প্রচ্ছদ নিবন্ধ
 

সাত আশ্চর্যের ইকো পার্ক 

রাহুল দত্ত: এ যেন শহরের বুকে এক টুকরো মুক্ত হাওয়ার বাগান। পোশাকী নাম যার ইকো পার্ক। শহরে বিনোদনের নতুন ঠিকানা। ইটকাঠের ভিড়ে নান্দনিক সৌন্দর্যে উদ্বেল এক মুঠো প্রজাপতির রঙিন ডানা। ছোটরা একবার ঢুকে পড়লে যেন হারিয়ে যাওয়ার নেই মানা। বড়রাও তো কম যান না। বুক ভরে নিঃশ্বাস টানলেই অনায়াসে শরীরে ঢুকে যায় মুঠো মুঠো আনন্দের অক্সিজেন। চারিদিকে সবুজ আর সবুজ। তার মধ্যে অজস্র ফুলের আলপনা। পায়ে চলার পথ, প্রজাপতির বাগান। বিশাল লেক। বোটিং। লেকের ধারে সন্ধ্যায় বসে গান, আলো আর ফোয়ারার ত্রিবেণীর সঙ্গমের আসর। যাকে বলে মিউজিক্যাল ফাউন্টেন। উফফ, যেন শেষই হয় না। বড়দিনের ছুটিতে পরিচিত কারও ফোন আসছে সকালে, ‘ছেলেটাকে ভাবছিলাম ইকো পার্ক নিয়ে যাব। আচ্ছা, কোন কোন বাস যায় বলতে পারেন?’ পথচলতি যে বাস চোখে পড়ে, তার সামনে হাত নেড়েই ছুটির জিজ্ঞাসা, ‘দাদা, ইকো পার্ক যাবেন?’ একদিন দল বেঁধে...। তা সে যে কোনও একটা ছুটির দিন হলেই হল। পার্ক থেকে বেরনোর সময় ছেলে মেয়েরা বাবা-মায়ের কাছে আদুরে গলায় বলে, আবার একদিন আসব। সত্যি এমনই তার চোরাটান। আর তা যেন দিন দিন বাড়ছে।
দিনটা ছিল ২০১১ সালের ১৯ জুলাই। ২০ মে নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ গ্রহণের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যাচ্ছিলেন বিমান ধরতে। ভিআইপি রোড এড়িয়ে নিউটাউনের রাস্তায় পাইলট কারের নেতৃত্বে মুখ্যমন্ত্রীর কনভয় ছুটছিল হাওয়ার গতিতে। আর্টিয়াল রোড ধরে যাওয়ার পথে আচমকাই মুখ্যমন্ত্রীর নজরে পড়ল একটি জলাশয়। সঙ্গে সঙ্গে নির্দেশ গেল গাড়িচালকের কাছে, ‘থামাও।’ নেমে পড়লেন মুখ্যমন্ত্রী। ঘুরে দেখলেন জলাশয়ের আশপাশ, আর তাকে ঘিরে থাকা সবুজের সমারোহ। এক ঝলক দেখেই মুখ্যমন্ত্রী বুঝেছিলেন, এটাই হতে পারে কলকাতার নয়া ‘ডেস্টিনেশন’। আবার অন্যদিক দিয়ে দেখলে ‘গেটওয়ে অব কলকাতা’ হিসাবে বিশ্ববাসীকে আহ্বানের এক নয়া ঠিকানাও।
যেমন ভাবা, যেমন কাজ। সঙ্গে সঙ্গে নিউটাউনের দায়িত্বে থাকা হিডকো কর্তৃপক্ষকে ডেকে বলেছিলেন, এই এলাকার জলাশয় এবং সবুজকে বজায় রেখে কীভাবে সুসংহত উন্নয়ন করা যায়, এখন থেকেই তার পরিকল্পনা শুরু করে দিন। আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে যাঁরা কাজ করেন তাঁরা খুব ভালো জানেন, শুভ কাজে দেরি মুখ্যমন্ত্রী মোটেই পছন্দ করেন না।
মুখ্যমন্ত্রীর সুসংহত উন্নয়নকে সামনে রেখে সেই জলাশয় ও সবুজের সমারোহই আজ বাঙালির অন্যতম গন্তব্যস্থল ‘প্রকৃতি-তীর্থে’ পরিণত হয়েছে। জলাশয়কে ঘিরে ৪৮০ একর জমির উপর গড়ে উঠেছে মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্নের এই ইকো ট্যুরিজম-পার্ক। আমাদের সবার পরিচিত ইকো পার্ক। ২০১২ সালের ২৯ ডিসেম্বর মুখ্যমন্ত্রীর হাতেই উদ্বোধন। ২০১৩’র ১ জানুয়ারি সাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হল সাধারণের জন্য। আর মাত্র চার বছরের মধ্যেই এক একদিনে এক লক্ষেরও বেশি দর্শক টেনে শহরের দ্রষ্টব্য-শিরোপা দখল করল মুখ্যমন্ত্রীর সাধের এই প্রকৃতি তীর্থ। শীতের রোদ গায়ে মেখে ময়দানের সবুজ গালিচা, চিড়িয়াখানায় বাবুর কেরামতি, মিউজিয়ামের হাড় জিরজিরে ডাইনোসর, বিড়লা তারামণ্ডলে অজানা আকাশের সন্ধান, সায়েন্স সিটি’তে রোপওয়ে চড়া হোক, বা নিক্কো পার্কের রাইড-বিহার—এতদিন এসবই ছিল বাঙালির ছুটির স্বাদ বদলের ঠিকানা। এবার স্বাদ বদলাচ্ছে বাঙালির। বিশেষ করে পার্কের চারিদিকে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা দেশি-বিদেশি বিভিন্ন খেলাই ছোট-বড় সকলের অন্যতম আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু করে তুলেছে প্রকৃতি-তীর্থকে। আকাশের ছাতা মাথায় দিয়ে, জলাশয়ের পাশে সবুজের মাঝে সকলকে একসঙ্গে নিয়ে একবেলার পিকনিক। কিংবা পুরানো বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করে আড্ডা। আর ‘আড্ডা’ যাঁদের রক্তে, সেই বাঙালির কাছে খুব দ্রুত জনপ্রিয়তার শিখরে পৌঁছে যেতে তাই খুব বেশি কাঠখড় পোড়াতে হয়নি পার্কটিকে। চার বছরের ম঩ধ্যেই ভিড়ের নয়া গন্তব্য হিসাবে সকলকে টপকে গিয়েছে প্রকৃতি-তীর্থ। মাত্র কয়েকদিনে বদলেছে চিত্রটা। বিস্ফোরণটা হয়েছে গত শীত থেকে। গত বড়দিনে ৮১ হাজার মানুষের সমাগম ঘটিয়ে সব হিসাব-নিকেশ উলটে দিয়েছে ইকো পার্ক। অবশ্য সেদিনও ৯১ হাজার মানুষে বাঙালির আদি-অনন্ত গন্তব্য চিড়িয়াখানা বুঝিয়ে দিয়েছিল, ‘আমাকে টপকানো অত সহজ হবে না’। আর এখানেই বোধহয় নিজে থেকেই কিছুটা চ্যালেঞ্জ নিয়ে নিয়েছিল প্রকৃতি-তীর্থ। মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যেই বছরের নতুন দিনে চিড়িয়াখানার সমস্ত রেকর্ড ধুয়ে-মুছে লক্ষাধিক ভিড় জমিয়ে নয়া ‘রেকর্ড’ স্থাপন করে এই পার্ক। কর্তৃপক্ষও হয়তো এতটা ভাবেনি। এমনই এক কর্তা বলছিলেন, চিড়িয়াখানার সঙ্গে তুলনা টানাটা বোধহয় ঠিক হবে না। কারণ চিড়িয়াখানার যে আকর্ষণ, তা কোনওদিনই মেটাতে পারবে না এই পার্ক। এখানকার টানটা অন্যরকম। তবে নয়া গন্তব্য হিসাবে বাঙালির মনে জায়গা করার যে উদ্দেশ্য আমাদের ছিল, তা পূরণ হয়ে গিয়েছে। জায়গার পরিসরে চিড়িয়াখানা ইকো-পার্কের তুলনায় অনেকটাই ছোট। তাই দু’য়ের মধ্যে ভিড় টানাটানিতে জয়লাভ করে নয়, বরং বাঙালিকে নতুন ‘ছুটির ঠিকানা’ দিতে পেরে খুশি রাজ্য সরকার। এবং স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীও। নীল জলাশয়ের পাশে সবুজের গালিচায় প্রকৃতি এখানে নিজেকে উজাড় করে দিয়েছে। এই প্রকৃতি-তীর্থ গড়ে উঠেছিল মূলত মানুষকে প্রকৃতি চেনানোর উদ্দেশ্য নিয়েই। ব্যাম্বু গার্ডেন, টি-গার্ডেন, ট্রপিকাল ট্রি গার্ডেন, রোজ গার্ডেন, হরিণালয়, বাটারফ্লাই গার্ডেন প্রমুখ বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যকে দর্শকদের সামনে তুলে ধরে দেশের ভূগোল দর্শনকে মানুষের সামনে নিয়ে আসা হয়েছিল। কথা হচ্ছিল প্রকল্পের দায়িত্বে থাকা হিডকোর চেয়ারম্যান দেবাশিস সেনের সঙ্গে। বলছিলেন, দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রাকৃতিক সমারোহকে মানুষের সামনে তুলে ধরাই ছিল আমাদের একমাত্র লক্ষ্য। আর তাই জোর দেওয়া হয়েছিল ভূগোল ভ্রমণেও। তা‌ই তো আপনি এখানে কাশ্মীরের ডাল লেকের হাউস-বোট পাবেন। আবার পাশেই দেখবেন জাপানিজ গার্ডেন। এই প্রকৃতি-তীর্থের বুকেই।
আর চার বছরের যাত্রাপথ অতিক্রম করে সবে পাঁচে পা দেওয়া ইকো-পার্ক এবার নিজের সংজ্ঞায় কিছু রদবদল আনতে চাইছে। ভূগোল দর্শন, ভ্রমণের সংমিশ্রণে প্রকৃতিকে সকলের সামনে আনাই ছিল এতদিনের স্বপ্ন। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর স্বপ্নের প্রকৃতি-তীর্থের দর্শন এবার বদল করতে চাইছেন। আর তাই শুধুমাত্র ভূগোল নয়, এবার ইতিহাসের হাত ধরে প্রকৃতি-তীর্থকেই ‘ইতিহাস-তীর্থে’ রূপান্তরিত করার স্বপ্ন। আর সেটাও স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীরই।
তাঁর নির্দেশেই ইকো-পার্কের এক ফালি জমিতে ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে সাত আশ্চর্য। বিভিন্ন দেশের ঐতিহাসিক সৌধের মধ্যে সাতটিকে বেছে নির্বাচিত করা হয় ‘আশ্চর্যে’র তালিকায়। সাধারণ বাঙালির সকলের বিপুল অর্থ খরচ করে বিশ্ব জুড়ে ছড়িয়ে থাকা এই সাত আশ্চর্য দেখার ক্ষমতা নেই বললেই চলে। তা বলে কি তাঁরা শুধুমাত্র টিভির পরদায় বা ছবিতেই এগুলিকে দেখে আনন্দ পাবেন? মুখ্যমন্ত্রীর উত্তর ছিল ‘না’। কিন্তু কীভাবে সেগুলিকে আপামর বাঙালির সামনে তুলে আনা সম্ভব? তা নিয়েও ঘোর অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছিল। কারণ বিভিন্ন সময়ে পুজোর ‘থিমে’ সপ্তম আশ্চর্যকে এনে দর্শকদের আকৃষ্ট করেছে বহু পুজো উদ্যোক্তাই। কিন্তু তা তো সাময়িক! পাকাপাকি তো আর নয়! তাহলে সম্ভব কীভাবে? তাই এই সাত আশ্চর্যের শুধুমাত্র ‘প্যান্ডেল’ বানিয়ে নয়, প্রতিটি সৌধের ‘রেপ্লিকা’র নিদর্শন তুলে এনে মানুষের মনে স্থায়ী জায়গা করে নিতে চাইছে পার্ক কর্তৃপক্ষ। দেবাশিস সেন নিজেই বলছিলেন, ইকো-পার্কে সাতটি আশ্চর্য এমনভাবেই তৈরি করা হচ্ছে, যাতে শুধুমাত্র দেখা নয়, তাকে রীতিমতো ‘অনুভব’ করতে পারবেন দর্শকরা।
পার্কের গেট পেরিয়ে হঠাৎ আবিষ্কার করতে পারেন, যেন পৌঁছে গিয়েছেন সেই সপ্তম শতাব্দীতে। চীনা সাম্রাজ্যকে ইউরেশিয়ার বিভিন্ন জনজাতির আক্রমণ থেকে বাঁচাতে তখন যে প্রাচীর তৈরি হয়েছিল, সেই গ্রেট ওয়াল অব চায়নার সামনে দাঁড়িয়ে আপনি। শুধু চোখের দেখা নয়, বাস্তবের মতো চীনের প্রাচীরে হেঁটে ঐতিহ্যের অংশীদার হওয়া যাবে এই এখানেই। এর উপর দাঁড়িয়েই দেখা যাবে মিশরের পিরামিড। স্ফিংস। এও তো এক আশ্চর্য! যিশুখ্রিস্টের জন্মেরও আড়াই হাজার বছর আগে কীভাবে ৫০০-৭০০ ফুট উচ্চতার এই সৌধ মানুষ তৈরি করেছিল! তাও আবার এক একটা পাথরের ওজন ছিল ৫ হাজার পাউন্ডের বেশি। এমন সব প্রশ্নের উত্তর মেলেনি। যাঁরা দক্ষিণ আমেরিকা বা মিশরে গিয়ে এই আশ্চর্যের মুখোমুখি হননি, তাঁরা এবার অভিনব অভিজ্ঞতার সাক্ষী হবেন ইকো পার্কেই। কৃত্রিম নীল নদ পেরিয়ে আমরা পৌঁছে যাব সেখানে। এর পাশাপাশি রোমের কলোসিয়াম বা অ্যাম্ফিথিয়েটার কিংবা জর্ডনের পেত্রা। অর্থাৎ সেই ‘হারানো শহর’। যাকে আজও ঘিরে রয়েছে বহু রহস্য। প্রতিটি সৌধর রীতিমতো ভিতরে ঢুকে সেগুলিকে দেখা, জানা এবং ‘অনুভব’ করার সুযোগ থাকছে সকলের কাছে। আর আমাদেরই নিজস্ব আগ্রার তাজমহল...। ইকো পার্কের সাত আশ্চর্য তৈরির কারিগত রূপচাঁদ কুণ্ডুর সাফ স্বীকারোক্তি, তাজমহল বানানোটাই সবথেকে কঠিন। প্রকৃতি-তীর্থে আসা দর্শকদের প্রায় প্রত্যেকেই কোনও না কোনও সময়ে তাজমহল ঘুরে দেখেছেন। তাই সেই তাজমহলকে রাজ্যবাসীর সামনে তুলে ধরা সত্যিই চ্যালেঞ্জের। বিশেষ করে আসল তাজমহলের খুঁটিনাটি ইকো-পার্কে যদি না ফুটিয়ে তোলা যায়, তাহলে তার গ্রহণযোগ্যতা থাকবে না। তবে, সাধারণ নির্মাণ শিল্পের সঙ্গে ইকো পার্কের এই কাজের কিছুটা পার্থক্য রয়েছে। নির্মাণকাজ যে বা যাঁরা করে থাকেন, তাঁরা যে সবসময়ই নিখুঁত হন, তেমনটা কিন্তু নয়। তাঁদের মৌলিক কাজ শেষ পর্যন্ত নতুন দিশা দেখায়। কিন্তু এখানে তাজমহল তৈরির ক্ষেত্রে সেরকম কাজ করলে চলবে না। সামগ্রিকভাবে আগ্রার তাজমহেলর পরিসরের থেকে ছোট হলেও, সৌধের চারদিকে থাকা স্তম্ভ, সামনের জলাশয়, বসার জায়গা, পাথরের কাজ প্রতিটি এমনভাবে তৈরি করতে হবে, যাতে এক ঝলকে একে দেখলে ‘আসল’ বলে ভাবতে বাধ্য হবেন সকল দর্শকই। প্রথম দর্শনে তুলনা আসবেই। তাই একে যাতে আসল তাজমহলেরই প্রতিচ্ছবি বলে মনে হয়, দর্শকরা যদি আগ্রার তাজমহল দেখার অনুভূতি ফিরে পান, তবেই শিল্পী তাঁর কাজের দাম পাবেন।
আর চোখ মেললেই দেখা যাবে ব্রাজিলের ক্রাইস্ট দ্য রিডিমার। রিও ডি জেনেইরোর সেই যিশুর মূর্তি। সেখান থেকে চিলির ইস্টার আইল্যান্ড। রূপচাঁদবাবু বলছিলেন, ছোটবেলা থেকেই একটা স্বপ্ন ছিল, গোটা বিশ্বের কাছে কলকাতা তার একটা নিজস্ব পরিচিতি তৈরি করুক। দেশ-বিদেশের বিভিন্ন দ্রষ্টব্যস্থানের মধ্যে কলকাতারও নাম উঠে আসুক। ইকো-পার্কের এই সপ্তম আশ্চর্য কলকাতাকে সেই স্বীকৃতি এনে দেবে... দেখবেন! এর মধ্যে কিন্তু তাজমহলের কাজই সবচেয়ে কঠিন। অনেক বেশি নিখুঁত। তাই সবার শেষে এই সৌধ নির্মাণ শুরু হয়েছে। বাঙালির নতুন বছরে আশা করছি, সবার জন্য এই অংশটা খুলে দেওয়া যাবে।
আর শুধু দর্শনের সুখ নয়, এদের সঙ্গে যে ইতিহাস জড়িয়ে রয়েছে, তাকেও জনমানসের সামনে তুলে ধরতে চাইছে পার্ক কর্তৃপক্ষ। দিল্লির লালকেল্লা, জয়পুরের আমের ফোর্ট সূর্যাস্তের পর যেমন আলো-আঁধারিতে নিজের ইতিহাস বলে, ঠিক তেমনভাবেই লাইট অ্যান্ড সাউন্ডের মাধ্যমে আপামর বাঙালি ইকো পার্কে বসে ইতিহাস দর্শন করবে। শুনবে। তাই সাত আশ্চর্য তৈরির কাজ সম্পূর্ণ হয়ে গেলে এর প্রতিটিতে আলাদা আলাদভাবে ব্যবস্থা থাকবে লাইট অ্যান্ড সাউন্ডের। অর্থাৎ চীনের প্রাচীরের উপর দিয়ে হেঁটে প্রতিটি পদে জানা যাবে এর ইতিহাস। ঐতিহ্য। এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকা সম্রাটের কাহিনি। শাহজাহান মুমতাজের জন্য কীভাবে এবং কেন তাজমহল গড়ে তুলেছিলেন, সেই ইতিহাসকে দেখা এবং শোনা যাবে এই বিশালাকৃতি রেপ্লিকায় প্রবেশ মাত্রই।
দেবাশিসবাবু বলছিলেন, মানুষ কিন্তু জন্মগতভাবে প্রকৃতি-প্রেমী। সেই কথা মাথায় রেখেই এই ইকো-পার্ক গড়ে তোলা হয়েছিল। কিন্তু প্রকৃতি অন্যতম আধার ইতিহাসেরও। তাই তো আজ এখানে স্থান পাচ্ছে ক্রাইস্ট দ্য রিডিমার, তাজমহল, কলোসিয়াম, চীনের প্রাচীর, ইস্টার আইল্যান্ড, পেত্রা জর্ডন, পিরামিড। পিরামিড, ইস্টার আইল্যান্ডের কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে। ক্রাইস্ট দ্য রিডিমার, চীনের প্রাচীর, কলোসিয়ামের কাজ চলতি মাসের মধ্যেই শেষ হয়ে যাবে। আর তারপর তাজমহল এবং পেত্রা জর্ডন। এর পরের পর্যায়ে ইকো পার্কে আইফেল টাওয়ার তৈরির কাজও শুরু হয়েছে। ভূগোল ও ইতিহাস মিলে যাবে এই ইকো পার্কের মাটিতে। সেই সঙ্গে মিশেল ঘটবে সংস্কৃতির।
সেই সব অঞ্চলের মানুষের বেশভূষা থেকে শুরু করে খাদ্যভাবনা... সবেরই নিদর্শন এই পার্কে উঠে আসবে। তার উপর আবার বাঙালি খাদ্যরসিকও বটে। তা‌ই পার্কে যে বিভিন্ন দেশ-বিদেশের নিদর্শন তুলে আনা হয়েছে, সেখানকার মানুষ যে ধরনের খাবার খেয়ে থাকেন বা পোশাক পরেন, তার নিদর্শন এখানে রাখার পরিকল্পনাও ইতিমধ্যে শুরু করা হয়েছে। যেমন জাপানিজ গার্ডেনে সেখানকার খাদ্য-ভাবনাকে রাখার পরিকল্পনা ইতিমধ্যে‌ই নেওয়া হয়েছে। রয়েছে ভবিষ্যতে চাইনিজ গার্ডেন গড়ার ভাবনাও। সেইমতো কাজও শুরু হয়ে গিয়েছে। পাশাপাশি আমাদের দেশের কাশ্মীর থেকে শুরু করে সাত সমুদ্র পেরিয়ে মিশর, পেরু, রোম, ব্রাজিল, চীনের পোশাকের নির্দশন এনে পার্কের মধ্যে নতুন কিছু করারও পরিকল্পনা রয়েছে। তবে এত কিছুর মাঝে পার্কের মূল আকর্ষণ প্রকৃতির সবুজ ও নীলের সমারোহকে ভুললে চলবে না! কারণ এই পার্কে প্রতিদিন বহু বিদেশি পর্যটকরাও এসে থাকেন। তাঁদের কাছে অবশ্য এখনও মূল আকর্ষণ পার্কের খোলামেলা সবুজের গালিচা, সুবিশাল জলাশয়। তাই নয়া সংজ্ঞার সন্ধানে বেরিয়েও আদি অকৃত্রিম প্রকৃতিই হবে ইকো পার্কের বিধাতা।
 ছবি: কুমার বসু
 গ্রাফিক্স: সোমনাথ পাল
 সহযোগিতায়: স্বাগত মুখোপাধ্যায় 
19th  March, 2017
ছাত্র রাজনীতির বিবর্তন
ডঃ পার্থ চট্টোপাধ্যায়

 ছাত্র রাজনীতির যাবতীয় ঐতিহ্য কি এখন তোলাবাজির অন্ধকারে? এ প্রশ্ন আজ সব মহলে। প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে, রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ গঠনের লক্ষ্যে যে সংসদ দিশা দেখায়, তা আজ ফিকে। জেভিয়ার্স মডেলে রাজ্য ছাত্র রাজনীতি সংস্কার করছে। তা কি সঠিক পদক্ষেপ? মত পক্ষে আছে, বিপক্ষেও।
বিশদ

20th  August, 2017
নির্বাচনের অবাধ সুযোগ প্রয়োজন

তরুণকান্তি নস্কর: রাজ্য সরকার সম্প্রতি নোটিস দিয়ে কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র ইউনিয়ন কেমন করে গঠিত হবে, তা জানিয়েছে। কী সেই আইন, যার বিরুদ্ধে এত বিতর্ক? প্রথমেই উল্লেখ করা দরকার, বর্তমান বছরের শুরুতে বিধানসভায় যে উচ্চশিক্ষা আইন পাশ হয়েছিল, তার ধারাবাহিকতায় এই নোটিস জারি হয়েছে। বিশদ

20th  August, 2017
 ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে কথা বলা দরকার

 সমীর পুততুণ্ড: ২০১১ সালে এরাজ্যে নতুন সরকার গঠনের পর থেকে শিক্ষায়তনে নতুন ধরনের গোলমালের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। প্রথমে নতুন সরকারের সমর্থক এবং বিরোধী ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে, পরবর্তী পর্যায়ে শাসক দল অনুগামীদের মধ্যেই গোলোযোগ শুরু হয়।
বিশদ

20th  August, 2017
 আলোচনা কিন্তু প্রয়োজন ছিল

 শুভঙ্কর সরকার: ‘দ্বার বন্ধ করে ভ্রমটারে রুখি/ সত্য বলে আমি তবে কোন পথে ঢুকি’... কলেজে ছাত্রছাত্রীদের রাজনৈতিক লড়াই রুখতে ছাত্র সংসদের অবসান ঘটানোর যে যুক্তি দেওয়া হচ্ছে, তাতে আমার এই কথাটাই মনে পড়ল।
বিশদ

20th  August, 2017
বন্দেমাতরম 
রজত চক্রবর্তী

জাতীয় পতাকাটা আজও হাতে ধরে হেঁটে চলেছেন মাতঙ্গিনী হাজরা। উচ্চশির। প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার, প্রফুল্লনলিনী ব্রহ্ম, কল্পনা দত্ত... নারীশক্তির এক অদম্য জাগরণ দেখেছিল পরাধীন ভারত। মায়েরা, বোনেরা পথে নেমে-না নেমে অংশ নিয়েছিলেন বিপ্লবে। তবু এমনই দুই সংগ্রামী শান্তি ঘোষ, সুনীতি চৌধুরির জন্মশতবর্ষ চলে গেল নীরবে...।
বিশদ

13th  August, 2017
 কৃপণ সমাচার!

 কৃপণ কত প্রকার ও কী কী? এমন রচনা ছেলেবেলায় লিখতে না হলেও এ ব্যাপারে জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতার ঝুলি প্রায় সবারই পূর্ণ। কেউ কেউ আবার কৃপণ শব্দটির বদলে হিসাবি বা মিতব্যয়ী ব্যবহার করতে বেশি পছন্দ করেন। যদিও তাতে কৃপণদের নিয়ে সমাচারে কোনও দিন, কোনও যুগেই ঘাটতি হয় না।
বিশদ

06th  August, 2017
আলিপুর জেলের অন্তরালে

 আলিপুর সেন্ট্রাল জেল। কানাইলাল দত্ত, সত্যেন বসু, দীনেশ গুপ্ত... একের পর এক বিপ্লবীকে ফাঁসির দড়ি বরণ করতে হয়েছে এখানে। শত অত্যাচার সত্ত্বেও যেখানে ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে একজোট হয়েছেন লৌহকপাটের আড়ালে থাকা বিপ্লবীরা। ভয় না ধরিয়ে সঙ্গীর মৃত্যু সাহস জুগিয়েছে তঁাদের। সেলুলার জেল হেরিটেজের মর্যাদা পেলেও আলিপুর পায়নি। সেখানে আজও কুঠুরির কোণায় কোণায় শোনা যাবে বিপ্লবের বজ্রনির্ঘোষ।
বিশদ

30th  July, 2017
 অমরনাথের পথে-প্রান্তরে

 দুর্গম অতিক্রম করে, জঙ্গি হামলা-মৃত্যুভয়কে তুচ্ছ করে এগিয়ে চলা একবার দর্শনের আশায়। বালতাল হোক বা পহেলগাঁও, যাত্রাপথ যাই হোক না কেন, প্রকৃতি সেখানেই অপার সৌন্দর্য উজাড় করে রেখেছে। বিন্দু বিন্দু জল জমে আকার নিয়েছে শিবলিঙ্গের। আর তাকে ঘিরেই সম্প্রীতির এক অদ্ভূত মিলন উৎসব। সে যে অমরনাথ। বিশদ

23rd  July, 2017
খবর শেষ

 আকাশবাণী... খবর পড়ছি...। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আমল থেকে শুরু হওয়ার পর বঙ্গজীবনের অঙ্গ হিসাবে জড়িয়ে যাওয়া সেই অভ্যাস হাতছাড়া হয়েছে বহুযুগ আগেই। টিভি, ইন্টারনেট, ফেসবুকের জমানায় যা আজ প্রায় গতজন্মের স্মৃতি বলে মনে হয়। কিন্তু একটা সময় এই তো ছিল বাইরের জানালায় চোখ রাখার জন্য মানুষের একমাত্র দূরবীন! সেই ইভা নাগ, নীলিমা সান্যাল, দেবদুলাল বন্দ্যোপাধ্যায়, ব্রেকডাউন, ভুল খবর...। সে এখন নস্টালজিয়া। আজ দিল্লির বেতার খবর যে সত্যিই শেষ!
বিশদ

16th  July, 2017
 বৃষ্টিভেজা

 গ্রীষ্মকালীন এই বঙ্গে বর্ষার আগমন যেন ঘাম দিয়ে জ্বর ছাড়ার মতো। আকাশকে মুখ ভার করে ঝরে পড়তে দেখলেই মন আনচান করে খিচুড়ি, ইলিশ মাছের জন্য। ঘণ্টাখানেকের বর্ষণে তিলোত্তমা এক হাঁটু জল উপহার দিলেও তা ঠেলে বাড়ি ফেরাই আলাদা আনন্দ। আর গুনগুন করে ওঠা বিশ্বকবির সৃষ্টি। মনে পড়ে যাওয়া অপু-দুর্গার বৃষ্টি ভেজা। কিংবা স্কুলের সেই রেনি ডে। এ ঋতু তাই যে আলাদা আলাদা অনুভূতির এক সম্পৃক্ত দ্রবণ। বিশদ

09th  July, 2017
চিকিৎসা রঙ্গ 

কল্যাণ বসু: ‘পাসকরা ডাক্তার নই, কিন্তু তাতে কি? বাড়ি বসিয়া বই পড়িয়া কি আর ডাক্তারী শেখা যায় না? আজ সাত আট বছর তো ডাক্তারী করিতেছি, অভিজ্ঞতা বলিয়া একটা জিনিসও তো আছে! পাসকরা ডাক্তারের হাতে কি আর রোগী মরে না?’ এইটুকু পড়ে কী মালুম হচ্ছে?
বিশদ

02nd  July, 2017



একনজরে
 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মিষ্টির উপর পাঁচ শতাংশ হারে জিএসটি চালু করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। এর প্রতিবাদে আজ সোমবার রাজ্যজুড়ে মিষ্টির দোকানগুলিতে ধর্মঘট ডাকল পশ্চিমবঙ্গ মিষ্টান্ন ব্যবসায়ী সমিতি। ...

 নয়াদিল্লি, ২০ আগস্ট (পিটিআই): ৭৩তম জন্মদিনে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীকে স্মরণ করল গোটা দেশ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ট্যুইটারে লিখলেন, ‘ জন্মদিনে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীকে ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: প্রকল্পটি চালু হয়েছিল ২০০৯ সালে। কিন্তু তার আট বছর পরও নাকি রাজ্যের শিক্ষকদের একটা বড় অংশ রাষ্ট্রীয় মাধ্যমিক শিক্ষা অভিযান (আরএমএসএ) নামে ওই কেন্দ্রীয় প্রকল্পের ব্যাপারে সেভাবে ওয়াকিবহাল নন। এমনটাই ধারণা শিক্ষা দপ্তরের। তাই এবার এই প্রকল্পের ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: উত্তরবঙ্গের মালদহ, বালুরঘাট, রায়গঞ্জ, কালিয়াগঞ্জ, ইটাহার, কুশমুন্ডি, বাউল, পতিরাম, গঙ্গারামপুর সহ বিভিন্ন অঞ্চলে ভারত সেবাশ্রম সংঘ সম্প্রতি বন্যাদুর্গতদের ত্রাণের কাজ শুরু করেছে। রোজই সংঘের পক্ষ থেকে দুর্গতদের রান্না করা খাবার বিলি করা হচ্ছে। ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার্থীদের ক্ষেত্রে ভাবনা-চিন্তা করে বিষয় নির্বাচন করলে ভালো হবে। প্রেম-প্রণয়ে বাধাবিঘ্ন থাকবে। কারও সঙ্গে মতবিরোধ ... বিশদ



ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৭৮- ভিনু মানকড়ের মৃত্যু
১৯৮৬- উসেইন বোল্টের জন্ম
১৯৯৫- সুব্রহ্মণ্যম চন্দ্রশেখরের মৃত্যু
২০০৬- ওস্তাদ বিসমিল্লা খানের মৃত্যু
১৯৭২- বন সংরক্ষণ আইন চালু


ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৩৫ টাকা ৬৫.০৩ টাকা
পাউন্ড ৮১.২৫ টাকা ৮৪.২১ টাকা
ইউরো ৭৩.৯৬ টাকা ৭৬.৫৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
19th  August, 2017
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) 29465
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) 27955
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) 28375
রূপার বাট (প্রতি কেজি) 39100
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) 39200
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
20th  August, 2017

দিন পঞ্জিকা

৪ ভাদ্র, ২১ আগস্ট, সোমবার, অমাবস্যা রাত্রি ১২/০, অশ্লেষানক্ষত্র দিবা ৩/৫১, সূ উ ৫/১৯/১৪, অ ৬/০/২৬, অমৃতযোগ দিবা ৭/০ পুনঃ ১০/২৩-১২/৫৬ রাত্রি ৬/৪৫-৯/১ পুনঃ ১১/১৭-২/১৮, বারবেলা ৬/৫৪-৮/২৯ পুনঃ ২/৫১-৪/২৬, কালরাত্রি ১০/১৫-১১/৪০। পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ (ভারতে অদৃশ্য)
৪ ভাদ্র, ২১ আগস্ট, সোমবার, অমাবস্যা রাত্রি ১২/৮/৯, অশ্লেষানক্ষত্র অপরাহ্ণ ৪/৫৪/৪০, সূ উ ৫/১৬/৪৮, অ ৬/২/২৪, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৮/৫৩, ১০/২৩/২-১২/৫৬/১০ রাত্রি ৬/৪৭/২২-৯/২/২০, ১১/১৭/১৭-২/১৭/১২, বারবেলা ২/৫১/০-৪/২৬/৪২, কালবেলা ৬/৫২/৩০-৮/২৮/১২, কালরাত্রি ১০/১৫/১৮-১১/৩৯/৩৬। পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ (ভারতে অদৃশ্য)
২৮ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
বন্যায় ৭ লক্ষ হেষ্টর চাষের জমি ক্ষতিগ্রস্থ: কৃষিমন্ত্রী

 বন্যায়য় উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গ মিলিয়ে ৭ লক্ষ হেক্টর চাষের জমি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। যার মধ্যেো ৪ লক্ষ জমি উত্তরের। কৃষিতে প্রাথমিক হিসেবে মোট ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৮০০ কোটি টাকা। যার মধ্যে উত্তরে ৫৩৪ কোটি ৫১ লক্ষ টাকাো জানালেন কৃষি মন্ত্রী পূর্ণেন্দু বসু।

05:24:00 PM

 তামিলনাড়ুর উপ মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ পনিরসেলভামের

 এআএিডিএমকে-র দুই শিবিরের সংযুক্তিকরণের পর তামিলনাড়ুর উপ মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিলেন পনিরসেলভাম

04:49:00 PM

বন্যার জন্য কেন্দ্রে কাছে উপযুক্ত প্যাকেজ চাইব: মমতা

কেন্দ্রের কাছে উপযুক্ত প্যাকেজের দাবি করতে চলেছে বলে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান গোটা রাজ্যে এবছর বন্যায় ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে ১৪ হাজার কোটি টাকা। কেবলমাত্র উত্তরবঙ্গেই মৃত্যু হয়েছে ৪৫ জনের। আর গোটা রাজ্যে ১৫২জনের। রাজ্যে ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের সংখ্যা দেড় কোটি ছাড়িয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, ত্রাণ নিয়ে কোনও সমস্যা নেই। পর্যাপ্ত পরিমাণে রয়েছে। তাই যতটা প্রয়োজন ততটাই ত্রাণ মিলবে। মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, অনেক সড়ক থেকেই জল নামতে শুরু করেছে, তাই যে সমস্ত সড়ক থেকে জল নেমে যাবে, সেখান দিয়েই ধীরে ধীরে ট্রাক পাঠানো হবে। কারণ অনেক ট্রাক পচনশীল দ্রব্য নিয়ে আটকে রয়েছে। পাশাপাশি এই বন্যার নামে যে সমস্ত অসাধু ব্যবসায়ী দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি করতে চেষ্টা করছেন তাদের বিরুদ্ধেও নজরদারি চালানো হবে বলে তিনি নির্দেশ দিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, জল নামলেই  বন্যা সংক্রান্ত রোগব্যাধির প্রতিষেধক এবং পানীয় জলের পথগুলিকে পরিশ্রুত করার ব্যবস্থাও নেওয়া হচ্ছে।

04:47:00 PM

সিলেবাস কমিটির প্রস্তাবে সিলমোহর রাজ্য সরকারের, সব ক্লাসে পড়তে হবে কন্যাশ্রী স্বীকৃতি, আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে প্রথম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পাঠ্যক্রমে কন্যাশ্রী

04:12:00 PM

বন্যায় দেড় কোটি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত: মুখ্যমন্ত্রী

04:10:07 PM

রাজ্যে যথেষ্ট পরিমানে ত্রান সামগ্রী মজুত রয়েছে: মুখ্যমন্ত্রী

04:10:06 PM