প্রচ্ছদ নিবন্ধ
 

আগুনের সঙ্গে লড়াই 

‘পদ্মশ্রী’ বিপিন গণোত্রা: আগুনে বড় ভয় ছিল দাদার। নিজে তো দূরে থাকতেনই, আমাদেরও সবসময় সাবধান করতেন। দাদার মতো নির্বিবাদী লোক খুব বেশি দেখিনি। খেরু প্লেসে মোটর পার্টসের একটা দোকান ছিল। দোকান, আর বাড়ি... এই ছিল দাদার রুটিন। সেটা ছিল কালীপুজোর রাত। মোটর পার্টসের যাবতীয় পুরানো সরঞ্জাম বাড়িতে নিয়ে এসেছিলেন দাদা। পরিষ্কার করছিলেন কেরোসিন তেল দিয়ে। সেই সময় বাইরে থেকে একটা বাজি এসে পড়েছিল দাদার সামনে। মুহূর্তের মধ্যে ঝলসে গিয়েছিল গোটা শরীরটা। তখন আমি উলুবেড়িয়ায় একটি কাজে গিয়েছিলাম। ফিরে এসে জানতে পারি। খুব ভয় পেয়ে গিয়েছিলেন বাবা। ৮০ শতাংশ পুড়ে যাওয়া সত্ত্বেও হাসপাতালে নিয়ে যেতে পারেননি। আমি এসে দাদাকে বড়তলায় একটি নার্সিংহোমে ভরতি করাই। দিল্লি থেকে দামি ওষুধ আনানোর ব্যবস্থাও করি। কিন্তু পারিনি। চোখের সামনে এক মাস ধরে দাদা নরেন্দ্র গণোত্রাকে যন্ত্রণায় কাতরাতে দেখেছিলাম। মরতে দেখেছিলাম। ওই একটা ঘটনা আমার জীবনটাকে আমূল বদলে দিয়েছিল। একটা মাত্র শব্দ... আগুন।
আগুনের সঙ্গে লড়াই করতে করতে কবে যে জীবনটাকে বদলে ফেলেছি, বুঝতে পারিনি। মাত্র ৪২ বছর বয়স ছিল দাদার। আজও ঘটনাটা মনে পড়লে চোখের জল আটকাতে পারি না। ভুলতেও পারি না। সেদিনই মনে মনে শপথ নিয়েছিলাম, যতদূর সাধ্য লড়ে যাব। কাউকে এভাবে মরতে দেব না। আজ থেকে ৩৫ বছর আগে...।
আমি সাধারণ মানুষ। চালচুলো নেই। বৈদ্যুতিন সরঞ্জাম সারানোর সামান্য একটা কাজ করি। আর সেই কাজ করতে করতেই দিনভর টিভিতে খবর দেখি। আগুন লাগার খবর দেখলেই সবার আগে ফোন করি দমকলের কন্ট্রোল রুমে। যদি জানতে পারি শহরে হয়েছে, তাহলে বেরিয়ে পড়ি। ট্যাক্সি-বাস ধরে পৌঁছে যাই ঘটনাস্থলে। নেমে পড়ি দমকল কর্মীদের সঙ্গে আগুন নেভাতে। আজ পর্যন্ত এই কাজে কখনও নিজের কথা ভাবিনি। আগামীদিনেও ভাবব না। আসলে কী জানেন, ঝুঁকি নেওয়া এখন আমার নেশা হয়ে গিয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা হোক বা বাড়ি ভেঙে পড়া, নিজেকে ধরে রাখতে পারি না। ঝাঁপিয়ে পড়ি। আমি হয়তো দমকল কর্মীদের মতো প্রশিক্ষিত নই, কিন্তু দীর্ঘ তিন দশকের অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, খাতায়-কলমে না হলেও অনেকের থেকে আমি এই বিপর্যয় মোকাবিলা করতে বেশি দক্ষ। বারবার ঝাঁপিয়ে পড়াই আমাকে এভাবে তৈরি করে দিয়েছে।
একটা ঘটনার কথা মনে পড়ছে। যতদূর সম্ভব নয়ের দশকের কথা। একদিন ভোরে হাওড়া ব্রিজের উপরে একটি বিখ্যাত পেট্রলিয়াম সংস্থার ট্যাঙ্কার উলটে গিয়ে লিক হয়ে যায়। গ্যাস বেরতে থাকে সেই ট্যাঙ্কার থেকে। খবর পেয়ে ওই সংস্থার কর্তারা ছুটে আসেন। চলে আসে দমকল আর পুলিশের বিশাল বাহিনীও। হাওড়া ব্রিজের একটা অংশ খালি করে দেওয়া হয়। আশঙ্কা তখন একটাই, বিরাট বিস্ফোরণ না হয়। কোম্পানির কর্তারা বলেই দিয়েছিলেন, কোনওভাবেই ট্যাঙ্কারটাকে খুব বেশি নড়াচড়া করা যাবে না। সঙ্গে সঙ্গে খবর যায় মেট্রো রেলে... ক্রেন নিয়ে আসার জন্য। আমিও খবরটা শুনেই পৌঁছে গিয়েছিলাম। গিয়ে দেখলাম, সবাই রীতিমতো চিন্তায়। দমকল কর্মীদের সঙ্গে বেশ কয়েকটা জায়গায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা সামলে আমারও মুখটা চেনা হয়ে গিয়েছিল। ট্যাঙ্কারে কোথায় ফুটো হয়েছে, আমিও দমকল কর্মীদের সঙ্গে গিয়ে দেখতে থাকলাম। হঠাৎই একটা বুদ্ধি খেলে গেল। ব্রিজ সংলগ্ন এলাকা থেকে মাটি জোগাড় করলাম। যা দেখে অনেক দমকল কর্মীই জিজ্ঞাসা করলেন, কী করছি আমি? এমনকী, অনেকেই বললেন, এমন কিছু না করতে, যাতে ট্যাঙ্কারে বিস্ফোরণ হয়। বললাম, আমার উপর একটু ভরসা রাখুন। এরপর আমি গিয়ে সেই মাটি ট্যাঙ্কারের ক্ষতে ভালো করে সেঁটে দিলাম। সঙ্গে সঙ্গে গ্যাস লিক হওয়া বন্ধ হয়ে গেল। ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেছিলাম। আর তাতে সফলও হয়েছিলাম। যা দেখে ওই পেট্রলিয়াম সংস্থার কর্তারাও বাহবা দেন। দমকলের কর্তারাও আমার পিঠ চাপড়ে দিয়েছিলেন।
দিনের পর দিন এই কাজ করে গিয়েছি। আর সত্যি বলছি, এর থেকে বেশি কিছুই চাইনি। সেবা করে যাওয়াই আমার জীবনের প্রথম ও অন্তিম কর্তব্য। কয়েক দশক হয়ে গেল, মধ্য কলকাতার এই দেবেন্দ্র মল্লিক স্ট্রিটের বাড়িতে থাকি। এখানকার অলি-গলির মানুষ আমাকে এক নামে চেনেন। এর থেকে বড় সম্মানের আর কী রয়েছে, বলতে পারেন! তবে এই কাজে নেমে অনেক বিচিত্র অভিজ্ঞতার মুখেও পড়েছি। যা দেখে নিজেকে মানুষ ভেবে ঘৃণা হয়েছে। এমনই একটা অভিজ্ঞতার কথা বলি। স্টিফেন কোর্টের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। তবে এই প্রসঙ্গ বলার আগে বলি, এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার আগে স্ট্র্যান্ড রোডে একটি বিশাল গুদাম ঘরে ভয়াবহ আগুন লেগে তা ভেঙে পড়ে। দমকল কর্মীদের সঙ্গে সেই আগুন নেভাতে গিয়ে আমি গুদামঘরের ধ্বংসস্তূপের মধ্যে চাপা পড়েছিলাম। প্রায় দু’ঘণ্টা... জ্ঞান ছিল না আমার। মাথায় বড় আঘাত লেগেছিল। খোঁজাখুঁজি করতে করতে দমকল কর্মীরাই আমাকে শেষে উদ্ধার করেন। কিছুদিন উঠতে পর্যন্ত পারিনি। এবার আসি স্টিফেন কোর্ট অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায়। আমি আগুন নেভানোর কাজে হাত লাগাতেই দমকল কর্তারা আমায় বললেন, ‘বিপিন, বড়সড় দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে এসেছিস। এখানে কাজ করার দরকার নেই। নইলে তোকে আবার উদ্ধার করতে হবে।’ আমি নাছোড়বান্দা। অন্য বিল্ডিং থেকে ল্যাডার দিয়ে চারতলায় উঠে গেলাম। দেখলাম, ওই আবাসনের পাঁচতলার একটা ঘরের জানালা থেকে দু’জন নিজেকে বাঁচাতে ঝাঁপ দেওয়ার চেষ্টা করছেন। চিৎকার শুরু করলাম। বারবার বললাম, ‘একটু অপেক্ষা করুন। ল্যাডার আসছে, আপনাদের নামিয়ে নেব।’ কত করে বললাম... সাবধান করলাম... কিন্তু আগুনের ভয়ে তাঁরা শুনলেন না। ঝাঁপ দিলেন সেই জানালা থেকে। তাও শেষ রক্ষা হল না। চোখের সামনে দু’জনকে ওইভাবে মরতে দেখে ভেঙে পড়েছিলাম। ওই চারতলাতেই কেমন যেন স্থবিরের মতো দাঁড়িয়ে দেখছিলাম... নীচে পড়ে রয়েছে দু’জন। নিথর। দমকল কর্মীদের চেঁচামেচিতে সম্বিত ফিরেছিল। কোনওমতে নীচে নেমে এসেছিলাম। দমকলের কর্তারাই বলেছিলেন, আমি যেন নীচেই দাঁড়িয়ে থাকি। কিন্তু তাঁরা বুঝেছিলেন, দাঁড়িয়ে থাকার লোক আমি নই। কোনও বারণ থামাতে পারেনি আমায়। স্টিফেন কোর্টের পাশের বাঁশের ভারা বেয়ে উঠে গিয়েছিলাম... আরও একবার। চারতলায় ঢুকে দমকল কর্মীদের সঙ্গে কাজ করতে করতে আচমকাই নজরে এল, লিফটের পাশে সিঁড়ির কোণে বস্তার মতো কী সব পড়ে রয়েছে। অন্ধকার এবং ধোঁয়ায় খুব ভালো করে দেখা যাচ্ছিল না। একটা টর্চ জোগাড় করে আলো ফেলতেই দেখলাম, ১২টা নিথর দেহ ওই সিঁড়ির উপর পড়ে রয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে চিৎকার করে ডাকলাম আমার দমকলের বন্ধুদের। রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা কলকাতা পুলিশ ও দমকল কর্তাদের কাছেও খবর গেল। আমাকে বলা হয়েছিল, ধীরে ধীরে সেই দেহগুলি নামিয়ে আনার জন্য। আমিও অন্য দমকল কর্মীদের সঙ্গে সেগুলি নামিয়ে আনি। ইতিমধ্যেই এমন একটা ঘটনা ঘটল, যাতে ধনী সমাজের মানুষের প্রতি আমার শ্রদ্ধা এক হেঁচকায় মাটিতে নামিয়ে আনল।
দেখলাম একজন চল্লিশ ছুঁইছুঁই ব্যক্তি দমকল কর্তাদের কাছে এসে কাকুতি-মিনতি করতে শুরু করেছেন... ‘পাঁচতলায় আমার ঘরে ঠাকুর রয়েছে। ওটা আমার বাবা-মায়ের শেষ স্মৃতি। আমাকে যেতে দিন... নামিয়ে আনব।’ তখন দাউ দাউ করে জ্বলছে গোটা পাঁচতলা। যেতে দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। ভদ্রলোক প্রায় কান্নাকাটি শুরু করে দিয়েছিলেন। যা দেখে এক দমকল কর্তা আমায় বললেন, ‘বিপিন, তুমি ওঁকে সাবধানে নিয়ে যাও। পুরো দায়িত্ব তোমার উপর। ওঁর যেন গায়ে আগুনের আঁচ না লাগে।’ সেই শুনে আমি তাঁকে উপরে নিয়ে গেলাম। ওই ঘরে ঢুকতেই দেখি দু’জন বৃদ্ধ-বৃদ্ধার পুড়ে তাল হয়ে যাওয়া দেহ পড়ে রয়েছে। ঠাকুরের সিংহাসনও প্রায় জ্বলে গিয়েছে। কিন্তু ভদ্রলোক ওই দিকেই গেলেনই না। তিনি আলমারি খুলে সিন্দুক বের করলেন। এবং সেটা খুলতেই দেখা গেল, প্রায় ১৫০’র উপরে সোনার বিস্কুট। প্রায় ৫০ কেজি ওজন সিন্দুকটার। আমি কিছু বলতে যাব, তার আগেই ওই ব্যক্তি বললেন, ‘সব নিয়েছি। এবার চলুন। বেশিক্ষণ থাকলে পুড়ে যাব বাব-মায়ের মতো।’ বলেই দ্রুত তিনি বেরিয়ে গেলেন। স্তম্ভিত হয়ে দাঁড়িয়ে থাকলাম। মিথ্যা কথা বলে যে তিনি উপরে এসেছিলেন, তা বুঝতে বাকি ছিল না। বাবা-মায়ের থেকে ভদ্রলোকের কাছে সোনার বিস্কুট বেশি দামি! পরে ওই দুই বৃদ্ধ-বৃদ্ধার দেহ নীচে নামিয়ে এনেও ‘সুপুত্রে’র দেখা পেলাম না।
আগুনের সঙ্গে লড়াই করতে করতে কখন যে জীবনের এতগুলো বছর কাটিয়ে দিয়েছি, খেয়ালই করিনি। আগে দিদিরা বলতেন। এখন তাও বলেন না। বুঝে গিয়েছেন, এই আগুনের সঙ্গে লড়াই করতে করতেই হয়তো কোনওদিন মৃত্যু টেনে নেবে আমাকে। কিন্তু তাও শেষ দিন পর্যন্ত আমি মানুষের জন্য কাজ করে যাব। আসলে কী জানেন তো, জীবনে অনেক কষ্ট পেয়েছি। ভালোবাসা, অভিমান দেখেছি। আবার দুঃখের সময় নিজের মানুষের পাশে না থাকার কষ্টও কাঁধে নিয়ে বয়েছি। এখন শুধু ভাবি, এমন কষ্ট যেন কাউকে না পেতে হয়। যেখানেই শুনি, চেষ্টা করি ঝাঁপিয়ে পড়ার। শুধু টাকা নিয়ে বেঁচে থাকা যায় না। প্রয়োজন ভলোবাসার। পাশে থাকার।
এই ভালোবাসার কথাই যখন উঠল, তখন আর একটা অভিজ্ঞতা বলি। দেড় দশক আগে সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউতে টেলিফোন এক্সচেঞ্জে ভয়াবহ আগুন লেগেছে। সেই সময় বিএসএনএলের বড় বড় কর্তা দিল্লি থেকে এসেছেন। দমকল কর্মীদের সঙ্গে সাধারণ পোশাক পরে আগুন নেভানোর কাজে ঝাঁপিয়ে পড়ি। ওই এক্সচেঞ্জ থেকে অনেক গুরুত্বপূর্ণ নথি বের করে নিয়ে আসি। যা দেখে দিল্লির ওই কর্তারা আমায় ডেকে বলেন, ‘আপনি কি দমকল দপ্তরের কর্মী?’ আমি বলি, না। শুনেই তাঁরা জিজ্ঞাসা করেন, ‘তাহলে এভাবে প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে লড়াই কেন? কোথা থেকে এই প্রশিক্ষণ পেলেন?’ আমি কিছু বলার আগে দমকলের কর্তারা তাঁদের ডেকে আমার সম্পর্কে বলেন। শুনে তাঁরা খুব খুশি হন। এর কয়েক সপ্তাহ পরে আমাকে দক্ষিণ কলকাতার একটি সভাগৃহে বিএসএনএলের তরফে সম্মানিত করেন। চাকরিও অফার করা হয়। কিন্তু আমি চাকরি নিইনি। কারণ, ওটা আমার কাজ নয়। আমার কাজ এভাবে লড়াই করা। তবে এর থেকে সম্মানের যে জিনিসটি পেয়েছিলাম, তা ছিল দমকল দপ্তরের তৎকালীন ডেপুটি অধিকর্তা দেবপ্রিয় বিশ্বাসের নিজের ইউনিফর্মটি। আমার কাজ দেখে ওই কর্তা তাঁর নিজের ইউনিফর্মটি দিয়েছিলেন। যা আমি সযত্নে আজও রেখে দিয়েছি। এমনকী, আগুন নেভাতে গিয়ে আমি অনেক সময় সেটা পরেও যাই। আবার আমি যে হেলমেটটা পরি, তারও একটি ইতিহাস রয়েছে। বছর দশেক আগে ওরিয়েন্টাল রো’তে আগুন লেগেছিল। যেখানে কাজ করতে গিয়ে আমার মাথায় সামান্য আঘাত লাগে। একজন মহিলা সাংবাদিক দেখেছিলেন সেটা। এরপর ক’দিন পরেই এমজি রোডের লুধিয়ানা মার্কেটে আগুন লাগে। সেখানেও আমি যাই। ঘটনাটা কভার করতে ওই মহিলা সাংবাদিকও আসেন। ওই ঘটনায় আমার চুল সামান্য পুড়ে গিয়েছিল। যা দেখে ওই সাংবাদিক তৎকালীন দমকল অধিকর্তাকে বলেছিলেন, একজন সাধারণ মানুষ প্রতিটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আপনাদের পাশে নিঃস্বার্থভাবে কাজ করেন। তাঁর নিরাপত্তার জন্য কী করেছেন? একটা তো হেলমেট তো দিতে পারেন! যা শুনে দমকল অধিকর্তা পরদিনই আমাকে দমকল দপ্তরের সদর দপ্তরে ডেকে পাঠান এবং আমাকে একটা হেলমেট দেন। বলেন, ‘এবার থেকে এটা পরেই আপনি কাজ করবেন। না পরে এলে কিন্তু কাজ করতে দেওয়া হবে না।’ তারপর থেকে যখনই কোনও ঘটনায় গিয়েছি, ওই হেলমেটটা আমার মাথায় ছিল।
তবে জীবনের সব অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, মরতে বা আগুনকে আমার ভয় লাগে না। ভয় লাগে মানুষের ভালোবাসা ও স্বীকৃতিকে। ভালোবাসা হচ্ছে শেয়ার মার্কেটের মতো। এখন ভালোবাসার চূড়ায় আছি। কিন্তু যখন সেই চূড়া থেকে মাটিতে ফেলবে, সেখান থেকে ওঠার ক্ষমতা থাকবে না। তাই আমার শুধু একটাই নীতি, চুপিসাড়ে কাজ করে যাও। আগুনের হাত থেকে মানুষকে বাঁচানোই আসল লক্ষ্য। আর সেটাই করে যাব।
 গ্রাফিক্স: সোমনাথ পাল
 সহযোগিতায়: স্বাগত মুখোপাধ্যায়  
02nd  April, 2017
শোনপুর মেলা
মৃন্ময় চন্দ

খ্রিস্টপূর্ব ৩৪০ থেকে ২৯৭। চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য এসেছেন শোনপুরের মেলায়। সৈন্যবাহিনীর জন্য হাতি কিনবেন। পদব্রজে নাকি এসেছেন ফা-হিয়েন ও হিউয়েন সাং! এসেছেন গন্ধর্ব প্রধান হু হু ও পাণ্ডস্যের রাজা ইন্দ্রদ্যুম্ন। অভিসম্পাত-গ্রস্ত গজ-গ্রহ রূপী তাদের মরণপণ যুদ্ধে শোনপুরের হরিহরক্ষেত্রে আগমন ঘটেছে হরি এবং হরের। কালক্রমে শোনপুর মেলা হয়ে উঠেছে দেবক্ষেত্র। অতুলনীয়, ব্যতিক্রমী শোনপুর মেলার আছে কেবলই দারিদ্রের ঐশ্বর্য। সাধারণ মানুষ এই মেলার প্রতিভূ। এ মেলায় তাই সবাই রাজা। সকলে স্বাগত!
বিশদ

12th  November, 2017
’৪২-এর ভারত ছাড়ো আন্দোলনের ৭৫ বছর 

অমর মিত্র: ক্রিপস মিশন ব্যর্থ হয়েছিল। সেখানে পূর্ণ স্বরাজের বার্তা ছিল না বলে। আর কংগ্রেস চেয়েছিল, গান্ধীজি চেয়েছিলেন স্বাধীন ভারত। যে কারণে ৭৫ বছর আগে শুরু হয় ইংরেজ ভারত ছাড়ো আন্দোলন। সেই গান্ধীজিরই নেতৃত্বে।  
বিশদ

05th  November, 2017
জগদ্ধাত্রী
নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী

 জগদ্ধাত্রী ঠাকুরের রূপ-কল্পনা এবং পুজোবিধি থেকেই বোঝা যায় যে, জগদ্ধাত্রী পুজোর সৃষ্টিই হয়েছে দুর্গাপুজোর পরিপূরণী সমব্যথার কারণে। তবে হ্যাঁ, বিশেষত্ব একটা আছে এবং সেই বিশেষত্ব তাঁর নামেই লুকানো আছে।
বিশদ

29th  October, 2017
সাম্প্রতিক বাংলা থিয়েটার: কিছু কথা
ব্রাত্য বসু

থিয়েটারের অর্থনীতি আসলে দু’রকম। প্রথমটি হল দলের অর্থনীতি। দ্বিতীয়টি হল দলের সদস্যদের ব্যক্তিগত অর্থনীতি। দলের অর্থনীতি প্রধানত তিনটি বিষয়ের ওপর নির্ভরশীল। প্রথমত, সরকারি গ্রান্ট তথা অনুদান।
বিশদ

22nd  October, 2017
চিরদুঃখী অতুলপ্রসাদ সেন
প্রণব কুমার মিত্র

লখনউয়ের বিখ্যাত ব্যারিস্টার এ পি সেন সাহেব বা অতুলপ্রসাদ সেন কোর্টের পর গাড়ি থেকে নেমে বাড়ির সদর দরজা পেরিয়ে সুন্দর সবুজ লনের এককোণে দেখলেন দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। আর সেই আগুনে এক এক করে দামি দামি স্যুট, জামাকাপড় পোড়াচ্ছেন তাঁরই সহধর্মিণী হেমকুসুম। কয়েকদিন দু’জনের অশান্তি চলছিল।
বিশদ

22nd  October, 2017
আতশবাজির ইতিকথা
বারিদবরণ ঘোষ

আকাশের গায়ে বারুদের গন্ধটা কালীপুজোর মরশুমে খুব চেনা। তা সে কাঠকয়লার সঙ্গে সোরা মেশানো হলদে আলো হোক কিংবা বুড়িমার চকোলেট। আগ্নেয়াস্ত্র সরবরাহকারীদের হাত ধরে আতশবাজির সৃষ্টি। যা আজও আনন্দ দিয়ে চলেছে মানবমননকে। বিশদ

15th  October, 2017
বিজয়া স ম্মি ল নী 

‘মা’কে তাড়ানোর কোনও তাড়া যে তখন ছিল না! ছিল না মোবাইলে মজে শারদ মাধুর্যকেই উপেক্ষা করার বাতিক। রক্তের সম্পর্কের থেকে খুব কম যেতেন না পাড়ার দাদারা। সে যেন একটাই পরিবার। আর সেই পরিবারের সবে মিলে বিজয়া সম্মিলনী। কখনও মঞ্চে হাজির শ্যামলদা, কখনও বা মানবেন্দ্র। তাঁরাও যে কাছেরই মানুষ! নিছক ‘সাংসকিতিক সন্ধা’ নয়, বিসর্জনের বিষণ্ণতাকে সাক্ষী করে শারদ বাতাস যেন তখন বলত, শুভ বিজয়া। 
বিশদ

08th  October, 2017
সাত বাড়ি আর এক বারোয়ারি 

প্রফুল্ল রায়: তখনও দেশভাগ হয়নি। অখণ্ড বঙ্গের পূর্ব বাংলায় ঢাকা ডিস্ট্রিক্টের একটা বিশাল গ্রামে ছিল আমাদের আদি বাড়ি। প্রজন্মের পর প্রজন্ম আমরা সেখানে কাটিয়েছি। পদ্মা, মেঘনা, ধলেশ্বরী, কালাবদর, আড়িয়াল খাঁ এবং শত জলধারায় বহমান আরও নদ-নদী, খাল-বিল, শস্যক্ষেত্র। অজস্র পাখপাখালি, আম জাম হিজল আর সুপারি বনের সারি, সব মিলিয়ে পূর্ববাংলা ছিল এক আশ্চর্য স্বপ্নের দেশ।
বিশদ

24th  September, 2017
অকাল বোধন 

নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ি: ‘অকাল’ শব্দটির মধ্যে একটা অদ্ভুত এবং প্রায় বিপরীত ব্যঞ্জনা আছে। যেমন একটি কৈশোরগন্ধি যুবক ছেলেকে যদি বলি ‘অকালপক্ব’, তাহলে অবধারিতভাবে কথাটির মানে দাঁড়াবে যে, ছেলেটির যা বয়স এবং তদনুযায়ী যা তার বিদ্যাবুদ্ধি হওয়া উচিত কিংবা বয়স অনুযায়ী তার যা কথাবার্তার ধরন তৈরি হওয়া উচিত, তার চাইতে বেশি বয়সের বহু-অভিজ্ঞ মানুষের মতো সে কথা বলছে, বা তেমন ভাবসাব দেখাচ্ছে।
বিশদ

24th  September, 2017
বিশ্বকর্মা
সন্দীপন বিশ্বাস

তিনি দেবশিল্পী। দেবকুলের সকল কর্মের সাধক। রাবণের স্বর্ণলঙ্কা, শ্রীকৃষ্ণের দ্বারকাপুরী, কিংবা হস্তিনাপুর—তঁার শিল্পছেঁায়ায় সব স্থাপত্যই পৌরাণিক উপাখ্যানে অমরত্ব লাভ করেছে। কখনও তিনি তৈরি করছেন হরধনু, কখনও বজ্র। যার সাহায্যে দুষ্টের দমন করেছেন দেবগণ।
বিশদ

17th  September, 2017
শিকাগো বিজয় ১২৫
তাপস বসু

১২৫ বছর আগে এক তরুণ সন্ন্যাসী সীমিত ক্ষমতা নিয়ে পাড়ি দিয়েছিলেন সাগরপারে। শিকাগোর এক ধর্ম সম্মেলনে যদি পেশ করা যায় বৈদিক দর্শনের বিস্তারকে। শত বাধা পেরিয়ে মঞ্চে দঁাড়িয়ে আমেরিকার মানুষকে এক লহমায় করে ফেলেছিলেন ‘ভ্রাতা ও ভগিনী’। আজ ফিরে দেখা সেই স্বামী বিবেকানন্দকে। যঁার শিক্ষা আজও সমাজের ভিত্তিপ্রস্তর।
বিশদ

10th  September, 2017
 সেইসব শিক্ষক
কল্যাণ বসু

যখন আমরা ভাবি সব জেনে গিয়েছি, ঠিক সেই মুহূর্ত থেকে আমাদের শেখা বন্ধ হয়ে যায়... বলেছিলেন সর্বপল্লি রাধাকৃষ্ণণ। যাঁর জন্মদিন পালিত হয় শিক্ষক দিবস হিসাবে। স্বনামধন্য বহু ব্যক্তির শিক্ষকরাও যে ছিলেন এমনই! কেউ প্রচারের আলোয় এসেছেন, কেউ আসেননি। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর থেকে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। সবারই এমন মহান শিক্ষকদের সান্নিধ্য পাওয়ার সৌভাগ্য হয়েছিল।
বিশদ

03rd  September, 2017
দুশো বছরের বাংলা কাগজ

 দিগদর্শন, বাঙ্গাল গেজেট ও সমাচার দর্পণের লেখনিতে ভর করে যে যাত্রা শুরু হয়েছিল, তার দ্বিশতবর্ষ পূর্ণ হচ্ছে। বাংলা খবরের কাগজ কখনও হয়ে উঠেছে সাম্রাজ্যবাদী ব্রিটিশ শক্তিকে নাস্তানাবুদ করার হাতিয়ার, কখনও অন্তর্জলি যাত্রার মতো সামাজিক রোগের মারণ ওষুধ, আবার কখনও পরিবর্তনের ঝড়। গঙ্গাকিশোর ভট্টাচার্য, দাদাঠাকুরদের সাহসী কলমের সে ভার বহন করে এসেছেন সন্তোষকুমার ঘোষ, গৌরকিশোর ঘোষ এবং বরুণ সেনগুপ্তরা। ২০০ বছর পরও তাই বাংলা সংবাদপত্র একইরকম নবীন।
বিশদ

27th  August, 2017
ছাত্র রাজনীতির বিবর্তন
ডঃ পার্থ চট্টোপাধ্যায়

 ছাত্র রাজনীতির যাবতীয় ঐতিহ্য কি এখন তোলাবাজির অন্ধকারে? এ প্রশ্ন আজ সব মহলে। প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে, রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ গঠনের লক্ষ্যে যে সংসদ দিশা দেখায়, তা আজ ফিকে। জেভিয়ার্স মডেলে রাজ্য ছাত্র রাজনীতি সংস্কার করছে। তা কি সঠিক পদক্ষেপ? মত পক্ষে আছে, বিপক্ষেও।
বিশদ

20th  August, 2017
একনজরে
অরূপ ভট্টাচার্য, চুঁচুড়া, বিএনএ: দুর্ঘটনার কারণে চন্দননগর পুরসভার মেয়র রাম চক্রবর্তী অসুস্থ। তাই তিনি সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত দায়িত্ব সামলাবেন ডেপুটি মেয়র সংঘমিত্রা ঘোষ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কলকাতায় জেলার পর্যবেক্ষক অরূপ বিশ্বাসের উপস্থিতিতে কাউন্সিলারদের বৈঠক থেকে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে। শুধু তাই ...

 ভোপাল, ১৭ নভেম্বর (পিটিআই): পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীকে (১০) তিন মাস ধরে একাধিকবার গণধর্ষণের অভিযোগে বাড়ির মালিক সহ চার অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করল মধ্যপ্রদেশ পুলিস। জাহাঙ্গীরবাদ ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বিদেশে ভালো গুণগতমানের প্যাকেটজাত মাছ বিক্রি করতে এবার আরও আধুনিক ফ্রিজার কিনছে মৎস্য উন্নয়ন নিগম। ইতিমধ্যে ‘হার্ডনার ফ্রিজার’ নামক ওই শীততাপ নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র দুটি কেনা হয়েছে। আরও দুটি কেনার পরিকল্পনা রয়েছে বলে নিগমের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। ...

সংবাদদাতা, রামপুরহাট: ছ’দিন ধরে নিখোঁজ থাকার পর পুকুরের জল থেকে এক বৃদ্ধর মৃতদেহ উদ্ধারকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল মাড়গ্রামের নামুবাজারপাড়ায়। শনিবার সকালে মাড়গ্রাম থানার পিছনের একটি পুকুরে ওই বৃদ্ধের মৃতদেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা।  ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চতর বিদ্যায় সফলতা আসবে। সরকারি ক্ষেত্রে কর্মলাভের সম্ভাবনা। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাফল্য আসবে, প্রেম-প্রণয়ে মানসিক অস্থিরতা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭২৭: অম্বরের মহারাজা দ্বিতীগ জয়সিং জয়পুর শহর প্রতিষ্ঠা করলেন
১৯০১: পরিচালক ও অভিনেতা ভি শান্তারামের জন্ম
১৯৭৩: ভারতের জাতীয় পশু হল বাঘ
১৯৭৮: পরিচালক ও অভিনেতা ধীরেন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়ের মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৪.০০ টাকা ৬৫.৬৮ টাকা
পাউন্ড ৮৪.৩২ টাকা ৮৭.১৯ টাকা
ইউরো ৭৫.২০ টাকা ৭৭.৮৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৯,৯৬০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৮,৪২৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৮,৮৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৯,৯০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪০,০০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২ অগ্রহায়ণ, ১৮ নভেম্বর, শনিবার, অমাবস্যা সন্ধ্যা ঘ ৫/১২, নক্ষত্র-বিশাখা রাত্রি ৭/২৪, সূ উ ৫/৫৫/৫, অ ৪/৪৮/৩১, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/৩৭ মধ্যে পুনঃ ৭/২১ গতে ৯/৩২ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৩ গতে ২/৩৮ মধ্যে পুনঃ ৩/২২ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ঘ ১২/৪০ গতে ২/২৪ মধ্যে, বারবেলা ঘ ৭/১৬ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৩ গতে ২/৫ মধ্যে পুনঃ ৩/২৭ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ঘ ৬/২৭ মধ্যে পুনঃ ৪/১৭ গতে উদয়াবধি।
১ অগ্রহায়ণ, ১৮ নভেম্বর, শনিবার, অমাবস্যা অপরাহ্ন ৪/৮/১১, বিশাখানক্ষত্র রাত্রি ৭/১৬/৪০, সূ উ ৫/৫৫/২৬, অ ৪/৪৭/৩৯, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/৩৮/৫৫ মধ্যে ও ৭/২২/২৪-৯/৩২/৫০ মধ্যে ও ১১/৪৩/১৭-২/৩৭/১২ মধ্যে ও ৩/২০/৪১-৪/৪৭/৩৯ মধ্যে। রাত্রি ঘ ১২/৪৩/২১-২/২৫/২৩ মধ্যে, বারবেলা ১২/৪৩/৪-২/৪/৩৬, কালবেলা ৭/১৬/৫৮ মধ্যে, ৩/২৬/৭-৪/৪৭/৩৯, কালরাত্রি ২/২৬/৭ মধ্যে, ৪/১৭/৪৪-৫/৫৬/১২ মধ্যে।
২৮ শফর

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
 আইএসএল: এটিকে ০, কেরল ব্লাস্টার্স ০

 আজ কোচিতে আইএসএলের উদ্বোধনী ম্যাচ গোলশূন্যয় শেষ করল এটিকে ও ...বিশদ

17-11-2017 - 10:04:41 PM

আইএসএল: এটিকে ০, কেরল ব্লাস্টার্স ০ (প্রথমার্ধ পর্যন্ত) 

17-11-2017 - 08:56:14 PM

ব্রিটেনে মাঝ আকাশে বিমান ও হেলিকপ্টারের সংঘর্ষ
মাঝ আকাশে বিমান ও হেলিকপ্টারের মুখোমুখি সংঘর্ষ। এদিন ...বিশদ

17-11-2017 - 08:22:00 PM

কোচিতে আইএসএলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান চলছে 

17-11-2017 - 07:54:43 PM

ট্রেনের সময়সূচি বদল
ডাউন ট্রেন দেরিতে আসার কারণে

১৩০০৯ ...বিশদ

17-11-2017 - 05:06:00 PM