বিশেষ নিবন্ধ
 

জিএসটি: নয়া ব্যবস্থায় ধৈর্যের অভাবই প্রকট
নিমাই দে

কয়েকদিন আগে একটি সংবাদপত্রে জিএসটি সংক্রান্ত লেখায় এক ব্যবসায়ীর ইন্টারভিউ পড়ছিলাম। ওই ব্যক্তি লোহা উৎপাদন সংক্রান্ত ব্যাবসা করেন। নতুন করে প্ল্যাস্টিকের পণ্য রিসাইক্লিং এবং ট্রেডিং ব্যাবসায় নেমেছেন। তিনি কী বলছেন, শোনা যাক। তাঁর কথায়, আমাকে আর এক্সাইজ রিটার্ন, ভ্যাট রিটার্ন বা সার্ভিস ট্যাক্স আলাদা করে প্রতি মাসে জমা দিতে হয় না। এখন শুধু জিএসটি’র খাতাপত্র রাখলেই হল। আগে অন্য রাজ্য থেকে মালপত্র কেনার জন্য আমাকে দিতে হত ২ শতাংশ সিএসটি, ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং ২ শতাংশ এন্ট্রি ট্যাক্স। বিভিন্ন রাজ্যে আবার এন্ট্রি ট্যাক্সের হারও আলাদা, যা ১ থেকে ১৪ শতাংশ পর্যন্ত। এর ফলে জিনিসের খরচও বেড়ে যেত। কিন্তু এখন একটাই কর। তাই আমার খরচও অনেক কমে যাচ্ছে।
অত্যন্ত সহজ এবং সরল স্বীকারোক্তি।
বলা বাহুল্য, একটাই কর বলতে তিনি বুঝিয়েছেন জিএসটিকে’ই।
এত সোজাসাপটা কথা অবশ্য সবাই বলছেন না। কারণ কেন্দ্রের এই নয়া সংস্কারমূলক পদক্ষেপের গায়ে রাজনীতির সিলমোহর পড়ে গিয়েছে। কোনও নয়া পদক্ষেপের ভালো-মন্দ দুটো দিকই থাকবে, এটাই স্বাভাবিক এবং প্রত্যাশিতও। কিন্তু জিএসটি এখন হয়ে উঠেছে রাজনীতির লড়াই। ফলে এই সংস্কার আর্থিক দিক থেকে সমাজকে কতটা উন্নতির পথে এগিয়ে নিয়ে যাবে বা ব্যবসায়ীদের কতখানি সুবিধা দেবে, এসব বিষয় ছাপিয়ে বড় হয়ে উঠেছে রাজনীতির কচকচানি।। মনে পড়ে যাচ্ছে সেই নোট বাতিলের সময়কার কথা। এটিএমে টাকার জন্য দীর্ঘ লাইন, নোট বদলের জন্য লম্বা লাইন। এসব দেখে তখনও গেল গেল রব উঠেছিল। মনে হয়েছিল, সমাজের সুস্থির পরিবেশটাই বোধহয় ধ্বংস হয়ে গেল। নিজের টাকা তুলব, তাতেও লাইন, তাতেও নিয়ন্ত্রণ? এমন প্রশ্ন অনেকেই করেছিলেন।
না, এখন আর এটিএমে লাইন নেই। ক’দিন আগেও যে অটোওয়ালা দশ টাকার নোট দেখলে মুখ ঝামটা দিতেন, এখন এক টাকার কয়েন দেখলে বরং তাঁর চোখেমুখে বিরক্তি ফুটে ওঠে। অর্থাৎ সময় বা পরিস্থিতি কখনও এক জায়গায় থেমে থাকে না। কোনও জিনিসের ভালোমন্দ বিচার করার আগে তার জন্য ন্যূনতম যে সময়টুকু দেওয়া প্রয়োজন, তাই বোধহয় দিতে আমরা ভুলে যাচ্ছি।
জিএসটিও এখন সেই জাঁতাকলেই পিষ্ট হচ্ছে। যাঁর করের হার বাড়ল, তিনি আন্দোলন করছেন। যিনি এতদিন পরেও নিজেকে জিএসটির জন্য তৈরি করে উঠতে পারেননি, তিনি গেল গেল রব তুলছেন। যিনি বুঝতে পারছেন, আর ফাঁকি দেওয়ার উপায় নেই, তিনি চিৎকার করে বলার চেষ্টা করছেন, দেশের সামনে সমূহ বিপদ।
বড় বড় শিল্প সংস্থার কথা ছেড়েই দেওয়া যাক। দেশের মেরুদণ্ড যে ছোট এবং মাঝারি সংস্থা, তার কথায় আসা যাক। কারণ, সমস্যাটা এদের নিয়েই বেশি মাথাচাড়া দিয়েছে। আর এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন লাখ লাখ সাধারণ মানুষ। এই জাতীয় সংস্থাকে বলা হয় এসএমই বা স্মল অ্যান্ড মিডিয়াম এন্টারপ্রাইজেস। সারা দেশে মোট শিল্পোৎপাদনের অর্ধেকই আসে এই বিভাগ থেকে। রপ্তানির ক্ষেত্রেও এই বিভাগের অংশীদারিত্ব প্রায় ৪০ শতাংশ। বোঝাই যায়, ভারতের মতো একটি উন্নয়নশীল দেশে এই এসএমইর ভূমিকা কতটা গুরুত্বপূর্ণ।
প্রথমত, নয়া কর ব্যবস্থায় এর অধীনে আগের তুলনায় আরও অনেক বেশি সংস্থা চলে আসবে। কেন? কারণটা হল, এতদিন যাদের টার্নওভার দেড় কোটি বা তার নীচে, তাদের এক্সাইজ ডিউটি বা উৎপাদন শুল্ক দিতে হত না। কিন্তু আগেই বলেছি, এখন না থাকছে এক্সাইজ, না থাকছে সেলস ট্যাক্স, না থাকছে এন্ট্রি ট্যাক্স বা ওই জাতীয় কোনও করই। এখন নিয়ম একটাই। যে-কোনও সংস্থার টার্নওভার ২০ লাখ টাকার উপরে হলে তবেই তাকে জিএসটির জন্য রেজিস্ট্রেশন করাতে হবে। কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে এই পরিমাণটা করা হয়েছে ১০ লাখ। বোঝাই যায়, নতুন করে অনেকেই এই নয়া ব্যবস্থায় চলে আসাটাকে খুব ভালো চোখে দেখছেন না। তাদের অন্তর্নিহিত মনোভাব হল, বেশ তো ছিলাম। যুক্তি হিসাবে তারা খরচ বৃদ্ধি এবং আখেরে জিনিসপত্রের মূল্যবৃদ্ধিকেই শিখণ্ডি খাড়া করছেন। কারণ মূল্যবৃদ্ধির ইস্যুতে আম আদমিকে পাশে পাওয়া খুব সহজ।
অথচ আগের তুলনায় এই জমানায় কাজকর্ম করা যে কতখানি সহজ ও সরল হয়ে গেল, সে বিষয়টিতে এরা কেউই সেভাবে আলোকপাত করতে আগ্রহী নয়। যেমন, জিএসটি’র জমানায় রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত পুরো কাজটাই হচ্ছে অনলাইনে। ফলে রেজিস্ট্রেশন করা, সার্টিফিকেট হাতে পাওয়া ইত্যাদি কাজ আগে যেভাবে আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় আটকে যেত, উপরি না দিলে কাজ হত না, এখন এসবের বালাই থাকল না। শুধু রেজিস্ট্রেশনই নয়, পরবর্তী পর্যায়ে যাবতীয় কাজও হবে অনলাইনেই। একথা ঠিক, আপাতভাবে যা সহজ, গ্রামীণ বা অনুন্নত এলাকার অনেকের কাছে সেই সুবিধাটা উপলব্ধ নাও হতে পারে। এইভাবে ইলেকট্রনিক ক্লিয়ারিং ব্যবস্থার সঙ্গে সবাই কতখানি সড়গড় হতে পারবেন, সেটাও একটা সংশয়ের জায়গা নিঃসন্দেহে। কিন্তু অর্থনীতিবিদরাই বলছেন, সবুরে মেওয়া ফলে। ভবিষ্যতে এই ছোট বা মাঝারি সংস্থাগুলিই প্রতিযোগিতার বাজারে বড় বড় সংস্থার সঙ্গে সমান তালে লড়াইয়ে সক্ষম হবে। নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতাও আরও স্বাস্থ্যকর হবে। এমনকী দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলি চীন, ফিলিপিন্স, বাংলাদেশের মতো সস্তার সামগ্রীর দেশের সঙ্গেও প্রতিযোগিতার মুখোমুখি হতে পারবে।
আরও একটি বিষয় উল্লেখযোগ্য। এখন যে কোনও ব্যাবসার পরিধি এবং বিস্তৃতি যদি বিভিন্ন রাজ্যজুড়ে হয়, তাহলে তাকে ভ্যাটের জন্য রেজিস্ট্রেশন করাতে হত। তারপরেও বিভিন্ন রাজ্যের জন্য ছিল বিভিন্ন করবিধি। এর ফলে ব্যাবসা করার ক্ষেত্রে যেমন একজন উদ্যোগপতিকে পদে পদে সমস্যার সম্মুখীন হতে হত, তেমনি বাড়ছিল খরচের বহরও। কিন্তু জিএসটি’র ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয়ভাবে একটিই কর থাকায় ব্যাবসা করাটা তুলনামূলক অনেক সহজ হয়ে গেল। এমনটাই দাবি করছেন নয়া কর ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত বিশেষজ্ঞরা। কারণ হিসাবে তাঁরা একটি তথ্যও তুলে ধরেছেন। একটি সংস্থার সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, যে কোনও সংস্থার লজিস্টিক খরচ নয়া ব্যবস্থায় এক ধাক্কায় অন্তত ২০ শতাংশ কমে যাবে। কারণ, এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে প্রবেশের সময় তাকে যেমন এন্ট্রি ট্যাক্স দিতে হবে না, তেমনি তাকে অন্য রাজ্যের নিজস্ব কর ব্যবস্থার মধ্যে পড়েও বাড়তি কর গুনতে হবে না। এছাড়াও অনেক সময়ই কোনটি পণ্য এবং কোনটি পরিষেবা এবং দুটি জিনিসের জন্য ভিন্ন ভিন্ন রেট নিয়েও বিভ্রান্তিতে পড়তে হয়। কিন্তু জিএসটি’র ক্ষেত্রে সেই একইভাবে এই সমস্যার নিরসন ঘটছে। কারণ, নামেই বোঝা যায়, নয়া এই ব্যবস্থায় পণ্য এবং পরিষেবার মধ্যে কোনওরকম পার্থক্যই রাখা হয়নি। তাই তার নাম দেওয়া হয়েছে গুডস অ্যান্ড সার্ভিস ট্যাক্স বা পণ্য ও পরিষেবা কর।
নয়া ব্যবস্থায় একটি কথা বারবার শোনা যায়, তা হল, ইনপুট ট্যাক্স ক্রেডিট। বিষয়টি কী? ধরা যাক কোনও এক ব্যবসায়ী খাতা তৈরির ব্যাবসা করেন। তিনি কাগজ কেনার জন্য ১০০ টাকা ট্যাক্স দিলেন। আঠা কেনার জন্য ৫০ টাকা ট্যাক্স দিলেন। অথএব মোট কর দিলেন ১৫০ টাকা। খাতাটি বিক্রির সময় তিনি ২০০ টাকা ট্যাক্স দিলেন। তাঁর আসলে ট্যাক্স দেওয়ার কথা (২০০-১৫০) টাকা, অর্থাৎ ৫০ টাকা। তিনি ওই ১৫০ টাকা ইনপুট ট্যাক্স ক্রেডিট পেয়ে যাবেন। অনেকেই বলছেন, এর ফলে নাকি ব্যবসায়ীদের মূলধন নিয়ে সংকট দেখা দিতে পারে। কারণ, এই ব্যবস্থায় কর দপ্তরের কাছে থাকবে ইলেকট্রনিক ক্রেডিট লেজার। অর্থাৎ প্রাথমিক কাজটা হবে স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থায়। সেই সময় টাকার সংকটটা ব্যবসায়ীরা মেটাবেন কী করে, এ নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন।
এমন সমস্যা যে নেই, তা নয়। কিন্তু একথা অনস্বীকার্য, জিএসটি হল বিশ্বের কর ব্যরবস্থায় একটি অভূতপূর্ব পরিবর্তন। যা সারা দেশকে এক নিয়মনীতির আওতায় এনে দিয়েছে। বিশেষজ্ঞরাই বলছেন, এমন একটি সাহসী এবং অন্যদিকে কারও কারও মতে বিপজ্জনক সিদ্ধান্তকে পুরোপুরি বাস্তবায়িত করতে কম করে দু থেকে তিন বছর লাগবেই। সরকারও এখনও পর্যন্ত নানা বিষয় নিয়ে সঠিক এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি। পুরানো স্টকের মালপত্র একটি নির্দিষ্ট সময়ের পর আর বিক্রি করা যাবে না বলে যে ফরমান সম্প্রতি কেন্দ্রের তরফে জারি করা হয়েছে, তাতে ইতিমধ্যেই অনেকের মধ্যে দুশ্চিন্তা শুরু হয়ে গিয়েছে। আরও বলা হয়েছে, পণ্যের উপর এমআরপি অর্থাৎ সর্বোচ্চ বিক্রয়মূল্য আগামীদিনে লেখা যাবে না। এমনকী জিএসটি’ও লেখা যাবে না। লেখা থাকবে শুধুমাত্র পণ্যের দামটুকুই। বিক্রেতা জিএসটি’র রেট ধরে হিসাব করে বিক্রয়মূল্য ঠিক করবেন। এখানেই প্রশ্ন উঠেছে, কোন জিনিসের জিএসটি কত, তা কি তাহলে একজন ক্রেতাকে মুখস্থ করে রাখতে হবে? নাহলে তো বিক্রেতা যে দর নির্ধারণ করে দেবেন, সেটাই তাকে মেনে নিতে হবে। এ নিয়ে অনাবশ্যক জটিলতা তৈরি হবে। দোকানদার এবং ক্রেতার মধ্যে সম্পর্কেরও অবনতি ঘটার সম্ভাবনা রয়ে যাচ্ছে।
জিএসটি মানেই দাম বাড়বে, এমন ধারণাও অনেকের মধ্যে তৈরি হয়ে গিয়েছে। কিন্তু এই ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত মানুষজনই বলছেন, এটা একেবারেই সঠিক নয়। ভোগ্যপণ্যের মধ্যে অর্ধেকেরই দাম কমে যাবে। আবার টেলিকম, ব্যাংকিং, ফিনান্সিয়াল সার্ভিস, অনলাইন শপিং, ইনসিওরেন্স, রেস্তরাঁয় খাওয়া, বিমানে ভ্রমণ প্রভৃতি পরিষেবায় খরচ বাড়বে। ছোট গাড়ির দাম কমবে। কিন্তু বড় গাড়ির ক্ষেত্রে ঘটবে ঠিক উলটোটাই।
অর্থাৎ গোটা ব্যবস্থার মধ্যেই ভালো এবং খারাপ, দুরকম দিকই রয়েছে। কিন্তু এতবড় একটা সংস্কার পদ্ধতির সঙ্গে নিজেদের খাপ খাওয়ানোর জন্য যে মানসিকতার প্রয়োজন, অভাব ঘটছে বোধহয় তারই।
14th  July, 2017
মারের জবাব মার! এ কোন রাজনীতির কথা বলে গেলেন অমিত শাহ
শুভা দত্ত

 একটা পা ভাঙলে দুটো পা ভেঙে দিন। একটা হাত ভাঙলে দুটো হাত। কয়েকদিন আগে পুরুলিয়ার জয়পুরে এক জনসভায় এমনই নিদান দিয়েছেন রাজ্য বিজেপি’র সভাপতি দিলীপ ঘোষ। বলা বাহুল্য, ওই জনসভা ছিল আসলে বিজেপি’র স্থানীয় নেতা কর্মী সমর্থকদের সমাবেশ।
বিশদ

17th  September, 2017
কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে সার্বিক শিক্ষাব্যবস্থার হাল-হকিকত
শমিত কর

সম্প্রতি দেশের মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকর জানিয়েছেন, ২০১৬-এর ১ জানুয়ারি থেকে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতনক্রম পুনর্বিন্যাসের জন্য যে সুপারিশ বকেয়া রয়েছে তা শীঘ্রই প্রকাশ করা হবে।
বিশদ

17th  September, 2017
আমেরিকায় অনিদ্রা রোগ ও চিকিৎসা 

আলোলিকা মুখোপাধ্যায়: অনিদ্রার উপসর্গকে তখনই রোগ বলা যায়, যখন রাতের ঘুমের জন্যে পর্যাপ্ত সময় থাকা সত্ত্বেও কারওর ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে। প্রতি রাতে ঘুম আসতে দেরি হয়। মাঝরাতে ঘুম ভেঙে গেলে বাকি রাত প্রায় জেগেই কেটে যায়। রাতের পর রাত গভীর ঘুমের পরিবর্তে একরকম তন্দ্রাচ্ছন্ন ভাব থাকে, যার ফলে শরীর ও মস্তিষ্ক বিশ্রাম পায় না। পর্যাপ্ত ঘুমের অভাবে শরীর অসুস্থ হয়ে পড়ে। বিশদ

16th  September, 2017
টানাপোড়েনের পুজো 

অনিতা অগ্নিহোত্রী: নিম্নমধ্যবিত্তের পুজোর দিনগুলোতে একটুখানি মনখারাপ মিশে থাকত কি আলো আর বাজনার পাশাপাশি বয়ে চলা তিরতিরে একটা খোলা জলের স্রোতের মতন? নাকি, আমরা ছোটবেলাতেও একটু বেশি বেশি ভাবতাম? অসচ্ছলতার উল্লেখ বাবা-মা যথাসাধ্য আমাদের কান এড়িয়েই করতেন, তবু স্প্লিনটারের টুকরো টাকরা তো গায়ে এসে পড়বেই, যদি কেউ দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে যুদ্ধ দেখতে চায়!
বিশদ

16th  September, 2017
ভুল স্বীকারের বিকল্প রাজনীতি
সমৃদ্ধ দত্ত

 আমাদের সবথেকে বেশি সমস্যা হয় প্রকাশ্যে দুটি কথা বলতে। ১) ‘‘আমার ভুল হয়েছে, হ্যাঁ, ওটা আমারই ভুল কিংবা আমি ভুল করেছি।’’ আর ২) ‘‘আমার ঠিক জানা নেই।’’ তাই আমরা প্রথমেই এককথায় ভুল স্বীকারের তুলনায় বরং অনেক বেশিক্ষণ ধরে চেষ্টা করি যা বলেছি বা করেছি সেটা শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত মরিয়া হয়ে জাস্টিফাই করে যেতে যে ঠিকই বলেছি বা ঠিকই করেছি। আবার একইভাবে কোনও প্রশ্নের জবাবে চট করে প্রথমেই জানি না বলতেও বাধো বাধো ঠেকে।
বিশদ

15th  September, 2017
কালী-বেদান্তী

স্বামী আত্মবোধানন্দ : স্বামী অভেদানন্দের অপর নাম ‘কালী-বেদান্তী’। আশৈশব তাঁর বেদান্ত-দর্শনের প্রতি আগ্রহ। বেদান্ত মতকে তিনি গভীর নিষ্ঠা ও অধ্যবসায়ের সঙ্গে সাধনার দ্বারা রপ্ত করে আয়ত্ত করেছিলেন। জাগতিক স্থূল চিন্তা-ভাবনাকে ছেড়ে তিনি সূক্ষ্ম বৈদান্তিক বিবেক-বিচারে ডুবে থাকতেন সারাক্ষণ।
বিশদ

14th  September, 2017
মহরম ও বিসর্জন একইদিনে কি একান্তই অসম্ভব?
মোশারফ হোসেন

 একটি নির্দিষ্ট পরিকল্পনা অনুযায়ী গাইডলাইন তৈরি করুক প্রশাসন। বাংলার শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষের উপর ভরসা রাখুক। একের আবেগকে সম্মান দিতে গিয়ে অন্যের আবেগ আঘাতপ্রাপ্ত হওয়া ঠিক নয়। মহরমের শোভাযাত্রা ও প্রতিমা বিসর্জন দুই-ই হোক। সময় বেঁধে। দশমীর সন্ধ্যা থেকে একাদশীর ভোর পর্যন্ত বিসর্জন চলুক। তারপর সকাল থেকে গোটা দিনটি বাদ দিয়ে রাত আটটার পর ফের বিসর্জন। মাঝের বারো-চৌদ্দো ঘণ্টা নির্বিঘ্নে মহরমের শোভাযাত্রা রাজপথ পরিক্রমা করুক। বিসর্জন এবং মহরম শোভাযাত্রা—দুইয়ের জন্যই প্রশাসন নির্দিষ্ট রুট বেঁধে দিক।
বিশদ

12th  September, 2017
ডোকলাম শিক্ষা: নতুন রণকৌশল জরুরি
গৌরীশংকর নাগ

 ডোকলাম বিতর্কের দ্বিমাসাধিক সময়ে যখন ভারতের প্রতিবেশীরা আগ্রহ নিয়ে তাকিয়েছিল ভারতের পদক্ষেপের দিকে, তখন বলাই বাহুল্য দুর্বল ও ক্ষুদ্র প্রতিবেশীর কাছ থেকে ভারত যে সমর্থন পেয়েছে সেই দায় নিউ দিল্লি ঝেড়ে ফেলতে পারবে না। ঠিক যেমন ভারতকে তার ভুল নেপালনীতির জন্য এখন মাশুল গুনতে হচ্ছে। এই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে নিউ দিল্লি যেভাবে নতুন করে ঘুঁটি সাজাতে চাইছে (মোদির ‘প্রতিবেশী দেশকে সর্বাধিক গুরুত্ব দাও’-এর নীতি প্রসঙ্গত লক্ষণীয়) তাতেই চীনের গাত্রদাহ বেড়ে যাবার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
বিশদ

12th  September, 2017
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দীর্ঘদিন ধরেই কবিতা, প্রবন্ধ, গল্প লেখেন। তাঁর জীবনীসহ নানা বই ইতিমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে। কয়েকটি বই বহু সংখ্যায় বিক্রিও হয়েছে। ...

ওয়াশিংটন, ১৯ সেপ্টেম্বর: উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে সামরিক বিকল্পের কথাও ভাবা শুরু করেছে পেন্টাগন। এর অর্থ আরও একটি যুদ্ধ। এমনই ইঙ্গিত দিয়েছেন আমেরিকার প্রতিরক্ষাসচিব জেমস ম্যাটিস। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এমনই ইঙ্গিত দেন। যদিও কী ধরনের বিকল্পের কথা ভাবা হচ্ছে, আমেরিকা ...

নয়াদিল্লি, ১৯ সেপ্টেম্বর: ভারতে প্রতিরক্ষা সামগ্রী নির্মাণে আগ্রহী হলেও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণের রাশ ছাড়তে নারাজ মার্কিন সংস্থাগুলি। কারণ, ভারতীয় সংস্থাগুলির সঙ্গে যৌথ উদ্যোগের প্রকল্পে নির্মিত সামগ্রী ত্রুটিপূর্ণ হলে তার দায়ভার নিতে চাইছে না তারা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’তে ...

চণ্ডীগড়, ১৯ সেপ্টেম্বর (পিটিআই): ডেরা সাচা সৌদার মুখপাত্র বিপাসনা ইনসানের দেওয়া তথ্য সূত্র ধরে হানিপ্রীত সিং ইনসানকে ধরার প্রয়াস আরও জোরদার করল হরিয়ানা পুলিশ। ডেরা প্রধান গুরমিত রাম রহিম সিং দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পরবর্তী সময়ে হরিয়ানায় যে হিংসা ছড়িয়েছিল, তার ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চতর বিদ্যায় সফলতা আসবে। সরকারি ক্ষেত্রে কর্মলাভের সম্ভাবনা। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাফল্য আসবে। প্রেম-প্রণয়ে মানসিক অস্থিরতা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

 ১৯১৯- অভিনেতা জহর রায়ের জন্ম
১৯২১- সাহিত্যিক বিমল করের জন্ম
১৯২৪- গায়িকা সুচিত্রা মিত্রের জন্ম
১৯৬৫- মহাকাশচারী সুনীতা উইলিয়ামসের জন্ম

19th  September, 2017
ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.২৫ টাকা ৬৪.৯৩ টাকা
পাউন্ড ৮৫.৭০ টাকা ৮৮.৬৩ টাকা
ইউরো ৭৫.২৭ টাকা ৭৭.৯২ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
19th  September, 2017
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩০,২০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৮,৬৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৯,০৮০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৯,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৯,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২ আশ্বিন, ১৯ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার, চতুর্দ্দশী, পূর্ব ফল্গুনী দং ৪৩/৫২ রাত্রি ঘ ১১/১, সূ উ ৫/২৭/৫৭, অ ৫/৩৩/১১, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/১৫ মধ্যে পুনঃ ৭/৪ গতে ১১/৭ মধ্যে। রাত্রি ঘ ৭/৫৭ গতে ৮/৪৫ মধ্যে পুনঃ ৯/৩২ গতে ১১/৫৪ মধ্যে পুনঃ ১/৩০ গতে ৩/৫ মধ্যে পুনঃ ৪/৪০ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৬/৫৮ গতে ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ১/১ গতে ২/৩১ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৩ গতে ৮/৩২ মধ্যে।
২ আশ্বিন, ১৯ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার, চতুর্দ্দশী, পূর্বফল্গুনীনক্ষত্র ১১/৩৮/৪৭, সূ উ ৫/২৬/২৮, অ ৫/৩৪/২৮, অমৃতযোগ দিবা ৬/১৫/০ মধ্যে, ৭/৩/৩২- ১১/৬/১২, রাত্রি ৭/৫৬/৫২-৮/৪৪/২০, ৯/৩১/৪৮-১১/৫৪/১২, ১/২৯/৮-৩/৪/৪, ৪/৩৯/০-৫/২৬/২৮, বারবেলা ৬/৫৭/২৮-৮/২৮/২৮, কালবেলা ১/১/২৮-২/৩২/২৮, কালরাত্রি ৭/৩/২৮-৮/৩২/২৮। 
২৭ জেলহজ্জ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
জম্মু ও কাশ্মীরের বানিহালে এসএসবি-র ক্যাম্পে জঙ্গি হামলা, এক জওয়ানের মৃত্যু 

09:32:00 PM

দুর্গাপুরে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে টিকা দেওয়ার পর ২ শিশুর মৃত্যু

08:28:00 PM

এগরাতে মদের দোকানে ভাঙচুর, আগুন

08:27:00 PM

পশ্চিম মেদিনীপুরের গড়বেতা এলাকার শিলাবতী নদীতে ভাসান দিতে এসে তলিয়ে গেল ২ ছাত্র

07:19:00 PM

ভাড়া বৃদ্ধির দাবিতে ধর্মঘটে সুন্দরবনের বোট মালিকরা
বিভিন্ন দাবি দাওয়ার ভিত্তিতে আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ...বিশদ

07:10:00 PM

খারাপ আবহাওয়ার জন্য মুম্বই বিমানবন্দর থেকে একাধিক উড়ান বাতিল
বুধবার খারাপ আবহাওয়ার জন্য মুম্বই বিমানবন্দর থেকে ৬৩টি ...বিশদ

06:23:00 PM

মহারাষ্ট্রে ব্যাপক বৃষ্টি, জলমগ্ন একাধিক এলাকা

06:20:00 PM