রঙ্গভূমি
 

 বেহালা বাতায়নের অবয়ব

 আমরা একটা মানুষকে যেভাবে দেখি, অন্যরাও কি সেভাবেই দেখে? অর্থাৎ আমার চোখে একটা মানুষের যে প্রতিচ্ছবি, সেই একই ছবিই কি ভেসে ওঠে অন্য মানুষের চোখে? যে মুখের ভাঁজে, ভ্রূ’র কুঞ্চনে, চোখের দৃষ্টিতে কেউ স্নেহ খুঁজে পায়, সেই একই ভাঁজে, মুখের হাসিতে অন্য কেউ স্বার্থপরতা খুঁজে পায় কি? নাকি মনে মনে এই অবয়ব বানানোর যে প্রক্রিয়া সেটা আসলে নির্ভর করে স্বার্থের উপর? সময় বয়ে যাওয়ার সঙ্গে বদলে যায় সম্পর্ক, বদলে যায় স্বার্থ— তার সঙ্গে অবয়ব!
বড় কঠিন প্রশ্নের সামনে দাঁড় করিয়ে দেয় শৌনক। কিন্তু কে সে? শৌনকের সম্পর্কে আমরা জানতে পারি লেখক অগ্নিভ’র কাছ থেকে। সাহিত্যিক অগ্নিভ তাঁর স্ত্রী ঈশাকে একটা গল্প বলতে শুরু করেন। সেই গল্পেরই চরিত্র শৌনক। আসলে সে আমার আপনার মতোই দিশাহীন এক মানুষ যে বাস করে কোটি কোটি উইয়ের বানানো ঢিপির মতো শহরে। আর প্রতিদিন কিলবিল করা মানুষের ভিড়ে একটা আলাদা কিছু করার তাড়নায় অস্থির হয়ে ওঠে। গা থেকে ঝেড়ে ফেলতে চায় মধ্যবিত্তর ছাপ। প্রতিমুহূর্তে প্রমাণ করতে চায় সে আর পাঁচটা মানুষের থেকে আলাদা!
বিজ্ঞাপন সংস্থায় জিংগল লেখে শৌনক। তবু সে চায় নিজের মতো করে গান রচনা করতে। সেখানেও ব্যর্থ হয় সে। আসলে ধরাবাঁধা চাকরি করে কি অন্য রকম কিছু করা সম্ভব? কিন্তু চাকরি ছাড়তে হলে সংসার চালাবে কে? শৌনকের স্ত্রী অনুভা সামান্য গৃহবধূ। সে একটা চাকরি নিলেই সমস্যাটা মিটে যায়। বিধি বাম! অনুভা আবার সরকারি চাকরির পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে! শৌনক এবার কী করবে? এই অনুভাকেই কি সে ভালোবেসে বিয়ে করেছিল? ক্রমশ চাকুরিস্থলে, সংসারে নিজের জমি হারাতে থাকে শৌনক। অনুভা কি আদৌ শৌনককে বোঝে? না হলে কেনই বা সে বলবে শৌনকের গান খুব সাধারণ মনে হয় তার? শেষ পর্যন্ত মুম্বইয়ে বিখ্যাত এক সংস্থায় চাকরির চিঠি আসে শৌনকের কাছে। অথচ তখনই অনুভা জানায়, সে সন্তানম্ভবা! কেরিয়ার গড়ার সময়ে এই দায়িত্ব নেওয়া শৌনকের পক্ষে সম্ভব হয় না। অতঃপর অনুভা ছেড়ে চলে যায় শৌনককে।
গল্প যত এগতে থাকে ততই গল্পকার আর তার সৃষ্ট চরিত্ররা মিশতে শুরু করে একে অপরের সঙ্গে! সাহিত্যিক অগ্নিভ’র মুখেই জানা যায়— অন্ধকারে হারিয়ে যাচ্ছিল শৌনক। আর তখনই হ্যামলিনের বাঁশিওয়ালার মতো এক ‘অন্য মানুষ’ বা শৌনকেরই অলটার ইগোর আবির্ভাব ঘটে। এরপর কী হয়? সেটা জানতে হলে নাট্যমোদী মানুষরা দেখতে যেতে পারেন বেহালা বাতায়নের প্রযোজনায় ও নবকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশিত ‘অবয়ব’ নাটকটি। সম্প্রতি নাটকটি মঞ্চস্থ হল রবীন্দ্রসদনে।
‘স্টোরি উইদিন এ স্টোরি’র আদলে এই নাটকের চিত্রনাট্য লিখেছেন কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায়। চলচ্চিত্রের মতোই কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায়ের লেখা এই নাটকেও রয়েছে ঘনঘন বর্তমান এবং অতীত সময়ের ফ্ল্যাশব্যাক। নাটকের উপস্থাপনার ক্ষেত্রে তা বড়সড় চমক বৈকি। একইসঙ্গে বলতে হয়, ফ্ল্যাশব্যাকের ব্যবহার ঘনঘন হওয়ায় মাঝেমধ্যে দৃশ্যপটের পরিবর্তন ও সময়কাল চট করে বোঝা কিছুটা কঠিন হয়ে পড়ে। কষ্ট হয় বুঝতে যে ঠিক কার কথা বলার জন্য কমলেশ্বরবাবু এই চিত্রনাট্য লিখেছেন? শৌনকের কথা বলার জন্য? নাকি কোনও এক শিল্পীর ‘শিল্পী’ না হয়ে ওঠার যন্ত্রণা বোঝানোর জন্য? অথবা শৌনকের সঙ্গে অনুভার সম্পর্কের টানাপোড়েন ব্যক্ত করার জন্য?
আমরা মঞ্চে দেখি এক যুবককে। স্ত্রী তাকে ছেড়ে চলে যাওয়ায় সে শোকে ভারাক্রান্ত। অথচ সেই যুবক নিজের অহংবোধকে ত্যাগ করে স্ত্রীর কাছে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করে না। আবার তারই স্মৃতিতে দেখতে হয় কীভাবে শৌনক নিজের বাসনা সার্থক করার জন্য নিজের স্ত্রী’কে ব্যবহার করতে চেয়েছিল। আর এখানেই নাট্যকারের সঙ্গে দর্শকের যুক্তিবোধে সংঘাত বাধে— এই নাটক আমরা শুধু শৌনকের নজর দিয়েই দেখব কেন? ২০১৭ সালে দাঁড়িয়ে এক স্বার্থপর মধ্যবিত্ত মেকি বুদ্ধিজীবী পুরুষের ঘ্যানঘ্যানানি শুনে পড়াশোনা জানা একটি মেয়ে সংসারে ফিরবে কি ফিরবে না সেই সাসপেন্সে নিজের স্নায়ু অবশ করব কেন? তাও আবার একটানা দু’ঘন্টা ধরে?
এবার আসা যাক দ্বিতীয় প্রশ্ন বা শৌনকের শিল্পবোধের প্রসঙ্গে। আমরা দেখি— শৌনক গান লেখে এবং গান করে। যেটুকু করে সেটুকুর সবটাই বিজ্ঞাপন সংস্থার চাহিদা অনুযায়ী। এই কাজ করতে করতে সে মৌলিক চিন্তাভাবনা হারিয়ে ফেলে। গাড়িতে বসে সে ভুলে যায় সাধারণ মানুষের জীবনযাপনেই লুকিয়ে রয়েছে সাহিত্যের রসদ। মানুষকে এড়িয়ে, জীবনকে এড়িয়ে তো আর শিল্প হয় না। শৌনক ঠিক এই ভুলটাই করছিল। সে ভুলতে বসেছিল শিল্প সৃষ্টি হয় মনের তাগিদে, হদয়ের উল্লাসে। কোনও সংস্থার চাহিদায় যে কাজ হয় তাকে শিল্প বলে না— বলে চাকরি! তাই এক চাকরি ছেড়ে অন্য বড় সংস্থায় চাকরি করতে গেলে আলাদা কিছু করা হয় না। আর এই কথাটাই বহু আগে অনুভা খুব সহজভাবে শৌনককে বুঝিয়ে দেয়— শৌনকের গান, জীবনযাত্রা আসলে কোনওটাই তার নিজের নয়। সহজ কথাটা অনুভার কাছে শুনে শৌনক সহ্য করতে পারে না। তার পৌরুষে আঘাত লাগে। শৌনকের চোখে বদলাতে থাকে অনুভার অবয়ব। অর্থাৎ ঘুরেফিরে আবারও সেই শৌনকেই ফিরতে হয় দর্শককে! গোটা নাটক জুড়ে অনুভা থাকে শৌনক এবং দর্শকের অনুকম্পা প্রার্থী হয়ে। এই নাটকে কোথাও তার চরিত্রের উত্তরণ দেখা যায় না। শৌনকের চরিত্রের উত্তরণই বা কোথায় মেলে? তবে এত কিছু অমিল হলেও বড় ভালো লাগে অনুভার চরিত্রে সোহিনী সরকারের আটপৌরে অভিনয়। শৌনকের ভূমিকায় সাহেব ভট্টাচার্য যথেষ্ট বিশ্বাসযোগ্য। এই দু’জনের কেমিস্ট্রি দেখার জন্যই নাটকটি দেখা যেতে পারে। অন্যদিকে মনীশের ভূমিকায় অভিজিৎ লাহিড়ি, অগ্নিভ’র ভূমিকায় শ্রীদীপ চট্টোপাধ্যায়, ঈশার ভূমিকায় প্রিয়াঙ্কা মণ্ডল এবং অন্য মানুষের চরিত্রে নবকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিনয় যথাযথ। সমীর-সোমুর আবহ এবং উত্তীয় জানার আলোকসম্পাত নাটকের প্রয়োজন অনুযায়ীই হয়েছে। ধনঞ্জয় মণ্ডলের মঞ্চভাবনাও যথেষ্ট অভিনব।
07th  May, 2017
নিম্নবর্গীয় চোরকে দিয়ে কর্পোরেট রাষ্ট্রের সিদ কাটিয়েছেন নাটককার

এক চোরের কাহিনী। যে সে চোর নয়, রীতিমতো খানদানি চোর। চৌর্যবৃত্তির একটা বংশানুক্রমিক ধারা রয়েছে। বলা ভালো ঐতিহ্য রয়েছে, কৃতিত্ব স্থাপনের। সেই চোরের নাম বিশু। গ্রামের চোর। পাড়াগাঁয়ের ধনীর বাড়ি থেকে শুরু করে দেব-দেউল সবই তার হাত সাফাইয়ের মৃগয়াক্ষেত্র। বহুরূপীর নতুন নাটক মেডেল দেখে এসে উপলব্ধি করলেন জয়ন্ত চৌধুরি।
বিশদ

মিনার্ভা নিয়ে উত্তাল স্যোশাল মিডিয়া, অভিযোগের জবাব দিলেন অর্পিতা

মিনার্ভা প্রেক্ষাগৃহের দিন বন্টন নিয়ে সম্প্রতি তীব্র বাদানুবাদ শুরু হয়েছে স্যোশাল মিডিয়ায়। অবস্থা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে ‘মিনার্ভা নাট্য সংস্কৃতি চর্চা কেন্দ্র’-র চেয়ারপার্সন ও তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার সদস্য অর্পিতা ঘোষ তিতিবিরক্ত হয়ে তাঁর করা একটি পোস্টে ‘নাটক ছেড়ে দেব’ বলেও মন্তব্য করেছেন।
বিশদ

দুর্ভাগ্য! বাংলা থিয়েটার কোনও করন্থকে পায়নি

বাংলা থিয়েটারে ‘গভীর গভীরতর অসুখ এখন’। হল বন্টনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে উঠছে স্বজনপোষণের অভিযোগ। তারই পরিপ্রেক্ষিতে কলম ধরলেন নাট্যব্যক্তিত্ব মনীশ মিত্র। সম্প্রতি প্রয়াত হলেন পান্ডবানী শিল্পী পদ্মশ্রী পুনারাম নিষাদ। ছত্তিশগড়ের রিংনি গ্রামে বাস করতেন তিনি।
বিশদ

 মহাভারতের পর পিটার ব্রুকস আর সৃষ্টিশীল হতে পারেননি

 নাদিরা বব্বর। ভারতীয় নাট্যজগতের এক উল্লেখযোগ্য নাম। ন্যাশনাল স্কুল অফ ড্রামা-র স্নাতক (১৯৭১)। স্বর্ণপদক জয়ী নাদিরা স্কলারশিপ পেয়ে জার্মানিতে যান নাট্যচর্চার জন্য। গ্রোতোভিস্কি এবং পিটার ব্রুকস-এর মতো নির্দেশকদের কাছ থেকে দেখার এবং তাঁদের কাছে শিক্ষালাভের সুযোগ পেয়েছিলেন। পরবর্তীতে নিজস্ব নাটকের দল ‘একজুট’ (Ekjute) তৈরি করেন। তাঁর সঙ্গে কথোপকথনে অজয় মুখোপাধ্যায়।
বিশদ

16th  July, 2017
 হাওড়া নাট্যজনের এবং কুরুক্ষেত্র

 যুদ্ধের ইতিহাস বইতে বইতে পৃথিবী আজ ক্লান্ত। মহাবিশ্বের কোনও না কোনও প্রান্তে প্রতিনিয়ত যুদ্ধ চলছেই। আধুনিক পৃথিবী আজ বারুদের স্তূপের উপর দাঁড়িয়ে। যুদ্ধবাজ মানুষেরা চাইলেই এক মুহূর্তে সভ্যতা ধ্বংস করে দিতে পারে।
বিশদ

16th  July, 2017
 বাস্তবের ভাবনাগুলোকে নাড়িয়ে দেয় ব্রজর কাণ্ড

  স্বপ্নে আমরা যা চাই, বাস্তবে হয়তো তা আমাদের সহ্য নাও হতে পারে। কারণ চাওয়া-পাওয়ার সঙ্গে আনুষঙ্গিক আরও অনেকগুলো বিষয় জড়িয়ে থাকে। স্বপ্ন দেখার সময় সেগুলো স্পষ্ট হয় না।
বিশদ

16th  July, 2017
মো হি ত সন্ধ্যা

 খুব সাধারণ একজন মানুষের গল্প। এমন একজন মানুষ যাকে একটু চোখ ঘোরালেই দেখা যায়। তাই তাদের দিকে খুব একটা নজর দেবার দরকার পড়ে না। যতক্ষণ না পর্যন্ত সেই অতি সাধারণ মানুষটি একটি অসাধারণ কাজ করে সমাজের নজর তার দিকে ঘুরিয়ে নেন। তাতে তার নিজের জীবনটাও অবশ্য উজ্জ্বল হয়ে ওঠে, কিন্তু সেটি এই গল্পের বিষয় নয়। এমনই একটি নাটক ছিল ‘সাউথ কলকাতা স্রাইন’ আয়োজিত ‘মোহিত সন্ধ্যা’য়।
বিশদ

16th  July, 2017
 সংশোধনাগারের কয়েদিদের নিয়ে থিয়েটার ট্রাভেলার-এর সাম্প্রতিক প্রযোজনা তারিফযোগ্য

  ‘থিয়েটার ট্রাভেলার’ নাটকের দল হিসেবে বেশ স্বতন্ত্র। কেননা নাট্যচর্চার পাশাপাশি, নাটক থেরাপি এবং থিয়েটার এডুকেশন নিয়ে এরা নানা কাজকর্ম করে থাকে। পথশিশুদের নিয়ে নিয়মিত নাটক করে এই সমাজসেবী দলটি। তাদের সাম্প্রতিকতম প্রযোজনা ‘মৈমনসিংহ-গীতিকা’র শিল্পীরা প্রত্যেকেই দমদম সংশোধনাগারের কয়েদি।
বিশদ

16th  July, 2017
 ৬৭ তম বর্ষে খিদিরপুর স্কাউট আকাদেমি

  খিদিরপুর আকাদেমি প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হল ষোড়শ দক্ষিণ কলকাতা খিদিরপুর স্কাউট আকাদেমি গ্রুপের ৬৭ তম বার্ষিক আনন্দানুষ্ঠান ও প্রদর্শনী। তিনদিন ব্যাপী এই অনুষ্ঠানের সূচনা হয় হস্তশিল্প প্রদর্শনীর মধ্য দিয়ে এবং শেষ দিনে দেখানো হয় অভিপ্রদর্শনী।
বিশদ

16th  July, 2017
 গোবরডাঙ্গা নকসা

 আধুনিক বাংলা থিয়েটারের ব্রহ্মা-বিষ্ণু-মহেশ্বর শম্ভু মিত্র নিজের মতো করে নাটক করার জন্য সরকারের কাছে একটা প্রেক্ষাগৃহ দাবি করেছিলেন। আরও আগে সেই একই দাবি শোনা গিয়েছিল শিশির ভাদুড়ির কণ্ঠেও। কোনওটিই পূরিত হয়নি।
বিশদ

09th  July, 2017
 ক্ষমতার দম্ভ ডেকে আনে সিংহাসনের ক্ষয়রোগ

 মানুষ কেবল হারানোর ভয়ে অস্থির। এই ভয়ের কোন শেষ নেই। কেউ নিজেদের অধিকার হারানোর ভয়ে শঙ্কিত, কেউ ভীত নিজের অস্তিত্ব হারানোর ভয়ে, কখনও আবার নিজের মনের অন্ধকারে আশার আলোর রেখাটাই হারিয়ে ফেলার ভয়।
বিশদ

09th  July, 2017



একনজরে
বিএনএ, রায়গঞ্জ: রায়গঞ্জ পুর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন স্থানে গত ৯ জুলাই আদিবাসী নাবালিকাদের ধর্ষণ এবং ঘটনার প্রতিবাদে ১৪ জুলাই শহরে আদিবাসীদের তাণ্ডবের পর শনিবার রায়গঞ্জে এসে বৈঠক করলেন আদিবাসী উন্নয়নমন্ত্রী জেমস কুজুর। এদিন কর্ণজোড়ায় সার্কিট হাউসে এই বৈঠক হয়েছে। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বহরমপুর সেন্ট্রাল জেল থেকে চিকিৎসার জন্য কলকাতায় নিয়ে আসা বিচারাধীন বন্দি উধাও হল হাসপাতাল থেকে। পলাতক ওই বন্দির নাম সোহেল রানা (২৫)। ...

ইসলামাবাদ, ২২ জুলাই (পিটিআই): পানামা পেপার ফাঁস কেলেঙ্কারিতে শেষ পর্যন্ত গদি খোয়াতে হতে পারে নওয়াজ শরিফকে। এমন আশঙ্কায় শরিফের উত্তরসূরি হিসাবে বেছে নেওয়া হল তাঁর ভাইকেই। শাহবাজ শরিফ এখন পাঞ্জাব প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এবং নওয়াজের ছোট ভাই। তবে শাহবাজ শরিফ পাক ...

 সংবাদদাতা, ঘাটাল: দুই দেশের খেলা দেখার জন্য ভিড় উপচে পড়ল দাসপুর-১ ব্লকের কলোড়াতে। শনিবার পশ্চিম মেদিনীপুর ফুটি অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে কলোড়া স্কুল ফুটবল মাঠে ভারতের জাতীয় ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ব্যাবসা সূত্রে উপার্জন বৃদ্ধি। বিদ্যায় মানসিক চঞ্চলতা বাধার কারণ হতে পারে। গুরুজনদের শরীর স্বাস্থ্য নিয়ে ... বিশদ



ইতিহাসে আজকের দিন

 ১৮৫৬- স্বাধীনতা সংগ্রামী বাল গঙ্গাধর তিলকের জন্ম
 ১৮৯৫ – চিত্রশিল্পী মুকুল দের জন্ম
 ২০০৪- অভিনেতা মেহমুদের মৃত্যু
 ২০১২- আই এন এ’ যোদ্ধা লক্ষ্মী সায়গলের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৫৫ টাকা ৬৬.২৩ টাকা
পাউন্ড ৮১.৯৮ টাকা ৮৪.৯৬ টাকা
ইউরো ৭৩.৫৬ টাকা ৭৬.১৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
22nd  July, 2017
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৯,০৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৭,৫৮০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৭,৯৯৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৬০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

 ৭ শ্রাবণ, ২৩ জুলাই, রবিবার, অমাবস্যা দিবা ৩/১৬, পুনর্বসুনক্ষত্র দিবা ৯/৫৩, সূ উ ৫/৭/৫৭, অ ৬/১৮/৫, অমৃতযোগ প্রাতঃ ৬/১-৯/৩১ রাত্রি ৭/৪৫-৯/১১, বারবেলা ১০/৪-১/২২, কালরাত্রি ১/৪-২/২৬।
৬ শ্রাবণ, ২৩ জুলাই, রবিবার, অমাবস্যা ৩/৫২/৫৯, পুনর্বসুনক্ষত্র ১১/৫/৩৬, সূ উ ৫/৪/৫০, অ ৬/২০/৬, অমৃতযোগ দিবা ৫/৫৭/৫১-৯/২৯/৫৫, বারবেলা ১০/৩/৩-১১/৪২/২৮, কালবেলা ১১/৪২/২৮-১/২১/৫২, কালরাত্রি ১/৩/৪-২/২৩/৩৯।
 ২৮ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ভারতের জয়ের জন্য ২ ওভারে ১১ রান প্রয়োজন 

10:09:14 PM

ভারতের জয়ের জন্য ৬ ওভারে ৩১ রান প্রয়োজন 

09:47:31 PM

ভারত ১৪৫/৩ (৩৫ ওভার) 

09:08:03 PM

ভারত ১২০/২ (৩০ ওভার) 

08:45:54 PM

ভারত ৬৯/২ (২০ ওভারে)

08:10:29 PM

ভারত ৪৩/২ (১২ ওভারে)

07:41:49 PM