Bartaman Patrika
প্রচ্ছদ নিবন্ধ
 

বদলে যাওয়া
ভোট
রজত চক্রবর্তী

নির্বাচন গ্রামে-গঞ্জে-মফঃস্বলে আগে উৎসবই ছিল। তোরঙ্গ থেকে পাট ভাঙা শাড়ি পরতেন মা-মাসিরা। সেখান থেকে প্রচারে চলে এল ক্যাপশান, ‘গণতন্ত্রের মহান উৎসব নির্বাচন’। এই প্রচারের উল্টোপিঠে ছিল আরও একটি প্রচার। ‘নির্বাচন কোনও উৎসব নয়, আপনার গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত জানাবার পদ্ধতি’। নব্বইয়ের দশকে যিনি এই কথাটা প্রচার করেছিলেন তিনি টি এন সেশন। তিনি ছিলেন দেশের চিফ ইলেকশন কমিশনার, ১৯৯০ থেকে ১৯৯৬ পর্যন্ত। ভোট প্রক্রিয়ায় নতুন নতুন পদ্ধতি যোগ করে নির্বাচন কমিশনকে এক উচ্চতর জায়গায় প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন তিনি। সাধারণ মানুষকে ভরসা জুগিয়েছিলেন।

১৯৪৭ সালে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তিন বছরের মধ্যেই ভাবনাটা তৈরি হয়েছিল যে, গণতন্ত্রের নিয়মানুযায়ী নির্বাচন পরিচালনার জন্য একটি স্বয়ংশাসিত সংস্থা গঠন করা প্রয়োজন। ২১ মার্চ ১৯৫০ সালে গঠিত হল নির্বাচন কমিশন। গর্বের বিষয়, প্রথম নির্বাচন কমিশনার ছিলেন একজন বাঙালি। সুকুমার সেন। তিনিই ভারতে প্রথম নির্বাচন পরিচালনা করেছিলেন। ভারতে নির্বাচন তথা ভোটগ্রহণ প্রথম শুরু হয়েছিল ২৫ অক্টোবর ১৯৫১ সালে। আর শেষ হয়েছিল ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ সালে। চার মাস ধরে চলেছিল ভোটগ্রহণ পর্ব। কারণটা ছিল সরকারি লোকের অপ্রতুলতা। দেশ তখন সবে তৈরি হচ্ছে। স্বাধীন ভারতের প্রথম ভোট। লোকসভা আর বিধানসভা একসঙ্গে ভোট হয়েছিল দেশজুড়ে। দেশের মানুষ প্রথম নিজেরা নির্বাচন করছে তাদের শাসন ক্ষমতায় কারা বসবে। বিষয়টা যতখানি না রাজনৈতিক তার চেয়ে বেশি ছিল সাধারণ মানুষের আবেগ। মজার বিষয় ছিল, ভোটগ্রহণ করার জন্য এক একটি ভোটকর্মীর দল বুথে বুথে ঘুরে ঘুরে ভোটের আয়োজন করত। এক একটি দল, দশ দিন থেকে এক মাস পর্যন্ত এক বুথ থেকে অন্য বুথে গিয়ে গিয়ে ভোট নিয়েছে। প্রায় ৩৬ কোটি ভারতবাসীর মধ্যে সেই প্রথম ভোটাধিকার প্রয়োগ করে ১৭.৩২ কোটি ভোটার। স্বাধীন দেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি রাজেন্দ্র প্রসাদের সেই উচ্চারণ: আমাদের কৃষকরা চাষের কাজে যে বুদ্ধি প্রয়োগ করে, তা আমাদের বিস্মিত করে, সুতরাং এই দরিদ্র ভারতবাসী সঠিকভাবেই ভোটদান করতে পারবে, এই বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। কিন্তু কমিশন সতর্ক। ভোট দিতে গিয়ে যদি গণ্ডগোল করে ফেলে, সেই আশঙ্কায় এক একজন প্রার্থীর জন্য এক একটি ব্যালট বাক্স ছিল। ব্যালট বাক্সের গায়ে লাগানো থাকত নির্দিষ্ট দলের প্রতীক। বাক্সগুলিও নির্দিষ্ট রঙে রাঙানো থাকত। না, তখনও পর্যন্ত আঙুলের ডগায় বেগুনি কালি লাগাবার ব্যবস্থা ছিল না। ১৯৫৭ সালের ভোটেই দেখা গেল ভোটের কারচুপি। একই ভোটার অন্য অন্য নামে একাধিক ভোট দিচ্ছে। কারচুপি রুখতে তৃতীয় লোকসভা নির্বাচনে অর্থাৎ ১৯৬২ সালে প্রথম ব্যবহার হল বেগুনি কালির চিহ্ন, তর্জনীতে। বিজ্ঞানী ডঃ এম এল গোয়েল দিল্লির ন্যাশনাল ফিজিকাল ল্যাবরেটরির গবেষণাগারে আবিষ্কার করলেন এক অদ্ভুত ধরনের রাসায়নিক কালি যা রৌদ্রের অতি বেগুনি রশ্মির সংস্পর্শে এলে চামড়ায় দীর্ঘস্থায়ী দাগ রেখে দেয়। সেই কালির দাগ আঙুলে নিয়ে হাসি হাসি গ্রামীণ ভারতবাসীর ছবি আজও উজ্জ্বল সরকারি প্রচারে। ওই টুকুতেই যেন আটকে গেল নির্বাচন কমিশনের কাজ। ভারতের সাধারণ নাগরিকদের কাছে নির্বাচন কমিশনের অস্তিত্ব ছিল অনেকটা কাগজের বাঘের মতো।

হঠাৎ নব্বইয়ের দশকের গোড়ায় কাগজের শিরোনামে একটি নাম। তিরুনেল্লাই নারায়ন আইয়ার সেশন। সংক্ষেপে টি এন সেশন। চেয়ারে বসেই তিনি দেশকে প্রথমেই জানালেন নির্বাচন আচরণবিধি। নতুন কিছু যে করলেন তা নয়! কিন্তু তার প্রয়োগের বিষয়টি নিয়ে মানুষকে সচেতন করা ও মিডিয়ার মাধ্যমে সর্বজনের গোচরে আনার প্রাথমিক কাজটাই করলেন সেশন। রাজনৈতিক দলগুলিকে বোঝালেন কড়াভাবেই। আর জনগণের উদ্দেশে প্রচার করলেন: ভোট কোনও উৎসব নয়, আপনার গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত জানাবার পদ্ধতি। অফিসে তাঁর মন্ত্র ছিল, ‘Zero delay, zero deficiency’ । ১৯৫৫ সালের আইএএসের ব্যাচ। বইপ্রিয়, সত্যনিষ্ঠ মানুষটি ভালোবাসতেন জ্যোতিষশাস্ত্র। চর্চাও করতেন। জ্যোতিষীর কথার বিরুদ্ধে গিয়েই দশ মিনিটের আলাপে বিয়ে করেছিলেন জয়ালক্ষ্মীকে, ১৯৫৮ সালে। জয়ালক্ষ্মী তাঁর জীবনের শেষ সময়ে দেওয়া সাক্ষাতকারে তাঁর ষাট বছরের সঙ্গী সেশন সম্পর্কে বলেছিলেন, ‘সত্যের খাতিরে উনি স্ত্রীকেও ত্যাগ করতে পারেন’। এটা যে কতখানি সত্য তা টি এন সেশনের চাকরি জীবনের দিকে তাকালেই বোঝা যাবে। একরোখা, টানটান, স্পষ্টবাদী মানুষটিকে সাধারণ মানুষ যত বেশি পছন্দ করেছে, তত বেশি অপছন্দ করেছে দেশের রাজনৈতিক নেতা-মন্ত্রীরা। সামলেছেন নানা দায়িত্ব, নানা সময়েই। তিনি তখন মাদ্রাজের পরিবহণ দপ্তরের ডিরেক্টর। বাসের ইঞ্জিন সারানো, খুলে ফেলা ও লাগানো শিখেছিলেন ঘণ্টার পর ঘণ্টা বাস গুমটিতে, দিনের পর দিন কাটিয়ে। এমনকী, মাঝরাস্তা থেকে বাসে উঠে ড্রাইভারকে পাশে সরিয়ে দিয়ে ৮০ কিমি রাস্তা বাস চালালেন। সমস্যার ভেতরে প্রবেশ করে উৎপাটন করতে চাইতেন। দেশের প্রশাসনিক সর্বোচ্চ পদ, ক্যাবিনেট সচিব হয়েছিলেন। সততা, সাহস ও দক্ষতার সঙ্গে সামলানোর পর যোজনা কমিশনের সদস্য ছিলেন বেশ কিছুদিন। ১৯৯০ সালে চন্দ্রশেখর তখন প্রধানমন্ত্রী (সাত মাসের জন্য)। তিনি টি এন সেশনকে এই দায়িত্বে বসালেন। চিফ ইলেকশন কমিশনার অব ইন্ডিয়া। তখন সুব্রহ্ম্যণম স্বামী ছিলেন আইনমন্ত্রী। সুব্রহ্ম্যণম স্বামী যখন হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটিতে পড়াচ্ছেন সেই সময় প্রশাসনিক কোর্স করতে গিয়েছিলেন টি এন সেশন। জহুরির চোখ সুব্রহ্ম্যণমের। তাঁর চোখ ভুল করেনি। তিনি প্রধানমন্ত্রী চন্দ্রশেখরকে টি এন সেশনের নাম প্রস্তাব করেন।

তার আগে সাধারণ মানুষ ভুলেই গিয়েছিল এই কেন্দ্রীয় স্বয়ংশাসিত সংস্থাটির অস্তিত্ব ও গুরুত্ব। একটি স্বয়ংশাসিত সংস্থা তার নিয়মের মধ্যে থেকেও কতখানি কার্যকরী হতে পারে তা দেখালেন শুধু নয়, সংস্থায় প্রাণ প্রতিষ্ঠা করলেন। তখন সংবাদের শিরোনামে রোজ তাঁর নাম। তাঁর সরাসরি কথা বলার সাহস, বাকপটুতা, ক্ষুরধার ব্যঙ্গ তখন ট্রামে-বাসে-ট্রেনের আলোচনার বিষয়। রাজনৈতিক দলগুলি ক্রমশই খাপ্পা তাঁর আচরণে। আর সেশনের সেই মহান উক্তি, ‘আমি একটি ফুটবলের মতো। যত জোরে লাথি মারবে তত জোরে ঠিকরে আসব’। তাইই ঘটেছিল বাস্তবে। তিনি এবং তাঁর অফিসাররা গোটা দেশের জেলায় জেলায় প্রশাসনিক সভা করলেন। প্রশাসনের যেসব আধিকারিকরা নির্বাচন প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত থাকেন তাঁদের বোঝালেন স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা। তিনিই প্রথম হাত দিলেন রাজনৈতিক দলের নির্বাচনে খরচ বেঁধে দেওয়ার প্রয়োগবিধি। সে ক্ষেত্রেও সংবাদ শিরোনামে ছিল তাঁর সেই অসামান্য উক্তি: ‘তু চিজ বড়ি হ্যায় ভ্রষ্ট্ ভ্রষ্ট্’। চটুল হিন্দি সিনেমার গান থেকে সংলাপ উঠে আসত তাঁর কথায়। আর রেভিনিউ সার্ভিসের দক্ষ অফিসারদের নিয়োগ করলেন দেশব্যাপী। রাজনৈতিক দলের প্রতিটি প্রার্থী তাঁর নির্বাচনী কেন্দ্রে খরচ করার সীমা বেঁধে দেওয়াই শুধু নয়, সেই খরচের সরকারি হিসেব রাখা এবং রাখলেন পুঙ্খানুপুঙ্খ নজরদারি। নির্বাচনের সময় নানারকম টাকা-মদ-উপহার বিলি, যথেচ্ছ গাড়ির ব্যবহার আর মুড়ি-মুরকির মতো টাকা ওড়াবার প্রথা ছিল দেশের প্রায় সব গ্রাম ও অনুন্নত অঞ্চলগুলিতে। কড়া পর্যবেক্ষণ আর কড়া শাস্তির দাওয়াই চালু হল। তিনিই প্রথম চালু করলেন ভিডিওগ্রাফি করে রাখার পদ্বতি। সমস্ত মিটিং, উত্তেজনাপ্রবণ বুথে ভোট গ্রহণ এবং নির্বাচনের সমস্ত ধাপগুলি ভিডিওগ্রাফ করে সংগ্রহে রাখার প্রচলন শুরু করলেন। ক্ষিপ্ত হয়ে উঠল রাজনৈতিক দলগুলি। মডেল কোড অব কন্ডাক্টে লিখিত প্রতিটি আদেশনামা প্রয়োগ করলেন দেশের কোণে কোণে।

১৯৯৩ সালের লোকসভা নির্বাচনে ১,৪৮৮ জন নির্বাচনের প্রার্থীর নাম বাতিল করা হল শুধু নয়, খরচের তথ্য না দেওয়ার জন্য শাস্তিস্বরূপ তিন বছর তাঁরা কোনও নির্বাচনে দাঁড়াতে পারবেন না বলে ঘোষণা করা হল। সেশন নিজে ৪০,০০০টি কেস পর্যবেক্ষণ করলেন। তার থেকে ১,৪০০ প্রার্থীর ভোটে অংশগ্রহণ বাতিল করেছিলেন। রাজনৈতিক দলগুলির ভ্রষ্টাচারের বিরুদ্ধে খড়্গহস্ত ছিলেন তিনি। সেই সময় রাজনৈতিক দলগুলি নতুন নতুন আদেশনামায় জেরবার। তার পিছনে সদা জাগ্রত জেনারেল অবজার্ভার ও হিসেব দেখার অবজার্ভার। সেশনের কড়া কড়া নির্দেশানামায় প্রশাসন তটস্থ। দাবি উঠেছিল তাঁকে সরিয়ে দেওয়ার। রাজনৈতিক দলগুলি তখন তাঁর নাম দিয়েছিল, আল-সেশন (অ্যালসেশিয়ান কুকুরের অপভ্রংশ)। টি এন সেশন স্বভাবসুলভ মজা করে এক ইন্টারভিউতে বললেন, ‘আমি একটিও কমা, কোলন, সেমি-কোলন বা ফুলস্টপ যোগ করিনি কোনও আইনে। আমি শুধুমাত্র আইনে যা আছে তার প্রয়োগ করেছি মাত্র’। আসলে ‘অবজার্ভার’ বিষয়টিকেই গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছিলেন সেশনই। নির্বাচনের সময় রাজ্যের প্রশাসন এবং রাজনৈতিক দল ব্যতিব্যস্ত ‘অবজার্ভার’ শব্দেই। দেশজুড়ে রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে ‘সেশন’ নামেই ‘সেনসেশন’ শুরু হল। শুরু হল বিষোদ্গার। ‘ডিক্টেটর সেশন’ থেকে শুরু করে ‘পাগল’, ‘পাগলা কুকুর’ নানা অপবাদ তাঁর জুটেছিল। কিন্তু তিনি অনড়। সৎ, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষতা তাঁর মন্ত্র। রাজনৈতিক নেতারা, বিশেষত পার্লামেন্টের নির্বাচিত সদস্যরা তাঁকে দু’বার সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন ১৯৯৩ সালে। কিন্তু ব্যর্থ হয়েছে তাঁদের সেই চেষ্টা। তাঁর ক্ষমতা খর্ব করার জন্য সংবিধান সংশোধন করে তিনজন নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের নিয়ম করা হল। সে সংশোধনীতে, নির্বাচন কমিশনের যে কোনও সিদ্ধান্ত কমপক্ষে দু’জনের সহমতে গ্রহণ করার কথা বলা হল। তাঁর সহযোগী দু’জনকে নিয়োগ করা হল। তাঁরা হলেন এম এস গিল এবং সি কৃষ্ণমূর্তি। সেশন সুপ্রিম কোর্টে আপিল করলেন। জিতলেন। এম এস গিল এবং কৃষ্ণমূর্তি তাঁকে সাহায্য করবে, কিন্তু একক সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশনার। এই মর্মে রায় দিল সর্বোচ্চ আদালত। সেশন ফিরে এলেন প্রবল বিক্রমে। দুর্নীতিগ্রস্ত রাজনৈতিক নেতাদের বিরুদ্ধে অবাধ এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিচালনা করার লক্ষ্যে। যত জোরে ‘কিক’ করা হল, প্রবল বিক্রমে ‘বাউন্স ব্যাক’ করলেন তত জোরেই।

ভোটার আইডি কার্ড। ভারতের নির্বাচন ইতিহাসে একটি মাইল-ফলক। ভোটার সুরক্ষার নব বিধান। নির্বাচন কমিশনারের সর্বোচ্চ পদে আসীন হওয়ার পরেই যে বিষয়গুলি চিহ্নিত করেছিলেন সেশন, তারমধ্যে অন্যতম ছিল নির্ভুল ভোটার তালিকা প্রকাশ এবং ভোটারদের নির্দ্দিষ্ট পরিচয়পত্র তৈরি করা। তার সঙ্গে ছিল নির্বাচন কেন্দ্র পুনর্গঠন (Delimitation) এবং ভোটার তালিকা ঝাড়াই-বাছাই। বাধাদান ও আপত্তি এসেছিল সব রাজনৈতিক স্তর থেকেই। প্রশ্ন তোলা হয়েছিল এই গরিব দেশে এই কাজে অনর্থক অর্থ অপচয় করছেন সেশন। আর এই অর্থ অপচয়ের অপবাদকে অগ্রাধিকার দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ল সবকটি দল। যখন সেশন ঘোষণা করলেন, ভারতের সকল ভোটারদের জন্য ছবিসহ ভোটার পরিচয়পত্র তৈরি করতে হবে সরকারকে। আর তা হবে নির্বাচন কমিশনারের তত্ত্বাবধানে। ১৯৯৩ সালের মাঝামাঝি সময়ের এই ঘোষণা জানানো হল কেন্দ্রীয় সরকারকে। আঠারো মাস কেটে গেল সরকার ভোটার পরিচয়পত্র নিয়ে কোনও আইন প্রণয়ন করল না। সরকারের কোনও গরজ লক্ষ্য করলেন না সেশন। কোনও রাজনৈতিক দলেরও কোনও গরজ দেখা গেল না। অবশেষে সেশনের ঘোষণা, ‘…if voter identity cards were not issued, no election would be held after January 1, 1995.’ তাই করলেন তিনি। দেশের নানা প্রান্তে বিধানসভা ও লোকসভার উপনির্বাচনগুলি আটকে রইল। সেশন অনড়। শেষ পর্যন্ত আবার সুপ্রিম কোর্টে গেল বিষয়টি। নির্বাচন বন্ধ রাখা যায় না। সুপ্রিম কোর্ট রায় দিল সেশনের EPIC বা Electoral Photo Identity Card-এর পক্ষে। দেশজুড়ে শুরু হল ভোটার আইডি কার্ড তৈরির ধুম। বুথে বুথে লাইন। ছবি উঠছে একের পর এক ভোটারদের। কর্মযজ্ঞ। ভোটার কার্ড। ১৯৯৬ সালে সেশনের মেয়াদ উত্তীর্ণের আগেই ভারতের প্রায় দু’কোটি ভোটারের ভোটার কার্ডের কাজ শেষ করেছিলেন সেশন। তারপর তো ইতিহাস। আধার কার্ড আসার আগে ভোটার কার্ড ছিল অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নাগরিকত্বের প্রমাণ। এখনও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

সাধারণ মানুষের কাছে টি এন সেশন অত্যন্ত জনপ্রিয় এক মানুষের নাম, কিন্তু রাজনীতির মানুষদের কাছে তাঁর জনপ্রিয়তা কতটা তলানিতে ঠেকেছিল তার প্রমাণ পেলেন সেশন নিজেই। ১৯৯৭ সাল। দেশের দশম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। কংগ্রেসের প্রার্থী, কে আর নারায়ণন আর নির্দল প্রার্থী হিসেবে দাঁড়ালেন টি এন সেশন। চাকরি তাঁর শেষ। স্বপ্ন তাঁর, দেশকে তৈরি করবেন। আবার শুরু করলেন ঘুরে বেড়ানো একা। একক সৈনিক। যে বাড়িতে একসময় সাংবাদিকরা ভিড় করে থাকত, সেশন নিজে হাতে পরিবেশন করতেন ইডলি-ধোসা আর বাটার মিল্ক, সেই বাড়ি থেকে সরে গিয়েছে সংবাদমাধ্যমের নজর। একা সেশন প্রত্যেক রাজ্যের প্রত্যেক রাজনৈতিক দলের কাছে গিয়েছিলেন। প্রত্যেকের কাছে তিনি চেয়েছিলেন আশীর্বাদ, শুভেচ্ছা ও সমর্থন। রাষ্ট্রপতি হিসেবে তিনি দেশকে দূর্নীতি মুক্ত করার স্বপ্ন দেখেছিলেন। কোনও রাজনৈতিক দল তাঁকে সমর্থন করেনি। কোনও নেতার সমর্থন পাননি তিনি। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১তম রাষ্ট্রপতি হিসাবে নির্বাচিত হলেন কে আর নারায়ণন। মোট ভোটার ছিল ৪,৮৪৮ জন। কে আর নারায়ণন পেয়েছিলেন ৪,২৩১টি ভোট আর সেশন পেয়েছিলেন মাত্র ২৪০টি ভোট। পশ্চিমবঙ্গে ২৯৪টি ভোটের মধ্যে নারায়ণন পেয়েছিলেন ২৭২ জনের সমর্থন আর সেশন পেয়েছিলেন ৫ জনের ভোট। বোঝাই যায় সরকার বা বিরোধী, সকল রাজনীতির কারবারিদের কাছে কতটা অপ্রিয় ছিলেন তিনি। সবাই বক্তৃতার মঞ্চে শান্তিপূর্ণ ও অবাধ নির্বাচনের দাবি করে বটে, কিন্তু কোনও দল কি চায় অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হোক?

তাই তো গোটা দেশে আজও চলতেই থাকে চাপান-উতোরের রাজনীতি। চলতেই থাকে মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করার স্বাধীনতাকে হরণ করার তাল-বেতাল রাজনীতি। এক অদ্ভুত লুকোচুরি খেলা চলে নির্বাচন কমিশান ও রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে। নিত্যনতুন প্রদ্ধতির উদ্ভাবন কি এই সমস্যার সমাধান আনতে পারবে? নাকি এই সর্ববৃহৎ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে স্বয়ংশাসিত সংস্থা আসলে প্রকারান্তরে থেকে যাবে শাসকের শাসিত সংস্থা হিসেবে? প্রশ্নগুলো সহজ। উত্তরের অপেক্ষায় প্রায় নব্বই কোটি ভোটার। যাঁরা বুথে বুথে রোদ-জল-ধোঁয়া-বারুদ-রক্তচোখ উপেক্ষা করে দাঁড়াবেন নিজের ভোট নিজে দিতে। তর্জনীর নখের উপর দিয়ে বেগুনি রেখায় ঝরে পড়বে তাদের ঝকঝকে হাসি। কোটি, অযুত, নিযুত সরল উজ্জ্বল চোখ তাকিয়ে আছে অবাধ, নিরপেক্ষ, ও শান্তিপূর্ণ ১৭ তম লোকসভা ভোটের দিকে।
24th  March, 2019
স্টেফির হাফ সেঞ্চুরি
প্রীতম দাশগুপ্ত

 মার্টিনা নাভ্রাতিলোভা, ক্রিস এভার্টরা নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করার লড়াই শুরু করেছেন তখন। ঠিক একই সময়ে জার্মানির অখ্যাত শহর ব্রুয়ে বেড়ে উঠছিল স্টিফানি মারিয়া গ্রাফ। ১৯৬৯ সালের ১৪ জুন জার্মানির ম্যানহাইনে জন্ম স্টিফানির। মেয়ের দুষ্টুমি বন্ধের দাওয়াই হিসেবে স্টিফানির বাবা পিটার তার হাতে ধরিয়ে দিয়েছিলেন একটা পুরনো টেনিস র‌্যাকেট।
বিশদ

23rd  June, 2019
বাঙালি জীবনের গল্পই ছিল তাঁর ছবির বিষয় 
রঞ্জিত মল্লিক

ঢুলুদার সঙ্গে কাজ করা আমার জীবনের অন্যতম সেরা অভিজ্ঞতা। অমন রসিক মানুষ খুব কমই দেখেছি। মৃণাল সেন কিংবা সত্যজিৎ রায়ের মধ্যেও আমি রসবোধ দেখেছি। কিন্তু ঢুলুদার রসবোধ তুলনাহীন। 
বিশদ

16th  June, 2019
শতবর্ষে স্রষ্টা 
সন্দীপন বিশ্বাস

সবাই তাঁকে চেনেন ঢুলুদা নামে। পোশাকি নাম অরবিন্দ মুখোপাধ্যায়। সেই মানুষটির হাত দিয়ে বেরিয়েছিল ‘আহ্বান’, ‘অগ্নীশ্বর’, ‘ধন্যি মেয়ে’, ‘মৌচাক’-এর মতো অমর ছবি। আগামী মঙ্গলবার, ১৮ জুন তাঁর জন্মশতবর্ষ।  
বিশদ

16th  June, 2019
ধ্বংসের প্রহর গোনা 
মৃন্ময় চন্দ

আরও একটা বিশ্ব পরিবেশ দিবস গেল। অনেক প্রতিজ্ঞা, প্রতিশ্রুতি...। কিন্তু দূষণ বা অবৈজ্ঞানিক নির্মাণ কি কমছে? উদাসীনতায় আজ ধ্বংসের মুখে যে এরাজ্যের সমুদ্রতটও! 
বিশদ

09th  June, 2019
বিরাট সম্ভাবনা ভারতের

রাতুল ঘোষ: প্রায় দেড় মাসব্যাপী সাত দফার লোকসভা নির্বাচন পর্ব শেষ। একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে নরেন্দ্র দামোদর দাস মোদির প্রধানমন্ত্রিত্বের দ্বিতীয় ইনিংসের সূচনা হয়েছে। অতঃপর পরবর্তী দেড় মাস আসমুদ্রহিমাচলব্যাপী ভারতবর্ষের সোয়াশো কোটি জনগণ আন্দোলিত হবেন দ্বাদশ আইসিসি বিশ্বকাপ ঘিরে।
বিশদ

02nd  June, 2019
মোদি ম্যাজিক
সমৃদ্ধ দত্ত

আর নিছক জয় নয়। দেখা যাচ্ছে জয় খুব সহজ তাঁর কাছে। ২০ বছর ধরে কখনও মুখ্যমন্ত্রী হয়ে, কখনও প্রধানমন্ত্রী হয়ে জিতেই চলেছেন। সুতরাং ওটা নিয়ে ভাবতে হচ্ছে না। তাহলে এরপর টার্গেট কী? সম্ভবত ইতিহাস সৃষ্টি করা। এক রেকর্ড সৃষ্টি করাই লক্ষ্য হবে নরেন্দ্র মোদির। কিসের রেকর্ড?
বিশদ

26th  May, 2019
ভোটের ভারত 

রাত নামল দশাশ্বমেধ ঘাটে। অন্ধ ভিক্ষুককে প্রতিবন্ধী ফুলবিক্রেতা এসে বলল, চলো ভান্ডারা শুরু হয়েছে। ফুল বিক্রেতার হাত ধরে অন্ধ ভিক্ষুক এগিয়ে গেল বিশ্বনাথ গলির দিকে। পোস্টার, ফ্লেক্স, টিভি চ্যানেল আর সভামঞ্চ থেকে মুখ বাড়িয়ে এসব দেখে গোপনে শ্বাস ফেলল ভোটের ভারত! যে ভারত ঘুরে দেখলেন সমৃদ্ধ দত্ত।
 
বিশদ

19th  May, 2019
মাসুদনামা

অবশেষে আন্তর্জাতিক জঙ্গি মাসুদ আজহার। ভারতের কূটনীতির কাছে পরাস্ত চীন এবং পাকিস্তান। কীভাবে উত্থান হল তার? রাষ্ট্রসঙ্ঘের সিদ্ধান্তে মোদির লাভই বা কতটা হল? লিখলেন শান্তনু দত্তগুপ্ত
বিশদ

12th  May, 2019
কবিতর্পণ 

তিনি রবীন্দ্রনাথের বড়দাদা দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রপৌত্রী। জোড়াসাঁকো ও শান্তিনিকেতনে শৈশব কাটানোর সুবাদে কবিগুরুকে খুব সামনে থেকে দেখার সৌভাগ্য হয়েছিল তাঁর। যদিও শৈশবের বেশিরভাগ স্মৃতিই কালের নিয়মে ঢাকা পড়েছে ধুলোর আস্তরণে। তবুও স্মৃতির সরণিতে কিছু ঘটনা ইতিউতি উঁকি মেরে যায়। একসময়ে নিজে অভিনয় করেছেন সত্যজিৎ রায়, তপন সিংহের মতো পরিচালকদের ছবিতে। দাপিয়ে বেড়িয়েছেন মঞ্চেও। আজ তিনি অশীতিপর। আরও একটি পঁচিশে বৈশাখের আগে ঠাকুরবাড়ির কন্যা স্মিতা সিংহের কবিতর্পণের সাক্ষী থাকলেন বর্তমানের প্রতিনিধি অয়নকুমার দত্ত। 
বিশদ

05th  May, 2019
চিরদিনের সেই গান
শতবর্ষে মান্না দে 
হিমাংশু সিংহ

২৫ ডিসেম্বর ২০০৮। কলকাতার সায়েন্স সিটি প্রেক্ষাগৃহ। একসঙ্গে আসরে প্রবাদপ্রতিম দুই শিল্পী। পদ্মভূষণ ও দাদাসাহেব ফালকে সম্মানে ভূষিত মান্না দে ও গীতশ্রী সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়। একজনের বয়স ৮৯ অন্য জনের ৭৭। মঞ্চে দুই মহান শিল্পীর শেষ যুগলবন্দি বলা যায়।  
বিশদ

28th  April, 2019
রাজনীতির ভাগ্যপরীক্ষা
আকাশদীপ কর্মকার

 এই মুহূর্তে দেশের রাজনীতিতে মুখ্য আলোচিত বিষয় লোকসভা নির্বাচন। রাজনীতিকদের ভাগ্যপরীক্ষা। এই নির্বাচনে দেশের প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলের শক্তি পরীক্ষার পাশাপাশি ভাগ্য পরীক্ষা দেশের হাইপ্রোফাইল ব্যক্তিদেরও।
বিশদ

21st  April, 2019
প্রতীক বদলে ডিজিটাল ছোঁয়া
দেবজ্যোতি রায়

সাহিত্য বা লেখালিখিতে সর্বদা সময়ের দাবিই উঠে আসে। প্রতিফলিত হয় তৎকালীন সময়ের পটভূমি, চরিত্র, চিত্রায়ন। অতীতেও হয়েছে, আধুনিক বা নব্য আধুনিক যুগও তার ব্যতিক্রম নয়। বর্তমানে আধুনিক সাহিত্য বা পটভূমির একটা বড় অংশ দখল করে নিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়া বা সামাজিক মাধ্যম।
বিশদ

21st  April, 2019
শতবর্ষে জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ড

১৯১৯ সালের ১৩ এপ্রিল জালিয়ানওয়ালাবাগে একটি প্রতিবাদ সভায় জেনারেল ডায়ার বিনা প্ররোচনায় নির্বিচারে গুলি চালিয়েছিলেন। এ বছর ওই হত্যাকাণ্ডের ১০০ বছর। সেদিনের ঘটনা স্মরণ করলেন সমৃদ্ধ দত্ত।
বিশদ

14th  April, 2019
প্রথম ভোট
সমৃদ্ধ দত্ত

সকলেই চাইছে লাঙল। ১৯৫১ সালের ১ জুলাই। রাজনৈতিক দলগুলিকে নিয়ে দেশের প্রথম নির্বাচন কমিশনার সুকুমার সেন মিটিং ডেকেছেন। নির্বাচনী প্রতীক বন্টন করা হবে। প্রতিটি দলকে বলা হয়েছিল আপনারা নিজেদের পছন্দমতো প্রতীক নিয়ে আসবেন সঙ্গে করে। সেটা প্রথমে জমা নেওয়া হবে। তারপর স্থির করা হবে কাকে কোন প্রতীক দেওয়া যায়। কিন্তু, মিটিং শুরু হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই প্রবল ঝগড়া শুরু হয়ে গেল। কারণ প্রায় সিংহভাগ দলেরই পছন্দ লাঙল। কেন?
বিশদ

07th  April, 2019
একনজরে
লন্ডন, ২৫ জুন (এপি): ডিউক ও ডাচেস অব সাসেক্স যুবরাজ হ্যারি ও মেগান মার্কেলের বাড়ি সংস্কারে খরচ হয়েছে ২৪ লক্ষ পাউন্ড বা ৩০ লক্ষ ৬ হাজার ডলার। যার পুরোটাই ব্রিটেনের সাধারণ করদাতাদের টাকা। মঙ্গলবার রাজকোষাগারের পক্ষ থেকে এই হিসেব প্রকাশ ...

মণীন্দ্র নারায়ণ সিংহ, জলপাইগুড়ি, বিএনএ: জনসংযোগ বাড়াতে জলপাইগুড়িতে এবার প্রতি বিধানসভা কেন্দ্রে এমপি’র নিজস্ব কার্যালয় খুলবে বিজেপি। সংসদ অধিবেশন চলাকালীন এমপি দিল্লিতে থাকলেও বাকি সময় তিনি ওই কার্যালয়গুলিতে পৃথক দিনে নির্দিষ্ট সময়ে বসবেন।  ...

 ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...

  নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আসন্ন মরশুমের জন্য মঙ্গলবার ৩৪ সদস্যের সম্ভাব্য বাংলা দল ঘোষিত হল। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যায় অধিক পরিশ্রম করতে হবে। ব্যবসায় যুক্ত ব্যক্তির পক্ষে দিনটি শুভ। প্রেম-প্রীতিতে আগ্রহ বাড়বে। নতুন ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব মাদক বিরোধী দিবস
১৯৬৮: ইতালির ফুটবলার পাওলো মালদিনির জন্ম
২০০৫: ক্রিকেটার একনাথ সোলকারের মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.৪৮ টাকা ৭০.১৭ টাকা
পাউন্ড ৮৬.৭৩ টাকা ৮৯.৯৬ টাকা
ইউরো ৭৭.৫৫ টাকা ৮০.৫২ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৫,০৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৩,২৮০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৩,৭৮০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,২০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৩০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১১ আষা‌ঢ় ১৪২৬, ২৬ জুন ২০১৯, বুধবার, নবমী অহোরাত্র। উত্তরভাদ্রপদ ১/৩৯ প্রাতঃ ৫/৩৭। সূ উ ৪/৫৭/৪৩, অ ৬/২০/৩৭, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৮ গতে ১১/১১ মধ্যে পুনঃ ১/৫২ গতে ৫/২৭ মধ্যে। রাত্রি ৯/৫৩ মধ্যে পুনঃ ১২/০ গতে ১/২৫ মধ্যে, বারবেলা ৮/১৯ গতে ৯/৫৯ মধ্যে পুনঃ ১১/৩৯ গতে ১/২০ মধ্যে, কালরাত্রি ২/১৯ গতে ৩/৩৮ মধ্যে।
১০ আষাঢ় ১৪২৬, ২৬ জুন ২০১৯, বুধবার, নবমী ৫৪/৩/১৫ রাত্রি ২/৩৪/৪। রেবতীনক্ষত্র ৬০/০/০ অহোরাত্র, সূ উ ৪/৫৬/৪৫, অ ৬/২৩/৩৯, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪২ গতে ১১/১৫ মধ্যে ও ১/৫৫ গতে ৫/২৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/৫৫ মধ্যে ও ১২/৩ গতে ১/২৯ মধ্যে, বারবেলা ১১/৪০/১৩ গতে ১/২১/৪ মধ্যে, কালবেলা ৮/১৮/২৯ গতে ৯/৫৯/২১ মধ্যে, কালরাত্রি ২/১১/২৯ গতে ৩/৩৭/৩৭ মধ্যে।
২২ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
বিশ্বকাপ: পাকিস্তানকে ২৩৮ রানের টার্গেট দিল নিউজিল্যান্ড

07:55:05 PM

জামিন বাতিল বিজয়বর্গীর ছেলের
পুরসভার আধিকারিকদের মারধরের মামলায় বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়র ছেলে আকাশ ...বিশদ

07:46:40 PM

বিশ্বকাপ: নিউজিল্যান্ড ১৫৫ /৫ (৪১ ওভার) 

07:08:38 PM

জোড়াসাঁকোয় চলন্ত মিনিবাসে আগুন
আজ কলকাতায় চলন্ত অবস্থায় একটি মিনিবাসের বামদিকের চাকায় আগুন লেগে ...বিশদ

06:42:52 PM

তারকেশ্বরে জনসংযোগ যাত্রা তৃণমূলের
তারকেশ্বরে জনসংযোগ যাত্রা করল তৃণমূল কংগ্রেস।পদযাত্রা অংশগ্রহণ করেন মন্ত্রী ফিরহাদ ...বিশদ

06:31:00 PM

 বিশ্বকাপ: নিউজিল্যান্ড ৯৪ /৫ (৩০ ওভার)

06:24:25 PM