প্রচ্ছদ নিবন্ধ
 

 কৃপণ সমাচার!

কৃপণ কত প্রকার ও কী কী? এমন রচনা ছেলেবেলায় লিখতে না হলেও এ ব্যাপারে জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতার ঝুলি প্রায় সবারই পূর্ণ। কেউ কেউ আবার কৃপণ শব্দটির বদলে হিসাবি বা মিতব্যয়ী ব্যবহার করতে বেশি পছন্দ করেন। যদিও তাতে কৃপণদের নিয়ে সমাচারে কোনও দিন, কোনও যুগেই ঘাটতি হয় না।

শ্যামল চক্রবর্তী: কাপর্ণ্যশাস্ত্রে ডক্টরেট শ্রী এককড়ি খান পয়সা খরচের ভয়ে বিয়ে পর্যন্ত করেননি। সকালে চায়ের বদলে এককাপ নিমপাতার রস আর দুটি ডগ বিস্কুট খেয়ে দেড়ঘণ্টা হেঁটে অফিস। দুপুরে একশো ছাতুমাখা, সঙ্গে অফিস ক্যান্টিনের মুফতের পেঁয়াজ, কাঁচালংকা। রাতে বাড়ি ফিরে কুচনো নিমপাতা আর ভেজানো ছোলার পুষ্টিকর ডিনার। পাড়াপড়শিরা এককড়িবাবুকে পত্তহারি বাবা বলতেন। অনেকে ডাকতেন বাতাস খান।
খরচ যথাসম্ভব কম করা বড়লোক হওয়ার শ্রেষ্ঠ উপায়। বড়লোক হওয়ার বাসনায় রোজ সন্ধ্যায় এককড়িবাবুর বাড়িতে প্রচুর মানুষ ভিড় করতেন। মাথাপিছু একটাকা অগ্রিম দক্ষিণা নিয়ে এককড়ি তাঁর ধেড়ে ছাত্রদের কৃপণ হওয়ার ফন্দিফিকির শেখাতেন। শেষ বাজারে ফেলে দেওয়া পচাধচা কেজি খানেক কাঁচালংকা আর পাড়ার গাছে উঠে পাড়া এক ব্যাগ নিমপাতা নিয়ে গিয়ে দক্ষিণার একটি টাকা বাঁচিয়েছিলাম এক সন্ধ্যায়। খুশি হয়ে এককড়িবাবু আমাকে কৃপণের শ্রেণিবিভাগ শিখিয়ে দেন।
কৃপণ তিনপ্রকার। কঞ্জুস, হাড়কৃপণ আর মক্ষীচুষ। কঞ্জুস নিম্নশ্রেণির কৃপণ, নষ্ট হয়ে যাওয়া একপাটি জুতো কেজিদরে বেচে দিয়ে দু’পায়ে দু’পাটি জুতো পরে ঘোরে। হাড় কৃপণ রান্নায় ড্রপারে ভরে গুনে গুনে বিশফোটা তেল দেয়। মক্ষীচুষ আমের খোসা ছাড়িয়ে খোসাগুলো চুষতে চুষতে এক সময় গিলে ফেলে। এবার খুশবু ছড়ানো পাকা আমটি সামনে রেখে বসে থাকে। আমে মাছি বা মক্ষী কিছুক্ষণ বসার পর মক্ষীচুষ মাছিটাকে ধরে চুষে চুষে আম খায়, আমটি অক্ষত থাকে।
উকিল হুকিল, ডাক্তার মোক্তার, জজ ব্যারিস্টার, স্মাগলার জাগলার, ময়রা বয়রা, টিচার প্রিচার, মাঝি হাজি—যে কোনও পেশায় কৃপণের সংখ্যা যথেষ্ট। সবসময় অবশ্য সব কৃপণকে চেনা যায় না। গুপ্তকৃপণ দশ বছরে একটাও জামাপ্যান্ট না কিনে ছেলের জামা পরে অফিস যায়। কোষ্ঠ কাঠিন্যের অজুহাতে টাটকা কলার বদলে এক টাকায় দশটা মেঘকালো মজা কলা খায় সুপ্তকৃপণ।
ঘরকৃপণকে ঘরের লোকজন হাড়েহাড়ে চেনে, পাড়াকৃপণকে পাড়ার লোক। বিশ্বকৃপণের খ্যাতি আলাদা, সবাই একডাকে চেনে। মুক্তারামবাবু গাছকৃপণ, বাগানের গাছ ভরতি ফলের দিকে চেয়ে চেয়ে ফলাহার সেরে সব ফল বাজারে বেচে দেন। রামেশ্বরবাবু চক্ষুকৃপণ, কেউ বেশি মাছ, সবজি বা মণ্ডামিঠাই কিনছে দেখলেই কষ্টে চোখ বুঁজে ফেলেন। আমার আত্মীয় রামেশ্বর বাজার থেকে স্ত্রী যা যা আনতে বলে, তার বেশিরভাগই আনতে ভুলে যায়। রামেশ্বর ভুলকৃপণ। রুচি কর নামে এক মহিলাকে জানি যিনি চুলকৃপণ। আজানুলম্বিত কেশ কেটে রুচি দেবী সবসময় বয়কাট। চুলের তেল, শ্যাম্পু ক্লিপ, কলপ সবই বাঁচে।
অভিজাত মানুষ মানেই অকৃপণ বা হাতখোলা, ভুলেও ভাববেন না। সল্টলেক অভিজাত অধ্যুষিত। ওখানকার এক বাজারে এক রবিবার মধুবাবু, মধু কর দোকানদারের সঙ্গে প্রচুর ঝগড়া করে তিনপিস আলু কেনেন। এই সময় এসে হাজির মধুবাবুর প্রতিবেশী যদুবাবু। তিনি আড়চোখে মধুবাবুকে দেখে নিয়ে দুটি পটল বেছে ওজন করতে দেন। ‘দাম লাগবে না বাবু, এমনি নিয়ে যান’, প্রায় কেঁদে ফেলা দোকানির কথা শোনামাত্র যদু ধর দু’হাতে দুটো পটল ধরে হাঁটা লাগান। তিনটি আলুর দাম আগেই দিয়ে দিয়েছেন, ফেরত চাইলে দোকানদার কামড়ে দিতে পারে! রুমালে চোখ মুছতে মুছতে বাড়ি ফেরেন মধুবাবু।
এটা সত্তর বছর আগের গল্প। গঙ্গার এপারে উত্তরপাড়ায় বাস কৃপণচূড়ামণি মুক্তিনাথ ভট্টর। ওপারে পানিহাটিতে থাকেন কৃপণ শিরোমণি সিদ্ধিনাথ নট্ট। মুক্তিনাথ একদিন স্থির করলেন সিদ্ধিনাথকে দেখতে যাবেন, বুঝতে হবে তিনি কতটা কৃপণ। গঙ্গা খেয়ার পার হলেন না মুক্তিনাথ, পারানি লাগবে। ধুতি মালকোচা মেরে গঙ্গা সাঁতরে ভেজা কাপড়ে গিয়ে উঠলেন সিদ্ধিনাথের বাড়ি।
বাড়ি ভরতি নিমগাছ, ফলন্ত লঙ্কার চারা। অকৃতদার সিদ্ধিনাথ দরজা জানালা এঁটে সুতোবিহীন। অনেক ডাকাডাকির পর, অন্ধকার ঘরে দরজা একটু ফাঁক করে অতিথির কোমরে জড়ানো গামছাটি চাইলেন। গামছা পরা সিদ্ধিনাথের ঘরে ঢুকে একটা দড়িতে একটুকরো ভেজা কাপড় শুকাতে দেখে মুক্তিনাথ বুঝলেন, ওটাই সিদ্ধিনাথের একমাত্র বস্ত্র।
পানিহাটির মহাকৃপণ উত্তরপাড়ার রাজকৃপণকে পেয়ে মহা খুশি। ‘এত কষ্ট করে এলেন, একটা রাজভোগ খান’ বলে শূন্যে হাত ঘুরিয়ে বিশাল হাওয়াই রাজভোগ খাওয়ালেন মুক্তিনাথকে। অনেক গল্প হল দু’জনের। ‘আজ তবে আসি, এই দেখ! কাঁচাগোল্লা এনেছি, ভুলে মেরেছি’ বলেই মুক্তিনাথ ডানহাতের তিনটে আঙুল শূন্যে সামান্য ঘুরিয়ে মিনি একটা কাঁচাগোল্লা সিদ্ধিনাথকে খাইয়ে হাসতে হাসতে বিদায় নিলেন। পেল্লাই রাজভোগ বনাম মার্বেল সাইজের কাঁচাগোল্লার খবর পৌঁছে গেল উত্তরপাড়ার রাজা প্যারীমোহনের কানে। খুশি হয়ে কৃপণচূড়ামণি মুক্তিনাথ ভট্টকে ‘কঞ্জুস রত্ন’ খেতাবে ভূষিত করলেন রাজা।
কিছু কৃপণ নিজেকে কঞ্জুসের বদলে অমিতব্যয়ী ভেবে স্বর্গসুখ অনুভব করেন। শেয়ালদার অমূল্য চাকলাদার যেমন। অমূল্যবাবু সার্থকনামা। ফল-সবজির খোসাকে খাদ্যে রূপান্তরিত করতে অমূল্যবাবুর দক্ষতা অসীম। পেঁপের চোকলার তেলবিহীন চচ্চড়ি, ডাবের খোসার অম্বল, পাতিলেবুর খোসাভাতে, কাঁচাকলার চাকলার মিষ্টিহীন ডায়াবেটিক হালুয়া—এসব পদ নিয়মিত নিজের হাতে রাঁধেন ভদ্রলোক। একবার তাঁর বাড়িতে গিয়ে দুপুরে তরমুজের খোসাবাটার বড়ার পাতলা ‘সিক ঝোল’ দিয়ে ভাত খেয়ে এসে প্রখ্যাত লেখক সাগর দাশগুপ্ত বারবার চাকলাদারের বাড়ি চলে যান চাকলার নতুন নতুন রেসিপি জানতে ও চা খেতে। উদীয়মান তরুণ লেখক আনন্দ মৌলিক আরও এককাঠি সরেস। একবার কফি হাউসে ‘এককাপ কফি খেয়ে যান’ বলে ডেকে কফি, পকোড়া, বাটার চিকেন ইত্যাদি লোভনীয় খাদ্য আমার সঙ্গে বসে উদরস্থ করে ‘এই রে, পকেটে বিশটি মাত্র টাকা আছে’ বলে প্রায় সাতশো টাকার বিল আমাকে মেটাতে বাধ্য করেছিল। টাকার শোকে টানা বাহাত্তর ঘণ্টা সজল উপবাসে থাকায় তিনরাত নিদ্রাহীন ছিলাম।
প্রখ্যাত হাস্যকার লেখক প্রয়াত তারাপদ রায় একবার ভাদ্রমাসের পচা গরমে বইপাড়া গিয়েছেন। এক খুপচি অন্ধকার ঘরে আলোপাখা বন্ধ করে একমনে জংধরা আলপিন পরিষ্কার করছিলেন এক প্রকাশক। এই প্রকাশকের মতো দু’-তিনডজন বিজলিকৃপণ আপনার চারপাশেই আছেন। মাসের ইলেকট্রিক বিল দেখামাত্র এরা অসুস্থ হয়ে পড়েন। আমাদের প্রতিবেশী দুর্লভবাবু বাতে বাড়িতে গেলেই কথা শুরু হওয়ামাত্র ‘কথাই তো বলছি’ দেখার কী আছে’ বলে ঘরের লাইট অফ করে দেন। মিনিট তিনেক পরেই ‘বাকি কথা দিনে হবে’ বলে পাখার সুইচ বন্ধ। উকিল বিপিন পালের জীবন পাখির মতো। সন্ধে সাতটায় সস্ত্রীক ডিনার সেরে আলো নিভিয়ে ঘুমিয়ে যান, ওঠেন কাকভোরে। অকৃতদার সচিব ব্রাত্য গুপ্ত মার্চ থেকে মধ্য নভেম্বর অফিসের এসি ঘরে কাজে ডুবে থাকেন রাত দশটা পর্যন্ত। এসি গাড়িতে বাড়ি ফিরে ডিনার সেরেই ঘুমিয়ে পড়েন আলোপাখা বন্ধ করে!
হাড়কঞ্জুষ নরেশ লাহিড়ী থলে হাতে বাজারে গিয়ে কুড়ি টাকার বেগুন দেখেও না দেখে দশ টাকার কানা বেগুন কেনেন পাঁচ সের। বাড়িতে বেগুন নামিয়ে আবার চার টাকার দাগি আলু ছ’সের। নিজে হাত ছুরি দিয়ে আলু বেগুন কাটেন। একদিকে ‘অক্ষত’ আলু বেগুন, অন্যদিকে ‘কীটযুক্ত’। অক্ষত সবজির টুকরো রান্না হয়। পোকায় কাটা, দাগি অংশগুলো ছাদের রোদে কীটমুক্ত, বেকসুর হয়ে সাতদিনে আলুর চিপস, বেগুনের চিপস বনে রান্নাঘরে ঢুকে যায়। মাসের প্রথম অর্ধেক সরস সবজি খান নরেশবাবু, বাকি অর্ধেক রোদে শুকনো প্রসেসড আনাজ!
কৃপণের ধন ডাকাত আর ডাক্তারে খায়। শুরুতে বলা এককড়িবাবুর জীবনের শেষটা বলি। রিটায়ার করে অনেক টাকা পেলেন, মাইনের বেশিরভাগটাই জমিয়েছেন। সব টাকা ঘরে। ব্যাংকে টাকা রাখেন না নামকরা কোনও কৃপণ। কিছুকাল বাদে তাঁর বাড়িতে এক তুতো ভাইপো এসে ঘাঁটি গেড়ে বসল। একরাতে ডাকাত পড়ল বাড়িতে, ভাইপো উধাও। ডাকাতরা প্রায় দু’কোটি টাকা নিয়ে যাওয়ার পরও এককড়িবাবুর মাথায় বালিশে লুকানো ছিল কয়েক লাখ।
মনমরা হয়ে পড়লেন টাকার শোকে। মরে গেলে প্রতিবেশীরা তাঁর মৃতদেহ সৎকার ও শ্রাদ্ধশান্তিতে বালিশের টাকাও শেষ করে দেবে। ভাবতে ভাবতে বছর দশেক আগে বালিশটা মাটিতে পুঁতে একরাতে নিরুদ্দেশ হয়ে গেলেন এককড়িবাবু। নিরুদ্দেশ হওয়া মানুষকে ১৪ বছর না কাটলে মৃত বলা যায় না। তিনি জীবিত না মৃত, বলা যাবে না। তবে দশ বছরে এককড়িবাবুর লুকানো টাকার সদগতি কীভাবে হল, তাঁর বাড়ির জমি, দরজা জানালারই বা কী দশা, ঘোর কলিকালে আশা করি পাঠককে তা আর খুলে বলতে হবে না।
আমাদের ছেলেবেলার প্রতিবেশী হীরেনবাবু রামকৃপণ। হীরেনকাকু তাঁর স্ত্রীর চিকিৎসায় প্রচুর খরচ করে টাকার শোকে উন্মাদ হয়ে যান। দিনরাত ‘টাকা, আমার টাকা’ বলে চিৎকার করতেন। একজন ডাক্তার দেখতে আসতেন রোজ দু’বেলা, ডেকে পাঠালেন একের পর এক স্পেশালিস্টকে। কৃপণের ধন একুশজন ডাক্তার মিলে শেষ করা মাত্র হীনেরকাকু সুস্থ হয়ে গেলেন! গেলেই বলতেন, ‘দেখলে তো, অর্থই অনর্থের নয়, অসুখের মূলে’!
বাংলা সাহিত্যে কৃপণের আনাগোনা কেন এত কম, জানলেও বলা যাবে না! শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় ‘বিপিনবাবুর বিপদ’ উপন্যাসে হাড়কৃপণ বিপিনবাবুর খোঁজে নফরগঞ্জে শীতের রাতে এনে ফেলেছেন এক বৃদ্ধ আগন্তুককে। বৃদ্ধ জানেন, বিপিনবাবুর দুটো ধুতির বয়স পাক্কা ছ’বছর, গেঞ্জি দুটো প্রায় ঘরমোছার ন্যাতা! শেষ বাজারে দোকানিরা যা ফেলে-টেলে দেয় তাই কুড়িয়ে আনেন বিপিনবাবু। সুচিত্রা ভট্টাচার্যর ‘চোরং দেহি, চোরং দেহি’ গল্পে চরম কঞ্জুষ একজন ভদ্রলোক চাঁদার বায়না রাখতে বাধ্য হন, বাইরে মালিক রয়েছে এই অবস্থায় ঘরের চাবি বাইরে থেকে ছেলেরা আটকে দেওয়ায়। শেষ পর্যন্ত ছেলেদের কারসাজিতে ‘চোরং দেহি’ মন্ত্রে দরজা খুলে ঘরে ঢুকতে পারেন কঞ্জুষ। প্রতিশ্রুতি ছিল, পঞ্চাশ টাকা চাঁদা দেবেন দরজা খুলতে পারলে। ঘরে ঢুকে কৃপণের ঘোষণা, পঞ্চাশ টাকা তিনি দেবেন রোজ একটাকা করে, পঞ্চাশ দিনে!
উল্লাস মল্লিকের ‘বুমেরাং’ গল্পে হলধর মাস্টার অলরাউন্ডার কৃপণ। মুড়ি, ফুলুরি খাওয়ার আগে ফুলুরির গায়ের তেল তিনি নিজের গায়ে মেখে নেন! ভালো ছাত্রকেও ইতিহাসে একশোতে নয় নম্বর দেন। বকা খেয়ে ছাত্র অজ্ঞান হয়ে গেলে ভয়ে ময়রার দোকান থেকে এনে তাকে দুধ আর সন্দেশ খাওয়ান। টাকাটা অবশ্য ছাত্রর বাবার নামে বাকির খাতায় লিখিয়ে রাখেন মহাকৃপণ হলধর!
এককালে কৃপণ-অধ্যুষিত বর্ধমানের গল্প দিয়ে শেষ করা যাক। বহুকাল আগে ধানের পাশাপাশি কৃপণের চাষ হত বর্ধমানে। দেখেশুনে বর্ধমানের সুরসিক রাজা বিজয়চাঁদ ঘোষণা করলেন, শ্রেষ্ঠ কৃপণকে তিনি ‘কৃপণ সম্রাট’ উপাধি ও ‘কঞ্জুসশ্রী’ পদক দেবেন। হাজার হাজার কৃপণ ছুটে এল রাজবাড়িতে। প্রাথমিক বাছাই শেষে নির্বাচিত হল ৫১২ জন কৃপণ। এদের দু’দলে ভাগ করে ‘নক আউট কৃপণ প্রতিযোগিতা’ শুরু করলেন মহারাজের মন্ত্রী। ৫১২, ২৫৬, ১২৮, ৬৪, ৩২, ১৬, ৮, ৪...। শেষ পর্যন্ত প্রতিযোগিতায় টিকে রইলেন দুই মহাপ্রতিভাধর কৃপণ, হলধর আর জলধর। দু’জনেই বৈদ্য, ডাক্তার।
বর্ধমানের কৃষ্ণসায়রের পারে ফাইনাল। সুসজ্জিত মঞ্চে সিংহাসনে বসে মহারাজ বিজয়চাঁদ মৃদু হাসছেন। দিঘির চারপাশে লোকে লোকারণ্য। সবাই দেখতে এসেছে ‘কৃপণ সম্রাট’ কে হবেন, কতটা মহাকৃপণ তিনি! দুই কৃপণ মঞ্চে উঠে প্রণাম করলেন মহারাজকে। রাজা দু’জনের হাতে দুটো বড় সাইজের বাতাসা তুলে দিয়ে বললেন, ‘দিঘির বাতাসাসিক্ত জল পান করে দেখাও তোমাদের কাপর্ণ্যমহিমা।’
হলধর বড় গামছায় বাতাসাটা মুড়ে মুড়ে বড় গোল পুটুলি বানালেন একটা। বাঁ-হাতে ধরা পুটুলি দিঘির জলে ডোবানো মাত্র বারবার তুলে ওই জায়গার জল একুশবার ডানহাতে আঁজলা ভরে ঘয়ে গামছা খুলে বাতাসাটা দেখালেন সবাইকে। জলস্পর্শ করেনি বাতাসা, নিখরচায় বাতাসার জল! চিৎকার করে উঠল সবাই, ‘জয়! হলধর কৃপণের জয়!’
এবার জলধর। মাথার উপর সূর্য। সূর্য আর জলের মাঝে বাতাসাটা দলধরের বাঁ-হাতে ধরা। জলে ছোট ছায়া বাতাসার। উবু হয়ে বসে ডানহাতে ওই ছায়ার জল আঁজলা করে তুলে বাইশবার খেলেন জলধর। জনতার উল্লাসে দশদিক শিহরিত। প্রোটোকল ভুলে রাজা নেমে এলেন মঞ্চ ছেড়ে। জড়িয়ে ধরলেন জলধরকে। হাতে জলধরের ফিরিয়ে দেওয়া অটুট বাতাসা।
‘কৃপণসম্রাট’ হলেন জলধর বৈদ্য। মহারাজ বিজয়চাঁদ জলধর বৈদ্যর গলায় পরিয়ে দিলেন মণিমাণিক্যখচিত ‘কঞ্জুসশ্রী’ স্বর্ণপদক। বর্ধমানের অর্থমন্ত্রীর নতুন তৈরি পদ পেলেন জলধর বৈদ্য।
এক বছরের মধ্যে চেকনাই কমল বর্ধমানের মানুষের, পিছু হটল রোগব্যাধি। রোগাপাতলা, বড়লোকে বড়লোকে ভরে গেল বর্ধমান গ্রামগঞ্জ!
দেশ জুড়ে কৃপণের ঘনঘটায় বর্ধমানের কৃপণদের সেই কার্পণ্যমহিমা হারিয়ে গিয়েছে কবে!
(রসরচনার সব চরিত্র, স্থান, কাল, ঘটনা কাল্পনিক)
 কার্টুন: সেন্টু
 গ্রাফিক্স: সোমনাথ পাল
 সহযোগিতায়: স্বাগত মুখোপাধ্যায়
06th  August, 2017
বন্দেমাতরম 
রজত চক্রবর্তী

জাতীয় পতাকাটা আজও হাতে ধরে হেঁটে চলেছেন মাতঙ্গিনী হাজরা। উচ্চশির। প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার, প্রফুল্লনলিনী ব্রহ্ম, কল্পনা দত্ত... নারীশক্তির এক অদম্য জাগরণ দেখেছিল পরাধীন ভারত। মায়েরা, বোনেরা পথে নেমে-না নেমে অংশ নিয়েছিলেন বিপ্লবে। তবু এমনই দুই সংগ্রামী শান্তি ঘোষ, সুনীতি চৌধুরির জন্মশতবর্ষ চলে গেল নীরবে...।
বিশদ

13th  August, 2017
আলিপুর জেলের অন্তরালে

 আলিপুর সেন্ট্রাল জেল। কানাইলাল দত্ত, সত্যেন বসু, দীনেশ গুপ্ত... একের পর এক বিপ্লবীকে ফাঁসির দড়ি বরণ করতে হয়েছে এখানে। শত অত্যাচার সত্ত্বেও যেখানে ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে একজোট হয়েছেন লৌহকপাটের আড়ালে থাকা বিপ্লবীরা। ভয় না ধরিয়ে সঙ্গীর মৃত্যু সাহস জুগিয়েছে তঁাদের। সেলুলার জেল হেরিটেজের মর্যাদা পেলেও আলিপুর পায়নি। সেখানে আজও কুঠুরির কোণায় কোণায় শোনা যাবে বিপ্লবের বজ্রনির্ঘোষ।
বিশদ

30th  July, 2017
 অমরনাথের পথে-প্রান্তরে

 দুর্গম অতিক্রম করে, জঙ্গি হামলা-মৃত্যুভয়কে তুচ্ছ করে এগিয়ে চলা একবার দর্শনের আশায়। বালতাল হোক বা পহেলগাঁও, যাত্রাপথ যাই হোক না কেন, প্রকৃতি সেখানেই অপার সৌন্দর্য উজাড় করে রেখেছে। বিন্দু বিন্দু জল জমে আকার নিয়েছে শিবলিঙ্গের। আর তাকে ঘিরেই সম্প্রীতির এক অদ্ভূত মিলন উৎসব। সে যে অমরনাথ। বিশদ

23rd  July, 2017
খবর শেষ

 আকাশবাণী... খবর পড়ছি...। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আমল থেকে শুরু হওয়ার পর বঙ্গজীবনের অঙ্গ হিসাবে জড়িয়ে যাওয়া সেই অভ্যাস হাতছাড়া হয়েছে বহুযুগ আগেই। টিভি, ইন্টারনেট, ফেসবুকের জমানায় যা আজ প্রায় গতজন্মের স্মৃতি বলে মনে হয়। কিন্তু একটা সময় এই তো ছিল বাইরের জানালায় চোখ রাখার জন্য মানুষের একমাত্র দূরবীন! সেই ইভা নাগ, নীলিমা সান্যাল, দেবদুলাল বন্দ্যোপাধ্যায়, ব্রেকডাউন, ভুল খবর...। সে এখন নস্টালজিয়া। আজ দিল্লির বেতার খবর যে সত্যিই শেষ!
বিশদ

16th  July, 2017
 বৃষ্টিভেজা

 গ্রীষ্মকালীন এই বঙ্গে বর্ষার আগমন যেন ঘাম দিয়ে জ্বর ছাড়ার মতো। আকাশকে মুখ ভার করে ঝরে পড়তে দেখলেই মন আনচান করে খিচুড়ি, ইলিশ মাছের জন্য। ঘণ্টাখানেকের বর্ষণে তিলোত্তমা এক হাঁটু জল উপহার দিলেও তা ঠেলে বাড়ি ফেরাই আলাদা আনন্দ। আর গুনগুন করে ওঠা বিশ্বকবির সৃষ্টি। মনে পড়ে যাওয়া অপু-দুর্গার বৃষ্টি ভেজা। কিংবা স্কুলের সেই রেনি ডে। এ ঋতু তাই যে আলাদা আলাদা অনুভূতির এক সম্পৃক্ত দ্রবণ। বিশদ

09th  July, 2017
চিকিৎসা রঙ্গ 

কল্যাণ বসু: ‘পাসকরা ডাক্তার নই, কিন্তু তাতে কি? বাড়ি বসিয়া বই পড়িয়া কি আর ডাক্তারী শেখা যায় না? আজ সাত আট বছর তো ডাক্তারী করিতেছি, অভিজ্ঞতা বলিয়া একটা জিনিসও তো আছে! পাসকরা ডাক্তারের হাতে কি আর রোগী মরে না?’ এইটুকু পড়ে কী মালুম হচ্ছে?
বিশদ

02nd  July, 2017
 বাঙালির রথযাত্রা

হারাধন চৌধুরী: বাঙালি এক আমুদে জাতি। আনন্দের জন্য পরব খুঁজে নিতে বাঙালির জুড়ি মেলা ভার। বাঙালির কাছে দেবতারা কঠিন কঠোর কিছু নন। দেবতারাই হলেন সবচেয়ে আপন বা অতি প্রিয় কেউ, যাঁকে আঁকড়ে ধরে থাকতে না পারলে বাঙালির সব আনন্দ, সব সুখানুভূতি যেন মাটি হয়ে যায়। অতএব একজন না একজন দেবতাকে সামনে রেখেই পার্বণ সাজিয়ে নেয় তারা। সেই থেকেই ‘বারো মাসে তেরো পার্বণ’ কথাটি এসেছে। ‘তেরো’ কথাটি ‘বহু’ অর্থেই প্রযোজ্য হয়। সংস্কৃতি সম্পর্কে এমন যাদের উপলব্ধি, রথযাত্রার মতো একটি পার্বণ বছরের একটি নির্দিষ্ট সময়ে তাদের মাতিয়ে দেওয়ার পক্ষে যথেষ্ট। রথযাত্রার মধ্যে মাটি বা ভূমির টানই খুঁজে পায় বাঙালি। বিশদ

25th  June, 2017
দেশভাগের ৭০

সমৃদ্ধ দত্ত: ৭০ বছর আগে কয়েকজন দেশি-বিদেশি প্রতিনিধি ঠিক করে ফেলেছিল ভারতকে ভাগ হতেই হবে। ৭০ বছর আগে এমনই একটা জুন মাসে অবিভক্ত বঙ্গ বিধানসভার শেষ অধিবেশনে বাংলা আর বাঙালির নতুন পথ চলার সূচনা। চিরবিচ্ছেদের বেদনা নিয়ে। সেই ২০ জুন।
লর্ড মাউন্টব্যাটেন নিজের ইমেজ সম্পর্কে এতটাই সচেতন ছিলেন যে, ১৯৪৭ সালের ২২ মার্চ ভারতের ভাইসরয় পদে এসেই সরকারি এবং প্রেস ফটোগ্রাফারদের জন্য একটি নির্দেশ জারি করে দেন।
বিশদ

18th  June, 2017
রাষ্ট্রপতি ভবনে 

প্রবালকুমার বসু: রাষ্ট্রপতি ভবনে তাঁরই অতিথি হয়ে কাটিয়ে আসা দু’সপ্তাহ। রাজধানীর যানজট, দূষণের বাইরে হঠাৎ এসে পড়া যেন এক অন্য জগতে। মুঘল গার্ডেনসে ফুলের মাঝে কেটে যাওয়া সময়, কিংবা প্রতিটা পাথরে নতুন করে খুঁজে পাওয়া ইতিহাস।
বিশদ

11th  June, 2017
ভূস্বর্গ ভয়ংকর

আজাদ কাশ্মীর। এই অবস্থানেই অনড় ছিলেন মহারাজা হরি সিং। পাকিস্তানের একের পর এক ষড়যন্ত্রে নেহরুর সাহায্য নিতে তিনি বাধ্য হয়েছিলেন। কাশ্মীর জুড়েছিল ভারতের মানচিত্রে। কিন্তু পিছন থেকে ছুরি মারে আমেরিকা, ব্রিটেন। এবং পাকিস্তান। যে ইন্ধন বজায় রেখেছে ইসলামাবাদ। ফল? অশান্ত ভূস্বর্গ...।
বিশদ

04th  June, 2017
খাতা দেখা 

বসন্ত কড়া নাড়লেই বুঝতে হবে মা-উমা খুব দূরে নেই। অর্থাৎ মাধ্যমিক-উচ্চ মাধ্যমিক। ভাবা যায়, একটা রাজ্যে মাধ্যমিক-উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৮ লক্ষের বেশি? আর এই দুই পরীক্ষা শেষ হতেই রাজ্যের আনাচে কানাচে হাজার হাজার স্কুল টিচারের গৃহকোণে শুরু হয়ে যায় কুটির শিল্প—খাতা দেখা।
বিশদ

28th  May, 2017



একনজরে
 বিমল বন্দ্যোপাধ্যায়, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: বিষ্ণুপুরের সারদা গার্ডেনে সুদীপ্ত সেনের কয়েকশো বিঘা বেনামি সম্পত্তি হাতানোর সিন্ডিকেট চক্রের বিরুদ্ধে মুখ খোলার জেরে আক্রান্ত হয়েছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার এক অফিসার। কলেজ পড়ুয়া তাঁর ছেলেকেও মারধর করা হয়েছে। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সম্প্রতি দুর্গাপুর পুরসভা নির্বাচনে নিরাপত্তার প্রশাসনিক আশ্বাস সত্ত্বেও ব্যাপক হাঙ্গামা হয়েছে। ভোট লুট হয়েছে। পুলিশ মার খেয়েছে। নির্বাচন কমিশন ভোট চলাকালীন অভিযোগ জানানোর রাস্তা বন্ধ রেখেছিল। ...

 ওয়াশিংটন, ১৬ এপ্রিল: এ যাবৎকালের সবচেয়ে বড় অঙ্কের অর্থ দানের কথা ঘোষণা করলেন মাইক্রোসফট করপোরেশনের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস। নিজের মোট সম্পদের ৫ শতাংশ দান করলেন ...

সিনসিনাটি, ১৬ আগস্ট: ভারতীয় টেনিস কাপ দল থেকে বাদ পড়ার পর ৪৪ বছর বয়সী লিয়েন্ডার পেজের দুঃসময় আর কাটছে না। সিনসিনাটি ওপেনে ডাবলসে প্রথম রাউন্ড থেকেই লিয়েন্ডার পেজ ও তাঁর জার্মান পার্টনার আলেকজান্ডার জেরেভ বিদায় নিলেন ফেলিসিয়ানো ও মার্ক লোপেজের ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

সঠিক বন্ধু নির্বাচন আবশ্যক। কর্মরতদের ক্ষেত্রে শুভ। বদলির কোনও সম্ভাবনা এই মুহূর্তে নেই। শেয়ার বা ... বিশদ



ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৩২: ব্রিটিশ সাহিত্যিক ভি এস নাইপলের জন্ম
১৯৮৮: দুর্ঘটনায় মৃত পাক প্রেসিডেন্ট মহম্মদ জিয়া-উল-হক
২০০৮: ওলিম্পিকসে আটটি সোনা জিতে রেকর্ড মার্কিন সাঁতারু মাইকেল ফেল্পসের


ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৪৫ টাকা ৬৫.১৩ টাকা
পাউন্ড ৮১.৩৭ টাকা ৮৪.১৮ টাকা
ইউরো ৭৪.০৮ টাকা ৭৬.৬৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৯,১৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৭,৬৭৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৮,০৯০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৬০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩২ শ্রাবণ, ১৭ আগস্ট, বৃহস্পতিবার, দশমী দিবা ১২/৪৩, মৃগশিরানক্ষত্র রাত্রি ১০/৫৯, সূ উ ৫/১৭/৫১, অ ৬/৩/৩৯, অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪৮-৩/৩, বারবেলা ২/৫২-অস্তাবধি, কালরাত্রি ১১/৪১-১/৫।
 ৩১ শ্রাবণ, ১৭ আগস্ট, বৃহস্পতিবার, দশমী ১০/৫৫/৫২, মৃগশিরানক্ষত্র রাত্রি ১০/২৩/৫৭, সূ উ ৫/১৫/৩৩, অ ৬/৫/২৫, অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪৭/৩০-৩/১/৩১, বারবেলা ৪/২৯/১১-৬/৫/২৫, কালবেলা ২/৫২/৫৭-৪/২৯/১১, কালরাত্রি ১১/৪০/২৯-১/৪/১৫।
২৪ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
  খানাকুলে বৃষ্টির জমা জল নামতেই উদ্ধার কঙ্কাল, চাঞ্চল্য
আরামবাগের খানাকুলের সবলসিংহপুর এলাকায় বৃষ্টির জমা জল নামতেই এক অপরিচিত মহিলার কঙ্কাল উদ্ধার হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

05:44:00 PM

এবার চড়াম চড়াম করে জয়ঢাক বাজবে পঞ্চায়েতেও: অনুব্রত

 আজ নলহাটিতে ১নং ওয়ার্ড ও ৮ নং ওয়ার্ডে তৃণমূলের পরাজয়ের পর, হারের কারণ অনুসন্ধান করতে এসে অনুব্রত মন্ডল মৎসমন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা ও পরিকল্পনা তদারকি ও পরিসংখ্যান দপ্তরের মন্ত্রী আশিষ বন্দ্যোপাধ্যায়সহ আরও দুই তৃণমূল নেতার দায়িত্ব পালনে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি জানান, ওঁদের উপর পুরো দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়াটা ভুল হয়েছলি, ওঁদের এতটা বিশ্বাস করাটাও ভুল হয়েছিল। এবার থেকে সব বিষয়টা তিনি নি঩জেই দেখবেন বলেও জানান। পাশাপাশি এদিন সাংবাদিক বৈঠক করে পঞ্চায়েত দখলের ডাকও দেন অনুব্রতবাবু। তিনি বলেন, এবার পঞ্চায়েতও চড়াম চড়াম করে জয়ঢাক বাজবে।

05:20:10 PM

এই জয় মানুষের জয়: মুখ্যমন্ত্রীর

 মানুষের জয়, যারা তৃতীয় ও চতুর্থ হওয়ার জন্য লম্ফ-ঝম্ফ করেছিল, আমি দেখলাম তারা ০.১% ভোট পেয়েছে। মানুষকে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। আজ ৭ পুরসভা জয়ের পর এভাবেই নিজের প্রতিক্রিয়া জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

05:13:08 PM

উত্তরবঙ্গে দুর্গতদের উদ্ধারে ন্যায্যমূল্যে বিমান সংখ্যা বাড়ানোর আর্জি কেন্দ্রকে

 যেহেতু উত্তরবঙ্গের সঙ্গে দক্ষিণবঙ্গের সড়ক ও রেল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে, সেই সুযোগে বেশিরভাগ বিমান সংস্থা তাদের ভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে রাজ্যের মুখ্যসচিব কেন্দ্রকে এই দুর্যোগের সময় দুর্গতদের উদ্ধারে ন্যায্য মূল্যে বিমানের সংখ্যা বাড়াতে অনুরোধ জানিয়েছে।

05:06:00 PM

মদন তামাং হত্যা মামালা: গুরুংকে অব্যহতি

 মদন তামাং হত্যা মামলায় বিমল গুরুংয়ের বিরুদ্ধে কোনও তথ্য প্রমানাদি না মেলায় তাঁকে এই মামলা থেকে অব্যহতি দিল বিশেষ আদালত

05:02:00 PM

 দুর্গাপুরে পুরভোটে তৃণমূল ৭৬.২৬%, বামফ্রন্ট ১২.৩%, বিজেপি ৭.৮৯%, কংগ্রেস ২.৫৩% এবং নির্দল ০.৯% ভোট পেয়েছে

04:39:00 PM