Bartaman Patrika
রঙ্গভূমি
 

সভাগার থিয়েটার ফেস্টিভ্যাল

সংস্কৃতি সাগর ও সেন্টার স্টেজ ক্রিয়েশনের যৌথ উদ্যোগে ২২ থেকে ২৪ মার্চ বিড়লা সভাগৃহে হয়ে গেল সভাগার থিয়েটার ফেস্টিভ্যাল। ছিল তিনটি ভিন্নস্বাদের নাটক। পৌরাণিক, সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক নাটকগুলির আলোচনায় কমলিনী চক্রবর্তী।

রাবণ কি রামায়ণ
নাটকের নামটা শুনে একটু ধন্দে পড়েছিলাম। রাবণ কি রামায়ণ! বাল্মীকির রামকে পালটে নাট্যকার কি রাবণকেই রামায়ণের নায়ক করে ফেললেন? নাটকটা দেখার আগ্রহ তখন থেকেই। নাটকের শুরুতেই রাবণরূপী পুনিত ইসার আর নাট্যকার অতুলসত্য কৌশিকের সঙ্গে আলাপ জমে উঠল। কথা প্রসঙ্গে প্রথম প্রশ্নটাই করে বসলাম, রাবণ কি রামায়ণে হিরো কে? একটু থমকে গেলেন নাট্যকার। কিন্তু পুনিত আমায় পালটা প্রশ্ন করলেন, আচ্ছা বলুন দেখি ইতিহাস কার দ্বারা রচিত হয়? এবার আমার থমকানোর পালা। পুনিত নিজেই উত্তর দিলেন, আবহমান কাল ধরেই ইতিহাস রচিত হয় বিজয়ীর কলম থেকে। এবার একটু পালটে দেখাই যাক না। যুদ্ধে যে হেরে গেল তারও তো একটা বক্তব্য থাকতে পারে। একবার না হয় সেই বক্তব্যটাকেই গুরুত্ব দেওয়া হোক। সেই গুরুত্ব দিতে গিয়েই দিল্লির নাট্যকার অতুল সত্য কৌশিক লিখলেন রাবণ কি রামায়ণ। তাই বলে রামায়ণের এই ভার্সানের হিরো রাবণ, এমনটা ভাবলে ভুল করবেন। রামই নায়ক। তবু রাবণ ভিলেন নন। না, রামায়ণের গল্পে কোনও বদল ঘটাননি নাট্যকার। শুধু দৃষ্টিভঙ্গিটা একটু পালটেছেন এই যা।
কৈলাশের একটি দৃশ্য দিয়ে নাটকটি শুরু হয়। শিবভক্ত রাবণ প্রভুর উপাসনা করতে হিমালয়ে উপস্থিত। নিজের রচিত মন্ত্র দিয়েই রাবণ উপাসনা করছেন শিবের। শিবের কাছে বর চাইছেন। বিজয়ী হওয়ার বর। অন্য অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ হওয়ার বর। শিব কি দেবেন সেই বর তাঁর প্রিয় ভক্তকে? চাইলেই কি সব পাওয়া যায়? কিছু পেতে গেলে কিছু ত্যাগ করাও কি আবশ্যিক নয়? এমন বিভিন্ন প্রশ্নের মধ্যে দিয়েই নাটকটি এগিয়ে নিয়ে গিয়েছেন অতুল। রাবণের মুখে কিছু সংলাপ এমন বসিয়েছেন যার ফলে রামায়ণের বিভিন্ন চরিত্র নিয়ে দর্শকের মন ভাবনায় মজে উঠেছে। একই সঙ্গে রাবণের পাণ্ডিত্যেও মুগ্ধ হয়েছে দর্শক। সংলাপেও নতুনত্ব রয়েছে। আর রাবণের ভূমিকায় পুনিত ইসার যে অনবদ্য তা তো বলাই বাহুল্য।
পৌরাণিক কাহিনী বলেই হয়তো সেটের আতিশয্য থাকবে ধরেই নিয়েছিলাম। সেই চিন্তায় একটু ঠোক্কোর লাগল প্রথমেই। বেশ ম্যাড়ম্যাড়ে সেট ডিজাইন। রাজসিক রাজমহলও চোখে পড়ল না, আবার পঞ্চবটির নিস্তরঙ্গ বনবাসও মুগ্ধ করল না। আর সোনার হরিণের দাপাদাপিযকে ঘিরে এতকাণ্ড তা স্টেজে দেখানোর ঝক্কিই নেননি নাট্য‌কার। পুরো ঘটনাটাই সূর্পনখার বয়ানে শোনানো হয়েছে। তবে সেট ডিজাইন ম্যাড়ম্যাড়ে হলেও লাইটিং বেশ উল্লেখযোগ্য। আলোআঁধারির জাঁকজমকে রীতিমতো একটা আবহাওয়া তৈরি হয়েছে স্টেজের ওপর।
পুনিত ইসার ছাড়া মন্দোদরীর চরিত্রে নিষ্ঠা পালিওয়াল উল্লেখযোগ্য। কিন্তু সীতাকে দেখে বেশ হতাশ লাগল। সেই কবে যে রামায়ণ সিরিয়ালে সীতাকে কাঁদিয়ে দিয়ে গিয়েছেন দীপিকা চিকলিয়া, সীতা এখনও কেঁদেই চলেছেন। তাই অতুল সত্য কৌশিকের নাটকেও সীতার ভূমিকায় লতিকা জৈন বড্ড কাঁদুনে। সীতার চারিত্রক দৃঢ়তা মোটেও ধরা পড়েনি তাঁর অভিনয়ে। যেখানে যুক্তির ওপর যুক্তি সাজিয়ে রাবণের সঙ্গে টক্কর নিচ্ছেন সীতা, সেখানেও তিনি নাকে কাঁদতে ভুলছেন না। আর রাম! তিনি যেন অতিরিক্ত নরম ও সরল চরিত্রের হয়ে উঠেছেন। কোথায় সেই হরধনু ভঙ্গ করা তেজ? কোথায়ই বা তাঁর বীরত্ব? রাবণকে হাইলাইট করার জন্য নাট্যকার কি ইচ্ছাকৃতভাবে রামকে একটু নরম করে রেখেছেন? রামের ভূমিকায় গৌরব জাখুর অভিনয় দেখে এমন প্রশ্নও যে দর্শকের মনে একবারও উঁকি মারে না তা নয়। তুলনায় সূপর্নখা, লক্ষ্মণ ও মেঘনাদ বেশ ভালো। মেঘনাদের চরিত্রে তরুণ দাং বেশ দাপুটে, কয়েকটি দৃশ্যে রীতিমতো চমক লাগিয়েছেন। শেষকালে রাবণ ও রামায়ণে তাঁর প্রয়োজনীয়তা বিষয়ে সামান্য একটু দর্শন রয়েছে। অতটা না হলেও মন্দ হত না। একটু অতিরঞ্জিত দর্শন খানিকটা জ্ঞানের মতো শুনিয়েছে। সব শেষে সংলাপ বিষয়ে একটু না বললেই নয়। গোটা নাটকটাই কবিতার আকারে লেখা এবং অন্তমিল দেওয়া সংলাপ যথাযথভাবে পাঠ করেছেন সব অভিনেতাই।

বালিগঞ্জ ১৯৯০
ইংরেজ কবি রবার্ট ব্রাউনিং তাঁর আন্দ্রিয়া ডেল সার্তো কবিতায় লিখেছেন ‘A man’s reach should exeed its grasp or what is heaven for?’ লাইনটি আবারও মনে পড়ে গেল অতুল সত্য কৌশিকের নাটক বালিগঞ্জ ১৯৯০ দেখতে গিয়ে। সামাজিক অবক্ষয়, একাকীত্ব, প্রেমকাহিনী, নাকি নিছক থ্রিলার? গোটা নব্বুই মিনিট পার করে থিয়েটার হল থেকে বেরতে বেরতেও এই প্রশ্নটাই বারবার মনে কড়া নাড়ছিল। একেবারেই সামাজিক একটি গল্প। প্রেমের প্লট। তবু তারই মধ্যে রয়েছে রহস্য। তারই মধ্যে রয়েছে সম্পর্ক। আবার তারই মধ্যে রয়েছে অধরা প্রেম, অপূর্ণ সাধ। সূপ্ত একটা বাসনাও কি নেই? আছে বোধহয়। তবে এই সব কিছু ছাপিয়ে গিয়েছে অপূর্ণ প্রেমের প্লট। দশ বছর আগে ঘটে যাওয়া ঘটনার জের টেনে ধরে রাখা হয়েছে গোটা গল্পে। কার্তিক আর বাসুকীর প্রেমের ঘটনা। যে প্রেমে দশ বছর আগেই ইতি পড়েছে। তবু সম্পর্কে আগুন নিভে যায়নি পুরোপরি। দশ দশটা বছর ধরে ধিকি ধিকি আগুন জ্বলেছে। তাই বলে কি আর জীবন থেমে থাকে? থাকে না। বাসুকী বা কার্তিকেরও থামেনি। দশ বছর পর বাসুকী এখন বিবাহিত। আর কার্তিক? সেও জীবনে মোটামুটি দাঁড়িয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে দু’জনের আবার দেখা হয়। কার্তিককে বাড়িতে ডাকে বাসুকী। আর তারপর? রহস্যের জাল বোনার সেই শুরু। আর সেই রহস্যের জালে এমন জড়িয়ে যায় দর্শক যে আগু পিছু জ্ঞান থাকে না। সত্য মিথ্যার বিভেদ থাকে না। বাসুকীর কোন কথাটা সত্য বলে ধরবেন? কোনটাই বা মিথ্যা? সে কি আদৌ খুন করেছে কাউকে? নাকি পুরোটাই ভাওতা? এমন নানা প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে খুঁজতেই ৯০ মিনিট কখন যে পেরিয়ে যাবে টেরই পাবেন না। অদ্ভুত একটা ধন্দ টেনে নিয়ে যাবে গোটা নাটকটাকে। আর সেই সঙ্গে দর্শকও স্টেজের এপ্রান্ত থেকে ওপ্রান্থে হানা দেবে চরিত্রগুলোর সঙ্গে।
রহস্য অথচ চরিত্র মাত্র তিনটি। কার্তিক আর বাসুকীর সঙ্গে তো পরিচয় ঘটেই গেছে, বাকি আর একজন, বাড়ির বুড়ো চাকর। কার্তিকের চরিত্রে অনুপ সোনি যথাযথ। একটু হয়তো স্টিফ। কিন্তু বাসুকীর চরিত্রে নিষ্ঠা পালিওয়াল তোমার অনবদ্য। অসম্ভব প্রাণবন্ত আবার একই সঙ্গে গভীর চরিত্রটি দুর্দান্ত ফলটিয়ে তুলেছেন নিষ্ঠা। চাকরের চরিত্রে কুণাল কৌশিক ততটা বিশ্বাসযোগ্য হয়ে উঠতে পারেননি। অবশ্য তিনি সময়ও ততটা পাননি চরিত্রটিকে প্রমাণ করার। সেটটি উল্লেখযোগ্য না হলেও মন্দ নয়। বড়লোক বাড়ির অন্দরমহল হিসেবে ভালোই মানিয়ে গিয়েছে আসবাবপত্র। কিন্তু লাইটিংয়ে ধোঁয়ার ব্যবহার অযথা ও অতিরিক্ত মনে হয়েছে। অন্ধকারের ব্যবহার অবশ্য বেশ উল্লেখযোগ্য। বাড়ির অন্ধকারটাই চরিত্রের মনের কোণে জমাটবাঁধা অন্ধকারের প্রতীক হয়ে দেখা দিয়েছে।

তিতলি কি মউত
নাটকটি মনস্তাত্ত্বিক। মানুষের অন্তরের বিবেক নিয়েই গল্প। বিবেক ছাড়াও দ্বন্দ্ব আর টানাপোড়েন নাটকটির ষোলোআনা জুড়ে। রহস্য, অথচ খুনটা ঘটল সর্বসমক্ষে, প্রথমেই। খুন নাকি আত্মহত্যা? প্রশ্নটা ঘুরছে গল্প জুড়ে। চরিত্রগুলো সবাই তার স্বপক্ষে বা বিপক্ষে নিজের মত জানাচ্ছেন। সেই মতামতই সংলাপ হয়ে ফিরছে চরিত্রের মুখে মুখে।
তিতলি কি মউত নাটকটি চৈতি ঘোষালের পরিচালনা মিলেনিয়াম ম্যাম গ্রুপের একটি নাটক। মিলেনিয়াম ম্যাম কোনও পেশাদার নাট্যদল নয়। একদল গৃহবধূকে নিয়ে একটা সংগঠন। একেবারেই অ্যামেচার প্রোডাকশন। আর সেই অ্যামেচারিশ হাবভাব বেশ স্পষ্টভাবেই ফুটে উঠেছে এঁদের অভিনয়ে। দিদিমা, মা, তিন দিদি, বাড়ির পরিচারিকা আর তিতলি। এই নিয়েই তিতলিদের পরিবার। বাবা মারা গিয়েছেন বহু আগে। আর এবার তিতলিও আর বাঁচবে না। বন্দুক নিয়ে নিজেই নিজের মাথায় ঠেকিয়ে মৃত্যুকে বরণ করল সে। ভাবছেন প্রথমেই আত্মহত্যার রহস্যটা ফাঁস করে দিলাম কেন? দর্শকের সামনেই এইভাবেই আত্মহত্যাটা ঘটে নাটকের প্রায় গোড়াতেই। আর তারপর শুরু হয় নাটকের বিচার। কিন্তু আশ্চর্য এই যে প্রথমেই আত্মহত্যার ঘটনাটা দর্শকের সামনে ঘটতে দেখা গেলেও বারবার আত্মহত্যা না খুন এই প্রশ্ন নিয়ে জেরবার হতে হয় নাটকের অন্যান্য চরিত্রদের। নাটকটি খানিক দূর এগলে দর্শকের একটু শঙ্কা হয়, সত্যিই আত্মহত্যা তো? নাকি খুনই বটে?
শ্যামা শ্রীবাস্তব গোয়েন্দা বিভাগের মহিলা সেলে কর্মরত। তিনিই খুন বা আত্মহত্যার তদন্ত করতে ব্যস্ত। আর সেই তদন্তের জন্য প্রয়োজনীয় প্রশ্ন থেকে উঠে আসে একেকটি চরিত্রের অন্তর্দ্বন্দ্ব। নাটকটা দেখতে দেখতে বারবার উত্তমকুমার অভিনীত থানা থেকে আসছি ছবির কথা মনে পড়ছিল। এত প্রকট ছাপ যে তা এড়িয়ে যাওয়ার উপায় নেই। পাঠক কি এতক্ষণে ধরে ফেলেছেন ছাপটি কিসের? যদি না ধরে থাকেন তাহলে একটা সামান্য ক্লু দিই আপনাদের। কে শ্যামা শ্রীবাস্তব? তিনি কি সত্যিই গোয়েন্দা? নাকি তিনি মনস্তাত্ত্বিক? না হলে হঠাৎ তাঁর প্রশ্নে চরিত্রের অন্তর্দ্বন্দ্ব প্রকাশ পাবে কেন?
তিতলির চরিত্রেআভা গোলছা সাহারিয়ার অভিনয় খুব একটা মনে ধরল না। বড্ড অতি অভিনয়। সব সংলাপেই মুখে একটা আতঙ্ক মিশ্রিত অভিব্যক্তি। যখন সে প্রাণোচ্ছ্বল তরুণী তখনও তার চোখে প্রাণবন্ত হাসি ফুটে উঠছে না। আর শ্যামা শ্রীবাস্তবের অভিনয় তো বীররসে ভরা। কেউ যেন তাঁর হাতে রাজদণ্ড ধরিয়ে হুকুম জারি করার অধিকার দিয়েছে তাঁকে। এমনই হুমকির বার্তার তাঁর সংলাপ বলার ধরনে যে দর্শক আসনে বসেও একটু ভয় লাগে। সামান্য নড়াচড়া করলেও হয়তো শ্যামা শ্রীবাস্তবের রোষের মুখে পড়তে হবে। এইসব খামতিই ঢাকা পড়ে যেত গল্পের টান প্রবল হলে। সেখানেও ফাঁকি এড়ানো গেল না। গোটা নাটকেই তাই অন্য একটা গল্পের মোড়ক স্পষ্ট হয়ে উঠল।
20th  April, 2019
 যাত্রায় এনেছিলেন নতুন যুগের হাওয়া
সন্দীপন বিশ্বাস

১৯৬৮ সাল। নানা পরিস্থিতিতে তখন অস্থির তাঁর জীবন। নিজের দল এলটিজি থেকে তখন তিনি বিতাড়িত। আগের বছরেই তাঁকে রাজনৈতিক কারণে জেলে যেতে হয়েছিল। চারিদিকের চেনা মানুষগুলি কেমন যেন অচেনা হয়ে উঠেছিল। তাঁর নাটক করার জায়গাটা তখন প্রায় বন্ধই হয়ে গিয়েছে। কিন্তু তিনি থেমে থাকার পাত্র নন।
বিশদ

13th  July, 2019
 হত্যাকারী কে?

  গত ১৫ই মে সুজাতা সদনে অনুষ্ঠিত হল বেহালা বাতায়ন নিবেদিত নাটক ‘হত্যাকারী’। নাটকটি লিখেছেন বৈদ্যনাথ মুখোপাধ্যায়। নির্দেশনা দিয়েছেন নবকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়। একটি বধুহত্যাকে কেন্দ্র করে এই নাটকের ঘটনাচক্র আবর্তিত হয়। একাঙ্ক নাটকটি পুরোটাই অধ্যাপক নরেন পালের বৈঠকখানায়।
বিশদ

13th  July, 2019
 সন্ত কবীরের কথা আজকের দিনে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক

 জাতপাত ও ধর্মের বৈষম্য, নিচু শ্রেণীর দলিত সম্প্রদায়ের লোকদের ওপর উচ্চবর্ণের মানুষের অত্যাচারের মতো ঘৃণ্য বিদ্বেষভাব আজও সমাজকে আষ্টে-পৃষ্ঠে বেঁধে রেখেছে। সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে কিছু কিছু উন্নতি হলেও মানুষের দৃষ্টিভঙ্গির তেমন কোনও পরিবর্তন হয়নি। অথচ সমাজে সকলের সমানভাবে বেঁচে থাকার অধিকার সংবিধান স্বীকৃত।
বিশদ

13th  July, 2019
প্রজ্ঞা কালচারাল সেন্টারের দুটি নাটক

 সম্প্রতি আইসিসিআর অডিটোরিয়ামে একদিনের নাট্যোৎসবে প্রজ্ঞা মঞ্চস্থ করল দুটি নাটক, ‘নাইন মাইলস টু গো’ এবং ‘পতি গয়ে রে কাটিয়াহার’। দুটি নাটকে দুটি ভিন্ন ধরনের বার্তা দেওয়া হয়েছে, যেগুলি সর্বকালের ও সময়ের জন্য খুবই অর্থবহ ও প্রাসঙ্গিক।
বিশদ

06th  July, 2019
 রাজনৈতিক অস্থিরতার দুটি দলিল

সমগ্র দেশ তো বটেই, এই রাজ্যেরও রাজনৈতিক অবস্থা ভয়াবহ। অত্যন্ত উত্তপ্ত। এখন রাজনীতি, মানেই দুর্নীতি, মিথ্যাচার, অপসংস্কৃতি, বিদ্বেষ আর আত্মসম্মানকে বিসর্জন দেওয়া এক মাদারির খেল। আর এই খেলা চলছে দু’টি দলকে কেন্দ্র করে। সাধারণ মানুষ আর রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে। এই নেতারা বহুরূপী।
বিশদ

06th  July, 2019
আধুনিক প্রজন্মের আকাশছোঁয়ার চাহিদাই ডেকে আনছে অনর্থ

 বিশ্বায়নের ফলে পৃথিবীটা এখন হাতের মুঠোয় এসে গেছে। মানুষের কাছে এখন সবকিছুই খুব সহজলভ্য হয়েছে। অর্থনৈতিক পরিকাঠামো, সামাজিক পরিস্থিতির চাপে যৌথ পরিবার ভেঙে তৈরি হয়েছে ছোট ছোট পরিবার বা নিউক্লিয়ার ফ্যামিলি। যেখানে রোজগেরে স্বামী-স্ত্রী আর তাদের সন্তান নিয়েই তৈরি হয় একটি পরিবার।
বিশদ

06th  July, 2019
 কার্টেন কলের আন্তর্জাতিক নাট্যোৎসব

সম্প্রতি ‘কার্টেন কল’-এর ব্যবস্থাপনায় দু’দিন ব্যাপী আন্তর্জাতিক নাট্যোৎসবের আয়োজন করা হয়। মঞ্চস্থ হয় বাংলাদেশের নাট্যদল ‘পদাতিক’-এর দু’টি নাটক। প্রথমদিন মঞ্চস্থ হয় ‘কালরাত্রি’। ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের উত্তপ্ত, ভয়াবহ দিনগুলোর প্রেক্ষাপটে নাটকের বিস্তার। স্বাধীনতার জন্য আকূল সমস্ত মানুষ।
বিশদ

06th  July, 2019
 ড্রা মে বা জি-২

সম্প্রতি চিলড্রেন থিয়েটার কার্নিভাল ‘ড্রামেবাজি-২’ হয়ে গেল আই সি সি আর-এ। দ্য ক্রিয়েটিভ আর্টস আয়োজিত এই কার্নিভালে শিশুদের জন্য সারাদিনের এক কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
বিশদ

06th  July, 2019
পি সি চন্দ্র নাট্যোৎসব 

হাঁসফাঁস করা গরমে এক টুকরো শান্তি নিয়ে এল বাইপাস সংলগ্ন পি সি চন্দ্র গার্ডেনের সবুজের বিস্তার। তিনদিন ব্যাপী নাটকের আসর বসেছিল সবুজঘেরা এই ওয়েসিসে। নিবেদনে পি সি চন্দ্র। 
বিশদ

29th  June, 2019
অস্থির সময়ে বেঁচে থাকার নতুন দিশা 

একটা অস্থির সময়ের মধ্যে দিয়ে চলেছি। সন্ত্রাস, হত্যা চলছে ধর্মের নামে, জাতের নামে। সৃষ্টি হচ্ছে বিভেদ, অসহিষ্ণুতা। যা দেশ, কাল, সময়ের বৃহত্তর গণ্ডি পেরিয়ে উঁকি দিচ্ছে পরিবারে, সম্পর্কে। মানুষ এখন আত্মকেন্দ্রিক, নিজের ভালো ছাড়া আর কিছু দেখে না।  
বিশদ

29th  June, 2019
আসরে মার খেতে খেতে বেঁচে গিয়েছিলেন 

যাত্রার নায়িকা শর্মিষ্ঠা গঙ্গোপাধ্যায়কে নিয়ে লিখেছেন সন্দীপন বিশ্বাস।

বাবা ছিলেন রানিগঞ্জ কোলিয়ারি এলাকার ডাক্তার। বাবার মতোই ডাক্তার হতে চেয়েছিলেন নমিতা চক্রবর্তী। কিন্তু ঘটনাচক্রে হয়ে গেলেন যাত্রার বিশিষ্ট অভিনেত্রী। মানুষ তাঁকে চেনেন শর্মিষ্ঠা গঙ্গোপাধ্যায় হিসাবে। কোলিয়ারিতে বিভিন্ন যাত্রা দল যায়। 
বিশদ

29th  June, 2019
কালিদাস ও মল্লিকার প্রেমকাহিনী 

অতি সম্প্রতি কালিন্দী নাট্যসৃজন তাদের নবতম প্রযোজনা মোহন রাকেশের ‘আষাঢ়ের প্রথম দিনে’ মঞ্চস্থ করল। প্রসঙ্গত, ঠিক একই সময়ে আরো দুটি নাট্যগোষ্ঠী মোহন রাকেশের অন্য দুটি নাটক মঞ্চস্থ করেছেন।  বিশদ

29th  June, 2019
মেঘনাদ আবার চমকে দিলেন

ভাগীরথীর বুকে জেগে ওঠা এক চর। শহর থেকে অনেকটাই বিচ্ছিন্ন এক গ্রাম। নাম ঈশ্বরীপুর। সেই গ্রামের দূষণহীনতার মধ্যে বেড়ে ওঠে সত্যচরণ আর ধূর্জটিনারায়ণ, দুই বন্ধু। যৌবনের শুরুতেই একই গুরুর কাছে তাঁদের রাজনীতির পাঠ নেওয়া। শিক্ষাগুরু নিত্যানন্দ ছিলেন আদর্শবাদী, ন্যায়পরায়ণ। সত্যবাদিতা যার কাছে একমাত্র সত্য। বিশদ

22nd  June, 2019
জাহান্নামের সমাচার 

আপন সৃষ্টিশীলতায় ওরা ছোটছোট বৃত্ত রচনা করে ঘুরে চলেছে। ‘ওরা’ হল – ইফটা, থিয়েলাইট, যাদবপুর মন্থন, দমদম গোত্রহীন, অশোকনগর নাট্যমুখ এবং দমদম শব্দমুগ্ধ। ছোট ছোট স্বাবলম্বী নাটকের দল। স্বাধীন চিন্তাভাবনা, কল্পনা, সৃষ্টিশীলতাকে নিংড়ে, মেজেঘষে, বিগত দেড় দশক ধরে বাংলার নাট্যমঞ্চকে সমৃদ্ধ করে চলেছে।
বিশদ

22nd  June, 2019
একনজরে
 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ঝড়ের আভাস দেবে, এমন যন্ত্র বসবে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের হরিণঘাটা ক্যাম্পাসে। যার নাম ‘এসটি রেডার’। তবে এই যন্ত্র বসানো এবং এর সঙ্গে যুক্ত প্রকল্পটি নিয়ে নানা প্রশ্ন তুলেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাংশ। ...

 ওয়াশিংটন, ২৩ জুলাই: প্রাক্তন আল-কায়েদা প্রধান ওসামা বিন লাদেনকে খতম করা নিয়ে নতুন দাবি করলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। লাদেন যে পাকিস্তানে ছিল, তার খতমের ...

 মুম্বই, ২৩ জুলাই: জন্মদিনে উপহার ১০১ টাকা। এক গরিব মহিলা শ্রমিকের কাছ থেকে এই উপহার পেয়ে কেঁদে ফেললেন মহারাষ্ট্রে মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ। ওই মহিলার নাম ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্য সরকারের কর্মীরা কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের হারে বেতন পাবেন কি না, এই বিতর্ক প্রায় দু’বছর ধরে অমীমাংসিত রয়েছে। হাইকোর্টে দু’দফায় এবং পরবর্তীকালে স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইব্যুনালে (স্যাট) এর শুনানি হয়। হাইকোর্টের সর্বশেষ রায় অনুযায়ী, এই বিষয়টির চূড়ান্ত ফয়সালা ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ব্যয় বৃদ্ধি পাবে। কর্মক্ষেত্রে কোনও বিরূপ অবস্থার সৃষ্টি হতে পারে। বিদ্যার্থীর শুভ ফল লাভ হবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮০২- ফরাসি লেখক আলেকজান্দার দুমার জন্ম
১৮৭০- সাহিত্যিক কালীপ্রসন্ন সিংহের মৃত্যু
১৮৮৪- ‘হিন্দু পেট্রিয়টে’-র সম্পাদক কৃষ্ণদাস পালের মৃত্যু
১৮৯৮- সাহিত্যিক তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৩৭- অভিনেতা মনোজ কুমারের জন্ম
১৯৪৫- উইপ্রোর কর্ণধার আজিম প্রেমজির জন্ম
১৯৬৯- আমেরিকান অভিনেত্রী ও সঙ্গীতশিল্পী জেনিফার লোপেজের জন্ম
১৯৮০- মহানায়ক উত্তম কুমারের মৃত্যু
২০০৩- অভিনেতা শমিত ভঞ্জের মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.২০ টাকা ৬৯.৮৯ টাকা
পাউন্ড ৮৪.৪০ টাকা ৮৭.৫৪ টাকা
ইউরো ৭৫.৮৭ টাকা ৭৮.৮০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৫,৪২৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৩,৬১০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৪,১১৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪১,১৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪১,২৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৭ শ্রাবণ ১৪২৬, ২৪ জুলাই ২০১৯, বুধবার, সপ্তমী ৩২/২৩ অপঃ ৬/৫। রেবতী ২৬/২৪ দিবা ৩/৪২। সূ উ ৫/৮/৯, অ ৬/১৭/৫৩, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৩ মধ্যে পুনঃ ৯/৩১ গতে ১১/১৭ মধ্যে পুনঃ ৩/৪০ গতে ৫/২৬ মধ্যে। রাত্রি ৭/১ গতে ৯/১১ মধ্যে পুনঃ ১/৩১ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৮/২৫ গতে ১০/৪ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৩ গতে ১/২২ মধ্যে, কালরাত্রি ২/২৬ গতে ৩/৪৭ মধ্যে।
৭ শ্রাবণ ১৪২৬, ২৪ জুলাই ২০১৯, বুধবার, সপ্তমী ২২/২১/১৭ দিবা ২/২/৫৯। রেবতীনক্ষত্র ১৯/৪২/৮ দিবা ১২/৫৯/১৯, সূ উ ৫/৬/২৮, অ ৬/২১/১৮, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৭ মধ্যে ও ৯/৩২ গতে ১১/১৬ মধ্যে ও ৩/৩৫ গতে ৫/১৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৫৫ গতে ৯/৭ মধ্যে ও ১/৩২ গতে ৫/৭ মধ্যে, বারবেলা ১১/৪৩/৫৩ গতে ১/২৩/১৪ মধ্যে, কালবেলা ৮/২৫/১০ গতে ১০/৪/৩২ মধ্যে, কালরাত্রি ১/২৫/১০ গতে ৩/৪৫/৪৯ মধ্যে।
 ২০ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
স্ত্রীকে কুপিয়ে খুনের চেষ্টার অভিযোগ স্বামীর বিরুদ্ধে 
স্ত্রীকে কুপিয়ে খুনের চেষ্টার অভিযোগ উঠল স্বামীর বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ...বিশদ

02:29:06 PM

বেআইনি সিগারেট পাচার চক্রের হদিশ, ১.৬২ কোটি টাকার সামগ্রী উদ্ধার 
শিলিগুড়ি, কলকাতা ও গুয়াহাটিতে অভিযান চালিয়ে মোট ১.৬২ কোটি টাকার ...বিশদ

02:23:29 PM

হেস্টিংস থানা এলাকায় বাসের মধ্যে মহিলা কনস্টেবলকে হেনস্তার অভিযোগ, আটক ১ 

02:23:28 PM

নানুরে বিজেপি কর্মীদের মারধরের অভিযোগ 
দলীয় সভায় যাওয়ায় বিজেপি কর্মীদের মারধরের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বুধবার ...বিশদ

01:41:23 PM

মেদিনীপুরে বিজেপি কর্মীর বাড়িতে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ 
এক বিজেপি কর্মীর বাড়ি ভাঙচুর করে তাতে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার ...বিশদ

01:35:00 PM

মারিশদায় বধূর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার 
এক বধূর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য পূর্ব মেদিনীপুরের ...বিশদ

01:14:37 PM