প্রচ্ছদ নিবন্ধ
 

চিকিৎসা রঙ্গ 

কল্যাণ বসু: ‘পাসকরা ডাক্তার নই, কিন্তু তাতে কি? বাড়ি বসিয়া বই পড়িয়া কি আর ডাক্তারী শেখা যায় না? আজ সাত আট বছর তো ডাক্তারী করিতেছি, অভিজ্ঞতা বলিয়া একটা জিনিসও তো আছে! পাসকরা ডাক্তারের হাতে কি আর রোগী মরে না?’ এইটুকু পড়ে কী মালুম হচ্ছে? বর্তমানে ভুয়ো ডাক্তার নিয়ে ভূরি ভূরি যে কাণ্ডকারখানার হদিশ মিলছে, তা নিয়ে যে হট্টমেলা চলছে, তার পরিপ্রেক্ষিতে অনেকেই মনে করতে পারেন এই উক্তিগুলো কোনও ভুয়ো ডাক্তারেরই স্বীকারোক্তি। আজ্ঞে না, এই খেদোক্তি হল ‘পথের পাঁচালী’র অমর স্রষ্টা বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় মহাশয়ের। ভুয়ো বা অবৈধ ডাক্তাররা মহান এই লেখকের কথায় যদি মনোবল ফিরে পেতে চান, তাহলে ভুল করবেন। কারণ এমবিবিএস, এমডি-র মতো জাল সার্টিফিকেট নিয়ে কিংবা কোনও সার্টিফিকেট ছাড়াই প্রেসক্রিপশনে, নেমপ্লেটে এইসব ডিগ্রি চকচকিয়ে যারা চুটিয়ে ‘প্র্যাকটিস’ করছেন, ‘মণি ডাক্তার’ হিসাবে লেখক কিন্তু সেরকম জালি নন। লক্ষ করুন, শুরুতেই কিন্তু তিনি স্বীকার করে নিয়েছেন ‘পাসকরা ডাক্তার নই’। লেখকের এরকম সোজাসাপটা স্বীকারোক্তি পাই ‘আমার ডাক্তারি’ লেখাটিতেও। সেখানেও তিনি বলছেন, ‘আমি পাসকরা ডাক্তার নই। বাড়িতে বই দেখে হোমিওপ্যাথিক শিখে আগে গ্রামেই ডাক্তারি করতাম। কিন্তু গ্রামের লোক পয়সা দিতে চায় না। ধার বাকি ফেলে আর শোধ করে না। তাই দেখেশুনে এই রঘুনাথপুর এসে বসেচি আজ প্রায় তিন-চার মাস। আমাদের গ্রাম থেকে অনেক দূরে—আট-ন’ ক্রোশ।’
বিভূতিভূষণের সরল স্বীকারোক্তির মধ্য দিয়ে সেকালের চিকিৎসার যে ছবি ফুটে উঠেছে বর্তমানে সাদৃশ্য থাকলেও সেটা হয়ে উঠেছে কদাকার, বিবেকবর্জিত এবং বিপজ্জনক। যেমন, পেটের টানে ডাক্তারি প্রসঙ্গ। যেন আর কিছু জুটছে না বলে ডাক্তারি করা! মণি ডাক্তার যেমনটা বলেছেন, ‘কিন্তু আমি কি করিব, চুরি-ডাকাতি তো করিতে পারি না।’ তিনি এও বলেছেন, ‘চাকুরিটা যাইবার পরে পরের দাসত্বের উপর বিতৃষ্ণা হইল। ভাবিলাম, ডাক্তারি ব্যবসায় বেশ চমৎকার স্বাধীন ব্যবসা।’ লেখক তাঁর দিব্যদৃষ্টি দিয়ে সে আমলেই ডাক্তারির মধ্যে ‘ব্যাবসা’র মালমশলার সন্ধান পেয়েছিলেন।
আর এখন ডাক্তারি মানে পুরোদস্তুর ব্যাবসা। ব্যাবসার পসার বা রমরমার জন্য এখনকার ডাক্তারবাবুরা যেমন উর্বর চেম্বারে এখানে ওখানে ঘুরে বেড়ান, মণি ডাক্তারের মধ্যেও সেই প্রচেষ্টা ছিল। বাগ-আঁচড়া, কলারোয়া, শিমুলতলী, সত্রাজিৎপুর, বাগান গাঁ, এরকম কত গ্রামেই না চেম্বার করেছিলেন। অবশেষে পলাশপুর গ্রাম। তারপর তাঁর কথায় শুনুন, ‘যদি বলেন, এখানে কেন ডাক্তারী করিতে আসিয়াছি, তার একটা কারণ নিকটবর্ত্তী অনেকগুলি গ্রামের মধ্যে এখানেই হাট বসে। এমন কিছু বড় হাট নয়, তবুও বুধবারে ও শনিবারে অনেকগুলি গ্রামের লোক জড়ো হয়।’
তথাপি মণি ডাক্তারের আর্থিক দুরবস্থা যায়নি। তাঁর কথায়, ‘কেহ বলিলে হয়তো বিশ্বাস করিবে না, আজ চার-পাঁচ মাস একরকম শুধু ভাত খাই। কতদিন শুধু নুন দিয়াই ভাত খাইয়াছি।’ এমনই আর্থিক সংকট এই ডাক্তারের যে, বউকে গচ্ছিত রেখে এসেছেন শ্বশুরবাড়ি। তাঁর সেই করুণ আক্ষেপ কানে বাজে ‘সত্যই সুবাসিনীকে বিবাহ করিয়া পর্য্যন্ত বেশী দিন তাহার সঙ্গে একত্র থাকিবার সুযোগ আমার হয় নাই।’
এ যুগে মণি ডাক্তারের এইসব কথা শুনে কেহ বিশ্বাস তো করিবে নাই, বরং হাসবে। আমরা বরং ডাক্তারের দুঃখকষ্টর কথা বাদ দিয়ে রঙ্গব্যঙ্গে ভরা চিকিৎসাক্ষেত্রে ডুব দিয়ে কিছু হাসির খোরাক, কিছু ঠাট্টা-তামাশার মণিমুক্তোর সন্ধান করি। বহু মানুষ দেখবেন চিকিৎসা বলতে গিয়ে চিকিস্সা বলেন, চিকিৎসা কেন্দ্রিক কিস্‌সাকেই কি তারা ভুল করে সঠিকভাবে চিহ্নিত করে দেন না? রঙ্গব্যঙ্গে সেই কিস্সার কথা বলতে গিয়ে একমেবাদ্বিতীয়ম্‌ রবীন্দ্রনাথেই প্রথম আশ্রয় করা যাক।
ট্রেনে বসে বৈদ্যনাথবাবু অসুস্থতা বোধ করলেন। সহযাত্রী দুঃখীরামকে বললেন ডাক্তারের কথা। এরপর দুঃখীরাম কী বললেন শুনুন: ‘ডাক্তার? ডাক্তারের কথা আপনি এক তিল বিশ্বাস করেন? ডাক্তারকে বিশ্বাস করেই কি আমরা অকুল পাথারে পড়িনি? যখন আসন্ন বিপদ সেই সময়েই তারা বেশি করে আশ্বাস দেয়, অবশেষে যখন রোগীর হাতে-পায়ে খিল ধরে আসে, তার চোখ উলটে যায়, তার গা-হাত-পা হিম হয়ে, তার—’। কথা শেষ হয় না। কারণ আতঙ্কিত বৈদ্যনাথবাবু জানেন দুঃখীরাম ‘তার’ পর মৃত্যুর কথাই শোনাবে। তাই তাকে হাত ধরে থামিয়ে দেন।
এই কথোপকথন রবীন্দ্রনাথের হাস্যকৌতুক রচনা ‘রোগীর বন্ধু’ থেকে নেওয়া। এই রচনারই এক জায়গায় দুঃখীরাম বলছে, ‘অ্যালোপ্যাথরা তো বিষ খাওয়ায়। ব্যামোর চেয়ে বিষ ভয়ানক। যমের চেয়ে ডাক্তারকে ডরাই।’ আর ‘হোমিওপ্যাথি তো শুধু জলের ব্যবস্থা।’ বাকি রইল কবিরাজের কথা। সে বিষয়েও দুঃখীরামের তিক্ততায় ভরা অভিজ্ঞান হল, বদ্যি দেখানোর পরিবর্তে ‘খানিকটা আফিং তুঁতের জলে গুলে হরতেল মিশিয়ে খান না কেন?’
দুঃখীরামের মুখ দিয়ে প্রায় সোয়াশো বছর আগে রবীন্দ্রনাথ ডাক্তার ও বিবিধ ডাক্তারি সম্পর্কে আধুনিকতার মোড়কে যে ছবি তুলে ধরেছিলেন, বিজ্ঞানের অভূতপূর্ব অগ্রগতির পরও তার ধাঁচাটা কিন্তু প্রায় একই আছে। বলতে গেলে সেই ট্র্যাডিশন সমানে চলেছে।
ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায় তাঁর বিখ্যাত ‘ডমরু চরিত’-এ এক উদ্ভট ডাক্তারের কথা শুনিয়েছেন। একটা সময় ছিল যখন কবিরাজ ব’নে যাওয়া অতি সহজ ও সুলভ বিষয় ছিল। জাতে কৈবর্ত বেচু যেমন চাষ ছেড়ে কবিরাজ হয়েছিল। ডমরুর কম্প দিয়ে জ্বর আসায় বেচুর ডাক পড়ে। বেচু এসে ডমরুর নাড়ি ধরে শ্লোক আওড়াতে থাকল—
‘কম্প দিয়া জ্বর আসে
কম্প দেয় নাড়ি।
ধড়ফড় করে রোগী
যায় যমবাড়ি।।’
নাড়ি চেকটেক করার পর বেচু এবার নিজের আবিষ্কৃত বিষবড়ি ডমরুকে দেয়। তার ডাক্তারি সম্পর্কে ডমরুর বউ যাতে কোনও সন্দেহ পোষণ না করে তাই তাৎক্ষণিক প্রমাণস্বরূপ বেচুও দুটো বড়ি খেয়ে নিল। এদিকে বড়ি সেবনের ঘণ্টা তিনেকের মধ্যেই অ্যাকশন শুরু। ডমরুর চোখ লাল, বুক ধড়ফড়—প্রাণ যায় যায়। ডমরুর এই দশা দেখে বন্ধু আধকড়ি বেচুর খোঁজে বেরল। অনেক খোঁজাখুঁজির পর আধকড়ি আবিষ্কার করে, বেচু কবিরাজ এক পানাপুকুরে গা ডুবিয়ে বসে আছে। চোখ দুটো রক্তজবার মতো লাল। পানা পুকুরের পচা পাঁক তুলে সে মাথায় মাখছে। আধকড়ি বেচুকে বলল, ‘বেচু, তুমি ডমরুকে কী ওষুধ দিয়েছ? তোমার ওষুধ খেয়ে ডমরু মারা পড়তে বসেছে।’ মাথায় পাঁক মাখতে মাখতে বেচু বিরক্ত হয়ে চিৎকার করে বলে সেই অবিস্মরণীয় কথা, ‘বড়ি খেয়ে আমিই বা কোন ভাল আছি।’ চিকিৎসাক্ষেত্রে একজন ডাক্তারের মুখে এর থেকে বেশি হাস্যকর সাফাই আর হয় নাকি?
ডাক্তারি নিয়ে রম্যকথায় পরশুরাম বাদ যাবেন তা তো হয় না! তাঁর ‘চিকিৎসা-সঙ্কট’-এ নন্দবাবু কীভাবে বিবিধ প্রকার ডাক্তারের খপ্পরে পড়ে নাজেহাল হয়েছিলেন ভেবে দেখুন। নন্দবাবুর কিছুই হয়নি। একটা হোঁচট খেতে গিয়েও খাননি। কিন্তু বন্ধুরা জোর করে তাঁকে রোগী বানিয়ে নানা ডাক্তারের কাছে চালান করে, ঠিক এখনও যেমন হয়ে থাকে। প্রত্যেক ডাক্তারের কাছে নন্দবাবু জানতে চান তার কী হয়েছে। তাঁদের উত্তরগুলো ভাবুন। প্রথমে অ্যালোপ্যাথ তফাদার বললেন, ‘...সন্দেহ করছি cerebral tumour with strangulated ganglia। ট্রি’ফাইন করে মাথার খুলি ফুটো করে অস্ত্র করতে হবে, আর ঘাড় চিরে নার্ভের জট ছাড়াতে হবে। শর্ট-সার্কিট হয়ে গেছে।’
ব্যারামটা কী জানতে চাওয়ায় এবার ‘হ্যোমিওফাঁক’ (মানে হ্যোমিওপ্যাথ) নেপাল বলেন, ‘তা জেনে তোমার চারটে হাত বেরবে নাকি? যদি বলি তোমার পেটে ডিফারেনশ্যাল ক্যালকুলস হয়েছে, কিছু বুঝবে?’ এ যুগের ডাক্তাররাও তো পেশেন্ট পার্টিকে এ জাতীয় কথা বলে রোগ সম্পর্কে অন্ধকারে রাখেন কিংবা ভুজুংভাজুং বুঝিয়ে ফায়দা লোটেন। যাই হোক নন্দবাবু এরপর কবিরাজ তারিণীর কাছে ব্যারামটা কী জানতে চাইলে উত্তর আসে—‘যারে কয় উদুরি। উর্ধুশ্লেষ্মাও কইতে পার।’ এই ‘বোকরেজির’ (মানে কোবরেজির) পর হাকিম হাজিক-উল-মুলকের কাছে গেলে তার ডায়গনসিস ছিল: ‘হড্ডি পিলপিলায় গয়া।’ হাড়ের পিলপিলানি কী সেটা ওই হাকিমই শুধু বুঝতে পারে বোধহয়!
এরকম ঘুরপাক খেয়ে নন্দবাবু অবশেষে ভীষণ প্রতিজ্ঞা করলেন বন্ধুদের পরামর্শ আর শুনবেন না, নিজের ডাক্তার নিজেই খুঁজে নেবেন। অবশেষে ডাক্তার মিস বি মল্লিকের ঘরে। মিস মল্লিক নন্দবাবুকে আশ্বস্ত করলেন তার কোনও রোগ নেই, শুধু একজন অভিভাবক দরকার। অবশেষে এই ডাক্তারনির চেম্বারে ঘন ঘন ভিজিটের মাধ্যমে নন্দ-মল্লিক স্বামী-স্ত্রী সম্পর্কে আবদ্ধ হন। এই অসাধারণ রম্যরচনার হাত ধরে আমরা দেখতে পাই একজন রোগহীন মানুষের মধ্যে বিভিন্ন ডাক্তার কতরকম ব্যামোর সন্ধান দেন এবং কতরকম চিকিৎসার নিদান দেন। আজও তো মানুষকে গিনিপিগ বানিয়ে চিকিৎসার নামে এরকম কাণ্ডকারখানার খবর পাওয়া যায়।
সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েও কত যে রঙ্গব্যঙ্গ। আমাদের রাজ্যে জ্যোতিবাবুদের সুদীর্ঘ শাসনের সুবাদে সে এক অন্য মাত্রা পেয়েছে। একটা রসিকতা শোনা যাক। বঙ্গভূমির মায়া ছেড়ে পরলোকগত হয়েছেন কমরেড জ্যোতিবাবু। স্বর্গে প্রাতঃভ্রমণ সারছিলেন। তাঁর পূর্বসূরি অন্য এক কমরেড তাঁকে জিজ্ঞেস করেন, স্বর্গ কেমন লাগছে। জ্যোতিবাবু বলেন, মমতা-মাওবাদ-সিপিএমীয় গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব-শিল্পহীনতা-বেকারত্ব... কিছুই নেই এখানে, তাই বেশ আছি। পূর্বসূরি তখন বলেন, ‘তাহলে এখানে আগে এলেন না কেন?’ জ্যোতিবাবু তখন বলেন, ‘আরে, কমরেডরা আমার চিকিৎসা সরকারি হাসপাতালে করাল না যে!’
তবে সরকারি হাসপাতালের ডাক্তারদের অসহায়তাকে মান্যতা দিয়েও একটা মজার রসিকতা আছে। সাহিত্য তো সমাজের প্রতিবিম্ব। সেখান থেকে উঠে আসা রসিকতাটা শুনিয়েছেন রম্যকথাকার তারাপদ রায় মহাশয়। দুর্ঘটনায় মৃত শিক্ষক, ডাক্তার ও ব্যবসায়ীর মধ্যে একজনকে স্বর্গে পাঠাবার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন চিত্রগুপ্ত। যমরাজ নির্দেশ দিলেন, সরকারি ডাক্তারকে যেন স্বর্গে পাঠানো হয়। আজকের সমাজ তিনজনকেই যখন পাপী শনাক্ত করেছে তখন ডাক্তারকে কেন নরক ছেড়ে স্বর্গে পাঠানোর সিদ্ধান্ত? চিত্রগুপ্তের প্রশ্নের উত্তরে যমরাজ বলেন, ‘এই ডাক্তার দীর্ঘদিন সরকারি হাসপাতালে থেকে এমনিতেই নরকের যন্ত্রণা ভোগ করে এসেছে যে!’
জীবনদাতার মতো মৃত্যুদাতা পরিচয়ও ডাক্তারদের ক্ষেত্রে কম জোরালো নয়। এ নিয়েও নানা রসিকতা চালু আছে। ডাক্তার কাকে বলে, এই প্রশ্নের উত্তরে একটি ব্রিটিশ ঠাট্টা হল, ‘ডাক্তার হলেন সেই মহান ব্যক্তি যিনি তোমাকে আজ হত্যা করবে যাতে তুমি কাল মারা না যাও।’ ডাক্তারদের স্বীকারোক্তিতেও এই ঘাতক ভাবমূর্তি ধরা পড়েছে ঠাট্টার ছলে। যেমন, এক রোগী দীর্ঘদিন টাইফয়েডের চিকিৎসার পরও সুস্থ না হওয়ায় ডাক্তারবাবুকে বললেন, ‘আমার নিমুনিয়া হয়নি তো? কারণ আমার অফিসের অমলবাবুর ডাক্তার তাঁকে টাইফয়েডের চিকিৎসা করল, কিন্তু মৃত্যুর পর জানা গিয়েছিল অমলবাবুর এনকেফেলাইটিস হয়েছিল।’ শুনে এই রোগীর ডাক্তার রেগে গলা চড়িয়ে বলেন, ‘দেখুন, আমি যে রোগের চিকিৎসা করি রোগী সেই রোগেই মারা যাবে, অন্য রোগে নয়।’
আর এক ডাক্তারের খপ্পরে পড়ে রোগী দীর্ঘদিন নার্সিংহোমে চিকিৎসাধীন। বহু টাকা খরচ হয়ে গিয়ে এমন অবস্থা যে, ডাক্তারবাবু কয়েকটা ভিজিটের টাকা বাকি পড়ে আছে। রোগীর স্ত্রী ডাক্তারবাবুর কাছে কাচুমাচু করে সে কথা জানাতে গেলে ডাক্তারবাবু বলেন, ‘আহা, চিন্তার কী আছে, ওনার জীবনবিমার টাকা পেলেই মিটিয়ে দেবেন।’ এই ঘাতক ডাক্তারদের উদ্দেশ্যেই রবীন্দ্রনাথ দুঃখীরামের মুখ দিয়ে বলিয়েছেন, ‘যমের চেয়ে ডাক্তারকে ডরাই।’ কিংবা বিভূতিভূষণ মণি ডাক্তারের মুখ দিয়ে বলেছেন, ‘তবে কেন যে দুষ্ট লোক রটাইয়াছে, মণি ডাক্তারের ওষুধ খাইলে জ্যান্ত মানুষ মরিয়া ভূত হয়...?’
রোগীপক্ষের দ্বারা ডাক্তারদের অপদস্থ হওয়া নিয়েও নানা মজার কথা শোনা যায়। একজন শল্য চিকিৎসক তাঁর গাড়ি থেকে নেমে দু’পা হেঁটে নার্সিংহোমে ঢোকেন এবং কাজ শেষে নার্সিংহোম থেকে দু’পা হেঁটে আবার গাড়িতে ওঠেন। দু’ক্ষেত্রেই ওইটুকু সময় তিনি মাথায় হেলমেট চাপান। ডাক্তারের এই উদ্ভট আচরণের কারণ খোলতাই করে জানিয়েছিল তাঁর গাড়ির ড্রাইভার, ‘দেখছেন না ডাক্তারবাবু কেমন ধোলাই খাচ্ছে, বিশেষ করে আমার বাবুর মতো যারা শুধু অপারেশন করে। মাথাটা যাতে বাঁচে তাই হেলমেট।’ কী আশ্চর্য, ডাক্তারদের অপকর্মের জন্য তাঁরা যখন পাবলিকের হাতে নানাভাবে হেনস্তার শিকার হচ্ছেন, সরকারও ডাক্তারদের প্রতি অসন্তুষ্ট হয়ে ওয়েস্ট বেঙ্গল ক্লিনিক্যাল এসটেবলিসমেন্টস (রেজিস্ট্রেশন রেগুলেশন অ্যান্ড ট্র্যান্সপারেন্সি) বিল, ২০১৭ আমদানি করেছে, তখন কলকাতার রাজপথে একদল ডাক্তার প্রতিবাদ করতে নেমেছিলেন মাথায় সেই হেলমেট চাপিয়ে! ফিরে আসি সেই হেলমেটি শল্য চিকিৎসক প্রসঙ্গে। ডাক্তারবাবুর ছেলেকে তাঁর মেসো জিজ্ঞেস করেছিল, বড় হয়ে সে কি বাবার মতো ডাক্তার হতে চায়? সে বলেছিল, না পশু চিকিৎসক হতে চায়। ছেলের যুক্তি, ‘প্রতিদিনই দেখছি ডাক্তাররা কোথাও না কোথাও মার খাচ্ছে, হাসপাতাল নার্সিংহোমে ভাঙচুর হচ্ছে। পশু চিকিৎসক হলে ভুল চিকিৎসা করলেও পশুরা দল বেঁধে আক্রমণ করবে না।’
এক নামজাদা ডাক্তারকে দেখাতে কয়েক মাস আগে নাম লেখাতে হয়। ডাক্তারের ফিসও বড় অঙ্কের। সেই ডাক্তারবাবু এক রোগিণীকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘আপনার কী হয়েছে?’ রোগিণী তাৎক্ষণিক জবাব: ‘এত কাঠখড় পুড়িয়ে আপনাকে দেখাচ্ছি, আপনি তো বলবেন আমার কী হয়েছে।’
ওই ডাক্তারেরই একটা শখ বিভিন্ন মডেলের গাড়ি কেনা। সেরকমই এক গাড়িতে চেপে তিনি গিয়েছেন এক মেকানিকের গ্যারেজে কিছু যান্ত্রিক গোলমাল সারাতে। গাড়ি মেরামতির পর মেকানিক ছেলেটি যে টাকা মজুরি চাইল তা শুনে ডাক্তারবাবু আঁতকে উঠে বললেন, ‘তোমার ফিস দেখছি আমার থেকেও বেশি।’ মেকানিক বলল, ‘দেখুন ডাক্তারবাবু, আপনারা বছরের পর বছর মানুষের শরীরের একই মডেলের ওপর কাজ করেন, আর আমাদের কাজ করতে হয় বিভিন্ন মডেলের গাড়ির ওপর। তাছাড়া রোগীকে ভালো না করতে পারলেও আপনাদের টাকা মার যায় না। কিন্তু আমরা দীর্ঘ খাটুনির পর গাড়ি যদি না সারাতে পারি কিস্‌সু পাব না।’
রোগীর হাতে ডাক্তারের চরম লেজেগোবরে হওয়ার এই ঘটনাটা দিয়েই আপতত ইতি টানতে হবে। অজস্রবার ভিজিট ফিস নিয়ে, অসংখ্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা করিয়েও এক ডাক্তার রোগীর পেট ভালো করতে পারছেন না, যাকে বলে রোগী হাতে রেখে দিয়েছেন। অনেক কামানোর পর ডাক্তারবাবু এবার পিছু হাঁটতে চাইছেন। কিন্তু রোগ সারাতে পারছি না বললে বেজায় অপমান, প্রফেশনের পক্ষেও বদনাম। তাই তিনি এক চাল দিলেন, বললেন, ‘দেখুন আপনার ওপরের পাটির পাঁচটা দাঁতে মারাত্মক ইনফেকশন হওয়ায় পেটটা সারছে না। দাঁতগুলি তুলতে হবে।’ ডাক্তারবাবু ভেবেছিলেন ষাটোর্ধ্ব এই শৌখিন ভদ্রলোক দাঁত তোলা থেকে বিরত থেকে তাঁকে ছেড়ে পালাবেন। কিন্তু রোগীবাবুটি হাসতে হাসতে তার ওই অংশের বাঁধানো দাঁতের পাটিটা খুলে ডাক্তারবাবুর টেবিলে ঠকাস করে রাখলেন। তারপর সেই নকল দাঁত পুনরায় স্বস্থানে সংস্থাপিত করে বললেন, ‘চিকিৎসা নিয়ে আপনার কিস্‌সা ঩মিডিয়ায় জানাতে চললাম ডাক্তার’ বলতে বলতে ফিস না দিয়েই ছুটে চেম্বার থেকে বেরিয়ে গেলেন।
 কার্টুন: সেন্টু 
02nd  July, 2017
ইন্দিরা ১০০
প্রণব মুখোপাধ্যায়

ঐতিহাসিক এক সময়ের সন্ধিক্ষণে আজকের দিনে জন্মেছিলেন ইন্দিরা গান্ধী। ১০০ বছর আগে। প্রায় একই সময়ে ‘বলশেভিক’ আন্দোলনে কেঁপে উঠেছিল সারা পৃথিবী। ভারতও ঠিক ওই বছরই মহাত্মা গান্ধীর নেতৃত্বে ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে পূর্ণ উদ্যমে লড়াইয়ের জন্য তৈরি হয়। ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের উদ্যোগে স্বাধীনতা সংগ্রামে ওতপ্রোতভাবে অংশ নিয়েছিলেন ইন্দিরা গান্ধীর ঠাকুরদা এবং বাবা। সেই পরিবারেরই মেয়ে হয়ে জন্মান ইন্দিরা গান্ধী।
বিশদ

19th  November, 2017
শোনপুর মেলা
মৃন্ময় চন্দ

খ্রিস্টপূর্ব ৩৪০ থেকে ২৯৭। চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য এসেছেন শোনপুরের মেলায়। সৈন্যবাহিনীর জন্য হাতি কিনবেন। পদব্রজে নাকি এসেছেন ফা-হিয়েন ও হিউয়েন সাং! এসেছেন গন্ধর্ব প্রধান হু হু ও পাণ্ডস্যের রাজা ইন্দ্রদ্যুম্ন। অভিসম্পাত-গ্রস্ত গজ-গ্রহ রূপী তাদের মরণপণ যুদ্ধে শোনপুরের হরিহরক্ষেত্রে আগমন ঘটেছে হরি এবং হরের। কালক্রমে শোনপুর মেলা হয়ে উঠেছে দেবক্ষেত্র। অতুলনীয়, ব্যতিক্রমী শোনপুর মেলার আছে কেবলই দারিদ্রের ঐশ্বর্য। সাধারণ মানুষ এই মেলার প্রতিভূ। এ মেলায় তাই সবাই রাজা। সকলে স্বাগত!
বিশদ

12th  November, 2017
’৪২-এর ভারত ছাড়ো আন্দোলনের ৭৫ বছর 

অমর মিত্র: ক্রিপস মিশন ব্যর্থ হয়েছিল। সেখানে পূর্ণ স্বরাজের বার্তা ছিল না বলে। আর কংগ্রেস চেয়েছিল, গান্ধীজি চেয়েছিলেন স্বাধীন ভারত। যে কারণে ৭৫ বছর আগে শুরু হয় ইংরেজ ভারত ছাড়ো আন্দোলন। সেই গান্ধীজিরই নেতৃত্বে।  
বিশদ

05th  November, 2017
জগদ্ধাত্রী
নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

 জগদ্ধাত্রী ঠাকুরের রূপ-কল্পনা এবং পুজোবিধি থেকেই বোঝা যায় যে, জগদ্ধাত্রী পুজোর সৃষ্টিই হয়েছে দুর্গাপুজোর পরিপূরণী সমব্যথার কারণে। তবে হ্যাঁ, বিশেষত্ব একটা আছে এবং সেই বিশেষত্ব তাঁর নামেই লুকানো আছে।
বিশদ

29th  October, 2017
সাম্প্রতিক বাংলা থিয়েটার: কিছু কথা
ব্রাত্য বসু

থিয়েটারের অর্থনীতি আসলে দু’রকম। প্রথমটি হল দলের অর্থনীতি। দ্বিতীয়টি হল দলের সদস্যদের ব্যক্তিগত অর্থনীতি। দলের অর্থনীতি প্রধানত তিনটি বিষয়ের ওপর নির্ভরশীল। প্রথমত, সরকারি গ্রান্ট তথা অনুদান।
বিশদ

22nd  October, 2017
চিরদুঃখী অতুলপ্রসাদ সেন
প্রণব কুমার মিত্র

লখনউয়ের বিখ্যাত ব্যারিস্টার এ পি সেন সাহেব বা অতুলপ্রসাদ সেন কোর্টের পর গাড়ি থেকে নেমে বাড়ির সদর দরজা পেরিয়ে সুন্দর সবুজ লনের এককোণে দেখলেন দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। আর সেই আগুনে এক এক করে দামি দামি স্যুট, জামাকাপড় পোড়াচ্ছেন তাঁরই সহধর্মিণী হেমকুসুম। কয়েকদিন দু’জনের অশান্তি চলছিল।
বিশদ

22nd  October, 2017
আতশবাজির ইতিকথা
বারিদবরণ ঘোষ

আকাশের গায়ে বারুদের গন্ধটা কালীপুজোর মরশুমে খুব চেনা। তা সে কাঠকয়লার সঙ্গে সোরা মেশানো হলদে আলো হোক কিংবা বুড়িমার চকোলেট। আগ্নেয়াস্ত্র সরবরাহকারীদের হাত ধরে আতশবাজির সৃষ্টি। যা আজও আনন্দ দিয়ে চলেছে মানবমননকে। বিশদ

15th  October, 2017
বিজয়া স ম্মি ল নী 

‘মা’কে তাড়ানোর কোনও তাড়া যে তখন ছিল না! ছিল না মোবাইলে মজে শারদ মাধুর্যকেই উপেক্ষা করার বাতিক। রক্তের সম্পর্কের থেকে খুব কম যেতেন না পাড়ার দাদারা। সে যেন একটাই পরিবার। আর সেই পরিবারের সবে মিলে বিজয়া সম্মিলনী। কখনও মঞ্চে হাজির শ্যামলদা, কখনও বা মানবেন্দ্র। তাঁরাও যে কাছেরই মানুষ! নিছক ‘সাংসকিতিক সন্ধা’ নয়, বিসর্জনের বিষণ্ণতাকে সাক্ষী করে শারদ বাতাস যেন তখন বলত, শুভ বিজয়া। 
বিশদ

08th  October, 2017
সাত বাড়ি আর এক বারোয়ারি 

প্রফুল্ল রায়: তখনও দেশভাগ হয়নি। অখণ্ড বঙ্গের পূর্ব বাংলায় ঢাকা ডিস্ট্রিক্টের একটা বিশাল গ্রামে ছিল আমাদের আদি বাড়ি। প্রজন্মের পর প্রজন্ম আমরা সেখানে কাটিয়েছি। পদ্মা, মেঘনা, ধলেশ্বরী, কালাবদর, আড়িয়াল খাঁ এবং শত জলধারায় বহমান আরও নদ-নদী, খাল-বিল, শস্যক্ষেত্র। অজস্র পাখপাখালি, আম জাম হিজল আর সুপারি বনের সারি, সব মিলিয়ে পূর্ববাংলা ছিল এক আশ্চর্য স্বপ্নের দেশ।
বিশদ

24th  September, 2017
অকাল বোধন 

নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ি: ‘অকাল’ শব্দটির মধ্যে একটা অদ্ভুত এবং প্রায় বিপরীত ব্যঞ্জনা আছে। যেমন একটি কৈশোরগন্ধি যুবক ছেলেকে যদি বলি ‘অকালপক্ব’, তাহলে অবধারিতভাবে কথাটির মানে দাঁড়াবে যে, ছেলেটির যা বয়স এবং তদনুযায়ী যা তার বিদ্যাবুদ্ধি হওয়া উচিত কিংবা বয়স অনুযায়ী তার যা কথাবার্তার ধরন তৈরি হওয়া উচিত, তার চাইতে বেশি বয়সের বহু-অভিজ্ঞ মানুষের মতো সে কথা বলছে, বা তেমন ভাবসাব দেখাচ্ছে।
বিশদ

24th  September, 2017
বিশ্বকর্মা
সন্দীপন বিশ্বাস

তিনি দেবশিল্পী। দেবকুলের সকল কর্মের সাধক। রাবণের স্বর্ণলঙ্কা, শ্রীকৃষ্ণের দ্বারকাপুরী, কিংবা হস্তিনাপুর—তঁার শিল্পছেঁায়ায় সব স্থাপত্যই পৌরাণিক উপাখ্যানে অমরত্ব লাভ করেছে। কখনও তিনি তৈরি করছেন হরধনু, কখনও বজ্র। যার সাহায্যে দুষ্টের দমন করেছেন দেবগণ।
বিশদ

17th  September, 2017
শিকাগো বিজয় ১২৫
তাপস বসু

১২৫ বছর আগে এক তরুণ সন্ন্যাসী সীমিত ক্ষমতা নিয়ে পাড়ি দিয়েছিলেন সাগরপারে। শিকাগোর এক ধর্ম সম্মেলনে যদি পেশ করা যায় বৈদিক দর্শনের বিস্তারকে। শত বাধা পেরিয়ে মঞ্চে দঁাড়িয়ে আমেরিকার মানুষকে এক লহমায় করে ফেলেছিলেন ‘ভ্রাতা ও ভগিনী’। আজ ফিরে দেখা সেই স্বামী বিবেকানন্দকে। যঁার শিক্ষা আজও সমাজের ভিত্তিপ্রস্তর।
বিশদ

10th  September, 2017
 সেইসব শিক্ষক
কল্যাণ বসু

যখন আমরা ভাবি সব জেনে গিয়েছি, ঠিক সেই মুহূর্ত থেকে আমাদের শেখা বন্ধ হয়ে যায়... বলেছিলেন সর্বপল্লি রাধাকৃষ্ণণ। যাঁর জন্মদিন পালিত হয় শিক্ষক দিবস হিসাবে। স্বনামধন্য বহু ব্যক্তির শিক্ষকরাও যে ছিলেন এমনই! কেউ প্রচারের আলোয় এসেছেন, কেউ আসেননি। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর থেকে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। সবারই এমন মহান শিক্ষকদের সান্নিধ্য পাওয়ার সৌভাগ্য হয়েছিল।
বিশদ

03rd  September, 2017
দুশো বছরের বাংলা কাগজ

 দিগদর্শন, বাঙ্গাল গেজেট ও সমাচার দর্পণের লেখনিতে ভর করে যে যাত্রা শুরু হয়েছিল, তার দ্বিশতবর্ষ পূর্ণ হচ্ছে। বাংলা খবরের কাগজ কখনও হয়ে উঠেছে সাম্রাজ্যবাদী ব্রিটিশ শক্তিকে নাস্তানাবুদ করার হাতিয়ার, কখনও অন্তর্জলি যাত্রার মতো সামাজিক রোগের মারণ ওষুধ, আবার কখনও পরিবর্তনের ঝড়। গঙ্গাকিশোর ভট্টাচার্য, দাদাঠাকুরদের সাহসী কলমের সে ভার বহন করে এসেছেন সন্তোষকুমার ঘোষ, গৌরকিশোর ঘোষ এবং বরুণ সেনগুপ্তরা। ২০০ বছর পরও তাই বাংলা সংবাদপত্র একইরকম নবীন।
বিশদ

27th  August, 2017
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বিজ্ঞানে এবছর নতুন পাঠ্যক্রম চালু হয়েছে আইসিএসই স্কুলগুলিতে। কিন্তু সেখানে নতুন বিষয়গুলি শিক্ষকরা কীভাবে পড়াবেন, তার জন্য প্রশিক্ষণ বা কর্মশালার প্রয়োজন রয়েছে। তবে সময়ের মধ্যে তা হয়ে ওঠেনি। তাই প্রযুক্তির মাধ্যমে সেই কাজ সেরে ফেলতে চাইছে কাউন্সিল। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ডিমের দাম আকাশছোঁয়া। কমার নামগন্ধ নেই। সাত থেকে সাড়ে সাত টাকায় শহর ও শহরতলির বাজারে বিক্রি হচ্ছে পোলট্রির ডিম। এমন অবস্থায় রাজ্য ...

কাবুল, ১৯ নভেম্বর (এপি): আফগানিস্তানের পশ্চিমে ফারা প্রদেশে পুলিশের একাধিক চেক পোস্টে হানা দিল তালিবান জঙ্গিরা। তালিবানের হানায় মৃত্যু হয়েছে ৬ জন পুলিশকর্মীর। শনিবার বিকালের ঘটনা। প্রাদেশিক সরকারের মুখপাত্র নাসের মেহরি বলেন, জঙ্গিদের আটজনের একটি দল ওই হামলা চালিয়েছে। এই ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি, ১৯ নভেম্বর: দেরিতে হলেও শেষমেশ ঘুম ভাঙল দিল্লির আম আদমি পার্টির (আপ) সরকারের। দূষণ ইস্যুতে বারবার জাতীয় পরিবেশ আদালত (এনজিটি) এবং সুপ্রিম কোর্ট নিযুক্ত গ্রিন বডি ইপিসিএ’র কাছ থেকে ধমক খেয়ে অবশেষে আজ দিল্লি সরকার ঘোষণা করল, ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

প্রেম-প্রণয়ে নতুনত্ব থাকবে। নতুন বন্ধু লাভ, ভ্রমণ ও মানসিক প্রফুল্লতা বজায় থাকবে। কোনও কোনও ক্ষেত্রে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৫০- মহীশূরের শাসক টিপু সুলতানের জন্ম।
১৯১০- রুশ সাহিত্যিক লিও তলস্তয়ের মৃত্যু।
১৯১৭- কলকাতায় প্রতিষ্ঠা হল বোস রিসার্চ ইনস্টিটিউট।
১৯৫৫- নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ভারতের পক্ষে টেস্টে প্রথম দ্বিশতরান করলেন উমরিগড় (২২৩)।  

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৪.০০ টাকা ৬৫.৬৮ টাকা
পাউন্ড ৮৪.৩২ টাকা ৮৭.১৯ টাকা
ইউরো ৭৫.২০ টাকা ৭৭.৮৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
18th  November, 2017
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩০,১৯৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৮,৬৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৯,০৮০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪০,২০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪০,৩০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
19th  November, 2017

দিন পঞ্জিকা

৪ অগ্রহায়ণ, ২০ নভেম্বর, সোমবার, দ্বিতীয়া রাত্রি ৯/৩৬, নক্ষত্র-জ্যেষ্ঠা রাত্রি ১২/৪৮, সূ উ ৫/৫৬/২৫, অ ৪/৪৮/৪, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৭/২৩ মধ্যে পুনঃ ৮/৫০ গতে ১১/০ মধ্যে। রাত্রি ঘ ৭/২৬ গতে ১০/৬ মধ্যে পুনঃ ২/২৭ গতে ৩/১৯ মধ্যে, বারবেলা ঘ ৭/১৮ গতে ৮/৪০ মধ্যে পুনঃ ২/৫ গতে ৩/২৬ মধ্যে, কালরাত্রি ৯/৪৪ গতে ১১/২২ মধ্যে।
৩ অগ্রহায়ণ, ২০ নভেম্বর, সোমবার, দ্বিতীয়া রাত্রি ৭/৪২/২৮, জ্যেষ্ঠানক্ষত্র ১১/৫৫/৩৬, সূ উ ৫/৫৬/৫৮, অ ৪/৪৬/৫৮, অমৃতযোগ দিবা ৭/২৩/৩৮, ৮/৫০/১৮-১১/০/১৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/২৪/৫৮-১০/৫৫/১৮, ২/২৫/৩৭-৩/১৮/১৮, বারবেলা ২/৪/২৮-৩/২৬/৪৩, কালবেলা ৭/১৮/১৩-৮/৩৯/২৮, কালরাত্রি ৯/৪৩/১৩-১১/২১/৫৮। 
৩০ শফর

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
বারুইপুর স্টেশনে অবরোধ উঠল, শিয়ালদহ বিভাগের প্রতিটি শাখায় ৮টা ৩৪ মিনিট থেকে ফের শুরু ট্রেন চলাচল

09:07:41 PM

রেল অবরোধ ঘিরে ধুন্ধুমার বারুইপুর স্টেশন

 বেআইনি উচ্ছেদ অভিযানের প্রতিবাদে রেল অবরোধকে কেন্দ্র করে ...বিশদ

08:40:29 PM

লুধিয়ানায় প্লাস্টিক কারখানায় আগুন, মৃত ৩
লুধিয়ানায় একটি প্লাস্টিকের ব্যাগ তৈরির কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ...বিশদ

08:13:00 PM

ফের দালাল চক্রের অভিযোগ এসএসকেএম হাসপাতালে

 ফের দালাল চক্রের অভিযোগ উঠল এসএসকেএম হাসপাতালে। টাকা নিতে গিয়ে ...বিশদ

07:10:02 PM

 বিহারের গোপালগঞ্জে হাইটেনশন লাইনের বিদ্যুৎস্পৃশ্য হয়ে মৃত ৫, গুরুতর আহত ৩

06:22:00 PM