বিশেষ নিবন্ধ
 

অনেক সংশয় আমাদের নিজেদের মধ্যেই, তাই এই স্পর্ধা সীমা ছাড়াচ্ছে

শাঁওলী মিত্র: আমরা বড় অদ্ভুত প্রাণী। আমাদের স্বভাবে বৈপরীত্যের কোনও সীমানা নেই। আমরা Social media ব্যবহার করি, smart phone, laptop, chat, internet ইত্যাদি ব্যাপারে আমরা খুবই আধুনিক। আবার বিপত্তারিণী পুজো, মানত, দরগা ইত্যাদি অন্ধ বিশ্বাসে আমরা মধ্যযুগীয়। অর্থাৎ বিজ্ঞান যতই উন্নতি করুক, যুক্তিনির্ভর করে তোলেনি মানুষকে। মানুষের ভিতরে এক অন্ধত্ব লালিত হচ্ছে অতি যত্নে।
আজ একটি ধর্মকে সামনে রেখে ভারতের ঐক্যকে ছারখার করে দেবার চেষ্টা করছে কিছু রাজনৈতিক গোষ্ঠী। আমরা, যারা যথেষ্ট সচেতন হয়ে উঠছি না, এর ভয়ংকরতায় তারাও কিন্তু সমানভাবে দায়ী। মানুষ যে মানুষ—একথা যদি ভুলে যাই তাহলে কি ‘মানুষ’ নামের যোগ্য থাকি আমরা? এই বিপদ আজকের নয়। যুগ যুগ ধরে লালন করেছি এ পাপ আমাদের মনের মধ্যে। ইংরেজ বিভেদ ঘটাতে সমর্থ হয়েছিল, কারণ আমাদের সংস্কারবিজড়িত মনকে তারা চালনা করতে পেরেছিল। আমরা যদি রুখে দাঁড়াতাম, তাহলে কি এমন বিভেদ ঘটত? রবীন্দ্রনাথের কথায়—‘আমার দেশ যদি ভারতবর্ষ হয়, তার মধ্যে হিন্দুও আছে, মুসলমানও আছে।’
মুসলিম আক্রমণ এবং সাম্রাজ্য বিস্তারের পর আজ কয়েক শতক পেরিয়ে গিয়েছে। আজ একুশ শতকের দ্বিতীয় দশকে দাঁড়িয়ে যখন ‘উচ্চজাত-ছোটজাত’, ‘হিন্দু-মুসলমান’ ইত্যাদি বিভেদের গণ্ডি টানা এত বাড়াবাড়ির পর্যায়ে পৌঁছায় তখন আশ্চর্য লাগে আমাদের। ‘গোরক্ষা’র নামে যে তাণ্ডব শুরু হয়েছে দেশজুড়ে, যেখানে সাধারণ গুন্ডার দল হাতে তুলে নিচ্ছে আইন, তা তারা পারছে কী করে? ক্ষমতার প্রচ্ছন্ন কিংবা সরাসরি প্রশ্রয় আছে বলেই তো! রাস্তা দিয়ে একজন গোরু নিয়ে যাচ্ছে, সে ধর্মে মুসলমান, অতএব তাকে মারো! একটি গ্রামের একজন দুধের ব্যবসায়ী—তার গাভি বার্ধক্যে গত হয়েছে—তাকে ভাগাড়ে ফেলা হয়েছে। এ তো কোনও নতুন ঘটনা নয়! বহু বছরের সামাজিক প্রথা। সে দুধ-ব্যবসায়ী ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসী বলেই কি এত ক্ষোভ হল যে তার বাড়ি পুড়িয়ে দিতে হল! মারের চোটে তাকে হাসপাতালে ভরতি হতে হল? তার গ্রামে তো এ নিয়ে কোনও ঝঞ্ঝাট ছিল না এতকাল। হিন্দু মুসলমান নির্বিশেষে তার কাছ থেকে দুধ কিনেছে।
যাঁরা মার খাচ্ছেন তাঁরা বলছেন, ‘এরা গ্রামের নয়। এরা বাইরের গুন্ডা।’—খবর এসেছে, উত্তরবঙ্গে ভিন্‌ প্রদেশের কিছু অপরিচিত মুখ দাঙ্গা বাধাবার চেষ্টায় প্রবেশ করেছে। এ-অনুপ্রবেশ ঘটল কী করে? তাহলে কি রক্ষকের ভূমিকায় যে প্রহরীরা আছেন তাঁরাও এই নিধনের ভূমিকায় বিশ্বাসী? এই হিংসাকে অধুনা ভয়ংকর ভাবে প্ররোচনা দেওয়া হচ্ছে। এই ভারতবর্ষকে হিন্দুরাজ্য বানানোর প্রয়াসে দাঙ্গাপ্রেমীদের তৎপরতা ধিক্কারের ভাষা জোগায় না।
অতীতের দিকে নজর দিলে আমরা দেখব, ধর্মীয় রাজনীতি আমাদের দেশে নতুন নয়। মুসলমান-ক্রিশ্চানের ‘ক্রুসেড’ও বিভীষিকা রচনা করেছে এ বিশ্বে অনেক যুগ আগেই। ভয়—এই বর্তমান সময়ে আমেরিকা থেকে শুরু করে বহু দেশ এই ভেদাভেদকে গুরুত্ব দিচ্ছেন বলে। দাড়ি, বিশেষ টুপি বা লুঙ্গি জাতীয় পোশাক দেখলেই তারা সন্দেহের গণ্ডিতে চলে আসবে। কে ঠিক করে দিল এই নীতি? যিশু? আল্লাহ্‌? তেত্রিশ কোটি? যাঁরা কুসংস্কার ত্যাগ করে আমাদের বাঁচতে শিখিয়েছেন তাঁরা কি এতই ব্রাত্য আমাদের সমাজে? তাঁদের মধ্যে অনেকেই মহাপুরুষের মর্যাদা পেয়েছেন। তাঁরা ধর্মবিভেদের বিষাক্ত পরিবেশ থেকে দূরে থাকতে শিখিয়েছেন দেশের মানুষকে। আজ তাঁদের অমান্য করে স্পর্ধা দেখাবার মতো সাহস আমাদের হল কী করে?
আমাদের নিজেদের মধ্যেই যে অনেক সংশয় আছে এবং সেই জন্যই যে এই স্পর্ধা সীমা ছাড়াচ্ছে তাতে কোনও সন্দেহ নেই আমার। এবং আমাদের অনেকেরই। একথা প্রথম টের পেয়েছিলাম বাবরি মসজিদ নিয়ে গোলমালের সময়ে। আমাদের শহরের শিক্ষিত সম্প্রদায়ের অনেকেই সেদিন মসজিদ ভাঙাকে সমর্থন করছেন দেখে অবাক মেনে ছিলাম। অবাক হয়ে দেখেছিলাম দাঙ্গা সংযত করতে শেষাবধি সক্ষম হলেও তদানীন্তন বামপন্থী সরকার বারোয়া঩রি পূজার সংখ্যা বাড়াতে দ্বিধা করেননি। আমাদের পূজনীয় সাহিত্য সৃষ্টিকারেরা তাকে সমর্থন করেছিলেন।
আর আমাদের কারওর কারওর স্মরণ থাকতে পারে এর পর থেকেই পাড়ায় শনি পুজো কীরকম বৃদ্ধি পেয়েছিল। স্মরণে থাকতে পারে ধর্মীয় উৎসবে লাউড স্পিকারের ব্যবহার কবে থেকে অবধারিত হয়ে উঠল। আমরা ভুলে গেলাম ঈশ্বর বা আল্লাহ্‌ ব঩ধির নন। মনে মনে তাঁর আরাধনা করলেও তাঁর শোনবার হলে তিনি শুনবেন। স্পিকারে পাড়া অতিষ্ঠ করে ফিল্মি গান বাজিয়ে নেশাগ্রস্ত হয়ে কোমর বাঁকিয়ে নৃত্য করলে তবে তিনি সন্তুষ্ট হবেন এমন কিন্তু নয়।
কী ভয়ংকর সেই অবস্থা যখন এই ভারতবর্ষ ‘হিন্দুর দেশ’ প্রমাণ করবার জন্য ‘হিন্দু’ নামের উৎসের অদ্ভুত ব্যাখ্যা শোনা যায় ক্ষমতার অলিন্দ থেকে। দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠের মুখে কিন্তু প্রতিবাদের ভাষা জোরালো হয়ে ওঠে না। কেউ বলেন না—‘হিন্দু’ শব্দের উৎপত্তির ইতিহাসটি একটু পড়ে দেখলে হয় না?—কে বলবে? কাকে বলবে? মধ্যবিত্তের সংসারে স্বকর্ণে আলোচনা শুনেছি—মুসলমানেরা এত সংখ্যায় সন্তানের জন্ম দিচ্ছে যে হিন্দুর সংখ্যা অচিরেই লুপ্ত হবে। আর সেই জন্যেই তারা শত্রুপক্ষ এমনই ভাব সবাকার। —এসব আলোচনা কাছের মানুষের মুখে শুনলে ধিক্কার দিতে ইচ্ছে করবে না?
স্বাধীনতার পূর্বে এবং পরে বিভেদ সৃষ্টিকারীরা ঘটিয়েছিল এই ভেদাভেদ। যার ফলে দেশবিভাগের সিদ্ধান্ত অনিবার্য হয়ে উঠল। এবং এই বিভাজনে যে কত মানুষের সর্বনাশ হল আজও বুঝি তার সঠিক গণনা হয়নি। তারপরে স্বাধীনতার পরে যখন নির্বাচন শুরু হল তখন একটি পাড়ায় সংখ্যাগরিষ্ঠ কোন ধর্মের তার বিচারে পাড়ায় প্রার্থী দাঁড় করানোই রীতি হয়ে উঠল। আমাদের সমাজও তো একেই ‘স্বাভাবিক নিয়ম’ হিসাবে স্বীকার করে নিয়েছে। আমরা যাকে civil society বলি, তাঁদের মধ্যে থেকে, আমার জ্ঞানে অন্তত, আমি কেউ এর প্রতিবাদ করেছেন বলে শুনিনি। বামপন্থীরাও তো ভোটে জেতার জন্য একই নিদান অনুসরণ করেছেন। শুরু থেকেই।
আজ, এই ২০১৭-তে, আমাদের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ‘দলিত’ পরিচয় ব্যবহার করে রাজনীতি ক্ষেত্রে লড়াই চলেছে। যিনি আমাদের রাষ্ট্রপ্রধান হবেন তাঁর পরিচয় কি কেবল তাঁর জন্মকুণ্ডলী অনুসরণ করে? তাঁর গুণাগুণের চেয়ে বেশি বিচার্য তাঁর জাতধর্ম? আজ সকলে এই ‘রাজনীতির খেল’ ঩নিয়ে হাসাহাসি করছেন! কই, কোনও বিদ্বজ্জন দৃঢ়স্বরে তো বলছেন না, পাণ্ডিত্য তথা প্রজ্ঞাকে অবজ্ঞা করে এ এক বড় নোংরা খেলা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের? দেশের মানুষের এই পথে সায় আছে কি না তাও কি খেয়াল করা হচ্ছে? তাই লজ্জায় মাথা হেঁট হয়।
মুসলিম ধর্মাবলম্বী হলে যে একটি মানুষ তাঁর ইচ্ছানুসারে যে-কোনও পাড়ায় বসবাস করতে পারেন না, তাকে বাড়ি ভাড়া দেওয়া হয় না—এসব তো অনেক দিনের পাপ। আমাদের এই কলকাতা শহরেই। তাই স্বামী-স্ত্রী ভিন্ন ধর্মাবলম্বী হলে হোটেলে তাঁদের ঘরভাড়া দেওয়া হচ্ছে না—এ খবরে আমরা খুব চমকিত হই কি? উদার কলকাতাই কি দেখে আসেনি বছরের পর বছর অনুরূপ ছবি? নাগরিক অধিকার লঙ্ঘনের এই ছবি নিয়ে ক’জন প্রতিবাদ করেছি আমরা? তারই সুযোগ গ্রহণ করছে আজকের কট্টর পন্থীরা। যাঁরা সর্বধর্মকে সম্মান দেওয়ার চেষ্টা করছেন তাঁরা হয়ে উঠছেন আক্রমণের লক্ষ্য। তাঁরা ‘ভণ্ড’, ‘ন্যাকা’ এবং ‘বিধর্মী’! যাঁরা এসব কথা বলেন তাঁরা তবে প্রকাশ করুন সত্যিই ভারতবর্ষ নামক এই দেশটিকে তাঁরা কী উপায়ে সম্মান জানাতে চান।
এ নিবন্ধ যখন লেখা হচ্ছে তখন রাজ্য রাজনীতি এই বিষয় নিয়ে উত্তপ্ত। যখন এ লেখা প্রকাশিত হবে তখন ঘটনা কোন দিকে বাঁক নেবে আমরা জানি না। কোন কথার টিকেয় কোন চালে আগুন লাগাবে তা তো বুঝতে পারি না। তবে আমাদের জীবনযাপনে যে অন্ধকার বাস করছে তাকে আলোতে উদ্‌ঘা঩টিত করে নির্মূল করার কথাটি বোধহয় প্রাসঙ্গিক থেকেই যাবে।
13th  July, 2017
 স্বায়ত্তশাসন ব্যবস্থার সঙ্গে গুটিকয় নেতার নয়, সমস্ত পাহাড়বাসীর আত্মার সম্পর্ক প্রয়োজন

 বিশ্বনাথ চক্রবর্তী : মাসাধিককাল অতিক্রম করলেও এখন পাহাড় স্তব্ধ। দোকানপাট, বাজারহাট থেকে চা শিল্প সমস্তই প্রায় বন্ধ। পানীয় জল থেকে খাবার, জীবনদায়ী ওষুধসহ প্রায় সব কিছুরই হাহাকার। তবুও আন্দোলনকারীরা তাঁদের দাবিতে অনড়। তাঁরা শুধু কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে কথা বলতে চাইছেন গোর্খাল্যান্ডের দাবি নিয়ে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিংসা ছেড়ে আলোচনার প্রস্তাব দিলেও তাঁরা সাড়া দেননি, বরং বন্‌ধ চালিয়ে যাওয়ারই সিদ্ধান্তে অনড় রয়েছেন। এই অবস্থায় আলোচনার পথ খুলবে কে?
বিশদ

পাশ-ফেল: বিতর্ক জিইয়ে রেখেই আট বছর পরে বোধোদয় কেন্দ্রের

নিমাই দে : দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য দরকার সঠিক গুণমানের শিক্ষার। এই বাস্তব সত্যটা বুঝতে কেন্দ্রের নয় নয় করে আট বছর লেগে গেল! কারণ উপরের কথাটা কোনও নীতিবাক্য নয়। কোনও মনীষীর বাণীও নয়। কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়নমন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকর সম্প্রতি গুয়াহাটিতে এক অনুষ্ঠানে গিয়ে গুণমানসমৃদ্ধ শিক্ষার এমনই প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে তাঁর উপলব্ধির কথা প্রকাশ করেছেন।
বিশদ

কেন্দ্রীয় নীতিতে পাট শিল্প ধুঁকছে, মরছে চাষি-শ্রমিক, ভরসা মমতা
নির্মাল্য মুখোপাধ্যায়

 প্রণব মুখোপাধ্যায় আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেউই কেন্দ্রীয় ক্যাবিনেটে নেই। তাই ২০১৩ সাল থেকে অনাথ হয়ে গিয়েছে রাজ্যের পাট চাষ আর শিল্প। ওই বছর থেকেই পুরোদমে পাট শিল্পের ওপর শুরু হয়েছে বিভিন্ন নিয়ম-নীতির আরোপ যা অনেকটা পুলিশি নজরদারির মতো বলা চলে। মমতা আর প্রণববাবু রাজ্যের পাট শিল্পের ৩ কোটি চাষি ও শ্রমিককে সবসময় আগলে রাখতেন। কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত নেওয়ার জায়গায় তাঁরা না থাকায় পাট শিল্পে আজ বাজছে বেদনার সুর।
বিশদ

27th  July, 2017
রবীন্দ্রনাথ থেকে অমর্ত্য: রবার যেটা সেটা রবেই
মেরুনীল দাশগুপ্ত

রবীন্দ্র-অমর্ত্য নিয়ে সংঘচালকদের প্রসঙ্গ উঠতেই কেন যে তিনি ওই অনুবাদ প্রসঙ্গ তুললেন—বলা বিপজ্জনক! কেবল কবির কথায় বলা চলে—রইলো বলে রাখলে কারে, হুকুম তোমার ফলবে কবে?/ তোমার টানাটানি টিকবে না ভাই, রবার যেটা সেটাই রবে। বলতে কী, যেভাবে করার চেষ্টা হচ্ছে, সেভাবে কিছুই হবে না। বড়জোর ওই—গ্রাউন ভালোবাসে ফিগুরিসকে! তাতে স্বচ্ছ ভারতের মুখে ছায়াকালিমাই শুধু বাড়বে। আমরা নিশ্চিত, রবীন্দ্রনাথ থেকে অমর্ত্য, রামায়ণ থেকে রাজনীতি—শেষ পর্যন্ত রবার যেটা সেটা রবেই। জাভড়েকর সেটা খানিক বুঝেছেন বলেই হয়তো সামলে নিয়েছেন। পহেলাজরা বুঝবেন কবে!
বিশদ

27th  July, 2017
দার্জিলিং জেলাকে পৃথক একটি রাজ্য করার দাবি সম্পূর্ণ অবাস্তব
শমিত কর

বিগত প্রায় তিন দশক ধরে পৃথক রাজ্য হিসাবে দার্জিলিংকে গড়ার দাবিতে পাহাড়বাসী রণং দেহি ভূমিকা নিচ্ছে। উত্তরে কাশ্মীর পরিস্থিতির মতো আমাদের রাজ্যের এই পাহাড়ি অঞ্চলের অবস্থা এক মারাত্মক আকার নিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে কাশ্মীরে যে জঙ্গি নাশকতা ধারাবাহিকভাবে চলেছে তার পিছনে পাকিস্তানের মদত কোনও নতুন কথা নয়।
বিশদ

25th  July, 2017
আপনিই সর্বশক্তিমান, তবু দেশজুড়ে এত অস্থিরতা কেন মোদিসাহেব?
হিমাংশু সিংহ

ক্ষমতায় থাকলে বুদ্ধিমান চতুর শাসকেরও বুদ্ধিবৃত্তি লোপ পায়। দম্ভে, অহংকারে মাটিতে পা পড়ে না। বিরোধিতা দেখলেই নেমে আসে দমন, পীড়ন। পুলিশ লেলিয়ে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো থেকে মিথ্যা অভিযোগে জেলে বন্দি করে রাখা... আরও কত কী! আজকের পশ্চিমবঙ্গে গত বেশ কিছুদিন ধরেই কেন্দ্রের মোদি সরকারের বদান্যতায় যা দস্তুর।
বিশদ

25th  July, 2017
বইই প্রণব মুখোপাধ্যায়ের মুক্তির জগৎ

পঙ্কজ সাহা : রাষ্ট্রপতি ভবন বলতে মনের মধ্যে যে ধারণা ছিল সেটা একেবারে বদলে গেল দিল্লির রাইসিনা হিলসে রাষ্ট্রপতি ভবনে পৌঁছানোর পরে। কলকাতা থেকে ভারতের রাজধানী দিল্লিতে চলে যাওয়ার পরে ব্রিটিশ আমলে যে বিরাট প্যালেসটি দিল্লির রাইসিনা হিলসে নির্মিত হয়েছিল ভাইসরয় প্যালেস হিসেবে এবং ভারতের স্বাধীনতার পরে যেটি রাষ্ট্রপতি ভবন হিসেবে চিহ্নিত হয়, সেই বিরাট প্যালেসটির ছবিই মনের মধ্যে মুদ্রিত ছিল রাষ্ট্রপতি ভবন হিসেবে।
বিশদ

24th  July, 2017
রূপা-কাহিনি, সিনেমার মতো

সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায় : কথায় বলে, লঙ্কায় যে যায় সে-ই হয় রাবণ। এই কথাটাই একটু ঘুরিয়ে হয়তো বলা যায়, দেশের সব রাজ্যেই শাসক দলের চরিত্র সম্ভবত এক ও অভিন্ন। না হলে কর্ণাটকের ‘ডিআইজি প্রিজন’ ডি রূপার হাল এমন হত না। সুদর্শনা ও নির্ভয়া তরুণী রূপাকে কারা বিভাগের দায়িত্ব থেকে রাজ্যের কংগ্রেসি মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধারামাইয়া সরিয়ে দিয়েছেন।
বিশদ

23rd  July, 2017
শহিদ দিবসের মঞ্চ থেকে ২০১৯ যুদ্ধের রণদামামা বাজিয়ে দিলেন মমতা

শুভা দত্ত : কৌতূহল ছিল সকলেরই। বিপুল কৌতূহল। ২১ জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে কী বলবেন তিনি, কী বার্তা দেবেন—তা নিয়ে আসমুদ্র হিমাচল বাংলায় আগ্রহের অন্ত ছিল না। তাঁর পূর্ববর্তী বক্তাদের কারও কারও কথাতেও রাজ্যবাসী মানুষজনের সেই আগ্রহ কৌতূহলের আভাস মিলেছিল। 
বিশদ

23rd  July, 2017



একনজরে
বিএনএ, বারাসত: এই প্রথমবার বাংলাদেশ এবং ভারত সরকারের যৌথ উদ্যোগে সপ্তাহের সাতদিনই টানা ২৪ ঘণ্টা পেট্রাপোল-বেনাপোল সীমান্তে ‘ননস্টপ’ আমদানি-রপ্তানি পরিষেবা চালু হচ্ছে। বাংলাদেশ সরকার ভারত সরকারের শুল্ক দপ্তরকে চিঠি দিয়ে জানিয়ে দিয়েছে, আগামী ১ আগস্ট এই নতুন পরিষেবা শুরু হবে। ...

শিলং, ২৭ জুলাই (পিটিআই): হাতি সংরক্ষণ করার লক্ষ্যে শীঘ্রই মউ স্বাক্ষর হতে পারে ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে। বৃহস্পতিবার দু’দেশের আধিকারিকরা শিলংয়ে একটি বৈঠকে বসেন। সেখানেই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। এদিন পশ্চিমবঙ্গ, অসম, মেঘালয়, ত্রিপুরার বন দপ্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে বাংলাদেশের ১১ ...

জেরুজালেম, ২৭ জুলাই: প্রবল সমালোচনার চাপে আল-আকসা মসজিদ থেকে মেটাল ডিটেক্টর সরিয়ে নেওয়ার একদিন পর এবার বাকি নিরাপত্তাও সরিয়ে নিয়েছে ইজরায়েল। তুমুল বিক্ষোভ আর প্রতিরোধের মুখে অবশেষে বৃহস্পতিবার আল-আকসার প্রবেশপথ থেকে নিরাপত্তা বেষ্টনী ও গেটগুলি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। প্রবেশ পথে ...

শ্রীনগর, ২৭ জুলাই (পিটিআই): কাশ্মীরে ফের জঙ্গি অনুপ্রবেশ রুখে দিল সীমান্ত রক্ষা বাহিনী। জম্মু-কাশ্মীরের বান্দিপোরায় অনুপ্রবেশের সময় সেনার গুলিতে তিন জঙ্গি প্রাণ হারিয়েছে বলে খবর। ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মপ্রার্থীদের কোনও চুক্তিবদ্ধ কাজে যুক্ত হবার যোগ আছে। ব্যাবসা শুরু করা যেতে পারে। বিবাহের যোগাযোগ ... বিশদ



ইতিহাসে আজকের দিন

 ১৮৪৪- ব্রিটিশ বিজ্ঞানী জন ডালটনের মৃত্যু
১৯৬০- শিবসেনা প্রধান উদ্ধব থ্যাকারের জন্ম
১৯৯২- অভিনেতা আমজাদ খানের মৃত্যু
২০১৫- প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি এপিজে আবদুল কালামের মৃত্যু

27th  July, 2017


ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৪০ টাকা ৬৫.০৮ টাকা
পাউন্ড ৮৩.০৫ টাকা ৮৫.৯১ টাকা
ইউরো ৭৪.১৮ টাকা ৭৬.৭৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৯,০১০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৭,৫২৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৭,৯৪০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৬০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৭০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১২ শ্রাবণ, ২৮ জুলাই, শুক্রবার, পঞ্চমী দিবা ৬/৩৯, হস্তানক্ষত্র অহোরাত্র, সূ উ ৫/১০/৪০, অ ৬/১৬/৪, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৫ পুনঃ ৭/৪৭-১০/২৪ পুনঃ ১/১-২/৪৬ পুনঃ ৪/৩১-অস্তাবধি, বারবেলা ৮/২৬-১১/৪৩, কালরাত্রি ৮/৫৯-১০/২১।
১১ শ্রাবণ, ২৮ জুলাই, শুক্রবার, পঞ্চমী ৯/৩৬/১৬, উত্তরফাল্গুনীনক্ষত্র ৮/২৩/৫৯, সূ উ ৫/৭/৮, অ ৬/১৮/২০, অমৃতযোগ ৬/৫২/৩৮, ৭/৪৫/২২-১০/২৩/৩৭, ১/১/৫১-২/৪৭/২১, ৪/৩২/৫০-৬/১৮/২০, রাত্রি ৭/৪৪/৫০-৯/১১/২১, ২/৫৭/২২-৩/৪০/৩৮, বারবেলা ৮/২৪/৫৬-১০/৩/৫০, কালবেলা ১০/৩/৫০-১১/৪২/৪৪, কালরাত্রি ৯/০/৩২-১০/২১/৩৮।
 ৪ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
গল টেস্ট: শ্রীলঙ্কা ২৮৯/৮ (মধ্যাহ্নভোজের বিরতি) 

12:14:11 PM

প্রবীণ সিপিএম নেতা তথা প্রাক্তন এমপি মানিক সান্যাল প্রয়াত 

12:11:00 PM

গুজরাতে ইস্তফা আরও ২ কংগ্রেস বিধায়কের 

11:50:00 AM

সল্টলেকে ফের এটিএম কার্ডের পিন জেনে প্রতারণা, ধৃত ১ 
ফের ব্যাংক কর্তা পরিচয় দিয়ে ফোন করে এটিএম কার্ডের পিন জেনে লক্ষাধিক টাকা গায়েব। ঘটনায় আসানসোল থেকে এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত ১৯ ফেব্রুয়ারি নয়াপট্টির বাসিন্দা এক ব্যক্তিকে ফোন করে ব্যাংক কর্তা পরিচয় দিয়ে এটিএম কার্ডের তথ্য চাওয়া হয়। ওই ব্যক্তি তথ্য জানানোর পর ১ লক্ষ ৯৮৬ টাকা গায়েব হয়ে যায় অ্যাকাউন্ট থেকে। ঘটনার কথা জানিয়ে সল্টলেকের ইলেকট্রনিক্স কমপ্লেক্স থানায় অভিযোগ দায়ের করেন প্রতারিতর কন্যা। তদন্তে নেমে আসানসোল থেকে পিনাকি গাঁতাইত নামে এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তার কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন, সিম কার্ড, ব্যাংকের পাসবুক, আধার কার্ড ও এটিএম কার্ড উদ্ধার করা হয়েছে। এদিন তাকে আদালতে তোলা হবে। 

11:46:07 AM

আসানসোলে বাসের সঙ্গে ট্রাকের সংঘর্ষ, জখম ১৫ 

11:10:00 AM

হাওড়ায় সিগনাল বিভ্রাট, দেরিতে চলছে ট্রেন 

11:04:54 AM