প্রচ্ছদ নিবন্ধ
 

খাতা দেখা 

বসন্ত কড়া নাড়লেই বুঝতে হবে মা-উমা খুব দূরে নেই। অর্থাৎ মাধ্যমিক-উচ্চ মাধ্যমিক। ভাবা যায়, একটা রাজ্যে মাধ্যমিক-উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৮ লক্ষের বেশি? আর এই দুই পরীক্ষা শেষ হতেই রাজ্যের আনাচে কানাচে হাজার হাজার স্কুল টিচারের গৃহকোণে শুরু হয়ে যায় কুটির শিল্প—খাতা দেখা। মাধ্যমিকে ৭০ লক্ষের বেশি এবং উচ্চ মাধ্যমিকে ৪৮ লক্ষের বেশি, সব মিলিয়ে খাতার সংখ্যা প্রায় ১ কোটি ১৮ লক্ষ। এই বিপুলতার মধ্যে কত বিচিত্র কাহিনি গড়ে উঠবে... সমৃদ্ধ করবে এই খাতা এবং খাতা দেখার সুদীর্ঘ রসাল ইতিহাসকে!
কল্যাণ বসু: ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষার সময়কার কথা। সেবার বাংলা পরীক্ষায় রচনা এসেছিল ‘শিক্ষায় গৃহশিক্ষকের দান’। শ্রীপান্থ মহাশয়ের পরীক্ষক বন্ধু এক পরীক্ষার্থীর খাতা তাঁকে দেখিয়েছিলেন। সেই খাতার অমূল্য রচনাটির কপিরাইটকে মর্যাদা দিয়ে শ্রীপান্থ তাঁর একটা লেখায় তা হুবহু তুলে ধরেছিলেন। এখানেও সেটা হুবহু তুলে ধরছি।—
‘‘সংজ্ঞা:
গৃহশিক্ষক এক ধরনের শিক্ষক। ইঁহারা কাহারও গৃহে থাকিয়া বা যাইয়া বিদ্যাশিক্ষা দেন। শিক্ষা দান ইঁহাদের কর্তব্য।
ইতিহাস:
এই দেশে গৃহশিক্ষকেরা কবে কোথা হইতে আসিয়াছেন, তাহা এখনও সঠিকভাবে নির্ধারিত হয় নাই। অনেকে অনুমান করেন—প্রাচীনকালে ঋষিগণ যখন আশ্রম হইতে বিতাড়িত হন, তখন তাঁহারা লোকালয়ে ছড়াইয়া পড়েন এবং তখন হইতেই ছাত্রগণ গুরুগৃহে যাইয়া পড়াশুনা করিবার পরিবর্তে গুরুগণ ছাত্রগৃহে অধিষ্ঠিত হন।
আকৃতি ও প্রকৃতি:
গৃহশিক্ষকেরা দেখিতে অন্যান্য শিক্ষকদের মতোই। সকলের চেহারা একরূপ নহে, পোশাকও বিভিন্ন। কেহ ভীষণ নোংরা জামাকাপড় পরিধান করেন, কেহ আবার খুব বাবু। অনেকে আবার প্যান্ট পরেন।
তবে প্রকৃতিতে ইঁহারা সকলেই সমান শান্ত ও বিনয়ী। স্কুল-কলেজের শিক্ষকদের সঙ্গে এখানেই ইঁহাদের পার্থক্য।
উপকারিতা:
গৃহশিক্ষক খুব উপকারী। কোনও কিছুতে ঠেকিয়া গেলে উঁহারা তাহা দেখাইয়া দেন। তাহাতে ছাত্রছাত্রীদের উপকার হয়।
অপকারিতা:
গৃহশিক্ষকের অপকারিতা এই যে, তাঁহারা অনেকদিন থাকিলে আস্কারা পাইয়া যান। তখন ইঁহারা ‘গার্জেন’ হইয়া উঠিতেও চেষ্টা করেন।
উপসংহার:
মোট কথা, গৃহশিক্ষক বাংলার অন্যতম কুটিরশিল্প। সরকার এবং জনসাধারণের উচিত, অবিলম্বে ইঁহাদের প্রতি সমুচিত মনোযোগ প্রদান করা।’’
রচনাটি পড়ে শ্রীপান্থ মহাশয়ের মনে হয়েছিল, ছাত্রটি যারপরনাই দূরদৃষ্টিসম্পন্ন। শুধু তাই নয়, লেখাটি পড়ে তিনি ছাত্রদের সম্পর্কে নতুন করে আশাবাদী হয়ে উঠেছিলেন!
অনেক সময় টিচার কিংবা অভিভাবকদের উপদেশ ও পরামর্শেও ছাত্রছাত্রীরা পরীক্ষার খাতায় নানা রকম ‘দূরদৃষ্টিতা’র পরিচয় দেয়। আবার এও পরীক্ষিত সত্য যে, পরীক্ষার্থী পড়াশুনোয় যত খারাপ, পরীক্ষার খাতায় তত উদ্ভাবনশীল। যাই হোক, বর্ণনামূলক প্রশ্নের উত্তরে, বিশেষ করে ইতিহাসের ক্ষেত্রে এটা সুদীর্ঘকালের প্রচলিত ধারণা যে যত বেশি পৃষ্ঠা তত নম্বর। ‘পলাশীর যুদ্ধ সম্পর্কে যাহা জানো লেখো’ জাতীয় প্রশ্নের উত্তরে এক ছাত্র লিখেছিল—‘পলাশীর আম বাগান। ডালে ডালে ঝুলছিল হিমসাগর, ফজলি, ল্যাংড়া আরও কত রকমের আম। বাগানের ওই প্রান্ত থেকে আসছিল ক্লাইভের সৈন্য, এদিক থেকে যাচ্ছিল সিরাজদুল্লার বাহিনী। দুই দলই কামান থেকে গোলা ছুড়ছে—গুরুম, গুরুম, গুরুম...গুরুম, গুরুম, গুরুম...গুরুম, গুরুম...’। পরীক্ষার হলের শিক্ষক দেখছেন মিনিটের মধ্যে পৃষ্ঠা শেষ করছে শুধু গুরুম, গুরুম লিখে। কয়েকটা পৃষ্ঠা এভাবে চলার পর শিক্ষক পর্ষদ-প্রেরিত আধিকারিকের সঙ্গে পরামর্শ করে পৃষ্ঠা দেওয়া বন্ধ করলেন। গুণধর ছাত্রটি কিছুক্ষণ তর্কাতর্কি করে উত্তরটি শেষ করে এই লিখে—‘স্যার আর পৃষ্ঠা না দেওয়ায় যুদ্ধ এখানেই শেষ হইল।’
যাহা জানো লেখো টাইপের প্রশ্নের বিপরীত মেরুতে আছে টু দ্য পয়েন্ট উত্তর দাও গোছের প্রশ্ন। যেমন, পানিপথের দ্বিতীয় যুদ্ধ সম্পর্কে অনধিক পাঁচটি বাক্যে উত্তর চাওয়া হলে এক পরীক্ষার্থী লিখেছে, ‘এই যুদ্ধ পানিপথ নামক স্থানে ঘটিয়াছিল। এই যুদ্ধ দুই পক্ষের মধ্যে ঘটিয়াছিল। এই যুদ্ধ পানিপথের প্রথম ও তৃতীয় যুদ্ধের মধ্যবর্তী ছিল। এই যুদ্ধে প্রচুর রক্তপাত ঘটিয়াছিল। এই যুদ্ধে এক পক্ষ জয়ী হইয়াছিল এবং অন্য পক্ষ পরাজিত হইয়াছিল।’ লক্ষ করলে দেখা যাবে, পরীক্ষার্থী ঠিক পাঁচটি বাক্যই ব্যবহার করেছে এবং কোনওটিই ভুল নয়!
এমন খাতাও পাওয়া যায়, যা দেখে বোঝা যাবে না যে পরীক্ষার্থী বিজ্ঞান পরীক্ষা দিচ্ছে, নাকি ইতিহাস! ‘অ্যাকোয়া রিজিয়া কী?’ প্রশ্নের সঠিক উত্তর হল তিন আয়তন ঘন হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড ও এক আয়তন ঘন নাইট্রিক অ্যাসিডের মিশ্রণ। অথচ এক ছাত্রী লিখেছে, অ্যাকোয়া রিজিয়া হল সুলতানা রিজিয়ার বোন!
খাতার এই অবান্তর বর্ণময়তার পিছনে পরীক্ষার হলে নজরদারির দায়িত্বে থাকা টিচারের নিদ্রালুতা কিংবা উদাসীনতাও অনেকটা দায়ী। বইয়ের পাতা পরীক্ষার্থী হুবহু টুকে দেয় কতটা সুযোগ পেলে ভাবুন! তা সেরকমই এক নির্বোধ নিরেট টুকলিবাজ নোটবুকের পাতা কপি করতে গিয়ে যে ইনস্ট্রাকশন দেওয়া ছিল সেটাও টুকে দিয়ে লিখেছে, ‘৫২ পাতায় ব্র্যাকেটের মধ্যে লেখা অংশটুকু এই উত্তরের শুরুতেই যোগ করে নিতে হবে।’ ঢিলেঢালা টিচারের কারণে পরীক্ষার হলের কী পরিস্থিতি হতে পারে, তার আর এক নমুনা হল, কোনও পরীক্ষার্থী তার মূল খাতার সঙ্গে নিজের একস্ট্রা পেজটা বাঁধতে গিয়ে যার লুজ পেজটা দেখে টুকছিল, সেটা তাড়াহুড়ো করে বেঁধে দিয়েছিল!
পরীক্ষার খাতা সম্পর্কে আর একটা দিক উল্লেখ না করলে এই মজাদার খাতা-গাঁথা অসম্পূর্ণ থেকে যাবে। যথারীতি সেইসব ছাত্রছাত্রীরাই এই মজার জোগান দেয়, যাদের পরীক্ষার হলে লেখার কিছু থাকে না কিংবা পরীক্ষা শুরুর ১০-১৫ মিনিটেই নিজস্ব স্টক শেষ এবং কালেকশনও আর হচ্ছে না। আর তখনই খাতা পরীক্ষকদের কাছে আবদার-আবেদন-নিবেদন জানিয়ে পত্রলেখা। সে এক বিচিত্র সম্ভার! প্রথমে পরীক্ষককে ভগবান, দেবতা... ইত্যাদি ভূষণ, তারপর ‘পায়ে পড়ি স্যার’ গোছের আত্মনিবেদন। অবশেষে পাশ করিয়ে দেওয়ার আবদার বা আবেদন। এই চাওয়াকে জোরদার করতে এক একজন এক একরকম সকরুণ আত্মকথা লিপিবদ্ধ করে। কেউ কেউ আবার করুণা আদায়ের জন্য এই সেন্টিমেন্টাল পথ ছেড়ে ভীতি-সঞ্চারক কথা লিখে চাপের সৃষ্টি করে। এর মধ্যে অন্যতম হল, ‘পাশ না করালে স্যার সুইসাইড করব’। মেয়েদের ক্ষেত্রে একটা আবেদন ইদানীং চালু হয়েছে, ‘পাশ করতে না পারলে স্যার বাবা-মা জোর করে বিয়ে দিয়ে দেবে।’
এর বাইরেও নানা ধরনের পত্রবাণ পরীক্ষকদের জন্য পরীক্ষার খাতায় প্রয়োগ করা হয়। এক সেয়ানা সজাগ উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর রসায়নের খাতায় পাওয়া পত্রটি বিস্মিত করেছিল। সে পাশ করানোর আবেদন অনুরোধ সব জানিয়ে অবশেষে লিখেছিল, ‘আমার জেঠু এবিটিএ-র বড় নেতা, আপনার কাজে লাগতে পারে। এছাড়া দিঘাতে আমাদের এসি হোটেল আছে। আপনি ফ্যামিলি নিয়ে আসলে চিপে করে দেব। আমাদের ফোন নং...’। বাম জমানায় শিক্ষকদের ভালোমন্দ যে এবিটিএ-র হাতে অনেকটা নির্ভর করত, তা ওই সেয়ানা পরীক্ষার্থীর জানা ছিল। শুধু তাই নয়, সে খাতা পরীক্ষককে হোটেলের টোপও দিয়েছিল।
তবে খাতা পরীক্ষককে সরাসরি নগদে ‘ঘুষ’ দিয়ে সন্তুষ্ট করার একটা পদ্ধতি সুদীর্ঘকালের এবং সেটা হল খাতার ভিতরে দশ-বিশ-পঞ্চাশ-একশো টাকার নোট পিন করে দেওয়া। পাশ করলে আরও টাকা দিতে প্রস্তুত বলে ছাত্রছাত্রীরা অনেক সময় ওই খাতাতেই নিজস্ব ঠিকানাসহ অঙ্গীকার করে বসে!
খাতাকে ঘিরে গড়ে ওঠা এই রঙ্গ-তামাশায় মাস্টারমশাইদের অবদানও অবশ্য কম নয়। এমনিতে বেশিরভাগ টিচারেরই খাতা দেখায় বিরাট অনীহা। বছরের পর বছর স্কুলের খাতা দেখা তো আছেই তার ওপর এই মা-উমার পরীক্ষার খাতা। তবে বেশ কিছু টিচারের অবশ্য স্কুলের খাতা দেখার বিরক্তি থাকলেও মা-উমার খাতা দেখতে প্রবল উৎসাহ। কারণ, খাতা পিছু দক্ষিণা বরাদ্দ আছে যে! যত বেশি খাতা দেখা যাবে, তত বেশি দক্ষিণা! নিজের চোখে দেখেছি, একজন টিচার এরকম একটা খাতা দেখা শেষ করছেন আর বলছেন, ‘এই এক কেজি আলুর দাম উঠল, এক কেজি পটলের দাম, এক ডজন ডিমের দাম...।’ আলু-পটল ছাড়িয়ে বাড়ির কোনও দামি অ্যাসেট তৈরির লালসায় ফি বছর একজন স্যার তিনজন প্রাক্তন ছাত্রকে দিয়ে বিপুল সংখ্যক খাতা দেখিয়ে নেয় বলে শুনেছি। বোর্ড বা কাউন্সিলের খাতা দেখার উত্তেজনা বা গৌরব একদিকে, অন্যদিকে স্যারের সেবা করার কৃতজ্ঞতা, এই দুইয়ের কারণে প্রাক্তন ছাত্ররা গাদা গাদা খাতা দেখে দেয় (প্রধান পরীক্ষককে অনুরোধ করে এই বিপুল সংখ্যক খাতা জোগাড় করা অতি সহজ একটি প্রক্রিয়া!) আর মোটা টাকা যায় স্যারের অ্যাকাউন্টে। টিচারের এই ধরনের গর্হিত অপরাধ ঠেকাতে স্কুলে বসে সবার খাতা দেখা বাধ্যতামূলক করা কেন যে হচ্ছে না ব্রহ্মা জানেন!
খাতার ব্যাপারে শিক্ষকের ক্যালাসনেসেরও আবার বহু নমুনা পাওয়া যায়। তবে খাতা হারানোটা চরমতম। হারাবার পর উদ্ধার হওয়াটাও ফি বছরের ঘটনা! আর একটা ঘটনার কথা মনে পড়ছে। এক শিক্ষিকা তার ছোট সন্তানটিকে কোলে নিয়ে খাতা দেখছিলেন। টয়লেট পাওয়ায় তিনি সোনামনাকে পেনটা হাতে দিয়ে বসিয়ে রেখে যান। ফিরে এসে দেখেন সোনা পটি করে খাতা মাখিয়ে ফেলেছে। খাতা ধোয়াও যাচ্ছে না, অথচ মূল্যবান অক্ষররাজি হলুদাবৃত। মোছামুছি করে সেই খাতাকে কীভাবে সে স্ক্রুটিনাইজারের কাছে পেশ করেছিলেন, তিনিই জানেন! প্রয়াত এক কবি বাংলার শিক্ষক ছিলেন। তিনি আবার হিন্দি সিনেমার ব্যতিক্রমী নায়ক নানা পাটেকরের প্রবল ভক্ত। কাছে থেকে একবার তাঁর খাতা দেখা দেখে চক্ষু চড়কগাছ। তিনি একজনকে নায়কের বিভিন্ন সিনেমার অংশবিশেষ তুলে নিয়ে উত্তেজিত হয়ে ব্যাখা দিচ্ছিলেন, আর সামনে রাখা উচ্চমাধ্যমিকের খাতায় লাল ডট পেন দিয়ে আঁচড় কাটছিলেন, নম্বর বসাচ্ছিলেন। খাতায় কী লেখা আছে, আদৌ তা নিয়ে মাথাব্যথা নেই!
প্রথমবার মা-উমার খাতা দেখার সুযোগ পাওয়া কিছু কচি টিচারের আবার বিপজ্জনক বদগুণ দেখা যায়। সেটা হল দেখনদারি স্বভাব। বেআইনি হলেও ট্রেনে বাসে ভিড়ের মধ্যে সিট পেয়ে বসে সকলকে দেখিয়ে খাতা দেখা, যেন বিরাট কোনও কাজ করছেন!
সদ্য বিবাহিত এক শিক্ষক প্রথমবার শ্বশুরবাড়ি যাচ্ছেন। এক হাতে রসগোল্লার হাঁড়ি, অন্য হাতে মাধ্যমিকের খাতা ভরা ব্যাগ। ভালোমন্দ খাওয়া আর সুযোগ পেলে শ্বশুর, শাশুড়ি, শালা, শালীদের দেখিয়ে খাতা দেখা। মাধ্যমিকের খাতা দেখা জামাইয়ের কদর এক লাফে কয়েকগুণ বৃদ্ধি! খাতা দেখার ক্ষেত্রে শিক্ষকদের স্বাভাবিক চাহিদা খাতাগুলো যেন ভালো মানের হয়, যাতে দেখে আরাম হয়। আবার বহু শিক্ষককে বলতে শুনেছি খাতা যত খারাপ, মানে কিছুই লেখা নেই, তত তাঁরা খুশি। কারণ খাতা দেখতে হবে কম, অথচ ভরা খাতার মতোই খাতা পিছু দক্ষিণা একই!
খাতা-গাঁথার আর একটা উল্লেখযোগ্য দিক হল পরীক্ষার্থীদের খাতায় কত বেশি নম্বর দেওয়া যায়, সেই দায়িত্ব পালন করা। যারা ফেল করবেই তাদের পাশ করাতেই হবে, এটা এখনকার পরীক্ষকদের মহান দায়িত্ব যেন। পরীক্ষকদের খাতা বণ্টনের সময় প্রধান পরীক্ষক পইপই করে শিখিয়ে দেন, যেন কেউ নম্বর দিতে পিছপা না হন। এও বলে দেওয়া হয় কেউ শূন্য পেলে তার ঝামেলা সেই পরীক্ষককেই পোহাতে হবে। অতএব শূন্য নৈব নৈব চ। অনেক শিক্ষককে দেখেছি তাঁরা খাতা দেখার সময় বিভিন্ন ধরনের নীল কালির ও কালো কালির পেন নিয়ে বসেন। উদ্দেশ্য হল, পরীক্ষার্থীর লেখার কালির সঙ্গে মিলিয়ে এমসিকিউ ধাচের ভুল উত্তরগুলিকে সঠিক করে দিয়ে নম্বর বসানো। অনেক সময় পরীক্ষার্থীর হাতের লেখা নকল করে পরীক্ষক খাতায় উত্তর লিখে দিয়েও পাশমার্ক তোলার বন্দোবস্ত করেন। ‘যার জন্য করলাম চুরি সেই বলে চোর’—এরকম পরিণতিও কপালে জুটেছে ‘উপকারী’ পরীক্ষকের। উচ্চমাধ্যমিকের এক ছাত্রী হাইকোর্টে কেস করে এই বলে যে, সে অঙ্কে কিছুতেই এত নম্বর পেতে পারে না যা তাকে দেওয়া হয়েছে। কোর্টে খাতা যাচাই করে দেখা গিয়েছিল, সত্যিই তার উপর পরীক্ষক করুণা করে অতিরিক্ত নম্বর দিয়েছিলেন।
খাতা-দেখা-গাঁথা অসম্পূর্ণ থেকে যাবে যদি না ‘হি’ সম্পর্কে কিছু না বলা হয়। হি মানে HE, মানে হেড এক্সামিনার। প্রতিটি সাবজেক্টের এই হি-ম্যানরাই হলেন এক একজন হোতা। তার অধীনে ৩০-৩৫ জন পরীক্ষক। প্রত্যেকের কাছে তাঁর বহুত কদর। কদরের কারণ মূলত দুই। এক, হি-কে ঠিকঠাক পটাতে পারলে পরীক্ষক বাড়ির পাশে থাকলেও কুড়ি কিলোমিটারের টিএ বিল করিয়ে নিতে পারেন। দুই, অন ডিউটিগুলি নিজের মতো করে গুছিয়ে নেওয়া। এই অন ডিউটি নিয়ে কত যে কাহিনি! অন ডিউটি নিয়ে সবথেকে কমন অনাচারটি হল হেড এক্সামিনারকে ম্যানেজ করে খুব সকালে কিংবা রাতে খাতা সংগ্রহ করা এবং দেখা খাতা জমা দেওয়া, এরপর সারাদিন ছুটি উপভোগ করা। দ্বিতীয়টি হল পর্ষদ বা সংসদ নির্ধারিত অন ডিউটির ডেটগুলি পালটে নিজের প্রয়োজনমতো করে নেওয়া।
হি-ম্যানের আর একটা রেওয়াজ, তাঁর অধীনস্থ সব পরীক্ষার্থীদের চা, ঠান্ডা পানীয় এবং মিষ্টির প্যাকেটের বন্দোবস্ত করা। সরকারিভাবে এর জন্য টাকা বরাদ্দ থাকে। এই জলযোগ নিয়েও বিচিত্র সব গোলযোগ, নানা মজার কাহিনি। অনেক হি-ম্যান আছেন একটা বাতাসা না খাইয়েও পুরো টাকাটা নিজেদের ভোগে চালিয়ে দেন। আবার হয়তো সুন্দর প্যাকেট, অথচ খুলে দেখা গেল একটা ন্যাতানো নিমকি কিংবা মুদি দোকানের লালাভ লাড্ডু একটা মাত্র!
খাতা দেখাকে জড়িয়ে এরকম আরও নানা মজার কাহিনি আছে। আপাতত শেষ করছি এক লোভী হি-ম্যানের কাণ্ড দিয়েই। আগেই বলেছি বহু পরীক্ষার্থী পাশ করানোর আবেদন-নিবেদন জানিয়ে খাতার সঙ্গে বিভিন্ন অঙ্কের টাকা পিন আপ করে দেয়। আলোচ্য হি-ম্যান ফি বছর শোনেন তাঁর অধীনস্থ বেশ কয়েকজন পরীক্ষক সেরকম খাতা পেয়েছেন। অবশেষে তিনি লোভ সামলাতে না পেরে এক বছর একটা মতলব করলেন। মাধ্যমিকের প্রায় চার হাজার খাতা তাঁর অধীনস্থ জনা চল্লিশ পরীক্ষককে ভাগ করে দেওয়ার আগেই সব প্যাকেট খুলে প্রত্যেকটা খাতার প্রত্যেকটা পৃষ্ঠায় টাকার খোঁজ চালালেন। দুর্ভাগ্য এমনই যে, এই অমানবিক পরিশ্রমের পর একটাও টাকা-বদ্ধ খাতার দেখা তিনি পাননি। তবে রেখে গিয়েছেন এক অবিস্মরণীয় দৃশ্য: চারদিকে খাতার পাহাড়। মাঝখানে বসা ঘেমে নেয়ে ব্যর্থ বিধ্বস্ত এক হি-ম্যান, শুধু অশ্রুপাতটুকুই ধরে রাখতে যেন সফল।
কার্টুন : সেন্টু
গ্রাফিক্স : সোমনাথ পাল
সহযোগিতায় : স্বাগত মুখোপাধ্যায়
28th  May, 2017
ইন্দিরা ১০০
প্রণব মুখোপাধ্যায়

ঐতিহাসিক এক সময়ের সন্ধিক্ষণে আজকের দিনে জন্মেছিলেন ইন্দিরা গান্ধী। ১০০ বছর আগে। প্রায় একই সময়ে ‘বলশেভিক’ আন্দোলনে কেঁপে উঠেছিল সারা পৃথিবী। ভারতও ঠিক ওই বছরই মহাত্মা গান্ধীর নেতৃত্বে ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে পূর্ণ উদ্যমে লড়াইয়ের জন্য তৈরি হয়। ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের উদ্যোগে স্বাধীনতা সংগ্রামে ওতপ্রোতভাবে অংশ নিয়েছিলেন ইন্দিরা গান্ধীর ঠাকুরদা এবং বাবা। সেই পরিবারেরই মেয়ে হয়ে জন্মান ইন্দিরা গান্ধী।
বিশদ

19th  November, 2017
শোনপুর মেলা
মৃন্ময় চন্দ

খ্রিস্টপূর্ব ৩৪০ থেকে ২৯৭। চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য এসেছেন শোনপুরের মেলায়। সৈন্যবাহিনীর জন্য হাতি কিনবেন। পদব্রজে নাকি এসেছেন ফা-হিয়েন ও হিউয়েন সাং! এসেছেন গন্ধর্ব প্রধান হু হু ও পাণ্ডস্যের রাজা ইন্দ্রদ্যুম্ন। অভিসম্পাত-গ্রস্ত গজ-গ্রহ রূপী তাদের মরণপণ যুদ্ধে শোনপুরের হরিহরক্ষেত্রে আগমন ঘটেছে হরি এবং হরের। কালক্রমে শোনপুর মেলা হয়ে উঠেছে দেবক্ষেত্র। অতুলনীয়, ব্যতিক্রমী শোনপুর মেলার আছে কেবলই দারিদ্রের ঐশ্বর্য। সাধারণ মানুষ এই মেলার প্রতিভূ। এ মেলায় তাই সবাই রাজা। সকলে স্বাগত!
বিশদ

12th  November, 2017
’৪২-এর ভারত ছাড়ো আন্দোলনের ৭৫ বছর 

অমর মিত্র: ক্রিপস মিশন ব্যর্থ হয়েছিল। সেখানে পূর্ণ স্বরাজের বার্তা ছিল না বলে। আর কংগ্রেস চেয়েছিল, গান্ধীজি চেয়েছিলেন স্বাধীন ভারত। যে কারণে ৭৫ বছর আগে শুরু হয় ইংরেজ ভারত ছাড়ো আন্দোলন। সেই গান্ধীজিরই নেতৃত্বে।  
বিশদ

05th  November, 2017
জগদ্ধাত্রী
নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

 জগদ্ধাত্রী ঠাকুরের রূপ-কল্পনা এবং পুজোবিধি থেকেই বোঝা যায় যে, জগদ্ধাত্রী পুজোর সৃষ্টিই হয়েছে দুর্গাপুজোর পরিপূরণী সমব্যথার কারণে। তবে হ্যাঁ, বিশেষত্ব একটা আছে এবং সেই বিশেষত্ব তাঁর নামেই লুকানো আছে।
বিশদ

29th  October, 2017
সাম্প্রতিক বাংলা থিয়েটার: কিছু কথা
ব্রাত্য বসু

থিয়েটারের অর্থনীতি আসলে দু’রকম। প্রথমটি হল দলের অর্থনীতি। দ্বিতীয়টি হল দলের সদস্যদের ব্যক্তিগত অর্থনীতি। দলের অর্থনীতি প্রধানত তিনটি বিষয়ের ওপর নির্ভরশীল। প্রথমত, সরকারি গ্রান্ট তথা অনুদান।
বিশদ

22nd  October, 2017
চিরদুঃখী অতুলপ্রসাদ সেন
প্রণব কুমার মিত্র

লখনউয়ের বিখ্যাত ব্যারিস্টার এ পি সেন সাহেব বা অতুলপ্রসাদ সেন কোর্টের পর গাড়ি থেকে নেমে বাড়ির সদর দরজা পেরিয়ে সুন্দর সবুজ লনের এককোণে দেখলেন দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। আর সেই আগুনে এক এক করে দামি দামি স্যুট, জামাকাপড় পোড়াচ্ছেন তাঁরই সহধর্মিণী হেমকুসুম। কয়েকদিন দু’জনের অশান্তি চলছিল।
বিশদ

22nd  October, 2017
আতশবাজির ইতিকথা
বারিদবরণ ঘোষ

আকাশের গায়ে বারুদের গন্ধটা কালীপুজোর মরশুমে খুব চেনা। তা সে কাঠকয়লার সঙ্গে সোরা মেশানো হলদে আলো হোক কিংবা বুড়িমার চকোলেট। আগ্নেয়াস্ত্র সরবরাহকারীদের হাত ধরে আতশবাজির সৃষ্টি। যা আজও আনন্দ দিয়ে চলেছে মানবমননকে। বিশদ

15th  October, 2017
বিজয়া স ম্মি ল নী 

‘মা’কে তাড়ানোর কোনও তাড়া যে তখন ছিল না! ছিল না মোবাইলে মজে শারদ মাধুর্যকেই উপেক্ষা করার বাতিক। রক্তের সম্পর্কের থেকে খুব কম যেতেন না পাড়ার দাদারা। সে যেন একটাই পরিবার। আর সেই পরিবারের সবে মিলে বিজয়া সম্মিলনী। কখনও মঞ্চে হাজির শ্যামলদা, কখনও বা মানবেন্দ্র। তাঁরাও যে কাছেরই মানুষ! নিছক ‘সাংসকিতিক সন্ধা’ নয়, বিসর্জনের বিষণ্ণতাকে সাক্ষী করে শারদ বাতাস যেন তখন বলত, শুভ বিজয়া। 
বিশদ

08th  October, 2017
সাত বাড়ি আর এক বারোয়ারি 

প্রফুল্ল রায়: তখনও দেশভাগ হয়নি। অখণ্ড বঙ্গের পূর্ব বাংলায় ঢাকা ডিস্ট্রিক্টের একটা বিশাল গ্রামে ছিল আমাদের আদি বাড়ি। প্রজন্মের পর প্রজন্ম আমরা সেখানে কাটিয়েছি। পদ্মা, মেঘনা, ধলেশ্বরী, কালাবদর, আড়িয়াল খাঁ এবং শত জলধারায় বহমান আরও নদ-নদী, খাল-বিল, শস্যক্ষেত্র। অজস্র পাখপাখালি, আম জাম হিজল আর সুপারি বনের সারি, সব মিলিয়ে পূর্ববাংলা ছিল এক আশ্চর্য স্বপ্নের দেশ।
বিশদ

24th  September, 2017
অকাল বোধন 

নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ি: ‘অকাল’ শব্দটির মধ্যে একটা অদ্ভুত এবং প্রায় বিপরীত ব্যঞ্জনা আছে। যেমন একটি কৈশোরগন্ধি যুবক ছেলেকে যদি বলি ‘অকালপক্ব’, তাহলে অবধারিতভাবে কথাটির মানে দাঁড়াবে যে, ছেলেটির যা বয়স এবং তদনুযায়ী যা তার বিদ্যাবুদ্ধি হওয়া উচিত কিংবা বয়স অনুযায়ী তার যা কথাবার্তার ধরন তৈরি হওয়া উচিত, তার চাইতে বেশি বয়সের বহু-অভিজ্ঞ মানুষের মতো সে কথা বলছে, বা তেমন ভাবসাব দেখাচ্ছে।
বিশদ

24th  September, 2017
বিশ্বকর্মা
সন্দীপন বিশ্বাস

তিনি দেবশিল্পী। দেবকুলের সকল কর্মের সাধক। রাবণের স্বর্ণলঙ্কা, শ্রীকৃষ্ণের দ্বারকাপুরী, কিংবা হস্তিনাপুর—তঁার শিল্পছেঁায়ায় সব স্থাপত্যই পৌরাণিক উপাখ্যানে অমরত্ব লাভ করেছে। কখনও তিনি তৈরি করছেন হরধনু, কখনও বজ্র। যার সাহায্যে দুষ্টের দমন করেছেন দেবগণ।
বিশদ

17th  September, 2017
শিকাগো বিজয় ১২৫
তাপস বসু

১২৫ বছর আগে এক তরুণ সন্ন্যাসী সীমিত ক্ষমতা নিয়ে পাড়ি দিয়েছিলেন সাগরপারে। শিকাগোর এক ধর্ম সম্মেলনে যদি পেশ করা যায় বৈদিক দর্শনের বিস্তারকে। শত বাধা পেরিয়ে মঞ্চে দঁাড়িয়ে আমেরিকার মানুষকে এক লহমায় করে ফেলেছিলেন ‘ভ্রাতা ও ভগিনী’। আজ ফিরে দেখা সেই স্বামী বিবেকানন্দকে। যঁার শিক্ষা আজও সমাজের ভিত্তিপ্রস্তর।
বিশদ

10th  September, 2017
 সেইসব শিক্ষক
কল্যাণ বসু

যখন আমরা ভাবি সব জেনে গিয়েছি, ঠিক সেই মুহূর্ত থেকে আমাদের শেখা বন্ধ হয়ে যায়... বলেছিলেন সর্বপল্লি রাধাকৃষ্ণণ। যাঁর জন্মদিন পালিত হয় শিক্ষক দিবস হিসাবে। স্বনামধন্য বহু ব্যক্তির শিক্ষকরাও যে ছিলেন এমনই! কেউ প্রচারের আলোয় এসেছেন, কেউ আসেননি। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর থেকে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। সবারই এমন মহান শিক্ষকদের সান্নিধ্য পাওয়ার সৌভাগ্য হয়েছিল।
বিশদ

03rd  September, 2017
দুশো বছরের বাংলা কাগজ

 দিগদর্শন, বাঙ্গাল গেজেট ও সমাচার দর্পণের লেখনিতে ভর করে যে যাত্রা শুরু হয়েছিল, তার দ্বিশতবর্ষ পূর্ণ হচ্ছে। বাংলা খবরের কাগজ কখনও হয়ে উঠেছে সাম্রাজ্যবাদী ব্রিটিশ শক্তিকে নাস্তানাবুদ করার হাতিয়ার, কখনও অন্তর্জলি যাত্রার মতো সামাজিক রোগের মারণ ওষুধ, আবার কখনও পরিবর্তনের ঝড়। গঙ্গাকিশোর ভট্টাচার্য, দাদাঠাকুরদের সাহসী কলমের সে ভার বহন করে এসেছেন সন্তোষকুমার ঘোষ, গৌরকিশোর ঘোষ এবং বরুণ সেনগুপ্তরা। ২০০ বছর পরও তাই বাংলা সংবাদপত্র একইরকম নবীন।
বিশদ

27th  August, 2017
একনজরে
বিএনএ, আসানসোল: ট্রেনে যাত্রীদের সুরক্ষা বাড়াতে ‘স্পেশাল টিম’ তৈরি করেছে আরপিএফ। সম্প্রতি আরপিএফের আইজি বিনোদ কুমার দাকা আসানসোলে বৈঠক করতে এসে টিম তৈরির ব্যাপারে নির্দেশ দিয়ে গিয়েছেন। রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, এই স্পেশাল টিমের কাজ হবে ট্রেনে অপরাধমূলক ঘটনা কমানো। ...

সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: আলিপুরদুয়ার জেলার বক্সা পাহাড়ের ১৩টি পাহাড়ি গ্রাম এবং সমতলে থাকা সান্তলাবাড়ি ও জয়ন্তীকে নিয়ে বক্সাদুয়ার নামে একটি আলাদা করে গ্রাম পঞ্চায়েত গঠনের দাবিতে বিজেপি আন্দোলনে নামার প্রস্তুতি নিয়েছে। ...

 বেজিং, ২০ নভেম্বর (পিটিআই): একাধিক পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম দূরপাল্লার নতুন ক্ষেপণাস্ত্র ‘ডংফেং-৪১’ সম্ভবত আগামী বছরই চীনের সেনা অস্ত্রভাণ্ডারে যুক্ত হতে চলেছে। এই ক্ষেপণাস্ত্রটি ‘ম্যাক ১০’-এর থেকে অনেক বেশি গতিসম্পন্ন। এটি একসঙ্গে ১০টি পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম। ...

 শ্রীনগর, ২০ নভেম্বর (পিটিআই): ফের কাশ্মীরে বাবা-মায়ের আবেদনে সাড়া দিয়ে বাড়ি ফিরল জঙ্গি সংগঠনে যোগ দেওয়া এক যুবক। দক্ষিণ কাশ্মীরের বাসিন্দা ওই যুবকের নাম, ঠিকানা ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

প্রেম-প্রণয়ে কিছু নতুনত্ব থাকবে যা বিশেষভাবে মনকে নাড়া দেবে। কোনও কিছু অতিরিক্ত আশা না করাই ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব টেলিভিশন দিবস
১৬৯৪: ফরাসি দার্শনিক ভলতেয়ারের জন্ম
১৯৭০: নোবেলজয়ী পদার্থবিদ চন্দ্রশেখর বেঙ্কটরামনের মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৪.২০ টাকা ৬৫.৮৮ টাকা
পাউন্ড ৮৪.৯০ টাকা ৮৭.৭৯ টাকা
ইউরো ৭৫.৪৪ টাকা ৭৮.০৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩০,১৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৮,৬৩৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৯,০৬৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪০,১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪০,২০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৪ অগ্রহায়ণ, ২০ নভেম্বর, সোমবার, দ্বিতীয়া রাত্রি ৯/৩৬, নক্ষত্র-জ্যেষ্ঠা রাত্রি ১২/৪৮, সূ উ ৫/৫৬/২৫, অ ৪/৪৮/৪, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৭/২৩ মধ্যে পুনঃ ৮/৫০ গতে ১১/০ মধ্যে। রাত্রি ঘ ৭/২৬ গতে ১০/৬ মধ্যে পুনঃ ২/২৭ গতে ৩/১৯ মধ্যে, বারবেলা ঘ ৭/১৮ গতে ৮/৪০ মধ্যে পুনঃ ২/৫ গতে ৩/২৬ মধ্যে, কালরাত্রি ৯/৪৪ গতে ১১/২২ মধ্যে।
৩ অগ্রহায়ণ, ২০ নভেম্বর, সোমবার, দ্বিতীয়া রাত্রি ৭/৪২/২৮, জ্যেষ্ঠানক্ষত্র ১১/৫৫/৩৬, সূ উ ৫/৫৬/৫৮, অ ৪/৪৬/৫৮, অমৃতযোগ দিবা ৭/২৩/৩৮, ৮/৫০/১৮-১১/০/১৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/২৪/৫৮-১০/৫৫/১৮, ২/২৫/৩৭-৩/১৮/১৮, বারবেলা ২/৪/২৮-৩/২৬/৪৩, কালবেলা ৭/১৮/১৩-৮/৩৯/২৮, কালরাত্রি ৯/৪৩/১৩-১১/২১/৫৮। 
৩০ শফর

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
 কালিয়াগঞ্জে দাশমুন্সি ভবন ঘুরে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় কালিয়াগঞ্জের দলীয় পার্টি অফিসে। এরপর সেখান থেকে নিয়ে আসা হয় রায়গঞ্জে। এখানে কংগ্রেস কার্যালয়ে অগুন্তি সমর্থক ও প্রিয়জনদের শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের পর অন্ত্যেষ্টির জন্য শ্মশানের উদ্দেশ্যে রওনা হবে।

07:25:00 PM

কলকাতায় গ্রেপ্তার ৩ জন আল কায়দা জঙ্গি
আজ কলকাতা স্টেশন থেকে ৩ জন আল কায়দা ...বিশদ

06:07:00 PM

 কালিয়াগঞ্জের উদ্দেশ্যে শেষযাত্রায় প্রিয়
প্রিয়রঞ্জনের মরদেহ দিয়ে হেলিকপ্টার পৌঁছাল রায়গঞ্জে। সেখান থেকে ...বিশদ

05:16:00 PM

  ফের সাংবাদিক খুন ত্রিপুরায়
মাস দুয়েকের মধ্যে ফের সাংবাদিক খুনের ঘটনা ঘটল ত্রিপুররায়। এবার ...বিশদ

05:13:45 PM

ট্রেনের সময়সূচি বদল 
ডাউন ট্রেন দেরিতে আসার কারণে

১৩০০৯ আপ হাওড়া-দেরাদুন ...বিশদ

04:02:00 PM