প্রচ্ছদ নিবন্ধ
 

আবাসন আইন 

১ মে দেশজুড়ে চালু হয়েছে আবাসন সংক্রান্ত আইন ‘দি রিয়েল এস্টেট (রেগুলেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট) অ্যাক্ট। চলতি কথায় ‘রেরা’। কেন্দ্রীয় আইনটির উপর ভিত্তি করে রাজ্যগুলির নিজস্ব বিধি রা রুল তৈরি করার কথা। কী পরিস্থিতি রয়েছে এই আইন নিয়ে? আইনটির সুবিধাগুলিই বা কী কী? দেখে নেওয়া যাক আইনের খুঁটিনাটিগুলি।

বাপ্পাদিত্য রায়চৌধুরী: আইনটি পাশ হয় কবে?
 ২০১৬ সালের মার্চ মাসে বিল হিসাবে পাশ হয় রেরা। বলা হয়, বছরখানেকের মধ্যে সেই আইনের উপর ভিত্তি করে রাজ্যগুলিকে তৈরি করতে হবে বিধি। আইনের ৯২টি ধারা বলবৎ হওয়ার কথা গত ১ মে থেকে। আবাসন মন্ত্রক বিধি তৈরি করে আন্দামান-নিকোবর, চণ্ডীগড়, দাদরা, নগর হাভেলি, দমন-দিউ এবং লাক্ষাদীপের জন্য। নগরোন্নয়ন মন্ত্রক দিল্লির জন্য বিধি তৈরি করে।
কোন কোন রাজ্য আইন অনুযায়ী বিধি তৈরি করেছে?
 উত্তরপ্রদেশ, গুজরাত, ওড়িশা, অন্ধ্রপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, মধ্যপ্রদেশ এবং বিহার।
বাকিদের কী হবে?
 বাকি রাজ্যগুলিকেও বিধি তৈরি করতে হবে। যদি তা না হয়, তাহলে যে কেউ রাজ্যের বিরুদ্ধে আদালতে যেতে পারে।
পশ্চিমবঙ্গ এখন কী পরিস্থিতিতে রয়েছে?
 এখানে খসড়া বিধি তৈরি হয়ে আছে। শোনা যাচ্ছে, কেন্দ্রীয় সরকার যে আইনটি তৈরি করেছে, খসড়া বিধিতে তার খুব একটা নড়চড় করেনি রাজ্য। সেটি বিশেষজ্ঞ পরামর্শের জন্য নানা মহলে পাঠানো হয়েছে। এরপর সরকার তার বিজ্ঞপ্তি জারি করবে।
তাহলে আইন কার্যকর
হবে কী করে?
 আইনে বলা হয়েছে, আইনটিকে কার্যকর করার জন্য প্রতিটি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত রাজ্য একটি করে নিজস্ব রেগুলেটর বা নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ তৈরি করবে। সেই কর্তৃপক্ষই মূলত আবাসন সংক্রান্ত খুঁটিনাটি দেখভাল করবে।
আলাদা করে আইনটি
আনার প্রয়োজনীয়তা কী?
 বিগত বেশ কিছু বছর ধরে দেখা গিয়েছে, আবাসন প্রকল্পগুলি, সোজা কথায় যে ফ্ল্যাটগুলি তৈরি হচ্ছে, সেগুলি অসম্ভব ধীর গতিতে হচ্ছে। কাজ প্রায় এগচ্ছে না বললেই চলে। একটি সমীক্ষা বলছে, গত ১০ বছরে যে বড় প্রকল্পগুলি হয়েছে, তার অনেকাংশ সাত বছর ধরে ঢিলেমিতে চলছে। এর পিছনে অনেক কারণ আছে। এতে যেমন ক্রেতারা সমস্যায় পড়ছেন, তেমনই আবাসন নির্মাতারাও কম ফাঁপরে পড়ছেন না। শুধু প্রকল্পের দেরি হওয়াই নয়। তার দাম, কোয়ালিটি বা গুণগত মান—এমন অনেক কিছু নিয়েই সমস্যা বা ক্ষোভ তৈরি হয়েছে ক্রেতা-বিক্রেতার মনে।
সমস্যা আছে আরও। একটি প্রকল্পের টাকা অন্য প্রকল্পে খাটানো, বাড়ি বা ফ্ল্যাট তৈরিতে পরিবেশ দপ্তর, গ্রিন ট্রাইব্যুনালের মতো হরেক অথরিটির ছাড়পত্র জোগাড়ে সমস্যা, এমনকী প্রকল্পের জন্য জমি অধিগ্রহণও সমস্যা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। আবার কোনও কোনও ক্ষেত্রে অনুমোদন ছাড়াই প্রোমোটার ফ্ল্যাট বিক্রি করে দিচ্ছেন ক্রেতাকে। সেইসব জট কাটাতে এবং উভয় পক্ষকেই একটি ন্যায্য অধিকার পাইয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে তৈরি হয়েছে আইন। তবে কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছে, তাদের দায়িত্ব আইন তৈরি করা। তা হয়েছে। এবার সেই আইনকে কে কীভাবে কাজে লাগাবে, তার দেখভালের দায়িত্ব রাজ্যগুলির।
কী কী বিশেষত্ব থাকছে
নতুন এই আইনে?
 আবসন নির্মাতা সংস্থাকে ক্রেতা তাঁর ফ্ল্যাটের জন্য যে টাকা দেবেন, তার অন্তত ৭০ শতাংশ অর্থ ওই সংস্থা একটি আলাদা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা রাখবে। একটি প্রকল্পের জন্য যে যে ক্রেতা বা বিনিয়োগকারীর থেকে টাকা জমা নেবেন প্রোমোটার, সেই টাকাগুলি একটি আলাদা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে রাখবেন। অর্থাৎ, যতগুলি প্রকল্প, ততগুলি আলাদা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট। এতে একটি প্রকল্প বা প্রজেক্টের টাকা অন্য প্রজেক্টে খাটানোর সুযোগ অনেকটাই থাকবে না। একটি প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ ব্যাংক আকাউন্ট থেকে ওই প্রকল্পের জন্যই শুধু খরচ করা যাবে। প্রকল্পটির জমি কেনার জন্যও সেখান থেকে টাকা খরচ করতে পারবেন প্রোমোটার বা নির্মাতা সংস্থা।
 আবাসনের প্লট সাইজ ৫০০ বর্গ মিটার হলেই, সেই আবাসনে এই আইন প্রযোজ্য হবে। আবার অন্তত আটটি অ্যাপার্টমেন্ট থাকলেও প্রযোজ্য হবে আইন।
 শুধু বসবাসের জন্য বরাদ্দ ফ্ল্যাট নয়, বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহারের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে আইন।
 যদি আবাসন নির্মাতার কাছে ক্রেতার কোনও টাকা পাওনা থাকে, তাহলে তা ৪৫ দিনের মধ্যে মেটাতে হবে।
 যে আবাসনগুলি তৈরি হচ্ছে, অর্থাৎ যেসব চালু প্রজেক্ট এখনও কমপ্লিশন সার্টিফিকেট পায়নি, সেগুলিকে আগামী জুলাই মাসের মধ্যে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। সব নতুন প্রকল্পগুলিকেও রেজিস্ট্রি করতে হবে। যে রেগুলেটরি অথরিটি তৈরি হবে, তাদের কাছে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। এতে ক্রেতা ঠকলে, তার বিহিত করতে সুবিধা হবে।
 এই আইন অনুযায়ী ডেভেলপার বা আবাসন নির্মাতা সংস্থাকে আসল এবং অনুমদিত নকশা বা প্ল্যানটি জমা রাখতে হবে। যদি সেই প্ল্যানের বাইরে কোনও নির্মাণ হয়, তাহলে তা জানাতে হবে।
 যত টাকা আয় হল, সেই বিষয়েও বিস্তারিত জানাতে হবে নির্মাতা সংস্থাকে। সেই টাকা কীসে খরচ হচ্ছে, জানাতে হবে তাও। কবে বাড়ি তৈরি হবে, পজেশন কবে দেওয়া যাবে, সেসব তথ্য জানাতে হবে কোনও ইঞ্জিনিয়ার, আর্কিটেক্ট বা চাটার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টের মাধ্যমে।
 রাজ্যে যে নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ গঠন করা হবে, তাদের দায়িত্ব হল প্রকল্পগুলির রেজিস্ট্রেশন করার পাশাপাশি যারা ফ্ল্যাট বিক্রি করবে, সেইসব এজেন্টদের নামও তালিকাভুক্ত করা। সেই কর্তৃপক্ষ তাদের ওয়েবসাইটে এই বিষয়ে যাবতীয় তথ্য আপলোড করবে। যদি কোনও ক্রেতা ফ্ল্যাটের গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, তাহলে তারও দেখভাল করবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
 নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের কাছে রেজিস্ট্রেশন না করে কোনও প্রোমোটার বা নির্মাতা সংস্থা বাড়ি বা ফ্ল্যাট বিক্রির বিজ্ঞাপন দিতে পারবেন না। তিনি সেই ফ্ল্যাট বিক্রি করতে পারবেন না, অফার করতে পারবেন না, প্লট বা অ্যাপার্টমেন্ট বা বাড়ি বা বিল্ডিংয়ের বুকিং করতে পারবেন না, কোনও বিনিয়োগও করতে পারবেন না। ফ্ল্যাট বিক্রির জন্য যে বিজ্ঞাপন দেওয়া হবে, সেখানে ‘রেরা’ রেজিস্ট্রেশন নম্বরটি দেখাতে হবে। এটা বাধ্যতামূলক। রেজিস্ট্রেশন নম্বরটি প্রকল্প অনুযায়ী আলাদা আলাদা হবে। কোনও নম্বরের সঙ্গে কারও মিল থাকবে না। অর্থাৎ, নম্বরটি হবে ইউনিক।
 একবার সেই রেজিস্ট্রি হয়ে যাওয়ার পর, আইনগত এবং আর্থিক বিষয়ে যাবতীয় তথ্য দিতে হবে কর্তৃপক্ষকে। যদি কোনও প্রোমোটার নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ফ্ল্যাট ডেলিভারি দিতে না পারেন, তাহলে তাঁকে পুরো টাকা ফেরত দিতে হবে সংশ্লিষ্ট ক্রেতাকে, যা তিনি তাঁর থেকে নিয়েছেন। দিতে হবে সুদ। সুদের হার কী হবে, তা ঠিক করা থাকবে চুক্তিতেই।
 একবার নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের কাছে নাম রেজিস্ট্রি হয়ে গেলে, ওই কর্তৃপক্ষ তাদের ওয়েবসাইটটিতে আলাদা একটি পেজ খুলবেন। তাতে তিনি যাবতীয় তথ্য জানাবেন।
 কোনও প্রোমোটার বা ডেভেলপার ফ্ল্যাট তৈরির খরচের ১০ শতাংশের বেশি টাকা কখনই ক্রেতার থেকে নিতে পারবেন না, যতক্ষণ না রেজিস্ট্রার্ড সেল এগ্রিমেন্ট হচ্ছে।
ক্রেতার সুবিধাগুলি কী কী?
 কেন্দ্রীয় সরকারের দাবি, আবাসন শিল্প অনেক বেশি স্বচ্ছভাবে ব্যাবসা করবে। ক্রেতাদের ঠকে যাওয়ার সম্ভাবনা অনেক কমে যাবে।
 আবাসন সংস্থাগুলি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রকল্প শেষ করতে বাধ্য থাকবে। যদি তা না হয়, তাহলে জরিমানা দিতে হবে আবাসন সংস্থাকে।
 আবাসন সংস্থাগুলির বিরুদ্ধে অভিযোগ দেখভাল করার জন্য যে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বা কর্তৃপক্ষ থাকবে, কোনও প্রকল্প সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য সেই নিয়ন্ত্রক সংস্থার ওয়েবসাইটে জানাবে সংশ্লিষ্ট আবাসন সংস্থা। তিন মাস অন্তর প্রকল্পের অগ্রগতি জানাতে হবে ওই ওয়েবসাইটে। ক্রেতারা তা দেখার সুযোগ পাবেন।
 যদি অকারণে আবাসন প্রকল্পের কাজ ঢিমেতালে হয়, তাহলে ক্রেতাকে ব্যাংক ঋণের সুদ গুণতে হয়। এবার সেই দায়ভার বর্তাবে আবাসন নির্মাতার উপর।
 যদি আবাসন প্রকল্পের কাঠামোগত বা তৈরি হওয়ার ক্ষেত্রে কোনও গলদ থাকে, তাহলে ফ্ল্যাটটি হস্তান্তরের পর থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত নিজের দায়িত্বে নির্মাতা সংস্থা সেই ত্রুটি সারাবেন। অভিযোগ আসার ৩০ দিনের মধ্যে তা সারাতে হবে। যদি আবাসন সংস্থা তা না করে, তাহলে তার জন্য ক্ষতিপূরণ পাবেন ক্রেতা।
 নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবং অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনাল গড়া হবে আইন কার্যকর করার জন্য। সেখানে যদি আইন না মানার বিষয়টি প্রমাণিত হয়, তাহলে তিন বছর পর্যন্ত জেল খাটতে হতে পারে আবাসন নির্মাতাকে। ফ্ল্যাট বিক্রির এজেন্টকে এক বছর পর্যন্ত জেল খাটানোর সংস্থান আছে আইনে।
 যে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রকল্পটির বিষয়ে ক্রেতা জানতে পারবেন, নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের সেই ওয়েবসাইটে নিজেও অংশগ্রহণ করতে পারবেন তিনি। এর ফলে অন্যান্য ক্রেতারাও উপকৃত হবেন।
 প্ল্যানের খুঁটিনাটি যেমন প্রত্যেক ক্রেতার জানার অধিকার থাকবে, তেমনই বাড়ি তৈরির প্রতিটি ধাপে তাঁরা প্রতিটি তথ্য চাইলে পেতে পারবেন, সেই অধিকার আছে নয়া আইনে।
প্রোমোটার বা ডেভেলপারদের সুবিধা কী কী?
 বহু তথাকথিত প্রোমোটার আছেন, যাঁদের হাত ধরে ভুঁইফোঁড়ের মতো সংস্থা গজিয়ে ওঠে। সেগুলি ফ্ল্যাট বিক্রির হরেক প্রলোভন দেখিয়ে ক্রেতাদের থেকে টাকা হাতায়। নির্দিষ্ট সময়ে ফ্ল্যাট পাওয়া তো দূরের কথা, অনেক সময়ই দেখা যায়, ফ্ল্যাট চোখেই দেখতে পেলেন না ক্রেতা। ফ্ল্যাট তৈরির আগে একরকম প্রতিশ্রুতি দিয়ে, ফ্ল্যাট বিক্রির সময়ে সেই প্রতিশ্রুতি খেলাপের উদাহরণ আছে ভূরি ভূরি। সেই সংস্থাগুলি নয়া আইনে চাপে পড়ে যাবে। সেক্ষেত্রে যাঁরা সুনামের সঙ্গে ব্যাবসা করছেন, সেই সব প্রোমোটাররা অনেক বেশি সুবিধা পাবেন প্রতিযোগিতার নিরিখে।
 রিয়েল এস্টেটকে অনেক সময়ই বিনিয়োগের মাধ্যম হিসাবে ধরা হয়। এক্ষেত্রে যদি আবাসন শিল্পের ব্যাবসায় স্বচ্ছতা আসে, তাহলে তা বিনিয়োগকারীদের আরও বেশি করে আস্থা অর্জন করতে সমর্থ হবে। তা আদতে সুবিধা দেবে রিয়েল সেক্টরকেই।
 রিয়েল এস্টেট ব্যাবসার সঙ্গে জড়িত থাকে ব্যাংকিং এবং ইনসিওরেন্সের মতো কয়েকটি ক্ষেত্র। ব্যাবসায় স্বচ্ছতা এলে, ক্রেতাদের পাশাপাশি এতে সুবিধা পাবেন ডেভেলপাররাও। তাঁদের ঋণ পেতে সুবিধা হবে।
 রিয়েল এস্টেট ব্যাবসায় পুঁজির বহর বাড়বে। স্বচ্ছ আইন থাকলে, বিদেশি বিনিয়োগও বাড়তে পারে অনেকটাই।
 বহু প্রোমোটার বাড়ি তৈরি করেও বিক্রি করতে পারছেন না। ক্রেতার আস্থা অর্জন সেখানে বড় ফ্যাক্টর। নয়া আইনে ক্রেতারা আবাসন কেনায় আগ্রহী হবেন। তা বিক্রির ক্ষেত্রে বাড়তি আগ্রহ তৈরি করবে। আসলে, নয়া আইনে ফ্ল্যাটের চাহিদা অনেকটাই বাড়বে বলে মনে করছে নির্মাতা সংস্থাগুলি।
 যেখানে টেলিকম সেক্টর, শেয়ার বাজার বা বিমার ক্ষেত্রে রেগুলেটর সংস্থা আছে, সেখানে রিয়েল এস্টেটকে নিয়ন্ত্রণ করার কোনও রেগুলেটর এতদিন ছিল না। নয়া আইনে সেই নিয়ন্ত্রক সংস্থা তৈরি হবে। অন্যান্য সেক্টর এমন নিয়ন্ত্রক সংস্থার আওতায় যেমন কাজ করছে, এবার সেই সুযোগ পাবে রিয়েল এস্টেটও।
নয়া আইনের সমস্যা কী কী?
 শুধু নতুন আবাসন প্রকল্পগুলিই আসবে নতুন আইনে। যে প্রকল্পগুলি নিয়ে ইতিমধ্যেই জটিলতা চলছে, সেগুলি এই আইনের অন্তর্ভুক্ত হবে না। সেক্ষেত্রে সুরাহা থেকে বঞ্চিত হবেন অনেক ক্রেতাই।
 অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায়, আবাসন প্রকল্প গড়তে সরকারি বেশ কিছু ছাড়পত্র লাগে। সেগুলি পেতে দেরিও হয় অনেক সময়। নয়া আইনে সেই দেরির বিষয়ে কোনও দিশা নেই। ফলে, সরকারের কাজের গতির উপর নির্ভর করতে হবে আবাসন নির্মাতাদের। প্রকল্প দেরি হওয়ার পিছনে তার দায় থাকলে, নির্মাতারা নিরুপায়।
 অতি ছোট প্রকল্পগুলির জন্য আইনটি প্রযোজ্য নয়। সেক্ষেত্রে সেই প্রকল্পগুলিতে ফাঁকফোঁকর থাকলে, তাতেও সুরাহা পাবেন না গ্রাহক।
 নতুন প্রকল্প তৈরি হতে সময় লাগবে, এমনটাই মনে করছে আবাসন নির্মাতা সংস্থাগুলি। তাদের বক্তব্য, যে প্রকল্পগুলি আসতে চলেছে, সেগুলির হরেক ছাড়পত্রের দরকার হবে। তাছাড়া নতুন আইন অনুযায়ী যে প্রসাশনিক কাজকর্মগুলি আছে, সেগুলিও করতে হবে। সেসব করে হাতেকলমে প্রকল্প গড়তে সময় বেশি যাবে। তাই নয়া আইনে বাড়ির বা ফ্ল্যাটের চাহিদা বাড়লেও, আবাসনের জোগান ততটা প্রাথমিকভাবে বাড়বে না—এমনটাই বলছেন নির্মাতারা। অন্তত এক বছর এই বিষয়ে একটু ঢিলেমি চলবে বলেই মনে করছেন তাঁরা।
 আইনটি এক হলেও, নানা রাজ্য নানা বিধি তৈরি করবে। তার উপর সেক্ষেত্রে একটির সাথে অন্যটির মিল থাকবে না, এটাই স্বাভাবিক। তাই রাজ্য ভেদে বড় সংস্থাগুলি কিছুটা অসুবিধায় পড়তে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে।
ফ্ল্যাটের দাম বাড়তে পারে?
 আবাসন নির্মাতাদের একটি অংশ বলছে, দাম বাড়তে পারে। এর পিছনে অনেকগুলি কারণ আছে। যেহেতু নয়া আইনে নতুন প্রকল্প আনতে কিছুটা ঢিলেমি আসবে, তাই কাঁচামালসহ হরেক জিনিস আটকে থাকবে আবাসন নির্মাতার কাছে। সেক্ষেত্রে খরচ বাড়বে।
 আইনে বলা হয়েছে, প্রতিটি প্রকল্পের জন্য আলাদা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে ডেভেলপারকে। তিনি ক্রেতার থেকে যে টাকা আদায় করবেন প্রকল্পটি চলার সময়, সেই টাকার অন্তত ৭০ শতাংশ জমা করতে হবে ওই ব্যাংক অ্যাকাউন্টেই। অন্য প্রকল্পে তা সরানো যাবে না। এতে অনেকেই অশনি সংকেত দেখছেন। নগদের জোগান কমে যাবে। আর তাতে ঘুরপথে প্রকল্পের দাম বাড়াবে বলেই ধারণা নির্মাতাদের।
 ওয়েবপেজ তৈরি, সেখানে নিয়মিত তথ্যের জোগান, প্রভৃতি কাজ নির্মাতার প্রশাসনিক খরচ বাড়াবে। তার সামান্য প্রভাব পড়তে পারে দামে।
 গাড়ি পার্কিংয়ের জায়গা দেওয়াসহ একাধিক ইস্যু আছে আইনে, যা প্রকল্পের দাম বাড়াতে পারে।
 গ্রাফিক্স: সোমনাথ পাল
14th  May, 2017
 বাঙালির রথযাত্রা

হারাধন চৌধুরী: বাঙালি এক আমুদে জাতি। আনন্দের জন্য পরব খুঁজে নিতে বাঙালির জুড়ি মেলা ভার। বাঙালির কাছে দেবতারা কঠিন কঠোর কিছু নন। দেবতারাই হলেন সবচেয়ে আপন বা অতি প্রিয় কেউ, যাঁকে আঁকড়ে ধরে থাকতে না পারলে বাঙালির সব আনন্দ, সব সুখানুভূতি যেন মাটি হয়ে যায়। অতএব একজন না একজন দেবতাকে সামনে রেখেই পার্বণ সাজিয়ে নেয় তারা। সেই থেকেই ‘বারো মাসে তেরো পার্বণ’ কথাটি এসেছে। ‘তেরো’ কথাটি ‘বহু’ অর্থেই প্রযোজ্য হয়। সংস্কৃতি সম্পর্কে এমন যাদের উপলব্ধি, রথযাত্রার মতো একটি পার্বণ বছরের একটি নির্দিষ্ট সময়ে তাদের মাতিয়ে দেওয়ার পক্ষে যথেষ্ট। রথযাত্রার মধ্যে মাটি বা ভূমির টানই খুঁজে পায় বাঙালি। বিশদ

দেশভাগের ৭০

সমৃদ্ধ দত্ত: ৭০ বছর আগে কয়েকজন দেশি-বিদেশি প্রতিনিধি ঠিক করে ফেলেছিল ভারতকে ভাগ হতেই হবে। ৭০ বছর আগে এমনই একটা জুন মাসে অবিভক্ত বঙ্গ বিধানসভার শেষ অধিবেশনে বাংলা আর বাঙালির নতুন পথ চলার সূচনা। চিরবিচ্ছেদের বেদনা নিয়ে। সেই ২০ জুন।
লর্ড মাউন্টব্যাটেন নিজের ইমেজ সম্পর্কে এতটাই সচেতন ছিলেন যে, ১৯৪৭ সালের ২২ মার্চ ভারতের ভাইসরয় পদে এসেই সরকারি এবং প্রেস ফটোগ্রাফারদের জন্য একটি নির্দেশ জারি করে দেন।
বিশদ

18th  June, 2017
রাষ্ট্রপতি ভবনে 

প্রবালকুমার বসু: রাষ্ট্রপতি ভবনে তাঁরই অতিথি হয়ে কাটিয়ে আসা দু’সপ্তাহ। রাজধানীর যানজট, দূষণের বাইরে হঠাৎ এসে পড়া যেন এক অন্য জগতে। মুঘল গার্ডেনসে ফুলের মাঝে কেটে যাওয়া সময়, কিংবা প্রতিটা পাথরে নতুন করে খুঁজে পাওয়া ইতিহাস।
বিশদ

11th  June, 2017
ভূস্বর্গ ভয়ংকর

আজাদ কাশ্মীর। এই অবস্থানেই অনড় ছিলেন মহারাজা হরি সিং। পাকিস্তানের একের পর এক ষড়যন্ত্রে নেহরুর সাহায্য নিতে তিনি বাধ্য হয়েছিলেন। কাশ্মীর জুড়েছিল ভারতের মানচিত্রে। কিন্তু পিছন থেকে ছুরি মারে আমেরিকা, ব্রিটেন। এবং পাকিস্তান। যে ইন্ধন বজায় রেখেছে ইসলামাবাদ। ফল? অশান্ত ভূস্বর্গ...।
বিশদ

04th  June, 2017
খাতা দেখা 

বসন্ত কড়া নাড়লেই বুঝতে হবে মা-উমা খুব দূরে নেই। অর্থাৎ মাধ্যমিক-উচ্চ মাধ্যমিক। ভাবা যায়, একটা রাজ্যে মাধ্যমিক-উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৮ লক্ষের বেশি? আর এই দুই পরীক্ষা শেষ হতেই রাজ্যের আনাচে কানাচে হাজার হাজার স্কুল টিচারের গৃহকোণে শুরু হয়ে যায় কুটির শিল্প—খাতা দেখা।
বিশদ

28th  May, 2017
র‌্যানসামওয়্যার এবং বিটকয়েন 

দেবজ্যোতি রায়: ‘এত দ্রুতগতিতে প্রযুক্তির উন্নতি ঘটছে যে এই আগ্রাসন গোটা মানবজাতিকে নিঃশেষ করে দিতে পারে। বংশপরম্পরাকে রক্ষা করতে গেলে যুক্তি ও কারণ দিয়ে এতে লাগাম দিতে হবে।’ প্রযুক্তির রকেটসম অগ্রগতি নিয়ে সম্প্রতি এক সেমিনারে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন পৃথিবীখ্যাত বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিনস। এর জন্য বিভিন্ন দেশের সরকারকে এগিয়ে আসার আরজিও জানিয়েছিলেন কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের এই প্রফেসর তথা পদার্থবিদ।
বিশদ

21st  May, 2017
বাহুবলীর নেপথ্যে

যাবতীয় রেকর্ড ভেঙে সদর্পে ছুটে চলেছে বাহুবলীর বিজয়রথ। প্রথম দিনের কালেকশনই ছিল প্রায় ১২২ কোটি। লাইট, ক্যামেরা, সাউন্ড, অ্যাকশন এবং ভিস্যুয়াল এফেক্ট। ছবির অভাবনীয় সাফল্যের নেপথ্যে কিন্তু রয়েছে আরও অনেক কিছু। বিশদ

07th  May, 2017
রিকশ থেকে টোটো

বাজারের থলে হাতে নিয়ে খেঁাজ পড়ে তার। সন্তান হঠাৎ জ্বরে পড়লেও ডাক্তারখানা যেতে যে সেই ভরসা। বাহক থেকে চালক হওয়ার দীর্ঘ সফরে রিকশ চিরকাল সঙ্গী মধ্য ও নিম্নবিত্তের। কালের বিবর্তনে তার আগে ‘ই’ স্বরবর্ণ জুড়েছে। তবু এই টোটোর আমলে সুর কাটেনি রিকশ রোমান্টিকতার
বিশদ

30th  April, 2017
খাঁসাহেব 

সমৃদ্ধ দত্ত: মার্চ মাসের সকাল সাড়ে ১০টা এমনিতে দিল্লিতে বেশ আরামদায়ক ওয়েদার। সেদিন ৫ মার্চ আবার বেশ ঠান্ডা হাওয়াও ছিল। ইন্ডিয়ান হ্যাবিট্যাট সেন্টারে আয়ান আলি বাঙ্গাশ আসনে বসেই গুরুগম্ভীর আবহটি কাটিয়ে বেশ হালকা মুড নিয়ে এলেন। একটু আগে ঘোষিকা সিরিয়াস ভঙ্গিতে শ্রোতৃমণ্ডলীকে বলেছেন, সরোদ বাদনের মাঝখানে করতালি না দেওয়াই শ্রেয়। 
বিশদ

23rd  April, 2017
 স্মৃতির রেলপথে

 ওই রেললাইন দিয়ে আরও একবার ট্রেন ছুটবে। শিয়ালদহ থেকে ছেড়ে পৌঁছে যাবে খুলনা। ওই রেলরুটে আরও একবার মিলবে দুই বাংলা। যা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল স্বাধীনতার আগে। সেই স্মৃতির পথেই আজ ফিরে দেখা।
বিশদ

16th  April, 2017



একনজরে
সংবাদদাতা, রামপুরহাট: তারাপীঠে ব্যতিক্রমী রথের দড়িতে টান দিতে শনিবারই দূরদূরান্ত থেকে কয়েক হাজার ভক্ত তারাপীঠ এসেছেন। সাধারণত জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রাকে রথে বসিয়ে রথযাত্রা উৎসব পালিত হয়। কিন্তু তারাপীঠে তারা মা-ই রথে আরোহন করেন। রথ, উলটো রথ দুই পর্যায়ের রথেই ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আগামী মরশুমেও মোহন বাগানের কোচ থাকছেন সঞ্জয় সেন। তাঁর কাছে অন্য কোনও ক্লাবের অফার ছিল না। মোহন বাগানও ‘এ’ লাইসেন্সধারী ভালো কোচ পেত না। শনিবার সঞ্জয় সেন স্বীকার করে নেন, ‘মোহন বাগানের এক শীর্ষ কর্তা আমাকে আগামী ...

সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার:বিজেপির বিস্তারক কর্মসূচির মোকাবিলায় তৃণমূল কংগ্রেস বীরভুম জেলায় ইতিমধ্যেই পালটা বিস্তারক কর্মসূচি শুরু করেছে। এবার পঞ্চায়েত ভোটের আগাম প্রস্তুতি হিসাবে তৃণমূলের আলিপুরদুয়ার-১ ব্লক সভাপতি মনোরঞ্জন দে তাঁর ব্লকে বুথ ভিত্তিক খুলি বৈঠক শুরু করেছেন। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: স্ত্রী ও শাশুড়ির বঁটির কোপে গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভরতি হলেন স্বামী। শুক্রবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে নিউটাউনের প্রমোদগড় বাজার এলাকায়। স্থানীয় সূত্রের খবর, পারিবারিক বিবাদের জেরে শুভঙ্কর সরকারের সঙ্গে বেশ কিছুদিন ধরেই তাঁর স্ত্রীর অশান্তি চলছিল। ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাফল্য আসবে। প্রেম-প্রণয়ে আগ্রহ বাড়বে। তবে তা বাস্তবায়িত হওয়াতে সমস্যা আছে। লৌহ ও ... বিশদ



ইতিহাসে আজকের দিন

 ১৯০৩- ইংরেজ সাহিত্যিক জর্জ অরওয়েলের জন্ম
১৯৬০- কবি সুধীন্দ্রনাথ দত্তের মৃত্যু
১৯৭৪- অভিনেত্রী করিশ্মা কাপুরের জন্ম
১৯৭৫- প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী দেশে জরুরি অবস্থা জারি করলেন
২০০৯- মার্কিন পপ সংগীত শিল্পী মাইকেল জ্যাকসনের মৃত্যু




ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৭৫ টাকা ৬৫.৪৩ টাকা
পাউন্ড ৮০.৬৪ টাকা ৮৩.৪২ টাকা
ইউরো ৭০.৭৬ টাকা ৭৩.২৮ টাকা
24th  June, 2017
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৯,২২৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৭,৭২৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৮,১৪০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৯,১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৯,২০০ টাকা

দিন পঞ্জিকা

১০ আষাঢ়, ২৫ জুন, রবিবার, দ্বিতীয়া রাত্রি ১/২, পুনর্বসুনক্ষত্র রাত্রি ১১/২৫, সূ উ ৪/৫৭/৩৬, অ ৬/২০/৩৬, অমৃতযোগ ৬/৪৪-৯/২৫ পুনঃ ১২/৫-২/৪৫ রাত্রি ৭/৪৫ পুনঃ ১০/৩৫-১২/৪৩, বারবেলা ৯/৫৮-১/১৯, কালরাত্রি ১২/৫৯-২/১৯।

রথযাত্রা উৎসব
রাত্রি ১/৩৮/২৯ অম্বুবাচী নিবৃত্তিঃ

১০ আষাঢ়, ২৫ জুন, রবিবার, প্রতিপদ ৬/২১/২১ পরে দ্বিতীয়া রাত্রিশেষ ৪/৮/৫০, পুনর্বসুনক্ষত্র ২/৪৯/৪৫, সূ উ ৪/৫৪/৫৩, অ ৬/২২/১২, অমৃতযোগ দিবা ৪/৪২/৩১-৯/২৩/৫৯, ১২/৫/২৭-২/৪৬/৫৫ রাত্রি ৭/৪৬/৩৩, ১০/৩৫/১৬-১২/৪১/৪৮, বারবেলা ৯/৫৭/৩৮-১১/৩৮/৩৩, কালবেলা ১১/৩৮/৩৩-১/১৯/২৮, কালরাত্রি ১২/৫৭/৩৮-২/১৬/৪৩।

রথযাত্রা উৎসব
রাত্রি ১/৩৮/২৯ অম্বুবাচী নিবৃত্তিঃ
২৯ রমজান

ছবি সংবাদ


এই মুহূর্তে
গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বনগাঁর গনরাপোতা বাজার এলাকা থেকে ১৫০টি বিরল প্রজাতির কচ্ছপ উদ্ধার করল পুলিশ, গ্রেপ্তার ৬

10:20:00 AM

লখনউতে ১৪ বছর বয়সী এক পুলিশ অফিসারের কন্যার আত্মহত্যা, চাঞ্চল্য

10:16:00 AM

পাকিস্তানের বাহাওয়ালপুরে তেলের ট্যাঙ্কার থেকে আগুন লাগার ঘটনায় মৃত শতাধিক, গুরুতর জখম ৪০

10:14:00 AM

শহরে ট্রাফিকের হাল
আজ, রবিবার সকালে শহরের রাস্তাঘাটে যান চলাচল মোটের উপর স্বাভাবিক। ট্রাফিকের সামান্য চাপ রয়েছে এজেসি বসু রোড, ইএম বাইপাস, মা উড়ালপুল, পার্কস্ট্রিটের মতো গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলিতে। এদিন শহরে তেমন কোনও বড় মিটিং-মিছিলের খবর নেই। ফলে মোটামুটি সারাদিনই শহরের যান চলাচল স্বাভাবিক থাকবে বলেই মনে করা হচ্ছে। তবে আজ রথযাত্রাকে ঘিরে বেশ কয়েকটি রাস্তায় যানজট দেখা দিতে পারে। ইসকনের রথ অ্যালবার্ট রোড থেকে হাঙ্গারফোর্ড স্ট্রিট, এজেসি বোস রোড, শরৎ বসু রোড, হাজরা রোড, এসপি মুখার্জি রোড, আশুতোষ মুখার্জি রোড, চৌরঙ্গি রোড, এক্সাইড ক্রসিং, জওহরলাল নেহরু রোড, আউটরাম রোড হয়ে ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে এসে থামবে। ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে যে ক’দিন ইসকনের রথ থাকবে, সেই ক’দিন সেখানে প্রসাদ বিতরণ, নানা বিনোদনমূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। অন্যদিকে, মেট্রোর কাজের জন্য ২৯ জুন থেকে ৩ জুলাই পর্যন্ত বন্ধ থাকবে ব্রাবোর্ন রোড ফ্লাইওভার ব্রিজ। সেই সময় সমস্ত গাড়ি মহাত্মা গান্ধী রোড, পোস্তা ও স্ট্যান্ড রোড দিয়ে ঘুরিয়ে দেওয়া হবে। তার ফলে ওই এলাকাগুলিতে যানজট দেখা দিতে পারে। কলকাতা পুলিশ জানিয়েছে, মা ফ্লাইওভারের নতুন ফ্ল্যাংকের নির্মাণ কাজ চলায় আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত কড়েয়া রোড ও বেকবাগান রো'র মধ্যবর্তী সার্কাস এভিনিউ'র দক্ষিণ অভিমুখও বন্ধ থাকবে। তার জেরে ওই এলাকাতেও যানজটের সম্ভাবনা রয়েছে। ট্রাফিক সংক্রান্ত যে কোনও খবরাখবরের জন্য কলকাতা পুলিশের টোল ফ্রি নম্বর ১০৭৩-তে ফোন করুন।

10:02:00 AM

মধ্য জাপানে ভূমিকম্প, রিখটার স্কেলে ৫.২

09:38:00 AM

চীনে ভূমিধস, মৃত ১৫, নিখোঁজ শতাধিক

09:34:00 AM