বিশেষ নিবন্ধ
 

কঠিন বর্জ্যের কানুন
বিনয়কান্তি দত্ত

কয়েক মাস আগের কথা। ১২ মার্চ, ২০১৭। সন্ধ্যা অতিক্রান্ত। ইথিওপিয়ার রাজধানী আদ্দিস আবাবার উপকণ্ঠে একটি ছোট্ট জনপদ। নাম কোশে। হঠাৎ তীব্র আর্তনাদ ও ক্রন্দনধ্বনিতে কেঁপে উঠল কোশে। একটি ছোট পাহাড়ে ধস নেমেছে। তার পাদদেশে যত বাড়িঘর ছিল সব ভূপতিত। অসংখ্য মানুষের আর্তনাদের সঙ্গে মিশে গেল উদ্ধারকারীদের সশব্দ তৎপরতা। পুলিশ, বিপর্যয় মোকাবিলা এবং সাধারণ মানুষের সম্মিলিত চেষ্টায় অনেক বাদে পরিস্থিতি আয়ত্তে এল। এর মধ্যে চলে গেল অষ্টআশিটি তাজা প্রাণ। তার ঠিক একমাস পর শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বোর উপকণ্ঠে ঘটল অনুরূপ একটি ঘটনা। একটি তিনশো ফুট উঁচু পাহাড়ে ধস। মৃত্যু প্রায় তিরিশ জনের। স্বভাবতই প্রশ্ন জাগতে পারে পাহাড় দুটি কীসের তৈরি? কিন্তু এ পাহাড় সে পাহাড় নয়। দুটি পাহাড়ই নগরের পরিত্যক্ত কঠিন বর্জ্য থেকে তৈরি হয়েছে। অনেক বছরের জমানো বর্জ্য। মনুষ্যসৃষ্ট জঞ্জালের পাহাড়।
এই দুটি কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। পৃথিবীর বহু দেশে এই জাতীয় দুর্ঘটনা ঘটেছে। আর ঘটেছে জমানো বর্জ্য এবং জঞ্জাল থেকে জলদূষণ, বায়ুদূষণ এবং আরও নানা প্রকার দূষণ, দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যহানি এমনকী জীবনহানিও। স্বাস্থ্য ও জীবন বাজি রেখে বহু নারীপুরুষ পুরজঞ্জাল থেকে বিক্রয়যোগ্য পদার্থ খুঁজে বেড়ান, কেবলমাত্র জীবিকার তাগিদে।
পৌরবর্জ্যের পরিমাণ বিগত পঞ্চাশ বছরে লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়েছে। এর মধ্যে কী নেই? রান্নাঘর থেকে ফেলে দেওয়া নানা পদার্থ, ফেলে দেওয়া খাবার, নানা ধরনের ব্যবহার্য জিনিসের মোড়ক, পরিত্যক্ত প্লাস্টিক, নানা ধরনের ধাতুর ছাঁট, কাচের বোতল (অনেক সময় যার মধ্যে থাকে পরিত্যক্ত বিষাক্ত রাসায়নিক, ওষুধপত্র, কীটনাশক), বাতিল টিউব লাইট (যার ভিতরে থাকে পারদের যৌগ), আরও কত কী! কী পরিমাণ পৌরবর্জ্য পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে তৈরি হয় তার সঠিক হিসাব পাওয়া শক্ত। কিন্তু পরিমাণটা বিশাল। মোটামুটি ৪০ লক্ষ টন প্রতিদিন। ভারতে তৈরি হয় প্রায় দেড় লক্ষ টন। এই বর্জ্য বা অপশিষ্ঠর নিষ্পত্তি কীভাবে করা যাবে? এর যেমন প্রযুক্তিগত দিক রয়েছে, তেমনি রয়েছে আইন-কানুনগত দিক। কানুন ছাড়া তো এই সমস্যার প্রতিকার সম্ভব নয়।
প্রথম কানুন তৈরি হল আমেরিকায় ১৯৬৫ সালে। আমাদের দেশে হল ২০০০ সালে, পৌরবর্জ্য ব্যবস্থাপনা কানুন। তবে এই কানুন কিন্তু সরকারি উদ্যোগে আসেনি। পরিবেশ রক্ষার সার্বিক আইন আমাদের দেশে এল ১৯৮৬ সালে। কিন্তু অনেক কিছুই এতে আলাদা করে বলা হয়নি। বলার দরকার ছিল। নানা ধরনের পরিবেশ দূষণের সমস্যা প্রকট হচ্ছে। ১৯৯২ সালে ভারতীয় সংবিধানের সত্তর-চতুর্থ সংশোধনীতে কঠিন বর্জ্যের ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব দেওয়া হল পৌরসভাগুলিকে। ১৯৯৬ সালে একটি জনস্বার্থ মামলা হল দেশের সর্বোচ্চ আদালতে। পৌরবর্জ্য সংগ্রহ এবং তার উপযুক্ত ব্যবস্থাপনার ওপর আদালতের আদেশ প্রার্থনা করা হল। আদালতের নির্দেশে এই বিষয়ে পর্যালোচনা ও সুপারিশের জন্য একটি কমিটি তৈরি হল। তার ভিত্তিতে বিজ্ঞপ্তি জারি হল নতুন কানুনের। পৌরবর্জ্য সংগ্রহ ও ব্যবস্থাপনার কানুন ২০০০। পুরসভা এবং অনুরূপ প্রতিষ্ঠানগুলিকে দায়িত্ব দেওয়া হল পৌরবর্জের সঠিক সংগ্রহ, পরিবহণ, পৃথকীকরণ এবং সামগ্রিক ব্যবস্থাপনার। কোনওমতেই এই বর্জ্য যেখানে সেখানে ফেলে রাখা বা জমানো যাবে না। এতে যে প্রায় পঞ্চাশ শতাংশ পচনশীল বস্তু থাকে তা থেকে জৈব সার (কম্পোস্ট) বানাতে হবে। বাকি অংশ থেকে পুনর্ব্যবহারযোগ্য বস্তু আলাদা করতে হবে। পড়ে থাকা অকেজো জিনিস বৈজ্ঞানিক ভাবে ভূমিজাত (সায়েন্টিফিক ল্যান্ডফিল) করতে হবে। এর পাশাপাশি বর্জ্য থেকে শক্তি উৎপাদনের কথাও বলা হল।
কানুন তো হল, বেশ কিছু বছর কেটেও গেল। কানুনে যে তিন বছরের সময়সীমা বেঁধে দেওয়া ছিল তা কবেই কেটে গেল। ইতিমধ্যে ২০০৬ সালে জাতীয় পরিবেশ নীতির আত্মপ্রকাশ ঘটেছে। আরও অনেক কিছুর সঙ্গে পৌরবর্জ্যের সমস্যা নিয়ে সেখানে আলোচনা হয়েছে। বলা হয়েছে কঠিন বর্জ্য থেকে মৃত্তিকা দূষণের কথা, বলা হয়েছে পৌরবর্জ্য পৃথকীকরণ এবং উপযুক্ত ব্যবস্থাপনার কথা। কিন্তু সমস্যা মিটল কি? মেটেনি বললেই হয়। বরং দুরারোগ্য ব্যাধির মতো আরও চেপে বসল। যত্রতত্র পৌরজঞ্জালের বিভিন্ন পরিসরের ও উচ্চতার দুর্গন্ধময়, দূষণদুষ্ট, দৃষ্টিপীড়ন স্তূপ। যে কটি কম্পোস্ট বা বর্জ্যসৃষ্ট শক্তি উৎপাদনের কারখানা তৈরি হয়েছিল তার কিছু বন্ধ হয়ে গেল। আবার সেই উচ্চ ধর্মাধিকরণ। পৌরবর্জ্যের উপদ্রব, ২০০০ সালের কানুন-এর অসম্পূর্ণতা, অতীব অসন্তোষজনক প্রয়োগ এবং কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় আশাহত কয়েকজন নাগরিক মহামান্য বেঙ্গালুরু আদালতে পেশ করলেন একাধিক জনস্বার্থ মামলা। এনভাইরনমেন্ট সাপোর্ট গ্রুপ নামে একটি এনজিও এতে শামিল হল। প্রার্থনা করা হল আবার আদালতের হস্তক্ষেপ। আবার একটি টেকনিকাল কমিটি তৈরি হল আদালতের নির্দেশে। ইতিমধ্যে, সম্ভবত উদ্ভূত ঘটনাবলির পরিপ্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় পরিবেশ মন্ত্রকের তরফে ২০০০ সালের কানুনের পরিবর্তন করার জন্য একটি খসড়া পেশ হল মহামান্য আদালতে। কিন্তু তা আদালতের অনুমোদন লাভে সফল হল না। ২০১৫ সালের শেষে কর্ণাটক হাইকোর্টের আদেশে বলা হল পৌরবর্জ্য সংগ্রহের জন্যে দুটি-পাত্র একটি-ব্যাগ পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে। অর্থাৎ, পৃথিবীর বহু দেশে অনেক আগে থেকে যে উৎসে পৃথকীকরণের পদ্ধতি অবলম্বিত হয়েছে সেটা চালু করতে বলা হল। পচনশীল জৈব বর্জ্য থাকবে একটি পাত্রে, অন্য পাত্রে থাকবে ব্যবহার অযোগ্য বর্জ্য। আর ব্যাগে থাকবে কোনও না কোনও ভাবে পুনর্ব্যবহারযোগ্য বস্তু। আদেশে আরও বলা হল যে প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে বাড়ি-বাড়ি সংগ্রহ চালু করতে হবে। সংগৃহীত বর্জ্য পদার্থ চলে যাবে প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্রে। পচনশীল জৈব থেকে হবে কম্পোস্ট, অন্য অংশ প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে ব্যবহারযোগ্য বস্তুতে পরিণত হবে। নিষ্ক্রিয় এবং অব্যবহার্য অংশ, যা ইতিমধ্যে উৎসে পৃথক করা হয়েছে, চলে যাবে ভূপ্রোথিত হবার জন্যে (সায়েন্টিফিক ল্যান্ডফিল)। কোনও অবস্থাতেই উন্মুক্ত স্থানে পৌরবর্জ্য স্তূপীকৃত করা চলবে না। এই অবস্থায় মহামান্য আদালতের আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে জারি হল কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কানুন ২০১৬।
একথা স্বীকার করতেই হবে যে ২০১৬-র এই কানুনটির পরিসর যথেষ্ট ব্যাপক। অনেক কিছুই পরিষ্কার করে বলা হয়েছে। কেবলমাত্র পৌরবর্জ্য নয়, এতে বলা হল সামগ্রিকভাবে কঠিন বর্জ্যের কথা। যদিও বিপজ্জনক, শিল্পনিঃসৃত বায়োমেডিক্যাল এবং নির্মাণশিল্পজাত কঠিন বর্জ্য এর অন্তর্ভুক্ত নয়। এগুলির জন্য আলাদা কানুন। পৌরবর্জ্যে ২০০০ সালের কানুনের আওতায় ছিল পুরসভা এবং অনুরূপ প্রতিষ্ঠান। ২০১৬-র কানুনের রেলওয়ে, এয়ারপোর্ট, তামাম সরকারি অফিস কাছারি, বিজ্ঞাপিত শিল্পাঞ্চল, নগরাঞ্চল, ধর্মক্ষেত্র ইত্যাদি স্থান, যেখানেই কঠিন বর্জ্য পরিত্যক্ত হতে পারে সবই এই কানুনের অন্তর্ভুক্ত হল। কঠিন বর্জ্য সৃষ্টিতে এবং এর ব্যবস্থাপনায় যাদেরই ভূমিকা বা অবদান আছে, তাদের কয়েকটি শ্রেণিতে ভাগ করে দায়িত্ব এবং কর্তব্য এই কানুনে লিপিবদ্ধ হল। শ্রেণিগুলি প্রধানত হল বর্জ্য সৃষ্টিকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান, কেন্দ্রীয় এবং রাজ্যস্তরের নগরোন্নয়ন মন্ত্রক, পৌর প্রতিষ্ঠান, পঞ্চায়েত ইত্যাদি, সার ও রসায়ন মন্ত্রক, কৃষি মন্ত্রক, শক্তি মন্ত্রক, নব্য ও অপ্রচলিত শক্তি মন্ত্রক, জেলা প্রশাসন, কেন্দ্রীয় এবং রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ। সামগ্রিক ভাবে এই কানুনের বাস্তবায়ন ও পর্যবেক্ষণের দায়িত্ব হল কেন্দ্রীয় পরিবেশ মন্ত্রকের। পরিবেশ সচিবের নেতৃত্বে একটি কমিটি এই পর্যবেক্ষণের কাজ করবে। এই কমিটি বছরে অন্তত একবার মিলিত হবে।
এখন দেখা যাক নতুন কানুনের মূল নিদানগুলি কী। যেখানে আরও বেশি জোর দেওয়া হল সেটা হচ্ছে উৎসে বর্জ্যকে তিনভাগে আলাদা করতেই হবে—যেমনটি কর্ণাটক উচ্চ আদালতের নির্দেশে ছিল। পৃথকীকৃত বর্জ্য পৃথকভাবেই সংগ্রহ করতে হবে। সংগ্রহকারীকে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিতে হবে। কঠিন বর্জ্য যেখানেই সৃষ্টি হোক, সেটা গৃহস্থালী হোক, কোনও প্রতিষ্ঠান হোক, বিপণি বা বাজার হোক, ভোগ্যপণ্যের প্রস্তুতকারক হোক, তা যেখানে সেখানে নিক্ষেপ করা যাবে না বা পোড়ানো যাবে না। এই বর্জ্যের ব্যবস্থাপনার জন্য আইনানুগভাবে ধার্য ফি দিতে হবে। এই প্রসঙ্গে যে কোনও প্রকারের দূষণ সৃষ্টির জন্য দূষণকারীর আর্থিক দায়ের যে বহু আলোচিত ও বিশ্ব গৃহীত নীতি রয়েছে (পলুটার পেজ প্রিন্সিপল) তার প্রয়োগ ঘটল। একশো জনের বেশি ব্যক্তিকে আপ্যায়িত করতে গেলে আঞ্চলিক কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিতে হবে এবং যে কোনও ক্ষেত্রে সৃষ্ট কঠিন বর্জ্য আলাদা করে অনুমোদিত সংগ্রহকারীকে দিতে হবে। পাঁচহাজার বর্গমিটার বা তার বেশি আয়তনের আবাসিক এলাকা, বিপণি এলাকা, হোটেল, রেস্টুরেন্ট বা প্রতিষ্ঠানকে নিজেদের উদ্যোগে বর্জ্য, পৃথকীকরণ, পুনর্ব্যবহারযোগ্য অংশ উপযুক্ত সংগ্রাহকদের সমর্পণ করা এবং পচনশীল জৈব অংশ দিয়ে যথাসম্ভব নিজ নিজ এলাকাতে কম্পোস্টিং বা বায়োগ্যাস উৎপাদনের ব্যবস্থা করতে হবে।
নগরোন্নয়ন দপ্তরকে অনেক গুরুদায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, প্রযুক্তিগত কৌশল ও বর্জ্য থেকে শক্তি উৎপাদন সংক্রান্ত একটি জাতীয় নীতি তৈরি করতে হবে। এ ছাড়া রয়েছে এই বিষয়ে গবেষণা ও প্রযুক্তির উন্নয়নে সাহায্য ও উৎসাহ প্রদান, আঞ্চলিক সংস্থাগুলির জন্য উপযুক্ত প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধির ব্যবস্থা করা এবং প্রস্তাবিত প্রকল্প বাস্তবায়িত করতে সাহায্য করার দায়িত্ব।
ইতিপূর্বে বলা হয়েছে কম্পোস্টিং এবং বর্জ্য থেকে শক্তি উৎপাদনের উপর অধিকতর গুরুত্ব আরোপের কথা। কিন্তু, কম্পোস্টের বাজার সৃষ্টি হবে কীভাবে? রসায়ন ও সার মন্ত্রককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে রাসায়নিক সার এবং কম্পোস্টের সহবিপণনের। তার অনুপাতও বলা আছে—স্থান বিশেষে মোটামুটি দু ব্যাগ সার-এর সঙ্গে এক ব্যাগ কম্পোস্ট বিক্রি করতে হবে। কম্পোস্ট-এর গুণবিচার করবে কৃষিমন্ত্রক। আর করবে সার সরবরাহ নিয়ন্ত্রণের নিয়মের মধ্যে কম্পোস্ট বিক্রয়ের সহায়তা। বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎশক্তি তো হল, কিন্তু তার সরবরাহ হবে কীভাবে? ইউনিট প্রতি দাম কীভাবে ঠিক হবে? দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় শক্তি-মন্ত্রককে। অবশ্য কম্পোস্টের মূল্য নির্ধারণের কোনও কথা বলা হয়নি। পরিকাঠামো উন্নয়ন এবং উপযুক্ত ভরতুকির ব্যবস্থা করতে বলা হল অপ্রচলিত শক্তি-মন্ত্রককে।
রাজ্যস্তরেও কঠিন বর্জ্যের ব্যবস্থাপনার নীতি তৈরি করতে হবে (সময় উল্লেখ করা আছে, এক বছর) এবং এর উদ্যোগ নিতে হবে নগরোন্নয়ন দপ্তরের সচিবকে। বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণের জমি ঠিক করার এবং সংগ্রহকারীদের নিবন্ধনও তাঁর দায়িত্ব। শিল্পাঞ্চল বা বিজ্ঞাপিত এলাকার অন্তত পাঁচ শতাংশ জমি যাতে বর্জ্য সাময়িকভাবে রক্ষণ ও প্রক্রিয়াকরণের জন্য চিহ্নিত থাকে তাও নিশ্চিত করতে হবে। আঞ্চলিক কর্তৃপক্ষ এবং গ্রাম পঞ্চায়েতের দায়িত্ব প্রভূত। নিজ নিজ এলাকার বর্জ্য ব্যবস্থাপনার যাবতীয় পরিকল্পনা ও তার বাস্তবায়নের পূর্ণ দায়িত্ব তাদের উপর ন্যস্ত হয়েছে। বর্জ্য সংগ্রহ, সংগ্রহকারীদের প্রশিক্ষণ, নিবন্ধন, বিকেন্দ্রিত কম্পোস্ট প্লান্ট ও বায়োগ্যাস প্লান্ট নির্মাণ এবং সচল রাখা, প্রয়োজনীয় উপবিধি প্রণয়ন, সাধারণত সচেতনতা বৃদ্ধি, যত্রতত্র বর্জ্যনিক্ষেপ নিবৃত্তি, বার্ষিক রিপোর্ট তৈরি, আরও অনেক অনেক দায়িত্ব।
কেন্দ্রীয় ও রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদগুলিকে দায়িত্ব দেওয়া হল বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণ প্রযুক্তির বিচার ও মূল্যায়ন, সংশ্লিষ্ট স্থানগুলির ভূগর্ভস্থ জল, বায়ু, মৃত্তিকা ও শব্দের গুণমানের মাপকাঠি নির্ধারণ, বিভিন্ন দপ্তরকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া, ইত্যাদি কাজের।
একথা অস্বীকার করার উপায় নেই যে এই নতুন কানুনে কঠিন বর্জ্য সমস্যার সব দিক বিচার করে, সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর ও কর্তৃপক্ষকে দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। মনে আসছে অসুরবধের জন্য দুর্গা দুর্গতিনাশিনীকে দশপ্রহরণে সজ্জিত করার কথা। এখন দেখতে হবে এই কানুন-রূপী দুর্গা বর্জ্যাসুরকে কতদিনে বধ করতে পারে।
 লেখক রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের প্রাক্তন চেয়ারম্যান
12th  August, 2017
গুম-নিখোঁজ ও পরমানন্দ মন্ত্রণালয়
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়

বাংলাদেশে ‘লিট ফেস্ট’ শুরু ও শেষ হল। সেই কারণে কি না জানি না, অরুন্ধতী রায়ের দ্বিতীয় উপন্যাস ‘দ্য মিনিস্ট্রি অব আটমোস্ট হ্যাপিনেস’ হুট করে সংবাদপত্রে চর্চার কেন্দ্রে উঠে এল। এই মুহূর্তে বাংলাদেশের অত্যন্ত জনপ্রিয় সাহিত্যিক ও সাংবাদিক, আমার অতি ঘনিষ্ঠ ও প্রিয় আনিসুল হক এই উপন্যাসের বাংলা নাম দিয়েছেন ‘পরমানন্দ মন্ত্রণালয়’।
বিশদ

লন্ডন, এডিনবরা এবং মমতা
শুভা দত্ত

দুর্গাপুজোর দিন যত এগিয়ে আসে, আনন্দটা তার সঙ্গে সমানুপাতিক হারে বাড়ে। এ আমাদের বাঙালি সংস্কৃতির চিরন্তন সত্য। আর মা দুর্গাকে ঘিরে সেই উৎসবের রামধনু রং ফিকে হতে শুরু করে নবমীর সন্ধ্যা থেকেই। আজ বাদে কাল দশমী। মায়ের ফিরে যাওয়ার পালা।
বিশদ

চীনের প্রেসিডেন্ট বনাম ভারতের ডিফেন্স রিসার্চ
প্রশান্ত দাস

জিনপিং দেশের বিখ্যাত বিজ্ঞানীদের বললেন—আমাদের সমাজতন্ত্র দেশকে তরতর করে এগিয়ে নিয়ে চলেছে। এগিয়ে চলেছে আমাদের অর্থনীতি। কিন্তু গত পাঁচ বছরে আপনারা ক’টি অবিশ্বাস্য অস্ত্র দিতে পেরেছেন সেনাদের? ভারতের ডিআরডিও কী করে পৃথিবীতে দু’নম্বর রিসার্চ সেন্টার হল? কী নেই আপনাদের? যা যা চাই, তালিকা পাঠান। যতদিন না আমরা ডিআরডিও-কে ছাপিয়ে যেতে পারছি, ততদিন আমরা নিজেদের এশিয়ার মধ্যে এক নং বলতে পারব না।
বিশদ

18th  November, 2017
রাজ্যের লাইব্রেরিগুলিকে বাঁচাতেই হবে
পার্থজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

মনে পড়ছে গত ডিসেম্বরের কথা। বীরভূম জেলার সরকারি বইমেলার আয়োজন হয়েছিল সিউড়িতে, ইরিগেশন কলোনির মাঠে। আমি উদ্বোধক, মঞ্চে জেলার মন্ত্রীরা, সঙ্গত কারণেই উপস্থিত ছিলেন গ্রন্থাগারমন্ত্রীও। মঞ্চে বসেই সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীর সঙ্গে পরিচয়, আলাপচারিতা।
বিশদ

18th  November, 2017
মোদির আমলে শিশুদের খিদের যন্ত্রণা তীব্র, কারণ শিশু ও মহিলা উন্নয়নে গুরুত্ব কম
দেবনারায়ণ সরকার

কেন্দ্রীয় সরকারের গত ৩ বছরের বাজেটের তথ্য সার্বিকভাবে বিচার করলে দেখা যাচ্ছে কেন্দ্রীয় বাজেটে মোট ব্যয় যেখানে ২১ শতাংশের বেশি বেড়েছে (টাকার অঙ্কে অতিরিক্ত প্রায় ৩ লক্ষ ৫১ হাজার কোটি টাকা), সেখানে মহিলা ও শিশু উন্নয়নে ব্যয় কপর্দকও বাড়েনি, বরং প্রায় ১ শতাংশ কমেছে। একইভাবে মহিলা ও শিশু উন্নয়ন ব্যয় বাজেটের মোট ব্যয়ের ১ শতাংশের অনেক নীচে নেমেছে। মোদ্দা কথা হল, যে দেশের কেন্দ্রীয় বাজেটে মহিলা ও শিশু উন্নয়নের ব্যয় বাজেটে মোট ব্যয়ের ১ শতাংশেরও কম এবং এই ব্যয় মোদির জমানায় যেহেতু আরও কমছে, সেই দেশে রোজ রাতে খালি পেটে শুতে যাওয়া শিশুদের সংখ্যা ক্রমশ বৃদ্ধিটাই স্বাভাবিক। তাই ভারতে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে অপুষ্টিও।
বিশদ

17th  November, 2017
ডেঙ্গু: রাজনীতি ছেড়ে হাত মিলিয়ে কাজের সময়
অনিরুদ্ধ কর

অবিলম্বে একটা স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর বা নিয়মাবলী প্রকাশ করতে হবে সরকারের তরফে। সরকারি নির্দেশ মানতে বাধ্য সকল সরকারি বেসরকারি ও প্রাইভেট চিকিৎসা কেন্দ্র। অতীতের দিকে নজর দিলে দেখা যাবে বার্ড ফ্লু বা সোয়াইন ফ্লু-র সময় সরকারের তরফে এমন নিয়মাবলী প্রকাশ করা হয়েছিল। চিকিৎসাব্যবস্থায় কী কী থাকতে হবে এবং কোথায় থাকবে তাও বলে দেওয়া হয়েছিল। ফ্লু-র ওষুধ একমাত্র সরকার দিত। খোলাবাজারে মিলত না সেই ওষুধ। কারণ সেক্ষেত্রে ওষুধ নিয়ে কালোবাজারি এবং চড়া দামে ওষুধ বিক্রি হওয়ার আশঙ্কা থেকে যেত। এছাড়া একটি রাজ্যস্তরের কমিটি ছিল পর্যালোচনার জন্য।
বিশদ

17th  November, 2017
প্যারিস, পরিবেশ এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষী ভারত
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 পরিবেশ মানে হল যেখানে সেখানে থুতু না ফেলা। মন্তব্যটি আমারই এক ঘনিষ্ঠ বন্ধুর। এবং কী ভয়ঙ্কর সাবলীল স্বীকারোক্তি। যে দেশে ৩০ কোটি মানুষ এখনও দারিদ্রসীমার নীচে বসবাস করেন, যেখানে সাক্ষরতা বলতে বোঝানো হয় নিজের নাম সই করতে পারা, সেখানে সচেতনতার প্রাথমিক পাঠটা এমন একটা মন্তব্য দিয়ে শুরু করলে মন্দ কী!
বিশদ

16th  November, 2017
সার্ধশতবর্ষের শ্রদ্ধাঞ্জলি টেম্‌স থেকে গঙ্গা: ভগিনী নিবেদিতার দার্শনিক যাত্রা
জয়ন্ত কুশারী

 আয়ারল্যান্ডের স্বল্প জনবসতি শহর ডুং গানন। স্যামুয়েল রিচমন্ড নোবেল নামে এক ধর্মযাজক ও তাঁর ভক্তিমতী স্ত্রী মেরি ইসাবেল হ্যামিলটন বাস করেন এই শহরে। এঁরা সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের কাছে করজোড়ে প্রার্থনা করেন সুখপ্রসবে প্রথম সন্তানটি হলে তাঁরা ঈশ্বরের চরণেই সদ্যোজাতকে সমর্পণ করবেন।
বিশদ

16th  November, 2017
নোট বাতিল: উত্তরপ্রদেশের ভোট, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক এবং চে গুয়েভারা
শুভময় মৈত্র

নোট বাতিলের কারণ এবং ফল সংক্রান্ত আলোচনা দেখে, শুনে এবং পড়ে জনগণ এই বিষয়ে যথেষ্ট অবহিত, হয়তো বা কিছুটা ক্লান্তও বটে। বিজেপি সরকার কেন এই সিদ্ধান্ত নিলেন, এর কী কী ভুল ভ্রান্তি আছে, দেশের কী ক্ষতি হল, সাধারণ মানুষ ঠিক কতটা ভুগলেন এই নিয়ে আমরা যতটা আলোচনা করেছি সেই পরিমাণটা সময় এবং সম্পদের হিসেবে পাঁচশো আর হাজার টাকার মোট বাতিল নোটের মূল্যের থেকে বেশিও হয়ে যেতে পারে।
বিশদ

14th  November, 2017
বুকে লাল গোলাপের সেই মানুষটির কথা আজ খুব মনে পড়ছে
মোশারফ হোসেন

স্বপনদা বলত, পচার চাই। বুঝলে ভায়া, পচারটাই আসল। বাঁকুড়া মানুষ স্বপনদা র-ফলা উচ্চারণ করতে পারত না। তার মুখে ‘প্রচার’ শব্দটা ‘পচার’ হয়েই বেরত। আগ্রার ভঁপু চক্কোত্তিও একই কথা বলেছিলেন। ভঁপুবাবুর সঙ্গে আমার আলাপ হয়েছিল ১৯৯৩ সালে। এরকমই এক নভেম্বরে। উত্তরপ্রদেশের বিধানসভা ভোটের খবর করতে গিয়ে।
বিশদ

14th  November, 2017
ফাইলের ভয় দেখিয়ে মুকুল কি রাজ্য রাজনীতিতে জায়গা করতে পারবেন?
শুভা দত্ত

ভয় দেখাচ্ছেন মুকুল রায়, ফাইলের ভয়। মারাত্মক তথ্য ঠাসা গোপন সব ফাইল নাকি সদ্য গেরুয়াধারী মুকুল রায়ের হাতে! সেসব ফাইলের তথ্য প্রকাশ পেলেই নাকি ধরাশায়ী হবে তৃণমূল! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজত্ব চলে যাবে! আর সেই সুযোগে ড্যাং ড্যাং করে মুকুল রায়ের বিজেপি পশ্চিমবঙ্গের দখল নেবে। মমতা ভুলে বাংলার জনতাও মোদিজি অমিতজির বন্দনায় আত্মহারা হবে।
বিশদ

12th  November, 2017
ভারতের স্বাস্থ্য পরিষেবা ব্যবস্থাকে আরও জনকল্যাণমুখী ও সংগঠিত করা প্রয়োজন
বরুণ গান্ধী

 এবারে আমার আলোচনার বিষয়বস্তু হল, আমাদের দেশের সামগ্রিক স্বাস্থ্য পরিষেবা নিয়ে। খুব বেশিদিন নয়, মাত্র মাসদুয়েক আগের কথা। গোরখপুরের বি আর ডি হাসপাতালে ৬০ জন ছোট ছেলে-মেয়ে পাঁচ দিনের মধ্যে প্রায় বিনা চিকিৎসায় মারা গেল। এর থেকে দুঃখের ঘটনা আর কিছু হয় না। খবরে প্রকাশ, প্রতিদিন এই হাসপাতালে গড়ে ২০০/২৫০ জন এনসেফ্যালাইটিস রোগে আক্রান্ত রোগী ভরতি হচ্ছিলেন। রোগীর এহেন ভিড়ে এখানকার চিকিৎসার পরিকাঠামো একরকম ভেঙে পড়ে। বিশদ

12th  November, 2017
একনজরে
 বিএনএ, চুঁচুড়া: গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব কোনও ভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। যে সমস্ত কর্মী দলের পরিবর্তে নিজের স্বার্থরক্ষার জন্য গোষ্ঠী তৈরি করছেন, বহুবার তাঁদের সতর্ক করা হয়েছে। নিজেদের দ্রুত শুধরে নিতে না পারলে তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ, প্রয়োজনে বরখাস্ত করা হবে। ...

 নয়াদিল্লি, ১৮ নভেম্বর: এই প্রথম চীন থেকে আমদানি করা স্টেইনলেস স্টিলের ওপর ব্যাপকভাবে ‘কাউন্টারভেইলিং’ শুল্ক আরোপ করেছে কেন্দ্র। আগামী পাঁচ বছর চীন থেকে কেউ এই পণ্য আমদানি করলে তাকে ১৮.৯৫% হারে ‘কাউন্টারভেইলিং’ শুল্ক (সিভিডি) দিতে হবে বলে অর্থ মন্ত্রক থেকে ...

হারারে, ১৮ নভেম্বর: জিম্বাবোয়ের প্রেসিডেন্ট রবার্ট মুগাবেকে গৃহবন্দি করে রাখার ঘটনাটিকে সামরিক অভ্যুত্থান হিসেবেই দেখছে আফ্রিকান ইউনিয়ন। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম মুগাবে উৎখাতের এই অভ্যুত্থানের নেপথ্যে ...

 আমেদাবাদ, ১৮ নভেম্বর: গুজরাত নির্বাচনের প্রাক্কালে হার্দিক প্যাটেলকে নিয়ে চাপে পড়ল কংগ্রেস। পাটিদার সংরক্ষণের দাবি মেনে নিতে কংগ্রেসকে নতুন করে চরমসীমা দিল ‘পাটিদার আনামত আন্দোলন সমিতি’ (পাস)। সেইমতো কংগ্রেসের উপর চাপ বাড়িয়ে বেশ কিছু টিকিট আদায় করে নিতে চাইছে হার্দিকের ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার্থীদের বিষয় নির্বাচন সঠিক হওয়া দরকার। কর্মপ্রার্থীরা কোন শুভ সংবাদ পেতে পারেন। কারও সঙ্গে সম্পর্কহানি ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৩৮: সমাজ সংস্কারক কেশবচন্দ্র সেনের জন্ম
১৮৭৭: কবি করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯১৭: ভারতের তৃতীয় প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর জন্ম
১৯২২: সঙ্গীতকার সলিল চৌধুরির জন্ম
১৯২৮: কুস্তিগীর ও অভিনেতা দারা সিংয়ের জন্ম
১৯৫১: অভিনেত্রী জিনাত আমনের জন্ম

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৪.০০ টাকা ৬৫.৬৮ টাকা
পাউন্ড ৮৪.৩২ টাকা ৮৭.১৯ টাকা
ইউরো ৭৫.২০ টাকা ৭৭.৮৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
18th  November, 2017
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩০,১৯৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৮,৬৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৯,০৮০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪০,২০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪০,৩০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩ অগ্রহায়ণ, ১৯ নভেম্বর, রবিবার, প্রতিপদ রাত্রি ৭/১৫, নক্ষত্র-অনুরাধা রাত্রি ৯/৫৭, সূ উ ৫/৫৫/৪৩, অ ৪/৪৮/১৭, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/৪০ গতে ৮/৫০ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৪ গতে ২/৩৮ মধ্যে। রাত্রি ঘ ৭/২৩ গতে ৯/১১ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৯ গতে ১/৩৪ মধ্যে পুনঃ ২/২৭ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ১০/০ গতে ১২/৪০ মধ্যে, কালরাত্রি ১২/৫৯ গতে ২/৩৯ মধ্যে।
ইতু পূজা।
 
২ অগ্রহায়ণ, ১৯ নভেম্বর, রবিবার, প্রতিপদ রাত্রি ৫/৪৫/৪১, অনুরাধানক্ষত্র ৯/২৭/৫২, সূ উ ৫/৫৬/১২, অ ৪/৪৭/১৯, অমৃতযোগ দিবা ৬/৩৯/৩৬-৮/৪৯/৩৮, ১১/৪৩/০-২/৩৬/২১, রাত্রি ৭/২৫/৬-৯/১০/১৬, ১১/৪৮/৩-১/৩৩/১৪, ২/২৫/৫০-৫/৫৬/৫৮, বারবেলা ১০/০/২২-১১/২১/৪৫, কালবেলা ১১/২১/৪৫-১২/৪৩/৯, কালরাত্রি ৯/৪৩/১৩-১১/২১/৫৮।
ইতু পূজা।

২৯ শফর

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আই এস এল: নর্থইস্ট ইউনাইটেড :০ জামশেদপুর এফ সি :০
আজ গুয়াহাটির ইন্দিরা গান্ধী অ্যাথেলেটিক স্টেডিয়ামে আই এস এল-এ মুখোমুখি ...বিশদ

18-11-2017 - 10:04:08 PM

আই এস এল: নর্থইস্ট ইউনাইটেড :০ জামশেদপুর এফ সি :০ (প্রথমার্ধ)

18-11-2017 - 08:54:58 PM

 মিস ওয়ার্ল্ড ২০১৭ হলেন মনুষী ছিল্লর

18-11-2017 - 08:23:20 PM

আই এস এল: নর্থইস্ট ইউনাইটেড:০ জামশেদপুর এফ সি:০
আজ গুয়াহাটির ইন্দিরা গান্ধী অ্যাথেলেটিক স্টেডিয়ামে আই এস এল-এ মুখোমুখি ...বিশদ

18-11-2017 - 08:11:51 PM

ট্রেনের সময়সূচি বদল
ডাউন ট্রেন দেরিতে আসার জন্য

১২৩৩১ আপ হাওড়া-জাট ...বিশদ

18-11-2017 - 07:16:00 PM