প্রচ্ছদ নিবন্ধ
 

চিকিৎসা রঙ্গ 

কল্যাণ বসু: ‘পাসকরা ডাক্তার নই, কিন্তু তাতে কি? বাড়ি বসিয়া বই পড়িয়া কি আর ডাক্তারী শেখা যায় না? আজ সাত আট বছর তো ডাক্তারী করিতেছি, অভিজ্ঞতা বলিয়া একটা জিনিসও তো আছে! পাসকরা ডাক্তারের হাতে কি আর রোগী মরে না?’ এইটুকু পড়ে কী মালুম হচ্ছে? বর্তমানে ভুয়ো ডাক্তার নিয়ে ভূরি ভূরি যে কাণ্ডকারখানার হদিশ মিলছে, তা নিয়ে যে হট্টমেলা চলছে, তার পরিপ্রেক্ষিতে অনেকেই মনে করতে পারেন এই উক্তিগুলো কোনও ভুয়ো ডাক্তারেরই স্বীকারোক্তি। আজ্ঞে না, এই খেদোক্তি হল ‘পথের পাঁচালী’র অমর স্রষ্টা বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় মহাশয়ের। ভুয়ো বা অবৈধ ডাক্তাররা মহান এই লেখকের কথায় যদি মনোবল ফিরে পেতে চান, তাহলে ভুল করবেন। কারণ এমবিবিএস, এমডি-র মতো জাল সার্টিফিকেট নিয়ে কিংবা কোনও সার্টিফিকেট ছাড়াই প্রেসক্রিপশনে, নেমপ্লেটে এইসব ডিগ্রি চকচকিয়ে যারা চুটিয়ে ‘প্র্যাকটিস’ করছেন, ‘মণি ডাক্তার’ হিসাবে লেখক কিন্তু সেরকম জালি নন। লক্ষ করুন, শুরুতেই কিন্তু তিনি স্বীকার করে নিয়েছেন ‘পাসকরা ডাক্তার নই’। লেখকের এরকম সোজাসাপটা স্বীকারোক্তি পাই ‘আমার ডাক্তারি’ লেখাটিতেও। সেখানেও তিনি বলছেন, ‘আমি পাসকরা ডাক্তার নই। বাড়িতে বই দেখে হোমিওপ্যাথিক শিখে আগে গ্রামেই ডাক্তারি করতাম। কিন্তু গ্রামের লোক পয়সা দিতে চায় না। ধার বাকি ফেলে আর শোধ করে না। তাই দেখেশুনে এই রঘুনাথপুর এসে বসেচি আজ প্রায় তিন-চার মাস। আমাদের গ্রাম থেকে অনেক দূরে—আট-ন’ ক্রোশ।’
বিভূতিভূষণের সরল স্বীকারোক্তির মধ্য দিয়ে সেকালের চিকিৎসার যে ছবি ফুটে উঠেছে বর্তমানে সাদৃশ্য থাকলেও সেটা হয়ে উঠেছে কদাকার, বিবেকবর্জিত এবং বিপজ্জনক। যেমন, পেটের টানে ডাক্তারি প্রসঙ্গ। যেন আর কিছু জুটছে না বলে ডাক্তারি করা! মণি ডাক্তার যেমনটা বলেছেন, ‘কিন্তু আমি কি করিব, চুরি-ডাকাতি তো করিতে পারি না।’ তিনি এও বলেছেন, ‘চাকুরিটা যাইবার পরে পরের দাসত্বের উপর বিতৃষ্ণা হইল। ভাবিলাম, ডাক্তারি ব্যবসায় বেশ চমৎকার স্বাধীন ব্যবসা।’ লেখক তাঁর দিব্যদৃষ্টি দিয়ে সে আমলেই ডাক্তারির মধ্যে ‘ব্যাবসা’র মালমশলার সন্ধান পেয়েছিলেন।
আর এখন ডাক্তারি মানে পুরোদস্তুর ব্যাবসা। ব্যাবসার পসার বা রমরমার জন্য এখনকার ডাক্তারবাবুরা যেমন উর্বর চেম্বারে এখানে ওখানে ঘুরে বেড়ান, মণি ডাক্তারের মধ্যেও সেই প্রচেষ্টা ছিল। বাগ-আঁচড়া, কলারোয়া, শিমুলতলী, সত্রাজিৎপুর, বাগান গাঁ, এরকম কত গ্রামেই না চেম্বার করেছিলেন। অবশেষে পলাশপুর গ্রাম। তারপর তাঁর কথায় শুনুন, ‘যদি বলেন, এখানে কেন ডাক্তারী করিতে আসিয়াছি, তার একটা কারণ নিকটবর্ত্তী অনেকগুলি গ্রামের মধ্যে এখানেই হাট বসে। এমন কিছু বড় হাট নয়, তবুও বুধবারে ও শনিবারে অনেকগুলি গ্রামের লোক জড়ো হয়।’
তথাপি মণি ডাক্তারের আর্থিক দুরবস্থা যায়নি। তাঁর কথায়, ‘কেহ বলিলে হয়তো বিশ্বাস করিবে না, আজ চার-পাঁচ মাস একরকম শুধু ভাত খাই। কতদিন শুধু নুন দিয়াই ভাত খাইয়াছি।’ এমনই আর্থিক সংকট এই ডাক্তারের যে, বউকে গচ্ছিত রেখে এসেছেন শ্বশুরবাড়ি। তাঁর সেই করুণ আক্ষেপ কানে বাজে ‘সত্যই সুবাসিনীকে বিবাহ করিয়া পর্য্যন্ত বেশী দিন তাহার সঙ্গে একত্র থাকিবার সুযোগ আমার হয় নাই।’
এ যুগে মণি ডাক্তারের এইসব কথা শুনে কেহ বিশ্বাস তো করিবে নাই, বরং হাসবে। আমরা বরং ডাক্তারের দুঃখকষ্টর কথা বাদ দিয়ে রঙ্গব্যঙ্গে ভরা চিকিৎসাক্ষেত্রে ডুব দিয়ে কিছু হাসির খোরাক, কিছু ঠাট্টা-তামাশার মণিমুক্তোর সন্ধান করি। বহু মানুষ দেখবেন চিকিৎসা বলতে গিয়ে চিকিস্সা বলেন, চিকিৎসা কেন্দ্রিক কিস্‌সাকেই কি তারা ভুল করে সঠিকভাবে চিহ্নিত করে দেন না? রঙ্গব্যঙ্গে সেই কিস্সার কথা বলতে গিয়ে একমেবাদ্বিতীয়ম্‌ রবীন্দ্রনাথেই প্রথম আশ্রয় করা যাক।
ট্রেনে বসে বৈদ্যনাথবাবু অসুস্থতা বোধ করলেন। সহযাত্রী দুঃখীরামকে বললেন ডাক্তারের কথা। এরপর দুঃখীরাম কী বললেন শুনুন: ‘ডাক্তার? ডাক্তারের কথা আপনি এক তিল বিশ্বাস করেন? ডাক্তারকে বিশ্বাস করেই কি আমরা অকুল পাথারে পড়িনি? যখন আসন্ন বিপদ সেই সময়েই তারা বেশি করে আশ্বাস দেয়, অবশেষে যখন রোগীর হাতে-পায়ে খিল ধরে আসে, তার চোখ উলটে যায়, তার গা-হাত-পা হিম হয়ে, তার—’। কথা শেষ হয় না। কারণ আতঙ্কিত বৈদ্যনাথবাবু জানেন দুঃখীরাম ‘তার’ পর মৃত্যুর কথাই শোনাবে। তাই তাকে হাত ধরে থামিয়ে দেন।
এই কথোপকথন রবীন্দ্রনাথের হাস্যকৌতুক রচনা ‘রোগীর বন্ধু’ থেকে নেওয়া। এই রচনারই এক জায়গায় দুঃখীরাম বলছে, ‘অ্যালোপ্যাথরা তো বিষ খাওয়ায়। ব্যামোর চেয়ে বিষ ভয়ানক। যমের চেয়ে ডাক্তারকে ডরাই।’ আর ‘হোমিওপ্যাথি তো শুধু জলের ব্যবস্থা।’ বাকি রইল কবিরাজের কথা। সে বিষয়েও দুঃখীরামের তিক্ততায় ভরা অভিজ্ঞান হল, বদ্যি দেখানোর পরিবর্তে ‘খানিকটা আফিং তুঁতের জলে গুলে হরতেল মিশিয়ে খান না কেন?’
দুঃখীরামের মুখ দিয়ে প্রায় সোয়াশো বছর আগে রবীন্দ্রনাথ ডাক্তার ও বিবিধ ডাক্তারি সম্পর্কে আধুনিকতার মোড়কে যে ছবি তুলে ধরেছিলেন, বিজ্ঞানের অভূতপূর্ব অগ্রগতির পরও তার ধাঁচাটা কিন্তু প্রায় একই আছে। বলতে গেলে সেই ট্র্যাডিশন সমানে চলেছে।
ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায় তাঁর বিখ্যাত ‘ডমরু চরিত’-এ এক উদ্ভট ডাক্তারের কথা শুনিয়েছেন। একটা সময় ছিল যখন কবিরাজ ব’নে যাওয়া অতি সহজ ও সুলভ বিষয় ছিল। জাতে কৈবর্ত বেচু যেমন চাষ ছেড়ে কবিরাজ হয়েছিল। ডমরুর কম্প দিয়ে জ্বর আসায় বেচুর ডাক পড়ে। বেচু এসে ডমরুর নাড়ি ধরে শ্লোক আওড়াতে থাকল—
‘কম্প দিয়া জ্বর আসে
কম্প দেয় নাড়ি।
ধড়ফড় করে রোগী
যায় যমবাড়ি।।’
নাড়ি চেকটেক করার পর বেচু এবার নিজের আবিষ্কৃত বিষবড়ি ডমরুকে দেয়। তার ডাক্তারি সম্পর্কে ডমরুর বউ যাতে কোনও সন্দেহ পোষণ না করে তাই তাৎক্ষণিক প্রমাণস্বরূপ বেচুও দুটো বড়ি খেয়ে নিল। এদিকে বড়ি সেবনের ঘণ্টা তিনেকের মধ্যেই অ্যাকশন শুরু। ডমরুর চোখ লাল, বুক ধড়ফড়—প্রাণ যায় যায়। ডমরুর এই দশা দেখে বন্ধু আধকড়ি বেচুর খোঁজে বেরল। অনেক খোঁজাখুঁজির পর আধকড়ি আবিষ্কার করে, বেচু কবিরাজ এক পানাপুকুরে গা ডুবিয়ে বসে আছে। চোখ দুটো রক্তজবার মতো লাল। পানা পুকুরের পচা পাঁক তুলে সে মাথায় মাখছে। আধকড়ি বেচুকে বলল, ‘বেচু, তুমি ডমরুকে কী ওষুধ দিয়েছ? তোমার ওষুধ খেয়ে ডমরু মারা পড়তে বসেছে।’ মাথায় পাঁক মাখতে মাখতে বেচু বিরক্ত হয়ে চিৎকার করে বলে সেই অবিস্মরণীয় কথা, ‘বড়ি খেয়ে আমিই বা কোন ভাল আছি।’ চিকিৎসাক্ষেত্রে একজন ডাক্তারের মুখে এর থেকে বেশি হাস্যকর সাফাই আর হয় নাকি?
ডাক্তারি নিয়ে রম্যকথায় পরশুরাম বাদ যাবেন তা তো হয় না! তাঁর ‘চিকিৎসা-সঙ্কট’-এ নন্দবাবু কীভাবে বিবিধ প্রকার ডাক্তারের খপ্পরে পড়ে নাজেহাল হয়েছিলেন ভেবে দেখুন। নন্দবাবুর কিছুই হয়নি। একটা হোঁচট খেতে গিয়েও খাননি। কিন্তু বন্ধুরা জোর করে তাঁকে রোগী বানিয়ে নানা ডাক্তারের কাছে চালান করে, ঠিক এখনও যেমন হয়ে থাকে। প্রত্যেক ডাক্তারের কাছে নন্দবাবু জানতে চান তার কী হয়েছে। তাঁদের উত্তরগুলো ভাবুন। প্রথমে অ্যালোপ্যাথ তফাদার বললেন, ‘...সন্দেহ করছি cerebral tumour with strangulated ganglia। ট্রি’ফাইন করে মাথার খুলি ফুটো করে অস্ত্র করতে হবে, আর ঘাড় চিরে নার্ভের জট ছাড়াতে হবে। শর্ট-সার্কিট হয়ে গেছে।’
ব্যারামটা কী জানতে চাওয়ায় এবার ‘হ্যোমিওফাঁক’ (মানে হ্যোমিওপ্যাথ) নেপাল বলেন, ‘তা জেনে তোমার চারটে হাত বেরবে নাকি? যদি বলি তোমার পেটে ডিফারেনশ্যাল ক্যালকুলস হয়েছে, কিছু বুঝবে?’ এ যুগের ডাক্তাররাও তো পেশেন্ট পার্টিকে এ জাতীয় কথা বলে রোগ সম্পর্কে অন্ধকারে রাখেন কিংবা ভুজুংভাজুং বুঝিয়ে ফায়দা লোটেন। যাই হোক নন্দবাবু এরপর কবিরাজ তারিণীর কাছে ব্যারামটা কী জানতে চাইলে উত্তর আসে—‘যারে কয় উদুরি। উর্ধুশ্লেষ্মাও কইতে পার।’ এই ‘বোকরেজির’ (মানে কোবরেজির) পর হাকিম হাজিক-উল-মুলকের কাছে গেলে তার ডায়গনসিস ছিল: ‘হড্ডি পিলপিলায় গয়া।’ হাড়ের পিলপিলানি কী সেটা ওই হাকিমই শুধু বুঝতে পারে বোধহয়!
এরকম ঘুরপাক খেয়ে নন্দবাবু অবশেষে ভীষণ প্রতিজ্ঞা করলেন বন্ধুদের পরামর্শ আর শুনবেন না, নিজের ডাক্তার নিজেই খুঁজে নেবেন। অবশেষে ডাক্তার মিস বি মল্লিকের ঘরে। মিস মল্লিক নন্দবাবুকে আশ্বস্ত করলেন তার কোনও রোগ নেই, শুধু একজন অভিভাবক দরকার। অবশেষে এই ডাক্তারনির চেম্বারে ঘন ঘন ভিজিটের মাধ্যমে নন্দ-মল্লিক স্বামী-স্ত্রী সম্পর্কে আবদ্ধ হন। এই অসাধারণ রম্যরচনার হাত ধরে আমরা দেখতে পাই একজন রোগহীন মানুষের মধ্যে বিভিন্ন ডাক্তার কতরকম ব্যামোর সন্ধান দেন এবং কতরকম চিকিৎসার নিদান দেন। আজও তো মানুষকে গিনিপিগ বানিয়ে চিকিৎসার নামে এরকম কাণ্ডকারখানার খবর পাওয়া যায়।
সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েও কত যে রঙ্গব্যঙ্গ। আমাদের রাজ্যে জ্যোতিবাবুদের সুদীর্ঘ শাসনের সুবাদে সে এক অন্য মাত্রা পেয়েছে। একটা রসিকতা শোনা যাক। বঙ্গভূমির মায়া ছেড়ে পরলোকগত হয়েছেন কমরেড জ্যোতিবাবু। স্বর্গে প্রাতঃভ্রমণ সারছিলেন। তাঁর পূর্বসূরি অন্য এক কমরেড তাঁকে জিজ্ঞেস করেন, স্বর্গ কেমন লাগছে। জ্যোতিবাবু বলেন, মমতা-মাওবাদ-সিপিএমীয় গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব-শিল্পহীনতা-বেকারত্ব... কিছুই নেই এখানে, তাই বেশ আছি। পূর্বসূরি তখন বলেন, ‘তাহলে এখানে আগে এলেন না কেন?’ জ্যোতিবাবু তখন বলেন, ‘আরে, কমরেডরা আমার চিকিৎসা সরকারি হাসপাতালে করাল না যে!’
তবে সরকারি হাসপাতালের ডাক্তারদের অসহায়তাকে মান্যতা দিয়েও একটা মজার রসিকতা আছে। সাহিত্য তো সমাজের প্রতিবিম্ব। সেখান থেকে উঠে আসা রসিকতাটা শুনিয়েছেন রম্যকথাকার তারাপদ রায় মহাশয়। দুর্ঘটনায় মৃত শিক্ষক, ডাক্তার ও ব্যবসায়ীর মধ্যে একজনকে স্বর্গে পাঠাবার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন চিত্রগুপ্ত। যমরাজ নির্দেশ দিলেন, সরকারি ডাক্তারকে যেন স্বর্গে পাঠানো হয়। আজকের সমাজ তিনজনকেই যখন পাপী শনাক্ত করেছে তখন ডাক্তারকে কেন নরক ছেড়ে স্বর্গে পাঠানোর সিদ্ধান্ত? চিত্রগুপ্তের প্রশ্নের উত্তরে যমরাজ বলেন, ‘এই ডাক্তার দীর্ঘদিন সরকারি হাসপাতালে থেকে এমনিতেই নরকের যন্ত্রণা ভোগ করে এসেছে যে!’
জীবনদাতার মতো মৃত্যুদাতা পরিচয়ও ডাক্তারদের ক্ষেত্রে কম জোরালো নয়। এ নিয়েও নানা রসিকতা চালু আছে। ডাক্তার কাকে বলে, এই প্রশ্নের উত্তরে একটি ব্রিটিশ ঠাট্টা হল, ‘ডাক্তার হলেন সেই মহান ব্যক্তি যিনি তোমাকে আজ হত্যা করবে যাতে তুমি কাল মারা না যাও।’ ডাক্তারদের স্বীকারোক্তিতেও এই ঘাতক ভাবমূর্তি ধরা পড়েছে ঠাট্টার ছলে। যেমন, এক রোগী দীর্ঘদিন টাইফয়েডের চিকিৎসার পরও সুস্থ না হওয়ায় ডাক্তারবাবুকে বললেন, ‘আমার নিমুনিয়া হয়নি তো? কারণ আমার অফিসের অমলবাবুর ডাক্তার তাঁকে টাইফয়েডের চিকিৎসা করল, কিন্তু মৃত্যুর পর জানা গিয়েছিল অমলবাবুর এনকেফেলাইটিস হয়েছিল।’ শুনে এই রোগীর ডাক্তার রেগে গলা চড়িয়ে বলেন, ‘দেখুন, আমি যে রোগের চিকিৎসা করি রোগী সেই রোগেই মারা যাবে, অন্য রোগে নয়।’
আর এক ডাক্তারের খপ্পরে পড়ে রোগী দীর্ঘদিন নার্সিংহোমে চিকিৎসাধীন। বহু টাকা খরচ হয়ে গিয়ে এমন অবস্থা যে, ডাক্তারবাবু কয়েকটা ভিজিটের টাকা বাকি পড়ে আছে। রোগীর স্ত্রী ডাক্তারবাবুর কাছে কাচুমাচু করে সে কথা জানাতে গেলে ডাক্তারবাবু বলেন, ‘আহা, চিন্তার কী আছে, ওনার জীবনবিমার টাকা পেলেই মিটিয়ে দেবেন।’ এই ঘাতক ডাক্তারদের উদ্দেশ্যেই রবীন্দ্রনাথ দুঃখীরামের মুখ দিয়ে বলিয়েছেন, ‘যমের চেয়ে ডাক্তারকে ডরাই।’ কিংবা বিভূতিভূষণ মণি ডাক্তারের মুখ দিয়ে বলেছেন, ‘তবে কেন যে দুষ্ট লোক রটাইয়াছে, মণি ডাক্তারের ওষুধ খাইলে জ্যান্ত মানুষ মরিয়া ভূত হয়...?’
রোগীপক্ষের দ্বারা ডাক্তারদের অপদস্থ হওয়া নিয়েও নানা মজার কথা শোনা যায়। একজন শল্য চিকিৎসক তাঁর গাড়ি থেকে নেমে দু’পা হেঁটে নার্সিংহোমে ঢোকেন এবং কাজ শেষে নার্সিংহোম থেকে দু’পা হেঁটে আবার গাড়িতে ওঠেন। দু’ক্ষেত্রেই ওইটুকু সময় তিনি মাথায় হেলমেট চাপান। ডাক্তারের এই উদ্ভট আচরণের কারণ খোলতাই করে জানিয়েছিল তাঁর গাড়ির ড্রাইভার, ‘দেখছেন না ডাক্তারবাবু কেমন ধোলাই খাচ্ছে, বিশেষ করে আমার বাবুর মতো যারা শুধু অপারেশন করে। মাথাটা যাতে বাঁচে তাই হেলমেট।’ কী আশ্চর্য, ডাক্তারদের অপকর্মের জন্য তাঁরা যখন পাবলিকের হাতে নানাভাবে হেনস্তার শিকার হচ্ছেন, সরকারও ডাক্তারদের প্রতি অসন্তুষ্ট হয়ে ওয়েস্ট বেঙ্গল ক্লিনিক্যাল এসটেবলিসমেন্টস (রেজিস্ট্রেশন রেগুলেশন অ্যান্ড ট্র্যান্সপারেন্সি) বিল, ২০১৭ আমদানি করেছে, তখন কলকাতার রাজপথে একদল ডাক্তার প্রতিবাদ করতে নেমেছিলেন মাথায় সেই হেলমেট চাপিয়ে! ফিরে আসি সেই হেলমেটি শল্য চিকিৎসক প্রসঙ্গে। ডাক্তারবাবুর ছেলেকে তাঁর মেসো জিজ্ঞেস করেছিল, বড় হয়ে সে কি বাবার মতো ডাক্তার হতে চায়? সে বলেছিল, না পশু চিকিৎসক হতে চায়। ছেলের যুক্তি, ‘প্রতিদিনই দেখছি ডাক্তাররা কোথাও না কোথাও মার খাচ্ছে, হাসপাতাল নার্সিংহোমে ভাঙচুর হচ্ছে। পশু চিকিৎসক হলে ভুল চিকিৎসা করলেও পশুরা দল বেঁধে আক্রমণ করবে না।’
এক নামজাদা ডাক্তারকে দেখাতে কয়েক মাস আগে নাম লেখাতে হয়। ডাক্তারের ফিসও বড় অঙ্কের। সেই ডাক্তারবাবু এক রোগিণীকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘আপনার কী হয়েছে?’ রোগিণী তাৎক্ষণিক জবাব: ‘এত কাঠখড় পুড়িয়ে আপনাকে দেখাচ্ছি, আপনি তো বলবেন আমার কী হয়েছে।’
ওই ডাক্তারেরই একটা শখ বিভিন্ন মডেলের গাড়ি কেনা। সেরকমই এক গাড়িতে চেপে তিনি গিয়েছেন এক মেকানিকের গ্যারেজে কিছু যান্ত্রিক গোলমাল সারাতে। গাড়ি মেরামতির পর মেকানিক ছেলেটি যে টাকা মজুরি চাইল তা শুনে ডাক্তারবাবু আঁতকে উঠে বললেন, ‘তোমার ফিস দেখছি আমার থেকেও বেশি।’ মেকানিক বলল, ‘দেখুন ডাক্তারবাবু, আপনারা বছরের পর বছর মানুষের শরীরের একই মডেলের ওপর কাজ করেন, আর আমাদের কাজ করতে হয় বিভিন্ন মডেলের গাড়ির ওপর। তাছাড়া রোগীকে ভালো না করতে পারলেও আপনাদের টাকা মার যায় না। কিন্তু আমরা দীর্ঘ খাটুনির পর গাড়ি যদি না সারাতে পারি কিস্‌সু পাব না।’
রোগীর হাতে ডাক্তারের চরম লেজেগোবরে হওয়ার এই ঘটনাটা দিয়েই আপতত ইতি টানতে হবে। অজস্রবার ভিজিট ফিস নিয়ে, অসংখ্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা করিয়েও এক ডাক্তার রোগীর পেট ভালো করতে পারছেন না, যাকে বলে রোগী হাতে রেখে দিয়েছেন। অনেক কামানোর পর ডাক্তারবাবু এবার পিছু হাঁটতে চাইছেন। কিন্তু রোগ সারাতে পারছি না বললে বেজায় অপমান, প্রফেশনের পক্ষেও বদনাম। তাই তিনি এক চাল দিলেন, বললেন, ‘দেখুন আপনার ওপরের পাটির পাঁচটা দাঁতে মারাত্মক ইনফেকশন হওয়ায় পেটটা সারছে না। দাঁতগুলি তুলতে হবে।’ ডাক্তারবাবু ভেবেছিলেন ষাটোর্ধ্ব এই শৌখিন ভদ্রলোক দাঁত তোলা থেকে বিরত থেকে তাঁকে ছেড়ে পালাবেন। কিন্তু রোগীবাবুটি হাসতে হাসতে তার ওই অংশের বাঁধানো দাঁতের পাটিটা খুলে ডাক্তারবাবুর টেবিলে ঠকাস করে রাখলেন। তারপর সেই নকল দাঁত পুনরায় স্বস্থানে সংস্থাপিত করে বললেন, ‘চিকিৎসা নিয়ে আপনার কিস্‌সা ঩মিডিয়ায় জানাতে চললাম ডাক্তার’ বলতে বলতে ফিস না দিয়েই ছুটে চেম্বার থেকে বেরিয়ে গেলেন।
 কার্টুন: সেন্টু 
02nd  July, 2017
বন্দেমাতরম 
রজত চক্রবর্তী

জাতীয় পতাকাটা আজও হাতে ধরে হেঁটে চলেছেন মাতঙ্গিনী হাজরা। উচ্চশির। প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার, প্রফুল্লনলিনী ব্রহ্ম, কল্পনা দত্ত... নারীশক্তির এক অদম্য জাগরণ দেখেছিল পরাধীন ভারত। মায়েরা, বোনেরা পথে নেমে-না নেমে অংশ নিয়েছিলেন বিপ্লবে। তবু এমনই দুই সংগ্রামী শান্তি ঘোষ, সুনীতি চৌধুরির জন্মশতবর্ষ চলে গেল নীরবে...।
বিশদ

13th  August, 2017
 কৃপণ সমাচার!

 কৃপণ কত প্রকার ও কী কী? এমন রচনা ছেলেবেলায় লিখতে না হলেও এ ব্যাপারে জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতার ঝুলি প্রায় সবারই পূর্ণ। কেউ কেউ আবার কৃপণ শব্দটির বদলে হিসাবি বা মিতব্যয়ী ব্যবহার করতে বেশি পছন্দ করেন। যদিও তাতে কৃপণদের নিয়ে সমাচারে কোনও দিন, কোনও যুগেই ঘাটতি হয় না।
বিশদ

06th  August, 2017
আলিপুর জেলের অন্তরালে

 আলিপুর সেন্ট্রাল জেল। কানাইলাল দত্ত, সত্যেন বসু, দীনেশ গুপ্ত... একের পর এক বিপ্লবীকে ফাঁসির দড়ি বরণ করতে হয়েছে এখানে। শত অত্যাচার সত্ত্বেও যেখানে ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে একজোট হয়েছেন লৌহকপাটের আড়ালে থাকা বিপ্লবীরা। ভয় না ধরিয়ে সঙ্গীর মৃত্যু সাহস জুগিয়েছে তঁাদের। সেলুলার জেল হেরিটেজের মর্যাদা পেলেও আলিপুর পায়নি। সেখানে আজও কুঠুরির কোণায় কোণায় শোনা যাবে বিপ্লবের বজ্রনির্ঘোষ।
বিশদ

30th  July, 2017
 অমরনাথের পথে-প্রান্তরে

 দুর্গম অতিক্রম করে, জঙ্গি হামলা-মৃত্যুভয়কে তুচ্ছ করে এগিয়ে চলা একবার দর্শনের আশায়। বালতাল হোক বা পহেলগাঁও, যাত্রাপথ যাই হোক না কেন, প্রকৃতি সেখানেই অপার সৌন্দর্য উজাড় করে রেখেছে। বিন্দু বিন্দু জল জমে আকার নিয়েছে শিবলিঙ্গের। আর তাকে ঘিরেই সম্প্রীতির এক অদ্ভূত মিলন উৎসব। সে যে অমরনাথ। বিশদ

23rd  July, 2017
খবর শেষ

 আকাশবাণী... খবর পড়ছি...। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আমল থেকে শুরু হওয়ার পর বঙ্গজীবনের অঙ্গ হিসাবে জড়িয়ে যাওয়া সেই অভ্যাস হাতছাড়া হয়েছে বহুযুগ আগেই। টিভি, ইন্টারনেট, ফেসবুকের জমানায় যা আজ প্রায় গতজন্মের স্মৃতি বলে মনে হয়। কিন্তু একটা সময় এই তো ছিল বাইরের জানালায় চোখ রাখার জন্য মানুষের একমাত্র দূরবীন! সেই ইভা নাগ, নীলিমা সান্যাল, দেবদুলাল বন্দ্যোপাধ্যায়, ব্রেকডাউন, ভুল খবর...। সে এখন নস্টালজিয়া। আজ দিল্লির বেতার খবর যে সত্যিই শেষ!
বিশদ

16th  July, 2017
 বৃষ্টিভেজা

 গ্রীষ্মকালীন এই বঙ্গে বর্ষার আগমন যেন ঘাম দিয়ে জ্বর ছাড়ার মতো। আকাশকে মুখ ভার করে ঝরে পড়তে দেখলেই মন আনচান করে খিচুড়ি, ইলিশ মাছের জন্য। ঘণ্টাখানেকের বর্ষণে তিলোত্তমা এক হাঁটু জল উপহার দিলেও তা ঠেলে বাড়ি ফেরাই আলাদা আনন্দ। আর গুনগুন করে ওঠা বিশ্বকবির সৃষ্টি। মনে পড়ে যাওয়া অপু-দুর্গার বৃষ্টি ভেজা। কিংবা স্কুলের সেই রেনি ডে। এ ঋতু তাই যে আলাদা আলাদা অনুভূতির এক সম্পৃক্ত দ্রবণ। বিশদ

09th  July, 2017
 বাঙালির রথযাত্রা

হারাধন চৌধুরী: বাঙালি এক আমুদে জাতি। আনন্দের জন্য পরব খুঁজে নিতে বাঙালির জুড়ি মেলা ভার। বাঙালির কাছে দেবতারা কঠিন কঠোর কিছু নন। দেবতারাই হলেন সবচেয়ে আপন বা অতি প্রিয় কেউ, যাঁকে আঁকড়ে ধরে থাকতে না পারলে বাঙালির সব আনন্দ, সব সুখানুভূতি যেন মাটি হয়ে যায়। অতএব একজন না একজন দেবতাকে সামনে রেখেই পার্বণ সাজিয়ে নেয় তারা। সেই থেকেই ‘বারো মাসে তেরো পার্বণ’ কথাটি এসেছে। ‘তেরো’ কথাটি ‘বহু’ অর্থেই প্রযোজ্য হয়। সংস্কৃতি সম্পর্কে এমন যাদের উপলব্ধি, রথযাত্রার মতো একটি পার্বণ বছরের একটি নির্দিষ্ট সময়ে তাদের মাতিয়ে দেওয়ার পক্ষে যথেষ্ট। রথযাত্রার মধ্যে মাটি বা ভূমির টানই খুঁজে পায় বাঙালি। বিশদ

25th  June, 2017
দেশভাগের ৭০

সমৃদ্ধ দত্ত: ৭০ বছর আগে কয়েকজন দেশি-বিদেশি প্রতিনিধি ঠিক করে ফেলেছিল ভারতকে ভাগ হতেই হবে। ৭০ বছর আগে এমনই একটা জুন মাসে অবিভক্ত বঙ্গ বিধানসভার শেষ অধিবেশনে বাংলা আর বাঙালির নতুন পথ চলার সূচনা। চিরবিচ্ছেদের বেদনা নিয়ে। সেই ২০ জুন।
লর্ড মাউন্টব্যাটেন নিজের ইমেজ সম্পর্কে এতটাই সচেতন ছিলেন যে, ১৯৪৭ সালের ২২ মার্চ ভারতের ভাইসরয় পদে এসেই সরকারি এবং প্রেস ফটোগ্রাফারদের জন্য একটি নির্দেশ জারি করে দেন।
বিশদ

18th  June, 2017
রাষ্ট্রপতি ভবনে 

প্রবালকুমার বসু: রাষ্ট্রপতি ভবনে তাঁরই অতিথি হয়ে কাটিয়ে আসা দু’সপ্তাহ। রাজধানীর যানজট, দূষণের বাইরে হঠাৎ এসে পড়া যেন এক অন্য জগতে। মুঘল গার্ডেনসে ফুলের মাঝে কেটে যাওয়া সময়, কিংবা প্রতিটা পাথরে নতুন করে খুঁজে পাওয়া ইতিহাস।
বিশদ

11th  June, 2017
ভূস্বর্গ ভয়ংকর

আজাদ কাশ্মীর। এই অবস্থানেই অনড় ছিলেন মহারাজা হরি সিং। পাকিস্তানের একের পর এক ষড়যন্ত্রে নেহরুর সাহায্য নিতে তিনি বাধ্য হয়েছিলেন। কাশ্মীর জুড়েছিল ভারতের মানচিত্রে। কিন্তু পিছন থেকে ছুরি মারে আমেরিকা, ব্রিটেন। এবং পাকিস্তান। যে ইন্ধন বজায় রেখেছে ইসলামাবাদ। ফল? অশান্ত ভূস্বর্গ...।
বিশদ

04th  June, 2017
খাতা দেখা 

বসন্ত কড়া নাড়লেই বুঝতে হবে মা-উমা খুব দূরে নেই। অর্থাৎ মাধ্যমিক-উচ্চ মাধ্যমিক। ভাবা যায়, একটা রাজ্যে মাধ্যমিক-উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৮ লক্ষের বেশি? আর এই দুই পরীক্ষা শেষ হতেই রাজ্যের আনাচে কানাচে হাজার হাজার স্কুল টিচারের গৃহকোণে শুরু হয়ে যায় কুটির শিল্প—খাতা দেখা।
বিশদ

28th  May, 2017



একনজরে
 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: গত পাঁচ বছরে বিদ্যুতের দাম ইউনিট প্রতি ৮৫ পয়সা বেড়েছে বলে বিধানসভায় বিবৃতি দিলেন বিদ্যুৎমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। বুধবার বিধানসভায় প্রথমে বিদ্যুতের দাম ...

সিনসিনাটি, ১৬ আগস্ট: ভারতীয় টেনিস কাপ দল থেকে বাদ পড়ার পর ৪৪ বছর বয়সী লিয়েন্ডার পেজের দুঃসময় আর কাটছে না। সিনসিনাটি ওপেনে ডাবলসে প্রথম রাউন্ড থেকেই লিয়েন্ডার পেজ ও তাঁর জার্মান পার্টনার আলেকজান্ডার জেরেভ বিদায় নিলেন ফেলিসিয়ানো ও মার্ক লোপেজের ...

সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: অতিবর্ষণের জেরে আলিপুরদুয়ারের চারটি ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকার আমন ও সবজি খেত জলের তলায় চলে যাওয়ায় কমপক্ষে ৪০ হাজার চাষি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। মঙ্গলবার পর্যন্ত কৃষি দপ্তর ক্ষয়ক্ষতির যে হিসাব নবান্নে পাঠিয়েছে তাতে জেলার ছ’টি ব্লকের মধ্যে ফালাকাটা ও আলিপুরদুয়ার-১ ...

 ওয়াশিংটন, ১৬ এপ্রিল: এ যাবৎকালের সবচেয়ে বড় অঙ্কের অর্থ দানের কথা ঘোষণা করলেন মাইক্রোসফট করপোরেশনের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস। নিজের মোট সম্পদের ৫ শতাংশ দান করলেন ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

সঠিক বন্ধু নির্বাচন আবশ্যক। কর্মরতদের ক্ষেত্রে শুভ। বদলির কোনও সম্ভাবনা এই মুহূর্তে নেই। শেয়ার বা ... বিশদ



ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৩২: ব্রিটিশ সাহিত্যিক ভি এস নাইপলের জন্ম
১৯৮৮: দুর্ঘটনায় মৃত পাক প্রেসিডেন্ট মহম্মদ জিয়া-উল-হক
২০০৮: ওলিম্পিকসে আটটি সোনা জিতে রেকর্ড মার্কিন সাঁতারু মাইকেল ফেল্পসের


ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৪৫ টাকা ৬৫.১৩ টাকা
পাউন্ড ৮১.৩৭ টাকা ৮৪.১৮ টাকা
ইউরো ৭৪.০৮ টাকা ৭৬.৬৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৯,১৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৭,৬৭৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৮,০৯০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৬০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩২ শ্রাবণ, ১৭ আগস্ট, বৃহস্পতিবার, দশমী দিবা ১২/৪৩, মৃগশিরানক্ষত্র রাত্রি ১০/৫৯, সূ উ ৫/১৭/৫১, অ ৬/৩/৩৯, অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪৮-৩/৩, বারবেলা ২/৫২-অস্তাবধি, কালরাত্রি ১১/৪১-১/৫।
 ৩১ শ্রাবণ, ১৭ আগস্ট, বৃহস্পতিবার, দশমী ১০/৫৫/৫২, মৃগশিরানক্ষত্র রাত্রি ১০/২৩/৫৭, সূ উ ৫/১৫/৩৩, অ ৬/৫/২৫, অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪৭/৩০-৩/১/৩১, বারবেলা ৪/২৯/১১-৬/৫/২৫, কালবেলা ২/৫২/৫৭-৪/২৯/১১, কালরাত্রি ১১/৪০/২৯-১/৪/১৫।
২৪ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
  খানাকুলে বৃষ্টির জমা জল নামতেই উদ্ধার কঙ্কাল, চাঞ্চল্য
আরামবাগের খানাকুলের সবলসিংহপুর এলাকায় বৃষ্টির জমা জল নামতেই এক অপরিচিত মহিলার কঙ্কাল উদ্ধার হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

05:44:00 PM

এবার চড়াম চড়াম করে জয়ঢাক বাজবে পঞ্চায়েতেও: অনুব্রত

 আজ নলহাটিতে ১নং ওয়ার্ড ও ৮ নং ওয়ার্ডে তৃণমূলের পরাজয়ের পর, হারের কারণ অনুসন্ধান করতে এসে অনুব্রত মন্ডল মৎসমন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা ও পরিকল্পনা তদারকি ও পরিসংখ্যান দপ্তরের মন্ত্রী আশিষ বন্দ্যোপাধ্যায়সহ আরও দুই তৃণমূল নেতার দায়িত্ব পালনে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি জানান, ওঁদের উপর পুরো দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়াটা ভুল হয়েছলি, ওঁদের এতটা বিশ্বাস করাটাও ভুল হয়েছিল। এবার থেকে সব বিষয়টা তিনি নি঩জেই দেখবেন বলেও জানান। পাশাপাশি এদিন সাংবাদিক বৈঠক করে পঞ্চায়েত দখলের ডাকও দেন অনুব্রতবাবু। তিনি বলেন, এবার পঞ্চায়েতও চড়াম চড়াম করে জয়ঢাক বাজবে।

05:20:10 PM

এই জয় মানুষের জয়: মুখ্যমন্ত্রীর

 মানুষের জয়, যারা তৃতীয় ও চতুর্থ হওয়ার জন্য লম্ফ-ঝম্ফ করেছিল, আমি দেখলাম তারা ০.১% ভোট পেয়েছে। মানুষকে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। আজ ৭ পুরসভা জয়ের পর এভাবেই নিজের প্রতিক্রিয়া জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

05:13:08 PM

উত্তরবঙ্গে দুর্গতদের উদ্ধারে ন্যায্যমূল্যে বিমান সংখ্যা বাড়ানোর আর্জি কেন্দ্রকে

 যেহেতু উত্তরবঙ্গের সঙ্গে দক্ষিণবঙ্গের সড়ক ও রেল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে, সেই সুযোগে বেশিরভাগ বিমান সংস্থা তাদের ভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে রাজ্যের মুখ্যসচিব কেন্দ্রকে এই দুর্যোগের সময় দুর্গতদের উদ্ধারে ন্যায্য মূল্যে বিমানের সংখ্যা বাড়াতে অনুরোধ জানিয়েছে।

05:06:00 PM

মদন তামাং হত্যা মামালা: গুরুংকে অব্যহতি

 মদন তামাং হত্যা মামলায় বিমল গুরুংয়ের বিরুদ্ধে কোনও তথ্য প্রমানাদি না মেলায় তাঁকে এই মামলা থেকে অব্যহতি দিল বিশেষ আদালত

05:02:00 PM

 দুর্গাপুরে পুরভোটে তৃণমূল ৭৬.২৬%, বামফ্রন্ট ১২.৩%, বিজেপি ৭.৮৯%, কংগ্রেস ২.৫৩% এবং নির্দল ০.৯% ভোট পেয়েছে

04:39:00 PM