Bartaman Patrika
রঙ্গভূমি
 

আমি চপল ভাদুড়ী
না চপলরানি!

 একসময় নারী চরিত্রে পুরুষদের অভিনয় করাটাই ছিল রেওয়াজ। সেই যুগের শেষ জীবিত প্রতিনিধি চপল ভাদুড়ীর সঙ্গে কথা বললেন সঞ্জীব বসু।

 আপনি তো বিখ্যাত পরিবারের ছেলে? কোথায় জন্মেছিলেন?
 আমি ১৯৩৯ সালে কলকাতার কালী দত্ত স্ট্রিটে জন্মেছি। তখন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলছে। আমার মা প্রভাদেবী সেকালের মঞ্চ ও সিনেমার খ্যাতিমান অভিনেত্রী ছিলেন। আমার জ্যাঠামশাই ছিলেন শিশিরকুমার ভাদুড়ী। শিশিরকুমারের দ্বিতীয় ভাই তারাকুমার ভাদুড়ী ছিলেন আমার বাবা। তিনিও সিনেমায় অভিনয় করতেন। আমার বোন বিখ্যাত মঞ্চাভিনেত্রী, সুগায়িকা কেতকী দত্ত।
 তার মানে আপনি শিশিরবাবুকে দেখেছেন, আর তাঁর শ্রীরঙ্গম?
 আগে তো নাম ছিল নাট্যনিকেতন, শিশির জ্যাঠামশাই হলটা লিজ নিয়ে নাম পাল্টে রাখলেন শ্রীরঙ্গম। রায়টের সময় অনেক স্টেজ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। সেই সময় শ্রীরঙ্গম হলে শরৎচন্দ্রের ‘বিন্দুর ছেলে’ নাটক হত। তাতে অমূল্যর ছোট বয়সটা একটি ছেলে অভিনয় করত। সে অসুখের কারণে একদিন আসতে পারেনি। তখনকার দিনে শিশির ভাদুড়ী, অহিন্দ্র চৌধুরী, ছবি বিশ্বাস, রাণীবালা, সরযূবালা দেবীর মতো অনেক নামকরা অভিনেতা অভিনেত্রী অভিনয় করতেন। আমি নিয়মিত তাঁদের অভিনয় দেখতাম। দেখে দেখেই ডায়লগ, কমপজিশন সবই আমার মাথার মধ্যে ছিল। সেদিন যখন অভিনয় শুরু হতে ২০ মিনিট বাকি তখন মা আমাকে ডেকে বললেন, আজকে এই নাটকে বিন্দুর ছেলের পার্টটা তুই করতে পারবি? আমি বললাম, হ্যাঁ পারব। যখন পর্দা উঠলো তখন কিন্তু আমার অভিনয় করতে ভয় করল না। এই প্রথম আমি মঞ্চে অভিনয় করলাম। পারিশ্রমিক হিসেবে আমাকে পাঁচ টাকা দিয়েছিলেন। সেই টাকাটা ওড়াতে ওড়াতে আমি বাড়ি ফিরেছিলাম।
 শিশিরবাবুর কোনও স্মৃতি?
 তখনও বিশ্বযুদ্ধ চলছে। এই সময় আমরা শ্রীরঙ্গমে থাকতাম। এর ভেতরে একটা বিরাট বাড়ি ছিল। ভিতরের এই অংশটাকে সবাই ভিতর বাটি বলত। শিশিরজ্যাঠার আলাদা একটা ঘর ছিল এই শ্রীরঙ্গমে। দুপুরবেলা আমরা কখনও ঘুমোতাম না। একদিন দুপুরে জ্যাঠামশাই বললেন, তুমি কবিতা বলতে পার? বললাম, হ্যাঁ পারি। তারপর শোনালাম রবীন্দ্রনাথের কথা ও কাহিনী থেকে... ‘পঞ্চ নদীর তীরে/ বেণী পাকাইয়া শিরে...’ উনি ইজি চেয়ারে শুয়ে শুয়ে পুরো কবিতা শুনে বললেন, খুব সুন্দর হয়েছে। গলাটা তোমার মায়ের মতোই।
 আপনার মেয়ে সেজে অভিনয় শুরু হল কীভাবে?
 আমার বড় ভগ্নিপতি ইস্টার্ন রেলওয়েতে চাকরী করতেন শিয়ালদা ডিভিশনে। উনি একদিন বললেন তুই যদি মেয়ে সেজে অভিনয় করতে পারিস তাহলে তোর একটা চাকরির ব্যবস্থা করতে পারি। একজন পুরুষ হয়ে মেয়ে সাজব সেটা আমি ঠিক মেনে নিতে পারছিলাম না। আবার তখনকার দিনে রেলে একটা চাকরি হওয়া মানে বিরাট ব্যাপার। তখন আমার মা মারা গিয়েছেন। বাড়িতে রোজগেরে বলতে একা ছোড়দি। টাকার অভাবে আমার পড়াশুনো বন্ধ। বাড়ি বিক্রি হয়ে গিয়েছে। একটা চাকরি হলে ভালোই হয়। কাজেই আমি বললাম, কী নাটক? তিনি বললেন আলিবাবা নাটকে মর্জিনার পার্ট। তা জ্যাঠার আমলে শ্রীরঙ্গম থিয়েটারে আলিবাবা এতবার অভিনীত হয়েছে যে সেটা দেখে দেখে আমার মাথায় মর্জিনার পার্টটা ছবির মতো আঁকা ছিল। প্রতিটি গানই আমার মুখস্ত।
 তাহলে শেষপর্যন্ত চাকরি হল?
 আমাকে দেখে ওঁদের পছন্দ হল। ১৬দিন রিহার্সালের পর আমাকে মেয়ে সাজিয়ে দিল। চুল, সাজ পোশাক, গয়নাগাটি পরে যখন আয়নার সামনে দাঁড়ালাম আমি তো নিজেকে চিনতেই পারছিলাম না! আমাকে এত সুন্দর দেখাচ্ছিল যে ছেলেরা আমার দিকে হাঁ করে তাকিয়ে ছিল। এই অভিনয় করে সাতদিনের মধ্যে আমার চাকরি হয়েছিল।
 সেই চাকরি ছাড়লেন কেন?
 আমার কাজ ছিল চেনম্যান। মানে চেন ধরে জমি মাপার কাজ। কিন্তু আমাকে বাইরে বেরোতে দেওয়া হত না। আমি অফিসে বসেই কাজ করতাম। অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার নর্থ এর আন্ডারে ছিলাম। তিনি রিটায়ারের সময় বললেন চপল তুমি ভদ্রঘরের ছেলে, একাজ আর কতদিন করবে! তুমি যদি চাও বেলেঘাটা ওয়ার্কশপে তোমাকে একটা ব্যবস্থা করে দিয়ে যেতে পারি। এরফলে ভবিষ্যতে তুমি ফোরম্যান হয়ে যেতে পার। কিন্তু কিছু বন্ধুবান্ধব বলল... না না না, তুমি ও কাজ করতে যেও না চপল। তাহলে তোমার শরীর থাকবে না। তুমি অভিনেতা, অভিনয়ই কর। ওঁদের কথা শুনেই আমি সাহেবকে বললাম না স্যার, আমি এই চাকরি করতে পারব না। তিনি বলেছিলেন, এটা তুমি ভুল করলে চপল। এখনও তাই এক এক সময় ভাবি সেই চাকরিটা করলে আমার জীবনটাই অন্যরকম হয়ে যেত।
 তারপর থেকেই নারীবেশে অভিনয়জীবন শুরু?
 সেই সময় পুরুষেরাই নারী চরিত্রে অভিনয় করত। তো আমিও নারী চরিত্রে অভিনয় করা শুরু করলাম। টাটা, আসানসোল, বর্ধমান ইত্যাদি জায়গা থেকে স্ক্রিপ্ট ও অ্যাডভান্স টাকা পাঠিয়ে দিত। এইভাবে প্রচুর শো করতে করতে একদিন দেওঘরে অনুকূল ঠাকুরের আশ্রমে অভিনয়ের সময় একটি ছেলের সঙ্গে আলাপ হয়। সেই ছেলেটি বলল, তুমি পেশাদারী যাত্রা দলে এস। বেশি টাকা মাইনে পাবে। ভাবলাম আমি কি পারব! আশ্বিন থেকে টানা জ্যষ্ঠী মাস পর্যন্ত কাজ। এই আটমাস বাড়ির সঙ্গে কোনও সম্পর্কই থাকবে না। যাত্রায় তখন ছবিরানীর খুব নাম ডাক। শুনলাম এই ছবিরানীর পরিবর্তেই নট্ট কোম্পানিতে আমাকে অভিনয় করতে হবে। তো গেলাম নট্ট কোম্পানিতে। মাখনলাল নট্ট আমাকে পছন্দ করলেন। এটাই আমার প্রথম যাত্রায় অভিনয়।
 যাত্রার হাত ধরেই আপনি চপলরানি হয়ে উঠলেন?
 হ্যাঁ, এই যাত্রা জগতে চপলরানি হয়ে উঠতে আমাকে সাহায্য করেছিলেন তিনজন। পালাকার ব্রজেন দে, নট্ট কোম্পানির ম্যানেজার সূর্যকুমার দত্ত এবং মাখনলাল নট্ট। আমাকে নিয়েই একের পর এক যাত্রাপালা তৈরি হতে লাগল। চাঁদসুলতানা, দেবী মহীয়সী কৈকেয়ী, সুলতানা রিজিয়া। ১৯৬৬ সালের পর বাদানুবাদ হলে নট্ট কোম্পানি ছেড়ে দিয়ে যোগ দিলাম নবরঞ্জন অপেরায়। এই সময়ে আমি নবরঞ্জন, সত্যম্বর অপেরা ইত্যাদি দলে অভিনয় করছি।
 উত্তমকুমার আপনার অভিনয় দেখতে এসেছিলেন?
 হ্যাঁ, একদিন উত্তমকুমার আমাদের নবরঞ্জন অপেরার ‘মাইকেল মধুসূদন’ যাত্রাপালা দেখবেন বলে এসেছিলেন রবীন্দ্রসদনে। অভিনয়ের পর আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন, তুমি বিয়ে করেছ? বললাম না। উনি বললেন, বাঃ তুমি মা নও, বাবাও নও কিন্তু ঐ নাড়ি ছেঁড়া আর্তনাদ করে কান্না আর ঐরকম শরীরী ভঙ্গি কী করে করলে? এরপর তিনি বললেন, বলো তুমি আমার কাছে কী চাও? আমি ওঁর পায়ের ধুলো মাথায় নিয়ে বললাম আপনি আমাকে আশীর্বাদ করুন যাতে আমি আরও ভালো অভিনয় করতে পারি। তখন উত্তমবাবু আমাকে দু’ হাত দিয়ে টেনে নিয়ে বুকে জড়িয়ে ধরলেন। তখন তো আর সেলফি ছিল না। কিন্তু আমার হৃদয়ের সেলফিতে সেই ছবি আজও জ্বলজ্বল করছে। সেটা কেউ কোনও দিন ডিলিট করতে পারবে না। এরপর যখন একসময় যাত্রায় প্রচুর মেয়েরা এসে গেল তখন ওঁরা বলল, চপলদা আপনাকে আর রাখতে পারছি না। ৭২ কি ৭৩ সাল হবে ঠিক মনে করতে পারছি না, আমি যাত্রা করা ছেড়ে দিলাম।
 এরপর কী হল?
 এবার আমি আর কোনও উপায় খুঁজে পেলাম না। সময়টা ৭৪ কি ৭৫ সাল হবে। আমি যেন কোথায় চলে গেলাম। একটানা ২০ বছর আমি অভিনয় ছাড়া ছিলাম। এই ২০ বছর আমার জীবনে ভয়ংকর দৈন্য দশা গেছে। আমাদের বাড়ি বিক্রি হয়ে গেছে। এখানে ওখানে বাড়ি ভাড়া করে থাকতে হয়েছে ইত্যাদি ইত্যাদি। এতটাই দুঃসময় ছিল যে সেটা কাউকে বলার মতো নয়। তাই সেই প্রসঙ্গটা বাদ রাখছি।
 ২০ বছর পর ফিরে কোথায় উঠলেন?
 আবার ফিরে এলাম ছোড়দি কেতকী দত্তের কাছে। তখন ছোড়দি বললেন, দ্যাখ চপল জল ছাড়া যেমন মাছ বাঁচে না। তেমনই অভিনয় ছাড়া অভিনেতারাও বাঁচতে পারে না। তাই বলছি তোর জীবনে এমন একটা দুর্ঘটনা ঘটে গেল। এবার তুই দেখ অন্য কিছু করে জীবনটাকে দাঁড় করাতে পারিস কিনা। এই তখনই আমি শীতলা পালার গান শুরু করলাম। যেটা ওই রাস্তাঘাটে, বস্তিতে, মন্দিরে, এখানে ওখানে হয়। যে পালার কোনও স্ক্রিপ্ট নেই। এই শীতলা গান করেই আমি আবার নিজের জীবিকা নির্বাহ করতে আরম্ভ করলাম। এভাবেই চার ঘণ্টা পাঁচ ঘণ্টা খেটে ৪০ কি ৫০ টাকা রোজগার করতাম। খুব সম্ভবত ৯৪ সাল হবে। রাত দুটো তিনটের সময় হেঁটে বাড়ি ফিরতাম।
 আপনি তো বিদেশেও গিয়েছেন শো করতে?
 হ্যাঁ। সিগাল মিডিয়া আর্ট এম্পোরিয়ামের নবীন কিশোরের সঙ্গে আমার আলাপ হয়েছিল। উনি আমার শীতলা পালার অনেক ছবি তুলে দেশ বিদেশে পাঠালেন। সেখান থেকে অনেকেই আমাকে আর্থিক সাহায্য পাঠাতেন। আমাকে তাঁরা স্বচক্ষে দেখতেও চেয়েছেন। কিন্তু সব দেশে যাওয়া আমার পক্ষে সম্ভব হয়নি। শুধু কানাডায় গিয়ে ২০ দিন ছিলাম। সেখানে প্রতিটি শোতে তিনশ জন দর্শক আমার অভিনয় দেখেছেন। তারপর দিল্লি গেলাম, মুম্বই গেলাম শীতলা পালা করতে। পৃথ্বী থিয়েটারে অভিনয় করলাম।
 রমনী মোহন করেও আপনি তো খ্যাতি পেয়েছেন?
 হ্যাঁ, রমণী মোহন নাটকে অভিনয় করে আমি যত পুরস্কার পেয়েছি আচ্ছা আচ্ছা দল তেমন পুরস্কার পায়নি। এরপর ‘আভাস’ দলে ‘সুন্দর বিবির পালা’ নাটকে অভিনয় করছি। আমি বেশ কয়েকটি সিনেমা ও সিরিয়ালেও অভিনয় করেছি। যেমন কৌশিক গাঙ্গুলির ‘উষ্ণতার জন্য’, ‘আরেকটি প্রেমের গল্প’ ইত্যাদি।
 চপল ভাদুড়ী আজ বৃদ্ধাশ্রমে কেন?
 হ্যাঁ, তবে বৃদ্ধাশ্রমটা ঘেন্না করার মতো জায়গা নয়। এটা শান্তির নীড়। যদিও আমি নিজে অবিবাহিত। তবু সংসার এমনই একটা জায়গা যেখানে অশান্তি হয়ই। তাই আজ আমি হরি ঘোষ ষ্ট্রিটের বৃদ্ধাশ্রমে।
 এই জীবন সায়াহ্ন্যে দাঁড়িয়ে আপনার নিজের সম্পর্কে কী মনে হয়?
 সব শেষে আমার মনে হয়, আমি কে? আমি কি চপল ভাদুড়ী? নাকি চপলরানি? এখনও সেটা বুঝতে পারলাম না ।
04th  May, 2019
 যাত্রায় এনেছিলেন নতুন যুগের হাওয়া
সন্দীপন বিশ্বাস

১৯৬৮ সাল। নানা পরিস্থিতিতে তখন অস্থির তাঁর জীবন। নিজের দল এলটিজি থেকে তখন তিনি বিতাড়িত। আগের বছরেই তাঁকে রাজনৈতিক কারণে জেলে যেতে হয়েছিল। চারিদিকের চেনা মানুষগুলি কেমন যেন অচেনা হয়ে উঠেছিল। তাঁর নাটক করার জায়গাটা তখন প্রায় বন্ধই হয়ে গিয়েছে। কিন্তু তিনি থেমে থাকার পাত্র নন।
বিশদ

13th  July, 2019
 হত্যাকারী কে?

  গত ১৫ই মে সুজাতা সদনে অনুষ্ঠিত হল বেহালা বাতায়ন নিবেদিত নাটক ‘হত্যাকারী’। নাটকটি লিখেছেন বৈদ্যনাথ মুখোপাধ্যায়। নির্দেশনা দিয়েছেন নবকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়। একটি বধুহত্যাকে কেন্দ্র করে এই নাটকের ঘটনাচক্র আবর্তিত হয়। একাঙ্ক নাটকটি পুরোটাই অধ্যাপক নরেন পালের বৈঠকখানায়।
বিশদ

13th  July, 2019
 সন্ত কবীরের কথা আজকের দিনে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক

 জাতপাত ও ধর্মের বৈষম্য, নিচু শ্রেণীর দলিত সম্প্রদায়ের লোকদের ওপর উচ্চবর্ণের মানুষের অত্যাচারের মতো ঘৃণ্য বিদ্বেষভাব আজও সমাজকে আষ্টে-পৃষ্ঠে বেঁধে রেখেছে। সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে কিছু কিছু উন্নতি হলেও মানুষের দৃষ্টিভঙ্গির তেমন কোনও পরিবর্তন হয়নি। অথচ সমাজে সকলের সমানভাবে বেঁচে থাকার অধিকার সংবিধান স্বীকৃত।
বিশদ

13th  July, 2019
প্রজ্ঞা কালচারাল সেন্টারের দুটি নাটক

 সম্প্রতি আইসিসিআর অডিটোরিয়ামে একদিনের নাট্যোৎসবে প্রজ্ঞা মঞ্চস্থ করল দুটি নাটক, ‘নাইন মাইলস টু গো’ এবং ‘পতি গয়ে রে কাটিয়াহার’। দুটি নাটকে দুটি ভিন্ন ধরনের বার্তা দেওয়া হয়েছে, যেগুলি সর্বকালের ও সময়ের জন্য খুবই অর্থবহ ও প্রাসঙ্গিক।
বিশদ

06th  July, 2019
 রাজনৈতিক অস্থিরতার দুটি দলিল

সমগ্র দেশ তো বটেই, এই রাজ্যেরও রাজনৈতিক অবস্থা ভয়াবহ। অত্যন্ত উত্তপ্ত। এখন রাজনীতি, মানেই দুর্নীতি, মিথ্যাচার, অপসংস্কৃতি, বিদ্বেষ আর আত্মসম্মানকে বিসর্জন দেওয়া এক মাদারির খেল। আর এই খেলা চলছে দু’টি দলকে কেন্দ্র করে। সাধারণ মানুষ আর রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে। এই নেতারা বহুরূপী।
বিশদ

06th  July, 2019
আধুনিক প্রজন্মের আকাশছোঁয়ার চাহিদাই ডেকে আনছে অনর্থ

 বিশ্বায়নের ফলে পৃথিবীটা এখন হাতের মুঠোয় এসে গেছে। মানুষের কাছে এখন সবকিছুই খুব সহজলভ্য হয়েছে। অর্থনৈতিক পরিকাঠামো, সামাজিক পরিস্থিতির চাপে যৌথ পরিবার ভেঙে তৈরি হয়েছে ছোট ছোট পরিবার বা নিউক্লিয়ার ফ্যামিলি। যেখানে রোজগেরে স্বামী-স্ত্রী আর তাদের সন্তান নিয়েই তৈরি হয় একটি পরিবার।
বিশদ

06th  July, 2019
 কার্টেন কলের আন্তর্জাতিক নাট্যোৎসব

সম্প্রতি ‘কার্টেন কল’-এর ব্যবস্থাপনায় দু’দিন ব্যাপী আন্তর্জাতিক নাট্যোৎসবের আয়োজন করা হয়। মঞ্চস্থ হয় বাংলাদেশের নাট্যদল ‘পদাতিক’-এর দু’টি নাটক। প্রথমদিন মঞ্চস্থ হয় ‘কালরাত্রি’। ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের উত্তপ্ত, ভয়াবহ দিনগুলোর প্রেক্ষাপটে নাটকের বিস্তার। স্বাধীনতার জন্য আকূল সমস্ত মানুষ।
বিশদ

06th  July, 2019
 ড্রা মে বা জি-২

সম্প্রতি চিলড্রেন থিয়েটার কার্নিভাল ‘ড্রামেবাজি-২’ হয়ে গেল আই সি সি আর-এ। দ্য ক্রিয়েটিভ আর্টস আয়োজিত এই কার্নিভালে শিশুদের জন্য সারাদিনের এক কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
বিশদ

06th  July, 2019
পি সি চন্দ্র নাট্যোৎসব 

হাঁসফাঁস করা গরমে এক টুকরো শান্তি নিয়ে এল বাইপাস সংলগ্ন পি সি চন্দ্র গার্ডেনের সবুজের বিস্তার। তিনদিন ব্যাপী নাটকের আসর বসেছিল সবুজঘেরা এই ওয়েসিসে। নিবেদনে পি সি চন্দ্র। 
বিশদ

29th  June, 2019
অস্থির সময়ে বেঁচে থাকার নতুন দিশা 

একটা অস্থির সময়ের মধ্যে দিয়ে চলেছি। সন্ত্রাস, হত্যা চলছে ধর্মের নামে, জাতের নামে। সৃষ্টি হচ্ছে বিভেদ, অসহিষ্ণুতা। যা দেশ, কাল, সময়ের বৃহত্তর গণ্ডি পেরিয়ে উঁকি দিচ্ছে পরিবারে, সম্পর্কে। মানুষ এখন আত্মকেন্দ্রিক, নিজের ভালো ছাড়া আর কিছু দেখে না।  
বিশদ

29th  June, 2019
আসরে মার খেতে খেতে বেঁচে গিয়েছিলেন 

যাত্রার নায়িকা শর্মিষ্ঠা গঙ্গোপাধ্যায়কে নিয়ে লিখেছেন সন্দীপন বিশ্বাস।

বাবা ছিলেন রানিগঞ্জ কোলিয়ারি এলাকার ডাক্তার। বাবার মতোই ডাক্তার হতে চেয়েছিলেন নমিতা চক্রবর্তী। কিন্তু ঘটনাচক্রে হয়ে গেলেন যাত্রার বিশিষ্ট অভিনেত্রী। মানুষ তাঁকে চেনেন শর্মিষ্ঠা গঙ্গোপাধ্যায় হিসাবে। কোলিয়ারিতে বিভিন্ন যাত্রা দল যায়। 
বিশদ

29th  June, 2019
কালিদাস ও মল্লিকার প্রেমকাহিনী 

অতি সম্প্রতি কালিন্দী নাট্যসৃজন তাদের নবতম প্রযোজনা মোহন রাকেশের ‘আষাঢ়ের প্রথম দিনে’ মঞ্চস্থ করল। প্রসঙ্গত, ঠিক একই সময়ে আরো দুটি নাট্যগোষ্ঠী মোহন রাকেশের অন্য দুটি নাটক মঞ্চস্থ করেছেন।  বিশদ

29th  June, 2019
মেঘনাদ আবার চমকে দিলেন

ভাগীরথীর বুকে জেগে ওঠা এক চর। শহর থেকে অনেকটাই বিচ্ছিন্ন এক গ্রাম। নাম ঈশ্বরীপুর। সেই গ্রামের দূষণহীনতার মধ্যে বেড়ে ওঠে সত্যচরণ আর ধূর্জটিনারায়ণ, দুই বন্ধু। যৌবনের শুরুতেই একই গুরুর কাছে তাঁদের রাজনীতির পাঠ নেওয়া। শিক্ষাগুরু নিত্যানন্দ ছিলেন আদর্শবাদী, ন্যায়পরায়ণ। সত্যবাদিতা যার কাছে একমাত্র সত্য। বিশদ

22nd  June, 2019
জাহান্নামের সমাচার 

আপন সৃষ্টিশীলতায় ওরা ছোটছোট বৃত্ত রচনা করে ঘুরে চলেছে। ‘ওরা’ হল – ইফটা, থিয়েলাইট, যাদবপুর মন্থন, দমদম গোত্রহীন, অশোকনগর নাট্যমুখ এবং দমদম শব্দমুগ্ধ। ছোট ছোট স্বাবলম্বী নাটকের দল। স্বাধীন চিন্তাভাবনা, কল্পনা, সৃষ্টিশীলতাকে নিংড়ে, মেজেঘষে, বিগত দেড় দশক ধরে বাংলার নাট্যমঞ্চকে সমৃদ্ধ করে চলেছে।
বিশদ

22nd  June, 2019
একনজরে
বিএনএ, সাঁততোড়িয়া(দিসেরগড়): ইসিএলের বর্তমান ও প্রাক্তন কর্মী এবং কয়লা খনি এলাকার মানুষের সামনে নিজেদের স্বাস্থ্য পরিষেবা সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য হাতের মুঠোয় এনে দিতে ইসিএল কর্তৃপক্ষ প্রস্তুত করেছে একটি বিশেষ অ্যাপ।  ...

সংবাদদাতা, কুমারগ্রাম: ভারী বর্ষণের কারণে আলিপুরদুয়ার পুরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সূর্যনগরের ম্যাকউইলিয়াম আর আর প্রাইমারি ইংরেজি মাধ্যম স্কুল জলমগ্ন হয়ে আছে। ক্লাস রুমের ভেতরেও হাঁটু ...

ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ঝড়ের আভাস দেবে, এমন যন্ত্র বসবে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের হরিণঘাটা ক্যাম্পাসে। যার নাম ‘এসটি রেডার’। তবে এই যন্ত্র বসানো এবং এর সঙ্গে যুক্ত প্রকল্পটি নিয়ে নানা প্রশ্ন তুলেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাংশ। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ব্যয় বৃদ্ধি পাবে। কর্মক্ষেত্রে কোনও বিরূপ অবস্থার সৃষ্টি হতে পারে। বিদ্যার্থীর শুভ ফল লাভ হবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮০২- ফরাসি লেখক আলেকজান্দার দুমার জন্ম
১৮৭০- সাহিত্যিক কালীপ্রসন্ন সিংহের মৃত্যু
১৮৮৪- ‘হিন্দু পেট্রিয়টে’-র সম্পাদক কৃষ্ণদাস পালের মৃত্যু
১৮৯৮- সাহিত্যিক তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৩৭- অভিনেতা মনোজ কুমারের জন্ম
১৯৪৫- উইপ্রোর কর্ণধার আজিম প্রেমজির জন্ম
১৯৬৯- আমেরিকান অভিনেত্রী ও সঙ্গীতশিল্পী জেনিফার লোপেজের জন্ম
১৯৮০- মহানায়ক উত্তম কুমারের মৃত্যু
২০০৩- অভিনেতা শমিত ভঞ্জের মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.২০ টাকা ৬৯.৮৯ টাকা
পাউন্ড ৮৪.৪০ টাকা ৮৭.৫৪ টাকা
ইউরো ৭৫.৮৭ টাকা ৭৮.৮০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৫,৪২৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৩,৬১০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৪,১১৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪১,১৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪১,২৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৭ শ্রাবণ ১৪২৬, ২৪ জুলাই ২০১৯, বুধবার, সপ্তমী ৩২/২৩ অপঃ ৬/৫। রেবতী ২৬/২৪ দিবা ৩/৪২। সূ উ ৫/৮/৯, অ ৬/১৭/৫৩, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৩ মধ্যে পুনঃ ৯/৩১ গতে ১১/১৭ মধ্যে পুনঃ ৩/৪০ গতে ৫/২৬ মধ্যে। রাত্রি ৭/১ গতে ৯/১১ মধ্যে পুনঃ ১/৩১ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৮/২৫ গতে ১০/৪ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৩ গতে ১/২২ মধ্যে, কালরাত্রি ২/২৬ গতে ৩/৪৭ মধ্যে।
৭ শ্রাবণ ১৪২৬, ২৪ জুলাই ২০১৯, বুধবার, সপ্তমী ২২/২১/১৭ দিবা ২/২/৫৯। রেবতীনক্ষত্র ১৯/৪২/৮ দিবা ১২/৫৯/১৯, সূ উ ৫/৬/২৮, অ ৬/২১/১৮, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৭ মধ্যে ও ৯/৩২ গতে ১১/১৬ মধ্যে ও ৩/৩৫ গতে ৫/১৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৫৫ গতে ৯/৭ মধ্যে ও ১/৩২ গতে ৫/৭ মধ্যে, বারবেলা ১১/৪৩/৫৩ গতে ১/২৩/১৪ মধ্যে, কালবেলা ৮/২৫/১০ গতে ১০/৪/৩২ মধ্যে, কালরাত্রি ১/২৫/১০ গতে ৩/৪৫/৪৯ মধ্যে।
 ২০ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
নানুরে বিজেপি কর্মীদের মারধরের অভিযোগ 
দলীয় সভায় যাওয়ায় বিজেপি কর্মীদের মারধরের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বুধবার ...বিশদ

01:41:23 PM

মেদিনীপুরে বিজেপি কর্মীর বাড়িতে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ 
এক বিজেপি কর্মীর বাড়ি ভাঙচুর করে তাতে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার ...বিশদ

01:35:00 PM

মারিশদায় বধূর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার 
এক বধূর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য পূর্ব মেদিনীপুরের ...বিশদ

01:14:37 PM

নদীয়ার হাঁসখালির ময়ূরহাটে বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষ, জখম ৬ 

01:06:06 PM

প্রিন্সেপ স্ট্রিটে ঝাঁঝালো গ্যাসের গন্ধ, আতঙ্ক 
ঝাঁঝালো গ্যাসের গন্ধে আতঙ্ক ধর্মতলার প্রিন্সেপ স্ট্রিট চত্বরে। গতকাল রাতে ...বিশদ

12:36:34 PM

ইতিহাসে আজকের দিনে 
১৮০২- ফরাসি লেখক আলেকজান্দার দুমার জন্ম১৮৭০- সাহিত্যিক কালীপ্রসন্ন সিংহের মৃত্যু১৮৮৪- ...বিশদ

11:31:35 AM