বিশেষ নিবন্ধ
 

এই অরাজকতার রাজনীতি দিয়ে বাংলায় কল্কে পাওয়া যাবে

মেরুনীল দাশগুপ্ত:  দার্জিলিং এখনও অশান্ত। মাঝেমধ্যেই ফুঁসে উঠছে হামলা হাঙ্গামার ছোবল। সেনা টহলের পর বসিরহাটের আগুন নিভলেও চাপা উত্তেজনা এখনও যথেষ্ট। বসিরহাট এলাকায় জনজীবনের চেনা ছন্দ ফিরে এলেও ইন্টারনেট পরিষেবা আজও স্বাভাবিক হয়নি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সভা থেকে সভান্তরে শান্তি আমনের বার্তা দিয়ে চলেছেন, হাঙ্গামা হুজ্জোত দমনে কঠোর প্রশাসনিক পদক্ষেপের কথা বলছেন। উদ্বিগ্ন রাজ্যবাসী তাতে আশ্বস্ত বোধ করছেন ঠিকই, তবে পুরোপুরি নিশ্চিন্ত হতে পারছেন না। তার কারণ, তাঁরা ইতিমধ্যেই জেনে গিয়েছেন, কী দার্জিলিং কী বসিরহাট—কোনও ক্ষেত্রেই হামলা হাঙ্গামা স্বতঃস্ফূর্ত নয়। বরং, দুটি ক্ষেত্রেই অশান্তি বাধাতে ‘বাইরের শক্তি’ মদত দিয়েছে এবং দিয়েই চলেছে। এই বাইরের শক্তির মধ্যে যেমন জঙ্গিরা আছে তেমনি আছে বিচ্ছিন্নতাবাদী রাজনীতির কারবারিরা। রাজ্যের গোয়েন্দারা তো বটেই, সম্প্রতি খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতাও এই তথ্যে সিলমোহর দিয়েছেন। ফলে, স্বাভাবিকভাবেই রাজ্যবাসী বিশেষত বসিরহাটের মতো সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোর সাধারণ মানুষজনের মন থেকে আশঙ্কা উদ্বেগের মেঘ পুরোপুরি কাটছে না।
এর মধ্যেই মানুষজনের শঙ্কা একপ্রস্থ বাড়িয়ে দিয়েছে দেশ-শাসকের দুই প্রতিনিধির দুটি বক্তব্য। একজন বলছেন, বসিরহাট সামলাতে বাংলাকে গুজরাত করা হবে। এই বক্তব্য শোনার সঙ্গে সঙ্গেই যে মানুষজনের মনে গোধরাকাণ্ডের ভয়াবহ স্মৃতি জেগে উঠবে তা বলাই বাহুল্য। কারণ, বসিরহাটের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে যে সেই মহামতি শিল্পসমৃদ্ধ গুজরাতের কথা বলবেন না, তা বুঝিয়ে বলার অপেক্ষা রাখে না। আর এক মহাজন আবার আরও সরেস! আম্বেদকর পড়ে সংবিধান ঘেঁটে তাঁর ধারণা হয়েছে—আমাদের সংবিধান প্রণেতা বি আর আম্বেদকর যে ‘ছোট ছোট রাজ্য গঠনে’র পরামর্শ দিয়ে গিয়েছিলেন তার ভিত্তিতে দার্জিলিঙের গোর্খাদের পৃথক রাজ্যের দাবি খতিয়ে দেখা যেতেই পারে! মানে মোদ্দা কথা, আম্বেদকরকে শিখণ্ডী করে বাংলা থেকে দার্জিলিংকে বিচ্ছিন্ন করার, তথা বাংলা ভাগ ভেবে দেখা যেতেই পারে! ভাবুন কাণ্ড! এঁরা নাকি সব গেরুয়া শিবিরের মন্ত্রীসান্ত্রি! অবশ্য, যে দেশে একজন বিচারপতি নিদান দেন যে ময়ূর কার্যত অযোনিসম্ভব প্রাণী তার চোখের জল বীর্যবান, যে দেশে খাদ্যশৃঙ্খল মেনে গোমাংস ভোজন বা ঘরে সংরক্ষণ ‘অপরাধ’ এবং সে অপরাধের শাস্তি নির্মম পৈশাচিক মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে যে দেশে রামায়ণ মহাকাব্যকে বাস্তবিক ঘটনা হিসেবে ইতিহাস হিসেবে ধরে নিয়ে সংশোধন করার বাসনা চাগাড় দেয়—সে দেশে এমনটা অস্বাভাবিক কি!
কিন্তু, এ সবই তো রাজনীতির জন্য, রাজনৈতিক পরিসরে নিজেদের অহং এবং ক্ষমতার বাহাদুরি দেখাতে বলা বা করতে চাওয়া—তাই না? এই যে দার্জিলিং থেকে বসিরহাট অরাজকতা—এর পিছনেও কি রাজনীতি নেই? অবশ্য আছে। না হলে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা যেদিন দার্জিলিঙে ক্যাবিনেট মিটিং করছেন সেদিন গোর্খাদের আন্দোলন প্রতিবাদে যে দাবির দেখা মেলেনি পরবর্তীতে সেই গোর্খাল্যান্ডের দাবিটাই ফের একবার পাহাড়ে আগুন জ্বালাবার কাজে সামনে চলে এল কীভাবে? বিমল গুরুং এবং তাঁর সঙ্গীসাথিরা বাংলা ভাষা পাঠ্য করা (যদিও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রথমেই জানিয়ে দিয়েছিলেন, পাহাড়ে বাংলা আবশ্যিক পাঠ্য হবে না) এবং জিটিএ-র খরচখরচার হিসেব খতিয়ে দেখার রাজ্য সরকারি উদ্যোগ আপত্তি তুলে যে আন্দোলন করছিলেন তা আর বাংলার মুণ্ডচ্ছেদ করে পৃথক রাজ্য গঠনের দাবি কি এক? এই দাবিকে সামনে রেখে এর আগে যখন সুবাস ঘিসিং আন্দোলন করেছেন তখন তো এমনটা ঘটেনি! সেখানে গোর্খা সেন্টিমেন্ট ভাঙিয়ে দার্জিলিং পাহাড়ের জনজাতিদের ইতিহাস টেনে এনে গোর্খাদের জন্য দার্জিলিং ও সংশ্লিষ্ট জেলাগুলি নিয়ে আলাদা রাজ্যের দাবিটাই ছিল এক এবং অদ্বিতীয়। দাবিটা যে চূড়ান্ত অন্যায্য অনৈতিক এবং একেবারে বিচ্ছিন্নতাবাদী ছিল তা বলার অপেক্ষা রাখে না। কিন্তু, সেখানে অন্য দাবিতে আন্দোলন শুরু করে গোর্খাল্যান্ডের প্রসঙ্গে ফিরে আসা ছিল না।
এবার তো সেটাই দেখা গেল। কেন? বাংলা পাঠ্য করা বা জিটিএ-র জনগণের টাকা খরচের হিসেব চাওয়ার বিরোধিতা আমজনতার দরবারে তেমন সাড়া জাগাতে পারছিল না বলে! অথচ, ‘বাইরের শক্তি’ চাইছিল—পাহাড়ে অশান্তি জিইয়ে থাক! আর তাই স্পর্শকাতর ‘গোর্খাল্যান্ড’ ইস্যুকে পাহাড়ে অশান্তি অরাজকতা হাতিয়ার করার পরামর্শ এসেছিল ‘বাইরে’ থেকে!? এবং তাই প্রায় রাতারাতি গুরুং ও তাঁর বাহিনী পৃথক গোর্খাল্যান্ডের দাবিতে পথে নেমে পড়েছিলেন? নাহলে হিসেব মিলছে কোথায়? মনে করে দেখুন, এইবারের গোর্খাল্যান্ড আন্দোলন শুরুর ঠিক আগ দিয়ে বিমল গুরুঙের প্রতিনিধিরা কাদের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন কলকাতায়? তারপর আন্দোলন যখন তুঙ্গে বিমল গুরুংরা রাজ্য সরকারের সঙ্গে আলোচনার পথ বন্ধ করে কাদের সঙ্গে বৈঠক করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন! আজই বা কারা মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে পাহাড় সমস্যা নিয়ে গুরুংদের সঙ্গে আলোচনা করার অনুরোধ জানাচ্ছেন? প্রতিটি ক্ষেত্রেই উত্তর এক—দেশের শাসক বিজেপি, নরেন্দ্র মোদি সরকার।
এর পরিপ্রেক্ষিতে যদি আমরা সেই সরকারের ওই মহাজনের পরামর্শটি, মানে ওই আম্বেদকর ‘ছোট ছোট’ রাজ্য গঠনের পরামর্শ ইত্যাদি—তাহলে কি মনে হয় না বাংলা থেকে দার্জিলিংকে বিচ্ছিন্ন করার একটা প্রক্রিয়া কোথাও শুরু হয়ে গিয়েছে। কখনও আম্বেদকরের প্রসঙ্গ তুলে ‘ছোট রাজ্য’ গঠনের অজুহাতে কখনও দার্জিলিং অদূর ভবিষ্যতে কাশ্মীর হবে এই ভয়ভাবনা প্রচার করে তারই ভূমিকা করা হচ্ছে, বাংলার জনমনে তার প্রতিক্রিয়া যাচাই কারা হচ্ছে! নেহাত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো একজন মুখ্যমন্ত্রী আছেন এই বাংলায়, তাই রক্ষে। পশ্চিমবঙ্গের শান্তি সম্প্রীতি ও অখণ্ডতা রক্ষার এমন এক অটল অভিভাবক না থাকলে বাংলার মানুষের নস্টালজিয়া দার্জিলিঙের দশাটা কী হত—তা সহজেই অনুমেয়। অন্তত, পথেঘাটে বাংলার পাবলিক তো তাই বলছে। অন্যদিকে বসিরহাট নিয়েও একই কথা। সাম্প্রদায়িক উসকানি এবং জঙ্গি মদত ছাড়া সোশ্যাল মিডিয়ার একটা পোস্ট কেন্দ্র করে এত বড় ঘটনা এই বাংলায় কতটা সম্ভব তা নিয়েও সাধারণ জনমনে ধন্দ যথেষ্ট। ইউপি বা অন্যত্র এসব ঘটতে পারে কিন্তু বাংলার মতো শান্তি প্রীতিময় ধর্মীয় সহনশীলতার রাজ্যে এক বালখিল্যের বেয়াদপিতে এমন লঙ্কাকাণ্ড অসম্ভব।
তাই তো রাজ্যের সাম্প্রতিক দুই ঘটনা নিয়ে সন্দেহটা গাঢ়তর হচ্ছে রাজ্য-রাজনীতির মহলে, এমনকী আম জনতার মধ্যেও—এই অরাজকতার উদ্দেশ্যটা কী? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার এবং উন্নয়ন কর্মসূচিকে বিপর্যস্ত করা? ২০১৯-এর লক্ষ্যে ঘুঁটি সাজানো—চারদিক থেকে এমন অরাজকতার বাতাবরণ আরও ভয়াবহ হয়ে উঠলে কোনও সময় ৩৫৬ ধারার দাবি তোলা? এ দাবি অবশ্য এখনও উঠেছে, তবে খানিকটা নিচুস্বরে। কেননা, মুখ্যমন্ত্রী মমতা ও তাঁর প্রশাসনের তৎপরতা ও দক্ষতায় বসিরহাট খুব বেশিদূর ছড়াতে পারেনি। দার্জিলিঙেও সেনা নামিয়ে আন্দোলনের তোড় অনেকটাই কমিয়ে দিতে পেরেছেন তিনি। তবে, তা সত্ত্বেও ৩৫৬ ধারার দাবি তুলে হয়তো একটা রেফারেন্স তৈরি করে রাখা হল—ভবিষ্যতে যাতে বলা চলে ওই তো সতেরো সালের জুন-জুলাইতে...। দার্জিলিং এবং তার পর বসিরহাট—হাঙ্গামা সূত্রে বিজেপির দিল্লি কর্তা কৈলাস বিজয়বর্গীয় থেকে রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের কথায় মন্তব্যে ঠারেঠোরে তার ইঙ্গিত কি মিলছে না?
তাতে কী? পরিস্থিতি এখন এমন যে, বিমল গুরুং মুখ-মান বাঁচাতে পথ খুঁজছেন আর কেন্দ্র চাইছে মুখ্যমন্ত্রী মমতাই সেই পথ বাতলে দিন, তাঁদের সঙ্গে বৈঠকে বসুন। মজার কারবার আর কী! প্রথমে আন্দোলন হবে ঘরবাড়ি জ্বালানো হবে অফিসপত্তর তছনছ হবে মানুষ মরবে রাজ্যজুড়ে অশান্তি অরাজকতার হাওয়া উঠবে তারপর পুলিশ সেনা প্রশাসনের চাপে সেই তথাকথিত আন্দোলন ভেস্তে যাওয়ার মুখে পড়লে শান্তিবৈঠক করে আন্দোলনকারী নেতানেত্রীদের মান রক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে! কিন্তু মুশকিলটা হল, দার্জিলিঙে শান্তি প্রতিষ্ঠায় গত মঙ্গলবার দিঘার সভায় মুখ্যমন্ত্রী যে দৃঢ় এবং কড়া মনোভাব প্রকাশ করেছেন তারপর গুরুংদের সঙ্গে বৈঠক কতদূর সম্ভব তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। তার চেয়েও বড় কথা, মুখ্যমন্ত্রী সেখানে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, বাংলার ঘর জ্বালানোদের সঙ্গে কোনও সমঝোতা নয়। বাংলার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও অখণ্ডতার প্রশ্নে কোনও দ্বিতীয় ভাবনা প্রশ্রয় পাবে না তাঁর রাজত্বে। কিন্তু ভোট যে বড় বালাই। সেখানে তো ‘যার যাহা বল’। সে লাল হোক, তেরঙ্গা হোক, কী গেরুয়া—সব ক্ষেত্রেই শেষকথা সেটাই। প্রশ্ন কেবল একটাই—এই অরাজকতার রাজনীতি দিয়ে বাংলায় কি শেষ পর্যন্ত কল্কে পাওয়া যাবে?!
13th  July, 2017
 স্বায়ত্তশাসন ব্যবস্থার সঙ্গে গুটিকয় নেতার নয়, সমস্ত পাহাড়বাসীর আত্মার সম্পর্ক প্রয়োজন

 বিশ্বনাথ চক্রবর্তী : মাসাধিককাল অতিক্রম করলেও এখন পাহাড় স্তব্ধ। দোকানপাট, বাজারহাট থেকে চা শিল্প সমস্তই প্রায় বন্ধ। পানীয় জল থেকে খাবার, জীবনদায়ী ওষুধসহ প্রায় সব কিছুরই হাহাকার। তবুও আন্দোলনকারীরা তাঁদের দাবিতে অনড়। তাঁরা শুধু কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে কথা বলতে চাইছেন গোর্খাল্যান্ডের দাবি নিয়ে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিংসা ছেড়ে আলোচনার প্রস্তাব দিলেও তাঁরা সাড়া দেননি, বরং বন্‌ধ চালিয়ে যাওয়ারই সিদ্ধান্তে অনড় রয়েছেন। এই অবস্থায় আলোচনার পথ খুলবে কে?
বিশদ

পাশ-ফেল: বিতর্ক জিইয়ে রেখেই আট বছর পরে বোধোদয় কেন্দ্রের

নিমাই দে : দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য দরকার সঠিক গুণমানের শিক্ষার। এই বাস্তব সত্যটা বুঝতে কেন্দ্রের নয় নয় করে আট বছর লেগে গেল! কারণ উপরের কথাটা কোনও নীতিবাক্য নয়। কোনও মনীষীর বাণীও নয়। কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়নমন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকর সম্প্রতি গুয়াহাটিতে এক অনুষ্ঠানে গিয়ে গুণমানসমৃদ্ধ শিক্ষার এমনই প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে তাঁর উপলব্ধির কথা প্রকাশ করেছেন।
বিশদ

কেন্দ্রীয় নীতিতে পাট শিল্প ধুঁকছে, মরছে চাষি-শ্রমিক, ভরসা মমতা
নির্মাল্য মুখোপাধ্যায়

 প্রণব মুখোপাধ্যায় আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেউই কেন্দ্রীয় ক্যাবিনেটে নেই। তাই ২০১৩ সাল থেকে অনাথ হয়ে গিয়েছে রাজ্যের পাট চাষ আর শিল্প। ওই বছর থেকেই পুরোদমে পাট শিল্পের ওপর শুরু হয়েছে বিভিন্ন নিয়ম-নীতির আরোপ যা অনেকটা পুলিশি নজরদারির মতো বলা চলে। মমতা আর প্রণববাবু রাজ্যের পাট শিল্পের ৩ কোটি চাষি ও শ্রমিককে সবসময় আগলে রাখতেন। কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত নেওয়ার জায়গায় তাঁরা না থাকায় পাট শিল্পে আজ বাজছে বেদনার সুর।
বিশদ

27th  July, 2017
রবীন্দ্রনাথ থেকে অমর্ত্য: রবার যেটা সেটা রবেই
মেরুনীল দাশগুপ্ত

রবীন্দ্র-অমর্ত্য নিয়ে সংঘচালকদের প্রসঙ্গ উঠতেই কেন যে তিনি ওই অনুবাদ প্রসঙ্গ তুললেন—বলা বিপজ্জনক! কেবল কবির কথায় বলা চলে—রইলো বলে রাখলে কারে, হুকুম তোমার ফলবে কবে?/ তোমার টানাটানি টিকবে না ভাই, রবার যেটা সেটাই রবে। বলতে কী, যেভাবে করার চেষ্টা হচ্ছে, সেভাবে কিছুই হবে না। বড়জোর ওই—গ্রাউন ভালোবাসে ফিগুরিসকে! তাতে স্বচ্ছ ভারতের মুখে ছায়াকালিমাই শুধু বাড়বে। আমরা নিশ্চিত, রবীন্দ্রনাথ থেকে অমর্ত্য, রামায়ণ থেকে রাজনীতি—শেষ পর্যন্ত রবার যেটা সেটা রবেই। জাভড়েকর সেটা খানিক বুঝেছেন বলেই হয়তো সামলে নিয়েছেন। পহেলাজরা বুঝবেন কবে!
বিশদ

27th  July, 2017
দার্জিলিং জেলাকে পৃথক একটি রাজ্য করার দাবি সম্পূর্ণ অবাস্তব
শমিত কর

বিগত প্রায় তিন দশক ধরে পৃথক রাজ্য হিসাবে দার্জিলিংকে গড়ার দাবিতে পাহাড়বাসী রণং দেহি ভূমিকা নিচ্ছে। উত্তরে কাশ্মীর পরিস্থিতির মতো আমাদের রাজ্যের এই পাহাড়ি অঞ্চলের অবস্থা এক মারাত্মক আকার নিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে কাশ্মীরে যে জঙ্গি নাশকতা ধারাবাহিকভাবে চলেছে তার পিছনে পাকিস্তানের মদত কোনও নতুন কথা নয়।
বিশদ

25th  July, 2017
আপনিই সর্বশক্তিমান, তবু দেশজুড়ে এত অস্থিরতা কেন মোদিসাহেব?
হিমাংশু সিংহ

ক্ষমতায় থাকলে বুদ্ধিমান চতুর শাসকেরও বুদ্ধিবৃত্তি লোপ পায়। দম্ভে, অহংকারে মাটিতে পা পড়ে না। বিরোধিতা দেখলেই নেমে আসে দমন, পীড়ন। পুলিশ লেলিয়ে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো থেকে মিথ্যা অভিযোগে জেলে বন্দি করে রাখা... আরও কত কী! আজকের পশ্চিমবঙ্গে গত বেশ কিছুদিন ধরেই কেন্দ্রের মোদি সরকারের বদান্যতায় যা দস্তুর।
বিশদ

25th  July, 2017
বইই প্রণব মুখোপাধ্যায়ের মুক্তির জগৎ

পঙ্কজ সাহা : রাষ্ট্রপতি ভবন বলতে মনের মধ্যে যে ধারণা ছিল সেটা একেবারে বদলে গেল দিল্লির রাইসিনা হিলসে রাষ্ট্রপতি ভবনে পৌঁছানোর পরে। কলকাতা থেকে ভারতের রাজধানী দিল্লিতে চলে যাওয়ার পরে ব্রিটিশ আমলে যে বিরাট প্যালেসটি দিল্লির রাইসিনা হিলসে নির্মিত হয়েছিল ভাইসরয় প্যালেস হিসেবে এবং ভারতের স্বাধীনতার পরে যেটি রাষ্ট্রপতি ভবন হিসেবে চিহ্নিত হয়, সেই বিরাট প্যালেসটির ছবিই মনের মধ্যে মুদ্রিত ছিল রাষ্ট্রপতি ভবন হিসেবে।
বিশদ

24th  July, 2017
রূপা-কাহিনি, সিনেমার মতো

সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায় : কথায় বলে, লঙ্কায় যে যায় সে-ই হয় রাবণ। এই কথাটাই একটু ঘুরিয়ে হয়তো বলা যায়, দেশের সব রাজ্যেই শাসক দলের চরিত্র সম্ভবত এক ও অভিন্ন। না হলে কর্ণাটকের ‘ডিআইজি প্রিজন’ ডি রূপার হাল এমন হত না। সুদর্শনা ও নির্ভয়া তরুণী রূপাকে কারা বিভাগের দায়িত্ব থেকে রাজ্যের কংগ্রেসি মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধারামাইয়া সরিয়ে দিয়েছেন।
বিশদ

23rd  July, 2017
শহিদ দিবসের মঞ্চ থেকে ২০১৯ যুদ্ধের রণদামামা বাজিয়ে দিলেন মমতা

শুভা দত্ত : কৌতূহল ছিল সকলেরই। বিপুল কৌতূহল। ২১ জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে কী বলবেন তিনি, কী বার্তা দেবেন—তা নিয়ে আসমুদ্র হিমাচল বাংলায় আগ্রহের অন্ত ছিল না। তাঁর পূর্ববর্তী বক্তাদের কারও কারও কথাতেও রাজ্যবাসী মানুষজনের সেই আগ্রহ কৌতূহলের আভাস মিলেছিল। 
বিশদ

23rd  July, 2017



একনজরে
জেরুজালেম, ২৭ জুলাই: প্রবল সমালোচনার চাপে আল-আকসা মসজিদ থেকে মেটাল ডিটেক্টর সরিয়ে নেওয়ার একদিন পর এবার বাকি নিরাপত্তাও সরিয়ে নিয়েছে ইজরায়েল। তুমুল বিক্ষোভ আর প্রতিরোধের মুখে অবশেষে বৃহস্পতিবার আল-আকসার প্রবেশপথ থেকে নিরাপত্তা বেষ্টনী ও গেটগুলি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। প্রবেশ পথে ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ভারতে বসতে চলেছে অনুর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপের আসর। আর একে কেন্দ্র করে ফুটবলকে প্রতিটি পড়ুয়ার কাছে জনপ্রিয় করে তুলতে চাইছে কেন্দ্রীয় সরকার। ‘মিশন ইলেভেন মিলিয়ন’ নামে একটি প্রতিযোগিতা চালু করেছে তারা। তাতে প্রায় এক কোটির মতো স্কুল পড়ুয়া ...

শিলং, ২৭ জুলাই (পিটিআই): হাতি সংরক্ষণ করার লক্ষ্যে শীঘ্রই মউ স্বাক্ষর হতে পারে ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে। বৃহস্পতিবার দু’দেশের আধিকারিকরা শিলংয়ে একটি বৈঠকে বসেন। সেখানেই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। এদিন পশ্চিমবঙ্গ, অসম, মেঘালয়, ত্রিপুরার বন দপ্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে বাংলাদেশের ১১ ...

শ্রীনগর, ২৭ জুলাই (পিটিআই): কাশ্মীরে ফের জঙ্গি অনুপ্রবেশ রুখে দিল সীমান্ত রক্ষা বাহিনী। জম্মু-কাশ্মীরের বান্দিপোরায় অনুপ্রবেশের সময় সেনার গুলিতে তিন জঙ্গি প্রাণ হারিয়েছে বলে খবর। ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মপ্রার্থীদের কোনও চুক্তিবদ্ধ কাজে যুক্ত হবার যোগ আছে। ব্যাবসা শুরু করা যেতে পারে। বিবাহের যোগাযোগ ... বিশদ



ইতিহাসে আজকের দিন

 ১৮৪৪- ব্রিটিশ বিজ্ঞানী জন ডালটনের মৃত্যু
১৯৬০- শিবসেনা প্রধান উদ্ধব থ্যাকারের জন্ম
১৯৯২- অভিনেতা আমজাদ খানের মৃত্যু
২০১৫- প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি এপিজে আবদুল কালামের মৃত্যু

27th  July, 2017


ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৪০ টাকা ৬৫.০৮ টাকা
পাউন্ড ৮৩.০৫ টাকা ৮৫.৯১ টাকা
ইউরো ৭৪.১৮ টাকা ৭৬.৭৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৯,০১০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৭,৫২৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৭,৯৪০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৬০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৭০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১২ শ্রাবণ, ২৮ জুলাই, শুক্রবার, পঞ্চমী দিবা ৬/৩৯, হস্তানক্ষত্র অহোরাত্র, সূ উ ৫/১০/৪০, অ ৬/১৬/৪, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৫ পুনঃ ৭/৪৭-১০/২৪ পুনঃ ১/১-২/৪৬ পুনঃ ৪/৩১-অস্তাবধি, বারবেলা ৮/২৬-১১/৪৩, কালরাত্রি ৮/৫৯-১০/২১।
১১ শ্রাবণ, ২৮ জুলাই, শুক্রবার, পঞ্চমী ৯/৩৬/১৬, উত্তরফাল্গুনীনক্ষত্র ৮/২৩/৫৯, সূ উ ৫/৭/৮, অ ৬/১৮/২০, অমৃতযোগ ৬/৫২/৩৮, ৭/৪৫/২২-১০/২৩/৩৭, ১/১/৫১-২/৪৭/২১, ৪/৩২/৫০-৬/১৮/২০, রাত্রি ৭/৪৪/৫০-৯/১১/২১, ২/৫৭/২২-৩/৪০/৩৮, বারবেলা ৮/২৪/৫৬-১০/৩/৫০, কালবেলা ১০/৩/৫০-১১/৪২/৪৪, কালরাত্রি ৯/০/৩২-১০/২১/৩৮।
 ৪ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
গল টেস্ট: শ্রীলঙ্কা ২৮৯/৮ (মধ্যাহ্নভোজের বিরতি) 

12:14:11 PM

প্রবীণ সিপিএম নেতা তথা প্রাক্তন এমপি মানিক সান্যাল প্রয়াত 

12:11:00 PM

গুজরাতে ইস্তফা আরও ২ কংগ্রেস বিধায়কের 

11:50:00 AM

সল্টলেকে ফের এটিএম কার্ডের পিন জেনে প্রতারণা, ধৃত ১ 
ফের ব্যাংক কর্তা পরিচয় দিয়ে ফোন করে এটিএম কার্ডের পিন জেনে লক্ষাধিক টাকা গায়েব। ঘটনায় আসানসোল থেকে এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত ১৯ ফেব্রুয়ারি নয়াপট্টির বাসিন্দা এক ব্যক্তিকে ফোন করে ব্যাংক কর্তা পরিচয় দিয়ে এটিএম কার্ডের তথ্য চাওয়া হয়। ওই ব্যক্তি তথ্য জানানোর পর ১ লক্ষ ৯৮৬ টাকা গায়েব হয়ে যায় অ্যাকাউন্ট থেকে। ঘটনার কথা জানিয়ে সল্টলেকের ইলেকট্রনিক্স কমপ্লেক্স থানায় অভিযোগ দায়ের করেন প্রতারিতর কন্যা। তদন্তে নেমে আসানসোল থেকে পিনাকি গাঁতাইত নামে এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তার কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন, সিম কার্ড, ব্যাংকের পাসবুক, আধার কার্ড ও এটিএম কার্ড উদ্ধার করা হয়েছে। এদিন তাকে আদালতে তোলা হবে। 

11:46:07 AM

আসানসোলে বাসের সঙ্গে ট্রাকের সংঘর্ষ, জখম ১৫ 

11:10:00 AM

হাওড়ায় সিগনাল বিভ্রাট, দেরিতে চলছে ট্রেন 

11:04:54 AM