলা লেগে যায়। কী সুন্দর পোশাক পরে থাকে ওরা। মাথায় খেজুরপাতার টুপি। ও খেজুরপাতার চরকা বানাতে পারে। দুটো খেজুরপাতা একটার মধ্যে আরেকটা ঢুকিয়ে প্রথমে চরকাটা বানিয়ে
নিতে হয়, তারপর মাঝখানে একটা খেজুরকাঁটা ফুটিয়ে আঙুল দিয়ে ঘুরিয়ে দিলেই চরকাটা বনবন করে ঘুরতে থাকে। তবে শীতকালের এই সময়টায় চরকা ঘুরিয়ে তেমন মজা পাওয়া যায় না। এই সময়ে নদীর ধারে একরকম বুনোফুল ফোটে। বোঁটা ভাঙলেই টুপটুপ করে আঠা বের হয়। একটা নারকেল পাতার শীষ পেঁচিয়ে সেই আঠাতে ডুবিয়ে ফুঁ দিলেই সারি সারি
বুদবুদ বেরিয়ে হাওয়ায় উড়তে থাকে। বুদবুদের পিছনে ধাওয়া করতে করতে ছেলেটা নদীর চরের দিকে নেমে এল।
নদীতে এখন ভাটা। অনেক দূর পর্যন্ত বালির চর দেখা যাচ্ছে। বালির ওপর রোদ পড়ে কেমন রুপোর পাতের মতন ঝিকমিক করছে। ওর বয়সি দু’তিনজন ব্যাডমিন্টন খেলছিল। ছেলেটা দাঁড়িয়ে পড়ল সেখানে। এ খেলাটি তার চমৎকার লাগে। এতটাই আনমনা হয়ে গিয়েছিল যে কচুপাতায় রাখা আঠাটা কখন শুকিয়ে গেছে বুঝতেই পারেনি সে। হঠাৎ পায়ের কাছে ঝুপ করে ফেদারটা এসে পড়ল। জিনিসটা একবার ছুঁয়ে না দেখলেই নয়। ছেলেটা একটু ইতস্ততঃ করে ফেদারটা হাতে তুলে নিল। পরক্ষণেই তার মনে হল যে কাজটা বোধহয় ঠিক হয়নি। ও ধীর পায়ে এগিয়ে গেল ফেদারটা ফেরত দিতে। কিন্তু অধিকারভঙ্গের শাস্তি যে এতো
তাড়াতাড়ি মিলবে ও সেটা বুঝতেই পারেনি। ওদের মধ্যে একটা দস্যি মতন ছেলে এগিয়ে এসে প্রথমে ওর হাত থেকে ফেদারটা কেড়ে নিল, তারপর এক ধাক্কায় ওকে মাটিতে ফেলে দিয়ে বলল, ‘ফেদারে হাত দিলি কেন রে? গেঁয়ো ভূত।’
শরীরে যতটা না আঘাত লেগেছিল মনে লেগেছিল তারও বেশি। ও মাটি থেকে উঠে প্যান্টে ধুলো ঝাড়তে লাগল। চোখ মুখ অপমানে লাল। গালে কিছুটা মাটি লেগেছিল, কনুইটাও ছড়ে গিয়েছে। চোখ ফেটে জল আসতে চাইছিল কিন্তু এ পরিস্থিতিতে কান্না চলে না।
মায়ের চোখ থেকে অবশ্য কিছুই লুকোনো গেল না। ‘কি হয়েছে রে?’ দুপুরে খেতে বসে মা জিজ্ঞাসা করলেন। পৃথিবীতে এমন কিছু মানুষ আছে যারা আসন্ন বিপদের উপস্থিতি টের পেয়েও মিথ্যার আশ্রয় নিতে পারেনা। এক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম হল না। কনুইটা তো ছড়ে গিয়েই ছিল, গালের ওপর পড়ল আরেকটি চড়। দুপুরে মা ঘুমোলে ছেলেটা আবার চুপি চুপি বার হল। এর একটা প্রতিশোধ নেওয়া দরকার।
শীতের সূর্য তাড়াতাড়ি বিদায় নেয়। তবে এখনও বেলা কিছুটা আছে। যারা খেলছিল তাদের এখন মধ্যাহ্ন ভোজনের সময়। ভেসে আসা কোলাহল আর টুকরো হাসির ফোয়ারা জানান দিচ্ছে যে সকলেই বেশ উপভোগ করছে। একটু দূরেই ব্যাট দুটো পড়ে ছিল। পাশেই ফেদারটা। ছেলেটা সকলের নজর এড়িয়ে চুপিসাড়ে সেখানটায় এসে দাঁড়াল, তারপরে অতি সন্তর্পণে ফেদারটা তুলে নিয়ে পাশে একটা খেজুর গাছের আড়ালে চলে গেল। বুকের মধ্যে জ্বলতে থাকা আগুনটা যেন একটু বাতাস
পেয়ে গেল। প্রথমে ও ফেদারটা টুকরো টুকরো করে ছিঁড়ল, তারপর মাটিতে ফেলে দুপায়ে পিষতে লাগল।
মনের জ্বালা কিছুটা জুড়িয়ে এসেছিল, হঠাৎ পিঠের ওপর পড়ল সপাটে একটা বাড়ি। ও চকিতে পিছন ফিরে দেখল সেই দস্যি ছেলেটা একটা ব্যাডমিন্টনের র‍্যাকেট নিয়ে হিংস্র বাঘের মত দাঁড়িয়ে আছে। দুচোখ দিয়ে যেন আগুন বের হচ্ছে। কী করবে বুঝতে না পেরে ও ছেলেটাকে দু’হাত দিয়ে ধাক্কা মারল। ছেলেটা মাটিতে পড়ে গেল। ব্যাটটা ছিটকে পড়ল দূরে। ও এবার ব্যাটটা তুলে নিয়ে সজোরে চালিয়ে দিল ছেলেটার হাতে। ছেলেটা যন্ত্রণায় কাতরাতে লাগল। আর ও ব্যাটটা নিয়ে লাগাল দৌড়। দৌড়োতে দৌড়োতে অনেকটা দূরে এসে লক্ষ করল দস্যি
ছেলেটাও ওর পিছু নিয়েছে। ও আরও জোরে দৌড়োতে লাগল। এসে থামল একেবারে নদীর চরে। এ জায়গাটা খুব নিরিবিলি। চারিদিকে শুধু বড় বড় পাথরের চাঁই আর এলোমেলো খেজুরের গাছ। দস্যি ছেলেটা নদীর পাড় অবধি এসে হাঁফাতে লাগল। এখানে অবধি আসার ক্ষমতা ওর নেই। হাফপ্যান্ট পরা ছেলেটা এবার মনেমনে যুদ্ধ জয়ের হাসি হাসল, তারপর দাঁতে দাঁত চেপে ব্যাটটাকে হাঁটুর ওপরে রেখে দু’হাতে সজোরে চাপ দিল। ব্যাটের হ্যান্ডেলটা কিছুটা বাঁকলো। তারপর সেটাকে ছুঁড়ে দিল খেজুরগাছের ঝোপের মধ্যে, যেখান থেকে খুঁজে পাবার ক্ষমতা কারওর নেই। সূর্য তখন ঢলে পড়েছে নদীর কোলে।

ঢেউ গুনতে গুনতে কখন যে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম মনে নেই। অপর্ণা ঠেলা মেরে বলল, ‘ওঃ, কি লোক রে বাবা। বেড়াতে এসেও ঘুমায়। ওঠো.., ফিরতে হবে না?’
আমি হাতঘড়ি দেখলাম। সাড়ে ছ’টা। আমরা জিনিসপত্র গুছিয়ে নদীর পাড় ধরে হাঁটতে লাগলাম। চরে বাঁধা নৌকোগুলোয় হ্যারিকেনের আলো জ্বলতে শুরু করেছে। ওরা তাড়াতাড়ি শুয়ে পড়ে। অনেক ভোরে উঠতে হয় ওদের।
আমি গাড়ি স্টার্ট দিলাম। ল্যাম্পপোস্টের বাতিগুলো কুয়াশা পরিবৃত হয়ে রাস্তাকে আলোকিত করার পরিবর্তে অন্ধকারকেই যেন বেশি প্রকট করে
তুলেছে। তবে গাড়ির হেডলাইটে রাস্তার দৃশ্যমানতা যথেষ্ট। গাড়ি মেন রোডে এসে পড়ল। অপর্ণাকে বললাম, ‘নজর রেখো তো, পেট্রল নিতে
হবে।’
অপর্ণা অনেকক্ষণ ধরেই চুপচাপ। সম্পূর্ণ অন্য প্রসঙ্গে চলে গিয়ে বলল, ‘জানো, আজকে তোমার মেয়ে একটা কাণ্ড করে বসেছে।’
—‘কি আবার কাণ্ড?’ আমি পিছন ফিরে মেয়ের দিকে তাকালাম।
—‘আমরা যখন দুপুরবেলায় খেলছিলাম, একটা ছেলে দাঁড়িয়ে আমাদের খেলা দেখছিল। মেয়েরই বয়সি। মাঝেমধ্যে ফেদার এদিক ওদিক চলে গেলে কুড়িয়ে আনছিল। খেলা শেষ হলে মেয়ে বলল, মা, দেখে মনে হচ্ছে ওরা খুব গরিব। একটা ব্যাট ওকে দিয়ে দিই?’
‘আর তুমি দিয়ে দিলে?’ আমি বিরক্ত হয়ে বললাম।
‘আঃ কেমন মানুষ গো তুমি। দিলামই না হয়। তুমি পরে না হয় একটা কিনে দিও?’ অপর্ণা মৃদু তিরস্কার করল।
গাড়ি মাঝারি স্পিডে চলছিল। চারপাশে হালকা কুয়াশা। রেডিওতে পুরনো গানের সুর। অপর্ণা যেন মনের অতলে ডুব দিয়েছিল। তারপরে হঠাৎ কোন গুপ্তধন খুঁজে পেয়েছে এরকম একটা ভাব করে বলল, ‘জানো, একটা খুব পুরনো ঘটনা মনে পড়ে গেল।’
আমি রেডিওর ভল্যুম কম করে দিলাম।
অপর্ণা বলল, ‘আমি তখন খুব ছোট। বাবা, মায়ের সঙ্গে একবার এখানে পিকনিক করতে এসেছিলাম। দাদাও ছিল। আমরা নদীর ধারে ব্যাডমিন্টন খেলছিলাম, হঠাৎ দাদার সঙ্গে একটা ছেলের খুব ঝামেলা লাগল।’
—‘তারপর?’
—‘দু’জনের মারপিট শুরু হল। তারপর ছেলেটা দাদাকে ধাক্কা মেরে ফেলে দিয়ে একটা র‍্যাকেট নিয়ে পালাল। দাদাও পিছু নিল।’
—‘তারপর?’ এই শীতের মধ্যেও যেন আমার ঘাম দিতে শুরু করল।
—‘তারপর ছুটতে ছুটতে অনেক দূরে গিয়ে ছেলেটা র‍্যাকেটটা জঙ্গলের মধ্যে ফেলে দিল। আমরা অনেক খুঁজলাম, কিন্তু পেলাম না। আমি খুব কেঁদেছিলাম।’
অপর্ণা একটু দম নিল। তারপর মনের যত বিরক্তি আর ক্ষোভ উজাড় করে দিয়ে বলল, ‘কী শয়তান ছেলে দেখেছ। সামনে পেলে না একবার চড়িয়ে গাল লাল করে দিতাম। অসভ্য বাঁদর কোথাকার।’
আমি সজোরে ব্রেক কষলাম। অপর্ণা চমকে উঠে বলল, ‘কি হল?’
রাস্তার ধারে একটা পেট্রল পাম্পে টিমটিম করে আলো জ্বলছিল। আমি সেই দিকে ইশারা করে বললাম, ‘পেট্রল নিতে হবে।’
পরের দিন অফিস থেকে দুপুর দুপুর বেরিয়ে পড়লাম। ট্যাক্সি নিয়ে শিয়ালদা। সেখান থেকে ট্রেন। মা-বাবা আমাদের পুরনো বাড়ি ছেড়ে এখন বারুইপুরে থাকেন। আমি মাঝেমধ্যে এরকম না জানিয়েই চলে আসি। আমাকে দেখে মায়ের মুখে যে খুশির তরঙ্গ ছড়িয়ে পড়ে, তার কাছে পৃথিবীর সকল ঐশ্বর্য মূল্যহীন। তবে আজকে এখানে আসার একটা অন্য কারণ আছে। মা লুচির জন্য ময়দা মাখতে বসলেন। বাবা বেরলেন নাতনির জন্যে নলেনগুড় কিনতে। কলকাতায় নাকি এসব ভালো পাওয়া যায় না। আমি সেই ফাঁকে দোতলার চিলেকোঠায় হানা দিলাম। এ জায়গাটা আমার বড় প্রিয়। একটা কাঠের তক্তপোষ আছে। তার তলায় পুরনো একটা ট্রাঙ্ক। টেনে বের করলাম। আমার ছোটবেলায় ব্যবহার করা জামাকাপড়, খেলনাপত্র সব যত্ন করে রেখে দিয়েছেন মা। পুরনো বই, দু-চার খানা খাতা, ক্লাস ফাইভের ফার্স্ট প্রাইজের ট্রফি, মায়ের হাতে বোনা আমার প্রথম সোয়েটার, ঘুড়ি, লাটাই, লাট্টু সবই আছে। একের পর এক সব
বের করলাম। জিনিসটা এখানেই রেখেছিলাম, স্পষ্ট মনে আছে। তখন সেভেনে পড়ি। নদীর ধারে খেলতে যেতাম রোজ। শীতকালে শহর থেকে দলে দলে পিকনিক করতে আসত অনেকে। সেবারে ওই ছেলেটার সাথে মারপিট হল। ওদের সঙ্গে একটা ফুটফুটে মেয়ে ছিল। ওদের একটা র‍্যাকেট ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছিলাম। প্রথম দিকে ব্যাপারটাতে বেশ মজা লাগলেও, কিছুদিন পর থেকে মনের মধ্যে একটা অপরাধবোধ দানা বাঁধতে শুরু করেছিল। একদিন নদীর ধারে গিয়ে অনেক করে খুঁজলাম র‍্যাকেটটা, পেয়েও গেলাম। খেজুর গাছের ঝোপে আটকে ছিল। বাড়ি নিয়ে
এসে ট্রাঙ্কে রেখে দিলাম। ভেবেছিলাম কোনওদিন দেখা হলে ফেরত দেব। পরের বছর বড়দিনে আবার গেলাম নদীর ধারে। পেলাম না। ছেলেটার মুখ ভালো করেই মনে ছিল। পরের বছর আবার গেলাম। তার পরের বছর আমরা ডায়মন্ড হারবারের পাট গুটিয়ে পাকাপাকি ভাবে বারুইপুরে চলে এলাম। ভাবতেই অবাক লাগে যে ওই ছোট্ট মেয়েটাই এখন আমার স্ত্রী।
বাড়ি ফিরতে রাত হল। অপর্ণা আমাকে দেখে বলল, তুমি হাত মুখ ধুয়ে এসো, আমি খাবার বেড়ে দিচ্ছি। অপর্ণা রান্নাঘরের দিকে যাচ্ছিল, আমি ওর রাস্তা আটকে দাঁড়ালাম। খবরের কাগজ মোড়া একটা প্যাকেট ওর হাতে দিয়ে বললাম, ‘এটা আমার কাছে তিরিশ বছর ধরে গচ্ছিত ছিল। দেখত, চিনতে পার কিনা?’
অপর্ণা চোখে একরাশ কৌতূহল। ও আমার হাত থেকে নিয়ে প্যাকেটটা খুলতে লাগল। একটা করে পরত খুলছে আর কৌতূহল গভীরতর হচ্ছে। অবশেষে যে বস্তুটা বেরিয়ে এল সেটা দেখে অপর্ণা কেমন থমকে গেল। অনেক পুরনো, মরচে পড়ে গেছে, হাতলটা একটু বাঁকা। অপর্ণার মন শাটল ককের মতন খুব দ্রুত গতিতে একবার অতীত আর একবার
বর্তমানের মধ্যে ছুটে বেড়াচ্ছে আর কোনও পাকিয়ে যাওয়া জট ছাড়াবার চেষ্টা করছে। অবশেষে, অপর্ণার ঠোঁটে হাসি। আমি নিরাপদ দূরত্বেই ছিলাম। অপর্ণা ছুটে এসে প্রথমে আমার জামাটা খামচে ধরল, তারপর র‍্যাকেটটা নিয়ে পিঠে দু-ঘা কষিয়ে দিয়ে বলল ‘তুমিই তাহলে সেই...!’
ও আরও কিছু বলতে যাচ্ছিল। আমি ওর মুখে হাত চাপা দিয়ে বললাম, ‘অসভ্য, পাজি, বদমাশ...।’
দেওয়াল ঘড়িতে রাত এগারোটা বাজল। বাইরে কুয়াশা মাখা হিমেল রাত প্রহর গুনছে ভোরের অপেক্ষায়।
অলংকরণ : সুব্রত মাজী 
19th  May, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধূলোয়
সৌন্দত্তির দেবী ইয়েলাম্মা, পর্ব-২৮
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়  

এবার রওনা দেওয়া যাক সুদূর কর্ণাটকের দিকে। এখানে সৌন্দত্তিতে আছেন ভক্তজন বাঞ্ছিতদেবী ইয়েলাম্মা। ইনি হলেন মূলত দেবদাসীদের আরাধ্যা দেবী। প্রতিবছর মাঘীপূর্ণিমা তিথিতে দলে দলে মেয়েরা এই মন্দিরে দেবদাসী হন। 
বিশদ

15th  September, 2019
ছায়া আছে, কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায় 

২৮
আবার মৃত্যু, কবি-জীবন থেকে ঝরে যাবে আরও একটি ফুল। কবির জ্যেষ্ঠা কন্যা মাধুরীলতা। ডাকনাম বেলা। কবির বেল ফুল-প্রীতির কথা পরিবারের সবাই জানতেন। সেই ভালোবাসার কথা মাথায় রেখেই কবির মেজ বৌঠান জ্ঞানদানন্দিনী দেবী সদ্যোজাত কন্যার নাম রাখলেন বেলা। রবীন্দ্রনাথ তাঁর এই কন্যাকে নানা নামে ডাকতেন, কখনও বেলা, কখনও বেল, কখনও বেলি, কখনও বা বেলুবুড়ি। 
বিশদ

15th  September, 2019
অবশেষে এল সে
রঞ্জনকুমার মণ্ডল 

ঋজু অফিস থেকে ফিরতেই রণংদেহি মূর্তি নিয়ে সামনে দাঁড়াল রিনি, প্রশ্ন করল, ‘তুমি গতকাল আদিত্যদের বাড়িতে গিয়েছিল?’
একটু থমকে দাঁড়াল ঋজু, জানতে চাইল, ‘তুমি কোন আদিত্যর কথা বলছ? আমার কলিগ?’ 
বিশদ

15th  September, 2019
ছায়া আছে, কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়

প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুরের পুত্র, ব্রাহ্ম নেতা,আচার্য, দানবীর মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর জীবনের শেষ উইলটি এবার করবেন। তাঁর মন আজকে বড়ই শান্ত, কাকে কী দেবেন তা পূর্ব রাত্রেই ঠিক করে ফেলেছেন। মনে আর কোনও দ্বিধা বা সংশয় নেই। কারণ তিনিও যে তার পায়ের শব্দ শুনতে পাচ্ছেন। মৃত্যুর পায়ের শব্দ— দিন ফুরিয়ে এল, এবার ফেরার পালা!
বিশদ

08th  September, 2019
কোলহাপুরের মহালক্ষ্মী - পর্ব-২৭
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

ভারতের মুখ্য দেবীপীঠগুলির মধ্যে করবীর নিবাসিনী মহালক্ষ্মী হলেন অন্যতমা। করবীর বর্তমানে কোলহাপুর নামে খ্যাত। কোলহাপুরং মহাস্থানং যত্র লক্ষ্মী সদা স্থিতা। পঞ্চগঙ্গার দক্ষিণ তীরে অবস্থিত এবং ৫১ (মতান্তরে ৫২) পীঠের অন্তর্গত এই মহাপীঠে সতীর ত্রিনয়ন (ঊর্ধ্বনেত্র) পতিত হয়েছিল। মহারাষ্ট্রের পুনে থেকে আমি কোলহাপুরে গিয়েছিলাম।
বিশদ

08th  September, 2019
তর্পণ
দেবাঞ্জন চক্রবর্তী

রাত শেষ হয়ে এসেছে। এই সময় স্বপ্নটা দেখছিল সমীরণ। স্বপ্ন বলে কোনওভাবেই সেটাকে শনাক্ত করা যাচ্ছে না। অথচ সে স্পষ্ট বুঝতে পারছে— এখন যা ঘটছে তা বাস্তবে ঘটা সম্ভব নয়। বাবা চলে গেছেন আজ পঁচিশ বছর হল। পঁচিশ বছরে বাবার মাত্র একটা স্বপ্ন দেখেছে সে। এই নিয়ে সমীরণের মনের মধ্যে দুঃখও আছে। লোকে নাকি মৃতদের নিয়ে স্বপ্ন দেখে।
বিশদ

08th  September, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধূলোয়
দেবী সপ্তশৃঙ্গী, পর্ব-২৬
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়  

সহ্যাদ্রি পর্বতে দেবী সপ্তশৃঙ্গীর বাস। তাই এবারে আসা যাক সহ্যাদ্রি পর্বতমালার বুকে নাসিকের সপ্তশৃঙ্গীতে। এর উচ্চতা ৫ হাজার ২৫০ ফুট। কাজেই স্থানটি শীতল ও রমণীয়। 
বিশদ

01st  September, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়  

২৬
বাজার সরকার শ্যামলাল গঙ্গোপাধ্যায়ের কন্যা, ঠাকুর পরিবারের অন্যতম কৃতী ও গুণবান সন্তান জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্ত্রী কাদম্বরী দেবীর মৃত্যু জোড়াসাঁকোর সেই বিখ্যাত বাড়ির সদস্যদের সম্পর্কের ভিতে বোধহয় চোরা ফাটল ধরিয়ে দিয়েছিল। অনেকেই কাদম্বরী দেবীর মৃত্যুর জন্য তাঁর স্বামীর দিকেই আঙুল তুলতেন। তাঁরা মনে করতেন স্বামীর অবহেলা, কথার খেলাপ অভিমানিনী কাদম্বরী দেবী কিছুতেই মেনে নিতে পারতেন না।  
বিশদ

01st  September, 2019
তিথির অতিথি
প্রদীপ আচার্য 

‘বাবা, উনি কাঁদছেন।’ চোখের ইশারায় গোলোকচন্দ্রকে বাইরে ডেকে নিয়ে নিচুস্বরে কথাটা বলল তিথি। গোলোকচন্দ্র আকাশ থেকে সটান মাটিতে পড়লেন। বললেন, ‘ধ্যাৎ, খামোখা কাঁদতে যাবেন কেন?’ 
বিশদ

01st  September, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায় 

২৫
‘কাদম্বিনী মরিয়া প্রমাণ করিল, সে মরে নাই।’ ‘জীবিত ও মৃত’। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ছোট গল্প। এখানেও এসেছেন কাদম্বরী দেবী, তবে নিজ নামে নয় কাদম্বিনী নামে। এই গল্পের শেষ অর্থাৎ ক্লাইম্যাক্সে কি হল! শোনাব আপনাদের। ‘কাদম্বিনী আর সহিতে পারিল না; তীব্রকণ্ঠে বলিয়া উঠিল, ‘ ওগো, আমি মরি নাই গো, মরি নাই।  
বিশদ

25th  August, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধূলোয়
পাওয়াগড়ের কালী, পর্ব-২৫
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় 

‘আদ্যেতে বন্দনা করি হিঙ্গুলার ভবানী। তারপরে বন্দনা করি পাওয়াগড়ের কালী।’ পাওয়াগড় যেতে হলে গুজরাত প্রদেশের বারোদা থেকেই যাত্রা শুরু করতে হবে। বারোদা এখন নাম পাল্টে ভাদোদারা।  
বিশদ

25th  August, 2019
কুঞ্জবিহারী
তরুণ চক্রবর্তী 

‘জানো তো হাটতলার কোণে পান-বিড়ির একটা দোকান দিয়েছে কুঞ্জবিহারী?’
গাঁয়ের বাড়িতে গিয়ে কথাটা শুনে প্রথমে নিজের কানকেই বিশ্বাস করতে পারিনি— অ্যাঁ, ঠিক শুনছি তো?
কথাটা যে ঠিক, এখন দোকানটা থেকে একটু দূরে দাঁড়িয়ে স্বচক্ষেই তা দেখছি আর উপভোগ করছি বিস্ময়ের আনন্দ। 
বিশদ

25th  August, 2019
এ ফেরা অন্য ফেরা
তপন বন্দ্যোপাধ্যায়

উচ্চতা ৪ ফুট ৬ ইঞ্চি, গায়ের রং আধাফর্সা, রোগা-পাতলা চেহারা। পরনে অতিসাধারণ শাড়ি-ব্লাউজ, কিন্তু পরিষ্কার। ঈষৎ গম্ভীর থাকে কাজের সময়। ঠিক সময়ে ঘরে ঢোকে, দ্রুত নিজের কাজটি সেরে বেরিয়ে যায় অন্য বাড়ির উদ্দেশে। কামাই প্রায় করেই না।
বিশদ

18th  August, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধূলোয়
বহুচরা দেবী
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

গুজরাত প্রদেশে আর এক তীর্থে আছেন বহুচরা দেবী। দিল্লি অথবা আমেদাবাদ থেকে মাহেসানায় নেমে এই তীর্থে যেতে হয়। স্থানীয়রা এই দেবীকে বলেন বেচরাজি। কিন্তু কেন ইনি বেচরাজি? প্রবাদ, বহুকাল আগে এক চাষি চাষ করতে করতে এখানকার দেবী দুর্গা বা অম্বিকাকে খেতের মধ্যে কুড়িয়ে পান।
বিশদ

18th  August, 2019
একনজরে
বিএনএ, রায়গঞ্জ: দুই শিক্ষাকর্মীর বদলির প্রতিবাদে ছাত্র আন্দোলনে শুক্রবার উত্তাল হল রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়। এদিন বিশ্ববিদ্যালয়ে অঙ্ক ও কম্পিউটার অ্যান্ড ইনফর্মেশন সায়েন্স বিভাগের সামনে কয়েকশ’ ছাত্রছাত্রী ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি, ২০ সেপ্টেম্বর: চলতি ২০১৯-২০ আর্থিক বছরে দেশের মাইক্রো-ফিনান্স ইন্ডাস্ট্রি ২ লক্ষ ৫০ হাজার কোটি টাকার গণ্ডি অতিক্রম করবে। স্ব-ধন ‘ভারত মাইক্রো-ফিনান্স রিপোর্ট, ২০১৯’-এ প্রকাশ পেয়েছে এই তথ্য। ...

 দিব্যেন্দু বিশ্বাস, নয়াদিল্লি, ২০ সেপ্টেম্বর: যাদবপুর-কাণ্ডে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে রিপোর্ট দেবে বঙ্গ বিজেপি। আজ এ কথা জানিয়েছেন বিজেপির অন্যতম কেন্দ্রীয় সম্পাদক তথা পশ্চিমবঙ্গের দায়িত্বপ্রাপ্ত দলের সহনেতা সুরেশ পূজারি। তিনি বলেছেন, ‘যে রাজ্যে একজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরই কোনও নিরাপত্তা নেই, সেই ...

 ইন্দোনেশিয়া, ২০ সেপ্টেম্বর: দ্বিতীয় ভারতীয় ব্যাডমিন্টন প্লেয়ার হিসেবে এশিয়ান টেবল টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠলেন জি সাথিয়ান। বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ে ভারতের টপ র‌্যাঙ্কিং সাথিয়ান ১১-৭, ১১-৮, ১১-৬ পয়েন্টে হারালেন উত্তর কোরিয়ার আন-জি সংকে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শরীর ভালো যাবে না। সাংসারিক কলহবৃদ্ধি। প্রেমে সফলতা। শত্রুর সঙ্গে সন্তোষজনক সমঝোতা। সন্তানের সাফল্যে মানসিক ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস
১৮৬৬: ব্রিটিশ সাংবাদিক, ঐতিহাসিক ও লেখক এইচ জি ওয়েলসের জন্ম
১৯৩৪: জাপানের হনসুতে টাইফুনের তাণ্ডব, মৃত ৩ হাজার ৩৬ জন
১৯৪৭: মার্কিন লেখক স্টিফেন কিংয়ের জন্ম
১৯৭৯: ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেটার ক্রিস গেইলের জন্ম
১৯৮০: অভিনেত্রী করিনা কাপুর খানের জন্ম
১৯৮১: অভিনেত্রী রিমি সেনের জন্ম
১৯৯৩: সংবিধানকে অস্বীকার করে রাশিয়ায় সাংবিধানিক সংকট তৈরি করলেন তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বরিস ইয়েলৎসিন
২০০৭: রিজওয়ানুর রহমানের মৃত্যু
২০১৩: কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবিতে ওয়েস্ট গেট শপিং মলে জঙ্গি হামলা, নিহত কমপক্ষে ৬৭

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.১৯ টাকা ৭২.৭০ টাকা
পাউন্ড ৮৬.৪৪ টাকা ৯১.১২ টাকা
ইউরো ৭৬.২৬ টাকা ৮০.৩৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৭,৯৯০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,০৪৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬,৫৮৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৫,৯০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৬,০০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৪ আশ্বিন ১৪২৬, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, শনিবার, সপ্তমী ৩৭/১২ রাত্রি ৮/২১। রোহিণী ১৪/৪৩ দিবা ১১/২২। সূ উ ৫/২৮/২৩, অ ৫/৩১/৪০, অমৃতযোগ দিবা ৬/১৬ মধ্যে পুনঃ ৭/৪ গতে ৯/২৯ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৪ গতে ৩/৬ মধ্যে পুনঃ ৩/৫৫ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ১২/৪১ গতে ২/১৭ মধ্যে, বারবেলা ৬/৫৯ মধ্যে পুনঃ ১/০ গতে ২/৩০ মধ্যে পুনঃ ৪/০ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ৭/১ মধ্যে পুনঃ ৩/৫৯ গতে উদয়াবধি।
৩ আশ্বিন ১৪২৬, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, শনিবার, সপ্তমী ২৫/২২/২১ দিবা ৩/৩৭/৫। রোহিণী ৭/১/২৪ দিবা ৮/১৬/৪৩, সূ উ ৫/২৮/৯, অ ৫/৩৩/২৯, অমৃতযোগ দিবা ৬/২০ মধ্যে ও ৭/৭ গতে ৯/২৯ মধ্যে ও ১১/৪৮ গতে ২/৫৫ মধ্যে ও ৩/৪২ গতে ৫/৩৩ মধ্যে এবং রাত্রি ১২/৩৮ গতে ২/১৭ মধ্যে, বারবেলা ১/১/২৯ গতে ২/৩২/৯ মধ্যে, কালবেলা ৬/৫৮/৪৯ মধ্যে ও ৪/২/৪৯ গতে ৫/৩৩/২৯ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/২/৪৯ মধ্যে ও ৩/৫৮/৪৯ গতে ৫/২৮/২৮ মধ্যে।
২১ মহরম

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
কেবিসিতে রামায়ণ নিয়ে সহজ প্রশ্নে হোঁচট, হাসির খোরাক সোনাক্ষী 
কার জন্য সঞ্জীবনী বুটি এনেছিলেন হনুমান? একেবারেই সহজ প্রশ্ন। কিন্তু, ...বিশদ

02:33:04 PM

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়: আচার্যর সঙ্গে ফ্যাকাল্টি সদস্যদের মুখোমুখি আলোচনার প্রস্তাব উপাচার্যের 
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে পঠনপাঠনের পরিবেশ ফেরানো সহ একাধিক বিষয়ে উৎকর্ষবৃদ্ধির জন্য ...বিশদ

02:13:25 PM

বাঁকুড়ায় বধূকে গণধর্ষণের অভিযোগে ধৃত ২ 

01:49:43 PM

রাজীব কুমারের খোঁজে ভবানী ভবনে হানা সিবিআইয়ের 

01:10:16 PM

‘সংবেদনশীলতা আর যত্নের মাধ্যমে আমরা অনেকের জীবনে পরিবর্তন আনতে পারি’, বিশ্ব অ্যালজাইমার দিবস উপলক্ষে ট্যুইট মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের 

12:48:00 PM

২১ অক্টোবর মহারাষ্ট্র ও হরিয়ানায় ভোট, গণনা ২৪ অক্টোবর 

12:33:04 PM