বিশেষ নিবন্ধ
 

জিএসটি যন্ত্রণা শুরু হয়ে গেছে: অসহায় মানুষ, নির্বিকার কেন্দ্র
শুভা দত্ত

শুরু থেকেই বলা হচ্ছিল, খুব ভালো ব্যবস্থা। এক দেশ এক কর—এই ব্যবস্থা চালু হলে দেশ ও দশের উন্নয়নের গতি অনেক জোরালো হবে। ভারত দ্রুত একটা শক্তপোক্ত অর্থনৈতিক ভিতের ওপর দাঁড়াতে পারবে। এবং পণ্য ও পরিষেবা কর অর্থাৎ জিএসটি চালু করার অনেক আগে থেকেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি সমেত শাসকদলের গণ্যমান্যরা দেশের মানুষের কাছে এই বার্তাটি দিয়ে আসছিলেন। বড় বড় শিল্পপতি ব্যবসায়ীদের অনেকেই সে বার্তায় সিলমোহর দিয়েছিলেন। দেশের বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলি এমনকী অ-বিজেপি কিছু রাজ্যের শাসকও তখন জিএসটি চালুর কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের সঙ্গে সহমত প্রকাশ করেছিল। সেই সঙ্গে ছিল বিজ্ঞাপন—জিএসটি নিয়ে সাধারণ মানুষের ‘চিন্তা-বিভ্রান্তি দূর করতে’ লাগাতার বিজ্ঞাপন প্রচার।
জিএসটির সুফল প্রচারের এই বাদ্যিবাজনার আসরে একমাত্র ব্যতিক্রম ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে, মমতা জিএসটি চালুর বিরুদ্ধে ছিলেন না। ছিলেন, জিএসটি চালু নিয়ে তাড়াহুড়ো করা এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন অত্যন্ত প্রয়োজনীয় কিছু জিনিসপত্র ও কৃষি সরঞ্জামের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত কর লাগু করার বিরুদ্ধে। তাঁর বক্তব্য ছিল, জিএসটির মাধ্যমে করব্যবস্থার আমূল সংস্কারের জন্য দেশ প্রস্তুত নয়। হুড়োতাড়া করে দেশজুড়ে জিএসটি চালু করলে ছোট ও মাঝারি ব্যবসায়ী এবং প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলো অথৈ জলে পড়বে। তাতে বাজারে ওষুধপত্র থেকে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের জোগান কমে যাওয়ার সম্ভাবনাও প্রবল। আর এসবের জেরে শেষ অবধি নাজেহাল হতে হবে দেশের আমজনতাকে। সেসময় জিএসটি নিয়ে মোদিজির রাজ্য গুজরাত সমেত দেশজুড়ে ছোট ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের ক্ষোভ-বিক্ষোভ দাবি আন্দোলন মুখ্যমন্ত্রী মমতার বিচার-বিবেচনাকেই সঠিক প্রমাণ করেছিল।
আর আজ দেশের আম জনতাও হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন জিএসটির যন্ত্রণা। সেই যন্ত্রণার মধ্যেও মুখ্যমন্ত্রী মমতার দূরদর্শিতাকে কুর্নিশ জানাচ্ছেন রাজ্যবাসী। ঠিকই বলেছিলেন তিনি, তাড়াহুড়ো করে জিএসটি চালু করলে শেষ পর্যন্ত ভুগবেন সাধারণ মানুষ। বাস্তবে ঘটছেও তাই। নানা ক্ষেত্রে জিএসটি যন্ত্রণা শুরু হয়ে গেছে: অসহায় মানুষ! অথচ, নির্বিকার কেন্দ্র! আমার এক বন্ধুর কাছেই শুনলাম, জিএসটি চালুর পর থেকেই ওষুধপত্রের দোকানে একরকম হাহাকার চলছে। সামান্য একটা কাফসিরাপ থেকে গুরুত্বপূর্ণ জীবনদায়ী ওষুধ—অনেক কিছুর জোগানই কমে গেছে। কোনও কোনও ক্ষেত্রে দামও বাড়ছে! বক্তব্য একটাই—জিএসটি। কোথায় কত ট্যাক্স হবে সেটা ঠিক করতে হিমশিম খাচ্ছে প্রস্তুতকারক এবং সরবরাহকারী—ফলে জোগান কমছে। দামেও তারতম্য হচ্ছে। তারচেয়েও বড় কথা, ওষুধের দোকানে ছাড়ের পরিমাণও কমিয়ে দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। তাঁরা নাকি বলছেন, উপায় নেই। ঘুরপথে তাঁদের দেয় ট্যাক্সের পরিমাণ বেড়ে গেছে। তা সামাল দিতে ছাড় কমাতে হচ্ছে। পরিস্থিতি কবে স্বাভাবিক হবে—কেউ জানেন না।
এ তো গেল একদিক। অন্যদিকে শনিবারের খবর জিএসটির দাপটে কেরোসিনের দাম বাড়ছে। শুধু কেরোসিন কেন আরও অনেক কিছুর দামই বাড়ছে। বাজারে সবজিপাতি মাছ-মাংস মুদিখানার দাম খরচখরচাও ঊর্ধ্বমুখী। জামাকাপড়ও রেহাই পাচ্ছে না। হতেই পারে একদিন এই জিএসটি সাধারণের ঘরেও সুফল দেবে। হতেই পারে এই জিএসটি-র জন্য দেশের অর্থনীতি বিশ্বের দরবারে সুনাম কিনবে। কিন্তু, তার জন্য আজ যে গুনাগার সাধারণ মানুষকে দিতে হচ্ছে তা শোধ করবে কে? কোন জিএসটি? এর আগে আমরা তো নোট বাতিলের মহাযজ্ঞ দেখলাম। তার ক্ষত তো এখনও শুকোয়নি। সেই ক্ষতের যন্ত্রণা প্রথম থেকে আজ অবধি কাকে বইতে হল—সেই সাধারণ মানুষজনকে! মা-মাটি-মানুষের নেত্রী মমতা কি সাধে অমন প্রবল প্রতিবাদে নেমেছিলেন তখন? কলকাতা থেকে দিল্লি ঝড় তুলে দিয়েছিলেন! তিনি তো তাঁর দূরদর্শিতায় বুঝেছিলেন—নোট বাতিলের ঘোষিত উদ্দেশ্য (কালাধন জালিনোটের কারবার বন্ধ) সফল হওয়ার সম্ভাবনা কম। কিন্তু, মানুষের হয়রানির আশঙ্কা প্রবল। আজ সেটাও প্রমাণ হয়েছে। মাসের পর মাস নোট বাতিলের জ্বালায় মানুষ ভুগলেন অথচ আজ পর্যন্ত মোদিজির সরকার খোলসা করে জানাতে পারল না তাতে ঠিক কতটা উপকার হল দেশের, কত কালাধন সরকারের কোষাগারে জমা পড়ল, কত নকল নোটের কারবারি ধরা পড়ল। উলটে মাঝে মধ্যেই শোনা যাচ্ছে, জাল ঠেকাতে যে দু’হাজারি নোট সরকার বাজারে ছেড়েছে তা ইতিমধ্যেই জাল হয়েছে এবং তেমন বহু নোট ধরাও পড়েছে!
তাহলে দাঁড়ালটা কী? নোটবন্দি উদ্যোগটাকে আমরা কি সফল বলতে পারব? বলব কীসের ভিত্তিতে? তেমন কোনও পরিসংখ্যান তো মোদি সরকার আম পাবলিকের সামনে আনেননি। এবার জিএসটি। জিএসটি অর্থাৎ সারা দেশে এক করব্যবস্থা খারাপ আমরা একথা কখনও বলছি না। মুখ্যমন্ত্রীও বলেননি। কিন্তু, আজ বাজারের হাল হকিকত দেখে কি সেই মুখ্যমন্ত্রী মমতার আশঙ্কাটাকেই সত্যি বলে মনে হচ্ছে না? জিএসটি নিয়ে বিভ্রান্তি এখনও বহাল, তার ওপর এই নয়া কর ব্যবস্থায় মানিয়ে নিতে না পারায় ওষুধপত্র থেকে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের জোগান কম, দামও এদিকওদিক হচ্ছে—সব মিলিয়ে ভোগান্তির মুখে তো সেই সাধারণ মানুষ! এসব নিয়ে কেন্দ্র কতটা খোঁজ-খবর রাখছেন, ভ্রান্তিবিভ্রান্তি দূর করার চেষ্টা করছেন তাও আমাদের জানা নেই। অন্তত আমাদের রাজ্যে এখনও তার খবর তেমনভাবে দেখা যাচ্ছে কি? একদিকে সাধারণ গরিব মধ্যবিত্তের কষ্টের রোজগার থেকে জমানো টাকায় সুদ কমেই চলেছে, আধার কার্ড নিয়ে নিত্যনতুন ফরমান জারি হচ্ছে, বাজারে জিনিসপত্রের দাম থেকে ট্রেনভাড়া বিমা খরচ সব বেড়েই চলেছে অন্যদিকে জিএসটি-র চক্করে ওষুধ সমেত অনেক কিছুরই আকাল, টানাটানি বাড়ছে—কী করবেন সাধারণ মানুষজন! এমন পরিস্থিতিতে মোদিজির সরকারের তো সবকিছু খোলসা করে বুঝিয়ে বলা দরকার, কিন্তু, তা হচ্ছেটা কই!
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কিন্তু প্রথম থেকে এই জায়গাটা নিয়েই বিচলিত ছিলেন। তিনি নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছিলেন—তড়িঘড়ি জিএসটি চালু করলে ছোট ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের অসুবিধে হবেই, তবে তার চেয়েও বেশি অসুবিধে হবে সাধারণ মানুষজনের। কারণ, জিএসটি মানে পণ্য ও পরিষেবা কর সম্বন্ধে তেমন কোনও ধারণা তাঁদের ছিল না, এখনও যে খুব আছে হলফ করে বলা মুশকিল। বড় বড় বিজ্ঞাপন দিয়ে এই সমস্যা মেটে না। এই কর সংস্কারের ভালোমন্দ তার প্রক্রিয়া-প্রকরণ সব একটু সময় নিয়ে আম জনতাকে বুঝিয়ে-সুঝিয়ে জিএসটি চালু করলে অনেক কম সময়ে অনেক ভালো ফল মিলত। কিন্তু, মুখ্যমন্ত্রী মমতার কথা কেন্দ্র মানবে কেন? তারা তো স্বচ্ছ ভারত গড়ার কারিগর। স্বচ্ছ ভারত গড়তে সংস্কার চাই। কর কাঠামো সংস্কারের এক অন্যতম অধ্যায় জিএসটি। অতএব লাগু করে দাও। পাবলিক ঠিক সামলে নেবে। অত বড় নোটকাণ্ড যদি ভারতের আম পাবলিক সামলে নিতে পারে তবে জিএসটি পারবে না? সুতরাং, মুখ্যমন্ত্রী মমতার প্রতিবাদ, ছোট ও মাঝারি ব্যবসায়ী সরবরাহকারীর আন্দোলন আম পাবলিকের বিভ্রান্তি সবকিছু উপেক্ষা করে লাগু হয়ে গেল জিএসটি। আর লাগু হওয়ার পর থেকেই তার যন্ত্রণা ছড়াতে লাগল জনমহলে। তাতে কী? একটা নজিরবিহীন ঘটনা তো ভারতের করব্যবস্থায় ঘটিয়ে ছাড়লেন মোদিজি! এমন এক মহা উদ্যোগের সামনে সাধারণ মানুষের জ্বালা-যন্ত্রণা পাত্তা পাবে কেন!
এই যে দার্জিলিং নিয়ে চলছে। কী হচ্ছে সেখানে? মারামারি আগুন ভাঙচুর সরকারি সম্পত্তি নথি নষ্ট করা—মানেটা কী? এসব করে বাংলা ভাগ করা যাবে, গোর্খাল্যান্ড মিলবে? অত সোজা! আর এসবে ক্ষতি হচ্ছে কার? বিমল গুরুং বা তাঁর সঙ্গীদের নয় নিশ্চয়ই। ক্ষতি হচ্ছে সেই সরল সাদাসিধে খেটে খাওয়া পাহাড়ি মানুষজনের। আন্দোলনের ঠেলায় তাঁদের রুটিরুজি বন্ধ হবার জোগাড় হয়েছে। চা বাগানগুলোর দশা এমনিই রুগ্‌ণ। আন্দোলনের ঝাপটে সেসব বাগানের উৎপাদন আরও কমে গেছে। রাজ্যে দার্জিলিং চায়ের জোগান কমেছে, দামও বাড়ছে। তাতেও চাপ পড়ছে চা-প্রিয় সাধারণ বাঙালির ওপরই। শুধু কি তাই? দার্জিলিং পর্যটনেরও তো দফারফা। বাংলার পর্যটন শিল্পের অন্যতম স্পটটাকে এভাবে পঙ্গু করে দেওয়া কি ন্যায়সংগত হচ্ছে? পাহাড়বাসী মানুষের জীবনমান উন্নয়নের জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা এর মধ্যেই কতকিছুই না করেছেন। সেসবও তো নাকি নষ্ট করতে লেগেছে গুরুং বাহিনী। এমন ধ্বংসাত্মক বিচ্ছিন্নতাবাদ চলছে দার্জিলিং পাহাড়ে আর কেন্দ্রীয় শাসকদলের কে একজন বলছেন—দার্জিলিং বাংলার কাশ্মীর হবে! বোঝাই যাচ্ছে কার কী উদ্দেশ্য। মানুষের কথা কে কতটা ভাবেন। দার্জিলিঙের মতো প্রাঞ্জল বিষয়ে এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য যাঁরা করতে পারেন তাঁরা জিএসটি যন্ত্রণার প্রায় অদৃশ্য অথচ অনিবার্য জ্বালা রোধে কতটা কী করবেন তা নিয়ে সংশয় জাগে বইকি।
16th  July, 2017
 কেন্দ্রের দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণেই মেডিকেল ভরতিতে রাজ্যের ছাত্রছাত্রীরা বঞ্চনার শিকার
গৌতম পাল

 নিট পরীক্ষার দায়িত্ব সিবিএসই-কে দিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার ক্ষমতাকে কেন্দ্রীভূত করেছে। নিট পরীক্ষায় যাঁরা বিষয় বিশেষজ্ঞ হিসাবে সাহায্য করেছেন তাঁরা অধিকাংশই দিল্লির কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, এবং বেশিরভাগই কেন্দ্রীয় সরকার পরিচালনাকারী একটি বড় রাজনৈতিক দলের সদস্য বা কাছের মানুষ। অথচ পশ্চিমবাংলার বা অন্যান্য রাজ্যের খ্যাতনামা যে সকল অধ্যাপক অত্যন্ত দক্ষতা এবং স্বচ্ছতার সঙ্গে রাজ্যের প্রবেশিকা পরীক্ষায় এ যাবৎ সাহায্য করে এসেছেন, সিবিএসই কিন্তু তাঁদেরকে নিটের সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করেনি, বা এই সম্পর্কে রাজ্যের কোনও মতামতও নেয়নি। অনেকেই বলছেন রাজ্যের পাঠ্যক্রম সংশোধন করে নিটের সমমানের করলেই রাজ্যের ছেলে-মেয়েরা নিটে ভালো র‌্যাংক করবে।
বিশদ

স্বাধীনতার ৭০ বছর, নেতাতন্ত্র বনাম গণতন্ত্র?
হিমাংশু সিংহ

বিয়াল্লিশের ভারত ছাড়ো আন্দোলন আমি দেখিনি। ৪৭-এর ঐতিহাসিক স্বাধীনতা লাভের মুহূর্তে মধ্যরাতের জওহরলাল নেহরুর সেই ঐতিহাসিক ভাষণ চাক্ষুষ করার সুযোগও হয়নি। হওয়ার কথাও নয়, কারণ ওই ঘটনার প্রায় দু’দশক পর আমার জন্ম। সেদিনের কথা বইয়ে, ইতিহাসের পাতায় পড়েছি মাত্র।
বিশদ

15th  August, 2017
গভীর রাতের নাটক শেষে স্যালুট
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়

জেতা ম্যাচ কী করে হারতে হয়, এই নির্বাচন তার একটা বড় উদাহরণ হয়ে থাকবে। হারতে হারতে জিতে গিয়েছেন আহমেদ প্যাটেল। এই দুর্দিনে তাঁর জয় কংগ্রেসের মরা গাঙে বান হয়তো ডেকে আনবে না, তবে মনোবল সামান্য হলেও বাড়াবে। সোনিয়া গান্ধীর দলের এই দুর্দিনে এটাই বা কম কী? তবে আহমেদ প্যাটেল নন, অমিত শাহও নন, শেষ বিচারে আসল জয়ী নির্বাচন কমিশন। ভারতীয় গণতন্ত্রের সৌন্দর্য এটাই। ওই গভীর রাতে নির্বাচন কমিশনকেই তাই স্যালুট জানিয়েছি।
বিশদ

13th  August, 2017
স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে: কিছু প্রশ্ন
শুভা দত্ত

শুধু ভারত ছাড়ো কেন? রামনবমী রাখিবন্ধন পুজোপাঠ স্বাধীনতা দিবস প্রজাতন্ত্র—সবকিছুতেই এখন এত বেশি বেশি রাজনৈতিক দখলদারি শুরু হয়েছে যে, সাধারণ মানুষের পক্ষে উৎসবের মেজাজ ধরে রাখাই মুশকিল হচ্ছে। রাজনীতি ছাড়া যেন কিছু হতেই পারে না!
বিশদ

13th  August, 2017
বাৎসল্য রসের পরাকাষ্ঠা মা যশোদার আত্মাভিমান চূর্ণ করলেন শ্রীকৃষ্ণ
চিদানন্দ গোস্বামী

 ভারতবর্ষের পৌরাণিক সাংস্কৃতিক ইতিহাসের এক সূর্য-করোজ্জ্বল ঘটনা। তত্ত্বে গভীর, দার্শনিকতায় গভীর, নৈতিকতাতেও। তাই বিশ্ব-জাগতিক জীবনে আকর্ষণে চিরন্তন মূল্যবান রত্ন সম্পদ।
বিশদ

12th  August, 2017
কঠিন বর্জ্যের কানুন
বিনয়কান্তি দত্ত

কেন্দ্রীয় ও রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদগুলিকে দায়িত্ব দেওয়া হল বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণ প্রযুক্তির বিচার ও মূল্যায়ন, সংশ্লিষ্ট স্থানগুলির ভূগর্ভস্থ জল, বায়ু, মৃত্তিকা ও শব্দের গুণমানের মাপকাঠি নির্ধারণ, বিভিন্ন দপ্তরকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া, ইত্যাদি কাজের। একথা অস্বীকার করার উপায় নেই যে এই নতুন কানুনে কঠিন বর্জ্য সমস্যার সব দিক বিচার করে, সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর ও কর্তৃপক্ষকে দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। মনে আসছে অসুরবধের জন্য দুর্গা দুর্গতিনাশিনীকে দশপ্রহরণে সজ্জিত করার কথা। এখন দেখতে হবে এই কানুন-রূপী দুর্গা বর্জ্যাসুরকে কতদিনে বধ করতে পারে। বিশদ

12th  August, 2017
গ্যাসে ভরতুকি ছাড়ার অনুরোধ আসলে ধান্ধা
মৃন্ময় চন্দ

 সরকারি অর্থনীতির চলন বোঝাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রেগন একবার বলেছিলেন—‘‘If it moves, tax it. If it keeps moving, regulate it. And if it stops moving, subsidize it.’’ ৫৭.৫ লাখ এলপিজি গ্রাহক ভরতুকি ছেড়ে দিয়েছেন। দেশে এলপিজি গ্রাহকের সংখ্যা এই মুহূর্তে ১৪.৭০ কোটি। বিশদ

11th  August, 2017
রেশনে আধার: এত তাড়াহুড়োর কি কোনও প্রয়োজন আছে?
নিমাই দে

 চাল দু’টাকা কেজি দরে। কিন্তু রেশন দোকানে গিয়ে তা পেতে হলে পকেট থেকে তখনই খরচ করতে হবে ২৫ থেকে ৩০ টাকা। দু’টাকা কেজির গম। সেটাও পেতে গেলে বার করতে হবে নয় নয় করে ১৮ থেকে ২০ টাকা। এটাই নাকি কেন্দ্রের ক্যাশলেস ব্যবস্থা!
বিশদ

11th  August, 2017
আমাদের ‘মন কি বাত’ আপনি কবে শুনবেন মোদিজি?
মেরুনীল দাশগুপ্ত

 দেশের মানুষের ন্যূনতম ভরণপোষণের ব্যবস্থা বহাল রাখতে কেন্দ্র কি সত্যিই আন্তরিক? সত্যিই কি—গরিব মধ্যবিত্তের কথা ভেবেই নোটবন্দি জিএসটি স্বচ্ছ ভারত—এইসব! তাই যদি, তবে দেশে কেন এখনও পর্যাপ্ত খাদ্যশস্য মজুদ রাখার ব্যবস্থা নেই? ... ক্রমবর্ধমান চাহিদার কথা ভেবে ফসল সংরক্ষণের কি যথেষ্ট ব্যবস্থা হয়েছে? হয়ে থাকলে কথায় কথায় এমন অনটন দেখা দেয় কী করে? ফড়ে দালালরা বাজার চড়িয়ে গরিব মধ্যবিত্তের পকেট কেটে মুনাফাবাজি করে যায় কীভাবে? উন্নত সেচের ব্যবস্থাই যদি থাকে তবে কেন খরা হলে ফসলের এমন দুর্গতি হয়? সাধারণের জমায় সুদ কমাতে যাঁরা এমন তৎপর তাঁরা ঋণখেলাপিদের শত শত কোটি টাকা মকুব করে দিচ্ছেন কীভাবে? মধ্যবিত্ত সংহার ছাড়া কি স্বচ্ছ ভারত গড়া যায় না? স্বচ্ছ ভারতে কি মধ্যবিত্তের ঠাঁই হবে না?
বিশদ

10th  August, 2017



একনজরে
 ওয়াশিংটন, ১৬ এপ্রিল: এ যাবৎকালের সবচেয়ে বড় অঙ্কের অর্থ দানের কথা ঘোষণা করলেন মাইক্রোসফট করপোরেশনের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস। নিজের মোট সম্পদের ৫ শতাংশ দান করলেন ...

 বিমল বন্দ্যোপাধ্যায়, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: বিষ্ণুপুরের সারদা গার্ডেনে সুদীপ্ত সেনের কয়েকশো বিঘা বেনামি সম্পত্তি হাতানোর সিন্ডিকেট চক্রের বিরুদ্ধে মুখ খোলার জেরে আক্রান্ত হয়েছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার এক অফিসার। কলেজ পড়ুয়া তাঁর ছেলেকেও মারধর করা হয়েছে। ...

সিনসিনাটি, ১৬ আগস্ট: ভারতীয় টেনিস কাপ দল থেকে বাদ পড়ার পর ৪৪ বছর বয়সী লিয়েন্ডার পেজের দুঃসময় আর কাটছে না। সিনসিনাটি ওপেনে ডাবলসে প্রথম রাউন্ড থেকেই লিয়েন্ডার পেজ ও তাঁর জার্মান পার্টনার আলেকজান্ডার জেরেভ বিদায় নিলেন ফেলিসিয়ানো ও মার্ক লোপেজের ...

 ওয়াশিংটন, ১৬ এপ্রিল: চলতি বছরসহ আগামী ২০১৮ সালে এশিয়ার উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলির মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি সাড়ে ৬ শতাংশ হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। একই সময়ে বিশ্ব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সাড়ে ৩ শতাংশের আশপাশে থাকবে বলে ধারণা ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

সঠিক বন্ধু নির্বাচন আবশ্যক। কর্মরতদের ক্ষেত্রে শুভ। বদলির কোনও সম্ভাবনা এই মুহূর্তে নেই। শেয়ার বা ... বিশদ



ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৩২: ব্রিটিশ সাহিত্যিক ভি এস নাইপলের জন্ম
১৯৮৮: দুর্ঘটনায় মৃত পাক প্রেসিডেন্ট মহম্মদ জিয়া-উল-হক
২০০৮: ওলিম্পিকসে আটটি সোনা জিতে রেকর্ড মার্কিন সাঁতারু মাইকেল ফেল্পসের


ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৪৫ টাকা ৬৫.১৩ টাকা
পাউন্ড ৮১.৩৭ টাকা ৮৪.১৮ টাকা
ইউরো ৭৪.০৮ টাকা ৭৬.৬৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৯,১৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৭,৬৭৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৮,০৯০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৬০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩২ শ্রাবণ, ১৭ আগস্ট, বৃহস্পতিবার, দশমী দিবা ১২/৪৩, মৃগশিরানক্ষত্র রাত্রি ১০/৫৯, সূ উ ৫/১৭/৫১, অ ৬/৩/৩৯, অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪৮-৩/৩, বারবেলা ২/৫২-অস্তাবধি, কালরাত্রি ১১/৪১-১/৫।
 ৩১ শ্রাবণ, ১৭ আগস্ট, বৃহস্পতিবার, দশমী ১০/৫৫/৫২, মৃগশিরানক্ষত্র রাত্রি ১০/২৩/৫৭, সূ উ ৫/১৫/৩৩, অ ৬/৫/২৫, অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪৭/৩০-৩/১/৩১, বারবেলা ৪/২৯/১১-৬/৫/২৫, কালবেলা ২/৫২/৫৭-৪/২৯/১১, কালরাত্রি ১১/৪০/২৯-১/৪/১৫।
২৪ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
মাথাভাঙা ২ নম্বর ব্লকের দ্বারিকামারি গ্রামে তিন বছরের এক শিশুকে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ, অসুস্থ ওই শিশু বর্তমানে মাথাভাঙা মহকুমা হাসপাতালে ভরতি

12:33:00 PM

দুর্গাপুরে ৪৩ আসনেই জয়ী তৃণমূল

12:32:45 PM

দিল্লি হাইকোর্টে বোমা থাকার খবর জানিয়ে পুলিশকে উড়ো ফোন আজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির, হাই অ্যালার্ট আদালত চত্বরে

12:29:10 PM

ধূপগুড়িতে তৃণমূল সহ-সভাপতি দুলাল দেবনাথকে হেনস্তার অভিযোগ ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের দলীয় কর্মীদের বিরুদ্ধে

12:20:02 PM

দুর্গাপুরে ৩৯টি আসনে জয়ী তৃণমূল, বিরোধীরা শূণ্য

12:16:15 PM

তৃণমূলের দখলে দুর্গাপুর পুরসভা

12:12:52 PM