বিশেষ নিবন্ধ
 

কঠিন বর্জ্যের কানুন
বিনয়কান্তি দত্ত

কয়েক মাস আগের কথা। ১২ মার্চ, ২০১৭। সন্ধ্যা অতিক্রান্ত। ইথিওপিয়ার রাজধানী আদ্দিস আবাবার উপকণ্ঠে একটি ছোট্ট জনপদ। নাম কোশে। হঠাৎ তীব্র আর্তনাদ ও ক্রন্দনধ্বনিতে কেঁপে উঠল কোশে। একটি ছোট পাহাড়ে ধস নেমেছে। তার পাদদেশে যত বাড়িঘর ছিল সব ভূপতিত। অসংখ্য মানুষের আর্তনাদের সঙ্গে মিশে গেল উদ্ধারকারীদের সশব্দ তৎপরতা। পুলিশ, বিপর্যয় মোকাবিলা এবং সাধারণ মানুষের সম্মিলিত চেষ্টায় অনেক বাদে পরিস্থিতি আয়ত্তে এল। এর মধ্যে চলে গেল অষ্টআশিটি তাজা প্রাণ। তার ঠিক একমাস পর শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বোর উপকণ্ঠে ঘটল অনুরূপ একটি ঘটনা। একটি তিনশো ফুট উঁচু পাহাড়ে ধস। মৃত্যু প্রায় তিরিশ জনের। স্বভাবতই প্রশ্ন জাগতে পারে পাহাড় দুটি কীসের তৈরি? কিন্তু এ পাহাড় সে পাহাড় নয়। দুটি পাহাড়ই নগরের পরিত্যক্ত কঠিন বর্জ্য থেকে তৈরি হয়েছে। অনেক বছরের জমানো বর্জ্য। মনুষ্যসৃষ্ট জঞ্জালের পাহাড়।
এই দুটি কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। পৃথিবীর বহু দেশে এই জাতীয় দুর্ঘটনা ঘটেছে। আর ঘটেছে জমানো বর্জ্য এবং জঞ্জাল থেকে জলদূষণ, বায়ুদূষণ এবং আরও নানা প্রকার দূষণ, দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যহানি এমনকী জীবনহানিও। স্বাস্থ্য ও জীবন বাজি রেখে বহু নারীপুরুষ পুরজঞ্জাল থেকে বিক্রয়যোগ্য পদার্থ খুঁজে বেড়ান, কেবলমাত্র জীবিকার তাগিদে।
পৌরবর্জ্যের পরিমাণ বিগত পঞ্চাশ বছরে লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়েছে। এর মধ্যে কী নেই? রান্নাঘর থেকে ফেলে দেওয়া নানা পদার্থ, ফেলে দেওয়া খাবার, নানা ধরনের ব্যবহার্য জিনিসের মোড়ক, পরিত্যক্ত প্লাস্টিক, নানা ধরনের ধাতুর ছাঁট, কাচের বোতল (অনেক সময় যার মধ্যে থাকে পরিত্যক্ত বিষাক্ত রাসায়নিক, ওষুধপত্র, কীটনাশক), বাতিল টিউব লাইট (যার ভিতরে থাকে পারদের যৌগ), আরও কত কী! কী পরিমাণ পৌরবর্জ্য পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে তৈরি হয় তার সঠিক হিসাব পাওয়া শক্ত। কিন্তু পরিমাণটা বিশাল। মোটামুটি ৪০ লক্ষ টন প্রতিদিন। ভারতে তৈরি হয় প্রায় দেড় লক্ষ টন। এই বর্জ্য বা অপশিষ্ঠর নিষ্পত্তি কীভাবে করা যাবে? এর যেমন প্রযুক্তিগত দিক রয়েছে, তেমনি রয়েছে আইন-কানুনগত দিক। কানুন ছাড়া তো এই সমস্যার প্রতিকার সম্ভব নয়।
প্রথম কানুন তৈরি হল আমেরিকায় ১৯৬৫ সালে। আমাদের দেশে হল ২০০০ সালে, পৌরবর্জ্য ব্যবস্থাপনা কানুন। তবে এই কানুন কিন্তু সরকারি উদ্যোগে আসেনি। পরিবেশ রক্ষার সার্বিক আইন আমাদের দেশে এল ১৯৮৬ সালে। কিন্তু অনেক কিছুই এতে আলাদা করে বলা হয়নি। বলার দরকার ছিল। নানা ধরনের পরিবেশ দূষণের সমস্যা প্রকট হচ্ছে। ১৯৯২ সালে ভারতীয় সংবিধানের সত্তর-চতুর্থ সংশোধনীতে কঠিন বর্জ্যের ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব দেওয়া হল পৌরসভাগুলিকে। ১৯৯৬ সালে একটি জনস্বার্থ মামলা হল দেশের সর্বোচ্চ আদালতে। পৌরবর্জ্য সংগ্রহ এবং তার উপযুক্ত ব্যবস্থাপনার ওপর আদালতের আদেশ প্রার্থনা করা হল। আদালতের নির্দেশে এই বিষয়ে পর্যালোচনা ও সুপারিশের জন্য একটি কমিটি তৈরি হল। তার ভিত্তিতে বিজ্ঞপ্তি জারি হল নতুন কানুনের। পৌরবর্জ্য সংগ্রহ ও ব্যবস্থাপনার কানুন ২০০০। পুরসভা এবং অনুরূপ প্রতিষ্ঠানগুলিকে দায়িত্ব দেওয়া হল পৌরবর্জের সঠিক সংগ্রহ, পরিবহণ, পৃথকীকরণ এবং সামগ্রিক ব্যবস্থাপনার। কোনওমতেই এই বর্জ্য যেখানে সেখানে ফেলে রাখা বা জমানো যাবে না। এতে যে প্রায় পঞ্চাশ শতাংশ পচনশীল বস্তু থাকে তা থেকে জৈব সার (কম্পোস্ট) বানাতে হবে। বাকি অংশ থেকে পুনর্ব্যবহারযোগ্য বস্তু আলাদা করতে হবে। পড়ে থাকা অকেজো জিনিস বৈজ্ঞানিক ভাবে ভূমিজাত (সায়েন্টিফিক ল্যান্ডফিল) করতে হবে। এর পাশাপাশি বর্জ্য থেকে শক্তি উৎপাদনের কথাও বলা হল।
কানুন তো হল, বেশ কিছু বছর কেটেও গেল। কানুনে যে তিন বছরের সময়সীমা বেঁধে দেওয়া ছিল তা কবেই কেটে গেল। ইতিমধ্যে ২০০৬ সালে জাতীয় পরিবেশ নীতির আত্মপ্রকাশ ঘটেছে। আরও অনেক কিছুর সঙ্গে পৌরবর্জ্যের সমস্যা নিয়ে সেখানে আলোচনা হয়েছে। বলা হয়েছে কঠিন বর্জ্য থেকে মৃত্তিকা দূষণের কথা, বলা হয়েছে পৌরবর্জ্য পৃথকীকরণ এবং উপযুক্ত ব্যবস্থাপনার কথা। কিন্তু সমস্যা মিটল কি? মেটেনি বললেই হয়। বরং দুরারোগ্য ব্যাধির মতো আরও চেপে বসল। যত্রতত্র পৌরজঞ্জালের বিভিন্ন পরিসরের ও উচ্চতার দুর্গন্ধময়, দূষণদুষ্ট, দৃষ্টিপীড়ন স্তূপ। যে কটি কম্পোস্ট বা বর্জ্যসৃষ্ট শক্তি উৎপাদনের কারখানা তৈরি হয়েছিল তার কিছু বন্ধ হয়ে গেল। আবার সেই উচ্চ ধর্মাধিকরণ। পৌরবর্জ্যের উপদ্রব, ২০০০ সালের কানুন-এর অসম্পূর্ণতা, অতীব অসন্তোষজনক প্রয়োগ এবং কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় আশাহত কয়েকজন নাগরিক মহামান্য বেঙ্গালুরু আদালতে পেশ করলেন একাধিক জনস্বার্থ মামলা। এনভাইরনমেন্ট সাপোর্ট গ্রুপ নামে একটি এনজিও এতে শামিল হল। প্রার্থনা করা হল আবার আদালতের হস্তক্ষেপ। আবার একটি টেকনিকাল কমিটি তৈরি হল আদালতের নির্দেশে। ইতিমধ্যে, সম্ভবত উদ্ভূত ঘটনাবলির পরিপ্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় পরিবেশ মন্ত্রকের তরফে ২০০০ সালের কানুনের পরিবর্তন করার জন্য একটি খসড়া পেশ হল মহামান্য আদালতে। কিন্তু তা আদালতের অনুমোদন লাভে সফল হল না। ২০১৫ সালের শেষে কর্ণাটক হাইকোর্টের আদেশে বলা হল পৌরবর্জ্য সংগ্রহের জন্যে দুটি-পাত্র একটি-ব্যাগ পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে। অর্থাৎ, পৃথিবীর বহু দেশে অনেক আগে থেকে যে উৎসে পৃথকীকরণের পদ্ধতি অবলম্বিত হয়েছে সেটা চালু করতে বলা হল। পচনশীল জৈব বর্জ্য থাকবে একটি পাত্রে, অন্য পাত্রে থাকবে ব্যবহার অযোগ্য বর্জ্য। আর ব্যাগে থাকবে কোনও না কোনও ভাবে পুনর্ব্যবহারযোগ্য বস্তু। আদেশে আরও বলা হল যে প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে বাড়ি-বাড়ি সংগ্রহ চালু করতে হবে। সংগৃহীত বর্জ্য পদার্থ চলে যাবে প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্রে। পচনশীল জৈব থেকে হবে কম্পোস্ট, অন্য অংশ প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে ব্যবহারযোগ্য বস্তুতে পরিণত হবে। নিষ্ক্রিয় এবং অব্যবহার্য অংশ, যা ইতিমধ্যে উৎসে পৃথক করা হয়েছে, চলে যাবে ভূপ্রোথিত হবার জন্যে (সায়েন্টিফিক ল্যান্ডফিল)। কোনও অবস্থাতেই উন্মুক্ত স্থানে পৌরবর্জ্য স্তূপীকৃত করা চলবে না। এই অবস্থায় মহামান্য আদালতের আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে জারি হল কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কানুন ২০১৬।
একথা স্বীকার করতেই হবে যে ২০১৬-র এই কানুনটির পরিসর যথেষ্ট ব্যাপক। অনেক কিছুই পরিষ্কার করে বলা হয়েছে। কেবলমাত্র পৌরবর্জ্য নয়, এতে বলা হল সামগ্রিকভাবে কঠিন বর্জ্যের কথা। যদিও বিপজ্জনক, শিল্পনিঃসৃত বায়োমেডিক্যাল এবং নির্মাণশিল্পজাত কঠিন বর্জ্য এর অন্তর্ভুক্ত নয়। এগুলির জন্য আলাদা কানুন। পৌরবর্জ্যে ২০০০ সালের কানুনের আওতায় ছিল পুরসভা এবং অনুরূপ প্রতিষ্ঠান। ২০১৬-র কানুনের রেলওয়ে, এয়ারপোর্ট, তামাম সরকারি অফিস কাছারি, বিজ্ঞাপিত শিল্পাঞ্চল, নগরাঞ্চল, ধর্মক্ষেত্র ইত্যাদি স্থান, যেখানেই কঠিন বর্জ্য পরিত্যক্ত হতে পারে সবই এই কানুনের অন্তর্ভুক্ত হল। কঠিন বর্জ্য সৃষ্টিতে এবং এর ব্যবস্থাপনায় যাদেরই ভূমিকা বা অবদান আছে, তাদের কয়েকটি শ্রেণিতে ভাগ করে দায়িত্ব এবং কর্তব্য এই কানুনে লিপিবদ্ধ হল। শ্রেণিগুলি প্রধানত হল বর্জ্য সৃষ্টিকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান, কেন্দ্রীয় এবং রাজ্যস্তরের নগরোন্নয়ন মন্ত্রক, পৌর প্রতিষ্ঠান, পঞ্চায়েত ইত্যাদি, সার ও রসায়ন মন্ত্রক, কৃষি মন্ত্রক, শক্তি মন্ত্রক, নব্য ও অপ্রচলিত শক্তি মন্ত্রক, জেলা প্রশাসন, কেন্দ্রীয় এবং রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ। সামগ্রিক ভাবে এই কানুনের বাস্তবায়ন ও পর্যবেক্ষণের দায়িত্ব হল কেন্দ্রীয় পরিবেশ মন্ত্রকের। পরিবেশ সচিবের নেতৃত্বে একটি কমিটি এই পর্যবেক্ষণের কাজ করবে। এই কমিটি বছরে অন্তত একবার মিলিত হবে।
এখন দেখা যাক নতুন কানুনের মূল নিদানগুলি কী। যেখানে আরও বেশি জোর দেওয়া হল সেটা হচ্ছে উৎসে বর্জ্যকে তিনভাগে আলাদা করতেই হবে—যেমনটি কর্ণাটক উচ্চ আদালতের নির্দেশে ছিল। পৃথকীকৃত বর্জ্য পৃথকভাবেই সংগ্রহ করতে হবে। সংগ্রহকারীকে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিতে হবে। কঠিন বর্জ্য যেখানেই সৃষ্টি হোক, সেটা গৃহস্থালী হোক, কোনও প্রতিষ্ঠান হোক, বিপণি বা বাজার হোক, ভোগ্যপণ্যের প্রস্তুতকারক হোক, তা যেখানে সেখানে নিক্ষেপ করা যাবে না বা পোড়ানো যাবে না। এই বর্জ্যের ব্যবস্থাপনার জন্য আইনানুগভাবে ধার্য ফি দিতে হবে। এই প্রসঙ্গে যে কোনও প্রকারের দূষণ সৃষ্টির জন্য দূষণকারীর আর্থিক দায়ের যে বহু আলোচিত ও বিশ্ব গৃহীত নীতি রয়েছে (পলুটার পেজ প্রিন্সিপল) তার প্রয়োগ ঘটল। একশো জনের বেশি ব্যক্তিকে আপ্যায়িত করতে গেলে আঞ্চলিক কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিতে হবে এবং যে কোনও ক্ষেত্রে সৃষ্ট কঠিন বর্জ্য আলাদা করে অনুমোদিত সংগ্রহকারীকে দিতে হবে। পাঁচহাজার বর্গমিটার বা তার বেশি আয়তনের আবাসিক এলাকা, বিপণি এলাকা, হোটেল, রেস্টুরেন্ট বা প্রতিষ্ঠানকে নিজেদের উদ্যোগে বর্জ্য, পৃথকীকরণ, পুনর্ব্যবহারযোগ্য অংশ উপযুক্ত সংগ্রাহকদের সমর্পণ করা এবং পচনশীল জৈব অংশ দিয়ে যথাসম্ভব নিজ নিজ এলাকাতে কম্পোস্টিং বা বায়োগ্যাস উৎপাদনের ব্যবস্থা করতে হবে।
নগরোন্নয়ন দপ্তরকে অনেক গুরুদায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, প্রযুক্তিগত কৌশল ও বর্জ্য থেকে শক্তি উৎপাদন সংক্রান্ত একটি জাতীয় নীতি তৈরি করতে হবে। এ ছাড়া রয়েছে এই বিষয়ে গবেষণা ও প্রযুক্তির উন্নয়নে সাহায্য ও উৎসাহ প্রদান, আঞ্চলিক সংস্থাগুলির জন্য উপযুক্ত প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধির ব্যবস্থা করা এবং প্রস্তাবিত প্রকল্প বাস্তবায়িত করতে সাহায্য করার দায়িত্ব।
ইতিপূর্বে বলা হয়েছে কম্পোস্টিং এবং বর্জ্য থেকে শক্তি উৎপাদনের উপর অধিকতর গুরুত্ব আরোপের কথা। কিন্তু, কম্পোস্টের বাজার সৃষ্টি হবে কীভাবে? রসায়ন ও সার মন্ত্রককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে রাসায়নিক সার এবং কম্পোস্টের সহবিপণনের। তার অনুপাতও বলা আছে—স্থান বিশেষে মোটামুটি দু ব্যাগ সার-এর সঙ্গে এক ব্যাগ কম্পোস্ট বিক্রি করতে হবে। কম্পোস্ট-এর গুণবিচার করবে কৃষিমন্ত্রক। আর করবে সার সরবরাহ নিয়ন্ত্রণের নিয়মের মধ্যে কম্পোস্ট বিক্রয়ের সহায়তা। বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎশক্তি তো হল, কিন্তু তার সরবরাহ হবে কীভাবে? ইউনিট প্রতি দাম কীভাবে ঠিক হবে? দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় শক্তি-মন্ত্রককে। অবশ্য কম্পোস্টের মূল্য নির্ধারণের কোনও কথা বলা হয়নি। পরিকাঠামো উন্নয়ন এবং উপযুক্ত ভরতুকির ব্যবস্থা করতে বলা হল অপ্রচলিত শক্তি-মন্ত্রককে।
রাজ্যস্তরেও কঠিন বর্জ্যের ব্যবস্থাপনার নীতি তৈরি করতে হবে (সময় উল্লেখ করা আছে, এক বছর) এবং এর উদ্যোগ নিতে হবে নগরোন্নয়ন দপ্তরের সচিবকে। বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণের জমি ঠিক করার এবং সংগ্রহকারীদের নিবন্ধনও তাঁর দায়িত্ব। শিল্পাঞ্চল বা বিজ্ঞাপিত এলাকার অন্তত পাঁচ শতাংশ জমি যাতে বর্জ্য সাময়িকভাবে রক্ষণ ও প্রক্রিয়াকরণের জন্য চিহ্নিত থাকে তাও নিশ্চিত করতে হবে। আঞ্চলিক কর্তৃপক্ষ এবং গ্রাম পঞ্চায়েতের দায়িত্ব প্রভূত। নিজ নিজ এলাকার বর্জ্য ব্যবস্থাপনার যাবতীয় পরিকল্পনা ও তার বাস্তবায়নের পূর্ণ দায়িত্ব তাদের উপর ন্যস্ত হয়েছে। বর্জ্য সংগ্রহ, সংগ্রহকারীদের প্রশিক্ষণ, নিবন্ধন, বিকেন্দ্রিত কম্পোস্ট প্লান্ট ও বায়োগ্যাস প্লান্ট নির্মাণ এবং সচল রাখা, প্রয়োজনীয় উপবিধি প্রণয়ন, সাধারণত সচেতনতা বৃদ্ধি, যত্রতত্র বর্জ্যনিক্ষেপ নিবৃত্তি, বার্ষিক রিপোর্ট তৈরি, আরও অনেক অনেক দায়িত্ব।
কেন্দ্রীয় ও রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদগুলিকে দায়িত্ব দেওয়া হল বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণ প্রযুক্তির বিচার ও মূল্যায়ন, সংশ্লিষ্ট স্থানগুলির ভূগর্ভস্থ জল, বায়ু, মৃত্তিকা ও শব্দের গুণমানের মাপকাঠি নির্ধারণ, বিভিন্ন দপ্তরকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া, ইত্যাদি কাজের।
একথা অস্বীকার করার উপায় নেই যে এই নতুন কানুনে কঠিন বর্জ্য সমস্যার সব দিক বিচার করে, সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর ও কর্তৃপক্ষকে দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। মনে আসছে অসুরবধের জন্য দুর্গা দুর্গতিনাশিনীকে দশপ্রহরণে সজ্জিত করার কথা। এখন দেখতে হবে এই কানুন-রূপী দুর্গা বর্জ্যাসুরকে কতদিনে বধ করতে পারে।
 লেখক রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের প্রাক্তন চেয়ারম্যান
12th  August, 2017
সফলতা বনাম সফলতা
অভিজিৎ তরফদার

 সংবাদপত্রের প্রথম পাতা আলো করে কোন ব্যক্তিরা শোভা পান? তাঁরা জনপ্রতিনিধি। তাঁরা দেশের আইনও প্রণয়ন করেন। দুর্জনে বলে তাঁদের এক চতুর্থাংশ বা তারও বেশিজনের নামে ফৌজদারি মামলা আছে। খুন-ধর্ষণ-ডাকাতি ইত্যাদি ভয়ানক সব অভিযোগে তাঁরা অভিযুক্ত। কিন্তু আমরা, আম জনতা, তাঁদের ফুল্লবিকশিত মুখশোভা সংবাদপত্রে দেখতেই অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছি।
বিশদ

ভারত চীন যুদ্ধ হলে চীন পরাজিত হবে
প্রশান্ত দাস

 সারা ভারতজুড়ে এখন একটাই আলোচনা ঝড় তুলেছে—ডোকালাম নিয়ে চীন ভারতকে আক্রমণ করবে কি? চীন অনবরত ভারতকে চমকে চলেছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের মুখপত্র গ্যারিরস বলেছেন—কোনও দেশ যেন নিজেকে সর্বশক্তিমান না ভাবে। চীন এবং ভারত মুখোমুখি আলোচনায় বসে ব্যাপারটি মিটিয়ে নেয়।
বিশদ

শুধুই প্রচার, রেজাল্ট কই!
সমৃদ্ধ দত্ত

 গোরখপুর থেকে ৪৩ কিলোমিটার দূরের জৈনপুর গ্রামের লক্ষ্মী আর শৈলেন্দ্র তিন সপ্তাহ বয়সি মেয়ের মৃতদেহ নিয়ে অনেক দেরি করে বাড়িতে ফিরতে পেরেছিল। গোরখপুরের হাসপাতালে অক্সিজেনের অভাবে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মেয়ে মারা যাওয়ার পর হাসপাতালের বাবুদের কাছে বারংবার ধমক খেতে হয়েছে তাঁদের।
বিশদ

18th  August, 2017
 কেন্দ্রের দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণেই মেডিকেল ভরতিতে রাজ্যের ছাত্রছাত্রীরা বঞ্চনার শিকার
গৌতম পাল

 নিট পরীক্ষার দায়িত্ব সিবিএসই-কে দিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার ক্ষমতাকে কেন্দ্রীভূত করেছে। নিট পরীক্ষায় যাঁরা বিষয় বিশেষজ্ঞ হিসাবে সাহায্য করেছেন তাঁরা অধিকাংশই দিল্লির কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, এবং বেশিরভাগই কেন্দ্রীয় সরকার পরিচালনাকারী একটি বড় রাজনৈতিক দলের সদস্য বা কাছের মানুষ। অথচ পশ্চিমবাংলার বা অন্যান্য রাজ্যের খ্যাতনামা যে সকল অধ্যাপক অত্যন্ত দক্ষতা এবং স্বচ্ছতার সঙ্গে রাজ্যের প্রবেশিকা পরীক্ষায় এ যাবৎ সাহায্য করে এসেছেন, সিবিএসই কিন্তু তাঁদেরকে নিটের সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করেনি, বা এই সম্পর্কে রাজ্যের কোনও মতামতও নেয়নি। অনেকেই বলছেন রাজ্যের পাঠ্যক্রম সংশোধন করে নিটের সমমানের করলেই রাজ্যের ছেলে-মেয়েরা নিটে ভালো র‌্যাংক করবে।
বিশদ

17th  August, 2017
স্বাধীনতার ৭০ বছর, নেতাতন্ত্র বনাম গণতন্ত্র?
হিমাংশু সিংহ

বিয়াল্লিশের ভারত ছাড়ো আন্দোলন আমি দেখিনি। ৪৭-এর ঐতিহাসিক স্বাধীনতা লাভের মুহূর্তে মধ্যরাতের জওহরলাল নেহরুর সেই ঐতিহাসিক ভাষণ চাক্ষুষ করার সুযোগও হয়নি। হওয়ার কথাও নয়, কারণ ওই ঘটনার প্রায় দু’দশক পর আমার জন্ম। সেদিনের কথা বইয়ে, ইতিহাসের পাতায় পড়েছি মাত্র।
বিশদ

15th  August, 2017
গভীর রাতের নাটক শেষে স্যালুট
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়

জেতা ম্যাচ কী করে হারতে হয়, এই নির্বাচন তার একটা বড় উদাহরণ হয়ে থাকবে। হারতে হারতে জিতে গিয়েছেন আহমেদ প্যাটেল। এই দুর্দিনে তাঁর জয় কংগ্রেসের মরা গাঙে বান হয়তো ডেকে আনবে না, তবে মনোবল সামান্য হলেও বাড়াবে। সোনিয়া গান্ধীর দলের এই দুর্দিনে এটাই বা কম কী? তবে আহমেদ প্যাটেল নন, অমিত শাহও নন, শেষ বিচারে আসল জয়ী নির্বাচন কমিশন। ভারতীয় গণতন্ত্রের সৌন্দর্য এটাই। ওই গভীর রাতে নির্বাচন কমিশনকেই তাই স্যালুট জানিয়েছি।
বিশদ

13th  August, 2017
স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে: কিছু প্রশ্ন
শুভা দত্ত

শুধু ভারত ছাড়ো কেন? রামনবমী রাখিবন্ধন পুজোপাঠ স্বাধীনতা দিবস প্রজাতন্ত্র—সবকিছুতেই এখন এত বেশি বেশি রাজনৈতিক দখলদারি শুরু হয়েছে যে, সাধারণ মানুষের পক্ষে উৎসবের মেজাজ ধরে রাখাই মুশকিল হচ্ছে। রাজনীতি ছাড়া যেন কিছু হতেই পারে না!
বিশদ

13th  August, 2017
বাৎসল্য রসের পরাকাষ্ঠা মা যশোদার আত্মাভিমান চূর্ণ করলেন শ্রীকৃষ্ণ
চিদানন্দ গোস্বামী

 ভারতবর্ষের পৌরাণিক সাংস্কৃতিক ইতিহাসের এক সূর্য-করোজ্জ্বল ঘটনা। তত্ত্বে গভীর, দার্শনিকতায় গভীর, নৈতিকতাতেও। তাই বিশ্ব-জাগতিক জীবনে আকর্ষণে চিরন্তন মূল্যবান রত্ন সম্পদ।
বিশদ

12th  August, 2017
গ্যাসে ভরতুকি ছাড়ার অনুরোধ আসলে ধান্ধা
মৃন্ময় চন্দ

 সরকারি অর্থনীতির চলন বোঝাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রেগন একবার বলেছিলেন—‘‘If it moves, tax it. If it keeps moving, regulate it. And if it stops moving, subsidize it.’’ ৫৭.৫ লাখ এলপিজি গ্রাহক ভরতুকি ছেড়ে দিয়েছেন। দেশে এলপিজি গ্রাহকের সংখ্যা এই মুহূর্তে ১৪.৭০ কোটি। বিশদ

11th  August, 2017



একনজরে
সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: এবারের অতিবর্ষণে জমিতে সদ্য রোপণ করা আমন ধান, আমনের বীজতলা এবং সবজি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সব মিলিয়ে আলিপুরদুয়ার জেলায় ফসলের ক্ষতি হয়েছে ২২ কোটি টাকা। শুক্রবার জেলা কৃষি দপ্তর ফসলের এই ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট নবান্নে পাঠাল। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কলকাতায় খুচরো ব্যাবসার বাজার বাড়ছে। ২০১৪ সালের তুলনায় খুচরো ব্যাবসার বৃদ্ধির হার প্রায় দ্বিগুণ। শুক্রবার ইন্ডিয়ান চেম্বার অব কমার্সের এক অনুষ্ঠানে এই ...

সংবাদদাতা, কালনা: বেআইনিভাবে রান্নার গ্যাস ব্যবহারের বিরুদ্ধে কালনায় বিশেষ অভিযান চালাল জেলা এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ। কালনা শহরের ফেরিঘাট সহ কয়েকটি জায়গায় মিষ্টির দোকানে অভিযান চালিয়ে বেশ কয়েকটি গৃহস্থের ব্যবহারের রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার বাজেয়াপ্ত করে। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নিউটাউনে একটি বেসরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে ছাত্রদের মধ্যে সংঘর্ষে তিনজন জখম হয়েছেন। তাঁদের নিউটাউনের একটি বেসরকারি হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়। ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চবিদ্যার ক্ষেত্রে মধ্যম ফল আশা করা যায়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাফল্য আসবে। প্রেম-প্রণয়ে নতুনত্ব আছে। কর্মরতদের ... বিশদ



ইতিহাসে আজকের দিন

 বিশ্ব মনুষ্যত্ব দিবস
১৯৪০: পরিচালক গোবিন্দ নিহলনির জন্ম
১৯৯৩: অভিনেতা উৎপল দত্তের মৃত্যু


ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৩৫ টাকা ৬৫.০৩ টাকা
পাউন্ড ৮১.২৫ টাকা ৮৪.২১ টাকা
ইউরো ৭৩.৯৬ টাকা ৭৬.৫৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৯,৬৬০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৮,১৪০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৮৫০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৯,৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৯,৬০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

 ২ ভাদ্র, ১৯ আগস্ট, শনিবার, দ্বাদশী দিবা ৭/১৮ পরে ত্রয়োদশী রাত্রি ৪/৩৮, পুনর্বসুনক্ষত্র রাত্রি ৭/৯, সূ উ ৫/১৮/৩৪, অ ৬/২/২৪, অমৃতযোগ দিবা ৯/৩৩-১২/৫৭ রাত্রি ৮/১৬-১০/৩২ পুনঃ ১২/২-১/৩৩ পুনঃ ১/১৫-২/৫১ পুনঃ ২/১৮-৩/৪৮, বারবেলা ৬/৫৪ পুনঃ ১/১৫-২/৫১ পুনঃ ৪/২৬-অস্তাবধি, কালরাত্রি ৭/২৮ পুনঃ ৩/৫৪-উদয়াবধি।
 ২ ভাদ্র, ১৯ আগস্ট, শনিবার, দ্বাদশী ৬/৫/১৭ পরে ত্রয়োদশী রাত্রি ৩/৫১/২৭, পুনর্বসুনক্ষত্র রাত্রি ৭/১৫/১৭, সূ উ ৫/১৬/১১, অ ৬/৩/৫৫, অমৃতযোগ দিবা ৯/৩২/৬-১২/৫৬/৪৯ রাত্রি ৮/১৮/২২-১০/৩২/৪৯, ১২/২/২৮-১/৩২/৬, ২/১৬/৫৫-৩/৪৬/২৩, বারবেলা ১/১৬/১-২/৫১/৫৯, কালবেলা ৬/৫২/৯, ৪/২৭/৫৭-৬/৩/৫৫, কালরাত্রি ৭/২৭/৫৭, ৩/৫২/২৭-৫/১৬/২৯।
২৬ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
পূর্ব রেলের বিশেষ ট্রেন

হাওড়া বিভাগের ভট্টনগর এবং ডানকুনি স্টেশনের মধ্যে আপ লাইন তৈরির কাজ করছে পূর্ব রেল। তার জন্য হাওড়া, শিয়ালদহসহ নানা স্টেশন থেকে একাধিক ট্রেন বাতিল করা হচ্ছে। কিছু ট্রেনের রুটও ঘুরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ট্রেন চলাচল নিয়ন্ত্রণে যাত্রীদের ভোগান্তি কিছুটা হলেও কমাতে বর্ধমান ও বারুইপাড়া স্টেশনের মধ্যে দু’জোড়া বিশেষ ট্রেন চালানো হবে বলে জানিয়েছে পূর্ব রেল। আজ, শনিবার ও আগামী সোমবার এই বিশেষ ট্রেনগুলি চালানো হবে। যাত্রাপথে ট্রেনগুলি প্রতিটি স্টেশনে দাঁড়াবে।

09:05:55 AM

  উত্তরবঙ্গে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েই গেল
উত্তরবঙ্গে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা জিইয়েই রাখল আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। একইসঙ্গে দক্ষিণবঙ্গেও হালকা থেকে মাঝারি মাপের বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি চলবে। শুক্রবার আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরসূত্রে জানা গিয়েছে, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের উপর যে ঘূর্ণাবর্তটি তৈরি হয়েছিল, তা নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। সেই নিম্নচাপের অবস্থান উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোসাগর লাগোয়া এলাকা থেকে ওড়িশার মধ্যভাগ পর্যন্ত। এদিকে মৌসুমি অক্ষরেখার বর্তমানে অবস্থান ওই নিম্নচাপ এলাকা হয়ে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত। অন্যদিকে পশ্চিম অসম সংলগ্ন এলাকায় একটি আলাদা ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। সব মিলিয়ে ওড়িশা এবং সংলগ্ন এলাকায় আজ শনিবার ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়ে রেখেছে হাওয়া অফিস। তার প্রভাব থাকবে এ রাজ্যেও। আগামী ক’দিন এখানে বর্ষা গতি পাবে। অন্যদিকে ঘূর্ণাবর্তের জেরে উত্তরে বৃষ্টি চলবে বলে জানিয়েছে তারা।

09:05:54 AM

আজ শহরের তাপমাত্রা থাকবে ৩২ ডিগ্রির কাছাকাছি

09:01:00 AM

ইতিহাসে আজকের দিনে

 বিশ্ব মনুষ্যত্ব দিবস
১৯৪০: পরিচালক গোবিন্দ নিহলনির জন্ম
১৯৯৩: অভিনেতা উৎপল দত্তের মৃত্যু

08:59:04 AM

  সেভিংস অ্যাকাউন্টে ০.৫ শতাংশ সুদ কমিয়ে দিল ইউনিয়ন ব্যাংকও
স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার দেখানো পথে হাঁটল ইউনিয়ন ব্যাংক অব ইন্ডিয়াও। শুক্রবার ব্যাংকের তরফে জানানো হয়েছে, সেভিংস ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সুদের হার কমানো হচ্ছে ২১ আগস্ট থেকে। সেভিংস অ্যাকাউন্টে ২৫ লক্ষ টাকার কম আমানতের উপর সুদের হার ৪ শতাংশ থেকে ০.৫ শতাংশ কমিয়ে সাড়ে ৩ শতাংশ করা হচ্ছে। ২৫ লক্ষ টাকার বেশি আমানতকারীরা সেভিংস অ্যাকাউন্টে ৪ শতাংশ হারেই সুদ পাবেন। বৃহস্পতিবার সেভিংস অ্যাকাউন্টে সুদ কমানোর কথা ঘোষণা করেছিল বেসরকারি ব্যাংকিং শিল্পে দ্বিতীয় স্থানাধিকারী এইচডিএফসি ব্যাংক।

08:20:00 AM

 ইঞ্জিনে গোলমাল, একদিনে বাতিল ইন্ডিগোর ৮৪টি উড়ান
এয়ারবাস এ৩২০ নিও বিমানে নানা ধরনের ত্রুটি থাকার জন্য শুক্রবার প্রায় ৮৪টি উড়ান বাতিল করল ইন্ডিগো। সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, প্র্যাট ও হুইটনি থেকে পাঠানো ১৩টি বিমান এদিন ইঞ্জিনে গোলমালের কারণে আকাশে উড়তে পারেনি। তাই বাতিল করতে হয়েছে ৮৪টি উড়ান। এই বছরে ২১ জুন থেকে ৩ জুলাইয়ের মধ্যে ৬৬৭টি উড়ান বাতিল করতে হয়েছে, ২৭ জুন একদিনেই বাতিল করা হয়েছিল ৬১টি উড়ান। যদিও এই ঘটনা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ইন্ডিগোর চেয়ারম্যান আদিত্য ঘোষ।

08:02:00 AM