রঙ্গভূমি
 

পরিচালকের বন্দুকের মুখে দর্শক

ভোরবেলা শরীর আনচান, কপালে ঘাম। ঘুমটা ভেঙে গেল। সবে পাঁচটা বাজে। সাধারণত এত তাড়াতাড়ি আমার ঘুম ভাঙে না। বোধহয় কোনও দুঃস্বপ্ন দেখছিলাম। একটু চা খেতে ইচ্ছে করল। কিন্তু বাড়িতে এখন চা পাওয়ার কোনও সম্ভাবনা নেই। মোড়ের মাথার চায়ের দোকানটা খোলা পাব। সেদিকেই রওনা দিলাম। গিয়ে দেখি কাগজ চলে এসেছে দোকানে। দুয়ের পাতায় নাটকের বিজ্ঞাপনে চোখটা আটকে গেল। আজ রবিবার। মোহিত মৈত্র মঞ্চে ইফটার নতুন নাটক ‘ফোর্থ বেল’-এর প্রথম শো। মনে পড়ে গেল আমারও যাওয়ার কথা নাটকটা দেখতে। একইসঙ্গে মনে পড়ে গেল ভোররাতে দেখা দুঃস্বপ্নটার কথা— আমি নাটক দেখতে গিয়ে গুলি খেয়ে মরে গিয়েছি। বাড়িতে কান্নার রোল উঠেছে। বন্ধুরা আমার মরদেহ ঘিরে দাঁড়িয়ে...। আগের রবিবারই রঙ্গভূমির পাতায় ফোর্থ বেল নাটকটার প্রিভিউ বেরিয়েছিল। সেখানে সাবধান করে দেওয়া হয়েছিল, নাটক ভালো না বাসলে কেউ যেন এই নাটকটি দেখতে না যান। অনেক প্রশ্ন তখন মনে ভিড় করে এসেছিল। সত্যিই কি আমি নাটক ভালোবাসি? নাকি শুধু আমোদ করতে যাই। নিজেই নিজের মানসিকতার চুলচেরা হিসেব করতে বসেছিলাম। সেসবই নিশ্চয়ই রাতের দুঃস্বপ্ন হয়ে ফিরে এসেছে।
মনে হল সঙ্গে কাউকে নিয়ে যাওয়া উচিত। চায়ের দোকানে কেলোদা বসেছিল। ওকে বলতেই একপায়ে খাড়া। কিন্তু কেলোদার একটাই সমস্যা বড় বেশি প্রশ্ন করে। কী নাটক? কেন নাটক? বিষয়বস্তু কী? আমাকে কেন নিয়ে যাচ্ছিস? এরকম হাজার একটা।
মনে মনে ভাবলাম কেন সঙ্গে নিচ্ছি, সে বললে হয়তো তুমি যাবেই না। কিন্তু মুখে বললাম, ‘সে তোমায় তখন যেতে যেতে সব বলে দেব।’
হলে পৌঁছে দেখি শুরু হতে বেশি দেরি নেই। তাই আমরা তাড়াতাড়ি ভেতরে ঢুকে পড়লাম। ওমা! এ তো দেখি মঞ্চ খোলা, আলো আঁধারিতে কতকগুলো অশরীরী চরিত্র নানারকম অঙ্গভঙ্গি করেই চলেছে। তাহলে কি নাটক শুরু হয়ে গেল! যাই হোক, আমরা আসন খুঁজে নিয়ে বসে পড়লাম। হঠাৎ দেখলাম, দর্শকাসনের প্রথম সারির সামনে থেকেই নাটক শুরু হয়ে গেল।
গোটা মঞ্চকে বানানো হয়েছে নাটকের হল। বেশ খরচ করে একটা বাস্তবসম্মত রূপ দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে। অপরেশ আর বিদিশা, উচ্চবিত্ত এক দম্পতি নাটকের বিরতিতে একটু চা খেতে বেরিয়েছিল। তারা আবার হলের মধ্যে অর্থাৎ নাটকের মঞ্চে প্রবেশ করে।
ওই দম্পতি বিরতির পর হলে ঢুকে কিছুক্ষণ পর বুঝতে পারে যে নাটক আর হবে না, বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ধীরে ধীরে তারা এক অস্বাভাবিক পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়। আমরা অর্থাৎ আসল দর্শকরা দেখি, অপরেশ ও বিদিশাকে হলের মধ্যে আটকে রাখা হয়। নাট্যকার সেখানে উপস্থিত হয়ে তাদের মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে, ওয়াইন খাইয়ে নাট্যপ্রেমের পরীক্ষা নিতে চায়। শুরু হয় টানাপোড়েন। আর এই টানাপোড়েনে আপাত ভদ্র নাট্যপ্রেমীর প্রকৃত মুখ ধীরে ধীরে বেরিয়ে আসে। যারা থিয়েটারকে ভালোবেসে থিয়েটার দেখতে আসে না। আসে চটজলদি আমোদের সন্ধানে। তাই নাট্যকার-পরিচালক তাদের রেহাই দিতে চায় না। এভাবে চলতে চলতেই এক চরম মুহূর্তে বন্দুক হাতবদল হয় এবং ‘দর্শক’ অপরেশের হাতেই সেই বন্দুক গর্জে ওঠে। উলটে পড়ে নাট্যকার। আতঙ্কে দিশেহারা হয়ে পড়ে অপরেশ ও বিদিশা। সেই মুহূর্তে মঞ্চে আবির্ভাব হয় নাট্যকার ও পরিচালকের এবং জানায় পুরোটাই তাদের পূর্ব পরিকল্পিত। সুতরাং নাটকের প্রথম অর্ধটা দেখে নেওয়া প্রয়োজন। শুরু হয় গল্পের প্রথমার্ধ, যেখানে অপরেশ-বিদিশা হলে নাটক দেখতে ঢুকছে। বাইরেই তাদের পরিচয় হয় পরিচালকের সঙ্গে এবং তাঁরা প্রবেশ করে হলের মধ্যে। এইভাবেই তারা পড়ে নাট্যকারের পরিকল্পনার ফাঁদে।
আমাদের প্রকৃত নাটকের এখানেই বিরতি। জানতাম বসে থাকলেই কেলোদা আবার আমাকে চেপে ধরবে। তাই তাড়াতাড়ি হলের বাইরে। যদিও বেরতেই সতর্ক করে দেওয়া হল কোনওরকম বেল বাজিয়ে সংকেত দেওয়া হবে না। তার মানে নাটকের গল্পের রেশ বাস্তবেও এসে পড়েছে, দর্শকদের সর্বদা সজাগ থাকতে হবে। অবশ্য মনে পড়ল শুরুতেও কোনও বেল বাজানো হয়নি। যাইহোক, সজাগ ছিলাম। এবারেও ঠিক সময়ে প্রবেশ করেও দেখলাম মঞ্চ সচল রয়েছে। কেলোদার দিকে তাকানোরও সময় হল না, নাকি সাহস হল না?
দ্বিতীয়ার্ধে আস্তে আস্তে অনেক কিছুই পরিষ্কার হতে থাকল, সেই প্রথম অর্ধের দমচাপা আতঙ্কের ব্যাপারটা, কিছু কিছু ধোঁয়াশা জায়গা। বোঝা গেল, অপরেশ-বিদিশা সচ্ছল দম্পতি, নিয়মিত টিকিট কেটে নাটক দেখে এবং অবশ্যই তাদের নাট্যজ্ঞান ভাণ্ডার পরিপূর্ণ। তাই এসব নিয়ে তাদের একটা গর্ববোধ আছে। আর এদিকে নাট্যকার শিল্পজগতের দৈন্যতার শিকার, তার থেকে হতাশা। দিনে দিনে দর্শকসংখ্যা সীমিত হয়ে পড়েছে, নাটক চালিয়ে যাওয়াই এক বিরাট সমস্যা, এই অবস্থায় তারা নাটকের নিষ্ঠুর বাস্তবতার প্রয়োগ ঘটাতে চেষ্টা করে। যেখান থেকে সৃষ্টি হবে নতুন নাটক যা হয়তো পালটে দেবে এই বর্তমান পরিস্থিতি।
অবশেষে মঞ্চের পরদা পড়ল, না না ওঠার জন্য পড়ল। আরে শুরু হল যে, গল্পের নাটক! অপরেশের চরিত্রে রাজর্ষি দে অনবদ্য। বিদিশার ভূমিকায় অপরাজিতা ঘোষের কাছে নাটক আরও বেশি কিছু আশা করে। তবে নাট্যকারের চরিত্রে লোকনাথ দে ও পরিচালকরূপী সত্রাজিৎ সরকার হয়তো নাটকের প্রয়োজনেই একটু যান্ত্রিক। লাইটম্যান চরিত্রে সুদীপ্ত ভুঁইঞা বেশ ভালো।
নাটকের আবহ আলাদা মাত্রা না আনলেও আলো আঁধারিতে নাটক জমিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন আলোক পরিচালক। যদিও মাঝে মধ্যে আঁধারের মাত্রা একটু বেশি মনে হয়েছে।
নাটকের মধ্যে বেশ কিছু জায়গার কোরিওগ্রাফি নতুনত্বের স্বাদ আনে। যেমন— রিল গুটিয়ে নিয়ে দৃশ্য আগে পরে যাওয়ার মতো জায়গাগুলো।
সব শেষে, ব্রাত্য বসুর এই নতুন ধরনের পরীক্ষামূলক নাটকের দায়িত্ব নিয়ে সাহস দেখানোর জন্য নির্দেশক দেবাশিস দত্তের সাধুবাদ পাওয়া উচিত।
নাটক শেষ। এখন আমরা বাইরে চায়ের দোকানে। কেলোদার মুখে কোনও কথা নেই। উলটে আমিই বললাম—
—কি গো কোনও প্রশ্ন করবে না?
—সে তো সকাল থেকে অনেক প্রশ্নই করেছিলাম। কিন্তু তুই নানা অছিলায় এড়িয়ে গেছিস। অবশ্য এখন তার কারণ আমার কাছে পরিষ্কার। তবে অন্য কতকগুলো প্রশ্ন আছে, জিজ্ঞাসা করব?
—করো।
—আচ্ছা গল্পটা যেমন পিছন থেকে শুরু করল, মানে দ্বিতীয় অর্ধটা আগে দেখিয়ে প্রথম অর্ধটা পরে, কেন বল তো?
—দর্শক যাতে গল্পের মধ্যে ঢুকে গিয়ে গল্পের চরিত্র না হয়ে পড়ে সেই জন্য। বোধহয় কিছুটা ব্রেখটিয়ান স্টাইলের প্রয়োগ।
—আচ্ছা। কিন্তু এখানে যে দর্শকদের ইগোর কথা বলা হল, সেরকম তো তাহলে নাট্যকর্মীদেরও ইগোর কথা বলা যায়।
—আরে সেটাও তো আবডালে বলা হয়েছে। এই ইগোর জোরেই তো দৈন্যদশার মধ্যেও নাটক এগিয়ে চলছে। ক’টা নাটকের দল আর সরকারি বা বেসরকারি সাহায্য পায় বলো? তবুও পৃথিবীতে আজও নাট্যকর্মীরা কাজ করে চলেছে।
—সে যাইহোক, কিন্তু এই নাটক দেখে সাধারণ দর্শকরা নতুন করে নাটক দেখার কথা ভাববে তো?
—ভবিষ্যতই তার উত্তর দেবে। কিন্তু যারা দেখবে তারা তোমার মতোই নাটকে শুধুমাত্র আমোদ না খুঁজে অন্য বিষয়গুলি নিয়ে ভাবতে শুরু করবে। এখানেই এই নাটকের সার্থকতা। চলো বাড়ি যাওয়া যাক।
30th  April, 2017
  কৌশিকের নাটকে অভিনেত্রী লোপামুদ্রা

 গায়িকা লোপামুদ্রা মিত্র এবার অভিনেত্রী। কৌশিক সেনের নির্দেশনায় স্বপ্নসন্ধানীর নতুন নাটকে একটি চরিত্রে তাঁকে অভিনয় করতে দেখা যাচ্ছে। নাটকটি হল মনোজ মিত্রের লেখা ‘অশ্বত্থামা’। হঠাৎ নাটকের মঞ্চে কেন? প্রশ্ন শুনে লোপামুদ্রা বললেন, ছোটবেলায় আমি নাটকের দলে কাজ করেছি।
বিশদ

18th  June, 2017
 নেপথ্যে যারা: আলোক শিল্পী বাদল দাস

 ‘সেটা সম্ভবত সাতের দশকের মাঝামাঝি। কয়েক বছর হল নান্দীকার নাট্যদলে কাজ করতে শুরু করেছি। আমাকে তখন ‘ফলো’ ধরতে হচ্ছে। একদিন আকাদেমি অব ফাইন আর্টস মঞ্চে ‘ভালোমানুষ’ নাটকের শো চলছে। ফলো ধরতে গিয়ে হাতটা কেঁপে গিয়েছিল।
বিশদ

18th  June, 2017
 রবীন্দ্র অনুভবে শারদোৎসব

 রবীন্দ্রভারতী রেপার্টয়্যারের নতুন নাটক দেখে এলেন সঞ্জীব বসু। বিশদ

18th  June, 2017
আমি বিবেকের বাগদত্তা

আমাদের আজকের জীবনের সহজ অনুভূতিগুলি ছুঁতে চেষ্টা করেছে চিৎপুরের আকাশবাণী যাত্রা সংস্থার পালা ‘আমি বিবেকের বাগদত্তা’। মঞ্জিল বন্দ্যোপাধ্যায় পালা লিখেছেন। তিনিই নির্দেশক। মঞ্জিল যত্ন নিয়েই তৈরি করেছেন এই পালাগান। সুরারোপের দায়িত্বে বিমান মুখোপাধ্যায় ও স্বপন পাকড়াশী। গীতিকার উজ্জ্বল বিশ্বাস। আলো-ধ্বনি এস সরগম।
বিশদ

04th  June, 2017
ম ফ স্‌ স লে র না ট্য চ র্চা
অশোকনগর নাট্যমুখ

কলকাতার দলগুলি কী নাটক করছে, না করছে তা নিয়ে সর্বত্রই আলোচনা। কিন্তু মফস্সলের দলগুলি নাটক নিয়ে কী ভাবছে, কী করছে তা নিয়ে তুলনামূলকভাবে আগ্রহ কম। তাই এই কলমে মফস্সলের দলগুলি এবং তাদের উল্লেখযোগ্য কাজকর্মকে তুলে ধরার চেষ্টা করা হবে।
বিশদ

04th  June, 2017
ম্যঁলিয়েরের নাটকে আসরানি

গোবর্ধন আসরানি, যাঁকে সাধারণ মানুষ শুধুই কমেডিয়ান আসরানি বলে চেনেন, ৭৬ বছর বয়সি সেই অভিনেতা ফের নাটকে অভিনয় করছেন। আসরানি এর আগেও নাটকে অভিনয় করেছেন। কেরিয়ারের শুরুতে তৎকালীন বম্বেতে তাঁর মঞ্চাভিনয় দেখে মুগ্ধ হয়েছিলেন পৃথ্বীরাজ কাপুর।
বিশদ

04th  June, 2017
হাসি + শ্লেষ = গ্যাং

 আমাদের সমাজ-সংসারে সবকিছু সবসময় সহজসরল পথে চলে না। আসলে মানুষের ‘চাওয়া’র সঙ্গে ‘পাওয়া’ না মিললেই তারা ব্যাঁকা পথে চলতে শুরু করে। আর তখনই সৃষ্টি হয় নানা মজাদার মুহূর্তের, সৃষ্টি হয় হাস্যরসের। হাসতে হাসতেই আমরা উপলব্ধি করি সমাজ-সংসারের বেনিয়মকে।
বিশদ

04th  June, 2017
 দর্শককে আয়নার সামনে দাঁড় করায় শেষ বেলায়

 সম্প্রতি মিনার্ভা থিয়েটারে অনুষ্ঠিত হল ভিন্টেজ থিয়েটার প্রযোজিত নাটক ‘শেষ বেলায়’। নাটকের বিষয়বস্তু ও অভিনয়গুণে প্রযোজনাটি হয়ে উঠেছে মনোগ্রাহী। আজকের সমাজ ব্যবস্থায় জীবনের শেষ বেলায় এসে প্রায় প্রতিটি মানুষই বঞ্চিত হন নির্মল স্নেহ, মমতা ও সম্মানের পরশ থেকে। এই বঞ্চনা আসে সমাজের নানা স্তর থেকে নানাভাবে, নানা রূপে। বিশেষত নিজের পরিবার ও প্রিয়জনেরাই অবজ্ঞাভরে দূরে সরিয়ে রাখে বৃদ্ধ মানুষগুলোকে।
বিশদ

21st  May, 2017
অন্তসলিলের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে ওঠার উপাদান আছে

 ভারতীয় সংগীত জগতের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র সলিল চৌধুরী। ভারতীয় সংগীতের ইতিহাস লিখতে গেলে একেবারে প্রথম দিকেই নাম থাকবে তাঁর। সুরের জগত থেকে তিনি বিদায় নিয়েছেন ১৯৯৫ সালে। এই মহান সুরস্রষ্টার জীবনকেন্দ্রিক একটি নাটক ‘অন্তঃসলিল’ নিয়মিত মঞ্চস্থ করছে ‘অভিনেয় নাট্য সংস্থা’।
বিশদ

21st  May, 2017
নারীর কথাই বলে অনীকের শকুন্তলা

 শকুন্তলা—পৌরাণিক এই নারীর সামাজিক অবস্থান সে সময়ে যা ছিল, আজকের সময়ের প্রেক্ষাপটে সামগ্রীকভাবে নারীজাতির সেই অবস্থান যে বদলেছে তা হলফ করে বলা যায় না। লাঞ্ছনা, বঞ্চনা থেকে শুরু করে নারীর পণ্য হয়ে ওঠার নারকীয় প্রয়াস আজও সভ্য সমাজেও ঘটে চলেছে। ‘শকুন্তলা’ নাটকটি সেই কথাই নতুন করে তুলে ধরল দর্শকদের কাছে। এ নাটক প্রাচীন ও সাম্প্রতিকের মেলবন্ধনে গড়ে ওঠা এক আত্মবিশ্লেষণের প্রতিচ্ছবি যেন।
বিশদ

21st  May, 2017



একনজরে
 বেজিং, ২৪ জুন (পিটিআই): বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সাবমেরিন ডিটেক্টর আবিষ্কার করল চীন। আজ ‘দ্য চাইনিজ আকাদেমি অব সায়েন্সেস’-এর একদল বিজ্ঞানী এই দাবি করেছেন। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: স্ত্রী ও শাশুড়ির বঁটির কোপে গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভরতি হলেন স্বামী। শুক্রবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে নিউটাউনের প্রমোদগড় বাজার এলাকায়। স্থানীয় সূত্রের খবর, পারিবারিক বিবাদের জেরে শুভঙ্কর সরকারের সঙ্গে বেশ কিছুদিন ধরেই তাঁর স্ত্রীর অশান্তি চলছিল। ...

সংবাদদাতা, রামপুরহাট: তারাপীঠে ব্যতিক্রমী রথের দড়িতে টান দিতে শনিবারই দূরদূরান্ত থেকে কয়েক হাজার ভক্ত তারাপীঠ এসেছেন। সাধারণত জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রাকে রথে বসিয়ে রথযাত্রা উৎসব পালিত হয়। কিন্তু তারাপীঠে তারা মা-ই রথে আরোহন করেন। রথ, উলটো রথ দুই পর্যায়ের রথেই ...

সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার:বিজেপির বিস্তারক কর্মসূচির মোকাবিলায় তৃণমূল কংগ্রেস বীরভুম জেলায় ইতিমধ্যেই পালটা বিস্তারক কর্মসূচি শুরু করেছে। এবার পঞ্চায়েত ভোটের আগাম প্রস্তুতি হিসাবে তৃণমূলের আলিপুরদুয়ার-১ ব্লক সভাপতি মনোরঞ্জন দে তাঁর ব্লকে বুথ ভিত্তিক খুলি বৈঠক শুরু করেছেন। ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাফল্য আসবে। প্রেম-প্রণয়ে আগ্রহ বাড়বে। তবে তা বাস্তবায়িত হওয়াতে সমস্যা আছে। লৌহ ও ... বিশদ



ইতিহাসে আজকের দিন

 ১৯০৩- ইংরেজ সাহিত্যিক জর্জ অরওয়েলের জন্ম
১৯৬০- কবি সুধীন্দ্রনাথ দত্তের মৃত্যু
১৯৭৪- অভিনেত্রী করিশ্মা কাপুরের জন্ম
১৯৭৫- প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী দেশে জরুরি অবস্থা জারি করলেন
২০০৯- মার্কিন পপ সংগীত শিল্পী মাইকেল জ্যাকসনের মৃত্যু




ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৭৫ টাকা ৬৫.৪৩ টাকা
পাউন্ড ৮০.৬৪ টাকা ৮৩.৪২ টাকা
ইউরো ৭০.৭৬ টাকা ৭৩.২৮ টাকা
24th  June, 2017
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৯,২২৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৭,৭২৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৮,১৪০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৯,১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৯,২০০ টাকা

দিন পঞ্জিকা

১০ আষাঢ়, ২৫ জুন, রবিবার, দ্বিতীয়া রাত্রি ১/২, পুনর্বসুনক্ষত্র রাত্রি ১১/২৫, সূ উ ৪/৫৭/৩৬, অ ৬/২০/৩৬, অমৃতযোগ ৬/৪৪-৯/২৫ পুনঃ ১২/৫-২/৪৫ রাত্রি ৭/৪৫ পুনঃ ১০/৩৫-১২/৪৩, বারবেলা ৯/৫৮-১/১৯, কালরাত্রি ১২/৫৯-২/১৯।

রথযাত্রা উৎসব
রাত্রি ১/৩৮/২৯ অম্বুবাচী নিবৃত্তিঃ

১০ আষাঢ়, ২৫ জুন, রবিবার, প্রতিপদ ৬/২১/২১ পরে দ্বিতীয়া রাত্রিশেষ ৪/৮/৫০, পুনর্বসুনক্ষত্র ২/৪৯/৪৫, সূ উ ৪/৫৪/৫৩, অ ৬/২২/১২, অমৃতযোগ দিবা ৪/৪২/৩১-৯/২৩/৫৯, ১২/৫/২৭-২/৪৬/৫৫ রাত্রি ৭/৪৬/৩৩, ১০/৩৫/১৬-১২/৪১/৪৮, বারবেলা ৯/৫৭/৩৮-১১/৩৮/৩৩, কালবেলা ১১/৩৮/৩৩-১/১৯/২৮, কালরাত্রি ১২/৫৭/৩৮-২/১৬/৪৩।

রথযাত্রা উৎসব
রাত্রি ১/৩৮/২৯ অম্বুবাচী নিবৃত্তিঃ
২৯ রমজান

ছবি সংবাদ


এই মুহূর্তে
গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বনগাঁর গনরাপোতা বাজার এলাকা থেকে ১৫০টি বিরল প্রজাতির কচ্ছপ উদ্ধার করল পুলিশ, গ্রেপ্তার ৬

10:20:00 AM

লখনউতে ১৪ বছর বয়সী এক পুলিশ অফিসারের কন্যার আত্মহত্যা, চাঞ্চল্য

10:16:00 AM

পাকিস্তানের বাহাওয়ালপুরে তেলের ট্যাঙ্কার থেকে আগুন লাগার ঘটনায় মৃত শতাধিক, গুরুতর জখম ৪০

10:14:00 AM

শহরে ট্রাফিকের হাল
আজ, রবিবার সকালে শহরের রাস্তাঘাটে যান চলাচল মোটের উপর স্বাভাবিক। ট্রাফিকের সামান্য চাপ রয়েছে এজেসি বসু রোড, ইএম বাইপাস, মা উড়ালপুল, পার্কস্ট্রিটের মতো গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলিতে। এদিন শহরে তেমন কোনও বড় মিটিং-মিছিলের খবর নেই। ফলে মোটামুটি সারাদিনই শহরের যান চলাচল স্বাভাবিক থাকবে বলেই মনে করা হচ্ছে। তবে আজ রথযাত্রাকে ঘিরে বেশ কয়েকটি রাস্তায় যানজট দেখা দিতে পারে। ইসকনের রথ অ্যালবার্ট রোড থেকে হাঙ্গারফোর্ড স্ট্রিট, এজেসি বোস রোড, শরৎ বসু রোড, হাজরা রোড, এসপি মুখার্জি রোড, আশুতোষ মুখার্জি রোড, চৌরঙ্গি রোড, এক্সাইড ক্রসিং, জওহরলাল নেহরু রোড, আউটরাম রোড হয়ে ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে এসে থামবে। ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে যে ক’দিন ইসকনের রথ থাকবে, সেই ক’দিন সেখানে প্রসাদ বিতরণ, নানা বিনোদনমূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। অন্যদিকে, মেট্রোর কাজের জন্য ২৯ জুন থেকে ৩ জুলাই পর্যন্ত বন্ধ থাকবে ব্রাবোর্ন রোড ফ্লাইওভার ব্রিজ। সেই সময় সমস্ত গাড়ি মহাত্মা গান্ধী রোড, পোস্তা ও স্ট্যান্ড রোড দিয়ে ঘুরিয়ে দেওয়া হবে। তার ফলে ওই এলাকাগুলিতে যানজট দেখা দিতে পারে। কলকাতা পুলিশ জানিয়েছে, মা ফ্লাইওভারের নতুন ফ্ল্যাংকের নির্মাণ কাজ চলায় আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত কড়েয়া রোড ও বেকবাগান রো'র মধ্যবর্তী সার্কাস এভিনিউ'র দক্ষিণ অভিমুখও বন্ধ থাকবে। তার জেরে ওই এলাকাতেও যানজটের সম্ভাবনা রয়েছে। ট্রাফিক সংক্রান্ত যে কোনও খবরাখবরের জন্য কলকাতা পুলিশের টোল ফ্রি নম্বর ১০৭৩-তে ফোন করুন।

10:02:00 AM

মধ্য জাপানে ভূমিকম্প, রিখটার স্কেলে ৫.২

09:38:00 AM

চীনে ভূমিধস, মৃত ১৫, নিখোঁজ শতাধিক

09:34:00 AM