বিশেষ নিবন্ধ
 

আমাদের ‘মন কি বাত’ আপনি কবে শুনবেন মোদিজি?
মেরুনীল দাশগুপ্ত

গুজরাতের রাজ্যসভা ভোটনাটকের পরিণতি নিয়ে দেশজনতা কতটা উদ্বিগ্ন ছিলেন জানি না। তবে বাজারদর নিয়ে তাঁদের উদ্বেগ যে চড়চড় করে বাড়ছে তাতে সন্দেহ নেই। উদ্বেগ স্বাভাবিক। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র থেকে জামাকাপড় মায় ওষুধপত্রের দাম যে-হারে দিন প্রতিদিন বাড়ছে তাতে আম জনতার ঘর পরিবারে উদ্বেগ স্বাভাবিক। এবং আগামীতে জনতার এই উদ্বেগ আতঙ্কের পর্যায়ে গিয়ে ঠেকলেও আমরা আশ্চর্য হব না। কেননা, আর কিছু দিনের মধ্যেই দেশ জুড়ে উৎসবের মরশুম শুরু হয়ে যাচ্ছে। আমাদের দেশে উৎসবের আগ দিয়ে কোনও না কোনও অছিলায় জিনিসপত্রের দাম বৃদ্ধি একটা রেওয়াজ। বলতে কী, আমরা তাতে অভ্যস্তও। কিন্তু, এবারের ব্যাপারটা খানিক আলাদা।
এবার দাম বাড়াটা শুরু হয়ে গেছে উৎসবের মরশুম চালু হওয়ার বেশ খানিকটা আগে থেকেই। সারা দেশে এক কর ব্যবস্থা চালু করতে দিল্লীশ্বর জিএসটি চালু করলেন। আর সেই ইস্তক জিএসটি-র অছিলায় গমকে গমকে সবকিছুর দাম হল ঊর্ধ্বমুখী! শুধু দামই যে ঊর্ধ্বমুখী হল তাই নয় বাজারে জীবনদায়ী ওষুধপত্র থেকে নিত্যপ্রয়োজনীয় অনেক কিছুর আকালও দেখা দিল! সেই আকালের ব্যাপ্তি ও গভীরতা দিন যত গিয়েছে তত বেড়েছে—ভুক্তভোগী মাত্রেই তা স্বীকার করবেন। এক্ষেত্রেও অভিযোগের তির জিএসটি-র দিকে। ঠিক জিএসটি-র দিকে নয়, সুনির্দিষ্ট করে বললে জিএসটি প্রণেতা ও প্রতিষ্ঠাতাদের দিকে! দেশের প্রস্তুতকারক ও ব্যবসায়ী মহলকে জিএসটি-র সঙ্গে সড়গড় হওয়ার সুযোগ না দিয়েই দেশ জুড়ে পণ্য ও পরিষেবা কর (জিএসটি) চালুর কুফলই ফলছে দেশের বাজারে, জোগানে অভাব ঘটছে, দাম বাড়ছে। অন্তত, মোটামুটি ‘নিরপেক্ষ’ তথ্যভিজ্ঞদের তেমনটাই অভিমত। আর দেশের মানুষের ভয়, উৎসবের মুখে চিরাচরিত বর্ধিত দামের বাজারে এই জিএসটি বাড়তি হয়ে দেখা দেবে না তো!
বিশেষ করে এই বাংলায় পুজোর মুখে নিত্যদিনের বাজারের যা হাল দাঁড়াচ্ছে তাতে বঙ্গবাসীর ইতিমধ্যেই নাভিশ্বাস উঠতে শুরু করেছে। কেন্দ্রীয় কর্মীরা হয়তো তাঁদের নয়া পে-স্কেলের সুবাদে একটু শ্বাস ফেলতে পারবেন। কিন্তু, রাজ্যের কর্মচারীবৃন্দ? তাঁদের কী হবে? পুরানো বেতন কারও কারও ক্ষেত্রে কিছু অ্যাডভান্স এক্সগ্রাসিয়া—তা দিয়ে কি জিএসটি প্রকোপিত আগুনে বাজারের হলকা ঠেকাতে পারবেন তাঁরা? নিত্যদিনের বাজারে জিনিসপত্রের দামে তো ফের আগুনে হলকা। ধকধক করে বাড়ছে সেই হলকার তেজ। কয়েকদিন আগেও যেসব সবজির গড় দাম ছিল কেজি প্রতি ৩০-৪০ টাকা সেই সবজি এখন ৫০-৬০-৭০-৮০ টাকা! টমেটোর মতো নিরীহ ফসলে হাত ছোঁয়ালে বিষ ছোবলের যন্ত্রণা জাগছে! আর এই তালিকায় নতুন সংযোজন পিয়াজ। কয়েকদিনের মধ্যে দর দ্বিগুণ তিনগুণ ছাপিয়ে গেছে ৪০-৬০! মাছ মাংসের তো কথাই নেই। কাগজে মিডিয়ায় এখন ইলিশের ঢল। অথচ, বাজারে গেলে আটশো বারোশো দু-হাজার! মাংস শোনা যাচ্ছে, পুজোর সময় ছ’শোর গণ্ডি পেরবে। মিষ্টির দোকানে দই-সন্দেশ রসগোল্লা—দু-পাঁচ-দশ বেড়ে গেছে এর মধ্যেই! নতুন কাটের জামাকাপড় শখশৌখিনতার জিনিসপত্তর—দাম শুনে অনেকের চোখও বিস্ফারিত হচ্ছে আর তারপরই মুখ বেয়ে ঝরে পড়ছে হতশ্বাস অসহায়তা। উপায় নেই, গোলামহোসেন উপায় নেই। ওই ক’টা টাকায় এসব কেনাকাটা করলে খাবটা কী মাসভর? পুজো তো এবার মাস শেষে!
এই মূল্যবৃদ্ধির কারণ কী? না না, চিন্তা করবেন না—কারণ রেডি আছে—অনেক কারণ। প্রথম জিএসটি, দ্বিতীয় অতি বৃষ্টি, তৃতীয় অনাবৃষ্টি এবং আরও কত। এই ধরুন না পেঁয়াজের কথা, বলা হচ্ছে—কর্ণাটক অন্ধ্র এবার শুখা গেছে আর গুজরাত মহারাষ্ট্র বানভাসি—তাই পেঁয়াজের দাম লাগাম ছাড়িয়েছে! ওই রাজ্যগুলো থেকে পেঁয়াজ আসে যে। আরও অন্য রাজ্য থেকেও আসে—কিন্তু, দেশের চাহিদা নাকি তারা সামলাতে পারছে না! নাসিকও না! আমাদের রাজ্যের ক্ষেত্রেও বৃষ্টি নাকি সবজির দাম বাড়িয়ে চলেছে! তুলোর দামও নাকি আগুন আর তার তাপ লেগেছে পোশাক শিল্পে—চড়েছে দাম! জিএসটি সেই দামকে আরও কয়েক ধাপ এগিয়ে দিয়েছে—এই যা। যতদূর মনে পড়ছে, গত বছরই এমন সময় বাজারে শুনেছিলাম বৃষ্টি নেই, তাই ফসলের দাম চড়ে যাচ্ছে! লে হালুয়া? তাহলে আইডিয়াল পরিস্থিতি কোনটা যাতে দাম বাড়বে না, মানুষও রোজগার অনুযায়ী দুমুঠো খেয়েপরে শান্তিতে বাঁচবে? মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমাদের রাজ্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম নিয়ন্ত্রণে টাস্কফোর্সকে নিয়োগ করেছেন। আশা করা যায়, তাঁর রাজত্বের আগের বছরগুলোর মতো এবারও বাংলার মানুষ মুখ্যমন্ত্রীর সক্রিয়তার গুণে মূল্যবৃদ্ধির আঁচ থেকে কিছুটা হলেও রেহাই পাবেন। কিন্তু, বাদবাকি দেশ—তার কী হবে? আর কোনও রাজ্যে তো মমতা নেই। সঞ্চয়ে সুদের হার তলানিতে নিয়ে গিয়ে, রান্নার গ্যাসের দাম বাড়িয়ে দেশময় গরিব মধ্যবিত্ত পেষাইয়ের যে কলটি চালু হয়েছে তাকেই বা থামাবেন কে?
মূল প্রশ্নটা এখানেই। দেশের মানুষের ন্যূনতম ভরণপোষণের ব্যবস্থা বহাল রাখতে কেন্দ্র কি সত্যিই আন্তরিক? সত্যিই কি—গরিব মধ্যবিত্তের কথা ভেবেই নোটবন্দি জিএসটি স্বচ্ছ ভারত—এইসব! তাই যদি, তবে দেশে কেন এখনও পর্যাপ্ত খাদ্যশস্য মজুদ রাখার ব্যবস্থা নেই? কে না জানে, আজকের এই দূষণজর্জর উষ্ণায়িত পৃথিবীতে ঋতু আর নিয়ম মেনে চক্রবৎ পরিবর্তিত হয় না? কে না জানে ঝঞ্ঝাবিক্ষোভ অতিবৃষ্টি অনাবৃষ্টি বানবন্যা ধসভূকম্প এখন আমাদের নিত্য সহচর? কে না জানে, তার জেরে ফসল ফলনে যেকোনও বছর বিভ্রাট হতে পারে এবং হয়েই থাকে? শুধু কি তাই? জনসংখ্যার তোড়? তাকে সামাল দিতে অতিদ্রুত ফলনশীল ফসল ফলানোর ঝোঁক বাড়ছে বাড়ুক। কিন্তু, ক্রমবর্ধমান চাহিদার কথা ভেবে ফসল সংরক্ষণের কি যথেষ্ট ব্যবস্থা হয়েছে? হয়ে থাকলে কথায় কথায় এমন অনটন দেখা দেয় কী করে? ফড়ে দালালরা বাজার চড়িয়ে গরিব মধ্যবিত্তের পকেট কেটে মুনাফাবাজি করে যায় কীভাবে? উন্নত সেচের ব্যবস্থাই যদি থাকে তবে কেন খরা হলে ফসলের এমন দুর্গতি হয়? সাধারণের জমায় সুদ কমাতে যাঁরা এমন তৎপর তাঁরা ঋণখেলাপিদের শত শত কোটি টাকা মকুব করে দিচ্ছেন কীভাবে? মধ্যবিত্ত সংহার ছাড়া কি স্বচ্ছ ভারত গড়া যায় না? স্বচ্ছ ভারতে কি মধ্যবিত্তের ঠাঁই হবে না? এমন আরও কত প্রশ্ন আমাদের মতো মূঢ়মতি আম পাবলিকের মনে, রাস্তাঘাটের আলোচনায়—কিন্তু শুনছেটা কে? শোনার দরকারটাই বা কী? পাবলিক মানে তো কটা সংখ্যা। ভোটের গিন্তিতে লাগে, মাঠময়দানের সভা ভরাতে লাগে। আর কোথায় লাগে?
জানি, আমার মতো পাবলিকের এইসব আহাম্মক জিজ্ঞাসার অনেক ভারী ভারী তথ্যভরা উত্তর মজুদ আছে দিল্লির সরকারি ঘরে। ফিগার ফিগার এবং ফিগার। সংখ্যা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি থেকে রাজ্যের দিলীপ ঘোষ তা দিয়ে আমার মতো এক বাতুলের জিজ্ঞাসাগুলোকে হেলায় ভাসিয়ে বঙ্গোপসাগর থেকে অতলান্তিকে পাঠিয়ে দিতে পারেন। প্রমাণ করে দিতে পারেন—কেন্দ্রের বর্তমান সরকার মোদিজির নেতৃত্বে দেশ জুড়ে আর্থিক ও তৎসংলগ্ন বিবিধ বিষয়ে যে সংস্কারের বান ডাকিয়েছেন তাতে দেশের মানুষ থেকে গোবৎস—সর্বস্তরে সকলের সুদিন সমাসন্ন। বাড়িকে প্রাসাদতুল্য করে তুলতে হলে যে ভাঙচুরটুকু অনিবার্য এখন দেশে সেটাই চলছে। তার জন্য সাময়িক ভোগান্তি ভুগতে হচ্ছে মানুষকে। সুদিন স্বচ্ছ ভারতের মূল্য হিসেবে সে আর এমন কী? দেশের মানুষ সেটা বোঝেন বলেই একটু একটু করে গোটা দেশটাই গেরুয়া করে দিচ্ছেন। মাঝে গুজরাত রাজ্যসভা ভোটে একটু বেসুরো গাইল—তাতেই বা কী?
ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) এখন সর্বশক্তিমান, যা চায় তাই পারে।
কিন্তু, আমাদের স্থির বিশ্বাস—দেশের গরিব মধ্যবিত্তের মন থেকে ওই প্রশ্নগুলো মুছে দিতে পারবেন না। কারণ, ওগুলো মনের কথা, ‘মন কি বাত’। মনের কথা সবসময় মুখে বলা যায় না, বলা বিপজ্জনকও। বিশেষত, আজকের এই রাজনীতি-ধর্ম-বর্ণ বিভাজিত সময়ে তো মনের কথা বলতে যাওয়া প্রাণঘাতীও বটে! নারকী হিংস্রতার আক্রমণে নিহত সাহিত্যিক সমাজকর্মী ব্লগারদের লাশগুলো সেই সত্যটাই চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় না কি? কিন্তু এটাও সত্যি, আমাদের দেশনায়ক দেশহিতব্রতী সহৃদয়জন যদি আন্তরিক হন তবে আম পাবলিকের ‘মন কি বাতে’র আভাস মুখ দেখেই আন্দাজ করে নিতে পারেন। কারণ, ফেস ইজ দি ইন্ডেক্স অফ মাইন্ড, মুখই মনের আয়না—বলেন সুধীজন। সুতরাং, চাইলে জনতার মনের কথা পড়ে ফেলাই যায়। ব্যাপারটা খুব কঠিন নয় বোধহয়।
এখন কথা হল, আমাদের সরকার বাহাদুর কবে পড়বেন? প্রধানমন্ত্রীজির ‘মন কি বাত’ আমরা তো মন দিয়ে শুনি। রেডিওয় কান পেতে শোনে গোটা দেশ। দেশের কোণে কোণে মে সেই বাত নিয়ে চর্চাও চলে। স্বচ্ছ ভারত নিয়ে তাঁর স্বপ্নসাধনা, দেশের পড়-আনপড় জনমণ্ডলীর উন্নয়ন-উন্নতি নিয়ে তাঁর ভাবনা-কল্পনা, দুর্নীতিদলন কালো-ধান্দা কালো-টাকা নিয়ে তাঁর উদ্বেগ এবং সেই উদ্বেগ নাশে নোট-বাতিল, জিএসটি ইত্যাদি ব্যাপারে তাঁর সুগভীর দর্শন, দেশবাসীর জীবনযাত্রার সার্বিক মানোন্নয়নে তাঁর নিরন্তর চিন্তাতত্ত্ব—সব আমরা শুরু থেকে শুনে আসছি, শুনে চলেছি। আমাদের অনেকে সেসব শুনে অনুপ্রাণিত বোধ করেন—এমন খবরও আছে। কিন্তু, সেসব শোনার পর আমাদের বিনীত প্রশ্ন একটাই, শেষ প্রশ্ন—দেশের আম পাবলিকের ‘মন কি বাত’ আপনি কবে শুনবেন মোদিজি?
10th  August, 2017
 কেন্দ্রের দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণেই মেডিকেল ভরতিতে রাজ্যের ছাত্রছাত্রীরা বঞ্চনার শিকার
গৌতম পাল

 নিট পরীক্ষার দায়িত্ব সিবিএসই-কে দিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার ক্ষমতাকে কেন্দ্রীভূত করেছে। নিট পরীক্ষায় যাঁরা বিষয় বিশেষজ্ঞ হিসাবে সাহায্য করেছেন তাঁরা অধিকাংশই দিল্লির কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, এবং বেশিরভাগই কেন্দ্রীয় সরকার পরিচালনাকারী একটি বড় রাজনৈতিক দলের সদস্য বা কাছের মানুষ। অথচ পশ্চিমবাংলার বা অন্যান্য রাজ্যের খ্যাতনামা যে সকল অধ্যাপক অত্যন্ত দক্ষতা এবং স্বচ্ছতার সঙ্গে রাজ্যের প্রবেশিকা পরীক্ষায় এ যাবৎ সাহায্য করে এসেছেন, সিবিএসই কিন্তু তাঁদেরকে নিটের সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করেনি, বা এই সম্পর্কে রাজ্যের কোনও মতামতও নেয়নি। অনেকেই বলছেন রাজ্যের পাঠ্যক্রম সংশোধন করে নিটের সমমানের করলেই রাজ্যের ছেলে-মেয়েরা নিটে ভালো র‌্যাংক করবে।
বিশদ

স্বাধীনতার ৭০ বছর, নেতাতন্ত্র বনাম গণতন্ত্র?
হিমাংশু সিংহ

বিয়াল্লিশের ভারত ছাড়ো আন্দোলন আমি দেখিনি। ৪৭-এর ঐতিহাসিক স্বাধীনতা লাভের মুহূর্তে মধ্যরাতের জওহরলাল নেহরুর সেই ঐতিহাসিক ভাষণ চাক্ষুষ করার সুযোগও হয়নি। হওয়ার কথাও নয়, কারণ ওই ঘটনার প্রায় দু’দশক পর আমার জন্ম। সেদিনের কথা বইয়ে, ইতিহাসের পাতায় পড়েছি মাত্র।
বিশদ

15th  August, 2017
গভীর রাতের নাটক শেষে স্যালুট
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়

জেতা ম্যাচ কী করে হারতে হয়, এই নির্বাচন তার একটা বড় উদাহরণ হয়ে থাকবে। হারতে হারতে জিতে গিয়েছেন আহমেদ প্যাটেল। এই দুর্দিনে তাঁর জয় কংগ্রেসের মরা গাঙে বান হয়তো ডেকে আনবে না, তবে মনোবল সামান্য হলেও বাড়াবে। সোনিয়া গান্ধীর দলের এই দুর্দিনে এটাই বা কম কী? তবে আহমেদ প্যাটেল নন, অমিত শাহও নন, শেষ বিচারে আসল জয়ী নির্বাচন কমিশন। ভারতীয় গণতন্ত্রের সৌন্দর্য এটাই। ওই গভীর রাতে নির্বাচন কমিশনকেই তাই স্যালুট জানিয়েছি।
বিশদ

13th  August, 2017
স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে: কিছু প্রশ্ন
শুভা দত্ত

শুধু ভারত ছাড়ো কেন? রামনবমী রাখিবন্ধন পুজোপাঠ স্বাধীনতা দিবস প্রজাতন্ত্র—সবকিছুতেই এখন এত বেশি বেশি রাজনৈতিক দখলদারি শুরু হয়েছে যে, সাধারণ মানুষের পক্ষে উৎসবের মেজাজ ধরে রাখাই মুশকিল হচ্ছে। রাজনীতি ছাড়া যেন কিছু হতেই পারে না!
বিশদ

13th  August, 2017
বাৎসল্য রসের পরাকাষ্ঠা মা যশোদার আত্মাভিমান চূর্ণ করলেন শ্রীকৃষ্ণ
চিদানন্দ গোস্বামী

 ভারতবর্ষের পৌরাণিক সাংস্কৃতিক ইতিহাসের এক সূর্য-করোজ্জ্বল ঘটনা। তত্ত্বে গভীর, দার্শনিকতায় গভীর, নৈতিকতাতেও। তাই বিশ্ব-জাগতিক জীবনে আকর্ষণে চিরন্তন মূল্যবান রত্ন সম্পদ।
বিশদ

12th  August, 2017
কঠিন বর্জ্যের কানুন
বিনয়কান্তি দত্ত

কেন্দ্রীয় ও রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদগুলিকে দায়িত্ব দেওয়া হল বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণ প্রযুক্তির বিচার ও মূল্যায়ন, সংশ্লিষ্ট স্থানগুলির ভূগর্ভস্থ জল, বায়ু, মৃত্তিকা ও শব্দের গুণমানের মাপকাঠি নির্ধারণ, বিভিন্ন দপ্তরকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া, ইত্যাদি কাজের। একথা অস্বীকার করার উপায় নেই যে এই নতুন কানুনে কঠিন বর্জ্য সমস্যার সব দিক বিচার করে, সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর ও কর্তৃপক্ষকে দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। মনে আসছে অসুরবধের জন্য দুর্গা দুর্গতিনাশিনীকে দশপ্রহরণে সজ্জিত করার কথা। এখন দেখতে হবে এই কানুন-রূপী দুর্গা বর্জ্যাসুরকে কতদিনে বধ করতে পারে। বিশদ

12th  August, 2017
গ্যাসে ভরতুকি ছাড়ার অনুরোধ আসলে ধান্ধা
মৃন্ময় চন্দ

 সরকারি অর্থনীতির চলন বোঝাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রেগন একবার বলেছিলেন—‘‘If it moves, tax it. If it keeps moving, regulate it. And if it stops moving, subsidize it.’’ ৫৭.৫ লাখ এলপিজি গ্রাহক ভরতুকি ছেড়ে দিয়েছেন। দেশে এলপিজি গ্রাহকের সংখ্যা এই মুহূর্তে ১৪.৭০ কোটি। বিশদ

11th  August, 2017
রেশনে আধার: এত তাড়াহুড়োর কি কোনও প্রয়োজন আছে?
নিমাই দে

 চাল দু’টাকা কেজি দরে। কিন্তু রেশন দোকানে গিয়ে তা পেতে হলে পকেট থেকে তখনই খরচ করতে হবে ২৫ থেকে ৩০ টাকা। দু’টাকা কেজির গম। সেটাও পেতে গেলে বার করতে হবে নয় নয় করে ১৮ থেকে ২০ টাকা। এটাই নাকি কেন্দ্রের ক্যাশলেস ব্যবস্থা!
বিশদ

11th  August, 2017
ট্রাম্প-পুতিন মিত্রতায় ভারতের লাভালাভ
কুমারেশ চক্রবর্তী

আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের জয়ের সংবাদ প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে ক্রেমলিন প্রাসাদে শ্যাম্পেনের ফোয়ারা ছুটল। যেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন জিতেছেন! আর ঠিক ওই একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে চলছিল ট্রাম্প-বিরোধী বিক্ষোভ। দু-একটা শহরে অবশ্য ট্রাম্প-সমর্থকদের বিজয় মিছিল হয়েছিল।
বিশদ

08th  August, 2017



একনজরে
সিনসিনাটি, ১৬ আগস্ট: ভারতীয় টেনিস কাপ দল থেকে বাদ পড়ার পর ৪৪ বছর বয়সী লিয়েন্ডার পেজের দুঃসময় আর কাটছে না। সিনসিনাটি ওপেনে ডাবলসে প্রথম রাউন্ড থেকেই লিয়েন্ডার পেজ ও তাঁর জার্মান পার্টনার আলেকজান্ডার জেরেভ বিদায় নিলেন ফেলিসিয়ানো ও মার্ক লোপেজের ...

 বিমল বন্দ্যোপাধ্যায়, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: বিষ্ণুপুরের সারদা গার্ডেনে সুদীপ্ত সেনের কয়েকশো বিঘা বেনামি সম্পত্তি হাতানোর সিন্ডিকেট চক্রের বিরুদ্ধে মুখ খোলার জেরে আক্রান্ত হয়েছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার এক অফিসার। কলেজ পড়ুয়া তাঁর ছেলেকেও মারধর করা হয়েছে। ...

 বেঙ্গালুরু, ১৬ আগস্ট (পিটিআই): তামিলনাড়ুতে ‘আম্মা ক্যান্টিন’ ব্যাপক জনপ্রিয় পাওয়ার পরে এবার কর্ণাটক সরকার চালু করল ‘ইন্দিরা ক্যান্টিন’। বুধবার বেঙ্গালুরুতে কংগ্রেসের সহ-সভাপতি রাহুল গান্ধী এই ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সম্প্রতি দুর্গাপুর পুরসভা নির্বাচনে নিরাপত্তার প্রশাসনিক আশ্বাস সত্ত্বেও ব্যাপক হাঙ্গামা হয়েছে। ভোট লুট হয়েছে। পুলিশ মার খেয়েছে। নির্বাচন কমিশন ভোট চলাকালীন অভিযোগ জানানোর রাস্তা বন্ধ রেখেছিল। ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

সঠিক বন্ধু নির্বাচন আবশ্যক। কর্মরতদের ক্ষেত্রে শুভ। বদলির কোনও সম্ভাবনা এই মুহূর্তে নেই। শেয়ার বা ... বিশদ



ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৩২: ব্রিটিশ সাহিত্যিক ভি এস নাইপলের জন্ম
১৯৮৮: দুর্ঘটনায় মৃত পাক প্রেসিডেন্ট মহম্মদ জিয়া-উল-হক
২০০৮: ওলিম্পিকসে আটটি সোনা জিতে রেকর্ড মার্কিন সাঁতারু মাইকেল ফেল্পসের


ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৪৫ টাকা ৬৫.১৩ টাকা
পাউন্ড ৮১.৩৭ টাকা ৮৪.১৮ টাকা
ইউরো ৭৪.০৮ টাকা ৭৬.৬৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৯,১৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৭,৬৭৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৮,০৯০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৬০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩২ শ্রাবণ, ১৭ আগস্ট, বৃহস্পতিবার, দশমী দিবা ১২/৪৩, মৃগশিরানক্ষত্র রাত্রি ১০/৫৯, সূ উ ৫/১৭/৫১, অ ৬/৩/৩৯, অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪৮-৩/৩, বারবেলা ২/৫২-অস্তাবধি, কালরাত্রি ১১/৪১-১/৫।
 ৩১ শ্রাবণ, ১৭ আগস্ট, বৃহস্পতিবার, দশমী ১০/৫৫/৫২, মৃগশিরানক্ষত্র রাত্রি ১০/২৩/৫৭, সূ উ ৫/১৫/৩৩, অ ৬/৫/২৫, অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪৭/৩০-৩/১/৩১, বারবেলা ৪/২৯/১১-৬/৫/২৫, কালবেলা ২/৫২/৫৭-৪/২৯/১১, কালরাত্রি ১১/৪০/২৯-১/৪/১৫।
২৪ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
  খানাকুলে বৃষ্টির জমা জল নামতেই উদ্ধার কঙ্কাল, চাঞ্চল্য
আরামবাগের খানাকুলের সবলসিংহপুর এলাকায় বৃষ্টির জমা জল নামতেই এক অপরিচিত মহিলার কঙ্কাল উদ্ধার হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

05:44:00 PM

এবার চড়াম চড়াম করে জয়ঢাক বাজবে পঞ্চায়েতেও: অনুব্রত

 আজ নলহাটিতে ১নং ওয়ার্ড ও ৮ নং ওয়ার্ডে তৃণমূলের পরাজয়ের পর, হারের কারণ অনুসন্ধান করতে এসে অনুব্রত মন্ডল মৎসমন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা ও পরিকল্পনা তদারকি ও পরিসংখ্যান দপ্তরের মন্ত্রী আশিষ বন্দ্যোপাধ্যায়সহ আরও দুই তৃণমূল নেতার দায়িত্ব পালনে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি জানান, ওঁদের উপর পুরো দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়াটা ভুল হয়েছলি, ওঁদের এতটা বিশ্বাস করাটাও ভুল হয়েছিল। এবার থেকে সব বিষয়টা তিনি নি঩জেই দেখবেন বলেও জানান। পাশাপাশি এদিন সাংবাদিক বৈঠক করে পঞ্চায়েত দখলের ডাকও দেন অনুব্রতবাবু। তিনি বলেন, এবার পঞ্চায়েতও চড়াম চড়াম করে জয়ঢাক বাজবে।

05:20:10 PM

এই জয় মানুষের জয়: মুখ্যমন্ত্রীর

 মানুষের জয়, যারা তৃতীয় ও চতুর্থ হওয়ার জন্য লম্ফ-ঝম্ফ করেছিল, আমি দেখলাম তারা ০.১% ভোট পেয়েছে। মানুষকে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। আজ ৭ পুরসভা জয়ের পর এভাবেই নিজের প্রতিক্রিয়া জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

05:13:08 PM

উত্তরবঙ্গে দুর্গতদের উদ্ধারে ন্যায্যমূল্যে বিমান সংখ্যা বাড়ানোর আর্জি কেন্দ্রকে

 যেহেতু উত্তরবঙ্গের সঙ্গে দক্ষিণবঙ্গের সড়ক ও রেল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে, সেই সুযোগে বেশিরভাগ বিমান সংস্থা তাদের ভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে রাজ্যের মুখ্যসচিব কেন্দ্রকে এই দুর্যোগের সময় দুর্গতদের উদ্ধারে ন্যায্য মূল্যে বিমানের সংখ্যা বাড়াতে অনুরোধ জানিয়েছে।

05:06:00 PM

মদন তামাং হত্যা মামালা: গুরুংকে অব্যহতি

 মদন তামাং হত্যা মামলায় বিমল গুরুংয়ের বিরুদ্ধে কোনও তথ্য প্রমানাদি না মেলায় তাঁকে এই মামলা থেকে অব্যহতি দিল বিশেষ আদালত

05:02:00 PM

 দুর্গাপুরে পুরভোটে তৃণমূল ৭৬.২৬%, বামফ্রন্ট ১২.৩%, বিজেপি ৭.৮৯%, কংগ্রেস ২.৫৩% এবং নির্দল ০.৯% ভোট পেয়েছে

04:39:00 PM