Bartaman Patrika
প্রচ্ছদ নিবন্ধ
 

শতবর্ষে স্রষ্টা 
সন্দীপন বিশ্বাস

সবাই তাঁকে চেনেন ঢুলুদা নামে। পোশাকি নাম অরবিন্দ মুখোপাধ্যায়। সেই মানুষটির হাত দিয়ে বেরিয়েছিল ‘আহ্বান’, ‘অগ্নীশ্বর’, ‘ধন্যি মেয়ে’, ‘মৌচাক’-এর মতো অমর ছবি। আগামী মঙ্গলবার, ১৮ জুন তাঁর জন্মশতবর্ষ।

মন খারাপ গৌরীর। তাই একদিন সকালে তিনি চলে গেলেন ঢুলুর বাড়ি। তাঁকে দেখেই ঢুলু বলে উঠলেন, ‘আয় গৌরী। কী ব্যাপার, এত সকালে?’
গৌরী বললেন, ‘মনটা খুব খারাপ রে! কাল গিয়েছিলাম শচীন কর্তার বাড়িতে। পুজোর জন্য একটা গান লিখেছিলাম। উনিই লিখতে বলেছিলেন। কিন্তু কাল যখন গিয়ে শোনালাম, উনি বললেন, এবারের গান তো আমার সিলেকশন হয়ে গিয়েছে। ওঁর স্ত্রী মীরাদিই এবার পুজোর গান লিখেছেন। এখন গানটা নিয়ে কী করি বলতো!’
ঢুলু বললেন, ‘গানের কথাটা শোনা তো।’ গান শুনে ঢুলু বললেন, ‘তুই বিকেলে স্টুডি ওয় চলে আয়। ওখানে নচি আসবে। দেখি কথা বলে।’ স্টুডিওয় নচিকেতা ঘোষ গানের কথা শুনে সুর করতে বসে গেলেন। হয়ে গেল সুর। ঢুলু বললেন, ‘এটা আমার ছবিতে ব্যবহার করব।’ সেই গান ছবিতে ব্যবহার হল এবং তা বিখ্যাত হয়ে মানুষের মুখে মুখে ফিরতে লাগল। সেই গানটিই হল ‘না, না, না, আজ রাতে আর যাত্রা শুনতে যাব না।’ গানটি ব্যবহৃত হয়েছিল পরিচালক অরবিন্দ মুখোপাধ্যায়ের ‘নিশিপদ্ম’ ছবিতে। গানের কথায় ছিল, ‘বুঝলে নটবর..’। সেই জন্য চিত্রনাট্যে ‘নটবর’ নামে একটি চরিত্রের সংযোজনও করা হল। সেটা করেছিলেন জহর রায়। পরে অরবিন্দবাবুর চিত্রনাট্য নিয়ে বলিউডে শক্তি সামন্ত তৈরি করলেন ‘অমর প্রেম’।
বাঙালিকে অরবিন্দ মুখোপাধ্যায় উপহার দিয়েছেন একগুচ্ছ অসাধারণ সব ছবি। সেখানে যেমন বিনোদন আছে, তেমনই আছে অনুভবের কথাও। বাঙালিয়ানাকে কীভাবে আদ্যোপান্ত ছবিতে আনা যায়, তা ছিল তাঁর নখদর্পণে। ভাবনার গভীরতা এবং সহজাত রসিক মন না থাকলে এমন সব ছবি তৈরি করা সম্ভব নয়। একই মানুষ তৈরি করছেন ‘ধন্যি মেয়ে’, ‘মৌচাক’, ‘মন্ত্রমুগ্ধ’, ‘অজস্র ধন্যবাদ’, ‘কেনারাম বেচারাম’-এর মতো হাসির ছবি। আবার তাঁর হাত দিয়েই বেরিয়ে এসেছে ‘কিছুক্ষণ’, ‘আহ্বান’, ‘অগ্নীশ্বর’, ‘নিশিপদ্ম’, ‘নতুন জীবন’-এর মতো মরমী ছবি। যেন একটি পাখির ভিন্ন অনুভবের দু’টি ডানা। আর দুই ক্ষেত্রেই ঢুলুবাবু সফল।
দাদা ছিলেন বিখ্যাত সাহিত্যিক বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)। তাই পারিবারিক সূত্রে তিনি পেয়েছিলেন সহজাত সাহিত্যবোধ। দাদা ডাক্তারি পাস করলেও অরবিন্দবাবুর আর ডাক্তারি পাস করা হয়নি। তাতে হয়তো বাংলা সিনেমা অনেক বেশি উপকৃত ও সমৃদ্ধ হয়েছে। ভালো ছাত্র ছিলেন। ১৯৩৯-এ ম্যাট্রিকে পাস করার পর বনফুল তাঁকে পাঠিয়ে দিলেন শান্তিনিকেতনে। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গে বনফুলের যোগাযোগ ছিল। বনফুল তাঁর ছোট উপন্যাস ‘কিছুক্ষণ’ কবিগুরুকে উৎসর্গ করেছিলেন। সেই কাহিনী নিয়েই অরবিন্দ পরে তৈরি করেছিলেন তাঁর প্রথম ছবি।
শান্তিনিকেতনে তখন প্রিন্সিপাল ছিলেন অনিল চন্দ। তিনি ছিলেন কবিগুরুর সেক্রেটারিও। খুব রসিক মানুষ। একদিন তিনি অরবিন্দকে বললেন, ‘গুরুদেব তোমাকে ডাকছেন।’ সেই সঙ্গে রসিকতা করে বললেন, ‘গুরুদেব কানে একটু কম শোনেন। যা বলবে, চেঁচিয়ে বলবে।’ অরবিন্দ শ্যামলীতে কবিগুরুর সঙ্গে দেখা করতে গেলেন। কবিগুরু তাঁকে বললেন, ‘তুমি কি বলাইয়ের ভাই কানাই নাকি?’ তিনি চিৎকার করে বললেন, ‘আজ্ঞে না, আমি অরবিন্দ।’ গুরুদেব বললেন, ‘ওরে বাবা এ যে দেখি সানাই!’ তারপর উনি বললেন, ‘তুমি বলাইয়ের ভাই হয়ে সায়েন্স পড়ছ! সাহিত্য পড়ো। কাল থেকে আমার সাহিত্যের ক্লাসে আসবে।’
সেই সময় শান্তিনিকেতনে হাতে লেখা একটা ম্যাগাজিন প্রকাশ হতো। তার পুরোধা ছিলেন অরবিন্দবাবু এবং সত্যজিৎ রায়। সেখানে প্রকাশকের জায়গায় নাম লেখা থাকত ‘তুমি’ এবং সম্পাদকের স্থলে নাম লেখা থাকত ‘আমি’। সত্যজিৎও তখন সেখানকার ছাত্র। দু’জনের খুব ভালো সম্পর্ক ছিল শেষ দিন পর্যন্ত। অরবিন্দের নাকটা একটু লম্বা ছিল। সত্যজিৎ রায় তাঁকে নিয়ে একটা কার্টুনও এঁকেছিলেন।
শান্তিনিকেতনে রামকিংকর বেজের অনুপ্রেরণায় তাঁর নাটকের চর্চা শুরু হল। গিরীশ ঘোষ, রবীন্দ্রনাথ, বার্নাড শ’র নাটকের অভিনয় করলেন। রামকিংকরের ‘ত্রিধারা’ নামে একটি নাটকের অভিনয় হল। সেই নাটকে নায়ক ও নায়িকার ভূমিকায় অভিনয় করলেন অরবিন্দ মুখোপাধ্যায় ও সুচিত্রা মিত্র।
এরপর বাঁকুড়ায় মেডিক্যাল কলেজে পড়ার সময়ও নাটকের চর্চা অব্যাহত ছিল। সেখানে নিজের লেখা ‘সরস্বতী’ নাটকে অভিনয় করলেন। সেই নাটক দেখে বাঁকুড়ার তৎকালীন ডিএম অন্নদাশঙ্কর রায় বললেন, ‘ডাক্তারি লাইন তোমার জন্য নয়। তোমার লাইন অন্য।’ কলকাতায় পরীক্ষা দিতে এলেন ১৯৪৪ সালে। সেই সময় রিলিজ করেছে বিমল রায়ের ‘উদয়ের পথে’। সেই ছবি দেখে তিনি মনস্থির করলেন, ছবির জগতে তাঁকে ঢুকতে হবে এবং পরিচালকের সঙ্গে আলাপ করতে হবে। পরিচয় হল। কিন্তু সেখানে কাজের তেমন আশ্বাস মিলল না।
ফিল্ম লাইনে কাজ করার অনুমতি দেননি তাঁর বাবা সত্যচরণ মুখোপাধ্যায়ও। কিন্তু তিনি নিজের সিদ্ধান্তে অবিচল রইলেন। একদিন পরিচালক অর্ধেন্দু মুখোপাধ্যায়ের ছবিতে সহকারী হিসেবে যুক্ত হলেন। পাশাপাশি চলল লেখার কাজ। কিছুদিনের মধ্যেই বিমল রায়ের আগ্রহে যোগ দিলেন নিউ থিয়েটার্সে। মাইনে দেড়শো টাকা। বিখ্যাত মানুষদের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা তৈরি হল। একদিন বিমল রায় বম্বে চলে গেলেন। সঙ্গে নিয়ে গেলেন হৃষিকেশ মুখোপাধ্যায়, অসিত সেন, অভি ভট্টাচার্যকে। বিমল রায় চেয়েছিলেন ঢুলুও যাক। কিন্তু নিউ থিয়েটার্স তাঁকে ছাড়তে চায়নি।
এরপর ১৯৫৯ সালে সহকারী থেকে নিজেই হলেন পরিচালক। প্রথম ছবি করলেন ‘কিছুক্ষণ’। কাহিনী বনফুলের। সেই ছবিতেই রবি ঘোষের আবির্ভাব। আমাদের দুর্ভাগ্য সেই ছবি আজ আর পাওয়া যায় না। বনফুলের এই গল্পটি নিয়ে ছবি করতে চেয়েছিলেন সত্যজিৎ রায়ও। কিন্তু ততদিনে ঢুলুবাবু ছবির কাজ শুরু করে দিয়েছেন। সেই ছবি দেখতে হলে গিয়েছিলেন সত্যজিৎ রায়। দীর্ঘকায় হওয়ায় সিনেমা হলের ছোট স্পেসের চেয়ারে বসতে তাঁর অসুবিধা হতো। তাই হলের দোতলার সিঁড়িতে বসে ‘কিছুক্ষণ’ দেখেছিলেন সত্যজিৎ। কিছুক্ষণ দেখার পর খুব প্রশংসা করেছিলেন। এমনকী ‘অগ্নীশ্বর’ দেখার পর তিনি বলেছিলেন, ‘ঢুলু, তুমি বাংলা ছবিতে একটা বলিষ্ঠ চরিত্র তৈরি করেছো।’
দ্বিতীয় ছবি ‘আহ্বান’। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবিটি সেলুলয়েডে অন্য মাত্রা পেল। দর্শকদের চোখের জলের দাগে লেখা হল ভালোলাগার শংসাপত্র। কান চলচ্চিত্র উৎসবে ডাক পেল ‘আহ্বান’। কিন্তু কোনও এক অজ্ঞাত কারণে সেই ছবি কান উৎসবে পাঠানো যায়নি।
‘মৌচাক’ ছবিটি তৈরি হয়েছিল সমরেশ বসুর ‘অবশেষে’ নামের দু’ পাতার একটি গল্প নিয়ে। ছবিটি নিয়ে সেদিন মিটিং ছিল ভরত সমশের জং বাহাদুর রানার গণেশ অ্যভিনিউয়ের অফিসে। রানা সাহেব, সমরেশ বসু এবং ঢুলুবাবুর মিটিং। মিটিংয়ে পৌছতে একটু দেরি হয়েছিল ঢুলুবাবুর। রানা জিজ্ঞাসা করলেন, ‘কী ঢুলুবাবু, আপনার গাড়ি কি খারাপ হয়ে গিয়েছিল?’ ঢুলুবাবু বললেন, তাঁর গাড়ি নেই। কথায় কথায় জানা গেল, তিনি তখনও বাড়ি করতে পারেননি। থাকতেন ভাড়া বাড়িতে। এরপর মৌচাকের স্ক্রিপ্ট লেখা হল। বড়ভাইয়ের চরিত্র করার জন্য অফার দেওয়া হল উত্তমকুমারকে। তিনি স্ক্রিপ্ট শুনে বললেন, ‘ঢুলুদা, আপনার জন্য শ্যুটিংয়ে দিন দশেক সময় দিতে পারি।’ সেই ছবি তৈরি হল। ‘বই’ রিলিজ করেছে। প্রথম শো হাউস ফুল। অন্ধকার হলে দরজার কাছে দাঁড়িয়ে আছেন ঢুলুবাবু এবং রানা সাহেব। দুরু দুরু বুক। মানুষ ছবিটা নেবে তো! ছবি শুরু হল। একটু একটু করে সময় এগচ্ছে। বোঝা যাচ্ছে মানুষের ভালোলাগার অভিব্যক্তি। কিছুক্ষণ পরেই শুরু হল মিঠু মুখোপাধ্যায়ের গান। ‘বেশ করেছি প্রেম করেছি করবই তো’। উল্লাসে ফেটে পড়ল গোটা হল। ঢুলুবাবুর হাত দুটো ধরে টানতে টানতে বাইরে নিয়ে এলেন রানা সাহেব। তারপর তাঁকে জড়িয়ে ধরে বললেন, ‘ঢুলুবাবু, আপনার বই সুপারহিট হয়ে গেছে। এখন আপনি জমি দেখুন, আপনার বাড়ি হয়ে গেছে।’
‘ধন্যি মেয়ে’র কথা আসবেই। অমন হাসির ছবি বাংলায় ক’টা হয়েছে, তা আঙুল গুনেই বলে দেওয়া যাবে। জয়া ভাদুড়ি প্রথম নায়িকার ভূমিকায়। ছবিতে জয়ার প্রথম দিনের শ্যুটিংয়ে ছিল চিন্ময় রায়কে বঁটি নিয়ে তাড়া করার দৃশ্যটি। আজও সকলের মনে আছে সিনটা। সেই শ্যুটিং দেখে উত্তমকুমার অরবিন্দবাবুকে বললেন, ‘ঢুলুদা, চলচ্চিত্র জগৎ আর একটা সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়কে পেয়ে গেল।’
‘ধন্যি মেয়ে’ প্রসঙ্গে আর একটা গল্প চলে আসে। তখন শ্যুটিং চলছে জগৎবল্লভপুরে। সেখানে রাতে থাকার ব্যবস্থা হয়েছিল চণ্ডীমাতা ফিল্মসের মালিক সত্যনারায়ণ খাঁর বাড়িতে। সেখানে একটা ঘরে অরবিন্দবাবু থাকতেন, অন্য ঘরে জয়া ও সাবিত্রী থাকতেন। অন্যান্য ঘরে থাকতেন অন্য শিল্পীরা। একদিন প্রোডাকশন ম্যানেজার এসে দেখলেন ঢুলুবাবু মশারি টাঙাননি। জানা গেল মশারি টাঙানোর দড়ি নেই। সে কথা শুনতে পেয়ে সাবিত্রী এবং জয়া তাঁদের চুল বাঁধার দড়ি ও ফিতে দিয়েছিলেন। তাই দিয়ে ঢুলুবাবুর মশারি টাঙানো হয়েছিল।
উত্তমকুমারের সঙ্গে তাঁর দারুণ সম্পর্ক ছিল। অরবিন্দবাবু সব সময় উত্তমকুমারকে ছক ভেঙে ব্যবহার করেছেন। তাঁর চরিত্র, মেক আপ, অভিনয় নিয়ে নানা রকম এক্সপেরিমেন্ট করেছেন। সে ‘নিশিপদ্ম’ হোক বা ‘মৌচাক’ হোক অথবা ‘অগ্নীশ্বর’। উত্তমকুমারের অভিনয়ের ধারায় অগ্নীশ্বর এক অন্যধারার চরিত্র। যে দরদ দিয়ে অরবিন্দবাবু চরিত্রটিকে তৈরি করেছিলেন, সেই দরদ এবং শ্রদ্ধা দিয়ে উত্তমকুমার তৈরি করলেন চরিত্রটি।
উত্তমকুমারের চশমার উপর দিয়ে তাকানোর বিশেষ ভঙ্গিমাটি নিয়েও হয়েছে অনেক পরীক্ষা নিরীক্ষা। পরিচালক চেয়েছিলেন অন্যরকম একটা লুক আসুক। উত্তমকুমার কয়েকটি করে দেখিয়েছিলেন। তার মধ্য থেকে ওটাই পরিচালকের পছন্দ হয়েছিল।
‘অগ্নীশ্বর’ নিয়ে খুব টেনশনে ছিলেন উত্তমকুমারও। রোমান্টিক অভিনয়ের ইমেজ ভেঙে যে অভিনয় করলেন, সেই অভিনয়ের গ্রহণযোগ্যতা কেমন হবে, তা নিয়েই তৈরি হয়েছিল টেনশন। যেদিন ছবিটি রিলিজ করল, সেদিন রাত ১১টা নাগাদ উত্তমকুমার ফোন করলেন অরবিন্দকে। বললেন, ‘ঢুলুদা, খুব চিন্তা ছিল। মনে হচ্ছিল বিরাট একটা পরীক্ষা দিয়েছি। আজ রেজাল্ট বের হল। অনেক জায়গা থেকে ফোন পেয়েছি। মনে হচ্ছে উতরে গেলাম। আপনি আমার অভিনয় জীবনকে দীর্ঘায়ু করলেন।’ উত্তরে ঢুলুবাবু বললেন, ‘তুমি আসাধারণ অভিনয় করেছ। ওই অভিনয় না হলে আমার ছবিটা মানুষ নিত না।’ পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের সাক্ষী থাকল সেই রাত।
ঢুলুবাবু এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, ‘নিউ থিয়েটার্সের মালিক বীরেন সরকার আমাদের বলেছিলেন, ছবি করবে সুরসিক ভদ্রলোকেদের জন্য। তাঁরা যাতে ছবি দেখে তৃপ্ত হন। এবং সেই ছবি দেখে যাতে ছোটলোকেরাও ভদ্রলোক হয়ে হল থেকে বেরিয়ে আসে।’ এই পরিচ্ছন্নতা, আবেগ ও মূল্যবোধ ছড়িয়ে ছিল তাঁর ছবির মধ্যে। কিন্তু তা কখনও স্লোগানের মতো প্রকট হয়ে ওঠেনি। বাঙালি জীবনের ছোট ছোট দুঃখ, ভালোলাগা, সংঘাত, মজা উঠে এসেছে তাঁর ছবিতে। অনুভবের মধ্য দিয়ে সেই ভাবনাগুলো কখন যেন আমাদের আত্মীয় হয়ে উঠেছে। তাঁর চরিত্রগুলো তো আমাদের ঘরের ছেলেমেয়ে, বাবা-মা, মামা, কাকা, ভাইপো। এইসব গল্প আমাদের ঘরের, পাড়ার বা পাশের ঘরের প্রতিবেশীর গল্প। তাই তাদের আমরা ভুলতে পারি না। আজও টিভিতে ‘ধন্যি মেয়ে’, ‘মৌচাক’, ‘অগ্নীশ্বর’ দেখালে পরিবারের সদস্যরা সব কাজ ফেলে একসঙ্গে বসে সেই ছবি দেখেন। যুগ বদলেছে, ভাবনা বদলেছে, সিনেমা অনেক বেশি আধুনিক হয়েছে, ক্যামেরার কারিকুরি বেড়েছে। কিন্তু তাঁর ছবিকে ঘিরে ভালোলাগার সেই উত্তরাধিকার আজও বাঙালি বহন করে চলেছে। কেননা তাঁর ছবিতে টেকনিক চাতুর্য নেই, আছে আত্মার সঙ্গে আত্মিক সম্পর্ক। তাই চল্লিশ-পঞ্চাশ বছর পরেও তা চিরনতুন মনে হয়। কোনওদিন তিনি তেমন কোনও উল্লেখযোগ্য পুরস্কার পাননি। কিন্তু বাঙালি আজও সেই ভালোলাগার পুরস্কার তাঁকে সশ্রদ্ধ মননে দিয়ে চলেছে।
একদিন তিনি কুঁদঘাটের বাজারে চাল কিনতে গিয়েছেন। দশ কিলো চাল কিনে রিকশ করে বাড়ি ফিরলেন। রিকশওয়ালাকে ভাড়া দিতে গেলে তিনি বলেছিলেন, ‘বাবু, আমি আপনাকে চিনি। কাল পূর্ণয় আপনার অগ্নীশ্বর সিনেমা দেখেছি। আমি উত্তমকুমারের ভক্ত। ওই ছবি দেখে চোখের জল ধরে রাখতে পারিনি। আমি পয়সা নিতে পারব না।’ অরবিন্দবাবু তাঁকে বুকে জড়িয়ে ধরে বলেছিলেন, ‘এটাই আমার সবথেকে বড় পুরস্কার’।
তাঁর ছবির একটা বড় সার্থক বিষয় ছিল গান। বহু সুপারহিট গানের স্রষ্টা তিনি। সেই সব গানের জন্য অসাধারণ সিকোয়েন্সও তৈরি করেছিলেন। তিনি মনে করতেন গান সেই কাহিনীর থেকে বিচ্ছিন্ন কোনও বিষয় নয়, গানও সেই কাহিনীর অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। গান বাদ গেলেই যেন মনে হয় ছবির অঙ্গহানি হল। তাই গান নিয়ে অনেক পরীক্ষা নিরীক্ষাও করেছেন। ‘নতুন জীবন’ ছবিতে তিনি ঠিক করেছিলেন একটি রবীন্দ্রসঙ্গীত ব্যবহার করবেন। কিন্তু গৌরীপ্রসন্নর লেখা ‘এমন আমি ঘর বেঁধেছি’ গানের কথা শুনে ঠিক করলেন, রবীন্দ্রসঙ্গীত নয়, এটাই ব্যবহার করবেন। একটা সিকোয়েন্সের জন্য বিভিন্ন জনকে দিয়ে গান লেখাতেন। তার মধ্যে যেটা সেরা মনে হতো, সেটাই ব্যবহার করতেন। যেমন ‘ধন্যি মেয়ে’র ‘এ ব্যথা কী যে ব্যথা বোঝে কি আনজনে’ গানটি। তিন চারজন প্রতিষ্ঠিত গীতিকার এই সিকোয়েন্সের জন্য গান লিখেছিলেন। শেষে তিনি পছন্দ করেছিলেন প্রণব রায়ের কথা। আবার ছবির সুরকার সিলেক্ট করার ক্ষেত্রেও তিনি পা ফেলতেন একেবারে মেপে। আগের ছবিতে কোনও সুরকারের তৈরি গান হিট হয়েছে মানেই তাঁকে পরের ছবিতে ডাকবেন, এমন তিনি ছিলেন না। নচিকেতা ঘোষ, হেমন্ত মুখোপাধ্যায়, পবিত্র চট্টোপাধ্যায়, রাজেন সরকার, নীতা সেন সহ অনেকেই তাঁর ছবিতে সুর দিয়েছেন। ‘মৌচাক’ ছবিতে সুর দেওয়া নিয়ে প্রথমে সলিল চৌধুরীর সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছিল। কিন্তু তা আর হয়ে ওঠেনি। সেই ছবিতে সুরারোপ করলেন নচিকেতা ঘোষ। সুপারহিট হল গান। ‘বেশ করেছি প্রেম করেছি’ সেই সময় বোল্ড ধরনের গান বলেই মনে করা হতো।
তাঁর ছবির গান মিশে গিয়েছে বাঙালির মননে। বহু বিখ্যাত গান তিনি দিয়ে গিয়েছেন বাঙালিকে। ‘আহ্বান’ ছবিতে পঙ্কজ মল্লিক ছিলেন সঙ্গীত পরিচালক। সেই ছবিতে কাজ করার জন্য তিনি কোনও পারিশ্রমিক নেননি।
দীর্ঘ পঞ্চাশ বছর অরবিন্দ জড়িয়ে ছিলেন চলচ্চিত্র শিল্পের সঙ্গে। যতদিন পর্যন্ত তাঁর ছবিগুলি দেখার সুযোগ পাওয়া যাবে, ততদিন পর্যন্ত বাঙালি লাফিং এক্সারসাইজ করার সুযোগ পাবে। সেলুলয়েডেই বেঁচে থাকবেন সকলের প্রিয় ঢুলুবাবু।
ছবি: অনিকা মুখোপাধ্যায়ের সৌজন্যে
গ্রাফিক্স  সোমনাথ পাল
সহযোগিতাগ  স্বাগত মুখোপাধ্যায় 
16th  June, 2019
ভো-কাট্টা

বিশ্বকর্মা পুজোর সঙ্গে ঘুড়ি ওড়ানোটা সমার্থক হয়ে গিয়েছে। বিশ্বকর্মা পুজো মানেই আকাশজোড়া ঘুড়ির আলপনা। অসংখ্য ঘুড়ির ভেলায় যেন স্বপ্ন ভাসে। বহু কৈশোর আর যৌবনের মাঞ্জায় লেগে আছে ঘুড়ি ওড়ানোর স্মৃতি। যে ছেলেটা কোনওদিন সকাল দেখেনি, সেও বিশ্বকর্মা পুজোর দিনে সূর্য ওঠার আগেই ঘুড়ি-লাটাই নিয়ে ছাদে উঠে যায়।  
বিশদ

15th  September, 2019
নির্মাণশিল্পী বিশ্বকর্মা
সন্দীপন বিশ্বাস

জরাসন্ধ তখন প্রবল প্রতাপান্বিত। বারবার মথুরা আক্রমণ করছিলেন। কিন্তু সপ্তদশ প্রচেষ্টাতেও মথুরা জয় করা তাঁর পক্ষে সম্ভব হয়নি। তাই ফের তিনি মথুরা আক্রমণের প্রস্তুতি নিতে লাগলেন। কৃষ্ণ অবশ্য জানতেন জরাসন্ধ কিছুতেই মথুরা জয় করতে পারবেন না।
বিশদ

15th  September, 2019
আগুন বাজার
বীরেশ্বর বেরা

 ‘কেন? আপনি যে পটল বেচছেন, এমন পটল তো আমরা ৩০-৩২ টাকায় কিনছি!’ গ্রাম্য যুবক তাঁর আপাত-কাঠিন্যের খোলস ছেড়ে সহজ হয়ে গেলেন হঠাৎ। তেলের টিনের উপর চটের বস্তা বেঁধে টুলের মতো বসার জায়গাটা এগিয়ে দিয়ে বললেন, ‘বসুন তাহলে, বলি। বিশদ

08th  September, 2019
সমাপ্তি
সমৃদ্ধ দত্ত

মহাত্মা গান্ধীর প্রকাশিত রচনাবলীর খণ্ড সংখ্যা ৯০ ছাড়িয়ে গিয়েছে। এ পর্যন্ত জওহরলাল নেহরুর লেখা নিয়ে প্রকাশিত যত রচনা আছে, তা প্রায় ৫০ খণ্ড অতিক্রান্ত। বাবাসাহেব আম্বেদকরের সারা জীবনের যাবতীয় রচনা সমন্বিত করে এখনও পর্যন্ত ১৬টি খণ্ডসংবলিত রচনাবলী প্রকাশ পেয়েছে। 
বিশদ

01st  September, 2019
রাজীব ৭৫
মণিশঙ্কর আইয়ার

 ছিয়াশি সালের ডিসেম্বর। অঝোরে তুষারপাত হচ্ছে। আমরা যাচ্ছি কাশ্মীর। কিন্তু একটা সময় আর্মি জানাল, আর যাওয়া সম্ভব নয়। এত তুষারপাতে হেলিকপ্টার ওড়ানো যাবে না। তাহলে? যাব কী করে? বাকিরাও বলল, দিল্লি ফিরে চলুন। কিন্তু প্রধাননমন্ত্রী বললেন, তা হয় না। যাব যখন বলেছি যেতে হবে। লোকেরা অপেক্ষা করে থাকবে যে!
বিশদ

25th  August, 2019
শতবর্ষে  সারাভাই
মৃন্ময় চন্দ

চন্দ্রযান-২’র সাফল্যে গর্বিত ভারত। অভিজাত মহাকাশ ক্লাবের সদস্যদেশগুলির সঙ্গে ভারত আজ এক পংক্তিতে। মহাকাশ গবেষণায় ভারতের ঈর্ষণীয় সাফল্যের রূপকার নিঃসন্দেহে ক্ষণজন্মা বিরল প্রতিভাধর মিতভাষী এক বিজ্ঞানী—বিক্রম সারাভাই। একার হাতে যিনি গড়ে দিয়ে গেছেন ভারতের বিপুলা মহাকাশ সাম্রাজ্য। ১২ই আগস্ট ছিল তাঁর জন্মশতবার্ষিকী। বিশদ

18th  August, 2019
জয় জওয়ান

ঝুঁকি শব্দটি যখনই উল্লেখ করা হয়, তখনই তার সঙ্গে আবশ্যিকভাবে যুদ্ধের বিষয়টি এসে পড়ে। কিন্তু শুধু যুদ্ধে নয়, ঝুঁকি রয়েছে প্রশিক্ষণ পর্বেও। একজন যুদ্ধবিমানের পাইলটকে নানাভাবে তৈরি হতে হয়। আকাশপথে সেই প্রশিক্ষণ যখন শুরু হয়, তখন প্রতিটি স্তরেই ঝুঁকি থাকে। সেগুলো অতিক্রম করে সাফল্য পাওয়াই একজন পাইলটের কাছে চ্যালেঞ্জ। বিশদ

11th  August, 2019
জাতীয়তাবাদ ও রবিঠাকুর 
সমৃদ্ধ দত্ত

জাতীয়তাবাদের সংজ্ঞা তাঁর কাছে আলাদা। বিশ্বাস করতেন, গ্রামই ভারতের চেতনা। সম্পদ। তাই শুধু ইংরেজ বিরোধিতা নয়, রবিঠাকুরের লক্ষ্য ছিল ভারতের উন্নয়ন। ভারতবাসীর উন্নয়ন। তাঁদের স্বনির্ভর করে তোলা। অন্যরকম তাঁর স্বদেশপ্রেম। আরও এক ২২ শ্রাবণের আগে স্মরণ এই অন্য রবীন্দ্রনাথকে। 
বিশদ

04th  August, 2019
গণহত্যার সাক্ষী
মৃণালকান্তি দাস

এ এক হিবাকুশার গল্প। পারমাণবিক বোমা হামলার পর হিরোশিমা ও নাগাসাকির যারা বেঁচে গিয়েছিলেন, তাদের বলা হয় হিবাকুশা। তাঁরা কেউই হিবাকুশা হতে চাননি, চেয়েছিলেন আর দশজন স্বাভাবিক মানুষের মতোই সুন্দর একটা জীবন কাটাতে। কিন্তু ‘ফ্যাট ম্যান’ ও ‘লিটল বয়’ নামে দুটি অভিশাপ তছনছ করে দিয়েছিল তাঁদের সাজানো সংসার, সাজানো স্বপ্ন সহ সবকিছু। তেমনই একজন হিবাকুশা সাচিকো ইয়াসুই। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ কেড়ে নিয়েছিল তার সর্বস্ব...।
বিশদ

28th  July, 2019
বদলের একুশ
জয়ন্ত চৌধুরী

 একুশে জুলাই। শহিদ স্মরণ। তৃণমূলের বাৎসরিক শহিদ তর্পণ। গত আড়াই দশকের বেশি সময় ধরে এটাই চল। ঝড়-জল-বৃষ্টি-বন্যা সবই অপ্রতিরোধ্য একুশের আবেগের কাছে। তাই কেন একুশ, এই প্রশ্নের চাইতে অনেক বেশি জায়গা দখল করে রয়েছে এই দিনকে ঘিরে বাঁধনহারা উচ্ছ্বাস।
বিশদ

21st  July, 2019
অচেনা কাশ্মীর
ফিরদৌস হাসান

 ২০১৪ সালের পর এই প্রথম এত তুষারপাত হয়েছে উপত্যকায়। সাদায় মুখ ঢেকেছিল ভূস্বর্গ। আর তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে পাল্লা দিয়েছিল পর্যটনও। বরফঢাকা উপত্যকার নৈসর্গিক দৃশ্য উপভোগ করার সুযোগ কে-ই বা হাতছাড়া করতে চায়! তাই তো জানুয়ারিতে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের কোলাহলে উপত্যকা গমগম করছিল।
বিশদ

14th  July, 2019
জল সঙ্কট 

কল্যাণ বসু: দুধ সাদা ধুতি পাঞ্জাবি, মাথায় নেহরু টুপি, গলায় মালা ঝুলিয়ে মন্ত্রী দু’হাত জোড় করে হাসিমুখে মঞ্চের দিকে যাচ্ছেন। চারদিকে জয়ধ্বনি, হাততালি। মঞ্চে উঠে মাইক্রোফোন হাতে নিয়ে মন্ত্রী বলতে শুরু করেছেন সবে।  বিশদ

07th  July, 2019
জগন্নাথের ভাণ্ডার
মৃন্ময় চন্দ

‘রথে চ বামনং দৃষ্ট, পুনর্জন্ম ন বিদ্যতে’। অর্থাৎ, রথের রশি একবার ছুঁতে পারলেই কেল্লা ফতে, পুনর্জন্ম থেকে মুক্তি। আসলে সর্বধর্মের সমন্বয়ে বিবিধের মাঝে মিলন মহানের এক মূর্ত প্রতিচ্ছবি এই রথযাত্রা। সেই কারণেই নিউজিল্যান্ডের হট প্যান্টের গা ঘেঁষে সাত হাত কাঞ্চীপূরমীয় ঘোমটা টানা অসূর্যমপশ্যা দ্রাবিড়ীয় গৃহবধূও শামিল হন রথের রশি ধরতে। অর্কক্ষেত্র, শঙ্খক্ষেত্র আর শৈবক্ষেত্রের সমাহারে সেই মিলন মহানের সুরটিই সতত প্রতিধ্বনিত নীলাচলে। তাই নীলাচলপতির দর্শনে অক্ষয় বৈকুণ্ঠ লাভের আশায় ভিড়ের ঠেলায় গুঁতো খেতে খেতে চলেন সংসার-বঞ্চিত বাল্যবিধবারা। একই মনোবাসনা নিয়ে চলেছেন অন্ধ, চলেছেন বধির, চলেছেন অথর্ব।
বিশদ

30th  June, 2019
স্টেফির হাফ সেঞ্চুরি
প্রীতম দাশগুপ্ত

 মার্টিনা নাভ্রাতিলোভা, ক্রিস এভার্টরা নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করার লড়াই শুরু করেছেন তখন। ঠিক একই সময়ে জার্মানির অখ্যাত শহর ব্রুয়ে বেড়ে উঠছিল স্টিফানি মারিয়া গ্রাফ। ১৯৬৯ সালের ১৪ জুন জার্মানির ম্যানহাইনে জন্ম স্টিফানির। মেয়ের দুষ্টুমি বন্ধের দাওয়াই হিসেবে স্টিফানির বাবা পিটার তার হাতে ধরিয়ে দিয়েছিলেন একটা পুরনো টেনিস র‌্যাকেট।
বিশদ

23rd  June, 2019
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা:শতবর্ষে বাঙালির সেরা উৎসব শারদোৎসবের সঙ্গে যুক্ত হতে চাইছে ইস্ট বেঙ্গল। আসন্ন দুর্গাপুজোয় বিভিন্ন ক্যাটেগরিতে কর্পোরেট ধাঁচে ইস্ট বেঙ্গল পুরস্কার দেবে। এই পুরস্কারে বিচারক হিসাবে থাকবেন দলের প্রাক্তন অধিনায়করা।  ...

 লন্ডন, ১৯ সেপ্টেম্বর (এএফপি): সময়টা একেবারেই ভালো যাচ্ছে না ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের। এমনিতেই ব্রেক্সিট নিয়ে ঘরে-বাইরে চাপের মুখে দম ফেলার ফুরসত নেই তাঁর। এরই মধ্যে এবার প্রকাশ্যে মিথ্যে বলে বিতর্ক তৈরি করলেন জনসন। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সেই মিথ্যে বলার ঘটনা ...

 ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...

সংবাদদাতা, হরিরামপুর: ৭৫ বছর বয়স হয়ে গেল, এখনও বার্ধক্য ভাতা মেলে না। আর কবে পাব? জেলাশাসককে হাতের কাছে পেয়ে ক্ষোভ উগরে দিলেন মতিউর রহমান। বৃহস্পতিবার ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

অতি সত্যকথনের জন্য শত্রু বৃদ্ধি। বিদেশে গবেষণা বা কাজকর্মের সুযোগ হতে পারে। সপরিবারে দূরভ্রমণের যোগ। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৪৮: চিত্রপরিচালক মহেশ ভাটের জন্ম
২০০৪: চিত্রপরিচালক সলিল দত্তের মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৪৯ টাকা ৭২.১৯ টাকা
পাউন্ড ৮৭.৩৭ টাকা ৯০.৫৬ টাকা
ইউরো ৭৭.২৬ টাকা ৮০.২৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,০৪০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,০৯০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬,৬৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৫,৭০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৫,৮০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩ আশ্বিন ১৪২৬, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, ষষ্ঠী ৩৬/৪৯ রাত্রি ৮/১২। কৃত্তিকা ১২/৯ দিবা ১০/২০। সূ উ ৫/২৮/৫, অ ৫/৩২/৪১, অমৃতযোগ দিবা ৬/১৬ মধ্যে পুনঃ ৭/৪ গতে ৯/২৯ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৪ গতে ৩/৬ মধ্যে পুনঃ ৩/৫৫ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৬/১৯ গতে ৯/৩০ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৪ গতে ৩/৫ মধ্যে পুনঃ ৩/৫২ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৮/২৯ গতে ১১/৩০ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৩০ গতে ১০/০ মধ্যে।
২ আশ্বিন ১৪২৬, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, ষষ্ঠী ২৬/২৪/৫৪ অপঃ ৪/১/৪৮। কৃত্তিকা ৫/৫৮/১ দিবা ৭/৫১/২, সূ উ ৫/২৭/৫০, অ ৫/৩৪/৩০, অমৃতযোগ দিবা ৬/২০ মধ্যে ও ৭/৭ গতে ৯/২৭ মধ্যে ও ১১/৪৮ গতে ২/৫৬ মধ্যে ও ৩/৪৩ গতে ৫/৩৫ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৬ গতে ৯/২২ মধ্যে ও ১১/৪৯ গতে ৩/৬ মধ্যে ও ৩/৫৫ গতে ৫/২৮ মধ্যে, বারবেলা ৮/২৯/৩০ গতে ১০/০/২০ মধ্যে, কালবেলা ১০/০/২০ গতে ১১/৩১/২০ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৩২/৫০ গতে ১০/২/৪ মধ্যে।
২০ মহরম

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
  মোদির বিমানের জন্য আকাশপথ ব্যবহারের আবেদন খারিজ পাকিস্তানের
 নয়াদিল্লি, ১৮ সেপ্টেম্বর: আগামী ২১ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর আমেরিকা সফর ...বিশদ

19-09-2019 - 09:41:00 PM

শিয়ালদহে সোনার বার সহ ধৃত ৩ বাংলাদেশি
শিয়ালদহ স্টেশনের কাছ থেকে আটটি সোনার বার সহ তিনজন বাংলাদেশিকে ...বিশদ

19-09-2019 - 08:26:30 PM

রায়গঞ্জে ক্লাসরুমের সিলিং ফ্যান ভেঙে জখম ছাত্রী 
ক্লাসরুমের সিলিং ফ্যান ভেঙে জখম হলেন এক ছাত্রী। ঘটনাটি ঘটে ...বিশদ

19-09-2019 - 07:33:51 PM

অক্টোবরে ফের ব্যাঙ্ক ধর্মঘট
এবার দেশজুড়ে ব্যাঙ্ক ধর্মঘটের ডাক দিল কর্মী সংগঠনগুলি। ব্যাঙ্কগুলির সংযুক্তিকরণ ...বিশদ

19-09-2019 - 07:25:49 PM

নাবালককে যৌন নির্যাতন, যাবজ্জীবন সাজা যুবকের
যৌন নির্যাতনের ঘটনায় আজ এক যুবককে দোষী সাব্যস্ত করল কালনা ...বিশদ

19-09-2019 - 04:40:00 PM

৪৭০ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স 

19-09-2019 - 04:24:39 PM