বিশেষ নিবন্ধ
 

মোদির দৃঢ় সংকল্পের অঙ্গীকার জিএসটি
অনিল বালুনি

১ জুলাই, প্রায় দেড় যুগ পথ হেঁটে অবশেষে গন্তব্যে পৌঁছেছিল পণ্য-পরিষেবা কর (জিএসটি)। ঘড়ির কাঁটা রাত ১২টা ছুঁতেই তা চালু হয়ে গিয়েছিল সারা দেশে। সাক্ষী থেকেছিল সংসদের ঐতিহাসিক সেন্ট্রাল হল। সংসদে এর আগের মধ্যরাতের বিশেষ অনুষ্ঠানগুলির সঙ্গে এবারের অধিবেশনকে কখনই এক করা যায় না। ইতিহাসের সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে সেদিন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভাষণে আমরা পেয়েছিলাম এক অপরিমেয় উদ্যম। মধ্যরাতের সেই ঐতিহাসিক ভাষণে প্রধানমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছিলেন, জিএসটি চালু করা ছাড়া অন্য কোনও পথ ছিল না।
১ জুলাই, মধ্যরাতে গোটা দেশ যখন দেখেছিল এক অর্থনৈতিক বিপ্লবের মাহেন্দ্রক্ষণ, আমরা শুনেছিলাম দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অনবদ্য এক ভাষণ। সেদিন প্রণব মুখোপাধ্যায় এবং হামিদ আনসারি—এমন দু’জনের মাঝে ছিল প্রধানমন্ত্রীর আসন, যাঁরা আগের সরকারের আমলে নির্বাচিত হয়েছেন, যাঁদের জীবনযাত্রার সঙ্গে জড়িয়ে কংগ্রেস পার্টি। ছিলেন এইচ ডি দেবগৌড়াও। যিনি ১৯৯৬ সালে বিজেপিকে কেন্দ্রে সরকার গঠন করার পথে আটকে প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। আর এদের সকলকে পাশে নিয়েই মোদি শুনিয়েছিলেন জিএসটির প্রয়োজনীয়তা এবং কীভাবে এক নয়া অর্থনীতিকে আমরা ছুঁতে পারি। যে অর্থনীতিতে সমৃদ্ধ হবে দেশের প্রতিটি মানুষ, প্রতিটি ভারতবাসী।
সেদিন প্রধানমন্ত্রী মোদির ভাষণের কয়েক মিনিটের মধ্যে ফুটে উঠেছিল দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীদের ভাষণের সঙ্গে তার তারতম্য। অধিকাংশের মনজগতে দানা বেঁধেছিল আরও এক তুলনার। ২০১৭-র ১ জুলাই নরেন্দ্র মোদির ভাষণ এবং ১৯৪৭-এর ১৫ আগস্ট পণ্ডিত নেহরুর বক্তৃতা। ভাবুন, ৭০ বছর পর গণতন্ত্রের মন্দিরে জনরায়ে অজেয়, মানুষের চিরসম্মানে সম্মানিত, খ্যাতির শিখরে থাকা দুই প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের তুলনা শুরু হয়েছে। আর এভাবে নিজেকে তুলনায় নিয়ে আসাও মোদির একটা বড় সাফল্য।
ভবিষ্যৎ এবং দৃঢ় সংকল্প
প্রথমবার সেন্ট্রাল হল সেজে উঠেছিল স্বাধীনতার সময় ১৯৪৭–‌এর ১৪ ও ১৫ আগস্টের মধ্যরাতে। সেবার সংসদের সেন্ট্রাল হলে স্বাধীনতার ভাষণে ‘ট্রিস্ট উইথ ডেস্টিনি’‌ পেশ করেছিলেন দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু। নতুন ভারতের জন্মক্ষণে সেই রাত ছিল সত্যি সত্যিই নতুন যুগে প্রবেশের শুভক্ষণ। কিন্তু নেহরুর ভাষণের সেই ‘‌ট্রিস্ট উইথ ডেস্টিনি’‌-র প্রতিশ্রুতির ভিন্নস্রোতে গিয়ে ১ জুলাই ২০১৭ মোদি শুনিয়েছিলেন তাঁর মূল চিন্তাধারা। বলেছিলেন, দৃঢ়সংকল্পের শপথ নিতে হবে। ‘ডেস্টিনি’ এবং ‘ডিটারমিনেশন’—এই দুই শব্দের পার্থক্য ফুটে ওঠে দুই প্রধানমন্ত্রীর ভাষণেই। নেহরুর আদর্শগত জায়গায় ছিল ভারত গড়ার স্বপ্ন। মোদি বারবার জানিয়েছেন, নতুন ভারত গড়ে তোলাই তাঁর সংকল্প।
পণ্ডিত নেহরুর বক্তৃতার একটা নিজস্ব ঘরানা ছিল। কিছু নেতার বক্তৃতায় বাগ্মিতা এবং বিচক্ষণতা প্রকাশ পায়, পণ্ডিত নেহরুর সেই গুণ ছিল। প্রতিটি শব্দ, প্রতিটি লাইন ছিল শিক্ষণীয়। তাঁর ভাষণ থেকে ভবিষ্যতের বক্তারা পাঠ নিতে পারত। উলটোদিকে প্রধানমন্ত্রী মোদির ভাষণ একেবারে মোদির নিজস্ব স্টাইল এবং বিচক্ষণ। কিন্তু সেই ভাষণে থাকে দৃঢ় সংকল্পের শপথ এবং লক্ষ্যপূরণের একটা অভিমুখ। দেশের ভবিষ্যৎ সুনিশ্চিত করতে জিএসটি সঠিক পদক্ষেপ বলে মোদি যখন জনগণকে আশ্বাস দেন, ঠিক তখনই পথ চলার অভিমুখও বাতলে দেন। তিনি সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন এবং বলেন, ১২৫ কোটি ভারতবাসী ঐক্যবদ্ধ হয়েই জিএসটি সফল করবেন, জিএসটি-র সমস্ত ত্রুটি দূর করবেন। কোনও একটি দলের বা সরকারের কৃতিত্ব নয়, সকলের যৌথ প্রয়াসের ফল জিএসটি। জিএসটি আসলে হবে ‘গুড অ্যান্ড সিম্পল ট্যাক্স’। গোড়ায় সামান্য হোঁচট খেতে হলেও শেষ পর্যন্ত মানিয়ে নেওয়া কঠিন হবে না। তাঁর কথায়, ‘নতুন চশমায় সড়গড় হতেও তো দিন দু’য়েক সময় লাগে। একটু সময় দিলে সব ঠিক হবে যাবে।’
ভাষণে স্বাধীনতা সংগ্রামীদের শ্রদ্ধার্ঘ
সেদিন ভাষণে প্রধানমন্ত্রী মোদি দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামী, যাঁরা দেশকে ঔপনিবেশিক শাসন থেকে মুক্ত করতে প্রাণ দিয়েছেন, তাঁদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। সম্মান জানিয়েছেন মহাত্মা গান্ধী, সর্দার প্যাটেল, বাবাসাহেব আম্বেদকর, ডঃ রাজেন্দ্র প্রসাদ, মৌলানা আবুল কালাম আজাদ, সরোজিনী নাইডু এবং আচারিয়া কৃপালিনীর মতো বিশিষ্টদের প্রতি। আর ১৯৪৭-এর ১৫ আগস্ট পণ্ডিত নেহরু বক্তৃতায় কোনও স্বাধীনতা সংগ্রামীর নাম উল্লেখ ছিল না। এমনকী যাঁদের সঙ্গে তিনি লড়াই করেছিলেন, তাঁরাও ছিলেন ব্রাত্য।
১ জুলাই, মধ্যরাতে মোদি তাঁর ভাষণে বলেছিলেন, কেন্দ্র-রাজ্যগুলি দীর্ঘ আলাপ-আলোচনা করেছে, তার ফলস্বরূপ জিএসটি চালু। সেখানে শুধু বিজেপি কিংবা এনডিএ ছিল না। ছিলেন সমস্ত দলের মুখ্যমন্ত্রীরা। জিএসটি টিম ইন্ডিয়ার ঐক্যবদ্ধ শক্তির প্রমাণ। অথচ, দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর ‘‌ট্রিস্ট উইথ ডেস্টিনি’‌ ভাষণে কোনও টিম ওয়ার্কের নামগন্ধ ছিল না।
কার জন্য বক্তৃতা?
পণ্ডিত নেহরু শ্রোতাদের মাঝে ভাষণ দিতেন অনবদ্য ইংরেজিতে। তাঁর ভাষণ শুনে অনেকসময় মনে হত বিলেতের ভাষা। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী মোদি সংসদের ফ্লোর কিংবা যে কোনও ভাষণ দেন হিন্দিতে। আর সেই কারণেই ৭০ বছর আগে পণ্ডিত নেহরুর বক্তৃতা যত মানুষ বুঝতেন, তার চেয়ে অনেক বেশি ভারতবাসী আপন করে নেন প্রধানমন্ত্রী মোদির কথা। এটা অস্বীকার করার উপায় নেই, ইংরেজির থেকে হিন্দি অনেক বেশি সংখ্যক ভারতবাসী বুঝতে পারেন। আর ১৯৪৭-এ তো খুবই অল্প সংখ্যক মানুষ ইংরেজি জানতেন। অ-হিন্দিভাষী এলাকায় আঞ্চলিক ভাষাই প্রাধান্য পায়। সেটাই স্বাভাবিক।
তাহলে কি পণ্ডিত নেহরু তাঁর ভাষণ ভারতের নাগরিকদের কথা ভেবে দিতেন না, ব্রিটিশদের অথবা বিশ্বের কথা ভেবে তাঁর বক্তৃতা রচিত হত? এই প্রশ্ন ওঠা অযাচিত নয় যে, একজন প্রধানমন্ত্রী সংসদে বলবেন দেশের জন্য নয়, শুধু বিশ্বজয় করতেই?
মোদির ভাষণে ‘ডিসকভারি অব ইন্ডিয়া’
পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু লিখেছিলেন ‘ডিসকভারি অব ইন্ডিয়া’, কিন্তু আপনি যদি ১ জুলাই প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ শোনেন তাহলে নিশ্চিত মনে হবে, সেই ক্ষুদ্র ভাষণ ছিল সত্যিকারের ‘ডিসকভারি অব ইন্ডিয়া’। প্রধানমন্ত্রী মোদির বক্তৃতায় ছিল, আমাদের ইতিহাস উদযাপন এবং আগামীর উজ্জ্বল ভবিষ্যতের স্বপ্ন। স্বাধীনতা সংগ্রামীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি তাঁর বক্তব্য রেখেছেন এবং যে বক্তব্যে ছিল তরুণ প্রজন্মের স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করার সংকল্প।
ভারতের কর ব্যবস্থার একত্রীকরণ এবং কেন দেশের অর্থনৈতিক সংযুক্তিকরণের সময় এসেছে, তা ভাষণে তুলে ধরেছিলেন মোদি। পাশাপাশি ব্যাখ্যা করে বলেছিলেন, ভারতের দরিদ্র শ্রেণির মানুষের এমন অনেক কিছু প্রয়োজন, যা গত ৭০ বছরেও মেলেনি। প্রয়োজনীয় সেই জিনিসগুলি কেন তাঁদের কাছে দ্রুত পৌঁছে দেওয়া প্রয়োজন, সেকথাও তুলে ধরেছিলেন তিনি। জুলাই মাসেই দেশ জুড়ে চালু হয়েছে ‘এক দেশ, এক কর’ (জিএসটি) নীতি। ডিজিটাল ইন্ডিয়ায় এই পদক্ষেপ ব্যাবসা-বাণিজ্যের পক্ষে কতটা সহায়ক হবে বা রেল ব্যবস্থাকে কতটা উজ্জীবিত করবে, তাও অঙ্ক কষে দেখিয়েছেন মোদি। জিএসটি ব্যবস্থা প্রাণবন্ত এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষী দেশ হিসাবে ভারতকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরবে। ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্টের বক্তব্যে যে শক্তিশালী এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষী ভারতের আভাস মিলেছিল, এখন সেই বিষয়গুলিতে নতুন নেতৃত্বের হাত ধরে আরও জোর দেওয়ার কথাও তুলে ধরা হয়েছে।
কেন সেদিন কংগ্রেস বয়কট করেছিল?
অন্য সমস্ত বিরোধী দলগুলি জিএসটি নিয়ে বিশেষ অধিবেশনে অংশগ্রহণ করলেও কংগ্রেস তা বয়কট করে। তাদের এই সিদ্ধান্ত দেশবাসীকে হতবাক করে দিয়েছিল। অথচ, রাজনৈতিক ব্যবধানকে দূরে সরিয়ে সকলের চেষ্টাতেই জিএসটি চালু করা সম্ভব হয়েছে।
জিএসটি নিয়ে কংগ্রেসের বিশেষ অধিবেশন বয়কট প্রসঙ্গে অজয় সিং বলেন, ৩০ জুন মধ্যরাতে জিএসটি-র সূচনায় যখন সংসদে রাজনৈতিক দলগুলি একত্রিত হয়েছিল, তখন কংগ্রেস এবং কয়েকটি বিরোধী দল এই অনুষ্ঠান বয়কট করে। শুধু তাই নয়, দেশজুড়ে জিএসটি-র সূচনাকে ‘তামাশা’ বলেও কটাক্ষ করে তারা। দেশজুড়ে জিএসটি সূচনার সময়টি ছুঁয়ে ফেলে ১৯৪৭ সালের ‘‌ট্রিস্ট উইথ ডেস্টিনি’‌-র সেই মুহূর্তকে। অজয় সিংয়ের কথায় পরিস্কার মধ্যরাতে জিএসটি’র সূচনাকালীন বক্তব্য নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিল কংগ্রেস। কারণ, তারা ভেবেছিল মধ্যরাতের মোদির বক্তৃতা ১৯৪৭-এর ১৫ আগস্ট নেহরুর ভাষণকে ছাপিয়ে যেতে পারে। এর মধ্যে দিয়েই বোঝা যায়, ক্রমশ বদলাতে থাকা দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে পারছে না কংগ্রেস নেতৃত্ব।
সংসদে ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রীর মধ্যরাতের ভাষণের সঙ্গে বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের তুলনা করাটা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে খুব একটা অপ্রত্যাশিত কিছু নয়। দু’টি বক্তব্য শোনার পরে এটা বলা কিছু ভুল হবে না যে, ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট আমরা ভবিষ্যতের পথে যাত্রা শুরু করেছিলাম। ৭০ বছর পর, ২০১৭ সালের ১ জুলাই আমরা অর্থনৈতিক স্বাধীনতা এবং একত্রীকরণের পথে হাঁটা শুরু করলাম। এই অর্থনৈতিক স্বাধীনতা ভাগ্যের জোরে পাওয়া নয়। বরং শক্তিশালী নেতৃত্বের হাত ধরে ১২৫ কোটি ভারতীয়ের মেধা এবং শক্তির জোরে আসা।
লেখক বিজেপির ন্যাশনাল মিডিয়ার প্রধান
18th  July, 2017
বিশ্বচরাচরের আনন্দ
অমর মিত্র

 সারা বছর কায়ক্লেশে বেঁচে থাকি, উৎসব নিয়ে আসে তা থেকে মুক্তি। বাঙালির জীবনে বারো মাসে তেরো পার্বণ। এর ভিতরেই বড় উৎসব হিন্দুর দুর্গোৎসব আর মুসলমানের ইদুল ফিতর, খুশির ইদ, আর খ্রিস্টানের বড় দিন। তিন মহা উৎসব বাদ দিয়ে ধর্মীয় এবং লোকপুরাণের সঙ্গে যুক্ত আরো কত যে উৎসব, টুসু, ভাদু, নবান্ন, থেকে নানা ব্রত শবে বরাত, পীর ফকিরের উরস—সব। সমস্ত উৎসবই আনন্দের, সমস্ত উৎসবই আত্মীয় বান্ধব, অবান্ধবে মিলনের।
বিশদ

কোনও বিঘ্নই বাঙালির পুজোর আনন্দ পণ্ড করতে পারবে না
শুভা দত্ত

পুজো এসে গেল। মহাপূজা। ঝড়বৃষ্টি, বানবন্যার ভ্রুকুটি উপেক্ষা করে শেষপর্যন্ত আমাদের সংবৎসরের আনন্দের দিনগুলো এসে পড়ল দোরগোড়ায়। গত মঙ্গলবার মহালয়ায় দেবীপক্ষের সূচনা হতেই মহামায়া বন্দনার শেষমুহূর্তের তোড়জোড় শুরু হয়ে গিয়েছিল আসমুদ্রহিমাচল বাংলায়। বিশদ

24th  September, 2017
ডায়নেস্টি চালচিত্র ও মাছরাঙা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়

রাহুল গান্ধী খুব সত্যি দুটো কথা বলেছেন। কিছুদিন ধরে উনি প্রবাসী। আমেরিকায় রয়েছেন। বিভিন্ন নামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে কথা বলছেন। ভাব বিনিময় করছেন। সেলফি তুলছেন। এইসব অনুষ্ঠানে প্রায় প্রতিদিনই তিনি ওই কথা দুটি বলেছেন। এ নিয়ে ভারতের রাজনীতিও বেশ সরগরম।
বিশদ

24th  September, 2017
আমেরিকায় শারদোৎসব
আলোলিকা মুখোপাধ্যায়

 প্রবাসে দীর্ঘকাল এক সমান্তরাল জীবনযাপনে অভ্যস্ত বাঙালির দুর্গাপুজোর ছুটি বলে কিছু নেই। দেশে যখন পুজোর ছুটি, এখানে তখন গ্রীষ্ম অবকাশের শেষে স্কুল, কলেজ ইউনিভার্সিটি খুলে গিয়েছে। তবু পুজোর সময় আসে কাছে। মহালয়ার পরে দেবীপক্ষে নির্ধারিত দিনে পুজো হয় রামকৃষ্ণ মিশন, ভারত সেবাশ্রম সংঘ, আদ্যাপীঠ আর আমেরিকার কয়েকটি শহরে বাঙালি প্রতিষ্ঠিত মন্দিরে।
বিশদ

23rd  September, 2017
রীতিনীতি-আচরণে দুর্গাপূজার সেকাল ও একাল
গৌরী দে

 পুরাণ-উপপুরাণ অনুসারে শরৎকালে রামচন্দ্র রাবণ বধের আশায় যে পূজা করেছিলেন সেটাই অকাল বোধন। দক্ষিণায়নে দেবতারা ঘুমিয়ে থাকেন। শরৎকালে শ্রাবণ থেকে পৌষ পর্যন্ত এই কাল। তাই দেবীকে জাগ্রত করতে রামচন্দ্রকে অকাল বোধন করতে হয়। জয়লাভের জন্য তিনি দেবী দুর্গার শরণাপন্ন হন।
বিশদ

23rd  September, 2017
ছেলেবেলার দুর্গাপূজা—কিছু স্মৃতি কিছু বেদনা
ভগীরথ মিশ্র

 ছেলেবেলায় আমাদের গাঁয়ে কোনও বারোয়ারি দুর্গাপুজো হ’ত না। গোটা এলাকা জুড়ে কেবল আমাদের গাঁয়ের জমিদারবাড়িতেই হ’ত পারিবারিক দুর্গাপুজো। সত্যি কথা বলতে কী, দুর্গাপূজাটা গাঁয়ের অধিকাংশ মানুষের কাছেই কোনও সুখকর অভিজ্ঞতা ছিল না।
বিশদ

22nd  September, 2017
বদলে যাচ্ছি আমরা?
সমৃদ্ধ দত্ত

 থিমের পুজো করলেই তো পুরস্কার পাওয়া যায়। স্পনসর পাওয়া যায়। মিডিয়ায় ছবি বেরোয়। কিন্তু কই! তা তো সকলে করে না? কেন করে না? তাহলে সেই লোকগুলোর কী হবে? যাঁরা থিমের পুজো দেখতে মোটেই আগ্রহী নয়।
বিশদ

22nd  September, 2017
অভিযুক্তের গায়ে নারীঘটিত অপবাদের কাদা না ছেটালে কি শাস্তি অসম্পূর্ণ থাকত!
মেরুনীল দাশগুপ্ত

সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়, ব্রতীন সেনগুপ্ত, লক্ষ্মণ শেঠ, রেজ্জাক মোল্লা, সইফুদ্দিন চৌধুরির মতো অনেক তাবড় নেতাকেই নানা সময় দল ছাড়তে হয়েছে। বহিষ্কারের অপমান বইতে হয়েছে। কিন্তু, কারও গায়ে এত কালি লাগাবার দরকার কি পড়েছিল? পড়েনি। বাদবাকি সকলের ক্ষেত্রেই শাস্তির ব্যাপারটা দলীয় নীতি-নৈতিকতার দ্বান্দ্বিক পরিসরেই সীমাবদ্ধ ছিল।
বিশদ

21st  September, 2017
একনজরে
 নয়াদিল্লি, ২৫ সেপ্টেম্বর: স্টেট ব্যাংকের নেতৃত্বাধীন কনসোর্টিয়ামের কাছ থেকে ঋণ নেওয়া ছ’হাজার কোটি টাকার বেশিটাই কাগুজে কোম্পানিতে বিনিয়োগ করেছেন কিংফিশার কর্তা বিজয় মালিয়া। তদন্তে নেমে এমনই তথ্য পেয়েছে সিবিআই ও ইডি। খুব তাড়াতাড়ি এই তথ্য সম্বলিত চার্জশিট দেবে ওই দুই ...

বার্লিন, ২৫ সেপ্টেম্বর: বুথ ফেরত সমীক্ষায় পাওয়া আভাসই শেষমেশ সত্য হল। চতুর্থবার জার্মানির চ্যান্সেলর নির্বাচিত হলেন অ্যাঞ্জেলা মার্কেলই। ৩২.৯ শতাংশ ভোট পেয়েছে মার্কেলের দল। আর ...

অভিজিৎ সরকার  শিলিগুড়ি, ২৫ সেপ্টেম্বর: রবিবার লিগ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পরই রাতে টিম হোটেলে কেক কেটে সেলিব্রেশন করেছেন ইস্ট বেঙ্গল ফুটবলাররা। মঙ্গলবার সকালে ক্লাব তাঁবুতে ...

বিএনএ, শিলিগুড়ি ও সংবাদদাতা দার্জিলিং: সোমবার দার্জিলিংয়ের লালকুঠিতে জিটিএ’র প্রশাসক পর্ষদের চেয়ারম্যান হিসাবে কাজে যোগ দিলেন মোর্চা নেতা বিনয় তামাং। সোমবার আধিকারিকদের নিয়ে প্রথম বৈঠকেই ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

গুপ্ত শত্রুতা বৃদ্ধি। কর্মে উন্নতি। ব্যবসায় অতিরিক্ত সতর্কতার প্রয়োজন। উচ্চশিক্ষায় সাফল্য। শরীর-স্বাস্থ্য ভালো যাবে।প্রতিকার: বট ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮২০: মনীষী ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জন্ম
১৯২৩: অভিনেতা দেব আনন্দের জন্ম
১৯৩২: ভারতের চতুর্দশ প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের জন্ম
১৯৭৭: নৃত্যশিল্পী উদয়শংকরের মৃত্যু
১৯৮৯: সঙ্গীতশিল্পী হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৪.০১ টাকা ৬৫.৬৯ টাকা
পাউন্ড ৮৬.২৫ টাকা ৮৯.১৭ টাকা
ইউরো ৭৬.০১ টাকা ৭৮.৬৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩০,২৫৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৮,৭০৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৯,১৩৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৯,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৯,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৯ আশ্বিন, ২৬ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার, ষষ্ঠী, নক্ষত্র-অনুরাধা দং ৩/৫১ দিবা ঘ ৭/৩, সূ উ ৫/৩০/২, অ ৫/২৬/১২, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/১৭ মধ্যে পুনঃ ৭/৫ গতে ১১/৪ মধ্যে। রাত্রি ঘ ৭/৪৯ গতে ৮/৩৯ মধ্যে পুনঃ ৯/২৭ গতে ১১/৫২ মধ্যে পুনঃ ১/২৯ গতে ৩/৬ মধ্যে পুনঃ ৪/৪১ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৬/৫৯ গতে ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ১২/৫৮ গতে ২/২৮ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/৫৯ গতে ৮/২৮ মধ্যে।
৯ আশ্বিন, ২৬ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার, ষষ্ঠী, অনুরাধানক্ষত্র ৭/৯/৪, সূ উ ৫/২৮/৩৬, অ ৫/২৭/১৩, অমৃতযোগ দিবা ৬/১৬/৩০, ৭/৪/২৫-১১/৩/৫৭, রাত্রি ৭/৫১/৩০-৮/৩৯/৩৫, ৯/২৭/৪১-১১/৫১/৫৭, ১/২৮/৮-৩/৪/১৯, ৪/৪০/৩০-৫/২৮/৫৬, বারবেলা ৬/৫৭/২৬-৮/২৮/১৫, কালবেলা ১২/৫৭/৪৪-২/২৭/৩৪, কালরাত্রি ৬/৫৭/২৩-৮/২৭/৩৪।
 ৫ মহরম

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
সল্টলেকের ইসি ব্লকের কাছে অটো উলটে চালক-সহ জখম ৪

02:37:00 PM

বড়সড় রেল দুর্ঘটনায় হাত থেকে রক্ষা, একই লাইনে চলে এল ৩টি ট্রেন
বড়সড় রেল দুর্ঘটনায় হাত থেকে রক্ষা। এলাহাবাদের কাছে ...বিশদ

01:44:46 PM

গাজিয়াবাদে ব্যবসায়ীকে খুন, মৃতের নাম রাজেন্দ্র আগরওয়াল (৭৫)

01:24:00 PM

আজ দিল্লি আদালতে দুপুর ২টো নাগাদ হানিপ্রীতের আগাম জামিনের শুনানি

01:19:00 PM

দার্জিলিংয়ে খুলল অধিকাংশ দোকানপাট

01:08:00 PM

ঝাড়গ্রামে ২টি বাড়িতে দুঃসাহসিক চুরি
সোমবার রাতে ঝাড়গ্রাম শহরের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বামদা এলাকায় চুরির ...বিশদ

01:01:00 PM

দিনহাটায় দু’জন নাবালিকা-সহ ৭ জন যুবতীকে উদ্ধার করল পুলিশ, ঘটনায় গ্রেপ্তার ১

12:59:00 PM