বিশেষ নিবন্ধ
 

এই অরাজকতার রাজনীতি দিয়ে বাংলায় কল্কে পাওয়া যাবে

মেরুনীল দাশগুপ্ত:  দার্জিলিং এখনও অশান্ত। মাঝেমধ্যেই ফুঁসে উঠছে হামলা হাঙ্গামার ছোবল। সেনা টহলের পর বসিরহাটের আগুন নিভলেও চাপা উত্তেজনা এখনও যথেষ্ট। বসিরহাট এলাকায় জনজীবনের চেনা ছন্দ ফিরে এলেও ইন্টারনেট পরিষেবা আজও স্বাভাবিক হয়নি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সভা থেকে সভান্তরে শান্তি আমনের বার্তা দিয়ে চলেছেন, হাঙ্গামা হুজ্জোত দমনে কঠোর প্রশাসনিক পদক্ষেপের কথা বলছেন। উদ্বিগ্ন রাজ্যবাসী তাতে আশ্বস্ত বোধ করছেন ঠিকই, তবে পুরোপুরি নিশ্চিন্ত হতে পারছেন না। তার কারণ, তাঁরা ইতিমধ্যেই জেনে গিয়েছেন, কী দার্জিলিং কী বসিরহাট—কোনও ক্ষেত্রেই হামলা হাঙ্গামা স্বতঃস্ফূর্ত নয়। বরং, দুটি ক্ষেত্রেই অশান্তি বাধাতে ‘বাইরের শক্তি’ মদত দিয়েছে এবং দিয়েই চলেছে। এই বাইরের শক্তির মধ্যে যেমন জঙ্গিরা আছে তেমনি আছে বিচ্ছিন্নতাবাদী রাজনীতির কারবারিরা। রাজ্যের গোয়েন্দারা তো বটেই, সম্প্রতি খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতাও এই তথ্যে সিলমোহর দিয়েছেন। ফলে, স্বাভাবিকভাবেই রাজ্যবাসী বিশেষত বসিরহাটের মতো সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোর সাধারণ মানুষজনের মন থেকে আশঙ্কা উদ্বেগের মেঘ পুরোপুরি কাটছে না।
এর মধ্যেই মানুষজনের শঙ্কা একপ্রস্থ বাড়িয়ে দিয়েছে দেশ-শাসকের দুই প্রতিনিধির দুটি বক্তব্য। একজন বলছেন, বসিরহাট সামলাতে বাংলাকে গুজরাত করা হবে। এই বক্তব্য শোনার সঙ্গে সঙ্গেই যে মানুষজনের মনে গোধরাকাণ্ডের ভয়াবহ স্মৃতি জেগে উঠবে তা বলাই বাহুল্য। কারণ, বসিরহাটের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে যে সেই মহামতি শিল্পসমৃদ্ধ গুজরাতের কথা বলবেন না, তা বুঝিয়ে বলার অপেক্ষা রাখে না। আর এক মহাজন আবার আরও সরেস! আম্বেদকর পড়ে সংবিধান ঘেঁটে তাঁর ধারণা হয়েছে—আমাদের সংবিধান প্রণেতা বি আর আম্বেদকর যে ‘ছোট ছোট রাজ্য গঠনে’র পরামর্শ দিয়ে গিয়েছিলেন তার ভিত্তিতে দার্জিলিঙের গোর্খাদের পৃথক রাজ্যের দাবি খতিয়ে দেখা যেতেই পারে! মানে মোদ্দা কথা, আম্বেদকরকে শিখণ্ডী করে বাংলা থেকে দার্জিলিংকে বিচ্ছিন্ন করার, তথা বাংলা ভাগ ভেবে দেখা যেতেই পারে! ভাবুন কাণ্ড! এঁরা নাকি সব গেরুয়া শিবিরের মন্ত্রীসান্ত্রি! অবশ্য, যে দেশে একজন বিচারপতি নিদান দেন যে ময়ূর কার্যত অযোনিসম্ভব প্রাণী তার চোখের জল বীর্যবান, যে দেশে খাদ্যশৃঙ্খল মেনে গোমাংস ভোজন বা ঘরে সংরক্ষণ ‘অপরাধ’ এবং সে অপরাধের শাস্তি নির্মম পৈশাচিক মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে যে দেশে রামায়ণ মহাকাব্যকে বাস্তবিক ঘটনা হিসেবে ইতিহাস হিসেবে ধরে নিয়ে সংশোধন করার বাসনা চাগাড় দেয়—সে দেশে এমনটা অস্বাভাবিক কি!
কিন্তু, এ সবই তো রাজনীতির জন্য, রাজনৈতিক পরিসরে নিজেদের অহং এবং ক্ষমতার বাহাদুরি দেখাতে বলা বা করতে চাওয়া—তাই না? এই যে দার্জিলিং থেকে বসিরহাট অরাজকতা—এর পিছনেও কি রাজনীতি নেই? অবশ্য আছে। না হলে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা যেদিন দার্জিলিঙে ক্যাবিনেট মিটিং করছেন সেদিন গোর্খাদের আন্দোলন প্রতিবাদে যে দাবির দেখা মেলেনি পরবর্তীতে সেই গোর্খাল্যান্ডের দাবিটাই ফের একবার পাহাড়ে আগুন জ্বালাবার কাজে সামনে চলে এল কীভাবে? বিমল গুরুং এবং তাঁর সঙ্গীসাথিরা বাংলা ভাষা পাঠ্য করা (যদিও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রথমেই জানিয়ে দিয়েছিলেন, পাহাড়ে বাংলা আবশ্যিক পাঠ্য হবে না) এবং জিটিএ-র খরচখরচার হিসেব খতিয়ে দেখার রাজ্য সরকারি উদ্যোগ আপত্তি তুলে যে আন্দোলন করছিলেন তা আর বাংলার মুণ্ডচ্ছেদ করে পৃথক রাজ্য গঠনের দাবি কি এক? এই দাবিকে সামনে রেখে এর আগে যখন সুবাস ঘিসিং আন্দোলন করেছেন তখন তো এমনটা ঘটেনি! সেখানে গোর্খা সেন্টিমেন্ট ভাঙিয়ে দার্জিলিং পাহাড়ের জনজাতিদের ইতিহাস টেনে এনে গোর্খাদের জন্য দার্জিলিং ও সংশ্লিষ্ট জেলাগুলি নিয়ে আলাদা রাজ্যের দাবিটাই ছিল এক এবং অদ্বিতীয়। দাবিটা যে চূড়ান্ত অন্যায্য অনৈতিক এবং একেবারে বিচ্ছিন্নতাবাদী ছিল তা বলার অপেক্ষা রাখে না। কিন্তু, সেখানে অন্য দাবিতে আন্দোলন শুরু করে গোর্খাল্যান্ডের প্রসঙ্গে ফিরে আসা ছিল না।
এবার তো সেটাই দেখা গেল। কেন? বাংলা পাঠ্য করা বা জিটিএ-র জনগণের টাকা খরচের হিসেব চাওয়ার বিরোধিতা আমজনতার দরবারে তেমন সাড়া জাগাতে পারছিল না বলে! অথচ, ‘বাইরের শক্তি’ চাইছিল—পাহাড়ে অশান্তি জিইয়ে থাক! আর তাই স্পর্শকাতর ‘গোর্খাল্যান্ড’ ইস্যুকে পাহাড়ে অশান্তি অরাজকতা হাতিয়ার করার পরামর্শ এসেছিল ‘বাইরে’ থেকে!? এবং তাই প্রায় রাতারাতি গুরুং ও তাঁর বাহিনী পৃথক গোর্খাল্যান্ডের দাবিতে পথে নেমে পড়েছিলেন? নাহলে হিসেব মিলছে কোথায়? মনে করে দেখুন, এইবারের গোর্খাল্যান্ড আন্দোলন শুরুর ঠিক আগ দিয়ে বিমল গুরুঙের প্রতিনিধিরা কাদের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন কলকাতায়? তারপর আন্দোলন যখন তুঙ্গে বিমল গুরুংরা রাজ্য সরকারের সঙ্গে আলোচনার পথ বন্ধ করে কাদের সঙ্গে বৈঠক করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন! আজই বা কারা মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে পাহাড় সমস্যা নিয়ে গুরুংদের সঙ্গে আলোচনা করার অনুরোধ জানাচ্ছেন? প্রতিটি ক্ষেত্রেই উত্তর এক—দেশের শাসক বিজেপি, নরেন্দ্র মোদি সরকার।
এর পরিপ্রেক্ষিতে যদি আমরা সেই সরকারের ওই মহাজনের পরামর্শটি, মানে ওই আম্বেদকর ‘ছোট ছোট’ রাজ্য গঠনের পরামর্শ ইত্যাদি—তাহলে কি মনে হয় না বাংলা থেকে দার্জিলিংকে বিচ্ছিন্ন করার একটা প্রক্রিয়া কোথাও শুরু হয়ে গিয়েছে। কখনও আম্বেদকরের প্রসঙ্গ তুলে ‘ছোট রাজ্য’ গঠনের অজুহাতে কখনও দার্জিলিং অদূর ভবিষ্যতে কাশ্মীর হবে এই ভয়ভাবনা প্রচার করে তারই ভূমিকা করা হচ্ছে, বাংলার জনমনে তার প্রতিক্রিয়া যাচাই কারা হচ্ছে! নেহাত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো একজন মুখ্যমন্ত্রী আছেন এই বাংলায়, তাই রক্ষে। পশ্চিমবঙ্গের শান্তি সম্প্রীতি ও অখণ্ডতা রক্ষার এমন এক অটল অভিভাবক না থাকলে বাংলার মানুষের নস্টালজিয়া দার্জিলিঙের দশাটা কী হত—তা সহজেই অনুমেয়। অন্তত, পথেঘাটে বাংলার পাবলিক তো তাই বলছে। অন্যদিকে বসিরহাট নিয়েও একই কথা। সাম্প্রদায়িক উসকানি এবং জঙ্গি মদত ছাড়া সোশ্যাল মিডিয়ার একটা পোস্ট কেন্দ্র করে এত বড় ঘটনা এই বাংলায় কতটা সম্ভব তা নিয়েও সাধারণ জনমনে ধন্দ যথেষ্ট। ইউপি বা অন্যত্র এসব ঘটতে পারে কিন্তু বাংলার মতো শান্তি প্রীতিময় ধর্মীয় সহনশীলতার রাজ্যে এক বালখিল্যের বেয়াদপিতে এমন লঙ্কাকাণ্ড অসম্ভব।
তাই তো রাজ্যের সাম্প্রতিক দুই ঘটনা নিয়ে সন্দেহটা গাঢ়তর হচ্ছে রাজ্য-রাজনীতির মহলে, এমনকী আম জনতার মধ্যেও—এই অরাজকতার উদ্দেশ্যটা কী? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার এবং উন্নয়ন কর্মসূচিকে বিপর্যস্ত করা? ২০১৯-এর লক্ষ্যে ঘুঁটি সাজানো—চারদিক থেকে এমন অরাজকতার বাতাবরণ আরও ভয়াবহ হয়ে উঠলে কোনও সময় ৩৫৬ ধারার দাবি তোলা? এ দাবি অবশ্য এখনও উঠেছে, তবে খানিকটা নিচুস্বরে। কেননা, মুখ্যমন্ত্রী মমতা ও তাঁর প্রশাসনের তৎপরতা ও দক্ষতায় বসিরহাট খুব বেশিদূর ছড়াতে পারেনি। দার্জিলিঙেও সেনা নামিয়ে আন্দোলনের তোড় অনেকটাই কমিয়ে দিতে পেরেছেন তিনি। তবে, তা সত্ত্বেও ৩৫৬ ধারার দাবি তুলে হয়তো একটা রেফারেন্স তৈরি করে রাখা হল—ভবিষ্যতে যাতে বলা চলে ওই তো সতেরো সালের জুন-জুলাইতে...। দার্জিলিং এবং তার পর বসিরহাট—হাঙ্গামা সূত্রে বিজেপির দিল্লি কর্তা কৈলাস বিজয়বর্গীয় থেকে রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের কথায় মন্তব্যে ঠারেঠোরে তার ইঙ্গিত কি মিলছে না?
তাতে কী? পরিস্থিতি এখন এমন যে, বিমল গুরুং মুখ-মান বাঁচাতে পথ খুঁজছেন আর কেন্দ্র চাইছে মুখ্যমন্ত্রী মমতাই সেই পথ বাতলে দিন, তাঁদের সঙ্গে বৈঠকে বসুন। মজার কারবার আর কী! প্রথমে আন্দোলন হবে ঘরবাড়ি জ্বালানো হবে অফিসপত্তর তছনছ হবে মানুষ মরবে রাজ্যজুড়ে অশান্তি অরাজকতার হাওয়া উঠবে তারপর পুলিশ সেনা প্রশাসনের চাপে সেই তথাকথিত আন্দোলন ভেস্তে যাওয়ার মুখে পড়লে শান্তিবৈঠক করে আন্দোলনকারী নেতানেত্রীদের মান রক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে! কিন্তু মুশকিলটা হল, দার্জিলিঙে শান্তি প্রতিষ্ঠায় গত মঙ্গলবার দিঘার সভায় মুখ্যমন্ত্রী যে দৃঢ় এবং কড়া মনোভাব প্রকাশ করেছেন তারপর গুরুংদের সঙ্গে বৈঠক কতদূর সম্ভব তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। তার চেয়েও বড় কথা, মুখ্যমন্ত্রী সেখানে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, বাংলার ঘর জ্বালানোদের সঙ্গে কোনও সমঝোতা নয়। বাংলার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও অখণ্ডতার প্রশ্নে কোনও দ্বিতীয় ভাবনা প্রশ্রয় পাবে না তাঁর রাজত্বে। কিন্তু ভোট যে বড় বালাই। সেখানে তো ‘যার যাহা বল’। সে লাল হোক, তেরঙ্গা হোক, কী গেরুয়া—সব ক্ষেত্রেই শেষকথা সেটাই। প্রশ্ন কেবল একটাই—এই অরাজকতার রাজনীতি দিয়ে বাংলায় কি শেষ পর্যন্ত কল্কে পাওয়া যাবে?!
13th  July, 2017
মারের জবাব মার! এ কোন রাজনীতির কথা বলে গেলেন অমিত শাহ
শুভা দত্ত

 একটা পা ভাঙলে দুটো পা ভেঙে দিন। একটা হাত ভাঙলে দুটো হাত। কয়েকদিন আগে পুরুলিয়ার জয়পুরে এক জনসভায় এমনই নিদান দিয়েছেন রাজ্য বিজেপি’র সভাপতি দিলীপ ঘোষ। বলা বাহুল্য, ওই জনসভা ছিল আসলে বিজেপি’র স্থানীয় নেতা কর্মী সমর্থকদের সমাবেশ।
বিশদ

17th  September, 2017
কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে সার্বিক শিক্ষাব্যবস্থার হাল-হকিকত
শমিত কর

সম্প্রতি দেশের মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকর জানিয়েছেন, ২০১৬-এর ১ জানুয়ারি থেকে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতনক্রম পুনর্বিন্যাসের জন্য যে সুপারিশ বকেয়া রয়েছে তা শীঘ্রই প্রকাশ করা হবে।
বিশদ

17th  September, 2017
আমেরিকায় অনিদ্রা রোগ ও চিকিৎসা 

আলোলিকা মুখোপাধ্যায়: অনিদ্রার উপসর্গকে তখনই রোগ বলা যায়, যখন রাতের ঘুমের জন্যে পর্যাপ্ত সময় থাকা সত্ত্বেও কারওর ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে। প্রতি রাতে ঘুম আসতে দেরি হয়। মাঝরাতে ঘুম ভেঙে গেলে বাকি রাত প্রায় জেগেই কেটে যায়। রাতের পর রাত গভীর ঘুমের পরিবর্তে একরকম তন্দ্রাচ্ছন্ন ভাব থাকে, যার ফলে শরীর ও মস্তিষ্ক বিশ্রাম পায় না। পর্যাপ্ত ঘুমের অভাবে শরীর অসুস্থ হয়ে পড়ে। বিশদ

16th  September, 2017
টানাপোড়েনের পুজো 

অনিতা অগ্নিহোত্রী: নিম্নমধ্যবিত্তের পুজোর দিনগুলোতে একটুখানি মনখারাপ মিশে থাকত কি আলো আর বাজনার পাশাপাশি বয়ে চলা তিরতিরে একটা খোলা জলের স্রোতের মতন? নাকি, আমরা ছোটবেলাতেও একটু বেশি বেশি ভাবতাম? অসচ্ছলতার উল্লেখ বাবা-মা যথাসাধ্য আমাদের কান এড়িয়েই করতেন, তবু স্প্লিনটারের টুকরো টাকরা তো গায়ে এসে পড়বেই, যদি কেউ দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে যুদ্ধ দেখতে চায়!
বিশদ

16th  September, 2017
ভুল স্বীকারের বিকল্প রাজনীতি
সমৃদ্ধ দত্ত

 আমাদের সবথেকে বেশি সমস্যা হয় প্রকাশ্যে দুটি কথা বলতে। ১) ‘‘আমার ভুল হয়েছে, হ্যাঁ, ওটা আমারই ভুল কিংবা আমি ভুল করেছি।’’ আর ২) ‘‘আমার ঠিক জানা নেই।’’ তাই আমরা প্রথমেই এককথায় ভুল স্বীকারের তুলনায় বরং অনেক বেশিক্ষণ ধরে চেষ্টা করি যা বলেছি বা করেছি সেটা শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত মরিয়া হয়ে জাস্টিফাই করে যেতে যে ঠিকই বলেছি বা ঠিকই করেছি। আবার একইভাবে কোনও প্রশ্নের জবাবে চট করে প্রথমেই জানি না বলতেও বাধো বাধো ঠেকে।
বিশদ

15th  September, 2017
কালী-বেদান্তী

স্বামী আত্মবোধানন্দ : স্বামী অভেদানন্দের অপর নাম ‘কালী-বেদান্তী’। আশৈশব তাঁর বেদান্ত-দর্শনের প্রতি আগ্রহ। বেদান্ত মতকে তিনি গভীর নিষ্ঠা ও অধ্যবসায়ের সঙ্গে সাধনার দ্বারা রপ্ত করে আয়ত্ত করেছিলেন। জাগতিক স্থূল চিন্তা-ভাবনাকে ছেড়ে তিনি সূক্ষ্ম বৈদান্তিক বিবেক-বিচারে ডুবে থাকতেন সারাক্ষণ।
বিশদ

14th  September, 2017
মহরম ও বিসর্জন একইদিনে কি একান্তই অসম্ভব?
মোশারফ হোসেন

 একটি নির্দিষ্ট পরিকল্পনা অনুযায়ী গাইডলাইন তৈরি করুক প্রশাসন। বাংলার শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষের উপর ভরসা রাখুক। একের আবেগকে সম্মান দিতে গিয়ে অন্যের আবেগ আঘাতপ্রাপ্ত হওয়া ঠিক নয়। মহরমের শোভাযাত্রা ও প্রতিমা বিসর্জন দুই-ই হোক। সময় বেঁধে। দশমীর সন্ধ্যা থেকে একাদশীর ভোর পর্যন্ত বিসর্জন চলুক। তারপর সকাল থেকে গোটা দিনটি বাদ দিয়ে রাত আটটার পর ফের বিসর্জন। মাঝের বারো-চৌদ্দো ঘণ্টা নির্বিঘ্নে মহরমের শোভাযাত্রা রাজপথ পরিক্রমা করুক। বিসর্জন এবং মহরম শোভাযাত্রা—দুইয়ের জন্যই প্রশাসন নির্দিষ্ট রুট বেঁধে দিক।
বিশদ

12th  September, 2017
ডোকলাম শিক্ষা: নতুন রণকৌশল জরুরি
গৌরীশংকর নাগ

 ডোকলাম বিতর্কের দ্বিমাসাধিক সময়ে যখন ভারতের প্রতিবেশীরা আগ্রহ নিয়ে তাকিয়েছিল ভারতের পদক্ষেপের দিকে, তখন বলাই বাহুল্য দুর্বল ও ক্ষুদ্র প্রতিবেশীর কাছ থেকে ভারত যে সমর্থন পেয়েছে সেই দায় নিউ দিল্লি ঝেড়ে ফেলতে পারবে না। ঠিক যেমন ভারতকে তার ভুল নেপালনীতির জন্য এখন মাশুল গুনতে হচ্ছে। এই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে নিউ দিল্লি যেভাবে নতুন করে ঘুঁটি সাজাতে চাইছে (মোদির ‘প্রতিবেশী দেশকে সর্বাধিক গুরুত্ব দাও’-এর নীতি প্রসঙ্গত লক্ষণীয়) তাতেই চীনের গাত্রদাহ বেড়ে যাবার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
বিশদ

12th  September, 2017
একনজরে
চণ্ডীগড়, ১৯ সেপ্টেম্বর (পিটিআই): ডেরা সাচা সৌদার মুখপাত্র বিপাসনা ইনসানের দেওয়া তথ্য সূত্র ধরে হানিপ্রীত সিং ইনসানকে ধরার প্রয়াস আরও জোরদার করল হরিয়ানা পুলিশ। ডেরা প্রধান গুরমিত রাম রহিম সিং দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পরবর্তী সময়ে হরিয়ানায় যে হিংসা ছড়িয়েছিল, তার ...

পল্লব চট্টোপাধ্যায়  কলকাতা: রাস্তার পাশে পূর্ত দপ্তরের জমি থেকে দোকানদারদের উচ্ছেদ করতে রাজ্য সরকারের দাবিকে কার্যত মান্যতা দিল কলকাতা হাইকোর্ট। যে নির্দেশ অনুসরণে আগামী দিনে রাজ্যের অন্যত্রও এমন পদক্ষেপ করা হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ...

সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর: সোমবার রাতে ও মঙ্গলবার সকালে বিষ্ণুপুরের হুলামারা ও বিড়াইয়ে পৃথক পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল দু’জনের। প্রথম ঘটনায় লরির ধাক্কায় এক সাইকেল আরোহীর মৃত্যু হয়েছে। মৃতের নাম জান আলি চৌধুরি(৫৪)। তাঁর বাড়ি হুলামারা গ্রামেই। ...

নয়াদিল্লি, ১৯ সেপ্টেম্বর: ভারতে প্রতিরক্ষা সামগ্রী নির্মাণে আগ্রহী হলেও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণের রাশ ছাড়তে নারাজ মার্কিন সংস্থাগুলি। কারণ, ভারতীয় সংস্থাগুলির সঙ্গে যৌথ উদ্যোগের প্রকল্পে নির্মিত সামগ্রী ত্রুটিপূর্ণ হলে তার দায়ভার নিতে চাইছে না তারা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’তে ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চতর বিদ্যায় সফলতা আসবে। সরকারি ক্ষেত্রে কর্মলাভের সম্ভাবনা। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাফল্য আসবে। প্রেম-প্রণয়ে মানসিক অস্থিরতা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

 ১৯১৯- অভিনেতা জহর রায়ের জন্ম
১৯২১- সাহিত্যিক বিমল করের জন্ম
১৯২৪- গায়িকা সুচিত্রা মিত্রের জন্ম
১৯৬৫- মহাকাশচারী সুনীতা উইলিয়ামসের জন্ম

19th  September, 2017
ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.২৫ টাকা ৬৪.৯৩ টাকা
পাউন্ড ৮৫.৭০ টাকা ৮৮.৬৩ টাকা
ইউরো ৭৫.২৭ টাকা ৭৭.৯২ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
19th  September, 2017
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩০,২০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৮,৬৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৯,০৮০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৯,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৯,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২ আশ্বিন, ১৯ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার, চতুর্দ্দশী, পূর্ব ফল্গুনী দং ৪৩/৫২ রাত্রি ঘ ১১/১, সূ উ ৫/২৭/৫৭, অ ৫/৩৩/১১, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/১৫ মধ্যে পুনঃ ৭/৪ গতে ১১/৭ মধ্যে। রাত্রি ঘ ৭/৫৭ গতে ৮/৪৫ মধ্যে পুনঃ ৯/৩২ গতে ১১/৫৪ মধ্যে পুনঃ ১/৩০ গতে ৩/৫ মধ্যে পুনঃ ৪/৪০ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৬/৫৮ গতে ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ১/১ গতে ২/৩১ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৩ গতে ৮/৩২ মধ্যে।
২ আশ্বিন, ১৯ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার, চতুর্দ্দশী, পূর্বফল্গুনীনক্ষত্র ১১/৩৮/৪৭, সূ উ ৫/২৬/২৮, অ ৫/৩৪/২৮, অমৃতযোগ দিবা ৬/১৫/০ মধ্যে, ৭/৩/৩২- ১১/৬/১২, রাত্রি ৭/৫৬/৫২-৮/৪৪/২০, ৯/৩১/৪৮-১১/৫৪/১২, ১/২৯/৮-৩/৪/৪, ৪/৩৯/০-৫/২৬/২৮, বারবেলা ৬/৫৭/২৮-৮/২৮/২৮, কালবেলা ১/১/২৮-২/৩২/২৮, কালরাত্রি ৭/৩/২৮-৮/৩২/২৮। 
২৭ জেলহজ্জ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
জম্মু ও কাশ্মীরের বানিহালে এসএসবি-র ক্যাম্পে জঙ্গি হামলা, এক জওয়ানের মৃত্যু 

09:32:00 PM

দুর্গাপুরে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে টিকা দেওয়ার পর ২ শিশুর মৃত্যু

08:28:00 PM

এগরাতে মদের দোকানে ভাঙচুর, আগুন

08:27:00 PM

পশ্চিম মেদিনীপুরের গড়বেতা এলাকার শিলাবতী নদীতে ভাসান দিতে এসে তলিয়ে গেল ২ ছাত্র

07:19:00 PM

ভাড়া বৃদ্ধির দাবিতে ধর্মঘটে সুন্দরবনের বোট মালিকরা
বিভিন্ন দাবি দাওয়ার ভিত্তিতে আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ...বিশদ

07:10:00 PM

খারাপ আবহাওয়ার জন্য মুম্বই বিমানবন্দর থেকে একাধিক উড়ান বাতিল
বুধবার খারাপ আবহাওয়ার জন্য মুম্বই বিমানবন্দর থেকে ৬৩টি ...বিশদ

06:23:00 PM

মহারাষ্ট্রে ব্যাপক বৃষ্টি, জলমগ্ন একাধিক এলাকা

06:20:00 PM