বিশেষ নিবন্ধ
 

ডোকলাম শিক্ষা: নতুন রণকৌশল জরুরি
গৌরীশংকর নাগ

অবশেষে তিয়াত্তর দিনের মাথায় ভারতের শিয়র থেকে ডোকলা সংকটের সিঁদুরে মেঘ কাটল, যদিও পুরোপুরি মেঘ কেটে গিয়েছে, পরিস্থিতি অনুকূল হয়ে উঠেছে—এখনই সেকথা বলার সময় আসেনি। যদিও জুন মাস থেকে যে টানটান উত্তেজনায় আমরা প্রহর গুনছিলাম এই বুঝি শুরু হল ভারত-চীন সামরিক দ্বৈরথ—সেই উত্তেজনা প্রশমনের আপাতত একটা রুট তৈরি হয়েছে বলা যায়। যদিও এই প্রাপ্তিযোগ খানিকটা অপ্রত্যাশিতভাবে ভারতকে হাঁফ ছাড়ার সুযোগ করে দিয়েছে। তবে শুধু ভারতই বা কেন, ভারত-চীন পেশি আস্ফালনের মধ্যে পড়ে হিমালয়ের বুকে ক্ষুদ্রকায় ভুটানের অবস্থা হয়ে উঠেছিল আরও শোচনীয়। একদিকে যেমন সীমান্ত নিয়ে চীনের সঙ্গে সংঘাতে ভুটানকে যুঝতে হয়েছে, তেমনই চীনের বিপ্রতীপে বারবার ভারতের পক্ষ নেওয়ায় ভুটানের কাছে তা খুব চড়ামূল্যের হয়ে উঠেছে।
ডোকলাম বিতর্কের দ্বিমাসাধিক সময়ে যখন ভারতের প্রতিবেশীরা আগ্রহ নিয়ে তাকিয়েছিল ভারতের পদক্ষেপের দিকে, তখন বলাই বাহুল্য দুর্বল ও ক্ষুদ্র প্রতিবেশীর কাছ থেকে ভারত যে সমর্থন পেয়েছে সেই দায় নিউ দিল্লি ঝেড়ে ফেলতে পারবে না। ঠিক যেমন ভারতকে তার ভুল নেপালনীতির জন্য এখন মাশুল গুনতে হচ্ছে। এই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে নিউ দিল্লি যেভাবে নতুন করে ঘুঁটি সাজাতে চাইছে (মোদির ‘প্রতিবেশী দেশকে সর্বাধিক গুরুত্ব দাও’-এর নীতি প্রসঙ্গত লক্ষণীয়) তাতেই চীনের গাত্রদাহ বেড়ে যাবার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। কারণ এশিয়া মহাদেশে শক্তি ও প্রভাবের নিরিখে চীনকে টক্কর দিতে পারে একমাত্র ভারতই। তবে চীনের রাজনৈতিক নেতৃত্ব ভারতের উত্থানকে যথোচিত গুরুত্ব দিতে নারাজ।
ডোকলাম বিতর্কের এপিসোড থেকে দেখা যায়, তার সঙ্গে ’৬২ সালের চীন ভারত সীমান্ত সংঘাত, ১৯৮৭ সালের সোং ডুরাং চু সংকট, সাম্প্রতিককালে লাদাখের ডেপসাং ও চুমর আঞ্চলিক বিবাদের মিল থাকলেও ভূ-রাজনৈতিক কারণে ডোকলাম সংকটের চরিত্র আলাদা। প্রথমত, ডোকলাম মালভূমি ভারতের সীমানাভুক্ত নয়। বরং এই বিতর্কিত ভূখণ্ড নিয়ে চীনের সঙ্গে ভুটানের দরকষাকষি চলছে। অর্থনৈতিকভাবে দেখলেও বরফাচ্ছন্ন এই অঞ্চলের তেমন কোনও আকর্ষণীয় মূল্য ভুটানের কাছে নেই। কিন্তু এই মালভূমির স্ট্রাটেজিক গুরুত্বের কথা চিন্তা করে ভারত এই ডিলের বিরোধী। ভারতের এই মনোভাব প্রকাশ্যে এল যখন আমরা দেখলাম প্রথমবার ভারতীয় বাহিনী চীনের গোপন ছককে ভেস্তে দিতে ভুটানে প্রবেশ করেছে। পূর্বে অরুণাচলপ্রদেশে বা পশ্চিমে সিয়াচেনে সুবিধা করতে না পেরে চীন এই বিতর্কিত সীমানার সুযোগ নিয়ে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের প্রবেশপথ সংকীর্ণ শিলিগুড়ি করিডোরকে কবজা করতে চেয়েছে। তাই ভারতীয় বাহিনী যখন সেই ছক ভেস্তে দিল, তখন আগুনে ঘৃতাহুতির মতো চীন আরও হিংস্র ও আক্রমণাত্মক হয়েছে। তার প্রমাণ ভাষা প্রয়োগের ক্ষেত্রে চীনের শালীনতার অভাব লক্ষণীয় হয়ে উঠেছে। চীনের উদ্দেশ্য ছিল ভয় দেখিয়ে, সংবাদপত্র ও গণমাধ্যমে আক্রমণাত্মক প্রচার চালিয়ে এবং আইনগত যুক্তিকে খাড়া করে ভারতকে পিছু হটানো। চীনের এই ‘ত্রিমাত্রিক রণকৌশল’ সম্পর্কে আগে থেকে সচেতন হওয়ায় স্নায়ুর চাপ নেওয়ার ক্ষমতা ভারতের হয়েছে। ডোকলাম বিতর্কের সময় চীনের আইনি যুক্তি ছিল সিকিমও তিব্বতের মধ্যে ১৮৯০ সালের চুক্তি। এ প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে ভারতের প্রাক্তন বিদেশ সচিব শ্যাম শরণ বলেন, চীন তার আধুনিক ক্ষমতা কাঠামো নির্মাণের জন্য ঐতিহাসিক দলিল-দস্তাবেজের সাহায্য নিচ্ছে। এর উদ্দেশ্য, ঐতিহাসিক পর্বের যে আধিপত্য চীন সাম্রাজ্য ভোগ করত, বর্তমান প্রেক্ষিতে তাকে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করা। নয়াদিল্লির একটি প্রখ্যাত থিঙ্কট্যাঙ্কের গবেষণা সহায়িকা প্রজ্ঞা সুরানার মতে, চীনের অভ্যাস হল ঐতিহাসিক চুক্তিগুলিকে নিজস্ব দৃষ্টিকোণ অনুযায়ী ব্যাখ্যা করা। এর ফলে একদিকে সে যেমন ঔপনিবেশিক অতীতকে সমালোচনায় বিদ্ধ করেছে, আবার কখনও সুবিধামতো তাকে মেনেও নিয়েছে। এর বড় প্রমাণ ভারতের সঙ্গে চীনের সীমান্ত বিবাদের ক্ষেত্রে চীন ম্যাকমোহন লাইনকে মানে না। অথচ এই ম্যাকমোহন লাইনের ওপর ভিত্তি করেই চীন মায়ানমারের সঙ্গে তার সীমান্ত বিরোধ নিষ্পত্তি করতে চেয়েছে।
ডোকলাম বিতর্কের আরও দুটি দিকে নজর আন্দাজ না করলেই নয়। প্রথমত, ভারতের কাছে এটা কেবলমাত্র মুখরক্ষার লড়াই—এমনটা ভাবলে ভুল হবে। সুমিত গাঙ্গুলি, সুবীর ভৌমিক প্রমুখ মনে করেন ডোকলামে চীনা আগ্রাসী মনোভাবের গভীর স্ট্রাটেজিক তাৎপর্য ছিল। তা হল, ভয় দেখিয়ে, ভয়ানক চাপ সৃষ্টি করে কোনও মতে যদি ভারতকে ডোকলাম থেকে সেনা প্রত্যাহারে বাধ্য করা যায়, তাহলে একথা প্রমাণ করা সহজতর হবে যে ভুটানের স্বার্থে নয়, ভারত কেবলমাত্র নিজস্ব নিরাপত্তার স্বার্থেই ডোকলামে সেনা মজুত করেছে। তখন ভারতের ওপর প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলির আস্থা আর থাকত না। সেই সঙ্গে এমন একটা বিরূপ সম্ভাবনা তৈরি হত যে চীনের চাপের সামনে কোনও প্রতিবেশী রাষ্ট্রকে বাঁচানোর জন্য অন্য কোনও প্রতিবেশী এগিয়ে আসার সাহসও পেত না। এর ফলে হিমালয়ের বুকে চীনের পক্ষে একটা অপ্রতিরোধ্য প্রভাব বলয় তৈরি হত।
দ্বিতীয়ত, কেউ কেউ মনে করেন চীনের এই আক্রমণাত্মক আচরণের পিছনে যেমন তার আহত অর্থনৈতিক ইগো কাজ করেছে, কারণ ভারত স্পষ্টতই তার বেল্ট রোড পরিকল্পনাকে সমর্থন করেনি, তেমনি এর পিছনে চীনের সর্বোচ্চ রাজনৈতিক নেতৃত্বের অভিসন্ধি তথা রাজনৈতিক সমীকরণ কাজ করে থাকতে পারে। সেটা হল দেশের ভেতর বিশেষ করে সামরিক লবিকে পাশে নিয়ে একটা জনপ্রিয় ইমেজ গড়ে তোলা। এর ফলে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির মধ্যে বিরোধী শিবিরকে কোণঠাসা করা যাবে, বিশেষত, যখন আসন্ন অক্টোবরে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির কংগ্রেস আহত হতে চলেছে।
পরিশেষে যে কথা বলে আপাতত শেষ করব তা হল ডোকলাম বিতর্ককে শুধু সামরিক লেন্স দিয়ে দেখলে ভুল হবে। প্রতিবেশী সম্পর্ককে সামরিকীকরণ করা ভুল রণনীতির পরিচায়ক। এমনিতেই দক্ষিণ এশিয়ায় চীন, পাকিস্তান মিলিতভাবে যে বন্দর ও সড়ক যোগাযোগের গাঁটছড়া বাঁধার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে তার প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়বে কাশ্মীর তথা ভারত-পাক সম্পর্কে। তার ফলে দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের হেজিমনি আদৌ থাকবে কি না, তা নিয়ে যথেষ্ট সংশয় রয়েছে। এমতাবস্থায় যুদ্ধ শুরু হলে তা দাবানলের মতো অন্য সেক্টরেও ছড়িয়ে পড়তে পারে। অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা মজবুত না হলে তো কথাই নেই। সেক্ষেত্রে গোদের ওপর বিষফোড়া হয়ে উঠতে পারে অমীমাংসিত কাশ্মীর সমস্যা, গোর্খা বিচ্ছিন্নতাবাদ, নাগা সমস্যা ইত্যাদি। সেজন্য জিডিপি-র ঊর্ধ্বগতিকে ধরে রাখা ও বিবাদ নিরসনে কূটনৈতিক দৌত্যে আস্থা রেখে এগনোই ভারতের রণকৌশল হওয়া উচিত।
 লেখক সিধো-কানহো-বীরসা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক
12th  September, 2017
পাহাড়জুড়ে রাজ্যের শান্তি প্রক্রিয়া এবং
উন্নয়নের মাঝেও কেন এই রাজনীতি?
নিমাই দে

রাজ্যে এক সময় ৬০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী ছিল। এখন তা কমে এসে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৪৮ কোম্পানিতে। অথচ বিজেপি শাসিত অন্য কয়েকটি রাজ্যের দিকে তাকালে চিত্রটা পরিষ্কার হয়ে যাবে। ছত্তিশগড়ে ২৫২ কোম্পানি, ঝাড়খণ্ডে ১৪৪ কোম্পানি, দিল্লি ৪০ কোম্পানি ইত্যাদি। তারপরেও গত ১৫ অক্টোবর সাতসকালে কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক থেকে ফ্যাক্সবার্তায় জানিয়ে দেওয়া হল, পাহাড়ে থাকা মাত্র ১৫ কোম্পানির মধ্যে ১০ কোম্পনিই প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে।
বিশদ

নিজেদের মহানুভবতা সম্পর্কে উদাস বলেই
এদেশে কৃষকরা এত উপেক্ষার শিকার
রঞ্জন সেন

মহাত্মা গান্ধী বলেছিলেন, ‘‘কৃষকরা বিশ্বের পিতা, কিন্তু তাঁদের মহানুভবতা এই যে তাঁরা তা নিজেরাই জানেন না। তাঁরা নিজেরাই জানেন না তাঁদের কতটা মূল্য। তাঁরা তার ধারও ধারেন না।’’ কিন্তু স্বাধীনতার প্রায় ৭০ বছর পরেও দেশও কি তাদের মূল্য বুঝল?
বিশদ

২০১৭ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার প্রাপক থেলারের কাছ থেকে অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের শিক্ষা নিক মোদি সরকার
দেবনারায়ণ সরকার

 যুক্তিবাদী অর্থনীতি থেকে জীবনমুখী অর্থনীতিতে উত্তরণের অন্যতম মুখ্য পথপ্রদর্শক হলেন ২০১৭ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্ত বিখ্যাত অর্থনীতিবিদ রিচার্ড থেলার। থেলার তাঁর বিখ্যাত ‘‘Misbehaving: The making of behavioural economics’’ (‘অশোভন আচরণ: আচরণগত অর্থনীতির উদ্ভাবন’) গ্রন্থে বলেছিলেন, ‘অভিজ্ঞতা থেকে শিখতে গেলে দুটি উপাদান আবশ্যকীয়: বারবার অভ্যাস বা চর্চা করা এবং অবিলম্বে তাদের প্রতিক্রিয়া গ্রহণ করা’ বিশদ

19th  October, 2017
খিদে কি শুধুই পরিসংখ্যান?
শুভময় মৈত্র

 খবর এসে গিয়েছে যে খিদের সূচকে ভারত নাকি বিশ্বের মধ্যে বেশ খারাপ জায়গায়। আমাদের স্থান কাঁটায় কাঁটায় একশো, গত বছর যেটা ৯৭ ছিল। আশেপাশের দেশগুলোর মধ্যে ভারতের থেকে খিদে যাদের বেশি পাচ্ছে তারা হল পাকিস্তান (১০৬) আর আফগানিস্তান (১০৭)। ভারতের আগে আছে নেপাল (৭২), মায়নামার (৭৭), শ্রীলঙ্কা (৮৪) এবং বাংলাদেশ (৮৮)। যুদ্ধবিদ্ধস্ত ইরাক ৭৮-এ আর পরমাণু বোমা নিয়ে পেশিসঞ্চালনে পটুত্ব দেখানো উত্তর কোরিয়া ৯৩।
বিশদ

19th  October, 2017
একনায়ক কি জনপ্রিয়তা হারাচ্ছেন?
হিমাংশু সিংহ

 পুজোয় কয়েকদিন বারাণসীতে ছিলাম। পুরীর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে যুগ যুগ ধরে বাঙালির দ্বিতীয় হোমটাউন বলে কথা। তার ওপর দেশের ইতিহাসে হালফিল সবচেয়ে ক্ষমতাশালী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সংসদীয় কেন্দ্র।
বিশদ

17th  October, 2017
কলকাতার ভূকম্প প্রবণতা কি আদৌ বিপজ্জনক?
গৌতম পাল

 ভূমিকম্প একটি প্রাকৃতিক দুর্ঘটনা। ভূস্তরের অভ্যন্তরে লিথোস্ফেরিক যে কোনও দুটি প্লেটের অভিসারী বিচলনই ভূমিকম্পের মুখ্য কারণ। ভূমিকম্প পুরোপুরিই একটি অনিশ্চিত ঘটনা। কারণ, ভূমিকম্পের উৎসস্থল, বিস্তৃতি এবং তীব্রতা বা বিপর্যয়ের মাত্রা প্রভৃতি সম্পর্কে পূর্বাভাস দেওয়া কখনওই সম্ভব নয়।
বিশদ

15th  October, 2017
১৯০৫-এর বঙ্গভঙ্গের দহন
কখনও বিস্মৃত হবার নয়
শমিত কর

 মহারাষ্ট্রের স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রবাদপ্রতিম নেতা গোপালকৃষ্ণ গোখলে বাংলা সম্পর্কে যে সুবিখ্যাত উক্তি করেছিলেন তা ভারতবাসীর চিরকাল মনে থাকবে। তিনি বলেছিলেন, ‘বাংলা আজ যে-কথা চিন্তা করে তা ভারত আগামীদিনে করে।’ নতুন চিন্তা-চেতনা-মতবাদ উদ্রেকে বাংলা ও বাঙালিদের যেন কোনও জুড়ি নেই।
বিশদ

14th  October, 2017
ধনী সন্ন্যাসী, দরিদ্র সন্ন্যাসী
অতনু বিশ্বাস

 হঠাৎ করে সম্পদ, বিলাস, স্ত্রী, সন্তান, বন্ধু ত্যাগ করে সন্ন্যাসী হয়েছেন কোন বিশ্বাসে ভর করে? কথোপকথনের মাঝে সন্ন্যাসী জানান যে তাঁর পিতা তাঁর জাগতিক ত্যাগের অনুষ্ঠানের সময় বিপুল অর্থ ব্যয় করেছিলেন। যখনই সন্ন্যাসী হন কোন জৈন, তাঁর প্রস্থান করার ইচ্ছা বোধ করি মহাবীরের বিদায়ের জাঁকজমকের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে।
বিশদ

14th  October, 2017
বঙ্গ রাজনীতির আশা নিরাশা
সমৃদ্ধ দত্ত

মমতা কিন্তু একাই দিনের পর দিন ভোটে, ইস্যুতে, পারসেপশনে হারিয়ে চলেছেন একসঙ্গে আপনাদের তিনটি ন্যাশনাল লেভেলের দলকে। তিনি একা। বিরুদ্ধে তিনটি ন্যাশনাল টিম। তাও জিতছেন। সেটা কি হালকাভাবে নেওয়া যায়? তাই ব্যঙ্গ বা শ্লেষ অনেক হয়েছে। এবার সিরিয়াস পলিটিক্স করুন। সর্বাগ্রে স্টার্ট করুন একটা সহজ পন্থা দিয়ে। মমতার কুশলী রাজনীতিটাকে সমীহ করুন। অবজ্ঞা নয়। অবজ্ঞার মধ্যে একটা অন্ধত্ব আছে। সেটা হল প্রতিপক্ষের শক্তি বুঝেও উপেক্ষা করা। যা আবহমানকালের যুদ্ধকৌশলের লড়াইতে অচল!
বিশদ

13th  October, 2017
একনজরে
 নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়ে মৎস্যজীবীদের এক ট্রলারের ইঞ্জিন বিকল হয়ে গিয়েছে। ফলে ১৬ জন মৎস্যজীবীসহ ট্রলারটি বিপদে পড়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, চারদিন আগে এফবি সত্যনারায়ণ নামে ওই ট্রলারটি মাছ ধরতে গিয়েছিল। ...

বিএনএ, বহরমপুর: মুর্শিদাবাদ জেলায় সংগঠনের অঞ্চল ও ব্লক কমিটির নেতা-কর্মীদের জীবনপঞ্জি সংগ্রহ করছে তৃণমূলের কিষান খেত মজদুর কমিটি। ইতিমধ্যে তারা প্রতিটি অঞ্চল ও ব্লক কমিটির কাছে নির্দিষ্ট ফরম পাঠিয়েছে। পঞ্চায়েত ভোটের আগে তাদের এই কর্মসূচি নিয়ে দলের অন্দরেই গুঞ্জন শুরু ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বহু টালবাহানার পর অবশেষে স্কুল ইনসপেক্টর (এসআই) পদপ্রার্থীদের প্যানেলে ছাড়পত্র দিয়েছে বিকাশ ভবন। ৩৬১ জনের এই প্যানেল বহু আগেই ছেড়েছিল পাবলিক সার্ভিস ...

নয়াদিল্লি, ১৯ অক্টোবর: আটারি-ওয়াঘা সীমান্তে দীপাবলীর শুভেচ্ছা বিনিময় করল ভারত ও পাকিস্তান। বৃহস্পতিবার সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) এবং পাক রেঞ্জার্সরা শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি একে অপরের ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

পরীক্ষার ফলাফল ভালো হবে। কোনও চুক্তিবদ্ধ কাজে যুক্ত হবার যোগ আছে। প্রেম-প্রণয়ে বাধাবিঘ্ন থাকবে। বুঝে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৭১: কবি ও গীতিকার অতুলপ্রসাদ সেনের জন্ম
১৯৭৮: ক্রিকেটার বীরেন্দ্র সেওয়াগের জন্ম

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৪.১৫ টাকা ৬৫.৮৩ টাকা
পাউন্ড ৮৪.৩৬ টাকা ৮৭.২২ টাকা
ইউরো ৭৫.২২ টাকা ৭৭.৮৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
19th  October, 2017
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩০,১৩৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৮,৫৯০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৯,০২০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৯,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৯,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩ কার্তিক, ২০ অক্টোবর, শুক্রবার, প্রতিপদ রাত্রি ঘ ১/৩৭, নক্ষত্র-চিত্রা, সূ উ ৫/৩৮/৫০, অ ৫/৪/১৬, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/২৫ মধ্যে পুনঃ ৭/১০ গতে ৯/২৭ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৪ গতে ২/৪৬ মধ্যে পুনঃ ৩/৩২ গতে অস্তাবধি, রাত্রি ঘ ৫/৫৪ গতে ৯/১৬ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৭ গতে ৩/৮ মধ্যে পুনঃ ৩/৫৯ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/৩০ গতে ১১/২১ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/১৩ গতে ৯/৪৭ মধ্যে।

শ্রীশ্রী বলিদৈত্যরাজপূজা
২ কার্তিক, ২০ অক্টোবর, শুক্রবার, প্রতিপদ রাত্রি ১২/২১/৫, চিত্রানক্ষত্র, সূ উ ৫/৩৮/৩৩, অ ৫/৪/৬, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/২২/১৫ মধ্যে, ৭/৯/৫৭-৯/২৭/৪, ১১/৪৪/১১-২/৪৭/০, ৩/৩২/৪২-৫/৪/৬, রাত্রি ৫/৫৪/২৪-৯/১৪/৩৫, ১১/৪৬/২৮-৩/৭/৩৯, ৩/৫৭/৫৭-৫/৩৯/৪, বারবেলা ৮/২৯/৫৬-৯/৫৫/৩৮, কালবেলা ৯/৫৫/৩৮-১১/২১/২০, কালরাত্রি ৮/১২/৪৩-৯/৪৭/১।

শ্রীশ্রী বলিদৈত্যরাজপূজা
২৯ মহরম

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
প্রায় ৭০০টি ট্রেনের গতি বাড়তে চলেছে 

নভেম্বরে ভারতীয় রেল প্রায় ৭০০টি-র মতো দুরপাল্লার ট্রেনের গতি বাড়াতে ...বিশদ

07:42:17 PM

নির্বাসন না তুললে অন্য দেশের হয়ে খেলার ইঙ্গিত দিলেন নির্বাসিত শ্রীসন্হ

06:55:09 PM

 প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের দাদা পিযুষ মুখোপাধ্যায় প্রয়াত

06:05:47 PM

প্রবল বৃষ্টি, সেচ দপ্তরে চালু কন্ট্রোল রুম

প্রবল বৃষ্টিতে নজর রাখতে সেচ দপ্তরে চালু কন্ট্রোল রুম। মনিটরিং ...বিশদ

04:28:40 PM

কানপুরে প্ল্যাস্টিকের গোডাউনে আগুন, ঘটনাস্থলে দমকলের ৬টি ইঞ্জিন

04:08:00 PM

দুপুরের পর থেকে আলিপুরদুয়ারে শুরু বৃষ্টি

03:52:00 PM

মুর্শিদাবাদে জুয়া খেলার অপরাধে যুবককে গুলি করার অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে
বহরমপুরের হাতিনগর এলাকায় জুয়া খেলার অভিযোগে এক যুবককে ...বিশদ

03:41:17 PM