রঙ্গভূমি
 

 লুপ্তপ্রায় নাট্যআঙ্গিক দাস্তানগোই

প্রায় হারিয়ে যেতে বসা এক নাট্যআঙ্গিক দাস্তানগোই। প্রাচীনকালে মুঘল বাদশাহ এবং আমির-ওমরাহদের মেহফিলে দেখা যেত এই আঙ্গিকটি। সম্প্রতি কলকাতায় এক ঘরোয়া অনুষ্ঠানে তার পুনরুদ্ধারের প্রয়াসের সাক্ষী ছিলেন মানসী নাথ।

ইদানীং বিভিন্ন এফ এম চ্যানেলে গল্প বলার অনুষ্ঠান বেশ জনপ্রিয় হয়েছে। বেশ রসিয়ে, গলায় আবেগ নিয়ে, আবহসংগীত সহকারে সঞ্চালকরা গল্প বলে থাকেন। গোটা ব্যাপারটা বেশ নাটকীয়। গল্প বলার ধরনে নাটকীয়তা সৃষ্টি হয়। ষোড়শ শতাব্দীতে এ দেশে এমনই এক গল্প বলার ভঙ্গি দারুন জনপ্রিয় ছিল। তার নাম দাস্তানগোই। ভারতীয় নৃতত্ত্ববিদ ঘাউস আনসারির বর্ণনা অনুসারে, ইসলাম ধর্ম জন্ম নেওয়ারও আগে আরবে এই দাস্তানগোইয়ের জন্ম। পারসী বা ফার্সী ভাষায় দাস্তান অর্থ গল্প, আর গোই মানে বলা। ঘাউসের বর্ণনা থেকেই জানা যায়, ইসলামের বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে দাস্তানগোইরও বিস্তার ঘটে ইরান থেকে ভারতীয় উপমহাদেশে। আঠারো শতকে এদেশে দাস্তানগোই বহুল প্রচার লাভ করে। সে সময় আরব্যরজনীর গল্প, আমীর হামজার বীরগাথা গল্পাকারে দাস্তানগোইতে শোনানো হত। ১৮৫৭ খ্রীস্টাব্দে সিপাহি বিদ্রোহের সময় বহু দাস্তানগো (গল্প বলিয়ে) দিল্লি ছেড়ে লখনউয়ে আশ্রয় নেন। এরপর উনিশ শতকে লখনউয়ে দাস্তানগোইয়ের শ্রীবৃদ্ধি ঘটে। একজন বা দু’জন দাস্তানগো দর্শক-শ্রোতার সামনে সুর করে বা গল্প বলার ভঙ্গিমায় দাস্তানগোই পেশ করত। সুপ্রাচীন এই শিল্প মাধ্যমটির সঙ্গে পঞ্চতন্ত্রের গল্পপাঠ কিংবা পাঁচালি কথকথার আসরের মিল রয়েছে। এমনকী হালের শ্রুতি নাটকেরও মিল রয়েছে এই সুপ্রাচীন উর্দু শিল্প মাধ্যমটির সঙ্গে।
লখনউয়ে পারিবারিক অনুষ্ঠানে, স্থানীয় জলসায় দাস্তানগোইয়ের চল ছিল। তবে এটি সর্বাধিক খ্যাতি লাভ করে আফিমখানা বা শরাবখানার আড্ডায়। লখনউয়ের বেশিরভাগ আফিমখানাতেই দাস্তানগোই ছিল মনোরঞ্জনের অঙ্গ। এই আফিমখানায় দাস্তানগোরা যেসব কাহিনি শোনাতেন, তার বেশিরভাগই হত হাস্যরসাত্মক, চটুল। অশ্লীল শব্দের প্রয়োগও চলত। তবে প্রতিটি দাস্তানগোই সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে বার্তা দিত। ১৯২৮ সালে মির বাকার আলি (দাস্তানগো)-র মৃত্যুর পর এই ধারা মৃতপ্রায় হয়ে পড়ে। একুশ শতকে সামশুর রহমান ফারুকী ও মাহমুদ ফারুকী এই শিল্পমাধ্যমকে পুনরুজ্জীবন দানের প্রয়াস শুরু করেন। আফিমখানায় যে ধরনের চটুল দাস্তানগোই পেশ হত বর্তমানে সেই ধারাটি কিছু কিছু শিল্পী বহন করছেন। তেমনি একটি দাস্তানগোই সম্প্রতি কলকাতায় দেখার সৌভাগ্য হল। দক্ষিণ কলকাতার বালিগঞ্জ সার্কুলার রোডের এক আবাসনে সম্প্রতি এক দাস্তানগোই সন্ধ্যার আয়োজন করে অলকা জালান ফাউন্ডেশন। ইসমত চুঘতাইয়ের একটি ছোট গল্প অনুসারে ‘ঘরওয়ালি’ শীর্ষক একটি দাস্তানগোই মঞ্চস্থ হয়। সুনীল মেহেরা ও আসকারি নাকভি— দুই দাস্তানগো গল্প শোনান। তিরিশের দশকের লেখক ইসমত চুঘতাই মূলত নারীবাদী রূপে খ্যাত। তাঁর রচনায় নারীরা সব সময় নিয়ম ভাঙে, নিজের শর্তে বাঁচে। তেমনি এক নারী লাজোর গল্প শোনালেন দুই দাস্তানগো। শুরুরও একটা শুরু
থাকে— প্রদীপ জ্বালানোর আগে সলতে পাকানোর মতো। ঠিক তেমনি গল্প শুরুর আগে দাস্তানগোরা শোনালেন ‘সাকিনামা’। শরাবখানায় পেয়ালায় যাঁরা সুরা দেন সেই ‘বারটেন্ডারদের’ স্তুতি এই সাকিনামা। বাংলার গৌরচন্দ্রিকার শামিল। সাকিনামা গেয়ে শুরু হল গল্প বলা। লখনউয়ের নিম্নবর্গের মেয়ে লাজো। জন্মের ইতিহাস অজানা। অত্যন্ত রূপসী। অল্পবয়সে পুরুষসঙ্গ তার নেশা হয়। এক পুরুষ থেকে আর এক পুরুষের কাছে অনায়াস যাতায়াত লাজোর। তেমনি করে একদিন এসে পড়ে শরিফ মহল্লায় মির্জার বাড়িতে বাঁদী হয়ে। প্রাক্তন মালিক বকসির বন্ধু ছিল মির্জা। লাজো তার স্বভাবমতো মির্জাকে নিজের করায়ত্ত করে। আবার একই সঙ্গে মহল্লার অন্য যুবাদের প্রতিও তার নজর। বিষয়টা মির্জার ভালো লাগে না। তাই পড়শিদের পরামর্শে মির্জা লাজোকে নিকাহ করে। কিন্তু লাজোর মনে হয় সে চিরদিনের জন্য বন্দি হল। মির্জা তার মালিক হল। বিয়ে বিষয়টাতে লাজোর একেবারেই সায় ছিল না। বিয়ের পরই মির্জা সত্যি সত্যি প্রেমিক থেকে মালিক হয়ে ওঠে। মির্জার চোখরাঙানি লাজোর সয় না। সে আবার পাড়ার অন্য ছেলেদের দিকে নজর দেয়। অতঃপর মির্জা লজ্জায় বিবিকে তালাক দেয়। কিন্তু এই তালাক যেন লাজোর কাছে শাপে বর। পরম মুক্তির আনন্দ পায়। বিয়ের সুবাদে লাজোর কাজের মেয়ে থেকে ঘরওয়ালিতে উত্তরণ ঘটে। কিন্তু তালাকের পর সে আর মির্জার ঘরওয়ালি নয়। অতঃপর মির্জার বাড়িতে আবার কামওয়ালি রূপে লাজোর আগমন এবং গল্পের মধুরেণ সমাপয়েত। সমগ্র গল্পটি মাত্র এক ঘণ্টার। দুই গল্প বলিয়ে বা দাস্তানগোর মধ্যে গল্পটি অনায়াস যাতায়াত করে। চটুল সংলাপ, বিচিত্র অঙ্গভঙ্গি সহ মসকরার ভঙ্গিতেই সমগ্র বিষয়টি উপস্থাপিত। গল্পের যে অশ্লীলতা তা গল্পবলিয়েরা যথাযথ তুলে ধরেছেন। সেই দিক থেকেই দুই দাস্তানগোর উপস্থাপনা অনবদ্য। মঞ্চসজ্জা বলতে তেমন কিছু নেই এই পালায়। দুই দাস্তানগো সাবেক ইসলামি পোশাকে সজ্জিত হয়ে মঞ্চে উপবেশন করেন। সঙ্গী তাকিয়া আর পেয়ালা। ব্যস বৈঠকি মেজাজে গল্প বলা শুরু। এহেন সুপ্রাচীন শিল্পমাধ্যমকে আজও যথাযথরূপে দর্শকদের সামনে উপস্থাপন করার জন্য দুই দাস্তানগো সুনীল মেহেরা ও আসকারি নাকভির বিশেষ প্রশংসাপ্রাপ্য।
14th  May, 2017
নিম্নবর্গীয় চোরকে দিয়ে কর্পোরেট রাষ্ট্রের সিদ কাটিয়েছেন নাটককার

এক চোরের কাহিনী। যে সে চোর নয়, রীতিমতো খানদানি চোর। চৌর্যবৃত্তির একটা বংশানুক্রমিক ধারা রয়েছে। বলা ভালো ঐতিহ্য রয়েছে, কৃতিত্ব স্থাপনের। সেই চোরের নাম বিশু। গ্রামের চোর। পাড়াগাঁয়ের ধনীর বাড়ি থেকে শুরু করে দেব-দেউল সবই তার হাত সাফাইয়ের মৃগয়াক্ষেত্র। বহুরূপীর নতুন নাটক মেডেল দেখে এসে উপলব্ধি করলেন জয়ন্ত চৌধুরি।
বিশদ

মিনার্ভা নিয়ে উত্তাল স্যোশাল মিডিয়া, অভিযোগের জবাব দিলেন অর্পিতা

মিনার্ভা প্রেক্ষাগৃহের দিন বন্টন নিয়ে সম্প্রতি তীব্র বাদানুবাদ শুরু হয়েছে স্যোশাল মিডিয়ায়। অবস্থা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে ‘মিনার্ভা নাট্য সংস্কৃতি চর্চা কেন্দ্র’-র চেয়ারপার্সন ও তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার সদস্য অর্পিতা ঘোষ তিতিবিরক্ত হয়ে তাঁর করা একটি পোস্টে ‘নাটক ছেড়ে দেব’ বলেও মন্তব্য করেছেন।
বিশদ

দুর্ভাগ্য! বাংলা থিয়েটার কোনও করন্থকে পায়নি

বাংলা থিয়েটারে ‘গভীর গভীরতর অসুখ এখন’। হল বন্টনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে উঠছে স্বজনপোষণের অভিযোগ। তারই পরিপ্রেক্ষিতে কলম ধরলেন নাট্যব্যক্তিত্ব মনীশ মিত্র। সম্প্রতি প্রয়াত হলেন পান্ডবানী শিল্পী পদ্মশ্রী পুনারাম নিষাদ। ছত্তিশগড়ের রিংনি গ্রামে বাস করতেন তিনি।
বিশদ

 মহাভারতের পর পিটার ব্রুকস আর সৃষ্টিশীল হতে পারেননি

 নাদিরা বব্বর। ভারতীয় নাট্যজগতের এক উল্লেখযোগ্য নাম। ন্যাশনাল স্কুল অফ ড্রামা-র স্নাতক (১৯৭১)। স্বর্ণপদক জয়ী নাদিরা স্কলারশিপ পেয়ে জার্মানিতে যান নাট্যচর্চার জন্য। গ্রোতোভিস্কি এবং পিটার ব্রুকস-এর মতো নির্দেশকদের কাছ থেকে দেখার এবং তাঁদের কাছে শিক্ষালাভের সুযোগ পেয়েছিলেন। পরবর্তীতে নিজস্ব নাটকের দল ‘একজুট’ (Ekjute) তৈরি করেন। তাঁর সঙ্গে কথোপকথনে অজয় মুখোপাধ্যায়।
বিশদ

16th  July, 2017
 হাওড়া নাট্যজনের এবং কুরুক্ষেত্র

 যুদ্ধের ইতিহাস বইতে বইতে পৃথিবী আজ ক্লান্ত। মহাবিশ্বের কোনও না কোনও প্রান্তে প্রতিনিয়ত যুদ্ধ চলছেই। আধুনিক পৃথিবী আজ বারুদের স্তূপের উপর দাঁড়িয়ে। যুদ্ধবাজ মানুষেরা চাইলেই এক মুহূর্তে সভ্যতা ধ্বংস করে দিতে পারে।
বিশদ

16th  July, 2017
 বাস্তবের ভাবনাগুলোকে নাড়িয়ে দেয় ব্রজর কাণ্ড

  স্বপ্নে আমরা যা চাই, বাস্তবে হয়তো তা আমাদের সহ্য নাও হতে পারে। কারণ চাওয়া-পাওয়ার সঙ্গে আনুষঙ্গিক আরও অনেকগুলো বিষয় জড়িয়ে থাকে। স্বপ্ন দেখার সময় সেগুলো স্পষ্ট হয় না।
বিশদ

16th  July, 2017
মো হি ত সন্ধ্যা

 খুব সাধারণ একজন মানুষের গল্প। এমন একজন মানুষ যাকে একটু চোখ ঘোরালেই দেখা যায়। তাই তাদের দিকে খুব একটা নজর দেবার দরকার পড়ে না। যতক্ষণ না পর্যন্ত সেই অতি সাধারণ মানুষটি একটি অসাধারণ কাজ করে সমাজের নজর তার দিকে ঘুরিয়ে নেন। তাতে তার নিজের জীবনটাও অবশ্য উজ্জ্বল হয়ে ওঠে, কিন্তু সেটি এই গল্পের বিষয় নয়। এমনই একটি নাটক ছিল ‘সাউথ কলকাতা স্রাইন’ আয়োজিত ‘মোহিত সন্ধ্যা’য়।
বিশদ

16th  July, 2017
 সংশোধনাগারের কয়েদিদের নিয়ে থিয়েটার ট্রাভেলার-এর সাম্প্রতিক প্রযোজনা তারিফযোগ্য

  ‘থিয়েটার ট্রাভেলার’ নাটকের দল হিসেবে বেশ স্বতন্ত্র। কেননা নাট্যচর্চার পাশাপাশি, নাটক থেরাপি এবং থিয়েটার এডুকেশন নিয়ে এরা নানা কাজকর্ম করে থাকে। পথশিশুদের নিয়ে নিয়মিত নাটক করে এই সমাজসেবী দলটি। তাদের সাম্প্রতিকতম প্রযোজনা ‘মৈমনসিংহ-গীতিকা’র শিল্পীরা প্রত্যেকেই দমদম সংশোধনাগারের কয়েদি।
বিশদ

16th  July, 2017
 ৬৭ তম বর্ষে খিদিরপুর স্কাউট আকাদেমি

  খিদিরপুর আকাদেমি প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হল ষোড়শ দক্ষিণ কলকাতা খিদিরপুর স্কাউট আকাদেমি গ্রুপের ৬৭ তম বার্ষিক আনন্দানুষ্ঠান ও প্রদর্শনী। তিনদিন ব্যাপী এই অনুষ্ঠানের সূচনা হয় হস্তশিল্প প্রদর্শনীর মধ্য দিয়ে এবং শেষ দিনে দেখানো হয় অভিপ্রদর্শনী।
বিশদ

16th  July, 2017
 গোবরডাঙ্গা নকসা

 আধুনিক বাংলা থিয়েটারের ব্রহ্মা-বিষ্ণু-মহেশ্বর শম্ভু মিত্র নিজের মতো করে নাটক করার জন্য সরকারের কাছে একটা প্রেক্ষাগৃহ দাবি করেছিলেন। আরও আগে সেই একই দাবি শোনা গিয়েছিল শিশির ভাদুড়ির কণ্ঠেও। কোনওটিই পূরিত হয়নি।
বিশদ

09th  July, 2017
 ক্ষমতার দম্ভ ডেকে আনে সিংহাসনের ক্ষয়রোগ

 মানুষ কেবল হারানোর ভয়ে অস্থির। এই ভয়ের কোন শেষ নেই। কেউ নিজেদের অধিকার হারানোর ভয়ে শঙ্কিত, কেউ ভীত নিজের অস্তিত্ব হারানোর ভয়ে, কখনও আবার নিজের মনের অন্ধকারে আশার আলোর রেখাটাই হারিয়ে ফেলার ভয়।
বিশদ

09th  July, 2017



একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ২১ জুলাই শহিদ দিবসের সমাবেশে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের করা মন্তব্য নিয়ে ওঠা বিতর্কের ঝড় রাজ্যের গণ্ডি পেরিয়ে এবার জাতীয় স্তরে উঠে এল। নরেন্দ্র মোদির ব্যর্থতা তথা বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলির অপশাসন নিয়ে শুক্রবার ধর্মতলার ঐতিহাসিক সমাবেশমঞ্চ থেকে ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বহরমপুর সেন্ট্রাল জেল থেকে চিকিৎসার জন্য কলকাতায় নিয়ে আসা বিচারাধীন বন্দি উধাও হল হাসপাতাল থেকে। পলাতক ওই বন্দির নাম সোহেল রানা (২৫)। ...

 সংবাদদাতা, ঘাটাল: দুই দেশের খেলা দেখার জন্য ভিড় উপচে পড়ল দাসপুর-১ ব্লকের কলোড়াতে। শনিবার পশ্চিম মেদিনীপুর ফুটি অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে কলোড়া স্কুল ফুটবল মাঠে ভারতের জাতীয় ...

দিব্যেন্দু বিশ্বাস, নয়াদিল্লি, ২২ জুলাই: জাতীয় গড়ের তুলনায় পশ্চিমবঙ্গে বেকারত্বের হার বেশি। সম্প্রতি লোকসভায় কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রী বন্দারু দত্তাত্রেয়’র পেশ করা রিপোর্টে প্রকাশ পেয়েছে এই তথ্য। একইসঙ্গে সংশ্লিষ্ট রিপোর্টে কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রী এও উল্লেখ করেছেন যে, ২০১২-১৩ আর্থিক বছরের তুলনায় ২০১৫-১৬ অর্থবর্ষে ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ব্যাবসা সূত্রে উপার্জন বৃদ্ধি। বিদ্যায় মানসিক চঞ্চলতা বাধার কারণ হতে পারে। গুরুজনদের শরীর স্বাস্থ্য নিয়ে ... বিশদ



ইতিহাসে আজকের দিন

 ১৮৫৬- স্বাধীনতা সংগ্রামী বাল গঙ্গাধর তিলকের জন্ম
 ১৮৯৫ – চিত্রশিল্পী মুকুল দের জন্ম
 ২০০৪- অভিনেতা মেহমুদের মৃত্যু
 ২০১২- আই এন এ’ যোদ্ধা লক্ষ্মী সায়গলের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৫৫ টাকা ৬৬.২৩ টাকা
পাউন্ড ৮১.৯৮ টাকা ৮৪.৯৬ টাকা
ইউরো ৭৩.৫৬ টাকা ৭৬.১৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
22nd  July, 2017
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৯,০৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৭,৫৮০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৭,৯৯৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৬০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

 ৭ শ্রাবণ, ২৩ জুলাই, রবিবার, অমাবস্যা দিবা ৩/১৬, পুনর্বসুনক্ষত্র দিবা ৯/৫৩, সূ উ ৫/৭/৫৭, অ ৬/১৮/৫, অমৃতযোগ প্রাতঃ ৬/১-৯/৩১ রাত্রি ৭/৪৫-৯/১১, বারবেলা ১০/৪-১/২২, কালরাত্রি ১/৪-২/২৬।
৬ শ্রাবণ, ২৩ জুলাই, রবিবার, অমাবস্যা ৩/৫২/৫৯, পুনর্বসুনক্ষত্র ১১/৫/৩৬, সূ উ ৫/৪/৫০, অ ৬/২০/৬, অমৃতযোগ দিবা ৫/৫৭/৫১-৯/২৯/৫৫, বারবেলা ১০/৩/৩-১১/৪২/২৮, কালবেলা ১১/৪২/২৮-১/২১/৫২, কালরাত্রি ১/৩/৪-২/২৩/৩৯।
 ২৮ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ভারতের জয়ের জন্য ৬ ওভারে ৩১ রান প্রয়োজন 

09:47:31 PM

ভারত ১৪৫/৩ (৩৫ ওভার) 

09:08:03 PM

ভারত ১২০/২ (৩০ ওভার) 

08:45:54 PM

ভারত ৬৯/২ (২০ ওভারে)

08:10:29 PM

ভারত ৪৩/২ (১২ ওভারে)

07:41:49 PM

ভারত ৩১/১ (৮ ওভারে)

07:26:26 PM