প্রচ্ছদ নিবন্ধ
 

সাত আশ্চর্যের ইকো পার্ক 

রাহুল দত্ত: এ যেন শহরের বুকে এক টুকরো মুক্ত হাওয়ার বাগান। পোশাকী নাম যার ইকো পার্ক। শহরে বিনোদনের নতুন ঠিকানা। ইটকাঠের ভিড়ে নান্দনিক সৌন্দর্যে উদ্বেল এক মুঠো প্রজাপতির রঙিন ডানা। ছোটরা একবার ঢুকে পড়লে যেন হারিয়ে যাওয়ার নেই মানা। বড়রাও তো কম যান না। বুক ভরে নিঃশ্বাস টানলেই অনায়াসে শরীরে ঢুকে যায় মুঠো মুঠো আনন্দের অক্সিজেন। চারিদিকে সবুজ আর সবুজ। তার মধ্যে অজস্র ফুলের আলপনা। পায়ে চলার পথ, প্রজাপতির বাগান। বিশাল লেক। বোটিং। লেকের ধারে সন্ধ্যায় বসে গান, আলো আর ফোয়ারার ত্রিবেণীর সঙ্গমের আসর। যাকে বলে মিউজিক্যাল ফাউন্টেন। উফফ, যেন শেষই হয় না। বড়দিনের ছুটিতে পরিচিত কারও ফোন আসছে সকালে, ‘ছেলেটাকে ভাবছিলাম ইকো পার্ক নিয়ে যাব। আচ্ছা, কোন কোন বাস যায় বলতে পারেন?’ পথচলতি যে বাস চোখে পড়ে, তার সামনে হাত নেড়েই ছুটির জিজ্ঞাসা, ‘দাদা, ইকো পার্ক যাবেন?’ একদিন দল বেঁধে...। তা সে যে কোনও একটা ছুটির দিন হলেই হল। পার্ক থেকে বেরনোর সময় ছেলে মেয়েরা বাবা-মায়ের কাছে আদুরে গলায় বলে, আবার একদিন আসব। সত্যি এমনই তার চোরাটান। আর তা যেন দিন দিন বাড়ছে।
দিনটা ছিল ২০১১ সালের ১৯ জুলাই। ২০ মে নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ গ্রহণের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যাচ্ছিলেন বিমান ধরতে। ভিআইপি রোড এড়িয়ে নিউটাউনের রাস্তায় পাইলট কারের নেতৃত্বে মুখ্যমন্ত্রীর কনভয় ছুটছিল হাওয়ার গতিতে। আর্টিয়াল রোড ধরে যাওয়ার পথে আচমকাই মুখ্যমন্ত্রীর নজরে পড়ল একটি জলাশয়। সঙ্গে সঙ্গে নির্দেশ গেল গাড়িচালকের কাছে, ‘থামাও।’ নেমে পড়লেন মুখ্যমন্ত্রী। ঘুরে দেখলেন জলাশয়ের আশপাশ, আর তাকে ঘিরে থাকা সবুজের সমারোহ। এক ঝলক দেখেই মুখ্যমন্ত্রী বুঝেছিলেন, এটাই হতে পারে কলকাতার নয়া ‘ডেস্টিনেশন’। আবার অন্যদিক দিয়ে দেখলে ‘গেটওয়ে অব কলকাতা’ হিসাবে বিশ্ববাসীকে আহ্বানের এক নয়া ঠিকানাও।
যেমন ভাবা, যেমন কাজ। সঙ্গে সঙ্গে নিউটাউনের দায়িত্বে থাকা হিডকো কর্তৃপক্ষকে ডেকে বলেছিলেন, এই এলাকার জলাশয় এবং সবুজকে বজায় রেখে কীভাবে সুসংহত উন্নয়ন করা যায়, এখন থেকেই তার পরিকল্পনা শুরু করে দিন। আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে যাঁরা কাজ করেন তাঁরা খুব ভালো জানেন, শুভ কাজে দেরি মুখ্যমন্ত্রী মোটেই পছন্দ করেন না।
মুখ্যমন্ত্রীর সুসংহত উন্নয়নকে সামনে রেখে সেই জলাশয় ও সবুজের সমারোহই আজ বাঙালির অন্যতম গন্তব্যস্থল ‘প্রকৃতি-তীর্থে’ পরিণত হয়েছে। জলাশয়কে ঘিরে ৪৮০ একর জমির উপর গড়ে উঠেছে মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্নের এই ইকো ট্যুরিজম-পার্ক। আমাদের সবার পরিচিত ইকো পার্ক। ২০১২ সালের ২৯ ডিসেম্বর মুখ্যমন্ত্রীর হাতেই উদ্বোধন। ২০১৩’র ১ জানুয়ারি সাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হল সাধারণের জন্য। আর মাত্র চার বছরের মধ্যেই এক একদিনে এক লক্ষেরও বেশি দর্শক টেনে শহরের দ্রষ্টব্য-শিরোপা দখল করল মুখ্যমন্ত্রীর সাধের এই প্রকৃতি তীর্থ। শীতের রোদ গায়ে মেখে ময়দানের সবুজ গালিচা, চিড়িয়াখানায় বাবুর কেরামতি, মিউজিয়ামের হাড় জিরজিরে ডাইনোসর, বিড়লা তারামণ্ডলে অজানা আকাশের সন্ধান, সায়েন্স সিটি’তে রোপওয়ে চড়া হোক, বা নিক্কো পার্কের রাইড-বিহার—এতদিন এসবই ছিল বাঙালির ছুটির স্বাদ বদলের ঠিকানা। এবার স্বাদ বদলাচ্ছে বাঙালির। বিশেষ করে পার্কের চারিদিকে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা দেশি-বিদেশি বিভিন্ন খেলাই ছোট-বড় সকলের অন্যতম আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু করে তুলেছে প্রকৃতি-তীর্থকে। আকাশের ছাতা মাথায় দিয়ে, জলাশয়ের পাশে সবুজের মাঝে সকলকে একসঙ্গে নিয়ে একবেলার পিকনিক। কিংবা পুরানো বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করে আড্ডা। আর ‘আড্ডা’ যাঁদের রক্তে, সেই বাঙালির কাছে খুব দ্রুত জনপ্রিয়তার শিখরে পৌঁছে যেতে তাই খুব বেশি কাঠখড় পোড়াতে হয়নি পার্কটিকে। চার বছরের ম঩ধ্যেই ভিড়ের নয়া গন্তব্য হিসাবে সকলকে টপকে গিয়েছে প্রকৃতি-তীর্থ। মাত্র কয়েকদিনে বদলেছে চিত্রটা। বিস্ফোরণটা হয়েছে গত শীত থেকে। গত বড়দিনে ৮১ হাজার মানুষের সমাগম ঘটিয়ে সব হিসাব-নিকেশ উলটে দিয়েছে ইকো পার্ক। অবশ্য সেদিনও ৯১ হাজার মানুষে বাঙালির আদি-অনন্ত গন্তব্য চিড়িয়াখানা বুঝিয়ে দিয়েছিল, ‘আমাকে টপকানো অত সহজ হবে না’। আর এখানেই বোধহয় নিজে থেকেই কিছুটা চ্যালেঞ্জ নিয়ে নিয়েছিল প্রকৃতি-তীর্থ। মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যেই বছরের নতুন দিনে চিড়িয়াখানার সমস্ত রেকর্ড ধুয়ে-মুছে লক্ষাধিক ভিড় জমিয়ে নয়া ‘রেকর্ড’ স্থাপন করে এই পার্ক। কর্তৃপক্ষও হয়তো এতটা ভাবেনি। এমনই এক কর্তা বলছিলেন, চিড়িয়াখানার সঙ্গে তুলনা টানাটা বোধহয় ঠিক হবে না। কারণ চিড়িয়াখানার যে আকর্ষণ, তা কোনওদিনই মেটাতে পারবে না এই পার্ক। এখানকার টানটা অন্যরকম। তবে নয়া গন্তব্য হিসাবে বাঙালির মনে জায়গা করার যে উদ্দেশ্য আমাদের ছিল, তা পূরণ হয়ে গিয়েছে। জায়গার পরিসরে চিড়িয়াখানা ইকো-পার্কের তুলনায় অনেকটাই ছোট। তাই দু’য়ের মধ্যে ভিড় টানাটানিতে জয়লাভ করে নয়, বরং বাঙালিকে নতুন ‘ছুটির ঠিকানা’ দিতে পেরে খুশি রাজ্য সরকার। এবং স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীও। নীল জলাশয়ের পাশে সবুজের গালিচায় প্রকৃতি এখানে নিজেকে উজাড় করে দিয়েছে। এই প্রকৃতি-তীর্থ গড়ে উঠেছিল মূলত মানুষকে প্রকৃতি চেনানোর উদ্দেশ্য নিয়েই। ব্যাম্বু গার্ডেন, টি-গার্ডেন, ট্রপিকাল ট্রি গার্ডেন, রোজ গার্ডেন, হরিণালয়, বাটারফ্লাই গার্ডেন প্রমুখ বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যকে দর্শকদের সামনে তুলে ধরে দেশের ভূগোল দর্শনকে মানুষের সামনে নিয়ে আসা হয়েছিল। কথা হচ্ছিল প্রকল্পের দায়িত্বে থাকা হিডকোর চেয়ারম্যান দেবাশিস সেনের সঙ্গে। বলছিলেন, দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রাকৃতিক সমারোহকে মানুষের সামনে তুলে ধরাই ছিল আমাদের একমাত্র লক্ষ্য। আর তাই জোর দেওয়া হয়েছিল ভূগোল ভ্রমণেও। তা‌ই তো আপনি এখানে কাশ্মীরের ডাল লেকের হাউস-বোট পাবেন। আবার পাশেই দেখবেন জাপানিজ গার্ডেন। এই প্রকৃতি-তীর্থের বুকেই।
আর চার বছরের যাত্রাপথ অতিক্রম করে সবে পাঁচে পা দেওয়া ইকো-পার্ক এবার নিজের সংজ্ঞায় কিছু রদবদল আনতে চাইছে। ভূগোল দর্শন, ভ্রমণের সংমিশ্রণে প্রকৃতিকে সকলের সামনে আনাই ছিল এতদিনের স্বপ্ন। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর স্বপ্নের প্রকৃতি-তীর্থের দর্শন এবার বদল করতে চাইছেন। আর তাই শুধুমাত্র ভূগোল নয়, এবার ইতিহাসের হাত ধরে প্রকৃতি-তীর্থকেই ‘ইতিহাস-তীর্থে’ রূপান্তরিত করার স্বপ্ন। আর সেটাও স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীরই।
তাঁর নির্দেশেই ইকো-পার্কের এক ফালি জমিতে ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে সাত আশ্চর্য। বিভিন্ন দেশের ঐতিহাসিক সৌধের মধ্যে সাতটিকে বেছে নির্বাচিত করা হয় ‘আশ্চর্যে’র তালিকায়। সাধারণ বাঙালির সকলের বিপুল অর্থ খরচ করে বিশ্ব জুড়ে ছড়িয়ে থাকা এই সাত আশ্চর্য দেখার ক্ষমতা নেই বললেই চলে। তা বলে কি তাঁরা শুধুমাত্র টিভির পরদায় বা ছবিতেই এগুলিকে দেখে আনন্দ পাবেন? মুখ্যমন্ত্রীর উত্তর ছিল ‘না’। কিন্তু কীভাবে সেগুলিকে আপামর বাঙালির সামনে তুলে আনা সম্ভব? তা নিয়েও ঘোর অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছিল। কারণ বিভিন্ন সময়ে পুজোর ‘থিমে’ সপ্তম আশ্চর্যকে এনে দর্শকদের আকৃষ্ট করেছে বহু পুজো উদ্যোক্তাই। কিন্তু তা তো সাময়িক! পাকাপাকি তো আর নয়! তাহলে সম্ভব কীভাবে? তাই এই সাত আশ্চর্যের শুধুমাত্র ‘প্যান্ডেল’ বানিয়ে নয়, প্রতিটি সৌধের ‘রেপ্লিকা’র নিদর্শন তুলে এনে মানুষের মনে স্থায়ী জায়গা করে নিতে চাইছে পার্ক কর্তৃপক্ষ। দেবাশিস সেন নিজেই বলছিলেন, ইকো-পার্কে সাতটি আশ্চর্য এমনভাবেই তৈরি করা হচ্ছে, যাতে শুধুমাত্র দেখা নয়, তাকে রীতিমতো ‘অনুভব’ করতে পারবেন দর্শকরা।
পার্কের গেট পেরিয়ে হঠাৎ আবিষ্কার করতে পারেন, যেন পৌঁছে গিয়েছেন সেই সপ্তম শতাব্দীতে। চীনা সাম্রাজ্যকে ইউরেশিয়ার বিভিন্ন জনজাতির আক্রমণ থেকে বাঁচাতে তখন যে প্রাচীর তৈরি হয়েছিল, সেই গ্রেট ওয়াল অব চায়নার সামনে দাঁড়িয়ে আপনি। শুধু চোখের দেখা নয়, বাস্তবের মতো চীনের প্রাচীরে হেঁটে ঐতিহ্যের অংশীদার হওয়া যাবে এই এখানেই। এর উপর দাঁড়িয়েই দেখা যাবে মিশরের পিরামিড। স্ফিংস। এও তো এক আশ্চর্য! যিশুখ্রিস্টের জন্মেরও আড়াই হাজার বছর আগে কীভাবে ৫০০-৭০০ ফুট উচ্চতার এই সৌধ মানুষ তৈরি করেছিল! তাও আবার এক একটা পাথরের ওজন ছিল ৫ হাজার পাউন্ডের বেশি। এমন সব প্রশ্নের উত্তর মেলেনি। যাঁরা দক্ষিণ আমেরিকা বা মিশরে গিয়ে এই আশ্চর্যের মুখোমুখি হননি, তাঁরা এবার অভিনব অভিজ্ঞতার সাক্ষী হবেন ইকো পার্কেই। কৃত্রিম নীল নদ পেরিয়ে আমরা পৌঁছে যাব সেখানে। এর পাশাপাশি রোমের কলোসিয়াম বা অ্যাম্ফিথিয়েটার কিংবা জর্ডনের পেত্রা। অর্থাৎ সেই ‘হারানো শহর’। যাকে আজও ঘিরে রয়েছে বহু রহস্য। প্রতিটি সৌধর রীতিমতো ভিতরে ঢুকে সেগুলিকে দেখা, জানা এবং ‘অনুভব’ করার সুযোগ থাকছে সকলের কাছে। আর আমাদেরই নিজস্ব আগ্রার তাজমহল...। ইকো পার্কের সাত আশ্চর্য তৈরির কারিগত রূপচাঁদ কুণ্ডুর সাফ স্বীকারোক্তি, তাজমহল বানানোটাই সবথেকে কঠিন। প্রকৃতি-তীর্থে আসা দর্শকদের প্রায় প্রত্যেকেই কোনও না কোনও সময়ে তাজমহল ঘুরে দেখেছেন। তাই সেই তাজমহলকে রাজ্যবাসীর সামনে তুলে ধরা সত্যিই চ্যালেঞ্জের। বিশেষ করে আসল তাজমহলের খুঁটিনাটি ইকো-পার্কে যদি না ফুটিয়ে তোলা যায়, তাহলে তার গ্রহণযোগ্যতা থাকবে না। তবে, সাধারণ নির্মাণ শিল্পের সঙ্গে ইকো পার্কের এই কাজের কিছুটা পার্থক্য রয়েছে। নির্মাণকাজ যে বা যাঁরা করে থাকেন, তাঁরা যে সবসময়ই নিখুঁত হন, তেমনটা কিন্তু নয়। তাঁদের মৌলিক কাজ শেষ পর্যন্ত নতুন দিশা দেখায়। কিন্তু এখানে তাজমহল তৈরির ক্ষেত্রে সেরকম কাজ করলে চলবে না। সামগ্রিকভাবে আগ্রার তাজমহেলর পরিসরের থেকে ছোট হলেও, সৌধের চারদিকে থাকা স্তম্ভ, সামনের জলাশয়, বসার জায়গা, পাথরের কাজ প্রতিটি এমনভাবে তৈরি করতে হবে, যাতে এক ঝলকে একে দেখলে ‘আসল’ বলে ভাবতে বাধ্য হবেন সকল দর্শকই। প্রথম দর্শনে তুলনা আসবেই। তাই একে যাতে আসল তাজমহলেরই প্রতিচ্ছবি বলে মনে হয়, দর্শকরা যদি আগ্রার তাজমহল দেখার অনুভূতি ফিরে পান, তবেই শিল্পী তাঁর কাজের দাম পাবেন।
আর চোখ মেললেই দেখা যাবে ব্রাজিলের ক্রাইস্ট দ্য রিডিমার। রিও ডি জেনেইরোর সেই যিশুর মূর্তি। সেখান থেকে চিলির ইস্টার আইল্যান্ড। রূপচাঁদবাবু বলছিলেন, ছোটবেলা থেকেই একটা স্বপ্ন ছিল, গোটা বিশ্বের কাছে কলকাতা তার একটা নিজস্ব পরিচিতি তৈরি করুক। দেশ-বিদেশের বিভিন্ন দ্রষ্টব্যস্থানের মধ্যে কলকাতারও নাম উঠে আসুক। ইকো-পার্কের এই সপ্তম আশ্চর্য কলকাতাকে সেই স্বীকৃতি এনে দেবে... দেখবেন! এর মধ্যে কিন্তু তাজমহলের কাজই সবচেয়ে কঠিন। অনেক বেশি নিখুঁত। তাই সবার শেষে এই সৌধ নির্মাণ শুরু হয়েছে। বাঙালির নতুন বছরে আশা করছি, সবার জন্য এই অংশটা খুলে দেওয়া যাবে।
আর শুধু দর্শনের সুখ নয়, এদের সঙ্গে যে ইতিহাস জড়িয়ে রয়েছে, তাকেও জনমানসের সামনে তুলে ধরতে চাইছে পার্ক কর্তৃপক্ষ। দিল্লির লালকেল্লা, জয়পুরের আমের ফোর্ট সূর্যাস্তের পর যেমন আলো-আঁধারিতে নিজের ইতিহাস বলে, ঠিক তেমনভাবেই লাইট অ্যান্ড সাউন্ডের মাধ্যমে আপামর বাঙালি ইকো পার্কে বসে ইতিহাস দর্শন করবে। শুনবে। তাই সাত আশ্চর্য তৈরির কাজ সম্পূর্ণ হয়ে গেলে এর প্রতিটিতে আলাদা আলাদভাবে ব্যবস্থা থাকবে লাইট অ্যান্ড সাউন্ডের। অর্থাৎ চীনের প্রাচীরের উপর দিয়ে হেঁটে প্রতিটি পদে জানা যাবে এর ইতিহাস। ঐতিহ্য। এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকা সম্রাটের কাহিনি। শাহজাহান মুমতাজের জন্য কীভাবে এবং কেন তাজমহল গড়ে তুলেছিলেন, সেই ইতিহাসকে দেখা এবং শোনা যাবে এই বিশালাকৃতি রেপ্লিকায় প্রবেশ মাত্রই।
দেবাশিসবাবু বলছিলেন, মানুষ কিন্তু জন্মগতভাবে প্রকৃতি-প্রেমী। সেই কথা মাথায় রেখেই এই ইকো-পার্ক গড়ে তোলা হয়েছিল। কিন্তু প্রকৃতি অন্যতম আধার ইতিহাসেরও। তাই তো আজ এখানে স্থান পাচ্ছে ক্রাইস্ট দ্য রিডিমার, তাজমহল, কলোসিয়াম, চীনের প্রাচীর, ইস্টার আইল্যান্ড, পেত্রা জর্ডন, পিরামিড। পিরামিড, ইস্টার আইল্যান্ডের কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে। ক্রাইস্ট দ্য রিডিমার, চীনের প্রাচীর, কলোসিয়ামের কাজ চলতি মাসের মধ্যেই শেষ হয়ে যাবে। আর তারপর তাজমহল এবং পেত্রা জর্ডন। এর পরের পর্যায়ে ইকো পার্কে আইফেল টাওয়ার তৈরির কাজও শুরু হয়েছে। ভূগোল ও ইতিহাস মিলে যাবে এই ইকো পার্কের মাটিতে। সেই সঙ্গে মিশেল ঘটবে সংস্কৃতির।
সেই সব অঞ্চলের মানুষের বেশভূষা থেকে শুরু করে খাদ্যভাবনা... সবেরই নিদর্শন এই পার্কে উঠে আসবে। তার উপর আবার বাঙালি খাদ্যরসিকও বটে। তা‌ই পার্কে যে বিভিন্ন দেশ-বিদেশের নিদর্শন তুলে আনা হয়েছে, সেখানকার মানুষ যে ধরনের খাবার খেয়ে থাকেন বা পোশাক পরেন, তার নিদর্শন এখানে রাখার পরিকল্পনাও ইতিমধ্যে শুরু করা হয়েছে। যেমন জাপানিজ গার্ডেনে সেখানকার খাদ্য-ভাবনাকে রাখার পরিকল্পনা ইতিমধ্যে‌ই নেওয়া হয়েছে। রয়েছে ভবিষ্যতে চাইনিজ গার্ডেন গড়ার ভাবনাও। সেইমতো কাজও শুরু হয়ে গিয়েছে। পাশাপাশি আমাদের দেশের কাশ্মীর থেকে শুরু করে সাত সমুদ্র পেরিয়ে মিশর, পেরু, রোম, ব্রাজিল, চীনের পোশাকের নির্দশন এনে পার্কের মধ্যে নতুন কিছু করারও পরিকল্পনা রয়েছে। তবে এত কিছুর মাঝে পার্কের মূল আকর্ষণ প্রকৃতির সবুজ ও নীলের সমারোহকে ভুললে চলবে না! কারণ এই পার্কে প্রতিদিন বহু বিদেশি পর্যটকরাও এসে থাকেন। তাঁদের কাছে অবশ্য এখনও মূল আকর্ষণ পার্কের খোলামেলা সবুজের গালিচা, সুবিশাল জলাশয়। তাই নয়া সংজ্ঞার সন্ধানে বেরিয়েও আদি অকৃত্রিম প্রকৃতিই হবে ইকো পার্কের বিধাতা।
 ছবি: কুমার বসু
 গ্রাফিক্স: সোমনাথ পাল
 সহযোগিতায়: স্বাগত মুখোপাধ্যায় 
19th  March, 2017
খাতা দেখা 

বসন্ত কড়া নাড়লেই বুঝতে হবে মা-উমা খুব দূরে নেই। অর্থাৎ মাধ্যমিক-উচ্চ মাধ্যমিক। ভাবা যায়, একটা রাজ্যে মাধ্যমিক-উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৮ লক্ষের বেশি? আর এই দুই পরীক্ষা শেষ হতেই রাজ্যের আনাচে কানাচে হাজার হাজার স্কুল টিচারের গৃহকোণে শুরু হয়ে যায় কুটির শিল্প—খাতা দেখা।
বিশদ

28th  May, 2017
র‌্যানসামওয়্যার এবং বিটকয়েন 

দেবজ্যোতি রায়: ‘এত দ্রুতগতিতে প্রযুক্তির উন্নতি ঘটছে যে এই আগ্রাসন গোটা মানবজাতিকে নিঃশেষ করে দিতে পারে। বংশপরম্পরাকে রক্ষা করতে গেলে যুক্তি ও কারণ দিয়ে এতে লাগাম দিতে হবে।’ প্রযুক্তির রকেটসম অগ্রগতি নিয়ে সম্প্রতি এক সেমিনারে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন পৃথিবীখ্যাত বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিনস। এর জন্য বিভিন্ন দেশের সরকারকে এগিয়ে আসার আরজিও জানিয়েছিলেন কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের এই প্রফেসর তথা পদার্থবিদ।
বিশদ

21st  May, 2017
আবাসন আইন 

১ মে দেশজুড়ে চালু হয়েছে আবাসন সংক্রান্ত আইন ‘দি রিয়েল এস্টেট (রেগুলেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট) অ্যাক্ট। চলতি কথায় ‘রেরা’। কেন্দ্রীয় আইনটির উপর ভিত্তি করে রাজ্যগুলির নিজস্ব বিধি রা রুল তৈরি করার কথা। কী পরিস্থিতি রয়েছে এই আইন নিয়ে? আইনটির সুবিধাগুলিই বা কী কী? দেখে নেওয়া যাক আইনের খুঁটিনাটিগুলি। 
বিশদ

14th  May, 2017
বাহুবলীর নেপথ্যে

যাবতীয় রেকর্ড ভেঙে সদর্পে ছুটে চলেছে বাহুবলীর বিজয়রথ। প্রথম দিনের কালেকশনই ছিল প্রায় ১২২ কোটি। লাইট, ক্যামেরা, সাউন্ড, অ্যাকশন এবং ভিস্যুয়াল এফেক্ট। ছবির অভাবনীয় সাফল্যের নেপথ্যে কিন্তু রয়েছে আরও অনেক কিছু। বিশদ

07th  May, 2017
রিকশ থেকে টোটো

বাজারের থলে হাতে নিয়ে খেঁাজ পড়ে তার। সন্তান হঠাৎ জ্বরে পড়লেও ডাক্তারখানা যেতে যে সেই ভরসা। বাহক থেকে চালক হওয়ার দীর্ঘ সফরে রিকশ চিরকাল সঙ্গী মধ্য ও নিম্নবিত্তের। কালের বিবর্তনে তার আগে ‘ই’ স্বরবর্ণ জুড়েছে। তবু এই টোটোর আমলে সুর কাটেনি রিকশ রোমান্টিকতার
বিশদ

30th  April, 2017
খাঁসাহেব 

সমৃদ্ধ দত্ত: মার্চ মাসের সকাল সাড়ে ১০টা এমনিতে দিল্লিতে বেশ আরামদায়ক ওয়েদার। সেদিন ৫ মার্চ আবার বেশ ঠান্ডা হাওয়াও ছিল। ইন্ডিয়ান হ্যাবিট্যাট সেন্টারে আয়ান আলি বাঙ্গাশ আসনে বসেই গুরুগম্ভীর আবহটি কাটিয়ে বেশ হালকা মুড নিয়ে এলেন। একটু আগে ঘোষিকা সিরিয়াস ভঙ্গিতে শ্রোতৃমণ্ডলীকে বলেছেন, সরোদ বাদনের মাঝখানে করতালি না দেওয়াই শ্রেয়। 
বিশদ

23rd  April, 2017
 স্মৃতির রেলপথে

 ওই রেললাইন দিয়ে আরও একবার ট্রেন ছুটবে। শিয়ালদহ থেকে ছেড়ে পৌঁছে যাবে খুলনা। ওই রেলরুটে আরও একবার মিলবে দুই বাংলা। যা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল স্বাধীনতার আগে। সেই স্মৃতির পথেই আজ ফিরে দেখা।
বিশদ

16th  April, 2017
 অপেক্ষায়

 উদ্দালক ভট্টাচার্য: এ যে ইতিহাসেরই পুনরাবৃত্তি। এ প্রজন্মের ক’জন আর দেখেছে এই ট্রেনকে? জন্ম থেকে হয় বাপ-ঠাকুরদার মুখে শোনা, কিংবা চোখে দেখা ওই রেললাইনটা। স্মৃতির আঁচ উসকে হঠাৎ এল খবর, আবার জুড়তে চলেছে ভারত-বাংলাদেশ। ওই রেললাইনের মাধ্যমেই। আবার শিয়ালদহ থেকে রেল ছুটবে... পৌঁছে যাবে খুলনা পর্যন্ত। অনেকের মতো ওই ব্যক্তির পরিবারও একদিন দেশভাগের আবহে ছিন্নমূল হয়ে উঠে এসেছিল এপারে।
বিশদ

16th  April, 2017
মিথভঙ্গ? 

পদবি কি তার ধার ও ভার দুই-ই হারাচ্ছে? মোদি জমানায় আজ এই চরম প্রশ্নের মুখে কংগ্রেস। আর স্পষ্ট করে বলতে গেলে গান্ধী ও নেহরু পরিবার। সৌজন্যে রাহুল গান্ধী। কেন এখনও আসরে নেই প্রিয়াঙ্কা? তিনিও নিছক রূপকথা নন তো? 
বিশদ

09th  April, 2017
আগুনের সঙ্গে লড়াই 

‘পদ্মশ্রী’ বিপিন গণোত্রা: আগুনে বড় ভয় ছিল দাদার। নিজে তো দূরে থাকতেনই, আমাদেরও সবসময় সাবধান করতেন। দাদার মতো নির্বিবাদী লোক খুব বেশি দেখিনি। খেরু প্লেসে মোটর পার্টসের একটা দোকান ছিল। দোকান, আর বাড়ি... এই ছিল দাদার রুটিন।
বিশদ

02nd  April, 2017



একনজরে
ওয়াশিংটন, ২৮ মে: প্যারিস জলবায়ু চুক্তির প্রতি নিজেদের সমর্থন জানাল শিল্পোন্নত সাত দেশের জোট জি-সেভেন এর ছ’টি রাষ্ট্র। তবে এই চুক্তিতে আমেরিকা অবস্থান পরিষ্কার করেননি ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: প্রচুর বিদেশি মুদ্রা ও মোবাইল ফোনসহ রবিবার রাজারহাট থানার পাড়খড়িবাড়ি থেকে রোকিয়া বিবি নামে এক মহিলা পকেটমারকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। ...

দিব্যেন্দু বিশ্বাস, নয়াদিল্লি, ২৮ মে: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর দল তৃণমূল কংগ্রেসকে ‘অল আউট’ আক্রমণ করুন। এ ব্যাপারে কোনওরকম চিন্তাভাবনা করার প্রয়োজন নেই। কেন্দ্রের বিজেপি ...

 বিএনএ, মেদিনীপুর: রেশনের মালপত্র পাচারের চেষ্টার অভিযোগে গোয়ালতোড়ের নলবনা গ্রামে এক ডিলারের বাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ দেখাল গ্রামবাসীরা। শনিবার রাতে ওই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। অভিযুক্ত রেশন ডিলার সমীর দত্তের বাড়ি ভাঙচুর করার পাশাপাশি তাঁকে মারধরও করা হয় বলে অভিযোগ। ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মপ্রার্থীদের ক্ষেত্রে শুভ। যোগাযোগ রক্ষা করে চললে কর্মলাভের সম্ভাবনা। ব্যাবসা শুরু করলে ভালোই হবে। উচ্চতর ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৮৩- স্বাধীনতা সংগ্রামী বিনায়ক দামোদর সাভারকারের জন্ম
১৯২৩- রাজনীতিক ও তেলুগু দেশম পার্টির প্রতিষ্ঠাতা এনটি রামা রাওয়ের জন্ম
২০১০- পশ্চিমবঙ্গে জ্ঞানশ্বেরী এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় অন্তত ১৪১জনের মৃত্যু

28th  May, 2017



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৭৪ টাকা ৬৫.৪২ টাকা
পাউন্ড ৮১.৭৫ টাকা ৮৪.৭২ টাকা
ইউরো ৭১.০৭ টাকা ৭৩.৬০ টাকা
27th  May, 2017
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৯,৩৪৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৭,৮৪০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৮,২৬০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪০,৪০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪০,৫০০ টাকা
28th  May, 2017

দিন পঞ্জিকা

১৫ জ্যৈষ্ঠ, ২৯ মে, সোমবার, চতুর্থী দিবা ১১/৭, পুনর্বসুনক্ষত্র দিবা ১/২৫, সূ উ ৪/৫৫/৫৯, অ ৬/১১/৪৭, অমৃতযোগ দিবা ২/২৮-১০/১৪ রাত্রি ৯/৪-১১/৫৫ পুনঃ ১/২১-২/৪৭, বারবেলা ৬/৩৬-৮/১৫ পুনঃ ২/৫২-৪/৩২, কালরাত্রি ১০/১৩-১১/৩৪।
১৪ জ্যৈষ্ঠ, ২৯ মে, সোমবার, চতুর্থী অপরাহ্ণ ৪/১৫/৪৭, পুনর্বসুনক্ষত্র সন্ধ্যা ৬/৩৬/১০, সূ উ ৪/৫৪/৫০, অ ৬/১২/১৫, অমৃতযোগ দিবা ৮/২৭/২৯-১০/১৩/৪৮ রাত্রি ৯/৩/৩৬-১১/৫৪/৫৮, ১/২০/৩৮-২/৪৬/১৯, বারবেলা ২/৫২/৫৪-৪/৩২/৩৪, কালবেলা ৬/৩৪/৩১-৮/১৪/১১, কালরাত্রি ১০/১৩/১৩-১১/৩৩/৩৩।
২ রমজান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুরে ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে গাড়ির ধাক্কা, মৃত ৩ 
উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুরে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে গাড়ির ধাক্কায় তিনজনের মৃত্যু হল। জখম হয়েছেন একজন। রবিবার রাতে ঘটনাটি ঘটে ইসলামপুরের রামগঞ্জে ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের উপর। 

01:32:00 AM

রায়গঞ্জ জেলা হাসপাতালে রোগী উধাও, উত্তেজনা 
এক রোগীর বেপাত্তা হয়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা রায়গঞ্জ জেলা হাসপাতালে। হাসপাতালের অ্যাসিসট্যান্ট সুপারকে হেনস্তার অভিযোগে আটক করা হয়েছে তিনজনকে। 

28-05-2017 - 09:24:00 PM

আমেরিকার মিসিসিপিতে বন্দুকবাজের হামলায় মৃত কমপক্ষে ৮, অভিযুক্ত ধৃত 

28-05-2017 - 08:57:00 PM

ম্যাঞ্চেস্টারে আত্মঘাতী বিস্ফোরণের ঘটনায় ব্রিটেনে ধৃত ২৫ বছরের এক যুবক 

28-05-2017 - 08:55:00 PM

শ্রীলঙ্কায় বন্যা: ত্রাণসামগ্রী নিয়ে কলম্বো পৌঁছাল ভারতীয় নৌসেনা জাহাজ আইএনএস শার্দূল

28-05-2017 - 03:21:58 PM

পার্কস্ট্রিটে কর্পোরেশন ব্যাংকে আগুন, ঘটনাস্থলে ৪টি দমকলের ইঞ্জিন
রবিবার দুপুরে পার্কস্ট্রিটে কর্পোরেশন ব্যাংকে আগুন। ঘটনাস্থলে ৪টি দমকলের ইঞ্জিন। এখনও আগুন জ্বলছে ব্যাংকে ভিতরে। এলাকায় ব্যাপক ধোঁয়া। প্রায় ৪০ মিনিট ধরে আগুন জ্বলছে। দমকল ও পুলিশ কর্মীরা ব্যাংকের শাটার খোলার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। ঘটনাস্থলে কলকাতা পুলিশের ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট টিমের আধিকারিকরা। যদিও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে দমকলের পক্ষ থেকে। দমকল কর্মীদের অনুমান কর্পোরেশন ব্যাংকের সার্ভার রুম থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটেছে।

28-05-2017 - 03:20:24 PM






বিশেষ নিবন্ধ
 লালবাজার অভিযান: মমতার চালে বিজেপি মাত!
শুভা দত্ত: সিপিএমের নবান্ন অভিযানের ধাঁচে লালবাজার অভিযান করে রাজ্যবাসীকে চমকে দিতে চেয়েছিল রাজ্য বিজেপি। ...
 হুট বলতে ফুট কাটার অসুখ
 সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়: আমার এক বন্ধু প্রায়ই ভারী অদ্ভুত অদ্ভুত কথা বলে। যেমন, জ্বর-জ্বালা, বুক ধড়ফড়ানি, ...
নদী তুমি কার
বিশ্বজিৎ মুখোপাধ্যায়: ১৯৪৭ সালে দ্বিখণ্ডিত স্বাধীনতা কেবলমাত্র মানুষকে ভাগ করেনি, প্রাকৃতিক সম্পদেও ভাঙনের সাতকাহন সূচিত ...
চীন, পাকিস্তান বেজিংয়ে ফাঁকা মাঠ পেয়ে গেল ভারতের কূটনৈতিক ভুলের কারণে
কুমারেশ চক্রবর্তী: মাত্র কিছু দিন আগে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা আইসিসি’র এক ভোটে ৯-১ ভোটে ...
ভুলে যাওয়ার রাজনীতি
 সমৃদ্ধ দত্ত: আমাদের প্রিয় গুণ হল ভুলে যাওয়া। রাজনৈতিক নেতানেত্রীরা সেটা জানেন। তাই তাঁদের খুব ...