বিশেষ নিবন্ধ
 

প্রিয়তমার অকাল বিয়োগ-ব্যথাই হয়তো বিভূতিভূষণের সাহিত্য-সৃষ্টির অন্যতম উৎস
সোনা বন্দ্যোপাধ্যায়

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজি নজরুল ইসলাম প্রমুখ সাহিত্যিকের জন্মদিন ও মৃত্যুদিন মানুষ নানাভাবে স্মরণ করে। কিন্তু দুঃখের বিষয় অমর কথাসাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে সেভাবে কোনও চর্চা হয় না। 
১২ সেপ্টেম্বর, ১৮৯৪ সাল তাঁর জন্মদিন। কিন্তু একমাত্র বনগাঁর গোপালনগর, চালকি বারাকপুর, বসিরহাট ও সংলগ্ন পানিতর গ্রাম ছাড়া কোথাও তাঁকে নিয়ে সেরকম মাতামাতি হয় না।
এখন ইংরেজি ২০১৭ সাল। অনেকেই জানেন না যে, এখন থেকে ঠিক ১০০ বছর আগে অর্থাৎ ১৯১৭ সালে বিবাহ-বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
অধুনা উত্তর ২৪ পরগনা ও তৎকালীন যশোহর জেলার বনগাঁ-র নিকটবর্তী ‘চালকি-বারাকপুর’ গ্রামটি বিভূতিভূষণের পৈতৃক গ্রাম হিসাবে পরিচিতি পেলেও এই পরিবারটির আদি নিবাস উত্তর ২৪ পরগনা জেলারই বসিরহাট লাগোয়া ‘পানিতর’ গ্রাম।
সেখানে তাঁদের পারিবারিক পেশা ছিল কবিরাজি। চিকিৎসার কাজেই বিভূতিভূষণের প্রপিতামহ চালকি-বারাকপুর-এ এসেছিলেন। পরে তাঁর পুত্র অর্থাৎ বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের পিতামহ বারাকপুরকেই তাঁর স্থায়ী কর্মস্থল নির্বাচন করে সেখানে থেকে যান। তাঁর পুত্র মহানন্দ বন্দ্যোপাধ্যায়ের জ্যেষ্ঠ পুত্র বিভূতিভূষণ।
পৈতৃক পেশা কবিরাজি ছেড়ে মহানন্দ পৌরোহিত্য ও কথকতাকে পেশা হিসাবে বেছে নেন। কিন্তু দারিদ্র তাঁকে আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে রাখে।
পিতার দারিদ্রের কারণে বালক বিভূতিভূষণের যখন পড়াশোনা বন্ধ হবার উপক্রম, সে সময় ঘটনাচক্রে তিনি তাঁদের পৈতৃক গ্রাম পানিতরের ধনী আইনজীবী কালীভূষণ মুখোপাধ্যায়ের স্নেহের টানে পড়ে যান।
কালীভূষণের স্নেহ, উদারতা ও অর্থ সাহায্যে বিভূতিভূষণের শিক্ষার্জন চলতে থাকে। এইসময় বালক বিভূতিভূষণ বেশ কিছুকাল কালীভূষণের গৃহে অবস্থান করেন।
এরপর প্রকৃতির নিয়মেই কালীভূষণের মেজমেয়ে গৌরী প্রথমে বালক বিভূতির খেলার সাথী, পরে বাল্য-প্রণয়ীতে পরিণত হয়। এই গৌরীকেই ইংরেজি ১৯১৭ সালে বিভূতিভূষণ জীবন-সঙ্গিনী হিসাবে বেছে নেন।
কিন্তু নিয়তির নিষ্ঠুর খেলা, ভালোবাসা ভরা এই মধুর দাম্পত্য জীবন তাঁদের দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। বিয়ের এক বছরের কিছু সময় পর মহামারী ওলাওঠা (কলেরা) রোগে গৌরীদেবী ও তাঁর মা অর্থাৎ বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের শাশুড়িমা পৃথিবী ছেড়ে চলে যান।
প্রিয়তমার এই অকাল বিয়োগ বিভূতিভূষণের সাহিত্যিক মনকে এত বেশি ভারাক্রান্ত করে তুলেছিল যে, তার প্রভাব জীবনের নানা ক্ষেত্রেই পড়েছিল।
বিভূতিভূষণ তখন হুগলি জেলার জাঙ্গীপাড়া দ্বারিকানাথ হাইস্কুলে শিক্ষকতা করেন।
শোকাচ্ছন্ন বিভূতিভূষণ মাঝে মাঝেই প্রয়াতা স্ত্রীর উদ্দেশে প্ল্যানচেট করতেন।
সে সময় স্কুলের অস্থায়ী প্রধান শিক্ষক বৃন্দাবন সিংহরায় শিক্ষকতা ছেড়ে ওকালতি পেশায় যাবেন মনস্থ করলেন। তাঁর ইচ্ছা ছিল বন্ধু ও অত্যন্ত ছাত্রদরদি শিক্ষক বিভূতিভূষণকে ওই পদে বসাবেন।
সেই সময় ওই গ্রামের রাজকুমার ভড় এম এ পাশ করলে, তাঁর একদল অনুগামী ভিনদেশের মানুষ ও বি এ পাশ বিভূতিভূষণের বদলে এম এ পাশ এবং গ্রামের মানুষ রাজকুমারকে ওই পদে বসাতে চাইলেন।
বিভূতিভূষণকে কোণঠাসা করার জন্য তাঁরা নানা ফন্দি আঁটতে লাগলেন। তুরুপের তাস করা হল বিভূতিভূষণের প্ল্যানচেটের ব্যাপারটা। বহু গ্রামবাসীকে বিক্ষুব্ধ করে তোলা হল যে, একজন শিক্ষক ভূত-প্রেত নিয়ে খেলা করেন। প্রসঙ্গটা পৌঁছে দেওয়া হল শ্রীরামপুরের সাব-ডিভিশনাল অফিসারের কানে। এসডিও সাহেব একজন সরকারি পরিদর্শককে তদন্তে পাঠালেন।
প্ল্যানচেট, কুসংস্কার ইত্যাদি নিয়ে কিছু প্রশ্ন করার পর পরিদর্শক মহাশয় বিভূতিভূষণকে প্ল্যানচেট করে দেখাতে বললেন। স্কুলের একটি ফাঁকা ঘরে ধূপ, ধুনো, মোমবাতি জ্বালিয়ে বিভূতিবাবু প্ল্যানচেট শুরু করলেন। নড়তে শুরু করল প্ল্যানচেট মিডিয়ামে ধরা পেনসিল, যেখানে কোনও হাত নেই। ছায়াছায়া এক অশরীরী আত্মার আবির্ভাব অনুভব করলেন ওই পরিদর্শক।
গ্রামবাসীদের মধ্যে আরও ব্যাপক প্রচার হল যে, স্কুল বাড়িতে ভূত-প্রেত নামিয়েছেন স্কুলেরই শিক্ষক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
খুব শীঘ্রই স্কুল কমিটির মিটিং বসল। সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে রাজকুমার ভড় হলেন প্রধান শিক্ষক।
নতুন প্রধান শিক্ষকের তৈরি এক রিপোর্টের ভিত্তিতে স্কুল-কমিটি যে সিদ্ধান্ত নিল তা একটি বন্ধ খামে বিভূতিভূষণকে ধরিয়ে দেওয়া হল। খাম খুলে বিভূতিবাবু দেখলেন, তাতে লেখা, ‘‘বিভূতিভূষণ ব্যানার্জি ইজ্‌ আন-স্যাটিসফ্যাকটোরি অ্যাজ এ টিচার, সো হি সুড বি রিমুভ্‌ড ফ্রম দি টিচিং স্টাফ।’’
ছাত্ররা এই দরদি শিক্ষককে ছাড়তে না চাইলেও অপমানিত বিভূতিবাবু ওখানে আর থাকতে চাইলেন না। প্রধান শিক্ষকের আপত্তিতে স্কুলে তাঁর ফেয়ারওয়েলের অনুমতি না মেলায় ছাত্ররা ওই গ্রামেরই মহেন্দ্র সাঁপুইয়ের আটচালায় চোখের জলে তাদের প্রিয় শিক্ষককে বিদায় জানাল।
বিষণ্ণ মনে কলকাতায় ফিরে আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায়ের সুপারিশে আবার তিনি চাকরি পেলেন। এবারও শিক্ষকতা, স্থান দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুর নিকটবর্তী হরিনাভি অ্যাংলো সংস্কৃত স্কুল।
স্ত্রী-হারা, উদাস প্রকৃতির এই মানুষটিকে তাঁর চেয়ে ১১-১২ বছরের বড়, এই গ্রামেরই গৃহবধূ নিভাননী নিজের ভাইয়ের মতোই স্নেহ করতেন। হরিনাভি অবস্থানকালে বিভূতিভূষণের মাতৃ-বিয়োগের পর এই স্নেহ আরও বেড়ে গেল।
এই সময় বিভূতিভূষণ ‘পূজনীয়া’ নামে একটি গল্প তৎকালীন প্রথম সারির পত্রিকা ‘প্রবাসী’-তে পাঠালে তা ‘উপেক্ষিতা’ নামে প্রকাশিত হল। এই গল্পে ছিল ‘নিভাননী’-র ছায়া। গ্রামে গুঞ্জন শুরু হল, মাস্টার গ্রামের বউকে নিয়ে কাগজে কেচ্ছা ছাপাচ্ছেন। এরপর ‘উমারাণী’ শিরোনামে আরেকটি গল্প প্রবাসীতে ছাপা হলে গ্রামে রটে গেল ওই গল্পটা নাকি নিভাননীর মেয়ে ‘অন্নপূর্ণা’, যার ডাকনাম ‘ফুলি’, তাকে নিয়ে লেখা। রটনা আরও বড় আকার নিল। লোকে বলতে লাগল যে, শুধু বউ নয়, গাঁয়ের কমবয়সি মেয়েদের নিয়েও মাস্টার কেচ্ছা চালাচ্ছেন। সাদা মনের মানুষ বিভূতিভূষণ ঠিক করলেন, এই স্কুল এবং এই গ্রামে আর থাকবেন না। একটি ইস্তফাপত্র লিখে স্কুল ছুটির পর তা তুলে দিলেন হেডস্যার কিশোরীলাল ভাদুড়ির হাতে। হেডস্যারের কোনও অনুরোধই বিভূতিভূষণ রাখলেন না। চোখের জলে কিশোরীবাবুর চশমা ঝাপসা হয়ে গেল। মনে মনে ইংরেজ কবি ‘মূর’-এর সেই কবিতা পড়তে লাগলেন। ‘‘গো, হোয়্যার গ্লোরি অ্যাওয়েটস দি’’। অর্থাৎ সেখানে যাও, যেখানে গৌরব তোমার জন্য অপেক্ষা করছে।
এরপর জীবনের নানা আবর্তন পেরিয়ে বিভূতিভূষণের ভাগ্যে জুটল কলকাতার পাথুরিয়াঘাটার খেলাত ঘোষ এস্টেটের জমিদারি দেখাশোনার ভার। এই জমিদারির ক্ষেত্র ছিল বিহারের ভাগলপুর অঞ্চলে। শহর ছাড়িয়ে অনেক দূরে পাহাড়, জঙ্গল আর বিস্তীর্ণ প্রান্তর ঘেরা পরিবেশে হল তাঁর ঠিকানা। এখানকার মায়াবী নৈসর্গিক আকর্ষণ বিভূতিভূষণের কবিমনকে আরও কল্পনাপ্রবণ করে দিল, তাঁর সাহিত্যিক মনকে করে তুলল আরও উর্বর। মনে পড়তে লাগল তাঁর ফেলে আসা দিনগুলোর সুখ, দুঃখের নানা স্মৃতি। এর ভিত্তিতেই তিনি লিখতে লাগলেন ‘পথের পাঁচালী’। প্রবাসীর মতো আরেক বিখ্যাত পত্রিকা ‘বিচিত্রা’-য় ধারাবাহিকভাবে এই কাহিনি ছাপা হতে থাকল।
তার পরের কাহিনি তো বলার অপেক্ষা রাখে না। বাংলা তথা ভারতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ উপন্যাস ‘পথের পাঁচালী’। ভারতবর্ষ তথা বিশ্বের বহু ভাষায় এর অনুবাদ হয়েছে। পথের পাঁচালী চিত্রায়িত করেই চিত্র পরিচালক সত্যজিৎ রায় সিনেমা জগতে প্রবেশ করেছেন এবং বিশ্ব-বরেণ্য হয়েছেন। স্কুলের পরীক্ষায় ‘তোমার প্রিয় গ্রন্থ’ রচনা এলে বহু ছাত্রছাত্রীই পথের পাঁচালীকে বেছে নেয়। শুধু পথের পাঁচালীই নয়, মানুষের সুখ-দুঃখ ভরা আরও বহু গল্প বিভূতিভূষণ এখানে বসে লিখেছেন। এর অনেকগুলোই আজকের সাম্প্রদায়িক অস্থিরতার যুগে সম্প্রীতির দিশারি।
প্রৌঢ় বয়সে বিভূতিভূষণ রমাদেবীকে বিয়ে করলেও প্রথমা স্ত্রী ‘গৌরী’-কে তিনি ভোলেননি। ঝাড়খণ্ডের ঘাটশিলায় সুবর্ণরেখা নদীর ধারে একটি ছোট্ট কুটির কিনে তার নাম রেখেছিলেন ‘গৌরীকুঞ্জ।
প্রিয়তমা স্ত্রীকে প্ল্যানচেট করার দায়ে স্কুল এবং গ্রাম থেকে বিতাড়িত হওয়ার পর ভাগ্যের চাকায় ঘুরতে ঘুরতে হরিনাভি, ভাগলপুর হয়ে শেষ পর্যন্ত ঘাটশিলার গৌরীকুঞ্জেই তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। সেটা ১৯৫০ সালের ১ নভেম্বর।
বরেণ্য ও দরদি এই সাহিত্যিকের প্রতি কতটুকু কর্তব্য আমরা করেছি? প্রতিটি জন্মদিন ও মৃত্যুদিন তাঁর নীরবেই পেরিয়ে যায়। এই বছর তাঁর বিবাহ শতবার্ষিকীতে তাঁর জন্য কি কিছু করা যায় না?
09th  September, 2017
পাহাড়জুড়ে রাজ্যের শান্তি প্রক্রিয়া এবং
উন্নয়নের মাঝেও কেন এই রাজনীতি?
নিমাই দে

রাজ্যে এক সময় ৬০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী ছিল। এখন তা কমে এসে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৪৮ কোম্পানিতে। অথচ বিজেপি শাসিত অন্য কয়েকটি রাজ্যের দিকে তাকালে চিত্রটা পরিষ্কার হয়ে যাবে। ছত্তিশগড়ে ২৫২ কোম্পানি, ঝাড়খণ্ডে ১৪৪ কোম্পানি, দিল্লি ৪০ কোম্পানি ইত্যাদি। তারপরেও গত ১৫ অক্টোবর সাতসকালে কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক থেকে ফ্যাক্সবার্তায় জানিয়ে দেওয়া হল, পাহাড়ে থাকা মাত্র ১৫ কোম্পানির মধ্যে ১০ কোম্পনিই প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে।
বিশদ

নিজেদের মহানুভবতা সম্পর্কে উদাস বলেই
এদেশে কৃষকরা এত উপেক্ষার শিকার
রঞ্জন সেন

মহাত্মা গান্ধী বলেছিলেন, ‘‘কৃষকরা বিশ্বের পিতা, কিন্তু তাঁদের মহানুভবতা এই যে তাঁরা তা নিজেরাই জানেন না। তাঁরা নিজেরাই জানেন না তাঁদের কতটা মূল্য। তাঁরা তার ধারও ধারেন না।’’ কিন্তু স্বাধীনতার প্রায় ৭০ বছর পরেও দেশও কি তাদের মূল্য বুঝল?
বিশদ

২০১৭ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার প্রাপক থেলারের কাছ থেকে অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের শিক্ষা নিক মোদি সরকার
দেবনারায়ণ সরকার

 যুক্তিবাদী অর্থনীতি থেকে জীবনমুখী অর্থনীতিতে উত্তরণের অন্যতম মুখ্য পথপ্রদর্শক হলেন ২০১৭ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্ত বিখ্যাত অর্থনীতিবিদ রিচার্ড থেলার। থেলার তাঁর বিখ্যাত ‘‘Misbehaving: The making of behavioural economics’’ (‘অশোভন আচরণ: আচরণগত অর্থনীতির উদ্ভাবন’) গ্রন্থে বলেছিলেন, ‘অভিজ্ঞতা থেকে শিখতে গেলে দুটি উপাদান আবশ্যকীয়: বারবার অভ্যাস বা চর্চা করা এবং অবিলম্বে তাদের প্রতিক্রিয়া গ্রহণ করা’ বিশদ

19th  October, 2017
খিদে কি শুধুই পরিসংখ্যান?
শুভময় মৈত্র

 খবর এসে গিয়েছে যে খিদের সূচকে ভারত নাকি বিশ্বের মধ্যে বেশ খারাপ জায়গায়। আমাদের স্থান কাঁটায় কাঁটায় একশো, গত বছর যেটা ৯৭ ছিল। আশেপাশের দেশগুলোর মধ্যে ভারতের থেকে খিদে যাদের বেশি পাচ্ছে তারা হল পাকিস্তান (১০৬) আর আফগানিস্তান (১০৭)। ভারতের আগে আছে নেপাল (৭২), মায়নামার (৭৭), শ্রীলঙ্কা (৮৪) এবং বাংলাদেশ (৮৮)। যুদ্ধবিদ্ধস্ত ইরাক ৭৮-এ আর পরমাণু বোমা নিয়ে পেশিসঞ্চালনে পটুত্ব দেখানো উত্তর কোরিয়া ৯৩।
বিশদ

19th  October, 2017
একনায়ক কি জনপ্রিয়তা হারাচ্ছেন?
হিমাংশু সিংহ

 পুজোয় কয়েকদিন বারাণসীতে ছিলাম। পুরীর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে যুগ যুগ ধরে বাঙালির দ্বিতীয় হোমটাউন বলে কথা। তার ওপর দেশের ইতিহাসে হালফিল সবচেয়ে ক্ষমতাশালী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সংসদীয় কেন্দ্র।
বিশদ

17th  October, 2017
কলকাতার ভূকম্প প্রবণতা কি আদৌ বিপজ্জনক?
গৌতম পাল

 ভূমিকম্প একটি প্রাকৃতিক দুর্ঘটনা। ভূস্তরের অভ্যন্তরে লিথোস্ফেরিক যে কোনও দুটি প্লেটের অভিসারী বিচলনই ভূমিকম্পের মুখ্য কারণ। ভূমিকম্প পুরোপুরিই একটি অনিশ্চিত ঘটনা। কারণ, ভূমিকম্পের উৎসস্থল, বিস্তৃতি এবং তীব্রতা বা বিপর্যয়ের মাত্রা প্রভৃতি সম্পর্কে পূর্বাভাস দেওয়া কখনওই সম্ভব নয়।
বিশদ

15th  October, 2017
১৯০৫-এর বঙ্গভঙ্গের দহন
কখনও বিস্মৃত হবার নয়
শমিত কর

 মহারাষ্ট্রের স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রবাদপ্রতিম নেতা গোপালকৃষ্ণ গোখলে বাংলা সম্পর্কে যে সুবিখ্যাত উক্তি করেছিলেন তা ভারতবাসীর চিরকাল মনে থাকবে। তিনি বলেছিলেন, ‘বাংলা আজ যে-কথা চিন্তা করে তা ভারত আগামীদিনে করে।’ নতুন চিন্তা-চেতনা-মতবাদ উদ্রেকে বাংলা ও বাঙালিদের যেন কোনও জুড়ি নেই।
বিশদ

14th  October, 2017
ধনী সন্ন্যাসী, দরিদ্র সন্ন্যাসী
অতনু বিশ্বাস

 হঠাৎ করে সম্পদ, বিলাস, স্ত্রী, সন্তান, বন্ধু ত্যাগ করে সন্ন্যাসী হয়েছেন কোন বিশ্বাসে ভর করে? কথোপকথনের মাঝে সন্ন্যাসী জানান যে তাঁর পিতা তাঁর জাগতিক ত্যাগের অনুষ্ঠানের সময় বিপুল অর্থ ব্যয় করেছিলেন। যখনই সন্ন্যাসী হন কোন জৈন, তাঁর প্রস্থান করার ইচ্ছা বোধ করি মহাবীরের বিদায়ের জাঁকজমকের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে।
বিশদ

14th  October, 2017
বঙ্গ রাজনীতির আশা নিরাশা
সমৃদ্ধ দত্ত

মমতা কিন্তু একাই দিনের পর দিন ভোটে, ইস্যুতে, পারসেপশনে হারিয়ে চলেছেন একসঙ্গে আপনাদের তিনটি ন্যাশনাল লেভেলের দলকে। তিনি একা। বিরুদ্ধে তিনটি ন্যাশনাল টিম। তাও জিতছেন। সেটা কি হালকাভাবে নেওয়া যায়? তাই ব্যঙ্গ বা শ্লেষ অনেক হয়েছে। এবার সিরিয়াস পলিটিক্স করুন। সর্বাগ্রে স্টার্ট করুন একটা সহজ পন্থা দিয়ে। মমতার কুশলী রাজনীতিটাকে সমীহ করুন। অবজ্ঞা নয়। অবজ্ঞার মধ্যে একটা অন্ধত্ব আছে। সেটা হল প্রতিপক্ষের শক্তি বুঝেও উপেক্ষা করা। যা আবহমানকালের যুদ্ধকৌশলের লড়াইতে অচল!
বিশদ

13th  October, 2017
একনজরে
বার্সেলোনা, ১৯ অক্টোবর: গ্রুপের প্রথম তিনটি ম্যাচ জিতে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের নক-আউট পর্ব প্রায় নিশ্চিত করে ফেলল বার্সেলোনা। বুধবার প্রবল বৃষ্টির মধ্যে ঘরের মাঠ ন্যু ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বহু টালবাহানার পর অবশেষে স্কুল ইনসপেক্টর (এসআই) পদপ্রার্থীদের প্যানেলে ছাড়পত্র দিয়েছে বিকাশ ভবন। ৩৬১ জনের এই প্যানেল বহু আগেই ছেড়েছিল পাবলিক সার্ভিস ...

নয়াদিল্লি, ১৯ অক্টোবর: আটারি-ওয়াঘা সীমান্তে দীপাবলীর শুভেচ্ছা বিনিময় করল ভারত ও পাকিস্তান। বৃহস্পতিবার সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) এবং পাক রেঞ্জার্সরা শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি একে অপরের ...

 বিএনএ, কোচবিহার: বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দিনহাটার ভেটাগুড়িতে এক বিজেপি কর্মীকে বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। সীমান্ত চৌধুরি নামে জখম ওই কর্মীকে কোচবিহার এমজেএন হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে। ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

পরীক্ষার ফলাফল ভালো হবে। কোনও চুক্তিবদ্ধ কাজে যুক্ত হবার যোগ আছে। প্রেম-প্রণয়ে বাধাবিঘ্ন থাকবে। বুঝে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৭১: কবি ও গীতিকার অতুলপ্রসাদ সেনের জন্ম
১৯৭৮: ক্রিকেটার বীরেন্দ্র সেওয়াগের জন্ম

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৪.১৫ টাকা ৬৫.৮৩ টাকা
পাউন্ড ৮৪.৩৬ টাকা ৮৭.২২ টাকা
ইউরো ৭৫.২২ টাকা ৭৭.৮৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
19th  October, 2017
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩০,১৩৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৮,৫৯০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৯,০২০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৯,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৯,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩ কার্তিক, ২০ অক্টোবর, শুক্রবার, প্রতিপদ রাত্রি ঘ ১/৩৭, নক্ষত্র-চিত্রা, সূ উ ৫/৩৮/৫০, অ ৫/৪/১৬, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/২৫ মধ্যে পুনঃ ৭/১০ গতে ৯/২৭ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৪ গতে ২/৪৬ মধ্যে পুনঃ ৩/৩২ গতে অস্তাবধি, রাত্রি ঘ ৫/৫৪ গতে ৯/১৬ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৭ গতে ৩/৮ মধ্যে পুনঃ ৩/৫৯ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/৩০ গতে ১১/২১ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/১৩ গতে ৯/৪৭ মধ্যে।

শ্রীশ্রী বলিদৈত্যরাজপূজা
২ কার্তিক, ২০ অক্টোবর, শুক্রবার, প্রতিপদ রাত্রি ১২/২১/৫, চিত্রানক্ষত্র, সূ উ ৫/৩৮/৩৩, অ ৫/৪/৬, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/২২/১৫ মধ্যে, ৭/৯/৫৭-৯/২৭/৪, ১১/৪৪/১১-২/৪৭/০, ৩/৩২/৪২-৫/৪/৬, রাত্রি ৫/৫৪/২৪-৯/১৪/৩৫, ১১/৪৬/২৮-৩/৭/৩৯, ৩/৫৭/৫৭-৫/৩৯/৪, বারবেলা ৮/২৯/৫৬-৯/৫৫/৩৮, কালবেলা ৯/৫৫/৩৮-১১/২১/২০, কালরাত্রি ৮/১২/৪৩-৯/৪৭/১।

শ্রীশ্রী বলিদৈত্যরাজপূজা
২৯ মহরম

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
প্রায় ৭০০টি ট্রেনের গতি বাড়তে চলেছে 

নভেম্বরে ভারতীয় রেল প্রায় ৭০০টি-র মতো দুরপাল্লার ট্রেনের গতি বাড়াতে ...বিশদ

07:42:17 PM

নির্বাসন না তুললে অন্য দেশের হয়ে খেলার ইঙ্গিত দিলেন নির্বাসিত শ্রীসন্হ

06:55:09 PM

 প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের দাদা পিযুষ মুখোপাধ্যায় প্রয়াত

06:05:47 PM

প্রবল বৃষ্টি, সেচ দপ্তরে চালু কন্ট্রোল রুম

প্রবল বৃষ্টিতে নজর রাখতে সেচ দপ্তরে চালু কন্ট্রোল রুম। মনিটরিং ...বিশদ

04:28:40 PM

কানপুরে প্ল্যাস্টিকের গোডাউনে আগুন, ঘটনাস্থলে দমকলের ৬টি ইঞ্জিন

04:08:00 PM

দুপুরের পর থেকে আলিপুরদুয়ারে শুরু বৃষ্টি

03:52:00 PM

মুর্শিদাবাদে জুয়া খেলার অপরাধে যুবককে গুলি করার অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে
বহরমপুরের হাতিনগর এলাকায় জুয়া খেলার অভিযোগে এক যুবককে ...বিশদ

03:41:17 PM