Bartaman Patrika
আমরা মেয়েরা
 

প্রাচ্য পুরাণে নারীর বেঁচে থাকার দুঃখ-ইতিহাস 

মহাভারতের বনপর্বে সত্যভামা দ্রৌপদীকে প্রশ্ন করেছিলেন, পাঁচ স্বামীকে তিনি কীভাবে সন্তুষ্ট রাখতে সক্ষম হয়েছেন? উত্তরে দ্রৌপদী পতিব্রতা নারীর ওপর এক সুদীর্ঘ বক্তৃতা দেন। যাঁর মূল কথা ছিল— নারী যদি সম্পূর্ণভাবে আত্মবঞ্চনা করে এবং নিজেকে স্বামীর ইচ্ছা পোষণের যন্ত্রমাত্রে পরিণত করে তবেই সে যথার্থ পতিব্রতা হতে পারে এবং স্বামীকে সন্তুষ্ট রাখতে সক্ষম হয়।
সীতা যখন স্বামীর সঙ্গে বনবাসে যায় শাশুড়ি কৌশল্যা তাঁকে পরামর্শ দেন এই বলে— যে সব স্ত্রী স্বামীর কাছে ভালো ব্যবহার পেয়েও দুর্দশাগ্রস্ত স্বামীকে অবহেলা করে প্রাপ্য মর্যাদা দেয় না, লোকে তাকে অসতী বলে। জানকী, আমার বনবাসী ছেলে নির্ধন বা ধনী যাই হোক না কেন তুমি তাঁকে দেবতুল্য জ্ঞানে অনুসরণ করো।
গান্ধারী অন্ধ স্বামীর প্রতি সহমর্মিতা প্রদর্শনে সবসময় নিজের সুস্থ সুন্দর চোখ দুটো বেঁধে রাখতেন কাপড় দিয়ে। স্বামীর প্রতি অন্ধ সহানুভূতি ও আনুগত্যে সম্পূর্ণভাবে আত্মবিলোপ করে নিজের দৃষ্টিশক্তি স্বেচ্ছায় বিসর্জন দিয়েছিলেন। একশতটি সাবালক পুত্র, একটি কন্যাসন্তানের মা হওয়া সত্ত্বেও তাদের কাউকে কখনও দেখেননি তিনি। কেবল দুর্যোধনের শেষ দিনে একবার তাঁকে দেখা ছাড়া।
গালব তাঁর গুরুদক্ষিণা জোগাড় করতে হবু স্ত্রী মাধবীকে একে একে গুটিকয় রাজার কাছে বন্ধক দিয়েছিলেন, মাধবীর মতামতের অপেক্ষা না করেই। তারও আগে রাজা যযাতি নির্দ্বিধায় কন্যা মাধবীকে ঘোড়ার পরিবর্তে গালবকে দান করেছিলেন। নিজ কন্যাকে ভোগ্যপণ্য হিসেবে তুলে দিতে দানবীর রাজার এতটুকু দ্বিধা বা সংশয় হয়নি। একটুকরো সম্পত্তির মতো করে মাধবীকে কেন্দ্র করে এই ঘৃণ্য লেনদেনে মাধবী নিজের অসম্মান, অপমান বিনা বাক্য ব্যয়ে মেনে নিয়েছিলেন।
নিষ্ঠুর, স্বার্থপর মনোহরণকারী পুরুষকে ভালোবেসে নারী এযাবৎকাল মেনে নিয়েছে যাবতীয় পীড়ন নিজের আত্মমর্যাদাকে ধুলোয় মিশিয়ে। নারীত্বের চরম আত্মত্যাগ ও অবমাননা পুরাণের পাতায় পাতায় ছড়িয়ে রয়েছে। যেখানে নারীর ইচ্ছা-অনিচ্ছা, সম্মতি-অসম্মতি বিবেচ্য ছিল না মোটেও।
সদ্য যুদ্ধে নিহত স্বামীর মরদেহ ফেলে রেখে মন্দোদরী ও তারাকে বিয়ে করতে হয়েছিল তাদের নিজ নিজ দেওরকে। রাবণকে যুদ্ধে পরাজিত ও নিহত করার পর রাম পুরস্কার হিসেবে বিভীষণের হাতে তুলে দেন রাবণের প্রধানা মহিষীকে। রাবণের বিশ্বাসঘাতক ভাই ও মন্দোদরীর ষড়যন্ত্রকারী দেওরকে ওইরকম মানসিক বিপর্যয়ের সময়ে নিরুপায় মন্দোদরীকে মেনে নিতে হয়েছিল। স্ব-ইচ্ছায়, সাদরে যে তিনি এই ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি এ তো সহজেই অনুমান করা যায়। কেন না মন্দোদরী যিনি যুদ্ধে রাবণের সঙ্গে অস্ত্র ধরেছিলেন রামের প্রতিপক্ষ হিসেবে। লঙ্কার নবনিযুক্ত রাজা বিভীষণের একাধিক পত্নীর সঙ্গে সে সময়ে যুক্ত হয়েছিল আরও একটি নাম মন্দোদরী। বানর রাজা বালীর স্ত্রী তারাকেও সুগ্রীবের হাতে তুলে দেওয়া হয়। তারা হলেন কিস্কিন্ধ্যার রানি, বানররাজ বালীর সহধর্মিণী ও সুগ্রীবের ভ্রাতৃবধূ। রামকে যুদ্ধে সহায়তা করার জন্য উপহার হিসেবে পূর্বপ্রতিশ্রুতি মতো বানর রাজা সুগ্রীব এই উপহার লাভ করেছিলেন।
তারার মন্দলাগা, স্বামী হারানোর শোক-দুঃখের কোনও মূল্যই ছিল না কারওর কাছে। পুত্র অঙ্গদের প্রাণাশঙ্কা আর সমাজের শাসনে তারা বাধ্য হল। তবে ভক্তি, আনুগত্যর প্রকাশে লক্ষ্মণের স্ত্রী ঊর্মিলার কথাও ভুললে চলবে না। বিবাহিত লক্ষ্মণ যুবতী ঊর্মিলার শত অনুরোধে তাকে সঙ্গে নিয়ে বনবাসে তো যাননি। অথবা তার কাছে প্রাসাদেও থেকে যাননি। অল্পবয়সি স্ত্রীর নিরাপত্তা, আর ইচ্ছা-অনিচ্ছা, শারীরিক ও মানসিক চাহিদা সব কিছুকে তুচ্ছ করে চোদ্দো বছরের জন্য দিব্য বনবাসে চলে যায় ভ্রাতৃপ্রেমের পরাকাষ্ঠা দেখিয়ে। অথচ পত্নী প্রেম সেখানে অপাংক্তেয়ই রয়ে যায়। লক্ষ্মণের অবহেলিত স্ত্রী ঊমিলা সাধ্বী স্ত্রীর উদাহরণ হিসেবে জ্বলন্ত প্রদীপে ক্রমাগত তেল ঢেলে ঢেলে তাকে প্রজ্জ্বলিত রেখে সেই প্রদীপের দিকে তাকিয়ে তাকিয়ে পতি প্রেমের বিরহে শোকাকুলা হয়ে চোদ্দো বছর কাটিয়ে দেন।
স্বামীর প্রত্যাখ্যানকে নিশ্চুপে মেনে নিয়ে আত্মবঞ্চনা আর উপেক্ষিতার চূড়ান্ত নিদর্শন হয়ে ঊর্মিলার নাম ইতিহাসে রয়ে গিয়েছে। তবে মেনে নিলেও গর্ভবতী সীতাকে যখন লক্ষ্মণ বনবাসে রেখে আসছিল তখন সীতার খেদোক্তি— শুধু দুঃখ ভোগ করার জন্যই এই দেহটার সৃষ্টি হয়েছিল।
নারী-পুরুষের যাপিত জীবনে পুরুষতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থায় চিরদিনই ঘর আর বাইরে বিভক্ত হয়ে আছে। সব মেয়ের জন্য একটা সময় পর্যন্ত নির্দিষ্ট ছিল স্বামীসেবা, তাকে সঙ্গদান, তার পরিবার-পরিজনদের আনন্দ দেওয়া। মেয়েদের শিক্ষা অবশ্যই ছিল স্বামীসেবার শিক্ষা, আত্মপ্রবঞ্চনার শিক্ষা, গৃহস্থালির শিক্ষা, মেনে নেওয়ার শিক্ষা, মানিয়ে নেওয়ার শিক্ষা।
আচ্ছা কেমন হতো যদি সীতা কৌশল্যাকে মুখ ফুটে বলে ফেলত মনের কথাটা। অথবা দ্রৌপদী যদি পাঁচ স্বামীর মনরক্ষা না করে চলত? ঊর্মিলা যদি নিজের মর্জিমাফিক সিদ্ধান্ত নিত লক্ষ্মণের মতামতের তোয়াক্কা না করেই। আর গান্ধারী যদি তাঁর চাঁদের আলোর মতো স্নিগ্ধ মায়াবী প্রশান্ত চোখ দুটোকে না বেঁধে স্বপ্নিল এই পৃথিবীর রূপ-রং চুটিয়ে উপভোগ করতেন, কেমন হতো তাহলে? নাহ্‌, ঩নিছক কল্পনাটুকুই সার।
সীতা, মন্দোদরী, মাধবী, দ্রৌপদী বা তারাকে তো সেই অপমান আর অধর্মকে সহ্য করে যেতেই হয়েছিল। বিজয়া রাজা বিজিত রাজার থেকে উপঢৌকন হিসেবে নারীকে লাভ করবে, নারী ইচ্ছেমতো ব্যবহৃত হবে অথবা উপেক্ষার আগুনে ঝলসে যাবে এটাই তো নীতি। এই তো ধর্ম। এটাই দস্তুর, জীবনের নানা কঠিন পরিবেশ পরিস্থিতিতে যুগ যুগ ধরে চলে আসা রীতি ও সংস্কারই মেয়েদের বাধ্য করেছে অপমানের দগদগে ক্ষত নিয়ে বাঁচতে। নারীর জন্য সেখানে কোনও সমাজ নেই, পায়ের নীচে মাটি নেই। কোনও পুরুষ দয়িত, পিতা, ভ্রাতা কেউ নেই।
সুদীর্ঘ মহাভারতের চরিত্রে বৈচিত্র্যময়তার মাঝে আরেক নারী কুন্তীও কিন্তু পাণ্ডুর অপারগতা সত্ত্বেও পাণ্ডুর কথাতেই দেবসঙ্গম করেছিলেন। স্ব-ইচ্ছায় নয়। এবং অবশ্যই তা ছিল অনিচ্ছুক সহবাস। দ্রৌপদী চিরকাল অর্জুনকে ভালোবাসলেও পাঁচ স্বামীকেই মেনে নিতে বাধ্য হয়েছিলেন। দুঃখ সাগরে ডুবে থাকা তারা ও মন্দোদরীকে স্বামীর হত্যাকারী ও ষড়যন্ত্রকারীকে পুরুষের দেওয়া বিধান হিসেবে জীবনে মেনে নিতে হয়েছিল। নিষ্ঠুর স্বার্থপর বহুগামী পুরুষকে দুনিয়ার সব কিছু ত্যাগ করে বেঁচে থাকার আর্তি নিয়ে বাঁচতে হয়েছিল। দুঃসহ যন্ত্রণা আর শাণিত অপমান গিলে নিতে হয়েছিল। পুরাণের কাহিনীতে আজও চাপা পড়ে আছে নারীর বেঁচে থাকার দুঃখ-ইতিহাস। একক এবং সহস্র— অশ্রু আর আগুন। যার শুরু আছে শেষ নেই।
তনুশ্রী কাঞ্জিলাল মাশ্চরক 
29th  June, 2019
মহাষ্টমী পুজো

 মহাষ্টমী পুজোর দিন সকালে পুরোহিত আচমন করে মায়ের পুজো শুরু করেন। আসনশুদ্ধি, ভূতশুদ্ধি, মাতৃকান্যাস, প্রাণায়াম, পীঠন্যাস সমাপ্ত করে মাকে দন্তকাষ্ঠ নিবেদন করেন। তারপর শুরু হয় মায়ের মহাস্নান।
বিশদ

মহাপূজার আঙিনায়
বলিদান

 মহাপূজার অন্যতম অঙ্গ বলিদান। বলি শব্দের অর্থ উপহার। দেবীভাগবতের মতে, একমাত্র দেবী পূজাতেই বলিদান সম্মত। অন্যত্র নয়। কারণ ব্রহ্মবিদ্যাস্বরূপিণী দেবী আমাদের স্বরূপনিরোধক এই ঘোর জীববুদ্ধি নাশ করে ব্রহ্মকারা বৃত্তিতে প্রকাশমান হন। তাই মহাদেবী বলিপ্রিয়া।
বিশদ

সেকাল একালের
আগমনী আড্ডা

দুর্গা পুজো মানেই নতুন পোশাক, খাওয়া-দাওয়া, রাত জেগে ঠাকুর দেখা আর নির্ভেজাল আড্ডা। আড্ডা পরিকল্পনাও থাকে নানারকম। আড্ডাবাজ বাঙালির আড্ডার আসর বসে পাড়ার পুজো, বাড়ির পুজো, বা আবাসনের পুজোমণ্ডপে। নব্য প্রজন্মের কেউ বা পছন্দ করে ঘুরে বেড়িয়ে আড্ডা দিতে। বিশদ

মহিলা মৃৎশিল্পী
ঠাকুর গড়েন চায়না পাল

 ছোটবেলায় আঁকতে ভীষণ ভালোবাসতেন চায়না। পেন বা পেন্সিল দিয়ে পাতার পর পাতা ঠাকুর দেবতার ছবি আঁকতেন তিনি। টানা টানা চোখওয়ালা সাবেকি ঠাকুরের মুখ ভরে যেত তাঁর খাতার পাতায়। বাবা যখন ঠাকুর গড়তেন সেটাও হাঁ করে দেখতেন চায়না। বিশদ

উৎসবের ভোজ, ভোজের উৎসব 

ভোরের প্রথম আলোয় শিউলি ফুলের মন মাতানো মিষ্টি গন্ধই শুধু নয়, ভোরের বাতাসেও অকারণ পুলকের স্পন্দন। পাড়ায় পাড়ায় বাঁশ আর কাপড়ের স্তূপ। যেন উৎসবের আর উৎসাহের জোয়ার। মায়ের আগমনী বার্তা বয়ে নিয়ে আসে এইসব খুঁটিনাটির অনুষঙ্গগুলো।   বিশদ

14th  September, 2019
মহিলা মৃৎশিল্পী 

সুস্মিতা রুদ্রপাল মিত্র: এক দশক মানে প্রায় বারো বছর হয়ে গেল সুস্মিতা রুদ্রপাল মিত্র প্রতিমা তৈরি করা শুরু করেছেন। সুস্মিতার বেড়ে ওঠা কুমোরটুলির এক মৃৎশিল্পীর পরিবারে। বাড়িতে বাবা-দাদাদের কাজ দেখতে দেখতে বড় হয়েছেন সুস্মিতা।  বিশদ

14th  September, 2019
মহাসপ্তমী পুজোর রীতি ও আচার 

দুর্গাপুজোর মহাসপ্তমী। এই দিন প্রথমে গৃহকর্তা পুরোহিতকে কাপড় ও নানা দ্রব্য দিয়ে বরণ করে নেবেন। তারপর নবপত্রিকা স্নান। গঙ্গা বা কোনও জলাশয়ে নবপত্রিকাকে স্নান করিয়ে নতুন কাপড় পরিয়ে যথাযথ মন্ত্র উচ্চারণ করে দুর্গামণ্ডপে প্রতিষ্ঠা করা হয়।   বিশদ

14th  September, 2019
মহাপূজার আঙিনায় 

মহাস্নানের পর আরম্ভ হয় দেবীর পুজো। আরাধনার প্রথম ধাপ সুস্থ দেহ ও স্থির মন। সর্বাগ্রে এটি করা প্রয়োজন, না করলে দেবতার অধিষ্ঠান হতে পারে না। শ্রীরামকৃষ্ণদেব বলতেন, ‘প্রতিমায় আবির্ভাব হতে গেলে তিনটি জিনিসের দরকার— প্রথম পূজারীর ভক্তি, দ্বিতীয় প্রতিমার সৌন্দর্য, তৃতীয় গৃহস্বামীর ভক্তি।’  বিশদ

14th  September, 2019
 শহর জুড়ে আজ পুজোর মরশুম

নরম শিউলি ফুলের মতো মিষ্টি রোদ ছেয়ে আছে শহর জুড়ে। চাঁদার বই হাতে উদ্যোক্তাদের ইতিউতি উপস্থিতি, বেমক্কা জ্যাম, শপিং মল থেকে ফুটপাতে উপচানো ভিড় দেখেই অনুমান করা যায় শহর জুড়ে আজ পুজোর মরশুম। উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠা শহরবাসী এখন কেনাকাটা করেন চুটিয়ে।
বিশদ

07th  September, 2019
 বোধনে মহাষষ্ঠী

মহাষষ্ঠীতে হয় মা দুর্গার বোধন। সকালবেলায় তিথি দেখে ষষ্ঠীপুজো হয়ে থাকলেও তিথি অনুযায়ী সন্ধেবেলায় বিল্ববৃক্ষতলে হয় দেবীর বোধন। তখন শুদ্ধাচারে, শুদ্ধাসনে, শুদ্ধবস্ত্র পরিধান করে স্বস্তিবাচন ও পাপাপনোদন করেন পুরোহিত। তিনি ঊর্ধ্ব, অধঃ পার্শ্বদ্বয় ভালো করে দেখেন ও শান্ত চিত্তে কুশ, তিল, ফল, পুষ্প দিয়ে জলপূর্ণ তাম্রপাত্র গ্রহণ করেন।
বিশদ

07th  September, 2019
মহিলা মৃৎশিল্পী কাকলি পাল

দু’ হাজার তিন সাল। কালীপুজোর ঠিক আগের ঘটনা। মৃৎশিল্পী কাকলি পালের স্বামী ঠাকুর তৈরির বায়না নিয়ে আসার পরের পরের দিন হঠাৎ ব্রেন স্ট্রোকে মারা যান। তখন কাকলির বড় মেয়ের বয়স সাত এবং ছোট মেয়ের এক। দুটো মেয়েকে নিয়ে কাকলি অথৈ জলে পড়েছিল।
বিশদ

07th  September, 2019
মহাপূজার আঙিনায়

মা আনন্দময়ীর আগমন। বর্ষে বর্ষে আসেন তিনি। আমাদের ঘরে-বাইরে তাঁর ছড়ানো সংসারে। শারদীয়া দেবীর আবির্ভাবের মধ্য দিয়েই জাতির আত্মশক্তির উদ্বোধন। ব্রত-পার্বণ উৎসবময় ভাবালোকে মাতৃমূর্তির এই আবির্ভাব।   বিশদ

07th  September, 2019
 ঋণ নিয়ে রোজগেরে মেয়েরা

গ্রামের মহিলাদের ঋণ দিয়ে রোজগেরে করে তুলছে ভিলেজ ফিনানসিয়াল সার্ভিস। কীভাবে এই পথে ঋণ নিয়ে রোজগেরে হয়ে ওঠা যায় তারই উপায় জানালেন সংস্থার কর্ণধার। প্রতিবেদনে কমলিনী চক্রবর্তী।
বিশদ

31st  August, 2019
কুড়ির তারুণ্যে ভরা ল্যা ক মে

পাঁচদিনের ‘ল্যাকমে ফ্যাশন উইক উইন্টার-ফেস্টিভ ২০১৯’-র এবারের আসরও ছিল জমজমাট। এবছর কুড়িতে পা দিল ল্যাকমে ফ্যাশন উইক। কুড়ির অভিজ্ঞতা গায়ে মেখে তারুণ্যে ভরা ল্যাকমের আসর থেকে নতুন নতুন ফ্যাশনধারার সন্ধান দিলেন আমাদের মুম্বই প্রতিনিধি দেবারতি ভট্টাচার্য।
বিশদ

31st  August, 2019
একনজরে
 নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি, ২০ সেপ্টেম্বর: চলতি ২০১৯-২০ আর্থিক বছরে দেশের মাইক্রো-ফিনান্স ইন্ডাস্ট্রি ২ লক্ষ ৫০ হাজার কোটি টাকার গণ্ডি অতিক্রম করবে। স্ব-ধন ‘ভারত মাইক্রো-ফিনান্স রিপোর্ট, ২০১৯’-এ প্রকাশ পেয়েছে এই তথ্য। ...

 ইন্দোনেশিয়া, ২০ সেপ্টেম্বর: দ্বিতীয় ভারতীয় ব্যাডমিন্টন প্লেয়ার হিসেবে এশিয়ান টেবল টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠলেন জি সাথিয়ান। বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ে ভারতের টপ র‌্যাঙ্কিং সাথিয়ান ১১-৭, ১১-৮, ১১-৬ পয়েন্টে হারালেন উত্তর কোরিয়ার আন-জি সংকে। ...

সংবাদদাতা, ঘাটাল: কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপির সংসদ সদস্য বাবুল সুপ্রিয়কে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে হেনস্তার প্রতিবাদে শুক্রবার দুপুরে দাসপুর থানার গৌরা বাসস্টপে বিজেপি পথ অবরোধ করে।  ...

বিএনএ, রায়গঞ্জ: দুই শিক্ষাকর্মীর বদলির প্রতিবাদে ছাত্র আন্দোলনে শুক্রবার উত্তাল হল রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়। এদিন বিশ্ববিদ্যালয়ে অঙ্ক ও কম্পিউটার অ্যান্ড ইনফর্মেশন সায়েন্স বিভাগের সামনে কয়েকশ’ ছাত্রছাত্রী ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শরীর ভালো যাবে না। সাংসারিক কলহবৃদ্ধি। প্রেমে সফলতা। শত্রুর সঙ্গে সন্তোষজনক সমঝোতা। সন্তানের সাফল্যে মানসিক ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস
১৮৬৬: ব্রিটিশ সাংবাদিক, ঐতিহাসিক ও লেখক এইচ জি ওয়েলসের জন্ম
১৯৩৪: জাপানের হনসুতে টাইফুনের তাণ্ডব, মৃত ৩ হাজার ৩৬ জন
১৯৪৭: মার্কিন লেখক স্টিফেন কিংয়ের জন্ম
১৯৭৯: ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেটার ক্রিস গেইলের জন্ম
১৯৮০: অভিনেত্রী করিনা কাপুর খানের জন্ম
১৯৮১: অভিনেত্রী রিমি সেনের জন্ম
১৯৯৩: সংবিধানকে অস্বীকার করে রাশিয়ায় সাংবিধানিক সংকট তৈরি করলেন তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বরিস ইয়েলৎসিন
২০০৭: রিজওয়ানুর রহমানের মৃত্যু
২০১৩: কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবিতে ওয়েস্ট গেট শপিং মলে জঙ্গি হামলা, নিহত কমপক্ষে ৬৭

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.১৯ টাকা ৭২.৭০ টাকা
পাউন্ড ৮৬.৪৪ টাকা ৯১.১২ টাকা
ইউরো ৭৬.২৬ টাকা ৮০.৩৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৭,৯৯০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,০৪৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬,৫৮৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৫,৯০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৬,০০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৪ আশ্বিন ১৪২৬, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, শনিবার, সপ্তমী ৩৭/১২ রাত্রি ৮/২১। রোহিণী ১৪/৪৩ দিবা ১১/২২। সূ উ ৫/২৮/২৩, অ ৫/৩১/৪০, অমৃতযোগ দিবা ৬/১৬ মধ্যে পুনঃ ৭/৪ গতে ৯/২৯ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৪ গতে ৩/৬ মধ্যে পুনঃ ৩/৫৫ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ১২/৪১ গতে ২/১৭ মধ্যে, বারবেলা ৬/৫৯ মধ্যে পুনঃ ১/০ গতে ২/৩০ মধ্যে পুনঃ ৪/০ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ৭/১ মধ্যে পুনঃ ৩/৫৯ গতে উদয়াবধি।
৩ আশ্বিন ১৪২৬, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, শনিবার, সপ্তমী ২৫/২২/২১ দিবা ৩/৩৭/৫। রোহিণী ৭/১/২৪ দিবা ৮/১৬/৪৩, সূ উ ৫/২৮/৯, অ ৫/৩৩/২৯, অমৃতযোগ দিবা ৬/২০ মধ্যে ও ৭/৭ গতে ৯/২৯ মধ্যে ও ১১/৪৮ গতে ২/৫৫ মধ্যে ও ৩/৪২ গতে ৫/৩৩ মধ্যে এবং রাত্রি ১২/৩৮ গতে ২/১৭ মধ্যে, বারবেলা ১/১/২৯ গতে ২/৩২/৯ মধ্যে, কালবেলা ৬/৫৮/৪৯ মধ্যে ও ৪/২/৪৯ গতে ৫/৩৩/২৯ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/২/৪৯ মধ্যে ও ৩/৫৮/৪৯ গতে ৫/২৮/২৮ মধ্যে।
২১ মহরম

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
রাজীব কুমারের আগাম জামিনের আবেদন খারিজ
আজ রাজীব কুমারের আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করে দিল আলিপুর ...বিশদ

08:21:33 PM

ফের সিএবি প্রেসিডেন্ট সৌরভ
আরও একবার সিএবি-র প্রেসিডেন্ট হলেন সৌরভ গঙ্গোপাধধ্যায়। আজ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ...বিশদ

07:39:27 PM

অস্কারে মনোনীত ছবি-গালি বয়

06:03:00 PM

ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় যুবককে মারধর
স্কুলের ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করার প্রতিবাদ করায় এক যুবককে লাঠি-রড দিয়ে ...বিশদ

05:22:00 PM

মুর্শিদাবাদে আগ্নেয়াস্ত্র সহ গ্রেপ্তার ১ 
আজ সকালে মুর্শিদাবাদের পাহাড়ঘাটি মোড় থেকে আগ্নেয়াস্ত্র সহ সফিকুল ইসলাম ...বিশদ

05:13:00 PM

দীঘায় ডুবন্ত ব্যক্তিকে উদ্ধার করল নুলিয়া
 

দীঘার সমুদ্রে তলিয়ে যাওয়ার মুখে এক পর্যটককে উদ্ধার করল নুলিয়া। ...বিশদ

05:05:00 PM