বিশেষ নিবন্ধ
 

বুদ্ধদেবের চোখে জল
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়

ছবিগুলো দেখতে দেখতে চোখ ঝাপসা হয়ে এল। কী অসহায় অবস্থায় পড়ে ভিটে-মাটি ছেড়ে মানুষগুলো অনিশ্চয়তার ঘোর অন্ধকারের উদ্দেশে পা বাড়িয়েছে তাই দেখছি। কোলে-কাঁখের অবোধ শিশুদের প্রায় সবাই ন্যাংটো। বয়স্ক নারী-পুরুষদের হাতে-মাথায় ঘর ছাড়ার আগে যা কিছু জুটেছে সেটুকুই সম্বল। কারও হাতে বালতি, কারও হাতে মাদুর, কারওবা মাথায় পোঁটলা। রাখাইন ছেড়ে নাফ নদী পেরিয়ে তারা চলে আসছে বাংলাদেশের জমিতে। প্রাণ মুঠোয় করে। একটু আশ্রয়ের খোঁজে। চোখে-মুখে তাদের এক আকাশ আতঙ্ক।
মাত্র দু’সপ্তাহ। তার মধ্যেই দেড় লাখ মানুষ ভিড় জমিয়েছে বাংলাদেশে। রাষ্ট্রসংঘের হিসেবে ইতিমধ্যেই তিন লাখ ঘরছাড়া। অগুন্তি নৌকো ডুবছে সমুদ্রে। নাফ নদীতে। ভেসে উঠছে শিশুদের লাশ। যারা ভাগ্যবান, বাংলাদেশের মাটিতে খোলা আকাশের নীচে এক পেট খিদে ও একরাশ দুশ্চিন্তা নিয়ে তারা অপেক্ষায়। সামান্য তফাতে বাংলাদেশের সীমান্ত নিরাপত্তারক্ষী বাহিনী বিজিবি-র সশস্ত্র উপস্থিতি। তাদের দুরবস্থা দেখে মন ভিজে গেলেও আদেশ পালনে তারা বাধ্য। চোখ ঝাপসা তাদেরও। ইদ হাতছানিও দিয়েছিল। অথচ অত্যাচারিত জর্জরিত এই মানুষগুলোর ক্ষতে প্রলেপ দেওয়ার উপায় তাদের অজানা।
উদ্বাস্তু এই মানুষেরা আজ নামগোত্রহীন। তাদের পরিচয় একটাই। তারা রোহিঙ্গা।
বাংলাদেশের খবরের কাগজগুলো খুললেই ইদানীং এই অসহায়তা মনকে গ্রাস করছে।
এইসব ছবির পাশে আরও ছবি নজরে পড়ছে। আমাদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ছবি। মায়ানমারের এই মুহূর্তের সর্বময় কর্ত্রী চুলে-ফুল-গোঁজা অং সান সু চির সঙ্গে বৈঠক করছেন। এই প্রথম প্রধানমন্ত্রী মোদির সরকারি মায়ানমার সফর। সম্পর্ক ক্রমশ উষ্ণ হওয়ার তৃপ্তি দু’জনের চোখেমুখে। মাত্র কয়েকদিন আগে এগারোটি চুক্তি সই করে মোদির মন ফুরফুরে। মায়ানমারের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক দিনে দিনে গঁদের আঠার মতো সেঁটে বসেছে। সামরিক শাসনের সময় সম্পর্কে যে-উষ্ণতার শুরু, আজকের গণতান্ত্রিক আবহে তা আরও দৃঢ় করতেই চীন থেকে দেশে ফেরার আগে মোদি গিয়েছিলেন মায়ানমারের রাজধানী নেপিটোয়।
ছবির পাশেই ছাপা হয়েছে খবর। দ্বিপাক্ষিক বৈঠক ও চুক্তি সইয়ের পর দুই নেতা-নেত্রীর যুগ্ম সাংবাদিক সম্মেলন। দেওয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়া রোহিঙ্গাদের যে-অংশ অস্ত্র হাতে তুলে মায়ানমারের পুলিশ চৌকিতে আক্রমণ চালিয়েছিল, তিনি তাদের সেই হিংস্রতার নিন্দা করলেন। মায়ানমারের সুস্থিতি ও অখণ্ডতা রক্ষার প্রয়োজনীয়তার কথা বললেন। অথচ, কী আশ্চর্য, দলে দলে রোহিঙ্গা বিতাড়ন নিয়ে রা পর্যন্ত কাড়লেন না! আমি অবাক হয়ে দেখলাম, সনাতন ভারতের মানবিক চরিত্রকে নেপিটোয় নরেন্দ্র মোদি কীভাবে অস্তে পাঠালেন!
এমনটাই যে হতে চলেছে তার আঁচ দিনকয়েক আগেই অবশ্য পাওয়া গিয়েছিল। দেশত্যাগে বাধ্য হয়ে রোহিঙ্গাদের যে-অংশ ভারতে আশ্রয়ের খোঁজে চলে এসেছে, তাদের চিহ্নিত করে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে সরকারি সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দেন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কিরেণ রিজিজু। সরকারি ভাষ্যটা চমকপ্রদ! রোহিঙ্গারা নাকি সন্ত্রাসবাদী। সিমি, হুজি তো আছেই, লস্কর ও জৈশ এ মহম্মদেরাও নাকি রোহিঙ্গাদের মধ্যে জাল বিছিয়ে তাদের সন্ত্রাসবাদী করে তুলছে! দশ হাজার রোহিঙ্গা উদ্বাস্তু হয়ে বাস করছে জম্মুতে। বাকি তিরিশ হাজার ছড়িয়ে ছিটিয়ে দিল্লি, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ ও হায়দরাবাদে। এদের বিদায় না-করা পর্যন্ত সরকারের ঘুম হচ্ছে না। এরা সবাই অবৈধ, অবাঞ্ছিত এবং অনুপ্রবেশকারী!
আমার মনে ‘অতিথিপরায়ণ’ ভারতের সোনালি ইতিহাস সারি দিয়ে দাঁড়িয়ে গেল। সেই কোন কাল থেকে শুনে আসছি ‘অতিথি দেব ভব’। তিব্বতের বৌদ্ধদের জন্য আমরা সেই কবে দুয়ার হাট করে খুলে দিয়েছিলাম। দলাই লামা ও তাঁর অনুগামীরা আজও আমাদের অতিথি। শ্রীলঙ্কার তামিলদের জন্য তামিলনাড়ু কোল পেতে দিয়েছিল। দেশভাগের পর দুই প্রান্তের মানুষেরা এই দেশটাকেই তাদের আশ্রয় বলে চলে এসেছে। একাত্তরে এক কোটি বাঙালিকে আমরা আশ্রয় দিয়েছিলাম। স্বাধীন বাংলাদেশে তাঁরা মাথা উঁচু করে যাতে ফিরে যেতে পারেন, সে ব্যবস্থা ভারত করেছিল। আফগানিস্তান খালি করে যারা প্রাণের ভয়ে চলে এসেছে, তাদের কাউকেই আমরা দূর দূর করে তাড়িয়ে দিইনি। শক হুন দল পাঠান মোগল এ-দেহে যেভাবে লীন হয়েছে, সেটাই তো সনাতন ভারতীয় চরিত্র? যে-অনুভব ‘দিবে আর নিবে মেলাবে মিলিবে’-র বাণী ছড়িয়ে দিয়েছে! তাহলে কেন ও কোন তাগিদে আজ হতভাগ্য রোহিঙ্গাদের জন্য দরজা বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত?
স্রেফ এই কারণে যে, তারা মুসলমান?
এছাড়া আর কোনও গ্রহণযোগ্য কারণ আছে বলে মনে হচ্ছে না। তারা মুসলমান। তারা হতদরিদ্র। এই দেশ ও সমাজে তাদের কোনও অবদান থাকার কথা নয়। তারা সন্ত্রাসবাদী ও মৌলবাদীদের জন্য নরম মাটি। অতএব তারা অবাঞ্ছিত। তাদের বিদেয় করাটাই তাই একমাত্র জাতীয় কর্তব্য!
কূটনীতির কূটকচালির ছবিটাও মনে ভেসে উঠল। চীন এই দেশটাকে চোখে হারায়। তাদের সামরিক শাসকেরা মানবাধিকার ধুলোয় মিশিয়ে দিলেও চীনের কাছে তারা চোখের মণি হয়েই থেকেছে।
মায়ানমারের সাহায্যে চীন দক্ষিণ এশিয়ায় তাদের পায়ের তলার জমি শক্ত করে চলেছে। ভারত মহাসাগরে তাদের উপস্থিতি বাড়িয়ে গেছে। যে-দেশের সঙ্গে ভারতের চোদ্দোশো কিলোমিটারের সীমান্ত, তাকে উপেক্ষা করা ভারতের পক্ষেও সম্ভব নয়। বিশেষ করে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের অভয়াশ্রম যখন ছিল এই মায়ানমার। একদিকে শেখ হাসিনার বাংলাদেশ অন্য দিকে মায়ানমারের সামরিক শাসকদের সাহায্যে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় বিচ্ছিন্নতাবাদীদের শায়েস্তা করার পর ভারত চাইছে পূর্ব সীমান্তের এই প্রতিবেশীর স্বার্থও নিশ্চিত করতে।
রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়ে মোদির মুখ থেকে প্রকাশ্যে একটা শব্দও তাই উচ্চারিত হয়নি।
রাজনীতি, কূটনীতি ও রাষ্ট্রনীতি এমনই নিষ্ঠুর। মায়ানমারে ভারতের অর্থনৈতিক স্বার্থ প্রচুর। মোদির ‘অ্যাক্ট ইস্ট’ নীতি মাঠে মারা যাবে মায়ানমার মুখ ফেরালে। যে-রাখাইন প্রদেশ থেকে রোহিঙ্গারা উৎখাত হচ্ছে, সেখানেই বন্দর ও রাস্তা তৈরির কাজ করছে ভারত। মানবিকতার চোখে ভারতকে তাই ঠুলি পরে থাকতে হচ্ছে! তত্ত্ব কথা ও বাস্তবের রাজনীতির ফারাক এটাই।
কিন্তু সব দেশই তো ভারত নয়! কেন চুপ মুসলমান দুনিয়া? কেন আজ মালয়েশিয়া বা ইন্দোনেশিয়া মুখে কুলুপ এঁটেছে? কেন অন্যান্য মুসলিম দেশ উত্তাল হয়ে উঠছে না? লাখ লাখ রোহিঙ্গার চাপ বাংলাদেশের পক্ষে নেওয়া কতটা সম্ভব সে কথা কেন কেউ বুঝতে চাইছে না? কেন সেভাবে সক্রিয় নয় রাষ্ট্রসংঘ?
অসহায়তার জলছবি হয়ে ওঠা রোহিঙ্গাদের দুর্দশার ছবি ও কাহিনি পড়তে পড়তে বারবার ভেসে উঠছে অং সান সু চির মুখটা। মানবাধিকার রক্ষার নিরলস আন্দোলন তাঁকে গৃহবন্দি করে রেখেছিল। এই আন্দোলন ও আপসহীন চরিত্রই তাঁকে নোবেল পুরস্কার এনে দিয়েছে। সামরিক শাসকেরাও তাঁর অধীনে গণতান্ত্রিক আবহকে মেনে নিয়েছে। আজকের সরকার চলছে তাঁরই নির্দেশে। অথচ কী আশ্চর্য, রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্বের দাবি, ভোটাধিকারের দাবি, তাদের বেঁচে থাকার ন্যূনতম চাহিদা, তাদের বিরুদ্ধে দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ বৌদ্ধদের ঘৃণ্য অত্যাচার বন্ধে তিনিও মুখে কুলুপ এঁটে বসে রয়েছেন! শুধু তাই নয়, চরম আশ্চর্য এটাই, সেনা প্রশাসকদের সঙ্গে এত বছরের লড়াইয়ের পর ক্ষমতায় এসে সু চিও সেই সেনাবাহিনীর তাঁবেদার হয়ে দেশ শাসন করছেন! লজ্জার এই ডিগবাজি আর যেই হোন সু চির কাছ থেকে আশা করিনি।
কোনও নোবেল বিজয়ীর অমানবিক আচরণের জন্য অন্য নোবেল বিজয়ীরা ক্ষুব্ধ হচ্ছেন, সাম্প্রতিককালে আমি অন্তত দেখিনি। মালালা ইউসাফজাই ও কৈলাশ সত্যার্থীরা কতটা ক্ষুব্ধ ও বিষণ্ণ তা সু চিকে লেখা তাঁদের চিঠি পড়লেই বোঝা যায়।
কিন্তু তাতে কী? সু চি প্রমাণ করে দিলেন সেই চিরকালীন প্রবাদটিকে। লঙ্কায় যে যায় সেই হয় রাবণ!
রোহিঙ্গাদের কাছে আজকের সু চি এমনই!
শিরে সংক্রান্তি নিয়ে অসহায় রোহিঙ্গারা এই সেদিন দিল্লির যন্তরমন্তরে জড়ো হয়েছিল। তারা কাঁদছিল ও বলছিল, আমাদের যমুনার জলে চুবিয়ে মারো। তবু আমাদের ফেরত পাঠিও না। চোখের সামনে মা-বোনেদের ধর্ষণ, হত্যা, ঘর জ্বালানো, উৎখাত হওয়ার চেয়ে যমুনায় ডুবে মরা ভালো।
রোহিঙ্গাদের অত্যাচারিত জীবনের ছবি দেখছি, তাদের অনিশ্চিত ভবিষ্যতের কথা ভাবছি, মানবিকতার ধ্বজাধারীদের চরিত্র বিশ্লেষণ করছি, হিন্দুত্ববাদী হতে চলা ভারতে ‘অতিথি দেব ভব’কে ধুলোয় মাখামাখি হতে দেখছি, বিশ্বের অভিভাবকদের চোখ ওলটানো রূপ প্রত্যক্ষ করছি ও ভাবছি, সেই কবে গৌতম বুদ্ধ পৃথিবীকে শান্তির বাণী শুনিয়েছিলেন! অথচ মায়ানমারের বৌদ্ধরা তাঁকে লজ্জা ছাড়া আর কিছু দিতে পারল না! ধ্যানস্থ বুদ্ধদেবের দু’চোখে আমি অবিরাম অশ্রুধারা দেখছি!
10th  September, 2017
বিশ্বচরাচরের আনন্দ
অমর মিত্র

 সারা বছর কায়ক্লেশে বেঁচে থাকি, উৎসব নিয়ে আসে তা থেকে মুক্তি। বাঙালির জীবনে বারো মাসে তেরো পার্বণ। এর ভিতরেই বড় উৎসব হিন্দুর দুর্গোৎসব আর মুসলমানের ইদুল ফিতর, খুশির ইদ, আর খ্রিস্টানের বড় দিন। তিন মহা উৎসব বাদ দিয়ে ধর্মীয় এবং লোকপুরাণের সঙ্গে যুক্ত আরো কত যে উৎসব, টুসু, ভাদু, নবান্ন, থেকে নানা ব্রত শবে বরাত, পীর ফকিরের উরস—সব। সমস্ত উৎসবই আনন্দের, সমস্ত উৎসবই আত্মীয় বান্ধব, অবান্ধবে মিলনের।
বিশদ

কোনও বিঘ্নই বাঙালির পুজোর আনন্দ পণ্ড করতে পারবে না
শুভা দত্ত

পুজো এসে গেল। মহাপূজা। ঝড়বৃষ্টি, বানবন্যার ভ্রুকুটি উপেক্ষা করে শেষপর্যন্ত আমাদের সংবৎসরের আনন্দের দিনগুলো এসে পড়ল দোরগোড়ায়। গত মঙ্গলবার মহালয়ায় দেবীপক্ষের সূচনা হতেই মহামায়া বন্দনার শেষমুহূর্তের তোড়জোড় শুরু হয়ে গিয়েছিল আসমুদ্রহিমাচল বাংলায়। বিশদ

24th  September, 2017
ডায়নেস্টি চালচিত্র ও মাছরাঙা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়

রাহুল গান্ধী খুব সত্যি দুটো কথা বলেছেন। কিছুদিন ধরে উনি প্রবাসী। আমেরিকায় রয়েছেন। বিভিন্ন নামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে কথা বলছেন। ভাব বিনিময় করছেন। সেলফি তুলছেন। এইসব অনুষ্ঠানে প্রায় প্রতিদিনই তিনি ওই কথা দুটি বলেছেন। এ নিয়ে ভারতের রাজনীতিও বেশ সরগরম।
বিশদ

24th  September, 2017
আমেরিকায় শারদোৎসব
আলোলিকা মুখোপাধ্যায়

 প্রবাসে দীর্ঘকাল এক সমান্তরাল জীবনযাপনে অভ্যস্ত বাঙালির দুর্গাপুজোর ছুটি বলে কিছু নেই। দেশে যখন পুজোর ছুটি, এখানে তখন গ্রীষ্ম অবকাশের শেষে স্কুল, কলেজ ইউনিভার্সিটি খুলে গিয়েছে। তবু পুজোর সময় আসে কাছে। মহালয়ার পরে দেবীপক্ষে নির্ধারিত দিনে পুজো হয় রামকৃষ্ণ মিশন, ভারত সেবাশ্রম সংঘ, আদ্যাপীঠ আর আমেরিকার কয়েকটি শহরে বাঙালি প্রতিষ্ঠিত মন্দিরে।
বিশদ

23rd  September, 2017
রীতিনীতি-আচরণে দুর্গাপূজার সেকাল ও একাল
গৌরী দে

 পুরাণ-উপপুরাণ অনুসারে শরৎকালে রামচন্দ্র রাবণ বধের আশায় যে পূজা করেছিলেন সেটাই অকাল বোধন। দক্ষিণায়নে দেবতারা ঘুমিয়ে থাকেন। শরৎকালে শ্রাবণ থেকে পৌষ পর্যন্ত এই কাল। তাই দেবীকে জাগ্রত করতে রামচন্দ্রকে অকাল বোধন করতে হয়। জয়লাভের জন্য তিনি দেবী দুর্গার শরণাপন্ন হন।
বিশদ

23rd  September, 2017
ছেলেবেলার দুর্গাপূজা—কিছু স্মৃতি কিছু বেদনা
ভগীরথ মিশ্র

 ছেলেবেলায় আমাদের গাঁয়ে কোনও বারোয়ারি দুর্গাপুজো হ’ত না। গোটা এলাকা জুড়ে কেবল আমাদের গাঁয়ের জমিদারবাড়িতেই হ’ত পারিবারিক দুর্গাপুজো। সত্যি কথা বলতে কী, দুর্গাপূজাটা গাঁয়ের অধিকাংশ মানুষের কাছেই কোনও সুখকর অভিজ্ঞতা ছিল না।
বিশদ

22nd  September, 2017
বদলে যাচ্ছি আমরা?
সমৃদ্ধ দত্ত

 থিমের পুজো করলেই তো পুরস্কার পাওয়া যায়। স্পনসর পাওয়া যায়। মিডিয়ায় ছবি বেরোয়। কিন্তু কই! তা তো সকলে করে না? কেন করে না? তাহলে সেই লোকগুলোর কী হবে? যাঁরা থিমের পুজো দেখতে মোটেই আগ্রহী নয়।
বিশদ

22nd  September, 2017
অভিযুক্তের গায়ে নারীঘটিত অপবাদের কাদা না ছেটালে কি শাস্তি অসম্পূর্ণ থাকত!
মেরুনীল দাশগুপ্ত

সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়, ব্রতীন সেনগুপ্ত, লক্ষ্মণ শেঠ, রেজ্জাক মোল্লা, সইফুদ্দিন চৌধুরির মতো অনেক তাবড় নেতাকেই নানা সময় দল ছাড়তে হয়েছে। বহিষ্কারের অপমান বইতে হয়েছে। কিন্তু, কারও গায়ে এত কালি লাগাবার দরকার কি পড়েছিল? পড়েনি। বাদবাকি সকলের ক্ষেত্রেই শাস্তির ব্যাপারটা দলীয় নীতি-নৈতিকতার দ্বান্দ্বিক পরিসরেই সীমাবদ্ধ ছিল।
বিশদ

21st  September, 2017
একনজরে
 হরিহর ঘোষাল, বারাকপুর, বিএনএ: কামারহাটি পুরসভায় রেশন কার্ড নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনের কার্ড প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিলি করা না হলেও একজন রেশন ডিলারের কাছে ভূরি ভূরি কার্ড জমা পড়েছে। ...

 চেন্নাই, ২৫ সেপ্টেম্বর (পিটিআই): জয়ললিতার মৃত্যুর কারণ নিয়ে শশীকলা শিবিরের উপর চাপ আরও বাড়াতে সোমবার তদন্ত কমিশন গঠন করল তামিলনাড়ু সরকার। তদন্তে কমিশনের নেতৃত্ব দেবেন হাইকোর্টের একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি। ...

 বাংলা নিউজ এজেন্সি: মহাপঞ্চমীতে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া ও আরামবাগে বহু পুজোর উদ্বোধন হয়ে গেল। এদিন বিকাল থেকেই জেলার মণ্ডপগুলিতে দর্শনার্থীদের ঢল নামতে শুরু করে। তবে, এদিনও কয়েকটি পুজোর প্যান্ডেলে শিল্পীদের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি সারতে দেখা যায়। ...

বিএনএ, শিলিগুড়ি ও সংবাদদাতা দার্জিলিং: সোমবার দার্জিলিংয়ের লালকুঠিতে জিটিএ’র প্রশাসক পর্ষদের চেয়ারম্যান হিসাবে কাজে যোগ দিলেন মোর্চা নেতা বিনয় তামাং। সোমবার আধিকারিকদের নিয়ে প্রথম বৈঠকেই ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

গুপ্ত শত্রুতা বৃদ্ধি। কর্মে উন্নতি। ব্যবসায় অতিরিক্ত সতর্কতার প্রয়োজন। উচ্চশিক্ষায় সাফল্য। শরীর-স্বাস্থ্য ভালো যাবে।প্রতিকার: বট ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮২০: মনীষী ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জন্ম
১৯২৩: অভিনেতা দেব আনন্দের জন্ম
১৯৩২: ভারতের চতুর্দশ প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের জন্ম
১৯৭৭: নৃত্যশিল্পী উদয়শংকরের মৃত্যু
১৯৮৯: সঙ্গীতশিল্পী হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৪.০১ টাকা ৬৫.৬৯ টাকা
পাউন্ড ৮৬.২৫ টাকা ৮৯.১৭ টাকা
ইউরো ৭৬.০১ টাকা ৭৮.৬৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩০,২৫৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৮,৭০৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৯,১৩৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৯,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৯,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৯ আশ্বিন, ২৬ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার, ষষ্ঠী, নক্ষত্র-অনুরাধা দং ৩/৫১ দিবা ঘ ৭/৩, সূ উ ৫/৩০/২, অ ৫/২৬/১২, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/১৭ মধ্যে পুনঃ ৭/৫ গতে ১১/৪ মধ্যে। রাত্রি ঘ ৭/৪৯ গতে ৮/৩৯ মধ্যে পুনঃ ৯/২৭ গতে ১১/৫২ মধ্যে পুনঃ ১/২৯ গতে ৩/৬ মধ্যে পুনঃ ৪/৪১ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৬/৫৯ গতে ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ১২/৫৮ গতে ২/২৮ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/৫৯ গতে ৮/২৮ মধ্যে।
৯ আশ্বিন, ২৬ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার, ষষ্ঠী, অনুরাধানক্ষত্র ৭/৯/৪, সূ উ ৫/২৮/৩৬, অ ৫/২৭/১৩, অমৃতযোগ দিবা ৬/১৬/৩০, ৭/৪/২৫-১১/৩/৫৭, রাত্রি ৭/৫১/৩০-৮/৩৯/৩৫, ৯/২৭/৪১-১১/৫১/৫৭, ১/২৮/৮-৩/৪/১৯, ৪/৪০/৩০-৫/২৮/৫৬, বারবেলা ৬/৫৭/২৬-৮/২৮/১৫, কালবেলা ১২/৫৭/৪৪-২/২৭/৩৪, কালরাত্রি ৬/৫৭/২৩-৮/২৭/৩৪।
 ৫ মহরম

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
সল্টলেকের ইসি ব্লকের কাছে অটো উলটে চালক-সহ জখম ৪

02:37:00 PM

বড়সড় রেল দুর্ঘটনায় হাত থেকে রক্ষা, একই লাইনে চলে এল ৩টি ট্রেন
বড়সড় রেল দুর্ঘটনায় হাত থেকে রক্ষা। এলাহাবাদের কাছে ...বিশদ

01:44:46 PM

গাজিয়াবাদে ব্যবসায়ীকে খুন, মৃতের নাম রাজেন্দ্র আগরওয়াল (৭৫)

01:24:00 PM

আজ দিল্লি আদালতে দুপুর ২টো নাগাদ হানিপ্রীতের আগাম জামিনের শুনানি

01:19:00 PM

দার্জিলিংয়ে খুলল অধিকাংশ দোকানপাট

01:08:00 PM

ঝাড়গ্রামে ২টি বাড়িতে দুঃসাহসিক চুরি
সোমবার রাতে ঝাড়গ্রাম শহরের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বামদা এলাকায় চুরির ...বিশদ

01:01:00 PM

দিনহাটায় দু’জন নাবালিকা-সহ ৭ জন যুবতীকে উদ্ধার করল পুলিশ, ঘটনায় গ্রেপ্তার ১

12:59:00 PM