চারুপমা
 

 অক্ষয় হোক স্ত্রীধন

আজ অক্ষয় তৃতীয়া। এই পূণ্য তিথিতে স্বর্ণালংকার ক্রয় করলে শুভফল লাভ হয়। স্বর্ণালংকার স্ত্রীধনও বটে। আলোচনায় শ্যামলী বসু।

সেকালে মেয়েদের নিজস্ব সম্পত্তি বা স্ত্রীধন বলতে বোঝাতো পরিবারের গিন্নি, মেয়ে, বউদের গয়নাপত্র। তাই সচ্ছল সম্পন্ন পরিবার থেকে সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারেও বিয়ের সময় বউ-মেয়েদের সাধ্যমতো গয়না দেওয়া হত। গা ভরা সোনা-জড়োয়ার গয়নায় মেয়ে-বউদের রূপের জৌলুস বাড়বে। আবার ভবিষ্যতে নিতান্ত প্রয়োজন হলে ওই গয়নাই কত কাজে আসবে। কতরকমের গয়না—মুকুট, সিঁথি, ঝাপটা, চিক, নেকলেস, সীতাহার, বীরবৌলি, কানপাশা, ঝুমকো, চুড়ি, চূড়, বালা, ব্রেসলেট কত বলা যায়? এছাড়াও ছিল দুটি সুন্দর গয়না— নথ আর ব্রোচ।
বিয়ে, বউভাত, পুজো বা অন্যান্য উৎসবে, নিজের বাড়ি বা কুটুম্ব-আত্মীয়বাড়িতে গা ভরা গয়নায় সেজে মেয়ে-বউরা পালকি বা জুড়িগাড়ি থেকে নামত আশপাশের সকলের চোখ ঝলসে দিয়ে। আর এই গয়না পরা নিয়ে বিভিন্ন পরিবারের মধ্যে চলত একটা অলিখিত প্রতিযোগিতা বা রেষারেষি। তেমনই একটি স্মৃতির ছবি দেখতে পাই দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের এক পুত্রবধূ, প্রফুল্লময়ীর আত্মকথায়। ‘উৎসবের সময় আমাদিগকে নানারকম গহনা পরিয়া সাজিতে হইত। বাড়ির যে নতুন বউ.... তাহাকে আরও বেশি গহনার উৎপাত সহ্য করিতে হইত। গহনার ভারে কোনওরকমে বাঁকিয়া চুরিয়া চলিতাম, তাহাতে বাহিরের লোকেরা মনে করিত যে আমি গহনার জাঁকে ও গুমরে ঐরূপভাবে চলিতেছি।’ গয়নার ভারে তন্বী ত্রয়োদশী বধূটির অবস্থা আজকের যুগে মনে হবে গল্পকথা!
তবে গল্পকথা নয়, এমন গয়নাই সেকালের সচ্ছল পরিবারের রীতি ছিল সেকথা জানা যায় সেকালের আর এক গরবিনী সীমন্তিনী-কৈলাসবাসিনীর নিজের কথায়। ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট কিশোরীচাঁদ মিত্রের স্ত্রী কৈলাসবাসিনী লিখে গিয়েছেন তাঁর অলংকার ঐশ্বর্যের কথা আজ থেকে একশো বাষট্টি বছর আগে। ‘কোমরে দুই ছড়া চন্দ্রহার আর গোট চাবিশিকলি। হাতে দমদম মিচরি তিনজোড়া। পিনখাড়ু তিনজোড়া। ঘোড়োয়া পঁইছা। হাতাহার জাল ও হাতের মুকুতা। হাতে চালদানা, সরদানা। নঙ্গ (লবঙ্গ) কলি, নঙ্গফুল নারিকেল ফুল, মাদুলি, সোনার পঁইছা, বাউটি ও হাতমাদুলি। ওপর হাতে তাবিজ ও বাজ। তাগা, জমন (জসম) ঝাঁপা ও নবরত্ন। গলায় ডামন (ডায়মন্ড) কাটা চিক ও গোপহার ও ছড়িহার ও হেঁসো (হাঁসুয়া) হার। ন-নর গোলমালা। সাত নরদানা। পাচনর পানহার, ন-নর মুকুতা। দো-নর মুকুতা। মুকুতার কন্টি ও আরেক ছড়া কন্টি (কণ্ঠি)। কানে তিনজোড়া চউদানি, দু’জোড়া কানবালা, মুকুতার গোচা ও কান, ঝোমকা (ঝুমকা)। মাতায় সিঁতি ও ফুলকাঁটা ও গোট। গলায় চাপকলি ও ধুকধুক। এছাড়া পায়ে ছ’গাছা মল ছিল আশি ভরির। জড়োয়া নথও ছিল কয়েকটি। আরও গয়না নানা উপলক্ষে পেয়েছিলেন বাবা, স্বামী ও শাশুড়ির কাছ থেকে’।
সেকালে গয়নাগাটি মেয়েদের এমনই ছিল। ভারী গয়না। অবনীন্দ্রনাথ দেখেছেন তাঁর সুন্দরী পিতামহীর কিছু গয়না ছিল মায়ের কাছে। ‘হীরে মুক্তো দেওয়া কান, ঝাপটা। ....একটি সাতনরীহার ছিল কী সুন্দর। দুগগো প্রতিমার গলায় যেমন থাকে। সেই ধরনের।’ সেকালেও পুরনো দিনের ভারী জমকালো গয়নার কদর ছিল বেশি। গগনেন্দ্রনাথের মেজ মেয়ে পূর্ণিমা লিখেছেন সেকথা। তাঁর দাদার বিয়েতে বউ আনতে যাওয়ার সময় পিতামহী সৌদামিনী তাঁর নিজের সেকেলে সব গয়না বের করে দিলেন। বললেন, ‘তোমাদের নতুন গয়না যৌতুক কর। ভারী গয়না না হলে কি বউ মানায়।’ সেইসব ভারী সেকেলে গয়নার কথাও বলেছেন পূর্ণিমা। ‘হীরের কণ্ঠা, কঙ্কন, বাউটি, কানবালা, হীরের কান।’
লেখিকা জ্যোতির্ময়ীদেবী লিখেছেন তাঁর বিয়ের গয়নার কথা। জয়পুর রাজ্যের প্রধানমন্ত্রী সংসারচন্দ্র সেনের পৌত্রী ছিলেন তিনি। তাঁর বিয়েতে বাপের বাড়ি থেকে দেওয়া হয়েছিল ‘মুকুট নয় ভরি, কান ছয় ভরি। সাতলহরী চোদ্দো ভরি চূড় চোদ্দো ভরি। বালা পাঁচ ভরি, তাবিজ সাত ভরি বাঁক পাঁচ ভরি, গোট দশ ভরি।’ আর ছিল হাতভরা চুড়ি, খোঁপার ফুল চিরুনি চার ভরি, জড়োয়া মুক্তো মিনার সরস্বতীহার, নেকলেস, রুপোর মল ছিল ত্রিশ ভরি, পাঁয়জোর কুড়ি/পঁচিশ ভরি।’
উত্তরবাংলার হরিপুরের জমিদারবাড়ির মেয়ে কবি প্রসন্নময়ী লিখেছেন—বাড়ির মেয়ে-বউদের বারোমাসের আটপৌরে গয়না ছিল ‘হাতে বেঁকি চুড়ি, নারকেল ফুল, পৈঁচে, গলায় চাঁপকলি, তুলসীদানা, কানে কদমফুল, পিপুলপাতা, নাকে বেশর, কোমরে গোট।’— এই সামান্য বারোমেসে গয়না হলে জমিদারবাড়ির আভিজাত্যের ঠাঁট বজায় রাখা যেত না।
দ্বারকানাথ ঠাকুরের পরিবারের ছ’বছর বয়সের গৌরাঙ্গী সারদা পুত্রবধূ হয়ে আসার পর সংসারে নানা শ্রীবৃদ্ধি ঘটল। তাতে পরম সন্তুষ্ট দ্বারকানাথ পুত্রবধূকে কিনে দিয়েছিলেন— লক্ষ টাকা দামের জড়োয়া খেলনা। দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরকে খুব খুশি করেছিলেন বিদুষী দৌহিত্রী সরলা, মাতামহের প্রিয় কবি হাফেজের কবিতায় সুর বসিয়ে, গান গেয়ে শুনিয়ে। দেবেন্দ্রনাথ দৌহিত্রীকে উপহার দিয়েছিলেন চুনি ও হীরে বসানো নেকলেস আর ব্রেসলেট। মামাবাবু দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশকে গান শুনিয়ে সন্তুষ্ট করে সুগায়িকা ভাগনি সাহানা উপহার পেয়েছিলেন— হীরের আংটি আর বড় বড় মুক্তো বসানো নেকলেস। অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাছে ছিল একটি দুর্লভ মোহর। যার একপিঠে জাহাঙ্গির অন্য দিকে ছিল নূরজাহানের ছবি। আর ছিল একটি বড় পান্না। নিজের জহুরিকে ডেকে সেই মোহর ও পান্না দিয়ে অবনীন্দ্রনাথ স্ত্রী সুহাসিনীকে একটি সুন্দর ব্রোচ তৈরি করিয়ে দিয়েছিলেন। ইন্দিরা দেবীচৌধুরানির বিয়ের সময় বাবা মা তাঁকে দিয়েছিলেন একটি ‘প্ল্যাটিনামের উপর হীরে বসানো বেশ বড় একটি ফুলপাতা নকশার ব্রোচ। তার বড় ফুলটা কাঁপত।’ লীলা মজুমদার লিখেছেন তাঁর ছোট পিসিমার মেয়ে মালতীর ব্রোচে ‘মস্ত মুক্তোর ভিতরে আলো জ্বলত।’
প্রাক বিবাহ পর্বে ইন্দিরা ভাবী স্বামী প্রমথনাথের কাছ থেকে উপহার পেয়েছিলেন এক চেন ব্রেসলেট যা সেকালে বিদেশিনী মেমদের হাতে দেখা যেত।
গয়না নিয়ে চিরদিনই সংসারে, পরিবারে অনেক কথা! অনেক বিবাদ। ঈর্ষা, পরশ্রীকাতরতা। অনেক দম্ভ, লোভ, মান অভিমান, এমনকী মামলা-মোকদ্দমাও হয়েছে। গয়নার সঙ্গে জড়িয়ে থাকে কত রোমান্স, রোমাঞ্চ আর ভালোবাসা, আবার দুঃখ ও চোখের জলও। তবুও সংসারে মেয়েদের গয়নার প্রতি দুর্বলতা থাকবেই।
একালেও মেয়েরা গয়না পরে সাজতে ভালোবাসে। তবে সেকালের মতো একশো/দেড়শো ভরির সোনার গয়না এখন গল্পকথা। মেয়ের বিয়েতে পনেরো-বিশ ভরির গয়না দিতেই গৃহস্থের অবস্থা কাহিল হয়ে পড়ছে।
যুগের প্রয়োজনে স্বর্ণব্যবসায়ী, স্বর্ণকাররাও নতুন ধরনের গয়না করার চেষ্টা করছেন। সেকালের ভারী ভারী গয়নার বদলে নান্দনিক নকশার হালকা গয়না তৈরি করছেন। মধ্যবিত্ত মানুষের কেনার ক্ষমতার দিকে নজর রেখেই।
29th  April, 2017
 চরিত্র যেমন সাজ তেমন

 অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় ও শ্যামসুন্দর দে নিবেদিত দেখ কেমন লাগে ছবিটি গতকাল মুক্তি পেয়েছে। ছবিটি পরিচালনা করেছেন অভিজিৎ গুহ ও সুদেষ্ণা রায়। পোশাক পরিকল্পনার দায়িত্বে আছেন পায়েল দত্ত। খবরে চৈতালি দত্ত। বিশদ

22nd  July, 2017
 পুজোর সাজে মৈত্রেয়ী

 শাড়ি পরতে খুব ভালোবাসেন অভিনেত্রী মৈত্রেয়ী মিত্র। পুজোর পাঁচদিনের জন্য তাঁর পছন্দের ছ’টি শাড়ি বেছে নিলেন। কোন দিনের সাজ কেমন তার বর্ণনা দিচ্ছেন সোমা লাহিড়ী। বিশদ

22nd  July, 2017
 মুখোমুখি সব্যসাচী

সব্যসাচী মুখোপাধ্যায়। আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ফ্যাশন ডিজাইনার। সম্প্রতি তিনি ফরএভারমার্ক ব্র্যান্ডের সঙ্গে পাঁচ বছরের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। ১২ জুলাই জে ডাবলু ম্যারিয়েট হোটেলে তঁার সঙ্গে কথা বললেন চৈতালি দত্ত।
বিশদ

15th  July, 2017
 পুজোর সাজে অমৃতা

 ষষ্ঠী থেকে দশমী শাড়িতেই সাজতে চান অভিনেত্রী অমৃতা চট্টোপাধ্যায়। তঁার পুজো সাজের বর্ণনায় সোমা লাহিড়ী। বিশদ

15th  July, 2017
পুজোর সাজে প্রবাসী কন্যে

 মুম্বইতে পুজোর ফটো শ্যুটে হাজির দুই অভিনেত্রী মিষ্টি চক্রবর্তী ও ফ্লোরা সাইনি। কেমন সাজে সাজতে চান তাঁরা, কীভাবে কাটাতে চান পুজোর দিনগুলো জানালেন সোমা লাহিড়ীকে।
বিশদ

08th  July, 2017
 চরিত্র যেমন সাজ তেমন

 অরিজিৎ বিশ্বাস পরিচালিত সূর্য পৃথিবীর চারদিকে ঘোরে ছবির শ্যুটিং শেষ হল। ছবিটির পোশাক পরিকল্পনার দায়িত্বে আছেন রুমা সেনগুপ্ত। খবরে চৈতালি দত্ত।
বিশদ

08th  July, 2017
 রথে চড়ে পুজো এলো

 রিমঝিম বৃষ্টির মাঝেই উঁকি দিচ্ছে পুজোর রোদ্দুর। সেই রোদ গায়ে মেখে হাজির পাঁচটি পাঁচ ধরনের শাড়ি। বর্ণনায় সোমা লহিড়ী। বিশদ

01st  July, 2017
বর্ণময় বালুচরি

বাংলার ঐতিহ্যবাহী শিল্প বালুচরি। অষ্টাদশ শতাব্দীতে মুর্শিদাবাদে প্রথম ওই কাজ শুরু হয়। পরে তা স্থানান্তরিত হয় বীরভূমের বিষ্ণুপুরে। প্রথমে বালুচরির শাড়িতে পৌরাণিক কাহিনি সংক্রান্ত মোটিফের নকশা ফুটিয়ে তোলা হত। পরে ব্রিটিশ আমলে বাবু কালচার, সাহেব বিবি, হুকো ইত্যাদি নানা মোটিফ বালুচরি শাড়িতে ফুটিয়ে তোলা হত। 
বিশদ

24th  June, 2017
 লেগিংস লাভ

 কামিজ হোক বা কুর্তি, লং টপ হোক বা অ্যাসিমেট্রিক টপ সঙ্গে জুড়িদার এখন চুড়িদার নয়, লেগিংস। নরম গেঞ্জি মেটিরিয়ালের রংবেরঙের লেগিংসের বর্ণনায় কমলিনী চক্রবর্তী।
বিশদ

16th  June, 2017
 গরমে আরাম মলমলে

রোদের উত্তাপ আর ভ্যাপসা গরমে কোন শাড়িতে হাত বাড়াবেন ভাবছেন তো? তুলতুলে নরম মলমলের মতো আরামদায়ক শাড়ি আর নেই। রকমারি মলমলের সন্ধান দিচ্ছেন সোমা লাহিড়ী।
বিশদ

16th  June, 2017
 কুর্তি কথা

 কুর্তিতে এখন প্রাচ্য আর পাশ্চাত্যের মিলমিশ। রঙেও বৈচিত্রের অন্ত নেই। নানারকম কুর্তির খবরে কমলিনী চক্রবর্তী। বিশদ

10th  June, 2017



একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ২১ জুলাই শহিদ দিবসের সমাবেশে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের করা মন্তব্য নিয়ে ওঠা বিতর্কের ঝড় রাজ্যের গণ্ডি পেরিয়ে এবার জাতীয় স্তরে উঠে এল। নরেন্দ্র মোদির ব্যর্থতা তথা বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলির অপশাসন নিয়ে শুক্রবার ধর্মতলার ঐতিহাসিক সমাবেশমঞ্চ থেকে ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বহরমপুর সেন্ট্রাল জেল থেকে চিকিৎসার জন্য কলকাতায় নিয়ে আসা বিচারাধীন বন্দি উধাও হল হাসপাতাল থেকে। পলাতক ওই বন্দির নাম সোহেল রানা (২৫)। ...

 সংবাদদাতা, ঘাটাল: দুই দেশের খেলা দেখার জন্য ভিড় উপচে পড়ল দাসপুর-১ ব্লকের কলোড়াতে। শনিবার পশ্চিম মেদিনীপুর ফুটি অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে কলোড়া স্কুল ফুটবল মাঠে ভারতের জাতীয় ...

দিব্যেন্দু বিশ্বাস, নয়াদিল্লি, ২২ জুলাই: জাতীয় গড়ের তুলনায় পশ্চিমবঙ্গে বেকারত্বের হার বেশি। সম্প্রতি লোকসভায় কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রী বন্দারু দত্তাত্রেয়’র পেশ করা রিপোর্টে প্রকাশ পেয়েছে এই তথ্য। একইসঙ্গে সংশ্লিষ্ট রিপোর্টে কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রী এও উল্লেখ করেছেন যে, ২০১২-১৩ আর্থিক বছরের তুলনায় ২০১৫-১৬ অর্থবর্ষে ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ব্যাবসা সূত্রে উপার্জন বৃদ্ধি। বিদ্যায় মানসিক চঞ্চলতা বাধার কারণ হতে পারে। গুরুজনদের শরীর স্বাস্থ্য নিয়ে ... বিশদ



ইতিহাসে আজকের দিন

 ১৮৫৬- স্বাধীনতা সংগ্রামী বাল গঙ্গাধর তিলকের জন্ম
 ১৮৯৫ – চিত্রশিল্পী মুকুল দের জন্ম
 ২০০৪- অভিনেতা মেহমুদের মৃত্যু
 ২০১২- আই এন এ’ যোদ্ধা লক্ষ্মী সায়গলের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৫৫ টাকা ৬৬.২৩ টাকা
পাউন্ড ৮১.৯৮ টাকা ৮৪.৯৬ টাকা
ইউরো ৭৩.৫৬ টাকা ৭৬.১৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
22nd  July, 2017
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৯,০৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৭,৫৮০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৭,৯৯৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৬০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

 ৭ শ্রাবণ, ২৩ জুলাই, রবিবার, অমাবস্যা দিবা ৩/১৬, পুনর্বসুনক্ষত্র দিবা ৯/৫৩, সূ উ ৫/৭/৫৭, অ ৬/১৮/৫, অমৃতযোগ প্রাতঃ ৬/১-৯/৩১ রাত্রি ৭/৪৫-৯/১১, বারবেলা ১০/৪-১/২২, কালরাত্রি ১/৪-২/২৬।
৬ শ্রাবণ, ২৩ জুলাই, রবিবার, অমাবস্যা ৩/৫২/৫৯, পুনর্বসুনক্ষত্র ১১/৫/৩৬, সূ উ ৫/৪/৫০, অ ৬/২০/৬, অমৃতযোগ দিবা ৫/৫৭/৫১-৯/২৯/৫৫, বারবেলা ১০/৩/৩-১১/৪২/২৮, কালবেলা ১১/৪২/২৮-১/২১/৫২, কালরাত্রি ১/৩/৪-২/২৩/৩৯।
 ২৮ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ভারতের জয়ের জন্য ৬ ওভারে ৩১ রান প্রয়োজন 

09:47:31 PM

ভারত ১৪৫/৩ (৩৫ ওভার) 

09:08:03 PM

ভারত ১২০/২ (৩০ ওভার) 

08:45:54 PM

ভারত ৬৯/২ (২০ ওভারে)

08:10:29 PM

ভারত ৪৩/২ (১২ ওভারে)

07:41:49 PM

ভারত ৩১/১ (৮ ওভারে)

07:26:26 PM