Bartaman Patrika
রঙ্গভূমি
 

দাশরথী রায়কে গানের জগতে
নিয়ে এলেন অকাবাঈ

কলকাতা যে সময়ে বিদ্যাসুন্দর নিয়ে মেতে উঠেছিল, সেই সময়ে গ্রাম বাংলার বুকে ঝড় তুলেছিল পাঁচালি গান। কত রকম পালাগান হত সেই সব পাঁচালি গানের আসরে। কৃষ্ণগান, মঙ্গলকাব্য থেকে বেহুলার ভাসান, লাউসেনের কাহিনী, রামায়ণের গান, মহাভারতের কথা আরও কত কী! গান, দোহার, কাব্য, কথা ইত্যাদির মধ্য দিয়ে একটা কাহিনীকে তুলে ধরা হতো। সেই সঙ্গে থাকত কবির লড়াইও। থাকত পারস্পরিক আক্রমণও। সেই লড়াইয়ে অনেক সময় হারিয়ে যেত সংস্কৃতিবোধ। চূড়ান্ত অশ্লীল এবং খেউড় গানে দর্শকদের আনন্দ-হুল্লোড়ে হারিয়ে যেত গানের মান। প্রথমদিকে বিনোদনের ভিতরে বোদ্ধা ভাব তেমন ছিল না। সবটাই রসের ভিয়েন। তাই এই কলকাতা শহর সেভাবে টানেনি পাঁচালি গানকে।
এই গানের ধারায় শ্রেষ্ঠ শিল্পী হিসাবে আমরা পাই দাশরথী রায়কে। তাঁর গানই দাশরথী রায়ের পাঁচালি বা দাশু রায়ের পাঁচালি নামে খ্যাত। দাশরথীর আগে আমরা এই গানের ধারায় পেয়েছিলাম গঙ্গানারায়ণ নস্কর এবং লক্ষ্মীকান্ত বিশ্বাসকে। গঙ্গানারায়ণের বাড়ি ছিল শোভাবাজারে। একবার শোভাবাজার রাজবাড়িতে তিনি পাঁচালিগান গেয়েছিলেন। সেবার বাগবাজারের পক্ষীর দলের সঙ্গে তাঁর গানের লড়াই হয়েছিল এবং সেই আসরে গঙ্গানারায়ণ জয়ী হয়েছিলেন। তবে জানা গিয়েছে গঙ্গানারায়ণ গান বাঁধতেন না। তিনি ছিলেন গাওনদার। বরং লক্ষ্মীকান্ত বিশ্বাস নিজে গান রচনা করতেন। তাঁর গানে বেশ মজা ছিল। ছিল নানা ধরনের হাস্যকৌতুকের উপকরণ। আবার এই ধারায় পাওয়া যায় ঠাকুরদাস দত্তের নামও। । ইনি সেই ঠাকুরদাস, যিনি একসঙ্গে চারটি পৃথক বিদ্যাসুন্দর লিখেছিলেন। পাঁচালি গানেও তাঁর উপস্থিতি নজরে পড়ে। তবে এই ধারায় একচ্ছত্র নায়ক ছিলেন দাশরথী রায়।
দাশরথী ছিলেন খুবই উচ্চবর্ণের এবং বড় বংশের ছেলে। সেখান থেকে একসময় যেন তাঁর জীবনটা হারিয়ে যাচ্ছিল কোনও এক কানা নদীর বাঁকে। সে এক অপমানের এবং দগ্ধ সময়ের উপকথা। তাঁর জন্ম ১৮০৬ খ্রিস্টাব্দের এদিক ওদিক হবে। কাটোয়ার কাছে বাঁধমুড়ায় তাঁর বাড়ি। ছেলেবেলায় পড়াশোনায় তাঁর মন বসত না। তেমন পড়াশোনাও শেখেননি। তবে মুখে মুখে ছড়া, পদ্য তৈরি করতে পারতেন। ছেলেবেলায় পাঠশালায় পড়া না পারায় গুরুমশায় দিলেন কয়েক ঘা বেতের বাড়ি। সেই বেত খাওয়ার দুঃখে তিনি বলে উঠেছিলেন, ‘দয়া কর গুরু মহাশয় মোর পানে, / অত প্রহারে বুঝি বাঁচিব না প্রাণে।’ কিছুটা সংস্কৃত এবং কিছুটা ইংরেজি শিখতে পেরেছিলেন মাত্র। কিন্তু পাঁচালি গান রচনার ক্ষেত্রে তিনি যে পারদর্শিতা দেখিয়েছিলেন, তাতে বোঝা যায়, পুঁথি এবং শাস্ত্র সম্পর্কে তাঁর জ্ঞান ছিল যথেষ্ট। কিছুটা ইংরেজি জানার জন্য প্রথম জীবনে তিনি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির রেশম কুঠিতে চাকরি পেয়েছিলেন। কিন্তু সেই চাকরি তাঁর ভালো লাগত না। তাঁর মন তখন শুধু ছড়া, কবিতা আর গান বাঁধে। বাল্য ও যৌবনের অনেকটা সময় তিনি ছিলেন পীলা নামক গ্রামে। সেখানে ছিল তাঁর মামা রামজীবন চক্রবর্তীর বাড়ি। এই পীলা গ্রামই ছিল তাঁর খ্যাতি-অখ্যাতির পীঠস্থান। সেখানে এক কবি ছিলেন। তাঁর নাম নীলকণ্ঠ হালদার। তাঁর পালাগানে তিনি অকথা কুকথা ব্যবহার করে মানুষের বিনোদনের খোরাক জোগাতেন। সে গান শুনে প্রশ্ন জাগল দাশরথীর মনে। এই কী তবে আদর্শ গানের নমুনা! তাঁর মনই বলল, হতে পারে না। এ গান কখনও মানুষের মনে চিরস্থায়ী হতে পারে না। ভালো গান লেখা দরকার। মানুষের মনে যে গান অনেকদিন থাকবে। লোকে সে গান শুনে বলবে, এই হল দাশরথী রায়ের পাঁচালি।
ভাবলেন এক, আর জীবন তাঁকে নিয়ে গেল অন্য এক ধারায়। সেই গ্রামেই ছিল ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির রেশমকুঠি। সেখানে অনেক মেয়েই কাজ করত। এই সব মেয়ে মূলত সমাজের নিম্নশ্রেণীর থেকে আসত। সকালে তারা কাজ করত রেশমকুঠিতে আর রাতে তারা দেহ ব্যবসা করত। এইরকমই একটি মেয়ের নাম ছিল অক্ষয়া বাইতিনী। লোকে তাঁকে বলত অকাবাঈ। বাইতিনী পদবী শুনে মনে করা হয় অক্ষয়া ছিলেন চর্মকার শ্রেণীভুক্ত কোনও পরিবারের মেয়ে। অক্ষয়া ছিলেন স্বামীপরিত্যক্তা। দাশরথী রায়ের জীবনীকার চন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় অকাবাঈয়ের রূপ নিয়ে অনেক শব্দ খরচ করে গিয়েছেন। তার থেকে একটি অংশ উদ্ধৃত করা যেতে পারে। ‘কৃষ্ণকলেবরে চাকচিক্যের অভাব ছিল না।’ তার গানের গলাও ছিল বেশ ভালো। তাই বেশ কিছু দলে অকাবাঈ কবির গান করতেন। অকাবাঈয়ের সঙ্গে পরিচয় হল দাশরথীর। অকাবাঈয়ের গান শুনে তিনি মুগ্ধ হলেন। মুগ্ধ হলেন তাঁর রূপেও। অকার ডাকে দাশরথী ঢুকে গেলেন কবির দলে। তাঁর কাজ হল গাওনদারদের তাৎক্ষণিক কথার জোগান দেওয়া। আসরে গায়ক যখন ঘুরে ঘুরে গান করতেন, তখন বাঁধনদার হয়ে তার পাশে পাশে ঘুরে গানের কথা তৈরি করে তাঁকে বলতে হত। সেই কথা শুনে সঙ্গে সঙ্গে সুরারোপ করে গায়ক গাইতেন।
কবিগানের নেশায় যখন দাশরথী সৃষ্টির আনন্দ সাগরে ভাসছেন, যখন অকাবাঈয়ের সংস্পর্শ তাঁর কাছে জীবনের এক অনিবার্য সম্পদ বলে মনে হচ্ছে। এনিয়ে তখন চারিদিক থেকে নানা গঞ্জনা এবং অকথা কুকথা শুরু হয়ে গেল। সে ছিল তাঁর লজ্জা, তাঁর অপমান। সবাই বলতে লাগল, ‘বড় ঘরের ছেলে এতটাই রূপোন্মাদ হয়ে গেল যে, তার আর ভালোমন্দ বোধ রইল না। একটা ছোটলোক মেয়ের সঙ্গে এমন ঢলাঢলি! ছি, ছি ছি!’ শুধু সমাজ নয়, তাঁর পরিবার থেকেও তিনি বিতাড়িত হলেন। যেটুকু যন্ত্রণা মনের মধ্যে জমত, তা দূর হয়ে যেত অকাবাঈয়ের সঙ্গে কথা বললে। সমাজ তো শুধু দাশু রায়কেই দোষারোপ করত না। কুকথায় বিদ্ধ হতেন অকাবাঈও। একদিন অকাবাঈ তাঁকে বললেন, ‘রায়, তুমি ফিরে যাও। আমার জন্য এত কলঙ্ক তুমি মেখো না। তোমার কলঙ্ক তো আমার পাপ থেকেই।’
দাশরথী বললেন, ‘আমাকে ছেড়ে অকা তুই বাঁচতে পারবি?’
অকা বললেন, জানি রায় সে খুব কষ্টের। কিন্তু আমাকে পারতেই হবে। তোমাকে ভালবাসি কিনা।’
দাশরথী বললেন, ‘আমি গেলে তুই কী করে বাঁচবি অকা?’
অকা বললেন, ‘আমার কথা ভেবো না রায়। আমি ভিক্ষে করে বাঁচব। আমার জীবনের শেষদিন পর্যন্ত তুমি আমারই থাকবে। কিন্তু তোমার এমন দশা আমি সহ্য করতে পারব না। তুমি অনেক বড় কবি হবে রায়। কিন্তু আমার কাছে থাকলে তুমি সব হারাবে। যাও রায়। তোমার সামনে অনেক বড় কাজ।’
দাশরথী বললেন, ‘তোকে আমি বাঁধমুড়ায় নিয়ে যাব অকা।’
অকা বললেন, ‘সে হয় না রায়, আমার এ মুখ তোমার বাড়ির লোকেদের কি আমি দেখাতে পারি!’
দাশরথী চুপ করে থাকেন। কোন কথা বলতে পারেন না। একটু পরে তিনি গান ধরলেন, ‘দোষ কারো নয় গো মা , আমি স্বখাত সলিলে ডুবে মরি শ্যামা...’
চোখের জলে ভাসেন অকা। দাশু রায়ও ব্যথায় কাতর হয়ে ওঠেন। অন্ধকার রাত্রি আরও অন্ধকারে ডুবল দুটি ব্যথিত প্রাণের অস্ফুট কান্নায়।
20th  April, 2019
নকশাল আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে মনোগ্রাহী প্রযোজনা 

গত ১৭ই এপ্রিল গিরিশ মঞ্চে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল গড়িয়া কৃষ্টি প্রযোজিত নাটক ‘কালপুরুষ’। সাতের দশকের বামপন্থী আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত সমরেশ মজুমদারের কাহিনী অবলম্বনে এই নাটক।  বিশদ

18th  May, 2019
রহস্য, রোমাঞ্চ, উত্তেজনায় টানটান নাটক
 

ঝিনুকের জন্মদিনে সকলেই এসেছে। নাচ,গান পার্টি সবই হচ্ছে। তবুও ঝিনুকের মন পড়ে আছে তাঁর বাবার পথের দিকে।আজ কী উপহার আনবে তার বাবা? সকলের যখন চলে যাওয়ার সময় তখন তার বাবা, দিগন্ত পত্রনবিশ ঝিনুকের জন্য ইয়া বড় এক বাঘ নিয়ে ঢুকলেন। ঝিনুকের সে কী আনন্দ বাঘ পেয়ে!  বিশদ

18th  May, 2019
শান্তিগোপাল
হাততালির পিছনে এক যন্ত্রণার জীবন 

অভিনয়ের তাগিদে যাত্রায় এলেও শুরুটা কিন্তু একেবারেই ভালো হল না তাঁর। যাত্রায় হাতেখড়ি রয়েল বীণাপাণি অপেরায় হলেও বীরেন্দ্রনাথ পালের অভিনয়ের হাতেখড়ি আরও অনেক আগেই। যদিও এ নামে তিনি বিখ্যাত নন।   বিশদ

18th  May, 2019
আমি চপল ভাদুড়ী
না চপলরানি!

একসময় নারী চরিত্রে পুরুষদের অভিনয় করাটাই ছিল রেওয়াজ। সেই যুগের শেষ জীবিত প্রতিনিধি চপল ভাদুড়ীর সঙ্গে কথা বললেন সঞ্জীব বসু। বিশদ

04th  May, 2019
যাত্রাসম্রাজ্ঞী জ্যোৎস্না দত্ত

 মান্না দে বললেন, জ্যোৎস্না তুমি হারমোনিয়ামকেও হারিয়ে দিয়েছ...। জ্যোৎস্না দত্তকে নিয়ে লিখেছেন সন্দীপন বিশ্বাস। বিশদ

04th  May, 2019
হাল্কাচালের হাসির নাটক

গত ১৯শে মার্চ বেহালার শরৎ সদনে অনুষ্ঠিত হল ‘ক্রিয়েটিভ বেহালা’ অয়োজিত নাটক ‘সোনার মাদুলি’। নাটকটি রচনা করেছেন বিমল বন্দোপাধ্যায়। পরিচালনায় সুদীপ বন্দোপাধ্যায়। সুদীপ ব্যানার্জী ক্রিয়েশনের সহযোগিতায় বেহালার এই দলটি আগামীদিনে নাট্য জগতে বিশেষভাবে এগিয়ে আসছে।
বিশদ

04th  May, 2019
ঐহিকের নাট্য আসর

গতবারের মতো এবারেও ‘ঐহিক সৃষ্টি সুখের উল্লাসী’ আয়োজন করেছিল সারাদিনব্যাপী এক নাটকের আসরের। যার শিরোনাম ‘বাংলার নটনটী—অভিনয়ের অঙ্গনে নটনটীর দক্ষতা’। তপন থিয়েটারে ৩ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয় এই নাট্য আসর।
বিশদ

04th  May, 2019
আজও প্রাসঙ্গিক বিসর্জন

আজ আর কোনও দেশের সঙ্গে কোনও দেশ সরাসরি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে না। এখন হয় যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা, যার গালভারি নাম ছায়া যুদ্ধ। যুদ্ধ হচ্ছে না অথচ যুদ্ধের প্রস্তুতি চলছে সব দেশেই। কেনা হচ্ছে অস্ত্রশস্ত্রের সম্ভার। বাড়ছে সামরিক খাতে ব্যয় বরাদ্দ। তাছাড়া রয়েছে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ।
বিশদ

04th  May, 2019
বহুরূপীর নাট্যোৎসব 

বাংলার সবথেকে পুরনো নাট্যদল বহুরূপী ৭১ বছর পূর্ণ করল। আগামী ১ মে তারা ৭২ বছরে পদার্পণ করবে। এই উপলক্ষে প্রতিবছরের মতো এবারেও অ্যাকাডেমি অব ফাইন আর্টসের মঞ্চে তারা আয়োজন করেছে নাট্যোৎসবের। উৎসবের শুরু ৩০ এপ্রিল। চলবে ২ মে পর্যন্ত। 
বিশদ

27th  April, 2019
শৌভনিক ৬৩ 

আগামী ১ মে ৬৩ বছরে পা দিতে চলেছে শৌভনিক নাট্যদল। বিগত ৬২ বছরে বহু স্বল্পদৈর্ঘ্য ও পূর্ণাঙ্গ নাটক প্রযোজনা করেছে শৌভনিক। যার মধ্যে অধিকাংশই মঞ্চসফল। শুধু নাট্য প্রযোজনাই নয়।  
বিশদ

27th  April, 2019
দেখতে ভালো লাগে অভিনয় ও কোরিওগ্রাফির জন্য 

সম্প্রতি ‘তৃপ্তি মিত্র নাট্যগৃহে’ এক অন্তরঙ্গ নাট্য উৎসবের আয়োজন করে ছিল ‘সিমলা এ-বং পজিটিভ’ নাট্যদল। প্রথমেই তাদের উপস্থাপনা ছিল, বাংলাদেশের কবি কালপুরুষের ‘ঈশ্বর ও তুমি’ কবিতার নাট্যরূপ।
বিশদ

27th  April, 2019
মঞ্চে মার্ক টোয়েনের কথা 

শুধুমাত্র উপস্থাপনার গুণে কীভাবে নিছক কিছু কথা, বর্ণনা আর সংলাপক্ষেপণ শরীরীভাষার সঙ্গে মিলেমিশে দর্শককে নাটক দেখার আনন্দ দেয় তা বোঝা গেল বিনয় শর্মার অভিনয় দেখে। সম্প্রতি পদাতিকের নিজস্ব মঞ্চে অভিনীত হল ‘মার্ক টোয়েন-লাইভ ইন বোম্বে’। 
বিশদ

27th  April, 2019
আটেশ্বরতলার নাট্যোৎসব
যথার্থই মানুষের উৎসব 

নাট্যোৎসব তো কতই হয়। কিন্তু সেটা সত্যি সত্যি উৎসবের চেহারা নেয় ক’টা জায়গায়? বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তো নিমন্ত্রিত বিশিষ্ট অতিথিদের সমাগমে প্রেক্ষাগৃহ ভরে ওঠে। সাধারণ মানুষের স্বতস্ফূর্ত অংশগ্রহণ দেখা যায় ক’টা ক্ষেত্রে? একসময় কয়েকটা ক্ষেত্রে হলেও এখন বোধহয় একটি ক্ষেত্রেও তা চোখে পড়ে না।  
বিশদ

27th  April, 2019
গানের আসরেই অসুস্থ হয়ে পড়ে গেলেন দাশু রায় 

অকাবাঈয়ের দলে যে গান দাশরথী বাঁধতেন, তা খুব উচ্চমানের ছিল না। কেননা তার শ্রোতারা ছিলেন যথেষ্ট নিম্নরুচি সম্পন্ন। তাই দাশরথী রায় তৃপ্তি পাচ্ছিলেন না। শুধু অকাবাঈকে ভালোবেসে তিনি পড়েছিলেন সেই দলে। অকাবাঈয়ের সংসর্গ কাটানোর জন্য তাঁর মামা অন্যত্র একটা চাকরির ব্যবস্থা করে দিলেন।  
বিশদ

27th  April, 2019
একনজরে
বাংলা নিউজ এজেন্সি: মাধ্যমিকে সম্ভাব্য মেধা তালিকায় পূর্ব বর্ধমান জেলার চারজন এবং পশ্চিম বর্ধমানের এক পড়ুয়া জায়গা করে নিল। বর্ধমান বিদ্যার্থীভবন বালিকা বিদ্যালয়ের ছাত্র সাহিত্যিকা ...

বিএনএ, চুঁচুড়া: ভাড়াবাড়ির বাথরুম থেকে বুবাই ঘোষ (৩৬) নামে এক যুবকের গলার নলিকাটা দেহ উদ্ধার করল পুলিস। বাড়ির মালিকের কাছ থেকে খবর পেয়ে সোমবার রাতে ...

 ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...

সংবাদদাতা, কালনা: ৭ জুন আমেরিকার ক্যাটালিনা চ্যানেল জয়ের লক্ষ্যে ২৬ মে পাড়ি দিচ্ছেন কালনা শহরের বাসিন্দা ইংলিশ চ্যানেল জয়ী সাতারু সায়নী দাস। তাঁকে উৎসাহ দানে কালনা অ্যামেচার সুইমিং অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে মঙ্গলবার এক শুভেচ্ছা জ্ঞাপন অনুষ্ঠান হল কালনা পুরশ্রী মঞ্চে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

গোপন প্রেম, গোপন থাকবে না। ব্যবসায়ীদের জন্য সময়টি ভালো, বয়স্করা একটু সাবধানী হবেন। ঠান্ডা লাগা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৫৪৫: সম্রাট শেরশাহের মৃত্যু
১৭৭২: রাজা রামমোহন রায়ের জন্ম
১৮৫৯: গোয়েন্দা শার্লক হোমসের স্রস্টা স্টটিশ সাহিত্যিক আর্থার কোনান ডয়েলের জন্ম
১৮৮৫: ফরাসি সাহিত্যিক ভিক্টর হুগোর মৃত্যু
১৯৪০: ক্রিকেটার এরাপল্লি প্রসন্নর জন্ম
১৯৪৬: আইরিশ ফুটবলার জর্জ বেস্টের জন্ম
২০০৪: ১৭তম প্রধানমন্ত্রী হিসাবে ডঃ মনমোহন সিংয়ের শপথ গ্রহণ

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.৯২ টাকা ৭০.৬১ টাকা
পাউন্ড ৮৭.১৮ টাকা ৯০.৩৮ টাকা
ইউরো ৭৬.৫০ টাকা ৭৯.৪৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,০৯৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০,৪৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩০,৯০৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৬,২৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৬,৩৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২২ মে ২০১৯, বুধবার, চতুর্থী ৫৮/১৮ রাত্রি ২/৪১। পূর্বাষাঢ়া অহোরাত্র। সূ উ ৪/৫৭/৫৩, অ ৬/৮/৩০, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৭ গতে ১১/৭ মধ্যে পুনঃ ১/৪৪ গতে ৫/১৫ মধ্যে। রাত্রি ৯/৪৫ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৫ গতে ১/২১ মধ্যে, বারবেলা ৮/১৬ গতে ৯/৫৪ মধ্যে পুনঃ ১১/৩৩ গতে ১/১২ মধ্যে, কালরাত্রি ২/১৫ গতে ৩/৩৭ মধ্যে।
৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২২ মে ২০১৯, বুধবার, চতুর্থী ৫৪/৪৯/৫ রাত্রি ২/৫২/৫৯। পূর্বাষা‌ঢ়ানক্ষত্র ৬০/০/০ অহোরাত্র, সূ উ ৪/৫৭/২১, অ ৬/১০/৪১, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৬ গতে ১১/১০ মধ্যে ও ১/৫০ গতে ৫/২৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/৫০ মধ্যে ও ১১/৫৮ গতে ১/২২ মধ্যে, বারবেলা ১১/৩৪/১ গতে ১/১৩/১১ মধ্যে, কালবেলা ৮/১৫/৪১ গতে ৯/৫৪/৫১ মধ্যে, কালরাত্রি ২/১৫/৪১ গতে ৩/৩৬/৩১ মধ্যে।
১৬ রমজান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ঘেরাও মুক্ত হলেন বিশ্বভারতীর উপাচার্য 

04:21:49 PM

১৪০ পয়েন্ট উঠল সেনসেক্স 

03:52:18 PM

ধূপগুড়ির বিএমওএইচ-এর বিরুদ্ধে এফআইআর করার অভিযোগে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হল স্বাস্থ্য দপ্তরের এক চুক্তিভিত্তিক কর্মীকে 

03:03:00 PM

জম্মু ও কাশ্মীরের পুঞ্চে আইইডি বিস্ফোরণ, শহিদ ১ জওয়ান, জখম ৭ 

01:31:14 PM

২১ ঘণ্টা ধরে অবরুদ্ধ বিশ্বভারতীর উপাচার্য এবং অধ্যাপকরা 
ফি বৃদ্ধির প্রতিবাদে ছাত্র আন্দোলনে জেরে ২১ ঘণ্টা ধরে অবরুদ্ধ ...বিশদ

01:27:28 PM

বর্ধমানের শাঁখারিপুকুর এলাকায় গাড়ি-লরির মুখোমুখি সংঘর্ষ, মৃত ২ 

01:23:08 PM