প্রচ্ছদ নিবন্ধ
 

আবাসন আইন 

১ মে দেশজুড়ে চালু হয়েছে আবাসন সংক্রান্ত আইন ‘দি রিয়েল এস্টেট (রেগুলেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট) অ্যাক্ট। চলতি কথায় ‘রেরা’। কেন্দ্রীয় আইনটির উপর ভিত্তি করে রাজ্যগুলির নিজস্ব বিধি রা রুল তৈরি করার কথা। কী পরিস্থিতি রয়েছে এই আইন নিয়ে? আইনটির সুবিধাগুলিই বা কী কী? দেখে নেওয়া যাক আইনের খুঁটিনাটিগুলি।

বাপ্পাদিত্য রায়চৌধুরী: আইনটি পাশ হয় কবে?
 ২০১৬ সালের মার্চ মাসে বিল হিসাবে পাশ হয় রেরা। বলা হয়, বছরখানেকের মধ্যে সেই আইনের উপর ভিত্তি করে রাজ্যগুলিকে তৈরি করতে হবে বিধি। আইনের ৯২টি ধারা বলবৎ হওয়ার কথা গত ১ মে থেকে। আবাসন মন্ত্রক বিধি তৈরি করে আন্দামান-নিকোবর, চণ্ডীগড়, দাদরা, নগর হাভেলি, দমন-দিউ এবং লাক্ষাদীপের জন্য। নগরোন্নয়ন মন্ত্রক দিল্লির জন্য বিধি তৈরি করে।
কোন কোন রাজ্য আইন অনুযায়ী বিধি তৈরি করেছে?
 উত্তরপ্রদেশ, গুজরাত, ওড়িশা, অন্ধ্রপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, মধ্যপ্রদেশ এবং বিহার।
বাকিদের কী হবে?
 বাকি রাজ্যগুলিকেও বিধি তৈরি করতে হবে। যদি তা না হয়, তাহলে যে কেউ রাজ্যের বিরুদ্ধে আদালতে যেতে পারে।
পশ্চিমবঙ্গ এখন কী পরিস্থিতিতে রয়েছে?
 এখানে খসড়া বিধি তৈরি হয়ে আছে। শোনা যাচ্ছে, কেন্দ্রীয় সরকার যে আইনটি তৈরি করেছে, খসড়া বিধিতে তার খুব একটা নড়চড় করেনি রাজ্য। সেটি বিশেষজ্ঞ পরামর্শের জন্য নানা মহলে পাঠানো হয়েছে। এরপর সরকার তার বিজ্ঞপ্তি জারি করবে।
তাহলে আইন কার্যকর
হবে কী করে?
 আইনে বলা হয়েছে, আইনটিকে কার্যকর করার জন্য প্রতিটি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত রাজ্য একটি করে নিজস্ব রেগুলেটর বা নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ তৈরি করবে। সেই কর্তৃপক্ষই মূলত আবাসন সংক্রান্ত খুঁটিনাটি দেখভাল করবে।
আলাদা করে আইনটি
আনার প্রয়োজনীয়তা কী?
 বিগত বেশ কিছু বছর ধরে দেখা গিয়েছে, আবাসন প্রকল্পগুলি, সোজা কথায় যে ফ্ল্যাটগুলি তৈরি হচ্ছে, সেগুলি অসম্ভব ধীর গতিতে হচ্ছে। কাজ প্রায় এগচ্ছে না বললেই চলে। একটি সমীক্ষা বলছে, গত ১০ বছরে যে বড় প্রকল্পগুলি হয়েছে, তার অনেকাংশ সাত বছর ধরে ঢিলেমিতে চলছে। এর পিছনে অনেক কারণ আছে। এতে যেমন ক্রেতারা সমস্যায় পড়ছেন, তেমনই আবাসন নির্মাতারাও কম ফাঁপরে পড়ছেন না। শুধু প্রকল্পের দেরি হওয়াই নয়। তার দাম, কোয়ালিটি বা গুণগত মান—এমন অনেক কিছু নিয়েই সমস্যা বা ক্ষোভ তৈরি হয়েছে ক্রেতা-বিক্রেতার মনে।
সমস্যা আছে আরও। একটি প্রকল্পের টাকা অন্য প্রকল্পে খাটানো, বাড়ি বা ফ্ল্যাট তৈরিতে পরিবেশ দপ্তর, গ্রিন ট্রাইব্যুনালের মতো হরেক অথরিটির ছাড়পত্র জোগাড়ে সমস্যা, এমনকী প্রকল্পের জন্য জমি অধিগ্রহণও সমস্যা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। আবার কোনও কোনও ক্ষেত্রে অনুমোদন ছাড়াই প্রোমোটার ফ্ল্যাট বিক্রি করে দিচ্ছেন ক্রেতাকে। সেইসব জট কাটাতে এবং উভয় পক্ষকেই একটি ন্যায্য অধিকার পাইয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে তৈরি হয়েছে আইন। তবে কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছে, তাদের দায়িত্ব আইন তৈরি করা। তা হয়েছে। এবার সেই আইনকে কে কীভাবে কাজে লাগাবে, তার দেখভালের দায়িত্ব রাজ্যগুলির।
কী কী বিশেষত্ব থাকছে
নতুন এই আইনে?
 আবসন নির্মাতা সংস্থাকে ক্রেতা তাঁর ফ্ল্যাটের জন্য যে টাকা দেবেন, তার অন্তত ৭০ শতাংশ অর্থ ওই সংস্থা একটি আলাদা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা রাখবে। একটি প্রকল্পের জন্য যে যে ক্রেতা বা বিনিয়োগকারীর থেকে টাকা জমা নেবেন প্রোমোটার, সেই টাকাগুলি একটি আলাদা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে রাখবেন। অর্থাৎ, যতগুলি প্রকল্প, ততগুলি আলাদা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট। এতে একটি প্রকল্প বা প্রজেক্টের টাকা অন্য প্রজেক্টে খাটানোর সুযোগ অনেকটাই থাকবে না। একটি প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ ব্যাংক আকাউন্ট থেকে ওই প্রকল্পের জন্যই শুধু খরচ করা যাবে। প্রকল্পটির জমি কেনার জন্যও সেখান থেকে টাকা খরচ করতে পারবেন প্রোমোটার বা নির্মাতা সংস্থা।
 আবাসনের প্লট সাইজ ৫০০ বর্গ মিটার হলেই, সেই আবাসনে এই আইন প্রযোজ্য হবে। আবার অন্তত আটটি অ্যাপার্টমেন্ট থাকলেও প্রযোজ্য হবে আইন।
 শুধু বসবাসের জন্য বরাদ্দ ফ্ল্যাট নয়, বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহারের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে আইন।
 যদি আবাসন নির্মাতার কাছে ক্রেতার কোনও টাকা পাওনা থাকে, তাহলে তা ৪৫ দিনের মধ্যে মেটাতে হবে।
 যে আবাসনগুলি তৈরি হচ্ছে, অর্থাৎ যেসব চালু প্রজেক্ট এখনও কমপ্লিশন সার্টিফিকেট পায়নি, সেগুলিকে আগামী জুলাই মাসের মধ্যে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। সব নতুন প্রকল্পগুলিকেও রেজিস্ট্রি করতে হবে। যে রেগুলেটরি অথরিটি তৈরি হবে, তাদের কাছে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। এতে ক্রেতা ঠকলে, তার বিহিত করতে সুবিধা হবে।
 এই আইন অনুযায়ী ডেভেলপার বা আবাসন নির্মাতা সংস্থাকে আসল এবং অনুমদিত নকশা বা প্ল্যানটি জমা রাখতে হবে। যদি সেই প্ল্যানের বাইরে কোনও নির্মাণ হয়, তাহলে তা জানাতে হবে।
 যত টাকা আয় হল, সেই বিষয়েও বিস্তারিত জানাতে হবে নির্মাতা সংস্থাকে। সেই টাকা কীসে খরচ হচ্ছে, জানাতে হবে তাও। কবে বাড়ি তৈরি হবে, পজেশন কবে দেওয়া যাবে, সেসব তথ্য জানাতে হবে কোনও ইঞ্জিনিয়ার, আর্কিটেক্ট বা চাটার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টের মাধ্যমে।
 রাজ্যে যে নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ গঠন করা হবে, তাদের দায়িত্ব হল প্রকল্পগুলির রেজিস্ট্রেশন করার পাশাপাশি যারা ফ্ল্যাট বিক্রি করবে, সেইসব এজেন্টদের নামও তালিকাভুক্ত করা। সেই কর্তৃপক্ষ তাদের ওয়েবসাইটে এই বিষয়ে যাবতীয় তথ্য আপলোড করবে। যদি কোনও ক্রেতা ফ্ল্যাটের গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, তাহলে তারও দেখভাল করবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
 নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের কাছে রেজিস্ট্রেশন না করে কোনও প্রোমোটার বা নির্মাতা সংস্থা বাড়ি বা ফ্ল্যাট বিক্রির বিজ্ঞাপন দিতে পারবেন না। তিনি সেই ফ্ল্যাট বিক্রি করতে পারবেন না, অফার করতে পারবেন না, প্লট বা অ্যাপার্টমেন্ট বা বাড়ি বা বিল্ডিংয়ের বুকিং করতে পারবেন না, কোনও বিনিয়োগও করতে পারবেন না। ফ্ল্যাট বিক্রির জন্য যে বিজ্ঞাপন দেওয়া হবে, সেখানে ‘রেরা’ রেজিস্ট্রেশন নম্বরটি দেখাতে হবে। এটা বাধ্যতামূলক। রেজিস্ট্রেশন নম্বরটি প্রকল্প অনুযায়ী আলাদা আলাদা হবে। কোনও নম্বরের সঙ্গে কারও মিল থাকবে না। অর্থাৎ, নম্বরটি হবে ইউনিক।
 একবার সেই রেজিস্ট্রি হয়ে যাওয়ার পর, আইনগত এবং আর্থিক বিষয়ে যাবতীয় তথ্য দিতে হবে কর্তৃপক্ষকে। যদি কোনও প্রোমোটার নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ফ্ল্যাট ডেলিভারি দিতে না পারেন, তাহলে তাঁকে পুরো টাকা ফেরত দিতে হবে সংশ্লিষ্ট ক্রেতাকে, যা তিনি তাঁর থেকে নিয়েছেন। দিতে হবে সুদ। সুদের হার কী হবে, তা ঠিক করা থাকবে চুক্তিতেই।
 একবার নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের কাছে নাম রেজিস্ট্রি হয়ে গেলে, ওই কর্তৃপক্ষ তাদের ওয়েবসাইটটিতে আলাদা একটি পেজ খুলবেন। তাতে তিনি যাবতীয় তথ্য জানাবেন।
 কোনও প্রোমোটার বা ডেভেলপার ফ্ল্যাট তৈরির খরচের ১০ শতাংশের বেশি টাকা কখনই ক্রেতার থেকে নিতে পারবেন না, যতক্ষণ না রেজিস্ট্রার্ড সেল এগ্রিমেন্ট হচ্ছে।
ক্রেতার সুবিধাগুলি কী কী?
 কেন্দ্রীয় সরকারের দাবি, আবাসন শিল্প অনেক বেশি স্বচ্ছভাবে ব্যাবসা করবে। ক্রেতাদের ঠকে যাওয়ার সম্ভাবনা অনেক কমে যাবে।
 আবাসন সংস্থাগুলি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রকল্প শেষ করতে বাধ্য থাকবে। যদি তা না হয়, তাহলে জরিমানা দিতে হবে আবাসন সংস্থাকে।
 আবাসন সংস্থাগুলির বিরুদ্ধে অভিযোগ দেখভাল করার জন্য যে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বা কর্তৃপক্ষ থাকবে, কোনও প্রকল্প সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য সেই নিয়ন্ত্রক সংস্থার ওয়েবসাইটে জানাবে সংশ্লিষ্ট আবাসন সংস্থা। তিন মাস অন্তর প্রকল্পের অগ্রগতি জানাতে হবে ওই ওয়েবসাইটে। ক্রেতারা তা দেখার সুযোগ পাবেন।
 যদি অকারণে আবাসন প্রকল্পের কাজ ঢিমেতালে হয়, তাহলে ক্রেতাকে ব্যাংক ঋণের সুদ গুণতে হয়। এবার সেই দায়ভার বর্তাবে আবাসন নির্মাতার উপর।
 যদি আবাসন প্রকল্পের কাঠামোগত বা তৈরি হওয়ার ক্ষেত্রে কোনও গলদ থাকে, তাহলে ফ্ল্যাটটি হস্তান্তরের পর থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত নিজের দায়িত্বে নির্মাতা সংস্থা সেই ত্রুটি সারাবেন। অভিযোগ আসার ৩০ দিনের মধ্যে তা সারাতে হবে। যদি আবাসন সংস্থা তা না করে, তাহলে তার জন্য ক্ষতিপূরণ পাবেন ক্রেতা।
 নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবং অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনাল গড়া হবে আইন কার্যকর করার জন্য। সেখানে যদি আইন না মানার বিষয়টি প্রমাণিত হয়, তাহলে তিন বছর পর্যন্ত জেল খাটতে হতে পারে আবাসন নির্মাতাকে। ফ্ল্যাট বিক্রির এজেন্টকে এক বছর পর্যন্ত জেল খাটানোর সংস্থান আছে আইনে।
 যে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রকল্পটির বিষয়ে ক্রেতা জানতে পারবেন, নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের সেই ওয়েবসাইটে নিজেও অংশগ্রহণ করতে পারবেন তিনি। এর ফলে অন্যান্য ক্রেতারাও উপকৃত হবেন।
 প্ল্যানের খুঁটিনাটি যেমন প্রত্যেক ক্রেতার জানার অধিকার থাকবে, তেমনই বাড়ি তৈরির প্রতিটি ধাপে তাঁরা প্রতিটি তথ্য চাইলে পেতে পারবেন, সেই অধিকার আছে নয়া আইনে।
প্রোমোটার বা ডেভেলপারদের সুবিধা কী কী?
 বহু তথাকথিত প্রোমোটার আছেন, যাঁদের হাত ধরে ভুঁইফোঁড়ের মতো সংস্থা গজিয়ে ওঠে। সেগুলি ফ্ল্যাট বিক্রির হরেক প্রলোভন দেখিয়ে ক্রেতাদের থেকে টাকা হাতায়। নির্দিষ্ট সময়ে ফ্ল্যাট পাওয়া তো দূরের কথা, অনেক সময়ই দেখা যায়, ফ্ল্যাট চোখেই দেখতে পেলেন না ক্রেতা। ফ্ল্যাট তৈরির আগে একরকম প্রতিশ্রুতি দিয়ে, ফ্ল্যাট বিক্রির সময়ে সেই প্রতিশ্রুতি খেলাপের উদাহরণ আছে ভূরি ভূরি। সেই সংস্থাগুলি নয়া আইনে চাপে পড়ে যাবে। সেক্ষেত্রে যাঁরা সুনামের সঙ্গে ব্যাবসা করছেন, সেই সব প্রোমোটাররা অনেক বেশি সুবিধা পাবেন প্রতিযোগিতার নিরিখে।
 রিয়েল এস্টেটকে অনেক সময়ই বিনিয়োগের মাধ্যম হিসাবে ধরা হয়। এক্ষেত্রে যদি আবাসন শিল্পের ব্যাবসায় স্বচ্ছতা আসে, তাহলে তা বিনিয়োগকারীদের আরও বেশি করে আস্থা অর্জন করতে সমর্থ হবে। তা আদতে সুবিধা দেবে রিয়েল সেক্টরকেই।
 রিয়েল এস্টেট ব্যাবসার সঙ্গে জড়িত থাকে ব্যাংকিং এবং ইনসিওরেন্সের মতো কয়েকটি ক্ষেত্র। ব্যাবসায় স্বচ্ছতা এলে, ক্রেতাদের পাশাপাশি এতে সুবিধা পাবেন ডেভেলপাররাও। তাঁদের ঋণ পেতে সুবিধা হবে।
 রিয়েল এস্টেট ব্যাবসায় পুঁজির বহর বাড়বে। স্বচ্ছ আইন থাকলে, বিদেশি বিনিয়োগও বাড়তে পারে অনেকটাই।
 বহু প্রোমোটার বাড়ি তৈরি করেও বিক্রি করতে পারছেন না। ক্রেতার আস্থা অর্জন সেখানে বড় ফ্যাক্টর। নয়া আইনে ক্রেতারা আবাসন কেনায় আগ্রহী হবেন। তা বিক্রির ক্ষেত্রে বাড়তি আগ্রহ তৈরি করবে। আসলে, নয়া আইনে ফ্ল্যাটের চাহিদা অনেকটাই বাড়বে বলে মনে করছে নির্মাতা সংস্থাগুলি।
 যেখানে টেলিকম সেক্টর, শেয়ার বাজার বা বিমার ক্ষেত্রে রেগুলেটর সংস্থা আছে, সেখানে রিয়েল এস্টেটকে নিয়ন্ত্রণ করার কোনও রেগুলেটর এতদিন ছিল না। নয়া আইনে সেই নিয়ন্ত্রক সংস্থা তৈরি হবে। অন্যান্য সেক্টর এমন নিয়ন্ত্রক সংস্থার আওতায় যেমন কাজ করছে, এবার সেই সুযোগ পাবে রিয়েল এস্টেটও।
নয়া আইনের সমস্যা কী কী?
 শুধু নতুন আবাসন প্রকল্পগুলিই আসবে নতুন আইনে। যে প্রকল্পগুলি নিয়ে ইতিমধ্যেই জটিলতা চলছে, সেগুলি এই আইনের অন্তর্ভুক্ত হবে না। সেক্ষেত্রে সুরাহা থেকে বঞ্চিত হবেন অনেক ক্রেতাই।
 অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায়, আবাসন প্রকল্প গড়তে সরকারি বেশ কিছু ছাড়পত্র লাগে। সেগুলি পেতে দেরিও হয় অনেক সময়। নয়া আইনে সেই দেরির বিষয়ে কোনও দিশা নেই। ফলে, সরকারের কাজের গতির উপর নির্ভর করতে হবে আবাসন নির্মাতাদের। প্রকল্প দেরি হওয়ার পিছনে তার দায় থাকলে, নির্মাতারা নিরুপায়।
 অতি ছোট প্রকল্পগুলির জন্য আইনটি প্রযোজ্য নয়। সেক্ষেত্রে সেই প্রকল্পগুলিতে ফাঁকফোঁকর থাকলে, তাতেও সুরাহা পাবেন না গ্রাহক।
 নতুন প্রকল্প তৈরি হতে সময় লাগবে, এমনটাই মনে করছে আবাসন নির্মাতা সংস্থাগুলি। তাদের বক্তব্য, যে প্রকল্পগুলি আসতে চলেছে, সেগুলির হরেক ছাড়পত্রের দরকার হবে। তাছাড়া নতুন আইন অনুযায়ী যে প্রসাশনিক কাজকর্মগুলি আছে, সেগুলিও করতে হবে। সেসব করে হাতেকলমে প্রকল্প গড়তে সময় বেশি যাবে। তাই নয়া আইনে বাড়ির বা ফ্ল্যাটের চাহিদা বাড়লেও, আবাসনের জোগান ততটা প্রাথমিকভাবে বাড়বে না—এমনটাই বলছেন নির্মাতারা। অন্তত এক বছর এই বিষয়ে একটু ঢিলেমি চলবে বলেই মনে করছেন তাঁরা।
 আইনটি এক হলেও, নানা রাজ্য নানা বিধি তৈরি করবে। তার উপর সেক্ষেত্রে একটির সাথে অন্যটির মিল থাকবে না, এটাই স্বাভাবিক। তাই রাজ্য ভেদে বড় সংস্থাগুলি কিছুটা অসুবিধায় পড়তে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে।
ফ্ল্যাটের দাম বাড়তে পারে?
 আবাসন নির্মাতাদের একটি অংশ বলছে, দাম বাড়তে পারে। এর পিছনে অনেকগুলি কারণ আছে। যেহেতু নয়া আইনে নতুন প্রকল্প আনতে কিছুটা ঢিলেমি আসবে, তাই কাঁচামালসহ হরেক জিনিস আটকে থাকবে আবাসন নির্মাতার কাছে। সেক্ষেত্রে খরচ বাড়বে।
 আইনে বলা হয়েছে, প্রতিটি প্রকল্পের জন্য আলাদা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে ডেভেলপারকে। তিনি ক্রেতার থেকে যে টাকা আদায় করবেন প্রকল্পটি চলার সময়, সেই টাকার অন্তত ৭০ শতাংশ জমা করতে হবে ওই ব্যাংক অ্যাকাউন্টেই। অন্য প্রকল্পে তা সরানো যাবে না। এতে অনেকেই অশনি সংকেত দেখছেন। নগদের জোগান কমে যাবে। আর তাতে ঘুরপথে প্রকল্পের দাম বাড়াবে বলেই ধারণা নির্মাতাদের।
 ওয়েবপেজ তৈরি, সেখানে নিয়মিত তথ্যের জোগান, প্রভৃতি কাজ নির্মাতার প্রশাসনিক খরচ বাড়াবে। তার সামান্য প্রভাব পড়তে পারে দামে।
 গাড়ি পার্কিংয়ের জায়গা দেওয়াসহ একাধিক ইস্যু আছে আইনে, যা প্রকল্পের দাম বাড়াতে পারে।
 গ্রাফিক্স: সোমনাথ পাল
14th  May, 2017
আতশবাজির ইতিকথা
বারিদবরণ ঘোষ

আকাশের গায়ে বারুদের গন্ধটা কালীপুজোর মরশুমে খুব চেনা। তা সে কাঠকয়লার সঙ্গে সোরা মেশানো হলদে আলো হোক কিংবা বুড়িমার চকোলেট। আগ্নেয়াস্ত্র সরবরাহকারীদের হাত ধরে আতশবাজির সৃষ্টি। যা আজও আনন্দ দিয়ে চলেছে মানবমননকে। বিশদ

15th  October, 2017
বিজয়া স ম্মি ল নী 

‘মা’কে তাড়ানোর কোনও তাড়া যে তখন ছিল না! ছিল না মোবাইলে মজে শারদ মাধুর্যকেই উপেক্ষা করার বাতিক। রক্তের সম্পর্কের থেকে খুব কম যেতেন না পাড়ার দাদারা। সে যেন একটাই পরিবার। আর সেই পরিবারের সবে মিলে বিজয়া সম্মিলনী। কখনও মঞ্চে হাজির শ্যামলদা, কখনও বা মানবেন্দ্র। তাঁরাও যে কাছেরই মানুষ! নিছক ‘সাংসকিতিক সন্ধা’ নয়, বিসর্জনের বিষণ্ণতাকে সাক্ষী করে শারদ বাতাস যেন তখন বলত, শুভ বিজয়া। 
বিশদ

08th  October, 2017
সাত বাড়ি আর এক বারোয়ারি 

প্রফুল্ল রায়: তখনও দেশভাগ হয়নি। অখণ্ড বঙ্গের পূর্ব বাংলায় ঢাকা ডিস্ট্রিক্টের একটা বিশাল গ্রামে ছিল আমাদের আদি বাড়ি। প্রজন্মের পর প্রজন্ম আমরা সেখানে কাটিয়েছি। পদ্মা, মেঘনা, ধলেশ্বরী, কালাবদর, আড়িয়াল খাঁ এবং শত জলধারায় বহমান আরও নদ-নদী, খাল-বিল, শস্যক্ষেত্র। অজস্র পাখপাখালি, আম জাম হিজল আর সুপারি বনের সারি, সব মিলিয়ে পূর্ববাংলা ছিল এক আশ্চর্য স্বপ্নের দেশ।
বিশদ

24th  September, 2017
অকাল বোধন 

নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ি: ‘অকাল’ শব্দটির মধ্যে একটা অদ্ভুত এবং প্রায় বিপরীত ব্যঞ্জনা আছে। যেমন একটি কৈশোরগন্ধি যুবক ছেলেকে যদি বলি ‘অকালপক্ব’, তাহলে অবধারিতভাবে কথাটির মানে দাঁড়াবে যে, ছেলেটির যা বয়স এবং তদনুযায়ী যা তার বিদ্যাবুদ্ধি হওয়া উচিত কিংবা বয়স অনুযায়ী তার যা কথাবার্তার ধরন তৈরি হওয়া উচিত, তার চাইতে বেশি বয়সের বহু-অভিজ্ঞ মানুষের মতো সে কথা বলছে, বা তেমন ভাবসাব দেখাচ্ছে।
বিশদ

24th  September, 2017
বিশ্বকর্মা
সন্দীপন বিশ্বাস

তিনি দেবশিল্পী। দেবকুলের সকল কর্মের সাধক। রাবণের স্বর্ণলঙ্কা, শ্রীকৃষ্ণের দ্বারকাপুরী, কিংবা হস্তিনাপুর—তঁার শিল্পছেঁায়ায় সব স্থাপত্যই পৌরাণিক উপাখ্যানে অমরত্ব লাভ করেছে। কখনও তিনি তৈরি করছেন হরধনু, কখনও বজ্র। যার সাহায্যে দুষ্টের দমন করেছেন দেবগণ।
বিশদ

17th  September, 2017
শিকাগো বিজয় ১২৫
তাপস বসু

১২৫ বছর আগে এক তরুণ সন্ন্যাসী সীমিত ক্ষমতা নিয়ে পাড়ি দিয়েছিলেন সাগরপারে। শিকাগোর এক ধর্ম সম্মেলনে যদি পেশ করা যায় বৈদিক দর্শনের বিস্তারকে। শত বাধা পেরিয়ে মঞ্চে দঁাড়িয়ে আমেরিকার মানুষকে এক লহমায় করে ফেলেছিলেন ‘ভ্রাতা ও ভগিনী’। আজ ফিরে দেখা সেই স্বামী বিবেকানন্দকে। যঁার শিক্ষা আজও সমাজের ভিত্তিপ্রস্তর।
বিশদ

10th  September, 2017
 সেইসব শিক্ষক
কল্যাণ বসু

যখন আমরা ভাবি সব জেনে গিয়েছি, ঠিক সেই মুহূর্ত থেকে আমাদের শেখা বন্ধ হয়ে যায়... বলেছিলেন সর্বপল্লি রাধাকৃষ্ণণ। যাঁর জন্মদিন পালিত হয় শিক্ষক দিবস হিসাবে। স্বনামধন্য বহু ব্যক্তির শিক্ষকরাও যে ছিলেন এমনই! কেউ প্রচারের আলোয় এসেছেন, কেউ আসেননি। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর থেকে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। সবারই এমন মহান শিক্ষকদের সান্নিধ্য পাওয়ার সৌভাগ্য হয়েছিল।
বিশদ

03rd  September, 2017
দুশো বছরের বাংলা কাগজ

 দিগদর্শন, বাঙ্গাল গেজেট ও সমাচার দর্পণের লেখনিতে ভর করে যে যাত্রা শুরু হয়েছিল, তার দ্বিশতবর্ষ পূর্ণ হচ্ছে। বাংলা খবরের কাগজ কখনও হয়ে উঠেছে সাম্রাজ্যবাদী ব্রিটিশ শক্তিকে নাস্তানাবুদ করার হাতিয়ার, কখনও অন্তর্জলি যাত্রার মতো সামাজিক রোগের মারণ ওষুধ, আবার কখনও পরিবর্তনের ঝড়। গঙ্গাকিশোর ভট্টাচার্য, দাদাঠাকুরদের সাহসী কলমের সে ভার বহন করে এসেছেন সন্তোষকুমার ঘোষ, গৌরকিশোর ঘোষ এবং বরুণ সেনগুপ্তরা। ২০০ বছর পরও তাই বাংলা সংবাদপত্র একইরকম নবীন।
বিশদ

27th  August, 2017
ছাত্র রাজনীতির বিবর্তন
ডঃ পার্থ চট্টোপাধ্যায়

 ছাত্র রাজনীতির যাবতীয় ঐতিহ্য কি এখন তোলাবাজির অন্ধকারে? এ প্রশ্ন আজ সব মহলে। প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে, রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ গঠনের লক্ষ্যে যে সংসদ দিশা দেখায়, তা আজ ফিকে। জেভিয়ার্স মডেলে রাজ্য ছাত্র রাজনীতি সংস্কার করছে। তা কি সঠিক পদক্ষেপ? মত পক্ষে আছে, বিপক্ষেও।
বিশদ

20th  August, 2017
নির্বাচনের অবাধ সুযোগ প্রয়োজন

তরুণকান্তি নস্কর: রাজ্য সরকার সম্প্রতি নোটিস দিয়ে কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র ইউনিয়ন কেমন করে গঠিত হবে, তা জানিয়েছে। কী সেই আইন, যার বিরুদ্ধে এত বিতর্ক? প্রথমেই উল্লেখ করা দরকার, বর্তমান বছরের শুরুতে বিধানসভায় যে উচ্চশিক্ষা আইন পাশ হয়েছিল, তার ধারাবাহিকতায় এই নোটিস জারি হয়েছে। বিশদ

20th  August, 2017
 ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে কথা বলা দরকার

 সমীর পুততুণ্ড: ২০১১ সালে এরাজ্যে নতুন সরকার গঠনের পর থেকে শিক্ষায়তনে নতুন ধরনের গোলমালের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। প্রথমে নতুন সরকারের সমর্থক এবং বিরোধী ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে, পরবর্তী পর্যায়ে শাসক দল অনুগামীদের মধ্যেই গোলোযোগ শুরু হয়।
বিশদ

20th  August, 2017
একনজরে
সংবাদদাতা, দিনহাটা: শুক্রবার সকালে কোচবিহার শহরের কলাবাগানে এক যুবকের মৃতদেহ উদ্ধার হয়। কোতোয়ালি থানা জানিয়েছে, মৃতের নাম মহাদেব বণিক(৩১)। তাঁর বাড়ি কলাবাগানেই। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদেহটি ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ...

সঞ্জয় গঙ্গোপাধ্যায়, কলকাতা: পাহাড়ে যে কোনও উন্নয়নমূলক কাজের শেষে ইউটিলাইজেশন সার্টিফিকেট (ইউসি) জমা দিতে বলা হল জিটিএ’কে। নবান্ন থেকে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, ...

 ইসলামাবাদ, ২০ অক্টোবর (পিটিআই): দুর্নীতি সংক্রান্ত তৃতীয় মামলাতেও ধাক্কা খেলেন পাকিস্তানের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ। বিদেশে এবং অন্যান্য সংস্থায় বিনিয়োগ নিয়ে নওয়াজকে অভিযুক্ত করেছে আদালত। এই মামলায় নওয়াজ দোষী সাব্যস্ত হলে তাঁর কারাদণ্ড হতে পারে। ...

বিএনএ, আরামবাগ: শুক্রবার গোঘাটের ভিকদাস এলাকায় একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে সিলিং ফ্যান মাথায় পড়ে গিয়ে এক কর্মী জখম হয়েছেন। সুনীল বাগ নামে ওই কর্মীকে আরামবাগ মহকুমা হাসপাতালে ভরতি করা হয়। ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

নিকটবন্ধু দ্বারা বিশ্বাসঘাতকতা। গুরুজনদের স্বাস্থ্যহানি। মামলা-মোকদ্দমায় পরিস্থিতি নিজের অনুকূলে থাকবে। দাম্পত্যজীবনে ভুল বোঝাবুঝিতে সমস্যা বৃদ্ধি।প্রতিকার: ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮০৫: ত্রাফালগারের যুদ্ধে ভাইস অ্যাডমিরাল লর্ড নেলসনের নেতৃত্বে ব্রিটিশ নৌবাহিনীর কাছে পরাজিত হয় নেপোলিয়ানের বাহিনী
১৮৩৩: ডিনামাইট ও নোবেল পুরস্কারের প্রবর্তক সুইডিশ আলফ্রেড নোবেলের জন্ম
১৮৫৪: ক্রিমিয়ার যুদ্ধে পাঠানো হয় ফ্লোরেন্স নাইটেঙ্গলের নেতৃত্বে ৩৮ জন নার্সের একটি দল
১৯৩১: অভিনেতা শাম্মি কাপুরের জন্ম
১৯৪০: আর্নেস্ট হেমিংওয়ের প্রথম উপন্যাস ফর হুম দ্য বেল টোলস-এর প্রথম সংস্করণ প্রকাশিত হয়
১৯৪৩: সিঙ্গাপুরে আজাদ হিন্দ ফৌজ গঠন করলেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু
১৯৬৭: ভিয়েতনামের যুদ্ধের প্রতিবাদে আমেরিকার ওয়াশিংটনে এক লক্ষ মানুষের বিক্ষোভ হয়
২০১২: পরিচালক ও প্রযোজক যশ চোপড়ার মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৪.২০ টাকা ৬৫.৮৮ টাকা
পাউন্ড ৮৩.৭৮ টাকা ৮৬.৬৩ টাকা
ইউরো ৭৫.৬০ টাকা ৭৮.২৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩০,১৩৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৮,৫৯০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৯,০২০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৯,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৯,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
20th  October, 2017

দিন পঞ্জিকা

৪ কার্তিক, ২১ অক্টোবর, শনিবার, দ্বিতীয়া রাত্রি ৩/১, নক্ষত্র-স্বাতী, সূ উ ৫/৩৯/১৭, অ ৫/৩/২৯, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/২৫ মধ্যে পুনঃ ৭/১০ গতে ৯/২৭ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৪ গতে ২/৪৬ মধ্যে পুনঃ ৩/৩২ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ঘ ১২/৩৮ গতে ২/১৮ মধ্যে, বারবেলা ঘ ৭/৫ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৭ গতে ২/১২ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৭ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ঘ ৬/৩৮ মধ্যে পুনঃ ৪/৬ গতে উদয়াবধি।
৪ কার্তিক, ২১ অক্টোবর, শনিবার, দ্বিতীয়া রাত্রি ১/৩০/৪৬, স্বাতীনক্ষত্র, সূ উ ৫/৩৯/৪, অ ৫/৩/১৫, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/২৪/৪১ মধ্যে ও ৭/১০/১৭-৯/২৭/৮ মধ্যে ও ১১/৪৩/৫৮-২/৪৬/২৫ মধ্যে ও ৩/৩২/১-৫/৩/১৫ মধ্যে। রাত্রি ঘ ১২/৩৬/৪৫-২/১৭/৩১ মধ্যে, বারবেলা ১২/৪৬/৪১-২/১২/১২, কালবেলা ৭/৪/৩৫ মধ্যে, ৩/৩৭/৪৩-৫/৩/১৫, কালরাত্রি ৬/৩৭/৪৪ মধ্যে, ৪/৩/৩-৫/৩৭/৩২ মধ্যে।
৩০ মহরম 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
উচ্চরক্তচাপের সমস্যা, হাসপাতালে উপ-রাষ্ট্রপতি 
উচ্চরক্তচাপ ও সুগারের সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে ভরতি হলেন ...বিশদ

20-10-2017 - 08:59:00 PM

প্রায় ৭০০টি ট্রেনের গতি বাড়তে চলেছে 

নভেম্বরে ভারতীয় রেল প্রায় ৭০০টি-র মতো দুরপাল্লার ট্রেনের গতি বাড়াতে ...বিশদ

20-10-2017 - 07:47:47 PM

নির্বাসন না তুললে অন্য দেশের হয়ে খেলার ইঙ্গিত দিলেন নির্বাসিত শ্রীসন্থ

20-10-2017 - 06:55:00 PM

 প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের দাদা পীযূষ মুখোপাধ্যায় প্রয়াত

20-10-2017 - 06:05:00 PM

প্রবল বৃষ্টি, সেচ দপ্তরে চালু কন্ট্রোল রুম

প্রবল বৃষ্টিতে নজর রাখতে সেচ দপ্তরে চালু কন্ট্রোল রুম। মনিটরিং ...বিশদ

20-10-2017 - 04:28:40 PM

কানপুরে প্ল্যাস্টিকের গোডাউনে আগুন, ঘটনাস্থলে দমকলের ৬টি ইঞ্জিন

20-10-2017 - 04:08:00 PM

দুপুরের পর থেকে আলিপুরদুয়ারে শুরু বৃষ্টি

20-10-2017 - 03:52:00 PM