Bartaman Patrika
আমরা মেয়েরা
 

প্রাচ্য পুরাণে নারীর বেঁচে থাকার দুঃখ-ইতিহাস 

মহাভারতের বনপর্বে সত্যভামা দ্রৌপদীকে প্রশ্ন করেছিলেন, পাঁচ স্বামীকে তিনি কীভাবে সন্তুষ্ট রাখতে সক্ষম হয়েছেন? উত্তরে দ্রৌপদী পতিব্রতা নারীর ওপর এক সুদীর্ঘ বক্তৃতা দেন। যাঁর মূল কথা ছিল— নারী যদি সম্পূর্ণভাবে আত্মবঞ্চনা করে এবং নিজেকে স্বামীর ইচ্ছা পোষণের যন্ত্রমাত্রে পরিণত করে তবেই সে যথার্থ পতিব্রতা হতে পারে এবং স্বামীকে সন্তুষ্ট রাখতে সক্ষম হয়।
সীতা যখন স্বামীর সঙ্গে বনবাসে যায় শাশুড়ি কৌশল্যা তাঁকে পরামর্শ দেন এই বলে— যে সব স্ত্রী স্বামীর কাছে ভালো ব্যবহার পেয়েও দুর্দশাগ্রস্ত স্বামীকে অবহেলা করে প্রাপ্য মর্যাদা দেয় না, লোকে তাকে অসতী বলে। জানকী, আমার বনবাসী ছেলে নির্ধন বা ধনী যাই হোক না কেন তুমি তাঁকে দেবতুল্য জ্ঞানে অনুসরণ করো।
গান্ধারী অন্ধ স্বামীর প্রতি সহমর্মিতা প্রদর্শনে সবসময় নিজের সুস্থ সুন্দর চোখ দুটো বেঁধে রাখতেন কাপড় দিয়ে। স্বামীর প্রতি অন্ধ সহানুভূতি ও আনুগত্যে সম্পূর্ণভাবে আত্মবিলোপ করে নিজের দৃষ্টিশক্তি স্বেচ্ছায় বিসর্জন দিয়েছিলেন। একশতটি সাবালক পুত্র, একটি কন্যাসন্তানের মা হওয়া সত্ত্বেও তাদের কাউকে কখনও দেখেননি তিনি। কেবল দুর্যোধনের শেষ দিনে একবার তাঁকে দেখা ছাড়া।
গালব তাঁর গুরুদক্ষিণা জোগাড় করতে হবু স্ত্রী মাধবীকে একে একে গুটিকয় রাজার কাছে বন্ধক দিয়েছিলেন, মাধবীর মতামতের অপেক্ষা না করেই। তারও আগে রাজা যযাতি নির্দ্বিধায় কন্যা মাধবীকে ঘোড়ার পরিবর্তে গালবকে দান করেছিলেন। নিজ কন্যাকে ভোগ্যপণ্য হিসেবে তুলে দিতে দানবীর রাজার এতটুকু দ্বিধা বা সংশয় হয়নি। একটুকরো সম্পত্তির মতো করে মাধবীকে কেন্দ্র করে এই ঘৃণ্য লেনদেনে মাধবী নিজের অসম্মান, অপমান বিনা বাক্য ব্যয়ে মেনে নিয়েছিলেন।
নিষ্ঠুর, স্বার্থপর মনোহরণকারী পুরুষকে ভালোবেসে নারী এযাবৎকাল মেনে নিয়েছে যাবতীয় পীড়ন নিজের আত্মমর্যাদাকে ধুলোয় মিশিয়ে। নারীত্বের চরম আত্মত্যাগ ও অবমাননা পুরাণের পাতায় পাতায় ছড়িয়ে রয়েছে। যেখানে নারীর ইচ্ছা-অনিচ্ছা, সম্মতি-অসম্মতি বিবেচ্য ছিল না মোটেও।
সদ্য যুদ্ধে নিহত স্বামীর মরদেহ ফেলে রেখে মন্দোদরী ও তারাকে বিয়ে করতে হয়েছিল তাদের নিজ নিজ দেওরকে। রাবণকে যুদ্ধে পরাজিত ও নিহত করার পর রাম পুরস্কার হিসেবে বিভীষণের হাতে তুলে দেন রাবণের প্রধানা মহিষীকে। রাবণের বিশ্বাসঘাতক ভাই ও মন্দোদরীর ষড়যন্ত্রকারী দেওরকে ওইরকম মানসিক বিপর্যয়ের সময়ে নিরুপায় মন্দোদরীকে মেনে নিতে হয়েছিল। স্ব-ইচ্ছায়, সাদরে যে তিনি এই ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি এ তো সহজেই অনুমান করা যায়। কেন না মন্দোদরী যিনি যুদ্ধে রাবণের সঙ্গে অস্ত্র ধরেছিলেন রামের প্রতিপক্ষ হিসেবে। লঙ্কার নবনিযুক্ত রাজা বিভীষণের একাধিক পত্নীর সঙ্গে সে সময়ে যুক্ত হয়েছিল আরও একটি নাম মন্দোদরী। বানর রাজা বালীর স্ত্রী তারাকেও সুগ্রীবের হাতে তুলে দেওয়া হয়। তারা হলেন কিস্কিন্ধ্যার রানি, বানররাজ বালীর সহধর্মিণী ও সুগ্রীবের ভ্রাতৃবধূ। রামকে যুদ্ধে সহায়তা করার জন্য উপহার হিসেবে পূর্বপ্রতিশ্রুতি মতো বানর রাজা সুগ্রীব এই উপহার লাভ করেছিলেন।
তারার মন্দলাগা, স্বামী হারানোর শোক-দুঃখের কোনও মূল্যই ছিল না কারওর কাছে। পুত্র অঙ্গদের প্রাণাশঙ্কা আর সমাজের শাসনে তারা বাধ্য হল। তবে ভক্তি, আনুগত্যর প্রকাশে লক্ষ্মণের স্ত্রী ঊর্মিলার কথাও ভুললে চলবে না। বিবাহিত লক্ষ্মণ যুবতী ঊর্মিলার শত অনুরোধে তাকে সঙ্গে নিয়ে বনবাসে তো যাননি। অথবা তার কাছে প্রাসাদেও থেকে যাননি। অল্পবয়সি স্ত্রীর নিরাপত্তা, আর ইচ্ছা-অনিচ্ছা, শারীরিক ও মানসিক চাহিদা সব কিছুকে তুচ্ছ করে চোদ্দো বছরের জন্য দিব্য বনবাসে চলে যায় ভ্রাতৃপ্রেমের পরাকাষ্ঠা দেখিয়ে। অথচ পত্নী প্রেম সেখানে অপাংক্তেয়ই রয়ে যায়। লক্ষ্মণের অবহেলিত স্ত্রী ঊমিলা সাধ্বী স্ত্রীর উদাহরণ হিসেবে জ্বলন্ত প্রদীপে ক্রমাগত তেল ঢেলে ঢেলে তাকে প্রজ্জ্বলিত রেখে সেই প্রদীপের দিকে তাকিয়ে তাকিয়ে পতি প্রেমের বিরহে শোকাকুলা হয়ে চোদ্দো বছর কাটিয়ে দেন।
স্বামীর প্রত্যাখ্যানকে নিশ্চুপে মেনে নিয়ে আত্মবঞ্চনা আর উপেক্ষিতার চূড়ান্ত নিদর্শন হয়ে ঊর্মিলার নাম ইতিহাসে রয়ে গিয়েছে। তবে মেনে নিলেও গর্ভবতী সীতাকে যখন লক্ষ্মণ বনবাসে রেখে আসছিল তখন সীতার খেদোক্তি— শুধু দুঃখ ভোগ করার জন্যই এই দেহটার সৃষ্টি হয়েছিল।
নারী-পুরুষের যাপিত জীবনে পুরুষতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থায় চিরদিনই ঘর আর বাইরে বিভক্ত হয়ে আছে। সব মেয়ের জন্য একটা সময় পর্যন্ত নির্দিষ্ট ছিল স্বামীসেবা, তাকে সঙ্গদান, তার পরিবার-পরিজনদের আনন্দ দেওয়া। মেয়েদের শিক্ষা অবশ্যই ছিল স্বামীসেবার শিক্ষা, আত্মপ্রবঞ্চনার শিক্ষা, গৃহস্থালির শিক্ষা, মেনে নেওয়ার শিক্ষা, মানিয়ে নেওয়ার শিক্ষা।
আচ্ছা কেমন হতো যদি সীতা কৌশল্যাকে মুখ ফুটে বলে ফেলত মনের কথাটা। অথবা দ্রৌপদী যদি পাঁচ স্বামীর মনরক্ষা না করে চলত? ঊর্মিলা যদি নিজের মর্জিমাফিক সিদ্ধান্ত নিত লক্ষ্মণের মতামতের তোয়াক্কা না করেই। আর গান্ধারী যদি তাঁর চাঁদের আলোর মতো স্নিগ্ধ মায়াবী প্রশান্ত চোখ দুটোকে না বেঁধে স্বপ্নিল এই পৃথিবীর রূপ-রং চুটিয়ে উপভোগ করতেন, কেমন হতো তাহলে? নাহ্‌, ঩নিছক কল্পনাটুকুই সার।
সীতা, মন্দোদরী, মাধবী, দ্রৌপদী বা তারাকে তো সেই অপমান আর অধর্মকে সহ্য করে যেতেই হয়েছিল। বিজয়া রাজা বিজিত রাজার থেকে উপঢৌকন হিসেবে নারীকে লাভ করবে, নারী ইচ্ছেমতো ব্যবহৃত হবে অথবা উপেক্ষার আগুনে ঝলসে যাবে এটাই তো নীতি। এই তো ধর্ম। এটাই দস্তুর, জীবনের নানা কঠিন পরিবেশ পরিস্থিতিতে যুগ যুগ ধরে চলে আসা রীতি ও সংস্কারই মেয়েদের বাধ্য করেছে অপমানের দগদগে ক্ষত নিয়ে বাঁচতে। নারীর জন্য সেখানে কোনও সমাজ নেই, পায়ের নীচে মাটি নেই। কোনও পুরুষ দয়িত, পিতা, ভ্রাতা কেউ নেই।
সুদীর্ঘ মহাভারতের চরিত্রে বৈচিত্র্যময়তার মাঝে আরেক নারী কুন্তীও কিন্তু পাণ্ডুর অপারগতা সত্ত্বেও পাণ্ডুর কথাতেই দেবসঙ্গম করেছিলেন। স্ব-ইচ্ছায় নয়। এবং অবশ্যই তা ছিল অনিচ্ছুক সহবাস। দ্রৌপদী চিরকাল অর্জুনকে ভালোবাসলেও পাঁচ স্বামীকেই মেনে নিতে বাধ্য হয়েছিলেন। দুঃখ সাগরে ডুবে থাকা তারা ও মন্দোদরীকে স্বামীর হত্যাকারী ও ষড়যন্ত্রকারীকে পুরুষের দেওয়া বিধান হিসেবে জীবনে মেনে নিতে হয়েছিল। নিষ্ঠুর স্বার্থপর বহুগামী পুরুষকে দুনিয়ার সব কিছু ত্যাগ করে বেঁচে থাকার আর্তি নিয়ে বাঁচতে হয়েছিল। দুঃসহ যন্ত্রণা আর শাণিত অপমান গিলে নিতে হয়েছিল। পুরাণের কাহিনীতে আজও চাপা পড়ে আছে নারীর বেঁচে থাকার দুঃখ-ইতিহাস। একক এবং সহস্র— অশ্রু আর আগুন। যার শুরু আছে শেষ নেই।
তনুশ্রী কাঞ্জিলাল মাশ্চরক 
29th  June, 2019
পরিবর্তনের ঢেউ লেগেছে মুসলিম সমাজে 

একবিংশ শতাব্দীতে পদার্পণের আগে মুসলিম সমাজে নারী স্বাধীনতা প্রহসন ছিল বললে অত্যুক্তি হয় না। মাত্র কয়েক দশক আগেও মুসলিম নারী ছিল অন্তঃপুরবাসিনী। অবগুণ্ঠনের আড়াল থেকেই তাদের বিশ্বদর্শন হতো। কিন্তু সেই চিত্র আজ অনেকটাই বদলে গিয়েছে।  বিশদ

20th  July, 2019
মেয়েদের হার্টের পক্ষে
নাইট শিফট ক্ষতিকারক 

এই একবিংশ শতাব্দীতে দাঁড়িয়ে আপাতদৃষ্টিতে নারীর সঙ্গে পুরুষের পার্থক্যের সীমারেখা প্রায় ঘুচেই গিয়েছে বলা যায়। এখন পুরুষদের সঙ্গে নারীরাও সমানতালে সবকিছুই করছে। সে কঠিন বিজ্ঞান গবেষণা থেকে শুরু করে টোটো চালানো পর্যন্ত প্রায় সবকিছুই। একসময় যে নাইট শিফটে কাজ শুধুমাত্র পুরুষদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল এখন সেখানেও মেয়েদের মৌরুসিপাট্টা। বিশদ

20th  July, 2019
মহিলাদের সুস্থ রাখতে যোগাসন 

দেশের মতোই বিদেশেও এখন যোগাসনের দারুণ কদর। যোগাসনের দ্বারা মহিলাদের সুস্থ থাকার কয়েকটা উপায় জানালেন মার্কিন যোগ ফেডারেশনের কর্ণধার রাজশ্রী চৌধুরী। তাঁর মুখোমুখি কমলিনী চক্রবর্তী। 
বিশদ

20th  July, 2019
সিনেমা আমার প্রথম প্রেম: ঐন্দ্রিলা সাহা 

রাজা বিক্রমাদিত্যের রাজত্বকালে খনা নামে এক জ্যোতির্বিদ্যায় পারদর্শী এবং বিদুষী নারী ছিলেন। বরাহপুত্র মিহিরের সঙ্গে তাঁর বিবাহ হয়। খনা তাঁর বচন রচনার মাধ্যমেই সকলের কাছে পরিচিতি লাভ করেন। খনার ভবিষ্যৎ বাণীগুলি খনার বচন নামে পরিচিতি পায়। সেই খনার জীবন নিয়ে কালারস বাংলায় শুরু হয়েছে মেগা ধারাবাহিক ‘খনার বচন’। আজ আমরা খনা তথা ঐন্দ্রিলা সাহার মুখোমুখি। 
বিশদ

13th  July, 2019
দীপার উত্তরসূরি প্রণতি 

দীপা কর্মকারের পর আর এক বাঙালি জিমন্যাস্টকে নিয়ে ওলিম্পিকে পদক জয়ের স্বপ্ন দেখা শুরু হয়ে গেল। ত্রিপুরার দীপা কর্মকার, তেলেঙ্গানার অরুণা রেড্ডির পর বাংলার প্রণতি নায়েক হলেন দেশের তৃতীয় মহিলা জিমন্যাস্ট যিনি আন্তর্জাতিক পদক জিতলেন।  বিশদ

13th  July, 2019
ভারতের প্রথম মহিলা বিচারপতি 

সেকালের পুরুষতান্ত্রিক সমাজে পুরুষদের দিকে লক্ষ্য রেখেই সব ব্যবস্থাপনা হত। কিন্তু পুরুষতান্ত্রিকতার সম্পূর্ণ অবসান না হলেও দিন যত এগিয়েছে ততই মহিলারাও অগ্রগণ্য হয়েছে। বিভিন্নরকম ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে নারীকেন্দ্রিকতাও সমাজে স্থান পেয়েছে।  বিশদ

13th  July, 2019
সমাজের পিছিয়ে পড়া মহিলা ও বাচ্চাদের মুখে হাসি দেখতে চাই : রাখী বসু 

ছোটবেলা থেকেই সমাজের জন্য কাজ করার স্বপ্ন দেখতেন রাখী। স্বপ্ন ছিল তার হাত ধরে সমাজের পিছিয়ে পড়া বাচ্চারা আর অসহায় মহিলারা মাথা তুলে দাঁড়াবে। তারা শিক্ষার আলোয় আলোকিত হবে। ছোটবেলায় দেখা স্বপ্ন আরও প্রগাঢ় হল, যখন তিনি পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর পুত্রবধূ হয়ে এলেন। 
বিশদ

06th  July, 2019
নারীমুক্তি আন্দোলনে কবি সুফিয়া কামাল 

বিংশ শতাব্দীর নারীমুক্তি আন্দোলনে এক অনন্য স্থান অধিকার করে আছেন মহিলা কবি সুফিয়া কামাল। পাশাপাশি ভাষা আন্দোলনেও তাঁর সক্রিয় অংশগ্রহণ এক স্মরণীয় কীর্তি। 
বিশদ

06th  July, 2019
মাহেশে জগন্নাথদেবের মূর্তি প্রতিষ্ঠাতা 

চতুর্দশ শতাব্দীতে সন্ন্যাসী ধ্রুবানন্দ প্রতিষ্ঠিত তিনটি বিগ্রহ জগন্নাথ, সুভদ্রা, বলরামের পুজো আজও শ্রীরামপুরে মাহেশের মন্দিরে হয়ে আসছে। বলা বাহুল্য, ধ্রুবানন্দ ব্রহ্মচারী হলেন সেই সিদ্ধপুরুষ যিনি সর্বপ্রথম বঙ্গভূমিতে ভগবান শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের পুজোর প্রবর্তন করেন। তাঁর ভক্তি ও জগন্নাথ সাধনার কথা জগৎ বিখ্যাত। তিনিই মাহেশে জগন্নাথদেবের মূর্তি স্থাপন করেন। রথের মরশুমে সেই সাধনার আখ্যানই শুনিয়েছেন দীপক বসু।
 
বিশদ

06th  July, 2019
নারীদের জন্য ভয়ঙ্কর দেশ অস্ট্রেলিয়া 

অল্প কিছুদিন আগে এক তরুণীর হত্যাকাণ্ডের খবরে দারুণ ধাক্কা খেয়েছিল অস্ট্রেলিয়ার মানুষ। তিনি মেলবোর্ন শহরে হেঁটে নিজের বাড়িতে ফেরার পথে নিহত হন। একুশ বছর বয়সি ইজরায়েলি এই তরুণীর নাম আয়া মাসারভি। তার মৃত্যুর ঘটনা অস্ট্রেলিয়ায় ব্যাপক ক্ষোভ ও বিতর্কের জন্ম দিয়েছে, বিশেষ করে নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতার বিষয়ে।  
বিশদ

29th  June, 2019
১৯ বছরের রাখি দত্ত নিজের
লিভার দিয়ে বাঁচালেন বাবাকে 

বাবার বয়স ৬৫। কিছুদিন ধরেই পেটে ব্যথা হতো, কিছু খেতে পারতেন না। হাসপাতালে ভর্তির পর পরীক্ষায় ধরা পড়ল তিনি লিভারের কঠিন রোগে আক্রান্ত। সুস্থ করে তুলতে হলে লিভার প্রতিস্থাপন করতে হবে। কিন্তু কে দান করবে লিভার? এগিয়ে এলেন একমাত্র মেয়ে রাখি দত্ত।  
বিশদ

29th  June, 2019
ফেসবুকের মেয়ে 

সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট খুলে দিয়েছে এক নতুন দিগন্ত। সম্পর্ক বিস্তারের জালপাতা যেন ভুবন জুড়ে। ওয়েব নেট থেকে জালের ফাঁদে। বন্দি আজ আবালবৃদ্ধবণিতা। সামাজিক বাধা-নিষেধ নেই। সম্পর্কের উন্মুক্ত আবহাওয়ায় গা ভাসিয়ে দাও।  
বিশদ

29th  June, 2019
বাজে খবরের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ালেন প্রিয়াঙ্কা

 বেশ কিছুদিন প্রকাশ্যে ঘোরাঘুরির পর গতবছরের শেষে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া ও নিক জোনাস। তবে সম্প্রতি শোনা যাচ্ছিল তাদের বিবাহ বিচ্ছেদের গুজব। তবে এই গুজবের দাঁত ভাঙা জবাব দিলেন প্রিয়াঙ্কা।
বিশদ

22nd  June, 2019
চা বিক্রেতা বাবার বিচারক মেয়ে

 আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রী একসময় চা বিক্রি করতেন। এবার এক চা বিক্রেতার মেয়ে দেশের আদালতের বিচারক হলেন। পাঞ্জাবের জলন্ধরের এক আদালত চত্বরে চা বিক্রি করে সংসার চালানো সুরেন্দ্র কুমার নামে এক ব্যক্তি। তাঁর মেয়ে ওই কোর্টেরই বিচারক হলেন।
বিশদ

22nd  June, 2019
একনজরে
পল্লব চট্টোপাধ্যায়, কলকাতা: তিনিই যোগ্যতম। বাণিজ্য শাখার স্কুল শিক্ষক হিসেবে চাকরিতে যোগ দেন ২০০১ সালের ৩০ জুলাই। কিন্তু, কম যোগ্যতাসম্পন্নদের স্কুলে শিক্ষক পদে রেখে দেওয়া হলেও তাঁর চাকরি বিগত ১৮ বছরেও অনুমোদিত হয়নি। তাঁর মামলা সূত্রে দেওয়া কলকাতা হাইকোর্টের একাধিক ...

সংবাদদাতা, রামপুরহাট: আগামী ২৩ জুলাই থেকে এক সপ্তাহ ধরে বীরভূম জেলাজুড়ে বিস্তারক বর্গ কমসূচিতে নামতে চলেছে বিজেপি। তবে গতবছর বিস্তারক কর্মসূচিতে মোদি সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা তুলে ধরে প্রচার করা হয়েছিল।   ...

সংবাদাতা, রায়দিঘি: রাজ্যে বর্ষা ঢুকে গিয়েছে। উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্ত বৃষ্টিতে ভেসে গেলেও দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির দেখা নেই। তাই বৃষ্টি যাতে দ্রুত আসে, সেই কারণে ধুমধাম করে ...

  নয়াদিল্লি, ২০ জুলাই: বিশ্বকাপের সময় ভারতীয় ক্রিকেটাররা মাত্র ১৫ দিন পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে খাকার সুযোগ পাবেন। এটাই ছিল বিসিসিআইয়ের নিয়ম। কিন্তু এখন জানা যাচ্ছে, ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চবিদ্যার ক্ষেত্রে ভালো ফল হবে। ব্যবসায় যুক্ত হলে খুব একটা ভালো হবে না। প্রেমপ্রীতিতে বাধাবিঘ্ন। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯২০: মা সারদার মৃত্যু
১৮৬৩: কবি, গীতিকার ও নাট্যকার দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের জন্ম
১৮৯৯: লেখক বনফুল তথা বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৫৫: প্রাক্তন ক্রিকেটার রজার বিনির জন্ম
২০১২: বাংলাদেশের লেখক হুমায়ুন আহমেদের মূত্যু 

20th  July, 2019
ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৭.৯৫ টাকা ৬৯.৬৪ টাকা
পাউন্ড ৮৪.৭৭ টাকা ৮৭.৯২ টাকা
ইউরো ৭৬.১০ টাকা ৭৯.০৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
20th  July, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৫,৫২৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৩,৭০৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৪,২১০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪০,৫৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪০,৬৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৪ শ্রাবণ ১৪২৬, ২১ জুলাই ২০১৯, রবিবার, চতুর্থী ১৬/২২ দিবা ১১/৪০। শতভিষা ৫/৪৫ দিবা ৭/২৫। সূ উ ৫/৬/৫২, অ ৬/১৮/১৬, অমৃতযোগ প্রাতঃ ৫/৫৯ গতে ৯/৩১ মধ্যে। রাত্রি ৭/৪৫ গতে ৯/১১ মধ্যে, বারবেলা ১০/৪ গতে ১/২২ মধ্যে, কালরাত্রি ১/৩ গতে ২/২৪ মধ্যে।
৪ শ্রাবণ ১৪২৬, ২১ জুলাই ২০১৯, রবিবার, চতুর্থী ৯/২৬/৩১ দিবা ৮/৫২/১৬। শতভিষানক্ষত্র ২/০/৪৮ প্রাতঃ ৫/৫৩/৫৯, সূ উ ৫/৫/৪০, অ ৬/২১/৪৭, অমৃতযোগ দিবা ৬/৪ গতে ৯/৩২ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪১ গতে ৯/৮ মধ্যে, বারবেলা ১০/৪/১৩ গতে ১১/৪৩/৪৪ মধ্যে, কালবেলা ১১/৪৩/৪৪ গতে ১/২৩/১৪ মধ্যে, কালরাত্রি ১/৪/১২ গতে ২/২৪/৪২ মধ্যে।
১৭ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
  ইস্ট বেঙ্গলে জুনিয়র বিশ্বকাপার
ইস্ট বেঙ্গলের অনুশীলনে যোগ দিলেন যুব ভারতীয় দলের স্ট্রাইকার অভিজিৎ ...বিশদ

09:28:53 AM

প্রয়াত দিল্লির প্রাক্তন বিজেপি সভাপতি মঙ্গেরাম গর্গ 

09:25:00 AM

তেলেঙ্গানার নালগোন্ডায় জামাইবাবুর গলা কেটে খুন করল শ্যালক 

09:22:00 AM

হায়দরাবাদের জুলজিক্যাল পার্কে একটি সিংহের মৃত্যু 

09:20:00 AM

‘সি সি’ না নিলে মিলবে না ফ্ল্যাটের রেজিস্ট্রেশন
পুরসভার দেওয়া ‘কমপ্লিশন সার্টিফিকেট’ বা সিসি না দেখে ফ্ল্যাট কিনবেন ...বিশদ

09:19:10 AM

মণিপুরে মহাবলি মন্দির সংলগ্ন নদীতে তলিয়ে গেল ২ শিশু 

09:19:00 AM