প্রচ্ছদ নিবন্ধ
 

 বৃষ্টিভেজা

শান্তনু দত্তগুপ্ত: সেই বটগাছ দিয়ে হয়েছিল তাঁর ছন্দে হাতেখড়ি। তারপর এসেছিল আমসত্ত্ব দুধে ফেলে তাতে কদলি দলার পালা। ওই বয়সেই কবিতায় প্রতিভা বিচ্ছুরণের খবর মাস্টারমশাই সাতকড়ি দত্তের কানে যেতেই তিনি ডেকে পাঠিয়েছিলেন রবিকে। আর উপহার দিয়েছিলেন দুটি ছত্র... ‘রবি করে জ্বালাতন আছিল সবাই/ বরষা ভরসা দিল আর ভয় নাই।’ বলেছিলেন, কাল এর সঙ্গে মিলিয়ে আর দু’ছত্র লিখে এনো তো দেখি! পরদিন রবি লিখে আনলেন, ‘মীনগণ হীন হয়ে ছিল সরোবরে/ এখন তাহারা সুখে জলক্রীড়া করে।’ বর্ষার প্রকৃতিকে কবিতার ছন্দে যে এত সহজে-সুন্দরে বাঁধা যায়, তা রবি ঠাকুরের আগে বাঙালিকে আর কেউ যে শেখাতেই পারেননি! তাই বাঙালির আশপাশে, ভিতরে বাহিরে কীভাবে যেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বর্ষার সঙ্গে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে গিয়েছেন। বর্ণ পরিচয় হওয়া ইস্তক। বাঙালি সহজ পাঠ নিয়েছে ‘ঘন মেঘ বলে ঋ দিন বড়ো বিশ্রী’..., আবার কখনও ‘আষাঢ়ে বাদল নামে, নদী ভরো ভরো— মাতিয়া ছুটিয়া চলে ধারা তরতর।’
কাজেই বছরের প্রথম ঝমাঝমে খোকা যখন কোলে চেপে আবদার করে, ‘জানলাটা খুলে দেবে, বিষ্টি দেকব...’ তখন কোথায় একটা যেন এই রবি-কবিতাগুলি মনের মাঝে একাকার হয়ে ভাসিয়ে নিয়ে যায়। খুব কম সময়ের জন্য হলেও। কারণ, বাস্তবের মাটিতে পা দেওয়া মাত্র যাবতীয় কাব্যি উধাও। রোজ সকালে কাগজ খুলে আগে পড়ে নেওয়া হাওয়া অফিসের খবরটা... আবহাওয়া দপ্তর জানাচ্ছে, কেরলে বর্ষা ঢুকে গিয়েছে। আর দিন সাতেকের মধ্যেই পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশ করবে। ইতিমধ্যে ওড়িশা উপকূলে একটি নিম্নচাপ তৈরি হওয়ায় প্রাক বর্ষার বৃষ্টি এক-দু’দিনের মধ্যেই শুরু হয়ে যাবে...। এ কি পুজোর কাউন্ট ডাউনের থেকে কম কিছু? আষাঢ় মাসের দু’-তিন তারিখ হয়ে গেলেই হাওয়া অফিসকে পথে-ঘাটে-বাড়িতে গালমন্দ করা। এরা কোনও কাজের না। আর সুবিধায় কাছে টানা, বিপদে দূরে ঠেলায় বিশ্বরেকর্ড তো এই জাতির রয়েইছে। এই বাংলা যেমন তীব্র গরমে বৃষ্টির প্রার্থনায় প্রাণপাত করতে পারে, ঠিক তেমনই বর্ষা হুড়মুড়িয়ে এসে পড়লে বিরক্তির চরম সীমানা পর্যন্ত প্রদর্শনেও সে সক্ষম। সেই ভ্রু কোঁচকানোটা অবশ্যই অফিস যাত্রার তাড়ার বেলায়। যেখানে ছাতাকে হার মানিয়ে বৃষ্টির তোড় জুতো, মায় প্যান্টের নব্বই শতাংশ পর্যন্ত ভিজিয়ে দেয়। আর ছাতা গুটিয়ে অফিসে ঢুকতে ঢুকতে বাবু গজরাতে থাকেন... ‘ধুত্তোর, এবার এসির মধ্যে গোটাটা শুকোবে। ঠান্ডা লাগতে বাধ্য।’ আবার কাজের টেবিলের পাশের জানালা দিয়ে যখনই চোখটা বাইরে যাবে, কাজলকালো আকাশে বুঁদ হয়ে আনমনা হাতে ফোন বাজাবেন বাড়িতে... ‘শুনছ, আজ যদি খুব অসুবিধা না হয় রাতে একটু খিচুড়ি করবে? সঙ্গে ডিমভাজা! ওফ্‌ফ্‌, যা বৃষ্টিটা নেমেছে না! দুর্দান্ত হবে। কী বলো?’ বর্ষার বৃষ্টিতে মাটির সোঁদা গন্ধ গায়ে মেখে খিচুড়ি যে আমাদের চিরকালীন অ্যাফেকশন! এর মাদকতা যাকে কাৎ করে না, সে তো বাঙালিই নয়! তবে হ্যাঁ, ডিমভাজা যতই হোক না কেন, ইলিশমাছের জন্য মনটা কেমন একটু আনচান করবেই। যদি এক টুকরো ইলিশ হত, তাহলে মজাই আলাদা। আজ রাতে খিচুড়ির সঙ্গে এক পিস, আর কাল রবিবার... ইলিশের তেল, তারপরে বেগুন-কালো জিরে দিয়ে ঝোল। সরষের প্রিপারেশনটা বেশি রিচ হয়ে যাবে। না হলে ওটাও মন্দ হত না। দেখি অফিস ফেরতা যদি পাওয়া যায়! জামাই ষষ্ঠীর আশপাশে হাজার-বারোশো ছাড়িয়েছিল। সেদিন খোঁজ নিয়েছি। আটশো-সাড়ে আটশোর কাছাকাছি ঘোরাফেরা করছে দামটা। তবে মনমতো সাইজ আর মিলছে কোথায়? সেই তো সাড়ে পাঁচশো থেকে সাড়ে ছ’শো গ্রাম। তা যাই হোক না কেন, ইলিশ বলে কথা! পিসগুলো সব রাউন্ড করে কাটাতে হবে। পেটি-গাদা মিলিয়ে। ওফ্‌ফ্‌ কী খাওয়াটাই না হবে কাল!
বর্ষা মানেই ঠনঠনিয়া কালীবাড়ি, পঞ্চাননতলার এক কোমর সমান জল। বাড়ি থেকে বেরিয়ে বাসরাস্তা পর্যন্ত যাওয়ার জো নেই। অগত্যা রিকশ ভরসা। আর একবার কোমরজলে তিনচাকায় চেপে বসলে পকেটের চিন্তাভাবনা পকেটেই রেখে দিতে হয়। যাত-আয়াতে দেখা যায় ছোট ছোট ছেলেরা দুদ্দার করে নেমে পড়েছে পুকুর উপচে আসা মাছের খোঁজে। ওই যেখানে রাস্তার সঙ্গে পুকুরটা একাকার হয়ে গিয়েছে, তাদের লক্ষ্য যে সেখানেই। কখনও কই, কখনও চারাপোনা। খাওয়ার তাগিদ নয়, তাদের যে মাছ ধরাতেই আনন্দ। ঠিক যেন কেটে উড়ে যাওয়া ঘুড়ির পিছে ছুটে যাওয়ার মতো। যার হাতে সুতোটা আসবে, সে-ই রাজাধিরাজ। প্ল্যাস্টিকের প্যাকেট, মশারির ছেঁড়া অংশ নিয়ে যারা নেমে পড়েছে, তাদের যেমন বর্ষাসুখ, তেমনই দৃষ্টিসুখে চোখ জুড়িয়ে যাওয়া সংসারের ভারে কুঁজো হয়ে যাওয়া লোকগুলোর। কলেজ ফেরত কখনও ইচ্ছে করে জল পাড়িয়ে যাওয়া। সদ্য যুবতীর কয়েকবার লাফিয়ে নিয়ে বলা, ‘ইস্‌, কতদিন এমন ছপাৎ ছপাৎ করিনি...’। আর দিনের শেষে কাদা পায়ে বাড়ি ঢুকলেই মায়ের চিৎকার... ওরে, তোকে কতবার বলেছি জুতোটা খুলে ঢুকবি! এই ভরসন্ধ্যায় এখন গোটা ঘর আমায় মুছতে হবে। ভাল্‌ লা঩গে না। মায়ের বকুনিটাও যেন জোর বৃষ্টির মধ্যে খানিক মেঘ ডাকার শব্দের মতো। বর্ষার সঙ্গেই বেমালুম খাপ খেয়ে যায়। কলেজ ফেরত সদ্য ভাঙা আড্ডার আসরের আমেজটা মিলিয়ে যেতে যেতেও যায় না। এখন তো আড্ডা বলতে মণি স্কোয়্যার, সাউথ সিটির অলিন্দ। যেখানে বেশিরভাগকেই ভিজে চুপচুপে হয়ে আসতে হয় না। ডাক দিলেই ক্যাব হাজির বাড়ির দোরগোড়ায়। আর আগে ভিজে যাওয়াটাই যেন ছিল ফ্যাশন। বাসস্ট্যান্ডের শেডের নীচে, কিংবা লেকের ধারে কোনও একটা বড় গাছের তলায়। যেখানে ফাঁকফোঁকর দিয়ে জল পড়ে অল্পবিস্তর ভিজিয়ে দিলেও তা গা সওয়া। ভাঁড়ের চা যেখানে একমাত্র বিলাসিতা। কখনও সখনও জুটে যাওয়া আলুর চপ। আর নিরন্তর চলতে থাকা কাউন্টার। ব্যাস। আর কী চাই? কিংবা বহু প্রতীক্ষিত কোনও একটা সন্ধ্যায় পৌঁছে বৃষ্টির দেমাক একটু কমতে না কমতেই দু’জনে বেরিয়ে পড়া। শুধুই হেঁটে যাওয়া। বর্ষা ছাড়া এই নির্ভেজাল তৃপ্তি আর কে-ই বা দেবে? তা সে যতই বর্ষার বদল হোক না কেন। শৈশব-কৈশোরের বর্ষা যেন যৌবন পার করে আর দেখা যায় না। কবিগুরুও তেমনই বোধহয় অনুভব করেছিলেন। তাই কলম ধরেছিলেন, ‘ছেলেবেলায় যেমন বর্ষা দেখতাম, তেমন ঘনিয়ে বর্ষাও এখন হয় না। বর্ষার তেমন সমারোহ নেই যেন, বর্ষা এখন যেন ইকনমিতে মন দিয়েছে—নমোনমো করে জল ছিটিয়ে চলে যায়—কেবল খানিকটা কাদা, খানিকটা ছাঁট, খানিকটা অসুবিধে মাত্র—একখানা ছেঁড়া ছাতা ও চীনে বাজারের জুতোয় বর্ষা কাটানো যায়...’। রবি ঠাকুর কি ভবিষ্যৎ মানব প্রজন্মেরও মন পড়তে জানতেন? নাকি বর্ষার কিপ্টেমোটা তিনি হাত গুনে বের করে ফেলেছিলেন? উত্তর জানা নেই। তবে একটা জিনিস বড্ড সত্যি, ফিরে দেখতে আমরা সকলেই ভালোবাসি। মনের গতিপথ যে বোঝা ভার! তাও সেই গতির বিপরীতে যাওয়া আসা করি। রোজ দিনের বেলায় যা অবিশ্বাস করি, রোজ রাত্রে তাই বিশ্বাস করি। বিশ্বাস যে স্বাধীন! যেদিকে খুশি যেতে পারে। ঠিক বর্ষার মতো। যখন খুশি নামতে পারে। আবার থামতেও পারে। সেই রবি ঠাকুর যখন ফিরে দেখেছিলেন তাঁর ছেলেবেলার বর্ষাকে, তাঁর লেখায় এসেছিল, ‘বর্ষার দিন আমাদের দীর্ঘ বারান্দায় আমরা ছুটে বেড়াতেম—বাতাসে দুমদাম করে দরজা পড়ত, প্রকাণ্ড তেঁতুলগাছ তার সমস্ত অন্ধকার নিয়ে নড়ত, উঠোনে একহাঁটু জল দাঁড়াত, ছাতের উপরকার চারটে টিনের নল থেকে স্থূল জলধারা উঠোনের জলের উপর প্রচণ্ড শব্দে পড়ত ও ফেনিয়ে উঠত, চারটে জলধারাকে দিক্‌হস্তীর শুঁড় বলে মনে হত। তখন আমাদের পুকুরের ধারের কেয়াগাছে ফুল ফুটত (এখন সে গাছ আর নেই)। বৃষ্টিতে ক্রমে পুকুরের ঘাটে এক-এক সিঁড়ি যখন অদৃশ্য হয়ে যেত ও অবশেষে পুকুর ভেসে গিয়ে বাগানে জল দাঁড়াত—বাগানের মাঝে মাঝে বেলফুলের গাছের ঝাঁকড়া মাথাগুলো জলের উপর জেগে থাকত এবং পুকুরের বড়ো বড়ো মাছ পালিয়ে এসে বাগানের জলমগ্ন গাছের মধ্যে খেলিয়ে বেড়াত, তখন হাঁটুর কাপড় তুলে কল্পনায় বাগানময় জলে দাপাদাপি করে বেড়াতেম। বর্ষার দিনে ইস্কুলের কথা মনে হলে প্রাণ কী অন্ধকারই হয়ে যেত...’। সত্যিই তো, বর্ষায় আবার স্কুল কী! বর্ষার নাগাড়ে বৃষ্টি মানেই তো রেনি ডে। সকাল সকাল ঘুম ভেঙে যদি আকাশকালো মেঘের দেখা মেলে, তাহলে প্রথম প্রার্থনা থাকত, ঠাকুর তেড়ে বৃষ্টি দাও। স্কুলটা ছুটি হয়ে যাবে। কখনও কখনও স্কুলে পৌঁছেও ছাত্রাভাবে ছুটির বার্তা আসত। সেও এক অন্য মজা। বৃষ্টি মাথায়, কাদা মাঠেই নেমে পড়া বল নিয়ে। কোথাও পা আটকে যাওয়া, কখনও গোলমুখী বল থমকে যাওয়া, আবার কোনও সময় সড়াৎ করে পিছলে পপাত ধরণীতলে। যে কোনওদিন ফুটবলে পা দেয়নি, তারো মন উসখুশ করত। বর্ষা ডাক দিত, নেমে পড়ো ভায়া, অপেক্ষা কীসের! আর সব শেষে ভিজে ভিজে বাড়ি ফেরা। জামা-প্যান্ট না শুকোলে আরও ভালো। পরদিনও ছুটি। এ যেন বর্ষা এলেই মনে পড়া বিভূতিভূষণ। অপু-দুর্গার মতো আম কুড়োতে যাওয়ার সুযোগ নেই তো কী! এখনও যেন ‘মুষলধারে বৃষ্টিপতনের হুস্‌-স্‌-স্‌-স্‌ একটানা শব্দ’ আর ‘ক্কড়-ক্কড়-কড়াৎ’ শব্দে বাজ পড়লে মন বলে ওঠে ‘নেবুর পাতায় করম্‌চা/ হে বিষ্টি ধরে যা—’।
ভয়ে সিঁটিয়ে যাওয়া অপুকে আগলে রাখার জন্য তখন না হয় দুর্গার আঁচল ছিল। আর এখন রক্ষাকবচ বলতে শুধু ছাতা। তা সে দাস-দত্ত হোক, কিংবা অখ্যাতনামা কোনও কালো কাপড়, প্ল্যাস্টিক হাতল। বর্ষার আগমনি গাওয়া হয়ে গেলে প্রত্যেকের সমান কদর। অটোরিকশর আনমনা যাত্রীর হাত থেকে হঠাৎ ছাতাটি রাস্তায় পড়ে গেলে তাই মন ডেকে ওঠে আগন্তুকেরও… রাস্তা থেকেই হাঁক পাড়েন, ‘ও দিদি, আপনার ছাতা...’। সম্বিত ফিরে ওই মহিলা শুধু কেন, সহযাত্রীরাও পড়িমড়ি করে অটো থেকে নেমে ছোটেন ছাতা কুড়োতে। পুনরুদ্ধারের পর বিজয়ীর বাণী, ‘যাক বাবা, বর্ষায় ছাতাটা তো পেয়ে গেলেন। ওটা বাসের নীচে গেলে এই বৃষ্টিতে একসা হতে হত।’ ছাতা নিয়ে পরের দরদ এমনই যে হয়। ভুলো মন অবশ্য তা মেনেও মানে না। তাই কখনও অফিসের ডেস্কে, কখনও বা বাসের সিটে ছাতা পড়ে থাকে অসহায়ের মতো। দু’ফোঁটা মাথায় পড়ার পর যখন খেয়াল হয়, ততক্ষণে অন্য কেউ আপন মনে করে সেই ছাতাটির সদ্ব্যবহার করতে শুরু করে দিয়েছেন। তাই তো নিজের উপর রাগ করে কত মানুষ ছাতাই নিতে চান না। জিজ্ঞেস করলে বলেন, ‘ছাতা নিয়ে বেরলেই হারিয়ে ফেলি যে! তাই হারানোর থেকে ভেজা ভালো।’ এমন বাঙালি এই বঙ্গভূমিতে খুঁজে পাওয়া ভার, যিনি একবারও ছাতা ফেলে আসেননি।
তবে ছাতা হারানো ততটা নয়, মেজাজটি বেজায় চিড়বিড় তখনই করে ওঠে, যখন আকাশ মহাশয় মুখ ভার করে বসে থাকেন, আর গুমোট দরদরিয়ে ঘাম ঝরার মধ্যে বিষফোঁড়া রূপে দেখা দেয় লোডশেডিং। ঘরে বসে দরদর করে ঘেমে যাওয়া ছাড়া আর কোনও কাজ নেই। যতক্ষণ না দূরে কোথাও দু’-এক পশলা বৃষ্টি হলে তার ঠান্ডা হাওয়াটা খোলা জানালা বেয়ে ঢুকে পড়ে। আর তার পিছে পিছে আসা বৃষ্টি। তোপসের তাও একটা মনবদলের খোরাক ছিল। ফেলুদা এবং তার মক্কেলরা। এবং অবশ্যই সিধুজ্যাঠা। তাই তো সত্যজিৎ রায় অমন একটা বর্ণনা দিতে পারেন... ‘এই বৃষ্টির মধ্যেই কে জানি এসে আমাদের কলিং বেলটায় পর পর তিনবার সজোরে চাপ দিয়েছে। দৌড়ে গিয়ে দরজা খুলতেই বৃষ্টির ছাঁটের সঙ্গে হুমড়ি দিয়ে ঘরে ঢুকলেন সিধুজ্যাঠা, আর তাঁর হাতের ছাতাটা ঝপাৎ করে বন্ধ করতেই আরও খানিকটা জল চারপাশে ছিটিয়ে পড়ল। কী দুর্যোগ কী দুর্যোগ একটু চা বল তোমার ওই ভালো চা...’।
সিধুজ্যাঠা এক নিঃশ্বাসে অর্ডার প্লেস করতেই পারেন। বাড়িতে অবশ্য অনুরোধ উপরোধই ভরসা। উপায়টাই বা কী? বৃষ্টির আবহে চায়ের সঙ্গত না হলে যে অনেকেরই চলে না! আর সঙ্গে তেলেভাজা-মুড়ি। ভূতের গল্পও সঙ্গে বেশ জমে।
আসলে বর্ষা হল এমন এক ঋতু, যা আসা মাত্র মনের অগোচরে থাকা যাবতীয় রোম্যান্টিকতাগুলো কীভাবে যেন গুটি গুটি পায়ে কচ্ছপের মতো বেরিয়ে আসে। ওই শক্ত খোলসটা ছাড়িয়ে। বৃষ্টির আওয়াজের সঙ্গে যেখানে সহজেই চাপা পড়ে যায় সর্বপ্রকার ঝঞ্ঝাট, পিএনপিসি, ব্যালান্স শিট মেলানোর টেনশন। বর্ষা যে উদার হতে শেখায়, প্রেম করতে শেখায়, আবার মন খারাপ করতেও শেখায়। বেসুর-অসুরও নিজের অজান্তে গেয়ে ওঠে ‘এল বরষা যে সহসা মনে তায়...’। রেডিওতেও লাগাতার বর্ষার সুর। বাজারের অদূরে সেলুনটা থেকে ভেসে আসে ‘রিমঝিম গিরে সাওয়ন’, আর বাজারের থলে ভরতে ভরতে বাবু গুনগুন করে ওঠেন। সুর মেলায় প্রকৃতিও। জগন্নাথ দেবের সঙ্গী হয়ে এই বঙ্গে এসে পৌঁছানোটাই তো বর্ষণমুখর আগমনি সুর... ‘বর্ষণগীত হল মুখরিত মেঘমন্দ্রিত ছন্দে/ কদম্ববন গভীর মগন আনন্দঘন গন্ধে’। আর এ তো চিরকালীন... আগেপিছে গরম যতই হোক না কেন, রথযাত্রা বৃষ্টির মুখ দেখবেই। হঠাৎ হালকা হয়ে যাওয়া আকাশ আর তখনই ভেজা মাটিতে গড়িয়ে যায় রথের চাকা। মেলায় পেশাদার দোকানিদের পাশে জায়গা করে নেওয়া পাড়ার উঠতি ছেলেদের পাঁপড়ভাজার আমেজ। জানান দেয়, ‘দহনশয়নে তপ্ত ধরণী পড়েছিল পিপাসার্তা/ পাঠালে তাহারে ইন্দ্রলোকের অমৃতবারির বার্তা।’
এই অঝোর ধারার শুভ সূচনার গায়ে গায়েই এসে পড়ে খুশির ইদ। মেঘের ফাঁকে চাঁদ খোঁজার পালা। খবরের কাগজের দপ্তরে ফোন করে জিজ্ঞেস করা, ‘দাদা, কাল ইদ হচ্ছে তো?’ মেঘের আড়ালে লুকিয়ে থাকা চাঁদের খোঁজে আকাশপানে তাকিয়ে থাকা। সেই চাঁদ দেখতে পাওয়া মানে তো পিপাসা মেটানোরই শামিল! এরপর অপেক্ষা আর ক’দিন। তারপরই জন্মাষ্টমী। ভাদ্র মাসে কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথি। বসুদেব যখন দেবকীর কোল থেকে সদ্যোজাতকে নিয়ে গোকুলের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন, সেও যে ছিল এক প্রবল বর্ষণের রাত। প্রায় এক মানুষ জল ঠেলে পিতা রেখে এসেছিলেন শ্রীকৃষ্ণকে। যশোদার কাছে। আর ওই দুর্দম বৃষ্টিতে সদ্যোজাতের ছাতা হয়ে গিয়েছিলেন বাসুকি। এমন ঋতু তো বাঙালির মনের খুব কাছের হবেই! এ যে উৎসবের বর্ষণ। রথের রশিতে টান লাগতেই মায়ের মূর্তি গড়ার সূচনা হয়ে গেল যে! একতাল মাটি, একটা কাঠামোর পুজো করে শুভ সূচনা জানান দিল, আর খুব বেশি দিন নয়। সঙ্গে সঙ্গে ক্যালেন্ডার উলটে দেখে নেওয়া..., ছুটির তালিকা, ট্রেনের টিকিট, ভিড় বেড়ে যাওয়ার আগে কেনাকাটা খানিক এগিয়ে রাখাও। হলই বা বৃষ্টি। ওই জল মাথায় নিয়েই দোকানে ঢুঁ মারা। আর ধারদেনা করে চাষের জমিতে লাঙল দেওয়া কৃষকের মনের আকাশে একটুকরো শান্তির মেঘ... যাক, ফসলটা এবার ভালো হবে।
দেশের সব রাজ্য থেকে কীভাবে যেন এই বাংলার বর্ষা আলাদা হয়ে যায়। রূপে, গুণে, প্রলয়ে, অনুভূতিতে... ‘নব-অঙ্কুর-জয়পতাকায় ধরাতল সমাকীর্ণ/ ছিন্ন হয়েছে বন্ধন বন্দীর... হে গম্ভীর।’ সত্যিই তো, আরও একটা কারণে বর্ষার সঙ্গে যে আম বাঙালির আত্মিক যোগ... ২২শে শ্রাবণও যে কারও নেই। এ শুধুই বাংলার মাটির, বাতাসের নিজস্ব। বর্ষার অঝোর ধারায়।
 গ্রাফিক্স: সোমনাথ পাল
 সহযোগিতায়: স্বাগত মুখোপাধ্যায়
09th  July, 2017
বন্দেমাতরম 
রজত চক্রবর্তী

জাতীয় পতাকাটা আজও হাতে ধরে হেঁটে চলেছেন মাতঙ্গিনী হাজরা। উচ্চশির। প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার, প্রফুল্লনলিনী ব্রহ্ম, কল্পনা দত্ত... নারীশক্তির এক অদম্য জাগরণ দেখেছিল পরাধীন ভারত। মায়েরা, বোনেরা পথে নেমে-না নেমে অংশ নিয়েছিলেন বিপ্লবে। তবু এমনই দুই সংগ্রামী শান্তি ঘোষ, সুনীতি চৌধুরির জন্মশতবর্ষ চলে গেল নীরবে...।
বিশদ

13th  August, 2017
 কৃপণ সমাচার!

 কৃপণ কত প্রকার ও কী কী? এমন রচনা ছেলেবেলায় লিখতে না হলেও এ ব্যাপারে জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতার ঝুলি প্রায় সবারই পূর্ণ। কেউ কেউ আবার কৃপণ শব্দটির বদলে হিসাবি বা মিতব্যয়ী ব্যবহার করতে বেশি পছন্দ করেন। যদিও তাতে কৃপণদের নিয়ে সমাচারে কোনও দিন, কোনও যুগেই ঘাটতি হয় না।
বিশদ

06th  August, 2017
আলিপুর জেলের অন্তরালে

 আলিপুর সেন্ট্রাল জেল। কানাইলাল দত্ত, সত্যেন বসু, দীনেশ গুপ্ত... একের পর এক বিপ্লবীকে ফাঁসির দড়ি বরণ করতে হয়েছে এখানে। শত অত্যাচার সত্ত্বেও যেখানে ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে একজোট হয়েছেন লৌহকপাটের আড়ালে থাকা বিপ্লবীরা। ভয় না ধরিয়ে সঙ্গীর মৃত্যু সাহস জুগিয়েছে তঁাদের। সেলুলার জেল হেরিটেজের মর্যাদা পেলেও আলিপুর পায়নি। সেখানে আজও কুঠুরির কোণায় কোণায় শোনা যাবে বিপ্লবের বজ্রনির্ঘোষ।
বিশদ

30th  July, 2017
 অমরনাথের পথে-প্রান্তরে

 দুর্গম অতিক্রম করে, জঙ্গি হামলা-মৃত্যুভয়কে তুচ্ছ করে এগিয়ে চলা একবার দর্শনের আশায়। বালতাল হোক বা পহেলগাঁও, যাত্রাপথ যাই হোক না কেন, প্রকৃতি সেখানেই অপার সৌন্দর্য উজাড় করে রেখেছে। বিন্দু বিন্দু জল জমে আকার নিয়েছে শিবলিঙ্গের। আর তাকে ঘিরেই সম্প্রীতির এক অদ্ভূত মিলন উৎসব। সে যে অমরনাথ। বিশদ

23rd  July, 2017
খবর শেষ

 আকাশবাণী... খবর পড়ছি...। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আমল থেকে শুরু হওয়ার পর বঙ্গজীবনের অঙ্গ হিসাবে জড়িয়ে যাওয়া সেই অভ্যাস হাতছাড়া হয়েছে বহুযুগ আগেই। টিভি, ইন্টারনেট, ফেসবুকের জমানায় যা আজ প্রায় গতজন্মের স্মৃতি বলে মনে হয়। কিন্তু একটা সময় এই তো ছিল বাইরের জানালায় চোখ রাখার জন্য মানুষের একমাত্র দূরবীন! সেই ইভা নাগ, নীলিমা সান্যাল, দেবদুলাল বন্দ্যোপাধ্যায়, ব্রেকডাউন, ভুল খবর...। সে এখন নস্টালজিয়া। আজ দিল্লির বেতার খবর যে সত্যিই শেষ!
বিশদ

16th  July, 2017
চিকিৎসা রঙ্গ 

কল্যাণ বসু: ‘পাসকরা ডাক্তার নই, কিন্তু তাতে কি? বাড়ি বসিয়া বই পড়িয়া কি আর ডাক্তারী শেখা যায় না? আজ সাত আট বছর তো ডাক্তারী করিতেছি, অভিজ্ঞতা বলিয়া একটা জিনিসও তো আছে! পাসকরা ডাক্তারের হাতে কি আর রোগী মরে না?’ এইটুকু পড়ে কী মালুম হচ্ছে?
বিশদ

02nd  July, 2017
 বাঙালির রথযাত্রা

হারাধন চৌধুরী: বাঙালি এক আমুদে জাতি। আনন্দের জন্য পরব খুঁজে নিতে বাঙালির জুড়ি মেলা ভার। বাঙালির কাছে দেবতারা কঠিন কঠোর কিছু নন। দেবতারাই হলেন সবচেয়ে আপন বা অতি প্রিয় কেউ, যাঁকে আঁকড়ে ধরে থাকতে না পারলে বাঙালির সব আনন্দ, সব সুখানুভূতি যেন মাটি হয়ে যায়। অতএব একজন না একজন দেবতাকে সামনে রেখেই পার্বণ সাজিয়ে নেয় তারা। সেই থেকেই ‘বারো মাসে তেরো পার্বণ’ কথাটি এসেছে। ‘তেরো’ কথাটি ‘বহু’ অর্থেই প্রযোজ্য হয়। সংস্কৃতি সম্পর্কে এমন যাদের উপলব্ধি, রথযাত্রার মতো একটি পার্বণ বছরের একটি নির্দিষ্ট সময়ে তাদের মাতিয়ে দেওয়ার পক্ষে যথেষ্ট। রথযাত্রার মধ্যে মাটি বা ভূমির টানই খুঁজে পায় বাঙালি। বিশদ

25th  June, 2017
দেশভাগের ৭০

সমৃদ্ধ দত্ত: ৭০ বছর আগে কয়েকজন দেশি-বিদেশি প্রতিনিধি ঠিক করে ফেলেছিল ভারতকে ভাগ হতেই হবে। ৭০ বছর আগে এমনই একটা জুন মাসে অবিভক্ত বঙ্গ বিধানসভার শেষ অধিবেশনে বাংলা আর বাঙালির নতুন পথ চলার সূচনা। চিরবিচ্ছেদের বেদনা নিয়ে। সেই ২০ জুন।
লর্ড মাউন্টব্যাটেন নিজের ইমেজ সম্পর্কে এতটাই সচেতন ছিলেন যে, ১৯৪৭ সালের ২২ মার্চ ভারতের ভাইসরয় পদে এসেই সরকারি এবং প্রেস ফটোগ্রাফারদের জন্য একটি নির্দেশ জারি করে দেন।
বিশদ

18th  June, 2017
রাষ্ট্রপতি ভবনে 

প্রবালকুমার বসু: রাষ্ট্রপতি ভবনে তাঁরই অতিথি হয়ে কাটিয়ে আসা দু’সপ্তাহ। রাজধানীর যানজট, দূষণের বাইরে হঠাৎ এসে পড়া যেন এক অন্য জগতে। মুঘল গার্ডেনসে ফুলের মাঝে কেটে যাওয়া সময়, কিংবা প্রতিটা পাথরে নতুন করে খুঁজে পাওয়া ইতিহাস।
বিশদ

11th  June, 2017
ভূস্বর্গ ভয়ংকর

আজাদ কাশ্মীর। এই অবস্থানেই অনড় ছিলেন মহারাজা হরি সিং। পাকিস্তানের একের পর এক ষড়যন্ত্রে নেহরুর সাহায্য নিতে তিনি বাধ্য হয়েছিলেন। কাশ্মীর জুড়েছিল ভারতের মানচিত্রে। কিন্তু পিছন থেকে ছুরি মারে আমেরিকা, ব্রিটেন। এবং পাকিস্তান। যে ইন্ধন বজায় রেখেছে ইসলামাবাদ। ফল? অশান্ত ভূস্বর্গ...।
বিশদ

04th  June, 2017
খাতা দেখা 

বসন্ত কড়া নাড়লেই বুঝতে হবে মা-উমা খুব দূরে নেই। অর্থাৎ মাধ্যমিক-উচ্চ মাধ্যমিক। ভাবা যায়, একটা রাজ্যে মাধ্যমিক-উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৮ লক্ষের বেশি? আর এই দুই পরীক্ষা শেষ হতেই রাজ্যের আনাচে কানাচে হাজার হাজার স্কুল টিচারের গৃহকোণে শুরু হয়ে যায় কুটির শিল্প—খাতা দেখা।
বিশদ

28th  May, 2017



একনজরে
সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: অতিবর্ষণের জেরে আলিপুরদুয়ারের চারটি ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকার আমন ও সবজি খেত জলের তলায় চলে যাওয়ায় কমপক্ষে ৪০ হাজার চাষি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। মঙ্গলবার পর্যন্ত কৃষি দপ্তর ক্ষয়ক্ষতির যে হিসাব নবান্নে পাঠিয়েছে তাতে জেলার ছ’টি ব্লকের মধ্যে ফালাকাটা ও আলিপুরদুয়ার-১ ...

সিনসিনাটি, ১৬ আগস্ট: ভারতীয় টেনিস কাপ দল থেকে বাদ পড়ার পর ৪৪ বছর বয়সী লিয়েন্ডার পেজের দুঃসময় আর কাটছে না। সিনসিনাটি ওপেনে ডাবলসে প্রথম রাউন্ড থেকেই লিয়েন্ডার পেজ ও তাঁর জার্মান পার্টনার আলেকজান্ডার জেরেভ বিদায় নিলেন ফেলিসিয়ানো ও মার্ক লোপেজের ...

 ওয়াশিংটন, ১৬ এপ্রিল: চলতি বছরসহ আগামী ২০১৮ সালে এশিয়ার উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলির মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি সাড়ে ৬ শতাংশ হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। একই সময়ে বিশ্ব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সাড়ে ৩ শতাংশের আশপাশে থাকবে বলে ধারণা ...

 বেঙ্গালুরু, ১৬ আগস্ট (পিটিআই): তামিলনাড়ুতে ‘আম্মা ক্যান্টিন’ ব্যাপক জনপ্রিয় পাওয়ার পরে এবার কর্ণাটক সরকার চালু করল ‘ইন্দিরা ক্যান্টিন’। বুধবার বেঙ্গালুরুতে কংগ্রেসের সহ-সভাপতি রাহুল গান্ধী এই ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

সঠিক বন্ধু নির্বাচন আবশ্যক। কর্মরতদের ক্ষেত্রে শুভ। বদলির কোনও সম্ভাবনা এই মুহূর্তে নেই। শেয়ার বা ... বিশদ



ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৩২: ব্রিটিশ সাহিত্যিক ভি এস নাইপলের জন্ম
১৯৮৮: দুর্ঘটনায় মৃত পাক প্রেসিডেন্ট মহম্মদ জিয়া-উল-হক
২০০৮: ওলিম্পিকসে আটটি সোনা জিতে রেকর্ড মার্কিন সাঁতারু মাইকেল ফেল্পসের


ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৪৫ টাকা ৬৫.১৩ টাকা
পাউন্ড ৮১.৩৭ টাকা ৮৪.১৮ টাকা
ইউরো ৭৪.০৮ টাকা ৭৬.৬৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৯,১৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৭,৬৭৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৮,০৯০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৬০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩২ শ্রাবণ, ১৭ আগস্ট, বৃহস্পতিবার, দশমী দিবা ১২/৪৩, মৃগশিরানক্ষত্র রাত্রি ১০/৫৯, সূ উ ৫/১৭/৫১, অ ৬/৩/৩৯, অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪৮-৩/৩, বারবেলা ২/৫২-অস্তাবধি, কালরাত্রি ১১/৪১-১/৫।
 ৩১ শ্রাবণ, ১৭ আগস্ট, বৃহস্পতিবার, দশমী ১০/৫৫/৫২, মৃগশিরানক্ষত্র রাত্রি ১০/২৩/৫৭, সূ উ ৫/১৫/৩৩, অ ৬/৫/২৫, অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪৭/৩০-৩/১/৩১, বারবেলা ৪/২৯/১১-৬/৫/২৫, কালবেলা ২/৫২/৫৭-৪/২৯/১১, কালরাত্রি ১১/৪০/২৯-১/৪/১৫।
২৪ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
  খানাকুলে বৃষ্টির জমা জল নামতেই উদ্ধার কঙ্কাল, চাঞ্চল্য
আরামবাগের খানাকুলের সবলসিংহপুর এলাকায় বৃষ্টির জমা জল নামতেই এক অপরিচিত মহিলার কঙ্কাল উদ্ধার হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

05:44:00 PM

এবার চড়াম চড়াম করে জয়ঢাক বাজবে পঞ্চায়েতেও: অনুব্রত

 আজ নলহাটিতে ১নং ওয়ার্ড ও ৮ নং ওয়ার্ডে তৃণমূলের পরাজয়ের পর, হারের কারণ অনুসন্ধান করতে এসে অনুব্রত মন্ডল মৎসমন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা ও পরিকল্পনা তদারকি ও পরিসংখ্যান দপ্তরের মন্ত্রী আশিষ বন্দ্যোপাধ্যায়সহ আরও দুই তৃণমূল নেতার দায়িত্ব পালনে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি জানান, ওঁদের উপর পুরো দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়াটা ভুল হয়েছলি, ওঁদের এতটা বিশ্বাস করাটাও ভুল হয়েছিল। এবার থেকে সব বিষয়টা তিনি নি঩জেই দেখবেন বলেও জানান। পাশাপাশি এদিন সাংবাদিক বৈঠক করে পঞ্চায়েত দখলের ডাকও দেন অনুব্রতবাবু। তিনি বলেন, এবার পঞ্চায়েতও চড়াম চড়াম করে জয়ঢাক বাজবে।

05:20:10 PM

এই জয় মানুষের জয়: মুখ্যমন্ত্রীর

 মানুষের জয়, যারা তৃতীয় ও চতুর্থ হওয়ার জন্য লম্ফ-ঝম্ফ করেছিল, আমি দেখলাম তারা ০.১% ভোট পেয়েছে। মানুষকে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। আজ ৭ পুরসভা জয়ের পর এভাবেই নিজের প্রতিক্রিয়া জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

05:13:08 PM

উত্তরবঙ্গে দুর্গতদের উদ্ধারে ন্যায্যমূল্যে বিমান সংখ্যা বাড়ানোর আর্জি কেন্দ্রকে

 যেহেতু উত্তরবঙ্গের সঙ্গে দক্ষিণবঙ্গের সড়ক ও রেল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে, সেই সুযোগে বেশিরভাগ বিমান সংস্থা তাদের ভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে রাজ্যের মুখ্যসচিব কেন্দ্রকে এই দুর্যোগের সময় দুর্গতদের উদ্ধারে ন্যায্য মূল্যে বিমানের সংখ্যা বাড়াতে অনুরোধ জানিয়েছে।

05:06:00 PM

মদন তামাং হত্যা মামালা: গুরুংকে অব্যহতি

 মদন তামাং হত্যা মামলায় বিমল গুরুংয়ের বিরুদ্ধে কোনও তথ্য প্রমানাদি না মেলায় তাঁকে এই মামলা থেকে অব্যহতি দিল বিশেষ আদালত

05:02:00 PM

 দুর্গাপুরে পুরভোটে তৃণমূল ৭৬.২৬%, বামফ্রন্ট ১২.৩%, বিজেপি ৭.৮৯%, কংগ্রেস ২.৫৩% এবং নির্দল ০.৯% ভোট পেয়েছে

04:39:00 PM