প্রচ্ছদ নিবন্ধ
 

দোল যাত্রার উৎস সন্ধানে

গৌতম বিশ্বাস: বাংলায় আমরা বলি দোলযাত্রা। আর বাংলার গণ্ডি পেরলে তা-ই হোলি। এই হোলি মানে রঙের উৎসব। হোলি মানে শ্রীকৃষ্ণ ও রাধা। হোলি মানে ভালোবাসা, একাত্মতা। কিন্তু কীভাবে হল এই উৎসবের সূচনা? বসন্তের স্নিগ্ধতায় আবির গায়ে মাখার অপার্থিব আনন্দের গৌরচন্দ্রিকা ঠিক কোথায় হয়েছিল, সুনির্দিষ্টভাবে কিছু জানা যায় না। কিছু কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা, পৌরাণিক উপাখ্যান থেকেই আমাদের কৌতূহল নিরসন করতে হয়। কখনও এ প্রসঙ্গে আসে হিরণ্যকশিপুর কাহিনি, কখনও বা শ্রীকৃষ্ণের অসুর বধের উপাখ্যান...।
স্কন্দপুরাণে ফাল্গুন মাহাত্ম্য গ্রন্থাংশে হোলিকা ও প্রহ্লাদের কথা রয়েছে। দৈত্যরাজ হিরণ্যকশিপু অপরাজেয় হওয়ার বর পেয়েছিলেন ব্রহ্মার কাছ থেকে। কোনও মানুষ বা জন্তু তাঁকে মারতে পারবে না। হিরণ্যকশিপু বধে অক্ষম দেবদেবীরাও। তাহলে তাঁকে আর মারবে কে? অহংকারে দিগবিদিগ জ্ঞানশূন্য হয়ে গেলেন তিনি। ঘোষণা করে দিলেন, কোনও দেবতা নয়, পুজো তাঁকেই করতে হবে। কিন্তু হিরণ্যকশিপুরের পুত্র প্রহ্লাদ ছিলেন শ্রীবিষ্ণুর মহা ভক্ত। বাবার আদেশ অমান্য করেই তিনি দিনরাত নারায়ণ বন্দনা করে গেলেন। ক্ষিপ্ত হলেন দৈত্যরাজ। নানাভাবে ছেলেকে শাস্তি দেওয়ার চেষ্টা করলেন, কিন্তু কিছুতেই সফল না হয়ে ছেলেকে আগুনে পুড়িয়ে মারার জন্য বোন হোলিকাকে দায়িত্ব দিলেন তিনি। হোলিকাও ছিল দাদার মতো প্রচণ্ড নিষ্ঠুর। কারণ আগুনে তার কোনও ক্ষতি হত না। এমনই বর পেয়েছিল সে। হোলিকা কিশোর প্রহ্লাদকে ভুলিয়ে ভালিয়ে জ্বলন্ত চিতায় বসাল। ভগবান সর্বদাই ভক্তকে রক্ষা, আর দুষ্টদের দমন করেন। তাই প্রহ্লাদের কোনও ক্ষতি হল না বরং অন্যায় কাজ করার জন্য হোলিকা আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেল। ওই আগুন হল অশুভের বিরুদ্ধে শুভের জয়ের প্রতীক। হিরণ্যকশিপু ও হোলিকার মৃত্যুতে বিষ্ণু ভক্তরা আনন্দ উৎসব শুরু করলেন। বলা হয়, হোলিকা দহনের এই উৎসব থেকেই হোলির সূচনা।
আবার জানা যায়, বসন্ত পূর্ণিমার দিন শ্রীকৃষ্ণ কেশি নামে এক অসুরকে বধ করেন। (কোথাও কোথাও অরিষ্টাসুর) অত্যাচারী এই অসুরকে বধ করার পর তার রক্ত ছিটিয়ে সকলে আনন্দে মাতোয়ারা হয়। এ থেকেই নাকি হোলির সূত্রপাত। যদিও রাধা-কৃষ্ণের লীলাকে ঘিরে কাহিনিই বেশি প্রচলিত। শ্রীকৃষ্ণ একদিন বৃন্দাবনে রাধা এবং তার সখীদের সঙ্গে খেলা করছিলেন। সে সময় হঠাৎ রাধা এক বিব্রতকর অবস্থার মুখোমুখি হয়ে লজ্জিত হন। শ্রীকৃষ্ণ রাধার লজ্জা ঢাকতে এবং বিষয়টি তার সখীদের কাছ থেকে গোপন রাখতে রাধা ও তাঁর সখীদের সঙ্গে আবির খেলা শুরু করে দেন। আবির দিয়ে রাঙিয়ে দেন সবাইকে। এ আবির খেলার স্মরণে হিন্দু সম্প্রদায় এই হোলি উৎসব পালন করে থাকে বলে প্রচলিত আছে। এছাড়া বলা হয়ে থাকে, কৃষ্ণ নিজের কৃষ্ণ রঙ ঢাকতে বিভিন্ন ধরনের রং মাখিয়ে রাধার সামনে হাজির হন। সেই থেকে এই উৎসবের শুরু।
ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে হোলির রীতি ও বিশ্বাস বিভিন্ন। হিন্দিভাষী রাজ্যগুলিতে ‘হোলাকা’ কথাটিই হোলি বা হুলি উচ্চারণে বলা হয়ে থাকে। দোলপূর্ণিমার দিন বা তার আগের দিন সন্ধ্যায় খড়-বিচালি-কাঠ এক জায়গায় জড়ো করে তাতে আগুন লাগানোর উৎসব হচ্ছে হোলি। এর আর একটা নাম বহ্ন্যুৎসব। এর সঙ্গেই জুড়েছে আবির মাখা বা পিচকিরি দিয়ে রং খেলা। আগে হোলিকে হোরি নামেও ডাকা হত। বাংলাতেও রং উৎসবের আগের দিন সন্ধ্যায় শুকনো গাছের ডাল, কাঠ ইত্যাদি দিয়ে উঁচু ঘর (বুড়ির ঘর) বানিয়ে আগুনে পোড়ানো হয়। যদিও একে বাংলায় চাঁচর উৎসব বলে। এই চাঁচরেরও অন্যরকম ব্যাখ্যা আছে। দোল আমাদের ঋতুচক্রের শেষ উৎসব। বসন্তের আগমনে বৃক্ষের সমস্ত পুরানো পাতা ঝরে নতুন কচি পল্লবে সেজে ওঠে। গাছের শুকনো পাতা, তার ডালপালা একত্রিত করে জ্বালিয়ে দেওয়ার মধ্যে এক সামাজিক তাৎপর্য রয়েছে। পুরনো জঞ্জাল, রুক্ষতা, শুষ্কতা সরিয়ে নতুনের আহ্বান হচ্ছে এই হোলি। অঞ্চলভেদে হোলি বা দোল উৎসবের ভিন্ন ভিন্ন ব্যাখ্যা কিংবা এর সঙ্গে লোককথার ভিন্নতা লক্ষ করা যায়। পুরাকালে বিবাহিত নারীরা তাদের পরিবারের মঙ্গল কামনায় রাকা পূর্ণিমায় রঙের উৎসব পালন করতেন। দোল হিন্দু সভ্যতার অন্যতম প্রাচীন উৎসব। নারদ পুরাণ, ভবিষ্য পুরাণ ও ‘জৈমিনি মীমাংসা’য় রং উৎসবের বিবরণ পাওয়া যায়। ৩০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দের এক শিলালিপিতে রাজা হর্ষবর্ধন কর্তৃক ‘হোলিকোৎসব’ পালনের উল্লেখ পাওয়া যায়। হর্ষবর্ধনের নাটক ‘রত্নাবলী’-তেও হোলিকোৎসবের উল্লেখ রয়েছে। মধ্যযুগের বিখ্যাত চিত্রশিল্পগুলোর অন্যতম প্রধান বিষয় ছিল রাধা-কৃষ্ণের রং উৎসব।
দোলযাত্রার দিন সকালে তাই ভক্তরা রাধা-কৃষ্ণ এবং শ্রীচৈতন্যের চরণে নানা রঙের আবির দিয়ে আত্মতৃপ্ত হন। তারপর ভক্তরা আবির নিয়ে পরস্পর রং খেলেন। ফাল্গুনী পূর্ণিমাকে দোলপূর্ণিমা বলা হয়। আবার এই পূর্ণিমা তিথিতেই শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব এবং চৈতন্য মহাপ্রভুর জন্ম বলে একে গৌরপূর্ণিমা নামেও অভিহিত করা হয়। দোলযাত্রা উৎসবের একটি ধর্মনিরপেক্ষ দিকও রয়েছে। এই দিন সকাল থেকেই নারীপুরুষ নির্বিশেষে আবির ও বিভিন্ন প্রকার রং নিয়ে খেলায় মেতে উঠে সকলকে রাঙিয়ে তোলে।
হোলি তুমি কোথা হইতে আসিতেছ? উত্তর খুঁজতে হলে সন্ধান করতে হবে নানান লোককথা এবং লোকচারের গহনে। তবে বহু প্রাচীনকাল থেকেই যে এর সূত্রপাত তা বিভিন্ন গ্রন্থাবলি থেকে জানা যায়। সপ্তম শতাব্দীতে রচিত দণ্ডিন-এর সংস্কৃত নাটক দশকুমারচরিত ও শ্রীহর্ষের রত্নাবলী-তে হোলির কথা আছে। মুঘল মিনিয়েচারেও এ নিয়ে নানান কাহিনি চিত্রিত হয়েছে। ১৬৮৭ সালে অক্সফোর্ড লিখেছেন Houly, ১৬৯৮ সালে Hoolee, ১৭৯৮-Huli, ১৮০৯-Hoh-leey, ইত্যাদি। দোলের নাম অবশ্য বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন রকম: বাংলা, ওড়িশা ও অসমে দোলযাত্রা, বিহারে ফাগুন, মহারাষ্ট্রে শিম্গা, গোয়া ও কোঙ্কণ উপকূলে শিগমো। আবার কোঙ্কণ উপকূলে এই উৎসব উক্কুলি নামে পরিচিত। মালয়ালম ভাষায় এর নাম মঞ্জলকুলি, যার অর্থ হল হলুদ-স্নান। কর্ণাটক ও তেলেঙ্গানার মানুষের বিশ্বাস, পবিত্র অগ্নিতে যাঁকে দাহ করা হয় তিনি হোলিকা নন, তিনি হলেন কামদেব, আর তাই ওঁরা বলেন কাম-দহন। তামিলনাড়ুতে দোল উৎসবের নাম পানগুনি-উত্থিরম্।
গুজরাতে হোলি চলে দু’দিন ধরে। হোলিকার আগুনে নারকেল এবং ভুট্টা আহুতি দেওয়া হয়। এই সময় রবিশস্য পেকে ওঠে, ফলে খাওয়া-দাওয়া, নাচ, গানের ধুমধাম অনেক বেশি। কমবয়সি ছেলেমেয়েরা ননি-ভাণ্ডের দখল নিয়ে ‘লড়াই’ চালায়। তবে আসল হোলি অবশ্যই কৃষ্ণ-কানহাইয়ার জন্মস্থান মথুরা ও বৃন্দাবনে। বারসানার ‘লাঠ-মার হোলি’ নিয়েই সবচেয়ে মাতামাতি। শুনতে অবিশ্বাস্য মনে হলেও সত্য। মেয়েরা হোলির দিন পুরুষদের লাঠিপেটা করে, ছেলেরা দৃশ্যত সেই আদরের মার খেয়ে গান গেয়ে ওঠে, সে গান মেয়েদের রাগিয়ে দেওয়ার গান, মেয়েরা কপট রাগে পুরুষদের আরও বেশি করে মারতে থাকে।
আবার বারাণসীতে কাদামাটি গায়ে মেখে কুস্তি না হলে চলে না। আরও নিচে বিহারে ফাগুর প্রচলন মূলত ভোজপুরি উৎসব হিসাবে, সেখানে রঙের বদলে কাদার ব্যবহারই বেশি। তারপর মশলাসহ ভাঙের শরবত খেয়ে ঢোলক বাজিয়ে নাচগান।
আর এমন এক দোলের দিনেই তো আগমন শ্রীচৈতন্যদেবের। শচীমাতা জন্ম দিলেন নিমাইয়ের। নামকরণ করেছিলেন অদ্বৈত-আচার্যের স্ত্রী সীতা দেবী। বহু সন্তানের অকালমৃত্যুর অভিশাপ কাটিয়ে তাঁর জন্ম। তাই এই নাম। পাড়ার মেয়েরা ফরসা ছেলেটিকে ডাকতেন গোরা বলে। তাই তাঁর নাম গৌরাঙ্গও। পরে দীক্ষা হওয়ার পর শ্রীচৈতন্য। আর শ্রীচৈতন্য মানেই পুরীধাম। সেখানেই একমাত্র তাঁর দোল উৎসবের সঙ্গে যোগাযোগের চিত্র মেলে। হরিভক্তি বিলাসে বলা আছে, ফাল্গুন পূর্ণিমায় দোলযাত্রার বিধান শুধু জগন্নাথ ধাম সম্পর্কেই প্রযোজ্য। পুরীতে দোলের উৎসব ফাল্গুন মাসে প্রবর্তনের যে রেওয়াজ শুরু হয়, সেখান থেকেই বাংলায় চলে আসে এই সমারোহ। রথের সময় অনেক তীর্থযাত্রীরা ‘সেথো’দের সঙ্গে পুরী যেতেন। বিষয়টা তাঁদেরও জ্ঞাতব্য। আর শ্রীচৈতন্যদেব সেখানে অধিবাসী হওয়ায় পুরীর বৈষ্ণব সংস্কৃতি লোকবাহিত হয়ে বাংলাতেও চলে আসে। তাই চৈতন্যদেবের জীবনীতে কোথাও নবদ্বীপে দোল উৎসবের উল্লেখ নেই। শুধু নয়নানন্দ ঠাকুরের লেখা... যা শ্রীচৈতন্যের দোল খেলা নিয়ে..., যেখানে আমরা দেখি ‘বিরক্ত’ সন্ন্যাসী শ্রীচৈতন্য। নেই আবির কুঙ্কুমের ছড়াছড়ি। নেই ‘হোলি হ্যায়’। শুধুই বাজছে খোল আর করতাল। অথচ দোল খেলা চলছে। এখানে রাধা এবং কৃষ্ণকে আলাদাভাবে ভাবা যায় না। রাধিকার ভাব শ্রীচৈতন্যের মধ্যেও।
এক গ্রাম্য হোলির চিত্রপট
অনুচ্চ টিলার উপর একটানা বেজে চলেছে ডিডাম ডাম, ডিডাম ডাম, ডিম ডিম মিঠে মাদলের মনকাড়া আওয়াজ। চারদিকে আকাশমণি, ইউক্যালিপটাস, শাল, মহুয়া, পলাশ এবং সেগুনের দল মাথা উঁচু করে আকাশের পানে। জ্যোৎস্নায় ভেসে যাচ্ছে চরাচর। জ্যোৎস্নালোকে উঁকি দিচ্ছে রক্তরাগেভরা পলাশের ফাগ।
বসন্তের চাদরে মুড়ে চাঁদের আলোর রং নিয়ে নাচ-গানের আড্ডা জমে উঠেছে। কোথাও হচ্ছে আদিবাসীদের ক্যাংড়া ক্যানাস্তা বাজিয়ে গান, কোথাও হচ্ছে মাদলের মাতাল করা শব্দে কোমর দুলিয়ে নাচ। সেই গানের সুরে নাচের তালে দুলছে আধো-অন্ধকারে হাজার হাজার ছায়া ছায়া শরীর। সবাই যেন মহুয়ার রসে মাতাল। আজ যে হোলি। মহুয়ার রস আর পলাশের রং লেগেছে ওদের মনে।
কখন যে রাতের অন্ধকার ফিকে হয়ে যায়, তা টের পাওয়া যায় না। এরই নাম হোলি। যেখানে মানুষের মনপ্রাণ, আত্মা, শরীর, একাত্ম হয়ে আনন্দের শরিক হয়। পুরুলিয়া জেলার এক প্রত্যন্ত গ্রামের ছোট একটি টিলায় প্রতি দোল পূর্ণিমার আগের রাতে চাঁচর উৎসব বসে। মেলা না হয়েও মেলায় রূপান্তরিত।
তিন দিনের উৎসব। প্রথম দিন চাঁচর, দ্বিতীয় দিন দোল এবং তৃতীয় দিন হোলি। এই উৎসব মানুষের গভীরে লুকিয়ে থাকা সৃষ্টির সম্ভাবনাকে প্রকৃতির কোলে বিকশিত করার প্রচেষ্টা। তাই আর পাঁচটা উৎসবের চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা। স্বতন্ত্র। খাওয়া-দাওয়ার প্রয়োজনও থাকে না। তবে পাওয়া যায় কম দামে বিশুদ্ধ মহুয়ার রস আর সস্তার মুরগির মাংস। তাতেই এই গরিব নিরন্ন মানুষগুলো দিন কয়েকের জন্য শিল্পী হয়ে ওঠেন। তাঁদের সৃষ্টিকর্মকে মেলে ধরার চেষ্টা করে। সেই সৃষ্টিকে কেউ যদি সম্মান জানিয়ে ঘরে নিয়ে যেতে চায় তো সহজেই নিয়ে যেতে পারে। তখনই ঘটে শিল্পীসত্তার পরিপূর্ণ বিকাশ। মানুষ আসে প্রাণের টানে। উৎসব ছিল মূলত আদিবাসী আর উপজাতি সম্প্রদায়ের। সেটাই বর্তমানে হয়ে উঠেছে সর্বজনীন।
 অঙ্কন ও গ্রাফিক্স: সোমনাথ পাল
 সহযোগিতায়: উজ্জ্বল দাস
 ছবি: তাপস কঁাড়ার
12th  March, 2017
খাতা দেখা 

বসন্ত কড়া নাড়লেই বুঝতে হবে মা-উমা খুব দূরে নেই। অর্থাৎ মাধ্যমিক-উচ্চ মাধ্যমিক। ভাবা যায়, একটা রাজ্যে মাধ্যমিক-উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৮ লক্ষের বেশি? আর এই দুই পরীক্ষা শেষ হতেই রাজ্যের আনাচে কানাচে হাজার হাজার স্কুল টিচারের গৃহকোণে শুরু হয়ে যায় কুটির শিল্প—খাতা দেখা।
বিশদ

28th  May, 2017
র‌্যানসামওয়্যার এবং বিটকয়েন 

দেবজ্যোতি রায়: ‘এত দ্রুতগতিতে প্রযুক্তির উন্নতি ঘটছে যে এই আগ্রাসন গোটা মানবজাতিকে নিঃশেষ করে দিতে পারে। বংশপরম্পরাকে রক্ষা করতে গেলে যুক্তি ও কারণ দিয়ে এতে লাগাম দিতে হবে।’ প্রযুক্তির রকেটসম অগ্রগতি নিয়ে সম্প্রতি এক সেমিনারে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন পৃথিবীখ্যাত বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিনস। এর জন্য বিভিন্ন দেশের সরকারকে এগিয়ে আসার আরজিও জানিয়েছিলেন কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের এই প্রফেসর তথা পদার্থবিদ।
বিশদ

21st  May, 2017
আবাসন আইন 

১ মে দেশজুড়ে চালু হয়েছে আবাসন সংক্রান্ত আইন ‘দি রিয়েল এস্টেট (রেগুলেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট) অ্যাক্ট। চলতি কথায় ‘রেরা’। কেন্দ্রীয় আইনটির উপর ভিত্তি করে রাজ্যগুলির নিজস্ব বিধি রা রুল তৈরি করার কথা। কী পরিস্থিতি রয়েছে এই আইন নিয়ে? আইনটির সুবিধাগুলিই বা কী কী? দেখে নেওয়া যাক আইনের খুঁটিনাটিগুলি। 
বিশদ

14th  May, 2017
বাহুবলীর নেপথ্যে

যাবতীয় রেকর্ড ভেঙে সদর্পে ছুটে চলেছে বাহুবলীর বিজয়রথ। প্রথম দিনের কালেকশনই ছিল প্রায় ১২২ কোটি। লাইট, ক্যামেরা, সাউন্ড, অ্যাকশন এবং ভিস্যুয়াল এফেক্ট। ছবির অভাবনীয় সাফল্যের নেপথ্যে কিন্তু রয়েছে আরও অনেক কিছু। বিশদ

07th  May, 2017
রিকশ থেকে টোটো

বাজারের থলে হাতে নিয়ে খেঁাজ পড়ে তার। সন্তান হঠাৎ জ্বরে পড়লেও ডাক্তারখানা যেতে যে সেই ভরসা। বাহক থেকে চালক হওয়ার দীর্ঘ সফরে রিকশ চিরকাল সঙ্গী মধ্য ও নিম্নবিত্তের। কালের বিবর্তনে তার আগে ‘ই’ স্বরবর্ণ জুড়েছে। তবু এই টোটোর আমলে সুর কাটেনি রিকশ রোমান্টিকতার
বিশদ

30th  April, 2017
খাঁসাহেব 

সমৃদ্ধ দত্ত: মার্চ মাসের সকাল সাড়ে ১০টা এমনিতে দিল্লিতে বেশ আরামদায়ক ওয়েদার। সেদিন ৫ মার্চ আবার বেশ ঠান্ডা হাওয়াও ছিল। ইন্ডিয়ান হ্যাবিট্যাট সেন্টারে আয়ান আলি বাঙ্গাশ আসনে বসেই গুরুগম্ভীর আবহটি কাটিয়ে বেশ হালকা মুড নিয়ে এলেন। একটু আগে ঘোষিকা সিরিয়াস ভঙ্গিতে শ্রোতৃমণ্ডলীকে বলেছেন, সরোদ বাদনের মাঝখানে করতালি না দেওয়াই শ্রেয়। 
বিশদ

23rd  April, 2017
 স্মৃতির রেলপথে

 ওই রেললাইন দিয়ে আরও একবার ট্রেন ছুটবে। শিয়ালদহ থেকে ছেড়ে পৌঁছে যাবে খুলনা। ওই রেলরুটে আরও একবার মিলবে দুই বাংলা। যা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল স্বাধীনতার আগে। সেই স্মৃতির পথেই আজ ফিরে দেখা।
বিশদ

16th  April, 2017
 অপেক্ষায়

 উদ্দালক ভট্টাচার্য: এ যে ইতিহাসেরই পুনরাবৃত্তি। এ প্রজন্মের ক’জন আর দেখেছে এই ট্রেনকে? জন্ম থেকে হয় বাপ-ঠাকুরদার মুখে শোনা, কিংবা চোখে দেখা ওই রেললাইনটা। স্মৃতির আঁচ উসকে হঠাৎ এল খবর, আবার জুড়তে চলেছে ভারত-বাংলাদেশ। ওই রেললাইনের মাধ্যমেই। আবার শিয়ালদহ থেকে রেল ছুটবে... পৌঁছে যাবে খুলনা পর্যন্ত। অনেকের মতো ওই ব্যক্তির পরিবারও একদিন দেশভাগের আবহে ছিন্নমূল হয়ে উঠে এসেছিল এপারে।
বিশদ

16th  April, 2017
মিথভঙ্গ? 

পদবি কি তার ধার ও ভার দুই-ই হারাচ্ছে? মোদি জমানায় আজ এই চরম প্রশ্নের মুখে কংগ্রেস। আর স্পষ্ট করে বলতে গেলে গান্ধী ও নেহরু পরিবার। সৌজন্যে রাহুল গান্ধী। কেন এখনও আসরে নেই প্রিয়াঙ্কা? তিনিও নিছক রূপকথা নন তো? 
বিশদ

09th  April, 2017
আগুনের সঙ্গে লড়াই 

‘পদ্মশ্রী’ বিপিন গণোত্রা: আগুনে বড় ভয় ছিল দাদার। নিজে তো দূরে থাকতেনই, আমাদেরও সবসময় সাবধান করতেন। দাদার মতো নির্বিবাদী লোক খুব বেশি দেখিনি। খেরু প্লেসে মোটর পার্টসের একটা দোকান ছিল। দোকান, আর বাড়ি... এই ছিল দাদার রুটিন।
বিশদ

02nd  April, 2017



একনজরে
দিব্যেন্দু বিশ্বাস, নয়াদিল্লি, ২৮ মে: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর দল তৃণমূল কংগ্রেসকে ‘অল আউট’ আক্রমণ করুন। এ ব্যাপারে কোনওরকম চিন্তাভাবনা করার প্রয়োজন নেই। কেন্দ্রের বিজেপি ...

ওয়াশিংটন, ২৮ মে: প্যারিস জলবায়ু চুক্তির প্রতি নিজেদের সমর্থন জানাল শিল্পোন্নত সাত দেশের জোট জি-সেভেন এর ছ’টি রাষ্ট্র। তবে এই চুক্তিতে আমেরিকা অবস্থান পরিষ্কার করেননি ...

 বিএনএ, মেদিনীপুর: রেশনের মালপত্র পাচারের চেষ্টার অভিযোগে গোয়ালতোড়ের নলবনা গ্রামে এক ডিলারের বাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ দেখাল গ্রামবাসীরা। শনিবার রাতে ওই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। অভিযুক্ত রেশন ডিলার সমীর দত্তের বাড়ি ভাঙচুর করার পাশাপাশি তাঁকে মারধরও করা হয় বলে অভিযোগ। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: প্রচুর বিদেশি মুদ্রা ও মোবাইল ফোনসহ রবিবার রাজারহাট থানার পাড়খড়িবাড়ি থেকে রোকিয়া বিবি নামে এক মহিলা পকেটমারকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মপ্রার্থীদের ক্ষেত্রে শুভ। যোগাযোগ রক্ষা করে চললে কর্মলাভের সম্ভাবনা। ব্যাবসা শুরু করলে ভালোই হবে। উচ্চতর ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৮৩- স্বাধীনতা সংগ্রামী বিনায়ক দামোদর সাভারকারের জন্ম
১৯২৩- রাজনীতিক ও তেলুগু দেশম পার্টির প্রতিষ্ঠাতা এনটি রামা রাওয়ের জন্ম
২০১০- পশ্চিমবঙ্গে জ্ঞানশ্বেরী এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় অন্তত ১৪১জনের মৃত্যু

28th  May, 2017



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৭৪ টাকা ৬৫.৪২ টাকা
পাউন্ড ৮১.৭৫ টাকা ৮৪.৭২ টাকা
ইউরো ৭১.০৭ টাকা ৭৩.৬০ টাকা
27th  May, 2017
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৯,৩৪৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৭,৮৪০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৮,২৬০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪০,৪০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪০,৫০০ টাকা
28th  May, 2017

দিন পঞ্জিকা

১৫ জ্যৈষ্ঠ, ২৯ মে, সোমবার, চতুর্থী দিবা ১১/৭, পুনর্বসুনক্ষত্র দিবা ১/২৫, সূ উ ৪/৫৫/৫৯, অ ৬/১১/৪৭, অমৃতযোগ দিবা ২/২৮-১০/১৪ রাত্রি ৯/৪-১১/৫৫ পুনঃ ১/২১-২/৪৭, বারবেলা ৬/৩৬-৮/১৫ পুনঃ ২/৫২-৪/৩২, কালরাত্রি ১০/১৩-১১/৩৪।
১৪ জ্যৈষ্ঠ, ২৯ মে, সোমবার, চতুর্থী অপরাহ্ণ ৪/১৫/৪৭, পুনর্বসুনক্ষত্র সন্ধ্যা ৬/৩৬/১০, সূ উ ৪/৫৪/৫০, অ ৬/১২/১৫, অমৃতযোগ দিবা ৮/২৭/২৯-১০/১৩/৪৮ রাত্রি ৯/৩/৩৬-১১/৫৪/৫৮, ১/২০/৩৮-২/৪৬/১৯, বারবেলা ২/৫২/৫৪-৪/৩২/৩৪, কালবেলা ৬/৩৪/৩১-৮/১৪/১১, কালরাত্রি ১০/১৩/১৩-১১/৩৩/৩৩।
২ রমজান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুরে ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে গাড়ির ধাক্কা, মৃত ৩ 
উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুরে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে গাড়ির ধাক্কায় তিনজনের মৃত্যু হল। জখম হয়েছেন একজন। রবিবার রাতে ঘটনাটি ঘটে ইসলামপুরের রামগঞ্জে ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের উপর। 

01:32:00 AM

রায়গঞ্জ জেলা হাসপাতালে রোগী উধাও, উত্তেজনা 
এক রোগীর বেপাত্তা হয়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা রায়গঞ্জ জেলা হাসপাতালে। হাসপাতালের অ্যাসিসট্যান্ট সুপারকে হেনস্তার অভিযোগে আটক করা হয়েছে তিনজনকে। 

28-05-2017 - 09:24:00 PM

আমেরিকার মিসিসিপিতে বন্দুকবাজের হামলায় মৃত কমপক্ষে ৮, অভিযুক্ত ধৃত 

28-05-2017 - 08:57:00 PM

ম্যাঞ্চেস্টারে আত্মঘাতী বিস্ফোরণের ঘটনায় ব্রিটেনে ধৃত ২৫ বছরের এক যুবক 

28-05-2017 - 08:55:00 PM

শ্রীলঙ্কায় বন্যা: ত্রাণসামগ্রী নিয়ে কলম্বো পৌঁছাল ভারতীয় নৌসেনা জাহাজ আইএনএস শার্দূল

28-05-2017 - 03:21:58 PM

পার্কস্ট্রিটে কর্পোরেশন ব্যাংকে আগুন, ঘটনাস্থলে ৪টি দমকলের ইঞ্জিন
রবিবার দুপুরে পার্কস্ট্রিটে কর্পোরেশন ব্যাংকে আগুন। ঘটনাস্থলে ৪টি দমকলের ইঞ্জিন। এখনও আগুন জ্বলছে ব্যাংকে ভিতরে। এলাকায় ব্যাপক ধোঁয়া। প্রায় ৪০ মিনিট ধরে আগুন জ্বলছে। দমকল ও পুলিশ কর্মীরা ব্যাংকের শাটার খোলার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। ঘটনাস্থলে কলকাতা পুলিশের ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট টিমের আধিকারিকরা। যদিও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে দমকলের পক্ষ থেকে। দমকল কর্মীদের অনুমান কর্পোরেশন ব্যাংকের সার্ভার রুম থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটেছে।

28-05-2017 - 03:20:24 PM






বিশেষ নিবন্ধ
 লালবাজার অভিযান: মমতার চালে বিজেপি মাত!
শুভা দত্ত: সিপিএমের নবান্ন অভিযানের ধাঁচে লালবাজার অভিযান করে রাজ্যবাসীকে চমকে দিতে চেয়েছিল রাজ্য বিজেপি। ...
 হুট বলতে ফুট কাটার অসুখ
 সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়: আমার এক বন্ধু প্রায়ই ভারী অদ্ভুত অদ্ভুত কথা বলে। যেমন, জ্বর-জ্বালা, বুক ধড়ফড়ানি, ...
নদী তুমি কার
বিশ্বজিৎ মুখোপাধ্যায়: ১৯৪৭ সালে দ্বিখণ্ডিত স্বাধীনতা কেবলমাত্র মানুষকে ভাগ করেনি, প্রাকৃতিক সম্পদেও ভাঙনের সাতকাহন সূচিত ...
চীন, পাকিস্তান বেজিংয়ে ফাঁকা মাঠ পেয়ে গেল ভারতের কূটনৈতিক ভুলের কারণে
কুমারেশ চক্রবর্তী: মাত্র কিছু দিন আগে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা আইসিসি’র এক ভোটে ৯-১ ভোটে ...
ভুলে যাওয়ার রাজনীতি
 সমৃদ্ধ দত্ত: আমাদের প্রিয় গুণ হল ভুলে যাওয়া। রাজনৈতিক নেতানেত্রীরা সেটা জানেন। তাই তাঁদের খুব ...