বিশেষ নিবন্ধ
 

মোদির দৃঢ় সংকল্পের অঙ্গীকার জিএসটি
অনিল বালুনি

১ জুলাই, প্রায় দেড় যুগ পথ হেঁটে অবশেষে গন্তব্যে পৌঁছেছিল পণ্য-পরিষেবা কর (জিএসটি)। ঘড়ির কাঁটা রাত ১২টা ছুঁতেই তা চালু হয়ে গিয়েছিল সারা দেশে। সাক্ষী থেকেছিল সংসদের ঐতিহাসিক সেন্ট্রাল হল। সংসদে এর আগের মধ্যরাতের বিশেষ অনুষ্ঠানগুলির সঙ্গে এবারের অধিবেশনকে কখনই এক করা যায় না। ইতিহাসের সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে সেদিন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভাষণে আমরা পেয়েছিলাম এক অপরিমেয় উদ্যম। মধ্যরাতের সেই ঐতিহাসিক ভাষণে প্রধানমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছিলেন, জিএসটি চালু করা ছাড়া অন্য কোনও পথ ছিল না।
১ জুলাই, মধ্যরাতে গোটা দেশ যখন দেখেছিল এক অর্থনৈতিক বিপ্লবের মাহেন্দ্রক্ষণ, আমরা শুনেছিলাম দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অনবদ্য এক ভাষণ। সেদিন প্রণব মুখোপাধ্যায় এবং হামিদ আনসারি—এমন দু’জনের মাঝে ছিল প্রধানমন্ত্রীর আসন, যাঁরা আগের সরকারের আমলে নির্বাচিত হয়েছেন, যাঁদের জীবনযাত্রার সঙ্গে জড়িয়ে কংগ্রেস পার্টি। ছিলেন এইচ ডি দেবগৌড়াও। যিনি ১৯৯৬ সালে বিজেপিকে কেন্দ্রে সরকার গঠন করার পথে আটকে প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। আর এদের সকলকে পাশে নিয়েই মোদি শুনিয়েছিলেন জিএসটির প্রয়োজনীয়তা এবং কীভাবে এক নয়া অর্থনীতিকে আমরা ছুঁতে পারি। যে অর্থনীতিতে সমৃদ্ধ হবে দেশের প্রতিটি মানুষ, প্রতিটি ভারতবাসী।
সেদিন প্রধানমন্ত্রী মোদির ভাষণের কয়েক মিনিটের মধ্যে ফুটে উঠেছিল দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীদের ভাষণের সঙ্গে তার তারতম্য। অধিকাংশের মনজগতে দানা বেঁধেছিল আরও এক তুলনার। ২০১৭-র ১ জুলাই নরেন্দ্র মোদির ভাষণ এবং ১৯৪৭-এর ১৫ আগস্ট পণ্ডিত নেহরুর বক্তৃতা। ভাবুন, ৭০ বছর পর গণতন্ত্রের মন্দিরে জনরায়ে অজেয়, মানুষের চিরসম্মানে সম্মানিত, খ্যাতির শিখরে থাকা দুই প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের তুলনা শুরু হয়েছে। আর এভাবে নিজেকে তুলনায় নিয়ে আসাও মোদির একটা বড় সাফল্য।
ভবিষ্যৎ এবং দৃঢ় সংকল্প
প্রথমবার সেন্ট্রাল হল সেজে উঠেছিল স্বাধীনতার সময় ১৯৪৭–‌এর ১৪ ও ১৫ আগস্টের মধ্যরাতে। সেবার সংসদের সেন্ট্রাল হলে স্বাধীনতার ভাষণে ‘ট্রিস্ট উইথ ডেস্টিনি’‌ পেশ করেছিলেন দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু। নতুন ভারতের জন্মক্ষণে সেই রাত ছিল সত্যি সত্যিই নতুন যুগে প্রবেশের শুভক্ষণ। কিন্তু নেহরুর ভাষণের সেই ‘‌ট্রিস্ট উইথ ডেস্টিনি’‌-র প্রতিশ্রুতির ভিন্নস্রোতে গিয়ে ১ জুলাই ২০১৭ মোদি শুনিয়েছিলেন তাঁর মূল চিন্তাধারা। বলেছিলেন, দৃঢ়সংকল্পের শপথ নিতে হবে। ‘ডেস্টিনি’ এবং ‘ডিটারমিনেশন’—এই দুই শব্দের পার্থক্য ফুটে ওঠে দুই প্রধানমন্ত্রীর ভাষণেই। নেহরুর আদর্শগত জায়গায় ছিল ভারত গড়ার স্বপ্ন। মোদি বারবার জানিয়েছেন, নতুন ভারত গড়ে তোলাই তাঁর সংকল্প।
পণ্ডিত নেহরুর বক্তৃতার একটা নিজস্ব ঘরানা ছিল। কিছু নেতার বক্তৃতায় বাগ্মিতা এবং বিচক্ষণতা প্রকাশ পায়, পণ্ডিত নেহরুর সেই গুণ ছিল। প্রতিটি শব্দ, প্রতিটি লাইন ছিল শিক্ষণীয়। তাঁর ভাষণ থেকে ভবিষ্যতের বক্তারা পাঠ নিতে পারত। উলটোদিকে প্রধানমন্ত্রী মোদির ভাষণ একেবারে মোদির নিজস্ব স্টাইল এবং বিচক্ষণ। কিন্তু সেই ভাষণে থাকে দৃঢ় সংকল্পের শপথ এবং লক্ষ্যপূরণের একটা অভিমুখ। দেশের ভবিষ্যৎ সুনিশ্চিত করতে জিএসটি সঠিক পদক্ষেপ বলে মোদি যখন জনগণকে আশ্বাস দেন, ঠিক তখনই পথ চলার অভিমুখও বাতলে দেন। তিনি সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন এবং বলেন, ১২৫ কোটি ভারতবাসী ঐক্যবদ্ধ হয়েই জিএসটি সফল করবেন, জিএসটি-র সমস্ত ত্রুটি দূর করবেন। কোনও একটি দলের বা সরকারের কৃতিত্ব নয়, সকলের যৌথ প্রয়াসের ফল জিএসটি। জিএসটি আসলে হবে ‘গুড অ্যান্ড সিম্পল ট্যাক্স’। গোড়ায় সামান্য হোঁচট খেতে হলেও শেষ পর্যন্ত মানিয়ে নেওয়া কঠিন হবে না। তাঁর কথায়, ‘নতুন চশমায় সড়গড় হতেও তো দিন দু’য়েক সময় লাগে। একটু সময় দিলে সব ঠিক হবে যাবে।’
ভাষণে স্বাধীনতা সংগ্রামীদের শ্রদ্ধার্ঘ
সেদিন ভাষণে প্রধানমন্ত্রী মোদি দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামী, যাঁরা দেশকে ঔপনিবেশিক শাসন থেকে মুক্ত করতে প্রাণ দিয়েছেন, তাঁদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। সম্মান জানিয়েছেন মহাত্মা গান্ধী, সর্দার প্যাটেল, বাবাসাহেব আম্বেদকর, ডঃ রাজেন্দ্র প্রসাদ, মৌলানা আবুল কালাম আজাদ, সরোজিনী নাইডু এবং আচারিয়া কৃপালিনীর মতো বিশিষ্টদের প্রতি। আর ১৯৪৭-এর ১৫ আগস্ট পণ্ডিত নেহরু বক্তৃতায় কোনও স্বাধীনতা সংগ্রামীর নাম উল্লেখ ছিল না। এমনকী যাঁদের সঙ্গে তিনি লড়াই করেছিলেন, তাঁরাও ছিলেন ব্রাত্য।
১ জুলাই, মধ্যরাতে মোদি তাঁর ভাষণে বলেছিলেন, কেন্দ্র-রাজ্যগুলি দীর্ঘ আলাপ-আলোচনা করেছে, তার ফলস্বরূপ জিএসটি চালু। সেখানে শুধু বিজেপি কিংবা এনডিএ ছিল না। ছিলেন সমস্ত দলের মুখ্যমন্ত্রীরা। জিএসটি টিম ইন্ডিয়ার ঐক্যবদ্ধ শক্তির প্রমাণ। অথচ, দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর ‘‌ট্রিস্ট উইথ ডেস্টিনি’‌ ভাষণে কোনও টিম ওয়ার্কের নামগন্ধ ছিল না।
কার জন্য বক্তৃতা?
পণ্ডিত নেহরু শ্রোতাদের মাঝে ভাষণ দিতেন অনবদ্য ইংরেজিতে। তাঁর ভাষণ শুনে অনেকসময় মনে হত বিলেতের ভাষা। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী মোদি সংসদের ফ্লোর কিংবা যে কোনও ভাষণ দেন হিন্দিতে। আর সেই কারণেই ৭০ বছর আগে পণ্ডিত নেহরুর বক্তৃতা যত মানুষ বুঝতেন, তার চেয়ে অনেক বেশি ভারতবাসী আপন করে নেন প্রধানমন্ত্রী মোদির কথা। এটা অস্বীকার করার উপায় নেই, ইংরেজির থেকে হিন্দি অনেক বেশি সংখ্যক ভারতবাসী বুঝতে পারেন। আর ১৯৪৭-এ তো খুবই অল্প সংখ্যক মানুষ ইংরেজি জানতেন। অ-হিন্দিভাষী এলাকায় আঞ্চলিক ভাষাই প্রাধান্য পায়। সেটাই স্বাভাবিক।
তাহলে কি পণ্ডিত নেহরু তাঁর ভাষণ ভারতের নাগরিকদের কথা ভেবে দিতেন না, ব্রিটিশদের অথবা বিশ্বের কথা ভেবে তাঁর বক্তৃতা রচিত হত? এই প্রশ্ন ওঠা অযাচিত নয় যে, একজন প্রধানমন্ত্রী সংসদে বলবেন দেশের জন্য নয়, শুধু বিশ্বজয় করতেই?
মোদির ভাষণে ‘ডিসকভারি অব ইন্ডিয়া’
পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু লিখেছিলেন ‘ডিসকভারি অব ইন্ডিয়া’, কিন্তু আপনি যদি ১ জুলাই প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ শোনেন তাহলে নিশ্চিত মনে হবে, সেই ক্ষুদ্র ভাষণ ছিল সত্যিকারের ‘ডিসকভারি অব ইন্ডিয়া’। প্রধানমন্ত্রী মোদির বক্তৃতায় ছিল, আমাদের ইতিহাস উদযাপন এবং আগামীর উজ্জ্বল ভবিষ্যতের স্বপ্ন। স্বাধীনতা সংগ্রামীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি তাঁর বক্তব্য রেখেছেন এবং যে বক্তব্যে ছিল তরুণ প্রজন্মের স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করার সংকল্প।
ভারতের কর ব্যবস্থার একত্রীকরণ এবং কেন দেশের অর্থনৈতিক সংযুক্তিকরণের সময় এসেছে, তা ভাষণে তুলে ধরেছিলেন মোদি। পাশাপাশি ব্যাখ্যা করে বলেছিলেন, ভারতের দরিদ্র শ্রেণির মানুষের এমন অনেক কিছু প্রয়োজন, যা গত ৭০ বছরেও মেলেনি। প্রয়োজনীয় সেই জিনিসগুলি কেন তাঁদের কাছে দ্রুত পৌঁছে দেওয়া প্রয়োজন, সেকথাও তুলে ধরেছিলেন তিনি। জুলাই মাসেই দেশ জুড়ে চালু হয়েছে ‘এক দেশ, এক কর’ (জিএসটি) নীতি। ডিজিটাল ইন্ডিয়ায় এই পদক্ষেপ ব্যাবসা-বাণিজ্যের পক্ষে কতটা সহায়ক হবে বা রেল ব্যবস্থাকে কতটা উজ্জীবিত করবে, তাও অঙ্ক কষে দেখিয়েছেন মোদি। জিএসটি ব্যবস্থা প্রাণবন্ত এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষী দেশ হিসাবে ভারতকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরবে। ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্টের বক্তব্যে যে শক্তিশালী এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষী ভারতের আভাস মিলেছিল, এখন সেই বিষয়গুলিতে নতুন নেতৃত্বের হাত ধরে আরও জোর দেওয়ার কথাও তুলে ধরা হয়েছে।
কেন সেদিন কংগ্রেস বয়কট করেছিল?
অন্য সমস্ত বিরোধী দলগুলি জিএসটি নিয়ে বিশেষ অধিবেশনে অংশগ্রহণ করলেও কংগ্রেস তা বয়কট করে। তাদের এই সিদ্ধান্ত দেশবাসীকে হতবাক করে দিয়েছিল। অথচ, রাজনৈতিক ব্যবধানকে দূরে সরিয়ে সকলের চেষ্টাতেই জিএসটি চালু করা সম্ভব হয়েছে।
জিএসটি নিয়ে কংগ্রেসের বিশেষ অধিবেশন বয়কট প্রসঙ্গে অজয় সিং বলেন, ৩০ জুন মধ্যরাতে জিএসটি-র সূচনায় যখন সংসদে রাজনৈতিক দলগুলি একত্রিত হয়েছিল, তখন কংগ্রেস এবং কয়েকটি বিরোধী দল এই অনুষ্ঠান বয়কট করে। শুধু তাই নয়, দেশজুড়ে জিএসটি-র সূচনাকে ‘তামাশা’ বলেও কটাক্ষ করে তারা। দেশজুড়ে জিএসটি সূচনার সময়টি ছুঁয়ে ফেলে ১৯৪৭ সালের ‘‌ট্রিস্ট উইথ ডেস্টিনি’‌-র সেই মুহূর্তকে। অজয় সিংয়ের কথায় পরিস্কার মধ্যরাতে জিএসটি’র সূচনাকালীন বক্তব্য নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিল কংগ্রেস। কারণ, তারা ভেবেছিল মধ্যরাতের মোদির বক্তৃতা ১৯৪৭-এর ১৫ আগস্ট নেহরুর ভাষণকে ছাপিয়ে যেতে পারে। এর মধ্যে দিয়েই বোঝা যায়, ক্রমশ বদলাতে থাকা দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে পারছে না কংগ্রেস নেতৃত্ব।
সংসদে ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রীর মধ্যরাতের ভাষণের সঙ্গে বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের তুলনা করাটা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে খুব একটা অপ্রত্যাশিত কিছু নয়। দু’টি বক্তব্য শোনার পরে এটা বলা কিছু ভুল হবে না যে, ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট আমরা ভবিষ্যতের পথে যাত্রা শুরু করেছিলাম। ৭০ বছর পর, ২০১৭ সালের ১ জুলাই আমরা অর্থনৈতিক স্বাধীনতা এবং একত্রীকরণের পথে হাঁটা শুরু করলাম। এই অর্থনৈতিক স্বাধীনতা ভাগ্যের জোরে পাওয়া নয়। বরং শক্তিশালী নেতৃত্বের হাত ধরে ১২৫ কোটি ভারতীয়ের মেধা এবং শক্তির জোরে আসা।
লেখক বিজেপির ন্যাশনাল মিডিয়ার প্রধান
18th  July, 2017
গুম-নিখোঁজ ও পরমানন্দ মন্ত্রণালয়
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়

বাংলাদেশে ‘লিট ফেস্ট’ শুরু ও শেষ হল। সেই কারণে কি না জানি না, অরুন্ধতী রায়ের দ্বিতীয় উপন্যাস ‘দ্য মিনিস্ট্রি অব আটমোস্ট হ্যাপিনেস’ হুট করে সংবাদপত্রে চর্চার কেন্দ্রে উঠে এল। এই মুহূর্তে বাংলাদেশের অত্যন্ত জনপ্রিয় সাহিত্যিক ও সাংবাদিক, আমার অতি ঘনিষ্ঠ ও প্রিয় আনিসুল হক এই উপন্যাসের বাংলা নাম দিয়েছেন ‘পরমানন্দ মন্ত্রণালয়’।
বিশদ

19th  November, 2017
লন্ডন, এডিনবরা এবং মমতা
শুভা দত্ত

দুর্গাপুজোর দিন যত এগিয়ে আসে, আনন্দটা তার সঙ্গে সমানুপাতিক হারে বাড়ে। এ আমাদের বাঙালি সংস্কৃতির চিরন্তন সত্য। আর মা দুর্গাকে ঘিরে সেই উৎসবের রামধনু রং ফিকে হতে শুরু করে নবমীর সন্ধ্যা থেকেই। আজ বাদে কাল দশমী। মায়ের ফিরে যাওয়ার পালা।
বিশদ

19th  November, 2017
চীনের প্রেসিডেন্ট বনাম ভারতের ডিফেন্স রিসার্চ
প্রশান্ত দাস

জিনপিং দেশের বিখ্যাত বিজ্ঞানীদের বললেন—আমাদের সমাজতন্ত্র দেশকে তরতর করে এগিয়ে নিয়ে চলেছে। এগিয়ে চলেছে আমাদের অর্থনীতি। কিন্তু গত পাঁচ বছরে আপনারা ক’টি অবিশ্বাস্য অস্ত্র দিতে পেরেছেন সেনাদের? ভারতের ডিআরডিও কী করে পৃথিবীতে দু’নম্বর রিসার্চ সেন্টার হল? কী নেই আপনাদের? যা যা চাই, তালিকা পাঠান। যতদিন না আমরা ডিআরডিও-কে ছাপিয়ে যেতে পারছি, ততদিন আমরা নিজেদের এশিয়ার মধ্যে এক নং বলতে পারব না।
বিশদ

18th  November, 2017
রাজ্যের লাইব্রেরিগুলিকে বাঁচাতেই হবে
পার্থজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

মনে পড়ছে গত ডিসেম্বরের কথা। বীরভূম জেলার সরকারি বইমেলার আয়োজন হয়েছিল সিউড়িতে, ইরিগেশন কলোনির মাঠে। আমি উদ্বোধক, মঞ্চে জেলার মন্ত্রীরা, সঙ্গত কারণেই উপস্থিত ছিলেন গ্রন্থাগারমন্ত্রীও। মঞ্চে বসেই সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীর সঙ্গে পরিচয়, আলাপচারিতা।
বিশদ

18th  November, 2017
মোদির আমলে শিশুদের খিদের যন্ত্রণা তীব্র, কারণ শিশু ও মহিলা উন্নয়নে গুরুত্ব কম
দেবনারায়ণ সরকার

কেন্দ্রীয় সরকারের গত ৩ বছরের বাজেটের তথ্য সার্বিকভাবে বিচার করলে দেখা যাচ্ছে কেন্দ্রীয় বাজেটে মোট ব্যয় যেখানে ২১ শতাংশের বেশি বেড়েছে (টাকার অঙ্কে অতিরিক্ত প্রায় ৩ লক্ষ ৫১ হাজার কোটি টাকা), সেখানে মহিলা ও শিশু উন্নয়নে ব্যয় কপর্দকও বাড়েনি, বরং প্রায় ১ শতাংশ কমেছে। একইভাবে মহিলা ও শিশু উন্নয়ন ব্যয় বাজেটের মোট ব্যয়ের ১ শতাংশের অনেক নীচে নেমেছে। মোদ্দা কথা হল, যে দেশের কেন্দ্রীয় বাজেটে মহিলা ও শিশু উন্নয়নের ব্যয় বাজেটে মোট ব্যয়ের ১ শতাংশেরও কম এবং এই ব্যয় মোদির জমানায় যেহেতু আরও কমছে, সেই দেশে রোজ রাতে খালি পেটে শুতে যাওয়া শিশুদের সংখ্যা ক্রমশ বৃদ্ধিটাই স্বাভাবিক। তাই ভারতে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে অপুষ্টিও।
বিশদ

17th  November, 2017
ডেঙ্গু: রাজনীতি ছেড়ে হাত মিলিয়ে কাজের সময়
অনিরুদ্ধ কর

অবিলম্বে একটা স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর বা নিয়মাবলী প্রকাশ করতে হবে সরকারের তরফে। সরকারি নির্দেশ মানতে বাধ্য সকল সরকারি বেসরকারি ও প্রাইভেট চিকিৎসা কেন্দ্র। অতীতের দিকে নজর দিলে দেখা যাবে বার্ড ফ্লু বা সোয়াইন ফ্লু-র সময় সরকারের তরফে এমন নিয়মাবলী প্রকাশ করা হয়েছিল। চিকিৎসাব্যবস্থায় কী কী থাকতে হবে এবং কোথায় থাকবে তাও বলে দেওয়া হয়েছিল। ফ্লু-র ওষুধ একমাত্র সরকার দিত। খোলাবাজারে মিলত না সেই ওষুধ। কারণ সেক্ষেত্রে ওষুধ নিয়ে কালোবাজারি এবং চড়া দামে ওষুধ বিক্রি হওয়ার আশঙ্কা থেকে যেত। এছাড়া একটি রাজ্যস্তরের কমিটি ছিল পর্যালোচনার জন্য।
বিশদ

17th  November, 2017
প্যারিস, পরিবেশ এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষী ভারত
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 পরিবেশ মানে হল যেখানে সেখানে থুতু না ফেলা। মন্তব্যটি আমারই এক ঘনিষ্ঠ বন্ধুর। এবং কী ভয়ঙ্কর সাবলীল স্বীকারোক্তি। যে দেশে ৩০ কোটি মানুষ এখনও দারিদ্রসীমার নীচে বসবাস করেন, যেখানে সাক্ষরতা বলতে বোঝানো হয় নিজের নাম সই করতে পারা, সেখানে সচেতনতার প্রাথমিক পাঠটা এমন একটা মন্তব্য দিয়ে শুরু করলে মন্দ কী!
বিশদ

16th  November, 2017
সার্ধশতবর্ষের শ্রদ্ধাঞ্জলি টেম্‌স থেকে গঙ্গা: ভগিনী নিবেদিতার দার্শনিক যাত্রা
জয়ন্ত কুশারী

 আয়ারল্যান্ডের স্বল্প জনবসতি শহর ডুং গানন। স্যামুয়েল রিচমন্ড নোবেল নামে এক ধর্মযাজক ও তাঁর ভক্তিমতী স্ত্রী মেরি ইসাবেল হ্যামিলটন বাস করেন এই শহরে। এঁরা সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের কাছে করজোড়ে প্রার্থনা করেন সুখপ্রসবে প্রথম সন্তানটি হলে তাঁরা ঈশ্বরের চরণেই সদ্যোজাতকে সমর্পণ করবেন।
বিশদ

16th  November, 2017
নোট বাতিল: উত্তরপ্রদেশের ভোট, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক এবং চে গুয়েভারা
শুভময় মৈত্র

নোট বাতিলের কারণ এবং ফল সংক্রান্ত আলোচনা দেখে, শুনে এবং পড়ে জনগণ এই বিষয়ে যথেষ্ট অবহিত, হয়তো বা কিছুটা ক্লান্তও বটে। বিজেপি সরকার কেন এই সিদ্ধান্ত নিলেন, এর কী কী ভুল ভ্রান্তি আছে, দেশের কী ক্ষতি হল, সাধারণ মানুষ ঠিক কতটা ভুগলেন এই নিয়ে আমরা যতটা আলোচনা করেছি সেই পরিমাণটা সময় এবং সম্পদের হিসেবে পাঁচশো আর হাজার টাকার মোট বাতিল নোটের মূল্যের থেকে বেশিও হয়ে যেতে পারে।
বিশদ

14th  November, 2017
বুকে লাল গোলাপের সেই মানুষটির কথা আজ খুব মনে পড়ছে
মোশারফ হোসেন

স্বপনদা বলত, পচার চাই। বুঝলে ভায়া, পচারটাই আসল। বাঁকুড়া মানুষ স্বপনদা র-ফলা উচ্চারণ করতে পারত না। তার মুখে ‘প্রচার’ শব্দটা ‘পচার’ হয়েই বেরত। আগ্রার ভঁপু চক্কোত্তিও একই কথা বলেছিলেন। ভঁপুবাবুর সঙ্গে আমার আলাপ হয়েছিল ১৯৯৩ সালে। এরকমই এক নভেম্বরে। উত্তরপ্রদেশের বিধানসভা ভোটের খবর করতে গিয়ে।
বিশদ

14th  November, 2017
ফাইলের ভয় দেখিয়ে মুকুল কি রাজ্য রাজনীতিতে জায়গা করতে পারবেন?
শুভা দত্ত

ভয় দেখাচ্ছেন মুকুল রায়, ফাইলের ভয়। মারাত্মক তথ্য ঠাসা গোপন সব ফাইল নাকি সদ্য গেরুয়াধারী মুকুল রায়ের হাতে! সেসব ফাইলের তথ্য প্রকাশ পেলেই নাকি ধরাশায়ী হবে তৃণমূল! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজত্ব চলে যাবে! আর সেই সুযোগে ড্যাং ড্যাং করে মুকুল রায়ের বিজেপি পশ্চিমবঙ্গের দখল নেবে। মমতা ভুলে বাংলার জনতাও মোদিজি অমিতজির বন্দনায় আত্মহারা হবে।
বিশদ

12th  November, 2017
ভারতের স্বাস্থ্য পরিষেবা ব্যবস্থাকে আরও জনকল্যাণমুখী ও সংগঠিত করা প্রয়োজন
বরুণ গান্ধী

 এবারে আমার আলোচনার বিষয়বস্তু হল, আমাদের দেশের সামগ্রিক স্বাস্থ্য পরিষেবা নিয়ে। খুব বেশিদিন নয়, মাত্র মাসদুয়েক আগের কথা। গোরখপুরের বি আর ডি হাসপাতালে ৬০ জন ছোট ছেলে-মেয়ে পাঁচ দিনের মধ্যে প্রায় বিনা চিকিৎসায় মারা গেল। এর থেকে দুঃখের ঘটনা আর কিছু হয় না। খবরে প্রকাশ, প্রতিদিন এই হাসপাতালে গড়ে ২০০/২৫০ জন এনসেফ্যালাইটিস রোগে আক্রান্ত রোগী ভরতি হচ্ছিলেন। রোগীর এহেন ভিড়ে এখানকার চিকিৎসার পরিকাঠামো একরকম ভেঙে পড়ে। বিশদ

12th  November, 2017
একনজরে
কাবুল, ১৯ নভেম্বর (এপি): আফগানিস্তানের পশ্চিমে ফারা প্রদেশে পুলিশের একাধিক চেক পোস্টে হানা দিল তালিবান জঙ্গিরা। তালিবানের হানায় মৃত্যু হয়েছে ৬ জন পুলিশকর্মীর। শনিবার বিকালের ঘটনা। প্রাদেশিক সরকারের মুখপাত্র নাসের মেহরি বলেন, জঙ্গিদের আটজনের একটি দল ওই হামলা চালিয়েছে। এই ...

বিএনএ, শিলিগুড়ি: শনিবার গভীর রাতে ভক্তিনগর থানার সেভক রোডের একটি গুদামে দুষ্কৃতী হামলায় এক নিরাপত্তা রক্ষী খুন হন। পুলিস জানিয়েছে, নিহত নিরাপত্তারক্ষীর নাম রঘুনাথ রায়(৬২)। অভিযুক্তের খোঁজে পুলিস তল্লাশি শুরু করেছে।  ...

বিএনএ, চুঁচুড়া: রবিবার শেষদিনে কার্তিক ঠাকুর দেখার জন্য সকাল থেকেই বাঁশবেড়িয়ার মণ্ডপে মণ্ডপে ভিড় জমালেন দর্শনার্থীরা। বেলা যত গড়িয়েছে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা দর্শনার্থীদের ...

সুকান্ত বেরা: সকালটা যদি হয় মহম্মদ সামির, তাহলে বিকেলের নায়ক অবশ্যই শিখর ধাওয়ান। তবুও রবিবাসরীয় ইডেনে ভারতীয় ক্রিকেটারদের সাফল্যের পাশাপাশি চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছিল দিলরুবান ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

প্রেম-প্রণয়ে নতুনত্ব থাকবে। নতুন বন্ধু লাভ, ভ্রমণ ও মানসিক প্রফুল্লতা বজায় থাকবে। কোনও কোনও ক্ষেত্রে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৫০- মহীশূরের শাসক টিপু সুলতানের জন্ম।
১৯১০- রুশ সাহিত্যিক লিও তলস্তয়ের মৃত্যু।
১৯১৭- কলকাতায় প্রতিষ্ঠা হল বোস রিসার্চ ইনস্টিটিউট।
১৯৫৫- নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ভারতের পক্ষে টেস্টে প্রথম দ্বিশতরান করলেন উমরিগড় (২২৩)।  

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৪.০০ টাকা ৬৫.৬৮ টাকা
পাউন্ড ৮৪.৩২ টাকা ৮৭.১৯ টাকা
ইউরো ৭৫.২০ টাকা ৭৭.৮৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
18th  November, 2017
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩০,১৯৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৮,৬৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৯,০৮০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪০,২০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪০,৩০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
19th  November, 2017

দিন পঞ্জিকা

৪ অগ্রহায়ণ, ২০ নভেম্বর, সোমবার, দ্বিতীয়া রাত্রি ৯/৩৬, নক্ষত্র-জ্যেষ্ঠা রাত্রি ১২/৪৮, সূ উ ৫/৫৬/২৫, অ ৪/৪৮/৪, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৭/২৩ মধ্যে পুনঃ ৮/৫০ গতে ১১/০ মধ্যে। রাত্রি ঘ ৭/২৬ গতে ১০/৬ মধ্যে পুনঃ ২/২৭ গতে ৩/১৯ মধ্যে, বারবেলা ঘ ৭/১৮ গতে ৮/৪০ মধ্যে পুনঃ ২/৫ গতে ৩/২৬ মধ্যে, কালরাত্রি ৯/৪৪ গতে ১১/২২ মধ্যে।
৩ অগ্রহায়ণ, ২০ নভেম্বর, সোমবার, দ্বিতীয়া রাত্রি ৭/৪২/২৮, জ্যেষ্ঠানক্ষত্র ১১/৫৫/৩৬, সূ উ ৫/৫৬/৫৮, অ ৪/৪৬/৫৮, অমৃতযোগ দিবা ৭/২৩/৩৮, ৮/৫০/১৮-১১/০/১৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/২৪/৫৮-১০/৫৫/১৮, ২/২৫/৩৭-৩/১৮/১৮, বারবেলা ২/৪/২৮-৩/২৬/৪৩, কালবেলা ৭/১৮/১৩-৮/৩৯/২৮, কালরাত্রি ৯/৪৩/১৩-১১/২১/৫৮। 
৩০ শফর

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আইএসএল: মুম্বই সিটি এফসিকে ২-০ গোলে হারাল বেঙ্গালুরু এফসি 

19-11-2017 - 10:01:17 PM

পিছোল ‘পদ্মাবতী’-র মুক্তির তারিখ, ১ ডিসেম্বর মুক্তি পাচ্ছে না সিনেমাটি

19-11-2017 - 04:14:46 PM

বিষ্ণুপুরের লালবাঁধ এলাকায় কিশোরীকে ধর্ষণ করে খুন, গ্রেপ্তার অভিযুক্ত

19-11-2017 - 04:10:28 PM

দুর্গাপুরে বৃদ্ধা খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার পরিচারিকা

19-11-2017 - 04:06:09 PM

উত্তর দিনাজপুরের হাসকুন্ডা এলাকায় পাওয়ার স্টেশনের জমি দখলকে ঘিরে সংঘর্ষ, জখম ২ পুলিশ কর্মী-সহ ৩ জন

19-11-2017 - 02:39:00 PM