প্রচ্ছদ নিবন্ধ
 

বাহুবলীর নেপথ্যে

যাবতীয় রেকর্ড ভেঙে সদর্পে ছুটে চলেছে বাহুবলীর বিজয়রথ। প্রথম দিনের কালেকশনই ছিল প্রায় ১২২ কোটি। লাইট, ক্যামেরা, সাউন্ড, অ্যাকশন এবং ভিস্যুয়াল এফেক্ট। ছবির অভাবনীয় সাফল্যের নেপথ্যে কিন্তু রয়েছে আরও অনেক কিছু।

শান্তনু দত্তগুপ্ত:
 দু’জনে একসঙ্গে বসে ব্রেকফাস্ট করছেন... জেমস ক্যামেরন, আর আর্নল্ড সোয়ারজেনেগার। আলোচ্য বিষয়বস্তু হল, টার্মিনেটর ছবির সিক্যুয়েল। আর্নল্ড ভীষণভাবে বোঝানোর চেষ্টা করে যাচ্ছেন, আর ক্যামেরনও কিছুতে মানবেন না।... ‘জেমস, তুমি ভুলে যাচ্ছ, আমি এখানে একটা টার্মিনেটর! আমি কাউকে মারব না, এটা কী করে হয়?’ জেমস ক্যামেরন কিন্তু মানলেন না। এই টার্মিনেটরকে তিনি তৈরি করছেন রক্ষাকর্তা হিসাবে। অর্থাৎ সে ক্ষত্রিয়ধর্ম পালন করবে। আর তার উলটোদিকে থাকবে টি-১০০০। এমন এক অদ্ভূত তরল দিয়ে তৈরি, যাকে কাটা যায় না, ভাঙা যায় না, আগুনে পোড়ানো যায় না। টি-১০০০ বানানোর আগে ক্যামেরন ‘আত্মা’র কনসেপ্টের মাধ্যমে অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন কি না জানা নেই, তবে সে সময় তিনি যা বানিয়েছিলেন, তা আজও বিস্মৃত হয়নি। টানটান চিত্রনাট্যের সঙ্গে ভিস্যুয়াল এফেক্টের দুরন্ত মেলবন্ধন। ভারতবাসী দেখেছে আর ভেবেছে, আহা, আমরা কবে পারব!
যদি ভাবেন, শুধু ভিস্যুয়াল এফেক্টের কথা হচ্ছে, তা কিন্তু নয়। এখানে প্রসঙ্গ গোটা প্যাকেজ। চিত্রনাট্য, অভিনয়, দর্শককে কৌতূহলী করে তোলা, প্রচারের এমন কিছু স্ট্র্যাটেজি, যা মানুষকে শুধুমাত্র ওই ছবি নিয়েই ভাবতে... চর্চা করতে বাধ্য করবে। আর জেমস ক্যামেরনের গল্প শোনানোর একটা নির্দিষ্ট ধারা ছিল। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তিনি ছবির কেন্দ্রীয় চরিত্রের পরবর্তী কালটা আগে দেখিয়ে তার থেকে ফ্ল্যাশব্যাকে যেতেন। যাতে দর্শক বুঝতে পারত, এই লোকটা বা এই মহিলারই গল্প হচ্ছে। ওই লাইন ড্রইংয়ের উপরই এঁকে ফেলা যেত গোটা ক্যানভাসটা। যেমনটা দেখেছি আমরা টার্মিনেটরের জন কনারকে। টাইটানিকের রোজকে। কিন্তু যদি চিত্রনাট্যটাই সেই চরিত্র হয়? আর তার উপর ভর করে ছবিটা গোটা দুনিয়ায় মারমার কাটকাট ফেলে দেয়? তাহলে কী বলা যাবে একে? ফ্লুক, লাক নাকি কৌশল? উঁহুঁ, বোধহয় কোনওটাই নয়। এখানে কৃতিত্ব যদি কারও হয়ে থাকে, তাহলে তা পরিচালকের মস্তিষ্কের। শুধু শুধু কি আর করণ জোহর বলেছেন, এই দশকটা হতে যাচ্ছে এস এস রাজামৌলির! আর হবে নাই বা কেন? বাহুবলীকে প্রচারের আলোয় আনার বেশ কয়েক বছর আগে থেকে পরিচালক শুধুই এই ছবিতে ডুবে গিয়েছিলেন। এর কাহিনি, চিত্রনাট্যকে আরও ধারালো করে তোলা, প্রত্যেকটা বিভাগ নিয়ে আলাদা করে সময় দেওয়া এবং সেগুলোকে নিখুঁত করে তোলা। এত পরিশ্রমের মূল্য শেষমেশ মিলতে বাধ্য। কারণ, এ তো শুধু স্বপ্ন ছিল না! ছিল পুরোদস্তুর পরিকল্পনা। ২০১৩ সালে প্রজেক্টে হাত দেওয়ার আগেই ছবির দণ্ডমুণ্ডের সব কর্তারা ঠিক করে নিয়েছিলেন কীভাবে এগতে হবে। তার জন্য যা যা করার, করেছিলেন তাঁরা। এমনকী, মুম্বইয়ের এক নামজাদা এজেন্সিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল... যেভাবে হোক, বাহুবলীকে একটা জাতীয় ছবি বানাতে হবে। ন্যাশনাল ফিল্ম। যা তামিল ও তেলুগুতে শ্যুটিং হবে, আর ডাব হবে হিন্দি, মালায়লম, ইংরেজি, ফরাসি আর জাপানি ভাষায়।
আর তার জন্য অবশ্য সবার আগে দরকার ছিল সর্বজনসাধারণের অন্তর পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে, এমন কাহিনি। কোথায় মিলবে এমন রসদ? রাজামৌলি জানতেন, সে মশলা ভারতের মাটিতেই পাওয়া যাবে। যে মাটি থেকে রামায়ণ, মহাভারতের মতো বটবৃক্ষের জন্ম হয়েছে, তাকে কি আর গল্পের জন্য সাগরপাড়ে তাকাতে হয়? তাই তো এই গল্পে আছে সিংহাসন নিয়ে ভাইয়ে ভাইয়ে লড়াই, পুত্রস্নেহে অন্ধ এক পিতা, ভারতজোড়া সাম্রাজ্য, এক নারীচরিত্র নিয়ে যুদ্ধপরিস্থিতি, বিশ্বাসঘাতকতা, পিতামহ ভীষ্মের মতো কাটাপ্পা এবং সত্যের জয়। সবটাই খুব সুচারুভাবে বুনেছেন রাজামৌলি। বাহুবলী নামে এক চরিত্রকে নিয়ে সিনেমা হলেও প্রচারে কিন্তু তার আধিপত্য ছিল না। বরং মানুষের মনে একটা প্রশ্ন ঢুকিয়ে দেওয়া, কী এমন হয়েছিল যে, একটি সদ্যোজাতকে বাঁচাতে প্রাণ দিতে হল রানিকে? অর্থাৎ স্ক্রিপ্ট। দক্ষিণে প্রভাস স্টার হতে পারেন, কিন্তু আসমুদ্রহিমাচলে ক’জন তাঁর নামটাই বা জানতেন? তাঁর অভিনীত ক’টা ছবি বাহুবলীর আগে পর্যন্ত বাড়ি বসে দেখেছিলেন? আজ কিন্তু নামটা বিলক্ষণ পরিচিত। কারণ একটাই। চিত্রনাট্য। এরপর কী হতে চলেছে, দর্শক ঠাহর করতে পারবে না। স্ক্রিপ্টই তো এখানে সুপারহিরো! এই কথাটাই বলছিলেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম স্টাডিজের অধ্যাপক সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়... ‘চমক। পরের দৃশ্যে কী চমক লুকিয়ে আছে, সেটার টানেই দর্শক ভেসে যাবে। সিনেমায় দার্শনিকতার যুগ বোধহয় শেষ হল।’ সত্যি, চেনা গল্পকে অচেনাভাবে বলার মুন্সিয়ানা সবার থাকে না। তার উপর নতুনত্ব আমদানি। অনেকেই হয়তো জানেন না, বাহুবলীর জন্য একটা নতুন মৌলিক ভাষার আবিষ্কার হয়েছিল। কিলিকি। যা ছিল কালকেয় উপজাতির ভাষা। প্রায় সাড়ে সাতশো শব্দ, আর ৪০টার মতো ব্যকরণের নিয়ম বানানো হয়েছিল এই ভাষায়। মাত্র ২৫ হাজার সেনা দিয়ে যে এক লক্ষ নৃশংস যোদ্ধার বিরুদ্ধে মাহেস্মতি লড়াইয়ে নেমেছিল, তারা কথা বলত কিলিকি ভাষায়। এর আগে ‘গেম অব থ্রোনস’-এ ডোথার্কি এবং ‘লর্ড অব দ্য রিংস’ ছবির এলভিস ভাষা ছাড়া এমন প্রয়াস নজরে আসেনি। ছবির ভিস্যুয়াল এফেক্টের জন্য দেশি-বিদেশি ১৭টা সংস্থাসহ আরও অনেকে কাজ করেছে (প্রথম বাহুবলীতেই হাজার পাঁচেক ভিএফএক্স শট ছিল)। প্রোডাকশন শুরু হওয়ার আগের এক বছর ধরে ২৫ জন শিল্পীর হাতে প্রায় ১৫ হাজার স্কেচ হয়েছে... বিভিন্ন দৃশ্য কীভাবে শ্যুট হবে, তার খসড়া। ফ্লোরে প্রায় ২ হাজার স্টান্টম্যান। সত্যিই বাহুবলীয়ান পরিশ্রম। কাজেই ভারতীয় ছবির ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বাজেট হওয়াটা অস্বাভাবিক কী! যদিও এই ২৫০ কোটি টাকা তুলতে বেশি সময় লাগেনি প্রযোজকের। শুধু শেষে ঝুলিয়ে দিয়েছিলেন আরও একটা প্রশ্ন, বাহুবলীকে কেন মারল কাটাপ্পা? দু’বছর ধরে এই একটা উত্তরের খোঁজেই হন্যে হয়ে বেরিয়েছে দর্শককূল। যারা প্রথম বাহুবলী দেখেননি, তাঁরাও প্রশ্নটা জেনেছেন এবং উত্তরের জন্য ব্যাকুল হয়েছেন। কনক্লুশন দেখতে যাওয়ার আগে প্রথম পার্ট দেখে তারপর স্বস্তিতে হলমুখো হওয়ার নজির গত এক হপ্তায় কম নেই!
স্বীকার করতেই হবে, দুর্দান্ত এক চরিত্র বানিয়েছেন রাজামৌলি... কাটাপ্পা। গোটা কাহিনিটার ভিত কাঁধে করে বয়েছে এই চরিত্র। আরও সঠিকভাবে বলতে গেলে কাটাপ্পা নামের পিছনে লুকিয়ে থাকা অভিনেতা সত্যরাজ। চেন্নাই এক্সপ্রেসে দীপিকা পাড়ুকোনের বাবাকে এমন একটা চরিত্রে দেখে চিনতে অসুবিধা অনেকেরই হয়েছিল। কিন্তু একবার বাহুবলীতে কাটাপ্পাকে দেখা লোকজন কখনও ভুলবেন বলে তো মনে হয় না। এটাও ছিল রাজামৌলির আর একটা মাস্টারস্ট্রোক। ভীষ্ম আমৃত্যু ধর্মচ্যুত হননি। কাটাপ্পাও হলেন না। চিত্রনাট্যের এই মোচড়টাও কিন্তু মোক্ষম দিয়েছেন পরিচালক। গোটা বিষয়টাকেই নিয়ে গিয়েছেন লার্জার দ্যান লাইফের জায়গায়। এর জন্য কী না করতে হয়েছে তাঁকে! শোনা যায়, প্রভাস এবং রানা দাগ্গুবতীর জন্য দেড় কোটি টাকা খরচ করে একটি জিম বানানো হয়েছিল। যেখানে শরীরচর্চার পাশাপাশি মহাভারতীয় যুদ্ধের প্রশিক্ষণও চলেছে পুরোদমে। পরিশ্রমের ফল তো মিষ্টি হবেই। ফোর্বস ম্যাগাজিনে পর্যন্ত বাহুবলীর ৩৮০ দিনের ম্যারাথন শ্যুটিং শিডিউলের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে লরেন্স অব আরাবিয়ার।
সহজ কথা সহজভাবে বলেছেন রাজামৌলি। এটা তাঁর সাফল্যের ইউএসপি। যাকে বলে মুহূর্ত তৈরি করা, এই কার্যে তিনি অবশ্যই সিদ্ধহস্ত। প্রথম পর্বে মহেন্দ্র বাহুবলীকে ২৫ বছর পর আবিষ্কার মাত্রই হাঁটু ভেঙে বসে কাটাপ্পার আত্মসমর্পণই হোক, কিংবা দ্বিতীয় পর্বে বিদ্যুতের চমকে অপেক্ষারত রাজমাতার দেখতে পাওয়া বাহুবলীর ঘাতককে। এই মুহূর্তগুলোই বাহুবলীকে অমর করবে। শেখর কাপুর কি আর বিনা কারণে বলেছেন, ‘মুম্বইয়ের ফিল্ম নির্মাতাদের মধ্যে রাজামৌলির মতো সাহস দেখি না!’ এই সাহসের টানেই তো সাধারণ মানুষও দুঃসাহসী হয়ে উঠতে পারেন। ম্যানেজ করতে পারেন বসকে। বলতে পারেন, ২০ দিন ধরে আধ ঘণ্টা করে বেশি কাজ করব। কিন্তু বাহুবলী ২ যেদিন মুক্তি পাবে, সেদিন হাফ ডে’র পর ছুটি দিতে হবে। যাব সিনেমা দেখতে। মুম্বইয়ের সেই সংস্থার বস ছুটিও দিয়েছেন। এখানেই সাফল্য রাজামৌলির। সর্বজনের ছবি, জাতীয় ছবি হতে পেরেছে তাঁর বাহুবলী।
প্রথম পর্বের প্রচারে বিশ্বের বৃহত্তম ৫০ হাজার বর্গফুটের পোস্টার বানিয়ে গিনেজ বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে নাম তুলেছিল বাহুবলী। দ্বিতীয় পর্বটি মুক্তি পেয়েছে ৮ হাজার স্ক্রিনে। প্রথম দিনেই প্রায় ১২২ কোটি। সব রেকর্ড গুঁড়িয়ে দিয়ে প্রভাস আজ গোটা দেশের স্টার। আর জগৎসভায় চলচ্চিত্রের শ্রেষ্ঠ আসনের লক্ষ্যে ভারতের ব্যাটন বাহুবলীর হাতে...। আমরাও পারি। জয় মাহেস্মতি। উঁহুঁ, একটু ভুল হয়ে গেল।
জয় হিন্দ।
 গ্রাফিক্স: সোমনাথ পাল
07th  May, 2017
ছাত্র রাজনীতির বিবর্তন
ডঃ পার্থ চট্টোপাধ্যায়

 ছাত্র রাজনীতির যাবতীয় ঐতিহ্য কি এখন তোলাবাজির অন্ধকারে? এ প্রশ্ন আজ সব মহলে। প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে, রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ গঠনের লক্ষ্যে যে সংসদ দিশা দেখায়, তা আজ ফিকে। জেভিয়ার্স মডেলে রাজ্য ছাত্র রাজনীতি সংস্কার করছে। তা কি সঠিক পদক্ষেপ? মত পক্ষে আছে, বিপক্ষেও।
বিশদ

20th  August, 2017
নির্বাচনের অবাধ সুযোগ প্রয়োজন

তরুণকান্তি নস্কর: রাজ্য সরকার সম্প্রতি নোটিস দিয়ে কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র ইউনিয়ন কেমন করে গঠিত হবে, তা জানিয়েছে। কী সেই আইন, যার বিরুদ্ধে এত বিতর্ক? প্রথমেই উল্লেখ করা দরকার, বর্তমান বছরের শুরুতে বিধানসভায় যে উচ্চশিক্ষা আইন পাশ হয়েছিল, তার ধারাবাহিকতায় এই নোটিস জারি হয়েছে। বিশদ

20th  August, 2017
 ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে কথা বলা দরকার

 সমীর পুততুণ্ড: ২০১১ সালে এরাজ্যে নতুন সরকার গঠনের পর থেকে শিক্ষায়তনে নতুন ধরনের গোলমালের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। প্রথমে নতুন সরকারের সমর্থক এবং বিরোধী ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে, পরবর্তী পর্যায়ে শাসক দল অনুগামীদের মধ্যেই গোলোযোগ শুরু হয়।
বিশদ

20th  August, 2017
 আলোচনা কিন্তু প্রয়োজন ছিল

 শুভঙ্কর সরকার: ‘দ্বার বন্ধ করে ভ্রমটারে রুখি/ সত্য বলে আমি তবে কোন পথে ঢুকি’... কলেজে ছাত্রছাত্রীদের রাজনৈতিক লড়াই রুখতে ছাত্র সংসদের অবসান ঘটানোর যে যুক্তি দেওয়া হচ্ছে, তাতে আমার এই কথাটাই মনে পড়ল।
বিশদ

20th  August, 2017
বন্দেমাতরম 
রজত চক্রবর্তী

জাতীয় পতাকাটা আজও হাতে ধরে হেঁটে চলেছেন মাতঙ্গিনী হাজরা। উচ্চশির। প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার, প্রফুল্লনলিনী ব্রহ্ম, কল্পনা দত্ত... নারীশক্তির এক অদম্য জাগরণ দেখেছিল পরাধীন ভারত। মায়েরা, বোনেরা পথে নেমে-না নেমে অংশ নিয়েছিলেন বিপ্লবে। তবু এমনই দুই সংগ্রামী শান্তি ঘোষ, সুনীতি চৌধুরির জন্মশতবর্ষ চলে গেল নীরবে...।
বিশদ

13th  August, 2017
 কৃপণ সমাচার!

 কৃপণ কত প্রকার ও কী কী? এমন রচনা ছেলেবেলায় লিখতে না হলেও এ ব্যাপারে জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতার ঝুলি প্রায় সবারই পূর্ণ। কেউ কেউ আবার কৃপণ শব্দটির বদলে হিসাবি বা মিতব্যয়ী ব্যবহার করতে বেশি পছন্দ করেন। যদিও তাতে কৃপণদের নিয়ে সমাচারে কোনও দিন, কোনও যুগেই ঘাটতি হয় না।
বিশদ

06th  August, 2017
আলিপুর জেলের অন্তরালে

 আলিপুর সেন্ট্রাল জেল। কানাইলাল দত্ত, সত্যেন বসু, দীনেশ গুপ্ত... একের পর এক বিপ্লবীকে ফাঁসির দড়ি বরণ করতে হয়েছে এখানে। শত অত্যাচার সত্ত্বেও যেখানে ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে একজোট হয়েছেন লৌহকপাটের আড়ালে থাকা বিপ্লবীরা। ভয় না ধরিয়ে সঙ্গীর মৃত্যু সাহস জুগিয়েছে তঁাদের। সেলুলার জেল হেরিটেজের মর্যাদা পেলেও আলিপুর পায়নি। সেখানে আজও কুঠুরির কোণায় কোণায় শোনা যাবে বিপ্লবের বজ্রনির্ঘোষ।
বিশদ

30th  July, 2017
 অমরনাথের পথে-প্রান্তরে

 দুর্গম অতিক্রম করে, জঙ্গি হামলা-মৃত্যুভয়কে তুচ্ছ করে এগিয়ে চলা একবার দর্শনের আশায়। বালতাল হোক বা পহেলগাঁও, যাত্রাপথ যাই হোক না কেন, প্রকৃতি সেখানেই অপার সৌন্দর্য উজাড় করে রেখেছে। বিন্দু বিন্দু জল জমে আকার নিয়েছে শিবলিঙ্গের। আর তাকে ঘিরেই সম্প্রীতির এক অদ্ভূত মিলন উৎসব। সে যে অমরনাথ। বিশদ

23rd  July, 2017
খবর শেষ

 আকাশবাণী... খবর পড়ছি...। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আমল থেকে শুরু হওয়ার পর বঙ্গজীবনের অঙ্গ হিসাবে জড়িয়ে যাওয়া সেই অভ্যাস হাতছাড়া হয়েছে বহুযুগ আগেই। টিভি, ইন্টারনেট, ফেসবুকের জমানায় যা আজ প্রায় গতজন্মের স্মৃতি বলে মনে হয়। কিন্তু একটা সময় এই তো ছিল বাইরের জানালায় চোখ রাখার জন্য মানুষের একমাত্র দূরবীন! সেই ইভা নাগ, নীলিমা সান্যাল, দেবদুলাল বন্দ্যোপাধ্যায়, ব্রেকডাউন, ভুল খবর...। সে এখন নস্টালজিয়া। আজ দিল্লির বেতার খবর যে সত্যিই শেষ!
বিশদ

16th  July, 2017
 বৃষ্টিভেজা

 গ্রীষ্মকালীন এই বঙ্গে বর্ষার আগমন যেন ঘাম দিয়ে জ্বর ছাড়ার মতো। আকাশকে মুখ ভার করে ঝরে পড়তে দেখলেই মন আনচান করে খিচুড়ি, ইলিশ মাছের জন্য। ঘণ্টাখানেকের বর্ষণে তিলোত্তমা এক হাঁটু জল উপহার দিলেও তা ঠেলে বাড়ি ফেরাই আলাদা আনন্দ। আর গুনগুন করে ওঠা বিশ্বকবির সৃষ্টি। মনে পড়ে যাওয়া অপু-দুর্গার বৃষ্টি ভেজা। কিংবা স্কুলের সেই রেনি ডে। এ ঋতু তাই যে আলাদা আলাদা অনুভূতির এক সম্পৃক্ত দ্রবণ। বিশদ

09th  July, 2017
চিকিৎসা রঙ্গ 

কল্যাণ বসু: ‘পাসকরা ডাক্তার নই, কিন্তু তাতে কি? বাড়ি বসিয়া বই পড়িয়া কি আর ডাক্তারী শেখা যায় না? আজ সাত আট বছর তো ডাক্তারী করিতেছি, অভিজ্ঞতা বলিয়া একটা জিনিসও তো আছে! পাসকরা ডাক্তারের হাতে কি আর রোগী মরে না?’ এইটুকু পড়ে কী মালুম হচ্ছে?
বিশদ

02nd  July, 2017



একনজরে
সংবাদদাতা, খড়্গপুর: দাঁতন বালিকা বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির দুই নিখোঁজ ছাত্রীর খোঁজ মিলল মুম্বইয়ে। তাদের খোঁজে রবিবারই পুলিশের একটি দল মুম্বই ঩গিয়েছে। দাঁতন থানার পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নিখোঁজ দুই ছাত্রীর মোবাইলের সূত্র ধরে তাদের খোঁজ পাওয়া যায়। ...

বার্মিংহ্যাম, ২০ আগস্ট: তিন দিনেই প্রথম দিন-রাতের টেস্ট জিতে নিল ইংল্যান্ড। এজবাস্টনে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে চুরমার করে ইনিংস ও ২০৯ রানের বিশাল জয় পেয়েছে জো রুটের দল। প্রথম ইনিংসে ৮ উইকেটে ৫১৪ রানের বিশাল স্কোর খাড়া করেছিল ইংল্যান্ড। ...

 নয়াদিল্লি, ২০ আগস্ট (পিটিআই): ৭৩তম জন্মদিনে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীকে স্মরণ করল গোটা দেশ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ট্যুইটারে লিখলেন, ‘ জন্মদিনে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীকে ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: প্রকল্পটি চালু হয়েছিল ২০০৯ সালে। কিন্তু তার আট বছর পরও নাকি রাজ্যের শিক্ষকদের একটা বড় অংশ রাষ্ট্রীয় মাধ্যমিক শিক্ষা অভিযান (আরএমএসএ) নামে ওই কেন্দ্রীয় প্রকল্পের ব্যাপারে সেভাবে ওয়াকিবহাল নন। এমনটাই ধারণা শিক্ষা দপ্তরের। তাই এবার এই প্রকল্পের ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার্থীদের ক্ষেত্রে ভাবনা-চিন্তা করে বিষয় নির্বাচন করলে ভালো হবে। প্রেম-প্রণয়ে বাধাবিঘ্ন থাকবে। কারও সঙ্গে মতবিরোধ ... বিশদ



ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৭৮- ভিনু মানকড়ের মৃত্যু
১৯৮৬- উসেইন বোল্টের জন্ম
১৯৯৫- সুব্রহ্মণ্যম চন্দ্রশেখরের মৃত্যু
২০০৬- ওস্তাদ বিসমিল্লা খানের মৃত্যু
১৯৭২- বন সংরক্ষণ আইন চালু


ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৩৫ টাকা ৬৫.০৩ টাকা
পাউন্ড ৮১.২৫ টাকা ৮৪.২১ টাকা
ইউরো ৭৩.৯৬ টাকা ৭৬.৫৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
19th  August, 2017
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) 29465
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) 27955
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) 28375
রূপার বাট (প্রতি কেজি) 39100
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) 39200
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
20th  August, 2017

দিন পঞ্জিকা

৪ ভাদ্র, ২১ আগস্ট, সোমবার, অমাবস্যা রাত্রি ১২/০, অশ্লেষানক্ষত্র দিবা ৩/৫১, সূ উ ৫/১৯/১৪, অ ৬/০/২৬, অমৃতযোগ দিবা ৭/০ পুনঃ ১০/২৩-১২/৫৬ রাত্রি ৬/৪৫-৯/১ পুনঃ ১১/১৭-২/১৮, বারবেলা ৬/৫৪-৮/২৯ পুনঃ ২/৫১-৪/২৬, কালরাত্রি ১০/১৫-১১/৪০। পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ (ভারতে অদৃশ্য)
৪ ভাদ্র, ২১ আগস্ট, সোমবার, অমাবস্যা রাত্রি ১২/৮/৯, অশ্লেষানক্ষত্র অপরাহ্ণ ৪/৫৪/৪০, সূ উ ৫/১৬/৪৮, অ ৬/২/২৪, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৮/৫৩, ১০/২৩/২-১২/৫৬/১০ রাত্রি ৬/৪৭/২২-৯/২/২০, ১১/১৭/১৭-২/১৭/১২, বারবেলা ২/৫১/০-৪/২৬/৪২, কালবেলা ৬/৫২/৩০-৮/২৮/১২, কালরাত্রি ১০/১৫/১৮-১১/৩৯/৩৬। পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ (ভারতে অদৃশ্য)
২৮ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
বন্যায় ৭ লক্ষ হেষ্টর চাষের জমি ক্ষতিগ্রস্থ: কৃষিমন্ত্রী

 বন্যায়য় উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গ মিলিয়ে ৭ লক্ষ হেক্টর চাষের জমি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। যার মধ্যেো ৪ লক্ষ জমি উত্তরের। কৃষিতে প্রাথমিক হিসেবে মোট ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৮০০ কোটি টাকা। যার মধ্যে উত্তরে ৫৩৪ কোটি ৫১ লক্ষ টাকাো জানালেন কৃষি মন্ত্রী পূর্ণেন্দু বসু।

05:24:00 PM

 তামিলনাড়ুর উপ মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ পনিরসেলভামের

 এআএিডিএমকে-র দুই শিবিরের সংযুক্তিকরণের পর তামিলনাড়ুর উপ মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিলেন পনিরসেলভাম

04:49:00 PM

বন্যার জন্য কেন্দ্রে কাছে উপযুক্ত প্যাকেজ চাইব: মমতা

কেন্দ্রের কাছে উপযুক্ত প্যাকেজের দাবি করতে চলেছে বলে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান গোটা রাজ্যে এবছর বন্যায় ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে ১৪ হাজার কোটি টাকা। কেবলমাত্র উত্তরবঙ্গেই মৃত্যু হয়েছে ৪৫ জনের। আর গোটা রাজ্যে ১৫২জনের। রাজ্যে ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের সংখ্যা দেড় কোটি ছাড়িয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, ত্রাণ নিয়ে কোনও সমস্যা নেই। পর্যাপ্ত পরিমাণে রয়েছে। তাই যতটা প্রয়োজন ততটাই ত্রাণ মিলবে। মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, অনেক সড়ক থেকেই জল নামতে শুরু করেছে, তাই যে সমস্ত সড়ক থেকে জল নেমে যাবে, সেখান দিয়েই ধীরে ধীরে ট্রাক পাঠানো হবে। কারণ অনেক ট্রাক পচনশীল দ্রব্য নিয়ে আটকে রয়েছে। পাশাপাশি এই বন্যার নামে যে সমস্ত অসাধু ব্যবসায়ী দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি করতে চেষ্টা করছেন তাদের বিরুদ্ধেও নজরদারি চালানো হবে বলে তিনি নির্দেশ দিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, জল নামলেই  বন্যা সংক্রান্ত রোগব্যাধির প্রতিষেধক এবং পানীয় জলের পথগুলিকে পরিশ্রুত করার ব্যবস্থাও নেওয়া হচ্ছে।

04:47:00 PM

সিলেবাস কমিটির প্রস্তাবে সিলমোহর রাজ্য সরকারের, সব ক্লাসে পড়তে হবে কন্যাশ্রী স্বীকৃতি, আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে প্রথম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পাঠ্যক্রমে কন্যাশ্রী

04:12:00 PM

বন্যায় দেড় কোটি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত: মুখ্যমন্ত্রী

04:10:07 PM

রাজ্যে যথেষ্ট পরিমানে ত্রান সামগ্রী মজুত রয়েছে: মুখ্যমন্ত্রী

04:10:06 PM