প্রচ্ছদ নিবন্ধ
 

খাতা দেখা 

বসন্ত কড়া নাড়লেই বুঝতে হবে মা-উমা খুব দূরে নেই। অর্থাৎ মাধ্যমিক-উচ্চ মাধ্যমিক। ভাবা যায়, একটা রাজ্যে মাধ্যমিক-উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৮ লক্ষের বেশি? আর এই দুই পরীক্ষা শেষ হতেই রাজ্যের আনাচে কানাচে হাজার হাজার স্কুল টিচারের গৃহকোণে শুরু হয়ে যায় কুটির শিল্প—খাতা দেখা। মাধ্যমিকে ৭০ লক্ষের বেশি এবং উচ্চ মাধ্যমিকে ৪৮ লক্ষের বেশি, সব মিলিয়ে খাতার সংখ্যা প্রায় ১ কোটি ১৮ লক্ষ। এই বিপুলতার মধ্যে কত বিচিত্র কাহিনি গড়ে উঠবে... সমৃদ্ধ করবে এই খাতা এবং খাতা দেখার সুদীর্ঘ রসাল ইতিহাসকে!
কল্যাণ বসু: ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষার সময়কার কথা। সেবার বাংলা পরীক্ষায় রচনা এসেছিল ‘শিক্ষায় গৃহশিক্ষকের দান’। শ্রীপান্থ মহাশয়ের পরীক্ষক বন্ধু এক পরীক্ষার্থীর খাতা তাঁকে দেখিয়েছিলেন। সেই খাতার অমূল্য রচনাটির কপিরাইটকে মর্যাদা দিয়ে শ্রীপান্থ তাঁর একটা লেখায় তা হুবহু তুলে ধরেছিলেন। এখানেও সেটা হুবহু তুলে ধরছি।—
‘‘সংজ্ঞা:
গৃহশিক্ষক এক ধরনের শিক্ষক। ইঁহারা কাহারও গৃহে থাকিয়া বা যাইয়া বিদ্যাশিক্ষা দেন। শিক্ষা দান ইঁহাদের কর্তব্য।
ইতিহাস:
এই দেশে গৃহশিক্ষকেরা কবে কোথা হইতে আসিয়াছেন, তাহা এখনও সঠিকভাবে নির্ধারিত হয় নাই। অনেকে অনুমান করেন—প্রাচীনকালে ঋষিগণ যখন আশ্রম হইতে বিতাড়িত হন, তখন তাঁহারা লোকালয়ে ছড়াইয়া পড়েন এবং তখন হইতেই ছাত্রগণ গুরুগৃহে যাইয়া পড়াশুনা করিবার পরিবর্তে গুরুগণ ছাত্রগৃহে অধিষ্ঠিত হন।
আকৃতি ও প্রকৃতি:
গৃহশিক্ষকেরা দেখিতে অন্যান্য শিক্ষকদের মতোই। সকলের চেহারা একরূপ নহে, পোশাকও বিভিন্ন। কেহ ভীষণ নোংরা জামাকাপড় পরিধান করেন, কেহ আবার খুব বাবু। অনেকে আবার প্যান্ট পরেন।
তবে প্রকৃতিতে ইঁহারা সকলেই সমান শান্ত ও বিনয়ী। স্কুল-কলেজের শিক্ষকদের সঙ্গে এখানেই ইঁহাদের পার্থক্য।
উপকারিতা:
গৃহশিক্ষক খুব উপকারী। কোনও কিছুতে ঠেকিয়া গেলে উঁহারা তাহা দেখাইয়া দেন। তাহাতে ছাত্রছাত্রীদের উপকার হয়।
অপকারিতা:
গৃহশিক্ষকের অপকারিতা এই যে, তাঁহারা অনেকদিন থাকিলে আস্কারা পাইয়া যান। তখন ইঁহারা ‘গার্জেন’ হইয়া উঠিতেও চেষ্টা করেন।
উপসংহার:
মোট কথা, গৃহশিক্ষক বাংলার অন্যতম কুটিরশিল্প। সরকার এবং জনসাধারণের উচিত, অবিলম্বে ইঁহাদের প্রতি সমুচিত মনোযোগ প্রদান করা।’’
রচনাটি পড়ে শ্রীপান্থ মহাশয়ের মনে হয়েছিল, ছাত্রটি যারপরনাই দূরদৃষ্টিসম্পন্ন। শুধু তাই নয়, লেখাটি পড়ে তিনি ছাত্রদের সম্পর্কে নতুন করে আশাবাদী হয়ে উঠেছিলেন!
অনেক সময় টিচার কিংবা অভিভাবকদের উপদেশ ও পরামর্শেও ছাত্রছাত্রীরা পরীক্ষার খাতায় নানা রকম ‘দূরদৃষ্টিতা’র পরিচয় দেয়। আবার এও পরীক্ষিত সত্য যে, পরীক্ষার্থী পড়াশুনোয় যত খারাপ, পরীক্ষার খাতায় তত উদ্ভাবনশীল। যাই হোক, বর্ণনামূলক প্রশ্নের উত্তরে, বিশেষ করে ইতিহাসের ক্ষেত্রে এটা সুদীর্ঘকালের প্রচলিত ধারণা যে যত বেশি পৃষ্ঠা তত নম্বর। ‘পলাশীর যুদ্ধ সম্পর্কে যাহা জানো লেখো’ জাতীয় প্রশ্নের উত্তরে এক ছাত্র লিখেছিল—‘পলাশীর আম বাগান। ডালে ডালে ঝুলছিল হিমসাগর, ফজলি, ল্যাংড়া আরও কত রকমের আম। বাগানের ওই প্রান্ত থেকে আসছিল ক্লাইভের সৈন্য, এদিক থেকে যাচ্ছিল সিরাজদুল্লার বাহিনী। দুই দলই কামান থেকে গোলা ছুড়ছে—গুরুম, গুরুম, গুরুম...গুরুম, গুরুম, গুরুম...গুরুম, গুরুম...’। পরীক্ষার হলের শিক্ষক দেখছেন মিনিটের মধ্যে পৃষ্ঠা শেষ করছে শুধু গুরুম, গুরুম লিখে। কয়েকটা পৃষ্ঠা এভাবে চলার পর শিক্ষক পর্ষদ-প্রেরিত আধিকারিকের সঙ্গে পরামর্শ করে পৃষ্ঠা দেওয়া বন্ধ করলেন। গুণধর ছাত্রটি কিছুক্ষণ তর্কাতর্কি করে উত্তরটি শেষ করে এই লিখে—‘স্যার আর পৃষ্ঠা না দেওয়ায় যুদ্ধ এখানেই শেষ হইল।’
যাহা জানো লেখো টাইপের প্রশ্নের বিপরীত মেরুতে আছে টু দ্য পয়েন্ট উত্তর দাও গোছের প্রশ্ন। যেমন, পানিপথের দ্বিতীয় যুদ্ধ সম্পর্কে অনধিক পাঁচটি বাক্যে উত্তর চাওয়া হলে এক পরীক্ষার্থী লিখেছে, ‘এই যুদ্ধ পানিপথ নামক স্থানে ঘটিয়াছিল। এই যুদ্ধ দুই পক্ষের মধ্যে ঘটিয়াছিল। এই যুদ্ধ পানিপথের প্রথম ও তৃতীয় যুদ্ধের মধ্যবর্তী ছিল। এই যুদ্ধে প্রচুর রক্তপাত ঘটিয়াছিল। এই যুদ্ধে এক পক্ষ জয়ী হইয়াছিল এবং অন্য পক্ষ পরাজিত হইয়াছিল।’ লক্ষ করলে দেখা যাবে, পরীক্ষার্থী ঠিক পাঁচটি বাক্যই ব্যবহার করেছে এবং কোনওটিই ভুল নয়!
এমন খাতাও পাওয়া যায়, যা দেখে বোঝা যাবে না যে পরীক্ষার্থী বিজ্ঞান পরীক্ষা দিচ্ছে, নাকি ইতিহাস! ‘অ্যাকোয়া রিজিয়া কী?’ প্রশ্নের সঠিক উত্তর হল তিন আয়তন ঘন হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড ও এক আয়তন ঘন নাইট্রিক অ্যাসিডের মিশ্রণ। অথচ এক ছাত্রী লিখেছে, অ্যাকোয়া রিজিয়া হল সুলতানা রিজিয়ার বোন!
খাতার এই অবান্তর বর্ণময়তার পিছনে পরীক্ষার হলে নজরদারির দায়িত্বে থাকা টিচারের নিদ্রালুতা কিংবা উদাসীনতাও অনেকটা দায়ী। বইয়ের পাতা পরীক্ষার্থী হুবহু টুকে দেয় কতটা সুযোগ পেলে ভাবুন! তা সেরকমই এক নির্বোধ নিরেট টুকলিবাজ নোটবুকের পাতা কপি করতে গিয়ে যে ইনস্ট্রাকশন দেওয়া ছিল সেটাও টুকে দিয়ে লিখেছে, ‘৫২ পাতায় ব্র্যাকেটের মধ্যে লেখা অংশটুকু এই উত্তরের শুরুতেই যোগ করে নিতে হবে।’ ঢিলেঢালা টিচারের কারণে পরীক্ষার হলের কী পরিস্থিতি হতে পারে, তার আর এক নমুনা হল, কোনও পরীক্ষার্থী তার মূল খাতার সঙ্গে নিজের একস্ট্রা পেজটা বাঁধতে গিয়ে যার লুজ পেজটা দেখে টুকছিল, সেটা তাড়াহুড়ো করে বেঁধে দিয়েছিল!
পরীক্ষার খাতা সম্পর্কে আর একটা দিক উল্লেখ না করলে এই মজাদার খাতা-গাঁথা অসম্পূর্ণ থেকে যাবে। যথারীতি সেইসব ছাত্রছাত্রীরাই এই মজার জোগান দেয়, যাদের পরীক্ষার হলে লেখার কিছু থাকে না কিংবা পরীক্ষা শুরুর ১০-১৫ মিনিটেই নিজস্ব স্টক শেষ এবং কালেকশনও আর হচ্ছে না। আর তখনই খাতা পরীক্ষকদের কাছে আবদার-আবেদন-নিবেদন জানিয়ে পত্রলেখা। সে এক বিচিত্র সম্ভার! প্রথমে পরীক্ষককে ভগবান, দেবতা... ইত্যাদি ভূষণ, তারপর ‘পায়ে পড়ি স্যার’ গোছের আত্মনিবেদন। অবশেষে পাশ করিয়ে দেওয়ার আবদার বা আবেদন। এই চাওয়াকে জোরদার করতে এক একজন এক একরকম সকরুণ আত্মকথা লিপিবদ্ধ করে। কেউ কেউ আবার করুণা আদায়ের জন্য এই সেন্টিমেন্টাল পথ ছেড়ে ভীতি-সঞ্চারক কথা লিখে চাপের সৃষ্টি করে। এর মধ্যে অন্যতম হল, ‘পাশ না করালে স্যার সুইসাইড করব’। মেয়েদের ক্ষেত্রে একটা আবেদন ইদানীং চালু হয়েছে, ‘পাশ করতে না পারলে স্যার বাবা-মা জোর করে বিয়ে দিয়ে দেবে।’
এর বাইরেও নানা ধরনের পত্রবাণ পরীক্ষকদের জন্য পরীক্ষার খাতায় প্রয়োগ করা হয়। এক সেয়ানা সজাগ উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর রসায়নের খাতায় পাওয়া পত্রটি বিস্মিত করেছিল। সে পাশ করানোর আবেদন অনুরোধ সব জানিয়ে অবশেষে লিখেছিল, ‘আমার জেঠু এবিটিএ-র বড় নেতা, আপনার কাজে লাগতে পারে। এছাড়া দিঘাতে আমাদের এসি হোটেল আছে। আপনি ফ্যামিলি নিয়ে আসলে চিপে করে দেব। আমাদের ফোন নং...’। বাম জমানায় শিক্ষকদের ভালোমন্দ যে এবিটিএ-র হাতে অনেকটা নির্ভর করত, তা ওই সেয়ানা পরীক্ষার্থীর জানা ছিল। শুধু তাই নয়, সে খাতা পরীক্ষককে হোটেলের টোপও দিয়েছিল।
তবে খাতা পরীক্ষককে সরাসরি নগদে ‘ঘুষ’ দিয়ে সন্তুষ্ট করার একটা পদ্ধতি সুদীর্ঘকালের এবং সেটা হল খাতার ভিতরে দশ-বিশ-পঞ্চাশ-একশো টাকার নোট পিন করে দেওয়া। পাশ করলে আরও টাকা দিতে প্রস্তুত বলে ছাত্রছাত্রীরা অনেক সময় ওই খাতাতেই নিজস্ব ঠিকানাসহ অঙ্গীকার করে বসে!
খাতাকে ঘিরে গড়ে ওঠা এই রঙ্গ-তামাশায় মাস্টারমশাইদের অবদানও অবশ্য কম নয়। এমনিতে বেশিরভাগ টিচারেরই খাতা দেখায় বিরাট অনীহা। বছরের পর বছর স্কুলের খাতা দেখা তো আছেই তার ওপর এই মা-উমার পরীক্ষার খাতা। তবে বেশ কিছু টিচারের অবশ্য স্কুলের খাতা দেখার বিরক্তি থাকলেও মা-উমার খাতা দেখতে প্রবল উৎসাহ। কারণ, খাতা পিছু দক্ষিণা বরাদ্দ আছে যে! যত বেশি খাতা দেখা যাবে, তত বেশি দক্ষিণা! নিজের চোখে দেখেছি, একজন টিচার এরকম একটা খাতা দেখা শেষ করছেন আর বলছেন, ‘এই এক কেজি আলুর দাম উঠল, এক কেজি পটলের দাম, এক ডজন ডিমের দাম...।’ আলু-পটল ছাড়িয়ে বাড়ির কোনও দামি অ্যাসেট তৈরির লালসায় ফি বছর একজন স্যার তিনজন প্রাক্তন ছাত্রকে দিয়ে বিপুল সংখ্যক খাতা দেখিয়ে নেয় বলে শুনেছি। বোর্ড বা কাউন্সিলের খাতা দেখার উত্তেজনা বা গৌরব একদিকে, অন্যদিকে স্যারের সেবা করার কৃতজ্ঞতা, এই দুইয়ের কারণে প্রাক্তন ছাত্ররা গাদা গাদা খাতা দেখে দেয় (প্রধান পরীক্ষককে অনুরোধ করে এই বিপুল সংখ্যক খাতা জোগাড় করা অতি সহজ একটি প্রক্রিয়া!) আর মোটা টাকা যায় স্যারের অ্যাকাউন্টে। টিচারের এই ধরনের গর্হিত অপরাধ ঠেকাতে স্কুলে বসে সবার খাতা দেখা বাধ্যতামূলক করা কেন যে হচ্ছে না ব্রহ্মা জানেন!
খাতার ব্যাপারে শিক্ষকের ক্যালাসনেসেরও আবার বহু নমুনা পাওয়া যায়। তবে খাতা হারানোটা চরমতম। হারাবার পর উদ্ধার হওয়াটাও ফি বছরের ঘটনা! আর একটা ঘটনার কথা মনে পড়ছে। এক শিক্ষিকা তার ছোট সন্তানটিকে কোলে নিয়ে খাতা দেখছিলেন। টয়লেট পাওয়ায় তিনি সোনামনাকে পেনটা হাতে দিয়ে বসিয়ে রেখে যান। ফিরে এসে দেখেন সোনা পটি করে খাতা মাখিয়ে ফেলেছে। খাতা ধোয়াও যাচ্ছে না, অথচ মূল্যবান অক্ষররাজি হলুদাবৃত। মোছামুছি করে সেই খাতাকে কীভাবে সে স্ক্রুটিনাইজারের কাছে পেশ করেছিলেন, তিনিই জানেন! প্রয়াত এক কবি বাংলার শিক্ষক ছিলেন। তিনি আবার হিন্দি সিনেমার ব্যতিক্রমী নায়ক নানা পাটেকরের প্রবল ভক্ত। কাছে থেকে একবার তাঁর খাতা দেখা দেখে চক্ষু চড়কগাছ। তিনি একজনকে নায়কের বিভিন্ন সিনেমার অংশবিশেষ তুলে নিয়ে উত্তেজিত হয়ে ব্যাখা দিচ্ছিলেন, আর সামনে রাখা উচ্চমাধ্যমিকের খাতায় লাল ডট পেন দিয়ে আঁচড় কাটছিলেন, নম্বর বসাচ্ছিলেন। খাতায় কী লেখা আছে, আদৌ তা নিয়ে মাথাব্যথা নেই!
প্রথমবার মা-উমার খাতা দেখার সুযোগ পাওয়া কিছু কচি টিচারের আবার বিপজ্জনক বদগুণ দেখা যায়। সেটা হল দেখনদারি স্বভাব। বেআইনি হলেও ট্রেনে বাসে ভিড়ের মধ্যে সিট পেয়ে বসে সকলকে দেখিয়ে খাতা দেখা, যেন বিরাট কোনও কাজ করছেন!
সদ্য বিবাহিত এক শিক্ষক প্রথমবার শ্বশুরবাড়ি যাচ্ছেন। এক হাতে রসগোল্লার হাঁড়ি, অন্য হাতে মাধ্যমিকের খাতা ভরা ব্যাগ। ভালোমন্দ খাওয়া আর সুযোগ পেলে শ্বশুর, শাশুড়ি, শালা, শালীদের দেখিয়ে খাতা দেখা। মাধ্যমিকের খাতা দেখা জামাইয়ের কদর এক লাফে কয়েকগুণ বৃদ্ধি! খাতা দেখার ক্ষেত্রে শিক্ষকদের স্বাভাবিক চাহিদা খাতাগুলো যেন ভালো মানের হয়, যাতে দেখে আরাম হয়। আবার বহু শিক্ষককে বলতে শুনেছি খাতা যত খারাপ, মানে কিছুই লেখা নেই, তত তাঁরা খুশি। কারণ খাতা দেখতে হবে কম, অথচ ভরা খাতার মতোই খাতা পিছু দক্ষিণা একই!
খাতা-গাঁথার আর একটা উল্লেখযোগ্য দিক হল পরীক্ষার্থীদের খাতায় কত বেশি নম্বর দেওয়া যায়, সেই দায়িত্ব পালন করা। যারা ফেল করবেই তাদের পাশ করাতেই হবে, এটা এখনকার পরীক্ষকদের মহান দায়িত্ব যেন। পরীক্ষকদের খাতা বণ্টনের সময় প্রধান পরীক্ষক পইপই করে শিখিয়ে দেন, যেন কেউ নম্বর দিতে পিছপা না হন। এও বলে দেওয়া হয় কেউ শূন্য পেলে তার ঝামেলা সেই পরীক্ষককেই পোহাতে হবে। অতএব শূন্য নৈব নৈব চ। অনেক শিক্ষককে দেখেছি তাঁরা খাতা দেখার সময় বিভিন্ন ধরনের নীল কালির ও কালো কালির পেন নিয়ে বসেন। উদ্দেশ্য হল, পরীক্ষার্থীর লেখার কালির সঙ্গে মিলিয়ে এমসিকিউ ধাচের ভুল উত্তরগুলিকে সঠিক করে দিয়ে নম্বর বসানো। অনেক সময় পরীক্ষার্থীর হাতের লেখা নকল করে পরীক্ষক খাতায় উত্তর লিখে দিয়েও পাশমার্ক তোলার বন্দোবস্ত করেন। ‘যার জন্য করলাম চুরি সেই বলে চোর’—এরকম পরিণতিও কপালে জুটেছে ‘উপকারী’ পরীক্ষকের। উচ্চমাধ্যমিকের এক ছাত্রী হাইকোর্টে কেস করে এই বলে যে, সে অঙ্কে কিছুতেই এত নম্বর পেতে পারে না যা তাকে দেওয়া হয়েছে। কোর্টে খাতা যাচাই করে দেখা গিয়েছিল, সত্যিই তার উপর পরীক্ষক করুণা করে অতিরিক্ত নম্বর দিয়েছিলেন।
খাতা-দেখা-গাঁথা অসম্পূর্ণ থেকে যাবে যদি না ‘হি’ সম্পর্কে কিছু না বলা হয়। হি মানে HE, মানে হেড এক্সামিনার। প্রতিটি সাবজেক্টের এই হি-ম্যানরাই হলেন এক একজন হোতা। তার অধীনে ৩০-৩৫ জন পরীক্ষক। প্রত্যেকের কাছে তাঁর বহুত কদর। কদরের কারণ মূলত দুই। এক, হি-কে ঠিকঠাক পটাতে পারলে পরীক্ষক বাড়ির পাশে থাকলেও কুড়ি কিলোমিটারের টিএ বিল করিয়ে নিতে পারেন। দুই, অন ডিউটিগুলি নিজের মতো করে গুছিয়ে নেওয়া। এই অন ডিউটি নিয়ে কত যে কাহিনি! অন ডিউটি নিয়ে সবথেকে কমন অনাচারটি হল হেড এক্সামিনারকে ম্যানেজ করে খুব সকালে কিংবা রাতে খাতা সংগ্রহ করা এবং দেখা খাতা জমা দেওয়া, এরপর সারাদিন ছুটি উপভোগ করা। দ্বিতীয়টি হল পর্ষদ বা সংসদ নির্ধারিত অন ডিউটির ডেটগুলি পালটে নিজের প্রয়োজনমতো করে নেওয়া।
হি-ম্যানের আর একটা রেওয়াজ, তাঁর অধীনস্থ সব পরীক্ষার্থীদের চা, ঠান্ডা পানীয় এবং মিষ্টির প্যাকেটের বন্দোবস্ত করা। সরকারিভাবে এর জন্য টাকা বরাদ্দ থাকে। এই জলযোগ নিয়েও বিচিত্র সব গোলযোগ, নানা মজার কাহিনি। অনেক হি-ম্যান আছেন একটা বাতাসা না খাইয়েও পুরো টাকাটা নিজেদের ভোগে চালিয়ে দেন। আবার হয়তো সুন্দর প্যাকেট, অথচ খুলে দেখা গেল একটা ন্যাতানো নিমকি কিংবা মুদি দোকানের লালাভ লাড্ডু একটা মাত্র!
খাতা দেখাকে জড়িয়ে এরকম আরও নানা মজার কাহিনি আছে। আপাতত শেষ করছি এক লোভী হি-ম্যানের কাণ্ড দিয়েই। আগেই বলেছি বহু পরীক্ষার্থী পাশ করানোর আবেদন-নিবেদন জানিয়ে খাতার সঙ্গে বিভিন্ন অঙ্কের টাকা পিন আপ করে দেয়। আলোচ্য হি-ম্যান ফি বছর শোনেন তাঁর অধীনস্থ বেশ কয়েকজন পরীক্ষক সেরকম খাতা পেয়েছেন। অবশেষে তিনি লোভ সামলাতে না পেরে এক বছর একটা মতলব করলেন। মাধ্যমিকের প্রায় চার হাজার খাতা তাঁর অধীনস্থ জনা চল্লিশ পরীক্ষককে ভাগ করে দেওয়ার আগেই সব প্যাকেট খুলে প্রত্যেকটা খাতার প্রত্যেকটা পৃষ্ঠায় টাকার খোঁজ চালালেন। দুর্ভাগ্য এমনই যে, এই অমানবিক পরিশ্রমের পর একটাও টাকা-বদ্ধ খাতার দেখা তিনি পাননি। তবে রেখে গিয়েছেন এক অবিস্মরণীয় দৃশ্য: চারদিকে খাতার পাহাড়। মাঝখানে বসা ঘেমে নেয়ে ব্যর্থ বিধ্বস্ত এক হি-ম্যান, শুধু অশ্রুপাতটুকুই ধরে রাখতে যেন সফল।
কার্টুন : সেন্টু
গ্রাফিক্স : সোমনাথ পাল
সহযোগিতায় : স্বাগত মুখোপাধ্যায়
28th  May, 2017
বন্দেমাতরম 
রজত চক্রবর্তী

জাতীয় পতাকাটা আজও হাতে ধরে হেঁটে চলেছেন মাতঙ্গিনী হাজরা। উচ্চশির। প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার, প্রফুল্লনলিনী ব্রহ্ম, কল্পনা দত্ত... নারীশক্তির এক অদম্য জাগরণ দেখেছিল পরাধীন ভারত। মায়েরা, বোনেরা পথে নেমে-না নেমে অংশ নিয়েছিলেন বিপ্লবে। তবু এমনই দুই সংগ্রামী শান্তি ঘোষ, সুনীতি চৌধুরির জন্মশতবর্ষ চলে গেল নীরবে...।
বিশদ

13th  August, 2017
 কৃপণ সমাচার!

 কৃপণ কত প্রকার ও কী কী? এমন রচনা ছেলেবেলায় লিখতে না হলেও এ ব্যাপারে জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতার ঝুলি প্রায় সবারই পূর্ণ। কেউ কেউ আবার কৃপণ শব্দটির বদলে হিসাবি বা মিতব্যয়ী ব্যবহার করতে বেশি পছন্দ করেন। যদিও তাতে কৃপণদের নিয়ে সমাচারে কোনও দিন, কোনও যুগেই ঘাটতি হয় না।
বিশদ

06th  August, 2017
আলিপুর জেলের অন্তরালে

 আলিপুর সেন্ট্রাল জেল। কানাইলাল দত্ত, সত্যেন বসু, দীনেশ গুপ্ত... একের পর এক বিপ্লবীকে ফাঁসির দড়ি বরণ করতে হয়েছে এখানে। শত অত্যাচার সত্ত্বেও যেখানে ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে একজোট হয়েছেন লৌহকপাটের আড়ালে থাকা বিপ্লবীরা। ভয় না ধরিয়ে সঙ্গীর মৃত্যু সাহস জুগিয়েছে তঁাদের। সেলুলার জেল হেরিটেজের মর্যাদা পেলেও আলিপুর পায়নি। সেখানে আজও কুঠুরির কোণায় কোণায় শোনা যাবে বিপ্লবের বজ্রনির্ঘোষ।
বিশদ

30th  July, 2017
 অমরনাথের পথে-প্রান্তরে

 দুর্গম অতিক্রম করে, জঙ্গি হামলা-মৃত্যুভয়কে তুচ্ছ করে এগিয়ে চলা একবার দর্শনের আশায়। বালতাল হোক বা পহেলগাঁও, যাত্রাপথ যাই হোক না কেন, প্রকৃতি সেখানেই অপার সৌন্দর্য উজাড় করে রেখেছে। বিন্দু বিন্দু জল জমে আকার নিয়েছে শিবলিঙ্গের। আর তাকে ঘিরেই সম্প্রীতির এক অদ্ভূত মিলন উৎসব। সে যে অমরনাথ। বিশদ

23rd  July, 2017
খবর শেষ

 আকাশবাণী... খবর পড়ছি...। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আমল থেকে শুরু হওয়ার পর বঙ্গজীবনের অঙ্গ হিসাবে জড়িয়ে যাওয়া সেই অভ্যাস হাতছাড়া হয়েছে বহুযুগ আগেই। টিভি, ইন্টারনেট, ফেসবুকের জমানায় যা আজ প্রায় গতজন্মের স্মৃতি বলে মনে হয়। কিন্তু একটা সময় এই তো ছিল বাইরের জানালায় চোখ রাখার জন্য মানুষের একমাত্র দূরবীন! সেই ইভা নাগ, নীলিমা সান্যাল, দেবদুলাল বন্দ্যোপাধ্যায়, ব্রেকডাউন, ভুল খবর...। সে এখন নস্টালজিয়া। আজ দিল্লির বেতার খবর যে সত্যিই শেষ!
বিশদ

16th  July, 2017
 বৃষ্টিভেজা

 গ্রীষ্মকালীন এই বঙ্গে বর্ষার আগমন যেন ঘাম দিয়ে জ্বর ছাড়ার মতো। আকাশকে মুখ ভার করে ঝরে পড়তে দেখলেই মন আনচান করে খিচুড়ি, ইলিশ মাছের জন্য। ঘণ্টাখানেকের বর্ষণে তিলোত্তমা এক হাঁটু জল উপহার দিলেও তা ঠেলে বাড়ি ফেরাই আলাদা আনন্দ। আর গুনগুন করে ওঠা বিশ্বকবির সৃষ্টি। মনে পড়ে যাওয়া অপু-দুর্গার বৃষ্টি ভেজা। কিংবা স্কুলের সেই রেনি ডে। এ ঋতু তাই যে আলাদা আলাদা অনুভূতির এক সম্পৃক্ত দ্রবণ। বিশদ

09th  July, 2017
চিকিৎসা রঙ্গ 

কল্যাণ বসু: ‘পাসকরা ডাক্তার নই, কিন্তু তাতে কি? বাড়ি বসিয়া বই পড়িয়া কি আর ডাক্তারী শেখা যায় না? আজ সাত আট বছর তো ডাক্তারী করিতেছি, অভিজ্ঞতা বলিয়া একটা জিনিসও তো আছে! পাসকরা ডাক্তারের হাতে কি আর রোগী মরে না?’ এইটুকু পড়ে কী মালুম হচ্ছে?
বিশদ

02nd  July, 2017
 বাঙালির রথযাত্রা

হারাধন চৌধুরী: বাঙালি এক আমুদে জাতি। আনন্দের জন্য পরব খুঁজে নিতে বাঙালির জুড়ি মেলা ভার। বাঙালির কাছে দেবতারা কঠিন কঠোর কিছু নন। দেবতারাই হলেন সবচেয়ে আপন বা অতি প্রিয় কেউ, যাঁকে আঁকড়ে ধরে থাকতে না পারলে বাঙালির সব আনন্দ, সব সুখানুভূতি যেন মাটি হয়ে যায়। অতএব একজন না একজন দেবতাকে সামনে রেখেই পার্বণ সাজিয়ে নেয় তারা। সেই থেকেই ‘বারো মাসে তেরো পার্বণ’ কথাটি এসেছে। ‘তেরো’ কথাটি ‘বহু’ অর্থেই প্রযোজ্য হয়। সংস্কৃতি সম্পর্কে এমন যাদের উপলব্ধি, রথযাত্রার মতো একটি পার্বণ বছরের একটি নির্দিষ্ট সময়ে তাদের মাতিয়ে দেওয়ার পক্ষে যথেষ্ট। রথযাত্রার মধ্যে মাটি বা ভূমির টানই খুঁজে পায় বাঙালি। বিশদ

25th  June, 2017
দেশভাগের ৭০

সমৃদ্ধ দত্ত: ৭০ বছর আগে কয়েকজন দেশি-বিদেশি প্রতিনিধি ঠিক করে ফেলেছিল ভারতকে ভাগ হতেই হবে। ৭০ বছর আগে এমনই একটা জুন মাসে অবিভক্ত বঙ্গ বিধানসভার শেষ অধিবেশনে বাংলা আর বাঙালির নতুন পথ চলার সূচনা। চিরবিচ্ছেদের বেদনা নিয়ে। সেই ২০ জুন।
লর্ড মাউন্টব্যাটেন নিজের ইমেজ সম্পর্কে এতটাই সচেতন ছিলেন যে, ১৯৪৭ সালের ২২ মার্চ ভারতের ভাইসরয় পদে এসেই সরকারি এবং প্রেস ফটোগ্রাফারদের জন্য একটি নির্দেশ জারি করে দেন।
বিশদ

18th  June, 2017
রাষ্ট্রপতি ভবনে 

প্রবালকুমার বসু: রাষ্ট্রপতি ভবনে তাঁরই অতিথি হয়ে কাটিয়ে আসা দু’সপ্তাহ। রাজধানীর যানজট, দূষণের বাইরে হঠাৎ এসে পড়া যেন এক অন্য জগতে। মুঘল গার্ডেনসে ফুলের মাঝে কেটে যাওয়া সময়, কিংবা প্রতিটা পাথরে নতুন করে খুঁজে পাওয়া ইতিহাস।
বিশদ

11th  June, 2017
ভূস্বর্গ ভয়ংকর

আজাদ কাশ্মীর। এই অবস্থানেই অনড় ছিলেন মহারাজা হরি সিং। পাকিস্তানের একের পর এক ষড়যন্ত্রে নেহরুর সাহায্য নিতে তিনি বাধ্য হয়েছিলেন। কাশ্মীর জুড়েছিল ভারতের মানচিত্রে। কিন্তু পিছন থেকে ছুরি মারে আমেরিকা, ব্রিটেন। এবং পাকিস্তান। যে ইন্ধন বজায় রেখেছে ইসলামাবাদ। ফল? অশান্ত ভূস্বর্গ...।
বিশদ

04th  June, 2017



একনজরে
সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: অতিবর্ষণের জেরে আলিপুরদুয়ারের চারটি ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকার আমন ও সবজি খেত জলের তলায় চলে যাওয়ায় কমপক্ষে ৪০ হাজার চাষি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। মঙ্গলবার পর্যন্ত কৃষি দপ্তর ক্ষয়ক্ষতির যে হিসাব নবান্নে পাঠিয়েছে তাতে জেলার ছ’টি ব্লকের মধ্যে ফালাকাটা ও আলিপুরদুয়ার-১ ...

 বিমল বন্দ্যোপাধ্যায়, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: বিষ্ণুপুরের সারদা গার্ডেনে সুদীপ্ত সেনের কয়েকশো বিঘা বেনামি সম্পত্তি হাতানোর সিন্ডিকেট চক্রের বিরুদ্ধে মুখ খোলার জেরে আক্রান্ত হয়েছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার এক অফিসার। কলেজ পড়ুয়া তাঁর ছেলেকেও মারধর করা হয়েছে। ...

সিনসিনাটি, ১৬ আগস্ট: ভারতীয় টেনিস কাপ দল থেকে বাদ পড়ার পর ৪৪ বছর বয়সী লিয়েন্ডার পেজের দুঃসময় আর কাটছে না। সিনসিনাটি ওপেনে ডাবলসে প্রথম রাউন্ড থেকেই লিয়েন্ডার পেজ ও তাঁর জার্মান পার্টনার আলেকজান্ডার জেরেভ বিদায় নিলেন ফেলিসিয়ানো ও মার্ক লোপেজের ...

 ওয়াশিংটন, ১৬ এপ্রিল: এ যাবৎকালের সবচেয়ে বড় অঙ্কের অর্থ দানের কথা ঘোষণা করলেন মাইক্রোসফট করপোরেশনের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস। নিজের মোট সম্পদের ৫ শতাংশ দান করলেন ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

সঠিক বন্ধু নির্বাচন আবশ্যক। কর্মরতদের ক্ষেত্রে শুভ। বদলির কোনও সম্ভাবনা এই মুহূর্তে নেই। শেয়ার বা ... বিশদ



ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৩২: ব্রিটিশ সাহিত্যিক ভি এস নাইপলের জন্ম
১৯৮৮: দুর্ঘটনায় মৃত পাক প্রেসিডেন্ট মহম্মদ জিয়া-উল-হক
২০০৮: ওলিম্পিকসে আটটি সোনা জিতে রেকর্ড মার্কিন সাঁতারু মাইকেল ফেল্পসের


ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৪৫ টাকা ৬৫.১৩ টাকা
পাউন্ড ৮১.৩৭ টাকা ৮৪.১৮ টাকা
ইউরো ৭৪.০৮ টাকা ৭৬.৬৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৯,১৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৭,৬৭৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৮,০৯০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৬০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩২ শ্রাবণ, ১৭ আগস্ট, বৃহস্পতিবার, দশমী দিবা ১২/৪৩, মৃগশিরানক্ষত্র রাত্রি ১০/৫৯, সূ উ ৫/১৭/৫১, অ ৬/৩/৩৯, অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪৮-৩/৩, বারবেলা ২/৫২-অস্তাবধি, কালরাত্রি ১১/৪১-১/৫।
 ৩১ শ্রাবণ, ১৭ আগস্ট, বৃহস্পতিবার, দশমী ১০/৫৫/৫২, মৃগশিরানক্ষত্র রাত্রি ১০/২৩/৫৭, সূ উ ৫/১৫/৩৩, অ ৬/৫/২৫, অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪৭/৩০-৩/১/৩১, বারবেলা ৪/২৯/১১-৬/৫/২৫, কালবেলা ২/৫২/৫৭-৪/২৯/১১, কালরাত্রি ১১/৪০/২৯-১/৪/১৫।
২৪ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
  খানাকুলে বৃষ্টির জমা জল নামতেই উদ্ধার কঙ্কাল, চাঞ্চল্য
আরামবাগের খানাকুলের সবলসিংহপুর এলাকায় বৃষ্টির জমা জল নামতেই এক অপরিচিত মহিলার কঙ্কাল উদ্ধার হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

05:44:00 PM

এবার চড়াম চড়াম করে জয়ঢাক বাজবে পঞ্চায়েতেও: অনুব্রত

 আজ নলহাটিতে ১নং ওয়ার্ড ও ৮ নং ওয়ার্ডে তৃণমূলের পরাজয়ের পর, হারের কারণ অনুসন্ধান করতে এসে অনুব্রত মন্ডল মৎসমন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা ও পরিকল্পনা তদারকি ও পরিসংখ্যান দপ্তরের মন্ত্রী আশিষ বন্দ্যোপাধ্যায়সহ আরও দুই তৃণমূল নেতার দায়িত্ব পালনে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি জানান, ওঁদের উপর পুরো দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়াটা ভুল হয়েছলি, ওঁদের এতটা বিশ্বাস করাটাও ভুল হয়েছিল। এবার থেকে সব বিষয়টা তিনি নি঩জেই দেখবেন বলেও জানান। পাশাপাশি এদিন সাংবাদিক বৈঠক করে পঞ্চায়েত দখলের ডাকও দেন অনুব্রতবাবু। তিনি বলেন, এবার পঞ্চায়েতও চড়াম চড়াম করে জয়ঢাক বাজবে।

05:20:10 PM

এই জয় মানুষের জয়: মুখ্যমন্ত্রীর

 মানুষের জয়, যারা তৃতীয় ও চতুর্থ হওয়ার জন্য লম্ফ-ঝম্ফ করেছিল, আমি দেখলাম তারা ০.১% ভোট পেয়েছে। মানুষকে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। আজ ৭ পুরসভা জয়ের পর এভাবেই নিজের প্রতিক্রিয়া জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

05:13:08 PM

উত্তরবঙ্গে দুর্গতদের উদ্ধারে ন্যায্যমূল্যে বিমান সংখ্যা বাড়ানোর আর্জি কেন্দ্রকে

 যেহেতু উত্তরবঙ্গের সঙ্গে দক্ষিণবঙ্গের সড়ক ও রেল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে, সেই সুযোগে বেশিরভাগ বিমান সংস্থা তাদের ভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে রাজ্যের মুখ্যসচিব কেন্দ্রকে এই দুর্যোগের সময় দুর্গতদের উদ্ধারে ন্যায্য মূল্যে বিমানের সংখ্যা বাড়াতে অনুরোধ জানিয়েছে।

05:06:00 PM

মদন তামাং হত্যা মামালা: গুরুংকে অব্যহতি

 মদন তামাং হত্যা মামলায় বিমল গুরুংয়ের বিরুদ্ধে কোনও তথ্য প্রমানাদি না মেলায় তাঁকে এই মামলা থেকে অব্যহতি দিল বিশেষ আদালত

05:02:00 PM

 দুর্গাপুরে পুরভোটে তৃণমূল ৭৬.২৬%, বামফ্রন্ট ১২.৩%, বিজেপি ৭.৮৯%, কংগ্রেস ২.৫৩% এবং নির্দল ০.৯% ভোট পেয়েছে

04:39:00 PM