বিশেষ নিবন্ধ
 

মোদির দৃঢ় সংকল্পের অঙ্গীকার জিএসটি
অনিল বালুনি

১ জুলাই, প্রায় দেড় যুগ পথ হেঁটে অবশেষে গন্তব্যে পৌঁছেছিল পণ্য-পরিষেবা কর (জিএসটি)। ঘড়ির কাঁটা রাত ১২টা ছুঁতেই তা চালু হয়ে গিয়েছিল সারা দেশে। সাক্ষী থেকেছিল সংসদের ঐতিহাসিক সেন্ট্রাল হল। সংসদে এর আগের মধ্যরাতের বিশেষ অনুষ্ঠানগুলির সঙ্গে এবারের অধিবেশনকে কখনই এক করা যায় না। ইতিহাসের সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে সেদিন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভাষণে আমরা পেয়েছিলাম এক অপরিমেয় উদ্যম। মধ্যরাতের সেই ঐতিহাসিক ভাষণে প্রধানমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছিলেন, জিএসটি চালু করা ছাড়া অন্য কোনও পথ ছিল না।
১ জুলাই, মধ্যরাতে গোটা দেশ যখন দেখেছিল এক অর্থনৈতিক বিপ্লবের মাহেন্দ্রক্ষণ, আমরা শুনেছিলাম দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অনবদ্য এক ভাষণ। সেদিন প্রণব মুখোপাধ্যায় এবং হামিদ আনসারি—এমন দু’জনের মাঝে ছিল প্রধানমন্ত্রীর আসন, যাঁরা আগের সরকারের আমলে নির্বাচিত হয়েছেন, যাঁদের জীবনযাত্রার সঙ্গে জড়িয়ে কংগ্রেস পার্টি। ছিলেন এইচ ডি দেবগৌড়াও। যিনি ১৯৯৬ সালে বিজেপিকে কেন্দ্রে সরকার গঠন করার পথে আটকে প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। আর এদের সকলকে পাশে নিয়েই মোদি শুনিয়েছিলেন জিএসটির প্রয়োজনীয়তা এবং কীভাবে এক নয়া অর্থনীতিকে আমরা ছুঁতে পারি। যে অর্থনীতিতে সমৃদ্ধ হবে দেশের প্রতিটি মানুষ, প্রতিটি ভারতবাসী।
সেদিন প্রধানমন্ত্রী মোদির ভাষণের কয়েক মিনিটের মধ্যে ফুটে উঠেছিল দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীদের ভাষণের সঙ্গে তার তারতম্য। অধিকাংশের মনজগতে দানা বেঁধেছিল আরও এক তুলনার। ২০১৭-র ১ জুলাই নরেন্দ্র মোদির ভাষণ এবং ১৯৪৭-এর ১৫ আগস্ট পণ্ডিত নেহরুর বক্তৃতা। ভাবুন, ৭০ বছর পর গণতন্ত্রের মন্দিরে জনরায়ে অজেয়, মানুষের চিরসম্মানে সম্মানিত, খ্যাতির শিখরে থাকা দুই প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের তুলনা শুরু হয়েছে। আর এভাবে নিজেকে তুলনায় নিয়ে আসাও মোদির একটা বড় সাফল্য।
ভবিষ্যৎ এবং দৃঢ় সংকল্প
প্রথমবার সেন্ট্রাল হল সেজে উঠেছিল স্বাধীনতার সময় ১৯৪৭–‌এর ১৪ ও ১৫ আগস্টের মধ্যরাতে। সেবার সংসদের সেন্ট্রাল হলে স্বাধীনতার ভাষণে ‘ট্রিস্ট উইথ ডেস্টিনি’‌ পেশ করেছিলেন দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু। নতুন ভারতের জন্মক্ষণে সেই রাত ছিল সত্যি সত্যিই নতুন যুগে প্রবেশের শুভক্ষণ। কিন্তু নেহরুর ভাষণের সেই ‘‌ট্রিস্ট উইথ ডেস্টিনি’‌-র প্রতিশ্রুতির ভিন্নস্রোতে গিয়ে ১ জুলাই ২০১৭ মোদি শুনিয়েছিলেন তাঁর মূল চিন্তাধারা। বলেছিলেন, দৃঢ়সংকল্পের শপথ নিতে হবে। ‘ডেস্টিনি’ এবং ‘ডিটারমিনেশন’—এই দুই শব্দের পার্থক্য ফুটে ওঠে দুই প্রধানমন্ত্রীর ভাষণেই। নেহরুর আদর্শগত জায়গায় ছিল ভারত গড়ার স্বপ্ন। মোদি বারবার জানিয়েছেন, নতুন ভারত গড়ে তোলাই তাঁর সংকল্প।
পণ্ডিত নেহরুর বক্তৃতার একটা নিজস্ব ঘরানা ছিল। কিছু নেতার বক্তৃতায় বাগ্মিতা এবং বিচক্ষণতা প্রকাশ পায়, পণ্ডিত নেহরুর সেই গুণ ছিল। প্রতিটি শব্দ, প্রতিটি লাইন ছিল শিক্ষণীয়। তাঁর ভাষণ থেকে ভবিষ্যতের বক্তারা পাঠ নিতে পারত। উলটোদিকে প্রধানমন্ত্রী মোদির ভাষণ একেবারে মোদির নিজস্ব স্টাইল এবং বিচক্ষণ। কিন্তু সেই ভাষণে থাকে দৃঢ় সংকল্পের শপথ এবং লক্ষ্যপূরণের একটা অভিমুখ। দেশের ভবিষ্যৎ সুনিশ্চিত করতে জিএসটি সঠিক পদক্ষেপ বলে মোদি যখন জনগণকে আশ্বাস দেন, ঠিক তখনই পথ চলার অভিমুখও বাতলে দেন। তিনি সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন এবং বলেন, ১২৫ কোটি ভারতবাসী ঐক্যবদ্ধ হয়েই জিএসটি সফল করবেন, জিএসটি-র সমস্ত ত্রুটি দূর করবেন। কোনও একটি দলের বা সরকারের কৃতিত্ব নয়, সকলের যৌথ প্রয়াসের ফল জিএসটি। জিএসটি আসলে হবে ‘গুড অ্যান্ড সিম্পল ট্যাক্স’। গোড়ায় সামান্য হোঁচট খেতে হলেও শেষ পর্যন্ত মানিয়ে নেওয়া কঠিন হবে না। তাঁর কথায়, ‘নতুন চশমায় সড়গড় হতেও তো দিন দু’য়েক সময় লাগে। একটু সময় দিলে সব ঠিক হবে যাবে।’
ভাষণে স্বাধীনতা সংগ্রামীদের শ্রদ্ধার্ঘ
সেদিন ভাষণে প্রধানমন্ত্রী মোদি দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামী, যাঁরা দেশকে ঔপনিবেশিক শাসন থেকে মুক্ত করতে প্রাণ দিয়েছেন, তাঁদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। সম্মান জানিয়েছেন মহাত্মা গান্ধী, সর্দার প্যাটেল, বাবাসাহেব আম্বেদকর, ডঃ রাজেন্দ্র প্রসাদ, মৌলানা আবুল কালাম আজাদ, সরোজিনী নাইডু এবং আচারিয়া কৃপালিনীর মতো বিশিষ্টদের প্রতি। আর ১৯৪৭-এর ১৫ আগস্ট পণ্ডিত নেহরু বক্তৃতায় কোনও স্বাধীনতা সংগ্রামীর নাম উল্লেখ ছিল না। এমনকী যাঁদের সঙ্গে তিনি লড়াই করেছিলেন, তাঁরাও ছিলেন ব্রাত্য।
১ জুলাই, মধ্যরাতে মোদি তাঁর ভাষণে বলেছিলেন, কেন্দ্র-রাজ্যগুলি দীর্ঘ আলাপ-আলোচনা করেছে, তার ফলস্বরূপ জিএসটি চালু। সেখানে শুধু বিজেপি কিংবা এনডিএ ছিল না। ছিলেন সমস্ত দলের মুখ্যমন্ত্রীরা। জিএসটি টিম ইন্ডিয়ার ঐক্যবদ্ধ শক্তির প্রমাণ। অথচ, দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর ‘‌ট্রিস্ট উইথ ডেস্টিনি’‌ ভাষণে কোনও টিম ওয়ার্কের নামগন্ধ ছিল না।
কার জন্য বক্তৃতা?
পণ্ডিত নেহরু শ্রোতাদের মাঝে ভাষণ দিতেন অনবদ্য ইংরেজিতে। তাঁর ভাষণ শুনে অনেকসময় মনে হত বিলেতের ভাষা। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী মোদি সংসদের ফ্লোর কিংবা যে কোনও ভাষণ দেন হিন্দিতে। আর সেই কারণেই ৭০ বছর আগে পণ্ডিত নেহরুর বক্তৃতা যত মানুষ বুঝতেন, তার চেয়ে অনেক বেশি ভারতবাসী আপন করে নেন প্রধানমন্ত্রী মোদির কথা। এটা অস্বীকার করার উপায় নেই, ইংরেজির থেকে হিন্দি অনেক বেশি সংখ্যক ভারতবাসী বুঝতে পারেন। আর ১৯৪৭-এ তো খুবই অল্প সংখ্যক মানুষ ইংরেজি জানতেন। অ-হিন্দিভাষী এলাকায় আঞ্চলিক ভাষাই প্রাধান্য পায়। সেটাই স্বাভাবিক।
তাহলে কি পণ্ডিত নেহরু তাঁর ভাষণ ভারতের নাগরিকদের কথা ভেবে দিতেন না, ব্রিটিশদের অথবা বিশ্বের কথা ভেবে তাঁর বক্তৃতা রচিত হত? এই প্রশ্ন ওঠা অযাচিত নয় যে, একজন প্রধানমন্ত্রী সংসদে বলবেন দেশের জন্য নয়, শুধু বিশ্বজয় করতেই?
মোদির ভাষণে ‘ডিসকভারি অব ইন্ডিয়া’
পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু লিখেছিলেন ‘ডিসকভারি অব ইন্ডিয়া’, কিন্তু আপনি যদি ১ জুলাই প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ শোনেন তাহলে নিশ্চিত মনে হবে, সেই ক্ষুদ্র ভাষণ ছিল সত্যিকারের ‘ডিসকভারি অব ইন্ডিয়া’। প্রধানমন্ত্রী মোদির বক্তৃতায় ছিল, আমাদের ইতিহাস উদযাপন এবং আগামীর উজ্জ্বল ভবিষ্যতের স্বপ্ন। স্বাধীনতা সংগ্রামীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি তাঁর বক্তব্য রেখেছেন এবং যে বক্তব্যে ছিল তরুণ প্রজন্মের স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করার সংকল্প।
ভারতের কর ব্যবস্থার একত্রীকরণ এবং কেন দেশের অর্থনৈতিক সংযুক্তিকরণের সময় এসেছে, তা ভাষণে তুলে ধরেছিলেন মোদি। পাশাপাশি ব্যাখ্যা করে বলেছিলেন, ভারতের দরিদ্র শ্রেণির মানুষের এমন অনেক কিছু প্রয়োজন, যা গত ৭০ বছরেও মেলেনি। প্রয়োজনীয় সেই জিনিসগুলি কেন তাঁদের কাছে দ্রুত পৌঁছে দেওয়া প্রয়োজন, সেকথাও তুলে ধরেছিলেন তিনি। জুলাই মাসেই দেশ জুড়ে চালু হয়েছে ‘এক দেশ, এক কর’ (জিএসটি) নীতি। ডিজিটাল ইন্ডিয়ায় এই পদক্ষেপ ব্যাবসা-বাণিজ্যের পক্ষে কতটা সহায়ক হবে বা রেল ব্যবস্থাকে কতটা উজ্জীবিত করবে, তাও অঙ্ক কষে দেখিয়েছেন মোদি। জিএসটি ব্যবস্থা প্রাণবন্ত এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষী দেশ হিসাবে ভারতকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরবে। ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্টের বক্তব্যে যে শক্তিশালী এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষী ভারতের আভাস মিলেছিল, এখন সেই বিষয়গুলিতে নতুন নেতৃত্বের হাত ধরে আরও জোর দেওয়ার কথাও তুলে ধরা হয়েছে।
কেন সেদিন কংগ্রেস বয়কট করেছিল?
অন্য সমস্ত বিরোধী দলগুলি জিএসটি নিয়ে বিশেষ অধিবেশনে অংশগ্রহণ করলেও কংগ্রেস তা বয়কট করে। তাদের এই সিদ্ধান্ত দেশবাসীকে হতবাক করে দিয়েছিল। অথচ, রাজনৈতিক ব্যবধানকে দূরে সরিয়ে সকলের চেষ্টাতেই জিএসটি চালু করা সম্ভব হয়েছে।
জিএসটি নিয়ে কংগ্রেসের বিশেষ অধিবেশন বয়কট প্রসঙ্গে অজয় সিং বলেন, ৩০ জুন মধ্যরাতে জিএসটি-র সূচনায় যখন সংসদে রাজনৈতিক দলগুলি একত্রিত হয়েছিল, তখন কংগ্রেস এবং কয়েকটি বিরোধী দল এই অনুষ্ঠান বয়কট করে। শুধু তাই নয়, দেশজুড়ে জিএসটি-র সূচনাকে ‘তামাশা’ বলেও কটাক্ষ করে তারা। দেশজুড়ে জিএসটি সূচনার সময়টি ছুঁয়ে ফেলে ১৯৪৭ সালের ‘‌ট্রিস্ট উইথ ডেস্টিনি’‌-র সেই মুহূর্তকে। অজয় সিংয়ের কথায় পরিস্কার মধ্যরাতে জিএসটি’র সূচনাকালীন বক্তব্য নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিল কংগ্রেস। কারণ, তারা ভেবেছিল মধ্যরাতের মোদির বক্তৃতা ১৯৪৭-এর ১৫ আগস্ট নেহরুর ভাষণকে ছাপিয়ে যেতে পারে। এর মধ্যে দিয়েই বোঝা যায়, ক্রমশ বদলাতে থাকা দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে পারছে না কংগ্রেস নেতৃত্ব।
সংসদে ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রীর মধ্যরাতের ভাষণের সঙ্গে বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের তুলনা করাটা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে খুব একটা অপ্রত্যাশিত কিছু নয়। দু’টি বক্তব্য শোনার পরে এটা বলা কিছু ভুল হবে না যে, ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট আমরা ভবিষ্যতের পথে যাত্রা শুরু করেছিলাম। ৭০ বছর পর, ২০১৭ সালের ১ জুলাই আমরা অর্থনৈতিক স্বাধীনতা এবং একত্রীকরণের পথে হাঁটা শুরু করলাম। এই অর্থনৈতিক স্বাধীনতা ভাগ্যের জোরে পাওয়া নয়। বরং শক্তিশালী নেতৃত্বের হাত ধরে ১২৫ কোটি ভারতীয়ের মেধা এবং শক্তির জোরে আসা।
লেখক বিজেপির ন্যাশনাল মিডিয়ার প্রধান
18th  July, 2017
মানুষই এবার দাঙ্গা রুখেছে
পার্থজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

 ওদের আমি চিনতাম। অমিত আর ফারুক। একই স্কুলে একই ক্লাসে পড়ত। সেকসনও এক। ফলে সারাক্ষণ স্কুলের বেঞ্চে কাছাকাছি, পাশাপাশি। দু’জনে খুব ভাবসাব, বন্ধুত্ব। ফারুক ইদে নেমন্তন্ন করেছিল অমিতকে। অমিত গিয়েওছিল। ফারুকদের বাড়িতে গিয়ে হয় এক অন্যরকম অভিজ্ঞতা।
বিশদ

দলিত, কৃষক ক্ষোভ এত বাড়ছে কেন?
সমৃদ্ধ দত্ত

 একটা বাড়ি করার পর খুব স্বাভাবিকভাবেই মনে ইচ্ছা থাকে সেই বাড়ির গেটের পাশে অথবা বোগেনভিলিয়া ঢাকা আর্চ প্যাটার্নের বারান্দার উপরের দেওয়ালে লেখা হবে একটা নাম। নিজের বাড়ির নাম।
বিশদ

 সব বিরোধ মেটাতেই চান নরেন্দ্র মোদি, তবে মোটেই চীনের আগ্রাসন মেনে নয়
গৌরীশঙ্কর নাগ

 অমরনাথের সাম্প্রতিক হামলার যে বিভীষিকা, তার আগে থেকেই ভুটানের ডোকলা মালভূমি ও ভারতের সিকিম সীমান্তে চীনা-ড্রাগনের শ্যেনদৃষ্টিকে কেন্দ্র করে ভারত-চীন সামরিক দামামা নতুন করে দক্ষিণ এশিয়ার আবহাওয়াকে উত্তপ্ত করে তুলেছে। বিশদ

20th  July, 2017
সেচ ও জলপথ দপ্তরের কাজে বামেদের কার্যত দশ গোল দিয়েছে মমতার সরকার
দেবনারায়ণ সরকার

উচ্চতর সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন বলতে বোঝায় ব্যারেজ, চেক ড্যাম পদ্ধতি থেকে শুরু করে নদীপাড় ও নদীবাঁধ নির্মাণ ইত্যাদি পদ্ধতিতে অতিরিক্ত সেচের জমি চাষের আওতায় আনা। পশ্চিমবঙ্গে সেচ ও জলপথ দপ্তরের অধীনেই রাজ্যে উচ্চতর সেচ ব্যবস্থার উন্নয়নের সামগ্রিক কর্মসূচি বাস্তবায়িত হয়ে থাকে।
বিশদ

20th  July, 2017
২১ জুলাই: গণতন্ত্র ফেরানোর মস্ত সুযোগ
হারাধন চৌধুরী

 রাজ্যে গণতন্ত্র ফেরানোর প্রশ্নে তৃণমূল ও তার প্রশাসন কতটা আন্তরিক ১৩ আগস্ট‌ই হতে পারে তার প্রথম পরীক্ষা। এই ভোটপর্বটিকে হালকাভাবে দেখার সুযোগ নেই। ওইদিন যে রেকর্ড সৃষ্টি হবে সেটাই কিন্তু বাজবে রাজ্যজুড়ে পরবর্তী পঞ্চায়েত ভোটে। এই অনুমান অসংগত নয় যে, গত সাত বছরে বিভিন্ন দফায় নানা কৌশলে বাংলায় কংগ্রেস, কমিউনিস্ট প্রভৃতিকে অপ্রাসঙ্গিক করে ফেলার কারণেই বিজেপি ও তাদের দোসরদের অভাবনীয় উত্থান ঘটেছে। এখন সেই ম্যাও সামলানো দুষ্কর হয়ে পড়েছে। এবার সম্মানের সঙ্গে ঘুরে দাঁড়ানোর মঞ্চ হয়ে উঠুক একুশে জুলাই। এ স্বার্থ শুধু তৃণমূলের নয়—সব দলের, সার্বিকভাবে সারা বাংলার ও গণতন্ত্রের।
বিশদ

18th  July, 2017
জিএসটি যন্ত্রণা শুরু হয়ে গেছে: অসহায় মানুষ, নির্বিকার কেন্দ্র
শুভা দত্ত

 এসব করে বাংলা ভাগ করা যাবে, গোর্খাল্যান্ড মিলবে? অত সোজা! আর এসবে ক্ষতি হচ্ছে কার? বিমল গুরুং বা তাঁর সঙ্গীদের নয় নিশ্চয়ই। ক্ষতি হচ্ছে সেই সরল সাদাসিধে খেটে খাওয়া পাহাড়ি মানুষজনের। আন্দোলনের ঠেলায় তাঁদের রুটিরুজি বন্ধ হবার জোগাড় হয়েছে। চা বাগানগুলোর দশা এমনিই রুগ্‌ণ। আন্দোলনের ঝাপটে সেসব বাগানের উৎপাদন আরও কমে গেছে। রাজ্যে দার্জিলিং চায়ের জোগান কমেছে, দামও বাড়ছে। তাতেও চাপ পড়ছে চা-প্রিয় সাধারণ বাঙালির ওপরই। শুধু কি তাই? দার্জিলিং পর্যটনেরও তো দফারফা। বাংলার পর্যটন শিল্পের অন্যতম স্পটটাকে এভাবে পঙ্গু করে দেওয়া কি ন্যায়সংগত হচ্ছে? পাহাড়বাসী মানুষের জীবনমান উন্নয়নের জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা এর মধ্যেই কতকিছুই না করেছেন। সেসবও তো নাকি নষ্ট করতে লেগেছে গুরুং বাহিনী। এমন ধ্বংসাত্মক বিচ্ছিন্নতাবাদ চলছে দার্জিলিং পাহাড়ে আর কেন্দ্রীয় শাসকদলের কে একজন বলছেন—দার্জিলিং বাংলার কাশ্মীর হবে! বোঝাই যাচ্ছে কার কী উদ্দেশ্য।
বিশদ

16th  July, 2017
রিঙ্কু, রিঙ্কুর মা এবং বাবুবিবি বৃত্তান্ত
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়

 রাজধানীর আশপাশে চলে আসা সব বাংলাদেশিই যে বাঙালি তাতে সন্দেহ নেই। কিন্তু সব বাঙালিই বাংলাদেশি নন। পশ্চিবঙ্গের সীমান্তবর্তী নদীয়া, দুই চব্বিশ পরগনা, মালদহ ও মুর্শিদাবাদ এবং ঝাড়খণ্ড থেকে প্রতিদিন কিছু না কিছু দরিদ্র কিশোরী ও যুবতী আড়কাঠির হাত ধরে দিল্লি আসছে। এদের কেউ কেউ পরিচারিকা হয়ে ভালোমন্দ অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে দিন কাটাচ্ছে, কারও কারও জীবন হয়ে উঠেছে দুর্বিষহ।
বিশদ

16th  July, 2017
তখনও আমি ‘হিন্দু’ হইনি, দাদু সানদ্দি কিংবা বন্ধু আনিসুরও ‘মুসলমান’ নয়
শংকরদেব গোস্বামী

 আমার শৈশব কেটেছে আমার দাদু সানদ্দি মিঞার কোলে পিঠে। ভাবছেন, আমি গোঁসাই, তো আমার দাদু মিঞা হন কেমন করে? তখনও (১৯৪২-৪৭) হত। দাদুর পরিচয় জানতে চাইলে এখনকার ছেলে হলে হয়তো বলতাম—হাউস কিপার বা বেবি-সিটার বা ওইরকম কিছু। বিশদ

15th  July, 2017
জিএসটি: নয়া ব্যবস্থায় ধৈর্যের অভাবই প্রকট
নিমাই দে

 কয়েকদিন আগে একটি সংবাদপত্রে জিএসটি সংক্রান্ত লেখায় এক ব্যবসায়ীর ইন্টারভিউ পড়ছিলাম। ওই ব্যক্তি লোহা উৎপাদন সংক্রান্ত ব্যাবসা করেন। নতুন করে প্ল্যাস্টিকের পণ্য রিসাইক্লিং এবং ট্রেডিং ব্যাবসায় নেমেছেন। তিনি কী বলছেন, শোনা যাক। তাঁর কথায়, আমাকে আর এক্সাইজ রিটার্ন, ভ্যাট রিটার্ন বা সার্ভিস ট্যাক্স আলাদা করে প্রতি মাসে জমা দিতে হয় না।
বিশদ

14th  July, 2017



একনজরে
 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আগামী ১ থেকে ৪ আগস্ট কলকাতায় শুরু হতে চলেছে ১৭ তম আন্তর্জাতিক শিশু চলচ্চিত্র উৎসব। বৃহস্পতিবার নন্দনে এই উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ...

 নয়াদিল্লি, ২০ জুলাই: ভারত, ভুটান ও চীনের মধ্যবর্তী ভূখণ্ড নিয়ে তৈরি হওয়া অচলাবস্থার সমাধানে কূটনৈতিক স্তরে আলোচনা এখনও ‘অধরা’ই রয়ে গিয়েছে। তবে, ডোকলাম থেকে ভারত সেনা না সরালে তা সম্ভব নয়। বৃহস্পতিবার ফের এমনটাই জানিয়েছে চীন। পাশাপাশি, ডোকলামের পরিস্থিতির জন্য ...

 সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: নিষিদ্ধ প্ল্যাস্টিক ক্যারিব্যাগের বিরুদ্ধে অভিযানের সময় বাধার মুখে না পড়লেও বৃহস্পতিবার ফুটপাত জবরদখলমুক্ত অভিযানের প্রথম দিনেই ব্যবসায়ী ও হকারদের বাধার মুখে পড়ল আলিপুরদুয়ার পুরসভা। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বিদ্যুৎমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নামে যাদবপুর থানায় অভিযোগ জানিয়েছিলেন বিজেপি নেত্রী রূপা গঙ্গোপাধ্যায়। এর প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার তাঁর কুশপুতুল পোড়াল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশন। ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মপ্রার্থীদের ক্ষেত্রে শুভ। যোগাযোগ রক্ষা করে চললে কর্মলাভের সম্ভাবনা। ব্যাবসা শুরু করলে ভালোই হবে। উচ্চতর ... বিশদ



ইতিহাসে আজকের দিন

• ১৯৩০ – গীতিকার আনন্দ বক্সির জন্ম
• ১৯৩৪ – ক্রিকেটার চাঁদু বোরদের জন্ম
• ১৯৯৩- কলকাতার রাজপথে আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে ১৩ জন যুব কংগ্রেস কর্মীর মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৫০ টাকা ৬৫.১৮ টাকা
পাউন্ড ৮২.৩৯ টাকা ৮৫.২২ টাকা
ইউরো ৭২.৮৭ টাকা ৭৫.৪৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৮,৬৮৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৭,২১৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৭,৬২৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৭,৯০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,০০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৫ শ্রাবণ, ২১ জুলাই, শুক্রবার, ত্রয়োদশী রাত্রি ৯/৫০, মৃগশিরানক্ষত্র দিবা ২/৫৩, সূ উ ৫/৭/৭, অ ৬/১৮/৪৭, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫২ পুনঃ ৭/৪৫-১০/২৪ পুনঃ ১/২-২/৪৮ পুনঃ ৪/৩৩-অস্তাবধি, বারবেলা ৮/২৫-১১/৪৩, কালরাত্রি ৯/১-১০/২২।
৪ শ্রাবণ, ২১ জুলাই, শুক্রবার, ত্রয়োদশী রাত্রি ৮/২৯/৫০, মৃগশিরানক্ষত্র ২/৯/৫০, সূ উ ৫/৪/১৪, অ ৬/২০/২১, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫০/২৩, ৭/৪৩/২৭-১০/২২/৪১, ১/১৫৪-২/৪৮/৩, ৪/৩৪/১২-৬/২০/২১ রাত্রি ৭/৪৬/১২-৯/১২/৩, ২/৫৫/২৭-৩/৩৮/২৩ , বারবেলা ৮/২৩/১৬-১০/২/৪৭, কালবেলা ১০/২/৪৭-১১/৪২/১৮, কালরাত্রি ৯/১/১৯-১০/২১/৪৮।
২৬ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
 আমি কংগ্রেস ছাড়লেও বিজেপি দলে যোগ দেব না: শঙ্কর সিং বাঘেলা

03:42:46 PM

 হাওড়ায় বন্ধ লঞ্চ চলাচল

 প্রবল ভিড়ের চাপ সামলাতে না পেরে হাওড়ায় বন্ধ লঞ্চ চলাচল

03:20:08 PM

পুরুলিয়ায় ৪ বছরের শিশুকে আছাড় মেরে খুনের অভিযোগ বাবার বিরুদ্ধে 
পুরুলিয়ার আদ্রায় চার বছরের শিশুকে আছাড় মেরে খুনের অভিযোগ উঠল বাবার বিরুদ্ধে। এদিন সকালে ঘটনাটি ঘটে আদ্রার বহর গ্রামে। মৃত সঞ্জয় শেখের বাবা পলাতক। 

03:12:35 PM

  কোচবিহারের দিনহাটায় রাস্তা সারাইয়ের দাবিতে পথ অবরোধ
কোচবিহারের দিনহাটা বত্রিগাছ রাস্তা সংস্কারের দাবিতে দিনহাটা ঝুড়ি পাড়া এলাকায় রাস্তা কেটে এবং নেতাজি ব্রিজে গাছ ফেলে সকাল থেকে পথ অবরোধ করে রেখেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

03:12:00 PM

  ঘাটালে ধর্মতলাগামী তৃণমূল কর্মী সমর্থক বোঝাই বাস আটকে দুর্ভোগ
ঘাটালে একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার ওপর আড়াআড়ি ভাবে আটকে যায়। বাসটিতে তৃণমূলের ধর্মতলায় শহিদ স্মরণে অনুষ্ঠানে যোগদান করার জন্য যাত্রীরা ছিলেন। ঘাটাল-রানিচক রাস্তার ওপর বাসটি আড়াআড়ি ভাবে আটক থাকার ফলে এদিন সকাল থেকে ওই রুটে গাড়ি চলাচল বন্ধ ছিল। ফলে বহু মানুষ দুর্ভোগে পড়েন। বেলা ১টার সময় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

03:09:00 PM

বক্তব্য শেষ করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় 

02:49:53 PM