বিশেষ নিবন্ধ
 

২১ জুলাই: গণতন্ত্র ফেরানোর মস্ত সুযোগ
হারাধন চৌধুরী

১৩ আগস্ট সাত পুরসভায় নির্বাচন। ভোট নেওয়া হবে জলপাইগুড়ির ধূপগুড়ি, দক্ষিণ দিনাজপুরের বুনিয়াদপুর, নদীয়ার কুপার্স ক্যাম্প, বীরভূমের নলহাটি, পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়া ও পাঁশকুড়া পুরসভায় এবং পশ্চিম বর্ধমানের দুর্গাপুর কর্পোরেশনে। চাঁপদানি ও ঝাড়গ্রামের মোট দুটি পুর ওয়ার্ডে উপনির্বাচনও হবে। সব মিলিয়ে দেড়শোটি পুর ওয়ার্ডের ভোট। রাজ্য নির্বাচন কমিশন ভোটের ঘোষণা করেছে ১৩ জুলাই। বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে সোমবার। মনোনয়নপত্র জমা নেওয়া শুরু হবে ২৪ জুলাই। অর্থাৎ এই গুরুত্বপূর্ণ পুরভোটের মূল লড়াই শুরুই হয়ে গিয়েছে।
এর মধ্যেই চলে এসেছে তৃণমূল কংগ্রেস দলের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক কর্মসূচি ২১ জুলাই বা ‘শহিদ দিবস’ পালন। আমরা জানি, ১৯৯৩ সালের ওই দিনে রাজ্য যুব কংগ্রেস সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মহাকরণ অভিযানের ডাক দেন। তিনি ওই কর্মসূচি ঘোষণা করেন বাংলায় গণতন্ত্র ফেরানোর দাবিতে—বারবার ভোটের নামে প্রহসন ঠেকাতে ভোটারদের সচিত্র পরিচয়পত্র দেখিয়েই ভোটগ্রহণ বাধ্যতামূলক করার আওয়াজ তোলেন মমতা। যুব কংগ্রেসের নামে ওই জনসমাবেশের ডাক দেওয়া হলেও তাতে কংগ্রেসের সর্বস্তরের দরদি কর্মী সমর্থক নেতা যোগ দেন। তা দেখে জ্যোতি বসুর পার্টি ও প্রশাসন দিশেহারা হয়ে পড়ে। ভয়ডরহীন নরনারীর বিক্ষোভ সামাল দিতে পুলিশ বেপরোয়া হয়ে উঠতেই বেধে যায় নিরস্ত্র জনতা ও সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর সম্মুখ-লড়াই। সেদিন পুলিশের নির্মম আক্রমণে ১৩ জন কংগ্রেসি নিহত হন। কমবেশি জখম হন অগণিত সাধারণ মানুষ। সেদিন পুলিশের গুলিতে অত্যাচারে যাঁদের রক্ত ঝরেছে, যাঁরা প্রাণ দিয়েছেন তাঁদের মর্যাদা দিতেই পরের বছর থেকে ২১ জুলাই ‘শহিদ তর্পণ’ আরম্ভ করেন মমতা ও তাঁর অনুগামীরা।
বলার অপেক্ষা রাখে না যে, ২০১১ সালে রাজ্যপাটে যে ‘পরিবর্তন’ হয়েছে তাতে ২১ জুলাইয়ের ভূমিকা অপরিমেয়। একুশে তৃণমূলকে নীরবেই ডিভিডেন্ড দিয়ে চলেছে। ২০১১-র আগে এবং পরেও, আজ পর্যন্ত। এই প্রসঙ্গে একাধিকবার লোকসভা ও বিধানসভার ভোট, পঞ্চায়েত ও পুরভোটের কথা উল্লেখ করা চলে। মমতার দ্বিতীয়বার মুখ্যমন্ত্রিত্বলাভেও একুশের নীরব অবদান অনস্বীকার্য।
আগামী ১৩ আগস্ট পুরভোটেও একুশের শহিদদের দোয়া আশীর্বাদ নিশ্চয় চাইবে তৃণমূল। এটা খুবই স্বাভাবিক। তবে, ‘একুশে জুলাই’ সংঘটনের উদ্দেশ্যটা ভুলে যাওয়া উচিত হবে না—বাংলায় গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের পুনঃপ্রতিষ্ঠা। আত্মবিস্মৃত ইতিহাসবিস্মৃত জাতি আমরা। তাই এই ভয়টা থেকেই যায়। ঘা শুকিয়ে যাওয়ার পর ব্যথা যন্ত্রণার কথা আমাদের ক্বচিৎ স্মরণে আসে। ঠিক তেমনি তৃণমূল শাসকদলরূপে আত্মপ্রকাশ করার পর থেকে এই ভয়টাই বড় হয়ে দেখা দিয়েছে। তৃণমূল রাজ্যে যখন বিরোধী দল ছিল তখন তার কাছে গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের যে মূল্য ছিল, তার সবটা যে আর অবশিষ্ট নেই, গত সাত বছরে তার অনেক প্রমাণই তারা রেখেছে। এর সবচেয়ে বেশি প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে গত পঞ্চায়েত ভোটে এবং তার পরে একাধিকবার অনুষ্ঠিত পুরভোটে।
বহু ক্ষেত্রেই চেষ্টা হয়েছে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঝুঁকি এড়ানোর। বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় যেসব জায়গায় হাসিল সম্ভব হয়নি তেমন অনেক স্থানেই চেষ্টা হয়েছে গায়ের জোর দেখানোর। এমনকী অনেক সময়ই সর্বোচ্চ নেতৃত্বের অগোচরে পুলিশ প্রশাসনেরও একাংশকে জো হুজুরের মতো ব্যবহার করার চেষ্টা হয়েছে। তার পরেও তো রাজ্যে কংগ্রেস, সিপিএমসহ কয়েকটি বাম দল, এমনকী বিজেপি প্রভৃতির প্রতীকেও কয়েকজন এমএলএ হয়েছেন। কিছু পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি, জেলা পরিষদ এবং পুরসভায় বোর্ড গঠনের রায় বিরোধীরা পেয়েছে। রাজ্যবাসী অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে দেখেছে, মানুষের ওই রায়টুকুও মেনে নেওয়ার মতো সহনশীল নয় তৃণমূল—বিধানসভাসহ রাজ্যের সর্বত্র যখন তাদের গরিষ্ঠতা নিরঙ্কুশ, তখনও নয়। বিধানসভায় শাসক পক্ষের শক্তিবৃদ্ধি করতে কংগ্রেস, সিপিএম, ফরওয়ার্ড ব্লক, আরএসপি, নির্দল—যেখানে যাকে যেভাবে ভজানো গিয়েছে তাঁকেই ঘাসফুল পতাকাবাহী করে নেওয়া হয়েছে। এমনকী গত মে মাসে অনুষ্ঠিত সাত পুরসভার ভোটের পরেও এই ট্র্যাডিশনেরে ব্যতিক্রম ঘটানোর চেষ্টা হল না। দল ভাঙানোর খেলার সবচেয়ে নিকৃষ্ট নজির রাখা হল পূজালিতে ও ডোমকলে।
মে মাসে অবশ্য তৃণমূলের উলটো ভূমিকা ছিল পাহাড়ে। সেখানকার চারটি পুরসভায় প্রত্যেকে যাতে নিজের ভোট নিজে দিতে পারেন তার জন্য চেষ্টার কসুর করেনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসন এবং পার্টি। ওই ভোটে পাহাড়ের রাজনৈতিক সংগঠনগুলির সঙ্গে সমানে পাল্লা দিয়েছে সর্বভারতীয় দলগুলিও। গণতন্ত্রের এমন অনুশীলন দার্জিলিং দেখল টানা চার দশক বাদে। আর সেটা ক্লান্তিহীন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঐকান্তিক চেষ্টা নিষ্ঠা ও ভয়হীন উপস্থিতি ছাড়া কল্পনা করাও কঠিন।
সাফল্যলাভ কঠিন সবসময়। কিন্তু, তা ধরে রাখা যে আরও কঠিন! পাহাড়ে তো সেটাই দেখা যাচ্ছে। মে মাসের ভোটে তৃণমূল মিরিক পুরসভা দখল করেছে। বাকি তিনটিতেও খাতা খুলেছে ঘাসের উপর জোড়াফুল প্রতীক। কিন্তু, তৃণমূলের এই ঐতিহাসিক জয়ের হাসিটাই এবার মুছে দিতে উদ্যত হয়েছে বিমল গুরুংয়ের সাঙ্গপাঙ্গরা। দার্জিলিং, কার্শিয়াং, কালিম্পংয়ের তৃণমূল পুর কাউন্সিলারদের উপর আগেই প্রবল চাপ সৃষ্টি করা হয়েছে গোর্খাল্যান্ডওয়ালাদের সুরে সুর মেলানোর জন্য। বাকি ছিল মিরিক। এবার ওই চাপ বহুগুণ হয়ে উঠেছে মিরিক তৃণমূল পুরবোর্ডের উপর। গোর্খাল্যান্ডওয়ালারা এবার গায়ের জোরে মিরিক পুরসভার দখল চায়।
কংগ্রেস, কমিউনিস্ট, বিজেপিসহ সকলেই জানে ও মানে যে, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের উপর জুলুমবাজি ঘোরতর অন্যায়। তবু লক্ষ করার বিষয় হল, পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মহল কিন্তু এই ব্যাপারে গুরুংদের নিন্দায় সরব হয়নি। তারা বরং এতেই তৃপ্তির হাসিই হাসছে। তারা হয়তো মনে মনে বলছে, দেখ কেমন লাগে! পরের ঘর ভাঙানোর জ্বালাটা এবার অন্তত অনুভব কর। ব্যাপারটা গণতন্ত্রের পক্ষে বিপজ্জনকই বটে। তবু তৃণমূলের সেই নৈতিক শক্তি কোথায় যে অন্তত এই প্রশ্নে বিরোধীদের সহানুভূতি দাবি করে! তৃণমূল তো অনেকাংশেই ষাট-সত্তরের দশকের কংগ্রেস এবং তৎপরবর্তী সিপিএমের দেখানো পথের পথিক হয়ে বসেছে! একুশে জুলাইয়ের দাবি তৃণমূল বিস্মৃত হয়েছে যেন তারই অজান্তে, স্রেফ আরও ক্ষমতা, আরও বৈভবের আত্মঘাতী মোহে। দল ভাঙানোর খিলাড়িরা বুঝতে চান না যে, একজন নির্বাচিত প্রতিনিধিকে দলে টেনে নেওয়ার অর্থ তাঁর সমর্থকদেরও কাছে পাওয়া নয়। এর ফল বাস্তবে উলটোই হয়। যাঁকে ফুসলানো হল তাঁর সম্পর্কে তো বটেই, যে দল তাঁকে ফুসলে নিল তার সম্পর্কেও জনমানসে একটা ভয়ানক অশ্রদ্ধার ভাব তৈরি হয়। দলত্যাগী জনপ্রতিনিধিকে ‘বেইমান’ আর তিনি যে দলে গেলেন সেই দলটাকে ‘সর্বগ্রাসী’ বলেই ভাবেন গণতন্ত্রপ্রিয় নাগরিকরা।
এখন আত্মসমীক্ষা করে দেখলে হয় না কি—দার্জিলিং পরিস্থিতি কয়েক দশক আগে কেন অগ্নিগর্ভ হওয়ার সুযোগ পেয়েছিল? কেন বাংলার বাকি অংশে গণতন্ত্রের নামে ‘শুধু আমি সাদা তুমি কালো’ মার্কা এক আত্মপ্রবঞ্চনাদায়ী কালচারের জন্ম হয়েছে? দার্জিলিং হাতের বাইরে চলে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে সেখানে মূলধারার রাজনীতির অনুশীলন দীর্ঘকাল স্তব্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে। সার্বিক উন্নয়নকে সামনে রেখে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই পাহাড়ে মূলধারার রাজনীতির অনুশীলন ফেরানোর আপ্রাণ চেষ্টা নিয়েছেন। তাঁর এই প্রশংসনীয় উদ্যোগের সাফল্যের উপরেই দার্জিলিংয়ের ভবিষ্যৎ অনেকাংশে নির্ভর করছে।
একথা অনুমান করা যায় যে, মূলধারার রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত অন্য দলগুলির সহযোগিতা সহানুভূতি পেলে মমতার লড়াইটা সহজ সার্থক ও সুন্দর হতে পারে। কিন্তু, যে-নেত্রী পাহাড়ে মূলধারার রাজনীতি ফেরানোর জন্য মরিয়া, তিনি কেন সমতলে সেই রাজনৈতিক সংস্কৃতি রক্ষায় যত্নবান নন!
সামনে একুশে জুলাই। ভুল শুধরে নেওয়ার জন্য এটাকেই একটা বড় সুযোগ হিসাবে বেছে নেওয়া যায় না কি? একুশে জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে নেত্রী বিশ্বাসযোগ্যভাবে রাজ্যের সর্বত্র বহুদলীয় গণতন্ত্রকে ফের শক্তিশালী করার বার্তা দিতে পারেন। তাহলে গঠনমূলক কর্মসূচিগুলিতে বিরোধীদের সমর্থন নীতিগতভাবে দাবি করার অধিকারী হবেন তিনি। রাজ্যে বিরোধী রাজনীতির পরিসর ফিরে আসার পরেও কংগ্রেস, কমিউনিস্ট, বিজেপি প্রভৃতি দল অন্যায় বিরোধিতা জারি রাখলে রাজ্যবাসী তারও হিসাব রাখবে।
একুশে জুলাইয়ের সমাবেশের অব্যবহিত পরেই অনুষ্ঠিত হবে সাত পুরসভার ভোট। রাজ্যে গণতন্ত্র ফেরানোর প্রশ্নে তৃণমূল ও তার প্রশাসন কতটা আন্তরিক ১৩ আগস্ট‌ই হতে পারে তার প্রথম পরীক্ষা। এই ভোটপর্বটিকে হালকাভাবে দেখার সুযোগ নেই। ওইদিন যে রেকর্ড সৃষ্টি হবে সেটাই কিন্তু বাজবে রাজ্যজুড়ে পরবর্তী পঞ্চায়েত ভোটে। এই অনুমান অসংগত নয় যে, গত সাত বছরে বিভিন্ন দফায় নানা কৌশলে বাংলায় কংগ্রেস, কমিউনিস্ট প্রভৃতিকে অপ্রাসঙ্গিক করে ফেলার কারণেই বিজেপি ও তাদের দোসরদের অভাবনীয় উত্থান ঘটেছে। এখন সেই ম্যাও সামলানো দুষ্কর হয়ে পড়েছে। এবার সম্মানের সঙ্গে ঘুরে দাঁড়ানোর মঞ্চ হয়ে উঠুক একুশে জুলাই। এ স্বার্থ শুধু তৃণমূলের নয়—সব দলের, সার্বিকভাবে সারা বাংলার ও গণতন্ত্রের।
18th  July, 2017
বিশ্বচরাচরের আনন্দ
অমর মিত্র

 সারা বছর কায়ক্লেশে বেঁচে থাকি, উৎসব নিয়ে আসে তা থেকে মুক্তি। বাঙালির জীবনে বারো মাসে তেরো পার্বণ। এর ভিতরেই বড় উৎসব হিন্দুর দুর্গোৎসব আর মুসলমানের ইদুল ফিতর, খুশির ইদ, আর খ্রিস্টানের বড় দিন। তিন মহা উৎসব বাদ দিয়ে ধর্মীয় এবং লোকপুরাণের সঙ্গে যুক্ত আরো কত যে উৎসব, টুসু, ভাদু, নবান্ন, থেকে নানা ব্রত শবে বরাত, পীর ফকিরের উরস—সব। সমস্ত উৎসবই আনন্দের, সমস্ত উৎসবই আত্মীয় বান্ধব, অবান্ধবে মিলনের।
বিশদ

কোনও বিঘ্নই বাঙালির পুজোর আনন্দ পণ্ড করতে পারবে না
শুভা দত্ত

পুজো এসে গেল। মহাপূজা। ঝড়বৃষ্টি, বানবন্যার ভ্রুকুটি উপেক্ষা করে শেষপর্যন্ত আমাদের সংবৎসরের আনন্দের দিনগুলো এসে পড়ল দোরগোড়ায়। গত মঙ্গলবার মহালয়ায় দেবীপক্ষের সূচনা হতেই মহামায়া বন্দনার শেষমুহূর্তের তোড়জোড় শুরু হয়ে গিয়েছিল আসমুদ্রহিমাচল বাংলায়। বিশদ

24th  September, 2017
ডায়নেস্টি চালচিত্র ও মাছরাঙা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়

রাহুল গান্ধী খুব সত্যি দুটো কথা বলেছেন। কিছুদিন ধরে উনি প্রবাসী। আমেরিকায় রয়েছেন। বিভিন্ন নামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে কথা বলছেন। ভাব বিনিময় করছেন। সেলফি তুলছেন। এইসব অনুষ্ঠানে প্রায় প্রতিদিনই তিনি ওই কথা দুটি বলেছেন। এ নিয়ে ভারতের রাজনীতিও বেশ সরগরম।
বিশদ

24th  September, 2017
আমেরিকায় শারদোৎসব
আলোলিকা মুখোপাধ্যায়

 প্রবাসে দীর্ঘকাল এক সমান্তরাল জীবনযাপনে অভ্যস্ত বাঙালির দুর্গাপুজোর ছুটি বলে কিছু নেই। দেশে যখন পুজোর ছুটি, এখানে তখন গ্রীষ্ম অবকাশের শেষে স্কুল, কলেজ ইউনিভার্সিটি খুলে গিয়েছে। তবু পুজোর সময় আসে কাছে। মহালয়ার পরে দেবীপক্ষে নির্ধারিত দিনে পুজো হয় রামকৃষ্ণ মিশন, ভারত সেবাশ্রম সংঘ, আদ্যাপীঠ আর আমেরিকার কয়েকটি শহরে বাঙালি প্রতিষ্ঠিত মন্দিরে।
বিশদ

23rd  September, 2017
রীতিনীতি-আচরণে দুর্গাপূজার সেকাল ও একাল
গৌরী দে

 পুরাণ-উপপুরাণ অনুসারে শরৎকালে রামচন্দ্র রাবণ বধের আশায় যে পূজা করেছিলেন সেটাই অকাল বোধন। দক্ষিণায়নে দেবতারা ঘুমিয়ে থাকেন। শরৎকালে শ্রাবণ থেকে পৌষ পর্যন্ত এই কাল। তাই দেবীকে জাগ্রত করতে রামচন্দ্রকে অকাল বোধন করতে হয়। জয়লাভের জন্য তিনি দেবী দুর্গার শরণাপন্ন হন।
বিশদ

23rd  September, 2017
ছেলেবেলার দুর্গাপূজা—কিছু স্মৃতি কিছু বেদনা
ভগীরথ মিশ্র

 ছেলেবেলায় আমাদের গাঁয়ে কোনও বারোয়ারি দুর্গাপুজো হ’ত না। গোটা এলাকা জুড়ে কেবল আমাদের গাঁয়ের জমিদারবাড়িতেই হ’ত পারিবারিক দুর্গাপুজো। সত্যি কথা বলতে কী, দুর্গাপূজাটা গাঁয়ের অধিকাংশ মানুষের কাছেই কোনও সুখকর অভিজ্ঞতা ছিল না।
বিশদ

22nd  September, 2017
বদলে যাচ্ছি আমরা?
সমৃদ্ধ দত্ত

 থিমের পুজো করলেই তো পুরস্কার পাওয়া যায়। স্পনসর পাওয়া যায়। মিডিয়ায় ছবি বেরোয়। কিন্তু কই! তা তো সকলে করে না? কেন করে না? তাহলে সেই লোকগুলোর কী হবে? যাঁরা থিমের পুজো দেখতে মোটেই আগ্রহী নয়।
বিশদ

22nd  September, 2017
অভিযুক্তের গায়ে নারীঘটিত অপবাদের কাদা না ছেটালে কি শাস্তি অসম্পূর্ণ থাকত!
মেরুনীল দাশগুপ্ত

সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়, ব্রতীন সেনগুপ্ত, লক্ষ্মণ শেঠ, রেজ্জাক মোল্লা, সইফুদ্দিন চৌধুরির মতো অনেক তাবড় নেতাকেই নানা সময় দল ছাড়তে হয়েছে। বহিষ্কারের অপমান বইতে হয়েছে। কিন্তু, কারও গায়ে এত কালি লাগাবার দরকার কি পড়েছিল? পড়েনি। বাদবাকি সকলের ক্ষেত্রেই শাস্তির ব্যাপারটা দলীয় নীতি-নৈতিকতার দ্বান্দ্বিক পরিসরেই সীমাবদ্ধ ছিল।
বিশদ

21st  September, 2017
একনজরে
অভিজিৎ সরকার  শিলিগুড়ি, ২৫ সেপ্টেম্বর: রবিবার লিগ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পরই রাতে টিম হোটেলে কেক কেটে সেলিব্রেশন করেছেন ইস্ট বেঙ্গল ফুটবলাররা। মঙ্গলবার সকালে ক্লাব তাঁবুতে ...

 হরিহর ঘোষাল, বারাকপুর, বিএনএ: কামারহাটি পুরসভায় রেশন কার্ড নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনের কার্ড প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিলি করা না হলেও একজন রেশন ডিলারের কাছে ভূরি ভূরি কার্ড জমা পড়েছে। ...

বার্লিন, ২৫ সেপ্টেম্বর: বুথ ফেরত সমীক্ষায় পাওয়া আভাসই শেষমেশ সত্য হল। চতুর্থবার জার্মানির চ্যান্সেলর নির্বাচিত হলেন অ্যাঞ্জেলা মার্কেলই। ৩২.৯ শতাংশ ভোট পেয়েছে মার্কেলের দল। আর ...

 বাংলা নিউজ এজেন্সি: মহাপঞ্চমীতে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া ও আরামবাগে বহু পুজোর উদ্বোধন হয়ে গেল। এদিন বিকাল থেকেই জেলার মণ্ডপগুলিতে দর্শনার্থীদের ঢল নামতে শুরু করে। তবে, এদিনও কয়েকটি পুজোর প্যান্ডেলে শিল্পীদের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি সারতে দেখা যায়। ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

গুপ্ত শত্রুতা বৃদ্ধি। কর্মে উন্নতি। ব্যবসায় অতিরিক্ত সতর্কতার প্রয়োজন। উচ্চশিক্ষায় সাফল্য। শরীর-স্বাস্থ্য ভালো যাবে।প্রতিকার: বট ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮২০: মনীষী ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জন্ম
১৯২৩: অভিনেতা দেব আনন্দের জন্ম
১৯৩২: ভারতের চতুর্দশ প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের জন্ম
১৯৭৭: নৃত্যশিল্পী উদয়শংকরের মৃত্যু
১৯৮৯: সঙ্গীতশিল্পী হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৪.০১ টাকা ৬৫.৬৯ টাকা
পাউন্ড ৮৬.২৫ টাকা ৮৯.১৭ টাকা
ইউরো ৭৬.০১ টাকা ৭৮.৬৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩০,২৫৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৮,৭০৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৯,১৩৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৯,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৯,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৯ আশ্বিন, ২৬ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার, ষষ্ঠী, নক্ষত্র-অনুরাধা দং ৩/৫১ দিবা ঘ ৭/৩, সূ উ ৫/৩০/২, অ ৫/২৬/১২, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/১৭ মধ্যে পুনঃ ৭/৫ গতে ১১/৪ মধ্যে। রাত্রি ঘ ৭/৪৯ গতে ৮/৩৯ মধ্যে পুনঃ ৯/২৭ গতে ১১/৫২ মধ্যে পুনঃ ১/২৯ গতে ৩/৬ মধ্যে পুনঃ ৪/৪১ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৬/৫৯ গতে ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ১২/৫৮ গতে ২/২৮ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/৫৯ গতে ৮/২৮ মধ্যে।
৯ আশ্বিন, ২৬ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার, ষষ্ঠী, অনুরাধানক্ষত্র ৭/৯/৪, সূ উ ৫/২৮/৩৬, অ ৫/২৭/১৩, অমৃতযোগ দিবা ৬/১৬/৩০, ৭/৪/২৫-১১/৩/৫৭, রাত্রি ৭/৫১/৩০-৮/৩৯/৩৫, ৯/২৭/৪১-১১/৫১/৫৭, ১/২৮/৮-৩/৪/১৯, ৪/৪০/৩০-৫/২৮/৫৬, বারবেলা ৬/৫৭/২৬-৮/২৮/১৫, কালবেলা ১২/৫৭/৪৪-২/২৭/৩৪, কালরাত্রি ৬/৫৭/২৩-৮/২৭/৩৪।
 ৫ মহরম

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
সল্টলেকের ইসি ব্লকের কাছে অটো উলটে চালক-সহ জখম ৪

02:37:00 PM

বড়সড় রেল দুর্ঘটনায় হাত থেকে রক্ষা, একই লাইনে চলে এল ৩টি ট্রেন
বড়সড় রেল দুর্ঘটনায় হাত থেকে রক্ষা। এলাহাবাদের কাছে ...বিশদ

01:44:46 PM

গাজিয়াবাদে ব্যবসায়ীকে খুন, মৃতের নাম রাজেন্দ্র আগরওয়াল (৭৫)

01:24:00 PM

আজ দিল্লি আদালতে দুপুর ২টো নাগাদ হানিপ্রীতের আগাম জামিনের শুনানি

01:19:00 PM

দার্জিলিংয়ে খুলল অধিকাংশ দোকানপাট

01:08:00 PM

ঝাড়গ্রামে ২টি বাড়িতে দুঃসাহসিক চুরি
সোমবার রাতে ঝাড়গ্রাম শহরের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বামদা এলাকায় চুরির ...বিশদ

01:01:00 PM

দিনহাটায় দু’জন নাবালিকা-সহ ৭ জন যুবতীকে উদ্ধার করল পুলিশ, ঘটনায় গ্রেপ্তার ১

12:59:00 PM