প্রচ্ছদ নিবন্ধ
 

মিথভঙ্গ? 

সমৃদ্ধ দত্ত: ‘যারা হিন্দুস্তানি (হিন্দি) ভাষা জানে না, তাদের ভারতে থাকার কোনও অধিকার নেই। তারা দেশ ছেড়ে চলে যেতে পারে। এই যে কনস্টিটুয়েন্ট অ্যাসেম্বলিতে (পার্লামেন্টকে তখন যা বলা হত) যেসব সদস্য এসে দেশের সংবিধান রূপায়ণের কাজ করছেন, তাদের মধ্যে যারা হিন্দুস্তানি (হিন্দি) ভাষা বোঝেন না, তাদের এই হাউসে থাকার কোনও দরকার নেই। তারা বরং চলে যাক অন্যত্র।’ ১৯৪৬ সালের ১০ ডিসেম্বর সংযুক্ত প্রদেশের এক এমপি (এখন যা উত্তরপ্রদেশ) আর ভি ধুলেকর এই মন্তব্য দিয়ে শুরু করেছিলেন তাঁর ভাষণ। হিন্দিতে। চরম উত্তেজনা আর হইচই শুরু হয়েছিল। কারণ হিন্দিভাষী নন, এরকম তাবৎ সদস্যরা চূড়ান্ত অপমানিত বোধ করেন। তাঁরা প্রতিবাদ করেন পালটা চিৎকারে। উত্তর ভারতীয় সংস্কৃতি জোর করে চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে—এই মর্মে পূর্ব আর দক্ষিণ ভারতের সদস্যরা হইচই করেন। আর ঠিক এই কারণেই দক্ষিণ ভারতের জাস্টিস পার্টি আলাদা দ্রাবিড় ভূমির দাবিও তুলতে শুরু করেছিল তখন থেকেই। স্বাধীনতা যতই এগিয়ে আসছিল, ততই উত্তর ভারত তুমুল স্লোগান তুলেছিল হিন্দু, হিন্দি, হিন্দুস্তানি। পরিস্থিতি আয়ত্তের বাইরে চলে যাচ্ছে দেখে সেদিন সংসদের সভাপতি ধুলেকরকে থামিয়ে দিতে বারংবার বলতে থাকেন অর্ডার... অর্ডার ইন দ্য হাউস...। তিনি মনে করিয়ে দেন, ‘এই হাউসের বহু সদস্যই হিন্দি জানেন না। সুতরাং আপনাকে আমি এই মোশন আনতে অ্যালাউ করতে পারি না।’ ধুলেকর পাত্তাই দেননি। তিনি ওয়েলে নেমে এসে বলেন, আমাকে কেউ ঠেকাতে পারবে না। ভারতবাসীকে নিজের দেশের ভাষা জানতেই হবে। অনেক হয়েছে বিদেশি গোলামি। একসময় যখন তাঁকে কেউ শান্ত করতে পারছেন না, তখন উঠে দাঁড়ালেন জওহরলাল নেহরু। এবং বললেন, ‘আপনি আগে নিজের সিটে গিয়ে বসুন। যান।’ নেহরু উঠে দাঁড়ানোয় ধুলেকর চুপ করে গেলেন। আর ফিরে গেলেন সিটে। এবার নেহরু বললেন, ‘শুনুন, এটা আপনার ঝাঁসির কোনও ময়দানের সভা নয়, (ধুলেকর ঝাঁসি থেকে নির্বাচিত ছিলেন) যে ভাইও অওর বহেনো বলে গলা উঁচু করে লেকচার শুরু করে দেবেন। এসব এই অ্যাসেম্বলির (পার্লামেন্ট) প্রোটোকল নয়। উসকানিমূলক লেকচার এখানে নয়। শৃঙ্খলা রক্ষা করতে শিখুন।’ এরপর আর ধুলেকর একটাও কথা উচ্চারণ করেননি। উঠে দাঁড়িয়ে শুধু বলেছিলেন, ‘ম্যায় মাফি চাহতা হুঁ...।’ উল্লেখ্য জওহরলাল নেহরু তখন কিন্তু নিছকই কংগ্রেসের সভাপতি। দেশ স্বাধীন হয়নি এবং তিনিও প্রধানমন্ত্রী নন। তা সত্ত্বেও তাঁর এরকমই দাপট ছিল রাজনীতির অন্দরে।
‘ভারতের নেতা আসছেন ভিক্ষা করতে’... আমেরিকার আলাবামা প্রদেশের একটি সংবাদপত্র এই ভাষায় হেডিং করেছিল। ১৯৬৭। কারণ ভারতের চরম খাদ্যসংকট সামাল দিতে আমেরিকাসহ বিভিন্ন রাষ্ট্রের সাহায্য চাইতে ইন্দিরা গান্ধী গিয়েছিলেন বিভিন্ন রাষ্ট্রে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট লিংডন জনসনের পক্ষ থেকে ভারতের রাষ্ট্রদূতের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, ইন্ডিয়ায় আপনারা আপনাদের প্রধানমন্ত্রীকে কীভাবে সম্বোধন করেন? আমরা সেভাবেই যৌথ ঘোষণাপত্র এবং বিবৃতি লিখব। ম্যাডাম? নাকি হার এক্সেলেন্সি? কী বলবেন আমাদের প্রেসিডেন্ট? এ খবর দিল্লি যাওয়ার পর, ইন্দিরা গান্ধী বিদেশ মন্ত্রককে ঠান্ডা গলায় নির্দেশ দিলেন, লিখে দিন, আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে তাঁর অফিসাররা ‘স্যার’ সম্বোধন করেন। উনি ওটাই পছন্দ করেন। সবেমাত্র প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। তার আগে ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী। যে মন্ত্রকের কোনও ক্ষমতাই ছিল না। সুতরাং সরকার চালানো তথা প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা একপ্রকার শূন্যই। এহেন এক দুর্বল লিডার আসছেন বলে আমেরিকায় হাসাহাসি শুরু হয়েছিল। এরকম একটা কড়া জবাব কূটনৈতিকভাবে পেয়ে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল লিংডন জনসনের অফিস। কারণ, যে প্রধানমন্ত্রী খাদ্যসাহায্য চাইতে আসছেন তাঁর যে এত তেজ থাকতে পারে, তা কল্পনাই করা যায়নি।
এই দু’টি কাহিনি বলতে হল কেন? কারণ বোঝানো যে জওহরলাল নেহরু এবং তাঁর কন্যার সবথেকে বড় বৈশিষ্ট্য ছিল, প্রখর ব্যক্তিত্ব এবং আত্মবিশ্বাস। নেহরুকে দলের নেতারা সমীহ করতেন। আর ইন্দিরাকে সমীহ প্লাস ভয় পেতেন। শুধুই কি ব্যক্তিত্ব আর দুর্দান্ত ডমিনেট করার ক্ষমতা? না। কারণ তার সঙ্গে ভ্যালু অ্যাডেড উজ্জ্বলতা ছিল গ্ল্যামার তথা ক্যারিশমার। ১৯৪৬ সালে কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচন করার সময় যখন এল, তখন মৌলানা আবুল কালাম আজাদ সভাপতি পদে প্রার্থী হতে চাইলেন। তিনি বিগত ৬ বছর ধরে সভাপতি পদেই আছেন। ভারত ছাড়ো আন্দোলন কিংবা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ইত্যাদি বিভিন্ন কারণে ১৯৪০ সালের পর থেকে কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচন হচ্ছিল না। এবং স্থির হল, আর দেরি নয়। কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচন করতেই হবে। শুধু দলের সভাপতি মনোনয়ন‌ই লক্ষ্য নয়। আসল কারণ হল ধরেই নেওয়া হয়েছিল, যিনি এবার সভাপতি হবেন, তিনিই হবেন স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী। আজাদ মনেপ্রাণে চাইছিলেন আবার সভাপতি পদে বসছে। কারণ তিনি এতদিন দলকে চালিয়েছিলেন কোনও অন্তর্কলহ ছাড়াই। সুষ্ঠুভাবে। সুতরাং তিনি তো সফল নেতা! কিন্তু ২০ এপ্রিল ১৯৪৬ সালে মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী জানিয়ে দিলেন, তাঁর পছন্দের প্রার্থীর নাম জওহরলাল নেহরু। আজাদকে মহাত্মা গান্ধী ব্যক্তিগত একটি চিঠি লিখেও জানিয়ে দিলেন, আমার মনে হয় কংগ্রেসের সভাপতি পদে নতুন মুখ, নতুন এক উদ্যমের প্রয়োজন। পুনর্নির্বাচন কাম্য নয়। এরপর আর কথা চলে না। কিন্তু নিজের অত্যন্ত প্রিয়পাত্র এবং তাঁর একান্ত অনুগামী বল্লভভাই প্যাটেলকেও সমর্থন করলেন না গান্ধীজি। তিনি প্যাটেলকে অনুরোধ করলেন মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নিতে। কারণ গান্ধীজীর কথায়, জওহর দ্বিতীয় হওয়ার জন্য লড়াই করুক, এটা আমি চাই না। গান্ধীর অনুরোধ সঙ্গে সঙ্গে মেনে নিয়ে সরে দাঁড়ালেন ৭১ বছরের প্যাটেল। ডক্টর রাজেন্দ্রপ্রসাদ এই ঘটনা নিয়ে লিখেছিলেন, বাপু তাঁর একনিষ্ঠ ভক্ত-অনুগামী, আর পছন্দের মানুষ সর্দার প্যাটেলকেও পর্যন্ত বঞ্চিত করলেন ‘গ্ল্যামারাস নেহরুকে’ সর্বোচ্চ পদে বসানোর জন্য। এসব তথ্য সকলের জানা। তাও বলার কারণ হল, ওই গ্ল্যামারাস শব্দটি। কারণ হ্যারো আর কেমব্রিজে শিক্ষিত ওয়াইন, ইংরেজি সাহিত্য আর উচ্চাঙ্গের সংস্কৃতির অনুসারী নেহরু ছিলেন সেই সময় ৫৫ বছরের এক তুর্কি, আর দেশের তরুণ সমাজের কাছে স্মার্ট হিরো। আর দুর্দান্ত বক্তা। এসবের যোগফল হল ওই গ্ল্যামারাস শব্দটি। এই ঘটনার ঠিক ১৮ বছর পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রীর মৃত্যুর পর কংগ্রেসের সভাপতি কামরাজ সব রাজ্যের কংগ্রেস সভাপতিদের থেকে মতামত জানতে চাইলেন যে, এরপর কাকে প্রধানমন্ত্রী পদে বসানো উচিত? কামরাজ অল্প কথার মানুষ ছিলেন। প্রায় প্রতিটি প্রশ্ন আর প্রস্তাবের উত্তরে তাঁর ছিল কমন জবাব, তামিল শব্দে ‘পারকালাম’। অর্থাৎ আচ্ছা ভেবে দেখব। সেই কামরাজ প্রবল চাপে পড়েছিলেন আবার মোরারজি দেশাইয়ের শিবির থেকে। মোরারজি ভাইকেই যেন প্রধানমন্ত্রী করা হয়। কিন্তু বিভিন্ন রাজ্যের সভাপতিরা তা চান না। কামরাজও চাননি মোরারজিকে বসাতে। তাই কৌশলে ইন্দিরার নাম ভাসিয়ে দিলেন। এবং অন্যদের দিয়েই সেই দাবি তুলেই দিলেন। কামরাজ পরে বলেছিলেন, ইন্দিরার মধ্যে যে এনার্জি আর ক্যারিশমা আছে, সেটা ব্যবহার না করা অত্যন্ত ভুল। অর্থাৎ এক্ষেত্রেও ক্যারিশমা। এবং ইন্দিরার বাকভঙ্গিও ছিল আগ্রাসী এক আত্মবিশ্বাসের প্রমাণ। আর পরবর্তীকালে তিনি প্রমাণ করেছেন নিজের তুখোড় রাজনৈতিক প্রজ্ঞা। সুতরাং পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে নেহরু-গান্ধী পরিবারকে ভারতীয় রাজনীতির ফার্স্ট ফ্যামিলিতে পরিণত করেছিলেন এক বিস্ময়কর কৌশলে। সেই শুরু। গান্ধী পরিবারই কংগ্রেসের রিমোট কন্ট্রোল হয়ে গেল। রাজীব গান্ধীর ক্যারিশমা ছিল। ভালমানুষের এক অদৃশ্য তকমা ছিল। কিন্তু তিনি তুখোড় রাজনৈতিক ছিলেন না। ১৯৮৪ সালের ৩১ অক্টোবর কংগ্রেস কমলনাথ একটা এয়ারফোর্সের চপার নিয়ে চলে এসেছিলেন মেদিনীপুরে। কিন্তু রাজীব ঠিক কোথায় সভা করছেন? মোবাইল নেই। তাঁর সভাগুলি লেটে চলছে। সুতরাং জানাই যাচ্ছে না। কাঁথি নাকি হলদিয়া? একবার চপারটি হলিদয়ার উপর দিয়ে উড়ে গেল কাঁথির দিকে। আবার ফিরে এল। তারপর যখন সঠিক লোকেশন টের পাওয়া গেল, তখন আবার অন্য সমস্যা। ভিড়ে ভিড়ে ছয়লাপ সভা। কতদূরে ল্যান্ড করা হবে? রাজীব ঘুরছিলেন জিপে। সঙ্গে প্রণব মুখোপাধ্যায় আর বরকত গনি খান চৌধুরী। এত উঁচুতে মঞ্চ। এবং সেখানেও পা রাখার জায়গা নেই। কংগ্রেসের কালচার অনুযায়ী তাবৎ নেতাই মঞ্চে। প্রথম খবরটা পাঠানো হল প্রণববাবুকে। প্রণববাবু রাজীবের কাঁধে টোকা দিয়ে কানে কানে বললেন, পিএমের একটা অ্যাক্সিডেন্ট হয়েছে...। রাজীব ভুরু কুঁচকে শুধু বললেন, ইজ শি অ্যালাইভ?... উত্তরের অপেক্ষা না করে দৌড়। চপারে চেপে কলাইকুন্ডা এয়ারফোর্সের বেস স্টেশন। আর তারপর এয়ারফোর্সের এয়ারক্র্যাফট। রাজীব উড়ে গেলেন দিল্লির দিকে। আসলে নিজের এক মর্মান্তিক ভবিতব্যের দিকে। একের পর এক ভুল করেছেন। দুর্নীতির অভিযোগ থেকে অযোধ্যায় বিতর্কিত সৌধের তালা খুলে দেওয়া। শাহবানু মামলা। মাত্র পাঁচ বছরের মধ্যে তাই বিপুল জনপ্রিয়তার আকাশ থেকে মাটিতে আছড়ে পড়েছেন প্রত্যাখানের এক ট্র্যাজিক হিরো হিসাবে। কিন্তু তাও রাজীব গান্ধীই ছিলেন কংগ্রেসের প্রাণভোমরা। তিনিই ছিলেন আসল কংগ্রেস। প্রবল শক্তিশালী জয়প্রকাশ নারায়ণ যেমন ইন্দিরা গান্ধীকে জেলে পাঠাতে সক্ষম হলেও গান্ধী পরিবারকে চিরতরে ভারতীয় রাজনীতি থেকে ছুঁড়ে ফেলতে পারেননি, তেমনই আবার সততার পরাকাষ্ঠা ভি পি সিং রাজীব গান্ধীর গায়ে বোফর্সের কলঙ্ক লাগাতে সফল হলেও গান্ধী নামক ম্যাজিককে অপ্রাসঙ্গিক তো দূরের কথা, সামান্য গুরুত্বও কমাতে পারেননি। কারণ ১৯৯১ সালের ২০ মে রাজীবের হত্যাকাণ্ড না ঘটলেও সেই লোকসভা ভোটে তাঁর নেতৃত্বেই যে কংগ্রেস ক্ষমতায় আসছিল, তা স্পষ্ট হয়ে যায়। তারও কারণ হল আবার সেই রাজীব গান্ধীর আকর্ষণ আর গান্ধী পরিবারই পারে স্থায়ী সরকার দিতে এই বিশ্বাস। কারণ কংগ্রেস তথা গান্ধী পরিবারকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে যতই বিরোধী জোট বিকল্পের সন্ধান দেওয়ার চেষ্টা করুক, কেউ পারেনি পাঁচ বছরের মেয়াদ সম্পূর্ণ করতে। জনতা সরকার পারেনি। বিশ্বনাথপ্রতাপ সিং পারেননি। চন্দ্রশেখর পারেননি। ইন্দ্রকুমার গুজরাল পারেননি। এইচ ডি দেবগৌড়া পারেননি। একমাত্র ব্যতিক্রম অটলবিহারী বাজপেয়ি। তিনিই প্রথম পাঁচ বছর একটি অকংগ্রেসি সরকার সফলভাবে চালাতে পেরেছিলেন। কিন্তু ক্রমেই নেহরু গান্ধী পরিবার হয়ে উঠেছিল কংগ্রেসের সমার্থক। আর স্থায়িত্বে, আস্থার সমর্থক। আজও বলা হয় ভারতের যে কোনও গ্রামে গেলে একটা অন্তত রেডিও আর একজন অন্তত কংগ্রেস কর্মী পাওয়া যাবে। ইন্দিরা আর রাজীব গান্ধীকে হারাতে পেরেছে বিরোধীরা। কিন্তু তাঁদের ক্যারিশমা তথা জনপ্রিয়তাকে ভুলুণ্ঠিত করতে পারেননি। একমাত্র পারলেন নরেন্দ্র মোদি।
গণতন্ত্রের নিয়মই হল বিভিন্ন সময় বিভিন্ন দল ক্ষমতায় বসবে। আবার চলেও যাবে। ইন্দিরা গান্ধীকে খোদ অটলবিহারী বাজপেয়ি লোকসভার মধ্যেই আখ্যা দিয়েছিলেন দুর্গতিনাশিনী। বাংলাদেশ যুদ্ধজয়ের কারণে। সেই ইন্দিরা গান্ধী মাত্র কয়েক বছরের মধ্যে সম্পূর্ণ পরজিত হয়েছিলেন বিরোধিতার ঝড়ে। সুতরাং রাজনীতি নামক একটি সম্ভাব্যতার শিল্পে আগামীদিনে আবার নরেন্দ্র মোদির এই বিপুল জনপ্রিয়তা থাকবে না। সেটা আন্দাজ করে ইতিম্যেই তাঁর উত্তরসূরি হিসাবে বস্তুত উন্নততর মোদিকে প্রোমোট করার চেষ্টা করা হচ্ছে যোগী আদিত্যনাথের মাধ্যমে। আজকের মোদি একদিন আজকের আদবানি হবেন। আজকের যোগী একদিন আজকের মোদি হবেন। এটাই নিয়ম। লক্ষ্যণীয় বিষয় হল, গতকাল পর্যন্ত যাঁরা প্রবল মোদিভক্ত ছিলেন, তাঁদের অনেকে এখন থেকেই প্রবল যোগীভক্ত হয়ে যাচ্ছেন। অথচ আচার-আচরণ রাজনীতি আর প্যাকেজে মোদি আর যোগীর কোনও সাদৃশ্যই নেই। অর্থাৎ কোনও ভক্তিই চূড়ান্ত তথা স্থায়ী নয়। ঠিক এটাই প্রমাণ করে দিচ্ছে কংগ্রেস ও গান্ধী পরিবারের বেহাল দশা। আপাতত সবথেকে বড় যে প্রশ্নটি নিয়ে রাজনৈতিক চর্চাকারীরা মাথা ঘামাচ্ছেন তা হল, ভারতীয় রাজনীতিতে গান্ধী পরিবারের প্রভাব আদৌ কি আর আছে? কংগ্রেস নামক দলটি বিজেপি’র প্রধান প্রতিপক্ষ হিসাবে রয়েছে। থেকেও যাবে। সেই কংগ্রেসের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার গান্ধী পরিবার থেকেই আছেন। রাহুল গান্ধী। কিন্তু সেটির প্রধান কারণ তাঁর ক্যারিশমা বা জনপ্রিয়তা নয়। তাঁর পদবি। এই দলটি নানারকম ওঠাপড়া-ঘাত প্রতিঘাত সত্ত্বেও শুধুমাত্র অটুট রয়েছে নামের সঙ্গে জুড়ে থাকা পদবিটুকুর জন্যই। অর্থাৎ আপাতত কংগ্রেস একটি হোল্ডিং কোম্পানি। রাহুল তার এমডি তথা সিইও। তার বেশি কিছু নয়। অনেকেই রাজনীতি করেন। নেতা হন। কিন্তু সুপারনেতা হতে গেলে অর্থাৎ নেতাদের নেতা হলে গেলে একটা বিশেষ স্পার্ক চাই চরিত্রে। যার জন্য দরকার ১) প্রখর ব্যক্তিত্ব ২) প্রবল আত্মবিশ্বাস ৩) দুর্দান্ত বাগ্মিতা আর ৪) ক্যারিশমা। রাহুলের এর কোনওটাই নে‌ই। নরেন্দ্র মোদির সবকটা আছে। ৬৫ শতাংশ ভারতবাসী আজ ৩৫ বছরের কম বয়সের প্রজন্ম। এই প্রজন্মের কাছে। নেহরু বা ইন্দিরা কিংবা রাজীব গান্ধী নামে কোনও নায়কনায়িকার স্মৃতি নেই। নতুন সমাজ তাই নতুন নায়ক চাইছে। আপাতত সেই অভাব পূরণ করে হাজির হয়েছেন মোদি। কিন্তু যাঁরা তাঁকে পছন্দ করেন না, তাঁদের জন্য কোনও পালটা নায়ক নেই। রাহুল সেই অভাব পূরণ করতে পারছেন না। আর তাই কংগ্রেস তো ডুবছেই, সবথেকে বড় ক্ষতি হয়ে চলেছে গান্ধী পরিবার নামক ম্যাজিকটির। পদবির ধার ও ভারের গুরুত্ব কমছে, সেটা স্পষ্টই বোঝা যাচ্ছে। যেসব রাজ্যে কংগ্রেস এখন জয়ী হচ্ছে সেখানে শুধুমাত্র স্থানীয় শক্তিশালী নেতাদের জন্যই কংগ্রেস জিতছে। যেমন পঞ্জাবে অমরিন্দর সিংয়ের জন্য। সেখানে রাহুল প্রচার না করলেও কিছু ক্ষতিবৃদ্ধি হত না। রাহুল এবং সোনিয়া গান্ধী বুঝতে পারছেন পরিবারের প্রভাব, জনপ্রিয়তার শক্তি আস্তে আস্তে তাঁদের হাত থেকে বেরিয়ে আসছে। কারণ একটাই, রাহুল গান্ধীর একমাত্র শক্তি হল নিছক পদবিটি। তার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে দলের মধ্যে একচ্ছত্র অথরিটি নির্মাণ করার মতো প্রবল মানসিক শক্তিটাই তাঁর নেই। সবথেকে বিপজ্জনক হল সেটা বহিরঙ্গেই স্পষ্ট। একটি বাক্য বলতে গেলে তিনবার পাঞ্জাবির হাতা গোটানো আর মাইক্রোফোন ঠিক করার মধ্যেই তীক্ষ্ণভাবে ধরা পড়ে যায় রাহুলের আত্মবিশ্বাসের খামতি। নতুন ভারত নায়কের পূজারি। রাহুল তা হতে পারছেন না। শেষ তুরুপের তাস হিসাবে একটি মিথকে যত্ন করে লালন পালন করেন সোনিয়া। মিথের নাম প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। উত্তরপ্রদেশ হতে পারত সেই মিথের পরীক্ষা। অর্থাৎ প্রিয়াঙ্কা কি নিছক এক মিথ্যা রূপকথা? নাকি সত্যিই প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর মধ্যে ইন্দিরাকে খুঁজে পাবে নতুন ভারত? সমস্যা হল, নতুন ভারত তো ইন্দিরা গান্ধীকেই সেভাবে দেখেনি। সুতরাং আদৌ কী তাঁর ক্লোন এই ভারতে প্রাসঙ্গিক? মোদিকে মোকাবিলা করতে হলে নিছক ক্যারিশমা যথেষ্ট নয়। মোদি

মন্দ্রসপ্তক হলে হাইভোল্টেজ প্রচার কৌশলে সাফল্য পেতে তাঁর
প্রতিপক্ষকে তারসপ্তকে বক্তৃতা দিতে হবে। নাটকীয়তায় ছাপিয়ে যেতে হবে। এবং দেশবাসীকে এক স্বপ্নরাজ্যে নিয়ে যাওয়ার পাইলট হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করতে হবে। সেসব বৈশিষ্ট্য আদৌ প্রিয়াঙ্কার মধ্যে আছে বলে প্রমাণ পাওয়া যায়নি। যে দুই সিকিউরিটি আঙ্কলের সঙ্গে ছেলেবেলায় এই দুই ভাইবোন সফদরজং রোডের বাংলোর লনে ব্যাডমিন্টন খেলতেন, সেই বিয়ন্ত সিং আর সতবন্ত সিং যেদিন ইন্দিরা গান্ধীকে হত্যা করেছিল, তারপর থেকে এই ভাইবোনের জীবন আর মনোভাব পালটে যায় চিরকালের মতো। ভারতের স্বাভাবিক জীনযাপন দেখার দরজা-জানালা তাঁদের সামনে চিরতরে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। আর বাবার হত্যা তাঁদের দু’জনের কাছেই রাজনীতি সম্পর্কে একটা ফিয়ার সাইকোসিস হয়ে যায়। বাবার মৃতদেহ বা‌ইরে শোয়ানো ছিল। ১৯৯১ সালের ২২ মে। কংগ্রেস নেতারা বাইরে হাপুস নয়নে কাঁদতে কাঁদতে ম্যাডামের সঙ্গে দেখা করতে চাইছেন। প্রিয়াঙ্কা হিস্টিরিয়ার মতো মায়ের আঁচল ধরে চিৎকার করছিলেন, ‘তুমি কিছুতেই আর এসবের মধ্যে যেতে পারবে না। আমরা দুই ভাইবোন কি এরপর অনাথ হয়ে যাব? এরপর তোমাকেও মেরে ফেলবে ওরা।’ অমিতাভ বচ্চন এসে প্রিয়াঙ্কাকে সরিয়ে নিয়ে যান অন্য ঘরে। সেই প্রিয়াঙ্কা রাজনীতিতে প্রতক্ষ্যভাবে এসে কতটা আগ্রাসী হতে পারবেন? কারণ আদতে এই দুই ভাইবোনই প্রাইভেট পার্সন। জোর করে রাজনীতি করেন বোঝাই যায়। কিন্তু তবু কংগ্রেসের আশাভরসা তাঁদের ঘিরেই। রাহুল সম্পর্কে হয়তো সামান্য মোহভঙ্গ হয়েছে। কিন্তু যত দিন যাচ্ছে ততই একটা পারপেসশন প্রকট হচ্ছে যে, রাহুল গান্ধীকে দিয়ে আর হবে না। সেটাই বড়সড় ক্ষতি কংগ্রেসের। কারণ ইন্দিরা গান্ধী বা রাজীব গান্ধী সম্পর্কে তাঁদের দল হতাশ হয়নি কখনও। বিশ্বাস ছিলই যে এই পরাজয় সাময়িক। আবার কংগ্রেস ঘুরে দাঁড়াবে এবং গান্ধী পরিবারের নেতৃত্বেই। এই প্রথম সেই বিশ্বাসটাই অস্তমিত হচ্ছে। কংগ্রেস আগেও হেরেছে। আবার জিতেওছে। এবার কিন্তু পরিস্থিতি অন্য। কংগ্রেস হারছে। কিন্তু তার থেকেও বেশি হেরে যাচ্ছে গান্ধী পরিবারের মিথ। নিছক ওই পদবির জোরে আর ভোট টানা সম্ভব নয়। গ্রহণযোগ্য নেতা বা নেত্রী হয়ে উঠতে হবে। তাই শতাব্দীপ্রাচীন কংগ্রেসের আগামী লড়া‌ইটা আরও কঠিন। পরিবারের থেকে বড় হতে হবে দলকে। তাহলে কি ভারতীয় রাজনীতি থেকে বিদায় ব্র্যান্ড গান্ধী?
 গ্রাফিক্স: সোমনাথ পাল
 সহযোগিতায়: উজ্জ্বল দাস  
09th  April, 2017
খাতা দেখা 

বসন্ত কড়া নাড়লেই বুঝতে হবে মা-উমা খুব দূরে নেই। অর্থাৎ মাধ্যমিক-উচ্চ মাধ্যমিক। ভাবা যায়, একটা রাজ্যে মাধ্যমিক-উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৮ লক্ষের বেশি? আর এই দুই পরীক্ষা শেষ হতেই রাজ্যের আনাচে কানাচে হাজার হাজার স্কুল টিচারের গৃহকোণে শুরু হয়ে যায় কুটির শিল্প—খাতা দেখা।
বিশদ

28th  May, 2017
র‌্যানসামওয়্যার এবং বিটকয়েন 

দেবজ্যোতি রায়: ‘এত দ্রুতগতিতে প্রযুক্তির উন্নতি ঘটছে যে এই আগ্রাসন গোটা মানবজাতিকে নিঃশেষ করে দিতে পারে। বংশপরম্পরাকে রক্ষা করতে গেলে যুক্তি ও কারণ দিয়ে এতে লাগাম দিতে হবে।’ প্রযুক্তির রকেটসম অগ্রগতি নিয়ে সম্প্রতি এক সেমিনারে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন পৃথিবীখ্যাত বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিনস। এর জন্য বিভিন্ন দেশের সরকারকে এগিয়ে আসার আরজিও জানিয়েছিলেন কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের এই প্রফেসর তথা পদার্থবিদ।
বিশদ

21st  May, 2017
আবাসন আইন 

১ মে দেশজুড়ে চালু হয়েছে আবাসন সংক্রান্ত আইন ‘দি রিয়েল এস্টেট (রেগুলেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট) অ্যাক্ট। চলতি কথায় ‘রেরা’। কেন্দ্রীয় আইনটির উপর ভিত্তি করে রাজ্যগুলির নিজস্ব বিধি রা রুল তৈরি করার কথা। কী পরিস্থিতি রয়েছে এই আইন নিয়ে? আইনটির সুবিধাগুলিই বা কী কী? দেখে নেওয়া যাক আইনের খুঁটিনাটিগুলি। 
বিশদ

14th  May, 2017
বাহুবলীর নেপথ্যে

যাবতীয় রেকর্ড ভেঙে সদর্পে ছুটে চলেছে বাহুবলীর বিজয়রথ। প্রথম দিনের কালেকশনই ছিল প্রায় ১২২ কোটি। লাইট, ক্যামেরা, সাউন্ড, অ্যাকশন এবং ভিস্যুয়াল এফেক্ট। ছবির অভাবনীয় সাফল্যের নেপথ্যে কিন্তু রয়েছে আরও অনেক কিছু। বিশদ

07th  May, 2017
রিকশ থেকে টোটো

বাজারের থলে হাতে নিয়ে খেঁাজ পড়ে তার। সন্তান হঠাৎ জ্বরে পড়লেও ডাক্তারখানা যেতে যে সেই ভরসা। বাহক থেকে চালক হওয়ার দীর্ঘ সফরে রিকশ চিরকাল সঙ্গী মধ্য ও নিম্নবিত্তের। কালের বিবর্তনে তার আগে ‘ই’ স্বরবর্ণ জুড়েছে। তবু এই টোটোর আমলে সুর কাটেনি রিকশ রোমান্টিকতার
বিশদ

30th  April, 2017
খাঁসাহেব 

সমৃদ্ধ দত্ত: মার্চ মাসের সকাল সাড়ে ১০টা এমনিতে দিল্লিতে বেশ আরামদায়ক ওয়েদার। সেদিন ৫ মার্চ আবার বেশ ঠান্ডা হাওয়াও ছিল। ইন্ডিয়ান হ্যাবিট্যাট সেন্টারে আয়ান আলি বাঙ্গাশ আসনে বসেই গুরুগম্ভীর আবহটি কাটিয়ে বেশ হালকা মুড নিয়ে এলেন। একটু আগে ঘোষিকা সিরিয়াস ভঙ্গিতে শ্রোতৃমণ্ডলীকে বলেছেন, সরোদ বাদনের মাঝখানে করতালি না দেওয়াই শ্রেয়। 
বিশদ

23rd  April, 2017
 স্মৃতির রেলপথে

 ওই রেললাইন দিয়ে আরও একবার ট্রেন ছুটবে। শিয়ালদহ থেকে ছেড়ে পৌঁছে যাবে খুলনা। ওই রেলরুটে আরও একবার মিলবে দুই বাংলা। যা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল স্বাধীনতার আগে। সেই স্মৃতির পথেই আজ ফিরে দেখা।
বিশদ

16th  April, 2017
 অপেক্ষায়

 উদ্দালক ভট্টাচার্য: এ যে ইতিহাসেরই পুনরাবৃত্তি। এ প্রজন্মের ক’জন আর দেখেছে এই ট্রেনকে? জন্ম থেকে হয় বাপ-ঠাকুরদার মুখে শোনা, কিংবা চোখে দেখা ওই রেললাইনটা। স্মৃতির আঁচ উসকে হঠাৎ এল খবর, আবার জুড়তে চলেছে ভারত-বাংলাদেশ। ওই রেললাইনের মাধ্যমেই। আবার শিয়ালদহ থেকে রেল ছুটবে... পৌঁছে যাবে খুলনা পর্যন্ত। অনেকের মতো ওই ব্যক্তির পরিবারও একদিন দেশভাগের আবহে ছিন্নমূল হয়ে উঠে এসেছিল এপারে।
বিশদ

16th  April, 2017
আগুনের সঙ্গে লড়াই 

‘পদ্মশ্রী’ বিপিন গণোত্রা: আগুনে বড় ভয় ছিল দাদার। নিজে তো দূরে থাকতেনই, আমাদেরও সবসময় সাবধান করতেন। দাদার মতো নির্বিবাদী লোক খুব বেশি দেখিনি। খেরু প্লেসে মোটর পার্টসের একটা দোকান ছিল। দোকান, আর বাড়ি... এই ছিল দাদার রুটিন।
বিশদ

02nd  April, 2017
অগ্নীশ্বরের সন্ধানে 

সুপ্রিয় নায়েক: ডাক্তারির ফাইনাল পরীক্ষায় প্রথম হয়েছে ছেলেটি। মেডিকেল কলেজের কমন রুমে সে নিয়ে জোর আলোচনা। অথচ ছেলেটিরই দেখা নেই। পাশ করার খবর পেয়েই সে চলে গিয়েছে গ্রামের বাড়িতে।
বিশদ

26th  March, 2017



একনজরে
সংবাদদাতা, রামপুরহাট: ময়ূরেশ্বরের বড়তুড়িগ্রামে তৃণমূল কর্মী খুনের ঘটনায় নয়া মোড়। শুধুমাত্র গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব, জমি সংক্রান্ত বিবাদের জেরেই নয়, খুনের পিছনে কাজ করেছে পুরানো আক্রোশও। ধৃতদের জেরা করে এমনটাই পুলিশ জানতে পেরেছে। উল্লেখ্য, শনিবার সকালে বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে আসগর আলি নামে ...

 মুম্বই, ২৯ মে (পিটিআই): শেয়ার বাজারের ঊর্ধ্বগতি চলছেই। এদিন মুম্বই শেয়ার বাজারের সূচক সেনসেক্স ৩১ হাজার ১০৯ পয়েন্টে শেষ হয়েছে। গত তিন দিন ধরেই সেনসেক্স ঊর্ধ্বমুখী। তিনদিনে ৮০০ পয়েন্টেরও বেশি উঠেছে সূচক। ...

নয়াদিল্লি, ২৯ মে (পিটিআই): সাংবাদিক রাজদেও রঞ্জন হত্যা মামলায় আরজেডি নেতা সাহাবুদ্দিনকে হেপাজতে নিল সিবিআই। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার সূত্রে জানানো হয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাহাবুদ্দিনকে এজেন্সির ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ফরেনসিক রিপোর্ট তৈরির শ্লথতা নিয়ে অভিযোগ রয়েছে বিস্তর। আর সেকারণেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে দ্রুত ফরেনসিক রিপোর্ট তৈরির জন্য এক বছর আগে পুলিশকে দেওয়া হয়েছিল চারটি গাড়ি। এই গাড়িগুলি ফরেনসিক রিপোর্ট তৈরির উপযোগী যাবতীয় পরিকাঠামোয় সজ্জিত। ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ব্যাবসাসূত্রে উপার্জন বৃদ্ধি। বিদ্যায় মানসিক চঞ্চলতা বাধার কারণ হতে পারে। গুরুজনদের শরীর স্বাস্থ্য ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৪৪: ইংরেজ লেখক আলেক্সজান্ডার পোপের মৃত্যু
১৭৭৮: ফ্রান্সের লেখক এবং দার্শনিক ভলতেয়ারের মৃত্যু
১৯১২: বিমান আবিষ্কারক উইলবার রাইটের মৃত্যু
১৯১৯: জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘নাইট’ উপাধি ত্যাগ
১৯৪৫: অভিনেতা ধৃতিমান চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৫০: অভিনেতা পরেশ রাওয়ালের জন্ম
২০১৩: চিত্র পরিচালক ঋতুপর্ণ ঘোষের মৃত্যু




ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৭০ টাকা ৬৫.৩৮ টাকা
পাউন্ড ৮১.৩৮ টাকা ৮৪.১৮ টাকা
ইউরো ৭০.৮৭ টাকা ৭৩.২৩ টাকা
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৯,৩৪৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৭,৮৪০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৮,২৬০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪০,৩০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪০,৪০০ টাকা

দিন পঞ্জিকা

 ১৬ জ্যৈষ্ঠ, ৩০ মে, মঙ্গলবার, পঞ্চমী দিবা ৮/৪৭, পুষ্যানক্ষত্র দিবা ১১/৫৭, সূ উ ৪/৫৫/৪৯, অ ৬/১২/১৩, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৪ পুনঃ ৯/২১-১২/০ পুনঃ ৩/৩১-৪/২৫, বারবেলা ৬/৩৬-৮/১৫ পুনঃ ১/১৩-২/৫৩, কালরাত্রি ৭/৩২-৮/৫৩।
১৫ জ্যৈষ্ঠ, ৩০ মে, মঙ্গলবার, পঞ্চমী ২/১৯/৫, পুষ্যানক্ষত্র অপরাহ্ণ ৫/২৮/৪৩, সূ উ ৪/৫৪/৪৫, অ ৬/১২/৩৬, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৪/১৯, ৯/২০/৪২-১২/০/১৬, ৩/৩৩/২-৪/২৬/১৩ রাত্রি ৬/৫৫/২৫, ১১/৫৫/৫-২/৩/৩১, বারবেলা ৬/৩৪/২৯-৮/১৪/১৩, কালবেলা ১/১৩/২৪-২/৫৩/৮, কালরাত্রি ৭/৩২/৫২-৮/৫৩/৮।
৩ রমজান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
পদার্থবিদ্যা নিয়ে গবেষণার ইচ্ছে উচ্চ মাধ্যমিকে প্রথম অর্চিষ্মান পাণিগ্রাহীর 
চিকিৎসক বা ইঞ্জিনিয়ার নয়। গবেষক হতে চায় এবছর উচ্চ মাধ্যমিকে প্রথম স্থান অধিকারি হুগলি কলেজিয়েট স্কুলের অর্চিষ্মান পাণিগ্রাহী। পদার্থবিদ্যা নিয়ে গবেষণা করার ইচ্ছে রয়েছে তাঁর। ২০১৫ সালে মাধ্যমিকে দ্বিতীয় হয়েছিল অর্চিষ্মান। উচ্চ মাধ্যমিকে তার থেকেও ভালো ফল করায় স্বাভাবিকভাবেই খুশি সে। 

11:04:50 AM

চিকিৎসক হতে চায় উচ্চ মাধ্যমিকে তৃতীয় বাঁকুড়া জেলা স্কুলের সুরজিৎ লোহার 

10:54:51 AM

উচ্চ মাধ্যমিকে তৃতীয় (৯৭.৮%) শুভম সিংহ ও সুরজিৎ লোহার (বাঁকুড়া জেলা স্কুল) 

10:49:32 AM

উচ্চ মাধ্যমিকে প্রথম অর্চিষ্মাণ পানিগ্রাহি ( হুগলি কলেজিয়েট স্কুল) 

10:45:00 AM

উচ্চ মাধ্যমিকে দ্বিতীয় (৯৮.৪%) ময়াঙ্ক চট্টোপাধ্যায় (মাহেশ শ্রীরামকৃষ্ণ বিদ্যাভবন), উপমন্যু চক্রবর্তী (নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন) 

10:39:06 AM

সাফল্যের নিরিখে শীর্ষে পূর্ব মেদিনীপুর 

10:15:00 AM






বিশেষ নিবন্ধ
এবারই প্রথম নয়, ’৯৯-এ কারগিল যুদ্ধেও পাক সেনারা নৃশংসতার নজির রেখেছিল
সীমান্তরক্ষায় অনেকদিন কাটানো পোড়খাওয়া এক ক্যাপ্টেন একদিন দার্শনিকের ঢঙে বললেন, আমরা এটুকুই বুঝি—যুদ্ধক্ষেত্রে জীবন মানে ...
 লালবাজার অভিযান: মমতার চালে বিজেপি মাত!
শুভা দত্ত: সিপিএমের নবান্ন অভিযানের ধাঁচে লালবাজার অভিযান করে রাজ্যবাসীকে চমকে দিতে চেয়েছিল রাজ্য বিজেপি। ...
 হুট বলতে ফুট কাটার অসুখ
 সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়: আমার এক বন্ধু প্রায়ই ভারী অদ্ভুত অদ্ভুত কথা বলে। যেমন, জ্বর-জ্বালা, বুক ধড়ফড়ানি, ...
নদী তুমি কার
বিশ্বজিৎ মুখোপাধ্যায়: ১৯৪৭ সালে দ্বিখণ্ডিত স্বাধীনতা কেবলমাত্র মানুষকে ভাগ করেনি, প্রাকৃতিক সম্পদেও ভাঙনের সাতকাহন সূচিত ...
চীন, পাকিস্তান বেজিংয়ে ফাঁকা মাঠ পেয়ে গেল ভারতের কূটনৈতিক ভুলের কারণে
কুমারেশ চক্রবর্তী: মাত্র কিছু দিন আগে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা আইসিসি’র এক ভোটে ৯-১ ভোটে ...