বিশেষ নিবন্ধ
 

জিএসটি যন্ত্রণা শুরু হয়ে গেছে: অসহায় মানুষ, নির্বিকার কেন্দ্র
শুভা দত্ত

শুরু থেকেই বলা হচ্ছিল, খুব ভালো ব্যবস্থা। এক দেশ এক কর—এই ব্যবস্থা চালু হলে দেশ ও দশের উন্নয়নের গতি অনেক জোরালো হবে। ভারত দ্রুত একটা শক্তপোক্ত অর্থনৈতিক ভিতের ওপর দাঁড়াতে পারবে। এবং পণ্য ও পরিষেবা কর অর্থাৎ জিএসটি চালু করার অনেক আগে থেকেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি সমেত শাসকদলের গণ্যমান্যরা দেশের মানুষের কাছে এই বার্তাটি দিয়ে আসছিলেন। বড় বড় শিল্পপতি ব্যবসায়ীদের অনেকেই সে বার্তায় সিলমোহর দিয়েছিলেন। দেশের বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলি এমনকী অ-বিজেপি কিছু রাজ্যের শাসকও তখন জিএসটি চালুর কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের সঙ্গে সহমত প্রকাশ করেছিল। সেই সঙ্গে ছিল বিজ্ঞাপন—জিএসটি নিয়ে সাধারণ মানুষের ‘চিন্তা-বিভ্রান্তি দূর করতে’ লাগাতার বিজ্ঞাপন প্রচার।
জিএসটির সুফল প্রচারের এই বাদ্যিবাজনার আসরে একমাত্র ব্যতিক্রম ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে, মমতা জিএসটি চালুর বিরুদ্ধে ছিলেন না। ছিলেন, জিএসটি চালু নিয়ে তাড়াহুড়ো করা এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন অত্যন্ত প্রয়োজনীয় কিছু জিনিসপত্র ও কৃষি সরঞ্জামের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত কর লাগু করার বিরুদ্ধে। তাঁর বক্তব্য ছিল, জিএসটির মাধ্যমে করব্যবস্থার আমূল সংস্কারের জন্য দেশ প্রস্তুত নয়। হুড়োতাড়া করে দেশজুড়ে জিএসটি চালু করলে ছোট ও মাঝারি ব্যবসায়ী এবং প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলো অথৈ জলে পড়বে। তাতে বাজারে ওষুধপত্র থেকে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের জোগান কমে যাওয়ার সম্ভাবনাও প্রবল। আর এসবের জেরে শেষ অবধি নাজেহাল হতে হবে দেশের আমজনতাকে। সেসময় জিএসটি নিয়ে মোদিজির রাজ্য গুজরাত সমেত দেশজুড়ে ছোট ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের ক্ষোভ-বিক্ষোভ দাবি আন্দোলন মুখ্যমন্ত্রী মমতার বিচার-বিবেচনাকেই সঠিক প্রমাণ করেছিল।
আর আজ দেশের আম জনতাও হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন জিএসটির যন্ত্রণা। সেই যন্ত্রণার মধ্যেও মুখ্যমন্ত্রী মমতার দূরদর্শিতাকে কুর্নিশ জানাচ্ছেন রাজ্যবাসী। ঠিকই বলেছিলেন তিনি, তাড়াহুড়ো করে জিএসটি চালু করলে শেষ পর্যন্ত ভুগবেন সাধারণ মানুষ। বাস্তবে ঘটছেও তাই। নানা ক্ষেত্রে জিএসটি যন্ত্রণা শুরু হয়ে গেছে: অসহায় মানুষ! অথচ, নির্বিকার কেন্দ্র! আমার এক বন্ধুর কাছেই শুনলাম, জিএসটি চালুর পর থেকেই ওষুধপত্রের দোকানে একরকম হাহাকার চলছে। সামান্য একটা কাফসিরাপ থেকে গুরুত্বপূর্ণ জীবনদায়ী ওষুধ—অনেক কিছুর জোগানই কমে গেছে। কোনও কোনও ক্ষেত্রে দামও বাড়ছে! বক্তব্য একটাই—জিএসটি। কোথায় কত ট্যাক্স হবে সেটা ঠিক করতে হিমশিম খাচ্ছে প্রস্তুতকারক এবং সরবরাহকারী—ফলে জোগান কমছে। দামেও তারতম্য হচ্ছে। তারচেয়েও বড় কথা, ওষুধের দোকানে ছাড়ের পরিমাণও কমিয়ে দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। তাঁরা নাকি বলছেন, উপায় নেই। ঘুরপথে তাঁদের দেয় ট্যাক্সের পরিমাণ বেড়ে গেছে। তা সামাল দিতে ছাড় কমাতে হচ্ছে। পরিস্থিতি কবে স্বাভাবিক হবে—কেউ জানেন না।
এ তো গেল একদিক। অন্যদিকে শনিবারের খবর জিএসটির দাপটে কেরোসিনের দাম বাড়ছে। শুধু কেরোসিন কেন আরও অনেক কিছুর দামই বাড়ছে। বাজারে সবজিপাতি মাছ-মাংস মুদিখানার দাম খরচখরচাও ঊর্ধ্বমুখী। জামাকাপড়ও রেহাই পাচ্ছে না। হতেই পারে একদিন এই জিএসটি সাধারণের ঘরেও সুফল দেবে। হতেই পারে এই জিএসটি-র জন্য দেশের অর্থনীতি বিশ্বের দরবারে সুনাম কিনবে। কিন্তু, তার জন্য আজ যে গুনাগার সাধারণ মানুষকে দিতে হচ্ছে তা শোধ করবে কে? কোন জিএসটি? এর আগে আমরা তো নোট বাতিলের মহাযজ্ঞ দেখলাম। তার ক্ষত তো এখনও শুকোয়নি। সেই ক্ষতের যন্ত্রণা প্রথম থেকে আজ অবধি কাকে বইতে হল—সেই সাধারণ মানুষজনকে! মা-মাটি-মানুষের নেত্রী মমতা কি সাধে অমন প্রবল প্রতিবাদে নেমেছিলেন তখন? কলকাতা থেকে দিল্লি ঝড় তুলে দিয়েছিলেন! তিনি তো তাঁর দূরদর্শিতায় বুঝেছিলেন—নোট বাতিলের ঘোষিত উদ্দেশ্য (কালাধন জালিনোটের কারবার বন্ধ) সফল হওয়ার সম্ভাবনা কম। কিন্তু, মানুষের হয়রানির আশঙ্কা প্রবল। আজ সেটাও প্রমাণ হয়েছে। মাসের পর মাস নোট বাতিলের জ্বালায় মানুষ ভুগলেন অথচ আজ পর্যন্ত মোদিজির সরকার খোলসা করে জানাতে পারল না তাতে ঠিক কতটা উপকার হল দেশের, কত কালাধন সরকারের কোষাগারে জমা পড়ল, কত নকল নোটের কারবারি ধরা পড়ল। উলটে মাঝে মধ্যেই শোনা যাচ্ছে, জাল ঠেকাতে যে দু’হাজারি নোট সরকার বাজারে ছেড়েছে তা ইতিমধ্যেই জাল হয়েছে এবং তেমন বহু নোট ধরাও পড়েছে!
তাহলে দাঁড়ালটা কী? নোটবন্দি উদ্যোগটাকে আমরা কি সফল বলতে পারব? বলব কীসের ভিত্তিতে? তেমন কোনও পরিসংখ্যান তো মোদি সরকার আম পাবলিকের সামনে আনেননি। এবার জিএসটি। জিএসটি অর্থাৎ সারা দেশে এক করব্যবস্থা খারাপ আমরা একথা কখনও বলছি না। মুখ্যমন্ত্রীও বলেননি। কিন্তু, আজ বাজারের হাল হকিকত দেখে কি সেই মুখ্যমন্ত্রী মমতার আশঙ্কাটাকেই সত্যি বলে মনে হচ্ছে না? জিএসটি নিয়ে বিভ্রান্তি এখনও বহাল, তার ওপর এই নয়া কর ব্যবস্থায় মানিয়ে নিতে না পারায় ওষুধপত্র থেকে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের জোগান কম, দামও এদিকওদিক হচ্ছে—সব মিলিয়ে ভোগান্তির মুখে তো সেই সাধারণ মানুষ! এসব নিয়ে কেন্দ্র কতটা খোঁজ-খবর রাখছেন, ভ্রান্তিবিভ্রান্তি দূর করার চেষ্টা করছেন তাও আমাদের জানা নেই। অন্তত আমাদের রাজ্যে এখনও তার খবর তেমনভাবে দেখা যাচ্ছে কি? একদিকে সাধারণ গরিব মধ্যবিত্তের কষ্টের রোজগার থেকে জমানো টাকায় সুদ কমেই চলেছে, আধার কার্ড নিয়ে নিত্যনতুন ফরমান জারি হচ্ছে, বাজারে জিনিসপত্রের দাম থেকে ট্রেনভাড়া বিমা খরচ সব বেড়েই চলেছে অন্যদিকে জিএসটি-র চক্করে ওষুধ সমেত অনেক কিছুরই আকাল, টানাটানি বাড়ছে—কী করবেন সাধারণ মানুষজন! এমন পরিস্থিতিতে মোদিজির সরকারের তো সবকিছু খোলসা করে বুঝিয়ে বলা দরকার, কিন্তু, তা হচ্ছেটা কই!
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কিন্তু প্রথম থেকে এই জায়গাটা নিয়েই বিচলিত ছিলেন। তিনি নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছিলেন—তড়িঘড়ি জিএসটি চালু করলে ছোট ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের অসুবিধে হবেই, তবে তার চেয়েও বেশি অসুবিধে হবে সাধারণ মানুষজনের। কারণ, জিএসটি মানে পণ্য ও পরিষেবা কর সম্বন্ধে তেমন কোনও ধারণা তাঁদের ছিল না, এখনও যে খুব আছে হলফ করে বলা মুশকিল। বড় বড় বিজ্ঞাপন দিয়ে এই সমস্যা মেটে না। এই কর সংস্কারের ভালোমন্দ তার প্রক্রিয়া-প্রকরণ সব একটু সময় নিয়ে আম জনতাকে বুঝিয়ে-সুঝিয়ে জিএসটি চালু করলে অনেক কম সময়ে অনেক ভালো ফল মিলত। কিন্তু, মুখ্যমন্ত্রী মমতার কথা কেন্দ্র মানবে কেন? তারা তো স্বচ্ছ ভারত গড়ার কারিগর। স্বচ্ছ ভারত গড়তে সংস্কার চাই। কর কাঠামো সংস্কারের এক অন্যতম অধ্যায় জিএসটি। অতএব লাগু করে দাও। পাবলিক ঠিক সামলে নেবে। অত বড় নোটকাণ্ড যদি ভারতের আম পাবলিক সামলে নিতে পারে তবে জিএসটি পারবে না? সুতরাং, মুখ্যমন্ত্রী মমতার প্রতিবাদ, ছোট ও মাঝারি ব্যবসায়ী সরবরাহকারীর আন্দোলন আম পাবলিকের বিভ্রান্তি সবকিছু উপেক্ষা করে লাগু হয়ে গেল জিএসটি। আর লাগু হওয়ার পর থেকেই তার যন্ত্রণা ছড়াতে লাগল জনমহলে। তাতে কী? একটা নজিরবিহীন ঘটনা তো ভারতের করব্যবস্থায় ঘটিয়ে ছাড়লেন মোদিজি! এমন এক মহা উদ্যোগের সামনে সাধারণ মানুষের জ্বালা-যন্ত্রণা পাত্তা পাবে কেন!
এই যে দার্জিলিং নিয়ে চলছে। কী হচ্ছে সেখানে? মারামারি আগুন ভাঙচুর সরকারি সম্পত্তি নথি নষ্ট করা—মানেটা কী? এসব করে বাংলা ভাগ করা যাবে, গোর্খাল্যান্ড মিলবে? অত সোজা! আর এসবে ক্ষতি হচ্ছে কার? বিমল গুরুং বা তাঁর সঙ্গীদের নয় নিশ্চয়ই। ক্ষতি হচ্ছে সেই সরল সাদাসিধে খেটে খাওয়া পাহাড়ি মানুষজনের। আন্দোলনের ঠেলায় তাঁদের রুটিরুজি বন্ধ হবার জোগাড় হয়েছে। চা বাগানগুলোর দশা এমনিই রুগ্‌ণ। আন্দোলনের ঝাপটে সেসব বাগানের উৎপাদন আরও কমে গেছে। রাজ্যে দার্জিলিং চায়ের জোগান কমেছে, দামও বাড়ছে। তাতেও চাপ পড়ছে চা-প্রিয় সাধারণ বাঙালির ওপরই। শুধু কি তাই? দার্জিলিং পর্যটনেরও তো দফারফা। বাংলার পর্যটন শিল্পের অন্যতম স্পটটাকে এভাবে পঙ্গু করে দেওয়া কি ন্যায়সংগত হচ্ছে? পাহাড়বাসী মানুষের জীবনমান উন্নয়নের জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা এর মধ্যেই কতকিছুই না করেছেন। সেসবও তো নাকি নষ্ট করতে লেগেছে গুরুং বাহিনী। এমন ধ্বংসাত্মক বিচ্ছিন্নতাবাদ চলছে দার্জিলিং পাহাড়ে আর কেন্দ্রীয় শাসকদলের কে একজন বলছেন—দার্জিলিং বাংলার কাশ্মীর হবে! বোঝাই যাচ্ছে কার কী উদ্দেশ্য। মানুষের কথা কে কতটা ভাবেন। দার্জিলিঙের মতো প্রাঞ্জল বিষয়ে এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য যাঁরা করতে পারেন তাঁরা জিএসটি যন্ত্রণার প্রায় অদৃশ্য অথচ অনিবার্য জ্বালা রোধে কতটা কী করবেন তা নিয়ে সংশয় জাগে বইকি।
16th  July, 2017
মানুষই এবার দাঙ্গা রুখেছে
পার্থজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

 ওদের আমি চিনতাম। অমিত আর ফারুক। একই স্কুলে একই ক্লাসে পড়ত। সেকসনও এক। ফলে সারাক্ষণ স্কুলের বেঞ্চে কাছাকাছি, পাশাপাশি। দু’জনে খুব ভাবসাব, বন্ধুত্ব। ফারুক ইদে নেমন্তন্ন করেছিল অমিতকে। অমিত গিয়েওছিল। ফারুকদের বাড়িতে গিয়ে হয় এক অন্যরকম অভিজ্ঞতা।
বিশদ

দলিত, কৃষক ক্ষোভ এত বাড়ছে কেন?
সমৃদ্ধ দত্ত

 একটা বাড়ি করার পর খুব স্বাভাবিকভাবেই মনে ইচ্ছা থাকে সেই বাড়ির গেটের পাশে অথবা বোগেনভিলিয়া ঢাকা আর্চ প্যাটার্নের বারান্দার উপরের দেওয়ালে লেখা হবে একটা নাম। নিজের বাড়ির নাম।
বিশদ

 সব বিরোধ মেটাতেই চান নরেন্দ্র মোদি, তবে মোটেই চীনের আগ্রাসন মেনে নয়
গৌরীশঙ্কর নাগ

 অমরনাথের সাম্প্রতিক হামলার যে বিভীষিকা, তার আগে থেকেই ভুটানের ডোকলা মালভূমি ও ভারতের সিকিম সীমান্তে চীনা-ড্রাগনের শ্যেনদৃষ্টিকে কেন্দ্র করে ভারত-চীন সামরিক দামামা নতুন করে দক্ষিণ এশিয়ার আবহাওয়াকে উত্তপ্ত করে তুলেছে। বিশদ

20th  July, 2017
সেচ ও জলপথ দপ্তরের কাজে বামেদের কার্যত দশ গোল দিয়েছে মমতার সরকার
দেবনারায়ণ সরকার

উচ্চতর সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন বলতে বোঝায় ব্যারেজ, চেক ড্যাম পদ্ধতি থেকে শুরু করে নদীপাড় ও নদীবাঁধ নির্মাণ ইত্যাদি পদ্ধতিতে অতিরিক্ত সেচের জমি চাষের আওতায় আনা। পশ্চিমবঙ্গে সেচ ও জলপথ দপ্তরের অধীনেই রাজ্যে উচ্চতর সেচ ব্যবস্থার উন্নয়নের সামগ্রিক কর্মসূচি বাস্তবায়িত হয়ে থাকে।
বিশদ

20th  July, 2017
২১ জুলাই: গণতন্ত্র ফেরানোর মস্ত সুযোগ
হারাধন চৌধুরী

 রাজ্যে গণতন্ত্র ফেরানোর প্রশ্নে তৃণমূল ও তার প্রশাসন কতটা আন্তরিক ১৩ আগস্ট‌ই হতে পারে তার প্রথম পরীক্ষা। এই ভোটপর্বটিকে হালকাভাবে দেখার সুযোগ নেই। ওইদিন যে রেকর্ড সৃষ্টি হবে সেটাই কিন্তু বাজবে রাজ্যজুড়ে পরবর্তী পঞ্চায়েত ভোটে। এই অনুমান অসংগত নয় যে, গত সাত বছরে বিভিন্ন দফায় নানা কৌশলে বাংলায় কংগ্রেস, কমিউনিস্ট প্রভৃতিকে অপ্রাসঙ্গিক করে ফেলার কারণেই বিজেপি ও তাদের দোসরদের অভাবনীয় উত্থান ঘটেছে। এখন সেই ম্যাও সামলানো দুষ্কর হয়ে পড়েছে। এবার সম্মানের সঙ্গে ঘুরে দাঁড়ানোর মঞ্চ হয়ে উঠুক একুশে জুলাই। এ স্বার্থ শুধু তৃণমূলের নয়—সব দলের, সার্বিকভাবে সারা বাংলার ও গণতন্ত্রের।
বিশদ

18th  July, 2017
মোদির দৃঢ় সংকল্পের অঙ্গীকার জিএসটি
অনিল বালুনি

  ইতিহাসের সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে সেদিন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভাষণে আমরা পেয়েছিলাম এক অপরিমেয় উদ্যম। মধ্যরাতের সেই ঐতিহাসিক ভাষণে প্রধানমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছিলেন, জিএসটি চালু করা ছাড়া অন্য কোনও পথ ছিল না।
বিশদ

18th  July, 2017
রিঙ্কু, রিঙ্কুর মা এবং বাবুবিবি বৃত্তান্ত
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়

 রাজধানীর আশপাশে চলে আসা সব বাংলাদেশিই যে বাঙালি তাতে সন্দেহ নেই। কিন্তু সব বাঙালিই বাংলাদেশি নন। পশ্চিবঙ্গের সীমান্তবর্তী নদীয়া, দুই চব্বিশ পরগনা, মালদহ ও মুর্শিদাবাদ এবং ঝাড়খণ্ড থেকে প্রতিদিন কিছু না কিছু দরিদ্র কিশোরী ও যুবতী আড়কাঠির হাত ধরে দিল্লি আসছে। এদের কেউ কেউ পরিচারিকা হয়ে ভালোমন্দ অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে দিন কাটাচ্ছে, কারও কারও জীবন হয়ে উঠেছে দুর্বিষহ।
বিশদ

16th  July, 2017
তখনও আমি ‘হিন্দু’ হইনি, দাদু সানদ্দি কিংবা বন্ধু আনিসুরও ‘মুসলমান’ নয়
শংকরদেব গোস্বামী

 আমার শৈশব কেটেছে আমার দাদু সানদ্দি মিঞার কোলে পিঠে। ভাবছেন, আমি গোঁসাই, তো আমার দাদু মিঞা হন কেমন করে? তখনও (১৯৪২-৪৭) হত। দাদুর পরিচয় জানতে চাইলে এখনকার ছেলে হলে হয়তো বলতাম—হাউস কিপার বা বেবি-সিটার বা ওইরকম কিছু। বিশদ

15th  July, 2017
জিএসটি: নয়া ব্যবস্থায় ধৈর্যের অভাবই প্রকট
নিমাই দে

 কয়েকদিন আগে একটি সংবাদপত্রে জিএসটি সংক্রান্ত লেখায় এক ব্যবসায়ীর ইন্টারভিউ পড়ছিলাম। ওই ব্যক্তি লোহা উৎপাদন সংক্রান্ত ব্যাবসা করেন। নতুন করে প্ল্যাস্টিকের পণ্য রিসাইক্লিং এবং ট্রেডিং ব্যাবসায় নেমেছেন। তিনি কী বলছেন, শোনা যাক। তাঁর কথায়, আমাকে আর এক্সাইজ রিটার্ন, ভ্যাট রিটার্ন বা সার্ভিস ট্যাক্স আলাদা করে প্রতি মাসে জমা দিতে হয় না।
বিশদ

14th  July, 2017



একনজরে
 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: অভিযুক্ত চিটফান্ড কর্তাদের বিরুদ্ধে ‘গ্রেপ্তারি পরওয়ানা’ কার্যকর না করায় তিন থানার ওসি’র বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করল আদালত। বৃহস্পতিবার ব্যাঙ্কশালের পঞ্চম ‘বিশেষ’ আদালতের বিচারক দেবব্রত সিনহা ওই তিন থানার ওসিকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিয়েছেন। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বিদ্যুৎমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নামে যাদবপুর থানায় অভিযোগ জানিয়েছিলেন বিজেপি নেত্রী রূপা গঙ্গোপাধ্যায়। এর প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার তাঁর কুশপুতুল পোড়াল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশন। ...

বিএনএ, মেদিনীপুর: পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পরিষদ নতুন করে গঠনের পর বুধবার প্রথম রিভিউ মিটিং হল। সেই মিটিংয়ে জেলা পরিষদের সমস্ত নির্বাচিত সদস্যকে ডাকা হলেও বিরোধী দলের দুই সদস্যকে ডাকা হয়নি বলে অভিযোগ। বৃহস্পতিবার বৈঠকের কথা জানার পর তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আগামী ১ থেকে ৪ আগস্ট কলকাতায় শুরু হতে চলেছে ১৭ তম আন্তর্জাতিক শিশু চলচ্চিত্র উৎসব। বৃহস্পতিবার নন্দনে এই উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মপ্রার্থীদের ক্ষেত্রে শুভ। যোগাযোগ রক্ষা করে চললে কর্মলাভের সম্ভাবনা। ব্যাবসা শুরু করলে ভালোই হবে। উচ্চতর ... বিশদ



ইতিহাসে আজকের দিন

• ১৯৩০ – গীতিকার আনন্দ বক্সির জন্ম
• ১৯৩৪ – ক্রিকেটার চাঁদু বোরদের জন্ম
• ১৯৯৩- কলকাতার রাজপথে আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে ১৩ জন যুব কংগ্রেস কর্মীর মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৫০ টাকা ৬৫.১৮ টাকা
পাউন্ড ৮২.৩৯ টাকা ৮৫.২২ টাকা
ইউরো ৭২.৮৭ টাকা ৭৫.৪৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৮,৬৮৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৭,২১৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৭,৬২৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৭,৯০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,০০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৫ শ্রাবণ, ২১ জুলাই, শুক্রবার, ত্রয়োদশী রাত্রি ৯/৫০, মৃগশিরানক্ষত্র দিবা ২/৫৩, সূ উ ৫/৭/৭, অ ৬/১৮/৪৭, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫২ পুনঃ ৭/৪৫-১০/২৪ পুনঃ ১/২-২/৪৮ পুনঃ ৪/৩৩-অস্তাবধি, বারবেলা ৮/২৫-১১/৪৩, কালরাত্রি ৯/১-১০/২২।
৪ শ্রাবণ, ২১ জুলাই, শুক্রবার, ত্রয়োদশী রাত্রি ৮/২৯/৫০, মৃগশিরানক্ষত্র ২/৯/৫০, সূ উ ৫/৪/১৪, অ ৬/২০/২১, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫০/২৩, ৭/৪৩/২৭-১০/২২/৪১, ১/১৫৪-২/৪৮/৩, ৪/৩৪/১২-৬/২০/২১ রাত্রি ৭/৪৬/১২-৯/১২/৩, ২/৫৫/২৭-৩/৩৮/২৩ , বারবেলা ৮/২৩/১৬-১০/২/৪৭, কালবেলা ১০/২/৪৭-১১/৪২/১৮, কালরাত্রি ৯/১/১৯-১০/২১/৪৮।
২৬ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
 আমি কংগ্রেস ছাড়লেও বিজেপি দলে যোগ দেব না: শঙ্কর সিং বাঘেলা

03:42:46 PM

 হাওড়ায় বন্ধ লঞ্চ চলাচল

 প্রবল ভিড়ের চাপ সামলাতে না পেরে হাওড়ায় বন্ধ লঞ্চ চলাচল

03:20:08 PM

পুরুলিয়ায় ৪ বছরের শিশুকে আছাড় মেরে খুনের অভিযোগ বাবার বিরুদ্ধে 
পুরুলিয়ার আদ্রায় চার বছরের শিশুকে আছাড় মেরে খুনের অভিযোগ উঠল বাবার বিরুদ্ধে। এদিন সকালে ঘটনাটি ঘটে আদ্রার বহর গ্রামে। মৃত সঞ্জয় শেখের বাবা পলাতক। 

03:12:35 PM

  কোচবিহারের দিনহাটায় রাস্তা সারাইয়ের দাবিতে পথ অবরোধ
কোচবিহারের দিনহাটা বত্রিগাছ রাস্তা সংস্কারের দাবিতে দিনহাটা ঝুড়ি পাড়া এলাকায় রাস্তা কেটে এবং নেতাজি ব্রিজে গাছ ফেলে সকাল থেকে পথ অবরোধ করে রেখেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

03:12:00 PM

  ঘাটালে ধর্মতলাগামী তৃণমূল কর্মী সমর্থক বোঝাই বাস আটকে দুর্ভোগ
ঘাটালে একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার ওপর আড়াআড়ি ভাবে আটকে যায়। বাসটিতে তৃণমূলের ধর্মতলায় শহিদ স্মরণে অনুষ্ঠানে যোগদান করার জন্য যাত্রীরা ছিলেন। ঘাটাল-রানিচক রাস্তার ওপর বাসটি আড়াআড়ি ভাবে আটক থাকার ফলে এদিন সকাল থেকে ওই রুটে গাড়ি চলাচল বন্ধ ছিল। ফলে বহু মানুষ দুর্ভোগে পড়েন। বেলা ১টার সময় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

03:09:00 PM

বক্তব্য শেষ করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় 

02:49:53 PM