বিশেষ নিবন্ধ
 

পুজোর কলকাতায় লোকঠকানো আর দখলদারি কি বাড়ছে?
শুভা দত্ত

জানি, এমন একটা প্রশ্ন তোলার আজ আর তেমন কোনও মানে নেই। তার কারণ, ওই প্রশ্নটা নিয়ে মানুষের মনে এখন আর কোনও প্রশ্নই অবশিষ্ট নেই। বছরের পর বছর ঠিক এই সময়টাতে ঠকতে ঠকতে দেখতে দেখতে ও প্রশ্নের সম্ভাব্য সবরকম উত্তর মানুষজনের জানা হয়ে গিয়েছে। উৎসবের ভিড়ে দোকানদার ব্যাবসাদার ও পুলিশের একাংশের আচার-আচরণ ওই প্রশ্নটি নিয়ে সাধারণ পাবলিকের যাবতীয় জিজ্ঞাসাও সুদ সমেত মিটিয়ে দিয়েছে। কলকাতা শহরের বাসিন্দারা তো বটেই, শহরতলি গ্রামগঞ্জ থেকে যাঁরা পুজো উৎসবের সময় আমাদের মহানগরীতে কেনাকাটা করতে আসেন তাঁরাও তাই নতুন করে তোলা ওই পুরানো প্রশ্নটি দেখে একটু থমকে যেতে পারেন—এ আবার কী! পুজোর কলকাতায় লোকঠকানো আর দখলদারি— এটা একটা প্রশ্ন হল! এর চেয়ে তো সূর্য কোন দিকে ওঠে কোন দিকে অস্ত যায়—কঠিন প্রশ্ন! হয়তো তাই। তবু, প্রশ্নটা তুলতেই হল। তুলতে হল বাস্তব পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই।
বহুবছর ধরে আমরা সকলেই লক্ষ করছি, পুজো উৎসব এলেই কলকাতা যেন কেমন পালটে যায়। চেনা কলকাতার চেনা দোকানি চেনা বাজারি ব্যবসায়ী সব যেন কেমন অচেনা হয়ে ওঠে! দোকানে বাজারে ভিড়ের স্রোত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ওই অচেনা ভাবটা যেন আরও গাঢ় হতে থাকে। চেনা দোকানে প্রত্যাশিত আদর আপ্যায়ন সত্ত্বেও তাই কেমন যেন একটা সন্দেহ সব সময় মনের কোণে কাঁটা হয়ে ফুটতে থাকে—ঠকে যাব না তো! সবাই যে সব সময় ঠকে যাচ্ছেন এমন নিশ্চয়ই নয়। হয়তো, ক্ষেত্রবিশেষে ভালো জিনিসটা পেতে ন্যায্য দামের চেয়ে একটু বেশি দিতে হয়েছে, দর কষাকষির সময় চেনা দোকানির আবদারে দুটো পয়সা বেশি গিয়েছে। কিন্তু, জিনিসের কোয়ালিটিতে টান পড়েনি। সেই সুবাদে একটু বেশি নগদ গুনতে হলেও হৃষ্ট মনেই বাড়ি ফিরেছেন মানুষজন। আমাদের বিশ্বাস, বাঙালিমাত্রেই পুজোর বাজারে মোটের ওপর এমন অভিজ্ঞতার শরিক হয়েছেন এবং এমনকী পুজোর মুখে দোকানঠাসা ফুটপাতে সস্তার কেনাকাটা করতে গিয়েও এই অভিজ্ঞতার বিশেষ কোনও হেরফের ঘটেনি।
পাশাপাশি আমরা এটাও লক্ষ করেছি, পুজোর আগে এই সময়টাতে কলকাতার রাস্তাঘাটে পুলিশ, ট্রাফিক পুলিশ যানবাহনের সুষ্ঠু চলাচল নিয়ে যেমন তৎপর হয়ে ওঠে ঠিক তেমনই তার অন্য পিঠে তাদেরই একটা অংশ কারণে অকারণে ‘ফাইন’ আদায় করতে অতি-তৎপরতা দেখায়। এই দেখানোটাকে চিরকালই নিন্দুকেরা একটু অন্য চোখে দেখেছে, এখনও দেখে। এবং পরিহাস করে বলে, ঊর্ধ্বতনের বেঁধে দেওয়া ‘কোটা’ পূরণের দায় সামলাতেই নাকি অধস্তনদের ওটা করতে হয়। উপায় নাই। কোটা পূরণ করতেই হবে। অতএব যাকে পাবি তাকে ধর! দোষগুণ পরে হবে আগে কোটা! যাঁরা কলকাতা শহর শহরতলিতে পুজোর সময় গাড়িঘোড়া চালান বা যাঁরা সে সবের মালিক—সকলেই জানেন, এই সময়টাতে ট্রাফিক পুলিশের এমন ‘কড়া নজরদারি’ চলবে এবং দিতে হবে। এই দেওয়া নিয়ে ওজরআপত্তি বিবাদ বিসংবাদ যে একেবারেই হয় না তা নয়। তবে এক্ষেত্রেও ট্রাফিক স্যারেদের দাবি বা আবদার যা-ই বলুন মোটের ওপর সংশ্লিষ্টজনেরা ওই কেনাকাটার পাবলিকের মতো মেনেই নেন। ফলে, রাস্তাঘাটে যান চলাচলে বা এধার সেধারে ‘পার্কিং’ নিয়ে বিশেষ টেনশন প্রবলেম কোনও কালেই হয়নি। এখনও হয় না।
তো, তাই যদি তাহলে পুজোর কলকাতায় লোকঠকানো আর দখলদারি কি বাড়ছে বলে ওই প্রশ্ন তোলা কেন? কারণ, এখন চারপাশ থেকে যা শুনতে পাচ্ছি, যেসব উদাহরণ হাতে আসছে তাতে পুজোর কলকাতায় লোকঠকানো আর দখলদারি কেবল বাড়ছে বলেই ছেড়ে দেওয়া যাচ্ছে না। বলতেই হচ্ছে ব্যাপারটা লাগামছাড়া হয়ে উঠেছে। বহুজনেই বলছেন, কলকাতায় ফেরেব্বাজি আর লোকঠকানোর কারবার এখন রীতিমতো বিপজ্জনক পর্যায়ে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। মাছবাজার থেকে আসবাবের দোকান জামাকাপড় থেকে হাসপাতাল—সর্বত্র এক শ্রেণির ঠগ যেন ওত পেতে আছে। একটু বেখেয়াল হলেই সাধারণ মানুষকে লুঠে নিচ্ছে এইসব ঠগের দল। নেতা, নেতার সাঙ্গোপাঙ্গ শাকরেদ আর পুলিশ ছাড়া এই ঠগের দল আর কাউকেই তোয়াক্কা করে না। মানিকতলার মতো ঐতিহ্যশালী বাজারে এখন হাতসাফাই করে ক্রেতার পছন্দের দামি টাটকা মাছ পালটে পচা মাছ গছিয়ে দেওয়া হচ্ছে! যেদিন গোটা কলকাতায় সুস্বাদু তাজা ইলিশ সর্বোচ্চ পাঁচ-ছশো টাকায় মিলেছে সেদিন আমার এক বন্ধুকে ওই বাজারের এক ব্যবসায়ী বাংলাদেশের মাছ বলে হাজার টাকা কেজিতে অতি নিম্নমানের মাছ গছিয়েছে! তিনি সমিতির কর্তার কাছে বিষয়টি জানাতে গেলে শুনতে হয়েছে, মিথ্যে সকলেই বলতে পারে, ক্রেতাও বলে! অতএব হয়ে গেল। ক্রেতা সুরক্ষার দফারফা। মজার ব্যাপার, মানিকতলাই কেবল নয়, শ্যামবাজার থেকে গড়িয়াহাট কলকাতার নামজাদা অনেক বাজার থেকেই মাঝেমধ্যে এমন লোকঠকানোর অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে এবং অভিযোগের বহর এক্ষেত্রে সত্যিই বিপজ্জনক হারে বাড়ছে। ওজনে মারা তো ছিল, আছে, থাকবে। কিন্তু, কলকাতার বড় বড় বাজারে যদি জিনিস কিনতে গিয়ে ঠগের হাতে পড়তে হয়, তাজা মাছের মোটা দাম দিয়ে পচা মাছ ঘরে আনতে হয় এবং অভিযোগ জানাতে গিয়ে অপমান জোটে ক্রেতা সাধারণের—তবে তো মহাবিপদ! ক্রেতা সুরক্ষা দেখবে কে! তার ওপর শুনছি, এই ঠকানো কারবারে যুক্তদের কাউকে কাউকে আবার টিভিতেও মুখ দেখাতে নাকি দেখা যাচ্ছে এবং এরা নাকি বিশেষ বিশেষ ‘দাদা’র স্নেহধন্য। তাই, যত ঠকানই ঠকাক, সর্বদা বেকসুর! ব্যতিক্রমও আছে, লেক মার্কেটের মতো কিছু বাজার যেখানে ব্যবসায়ীরা এখনও মনে করেন—কোনও ক্রেতা অকারণে অভিযোগ করতে আসেন না।
শুধু মার্কেট কেন, আসবাব শাড়ি জামাকাপড়ের দোকানেও লোকঠকানো বাড়ছে। আমার পরিচিত এক গবেষক রাসবিহারী অ্যাভিনিউয়ের একটি পরিচিত আসবাবের দোকান থেকে কমপিউটার টেবিল কিনতে গিয়ে নাজেহাল! গত পুজোর আগে পুরো টাকা আগাম দিয়েছিলেন তিনি। আজ পর্যন্ত টেবিল পাননি। অন্য জায়গা থেকে ফের নগদ খরচা করে তাঁকে টেবিল কিনে নিতে হয়েছে। শুধু তাই নয়, এ বিষয়ে অভিযোগ পাওয়ার পর ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তর ওই দোকানিকে বার তিনেক ডেকে পাঠালেও তিনি কর্ণপাত করেননি। দপ্তরও আইনি সীমাবদ্ধতা এবং অভিযুক্তের পলিটিক্যাল খুঁটির জোরের কাছে সাধারণের অভিযোগ টিকবে কেন! এমন উদাহরণের পরিমাণ এই পুজোর কলকাতাতেও আছে। উদাহরণ বাড়িয়ে লাভ নেই। তবে, যতদূর খবর—যাঁরা শহরতলি গ্রামগঞ্জ থেকে কলকাতায় কেনাকাটা করতে আসছেন এই ঠগদের মূল টার্গেট হয়ে পড়ছেন তাঁরাই বেশি। বেশ কিছু বছর আগে ভিন রাজ্য থেকে কেপমারেরা কলকাতায় আসত এই পুজোর সময় এবং তাদেরও মেইন টার্গেট হত গাঁগঞ্জের হালাভোলা সাধারণ। এখন তারা আসে কি না জানি না, তবে শুনছি বাসে ট্রামে পথেঘাটে মোবাইল টাকাপয়সার ব্যাগ ছিনতাইয়ের কারবার নতুন করে শুরু হয়েছে। তার সঙ্গে দোকানবাজারে লোকঠকানোর কারবার তো আছেই। শত সাবধান হয়েও রেহাই মিলছে না অনেকের। এই জন্যই না বলে, সাবধানের মার নেই যেমন তেমনি মারেরও সাবধান নেই।
এ তো গেল একদিক। অন্যদিকে পুজোর মুখে যে হারে কলকাতা দখল শুরু হয়ে গিয়েছে তাতে তো পাবলিক থেকে বাস-ট্যাক্সি-ট্রাম-গাড়ির ড্রাইভার সকলেই যাকে বলে আতঙ্কিত। শুনছি, ধর্মতলার একটা বড় অংশ, বিশেষ করে নিউ মার্কেট সংলগ্ন এলাকা নাকি প্রায় সবটাই চলে গিয়েছে হকারদের দখলে! পার্ক স্ট্রিটের মতো রাস্তার ফুটপাতও পথচারীদের জন্য আর বিশেষ অবশিষ্ট নেই। তার চেয়েও নাকি ভয়াবহ অবস্থা শ্যামবাজার শিয়ালদহ হাতিবাগান গড়িয়াহাটের মতো এলাকার। ফুটের দোকান মূল রাস্তার ভিতরে বেশ কয়েক ফুট নেমে এসেছে। শ্যামবাজার পাঁচমাথার মোড়ের মতো অতি গুরুত্বপূর্ণ জায়গাতেও ফলদোকানি এবং ফুটদোকানিরা একইভাবে রাস্তার দখল নিয়েছে! ফুটের পাশের দোকান টুল, টেবিল বসিয়ে কাপড়জামা ঝুলিয়ে ফুটের দখল নিয়ে নিয়েছে। রাস্তার রাস্তায় একদিকে পার্কিং অন্যদিকে ফুট ছেড়ে নেমে আসা দোকান— গাড়ি চলাচলের জন্য যে সামান্যটুকু পড়ে তাতে বাধ্য হয়েই নেমে পড়তে হচ্ছে কেনাকাটায় ব্যস্ত বাচ্চা-বুড়ো মহিলা-পুরুষ মানুষজনকে। পরিস্থিতি এমন যে, যেকোনও মুহূর্তে দুর্ঘটনা ঘটে যেতেই পারে। ছোটখাট ঘটছেও। অথচ, পুলিশ নির্বিকার। প্রশ্ন করলেই নাকি বাঁধা বুলি—গরিব মানুষ। পুজোর সময় দুটো পয়সা পাচ্ছে। সবকিছুতেই বাধা দিলে চলবে?
সত্যিই তো! গরিব মানুষ বলে কথা। যে দেশের সরকার রাজনৈতিক দখলদারি বজায় রাখতে টাকার নোট ছাপাতে দলীয় রং ব্যবহার (দুশো টাকার নোট দেখুন) করে সে দেশের ‘গরিব মানুষ’ রাস্তা দখল করে দোকান পাতবে এবং পুলিশের একাংশ তাতে অনুকম্পাবশে(!) সহযোগ দেবে—সে আর এমন কী অন্যায়! তবে, সমস্যাটা হল এই—এতে কয়েকজনের উপকার হচ্ছে ঠিকই, তবে হাজার লাখ যাঁরা তাঁদের বিপদ বাড়ছে। যত্রতত্র দোকান গজালে বা সাইনবোর্ড ঝুললে কলকাতার শ্রী নষ্ট হয় কি না তা নিয়ে হয়তো বিতর্ক চলতে পারে কিন্তু, পার্কিং আর দোকানদারির জবরদখলে রাস্তা ফুটপাত বেহাত হলে যে গাড়ি আর মানুষের চলাচলের স্বাভাবিক জায়গা থাকে না—তাতে বোধকরি সন্দেহ নেই কারও। সেক্ষেত্রে নিরুপায় হয়ে বাস ট্যাক্সির চলন্ত চাকার পাশে হাঁটতে গিয়ে বেখেয়ালে কারও সংসারে যদি পুজো উৎসবের আনন্দে অপ্রত্যাশিত বিষাদ নেমে আসে তখন দায়টা হবে কার? গরিব খেটে খাওয়া মানুষের প্রতি
পুলিশের সহমর্মিতা খুব ভালো জিনিস। কিন্তু, উৎসবের দিনে হাজারো লাখো মানুষের নিরাপত্তার কথাটাও তো তাঁদেরই ভাবতে হবে, তাই না? সুতরাং, একটু ভাবুন।
10th  September, 2017
পাহাড়জুড়ে রাজ্যের শান্তি প্রক্রিয়া এবং
উন্নয়নের মাঝেও কেন এই রাজনীতি?
নিমাই দে

রাজ্যে এক সময় ৬০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী ছিল। এখন তা কমে এসে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৪৮ কোম্পানিতে। অথচ বিজেপি শাসিত অন্য কয়েকটি রাজ্যের দিকে তাকালে চিত্রটা পরিষ্কার হয়ে যাবে। ছত্তিশগড়ে ২৫২ কোম্পানি, ঝাড়খণ্ডে ১৪৪ কোম্পানি, দিল্লি ৪০ কোম্পানি ইত্যাদি। তারপরেও গত ১৫ অক্টোবর সাতসকালে কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক থেকে ফ্যাক্সবার্তায় জানিয়ে দেওয়া হল, পাহাড়ে থাকা মাত্র ১৫ কোম্পানির মধ্যে ১০ কোম্পনিই প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে।
বিশদ

নিজেদের মহানুভবতা সম্পর্কে উদাস বলেই
এদেশে কৃষকরা এত উপেক্ষার শিকার
রঞ্জন সেন

মহাত্মা গান্ধী বলেছিলেন, ‘‘কৃষকরা বিশ্বের পিতা, কিন্তু তাঁদের মহানুভবতা এই যে তাঁরা তা নিজেরাই জানেন না। তাঁরা নিজেরাই জানেন না তাঁদের কতটা মূল্য। তাঁরা তার ধারও ধারেন না।’’ কিন্তু স্বাধীনতার প্রায় ৭০ বছর পরেও দেশও কি তাদের মূল্য বুঝল?
বিশদ

২০১৭ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার প্রাপক থেলারের কাছ থেকে অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের শিক্ষা নিক মোদি সরকার
দেবনারায়ণ সরকার

 যুক্তিবাদী অর্থনীতি থেকে জীবনমুখী অর্থনীতিতে উত্তরণের অন্যতম মুখ্য পথপ্রদর্শক হলেন ২০১৭ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্ত বিখ্যাত অর্থনীতিবিদ রিচার্ড থেলার। থেলার তাঁর বিখ্যাত ‘‘Misbehaving: The making of behavioural economics’’ (‘অশোভন আচরণ: আচরণগত অর্থনীতির উদ্ভাবন’) গ্রন্থে বলেছিলেন, ‘অভিজ্ঞতা থেকে শিখতে গেলে দুটি উপাদান আবশ্যকীয়: বারবার অভ্যাস বা চর্চা করা এবং অবিলম্বে তাদের প্রতিক্রিয়া গ্রহণ করা’ বিশদ

19th  October, 2017
খিদে কি শুধুই পরিসংখ্যান?
শুভময় মৈত্র

 খবর এসে গিয়েছে যে খিদের সূচকে ভারত নাকি বিশ্বের মধ্যে বেশ খারাপ জায়গায়। আমাদের স্থান কাঁটায় কাঁটায় একশো, গত বছর যেটা ৯৭ ছিল। আশেপাশের দেশগুলোর মধ্যে ভারতের থেকে খিদে যাদের বেশি পাচ্ছে তারা হল পাকিস্তান (১০৬) আর আফগানিস্তান (১০৭)। ভারতের আগে আছে নেপাল (৭২), মায়নামার (৭৭), শ্রীলঙ্কা (৮৪) এবং বাংলাদেশ (৮৮)। যুদ্ধবিদ্ধস্ত ইরাক ৭৮-এ আর পরমাণু বোমা নিয়ে পেশিসঞ্চালনে পটুত্ব দেখানো উত্তর কোরিয়া ৯৩।
বিশদ

19th  October, 2017
একনায়ক কি জনপ্রিয়তা হারাচ্ছেন?
হিমাংশু সিংহ

 পুজোয় কয়েকদিন বারাণসীতে ছিলাম। পুরীর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে যুগ যুগ ধরে বাঙালির দ্বিতীয় হোমটাউন বলে কথা। তার ওপর দেশের ইতিহাসে হালফিল সবচেয়ে ক্ষমতাশালী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সংসদীয় কেন্দ্র।
বিশদ

17th  October, 2017
কলকাতার ভূকম্প প্রবণতা কি আদৌ বিপজ্জনক?
গৌতম পাল

 ভূমিকম্প একটি প্রাকৃতিক দুর্ঘটনা। ভূস্তরের অভ্যন্তরে লিথোস্ফেরিক যে কোনও দুটি প্লেটের অভিসারী বিচলনই ভূমিকম্পের মুখ্য কারণ। ভূমিকম্প পুরোপুরিই একটি অনিশ্চিত ঘটনা। কারণ, ভূমিকম্পের উৎসস্থল, বিস্তৃতি এবং তীব্রতা বা বিপর্যয়ের মাত্রা প্রভৃতি সম্পর্কে পূর্বাভাস দেওয়া কখনওই সম্ভব নয়।
বিশদ

15th  October, 2017
১৯০৫-এর বঙ্গভঙ্গের দহন
কখনও বিস্মৃত হবার নয়
শমিত কর

 মহারাষ্ট্রের স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রবাদপ্রতিম নেতা গোপালকৃষ্ণ গোখলে বাংলা সম্পর্কে যে সুবিখ্যাত উক্তি করেছিলেন তা ভারতবাসীর চিরকাল মনে থাকবে। তিনি বলেছিলেন, ‘বাংলা আজ যে-কথা চিন্তা করে তা ভারত আগামীদিনে করে।’ নতুন চিন্তা-চেতনা-মতবাদ উদ্রেকে বাংলা ও বাঙালিদের যেন কোনও জুড়ি নেই।
বিশদ

14th  October, 2017
ধনী সন্ন্যাসী, দরিদ্র সন্ন্যাসী
অতনু বিশ্বাস

 হঠাৎ করে সম্পদ, বিলাস, স্ত্রী, সন্তান, বন্ধু ত্যাগ করে সন্ন্যাসী হয়েছেন কোন বিশ্বাসে ভর করে? কথোপকথনের মাঝে সন্ন্যাসী জানান যে তাঁর পিতা তাঁর জাগতিক ত্যাগের অনুষ্ঠানের সময় বিপুল অর্থ ব্যয় করেছিলেন। যখনই সন্ন্যাসী হন কোন জৈন, তাঁর প্রস্থান করার ইচ্ছা বোধ করি মহাবীরের বিদায়ের জাঁকজমকের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে।
বিশদ

14th  October, 2017
বঙ্গ রাজনীতির আশা নিরাশা
সমৃদ্ধ দত্ত

মমতা কিন্তু একাই দিনের পর দিন ভোটে, ইস্যুতে, পারসেপশনে হারিয়ে চলেছেন একসঙ্গে আপনাদের তিনটি ন্যাশনাল লেভেলের দলকে। তিনি একা। বিরুদ্ধে তিনটি ন্যাশনাল টিম। তাও জিতছেন। সেটা কি হালকাভাবে নেওয়া যায়? তাই ব্যঙ্গ বা শ্লেষ অনেক হয়েছে। এবার সিরিয়াস পলিটিক্স করুন। সর্বাগ্রে স্টার্ট করুন একটা সহজ পন্থা দিয়ে। মমতার কুশলী রাজনীতিটাকে সমীহ করুন। অবজ্ঞা নয়। অবজ্ঞার মধ্যে একটা অন্ধত্ব আছে। সেটা হল প্রতিপক্ষের শক্তি বুঝেও উপেক্ষা করা। যা আবহমানকালের যুদ্ধকৌশলের লড়াইতে অচল!
বিশদ

13th  October, 2017
একনজরে
বিএনএ, বহরমপুর: মুর্শিদাবাদ জেলায় সংগঠনের অঞ্চল ও ব্লক কমিটির নেতা-কর্মীদের জীবনপঞ্জি সংগ্রহ করছে তৃণমূলের কিষান খেত মজদুর কমিটি। ইতিমধ্যে তারা প্রতিটি অঞ্চল ও ব্লক কমিটির কাছে নির্দিষ্ট ফরম পাঠিয়েছে। পঞ্চায়েত ভোটের আগে তাদের এই কর্মসূচি নিয়ে দলের অন্দরেই গুঞ্জন শুরু ...

বার্সেলোনা, ১৯ অক্টোবর: গ্রুপের প্রথম তিনটি ম্যাচ জিতে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের নক-আউট পর্ব প্রায় নিশ্চিত করে ফেলল বার্সেলোনা। বুধবার প্রবল বৃষ্টির মধ্যে ঘরের মাঠ ন্যু ...

কাবুল, ১৯ অক্টোবর (এপি): ভয়াবহ তালিবান হামলার মুখে পড়ল আফগানিস্তানের দক্ষিণ কান্দাহারের একটি সেনাঘাঁটি। হামলার জেরে মৃত্যু হয়েছে অন্তত ৪৩ জন আফগান সেনার। বৃহস্পতিবার প্রতিরক্ষা ...

নয়াদিল্লি, ১৯ অক্টোবর: আটারি-ওয়াঘা সীমান্তে দীপাবলীর শুভেচ্ছা বিনিময় করল ভারত ও পাকিস্তান। বৃহস্পতিবার সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) এবং পাক রেঞ্জার্সরা শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি একে অপরের ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

পরীক্ষার ফলাফল ভালো হবে। কোনও চুক্তিবদ্ধ কাজে যুক্ত হবার যোগ আছে। প্রেম-প্রণয়ে বাধাবিঘ্ন থাকবে। বুঝে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৭১: কবি ও গীতিকার অতুলপ্রসাদ সেনের জন্ম
১৯৭৮: ক্রিকেটার বীরেন্দ্র সেওয়াগের জন্ম

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৪.১৫ টাকা ৬৫.৮৩ টাকা
পাউন্ড ৮৪.৩৬ টাকা ৮৭.২২ টাকা
ইউরো ৭৫.২২ টাকা ৭৭.৮৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
19th  October, 2017
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩০,১৩৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৮,৫৯০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৯,০২০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৯,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৯,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩ কার্তিক, ২০ অক্টোবর, শুক্রবার, প্রতিপদ রাত্রি ঘ ১/৩৭, নক্ষত্র-চিত্রা, সূ উ ৫/৩৮/৫০, অ ৫/৪/১৬, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/২৫ মধ্যে পুনঃ ৭/১০ গতে ৯/২৭ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৪ গতে ২/৪৬ মধ্যে পুনঃ ৩/৩২ গতে অস্তাবধি, রাত্রি ঘ ৫/৫৪ গতে ৯/১৬ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৭ গতে ৩/৮ মধ্যে পুনঃ ৩/৫৯ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/৩০ গতে ১১/২১ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/১৩ গতে ৯/৪৭ মধ্যে।

শ্রীশ্রী বলিদৈত্যরাজপূজা
২ কার্তিক, ২০ অক্টোবর, শুক্রবার, প্রতিপদ রাত্রি ১২/২১/৫, চিত্রানক্ষত্র, সূ উ ৫/৩৮/৩৩, অ ৫/৪/৬, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/২২/১৫ মধ্যে, ৭/৯/৫৭-৯/২৭/৪, ১১/৪৪/১১-২/৪৭/০, ৩/৩২/৪২-৫/৪/৬, রাত্রি ৫/৫৪/২৪-৯/১৪/৩৫, ১১/৪৬/২৮-৩/৭/৩৯, ৩/৫৭/৫৭-৫/৩৯/৪, বারবেলা ৮/২৯/৫৬-৯/৫৫/৩৮, কালবেলা ৯/৫৫/৩৮-১১/২১/২০, কালরাত্রি ৮/১২/৪৩-৯/৪৭/১।

শ্রীশ্রী বলিদৈত্যরাজপূজা
২৯ মহরম

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
প্রায় ৭০০টি ট্রেনের গতি বাড়তে চলেছে 

নভেম্বরে ভারতীয় রেল প্রায় ৭০০টি-র মতো দুরপাল্লার ট্রেনের গতি বাড়াতে ...বিশদ

07:42:17 PM

নির্বাসন না তুললে অন্য দেশের হয়ে খেলার ইঙ্গিত দিলেন নির্বাসিত শ্রীসন্হ

06:55:09 PM

 প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের দাদা পিযুষ মুখোপাধ্যায় প্রয়াত

06:05:47 PM

প্রবল বৃষ্টি, সেচ দপ্তরে চালু কন্ট্রোল রুম

প্রবল বৃষ্টিতে নজর রাখতে সেচ দপ্তরে চালু কন্ট্রোল রুম। মনিটরিং ...বিশদ

04:28:40 PM

কানপুরে প্ল্যাস্টিকের গোডাউনে আগুন, ঘটনাস্থলে দমকলের ৬টি ইঞ্জিন

04:08:00 PM

দুপুরের পর থেকে আলিপুরদুয়ারে শুরু বৃষ্টি

03:52:00 PM

মুর্শিদাবাদে জুয়া খেলার অপরাধে যুবককে গুলি করার অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে
বহরমপুরের হাতিনগর এলাকায় জুয়া খেলার অভিযোগে এক যুবককে ...বিশদ

03:41:17 PM