Bartaman Patrika
গল্পের পাতা
 

ছায়া আছে কায়া নেই 
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়


পরবর্তী ডাকেই শিশিরকুমার তাঁর প্রাণাধিক প্রিয় পুত্র পয়সকান্তির ছবি বন্ধুকে পাঠিয়ে দিলেন। সেই ছবির সঙ্গে তিনি একটা চিঠিও পাঠালেন। তিনি তাঁর বন্ধুকে লিখেছিলেন, আপনার কথামতো আমি ছবিটা পাঠালাম। আপনি এই ছবিটা বাইরের কাউকে দেখাবেন না। বিশেষ করে ব্যাঙ্কস ভগ্নীদ্বয়কে। তাঁদের ছবি আঁকা শেষ হলে আপনি আমার পুত্রের ছবির সঙ্গে তাঁদের আঁকা ছবিটা মিলিয়ে নেবেন। আশা করি আপনি আমার এই ছোট্ট অনুরোধটা রাখবেন।
ছবি হাতে পাওয়ার পর মহাত্মার বন্ধু তাঁর এক ঘনিষ্ঠ বন্ধুকে সবকথা জানিয়ে বললেন, আগামী রবিবার তুমি কী ভাই আমার সঙ্গে ব্যাঙ্কস ভগ্নীদের বাড়িতে যাবে? সেই বন্ধুও এইসব ব্যাপারগুলিকে বুজরুকি বলে মনে করতেন। তিনি বললেন, রবিবার সকালে আমি তোমার জন্য কোনও কাজ রাখব না। আমি তোমার সঙ্গে যাব। আমরা দুজনে মিলে দুই বোনের সমস্ত ভন্ডামি, বুজরুকি ফাঁস করে দেব। তবে আমরা যে আগামী রবিবার যাব একথা তাঁদের আগে থেকে জানিও না। আমরা আচমকা তাঁদের বাড়িতে উপস্থিত হব।
মহাত্মার বিদেশি বন্ধু বললেন, ঠিক আছে আমরা আগাম কোনও খবর না দিয়েই আগামী রবিবার সকালে তাঁদের বাড়ি যাব। তুমি সকাল ন’টা নাগাদ আমার বাড়িতে চলে এসো। আমার বাড়ি থেকে খুব কাছেই তাঁদের বাড়ি। আমরা গল্প করতে করতে চলে যাব।
রবিবার দিন দু’জনে একসঙ্গে প্রাতঃরাশ সেরে রাস্তায় নামলেন। চমৎকার, মনোরম এক সকাল। মিনিট পনেরোর মধ্যে তাঁরা পৌঁছে গেলেন ব্যাঙ্কস পরিবারের বাড়িতে। সেদিন অবশ্য দুই বোনের একজনই বাড়িতে ছিলেন। যিনি বাড়িতে ছিলেন তিনিই দরজা খুলে তাঁদের কাছে আসার কারণটা জানতে চাইলেন। মহাত্মার বন্ধু বললেন, আমার ভারতবর্ষের এক বন্ধুর পুত্র সদ্য প্রয়াত হয়েছেন। তাঁর অনুরোধেই আজ আমরা আপনার বাড়িতে এসেছি। আমার ভারতীয় বন্ধুর খুব ইচ্ছা আপনারা দুই বোন মিলে তাঁর পুত্রের একটা ছবি এঁকে দেবেন। কারণ তাঁর কাছে সেই মৃত পুত্রের কোনও ছবি নেই।
মহিলা বললেন, আমার অপর বোন এখন বাড়িতে নেই। তাছাড়া আপনাদের আসতে আর কিছুক্ষণ দেরি হলে আমিও বিশেষ একটা কাজে বেরিয়ে যেতাম। আপনাদের উচিত ছিল একটা খবর দিয়ে আসা। তবে এসেই যখন পড়েছেন তখন আসুন আমিই ছবিটা এঁকে দেব।
মহাত্মার বন্ধু বললেন, শুনেছি আপনারা একসঙ্গে ছবি আঁকেন?
মহিলা মৃদু হেসে বললেন, কথা না বাড়িয়ে আপনারা আসুন আমার সঙ্গে।
ভদ্রমহিলা দুই বন্ধুকে নিয়ে একটা মাঝারি মাপের ঘরে ঢুকে দরজাটা বন্ধ করে দিলেন। ঘরে গোটাতিনেক জানলা থাকলেও একটি বাদে সবগুলোই বন্ধ ছিল। দুই বন্ধুর দেখে মনে হয়েছিল বাকি দুটি জানলা বহুকাল খোলা হয়নি। তবে উন্মুক্ত জানলাটি দিয়ে চমৎকার রোদ খেলে বেড়াচ্ছিল ঘরের মধ্যে। আর সেই জানলার সামনে দাঁড় করান ছিল একটি ইজেল। ঘরে আসবাব বলতে ছিল একটি সোফা ও ছোট্ট একটা চৌকি। তার উচ্চতা খুব একটা বেশি নয়।
দুই বন্ধুকে সেই সোফায় বসতে অনুরোধ করে মহিলা বললেন, আমি কী আমার নিজস্ব ক্যানভাসে ছবি আঁকব, না আপনারা সঙ্গে ক্যানভাস এনেছেন!
মহাত্মার বন্ধু বললেন, আমরা সঙ্গে ক্যানভাস এনেছি, আপনি আমাদের ক্যানভাসেই ছবি আঁকবেন।
সঙ্গে আনা প্যাকেট থেকে ক্যানভাসটি বের করে মহিলার হাতে দেওয়া মাত্র তিনি সেটি ইজেলে চাপিয়ে বললেন, এবার আমি কাজ শুরু করব। মিনিট কুড়ি সময় লাগবে। আমি যখন কাজ করব, তখন আপনারা সোফা ছেড়ে একদম উঠবেন না বা কোনও কথাও বলবেন না। আর আমি যাঁর ছবি আঁকতে যাচ্ছি তাঁর নামটা আপনারা কী আমাকে জানাবেন!
মহাত্মার বন্ধু বললেন, মৃত ব্যক্তির নাম পয়সকান্তি ঘোষ। পিতার নাম শিশিরকুমার ঘোষ।
ভদ্রমহিলা বললেন ঠিক আছে। কিন্তু আমি যা বললাম তা দয়া করে মাথায় রাখবেন। কথা শেষ করেই তিনি ইজেলের উল্টোদিকে রাখা ছোট চৌকিটির ওপর পদ্মাসনে বসে ধ্যানস্থ হলেন। মিনিট দশেক এইভাবে কাটার পর মহিলা হঠাৎই অস্ফুট স্বরে কথা বলতে শুরু করলেন— আমি এক যুবককে দেখতে পাচ্ছি, বয়স পঁচিশ বা ছাব্বিশ, তার বেশি নয়। এরপর তিনি অদেখা মৃত যুবকের হুবহু চেহারার বর্ণনা দিতে শুরু করলেন।
মহিলার কথা শুনে চমকে উঠেছিলেন শিশিরকুমারের বন্ধু। কারণ তিনি পয়সকান্তির ছবি আগেই দেখেছেন। মহিলা যে পয়সকান্তির কথাই বলছেন তা বুঝতে তাঁর এতটুকু দেরি হল না। তিনি খুব বিস্মিত হলেও মহিলার কথামতো সোফায় চুপ করে বসে রইলেন।
বর্ণনা শেষ করেই ভদ্রমহিলা আসন ছেড়ে উঠে দাঁড়িয়ে ধীর পদক্ষেপে এসে দাঁড়ালেন ক্যানভাসের সামনে। খুব ক্লান্ত কণ্ঠে জিজ্ঞেস করলেন,ওই যুবক যখন পৃথিবীতে আমাদের মাঝে ছিলেন তখনকার ছবি আঁকব, না এখন যেখানে তিনি আছেন সেই ছবি!
মহাত্মার বন্ধু কথাটা শুনে বেশ অবাক হলেন। তিনি বললেন, না, আপনি জীবিত অবস্থার ছবি আঁকুন।
ভদ্রমহিল তাঁর কথার কোনও উত্তর দিলেন না, ধীরে ধীরে ডানহাতটি তুলে মেলে ধরলেন ক্যানভাসের বুকে। তারপর স্থির চোখে তাকিয়ে রইলেন সেদিকে।
এরপরই ঘটল এক অদ্ভুত ঘটনা। হঠাৎই খোলা জানলা দিয়ে একরাশ কুয়াশা বা সাদা ধোঁয়া ঘরে প্রবেশ করে মহিলা ও ক্যানভাসটিকে প্রায় ঢেকে দিল।
এই দৃশ্য দেখে দুই বন্ধু বেজায় ঘাবড়ে গেলেন। বলা যেতে পারে ভয়ও পেয়েছিলেন। কোথা থেকে এত ধোঁয়া এল! কিন্তু তাঁদের জন্য আরও বিস্ময় তখনও অপেক্ষা করে ছিল। যেমনভাবে হঠাৎই ঘরের মধ্যে ধোঁয়া প্রবেশ করিছিল ঠিক সেইভাবেই ধোঁয়ার কুণ্ডলী মিলিয়ে গেল শূন্যে। আর তারপর! সেই সাদা ক্যানভাসের বুকে ধীরে ধীরে ফুটে উঠতে শুরু করল একটা অবয়ব। চোখ, নাক, কান, ঠোঁট। কিন্তু হঠাৎই সেই অবয়ব আবার কোথায় মিলিয়ে গেল। ক্যানভাস তখন আবার শূন্য। কয়েক মুহূর্ত বাদে আবার সেই অবয়ব ফিরে এল ক্যানভাসের বুকে। দৃশ্য- অদৃশ্যের খেলা বেশ কিছুক্ষণ চলার পর অবশেষে ক্যানভাসের বুকে ফুটে উঠল পয়সকান্তির ছবি। এরপর ভদ্রমহিলা খুব ক্ষীণ স্বরে বলে উঠলেন ছবি আঁকা শেষ হয়েছে। আপনারা এবার এটা নিতে পারেন। দুই বন্ধু কোনওরকমে ইজেল থেকে ক্যানভাসটি মুক্ত করে নেমে এলেন রাজপথে।
তখনও তাঁদের শরীরের কাঁপুনি পুরোপুরি থামেনি।
(ক্রমশ) 
28th  April, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায় 

১৫
নিস্তব্ধ নির্জন ঘর, দেবতা বিশ্রাম করছেন খাটে। ঘরের এককোণে চুপ করে বসে আছেন মতিলাল। প্রদীপটা তখনও মিটমিট করে জ্বলছে। সময় যেন আর কাটতেই চাইছে না। মাঝে একটু তন্দ্রাচ্ছন্ন মতো হয়ে পড়েছিলেন মতিলাল। সেই রেশ কাটাতে তিনি ঘরের ভেতর পায়চারি করতে শুরু করলেন।  
বিশদ

16th  June, 2019
পুন্য ভূমির পুন্য ধুলোয়
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় 

মৈহর পীঠ, পর্ব-১৫
মৈহর হল মধ্যপ্রদেশের সাতনা জেলা তহশিলের এক প্রসিদ্ধ দেবীস্থান। একান্ন পীঠের অন্তর্গত পীঠ না হলেও উপপীঠ। এখানে সতীর দেহাংশ নয় কণ্ঠহার পড়েছিল। এই পুণ্যভূমিতেই ত্রিকূট পর্বতের চূড়ায়। সতীমাঈ কি হার। তাই থেকেই মাঈহার, মৈহার ও বর্তমানে মৈহর।  
বিশদ

16th  June, 2019
প্রাণেশদার শান্তিনিকেতন
আশিস ঘোষ 

স্টাফরুমে বসেছিলাম। ঘরের টিউব লাইট খারাপ থাকায় আবছা অন্ধকার। একটু আগেই এক পশলা বৃষ্টি হয়েছে। একটু যেন শীত শীত ভাব। অশোক কথা বলছিল। আমাদের কয়েকজনের অফ পিরিয়ড। কোনও তাড়া নেই। আড্ডা বেশ জমে উঠেছে। এমন সময় খবর এল, প্রাণেশবাবু আর নেই। 
বিশদ

16th  June, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায় 

১৪

কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পিতা মতিলাল চট্টোপাধ্যায়। ভাগ্যদেবী কোনওদিনই এই মানুষটির প্রতি বিন্দুমাত্র সদয় ছিলেন না। চিরকালই তিনি তাঁর কৃপা-করুণা লাভে বঞ্চিত থেকেছেন। ফলস্বরূপ তাঁর পরিবার পরিজনকে যথেষ্ট সঙ্কটের মধ্যেই দিন কাটাতে হতো।  
বিশদ

09th  June, 2019
পুন্য ভূমির পুন্য ধুলোয়
দেবী ত্রিপুরমালিনী
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় 

পর্ব-১৪

এবার বলি দেবী ত্রিপুরমালিনীর কথা। পীঠ নির্ণয় তন্ত্রে আছে ‘ভীষণা ভৈরবস্তত্র দেবী ত্রিপুরমালিনী’। পাঞ্জাব প্রদেশে এই সতীপীঠ জলন্ধর পীঠ নামে খ্যাত। কিন্তু এই পীঠ সম্বন্ধে নানারকম বিভ্রান্তিকর তথ্য পাওয়ার কারণে এর সঠিক অবস্থান কিছুতেই নির্ণয় করতে পারিনি।  বিশদ

09th  June, 2019
দাদা, কেমন আছ?
 অমর মিত্র

দাদা, কেমন আছ?
কে বলছ? বীরেন জিজ্ঞেস করে।
দাদা, আমি অনুপ।
কোন অনুপ?
গলার স্বরে বুঝতে পারছ না, বেলঘরিয়ার অনুপ।
ও, মিত্রা সিনেমার অনুপ? বীরেন চিনতে পারে।
 
বিশদ

09th  June, 2019
পুন্য ভূমির
পুন্য ধুলোয়
কালকার কালিকা দেবী
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

কালকার কালিকা দেবী দর্শনে কোনও দুর্গম পন্থার পথিক হতে হবে না। কলকাতা থেকে কালকায় যাওয়ার একমাত্র ট্রেন দিল্লি কালকা মেল। এছাড়াও আম্বালা ক্যান্ট থেকে কালকাগামী বাসে কালকায় আসা যায়। তবে নয়নাদেবীর যাত্রীদের উচিত ফেরার পথে চণ্ডীগড়ে এসে কালকায় যাওয়া। চণ্ডীগড় থেকে কালকার দূরত্ব মাত্র ২৫ কিলোমিটার।
বিশদ

26th  May, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়

 দীনবন্ধু মিত্র সেইসময় কর্মসূত্রে যশোরে বসবাস করেন। তাঁর বাড়ির খুব কাছেই এক কুলীন বৃদ্ধের বাড়ি। সদ্য সেই বৃদ্ধের তরুণী স্ত্রী কয়েকদিনের জ্বরে ভুগে গত হয়েছেন। তাঁদের একটি আট ন-বছরের কন্যা সন্তান রয়েছে। স্ত্রী রোগ শয্যায় শুয়ে বৃদ্ধ স্বামীর দুটি হাত ধরে অনুরোধ করে বলেছিলেন, তুমি খুকির মুখ চেয়ে আর বিয়ে করো না।
বিশদ

26th  May, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়  

নয়নাদেবী, পর্ব-১২

শিবালিক পর্বতমালার উত্তমশৃঙ্গে রমণীয় পরিবেশে নয়নাদেবীর অধিষ্ঠান। নয়নাদেবীতে সতীর দুটি নয়নই পতিত হয়েছিল। কিন্তু কোথায় সেই স্থান? সচরাচর কোনও যাত্রীরও যাতায়াত নেই সেখানে।  
বিশদ

19th  May, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়  

১২
অভাব অনটন তাঁর পরিবারের নিত্য সঙ্গী তবু পিতা কালাচাঁদ মিত্র আদর করে পুত্রের নাম রাখলেন গন্ধর্বনারায়ণ।১৮৩০ সালে নদীয়া জেলার চৌবেড়িয়া গ্রামে জন্ম হল বাংলার এই অন্যতম কৃতী সন্তানের।  
বিশদ

19th  May, 2019
ব্যাডমিন্টন
মণিদীপ রায় 

সাড়ে আটটার লোকালটা যদি টাইমে আসে তাহলে নির্ঘাত মিস। কোনদিনই অবশ্য আসে না, এটুকুই যা ভরসা। প্লেটে একখানা আস্ত পরোটা, হাতে মেরেকেটে আর পাঁচটা মিনিট। অপর্ণা চায়ের কাপটা আমার দিকে এগিয়ে দিয়ে বলল, ‘এতো দামি গাড়িটা কিনলে বসিয়ে রাখার জন্যে?’ অপর্ণা বেছে বেছে ঠিক এই সময়টাই বের করে তার দাবি দাওয়া পেশ করার জন্য। 
বিশদ

19th  May, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায় 

১১

‘নিশীথ রাক্ষসীর কাহিনী’— সাহিত্যসম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অসমাপ্ত এক কাহিনী। এই লেখাটি তিনি শেষ করে যেতে পারেননি। লেখাটি শুরু করে বেশ কিছুটা এগবার পরই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন।  
বিশদ

12th  May, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় 

চিন্তাপূর্ণী দেবী, পর্ব-১১

গাড়োয়াল হিমালয় ও সংলগ্ন হিমাচল প্রদেশে চিন্তাপূর্ণী দেবীর মান্যতা খুব। কেননা ইনিও নয় দেবীর এক অন্যতমা মহাদেবী। জ্বালামুখী ও কাংড়ার খুব কাছেই চিন্তাপূর্ণী দেবীর স্থান। নগরকোট কাংড়া থেকে চিন্তাপূর্ণীর দূরত্ব ৫০ কিমির মতো।  
বিশদ

12th  May, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই 
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়

১০
ফেরার পথে আর হেঁটে নয়, গাড়িতে করেই বাড়ি ফিরে এলেন দুই বন্ধু। তারপর নিস্তেজ নার্ভকে সতেজ করার জন্য দু কাপ গরম পানীয় নিয়ে তাঁরা মুখোমুখি বসলেন। তখনও তাঁদের ঘোর পুরোপুরি কাটেনি।  
বিশদ

05th  May, 2019
একনজরে
  নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বিজেপি ‘জয় শ্রীরাম’ লেখা কয়েক লক্ষ পোস্টকার্ড মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে পাঠাবে। পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে তৃণমূল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে লক্ষাধিক ‘জয় হিন্দ, জয় বাংলা’ লেখা পোস্টকার্ড পাঠানোর কথা ঘোষণা করেছে। ...

বিএনএ, সিউড়ি: মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে জুনিয়র ডাক্তারদের বৈঠকে স্বাস্থ্য পরিষেবা নিয়ে দীর্ঘ জটিলতা কেটে যাওয়ায় খুশি বীরভূম জেলার রোগী ও তাঁদের আত্মীয়রা। মঙ্গলবার সকাল থেকেই সিউড়ি, বোলপুর, রামপুরহাটে বড় হাসপাতালগুলিতে ভিড় জমান জেলার বহু মানুষজন।  ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: জুনিয়র ডাক্তারদের কর্মবিরতি উঠতেই স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে কলকাতার হাসপাতালগুলি। এনআরএস এবং এসএসকেএমে ওপিডিতে রোগী দেখা এবং ইমার্জেন্সিতে রোগীদের চিকিৎসা শুরু হল। ...

 ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মপ্রার্থীদের কোনও চুক্তিবদ্ধ কাজে যুক্ত হওয়ার যোগ আছে। ব্যবসা শুরু করা যেতে পারে। বিবাহের যোগাযোগ ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৪৭- লেখক সলমন রুশদির জন্ম,
১৯৭০- রাজনীতিক রাহুল গান্ধীর জন্ম,
১৯৮১- ভারতে টেস্ট টিউব বেবির জনক সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যু,
২০০৮- বর্তমানের প্রতিষ্ঠাতা-সম্পাদক বরুণ সেনগুপ্তের মৃত্যু 

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.০৩ টাকা ৭০.৭২ টাকা
পাউন্ড ৮৫.৯৪ টাকা ৮৯.১১ টাকা
ইউরো ৭৭.০০ টাকা ৭৯.৯৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৩,৪৬৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩১,৭৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩২,২২৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৭,১৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৭,২৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৪ আষা‌ঢ় ১৪২৬, ১৯ জুন ২০১৯, বুধবার, দ্বিতীয়া ২৬/৩৫ দিবা ৩/৩৪। পূর্বাষাঢ়া ২১/২৩ দিবা ১/৩০। সূ উ ৪/৫৯/৯, অ ৬/১৯/১২, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৭ গতে ১১/১১ মধ্যে পুনঃ ১/৫১ গতে ৫/২৫ মধ্যে। রাত্রি ৯/৫২ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৯ গতে ১/২৪ মধ্যে, বারবেলা ৮/১৭ গতে ৯/৫৭ মধ্যে পুনঃ ১১/৩৮ গতে ১/১৮ মধ্যে, কালরাত্রি ২/১৭ গতে ৩/৩৭ মধ্যে। 
৩ আষাঢ় ১৪২৬, ১৯ জুন ২০১৯, বুধবার, দ্বিতীয়া ২৪/১৯/০ দিবা ২/৩৯/৬। পূর্বাষাঢ়ানক্ষত্র ২০/৫৮/৩৭ দিবা ১/১৮/৫৭, সূ উ ৪/৫৫/৩০, অ ৬/২১/৫৪, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪০ গতে ১১/১৪ মধ্যে ও ১/৫৫ গতে ৫/২৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/৫৫ মধ্যে ও ১২/২ গতে ১/২৭ মধ্যে, বারবেলা ১১/৩৮/৪৩ গতে ১/১৯/২১ মধ্যে, কালবেলা ৮/১৭/৭ গতে ৯/৫৭/৫৫ মধ্যে, কালরাত্রি ২/১৭/৩ গতে ৩/৩৬/১৯ মধ্যে। 
১৫ শওয়াল 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
বিশ্বকাপ: আফগানিস্তানকে ১৫০ রানে হারাল ইংল্যান্ড

18-06-2019 - 10:48:34 PM

স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে নিরাপত্তা, চালু কলকাতা পুলিসের হেল্প লাইন 
গতকাল মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ পাওয়ার পর স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে নিরাপত্তা জনিত সমস্যার ...বিশদ

18-06-2019 - 09:48:24 PM

বিশ্বকাপ: আফগানিস্তান ৮৬/২ (২০ ওভার) 

18-06-2019 - 08:17:00 PM

দার্জিলিং পুরসভায় প্রশাসক নিয়োগ করল রাজ্য সরকার 

18-06-2019 - 08:08:39 PM

জাপানে বড়সড় ভূমিকম্প, মাত্রা ৬.৫, জারি সুনামি সতর্কতা 

18-06-2019 - 07:34:58 PM

বিশ্বকাপ: আফগানিস্তান ৪৮/১ (১০ ওভার) 

18-06-2019 - 07:05:00 PM