প্রচ্ছদ নিবন্ধ
 

ভূস্বর্গ ভয়ংকর

সমৃদ্ধ দত্ত
ফ্ল্যাশব্যাক
মহারাজা হরি সিংয়ের চতুর্থ এবং সবথেকে কনিষ্ঠা পত্নী বারংবার একটা কথা বলতেন স্বামীকে। আম জনতার সঙ্গে কথা বলুন। বাইরে কী হচ্ছে, আপনি জানতেই পারছেন না। কাশ্মীর পালটাচ্ছে। এই সতর্কবাণীর কারণ হল ১৯২৫ সালে সিংহাসনে বসে মহারাজা হরি সিং যথারীতি রাজা-মহারাজাদের সবথেকে খারাপ বৈশিষ্ট্যটাই আয়ত্ত করলেন। বছরের বেশিরভাগ সময় বম্বের রেস কোর্সের নেশায় কাটাতেন। আর বাকি সময়টা শ্রীনগর, অনন্তনাগ, গুলমার্গ, পহেলগাঁওয়ের জঙ্গলে শিকার। তারই মধ্যে যখন রাজদরবারে বসার ইচ্ছা হত, তখন পছন্দসই স্তাবক পরিবৃত হয়ে‌ই সময় কাটিয়ে দিতেন। এমনিতে জনপ্রিয় রাজা। কিন্তু সময় পালটাচ্ছে। আর মানুষের সঙ্গে আরও বেশি করে না মিশলে রাজ্যের অন্দরে ঠিক কী ঘটছে, কার মনে কী আছে, তা বোঝা যাবে না... এই সামান্য ব্যাপারটা তাঁকে কখনও বিচলিত করেনি। এতটাই বিশ্বাস ছিল তাঁর কাশ্মীরি জমুরিয়াতের উপর। ফলে তাঁর অজান্তেই আলিগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের সায়েন্স গ্রাজুয়েট একটি যুবক যে কাশ্মীরের গোকুলে বাড়ছিল, সে খবরও সেভাবে পাননি প্রথমে। কাশ্মীরি শাল বিক্রেতার পুত্র ওই যুবকের নাম শেখ মহম্মদ আবদুল্লা। সায়েন্সে গ্রাজুয়েট হয়েও কাশ্মীর রাজ্যে আর কিছু না পেয়ে শেষে একটা স্কুল টিচারের চাকরি পেলেন। আর প্রথম বছরেই একটি রিডিং ক্লাব চালু করলেন। যেখানে প্রতিদিন সন্ধ্যায় নানারকম সংবাদপত্র পড়া হবে আর বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হবে। ৬ ফুট ৪ ইঞ্চির যুবকটি অসাধারণ বক্তা। ক্রমেই মুসলিম মহলে জনপ্রিয় হয়ে উঠলেন। সিগারেট খেতেন প্রচুর। মদ নয়। ১৯৩১ সালে একবার স্থির হল, মহারাজার কাছে মুসলিম সম্প্রদায়ের এক প্রতিনিধিদল যাবে বিভিন্ন সমস্যা আর দাবিদাওয়া নিয়ে আলোচনা করতে। সেই দলে অন্তর্ভুক্ত হলেন শেখ আবদুল্লা। কিন্তু ঠিক ওই মিটিংয়ের আগেই আবদুল কাদির নামে এক বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করা হল। যা তীব্র রোষ সৃষ্টি করলো যুবসমাজে। আর শুরু হল পুলিশ ফোর্সের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের তীব্র সংঘর্ষ। পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাথর ছোঁড়া হল বিস্তর (লক্ষ্য করে দেখুন অবিকল সেই দৃশ্য আজও চলছে কাশ্মীরে)। ২৩ জনের মৃত্যু হল। এবং তার থেকেও যা মারাত্মক সেটি হল, কাশ্মীরজুড়ে দাঙ্গার সূচনা। সেই প্রথম আধুনিক কাশ্মীরে সাম্প্রদায়িক হানাহানি। আর এভাবেই পরের বছর গঠিত হল অল জম্মু কাশ্মীর মুসলিম কনফারেন্স। যার নেতা প্রথমে ছিলেন গুলাম আব্বাস। কিন্তু শেখের ক্যারিশমা অনেক বেশি ছিল। ছ’বছরের মধ্যে শেখ নিজেই প্রতিষ্ঠা করলেন পৃথক সংগঠন। নাম দিলেন ন্যাশনাল কনফারেন্স। যে সংগঠনে হিন্দু, শিখ সকলেই থাকতে পারবে। শুধুই মুসলিমদের জন্য এমন নয়। অর্থাৎ শেখ আবদুল্লা বার্তা দিলে তিনি জম্মু-কাশ্মীরের নেতা হতে চান। নিছক একটি সম্প্রদায়ের নয়। আর ঠিক এই কারণেই চোখে পড়লেন আর এক কাশ্মীরি পণ্ডিতের। জন্মসূত্রে কাশ্মীরি হলেও যিনি এলাহাবাদে মানুষ হয়েছেন। জওহরলাল নেহরু। ১৯৪২ সাল থেকে এই দুজনের বন্ধুত্ব। এভাবেই চলে এল ১৯৪৭ সাল। এর মধ্যে বারংবার শেখ আবদুল্লাকে জেলে যেতে হয়েছে রাজ্য বিরোধী বিক্ষোভ করার অভিযোগে। ১৯৪৭ সালে এপ্রিল মাসে ভারতের নতুন ভাইসরয় এলেন, যাঁকে সেই ১৯২১ সাল থেকেই চেনেন মহারাজা হরি সিং। ওই ভাইসরয়, আর তিনি একবার প্রিন্স অব ওয়েলসের সঙ্গে একসঙ্গে ভারতে এসেছিলেন লন্ডন থেকে। তখনই আলাপ। ভাইসরয় ছিলেন প্রিন্সের স্টাফ। তাঁর নাম মাউন্টব্যাটেন। জুন মাসে যখন ভারত বিভাগের প্ল্যান রেডি, তখন তিনি চাইলেন কাশ্মীর নিয়ে টানাপোড়েনের অবসান করতে। ইতিহাসে নাম রেখে যাবেন তিনি। কারণ ঠিক আগের বছর হরি সিং ঘোষণা করেছেন, কাশ্মীর ভারত বা সম্ভাব্য পাকিস্তানের কথায় চলবে না। নিজের অবস্থান স্বাধীনভাবে স্থির করবে। এই পরামর্শ তাঁকে দিয়েছিলেন মহারাজার প্রধানমন্ত্রী রামচন্দ্র কাক। নেহরু তো বটেই, মহাত্মা গান্ধীও যেতে চাইছিলেন। কিন্তু মাউন্টব্যাটেন রাজি নন। তিনিই গেলেন পুরানো বন্ধুর সঙ্গে দেখা করে বোঝাতে। তার আগে অবশ্য রামচন্দ্র কাককে মাউন্টব্যাটেন বলেছিলেন, মহারাজাকে বলুন হয় পাকিস্তান, অথবা ভারত। যে কোনও একটি অংশে যেন যুক্ত হন। স্বাধীন হয়ে থাকা যাবে না। রামচন্দ্র কাক বলেছিলেন, আমরা স্বাধীনতাই চাই। আজাদ কাশ্মীর। মাউন্টব্যাটেন শেষ চেষ্টা করতে মহারাজার সঙ্গেই দেখা করতে চাইলেন। দিনও স্থির হল। সকালে মাউন্টব্যাটেন যখন বেরবেন, ঠিক তখন এক বার্তাবাহক এসে জানাল, মহারাজার পেটের ব্যথাটা বেড়েছে। দেখা করতে পারবেন না। মাউন্টব্যাটেন বুঝে গেলেন, হরি সিং আসলে দেখা করতে চাইছেন না। কারণ তাঁর প্রস্তাবে তিনি রাজি নন। সুতরাং মাউন্টব্যাটেন ব্যর্থ হলেন। ১৫ আগস্ট ১৯৪৭ সালের পরও কাশ্মীর কোনওদিকেই গেল না। যাকে বলা হল স্ট্যান্ডস্টিল এগ্রিমেন্ট উইথ বোথ কান্ট্রিজ। কিন্তু দুই রাষ্ট্রেই কাশ্মীরবাসী অবাধে যেতে পারবে এবং পণ্য পরিবহণও হবে। কিন্তু এরকম ধরি মাছ না ছুঁই পানি পছন্দ করল না পাকিস্তান। তারা সেপ্টেম্বর মাসেই শিয়ালকোট থেকে জম্মু ট্রেন সার্ভিস বন্ধ করে দিল। মহারাজা হরি সিং সেই প্রথম বুঝলেন, পাকিস্তান ব্ল্যাকমেলের পথেই যাবে। এদিকে প্রবল অভ্যন্তরীণ চাপ এবং নেহরুর আবেদনে শেখ আবদুল্লাকে ওই মাসেই জেল থেকে মুক্তি দেওয়া হল। মুক্তি পেয়েই শেখ আবদুল্লা হজরতবাল মসজিদে একটি সমাবেশ করলেন। এবং দাবি করলেন, অবিলম্বে কাশ্মীরবাসীর হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে। আমাদের রাজ্যে এমন সরকার হোক, যেখানে হিন্দু-মুসলিম-শিখ তিন সম্প্রদায়ের সমান প্রতিনিধিত্ব থাকবে। ১২ অক্টোবর মহারাজা হরি সিংয়ের উপ-প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করলেন, আমরা কোনও দেশের সঙ্গেই যুক্ত হতে চাই না, কিন্তু যদি কোনও একটি দেশ আমাদের উপর জোর ফলানোর চেষ্টা করে, তাহলে আমরা অবস্থান বদলে ফেলতেও পারি। এই ঘেষণার ঠিক দুসপ্তাহ পর কাশ্মীরের উত্তর প্রান্ত থেকে হিমালয় পেরিয়ে দলে দলে আদিবাসী-পাঠান ঢুকে পড়ল অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে। প্রতক্ষ্যভাবে পাকিস্তানের সাহায্যে। প্রথমে পুঞ্চ। তারপর উরি। এরপর বারামুলা। এই পাঠানরা শুধু যে হিন্দুদের সম্পত্তি লুটপাট করল তাই নয়। একটি কনভেন্ট হাসপাতাল ধ্বংস করলো। মুসলিম বাড়িতে ঢুকে ঢুকে লুটপাট, হত্যা আর ধর্ষণ করা হয়েছিল। ফলে মুসলিম কাশ্মীরিরা বুঝল, পাকিস্তান মোটেই তাঁদের নিজেদের মানুষ মনে করে না। তারা স্রেফ দখলদারি চায়। নাদির শাহের সেনাদের সঙ্গে কোনও ফারাক ছিল না। বারামুলা থেকে শ্রীনগর হেঁটে, আর লরিতে চেপে আসছে পাকিস্তানের সাহায্যে আসা পাঠান দস্যুরা। মাত্র ৫০ মাইল দূরে। ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের সচিব ভি পি মেনন শ্রীনগরে গিয়ে মহারাজাকে বললেন, আপনি জম্মুতে চলে যান। এখানে থাকা নিরাপদ নয়। শুনেই মহারাজা পরদিন ভোরে রওনা হলেন জম্মু। আর মেনন ফিরলেন দিল্লিতে মহারাজার প্রধানমন্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে। জওহরলাল নেহরু, বল্লভভাই প্যাটেল, মাউন্টব্যাটেন ছাড়াও বৈঠকে ছিলেন শেখ আবদুল্লা। তাঁদের সামনে মহারাজার প্রধানমন্ত্রী বললেন, ভারত সেনা পাঠিয়ে অনুপ্রবেশকারীদের অবিলম্বে ফেরত পাঠিয়ে কাশ্মীরকে রক্ষা করুক। শ্রোতারা পরস্পরের দিকে একবার তাকালেন। মাউন্টব্যাটেন মুখ খুললেন। বললেন, তাহলে আপনার মহারাজকে বলুন ভারতে সংযুক্ত হতে। প্রধানমন্ত্রী রাজি। পরদিনই আবার সেই ভি পি মেনন উড়ে গেলেন জম্মু। মহারাজা হরি সিং ঘুমাচ্ছেন। শ্রীনগর থেকে জম্মু দীর্ঘ জার্নি আর টেনশন করে পরিশ্রান্ত। ঘুম ভাঙিয়ে তাঁকে প্রস্তাব দেওয়া হল। তৎক্ষণাৎ রাজি হয়ে সেখানেই স্বাক্ষর করে জানিয়ে দিলেন, ভারতেই সংযুক্ত হচ্ছে জম্মু-কাশ্মীর। ঠিক পরদিন ২৭ অক্টোবর ভোরে ২৮টি ডাকোটা সেনাবাহিনীর বিমানে ভারতীয় সেনা শ্রীনগরের উদ্দেশে রওনা হল দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট থেকে। আর শুরু হয়ে গেল কাশ্মীরকে দখলমুক্ত করা। একে একে ভারতীয় সেনা দখল করে নিল উরি, বারামুলা, পুঞ্চ সবই। শীতকাল চলে আসায় আপাতত আরও এগনো বন্ধ রইল। আর ইতিমধ্যে শেখ আবদুল্লাকেই প্রধানমন্ত্রী করা হোক বলে নেহরু এবং মহাত্মা গান্ধী উভয়েই চিঠি লিখলেন হরি সিংকে। শেখ আবদুল্লাকে কাশ্মীরের প্রধানমন্ত্রী করার সিদ্ধান্তে চরম আপত্তি জানাল পাকিস্তান। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী লিয়াকৎ আলি খান স্পষ্ট জানালেন, শেখ আবদুল্লা অ্যান্টি পাকিস্তান। ওনাকে কাশ্মীরবাসী মানবে না। এসব ১৯৪৮ সালের মার্চ মাসের ঘটনা। আর ঠিক তারপরই আবার যুদ্ধ শুরু হয়ে গেল বাকি অংশে দখলদারি হটানোর লক্ষ্যে। দুমাস আগেই মাউন্টব্যাটেনের পরামর্শে জওহরলাল নেহরু এমন একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, পরে যার জন্য তাঁকেই অনুশোচনা করতে হয়েছে? তার জের আজও বহন করছে ভারত। সিদ্ধান্তটি হল, কাশ্মীর সমস্যাকে জাতিসংঘে নিয়ে যাওয়া। সেখানে পাকিস্তান স্পষ্ট জানাল, অনুপ্রবেশকারীরা আর নেই। তাই এখনই উচিত কাশ্মীর থেকে ভারতীয় সেনার সরে যাওয়া এবং নিরপেক্ষভাবে গণভোট গ্রহণ। ভারত জানিয়ে দিল গণভোটে আপত্তি নেই। শুধু সেটি হবে শেখ আবদুল্লার প্রশাসনের আওতায়। কারণ তিনিই কাশ্মীরের সর্ববৃহৎ নেতা। আর হরি সিং মহারাজা। তাঁদের সরিয়ে গণভোট হবে না। এই টানাপোড়েনের থেকেও জওহরলাল নেহরু সবথেকে বিস্মিত ও আহত হয়ে দেখলেন, জাতিসংঘে আমেরিকা এবং ব্রিটেন দুপক্ষই কাশ্মীর নিয়ে পাকিস্তানের হয়ে কথা বলছে। তিনি নিজের কানকে বিশ্বাস করতে পারলেন যে, ব্রিটিশ প্রতিনিধি ফিলিপ নোয়েল বেকার স্পষ্ট জানালেন, পাকিস্তানের আরগুমেন্টে যুক্তি আছে। ভারত ভুল অবস্থান নিচ্ছে! অর্থাৎ ব্রিটিশরা কৌশলে কাশ্মীরকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিয়ে এসে সারাজীবনের জন্য ভারতকে এক অন্তহীন সংকটে ফেলে দিয়ে যাওয়ার প্ল্যান আগে঩ভাগেই করেছিল।

নতুন কাশ্মীর
বাংলাদেশে যেমন ভারতের সহায়তা অথবা মুক্তিবাহিনীর যুদ্ধ, পাকিস্তানের নির্মম অত্যাচারের কথা নতুন প্রজন্ম সেভাবে জানে না। অথবা তাদের জীবনে তার প্রভাব ফিকে হয়ে যাচ্ছে। এবং সেই কারণেই ভারত বিরোধী জামাত বা জঙ্গিদের প্রভাব বেড়েছে বাংলাদেশে, ঠিক তেমনই কাশ্মীরের আজকের অস্থিরতার সবথেকে বড় কুশীলব হল ১৬ থেকে ২৫ বছরের কাশ্মীরি যুবকরা। গত বছর হিজবুল মুজাহিদিন জঙ্গি বুরহান ওয়ানি নিহত হওয়ার পর প্রধানত এই যুব সম্প্রদায় নেমেছে রাস্তায়। আর এই সম্প্রদায়ের কোনও নেতা নেই। কোনও মুখ নেই। এদের পরিচালনা করা হচ্ছে হোয়াটসঅ্যাপ বা সোশ্যাল মিডিয়ার মারফত। নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর মোট ৬৩টি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ আছে। প্রতিটি গ্রুপের ২৫০ থেকে ৩০০ করে সদস্য। গোটা কর্মসূচিতে যুক্ত প্রায় সাড়ে ৬ হাজার কাশ্মীরি যুবক-যুবতী, যারা প্রধানত দক্ষিণ কাশ্মীরের বাসিন্দা। ন্যাশনাল কনফারেন্স আর বিচ্ছিন্নতাবাদী হুরিয়ত কনফারেন্সের মধ্যে একটি বিকল্প হিসাবে উঠে এসেছিল পিডিপি। মুফতি মহম্মদ সইদ। কারণ তাঁরা কিছুটা আরও স্বশাসনের পক্ষে ছিলেন। যা আজাদ কাশ্মীরের পন্থীদের খুশি করে। আবার পুরোপুরি ভারতের সঙ্গে সম্পর্কচ্ছেদের পক্ষেও নয়। এই মাঝামাঝি অবস্থান কাশ্মীরের স্বার্থে জরুরি—এই বার্তাটি সাফল্যের সঙ্গে দিয়ে পিডিপি ক্ষমতায় এসেছিল আগেও। সেই বার্তার প্রধান অঙ্গ ছিল কাশ্মীরের স্বার্থ আগে সুরক্ষিত হবে, তারপর অন্য আলোচনা। বাবার ওই বুদ্ধিদীপ্ত রাজনীতিটি আয়ত্ত করতে পারলেন না মেহবুবা মুফতি। তবে তাঁর থেকেও বড় ভুল করেছে মোদি সরকার। অটলবিহারী বাজপেয়ির কাশ্মীর নীতিটি খারিজ করে দিয়ে। বাজপেয়ির আমলে কাশ্মীর নীতির মূলমন্ত্র ছিল আলোচনা। ডায়লগ। আজকের হাইপার দেশপ্রেমিকরা অবশ্য আলোচনা মানেই মনে করেন নরমপন্থা। কাশ্মীর সম্পর্কে বিজেপি অথবা মোদি সরকারের যাই নীতি বা অ্যাজেন্ডা থাকুক না কেন, এটা ভুলে গেলে চলবে না, সর্বাগ্রে দরকার শান্তি বজায় রাখা। আন্তর্জাতিক মহলের জন্য। কারণ কাশ্মীর যতই উত্তাল হবে, ততই পাকিস্তান সুযোগ পেয়ে যাবে রাষ্ট্রসংঘে বা আন্তর্জাতিক সম্মেলনের মঞ্চে প্রচার করতে যে, ভারতে গৃহযুদ্ধ হচ্ছে। প্রথমেই রাজনীতিটি বুঝে নিতে হবে। অনন্তনাগ, সোপর, বদগাঁও, পুলওয়ামার মতো দক্ষিণ কাশ্মীরেই সবথেকে বেশি অস্থিরতা চলছে। আর ঘটনাচক্রে এই জেলাগুলিতে মেহবুবা মুফতির দলের শক্তিই সবথেকে বেশি। বরাবর। অর্থাৎ মেহবুবা নিজের এলাকায় জনপ্রিয়তা হারাচ্ছেন দ্রুত। পাকিস্তান পুরোদমে সুযোগ নিচ্ছে। ভারত নিয়ন্ত্রণ রেখায় পাকিস্তানের বিরুদ্ধে লাগাতার আক্রমণ করে সঠিক পদক্ষেপ নিয়েছে। স্ট্র্যাটেজি হওয়া উচিত সীমান্তে পাকিস্তানকে লাগাতার গুলির জবাব দিয়ে যাওয়া, সার্জিকাল স্ট্রাইক করা আর কাশ্মীরের অভ্যন্তরে বিক্ষুব্ধ, বিচ্ছিন্নতবাদী, রাজনৈতিক দল—সকলের সঙ্গে অবিরত আলোচনা, শান্তিপ্রক্রিয়া চালিয়ে যাওয়া। বাজপেয়ির এই কৌশল কাজে দিয়েছিল। তিনি বিচ্ছিন্নতবাদীদের সঙ্গে ট্র্যাক টু কূটনীতি বজায় রাখতেন আইবি এবং ‘র’ গুপ্তচরদের মাধ্যমে। পিডিপি যখন বিজেপির সঙ্গে জোট করেছে, তখন থেকেই তাঁর সমর্থককূলের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে। কারণ তাঁদের আশঙ্কা ছিল, সরকারে এসেই বিজেপি নিজেদের অ্যাজেন্ডা চাপাতে শুরু করবে। মোদি না চাইলেও সংঘ পরিবার, আর অতি উৎসাহী হিন্দুত্ববাদী সংগঠন বেশি বেশি ৩৭০ নং ধারা, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি ইত্যাদি নিয়ে চর্চা শুরু করায় সেই আশঙ্কায় ইন্ধন দিয়েছে। এত দ্রুত
এসবের দরকার ছিল না। এসব চর্চা কাশ্মীরবাসীকে নিরাপত্তাহীনতার ফিলিংস দিয়েছে। বিশেষ করে আজকের তরুণ কাশ্মীর সমাজকে। প্রধানমন্ত্রী নিজেই ৮০ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজ বরাদ্দ করেছেন কাশ্মীরের জন্য। দেখা যাচ্ছে পুলিশ, সেনা, সরকারি চাকরি, আইএএস সমস্ত কর্মসংস্থানেই কাশ্মীরি যুবক-যুবতী অংশ নিচ্ছে উদ্যোগী হয়ে। অর্থাৎ আজও সিংহভাগ কাশ্মীরবাসী চাইছেন উন্নয়ন। কিন্তু সাধারণ মানুষের সঙ্গে কমিউনিকেশন কমে যাচ্ছে। তাই অনেক বেশি করে প্রচার পাচ্ছে সেনাবাহিনীর বিরোধী প্রচার। যার জন্য দায়ী মেহবুবা মুফতির অপটু রাজনৈতিক মনস্কতা। স্বয়ং সেনাবাহিনীই জনান্তিকে বলছে যে, রাজনৈতিক দলগুলিকে আরও বেশি করে মানুষের সঙ্গে যোগসূত্র গড়ে তোলা দরকার। সেটায় ব্যর্থ হচ্ছে তারা। কাশ্মীরের সবথেকে বড় সংকট এখন রাজনৈতিক শূন্যতা। পলিটিকাল ভ্যাকুয়াম। আর মুখহীন বিক্ষোভ। ফেসলেস আন্দোলন। শান্তি আলোচনা কার সঙ্গে? এই ইট ছোঁড়া, নিরাপত্তা রক্ষীদের গাড়িতে আগুন লাগানোর ঘটনাগুলি ঘটানো হচ্ছে সম্মিলিত একটি পরিকল্পিত চক্রান্তের আদলে। কোনও নেতা নেই। কার সঙ্গে আলোচনা করা হবে? তাই নতুন কাশ্মীরে নতুন এক চ্যালেঞ্জ। নিছক দমনপীড়নে কিন্তু লাভ হবে না। অন্তত হচ্ছে না। বিকল্প প্ল্যান বি নিতে হবে। বিরক্ত হয়ে ক্রুদ্ধ হয়ে কাশ্মীরিদের আমরা যদি ‘ওরা’ ভাবতে শুরু করি, ভারতীয়দের থেকে আলাদা করে ভেবে টাইট দেওয়ার কথা আলোচনা করি, তাহলে কিন্তু পাকিস্তানের ডাবল লাভ। কারণ গোটা প্ল্যানটাই পাকিস্তানের। হিজবুল মুজাহিদিনকে দিয়ে তারা কাশ্মীরের অন্দরে অস্থিরতা জিইয়ে রাখছে। আর সীমান্তে বর্ডার অ্যাকশন টিম দিয়ে অবিরত ভারতীয় সেনাকে আক্রমণ, হত্যা, শিরশ্ছেদ করার নির্মমতা ঘটিয়ে চলেছে। পাকিস্তানের টার্গেট হল কাশ্মীর ভারতের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে, আন্তর্জাতিক মহলে এটা প্রদর্শন করা। আমাদের সেই ফাঁদে পা দিলে চলবে না। প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী শ্রীনগরে আসার পর গোটা দুদিন থাকলেও একটিও সংগঠন তাঁর সঙ্গে দেখা করতে আসেনি। শুধু শহরজুড়ে ভারত বিরোধী স্লোগান ছিল। রাজীব গান্ধী অসহায়ভাবে মুফতি মহম্মদ সইদকে বলেছিলেন, মুফতিজি কেয়া কাশ্মীর হামে ওয়াপস মিল সকতা হ্যায় দোবারা? আজ প্রায় ২৮ বছর পর এমন অবস্থা যেন না আসে, যাতে আমাদের মধ্যে আশঙ্কা তৈরি হয় আমরা কাশ্মীরকে হারাচ্ছি না তো? কাশ্মীর আবার ছন্দে ফিরবে তো?
ছবি: এএফপি ও পিটিআই
গ্রাফিক্স: সোমনাথ পাল
সহযোগিতায়: উজ্জ্বল দাস
04th  June, 2017
বন্দেমাতরম 
রজত চক্রবর্তী

জাতীয় পতাকাটা আজও হাতে ধরে হেঁটে চলেছেন মাতঙ্গিনী হাজরা। উচ্চশির। প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার, প্রফুল্লনলিনী ব্রহ্ম, কল্পনা দত্ত... নারীশক্তির এক অদম্য জাগরণ দেখেছিল পরাধীন ভারত। মায়েরা, বোনেরা পথে নেমে-না নেমে অংশ নিয়েছিলেন বিপ্লবে। তবু এমনই দুই সংগ্রামী শান্তি ঘোষ, সুনীতি চৌধুরির জন্মশতবর্ষ চলে গেল নীরবে...।
বিশদ

13th  August, 2017
 কৃপণ সমাচার!

 কৃপণ কত প্রকার ও কী কী? এমন রচনা ছেলেবেলায় লিখতে না হলেও এ ব্যাপারে জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতার ঝুলি প্রায় সবারই পূর্ণ। কেউ কেউ আবার কৃপণ শব্দটির বদলে হিসাবি বা মিতব্যয়ী ব্যবহার করতে বেশি পছন্দ করেন। যদিও তাতে কৃপণদের নিয়ে সমাচারে কোনও দিন, কোনও যুগেই ঘাটতি হয় না।
বিশদ

06th  August, 2017
আলিপুর জেলের অন্তরালে

 আলিপুর সেন্ট্রাল জেল। কানাইলাল দত্ত, সত্যেন বসু, দীনেশ গুপ্ত... একের পর এক বিপ্লবীকে ফাঁসির দড়ি বরণ করতে হয়েছে এখানে। শত অত্যাচার সত্ত্বেও যেখানে ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে একজোট হয়েছেন লৌহকপাটের আড়ালে থাকা বিপ্লবীরা। ভয় না ধরিয়ে সঙ্গীর মৃত্যু সাহস জুগিয়েছে তঁাদের। সেলুলার জেল হেরিটেজের মর্যাদা পেলেও আলিপুর পায়নি। সেখানে আজও কুঠুরির কোণায় কোণায় শোনা যাবে বিপ্লবের বজ্রনির্ঘোষ।
বিশদ

30th  July, 2017
 অমরনাথের পথে-প্রান্তরে

 দুর্গম অতিক্রম করে, জঙ্গি হামলা-মৃত্যুভয়কে তুচ্ছ করে এগিয়ে চলা একবার দর্শনের আশায়। বালতাল হোক বা পহেলগাঁও, যাত্রাপথ যাই হোক না কেন, প্রকৃতি সেখানেই অপার সৌন্দর্য উজাড় করে রেখেছে। বিন্দু বিন্দু জল জমে আকার নিয়েছে শিবলিঙ্গের। আর তাকে ঘিরেই সম্প্রীতির এক অদ্ভূত মিলন উৎসব। সে যে অমরনাথ। বিশদ

23rd  July, 2017
খবর শেষ

 আকাশবাণী... খবর পড়ছি...। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আমল থেকে শুরু হওয়ার পর বঙ্গজীবনের অঙ্গ হিসাবে জড়িয়ে যাওয়া সেই অভ্যাস হাতছাড়া হয়েছে বহুযুগ আগেই। টিভি, ইন্টারনেট, ফেসবুকের জমানায় যা আজ প্রায় গতজন্মের স্মৃতি বলে মনে হয়। কিন্তু একটা সময় এই তো ছিল বাইরের জানালায় চোখ রাখার জন্য মানুষের একমাত্র দূরবীন! সেই ইভা নাগ, নীলিমা সান্যাল, দেবদুলাল বন্দ্যোপাধ্যায়, ব্রেকডাউন, ভুল খবর...। সে এখন নস্টালজিয়া। আজ দিল্লির বেতার খবর যে সত্যিই শেষ!
বিশদ

16th  July, 2017
 বৃষ্টিভেজা

 গ্রীষ্মকালীন এই বঙ্গে বর্ষার আগমন যেন ঘাম দিয়ে জ্বর ছাড়ার মতো। আকাশকে মুখ ভার করে ঝরে পড়তে দেখলেই মন আনচান করে খিচুড়ি, ইলিশ মাছের জন্য। ঘণ্টাখানেকের বর্ষণে তিলোত্তমা এক হাঁটু জল উপহার দিলেও তা ঠেলে বাড়ি ফেরাই আলাদা আনন্দ। আর গুনগুন করে ওঠা বিশ্বকবির সৃষ্টি। মনে পড়ে যাওয়া অপু-দুর্গার বৃষ্টি ভেজা। কিংবা স্কুলের সেই রেনি ডে। এ ঋতু তাই যে আলাদা আলাদা অনুভূতির এক সম্পৃক্ত দ্রবণ। বিশদ

09th  July, 2017
চিকিৎসা রঙ্গ 

কল্যাণ বসু: ‘পাসকরা ডাক্তার নই, কিন্তু তাতে কি? বাড়ি বসিয়া বই পড়িয়া কি আর ডাক্তারী শেখা যায় না? আজ সাত আট বছর তো ডাক্তারী করিতেছি, অভিজ্ঞতা বলিয়া একটা জিনিসও তো আছে! পাসকরা ডাক্তারের হাতে কি আর রোগী মরে না?’ এইটুকু পড়ে কী মালুম হচ্ছে?
বিশদ

02nd  July, 2017
 বাঙালির রথযাত্রা

হারাধন চৌধুরী: বাঙালি এক আমুদে জাতি। আনন্দের জন্য পরব খুঁজে নিতে বাঙালির জুড়ি মেলা ভার। বাঙালির কাছে দেবতারা কঠিন কঠোর কিছু নন। দেবতারাই হলেন সবচেয়ে আপন বা অতি প্রিয় কেউ, যাঁকে আঁকড়ে ধরে থাকতে না পারলে বাঙালির সব আনন্দ, সব সুখানুভূতি যেন মাটি হয়ে যায়। অতএব একজন না একজন দেবতাকে সামনে রেখেই পার্বণ সাজিয়ে নেয় তারা। সেই থেকেই ‘বারো মাসে তেরো পার্বণ’ কথাটি এসেছে। ‘তেরো’ কথাটি ‘বহু’ অর্থেই প্রযোজ্য হয়। সংস্কৃতি সম্পর্কে এমন যাদের উপলব্ধি, রথযাত্রার মতো একটি পার্বণ বছরের একটি নির্দিষ্ট সময়ে তাদের মাতিয়ে দেওয়ার পক্ষে যথেষ্ট। রথযাত্রার মধ্যে মাটি বা ভূমির টানই খুঁজে পায় বাঙালি। বিশদ

25th  June, 2017
দেশভাগের ৭০

সমৃদ্ধ দত্ত: ৭০ বছর আগে কয়েকজন দেশি-বিদেশি প্রতিনিধি ঠিক করে ফেলেছিল ভারতকে ভাগ হতেই হবে। ৭০ বছর আগে এমনই একটা জুন মাসে অবিভক্ত বঙ্গ বিধানসভার শেষ অধিবেশনে বাংলা আর বাঙালির নতুন পথ চলার সূচনা। চিরবিচ্ছেদের বেদনা নিয়ে। সেই ২০ জুন।
লর্ড মাউন্টব্যাটেন নিজের ইমেজ সম্পর্কে এতটাই সচেতন ছিলেন যে, ১৯৪৭ সালের ২২ মার্চ ভারতের ভাইসরয় পদে এসেই সরকারি এবং প্রেস ফটোগ্রাফারদের জন্য একটি নির্দেশ জারি করে দেন।
বিশদ

18th  June, 2017
রাষ্ট্রপতি ভবনে 

প্রবালকুমার বসু: রাষ্ট্রপতি ভবনে তাঁরই অতিথি হয়ে কাটিয়ে আসা দু’সপ্তাহ। রাজধানীর যানজট, দূষণের বাইরে হঠাৎ এসে পড়া যেন এক অন্য জগতে। মুঘল গার্ডেনসে ফুলের মাঝে কেটে যাওয়া সময়, কিংবা প্রতিটা পাথরে নতুন করে খুঁজে পাওয়া ইতিহাস।
বিশদ

11th  June, 2017
খাতা দেখা 

বসন্ত কড়া নাড়লেই বুঝতে হবে মা-উমা খুব দূরে নেই। অর্থাৎ মাধ্যমিক-উচ্চ মাধ্যমিক। ভাবা যায়, একটা রাজ্যে মাধ্যমিক-উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৮ লক্ষের বেশি? আর এই দুই পরীক্ষা শেষ হতেই রাজ্যের আনাচে কানাচে হাজার হাজার স্কুল টিচারের গৃহকোণে শুরু হয়ে যায় কুটির শিল্প—খাতা দেখা।
বিশদ

28th  May, 2017



একনজরে
 ওয়াশিংটন, ১৬ এপ্রিল: চলতি বছরসহ আগামী ২০১৮ সালে এশিয়ার উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলির মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি সাড়ে ৬ শতাংশ হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। একই সময়ে বিশ্ব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সাড়ে ৩ শতাংশের আশপাশে থাকবে বলে ধারণা ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সম্প্রতি দুর্গাপুর পুরসভা নির্বাচনে নিরাপত্তার প্রশাসনিক আশ্বাস সত্ত্বেও ব্যাপক হাঙ্গামা হয়েছে। ভোট লুট হয়েছে। পুলিশ মার খেয়েছে। নির্বাচন কমিশন ভোট চলাকালীন অভিযোগ জানানোর রাস্তা বন্ধ রেখেছিল। ...

 বেঙ্গালুরু, ১৬ আগস্ট (পিটিআই): তামিলনাড়ুতে ‘আম্মা ক্যান্টিন’ ব্যাপক জনপ্রিয় পাওয়ার পরে এবার কর্ণাটক সরকার চালু করল ‘ইন্দিরা ক্যান্টিন’। বুধবার বেঙ্গালুরুতে কংগ্রেসের সহ-সভাপতি রাহুল গান্ধী এই ...

 বিমল বন্দ্যোপাধ্যায়, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: বিষ্ণুপুরের সারদা গার্ডেনে সুদীপ্ত সেনের কয়েকশো বিঘা বেনামি সম্পত্তি হাতানোর সিন্ডিকেট চক্রের বিরুদ্ধে মুখ খোলার জেরে আক্রান্ত হয়েছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার এক অফিসার। কলেজ পড়ুয়া তাঁর ছেলেকেও মারধর করা হয়েছে। ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

সঠিক বন্ধু নির্বাচন আবশ্যক। কর্মরতদের ক্ষেত্রে শুভ। বদলির কোনও সম্ভাবনা এই মুহূর্তে নেই। শেয়ার বা ... বিশদ



ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৩২: ব্রিটিশ সাহিত্যিক ভি এস নাইপলের জন্ম
১৯৮৮: দুর্ঘটনায় মৃত পাক প্রেসিডেন্ট মহম্মদ জিয়া-উল-হক
২০০৮: ওলিম্পিকসে আটটি সোনা জিতে রেকর্ড মার্কিন সাঁতারু মাইকেল ফেল্পসের


ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৪৫ টাকা ৬৫.১৩ টাকা
পাউন্ড ৮১.৩৭ টাকা ৮৪.১৮ টাকা
ইউরো ৭৪.০৮ টাকা ৭৬.৬৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৯,১৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৭,৬৭৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৮,০৯০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৬০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩২ শ্রাবণ, ১৭ আগস্ট, বৃহস্পতিবার, দশমী দিবা ১২/৪৩, মৃগশিরানক্ষত্র রাত্রি ১০/৫৯, সূ উ ৫/১৭/৫১, অ ৬/৩/৩৯, অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪৮-৩/৩, বারবেলা ২/৫২-অস্তাবধি, কালরাত্রি ১১/৪১-১/৫।
 ৩১ শ্রাবণ, ১৭ আগস্ট, বৃহস্পতিবার, দশমী ১০/৫৫/৫২, মৃগশিরানক্ষত্র রাত্রি ১০/২৩/৫৭, সূ উ ৫/১৫/৩৩, অ ৬/৫/২৫, অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪৭/৩০-৩/১/৩১, বারবেলা ৪/২৯/১১-৬/৫/২৫, কালবেলা ২/৫২/৫৭-৪/২৯/১১, কালরাত্রি ১১/৪০/২৯-১/৪/১৫।
২৪ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
  খানাকুলে বৃষ্টির জমা জল নামতেই উদ্ধার কঙ্কাল, চাঞ্চল্য
আরামবাগের খানাকুলের সবলসিংহপুর এলাকায় বৃষ্টির জমা জল নামতেই এক অপরিচিত মহিলার কঙ্কাল উদ্ধার হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

05:44:00 PM

এবার চড়াম চড়াম করে জয়ঢাক বাজবে পঞ্চায়েতেও: অনুব্রত

 আজ নলহাটিতে ১নং ওয়ার্ড ও ৮ নং ওয়ার্ডে তৃণমূলের পরাজয়ের পর, হারের কারণ অনুসন্ধান করতে এসে অনুব্রত মন্ডল মৎসমন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা ও পরিকল্পনা তদারকি ও পরিসংখ্যান দপ্তরের মন্ত্রী আশিষ বন্দ্যোপাধ্যায়সহ আরও দুই তৃণমূল নেতার দায়িত্ব পালনে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি জানান, ওঁদের উপর পুরো দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়াটা ভুল হয়েছলি, ওঁদের এতটা বিশ্বাস করাটাও ভুল হয়েছিল। এবার থেকে সব বিষয়টা তিনি নি঩জেই দেখবেন বলেও জানান। পাশাপাশি এদিন সাংবাদিক বৈঠক করে পঞ্চায়েত দখলের ডাকও দেন অনুব্রতবাবু। তিনি বলেন, এবার পঞ্চায়েতও চড়াম চড়াম করে জয়ঢাক বাজবে।

05:20:10 PM

এই জয় মানুষের জয়: মুখ্যমন্ত্রীর

 মানুষের জয়, যারা তৃতীয় ও চতুর্থ হওয়ার জন্য লম্ফ-ঝম্ফ করেছিল, আমি দেখলাম তারা ০.১% ভোট পেয়েছে। মানুষকে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। আজ ৭ পুরসভা জয়ের পর এভাবেই নিজের প্রতিক্রিয়া জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

05:13:08 PM

উত্তরবঙ্গে দুর্গতদের উদ্ধারে ন্যায্যমূল্যে বিমান সংখ্যা বাড়ানোর আর্জি কেন্দ্রকে

 যেহেতু উত্তরবঙ্গের সঙ্গে দক্ষিণবঙ্গের সড়ক ও রেল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে, সেই সুযোগে বেশিরভাগ বিমান সংস্থা তাদের ভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে রাজ্যের মুখ্যসচিব কেন্দ্রকে এই দুর্যোগের সময় দুর্গতদের উদ্ধারে ন্যায্য মূল্যে বিমানের সংখ্যা বাড়াতে অনুরোধ জানিয়েছে।

05:06:00 PM

মদন তামাং হত্যা মামালা: গুরুংকে অব্যহতি

 মদন তামাং হত্যা মামলায় বিমল গুরুংয়ের বিরুদ্ধে কোনও তথ্য প্রমানাদি না মেলায় তাঁকে এই মামলা থেকে অব্যহতি দিল বিশেষ আদালত

05:02:00 PM

 দুর্গাপুরে পুরভোটে তৃণমূল ৭৬.২৬%, বামফ্রন্ট ১২.৩%, বিজেপি ৭.৮৯%, কংগ্রেস ২.৫৩% এবং নির্দল ০.৯% ভোট পেয়েছে

04:39:00 PM