প্রচ্ছদ নিবন্ধ
 

আবাসন আইন 

১ মে দেশজুড়ে চালু হয়েছে আবাসন সংক্রান্ত আইন ‘দি রিয়েল এস্টেট (রেগুলেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট) অ্যাক্ট। চলতি কথায় ‘রেরা’। কেন্দ্রীয় আইনটির উপর ভিত্তি করে রাজ্যগুলির নিজস্ব বিধি রা রুল তৈরি করার কথা। কী পরিস্থিতি রয়েছে এই আইন নিয়ে? আইনটির সুবিধাগুলিই বা কী কী? দেখে নেওয়া যাক আইনের খুঁটিনাটিগুলি।

বাপ্পাদিত্য রায়চৌধুরী: আইনটি পাশ হয় কবে?
 ২০১৬ সালের মার্চ মাসে বিল হিসাবে পাশ হয় রেরা। বলা হয়, বছরখানেকের মধ্যে সেই আইনের উপর ভিত্তি করে রাজ্যগুলিকে তৈরি করতে হবে বিধি। আইনের ৯২টি ধারা বলবৎ হওয়ার কথা গত ১ মে থেকে। আবাসন মন্ত্রক বিধি তৈরি করে আন্দামান-নিকোবর, চণ্ডীগড়, দাদরা, নগর হাভেলি, দমন-দিউ এবং লাক্ষাদীপের জন্য। নগরোন্নয়ন মন্ত্রক দিল্লির জন্য বিধি তৈরি করে।
কোন কোন রাজ্য আইন অনুযায়ী বিধি তৈরি করেছে?
 উত্তরপ্রদেশ, গুজরাত, ওড়িশা, অন্ধ্রপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, মধ্যপ্রদেশ এবং বিহার।
বাকিদের কী হবে?
 বাকি রাজ্যগুলিকেও বিধি তৈরি করতে হবে। যদি তা না হয়, তাহলে যে কেউ রাজ্যের বিরুদ্ধে আদালতে যেতে পারে।
পশ্চিমবঙ্গ এখন কী পরিস্থিতিতে রয়েছে?
 এখানে খসড়া বিধি তৈরি হয়ে আছে। শোনা যাচ্ছে, কেন্দ্রীয় সরকার যে আইনটি তৈরি করেছে, খসড়া বিধিতে তার খুব একটা নড়চড় করেনি রাজ্য। সেটি বিশেষজ্ঞ পরামর্শের জন্য নানা মহলে পাঠানো হয়েছে। এরপর সরকার তার বিজ্ঞপ্তি জারি করবে।
তাহলে আইন কার্যকর
হবে কী করে?
 আইনে বলা হয়েছে, আইনটিকে কার্যকর করার জন্য প্রতিটি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত রাজ্য একটি করে নিজস্ব রেগুলেটর বা নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ তৈরি করবে। সেই কর্তৃপক্ষই মূলত আবাসন সংক্রান্ত খুঁটিনাটি দেখভাল করবে।
আলাদা করে আইনটি
আনার প্রয়োজনীয়তা কী?
 বিগত বেশ কিছু বছর ধরে দেখা গিয়েছে, আবাসন প্রকল্পগুলি, সোজা কথায় যে ফ্ল্যাটগুলি তৈরি হচ্ছে, সেগুলি অসম্ভব ধীর গতিতে হচ্ছে। কাজ প্রায় এগচ্ছে না বললেই চলে। একটি সমীক্ষা বলছে, গত ১০ বছরে যে বড় প্রকল্পগুলি হয়েছে, তার অনেকাংশ সাত বছর ধরে ঢিলেমিতে চলছে। এর পিছনে অনেক কারণ আছে। এতে যেমন ক্রেতারা সমস্যায় পড়ছেন, তেমনই আবাসন নির্মাতারাও কম ফাঁপরে পড়ছেন না। শুধু প্রকল্পের দেরি হওয়াই নয়। তার দাম, কোয়ালিটি বা গুণগত মান—এমন অনেক কিছু নিয়েই সমস্যা বা ক্ষোভ তৈরি হয়েছে ক্রেতা-বিক্রেতার মনে।
সমস্যা আছে আরও। একটি প্রকল্পের টাকা অন্য প্রকল্পে খাটানো, বাড়ি বা ফ্ল্যাট তৈরিতে পরিবেশ দপ্তর, গ্রিন ট্রাইব্যুনালের মতো হরেক অথরিটির ছাড়পত্র জোগাড়ে সমস্যা, এমনকী প্রকল্পের জন্য জমি অধিগ্রহণও সমস্যা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। আবার কোনও কোনও ক্ষেত্রে অনুমোদন ছাড়াই প্রোমোটার ফ্ল্যাট বিক্রি করে দিচ্ছেন ক্রেতাকে। সেইসব জট কাটাতে এবং উভয় পক্ষকেই একটি ন্যায্য অধিকার পাইয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে তৈরি হয়েছে আইন। তবে কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছে, তাদের দায়িত্ব আইন তৈরি করা। তা হয়েছে। এবার সেই আইনকে কে কীভাবে কাজে লাগাবে, তার দেখভালের দায়িত্ব রাজ্যগুলির।
কী কী বিশেষত্ব থাকছে
নতুন এই আইনে?
 আবসন নির্মাতা সংস্থাকে ক্রেতা তাঁর ফ্ল্যাটের জন্য যে টাকা দেবেন, তার অন্তত ৭০ শতাংশ অর্থ ওই সংস্থা একটি আলাদা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা রাখবে। একটি প্রকল্পের জন্য যে যে ক্রেতা বা বিনিয়োগকারীর থেকে টাকা জমা নেবেন প্রোমোটার, সেই টাকাগুলি একটি আলাদা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে রাখবেন। অর্থাৎ, যতগুলি প্রকল্প, ততগুলি আলাদা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট। এতে একটি প্রকল্প বা প্রজেক্টের টাকা অন্য প্রজেক্টে খাটানোর সুযোগ অনেকটাই থাকবে না। একটি প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ ব্যাংক আকাউন্ট থেকে ওই প্রকল্পের জন্যই শুধু খরচ করা যাবে। প্রকল্পটির জমি কেনার জন্যও সেখান থেকে টাকা খরচ করতে পারবেন প্রোমোটার বা নির্মাতা সংস্থা।
 আবাসনের প্লট সাইজ ৫০০ বর্গ মিটার হলেই, সেই আবাসনে এই আইন প্রযোজ্য হবে। আবার অন্তত আটটি অ্যাপার্টমেন্ট থাকলেও প্রযোজ্য হবে আইন।
 শুধু বসবাসের জন্য বরাদ্দ ফ্ল্যাট নয়, বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহারের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে আইন।
 যদি আবাসন নির্মাতার কাছে ক্রেতার কোনও টাকা পাওনা থাকে, তাহলে তা ৪৫ দিনের মধ্যে মেটাতে হবে।
 যে আবাসনগুলি তৈরি হচ্ছে, অর্থাৎ যেসব চালু প্রজেক্ট এখনও কমপ্লিশন সার্টিফিকেট পায়নি, সেগুলিকে আগামী জুলাই মাসের মধ্যে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। সব নতুন প্রকল্পগুলিকেও রেজিস্ট্রি করতে হবে। যে রেগুলেটরি অথরিটি তৈরি হবে, তাদের কাছে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। এতে ক্রেতা ঠকলে, তার বিহিত করতে সুবিধা হবে।
 এই আইন অনুযায়ী ডেভেলপার বা আবাসন নির্মাতা সংস্থাকে আসল এবং অনুমদিত নকশা বা প্ল্যানটি জমা রাখতে হবে। যদি সেই প্ল্যানের বাইরে কোনও নির্মাণ হয়, তাহলে তা জানাতে হবে।
 যত টাকা আয় হল, সেই বিষয়েও বিস্তারিত জানাতে হবে নির্মাতা সংস্থাকে। সেই টাকা কীসে খরচ হচ্ছে, জানাতে হবে তাও। কবে বাড়ি তৈরি হবে, পজেশন কবে দেওয়া যাবে, সেসব তথ্য জানাতে হবে কোনও ইঞ্জিনিয়ার, আর্কিটেক্ট বা চাটার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টের মাধ্যমে।
 রাজ্যে যে নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ গঠন করা হবে, তাদের দায়িত্ব হল প্রকল্পগুলির রেজিস্ট্রেশন করার পাশাপাশি যারা ফ্ল্যাট বিক্রি করবে, সেইসব এজেন্টদের নামও তালিকাভুক্ত করা। সেই কর্তৃপক্ষ তাদের ওয়েবসাইটে এই বিষয়ে যাবতীয় তথ্য আপলোড করবে। যদি কোনও ক্রেতা ফ্ল্যাটের গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, তাহলে তারও দেখভাল করবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
 নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের কাছে রেজিস্ট্রেশন না করে কোনও প্রোমোটার বা নির্মাতা সংস্থা বাড়ি বা ফ্ল্যাট বিক্রির বিজ্ঞাপন দিতে পারবেন না। তিনি সেই ফ্ল্যাট বিক্রি করতে পারবেন না, অফার করতে পারবেন না, প্লট বা অ্যাপার্টমেন্ট বা বাড়ি বা বিল্ডিংয়ের বুকিং করতে পারবেন না, কোনও বিনিয়োগও করতে পারবেন না। ফ্ল্যাট বিক্রির জন্য যে বিজ্ঞাপন দেওয়া হবে, সেখানে ‘রেরা’ রেজিস্ট্রেশন নম্বরটি দেখাতে হবে। এটা বাধ্যতামূলক। রেজিস্ট্রেশন নম্বরটি প্রকল্প অনুযায়ী আলাদা আলাদা হবে। কোনও নম্বরের সঙ্গে কারও মিল থাকবে না। অর্থাৎ, নম্বরটি হবে ইউনিক।
 একবার সেই রেজিস্ট্রি হয়ে যাওয়ার পর, আইনগত এবং আর্থিক বিষয়ে যাবতীয় তথ্য দিতে হবে কর্তৃপক্ষকে। যদি কোনও প্রোমোটার নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ফ্ল্যাট ডেলিভারি দিতে না পারেন, তাহলে তাঁকে পুরো টাকা ফেরত দিতে হবে সংশ্লিষ্ট ক্রেতাকে, যা তিনি তাঁর থেকে নিয়েছেন। দিতে হবে সুদ। সুদের হার কী হবে, তা ঠিক করা থাকবে চুক্তিতেই।
 একবার নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের কাছে নাম রেজিস্ট্রি হয়ে গেলে, ওই কর্তৃপক্ষ তাদের ওয়েবসাইটটিতে আলাদা একটি পেজ খুলবেন। তাতে তিনি যাবতীয় তথ্য জানাবেন।
 কোনও প্রোমোটার বা ডেভেলপার ফ্ল্যাট তৈরির খরচের ১০ শতাংশের বেশি টাকা কখনই ক্রেতার থেকে নিতে পারবেন না, যতক্ষণ না রেজিস্ট্রার্ড সেল এগ্রিমেন্ট হচ্ছে।
ক্রেতার সুবিধাগুলি কী কী?
 কেন্দ্রীয় সরকারের দাবি, আবাসন শিল্প অনেক বেশি স্বচ্ছভাবে ব্যাবসা করবে। ক্রেতাদের ঠকে যাওয়ার সম্ভাবনা অনেক কমে যাবে।
 আবাসন সংস্থাগুলি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রকল্প শেষ করতে বাধ্য থাকবে। যদি তা না হয়, তাহলে জরিমানা দিতে হবে আবাসন সংস্থাকে।
 আবাসন সংস্থাগুলির বিরুদ্ধে অভিযোগ দেখভাল করার জন্য যে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বা কর্তৃপক্ষ থাকবে, কোনও প্রকল্প সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য সেই নিয়ন্ত্রক সংস্থার ওয়েবসাইটে জানাবে সংশ্লিষ্ট আবাসন সংস্থা। তিন মাস অন্তর প্রকল্পের অগ্রগতি জানাতে হবে ওই ওয়েবসাইটে। ক্রেতারা তা দেখার সুযোগ পাবেন।
 যদি অকারণে আবাসন প্রকল্পের কাজ ঢিমেতালে হয়, তাহলে ক্রেতাকে ব্যাংক ঋণের সুদ গুণতে হয়। এবার সেই দায়ভার বর্তাবে আবাসন নির্মাতার উপর।
 যদি আবাসন প্রকল্পের কাঠামোগত বা তৈরি হওয়ার ক্ষেত্রে কোনও গলদ থাকে, তাহলে ফ্ল্যাটটি হস্তান্তরের পর থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত নিজের দায়িত্বে নির্মাতা সংস্থা সেই ত্রুটি সারাবেন। অভিযোগ আসার ৩০ দিনের মধ্যে তা সারাতে হবে। যদি আবাসন সংস্থা তা না করে, তাহলে তার জন্য ক্ষতিপূরণ পাবেন ক্রেতা।
 নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবং অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনাল গড়া হবে আইন কার্যকর করার জন্য। সেখানে যদি আইন না মানার বিষয়টি প্রমাণিত হয়, তাহলে তিন বছর পর্যন্ত জেল খাটতে হতে পারে আবাসন নির্মাতাকে। ফ্ল্যাট বিক্রির এজেন্টকে এক বছর পর্যন্ত জেল খাটানোর সংস্থান আছে আইনে।
 যে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রকল্পটির বিষয়ে ক্রেতা জানতে পারবেন, নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের সেই ওয়েবসাইটে নিজেও অংশগ্রহণ করতে পারবেন তিনি। এর ফলে অন্যান্য ক্রেতারাও উপকৃত হবেন।
 প্ল্যানের খুঁটিনাটি যেমন প্রত্যেক ক্রেতার জানার অধিকার থাকবে, তেমনই বাড়ি তৈরির প্রতিটি ধাপে তাঁরা প্রতিটি তথ্য চাইলে পেতে পারবেন, সেই অধিকার আছে নয়া আইনে।
প্রোমোটার বা ডেভেলপারদের সুবিধা কী কী?
 বহু তথাকথিত প্রোমোটার আছেন, যাঁদের হাত ধরে ভুঁইফোঁড়ের মতো সংস্থা গজিয়ে ওঠে। সেগুলি ফ্ল্যাট বিক্রির হরেক প্রলোভন দেখিয়ে ক্রেতাদের থেকে টাকা হাতায়। নির্দিষ্ট সময়ে ফ্ল্যাট পাওয়া তো দূরের কথা, অনেক সময়ই দেখা যায়, ফ্ল্যাট চোখেই দেখতে পেলেন না ক্রেতা। ফ্ল্যাট তৈরির আগে একরকম প্রতিশ্রুতি দিয়ে, ফ্ল্যাট বিক্রির সময়ে সেই প্রতিশ্রুতি খেলাপের উদাহরণ আছে ভূরি ভূরি। সেই সংস্থাগুলি নয়া আইনে চাপে পড়ে যাবে। সেক্ষেত্রে যাঁরা সুনামের সঙ্গে ব্যাবসা করছেন, সেই সব প্রোমোটাররা অনেক বেশি সুবিধা পাবেন প্রতিযোগিতার নিরিখে।
 রিয়েল এস্টেটকে অনেক সময়ই বিনিয়োগের মাধ্যম হিসাবে ধরা হয়। এক্ষেত্রে যদি আবাসন শিল্পের ব্যাবসায় স্বচ্ছতা আসে, তাহলে তা বিনিয়োগকারীদের আরও বেশি করে আস্থা অর্জন করতে সমর্থ হবে। তা আদতে সুবিধা দেবে রিয়েল সেক্টরকেই।
 রিয়েল এস্টেট ব্যাবসার সঙ্গে জড়িত থাকে ব্যাংকিং এবং ইনসিওরেন্সের মতো কয়েকটি ক্ষেত্র। ব্যাবসায় স্বচ্ছতা এলে, ক্রেতাদের পাশাপাশি এতে সুবিধা পাবেন ডেভেলপাররাও। তাঁদের ঋণ পেতে সুবিধা হবে।
 রিয়েল এস্টেট ব্যাবসায় পুঁজির বহর বাড়বে। স্বচ্ছ আইন থাকলে, বিদেশি বিনিয়োগও বাড়তে পারে অনেকটাই।
 বহু প্রোমোটার বাড়ি তৈরি করেও বিক্রি করতে পারছেন না। ক্রেতার আস্থা অর্জন সেখানে বড় ফ্যাক্টর। নয়া আইনে ক্রেতারা আবাসন কেনায় আগ্রহী হবেন। তা বিক্রির ক্ষেত্রে বাড়তি আগ্রহ তৈরি করবে। আসলে, নয়া আইনে ফ্ল্যাটের চাহিদা অনেকটাই বাড়বে বলে মনে করছে নির্মাতা সংস্থাগুলি।
 যেখানে টেলিকম সেক্টর, শেয়ার বাজার বা বিমার ক্ষেত্রে রেগুলেটর সংস্থা আছে, সেখানে রিয়েল এস্টেটকে নিয়ন্ত্রণ করার কোনও রেগুলেটর এতদিন ছিল না। নয়া আইনে সেই নিয়ন্ত্রক সংস্থা তৈরি হবে। অন্যান্য সেক্টর এমন নিয়ন্ত্রক সংস্থার আওতায় যেমন কাজ করছে, এবার সেই সুযোগ পাবে রিয়েল এস্টেটও।
নয়া আইনের সমস্যা কী কী?
 শুধু নতুন আবাসন প্রকল্পগুলিই আসবে নতুন আইনে। যে প্রকল্পগুলি নিয়ে ইতিমধ্যেই জটিলতা চলছে, সেগুলি এই আইনের অন্তর্ভুক্ত হবে না। সেক্ষেত্রে সুরাহা থেকে বঞ্চিত হবেন অনেক ক্রেতাই।
 অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায়, আবাসন প্রকল্প গড়তে সরকারি বেশ কিছু ছাড়পত্র লাগে। সেগুলি পেতে দেরিও হয় অনেক সময়। নয়া আইনে সেই দেরির বিষয়ে কোনও দিশা নেই। ফলে, সরকারের কাজের গতির উপর নির্ভর করতে হবে আবাসন নির্মাতাদের। প্রকল্প দেরি হওয়ার পিছনে তার দায় থাকলে, নির্মাতারা নিরুপায়।
 অতি ছোট প্রকল্পগুলির জন্য আইনটি প্রযোজ্য নয়। সেক্ষেত্রে সেই প্রকল্পগুলিতে ফাঁকফোঁকর থাকলে, তাতেও সুরাহা পাবেন না গ্রাহক।
 নতুন প্রকল্প তৈরি হতে সময় লাগবে, এমনটাই মনে করছে আবাসন নির্মাতা সংস্থাগুলি। তাদের বক্তব্য, যে প্রকল্পগুলি আসতে চলেছে, সেগুলির হরেক ছাড়পত্রের দরকার হবে। তাছাড়া নতুন আইন অনুযায়ী যে প্রসাশনিক কাজকর্মগুলি আছে, সেগুলিও করতে হবে। সেসব করে হাতেকলমে প্রকল্প গড়তে সময় বেশি যাবে। তাই নয়া আইনে বাড়ির বা ফ্ল্যাটের চাহিদা বাড়লেও, আবাসনের জোগান ততটা প্রাথমিকভাবে বাড়বে না—এমনটাই বলছেন নির্মাতারা। অন্তত এক বছর এই বিষয়ে একটু ঢিলেমি চলবে বলেই মনে করছেন তাঁরা।
 আইনটি এক হলেও, নানা রাজ্য নানা বিধি তৈরি করবে। তার উপর সেক্ষেত্রে একটির সাথে অন্যটির মিল থাকবে না, এটাই স্বাভাবিক। তাই রাজ্য ভেদে বড় সংস্থাগুলি কিছুটা অসুবিধায় পড়তে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে।
ফ্ল্যাটের দাম বাড়তে পারে?
 আবাসন নির্মাতাদের একটি অংশ বলছে, দাম বাড়তে পারে। এর পিছনে অনেকগুলি কারণ আছে। যেহেতু নয়া আইনে নতুন প্রকল্প আনতে কিছুটা ঢিলেমি আসবে, তাই কাঁচামালসহ হরেক জিনিস আটকে থাকবে আবাসন নির্মাতার কাছে। সেক্ষেত্রে খরচ বাড়বে।
 আইনে বলা হয়েছে, প্রতিটি প্রকল্পের জন্য আলাদা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে ডেভেলপারকে। তিনি ক্রেতার থেকে যে টাকা আদায় করবেন প্রকল্পটি চলার সময়, সেই টাকার অন্তত ৭০ শতাংশ জমা করতে হবে ওই ব্যাংক অ্যাকাউন্টেই। অন্য প্রকল্পে তা সরানো যাবে না। এতে অনেকেই অশনি সংকেত দেখছেন। নগদের জোগান কমে যাবে। আর তাতে ঘুরপথে প্রকল্পের দাম বাড়াবে বলেই ধারণা নির্মাতাদের।
 ওয়েবপেজ তৈরি, সেখানে নিয়মিত তথ্যের জোগান, প্রভৃতি কাজ নির্মাতার প্রশাসনিক খরচ বাড়াবে। তার সামান্য প্রভাব পড়তে পারে দামে।
 গাড়ি পার্কিংয়ের জায়গা দেওয়াসহ একাধিক ইস্যু আছে আইনে, যা প্রকল্পের দাম বাড়াতে পারে।
 গ্রাফিক্স: সোমনাথ পাল
14th  May, 2017
ছাত্র রাজনীতির বিবর্তন
ডঃ পার্থ চট্টোপাধ্যায়

 ছাত্র রাজনীতির যাবতীয় ঐতিহ্য কি এখন তোলাবাজির অন্ধকারে? এ প্রশ্ন আজ সব মহলে। প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে, রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ গঠনের লক্ষ্যে যে সংসদ দিশা দেখায়, তা আজ ফিকে। জেভিয়ার্স মডেলে রাজ্য ছাত্র রাজনীতি সংস্কার করছে। তা কি সঠিক পদক্ষেপ? মত পক্ষে আছে, বিপক্ষেও।
বিশদ

20th  August, 2017
নির্বাচনের অবাধ সুযোগ প্রয়োজন

তরুণকান্তি নস্কর: রাজ্য সরকার সম্প্রতি নোটিস দিয়ে কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র ইউনিয়ন কেমন করে গঠিত হবে, তা জানিয়েছে। কী সেই আইন, যার বিরুদ্ধে এত বিতর্ক? প্রথমেই উল্লেখ করা দরকার, বর্তমান বছরের শুরুতে বিধানসভায় যে উচ্চশিক্ষা আইন পাশ হয়েছিল, তার ধারাবাহিকতায় এই নোটিস জারি হয়েছে। বিশদ

20th  August, 2017
 ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে কথা বলা দরকার

 সমীর পুততুণ্ড: ২০১১ সালে এরাজ্যে নতুন সরকার গঠনের পর থেকে শিক্ষায়তনে নতুন ধরনের গোলমালের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। প্রথমে নতুন সরকারের সমর্থক এবং বিরোধী ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে, পরবর্তী পর্যায়ে শাসক দল অনুগামীদের মধ্যেই গোলোযোগ শুরু হয়।
বিশদ

20th  August, 2017
 আলোচনা কিন্তু প্রয়োজন ছিল

 শুভঙ্কর সরকার: ‘দ্বার বন্ধ করে ভ্রমটারে রুখি/ সত্য বলে আমি তবে কোন পথে ঢুকি’... কলেজে ছাত্রছাত্রীদের রাজনৈতিক লড়াই রুখতে ছাত্র সংসদের অবসান ঘটানোর যে যুক্তি দেওয়া হচ্ছে, তাতে আমার এই কথাটাই মনে পড়ল।
বিশদ

20th  August, 2017
বন্দেমাতরম 
রজত চক্রবর্তী

জাতীয় পতাকাটা আজও হাতে ধরে হেঁটে চলেছেন মাতঙ্গিনী হাজরা। উচ্চশির। প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার, প্রফুল্লনলিনী ব্রহ্ম, কল্পনা দত্ত... নারীশক্তির এক অদম্য জাগরণ দেখেছিল পরাধীন ভারত। মায়েরা, বোনেরা পথে নেমে-না নেমে অংশ নিয়েছিলেন বিপ্লবে। তবু এমনই দুই সংগ্রামী শান্তি ঘোষ, সুনীতি চৌধুরির জন্মশতবর্ষ চলে গেল নীরবে...।
বিশদ

13th  August, 2017
 কৃপণ সমাচার!

 কৃপণ কত প্রকার ও কী কী? এমন রচনা ছেলেবেলায় লিখতে না হলেও এ ব্যাপারে জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতার ঝুলি প্রায় সবারই পূর্ণ। কেউ কেউ আবার কৃপণ শব্দটির বদলে হিসাবি বা মিতব্যয়ী ব্যবহার করতে বেশি পছন্দ করেন। যদিও তাতে কৃপণদের নিয়ে সমাচারে কোনও দিন, কোনও যুগেই ঘাটতি হয় না।
বিশদ

06th  August, 2017
আলিপুর জেলের অন্তরালে

 আলিপুর সেন্ট্রাল জেল। কানাইলাল দত্ত, সত্যেন বসু, দীনেশ গুপ্ত... একের পর এক বিপ্লবীকে ফাঁসির দড়ি বরণ করতে হয়েছে এখানে। শত অত্যাচার সত্ত্বেও যেখানে ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে একজোট হয়েছেন লৌহকপাটের আড়ালে থাকা বিপ্লবীরা। ভয় না ধরিয়ে সঙ্গীর মৃত্যু সাহস জুগিয়েছে তঁাদের। সেলুলার জেল হেরিটেজের মর্যাদা পেলেও আলিপুর পায়নি। সেখানে আজও কুঠুরির কোণায় কোণায় শোনা যাবে বিপ্লবের বজ্রনির্ঘোষ।
বিশদ

30th  July, 2017
 অমরনাথের পথে-প্রান্তরে

 দুর্গম অতিক্রম করে, জঙ্গি হামলা-মৃত্যুভয়কে তুচ্ছ করে এগিয়ে চলা একবার দর্শনের আশায়। বালতাল হোক বা পহেলগাঁও, যাত্রাপথ যাই হোক না কেন, প্রকৃতি সেখানেই অপার সৌন্দর্য উজাড় করে রেখেছে। বিন্দু বিন্দু জল জমে আকার নিয়েছে শিবলিঙ্গের। আর তাকে ঘিরেই সম্প্রীতির এক অদ্ভূত মিলন উৎসব। সে যে অমরনাথ। বিশদ

23rd  July, 2017
খবর শেষ

 আকাশবাণী... খবর পড়ছি...। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আমল থেকে শুরু হওয়ার পর বঙ্গজীবনের অঙ্গ হিসাবে জড়িয়ে যাওয়া সেই অভ্যাস হাতছাড়া হয়েছে বহুযুগ আগেই। টিভি, ইন্টারনেট, ফেসবুকের জমানায় যা আজ প্রায় গতজন্মের স্মৃতি বলে মনে হয়। কিন্তু একটা সময় এই তো ছিল বাইরের জানালায় চোখ রাখার জন্য মানুষের একমাত্র দূরবীন! সেই ইভা নাগ, নীলিমা সান্যাল, দেবদুলাল বন্দ্যোপাধ্যায়, ব্রেকডাউন, ভুল খবর...। সে এখন নস্টালজিয়া। আজ দিল্লির বেতার খবর যে সত্যিই শেষ!
বিশদ

16th  July, 2017
 বৃষ্টিভেজা

 গ্রীষ্মকালীন এই বঙ্গে বর্ষার আগমন যেন ঘাম দিয়ে জ্বর ছাড়ার মতো। আকাশকে মুখ ভার করে ঝরে পড়তে দেখলেই মন আনচান করে খিচুড়ি, ইলিশ মাছের জন্য। ঘণ্টাখানেকের বর্ষণে তিলোত্তমা এক হাঁটু জল উপহার দিলেও তা ঠেলে বাড়ি ফেরাই আলাদা আনন্দ। আর গুনগুন করে ওঠা বিশ্বকবির সৃষ্টি। মনে পড়ে যাওয়া অপু-দুর্গার বৃষ্টি ভেজা। কিংবা স্কুলের সেই রেনি ডে। এ ঋতু তাই যে আলাদা আলাদা অনুভূতির এক সম্পৃক্ত দ্রবণ। বিশদ

09th  July, 2017
চিকিৎসা রঙ্গ 

কল্যাণ বসু: ‘পাসকরা ডাক্তার নই, কিন্তু তাতে কি? বাড়ি বসিয়া বই পড়িয়া কি আর ডাক্তারী শেখা যায় না? আজ সাত আট বছর তো ডাক্তারী করিতেছি, অভিজ্ঞতা বলিয়া একটা জিনিসও তো আছে! পাসকরা ডাক্তারের হাতে কি আর রোগী মরে না?’ এইটুকু পড়ে কী মালুম হচ্ছে?
বিশদ

02nd  July, 2017



একনজরে
 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আজ, সোমবার বাতিল করা হচ্ছে আপ কলকাতা-ঢাকা মৈত্রী এক্সপ্রেস। পূর্ব রেল জানিয়েছে, বাংলাদেশ রেলের ডাউন লাইনের লিংক ট্রেনটি বাতিল থাকায় আপ লাইনের ট্রেনটিও বাতিল করা হয়েছে। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: উত্তরবঙ্গের মালদহ, বালুরঘাট, রায়গঞ্জ, কালিয়াগঞ্জ, ইটাহার, কুশমুন্ডি, বাউল, পতিরাম, গঙ্গারামপুর সহ বিভিন্ন অঞ্চলে ভারত সেবাশ্রম সংঘ সম্প্রতি বন্যাদুর্গতদের ত্রাণের কাজ শুরু করেছে। রোজই সংঘের পক্ষ থেকে দুর্গতদের রান্না করা খাবার বিলি করা হচ্ছে। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ইতিমধ্যেই দক্ষিণ দমদম পুরসভা এলাকায় ডেঙ্গুতে আটজনের মৃত্যু হয়েছে, আক্রান্তের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়েছে। অবশেষে নড়েচড়ে বসল দক্ষিণ দমদম পুরসভা। পুরসভার যে সমস্ত ওয়ার্ডে ডেঙ্গুর প্রকোপ বেশি, সেখানে গাপ্পি মাছ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ...

সংবাদদাতা, খড়্গপুর: দাঁতন বালিকা বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির দুই নিখোঁজ ছাত্রীর খোঁজ মিলল মুম্বইয়ে। তাদের খোঁজে রবিবারই পুলিশের একটি দল মুম্বই ঩গিয়েছে। দাঁতন থানার পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নিখোঁজ দুই ছাত্রীর মোবাইলের সূত্র ধরে তাদের খোঁজ পাওয়া যায়। ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার্থীদের ক্ষেত্রে ভাবনা-চিন্তা করে বিষয় নির্বাচন করলে ভালো হবে। প্রেম-প্রণয়ে বাধাবিঘ্ন থাকবে। কারও সঙ্গে মতবিরোধ ... বিশদ



ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৭৮- ভিনু মানকড়ের মৃত্যু
১৯৮৬- উসেইন বোল্টের জন্ম
১৯৯৫- সুব্রহ্মণ্যম চন্দ্রশেখরের মৃত্যু
২০০৬- ওস্তাদ বিসমিল্লা খানের মৃত্যু
১৯৭২- বন সংরক্ষণ আইন চালু


ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৩৫ টাকা ৬৫.০৩ টাকা
পাউন্ড ৮১.২৫ টাকা ৮৪.২১ টাকা
ইউরো ৭৩.৯৬ টাকা ৭৬.৫৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
19th  August, 2017
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) 29465
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) 27955
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) 28375
রূপার বাট (প্রতি কেজি) 39100
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) 39200
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
20th  August, 2017

দিন পঞ্জিকা

৪ ভাদ্র, ২১ আগস্ট, সোমবার, অমাবস্যা রাত্রি ১২/০, অশ্লেষানক্ষত্র দিবা ৩/৫১, সূ উ ৫/১৯/১৪, অ ৬/০/২৬, অমৃতযোগ দিবা ৭/০ পুনঃ ১০/২৩-১২/৫৬ রাত্রি ৬/৪৫-৯/১ পুনঃ ১১/১৭-২/১৮, বারবেলা ৬/৫৪-৮/২৯ পুনঃ ২/৫১-৪/২৬, কালরাত্রি ১০/১৫-১১/৪০। পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ (ভারতে অদৃশ্য)
৪ ভাদ্র, ২১ আগস্ট, সোমবার, অমাবস্যা রাত্রি ১২/৮/৯, অশ্লেষানক্ষত্র অপরাহ্ণ ৪/৫৪/৪০, সূ উ ৫/১৬/৪৮, অ ৬/২/২৪, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৮/৫৩, ১০/২৩/২-১২/৫৬/১০ রাত্রি ৬/৪৭/২২-৯/২/২০, ১১/১৭/১৭-২/১৭/১২, বারবেলা ২/৫১/০-৪/২৬/৪২, কালবেলা ৬/৫২/৩০-৮/২৮/১২, কালরাত্রি ১০/১৫/১৮-১১/৩৯/৩৬। পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ (ভারতে অদৃশ্য)
২৮ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
বন্যায় ৭ লক্ষ হেষ্টর চাষের জমি ক্ষতিগ্রস্থ: কৃষিমন্ত্রী

 বন্যায়য় উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গ মিলিয়ে ৭ লক্ষ হেক্টর চাষের জমি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। যার মধ্যেো ৪ লক্ষ জমি উত্তরের। কৃষিতে প্রাথমিক হিসেবে মোট ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৮০০ কোটি টাকা। যার মধ্যে উত্তরে ৫৩৪ কোটি ৫১ লক্ষ টাকাো জানালেন কৃষি মন্ত্রী পূর্ণেন্দু বসু।

05:24:00 PM

 তামিলনাড়ুর উপ মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ পনিরসেলভামের

 এআএিডিএমকে-র দুই শিবিরের সংযুক্তিকরণের পর তামিলনাড়ুর উপ মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিলেন পনিরসেলভাম

04:49:00 PM

বন্যার জন্য কেন্দ্রে কাছে উপযুক্ত প্যাকেজ চাইব: মমতা

কেন্দ্রের কাছে উপযুক্ত প্যাকেজের দাবি করতে চলেছে বলে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান গোটা রাজ্যে এবছর বন্যায় ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে ১৪ হাজার কোটি টাকা। কেবলমাত্র উত্তরবঙ্গেই মৃত্যু হয়েছে ৪৫ জনের। আর গোটা রাজ্যে ১৫২জনের। রাজ্যে ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের সংখ্যা দেড় কোটি ছাড়িয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, ত্রাণ নিয়ে কোনও সমস্যা নেই। পর্যাপ্ত পরিমাণে রয়েছে। তাই যতটা প্রয়োজন ততটাই ত্রাণ মিলবে। মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, অনেক সড়ক থেকেই জল নামতে শুরু করেছে, তাই যে সমস্ত সড়ক থেকে জল নেমে যাবে, সেখান দিয়েই ধীরে ধীরে ট্রাক পাঠানো হবে। কারণ অনেক ট্রাক পচনশীল দ্রব্য নিয়ে আটকে রয়েছে। পাশাপাশি এই বন্যার নামে যে সমস্ত অসাধু ব্যবসায়ী দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি করতে চেষ্টা করছেন তাদের বিরুদ্ধেও নজরদারি চালানো হবে বলে তিনি নির্দেশ দিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, জল নামলেই  বন্যা সংক্রান্ত রোগব্যাধির প্রতিষেধক এবং পানীয় জলের পথগুলিকে পরিশ্রুত করার ব্যবস্থাও নেওয়া হচ্ছে।

04:47:00 PM

সিলেবাস কমিটির প্রস্তাবে সিলমোহর রাজ্য সরকারের, সব ক্লাসে পড়তে হবে কন্যাশ্রী স্বীকৃতি, আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে প্রথম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পাঠ্যক্রমে কন্যাশ্রী

04:12:00 PM

বন্যায় দেড় কোটি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত: মুখ্যমন্ত্রী

04:10:07 PM

রাজ্যে যথেষ্ট পরিমানে ত্রান সামগ্রী মজুত রয়েছে: মুখ্যমন্ত্রী

04:10:06 PM