প্রচ্ছদ নিবন্ধ
 

সাত আশ্চর্যের ইকো পার্ক 

রাহুল দত্ত: এ যেন শহরের বুকে এক টুকরো মুক্ত হাওয়ার বাগান। পোশাকী নাম যার ইকো পার্ক। শহরে বিনোদনের নতুন ঠিকানা। ইটকাঠের ভিড়ে নান্দনিক সৌন্দর্যে উদ্বেল এক মুঠো প্রজাপতির রঙিন ডানা। ছোটরা একবার ঢুকে পড়লে যেন হারিয়ে যাওয়ার নেই মানা। বড়রাও তো কম যান না। বুক ভরে নিঃশ্বাস টানলেই অনায়াসে শরীরে ঢুকে যায় মুঠো মুঠো আনন্দের অক্সিজেন। চারিদিকে সবুজ আর সবুজ। তার মধ্যে অজস্র ফুলের আলপনা। পায়ে চলার পথ, প্রজাপতির বাগান। বিশাল লেক। বোটিং। লেকের ধারে সন্ধ্যায় বসে গান, আলো আর ফোয়ারার ত্রিবেণীর সঙ্গমের আসর। যাকে বলে মিউজিক্যাল ফাউন্টেন। উফফ, যেন শেষই হয় না। বড়দিনের ছুটিতে পরিচিত কারও ফোন আসছে সকালে, ‘ছেলেটাকে ভাবছিলাম ইকো পার্ক নিয়ে যাব। আচ্ছা, কোন কোন বাস যায় বলতে পারেন?’ পথচলতি যে বাস চোখে পড়ে, তার সামনে হাত নেড়েই ছুটির জিজ্ঞাসা, ‘দাদা, ইকো পার্ক যাবেন?’ একদিন দল বেঁধে...। তা সে যে কোনও একটা ছুটির দিন হলেই হল। পার্ক থেকে বেরনোর সময় ছেলে মেয়েরা বাবা-মায়ের কাছে আদুরে গলায় বলে, আবার একদিন আসব। সত্যি এমনই তার চোরাটান। আর তা যেন দিন দিন বাড়ছে।
দিনটা ছিল ২০১১ সালের ১৯ জুলাই। ২০ মে নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ গ্রহণের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যাচ্ছিলেন বিমান ধরতে। ভিআইপি রোড এড়িয়ে নিউটাউনের রাস্তায় পাইলট কারের নেতৃত্বে মুখ্যমন্ত্রীর কনভয় ছুটছিল হাওয়ার গতিতে। আর্টিয়াল রোড ধরে যাওয়ার পথে আচমকাই মুখ্যমন্ত্রীর নজরে পড়ল একটি জলাশয়। সঙ্গে সঙ্গে নির্দেশ গেল গাড়িচালকের কাছে, ‘থামাও।’ নেমে পড়লেন মুখ্যমন্ত্রী। ঘুরে দেখলেন জলাশয়ের আশপাশ, আর তাকে ঘিরে থাকা সবুজের সমারোহ। এক ঝলক দেখেই মুখ্যমন্ত্রী বুঝেছিলেন, এটাই হতে পারে কলকাতার নয়া ‘ডেস্টিনেশন’। আবার অন্যদিক দিয়ে দেখলে ‘গেটওয়ে অব কলকাতা’ হিসাবে বিশ্ববাসীকে আহ্বানের এক নয়া ঠিকানাও।
যেমন ভাবা, যেমন কাজ। সঙ্গে সঙ্গে নিউটাউনের দায়িত্বে থাকা হিডকো কর্তৃপক্ষকে ডেকে বলেছিলেন, এই এলাকার জলাশয় এবং সবুজকে বজায় রেখে কীভাবে সুসংহত উন্নয়ন করা যায়, এখন থেকেই তার পরিকল্পনা শুরু করে দিন। আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে যাঁরা কাজ করেন তাঁরা খুব ভালো জানেন, শুভ কাজে দেরি মুখ্যমন্ত্রী মোটেই পছন্দ করেন না।
মুখ্যমন্ত্রীর সুসংহত উন্নয়নকে সামনে রেখে সেই জলাশয় ও সবুজের সমারোহই আজ বাঙালির অন্যতম গন্তব্যস্থল ‘প্রকৃতি-তীর্থে’ পরিণত হয়েছে। জলাশয়কে ঘিরে ৪৮০ একর জমির উপর গড়ে উঠেছে মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্নের এই ইকো ট্যুরিজম-পার্ক। আমাদের সবার পরিচিত ইকো পার্ক। ২০১২ সালের ২৯ ডিসেম্বর মুখ্যমন্ত্রীর হাতেই উদ্বোধন। ২০১৩’র ১ জানুয়ারি সাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হল সাধারণের জন্য। আর মাত্র চার বছরের মধ্যেই এক একদিনে এক লক্ষেরও বেশি দর্শক টেনে শহরের দ্রষ্টব্য-শিরোপা দখল করল মুখ্যমন্ত্রীর সাধের এই প্রকৃতি তীর্থ। শীতের রোদ গায়ে মেখে ময়দানের সবুজ গালিচা, চিড়িয়াখানায় বাবুর কেরামতি, মিউজিয়ামের হাড় জিরজিরে ডাইনোসর, বিড়লা তারামণ্ডলে অজানা আকাশের সন্ধান, সায়েন্স সিটি’তে রোপওয়ে চড়া হোক, বা নিক্কো পার্কের রাইড-বিহার—এতদিন এসবই ছিল বাঙালির ছুটির স্বাদ বদলের ঠিকানা। এবার স্বাদ বদলাচ্ছে বাঙালির। বিশেষ করে পার্কের চারিদিকে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা দেশি-বিদেশি বিভিন্ন খেলাই ছোট-বড় সকলের অন্যতম আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু করে তুলেছে প্রকৃতি-তীর্থকে। আকাশের ছাতা মাথায় দিয়ে, জলাশয়ের পাশে সবুজের মাঝে সকলকে একসঙ্গে নিয়ে একবেলার পিকনিক। কিংবা পুরানো বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করে আড্ডা। আর ‘আড্ডা’ যাঁদের রক্তে, সেই বাঙালির কাছে খুব দ্রুত জনপ্রিয়তার শিখরে পৌঁছে যেতে তাই খুব বেশি কাঠখড় পোড়াতে হয়নি পার্কটিকে। চার বছরের ম঩ধ্যেই ভিড়ের নয়া গন্তব্য হিসাবে সকলকে টপকে গিয়েছে প্রকৃতি-তীর্থ। মাত্র কয়েকদিনে বদলেছে চিত্রটা। বিস্ফোরণটা হয়েছে গত শীত থেকে। গত বড়দিনে ৮১ হাজার মানুষের সমাগম ঘটিয়ে সব হিসাব-নিকেশ উলটে দিয়েছে ইকো পার্ক। অবশ্য সেদিনও ৯১ হাজার মানুষে বাঙালির আদি-অনন্ত গন্তব্য চিড়িয়াখানা বুঝিয়ে দিয়েছিল, ‘আমাকে টপকানো অত সহজ হবে না’। আর এখানেই বোধহয় নিজে থেকেই কিছুটা চ্যালেঞ্জ নিয়ে নিয়েছিল প্রকৃতি-তীর্থ। মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যেই বছরের নতুন দিনে চিড়িয়াখানার সমস্ত রেকর্ড ধুয়ে-মুছে লক্ষাধিক ভিড় জমিয়ে নয়া ‘রেকর্ড’ স্থাপন করে এই পার্ক। কর্তৃপক্ষও হয়তো এতটা ভাবেনি। এমনই এক কর্তা বলছিলেন, চিড়িয়াখানার সঙ্গে তুলনা টানাটা বোধহয় ঠিক হবে না। কারণ চিড়িয়াখানার যে আকর্ষণ, তা কোনওদিনই মেটাতে পারবে না এই পার্ক। এখানকার টানটা অন্যরকম। তবে নয়া গন্তব্য হিসাবে বাঙালির মনে জায়গা করার যে উদ্দেশ্য আমাদের ছিল, তা পূরণ হয়ে গিয়েছে। জায়গার পরিসরে চিড়িয়াখানা ইকো-পার্কের তুলনায় অনেকটাই ছোট। তাই দু’য়ের মধ্যে ভিড় টানাটানিতে জয়লাভ করে নয়, বরং বাঙালিকে নতুন ‘ছুটির ঠিকানা’ দিতে পেরে খুশি রাজ্য সরকার। এবং স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীও। নীল জলাশয়ের পাশে সবুজের গালিচায় প্রকৃতি এখানে নিজেকে উজাড় করে দিয়েছে। এই প্রকৃতি-তীর্থ গড়ে উঠেছিল মূলত মানুষকে প্রকৃতি চেনানোর উদ্দেশ্য নিয়েই। ব্যাম্বু গার্ডেন, টি-গার্ডেন, ট্রপিকাল ট্রি গার্ডেন, রোজ গার্ডেন, হরিণালয়, বাটারফ্লাই গার্ডেন প্রমুখ বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যকে দর্শকদের সামনে তুলে ধরে দেশের ভূগোল দর্শনকে মানুষের সামনে নিয়ে আসা হয়েছিল। কথা হচ্ছিল প্রকল্পের দায়িত্বে থাকা হিডকোর চেয়ারম্যান দেবাশিস সেনের সঙ্গে। বলছিলেন, দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রাকৃতিক সমারোহকে মানুষের সামনে তুলে ধরাই ছিল আমাদের একমাত্র লক্ষ্য। আর তাই জোর দেওয়া হয়েছিল ভূগোল ভ্রমণেও। তা‌ই তো আপনি এখানে কাশ্মীরের ডাল লেকের হাউস-বোট পাবেন। আবার পাশেই দেখবেন জাপানিজ গার্ডেন। এই প্রকৃতি-তীর্থের বুকেই।
আর চার বছরের যাত্রাপথ অতিক্রম করে সবে পাঁচে পা দেওয়া ইকো-পার্ক এবার নিজের সংজ্ঞায় কিছু রদবদল আনতে চাইছে। ভূগোল দর্শন, ভ্রমণের সংমিশ্রণে প্রকৃতিকে সকলের সামনে আনাই ছিল এতদিনের স্বপ্ন। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর স্বপ্নের প্রকৃতি-তীর্থের দর্শন এবার বদল করতে চাইছেন। আর তাই শুধুমাত্র ভূগোল নয়, এবার ইতিহাসের হাত ধরে প্রকৃতি-তীর্থকেই ‘ইতিহাস-তীর্থে’ রূপান্তরিত করার স্বপ্ন। আর সেটাও স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীরই।
তাঁর নির্দেশেই ইকো-পার্কের এক ফালি জমিতে ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে সাত আশ্চর্য। বিভিন্ন দেশের ঐতিহাসিক সৌধের মধ্যে সাতটিকে বেছে নির্বাচিত করা হয় ‘আশ্চর্যে’র তালিকায়। সাধারণ বাঙালির সকলের বিপুল অর্থ খরচ করে বিশ্ব জুড়ে ছড়িয়ে থাকা এই সাত আশ্চর্য দেখার ক্ষমতা নেই বললেই চলে। তা বলে কি তাঁরা শুধুমাত্র টিভির পরদায় বা ছবিতেই এগুলিকে দেখে আনন্দ পাবেন? মুখ্যমন্ত্রীর উত্তর ছিল ‘না’। কিন্তু কীভাবে সেগুলিকে আপামর বাঙালির সামনে তুলে আনা সম্ভব? তা নিয়েও ঘোর অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছিল। কারণ বিভিন্ন সময়ে পুজোর ‘থিমে’ সপ্তম আশ্চর্যকে এনে দর্শকদের আকৃষ্ট করেছে বহু পুজো উদ্যোক্তাই। কিন্তু তা তো সাময়িক! পাকাপাকি তো আর নয়! তাহলে সম্ভব কীভাবে? তাই এই সাত আশ্চর্যের শুধুমাত্র ‘প্যান্ডেল’ বানিয়ে নয়, প্রতিটি সৌধের ‘রেপ্লিকা’র নিদর্শন তুলে এনে মানুষের মনে স্থায়ী জায়গা করে নিতে চাইছে পার্ক কর্তৃপক্ষ। দেবাশিস সেন নিজেই বলছিলেন, ইকো-পার্কে সাতটি আশ্চর্য এমনভাবেই তৈরি করা হচ্ছে, যাতে শুধুমাত্র দেখা নয়, তাকে রীতিমতো ‘অনুভব’ করতে পারবেন দর্শকরা।
পার্কের গেট পেরিয়ে হঠাৎ আবিষ্কার করতে পারেন, যেন পৌঁছে গিয়েছেন সেই সপ্তম শতাব্দীতে। চীনা সাম্রাজ্যকে ইউরেশিয়ার বিভিন্ন জনজাতির আক্রমণ থেকে বাঁচাতে তখন যে প্রাচীর তৈরি হয়েছিল, সেই গ্রেট ওয়াল অব চায়নার সামনে দাঁড়িয়ে আপনি। শুধু চোখের দেখা নয়, বাস্তবের মতো চীনের প্রাচীরে হেঁটে ঐতিহ্যের অংশীদার হওয়া যাবে এই এখানেই। এর উপর দাঁড়িয়েই দেখা যাবে মিশরের পিরামিড। স্ফিংস। এও তো এক আশ্চর্য! যিশুখ্রিস্টের জন্মেরও আড়াই হাজার বছর আগে কীভাবে ৫০০-৭০০ ফুট উচ্চতার এই সৌধ মানুষ তৈরি করেছিল! তাও আবার এক একটা পাথরের ওজন ছিল ৫ হাজার পাউন্ডের বেশি। এমন সব প্রশ্নের উত্তর মেলেনি। যাঁরা দক্ষিণ আমেরিকা বা মিশরে গিয়ে এই আশ্চর্যের মুখোমুখি হননি, তাঁরা এবার অভিনব অভিজ্ঞতার সাক্ষী হবেন ইকো পার্কেই। কৃত্রিম নীল নদ পেরিয়ে আমরা পৌঁছে যাব সেখানে। এর পাশাপাশি রোমের কলোসিয়াম বা অ্যাম্ফিথিয়েটার কিংবা জর্ডনের পেত্রা। অর্থাৎ সেই ‘হারানো শহর’। যাকে আজও ঘিরে রয়েছে বহু রহস্য। প্রতিটি সৌধর রীতিমতো ভিতরে ঢুকে সেগুলিকে দেখা, জানা এবং ‘অনুভব’ করার সুযোগ থাকছে সকলের কাছে। আর আমাদেরই নিজস্ব আগ্রার তাজমহল...। ইকো পার্কের সাত আশ্চর্য তৈরির কারিগত রূপচাঁদ কুণ্ডুর সাফ স্বীকারোক্তি, তাজমহল বানানোটাই সবথেকে কঠিন। প্রকৃতি-তীর্থে আসা দর্শকদের প্রায় প্রত্যেকেই কোনও না কোনও সময়ে তাজমহল ঘুরে দেখেছেন। তাই সেই তাজমহলকে রাজ্যবাসীর সামনে তুলে ধরা সত্যিই চ্যালেঞ্জের। বিশেষ করে আসল তাজমহলের খুঁটিনাটি ইকো-পার্কে যদি না ফুটিয়ে তোলা যায়, তাহলে তার গ্রহণযোগ্যতা থাকবে না। তবে, সাধারণ নির্মাণ শিল্পের সঙ্গে ইকো পার্কের এই কাজের কিছুটা পার্থক্য রয়েছে। নির্মাণকাজ যে বা যাঁরা করে থাকেন, তাঁরা যে সবসময়ই নিখুঁত হন, তেমনটা কিন্তু নয়। তাঁদের মৌলিক কাজ শেষ পর্যন্ত নতুন দিশা দেখায়। কিন্তু এখানে তাজমহল তৈরির ক্ষেত্রে সেরকম কাজ করলে চলবে না। সামগ্রিকভাবে আগ্রার তাজমহেলর পরিসরের থেকে ছোট হলেও, সৌধের চারদিকে থাকা স্তম্ভ, সামনের জলাশয়, বসার জায়গা, পাথরের কাজ প্রতিটি এমনভাবে তৈরি করতে হবে, যাতে এক ঝলকে একে দেখলে ‘আসল’ বলে ভাবতে বাধ্য হবেন সকল দর্শকই। প্রথম দর্শনে তুলনা আসবেই। তাই একে যাতে আসল তাজমহলেরই প্রতিচ্ছবি বলে মনে হয়, দর্শকরা যদি আগ্রার তাজমহল দেখার অনুভূতি ফিরে পান, তবেই শিল্পী তাঁর কাজের দাম পাবেন।
আর চোখ মেললেই দেখা যাবে ব্রাজিলের ক্রাইস্ট দ্য রিডিমার। রিও ডি জেনেইরোর সেই যিশুর মূর্তি। সেখান থেকে চিলির ইস্টার আইল্যান্ড। রূপচাঁদবাবু বলছিলেন, ছোটবেলা থেকেই একটা স্বপ্ন ছিল, গোটা বিশ্বের কাছে কলকাতা তার একটা নিজস্ব পরিচিতি তৈরি করুক। দেশ-বিদেশের বিভিন্ন দ্রষ্টব্যস্থানের মধ্যে কলকাতারও নাম উঠে আসুক। ইকো-পার্কের এই সপ্তম আশ্চর্য কলকাতাকে সেই স্বীকৃতি এনে দেবে... দেখবেন! এর মধ্যে কিন্তু তাজমহলের কাজই সবচেয়ে কঠিন। অনেক বেশি নিখুঁত। তাই সবার শেষে এই সৌধ নির্মাণ শুরু হয়েছে। বাঙালির নতুন বছরে আশা করছি, সবার জন্য এই অংশটা খুলে দেওয়া যাবে।
আর শুধু দর্শনের সুখ নয়, এদের সঙ্গে যে ইতিহাস জড়িয়ে রয়েছে, তাকেও জনমানসের সামনে তুলে ধরতে চাইছে পার্ক কর্তৃপক্ষ। দিল্লির লালকেল্লা, জয়পুরের আমের ফোর্ট সূর্যাস্তের পর যেমন আলো-আঁধারিতে নিজের ইতিহাস বলে, ঠিক তেমনভাবেই লাইট অ্যান্ড সাউন্ডের মাধ্যমে আপামর বাঙালি ইকো পার্কে বসে ইতিহাস দর্শন করবে। শুনবে। তাই সাত আশ্চর্য তৈরির কাজ সম্পূর্ণ হয়ে গেলে এর প্রতিটিতে আলাদা আলাদভাবে ব্যবস্থা থাকবে লাইট অ্যান্ড সাউন্ডের। অর্থাৎ চীনের প্রাচীরের উপর দিয়ে হেঁটে প্রতিটি পদে জানা যাবে এর ইতিহাস। ঐতিহ্য। এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকা সম্রাটের কাহিনি। শাহজাহান মুমতাজের জন্য কীভাবে এবং কেন তাজমহল গড়ে তুলেছিলেন, সেই ইতিহাসকে দেখা এবং শোনা যাবে এই বিশালাকৃতি রেপ্লিকায় প্রবেশ মাত্রই।
দেবাশিসবাবু বলছিলেন, মানুষ কিন্তু জন্মগতভাবে প্রকৃতি-প্রেমী। সেই কথা মাথায় রেখেই এই ইকো-পার্ক গড়ে তোলা হয়েছিল। কিন্তু প্রকৃতি অন্যতম আধার ইতিহাসেরও। তাই তো আজ এখানে স্থান পাচ্ছে ক্রাইস্ট দ্য রিডিমার, তাজমহল, কলোসিয়াম, চীনের প্রাচীর, ইস্টার আইল্যান্ড, পেত্রা জর্ডন, পিরামিড। পিরামিড, ইস্টার আইল্যান্ডের কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে। ক্রাইস্ট দ্য রিডিমার, চীনের প্রাচীর, কলোসিয়ামের কাজ চলতি মাসের মধ্যেই শেষ হয়ে যাবে। আর তারপর তাজমহল এবং পেত্রা জর্ডন। এর পরের পর্যায়ে ইকো পার্কে আইফেল টাওয়ার তৈরির কাজও শুরু হয়েছে। ভূগোল ও ইতিহাস মিলে যাবে এই ইকো পার্কের মাটিতে। সেই সঙ্গে মিশেল ঘটবে সংস্কৃতির।
সেই সব অঞ্চলের মানুষের বেশভূষা থেকে শুরু করে খাদ্যভাবনা... সবেরই নিদর্শন এই পার্কে উঠে আসবে। তার উপর আবার বাঙালি খাদ্যরসিকও বটে। তা‌ই পার্কে যে বিভিন্ন দেশ-বিদেশের নিদর্শন তুলে আনা হয়েছে, সেখানকার মানুষ যে ধরনের খাবার খেয়ে থাকেন বা পোশাক পরেন, তার নিদর্শন এখানে রাখার পরিকল্পনাও ইতিমধ্যে শুরু করা হয়েছে। যেমন জাপানিজ গার্ডেনে সেখানকার খাদ্য-ভাবনাকে রাখার পরিকল্পনা ইতিমধ্যে‌ই নেওয়া হয়েছে। রয়েছে ভবিষ্যতে চাইনিজ গার্ডেন গড়ার ভাবনাও। সেইমতো কাজও শুরু হয়ে গিয়েছে। পাশাপাশি আমাদের দেশের কাশ্মীর থেকে শুরু করে সাত সমুদ্র পেরিয়ে মিশর, পেরু, রোম, ব্রাজিল, চীনের পোশাকের নির্দশন এনে পার্কের মধ্যে নতুন কিছু করারও পরিকল্পনা রয়েছে। তবে এত কিছুর মাঝে পার্কের মূল আকর্ষণ প্রকৃতির সবুজ ও নীলের সমারোহকে ভুললে চলবে না! কারণ এই পার্কে প্রতিদিন বহু বিদেশি পর্যটকরাও এসে থাকেন। তাঁদের কাছে অবশ্য এখনও মূল আকর্ষণ পার্কের খোলামেলা সবুজের গালিচা, সুবিশাল জলাশয়। তাই নয়া সংজ্ঞার সন্ধানে বেরিয়েও আদি অকৃত্রিম প্রকৃতিই হবে ইকো পার্কের বিধাতা।
 ছবি: কুমার বসু
 গ্রাফিক্স: সোমনাথ পাল
 সহযোগিতায়: স্বাগত মুখোপাধ্যায় 
19th  March, 2017
আতশবাজির ইতিকথা
বারিদবরণ ঘোষ

আকাশের গায়ে বারুদের গন্ধটা কালীপুজোর মরশুমে খুব চেনা। তা সে কাঠকয়লার সঙ্গে সোরা মেশানো হলদে আলো হোক কিংবা বুড়িমার চকোলেট। আগ্নেয়াস্ত্র সরবরাহকারীদের হাত ধরে আতশবাজির সৃষ্টি। যা আজও আনন্দ দিয়ে চলেছে মানবমননকে। বিশদ

15th  October, 2017
বিজয়া স ম্মি ল নী 

‘মা’কে তাড়ানোর কোনও তাড়া যে তখন ছিল না! ছিল না মোবাইলে মজে শারদ মাধুর্যকেই উপেক্ষা করার বাতিক। রক্তের সম্পর্কের থেকে খুব কম যেতেন না পাড়ার দাদারা। সে যেন একটাই পরিবার। আর সেই পরিবারের সবে মিলে বিজয়া সম্মিলনী। কখনও মঞ্চে হাজির শ্যামলদা, কখনও বা মানবেন্দ্র। তাঁরাও যে কাছেরই মানুষ! নিছক ‘সাংসকিতিক সন্ধা’ নয়, বিসর্জনের বিষণ্ণতাকে সাক্ষী করে শারদ বাতাস যেন তখন বলত, শুভ বিজয়া। 
বিশদ

08th  October, 2017
সাত বাড়ি আর এক বারোয়ারি 

প্রফুল্ল রায়: তখনও দেশভাগ হয়নি। অখণ্ড বঙ্গের পূর্ব বাংলায় ঢাকা ডিস্ট্রিক্টের একটা বিশাল গ্রামে ছিল আমাদের আদি বাড়ি। প্রজন্মের পর প্রজন্ম আমরা সেখানে কাটিয়েছি। পদ্মা, মেঘনা, ধলেশ্বরী, কালাবদর, আড়িয়াল খাঁ এবং শত জলধারায় বহমান আরও নদ-নদী, খাল-বিল, শস্যক্ষেত্র। অজস্র পাখপাখালি, আম জাম হিজল আর সুপারি বনের সারি, সব মিলিয়ে পূর্ববাংলা ছিল এক আশ্চর্য স্বপ্নের দেশ।
বিশদ

24th  September, 2017
অকাল বোধন 

নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ি: ‘অকাল’ শব্দটির মধ্যে একটা অদ্ভুত এবং প্রায় বিপরীত ব্যঞ্জনা আছে। যেমন একটি কৈশোরগন্ধি যুবক ছেলেকে যদি বলি ‘অকালপক্ব’, তাহলে অবধারিতভাবে কথাটির মানে দাঁড়াবে যে, ছেলেটির যা বয়স এবং তদনুযায়ী যা তার বিদ্যাবুদ্ধি হওয়া উচিত কিংবা বয়স অনুযায়ী তার যা কথাবার্তার ধরন তৈরি হওয়া উচিত, তার চাইতে বেশি বয়সের বহু-অভিজ্ঞ মানুষের মতো সে কথা বলছে, বা তেমন ভাবসাব দেখাচ্ছে।
বিশদ

24th  September, 2017
বিশ্বকর্মা
সন্দীপন বিশ্বাস

তিনি দেবশিল্পী। দেবকুলের সকল কর্মের সাধক। রাবণের স্বর্ণলঙ্কা, শ্রীকৃষ্ণের দ্বারকাপুরী, কিংবা হস্তিনাপুর—তঁার শিল্পছেঁায়ায় সব স্থাপত্যই পৌরাণিক উপাখ্যানে অমরত্ব লাভ করেছে। কখনও তিনি তৈরি করছেন হরধনু, কখনও বজ্র। যার সাহায্যে দুষ্টের দমন করেছেন দেবগণ।
বিশদ

17th  September, 2017
শিকাগো বিজয় ১২৫
তাপস বসু

১২৫ বছর আগে এক তরুণ সন্ন্যাসী সীমিত ক্ষমতা নিয়ে পাড়ি দিয়েছিলেন সাগরপারে। শিকাগোর এক ধর্ম সম্মেলনে যদি পেশ করা যায় বৈদিক দর্শনের বিস্তারকে। শত বাধা পেরিয়ে মঞ্চে দঁাড়িয়ে আমেরিকার মানুষকে এক লহমায় করে ফেলেছিলেন ‘ভ্রাতা ও ভগিনী’। আজ ফিরে দেখা সেই স্বামী বিবেকানন্দকে। যঁার শিক্ষা আজও সমাজের ভিত্তিপ্রস্তর।
বিশদ

10th  September, 2017
 সেইসব শিক্ষক
কল্যাণ বসু

যখন আমরা ভাবি সব জেনে গিয়েছি, ঠিক সেই মুহূর্ত থেকে আমাদের শেখা বন্ধ হয়ে যায়... বলেছিলেন সর্বপল্লি রাধাকৃষ্ণণ। যাঁর জন্মদিন পালিত হয় শিক্ষক দিবস হিসাবে। স্বনামধন্য বহু ব্যক্তির শিক্ষকরাও যে ছিলেন এমনই! কেউ প্রচারের আলোয় এসেছেন, কেউ আসেননি। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর থেকে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। সবারই এমন মহান শিক্ষকদের সান্নিধ্য পাওয়ার সৌভাগ্য হয়েছিল।
বিশদ

03rd  September, 2017
দুশো বছরের বাংলা কাগজ

 দিগদর্শন, বাঙ্গাল গেজেট ও সমাচার দর্পণের লেখনিতে ভর করে যে যাত্রা শুরু হয়েছিল, তার দ্বিশতবর্ষ পূর্ণ হচ্ছে। বাংলা খবরের কাগজ কখনও হয়ে উঠেছে সাম্রাজ্যবাদী ব্রিটিশ শক্তিকে নাস্তানাবুদ করার হাতিয়ার, কখনও অন্তর্জলি যাত্রার মতো সামাজিক রোগের মারণ ওষুধ, আবার কখনও পরিবর্তনের ঝড়। গঙ্গাকিশোর ভট্টাচার্য, দাদাঠাকুরদের সাহসী কলমের সে ভার বহন করে এসেছেন সন্তোষকুমার ঘোষ, গৌরকিশোর ঘোষ এবং বরুণ সেনগুপ্তরা। ২০০ বছর পরও তাই বাংলা সংবাদপত্র একইরকম নবীন।
বিশদ

27th  August, 2017
ছাত্র রাজনীতির বিবর্তন
ডঃ পার্থ চট্টোপাধ্যায়

 ছাত্র রাজনীতির যাবতীয় ঐতিহ্য কি এখন তোলাবাজির অন্ধকারে? এ প্রশ্ন আজ সব মহলে। প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে, রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ গঠনের লক্ষ্যে যে সংসদ দিশা দেখায়, তা আজ ফিকে। জেভিয়ার্স মডেলে রাজ্য ছাত্র রাজনীতি সংস্কার করছে। তা কি সঠিক পদক্ষেপ? মত পক্ষে আছে, বিপক্ষেও।
বিশদ

20th  August, 2017
নির্বাচনের অবাধ সুযোগ প্রয়োজন

তরুণকান্তি নস্কর: রাজ্য সরকার সম্প্রতি নোটিস দিয়ে কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র ইউনিয়ন কেমন করে গঠিত হবে, তা জানিয়েছে। কী সেই আইন, যার বিরুদ্ধে এত বিতর্ক? প্রথমেই উল্লেখ করা দরকার, বর্তমান বছরের শুরুতে বিধানসভায় যে উচ্চশিক্ষা আইন পাশ হয়েছিল, তার ধারাবাহিকতায় এই নোটিস জারি হয়েছে। বিশদ

20th  August, 2017
 ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে কথা বলা দরকার

 সমীর পুততুণ্ড: ২০১১ সালে এরাজ্যে নতুন সরকার গঠনের পর থেকে শিক্ষায়তনে নতুন ধরনের গোলমালের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। প্রথমে নতুন সরকারের সমর্থক এবং বিরোধী ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে, পরবর্তী পর্যায়ে শাসক দল অনুগামীদের মধ্যেই গোলোযোগ শুরু হয়।
বিশদ

20th  August, 2017
একনজরে
সমৃদ্ধ দত্ত,নয়াদিল্লি, ২০ অক্টোবর: নোট বাতিল ও জিএসটি। এই দুটি ইস্যুই আগামী নির্বাচনে বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করছে বিজেপি ও সরকার। গুজরাত থেকে ...

সঞ্জয় গঙ্গোপাধ্যায়, কলকাতা: পাহাড়ে যে কোনও উন্নয়নমূলক কাজের শেষে ইউটিলাইজেশন সার্টিফিকেট (ইউসি) জমা দিতে বলা হল জিটিএ’কে। নবান্ন থেকে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, ...

বিএনএ, আরামবাগ: শুক্রবার গোঘাটের ভিকদাস এলাকায় একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে সিলিং ফ্যান মাথায় পড়ে গিয়ে এক কর্মী জখম হয়েছেন। সুনীল বাগ নামে ওই কর্মীকে আরামবাগ মহকুমা হাসপাতালে ভরতি করা হয়। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাত বাড়তেই বেড়েছিল শব্দবাজির দৌরাত্ম্য। সেই দাপটকে নিয়ন্ত্রণে এনে কলকাতা পুলিশ কালীপুজোর দিনেই গ্রেপ্তার করল ৩৬৯ জনকে। আটক করা হয়েছে ৭৬৩ কেজি ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

নিকটবন্ধু দ্বারা বিশ্বাসঘাতকতা। গুরুজনদের স্বাস্থ্যহানি। মামলা-মোকদ্দমায় পরিস্থিতি নিজের অনুকূলে থাকবে। দাম্পত্যজীবনে ভুল বোঝাবুঝিতে সমস্যা বৃদ্ধি।প্রতিকার: ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮০৫: ত্রাফালগারের যুদ্ধে ভাইস অ্যাডমিরাল লর্ড নেলসনের নেতৃত্বে ব্রিটিশ নৌবাহিনীর কাছে পরাজিত হয় নেপোলিয়ানের বাহিনী
১৮৩৩: ডিনামাইট ও নোবেল পুরস্কারের প্রবর্তক সুইডিশ আলফ্রেড নোবেলের জন্ম
১৮৫৪: ক্রিমিয়ার যুদ্ধে পাঠানো হয় ফ্লোরেন্স নাইটেঙ্গলের নেতৃত্বে ৩৮ জন নার্সের একটি দল
১৯৩১: অভিনেতা শাম্মি কাপুরের জন্ম
১৯৪০: আর্নেস্ট হেমিংওয়ের প্রথম উপন্যাস ফর হুম দ্য বেল টোলস-এর প্রথম সংস্করণ প্রকাশিত হয়
১৯৪৩: সিঙ্গাপুরে আজাদ হিন্দ ফৌজ গঠন করলেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু
১৯৬৭: ভিয়েতনামের যুদ্ধের প্রতিবাদে আমেরিকার ওয়াশিংটনে এক লক্ষ মানুষের বিক্ষোভ হয়
২০১২: পরিচালক ও প্রযোজক যশ চোপড়ার মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৪.২০ টাকা ৬৫.৮৮ টাকা
পাউন্ড ৮৩.৭৮ টাকা ৮৬.৬৩ টাকা
ইউরো ৭৫.৬০ টাকা ৭৮.২৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩০,১৩৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৮,৫৯০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৯,০২০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৯,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৯,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
20th  October, 2017

দিন পঞ্জিকা

৪ কার্তিক, ২১ অক্টোবর, শনিবার, দ্বিতীয়া রাত্রি ৩/১, নক্ষত্র-স্বাতী, সূ উ ৫/৩৯/১৭, অ ৫/৩/২৯, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/২৫ মধ্যে পুনঃ ৭/১০ গতে ৯/২৭ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৪ গতে ২/৪৬ মধ্যে পুনঃ ৩/৩২ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ঘ ১২/৩৮ গতে ২/১৮ মধ্যে, বারবেলা ঘ ৭/৫ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৭ গতে ২/১২ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৭ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ঘ ৬/৩৮ মধ্যে পুনঃ ৪/৬ গতে উদয়াবধি।
৪ কার্তিক, ২১ অক্টোবর, শনিবার, দ্বিতীয়া রাত্রি ১/৩০/৪৬, স্বাতীনক্ষত্র, সূ উ ৫/৩৯/৪, অ ৫/৩/১৫, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/২৪/৪১ মধ্যে ও ৭/১০/১৭-৯/২৭/৮ মধ্যে ও ১১/৪৩/৫৮-২/৪৬/২৫ মধ্যে ও ৩/৩২/১-৫/৩/১৫ মধ্যে। রাত্রি ঘ ১২/৩৬/৪৫-২/১৭/৩১ মধ্যে, বারবেলা ১২/৪৬/৪১-২/১২/১২, কালবেলা ৭/৪/৩৫ মধ্যে, ৩/৩৭/৪৩-৫/৩/১৫, কালরাত্রি ৬/৩৭/৪৪ মধ্যে, ৪/৩/৩-৫/৩৭/৩২ মধ্যে।
৩০ মহরম 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
উচ্চরক্তচাপের সমস্যা, হাসপাতালে উপ-রাষ্ট্রপতি 
উচ্চরক্তচাপ ও সুগারের সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে ভরতি হলেন ...বিশদ

20-10-2017 - 08:59:00 PM

প্রায় ৭০০টি ট্রেনের গতি বাড়তে চলেছে 

নভেম্বরে ভারতীয় রেল প্রায় ৭০০টি-র মতো দুরপাল্লার ট্রেনের গতি বাড়াতে ...বিশদ

20-10-2017 - 07:47:47 PM

নির্বাসন না তুললে অন্য দেশের হয়ে খেলার ইঙ্গিত দিলেন নির্বাসিত শ্রীসন্থ

20-10-2017 - 06:55:00 PM

 প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের দাদা পীযূষ মুখোপাধ্যায় প্রয়াত

20-10-2017 - 06:05:00 PM

প্রবল বৃষ্টি, সেচ দপ্তরে চালু কন্ট্রোল রুম

প্রবল বৃষ্টিতে নজর রাখতে সেচ দপ্তরে চালু কন্ট্রোল রুম। মনিটরিং ...বিশদ

20-10-2017 - 04:28:40 PM

কানপুরে প্ল্যাস্টিকের গোডাউনে আগুন, ঘটনাস্থলে দমকলের ৬টি ইঞ্জিন

20-10-2017 - 04:08:00 PM

দুপুরের পর থেকে আলিপুরদুয়ারে শুরু বৃষ্টি

20-10-2017 - 03:52:00 PM