প্রচ্ছদ নিবন্ধ
 

 কৃপণ সমাচার!

কৃপণ কত প্রকার ও কী কী? এমন রচনা ছেলেবেলায় লিখতে না হলেও এ ব্যাপারে জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতার ঝুলি প্রায় সবারই পূর্ণ। কেউ কেউ আবার কৃপণ শব্দটির বদলে হিসাবি বা মিতব্যয়ী ব্যবহার করতে বেশি পছন্দ করেন। যদিও তাতে কৃপণদের নিয়ে সমাচারে কোনও দিন, কোনও যুগেই ঘাটতি হয় না।

শ্যামল চক্রবর্তী: কাপর্ণ্যশাস্ত্রে ডক্টরেট শ্রী এককড়ি খান পয়সা খরচের ভয়ে বিয়ে পর্যন্ত করেননি। সকালে চায়ের বদলে এককাপ নিমপাতার রস আর দুটি ডগ বিস্কুট খেয়ে দেড়ঘণ্টা হেঁটে অফিস। দুপুরে একশো ছাতুমাখা, সঙ্গে অফিস ক্যান্টিনের মুফতের পেঁয়াজ, কাঁচালংকা। রাতে বাড়ি ফিরে কুচনো নিমপাতা আর ভেজানো ছোলার পুষ্টিকর ডিনার। পাড়াপড়শিরা এককড়িবাবুকে পত্তহারি বাবা বলতেন। অনেকে ডাকতেন বাতাস খান।
খরচ যথাসম্ভব কম করা বড়লোক হওয়ার শ্রেষ্ঠ উপায়। বড়লোক হওয়ার বাসনায় রোজ সন্ধ্যায় এককড়িবাবুর বাড়িতে প্রচুর মানুষ ভিড় করতেন। মাথাপিছু একটাকা অগ্রিম দক্ষিণা নিয়ে এককড়ি তাঁর ধেড়ে ছাত্রদের কৃপণ হওয়ার ফন্দিফিকির শেখাতেন। শেষ বাজারে ফেলে দেওয়া পচাধচা কেজি খানেক কাঁচালংকা আর পাড়ার গাছে উঠে পাড়া এক ব্যাগ নিমপাতা নিয়ে গিয়ে দক্ষিণার একটি টাকা বাঁচিয়েছিলাম এক সন্ধ্যায়। খুশি হয়ে এককড়িবাবু আমাকে কৃপণের শ্রেণিবিভাগ শিখিয়ে দেন।
কৃপণ তিনপ্রকার। কঞ্জুস, হাড়কৃপণ আর মক্ষীচুষ। কঞ্জুস নিম্নশ্রেণির কৃপণ, নষ্ট হয়ে যাওয়া একপাটি জুতো কেজিদরে বেচে দিয়ে দু’পায়ে দু’পাটি জুতো পরে ঘোরে। হাড় কৃপণ রান্নায় ড্রপারে ভরে গুনে গুনে বিশফোটা তেল দেয়। মক্ষীচুষ আমের খোসা ছাড়িয়ে খোসাগুলো চুষতে চুষতে এক সময় গিলে ফেলে। এবার খুশবু ছড়ানো পাকা আমটি সামনে রেখে বসে থাকে। আমে মাছি বা মক্ষী কিছুক্ষণ বসার পর মক্ষীচুষ মাছিটাকে ধরে চুষে চুষে আম খায়, আমটি অক্ষত থাকে।
উকিল হুকিল, ডাক্তার মোক্তার, জজ ব্যারিস্টার, স্মাগলার জাগলার, ময়রা বয়রা, টিচার প্রিচার, মাঝি হাজি—যে কোনও পেশায় কৃপণের সংখ্যা যথেষ্ট। সবসময় অবশ্য সব কৃপণকে চেনা যায় না। গুপ্তকৃপণ দশ বছরে একটাও জামাপ্যান্ট না কিনে ছেলের জামা পরে অফিস যায়। কোষ্ঠ কাঠিন্যের অজুহাতে টাটকা কলার বদলে এক টাকায় দশটা মেঘকালো মজা কলা খায় সুপ্তকৃপণ।
ঘরকৃপণকে ঘরের লোকজন হাড়েহাড়ে চেনে, পাড়াকৃপণকে পাড়ার লোক। বিশ্বকৃপণের খ্যাতি আলাদা, সবাই একডাকে চেনে। মুক্তারামবাবু গাছকৃপণ, বাগানের গাছ ভরতি ফলের দিকে চেয়ে চেয়ে ফলাহার সেরে সব ফল বাজারে বেচে দেন। রামেশ্বরবাবু চক্ষুকৃপণ, কেউ বেশি মাছ, সবজি বা মণ্ডামিঠাই কিনছে দেখলেই কষ্টে চোখ বুঁজে ফেলেন। আমার আত্মীয় রামেশ্বর বাজার থেকে স্ত্রী যা যা আনতে বলে, তার বেশিরভাগই আনতে ভুলে যায়। রামেশ্বর ভুলকৃপণ। রুচি কর নামে এক মহিলাকে জানি যিনি চুলকৃপণ। আজানুলম্বিত কেশ কেটে রুচি দেবী সবসময় বয়কাট। চুলের তেল, শ্যাম্পু ক্লিপ, কলপ সবই বাঁচে।
অভিজাত মানুষ মানেই অকৃপণ বা হাতখোলা, ভুলেও ভাববেন না। সল্টলেক অভিজাত অধ্যুষিত। ওখানকার এক বাজারে এক রবিবার মধুবাবু, মধু কর দোকানদারের সঙ্গে প্রচুর ঝগড়া করে তিনপিস আলু কেনেন। এই সময় এসে হাজির মধুবাবুর প্রতিবেশী যদুবাবু। তিনি আড়চোখে মধুবাবুকে দেখে নিয়ে দুটি পটল বেছে ওজন করতে দেন। ‘দাম লাগবে না বাবু, এমনি নিয়ে যান’, প্রায় কেঁদে ফেলা দোকানির কথা শোনামাত্র যদু ধর দু’হাতে দুটো পটল ধরে হাঁটা লাগান। তিনটি আলুর দাম আগেই দিয়ে দিয়েছেন, ফেরত চাইলে দোকানদার কামড়ে দিতে পারে! রুমালে চোখ মুছতে মুছতে বাড়ি ফেরেন মধুবাবু।
এটা সত্তর বছর আগের গল্প। গঙ্গার এপারে উত্তরপাড়ায় বাস কৃপণচূড়ামণি মুক্তিনাথ ভট্টর। ওপারে পানিহাটিতে থাকেন কৃপণ শিরোমণি সিদ্ধিনাথ নট্ট। মুক্তিনাথ একদিন স্থির করলেন সিদ্ধিনাথকে দেখতে যাবেন, বুঝতে হবে তিনি কতটা কৃপণ। গঙ্গা খেয়ার পার হলেন না মুক্তিনাথ, পারানি লাগবে। ধুতি মালকোচা মেরে গঙ্গা সাঁতরে ভেজা কাপড়ে গিয়ে উঠলেন সিদ্ধিনাথের বাড়ি।
বাড়ি ভরতি নিমগাছ, ফলন্ত লঙ্কার চারা। অকৃতদার সিদ্ধিনাথ দরজা জানালা এঁটে সুতোবিহীন। অনেক ডাকাডাকির পর, অন্ধকার ঘরে দরজা একটু ফাঁক করে অতিথির কোমরে জড়ানো গামছাটি চাইলেন। গামছা পরা সিদ্ধিনাথের ঘরে ঢুকে একটা দড়িতে একটুকরো ভেজা কাপড় শুকাতে দেখে মুক্তিনাথ বুঝলেন, ওটাই সিদ্ধিনাথের একমাত্র বস্ত্র।
পানিহাটির মহাকৃপণ উত্তরপাড়ার রাজকৃপণকে পেয়ে মহা খুশি। ‘এত কষ্ট করে এলেন, একটা রাজভোগ খান’ বলে শূন্যে হাত ঘুরিয়ে বিশাল হাওয়াই রাজভোগ খাওয়ালেন মুক্তিনাথকে। অনেক গল্প হল দু’জনের। ‘আজ তবে আসি, এই দেখ! কাঁচাগোল্লা এনেছি, ভুলে মেরেছি’ বলেই মুক্তিনাথ ডানহাতের তিনটে আঙুল শূন্যে সামান্য ঘুরিয়ে মিনি একটা কাঁচাগোল্লা সিদ্ধিনাথকে খাইয়ে হাসতে হাসতে বিদায় নিলেন। পেল্লাই রাজভোগ বনাম মার্বেল সাইজের কাঁচাগোল্লার খবর পৌঁছে গেল উত্তরপাড়ার রাজা প্যারীমোহনের কানে। খুশি হয়ে কৃপণচূড়ামণি মুক্তিনাথ ভট্টকে ‘কঞ্জুস রত্ন’ খেতাবে ভূষিত করলেন রাজা।
কিছু কৃপণ নিজেকে কঞ্জুসের বদলে অমিতব্যয়ী ভেবে স্বর্গসুখ অনুভব করেন। শেয়ালদার অমূল্য চাকলাদার যেমন। অমূল্যবাবু সার্থকনামা। ফল-সবজির খোসাকে খাদ্যে রূপান্তরিত করতে অমূল্যবাবুর দক্ষতা অসীম। পেঁপের চোকলার তেলবিহীন চচ্চড়ি, ডাবের খোসার অম্বল, পাতিলেবুর খোসাভাতে, কাঁচাকলার চাকলার মিষ্টিহীন ডায়াবেটিক হালুয়া—এসব পদ নিয়মিত নিজের হাতে রাঁধেন ভদ্রলোক। একবার তাঁর বাড়িতে গিয়ে দুপুরে তরমুজের খোসাবাটার বড়ার পাতলা ‘সিক ঝোল’ দিয়ে ভাত খেয়ে এসে প্রখ্যাত লেখক সাগর দাশগুপ্ত বারবার চাকলাদারের বাড়ি চলে যান চাকলার নতুন নতুন রেসিপি জানতে ও চা খেতে। উদীয়মান তরুণ লেখক আনন্দ মৌলিক আরও এককাঠি সরেস। একবার কফি হাউসে ‘এককাপ কফি খেয়ে যান’ বলে ডেকে কফি, পকোড়া, বাটার চিকেন ইত্যাদি লোভনীয় খাদ্য আমার সঙ্গে বসে উদরস্থ করে ‘এই রে, পকেটে বিশটি মাত্র টাকা আছে’ বলে প্রায় সাতশো টাকার বিল আমাকে মেটাতে বাধ্য করেছিল। টাকার শোকে টানা বাহাত্তর ঘণ্টা সজল উপবাসে থাকায় তিনরাত নিদ্রাহীন ছিলাম।
প্রখ্যাত হাস্যকার লেখক প্রয়াত তারাপদ রায় একবার ভাদ্রমাসের পচা গরমে বইপাড়া গিয়েছেন। এক খুপচি অন্ধকার ঘরে আলোপাখা বন্ধ করে একমনে জংধরা আলপিন পরিষ্কার করছিলেন এক প্রকাশক। এই প্রকাশকের মতো দু’-তিনডজন বিজলিকৃপণ আপনার চারপাশেই আছেন। মাসের ইলেকট্রিক বিল দেখামাত্র এরা অসুস্থ হয়ে পড়েন। আমাদের প্রতিবেশী দুর্লভবাবু বাতে বাড়িতে গেলেই কথা শুরু হওয়ামাত্র ‘কথাই তো বলছি’ দেখার কী আছে’ বলে ঘরের লাইট অফ করে দেন। মিনিট তিনেক পরেই ‘বাকি কথা দিনে হবে’ বলে পাখার সুইচ বন্ধ। উকিল বিপিন পালের জীবন পাখির মতো। সন্ধে সাতটায় সস্ত্রীক ডিনার সেরে আলো নিভিয়ে ঘুমিয়ে যান, ওঠেন কাকভোরে। অকৃতদার সচিব ব্রাত্য গুপ্ত মার্চ থেকে মধ্য নভেম্বর অফিসের এসি ঘরে কাজে ডুবে থাকেন রাত দশটা পর্যন্ত। এসি গাড়িতে বাড়ি ফিরে ডিনার সেরেই ঘুমিয়ে পড়েন আলোপাখা বন্ধ করে!
হাড়কঞ্জুষ নরেশ লাহিড়ী থলে হাতে বাজারে গিয়ে কুড়ি টাকার বেগুন দেখেও না দেখে দশ টাকার কানা বেগুন কেনেন পাঁচ সের। বাড়িতে বেগুন নামিয়ে আবার চার টাকার দাগি আলু ছ’সের। নিজে হাত ছুরি দিয়ে আলু বেগুন কাটেন। একদিকে ‘অক্ষত’ আলু বেগুন, অন্যদিকে ‘কীটযুক্ত’। অক্ষত সবজির টুকরো রান্না হয়। পোকায় কাটা, দাগি অংশগুলো ছাদের রোদে কীটমুক্ত, বেকসুর হয়ে সাতদিনে আলুর চিপস, বেগুনের চিপস বনে রান্নাঘরে ঢুকে যায়। মাসের প্রথম অর্ধেক সরস সবজি খান নরেশবাবু, বাকি অর্ধেক রোদে শুকনো প্রসেসড আনাজ!
কৃপণের ধন ডাকাত আর ডাক্তারে খায়। শুরুতে বলা এককড়িবাবুর জীবনের শেষটা বলি। রিটায়ার করে অনেক টাকা পেলেন, মাইনের বেশিরভাগটাই জমিয়েছেন। সব টাকা ঘরে। ব্যাংকে টাকা রাখেন না নামকরা কোনও কৃপণ। কিছুকাল বাদে তাঁর বাড়িতে এক তুতো ভাইপো এসে ঘাঁটি গেড়ে বসল। একরাতে ডাকাত পড়ল বাড়িতে, ভাইপো উধাও। ডাকাতরা প্রায় দু’কোটি টাকা নিয়ে যাওয়ার পরও এককড়িবাবুর মাথায় বালিশে লুকানো ছিল কয়েক লাখ।
মনমরা হয়ে পড়লেন টাকার শোকে। মরে গেলে প্রতিবেশীরা তাঁর মৃতদেহ সৎকার ও শ্রাদ্ধশান্তিতে বালিশের টাকাও শেষ করে দেবে। ভাবতে ভাবতে বছর দশেক আগে বালিশটা মাটিতে পুঁতে একরাতে নিরুদ্দেশ হয়ে গেলেন এককড়িবাবু। নিরুদ্দেশ হওয়া মানুষকে ১৪ বছর না কাটলে মৃত বলা যায় না। তিনি জীবিত না মৃত, বলা যাবে না। তবে দশ বছরে এককড়িবাবুর লুকানো টাকার সদগতি কীভাবে হল, তাঁর বাড়ির জমি, দরজা জানালারই বা কী দশা, ঘোর কলিকালে আশা করি পাঠককে তা আর খুলে বলতে হবে না।
আমাদের ছেলেবেলার প্রতিবেশী হীরেনবাবু রামকৃপণ। হীরেনকাকু তাঁর স্ত্রীর চিকিৎসায় প্রচুর খরচ করে টাকার শোকে উন্মাদ হয়ে যান। দিনরাত ‘টাকা, আমার টাকা’ বলে চিৎকার করতেন। একজন ডাক্তার দেখতে আসতেন রোজ দু’বেলা, ডেকে পাঠালেন একের পর এক স্পেশালিস্টকে। কৃপণের ধন একুশজন ডাক্তার মিলে শেষ করা মাত্র হীনেরকাকু সুস্থ হয়ে গেলেন! গেলেই বলতেন, ‘দেখলে তো, অর্থই অনর্থের নয়, অসুখের মূলে’!
বাংলা সাহিত্যে কৃপণের আনাগোনা কেন এত কম, জানলেও বলা যাবে না! শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় ‘বিপিনবাবুর বিপদ’ উপন্যাসে হাড়কৃপণ বিপিনবাবুর খোঁজে নফরগঞ্জে শীতের রাতে এনে ফেলেছেন এক বৃদ্ধ আগন্তুককে। বৃদ্ধ জানেন, বিপিনবাবুর দুটো ধুতির বয়স পাক্কা ছ’বছর, গেঞ্জি দুটো প্রায় ঘরমোছার ন্যাতা! শেষ বাজারে দোকানিরা যা ফেলে-টেলে দেয় তাই কুড়িয়ে আনেন বিপিনবাবু। সুচিত্রা ভট্টাচার্যর ‘চোরং দেহি, চোরং দেহি’ গল্পে চরম কঞ্জুষ একজন ভদ্রলোক চাঁদার বায়না রাখতে বাধ্য হন, বাইরে মালিক রয়েছে এই অবস্থায় ঘরের চাবি বাইরে থেকে ছেলেরা আটকে দেওয়ায়। শেষ পর্যন্ত ছেলেদের কারসাজিতে ‘চোরং দেহি’ মন্ত্রে দরজা খুলে ঘরে ঢুকতে পারেন কঞ্জুষ। প্রতিশ্রুতি ছিল, পঞ্চাশ টাকা চাঁদা দেবেন দরজা খুলতে পারলে। ঘরে ঢুকে কৃপণের ঘোষণা, পঞ্চাশ টাকা তিনি দেবেন রোজ একটাকা করে, পঞ্চাশ দিনে!
উল্লাস মল্লিকের ‘বুমেরাং’ গল্পে হলধর মাস্টার অলরাউন্ডার কৃপণ। মুড়ি, ফুলুরি খাওয়ার আগে ফুলুরির গায়ের তেল তিনি নিজের গায়ে মেখে নেন! ভালো ছাত্রকেও ইতিহাসে একশোতে নয় নম্বর দেন। বকা খেয়ে ছাত্র অজ্ঞান হয়ে গেলে ভয়ে ময়রার দোকান থেকে এনে তাকে দুধ আর সন্দেশ খাওয়ান। টাকাটা অবশ্য ছাত্রর বাবার নামে বাকির খাতায় লিখিয়ে রাখেন মহাকৃপণ হলধর!
এককালে কৃপণ-অধ্যুষিত বর্ধমানের গল্প দিয়ে শেষ করা যাক। বহুকাল আগে ধানের পাশাপাশি কৃপণের চাষ হত বর্ধমানে। দেখেশুনে বর্ধমানের সুরসিক রাজা বিজয়চাঁদ ঘোষণা করলেন, শ্রেষ্ঠ কৃপণকে তিনি ‘কৃপণ সম্রাট’ উপাধি ও ‘কঞ্জুসশ্রী’ পদক দেবেন। হাজার হাজার কৃপণ ছুটে এল রাজবাড়িতে। প্রাথমিক বাছাই শেষে নির্বাচিত হল ৫১২ জন কৃপণ। এদের দু’দলে ভাগ করে ‘নক আউট কৃপণ প্রতিযোগিতা’ শুরু করলেন মহারাজের মন্ত্রী। ৫১২, ২৫৬, ১২৮, ৬৪, ৩২, ১৬, ৮, ৪...। শেষ পর্যন্ত প্রতিযোগিতায় টিকে রইলেন দুই মহাপ্রতিভাধর কৃপণ, হলধর আর জলধর। দু’জনেই বৈদ্য, ডাক্তার।
বর্ধমানের কৃষ্ণসায়রের পারে ফাইনাল। সুসজ্জিত মঞ্চে সিংহাসনে বসে মহারাজ বিজয়চাঁদ মৃদু হাসছেন। দিঘির চারপাশে লোকে লোকারণ্য। সবাই দেখতে এসেছে ‘কৃপণ সম্রাট’ কে হবেন, কতটা মহাকৃপণ তিনি! দুই কৃপণ মঞ্চে উঠে প্রণাম করলেন মহারাজকে। রাজা দু’জনের হাতে দুটো বড় সাইজের বাতাসা তুলে দিয়ে বললেন, ‘দিঘির বাতাসাসিক্ত জল পান করে দেখাও তোমাদের কাপর্ণ্যমহিমা।’
হলধর বড় গামছায় বাতাসাটা মুড়ে মুড়ে বড় গোল পুটুলি বানালেন একটা। বাঁ-হাতে ধরা পুটুলি দিঘির জলে ডোবানো মাত্র বারবার তুলে ওই জায়গার জল একুশবার ডানহাতে আঁজলা ভরে ঘয়ে গামছা খুলে বাতাসাটা দেখালেন সবাইকে। জলস্পর্শ করেনি বাতাসা, নিখরচায় বাতাসার জল! চিৎকার করে উঠল সবাই, ‘জয়! হলধর কৃপণের জয়!’
এবার জলধর। মাথার উপর সূর্য। সূর্য আর জলের মাঝে বাতাসাটা দলধরের বাঁ-হাতে ধরা। জলে ছোট ছায়া বাতাসার। উবু হয়ে বসে ডানহাতে ওই ছায়ার জল আঁজলা করে তুলে বাইশবার খেলেন জলধর। জনতার উল্লাসে দশদিক শিহরিত। প্রোটোকল ভুলে রাজা নেমে এলেন মঞ্চ ছেড়ে। জড়িয়ে ধরলেন জলধরকে। হাতে জলধরের ফিরিয়ে দেওয়া অটুট বাতাসা।
‘কৃপণসম্রাট’ হলেন জলধর বৈদ্য। মহারাজ বিজয়চাঁদ জলধর বৈদ্যর গলায় পরিয়ে দিলেন মণিমাণিক্যখচিত ‘কঞ্জুসশ্রী’ স্বর্ণপদক। বর্ধমানের অর্থমন্ত্রীর নতুন তৈরি পদ পেলেন জলধর বৈদ্য।
এক বছরের মধ্যে চেকনাই কমল বর্ধমানের মানুষের, পিছু হটল রোগব্যাধি। রোগাপাতলা, বড়লোকে বড়লোকে ভরে গেল বর্ধমান গ্রামগঞ্জ!
দেশ জুড়ে কৃপণের ঘনঘটায় বর্ধমানের কৃপণদের সেই কার্পণ্যমহিমা হারিয়ে গিয়েছে কবে!
(রসরচনার সব চরিত্র, স্থান, কাল, ঘটনা কাল্পনিক)
 কার্টুন: সেন্টু
 গ্রাফিক্স: সোমনাথ পাল
 সহযোগিতায়: স্বাগত মুখোপাধ্যায়
06th  August, 2017
ইন্দিরা ১০০
প্রণব মুখোপাধ্যায়

ঐতিহাসিক এক সময়ের সন্ধিক্ষণে আজকের দিনে জন্মেছিলেন ইন্দিরা গান্ধী। ১০০ বছর আগে। প্রায় একই সময়ে ‘বলশেভিক’ আন্দোলনে কেঁপে উঠেছিল সারা পৃথিবী। ভারতও ঠিক ওই বছরই মহাত্মা গান্ধীর নেতৃত্বে ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে পূর্ণ উদ্যমে লড়াইয়ের জন্য তৈরি হয়। ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের উদ্যোগে স্বাধীনতা সংগ্রামে ওতপ্রোতভাবে অংশ নিয়েছিলেন ইন্দিরা গান্ধীর ঠাকুরদা এবং বাবা। সেই পরিবারেরই মেয়ে হয়ে জন্মান ইন্দিরা গান্ধী।
বিশদ

19th  November, 2017
শোনপুর মেলা
মৃন্ময় চন্দ

খ্রিস্টপূর্ব ৩৪০ থেকে ২৯৭। চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য এসেছেন শোনপুরের মেলায়। সৈন্যবাহিনীর জন্য হাতি কিনবেন। পদব্রজে নাকি এসেছেন ফা-হিয়েন ও হিউয়েন সাং! এসেছেন গন্ধর্ব প্রধান হু হু ও পাণ্ডস্যের রাজা ইন্দ্রদ্যুম্ন। অভিসম্পাত-গ্রস্ত গজ-গ্রহ রূপী তাদের মরণপণ যুদ্ধে শোনপুরের হরিহরক্ষেত্রে আগমন ঘটেছে হরি এবং হরের। কালক্রমে শোনপুর মেলা হয়ে উঠেছে দেবক্ষেত্র। অতুলনীয়, ব্যতিক্রমী শোনপুর মেলার আছে কেবলই দারিদ্রের ঐশ্বর্য। সাধারণ মানুষ এই মেলার প্রতিভূ। এ মেলায় তাই সবাই রাজা। সকলে স্বাগত!
বিশদ

12th  November, 2017
’৪২-এর ভারত ছাড়ো আন্দোলনের ৭৫ বছর 

অমর মিত্র: ক্রিপস মিশন ব্যর্থ হয়েছিল। সেখানে পূর্ণ স্বরাজের বার্তা ছিল না বলে। আর কংগ্রেস চেয়েছিল, গান্ধীজি চেয়েছিলেন স্বাধীন ভারত। যে কারণে ৭৫ বছর আগে শুরু হয় ইংরেজ ভারত ছাড়ো আন্দোলন। সেই গান্ধীজিরই নেতৃত্বে।  
বিশদ

05th  November, 2017
জগদ্ধাত্রী
নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

 জগদ্ধাত্রী ঠাকুরের রূপ-কল্পনা এবং পুজোবিধি থেকেই বোঝা যায় যে, জগদ্ধাত্রী পুজোর সৃষ্টিই হয়েছে দুর্গাপুজোর পরিপূরণী সমব্যথার কারণে। তবে হ্যাঁ, বিশেষত্ব একটা আছে এবং সেই বিশেষত্ব তাঁর নামেই লুকানো আছে।
বিশদ

29th  October, 2017
সাম্প্রতিক বাংলা থিয়েটার: কিছু কথা
ব্রাত্য বসু

থিয়েটারের অর্থনীতি আসলে দু’রকম। প্রথমটি হল দলের অর্থনীতি। দ্বিতীয়টি হল দলের সদস্যদের ব্যক্তিগত অর্থনীতি। দলের অর্থনীতি প্রধানত তিনটি বিষয়ের ওপর নির্ভরশীল। প্রথমত, সরকারি গ্রান্ট তথা অনুদান।
বিশদ

22nd  October, 2017
চিরদুঃখী অতুলপ্রসাদ সেন
প্রণব কুমার মিত্র

লখনউয়ের বিখ্যাত ব্যারিস্টার এ পি সেন সাহেব বা অতুলপ্রসাদ সেন কোর্টের পর গাড়ি থেকে নেমে বাড়ির সদর দরজা পেরিয়ে সুন্দর সবুজ লনের এককোণে দেখলেন দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। আর সেই আগুনে এক এক করে দামি দামি স্যুট, জামাকাপড় পোড়াচ্ছেন তাঁরই সহধর্মিণী হেমকুসুম। কয়েকদিন দু’জনের অশান্তি চলছিল।
বিশদ

22nd  October, 2017
আতশবাজির ইতিকথা
বারিদবরণ ঘোষ

আকাশের গায়ে বারুদের গন্ধটা কালীপুজোর মরশুমে খুব চেনা। তা সে কাঠকয়লার সঙ্গে সোরা মেশানো হলদে আলো হোক কিংবা বুড়িমার চকোলেট। আগ্নেয়াস্ত্র সরবরাহকারীদের হাত ধরে আতশবাজির সৃষ্টি। যা আজও আনন্দ দিয়ে চলেছে মানবমননকে। বিশদ

15th  October, 2017
বিজয়া স ম্মি ল নী 

‘মা’কে তাড়ানোর কোনও তাড়া যে তখন ছিল না! ছিল না মোবাইলে মজে শারদ মাধুর্যকেই উপেক্ষা করার বাতিক। রক্তের সম্পর্কের থেকে খুব কম যেতেন না পাড়ার দাদারা। সে যেন একটাই পরিবার। আর সেই পরিবারের সবে মিলে বিজয়া সম্মিলনী। কখনও মঞ্চে হাজির শ্যামলদা, কখনও বা মানবেন্দ্র। তাঁরাও যে কাছেরই মানুষ! নিছক ‘সাংসকিতিক সন্ধা’ নয়, বিসর্জনের বিষণ্ণতাকে সাক্ষী করে শারদ বাতাস যেন তখন বলত, শুভ বিজয়া। 
বিশদ

08th  October, 2017
সাত বাড়ি আর এক বারোয়ারি 

প্রফুল্ল রায়: তখনও দেশভাগ হয়নি। অখণ্ড বঙ্গের পূর্ব বাংলায় ঢাকা ডিস্ট্রিক্টের একটা বিশাল গ্রামে ছিল আমাদের আদি বাড়ি। প্রজন্মের পর প্রজন্ম আমরা সেখানে কাটিয়েছি। পদ্মা, মেঘনা, ধলেশ্বরী, কালাবদর, আড়িয়াল খাঁ এবং শত জলধারায় বহমান আরও নদ-নদী, খাল-বিল, শস্যক্ষেত্র। অজস্র পাখপাখালি, আম জাম হিজল আর সুপারি বনের সারি, সব মিলিয়ে পূর্ববাংলা ছিল এক আশ্চর্য স্বপ্নের দেশ।
বিশদ

24th  September, 2017
অকাল বোধন 

নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ি: ‘অকাল’ শব্দটির মধ্যে একটা অদ্ভুত এবং প্রায় বিপরীত ব্যঞ্জনা আছে। যেমন একটি কৈশোরগন্ধি যুবক ছেলেকে যদি বলি ‘অকালপক্ব’, তাহলে অবধারিতভাবে কথাটির মানে দাঁড়াবে যে, ছেলেটির যা বয়স এবং তদনুযায়ী যা তার বিদ্যাবুদ্ধি হওয়া উচিত কিংবা বয়স অনুযায়ী তার যা কথাবার্তার ধরন তৈরি হওয়া উচিত, তার চাইতে বেশি বয়সের বহু-অভিজ্ঞ মানুষের মতো সে কথা বলছে, বা তেমন ভাবসাব দেখাচ্ছে।
বিশদ

24th  September, 2017
বিশ্বকর্মা
সন্দীপন বিশ্বাস

তিনি দেবশিল্পী। দেবকুলের সকল কর্মের সাধক। রাবণের স্বর্ণলঙ্কা, শ্রীকৃষ্ণের দ্বারকাপুরী, কিংবা হস্তিনাপুর—তঁার শিল্পছেঁায়ায় সব স্থাপত্যই পৌরাণিক উপাখ্যানে অমরত্ব লাভ করেছে। কখনও তিনি তৈরি করছেন হরধনু, কখনও বজ্র। যার সাহায্যে দুষ্টের দমন করেছেন দেবগণ।
বিশদ

17th  September, 2017
শিকাগো বিজয় ১২৫
তাপস বসু

১২৫ বছর আগে এক তরুণ সন্ন্যাসী সীমিত ক্ষমতা নিয়ে পাড়ি দিয়েছিলেন সাগরপারে। শিকাগোর এক ধর্ম সম্মেলনে যদি পেশ করা যায় বৈদিক দর্শনের বিস্তারকে। শত বাধা পেরিয়ে মঞ্চে দঁাড়িয়ে আমেরিকার মানুষকে এক লহমায় করে ফেলেছিলেন ‘ভ্রাতা ও ভগিনী’। আজ ফিরে দেখা সেই স্বামী বিবেকানন্দকে। যঁার শিক্ষা আজও সমাজের ভিত্তিপ্রস্তর।
বিশদ

10th  September, 2017
 সেইসব শিক্ষক
কল্যাণ বসু

যখন আমরা ভাবি সব জেনে গিয়েছি, ঠিক সেই মুহূর্ত থেকে আমাদের শেখা বন্ধ হয়ে যায়... বলেছিলেন সর্বপল্লি রাধাকৃষ্ণণ। যাঁর জন্মদিন পালিত হয় শিক্ষক দিবস হিসাবে। স্বনামধন্য বহু ব্যক্তির শিক্ষকরাও যে ছিলেন এমনই! কেউ প্রচারের আলোয় এসেছেন, কেউ আসেননি। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর থেকে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। সবারই এমন মহান শিক্ষকদের সান্নিধ্য পাওয়ার সৌভাগ্য হয়েছিল।
বিশদ

03rd  September, 2017
দুশো বছরের বাংলা কাগজ

 দিগদর্শন, বাঙ্গাল গেজেট ও সমাচার দর্পণের লেখনিতে ভর করে যে যাত্রা শুরু হয়েছিল, তার দ্বিশতবর্ষ পূর্ণ হচ্ছে। বাংলা খবরের কাগজ কখনও হয়ে উঠেছে সাম্রাজ্যবাদী ব্রিটিশ শক্তিকে নাস্তানাবুদ করার হাতিয়ার, কখনও অন্তর্জলি যাত্রার মতো সামাজিক রোগের মারণ ওষুধ, আবার কখনও পরিবর্তনের ঝড়। গঙ্গাকিশোর ভট্টাচার্য, দাদাঠাকুরদের সাহসী কলমের সে ভার বহন করে এসেছেন সন্তোষকুমার ঘোষ, গৌরকিশোর ঘোষ এবং বরুণ সেনগুপ্তরা। ২০০ বছর পরও তাই বাংলা সংবাদপত্র একইরকম নবীন।
বিশদ

27th  August, 2017
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি, ১৯ নভেম্বর: দেরিতে হলেও শেষমেশ ঘুম ভাঙল দিল্লির আম আদমি পার্টির (আপ) সরকারের। দূষণ ইস্যুতে বারবার জাতীয় পরিবেশ আদালত (এনজিটি) এবং সুপ্রিম কোর্ট নিযুক্ত গ্রিন বডি ইপিসিএ’র কাছ থেকে ধমক খেয়ে অবশেষে আজ দিল্লি সরকার ঘোষণা করল, ...

সুকান্ত বেরা: সকালটা যদি হয় মহম্মদ সামির, তাহলে বিকেলের নায়ক অবশ্যই শিখর ধাওয়ান। তবুও রবিবাসরীয় ইডেনে ভারতীয় ক্রিকেটারদের সাফল্যের পাশাপাশি চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছিল দিলরুবান ...

সংবাদদাতা, কান্দি: কান্দি মহকুমা এলাকায় অযত্নে শুকিয়ে নষ্ট হচ্ছে সবুজমালা প্রকল্পের বহু মূল্যবান গাছ। বছরখানেক আগে কান্দি মহকুমা এলাকার বিভিন্ন রাস্তার দু’পাশে ওই গাছগুলি লাগানো হয়েছিল। কিন্তু বছর পেরনোর আগেই অর্ধেক গাছ শুকিয়ে নষ্ট হয়ে গিয়েছে যত্নের অভাবে। গাছের চারদিকের ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বিজ্ঞানে এবছর নতুন পাঠ্যক্রম চালু হয়েছে আইসিএসই স্কুলগুলিতে। কিন্তু সেখানে নতুন বিষয়গুলি শিক্ষকরা কীভাবে পড়াবেন, তার জন্য প্রশিক্ষণ বা কর্মশালার প্রয়োজন রয়েছে। তবে সময়ের মধ্যে তা হয়ে ওঠেনি। তাই প্রযুক্তির মাধ্যমে সেই কাজ সেরে ফেলতে চাইছে কাউন্সিল। ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

প্রেম-প্রণয়ে নতুনত্ব থাকবে। নতুন বন্ধু লাভ, ভ্রমণ ও মানসিক প্রফুল্লতা বজায় থাকবে। কোনও কোনও ক্ষেত্রে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৫০- মহীশূরের শাসক টিপু সুলতানের জন্ম।
১৯১০- রুশ সাহিত্যিক লিও তলস্তয়ের মৃত্যু।
১৯১৭- কলকাতায় প্রতিষ্ঠা হল বোস রিসার্চ ইনস্টিটিউট।
১৯৫৫- নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ভারতের পক্ষে টেস্টে প্রথম দ্বিশতরান করলেন উমরিগড় (২২৩)।  

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৪.০০ টাকা ৬৫.৬৮ টাকা
পাউন্ড ৮৪.৩২ টাকা ৮৭.১৯ টাকা
ইউরো ৭৫.২০ টাকা ৭৭.৮৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
18th  November, 2017
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩০,১৯৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৮,৬৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৯,০৮০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪০,২০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪০,৩০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
19th  November, 2017

দিন পঞ্জিকা

৪ অগ্রহায়ণ, ২০ নভেম্বর, সোমবার, দ্বিতীয়া রাত্রি ৯/৩৬, নক্ষত্র-জ্যেষ্ঠা রাত্রি ১২/৪৮, সূ উ ৫/৫৬/২৫, অ ৪/৪৮/৪, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৭/২৩ মধ্যে পুনঃ ৮/৫০ গতে ১১/০ মধ্যে। রাত্রি ঘ ৭/২৬ গতে ১০/৬ মধ্যে পুনঃ ২/২৭ গতে ৩/১৯ মধ্যে, বারবেলা ঘ ৭/১৮ গতে ৮/৪০ মধ্যে পুনঃ ২/৫ গতে ৩/২৬ মধ্যে, কালরাত্রি ৯/৪৪ গতে ১১/২২ মধ্যে।
৩ অগ্রহায়ণ, ২০ নভেম্বর, সোমবার, দ্বিতীয়া রাত্রি ৭/৪২/২৮, জ্যেষ্ঠানক্ষত্র ১১/৫৫/৩৬, সূ উ ৫/৫৬/৫৮, অ ৪/৪৬/৫৮, অমৃতযোগ দিবা ৭/২৩/৩৮, ৮/৫০/১৮-১১/০/১৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/২৪/৫৮-১০/৫৫/১৮, ২/২৫/৩৭-৩/১৮/১৮, বারবেলা ২/৪/২৮-৩/২৬/৪৩, কালবেলা ৭/১৮/১৩-৮/৩৯/২৮, কালরাত্রি ৯/৪৩/১৩-১১/২১/৫৮। 
৩০ শফর

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
বারুইপুর স্টেশনে অবরোধ উঠল, শিয়ালদহ বিভাগের প্রতিটি শাখায় ৮টা ৩৪ মিনিট থেকে ফের শুরু ট্রেন চলাচল

09:07:41 PM

রেল অবরোধ ঘিরে ধুন্ধুমার বারুইপুর স্টেশন

 বেআইনি উচ্ছেদ অভিযানের প্রতিবাদে রেল অবরোধকে কেন্দ্র করে ...বিশদ

08:40:29 PM

লুধিয়ানায় প্লাস্টিক কারখানায় আগুন, মৃত ৩
লুধিয়ানায় একটি প্লাস্টিকের ব্যাগ তৈরির কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ...বিশদ

08:13:00 PM

ফের দালাল চক্রের অভিযোগ এসএসকেএম হাসপাতালে

 ফের দালাল চক্রের অভিযোগ উঠল এসএসকেএম হাসপাতালে। টাকা নিতে গিয়ে ...বিশদ

07:10:02 PM

 বিহারের গোপালগঞ্জে হাইটেনশন লাইনের বিদ্যুৎস্পৃশ্য হয়ে মৃত ৫, গুরুতর আহত ৩

06:22:00 PM