বিশেষ নিবন্ধ
 

অনেক সংশয় আমাদের নিজেদের মধ্যেই, তাই এই স্পর্ধা সীমা ছাড়াচ্ছে

শাঁওলী মিত্র: আমরা বড় অদ্ভুত প্রাণী। আমাদের স্বভাবে বৈপরীত্যের কোনও সীমানা নেই। আমরা Social media ব্যবহার করি, smart phone, laptop, chat, internet ইত্যাদি ব্যাপারে আমরা খুবই আধুনিক। আবার বিপত্তারিণী পুজো, মানত, দরগা ইত্যাদি অন্ধ বিশ্বাসে আমরা মধ্যযুগীয়। অর্থাৎ বিজ্ঞান যতই উন্নতি করুক, যুক্তিনির্ভর করে তোলেনি মানুষকে। মানুষের ভিতরে এক অন্ধত্ব লালিত হচ্ছে অতি যত্নে।
আজ একটি ধর্মকে সামনে রেখে ভারতের ঐক্যকে ছারখার করে দেবার চেষ্টা করছে কিছু রাজনৈতিক গোষ্ঠী। আমরা, যারা যথেষ্ট সচেতন হয়ে উঠছি না, এর ভয়ংকরতায় তারাও কিন্তু সমানভাবে দায়ী। মানুষ যে মানুষ—একথা যদি ভুলে যাই তাহলে কি ‘মানুষ’ নামের যোগ্য থাকি আমরা? এই বিপদ আজকের নয়। যুগ যুগ ধরে লালন করেছি এ পাপ আমাদের মনের মধ্যে। ইংরেজ বিভেদ ঘটাতে সমর্থ হয়েছিল, কারণ আমাদের সংস্কারবিজড়িত মনকে তারা চালনা করতে পেরেছিল। আমরা যদি রুখে দাঁড়াতাম, তাহলে কি এমন বিভেদ ঘটত? রবীন্দ্রনাথের কথায়—‘আমার দেশ যদি ভারতবর্ষ হয়, তার মধ্যে হিন্দুও আছে, মুসলমানও আছে।’
মুসলিম আক্রমণ এবং সাম্রাজ্য বিস্তারের পর আজ কয়েক শতক পেরিয়ে গিয়েছে। আজ একুশ শতকের দ্বিতীয় দশকে দাঁড়িয়ে যখন ‘উচ্চজাত-ছোটজাত’, ‘হিন্দু-মুসলমান’ ইত্যাদি বিভেদের গণ্ডি টানা এত বাড়াবাড়ির পর্যায়ে পৌঁছায় তখন আশ্চর্য লাগে আমাদের। ‘গোরক্ষা’র নামে যে তাণ্ডব শুরু হয়েছে দেশজুড়ে, যেখানে সাধারণ গুন্ডার দল হাতে তুলে নিচ্ছে আইন, তা তারা পারছে কী করে? ক্ষমতার প্রচ্ছন্ন কিংবা সরাসরি প্রশ্রয় আছে বলেই তো! রাস্তা দিয়ে একজন গোরু নিয়ে যাচ্ছে, সে ধর্মে মুসলমান, অতএব তাকে মারো! একটি গ্রামের একজন দুধের ব্যবসায়ী—তার গাভি বার্ধক্যে গত হয়েছে—তাকে ভাগাড়ে ফেলা হয়েছে। এ তো কোনও নতুন ঘটনা নয়! বহু বছরের সামাজিক প্রথা। সে দুধ-ব্যবসায়ী ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসী বলেই কি এত ক্ষোভ হল যে তার বাড়ি পুড়িয়ে দিতে হল! মারের চোটে তাকে হাসপাতালে ভরতি হতে হল? তার গ্রামে তো এ নিয়ে কোনও ঝঞ্ঝাট ছিল না এতকাল। হিন্দু মুসলমান নির্বিশেষে তার কাছ থেকে দুধ কিনেছে।
যাঁরা মার খাচ্ছেন তাঁরা বলছেন, ‘এরা গ্রামের নয়। এরা বাইরের গুন্ডা।’—খবর এসেছে, উত্তরবঙ্গে ভিন্‌ প্রদেশের কিছু অপরিচিত মুখ দাঙ্গা বাধাবার চেষ্টায় প্রবেশ করেছে। এ-অনুপ্রবেশ ঘটল কী করে? তাহলে কি রক্ষকের ভূমিকায় যে প্রহরীরা আছেন তাঁরাও এই নিধনের ভূমিকায় বিশ্বাসী? এই হিংসাকে অধুনা ভয়ংকর ভাবে প্ররোচনা দেওয়া হচ্ছে। এই ভারতবর্ষকে হিন্দুরাজ্য বানানোর প্রয়াসে দাঙ্গাপ্রেমীদের তৎপরতা ধিক্কারের ভাষা জোগায় না।
অতীতের দিকে নজর দিলে আমরা দেখব, ধর্মীয় রাজনীতি আমাদের দেশে নতুন নয়। মুসলমান-ক্রিশ্চানের ‘ক্রুসেড’ও বিভীষিকা রচনা করেছে এ বিশ্বে অনেক যুগ আগেই। ভয়—এই বর্তমান সময়ে আমেরিকা থেকে শুরু করে বহু দেশ এই ভেদাভেদকে গুরুত্ব দিচ্ছেন বলে। দাড়ি, বিশেষ টুপি বা লুঙ্গি জাতীয় পোশাক দেখলেই তারা সন্দেহের গণ্ডিতে চলে আসবে। কে ঠিক করে দিল এই নীতি? যিশু? আল্লাহ্‌? তেত্রিশ কোটি? যাঁরা কুসংস্কার ত্যাগ করে আমাদের বাঁচতে শিখিয়েছেন তাঁরা কি এতই ব্রাত্য আমাদের সমাজে? তাঁদের মধ্যে অনেকেই মহাপুরুষের মর্যাদা পেয়েছেন। তাঁরা ধর্মবিভেদের বিষাক্ত পরিবেশ থেকে দূরে থাকতে শিখিয়েছেন দেশের মানুষকে। আজ তাঁদের অমান্য করে স্পর্ধা দেখাবার মতো সাহস আমাদের হল কী করে?
আমাদের নিজেদের মধ্যেই যে অনেক সংশয় আছে এবং সেই জন্যই যে এই স্পর্ধা সীমা ছাড়াচ্ছে তাতে কোনও সন্দেহ নেই আমার। এবং আমাদের অনেকেরই। একথা প্রথম টের পেয়েছিলাম বাবরি মসজিদ নিয়ে গোলমালের সময়ে। আমাদের শহরের শিক্ষিত সম্প্রদায়ের অনেকেই সেদিন মসজিদ ভাঙাকে সমর্থন করছেন দেখে অবাক মেনে ছিলাম। অবাক হয়ে দেখেছিলাম দাঙ্গা সংযত করতে শেষাবধি সক্ষম হলেও তদানীন্তন বামপন্থী সরকার বারোয়া঩রি পূজার সংখ্যা বাড়াতে দ্বিধা করেননি। আমাদের পূজনীয় সাহিত্য সৃষ্টিকারেরা তাকে সমর্থন করেছিলেন।
আর আমাদের কারওর কারওর স্মরণ থাকতে পারে এর পর থেকেই পাড়ায় শনি পুজো কীরকম বৃদ্ধি পেয়েছিল। স্মরণে থাকতে পারে ধর্মীয় উৎসবে লাউড স্পিকারের ব্যবহার কবে থেকে অবধারিত হয়ে উঠল। আমরা ভুলে গেলাম ঈশ্বর বা আল্লাহ্‌ ব঩ধির নন। মনে মনে তাঁর আরাধনা করলেও তাঁর শোনবার হলে তিনি শুনবেন। স্পিকারে পাড়া অতিষ্ঠ করে ফিল্মি গান বাজিয়ে নেশাগ্রস্ত হয়ে কোমর বাঁকিয়ে নৃত্য করলে তবে তিনি সন্তুষ্ট হবেন এমন কিন্তু নয়।
কী ভয়ংকর সেই অবস্থা যখন এই ভারতবর্ষ ‘হিন্দুর দেশ’ প্রমাণ করবার জন্য ‘হিন্দু’ নামের উৎসের অদ্ভুত ব্যাখ্যা শোনা যায় ক্ষমতার অলিন্দ থেকে। দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠের মুখে কিন্তু প্রতিবাদের ভাষা জোরালো হয়ে ওঠে না। কেউ বলেন না—‘হিন্দু’ শব্দের উৎপত্তির ইতিহাসটি একটু পড়ে দেখলে হয় না?—কে বলবে? কাকে বলবে? মধ্যবিত্তের সংসারে স্বকর্ণে আলোচনা শুনেছি—মুসলমানেরা এত সংখ্যায় সন্তানের জন্ম দিচ্ছে যে হিন্দুর সংখ্যা অচিরেই লুপ্ত হবে। আর সেই জন্যেই তারা শত্রুপক্ষ এমনই ভাব সবাকার। —এসব আলোচনা কাছের মানুষের মুখে শুনলে ধিক্কার দিতে ইচ্ছে করবে না?
স্বাধীনতার পূর্বে এবং পরে বিভেদ সৃষ্টিকারীরা ঘটিয়েছিল এই ভেদাভেদ। যার ফলে দেশবিভাগের সিদ্ধান্ত অনিবার্য হয়ে উঠল। এবং এই বিভাজনে যে কত মানুষের সর্বনাশ হল আজও বুঝি তার সঠিক গণনা হয়নি। তারপরে স্বাধীনতার পরে যখন নির্বাচন শুরু হল তখন একটি পাড়ায় সংখ্যাগরিষ্ঠ কোন ধর্মের তার বিচারে পাড়ায় প্রার্থী দাঁড় করানোই রীতি হয়ে উঠল। আমাদের সমাজও তো একেই ‘স্বাভাবিক নিয়ম’ হিসাবে স্বীকার করে নিয়েছে। আমরা যাকে civil society বলি, তাঁদের মধ্যে থেকে, আমার জ্ঞানে অন্তত, আমি কেউ এর প্রতিবাদ করেছেন বলে শুনিনি। বামপন্থীরাও তো ভোটে জেতার জন্য একই নিদান অনুসরণ করেছেন। শুরু থেকেই।
আজ, এই ২০১৭-তে, আমাদের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ‘দলিত’ পরিচয় ব্যবহার করে রাজনীতি ক্ষেত্রে লড়াই চলেছে। যিনি আমাদের রাষ্ট্রপ্রধান হবেন তাঁর পরিচয় কি কেবল তাঁর জন্মকুণ্ডলী অনুসরণ করে? তাঁর গুণাগুণের চেয়ে বেশি বিচার্য তাঁর জাতধর্ম? আজ সকলে এই ‘রাজনীতির খেল’ ঩নিয়ে হাসাহাসি করছেন! কই, কোনও বিদ্বজ্জন দৃঢ়স্বরে তো বলছেন না, পাণ্ডিত্য তথা প্রজ্ঞাকে অবজ্ঞা করে এ এক বড় নোংরা খেলা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের? দেশের মানুষের এই পথে সায় আছে কি না তাও কি খেয়াল করা হচ্ছে? তাই লজ্জায় মাথা হেঁট হয়।
মুসলিম ধর্মাবলম্বী হলে যে একটি মানুষ তাঁর ইচ্ছানুসারে যে-কোনও পাড়ায় বসবাস করতে পারেন না, তাকে বাড়ি ভাড়া দেওয়া হয় না—এসব তো অনেক দিনের পাপ। আমাদের এই কলকাতা শহরেই। তাই স্বামী-স্ত্রী ভিন্ন ধর্মাবলম্বী হলে হোটেলে তাঁদের ঘরভাড়া দেওয়া হচ্ছে না—এ খবরে আমরা খুব চমকিত হই কি? উদার কলকাতাই কি দেখে আসেনি বছরের পর বছর অনুরূপ ছবি? নাগরিক অধিকার লঙ্ঘনের এই ছবি নিয়ে ক’জন প্রতিবাদ করেছি আমরা? তারই সুযোগ গ্রহণ করছে আজকের কট্টর পন্থীরা। যাঁরা সর্বধর্মকে সম্মান দেওয়ার চেষ্টা করছেন তাঁরা হয়ে উঠছেন আক্রমণের লক্ষ্য। তাঁরা ‘ভণ্ড’, ‘ন্যাকা’ এবং ‘বিধর্মী’! যাঁরা এসব কথা বলেন তাঁরা তবে প্রকাশ করুন সত্যিই ভারতবর্ষ নামক এই দেশটিকে তাঁরা কী উপায়ে সম্মান জানাতে চান।
এ নিবন্ধ যখন লেখা হচ্ছে তখন রাজ্য রাজনীতি এই বিষয় নিয়ে উত্তপ্ত। যখন এ লেখা প্রকাশিত হবে তখন ঘটনা কোন দিকে বাঁক নেবে আমরা জানি না। কোন কথার টিকেয় কোন চালে আগুন লাগাবে তা তো বুঝতে পারি না। তবে আমাদের জীবনযাপনে যে অন্ধকার বাস করছে তাকে আলোতে উদ্‌ঘা঩টিত করে নির্মূল করার কথাটি বোধহয় প্রাসঙ্গিক থেকেই যাবে।
13th  July, 2017
মারের জবাব মার! এ কোন রাজনীতির কথা বলে গেলেন অমিত শাহ
শুভা দত্ত

 একটা পা ভাঙলে দুটো পা ভেঙে দিন। একটা হাত ভাঙলে দুটো হাত। কয়েকদিন আগে পুরুলিয়ার জয়পুরে এক জনসভায় এমনই নিদান দিয়েছেন রাজ্য বিজেপি’র সভাপতি দিলীপ ঘোষ। বলা বাহুল্য, ওই জনসভা ছিল আসলে বিজেপি’র স্থানীয় নেতা কর্মী সমর্থকদের সমাবেশ।
বিশদ

17th  September, 2017
কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে সার্বিক শিক্ষাব্যবস্থার হাল-হকিকত
শমিত কর

সম্প্রতি দেশের মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকর জানিয়েছেন, ২০১৬-এর ১ জানুয়ারি থেকে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতনক্রম পুনর্বিন্যাসের জন্য যে সুপারিশ বকেয়া রয়েছে তা শীঘ্রই প্রকাশ করা হবে।
বিশদ

17th  September, 2017
আমেরিকায় অনিদ্রা রোগ ও চিকিৎসা 

আলোলিকা মুখোপাধ্যায়: অনিদ্রার উপসর্গকে তখনই রোগ বলা যায়, যখন রাতের ঘুমের জন্যে পর্যাপ্ত সময় থাকা সত্ত্বেও কারওর ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে। প্রতি রাতে ঘুম আসতে দেরি হয়। মাঝরাতে ঘুম ভেঙে গেলে বাকি রাত প্রায় জেগেই কেটে যায়। রাতের পর রাত গভীর ঘুমের পরিবর্তে একরকম তন্দ্রাচ্ছন্ন ভাব থাকে, যার ফলে শরীর ও মস্তিষ্ক বিশ্রাম পায় না। পর্যাপ্ত ঘুমের অভাবে শরীর অসুস্থ হয়ে পড়ে। বিশদ

16th  September, 2017
টানাপোড়েনের পুজো 

অনিতা অগ্নিহোত্রী: নিম্নমধ্যবিত্তের পুজোর দিনগুলোতে একটুখানি মনখারাপ মিশে থাকত কি আলো আর বাজনার পাশাপাশি বয়ে চলা তিরতিরে একটা খোলা জলের স্রোতের মতন? নাকি, আমরা ছোটবেলাতেও একটু বেশি বেশি ভাবতাম? অসচ্ছলতার উল্লেখ বাবা-মা যথাসাধ্য আমাদের কান এড়িয়েই করতেন, তবু স্প্লিনটারের টুকরো টাকরা তো গায়ে এসে পড়বেই, যদি কেউ দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে যুদ্ধ দেখতে চায়!
বিশদ

16th  September, 2017
ভুল স্বীকারের বিকল্প রাজনীতি
সমৃদ্ধ দত্ত

 আমাদের সবথেকে বেশি সমস্যা হয় প্রকাশ্যে দুটি কথা বলতে। ১) ‘‘আমার ভুল হয়েছে, হ্যাঁ, ওটা আমারই ভুল কিংবা আমি ভুল করেছি।’’ আর ২) ‘‘আমার ঠিক জানা নেই।’’ তাই আমরা প্রথমেই এককথায় ভুল স্বীকারের তুলনায় বরং অনেক বেশিক্ষণ ধরে চেষ্টা করি যা বলেছি বা করেছি সেটা শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত মরিয়া হয়ে জাস্টিফাই করে যেতে যে ঠিকই বলেছি বা ঠিকই করেছি। আবার একইভাবে কোনও প্রশ্নের জবাবে চট করে প্রথমেই জানি না বলতেও বাধো বাধো ঠেকে।
বিশদ

15th  September, 2017
কালী-বেদান্তী

স্বামী আত্মবোধানন্দ : স্বামী অভেদানন্দের অপর নাম ‘কালী-বেদান্তী’। আশৈশব তাঁর বেদান্ত-দর্শনের প্রতি আগ্রহ। বেদান্ত মতকে তিনি গভীর নিষ্ঠা ও অধ্যবসায়ের সঙ্গে সাধনার দ্বারা রপ্ত করে আয়ত্ত করেছিলেন। জাগতিক স্থূল চিন্তা-ভাবনাকে ছেড়ে তিনি সূক্ষ্ম বৈদান্তিক বিবেক-বিচারে ডুবে থাকতেন সারাক্ষণ।
বিশদ

14th  September, 2017
মহরম ও বিসর্জন একইদিনে কি একান্তই অসম্ভব?
মোশারফ হোসেন

 একটি নির্দিষ্ট পরিকল্পনা অনুযায়ী গাইডলাইন তৈরি করুক প্রশাসন। বাংলার শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষের উপর ভরসা রাখুক। একের আবেগকে সম্মান দিতে গিয়ে অন্যের আবেগ আঘাতপ্রাপ্ত হওয়া ঠিক নয়। মহরমের শোভাযাত্রা ও প্রতিমা বিসর্জন দুই-ই হোক। সময় বেঁধে। দশমীর সন্ধ্যা থেকে একাদশীর ভোর পর্যন্ত বিসর্জন চলুক। তারপর সকাল থেকে গোটা দিনটি বাদ দিয়ে রাত আটটার পর ফের বিসর্জন। মাঝের বারো-চৌদ্দো ঘণ্টা নির্বিঘ্নে মহরমের শোভাযাত্রা রাজপথ পরিক্রমা করুক। বিসর্জন এবং মহরম শোভাযাত্রা—দুইয়ের জন্যই প্রশাসন নির্দিষ্ট রুট বেঁধে দিক।
বিশদ

12th  September, 2017
ডোকলাম শিক্ষা: নতুন রণকৌশল জরুরি
গৌরীশংকর নাগ

 ডোকলাম বিতর্কের দ্বিমাসাধিক সময়ে যখন ভারতের প্রতিবেশীরা আগ্রহ নিয়ে তাকিয়েছিল ভারতের পদক্ষেপের দিকে, তখন বলাই বাহুল্য দুর্বল ও ক্ষুদ্র প্রতিবেশীর কাছ থেকে ভারত যে সমর্থন পেয়েছে সেই দায় নিউ দিল্লি ঝেড়ে ফেলতে পারবে না। ঠিক যেমন ভারতকে তার ভুল নেপালনীতির জন্য এখন মাশুল গুনতে হচ্ছে। এই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে নিউ দিল্লি যেভাবে নতুন করে ঘুঁটি সাজাতে চাইছে (মোদির ‘প্রতিবেশী দেশকে সর্বাধিক গুরুত্ব দাও’-এর নীতি প্রসঙ্গত লক্ষণীয়) তাতেই চীনের গাত্রদাহ বেড়ে যাবার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
বিশদ

12th  September, 2017
একনজরে
সুকান্ত বেরা: মহালয়া মানেই দুর্গাপুজোর কাউন্টডাউন শুরু। বড় পার্বন ঘিরে বাঙালি এখন উৎসবমুখর। ক্রিকেটের নন্দনকাননে ভারত-অস্ট্রেলিয়া দ্বিতীয় ওয়ান ডে ম্যাচ ঘিরে আগ্রহ কম শহরবাসীর। বাইশগজে ...

ওয়াশিংটন, ১৯ সেপ্টেম্বর: উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে সামরিক বিকল্পের কথাও ভাবা শুরু করেছে পেন্টাগন। এর অর্থ আরও একটি যুদ্ধ। এমনই ইঙ্গিত দিয়েছেন আমেরিকার প্রতিরক্ষাসচিব জেমস ম্যাটিস। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এমনই ইঙ্গিত দেন। যদিও কী ধরনের বিকল্পের কথা ভাবা হচ্ছে, আমেরিকা ...

চণ্ডীগড়, ১৯ সেপ্টেম্বর (পিটিআই): ডেরা সাচা সৌদার মুখপাত্র বিপাসনা ইনসানের দেওয়া তথ্য সূত্র ধরে হানিপ্রীত সিং ইনসানকে ধরার প্রয়াস আরও জোরদার করল হরিয়ানা পুলিশ। ডেরা প্রধান গুরমিত রাম রহিম সিং দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পরবর্তী সময়ে হরিয়ানায় যে হিংসা ছড়িয়েছিল, তার ...

নয়াদিল্লি, ১৯ সেপ্টেম্বর: ভারতে প্রতিরক্ষা সামগ্রী নির্মাণে আগ্রহী হলেও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণের রাশ ছাড়তে নারাজ মার্কিন সংস্থাগুলি। কারণ, ভারতীয় সংস্থাগুলির সঙ্গে যৌথ উদ্যোগের প্রকল্পে নির্মিত সামগ্রী ত্রুটিপূর্ণ হলে তার দায়ভার নিতে চাইছে না তারা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’তে ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চতর বিদ্যায় সফলতা আসবে। সরকারি ক্ষেত্রে কর্মলাভের সম্ভাবনা। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাফল্য আসবে। প্রেম-প্রণয়ে মানসিক অস্থিরতা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

 ১৯১৯- অভিনেতা জহর রায়ের জন্ম
১৯২১- সাহিত্যিক বিমল করের জন্ম
১৯২৪- গায়িকা সুচিত্রা মিত্রের জন্ম
১৯৬৫- মহাকাশচারী সুনীতা উইলিয়ামসের জন্ম

19th  September, 2017
ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.২৫ টাকা ৬৪.৯৩ টাকা
পাউন্ড ৮৫.৭০ টাকা ৮৮.৬৩ টাকা
ইউরো ৭৫.২৭ টাকা ৭৭.৯২ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
19th  September, 2017
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩০,২০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৮,৬৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৯,০৮০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৯,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৯,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২ আশ্বিন, ১৯ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার, চতুর্দ্দশী, পূর্ব ফল্গুনী দং ৪৩/৫২ রাত্রি ঘ ১১/১, সূ উ ৫/২৭/৫৭, অ ৫/৩৩/১১, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/১৫ মধ্যে পুনঃ ৭/৪ গতে ১১/৭ মধ্যে। রাত্রি ঘ ৭/৫৭ গতে ৮/৪৫ মধ্যে পুনঃ ৯/৩২ গতে ১১/৫৪ মধ্যে পুনঃ ১/৩০ গতে ৩/৫ মধ্যে পুনঃ ৪/৪০ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৬/৫৮ গতে ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ১/১ গতে ২/৩১ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৩ গতে ৮/৩২ মধ্যে।
২ আশ্বিন, ১৯ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার, চতুর্দ্দশী, পূর্বফল্গুনীনক্ষত্র ১১/৩৮/৪৭, সূ উ ৫/২৬/২৮, অ ৫/৩৪/২৮, অমৃতযোগ দিবা ৬/১৫/০ মধ্যে, ৭/৩/৩২- ১১/৬/১২, রাত্রি ৭/৫৬/৫২-৮/৪৪/২০, ৯/৩১/৪৮-১১/৫৪/১২, ১/২৯/৮-৩/৪/৪, ৪/৩৯/০-৫/২৬/২৮, বারবেলা ৬/৫৭/২৮-৮/২৮/২৮, কালবেলা ১/১/২৮-২/৩২/২৮, কালরাত্রি ৭/৩/২৮-৮/৩২/২৮। 
২৭ জেলহজ্জ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
জম্মু ও কাশ্মীরের বানিহালে এসএসবি-র ক্যাম্পে জঙ্গি হামলা, এক জওয়ানের মৃত্যু 

09:32:00 PM

দুর্গাপুরে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে টিকা দেওয়ার পর ২ শিশুর মৃত্যু

08:28:00 PM

এগরাতে মদের দোকানে ভাঙচুর, আগুন

08:27:00 PM

পশ্চিম মেদিনীপুরের গড়বেতা এলাকার শিলাবতী নদীতে ভাসান দিতে এসে তলিয়ে গেল ২ ছাত্র

07:19:00 PM

ভাড়া বৃদ্ধির দাবিতে ধর্মঘটে সুন্দরবনের বোট মালিকরা
বিভিন্ন দাবি দাওয়ার ভিত্তিতে আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ...বিশদ

07:10:00 PM

খারাপ আবহাওয়ার জন্য মুম্বই বিমানবন্দর থেকে একাধিক উড়ান বাতিল
বুধবার খারাপ আবহাওয়ার জন্য মুম্বই বিমানবন্দর থেকে ৬৩টি ...বিশদ

06:23:00 PM

মহারাষ্ট্রে ব্যাপক বৃষ্টি, জলমগ্ন একাধিক এলাকা

06:20:00 PM