বিশেষ নিবন্ধ
 

রেশনে আধার: এত তাড়াহুড়োর কি কোনও প্রয়োজন আছে?
নিমাই দে

চাল দু’টাকা কেজি দরে। কিন্তু রেশন দোকানে গিয়ে তা পেতে হলে পকেট থেকে তখনই খরচ করতে হবে ২৫ থেকে ৩০ টাকা। দু’টাকা কেজির গম। সেটাও পেতে গেলে বার করতে হবে নয় নয় করে ১৮ থেকে ২০ টাকা। এটাই নাকি কেন্দ্রের ক্যাশলেস ব্যবস্থা! তাহলে কী লাভ হল? দু’টাকা কেজির চাল বা গম তো সেই অসহায় এবং হতদরিদ্র মানুষটিকেই দেওয়া হচ্ছে, যাঁর দিন আনি দিন খাই অবস্থা, যাঁর দিনের সামান্যতম রোজগারটুকুও চলে যায় চাল, ডাল, সবজি কিনতেই। ছেলেমেয়েদের পড়াশোনার পিছনে দেদার টাকা ঢালার মতো অবস্থা তো দূরের কথা, ন্যূনতম বইখাতা কেনারও পয়সা জোটে না।
তাহলে এই ধরনের মানুষগুলো কী করবেন? পরে না হয় ভরতুকির টাকা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে চলে যাবে। কিন্তু দু’টাকা কেজি দরে এক কেজি চাল কিনতে হলে বাড়তি যে টাকা তাঁকে সঙ্গে সঙ্গে বার করতে হবে, তা তিনি পাবেন কোথায়? না, এসব ভাবার দরকার পড়েনি কেন্দ্রের। তাদের একটাই যুক্তি, স্বচ্ছতা আনতেই এটা করা হয়েছে। সুতরাং, একের পর এক তারিখ পড়ছে, একবার কেন্দ্র এগচ্ছে, একবার পিছচ্ছে। কেন্দ্র-রাজ্য দ্বৈরথ বারবার চরমে উঠছে। হঠাৎ হঠাৎ নির্দেশনামা আসছে, পালটা প্রত্যাঘাত করে চিঠি দিচ্ছে রাজ্য। সর্বশেষ খবর, কেন্দ্র এই ক্যাশলেস ব্যবস্থা চালু করার বিষয়টি রাজ্যগুলির উপরই ছেড়ে দিয়েছে। কিন্তু আবার কবে যে তা চালু করার নির্দেশিকা আসবে, কে জানে।
প্রশ্ন উঠতেই পারে, সামান্য একটা বিষয় নিয়ে সাধারণ মানুষকে বারবার এমন বেকায়দায় ফেলা এবং আতঙ্কিত করে তোলার কারণ কী? হাজার হাজার কোটি টাকার আয়কর ফাঁকি দিয়েও বহু রাঘববোয়াল যেখানে বহাল তবিয়তে ব্যাবসা করে যাচ্ছে, সেখানে আয়কর প্রদান ব্যবস্থা আরও আঁটসাঁট না করে রেশনের মতো ক্ষেত্রে কেন এত তাড়াহুড়ো? গণবণ্টন ব্যবস্থার মতো অতি স্পর্শকাতর এবং অনগ্রসর শ্রেণির আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের এমন একটি মাধ্যমকে নিয়ে কেন এমন শিশুসুলভ আচরণ?
কেন্দ্রের যে আইনে রেশনে দু’টাকা কেজি দরে চাল এবং দু’টাকা কেজি দরে গম মেলে, তার নাম হল ন্যাশনাল ফুড সিকিউরিটি অ্যাক্ট বা এনএফএসএ। এই প্রকল্পে কেন্দ্র সারা দেশে রেশন গ্রাহকদের জন্য ভরতুকি দিয়ে তিন টাকা কেজি দরে চাল এবং দু’টাকা কেজি দরে গম সরবরাহ করে থাকে। এই দরের উপরই চালে কেজিপ্রতি আরও এক টাকা ভরতুকি দিয়ে রাজ্য সরকার তা রেশনে দু’টাকা কেজি দরে বিক্রির বন্দোবস্ত করেছে। কেন্দ্রের ওই খাদ্য আইনে ৮০ কোটির বেশি মানুষ (রাজ্যে এই সংখ্যা ছয় কোটিরও বেশি) মাসে মাথাপিছু পাঁচ কেজি করে চাল অথবা গম পেয়ে থাকেন ভরতুকিযুক্ত ওই দরে। এর ফলে কেন্দ্রের খরচ হয়ে থাকে ১.৪ লক্ষ কোটি টাকা।
প্রথমত, রেশন কার্ডের সঙ্গে আধার নম্বর যোগ করা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই টানাপোড়েন চলছে, যার নিষ্পত্তি এখনও হয়নি। সময়সীমা আরও পিছিয়ে করা হয়েছে সেপ্টেম্বর। যেখানে পচিমবঙ্গের মতো রাজ্যে এখনও পর্যন্ত ৩৮ শতাংশ মানুষের আধার কার্ড লিংকই হয়নি রেশন কার্ডের সঙ্গে, সেখানে বহু মানুষ যে রেশনে গিয়ে খাদ্যসামগ্রী পাবেন না, তা জানার পরেও এমন হটকারি সিদ্ধান্ত তো লক্ষ লক্ষ মানুষকে চরম বিপদে ফেলে দেবে। তবুও কেন্দ্র নাছোড়। তারপরই এল এই ক্যাশ ট্রান্সফার। অর্থাৎ খাদ্যসামগ্রীর ভরতুকির টাকা সরাসরি চলে যাবে গ্রাহকের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে। যেভাবে রান্নার গ্যাসে তা চালু রয়েছে। কিন্তু এক্ষেত্রেও তার আগে রেশন কার্ডের সঙ্গে আধার লিংক করাটা জরুরি। অর্থাৎ রেশন কার্ডের সঙ্গে গ্রাহকের আধার কার্ডে থাকা বায়োমেট্রিক তথ্য যদি মিলে যায়, তবেই এই সংক্রান্ত তথ্য সরাসরি ইপিওএস (ইলেকট্রকি পয়েন্ট অব সেলস) নামক যন্ত্রের মাধ্যমে চলে যাবে খাদ্য দপ্তরের তথ্যভাণ্ডারে। তার উপর ভিত্তি করেই ভরতুকির অর্থ জমা পড়ে যাবে গ্রাহকের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে। এ যেন ঢাকের দায়ে মনসা বিক্রি। কারণ, দু’টাকা কেজি দরে চাল পাওয়ার শর্ত হল, রেশন কার্ড থাকতে হবে। আধার কার্ড থাকতে হবে। সেই রেশন কার্ড আধার নম্বরের সঙ্গে লিংক করতে হবে। একইভাবে তা লিংক থাকতে হবে ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সঙ্গেও। রেশন দোকানে থাকতে হবে ওই ইপিওএস যন্ত্র। এক কেজি চাল কিনতে হলে গ্রাহকের পকেটে থাকতে হবে ২৫ থেকে ৩০ টাকা। এতগুলি শর্ত পূরণ হলেই একজন হতদরিদ্র মানুষ রেশনে গিয়ে দু’টাকা কেজির চাল পাবেন।
সাম্প্রতিক রাজস্থানের একটি তথ্যের দিকে তাকানো যাক। সেখানকার মজদুর কিষান শক্তি সংগঠনের এক নেতা রাজ্য সরকারেরই পরিসংখ্যান দিয়ে বলেছিলেন, ওই রাজ্যে তড়িঘড়ি আধার কার্ড আবশ্যিক করে দেওয়ার ফল হয়েছে মর্মান্তিক। ২০১৭ সালের জুলাই মাসে ৭৫ শতাংশ বাড়ি, সংখ্যায় যা দাঁড়ায় ২৫ লক্ষ এবং মাথা ধরলে যা দাঁড়ায় এক কোটি মানুষ রেশন পাননি। কারণ, তাঁরা রেশন কার্ডের সঙ্গে বায়োমেট্রিক তথ্য সংযোগ করতে পারেননি।
আরও একটি নয়া সমস্যা নিয়ে মামলা হয়েছিল এলাহাবাদ হাইকোর্টে। সেখানে একটি জনস্বার্থ মামলা করে আবেদনকারী বলেছিলেন, পরিবারের মাথা যিনি, সেই মানুষটি সাধারণত প্রবীণ হন। অথচ সরকার বলছে, তাঁর আধার নম্বর রেশন কার্ডের সঙ্গে লিংক থাকতে হবে এবং তার জেরেই মিলবে রেশন। ফলে ওই নির্দেশনামায় চরম সংকট দেখা দিয়েছে। কারণ, ওই মানুষটির পক্ষে বায়োমেট্রিকি তথ্য যাচাইয়ের জন্য রেশনে যেতে হবে। যদিও শারীরিক কারণে তাঁর পক্ষে অনেক সময়ই যা অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়। পরে অবশ্য রাজ্য সরকার এই সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে আসে বলেই জানা গিয়েছে। কয়েকদিন আগে সংবাদপত্রেই আরও একটি মজার খবর অনেকেরই চোখ এড়ায়নি। তাতে দেখা গিয়েছিল, ঝাড়খণ্ড সরকার আধার লিংক ব্যবস্থা চালু করে কীভাবে নাস্তানাবুদ হচ্ছে। বলা বাহুল্য, নয়া ব্যবস্থার পুরোটাই অনলাইন নির্ভর। কিন্তু প্রত্যন্ত এলাকায় ইন্টারনেট পরিষেবার কী হাল হতে পারে, তা মেট্রো শহরে বসেই সহজেই অনুমান করা যায়। সেখানেও একটি গ্রামের চিত্র তুলে ধরে বলা হয়েছিল, রেশন দোকানের বাইরে এসে, কখনও টিলার উপরে উঠে নাকি যন্ত্রে আধার লিংক করতে হচ্ছে। তাও সবসময় হচ্ছে না। ফলে পুরো ব্যবস্থাটাই ভেঙে পড়ার জোগাড়।
এই ধরনের সমস্যা, বিভ্রান্তি একের পর এক হয়েই চলেছে। তার ফলে কেন্দ্র যে লক্ষ্য নিয়ে এই ধরনের পদক্ষেপ করছে, তা সমর্থনযোগ্য হলেও যেভাবে এগচ্ছে, তা নিয়ে ক্ষোভ-বিক্ষোভ লেগেই আছে। কেন্দ্রের উদ্দেশ্য যে পুরোপুরি সাফল্যের মুখ দেখতে পাচ্ছে না, তা নানা পরিসংখ্যানে স্পষ্ট। যেমন এই বছরের শুরুতেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রামবিলাস পাসোয়ান যে পরিসংখ্যান দিয়েছিলেন, তা হল, দেশে মোট রেশন দোকানের সংখ্যা ৫.২৭ লক্ষ। তার মধ্যে ক্যাশলেস ব্যবস্থা চালু হয়েছে মাত্র ২৯ হাজারে।
এতকিছুর পরেও কেন্দ্রের দেওয়া কিছু তথ্য আবার ফেলে দেওয়ারও নয়। যেমন, গত মে মাসে মন্ত্রী রামবিলাস জানিয়েছিলেন, ওই সময় পর্যন্ত সারা দেশে মোট ১৮ কোটি রেশন কার্ড আধারের সঙ্গে লিংক করা হয়েছে। তার ফলে সরকারের খরচ কমেছে ১৪ হাজার কোটি টাকা। এবং এটা হয়েছে রেশন ভরতুকির মাল খোলাবাজারে পাচার করে চড়া দামে বিক্রি করাসহ ডিলারদের নানা অসাধু কাজকর্মের জন্য, একজনের রেশন অন্যজন তুলে বাজারে চড়া দামে বিক্রি করাসহ নানা অনৈতিক কাজকর্মের জন্য। এ নিয়েও রাজ্যে নানা জায়গায় ক্ষোভ-বিক্ষোভ কম হয়নি। দ্বিতীয়ত, কেন্দ্র বরাবর দাবি করে আসছে, আধারের সঙ্গে লিংক করার জেরে দেশজুড়ে ভুয়ো এবং জাল রেশন কার্ডের বাড়বাড়ন্ত অনেকটাই ঠেকানো গিয়েছে। কেন্দ্রীয় এক মন্ত্রী লোকসভায় দাঁড়িয়ে পরিসংখ্যান দিয়েছিলেন, নয়া প্রযুক্তি এবং আধারের জেরে মোট চার কোটি ভুয়ো রেশন কার্ড নষ্ট হয়েছে।
ফলে স্বচ্ছতা আনতে নয়া ব্যবস্থা আসুক, তাকে স্বাগত। কিন্তু বিভিন্ন রাজ্যে সেই ব্যবস্থা চালু করার মতো পরিকাঠামো রয়েছে কি না, তা নিয়ে বিশদ সমীক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি। এবং সে ব্যাপারে সন্তোষজনক রিপোর্ট মেলার পরই তা চালুর তোড়জোড় করা উচিত। না হলে এইভাবেই দফায় দফায় কেন্দ্রকে পিছিয়ে আসতে হবে। মাঝখান থেকে গণবণ্টন ব্যবস্থার মতো অতি স্পর্শকাতর ক্ষেত্রে অসহায় মানুষকে পদে পদে নাস্তানাবুদ হতে হবে।
11th  August, 2017
গুম-নিখোঁজ ও পরমানন্দ মন্ত্রণালয়
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়

বাংলাদেশে ‘লিট ফেস্ট’ শুরু ও শেষ হল। সেই কারণে কি না জানি না, অরুন্ধতী রায়ের দ্বিতীয় উপন্যাস ‘দ্য মিনিস্ট্রি অব আটমোস্ট হ্যাপিনেস’ হুট করে সংবাদপত্রে চর্চার কেন্দ্রে উঠে এল। এই মুহূর্তে বাংলাদেশের অত্যন্ত জনপ্রিয় সাহিত্যিক ও সাংবাদিক, আমার অতি ঘনিষ্ঠ ও প্রিয় আনিসুল হক এই উপন্যাসের বাংলা নাম দিয়েছেন ‘পরমানন্দ মন্ত্রণালয়’।
বিশদ

19th  November, 2017
লন্ডন, এডিনবরা এবং মমতা
শুভা দত্ত

দুর্গাপুজোর দিন যত এগিয়ে আসে, আনন্দটা তার সঙ্গে সমানুপাতিক হারে বাড়ে। এ আমাদের বাঙালি সংস্কৃতির চিরন্তন সত্য। আর মা দুর্গাকে ঘিরে সেই উৎসবের রামধনু রং ফিকে হতে শুরু করে নবমীর সন্ধ্যা থেকেই। আজ বাদে কাল দশমী। মায়ের ফিরে যাওয়ার পালা।
বিশদ

19th  November, 2017
চীনের প্রেসিডেন্ট বনাম ভারতের ডিফেন্স রিসার্চ
প্রশান্ত দাস

জিনপিং দেশের বিখ্যাত বিজ্ঞানীদের বললেন—আমাদের সমাজতন্ত্র দেশকে তরতর করে এগিয়ে নিয়ে চলেছে। এগিয়ে চলেছে আমাদের অর্থনীতি। কিন্তু গত পাঁচ বছরে আপনারা ক’টি অবিশ্বাস্য অস্ত্র দিতে পেরেছেন সেনাদের? ভারতের ডিআরডিও কী করে পৃথিবীতে দু’নম্বর রিসার্চ সেন্টার হল? কী নেই আপনাদের? যা যা চাই, তালিকা পাঠান। যতদিন না আমরা ডিআরডিও-কে ছাপিয়ে যেতে পারছি, ততদিন আমরা নিজেদের এশিয়ার মধ্যে এক নং বলতে পারব না।
বিশদ

18th  November, 2017
রাজ্যের লাইব্রেরিগুলিকে বাঁচাতেই হবে
পার্থজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

মনে পড়ছে গত ডিসেম্বরের কথা। বীরভূম জেলার সরকারি বইমেলার আয়োজন হয়েছিল সিউড়িতে, ইরিগেশন কলোনির মাঠে। আমি উদ্বোধক, মঞ্চে জেলার মন্ত্রীরা, সঙ্গত কারণেই উপস্থিত ছিলেন গ্রন্থাগারমন্ত্রীও। মঞ্চে বসেই সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীর সঙ্গে পরিচয়, আলাপচারিতা।
বিশদ

18th  November, 2017
মোদির আমলে শিশুদের খিদের যন্ত্রণা তীব্র, কারণ শিশু ও মহিলা উন্নয়নে গুরুত্ব কম
দেবনারায়ণ সরকার

কেন্দ্রীয় সরকারের গত ৩ বছরের বাজেটের তথ্য সার্বিকভাবে বিচার করলে দেখা যাচ্ছে কেন্দ্রীয় বাজেটে মোট ব্যয় যেখানে ২১ শতাংশের বেশি বেড়েছে (টাকার অঙ্কে অতিরিক্ত প্রায় ৩ লক্ষ ৫১ হাজার কোটি টাকা), সেখানে মহিলা ও শিশু উন্নয়নে ব্যয় কপর্দকও বাড়েনি, বরং প্রায় ১ শতাংশ কমেছে। একইভাবে মহিলা ও শিশু উন্নয়ন ব্যয় বাজেটের মোট ব্যয়ের ১ শতাংশের অনেক নীচে নেমেছে। মোদ্দা কথা হল, যে দেশের কেন্দ্রীয় বাজেটে মহিলা ও শিশু উন্নয়নের ব্যয় বাজেটে মোট ব্যয়ের ১ শতাংশেরও কম এবং এই ব্যয় মোদির জমানায় যেহেতু আরও কমছে, সেই দেশে রোজ রাতে খালি পেটে শুতে যাওয়া শিশুদের সংখ্যা ক্রমশ বৃদ্ধিটাই স্বাভাবিক। তাই ভারতে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে অপুষ্টিও।
বিশদ

17th  November, 2017
ডেঙ্গু: রাজনীতি ছেড়ে হাত মিলিয়ে কাজের সময়
অনিরুদ্ধ কর

অবিলম্বে একটা স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর বা নিয়মাবলী প্রকাশ করতে হবে সরকারের তরফে। সরকারি নির্দেশ মানতে বাধ্য সকল সরকারি বেসরকারি ও প্রাইভেট চিকিৎসা কেন্দ্র। অতীতের দিকে নজর দিলে দেখা যাবে বার্ড ফ্লু বা সোয়াইন ফ্লু-র সময় সরকারের তরফে এমন নিয়মাবলী প্রকাশ করা হয়েছিল। চিকিৎসাব্যবস্থায় কী কী থাকতে হবে এবং কোথায় থাকবে তাও বলে দেওয়া হয়েছিল। ফ্লু-র ওষুধ একমাত্র সরকার দিত। খোলাবাজারে মিলত না সেই ওষুধ। কারণ সেক্ষেত্রে ওষুধ নিয়ে কালোবাজারি এবং চড়া দামে ওষুধ বিক্রি হওয়ার আশঙ্কা থেকে যেত। এছাড়া একটি রাজ্যস্তরের কমিটি ছিল পর্যালোচনার জন্য।
বিশদ

17th  November, 2017
প্যারিস, পরিবেশ এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষী ভারত
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 পরিবেশ মানে হল যেখানে সেখানে থুতু না ফেলা। মন্তব্যটি আমারই এক ঘনিষ্ঠ বন্ধুর। এবং কী ভয়ঙ্কর সাবলীল স্বীকারোক্তি। যে দেশে ৩০ কোটি মানুষ এখনও দারিদ্রসীমার নীচে বসবাস করেন, যেখানে সাক্ষরতা বলতে বোঝানো হয় নিজের নাম সই করতে পারা, সেখানে সচেতনতার প্রাথমিক পাঠটা এমন একটা মন্তব্য দিয়ে শুরু করলে মন্দ কী!
বিশদ

16th  November, 2017
সার্ধশতবর্ষের শ্রদ্ধাঞ্জলি টেম্‌স থেকে গঙ্গা: ভগিনী নিবেদিতার দার্শনিক যাত্রা
জয়ন্ত কুশারী

 আয়ারল্যান্ডের স্বল্প জনবসতি শহর ডুং গানন। স্যামুয়েল রিচমন্ড নোবেল নামে এক ধর্মযাজক ও তাঁর ভক্তিমতী স্ত্রী মেরি ইসাবেল হ্যামিলটন বাস করেন এই শহরে। এঁরা সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের কাছে করজোড়ে প্রার্থনা করেন সুখপ্রসবে প্রথম সন্তানটি হলে তাঁরা ঈশ্বরের চরণেই সদ্যোজাতকে সমর্পণ করবেন।
বিশদ

16th  November, 2017
নোট বাতিল: উত্তরপ্রদেশের ভোট, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক এবং চে গুয়েভারা
শুভময় মৈত্র

নোট বাতিলের কারণ এবং ফল সংক্রান্ত আলোচনা দেখে, শুনে এবং পড়ে জনগণ এই বিষয়ে যথেষ্ট অবহিত, হয়তো বা কিছুটা ক্লান্তও বটে। বিজেপি সরকার কেন এই সিদ্ধান্ত নিলেন, এর কী কী ভুল ভ্রান্তি আছে, দেশের কী ক্ষতি হল, সাধারণ মানুষ ঠিক কতটা ভুগলেন এই নিয়ে আমরা যতটা আলোচনা করেছি সেই পরিমাণটা সময় এবং সম্পদের হিসেবে পাঁচশো আর হাজার টাকার মোট বাতিল নোটের মূল্যের থেকে বেশিও হয়ে যেতে পারে।
বিশদ

14th  November, 2017
বুকে লাল গোলাপের সেই মানুষটির কথা আজ খুব মনে পড়ছে
মোশারফ হোসেন

স্বপনদা বলত, পচার চাই। বুঝলে ভায়া, পচারটাই আসল। বাঁকুড়া মানুষ স্বপনদা র-ফলা উচ্চারণ করতে পারত না। তার মুখে ‘প্রচার’ শব্দটা ‘পচার’ হয়েই বেরত। আগ্রার ভঁপু চক্কোত্তিও একই কথা বলেছিলেন। ভঁপুবাবুর সঙ্গে আমার আলাপ হয়েছিল ১৯৯৩ সালে। এরকমই এক নভেম্বরে। উত্তরপ্রদেশের বিধানসভা ভোটের খবর করতে গিয়ে।
বিশদ

14th  November, 2017
ফাইলের ভয় দেখিয়ে মুকুল কি রাজ্য রাজনীতিতে জায়গা করতে পারবেন?
শুভা দত্ত

ভয় দেখাচ্ছেন মুকুল রায়, ফাইলের ভয়। মারাত্মক তথ্য ঠাসা গোপন সব ফাইল নাকি সদ্য গেরুয়াধারী মুকুল রায়ের হাতে! সেসব ফাইলের তথ্য প্রকাশ পেলেই নাকি ধরাশায়ী হবে তৃণমূল! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজত্ব চলে যাবে! আর সেই সুযোগে ড্যাং ড্যাং করে মুকুল রায়ের বিজেপি পশ্চিমবঙ্গের দখল নেবে। মমতা ভুলে বাংলার জনতাও মোদিজি অমিতজির বন্দনায় আত্মহারা হবে।
বিশদ

12th  November, 2017
ভারতের স্বাস্থ্য পরিষেবা ব্যবস্থাকে আরও জনকল্যাণমুখী ও সংগঠিত করা প্রয়োজন
বরুণ গান্ধী

 এবারে আমার আলোচনার বিষয়বস্তু হল, আমাদের দেশের সামগ্রিক স্বাস্থ্য পরিষেবা নিয়ে। খুব বেশিদিন নয়, মাত্র মাসদুয়েক আগের কথা। গোরখপুরের বি আর ডি হাসপাতালে ৬০ জন ছোট ছেলে-মেয়ে পাঁচ দিনের মধ্যে প্রায় বিনা চিকিৎসায় মারা গেল। এর থেকে দুঃখের ঘটনা আর কিছু হয় না। খবরে প্রকাশ, প্রতিদিন এই হাসপাতালে গড়ে ২০০/২৫০ জন এনসেফ্যালাইটিস রোগে আক্রান্ত রোগী ভরতি হচ্ছিলেন। রোগীর এহেন ভিড়ে এখানকার চিকিৎসার পরিকাঠামো একরকম ভেঙে পড়ে। বিশদ

12th  November, 2017
একনজরে
সংবাদদাতা, কান্দি: কান্দি মহকুমা এলাকায় অযত্নে শুকিয়ে নষ্ট হচ্ছে সবুজমালা প্রকল্পের বহু মূল্যবান গাছ। বছরখানেক আগে কান্দি মহকুমা এলাকার বিভিন্ন রাস্তার দু’পাশে ওই গাছগুলি লাগানো হয়েছিল। কিন্তু বছর পেরনোর আগেই অর্ধেক গাছ শুকিয়ে নষ্ট হয়ে গিয়েছে যত্নের অভাবে। গাছের চারদিকের ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বিজ্ঞানে এবছর নতুন পাঠ্যক্রম চালু হয়েছে আইসিএসই স্কুলগুলিতে। কিন্তু সেখানে নতুন বিষয়গুলি শিক্ষকরা কীভাবে পড়াবেন, তার জন্য প্রশিক্ষণ বা কর্মশালার প্রয়োজন রয়েছে। তবে সময়ের মধ্যে তা হয়ে ওঠেনি। তাই প্রযুক্তির মাধ্যমে সেই কাজ সেরে ফেলতে চাইছে কাউন্সিল। ...

বিএনএ, শিলিগুড়ি: শনিবার গভীর রাতে ভক্তিনগর থানার সেভক রোডের একটি গুদামে দুষ্কৃতী হামলায় এক নিরাপত্তা রক্ষী খুন হন। পুলিস জানিয়েছে, নিহত নিরাপত্তারক্ষীর নাম রঘুনাথ রায়(৬২)। অভিযুক্তের খোঁজে পুলিস তল্লাশি শুরু করেছে।  ...

বিএনএ, চুঁচুড়া: রবিবার শেষদিনে কার্তিক ঠাকুর দেখার জন্য সকাল থেকেই বাঁশবেড়িয়ার মণ্ডপে মণ্ডপে ভিড় জমালেন দর্শনার্থীরা। বেলা যত গড়িয়েছে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা দর্শনার্থীদের ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

প্রেম-প্রণয়ে নতুনত্ব থাকবে। নতুন বন্ধু লাভ, ভ্রমণ ও মানসিক প্রফুল্লতা বজায় থাকবে। কোনও কোনও ক্ষেত্রে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৫০- মহীশূরের শাসক টিপু সুলতানের জন্ম।
১৯১০- রুশ সাহিত্যিক লিও তলস্তয়ের মৃত্যু।
১৯১৭- কলকাতায় প্রতিষ্ঠা হল বোস রিসার্চ ইনস্টিটিউট।
১৯৫৫- নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ভারতের পক্ষে টেস্টে প্রথম দ্বিশতরান করলেন উমরিগড় (২২৩)।  

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৪.০০ টাকা ৬৫.৬৮ টাকা
পাউন্ড ৮৪.৩২ টাকা ৮৭.১৯ টাকা
ইউরো ৭৫.২০ টাকা ৭৭.৮৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
18th  November, 2017
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩০,১৯৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৮,৬৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৯,০৮০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪০,২০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪০,৩০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
19th  November, 2017

দিন পঞ্জিকা

৪ অগ্রহায়ণ, ২০ নভেম্বর, সোমবার, দ্বিতীয়া রাত্রি ৯/৩৬, নক্ষত্র-জ্যেষ্ঠা রাত্রি ১২/৪৮, সূ উ ৫/৫৬/২৫, অ ৪/৪৮/৪, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৭/২৩ মধ্যে পুনঃ ৮/৫০ গতে ১১/০ মধ্যে। রাত্রি ঘ ৭/২৬ গতে ১০/৬ মধ্যে পুনঃ ২/২৭ গতে ৩/১৯ মধ্যে, বারবেলা ঘ ৭/১৮ গতে ৮/৪০ মধ্যে পুনঃ ২/৫ গতে ৩/২৬ মধ্যে, কালরাত্রি ৯/৪৪ গতে ১১/২২ মধ্যে।
৩ অগ্রহায়ণ, ২০ নভেম্বর, সোমবার, দ্বিতীয়া রাত্রি ৭/৪২/২৮, জ্যেষ্ঠানক্ষত্র ১১/৫৫/৩৬, সূ উ ৫/৫৬/৫৮, অ ৪/৪৬/৫৮, অমৃতযোগ দিবা ৭/২৩/৩৮, ৮/৫০/১৮-১১/০/১৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/২৪/৫৮-১০/৫৫/১৮, ২/২৫/৩৭-৩/১৮/১৮, বারবেলা ২/৪/২৮-৩/২৬/৪৩, কালবেলা ৭/১৮/১৩-৮/৩৯/২৮, কালরাত্রি ৯/৪৩/১৩-১১/২১/৫৮। 
৩০ শফর

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
বারুইপুর স্টেশনে অবরোধ উঠল, শিয়ালদহ বিভাগের প্রতিটি শাখায় ৮টা ৩৪ মিনিট থেকে ফের শুরু ট্রেন চলাচল

09:07:41 PM

রেল অবরোধ ঘিরে ধুন্ধুমার বারুইপুর স্টেশন

 বেআইনি উচ্ছেদ অভিযানের প্রতিবাদে রেল অবরোধকে কেন্দ্র করে ...বিশদ

08:40:29 PM

লুধিয়ানায় প্লাস্টিক কারখানায় আগুন, মৃত ৩
লুধিয়ানায় একটি প্লাস্টিকের ব্যাগ তৈরির কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ...বিশদ

08:13:00 PM

ফের দালাল চক্রের অভিযোগ এসএসকেএম হাসপাতালে

 ফের দালাল চক্রের অভিযোগ উঠল এসএসকেএম হাসপাতালে। টাকা নিতে গিয়ে ...বিশদ

07:10:02 PM

 বিহারের গোপালগঞ্জে হাইটেনশন লাইনের বিদ্যুৎস্পৃশ্য হয়ে মৃত ৫, গুরুতর আহত ৩

06:22:00 PM