রঙ্গভূমি
 

পরিচালকের বন্দুকের মুখে দর্শক

ভোরবেলা শরীর আনচান, কপালে ঘাম। ঘুমটা ভেঙে গেল। সবে পাঁচটা বাজে। সাধারণত এত তাড়াতাড়ি আমার ঘুম ভাঙে না। বোধহয় কোনও দুঃস্বপ্ন দেখছিলাম। একটু চা খেতে ইচ্ছে করল। কিন্তু বাড়িতে এখন চা পাওয়ার কোনও সম্ভাবনা নেই। মোড়ের মাথার চায়ের দোকানটা খোলা পাব। সেদিকেই রওনা দিলাম। গিয়ে দেখি কাগজ চলে এসেছে দোকানে। দুয়ের পাতায় নাটকের বিজ্ঞাপনে চোখটা আটকে গেল। আজ রবিবার। মোহিত মৈত্র মঞ্চে ইফটার নতুন নাটক ‘ফোর্থ বেল’-এর প্রথম শো। মনে পড়ে গেল আমারও যাওয়ার কথা নাটকটা দেখতে। একইসঙ্গে মনে পড়ে গেল ভোররাতে দেখা দুঃস্বপ্নটার কথা— আমি নাটক দেখতে গিয়ে গুলি খেয়ে মরে গিয়েছি। বাড়িতে কান্নার রোল উঠেছে। বন্ধুরা আমার মরদেহ ঘিরে দাঁড়িয়ে...। আগের রবিবারই রঙ্গভূমির পাতায় ফোর্থ বেল নাটকটার প্রিভিউ বেরিয়েছিল। সেখানে সাবধান করে দেওয়া হয়েছিল, নাটক ভালো না বাসলে কেউ যেন এই নাটকটি দেখতে না যান। অনেক প্রশ্ন তখন মনে ভিড় করে এসেছিল। সত্যিই কি আমি নাটক ভালোবাসি? নাকি শুধু আমোদ করতে যাই। নিজেই নিজের মানসিকতার চুলচেরা হিসেব করতে বসেছিলাম। সেসবই নিশ্চয়ই রাতের দুঃস্বপ্ন হয়ে ফিরে এসেছে।
মনে হল সঙ্গে কাউকে নিয়ে যাওয়া উচিত। চায়ের দোকানে কেলোদা বসেছিল। ওকে বলতেই একপায়ে খাড়া। কিন্তু কেলোদার একটাই সমস্যা বড় বেশি প্রশ্ন করে। কী নাটক? কেন নাটক? বিষয়বস্তু কী? আমাকে কেন নিয়ে যাচ্ছিস? এরকম হাজার একটা।
মনে মনে ভাবলাম কেন সঙ্গে নিচ্ছি, সে বললে হয়তো তুমি যাবেই না। কিন্তু মুখে বললাম, ‘সে তোমায় তখন যেতে যেতে সব বলে দেব।’
হলে পৌঁছে দেখি শুরু হতে বেশি দেরি নেই। তাই আমরা তাড়াতাড়ি ভেতরে ঢুকে পড়লাম। ওমা! এ তো দেখি মঞ্চ খোলা, আলো আঁধারিতে কতকগুলো অশরীরী চরিত্র নানারকম অঙ্গভঙ্গি করেই চলেছে। তাহলে কি নাটক শুরু হয়ে গেল! যাই হোক, আমরা আসন খুঁজে নিয়ে বসে পড়লাম। হঠাৎ দেখলাম, দর্শকাসনের প্রথম সারির সামনে থেকেই নাটক শুরু হয়ে গেল।
গোটা মঞ্চকে বানানো হয়েছে নাটকের হল। বেশ খরচ করে একটা বাস্তবসম্মত রূপ দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে। অপরেশ আর বিদিশা, উচ্চবিত্ত এক দম্পতি নাটকের বিরতিতে একটু চা খেতে বেরিয়েছিল। তারা আবার হলের মধ্যে অর্থাৎ নাটকের মঞ্চে প্রবেশ করে।
ওই দম্পতি বিরতির পর হলে ঢুকে কিছুক্ষণ পর বুঝতে পারে যে নাটক আর হবে না, বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ধীরে ধীরে তারা এক অস্বাভাবিক পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়। আমরা অর্থাৎ আসল দর্শকরা দেখি, অপরেশ ও বিদিশাকে হলের মধ্যে আটকে রাখা হয়। নাট্যকার সেখানে উপস্থিত হয়ে তাদের মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে, ওয়াইন খাইয়ে নাট্যপ্রেমের পরীক্ষা নিতে চায়। শুরু হয় টানাপোড়েন। আর এই টানাপোড়েনে আপাত ভদ্র নাট্যপ্রেমীর প্রকৃত মুখ ধীরে ধীরে বেরিয়ে আসে। যারা থিয়েটারকে ভালোবেসে থিয়েটার দেখতে আসে না। আসে চটজলদি আমোদের সন্ধানে। তাই নাট্যকার-পরিচালক তাদের রেহাই দিতে চায় না। এভাবে চলতে চলতেই এক চরম মুহূর্তে বন্দুক হাতবদল হয় এবং ‘দর্শক’ অপরেশের হাতেই সেই বন্দুক গর্জে ওঠে। উলটে পড়ে নাট্যকার। আতঙ্কে দিশেহারা হয়ে পড়ে অপরেশ ও বিদিশা। সেই মুহূর্তে মঞ্চে আবির্ভাব হয় নাট্যকার ও পরিচালকের এবং জানায় পুরোটাই তাদের পূর্ব পরিকল্পিত। সুতরাং নাটকের প্রথম অর্ধটা দেখে নেওয়া প্রয়োজন। শুরু হয় গল্পের প্রথমার্ধ, যেখানে অপরেশ-বিদিশা হলে নাটক দেখতে ঢুকছে। বাইরেই তাদের পরিচয় হয় পরিচালকের সঙ্গে এবং তাঁরা প্রবেশ করে হলের মধ্যে। এইভাবেই তারা পড়ে নাট্যকারের পরিকল্পনার ফাঁদে।
আমাদের প্রকৃত নাটকের এখানেই বিরতি। জানতাম বসে থাকলেই কেলোদা আবার আমাকে চেপে ধরবে। তাই তাড়াতাড়ি হলের বাইরে। যদিও বেরতেই সতর্ক করে দেওয়া হল কোনওরকম বেল বাজিয়ে সংকেত দেওয়া হবে না। তার মানে নাটকের গল্পের রেশ বাস্তবেও এসে পড়েছে, দর্শকদের সর্বদা সজাগ থাকতে হবে। অবশ্য মনে পড়ল শুরুতেও কোনও বেল বাজানো হয়নি। যাইহোক, সজাগ ছিলাম। এবারেও ঠিক সময়ে প্রবেশ করেও দেখলাম মঞ্চ সচল রয়েছে। কেলোদার দিকে তাকানোরও সময় হল না, নাকি সাহস হল না?
দ্বিতীয়ার্ধে আস্তে আস্তে অনেক কিছুই পরিষ্কার হতে থাকল, সেই প্রথম অর্ধের দমচাপা আতঙ্কের ব্যাপারটা, কিছু কিছু ধোঁয়াশা জায়গা। বোঝা গেল, অপরেশ-বিদিশা সচ্ছল দম্পতি, নিয়মিত টিকিট কেটে নাটক দেখে এবং অবশ্যই তাদের নাট্যজ্ঞান ভাণ্ডার পরিপূর্ণ। তাই এসব নিয়ে তাদের একটা গর্ববোধ আছে। আর এদিকে নাট্যকার শিল্পজগতের দৈন্যতার শিকার, তার থেকে হতাশা। দিনে দিনে দর্শকসংখ্যা সীমিত হয়ে পড়েছে, নাটক চালিয়ে যাওয়াই এক বিরাট সমস্যা, এই অবস্থায় তারা নাটকের নিষ্ঠুর বাস্তবতার প্রয়োগ ঘটাতে চেষ্টা করে। যেখান থেকে সৃষ্টি হবে নতুন নাটক যা হয়তো পালটে দেবে এই বর্তমান পরিস্থিতি।
অবশেষে মঞ্চের পরদা পড়ল, না না ওঠার জন্য পড়ল। আরে শুরু হল যে, গল্পের নাটক! অপরেশের চরিত্রে রাজর্ষি দে অনবদ্য। বিদিশার ভূমিকায় অপরাজিতা ঘোষের কাছে নাটক আরও বেশি কিছু আশা করে। তবে নাট্যকারের চরিত্রে লোকনাথ দে ও পরিচালকরূপী সত্রাজিৎ সরকার হয়তো নাটকের প্রয়োজনেই একটু যান্ত্রিক। লাইটম্যান চরিত্রে সুদীপ্ত ভুঁইঞা বেশ ভালো।
নাটকের আবহ আলাদা মাত্রা না আনলেও আলো আঁধারিতে নাটক জমিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন আলোক পরিচালক। যদিও মাঝে মধ্যে আঁধারের মাত্রা একটু বেশি মনে হয়েছে।
নাটকের মধ্যে বেশ কিছু জায়গার কোরিওগ্রাফি নতুনত্বের স্বাদ আনে। যেমন— রিল গুটিয়ে নিয়ে দৃশ্য আগে পরে যাওয়ার মতো জায়গাগুলো।
সব শেষে, ব্রাত্য বসুর এই নতুন ধরনের পরীক্ষামূলক নাটকের দায়িত্ব নিয়ে সাহস দেখানোর জন্য নির্দেশক দেবাশিস দত্তের সাধুবাদ পাওয়া উচিত।
নাটক শেষ। এখন আমরা বাইরে চায়ের দোকানে। কেলোদার মুখে কোনও কথা নেই। উলটে আমিই বললাম—
—কি গো কোনও প্রশ্ন করবে না?
—সে তো সকাল থেকে অনেক প্রশ্নই করেছিলাম। কিন্তু তুই নানা অছিলায় এড়িয়ে গেছিস। অবশ্য এখন তার কারণ আমার কাছে পরিষ্কার। তবে অন্য কতকগুলো প্রশ্ন আছে, জিজ্ঞাসা করব?
—করো।
—আচ্ছা গল্পটা যেমন পিছন থেকে শুরু করল, মানে দ্বিতীয় অর্ধটা আগে দেখিয়ে প্রথম অর্ধটা পরে, কেন বল তো?
—দর্শক যাতে গল্পের মধ্যে ঢুকে গিয়ে গল্পের চরিত্র না হয়ে পড়ে সেই জন্য। বোধহয় কিছুটা ব্রেখটিয়ান স্টাইলের প্রয়োগ।
—আচ্ছা। কিন্তু এখানে যে দর্শকদের ইগোর কথা বলা হল, সেরকম তো তাহলে নাট্যকর্মীদেরও ইগোর কথা বলা যায়।
—আরে সেটাও তো আবডালে বলা হয়েছে। এই ইগোর জোরেই তো দৈন্যদশার মধ্যেও নাটক এগিয়ে চলছে। ক’টা নাটকের দল আর সরকারি বা বেসরকারি সাহায্য পায় বলো? তবুও পৃথিবীতে আজও নাট্যকর্মীরা কাজ করে চলেছে।
—সে যাইহোক, কিন্তু এই নাটক দেখে সাধারণ দর্শকরা নতুন করে নাটক দেখার কথা ভাববে তো?
—ভবিষ্যতই তার উত্তর দেবে। কিন্তু যারা দেখবে তারা তোমার মতোই নাটকে শুধুমাত্র আমোদ না খুঁজে অন্য বিষয়গুলি নিয়ে ভাবতে শুরু করবে। এখানেই এই নাটকের সার্থকতা। চলো বাড়ি যাওয়া যাক।
30th  April, 2017
 সমকালকে ছুঁয়ে যায় আড়িয়াদহ নাট্যপীঠের ‘তদন্ত কমিশন’

ইতিহাস বলে, যখনই যুদ্ধ হয়েছে এবং আক্রান্ত হয়েছে কোনও দেশ, দেখা গেছে সেই দেশের সাধারণ মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যা আজও ঘটে। এই ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের অর্ধেকের বেশি নারী। জাতি-ধর্ম-বয়েস নির্বিশেষে অত্যাচারিত, ধর্ষিত হয়েছে মহিলারা, গোটা পৃথিবী জুড়ে। যুদ্ধ থেমে যায়। কিন্তু এই অসংখ্য গণহত্যা আর ধর্ষণের কি সুবিচার হয়? একটা সময় আসে, যখন সামরিক অভিযানের আড়ালে এই নৃশংসতাকে আর আড়াল করা যায় না। ফলে প্রশাসনের উপর থেকে আস্থা হারিয়ে ফেলতে থাকে সাধারণ মানুষ।
বিশদ

15th  October, 2017
আঁধার থেকে আলোয় ফেরার পথ দেখালো আলিপুর অহনা

 সম্প্রতি তিন দিন ব্যাপী নাট্যোৎসব অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো শিশির মঞ্চে। এই নাট্যোৎসবের আয়োজন করেছিল আলিপুর ‘অহনা’ নাট্যদল। পঞ্চম বর্ষের এই নাট্যোৎসবে মোট ৮টি নাটকের অভিনয় মঞ্চস্থ হয়েছে। যেমন— বুদ্ধ, মূল্যায়ণ, বাস্তব নয়, মৌলবাদের নাটক, আত্মজন, সাদা গুঁড়ো লাল রং, ঈশ্বর কাহিনি এবং সত্যি সত্যবাবু।
বিশদ

15th  October, 2017
অজিতেশ মঞ্চে নিয়মিত মঞ্চায়ন

  বিখ্যাত নট, নাট্যকার ও পরিচালক অজিতেশ বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামাঙ্কিত নবরূপে উদ্ঘাটিত হওয়া দমদমের অজিতেশ মঞ্চে এবার নিয়মিত নাটকের মঞ্চায়ন শুরু হল। রবীন্দ্রনগর নাট্যায়ুধ দলের উদ্যোগে এবার থেকে প্রতিমাসের দ্বিতীয় শনিবার এই সংস্থার প্রযোজনা ব্রাত্য বসু রচিত নাটক ‘জীবজন্তু’-র নিয়মিত অভিনয় হবে।
বিশদ

15th  October, 2017
নবরূপে নটি বিনোদিনী

 নবরূপে কথাটি বললাম কারণ গিরিশ মঞ্চে বিনোদিনীকে বীণা দাশগুপ্তের ছায়ায় দেখা গেল। বীণা দাশগুপ্তর ‘নটি বিনোদিনী’ আপামর দর্শকের কাছে নষ্টালজিক। সেইক্ষেত্রে মিঠু বন্দ্যোপাধ্যায় অভিনীত বিনোদিনী রীতিমতন চ্যালেঞ্জিং ছিল।
বিশদ

15th  October, 2017
15th  October, 2017
সমাজের অন্ধকার একটি দিক

কিছুদিন আগে সংবাদপত্রে প্রকাশিত একটা খবর আমাদের সমাজকে শিহরিত করেছিল, অনেকেই আমরা ভিতরে ভিতরে আতঙ্কিত হয়ে নিজেদের প্রশ্ন করেছিলাম, সত্যিই কি আমরা এতটা নীচে নেমে গিয়েছি? আধুনিক সমাজে ‘মানবতার’ আজ যে সংকটময় অবস্থা, সেদিনের ঘটনা তা চেখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছিল। এটা কোনও রাজনৈতিক বিষয় নয়, তাই হয়তো কেউ রাস্তায় নামেনি। কিন্তু সাংস্কৃতিক সমাজের তো একটা দায়বদ্ধতা থেকেই যায়। হয়তো সেখান থেকেই ‘ইছাপুর আলেয়া’ নাট্যদলটি তৈরি করেছেন তাদের নাটক ‘তমসা সহসা।’
বিশদ

15th  October, 2017
ঝোড়ো হাওয়ার মতোই চঞ্চলতা সৃষ্টি করতে সক্ষম ঐহিকের নাট্যপ্রযোজনা

 ‘ঐহিক’ প্রযোজিত নতুন নাটকের নাম ‘লাইক কমেন্ট শেয়ার’। এই নামকরণের মাধ্যমেই বোঝা যায় ‘ঐহিক’-এর কুশীলবরা অত্যাধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি বা সাইবার দুনিয়ার কুপ্রভাব নিয়ে শুধু চিন্তিতই নন, মঞ্চাভিনয়ের মাধ্যমেই এর প্রতিকার চেয়ে কণ্ঠস্বরকে শানিত করতেও বদ্ধপরিকর।
বিশদ

15th  October, 2017
‘কমিটমেন্ট’ই ছিল দ্বিজেনের জীবনের মূল মন্ত্র

 বড় তাড়াতাড়ি চলে গেলেন অভিনেতা ও পরিচালক দ্বিজেন বন্দ্যোপাধ্যায়। শেষ দিকে তাঁর বাড়িতে বেশ কয়েকবার গিয়েছিলেন সঞ্জীব বসু। তারই ভিত্তিতে করলেন স্মৃতিচারণ। বিশদ

08th  October, 2017
অস্তিত্বের লড়াই

 অত্যন্ত জটিল এক সামাজিক সমস্যা । দিনে দিনে নিজেদের মেরুদণ্ডের উপর ভরসা হারিয়ে ফেলে মানুষ হয়ে উঠছে সরীসৃপ। কিন্তু এই প্রাণীটির লেজে যদি কেউ কখনও পা দিয়ে ফেলে? সে কি তখন ভয়ঙ্কর হয়ে উঠবে না? তারও তো মনে পড়বে যে সেও একসময় পৃথিবীর সবথেকে বুদ্ধিমান জীব ছিল, এবং হিংস্রও। তারাই একসময় প্রমাণ করেছিল বেঁচে থাকার জন্য লড়াইয়ের প্রয়োজন। আর এই অস্তিত্বের লড়াইয়ের গল্পই হল ‘থাপ্পড়’। নৈহাটি সময় ১৪০০ নাট্যসংস্থা সম্প্রতি মধুসূদন মঞ্চে মঞ্চস্থ করল তাদের এই নাটক।
বিশদ

08th  October, 2017
 বিদুর—ধর্মযাত্রা

ব্যসদেব এক অদ্ভুত চরিত্রের সৃষ্টি করেছিলেন তাঁর লেখা মহাভারতে। সেই চরিত্রটির নাম বিদুর। রাজ ঔরসে জন্ম হওয়া সত্তেও যিনি কখনওই সিংহাসনে বসতে পারেননি কিংবা চাননি। সে অর্থে ধরলে মহাভারতের গোটা কাহিনিতে বিদুরের অবস্থান নিতান্তই সাদামাটা, অনুচ্চকিত। বিশদ

08th  October, 2017
মনুষ্যত্বের মন্ত্রে ছকবাজি

  সোজা আঙুলে ঘি না উঠলে আঙুলটাকে কী করতে হয় সেটা তো সকলেরই জানা। কিন্তু একজন হিন্দু কন্যার সঙ্গে মুসলিম ছেলেব বিয়ে সম্পন্ন করতে হলে কী মন্ত্র উচ্চারণ করতে হয়, সেটা জানেন কি? না জানা থাকলে উত্তরটা জেনে নিতে পারেন ‘ছকবাজি’ নাটকের একটি সংলাপ শুনে— ‘মনুষ্যত্বের মন্ত্রে বিবাহ সম্পন্ন হবে হিন্দু কন্যা ও মুসলিম পুত্রের’। অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এই সংলাপটি আলাপ সংলাপ প্রযোজিত ‘ছকবাজি’ নাটকের।
বিশদ

08th  October, 2017
একনজরে
সংবাদদাতা, দিনহাটা: শুক্রবার সকালে কোচবিহার শহরের কলাবাগানে এক যুবকের মৃতদেহ উদ্ধার হয়। কোতোয়ালি থানা জানিয়েছে, মৃতের নাম মহাদেব বণিক(৩১)। তাঁর বাড়ি কলাবাগানেই। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদেহটি ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ...

রাতুল ঘোষ: দীপাবলীর আনন্দ অনেকটাই মাটি করে দিয়েছে নিম্নচাপের প্রভাবে গত দু’দিন ধরে ঘন মেঘের চাদর ফুঁড়ে নেমে আসা অকাল বর্ষণ। আবহাওয়া দপ্তর জানাচ্ছে, এই ...

সমৃদ্ধ দত্ত,নয়াদিল্লি, ২০ অক্টোবর: নোট বাতিল ও জিএসটি। এই দুটি ইস্যুই আগামী নির্বাচনে বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করছে বিজেপি ও সরকার। গুজরাত থেকে ...

সঞ্জয় গঙ্গোপাধ্যায়, কলকাতা: পাহাড়ে যে কোনও উন্নয়নমূলক কাজের শেষে ইউটিলাইজেশন সার্টিফিকেট (ইউসি) জমা দিতে বলা হল জিটিএ’কে। নবান্ন থেকে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

নিকটবন্ধু দ্বারা বিশ্বাসঘাতকতা। গুরুজনদের স্বাস্থ্যহানি। মামলা-মোকদ্দমায় পরিস্থিতি নিজের অনুকূলে থাকবে। দাম্পত্যজীবনে ভুল বোঝাবুঝিতে সমস্যা বৃদ্ধি।প্রতিকার: ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮০৫: ত্রাফালগারের যুদ্ধে ভাইস অ্যাডমিরাল লর্ড নেলসনের নেতৃত্বে ব্রিটিশ নৌবাহিনীর কাছে পরাজিত হয় নেপোলিয়ানের বাহিনী
১৮৩৩: ডিনামাইট ও নোবেল পুরস্কারের প্রবর্তক সুইডিশ আলফ্রেড নোবেলের জন্ম
১৮৫৪: ক্রিমিয়ার যুদ্ধে পাঠানো হয় ফ্লোরেন্স নাইটেঙ্গলের নেতৃত্বে ৩৮ জন নার্সের একটি দল
১৯৩১: অভিনেতা শাম্মি কাপুরের জন্ম
১৯৪০: আর্নেস্ট হেমিংওয়ের প্রথম উপন্যাস ফর হুম দ্য বেল টোলস-এর প্রথম সংস্করণ প্রকাশিত হয়
১৯৪৩: সিঙ্গাপুরে আজাদ হিন্দ ফৌজ গঠন করলেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু
১৯৬৭: ভিয়েতনামের যুদ্ধের প্রতিবাদে আমেরিকার ওয়াশিংটনে এক লক্ষ মানুষের বিক্ষোভ হয়
২০১২: পরিচালক ও প্রযোজক যশ চোপড়ার মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৪.২০ টাকা ৬৫.৮৮ টাকা
পাউন্ড ৮৩.৭৮ টাকা ৮৬.৬৩ টাকা
ইউরো ৭৫.৬০ টাকা ৭৮.২৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩০,১৩৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৮,৫৯০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৯,০২০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৯,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৯,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
20th  October, 2017

দিন পঞ্জিকা

৪ কার্তিক, ২১ অক্টোবর, শনিবার, দ্বিতীয়া রাত্রি ৩/১, নক্ষত্র-স্বাতী, সূ উ ৫/৩৯/১৭, অ ৫/৩/২৯, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/২৫ মধ্যে পুনঃ ৭/১০ গতে ৯/২৭ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৪ গতে ২/৪৬ মধ্যে পুনঃ ৩/৩২ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ঘ ১২/৩৮ গতে ২/১৮ মধ্যে, বারবেলা ঘ ৭/৫ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৭ গতে ২/১২ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৭ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ঘ ৬/৩৮ মধ্যে পুনঃ ৪/৬ গতে উদয়াবধি।
৪ কার্তিক, ২১ অক্টোবর, শনিবার, দ্বিতীয়া রাত্রি ১/৩০/৪৬, স্বাতীনক্ষত্র, সূ উ ৫/৩৯/৪, অ ৫/৩/১৫, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/২৪/৪১ মধ্যে ও ৭/১০/১৭-৯/২৭/৮ মধ্যে ও ১১/৪৩/৫৮-২/৪৬/২৫ মধ্যে ও ৩/৩২/১-৫/৩/১৫ মধ্যে। রাত্রি ঘ ১২/৩৬/৪৫-২/১৭/৩১ মধ্যে, বারবেলা ১২/৪৬/৪১-২/১২/১২, কালবেলা ৭/৪/৩৫ মধ্যে, ৩/৩৭/৪৩-৫/৩/১৫, কালরাত্রি ৬/৩৭/৪৪ মধ্যে, ৪/৩/৩-৫/৩৭/৩২ মধ্যে।
৩০ মহরম 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
উচ্চরক্তচাপের সমস্যা, হাসপাতালে উপ-রাষ্ট্রপতি 
উচ্চরক্তচাপ ও সুগারের সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে ভরতি হলেন ...বিশদ

20-10-2017 - 08:59:00 PM

প্রায় ৭০০টি ট্রেনের গতি বাড়তে চলেছে 

নভেম্বরে ভারতীয় রেল প্রায় ৭০০টি-র মতো দুরপাল্লার ট্রেনের গতি বাড়াতে ...বিশদ

20-10-2017 - 07:47:47 PM

নির্বাসন না তুললে অন্য দেশের হয়ে খেলার ইঙ্গিত দিলেন নির্বাসিত শ্রীসন্থ

20-10-2017 - 06:55:00 PM

 প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের দাদা পীযূষ মুখোপাধ্যায় প্রয়াত

20-10-2017 - 06:05:00 PM

প্রবল বৃষ্টি, সেচ দপ্তরে চালু কন্ট্রোল রুম

প্রবল বৃষ্টিতে নজর রাখতে সেচ দপ্তরে চালু কন্ট্রোল রুম। মনিটরিং ...বিশদ

20-10-2017 - 04:28:40 PM

কানপুরে প্ল্যাস্টিকের গোডাউনে আগুন, ঘটনাস্থলে দমকলের ৬টি ইঞ্জিন

20-10-2017 - 04:08:00 PM

দুপুরের পর থেকে আলিপুরদুয়ারে শুরু বৃষ্টি

20-10-2017 - 03:52:00 PM