Bartaman Patrika
রঙ্গভূমি
 

দাশরথী রায়কে গানের জগতে
নিয়ে এলেন অকাবাঈ

কলকাতা যে সময়ে বিদ্যাসুন্দর নিয়ে মেতে উঠেছিল, সেই সময়ে গ্রাম বাংলার বুকে ঝড় তুলেছিল পাঁচালি গান। কত রকম পালাগান হত সেই সব পাঁচালি গানের আসরে। কৃষ্ণগান, মঙ্গলকাব্য থেকে বেহুলার ভাসান, লাউসেনের কাহিনী, রামায়ণের গান, মহাভারতের কথা আরও কত কী! গান, দোহার, কাব্য, কথা ইত্যাদির মধ্য দিয়ে একটা কাহিনীকে তুলে ধরা হতো। সেই সঙ্গে থাকত কবির লড়াইও। থাকত পারস্পরিক আক্রমণও। সেই লড়াইয়ে অনেক সময় হারিয়ে যেত সংস্কৃতিবোধ। চূড়ান্ত অশ্লীল এবং খেউড় গানে দর্শকদের আনন্দ-হুল্লোড়ে হারিয়ে যেত গানের মান। প্রথমদিকে বিনোদনের ভিতরে বোদ্ধা ভাব তেমন ছিল না। সবটাই রসের ভিয়েন। তাই এই কলকাতা শহর সেভাবে টানেনি পাঁচালি গানকে।
এই গানের ধারায় শ্রেষ্ঠ শিল্পী হিসাবে আমরা পাই দাশরথী রায়কে। তাঁর গানই দাশরথী রায়ের পাঁচালি বা দাশু রায়ের পাঁচালি নামে খ্যাত। দাশরথীর আগে আমরা এই গানের ধারায় পেয়েছিলাম গঙ্গানারায়ণ নস্কর এবং লক্ষ্মীকান্ত বিশ্বাসকে। গঙ্গানারায়ণের বাড়ি ছিল শোভাবাজারে। একবার শোভাবাজার রাজবাড়িতে তিনি পাঁচালিগান গেয়েছিলেন। সেবার বাগবাজারের পক্ষীর দলের সঙ্গে তাঁর গানের লড়াই হয়েছিল এবং সেই আসরে গঙ্গানারায়ণ জয়ী হয়েছিলেন। তবে জানা গিয়েছে গঙ্গানারায়ণ গান বাঁধতেন না। তিনি ছিলেন গাওনদার। বরং লক্ষ্মীকান্ত বিশ্বাস নিজে গান রচনা করতেন। তাঁর গানে বেশ মজা ছিল। ছিল নানা ধরনের হাস্যকৌতুকের উপকরণ। আবার এই ধারায় পাওয়া যায় ঠাকুরদাস দত্তের নামও। । ইনি সেই ঠাকুরদাস, যিনি একসঙ্গে চারটি পৃথক বিদ্যাসুন্দর লিখেছিলেন। পাঁচালি গানেও তাঁর উপস্থিতি নজরে পড়ে। তবে এই ধারায় একচ্ছত্র নায়ক ছিলেন দাশরথী রায়।
দাশরথী ছিলেন খুবই উচ্চবর্ণের এবং বড় বংশের ছেলে। সেখান থেকে একসময় যেন তাঁর জীবনটা হারিয়ে যাচ্ছিল কোনও এক কানা নদীর বাঁকে। সে এক অপমানের এবং দগ্ধ সময়ের উপকথা। তাঁর জন্ম ১৮০৬ খ্রিস্টাব্দের এদিক ওদিক হবে। কাটোয়ার কাছে বাঁধমুড়ায় তাঁর বাড়ি। ছেলেবেলায় পড়াশোনায় তাঁর মন বসত না। তেমন পড়াশোনাও শেখেননি। তবে মুখে মুখে ছড়া, পদ্য তৈরি করতে পারতেন। ছেলেবেলায় পাঠশালায় পড়া না পারায় গুরুমশায় দিলেন কয়েক ঘা বেতের বাড়ি। সেই বেত খাওয়ার দুঃখে তিনি বলে উঠেছিলেন, ‘দয়া কর গুরু মহাশয় মোর পানে, / অত প্রহারে বুঝি বাঁচিব না প্রাণে।’ কিছুটা সংস্কৃত এবং কিছুটা ইংরেজি শিখতে পেরেছিলেন মাত্র। কিন্তু পাঁচালি গান রচনার ক্ষেত্রে তিনি যে পারদর্শিতা দেখিয়েছিলেন, তাতে বোঝা যায়, পুঁথি এবং শাস্ত্র সম্পর্কে তাঁর জ্ঞান ছিল যথেষ্ট। কিছুটা ইংরেজি জানার জন্য প্রথম জীবনে তিনি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির রেশম কুঠিতে চাকরি পেয়েছিলেন। কিন্তু সেই চাকরি তাঁর ভালো লাগত না। তাঁর মন তখন শুধু ছড়া, কবিতা আর গান বাঁধে। বাল্য ও যৌবনের অনেকটা সময় তিনি ছিলেন পীলা নামক গ্রামে। সেখানে ছিল তাঁর মামা রামজীবন চক্রবর্তীর বাড়ি। এই পীলা গ্রামই ছিল তাঁর খ্যাতি-অখ্যাতির পীঠস্থান। সেখানে এক কবি ছিলেন। তাঁর নাম নীলকণ্ঠ হালদার। তাঁর পালাগানে তিনি অকথা কুকথা ব্যবহার করে মানুষের বিনোদনের খোরাক জোগাতেন। সে গান শুনে প্রশ্ন জাগল দাশরথীর মনে। এই কী তবে আদর্শ গানের নমুনা! তাঁর মনই বলল, হতে পারে না। এ গান কখনও মানুষের মনে চিরস্থায়ী হতে পারে না। ভালো গান লেখা দরকার। মানুষের মনে যে গান অনেকদিন থাকবে। লোকে সে গান শুনে বলবে, এই হল দাশরথী রায়ের পাঁচালি।
ভাবলেন এক, আর জীবন তাঁকে নিয়ে গেল অন্য এক ধারায়। সেই গ্রামেই ছিল ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির রেশমকুঠি। সেখানে অনেক মেয়েই কাজ করত। এই সব মেয়ে মূলত সমাজের নিম্নশ্রেণীর থেকে আসত। সকালে তারা কাজ করত রেশমকুঠিতে আর রাতে তারা দেহ ব্যবসা করত। এইরকমই একটি মেয়ের নাম ছিল অক্ষয়া বাইতিনী। লোকে তাঁকে বলত অকাবাঈ। বাইতিনী পদবী শুনে মনে করা হয় অক্ষয়া ছিলেন চর্মকার শ্রেণীভুক্ত কোনও পরিবারের মেয়ে। অক্ষয়া ছিলেন স্বামীপরিত্যক্তা। দাশরথী রায়ের জীবনীকার চন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় অকাবাঈয়ের রূপ নিয়ে অনেক শব্দ খরচ করে গিয়েছেন। তার থেকে একটি অংশ উদ্ধৃত করা যেতে পারে। ‘কৃষ্ণকলেবরে চাকচিক্যের অভাব ছিল না।’ তার গানের গলাও ছিল বেশ ভালো। তাই বেশ কিছু দলে অকাবাঈ কবির গান করতেন। অকাবাঈয়ের সঙ্গে পরিচয় হল দাশরথীর। অকাবাঈয়ের গান শুনে তিনি মুগ্ধ হলেন। মুগ্ধ হলেন তাঁর রূপেও। অকার ডাকে দাশরথী ঢুকে গেলেন কবির দলে। তাঁর কাজ হল গাওনদারদের তাৎক্ষণিক কথার জোগান দেওয়া। আসরে গায়ক যখন ঘুরে ঘুরে গান করতেন, তখন বাঁধনদার হয়ে তার পাশে পাশে ঘুরে গানের কথা তৈরি করে তাঁকে বলতে হত। সেই কথা শুনে সঙ্গে সঙ্গে সুরারোপ করে গায়ক গাইতেন।
কবিগানের নেশায় যখন দাশরথী সৃষ্টির আনন্দ সাগরে ভাসছেন, যখন অকাবাঈয়ের সংস্পর্শ তাঁর কাছে জীবনের এক অনিবার্য সম্পদ বলে মনে হচ্ছে। এনিয়ে তখন চারিদিক থেকে নানা গঞ্জনা এবং অকথা কুকথা শুরু হয়ে গেল। সে ছিল তাঁর লজ্জা, তাঁর অপমান। সবাই বলতে লাগল, ‘বড় ঘরের ছেলে এতটাই রূপোন্মাদ হয়ে গেল যে, তার আর ভালোমন্দ বোধ রইল না। একটা ছোটলোক মেয়ের সঙ্গে এমন ঢলাঢলি! ছি, ছি ছি!’ শুধু সমাজ নয়, তাঁর পরিবার থেকেও তিনি বিতাড়িত হলেন। যেটুকু যন্ত্রণা মনের মধ্যে জমত, তা দূর হয়ে যেত অকাবাঈয়ের সঙ্গে কথা বললে। সমাজ তো শুধু দাশু রায়কেই দোষারোপ করত না। কুকথায় বিদ্ধ হতেন অকাবাঈও। একদিন অকাবাঈ তাঁকে বললেন, ‘রায়, তুমি ফিরে যাও। আমার জন্য এত কলঙ্ক তুমি মেখো না। তোমার কলঙ্ক তো আমার পাপ থেকেই।’
দাশরথী বললেন, ‘আমাকে ছেড়ে অকা তুই বাঁচতে পারবি?’
অকা বললেন, জানি রায় সে খুব কষ্টের। কিন্তু আমাকে পারতেই হবে। তোমাকে ভালবাসি কিনা।’
দাশরথী বললেন, ‘আমি গেলে তুই কী করে বাঁচবি অকা?’
অকা বললেন, ‘আমার কথা ভেবো না রায়। আমি ভিক্ষে করে বাঁচব। আমার জীবনের শেষদিন পর্যন্ত তুমি আমারই থাকবে। কিন্তু তোমার এমন দশা আমি সহ্য করতে পারব না। তুমি অনেক বড় কবি হবে রায়। কিন্তু আমার কাছে থাকলে তুমি সব হারাবে। যাও রায়। তোমার সামনে অনেক বড় কাজ।’
দাশরথী বললেন, ‘তোকে আমি বাঁধমুড়ায় নিয়ে যাব অকা।’
অকা বললেন, ‘সে হয় না রায়, আমার এ মুখ তোমার বাড়ির লোকেদের কি আমি দেখাতে পারি!’
দাশরথী চুপ করে থাকেন। কোন কথা বলতে পারেন না। একটু পরে তিনি গান ধরলেন, ‘দোষ কারো নয় গো মা , আমি স্বখাত সলিলে ডুবে মরি শ্যামা...’
চোখের জলে ভাসেন অকা। দাশু রায়ও ব্যথায় কাতর হয়ে ওঠেন। অন্ধকার রাত্রি আরও অন্ধকারে ডুবল দুটি ব্যথিত প্রাণের অস্ফুট কান্নায়।
20th  April, 2019
 যাত্রায় এনেছিলেন নতুন যুগের হাওয়া
সন্দীপন বিশ্বাস

১৯৬৮ সাল। নানা পরিস্থিতিতে তখন অস্থির তাঁর জীবন। নিজের দল এলটিজি থেকে তখন তিনি বিতাড়িত। আগের বছরেই তাঁকে রাজনৈতিক কারণে জেলে যেতে হয়েছিল। চারিদিকের চেনা মানুষগুলি কেমন যেন অচেনা হয়ে উঠেছিল। তাঁর নাটক করার জায়গাটা তখন প্রায় বন্ধই হয়ে গিয়েছে। কিন্তু তিনি থেমে থাকার পাত্র নন।
বিশদ

13th  July, 2019
 হত্যাকারী কে?

  গত ১৫ই মে সুজাতা সদনে অনুষ্ঠিত হল বেহালা বাতায়ন নিবেদিত নাটক ‘হত্যাকারী’। নাটকটি লিখেছেন বৈদ্যনাথ মুখোপাধ্যায়। নির্দেশনা দিয়েছেন নবকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়। একটি বধুহত্যাকে কেন্দ্র করে এই নাটকের ঘটনাচক্র আবর্তিত হয়। একাঙ্ক নাটকটি পুরোটাই অধ্যাপক নরেন পালের বৈঠকখানায়।
বিশদ

13th  July, 2019
 সন্ত কবীরের কথা আজকের দিনে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক

 জাতপাত ও ধর্মের বৈষম্য, নিচু শ্রেণীর দলিত সম্প্রদায়ের লোকদের ওপর উচ্চবর্ণের মানুষের অত্যাচারের মতো ঘৃণ্য বিদ্বেষভাব আজও সমাজকে আষ্টে-পৃষ্ঠে বেঁধে রেখেছে। সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে কিছু কিছু উন্নতি হলেও মানুষের দৃষ্টিভঙ্গির তেমন কোনও পরিবর্তন হয়নি। অথচ সমাজে সকলের সমানভাবে বেঁচে থাকার অধিকার সংবিধান স্বীকৃত।
বিশদ

13th  July, 2019
প্রজ্ঞা কালচারাল সেন্টারের দুটি নাটক

 সম্প্রতি আইসিসিআর অডিটোরিয়ামে একদিনের নাট্যোৎসবে প্রজ্ঞা মঞ্চস্থ করল দুটি নাটক, ‘নাইন মাইলস টু গো’ এবং ‘পতি গয়ে রে কাটিয়াহার’। দুটি নাটকে দুটি ভিন্ন ধরনের বার্তা দেওয়া হয়েছে, যেগুলি সর্বকালের ও সময়ের জন্য খুবই অর্থবহ ও প্রাসঙ্গিক।
বিশদ

06th  July, 2019
 রাজনৈতিক অস্থিরতার দুটি দলিল

সমগ্র দেশ তো বটেই, এই রাজ্যেরও রাজনৈতিক অবস্থা ভয়াবহ। অত্যন্ত উত্তপ্ত। এখন রাজনীতি, মানেই দুর্নীতি, মিথ্যাচার, অপসংস্কৃতি, বিদ্বেষ আর আত্মসম্মানকে বিসর্জন দেওয়া এক মাদারির খেল। আর এই খেলা চলছে দু’টি দলকে কেন্দ্র করে। সাধারণ মানুষ আর রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে। এই নেতারা বহুরূপী।
বিশদ

06th  July, 2019
আধুনিক প্রজন্মের আকাশছোঁয়ার চাহিদাই ডেকে আনছে অনর্থ

 বিশ্বায়নের ফলে পৃথিবীটা এখন হাতের মুঠোয় এসে গেছে। মানুষের কাছে এখন সবকিছুই খুব সহজলভ্য হয়েছে। অর্থনৈতিক পরিকাঠামো, সামাজিক পরিস্থিতির চাপে যৌথ পরিবার ভেঙে তৈরি হয়েছে ছোট ছোট পরিবার বা নিউক্লিয়ার ফ্যামিলি। যেখানে রোজগেরে স্বামী-স্ত্রী আর তাদের সন্তান নিয়েই তৈরি হয় একটি পরিবার।
বিশদ

06th  July, 2019
 কার্টেন কলের আন্তর্জাতিক নাট্যোৎসব

সম্প্রতি ‘কার্টেন কল’-এর ব্যবস্থাপনায় দু’দিন ব্যাপী আন্তর্জাতিক নাট্যোৎসবের আয়োজন করা হয়। মঞ্চস্থ হয় বাংলাদেশের নাট্যদল ‘পদাতিক’-এর দু’টি নাটক। প্রথমদিন মঞ্চস্থ হয় ‘কালরাত্রি’। ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের উত্তপ্ত, ভয়াবহ দিনগুলোর প্রেক্ষাপটে নাটকের বিস্তার। স্বাধীনতার জন্য আকূল সমস্ত মানুষ।
বিশদ

06th  July, 2019
 ড্রা মে বা জি-২

সম্প্রতি চিলড্রেন থিয়েটার কার্নিভাল ‘ড্রামেবাজি-২’ হয়ে গেল আই সি সি আর-এ। দ্য ক্রিয়েটিভ আর্টস আয়োজিত এই কার্নিভালে শিশুদের জন্য সারাদিনের এক কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
বিশদ

06th  July, 2019
পি সি চন্দ্র নাট্যোৎসব 

হাঁসফাঁস করা গরমে এক টুকরো শান্তি নিয়ে এল বাইপাস সংলগ্ন পি সি চন্দ্র গার্ডেনের সবুজের বিস্তার। তিনদিন ব্যাপী নাটকের আসর বসেছিল সবুজঘেরা এই ওয়েসিসে। নিবেদনে পি সি চন্দ্র। 
বিশদ

29th  June, 2019
অস্থির সময়ে বেঁচে থাকার নতুন দিশা 

একটা অস্থির সময়ের মধ্যে দিয়ে চলেছি। সন্ত্রাস, হত্যা চলছে ধর্মের নামে, জাতের নামে। সৃষ্টি হচ্ছে বিভেদ, অসহিষ্ণুতা। যা দেশ, কাল, সময়ের বৃহত্তর গণ্ডি পেরিয়ে উঁকি দিচ্ছে পরিবারে, সম্পর্কে। মানুষ এখন আত্মকেন্দ্রিক, নিজের ভালো ছাড়া আর কিছু দেখে না।  
বিশদ

29th  June, 2019
আসরে মার খেতে খেতে বেঁচে গিয়েছিলেন 

যাত্রার নায়িকা শর্মিষ্ঠা গঙ্গোপাধ্যায়কে নিয়ে লিখেছেন সন্দীপন বিশ্বাস।

বাবা ছিলেন রানিগঞ্জ কোলিয়ারি এলাকার ডাক্তার। বাবার মতোই ডাক্তার হতে চেয়েছিলেন নমিতা চক্রবর্তী। কিন্তু ঘটনাচক্রে হয়ে গেলেন যাত্রার বিশিষ্ট অভিনেত্রী। মানুষ তাঁকে চেনেন শর্মিষ্ঠা গঙ্গোপাধ্যায় হিসাবে। কোলিয়ারিতে বিভিন্ন যাত্রা দল যায়। 
বিশদ

29th  June, 2019
কালিদাস ও মল্লিকার প্রেমকাহিনী 

অতি সম্প্রতি কালিন্দী নাট্যসৃজন তাদের নবতম প্রযোজনা মোহন রাকেশের ‘আষাঢ়ের প্রথম দিনে’ মঞ্চস্থ করল। প্রসঙ্গত, ঠিক একই সময়ে আরো দুটি নাট্যগোষ্ঠী মোহন রাকেশের অন্য দুটি নাটক মঞ্চস্থ করেছেন।  বিশদ

29th  June, 2019
মেঘনাদ আবার চমকে দিলেন

ভাগীরথীর বুকে জেগে ওঠা এক চর। শহর থেকে অনেকটাই বিচ্ছিন্ন এক গ্রাম। নাম ঈশ্বরীপুর। সেই গ্রামের দূষণহীনতার মধ্যে বেড়ে ওঠে সত্যচরণ আর ধূর্জটিনারায়ণ, দুই বন্ধু। যৌবনের শুরুতেই একই গুরুর কাছে তাঁদের রাজনীতির পাঠ নেওয়া। শিক্ষাগুরু নিত্যানন্দ ছিলেন আদর্শবাদী, ন্যায়পরায়ণ। সত্যবাদিতা যার কাছে একমাত্র সত্য। বিশদ

22nd  June, 2019
জাহান্নামের সমাচার 

আপন সৃষ্টিশীলতায় ওরা ছোটছোট বৃত্ত রচনা করে ঘুরে চলেছে। ‘ওরা’ হল – ইফটা, থিয়েলাইট, যাদবপুর মন্থন, দমদম গোত্রহীন, অশোকনগর নাট্যমুখ এবং দমদম শব্দমুগ্ধ। ছোট ছোট স্বাবলম্বী নাটকের দল। স্বাধীন চিন্তাভাবনা, কল্পনা, সৃষ্টিশীলতাকে নিংড়ে, মেজেঘষে, বিগত দেড় দশক ধরে বাংলার নাট্যমঞ্চকে সমৃদ্ধ করে চলেছে।
বিশদ

22nd  June, 2019
একনজরে
 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ঝড়ের আভাস দেবে, এমন যন্ত্র বসবে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের হরিণঘাটা ক্যাম্পাসে। যার নাম ‘এসটি রেডার’। তবে এই যন্ত্র বসানো এবং এর সঙ্গে যুক্ত প্রকল্পটি নিয়ে নানা প্রশ্ন তুলেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাংশ। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: এবারই প্রথম হাওড়ার শৈলেন মান্না স্টেডিয়ামে ডুরান্ড কাপের ৬টি ম্যাচ হবে। এর আগে হাওড়ায় এই রকম সর্বভারতীয় ম্যাচ হয়নি। তাই নতুন করে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে শৈলেন মান্না স্টেডিয়াম। এর জন্য হাওড়া পুরসভা জোরকদমে স্টেডিয়ামের পরিকাঠামোগত উন্নয়নে বিশেষ ...

সংবাদদাতা, কুমারগ্রাম: ভারী বর্ষণের কারণে আলিপুরদুয়ার পুরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সূর্যনগরের ম্যাকউইলিয়াম আর আর প্রাইমারি ইংরেজি মাধ্যম স্কুল জলমগ্ন হয়ে আছে। ক্লাস রুমের ভেতরেও হাঁটু ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্য সরকারের কর্মীরা কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের হারে বেতন পাবেন কি না, এই বিতর্ক প্রায় দু’বছর ধরে অমীমাংসিত রয়েছে। হাইকোর্টে দু’দফায় এবং পরবর্তীকালে স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইব্যুনালে (স্যাট) এর শুনানি হয়। হাইকোর্টের সর্বশেষ রায় অনুযায়ী, এই বিষয়টির চূড়ান্ত ফয়সালা ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ব্যয় বৃদ্ধি পাবে। কর্মক্ষেত্রে কোনও বিরূপ অবস্থার সৃষ্টি হতে পারে। বিদ্যার্থীর শুভ ফল লাভ হবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮০২- ফরাসি লেখক আলেকজান্দার দুমার জন্ম
১৮৭০- সাহিত্যিক কালীপ্রসন্ন সিংহের মৃত্যু
১৮৮৪- ‘হিন্দু পেট্রিয়টে’-র সম্পাদক কৃষ্ণদাস পালের মৃত্যু
১৮৯৮- সাহিত্যিক তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৩৭- অভিনেতা মনোজ কুমারের জন্ম
১৯৪৫- উইপ্রোর কর্ণধার আজিম প্রেমজির জন্ম
১৯৬৯- আমেরিকান অভিনেত্রী ও সঙ্গীতশিল্পী জেনিফার লোপেজের জন্ম
১৯৮০- মহানায়ক উত্তম কুমারের মৃত্যু
২০০৩- অভিনেতা শমিত ভঞ্জের মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.২০ টাকা ৬৯.৮৯ টাকা
পাউন্ড ৮৪.৪০ টাকা ৮৭.৫৪ টাকা
ইউরো ৭৫.৮৭ টাকা ৭৮.৮০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৫,৪২৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৩,৬১০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৪,১১৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪১,১৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪১,২৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৭ শ্রাবণ ১৪২৬, ২৪ জুলাই ২০১৯, বুধবার, সপ্তমী ৩২/২৩ অপঃ ৬/৫। রেবতী ২৬/২৪ দিবা ৩/৪২। সূ উ ৫/৮/৯, অ ৬/১৭/৫৩, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৩ মধ্যে পুনঃ ৯/৩১ গতে ১১/১৭ মধ্যে পুনঃ ৩/৪০ গতে ৫/২৬ মধ্যে। রাত্রি ৭/১ গতে ৯/১১ মধ্যে পুনঃ ১/৩১ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৮/২৫ গতে ১০/৪ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৩ গতে ১/২২ মধ্যে, কালরাত্রি ২/২৬ গতে ৩/৪৭ মধ্যে।
৭ শ্রাবণ ১৪২৬, ২৪ জুলাই ২০১৯, বুধবার, সপ্তমী ২২/২১/১৭ দিবা ২/২/৫৯। রেবতীনক্ষত্র ১৯/৪২/৮ দিবা ১২/৫৯/১৯, সূ উ ৫/৬/২৮, অ ৬/২১/১৮, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৭ মধ্যে ও ৯/৩২ গতে ১১/১৬ মধ্যে ও ৩/৩৫ গতে ৫/১৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৫৫ গতে ৯/৭ মধ্যে ও ১/৩২ গতে ৫/৭ মধ্যে, বারবেলা ১১/৪৩/৫৩ গতে ১/২৩/১৪ মধ্যে, কালবেলা ৮/২৫/১০ গতে ১০/৪/৩২ মধ্যে, কালরাত্রি ১/২৫/১০ গতে ৩/৪৫/৪৯ মধ্যে।
 ২০ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
স্ত্রীকে কুপিয়ে খুনের চেষ্টার অভিযোগ স্বামীর বিরুদ্ধে 
স্ত্রীকে কুপিয়ে খুনের চেষ্টার অভিযোগ উঠল স্বামীর বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ...বিশদ

02:34:27 PM

বেআইনি সিগারেট পাচার চক্রের হদিশ, ১.৬২ কোটি টাকার সামগ্রী উদ্ধার 
শিলিগুড়ি, কলকাতা ও গুয়াহাটিতে অভিযান চালিয়ে মোট ১.৬২ কোটি টাকার ...বিশদ

02:23:29 PM

হেস্টিংস থানা এলাকায় বাসের মধ্যে মহিলা কনস্টেবলকে হেনস্তার অভিযোগ, আটক ১ 

02:23:28 PM

নানুরে বিজেপি কর্মীদের মারধরের অভিযোগ 
দলীয় সভায় যাওয়ায় বিজেপি কর্মীদের মারধরের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বুধবার ...বিশদ

01:41:23 PM

মেদিনীপুরে বিজেপি কর্মীর বাড়িতে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ 
এক বিজেপি কর্মীর বাড়ি ভাঙচুর করে তাতে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার ...বিশদ

01:35:00 PM

মারিশদায় বধূর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার 
এক বধূর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য পূর্ব মেদিনীপুরের ...বিশদ

01:14:37 PM