বিশেষ নিবন্ধ
 

রাজ্যপাল পদে দলীয় নেতা পাঠানো বন্ধ হোক
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

বাদুড়িয়া কাণ্ডে প্রশাসনিক ভূমিকা নিয়ে রাজভবন এবং নবান্নের মধ্যে সংঘাত যে স্তরে পৌঁছেছিল, রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠী সুর নরম করে রাজ্য সরকারের উদ্যোগে খুশি প্রকাশ করার মধ্য দিয়ে আপাতত মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্যপালের বিতর্কের মধুরেণ সমাপয়েৎ হল বলা চলে। এই বিতর্ক পর্বে রাজ্যপালের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে বিরূপ প্রশ্ন উঠেছে। আজকের পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্যপাল পদের প্রয়োজন-অপ্রয়োজনের বিষয়টি নতুন করে পর্যালোচনা করা যায়।
ভারতীয় সংবিধানে কেন্দ্রের মতো রাজ্যস্তরেও সংসদীয় ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে, যা প্রকৃতপক্ষে ব্রিটেনের সংসদীয় ব্যবস্থার অনুকরণ মাত্র। সংসদীয় ব্যবস্থায় সংবিধান প্রধানের নামে রাজ্য শাসনের কথা বলা হলেও রাজ্যস্তরে মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রীপরিষদই চূড়ান্ত ক্ষমতার অধিকারী। তাই বলে রাজ্যপালের কি মুখ্যমন্ত্রীকে কোনও পরামর্শ দেওয়ার অধিকার নেই? তিনি কি পারেন না রাজ্য সরকারের থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করতে? তিনি কি প্রয়োজনে রাজ্যের অভিভাবক হিসাবে সরকারকে সাবধানী হওয়ার জন্য পরামর্শ দিতে পারেন না?
গত কয়েক দিন এই প্রশ্নগুলিই সংবাদমাধ্যমে ঘুরেফিরে এসেছে বারবার। বহু ক্ষেত্রেই উপযুক্ত সংবিধান অনুধাবনের অভাবে কেউ কেউ বিভ্রান্তিও ছড়িয়েছেন। প্রকৃতপক্ষে রাজ্যপাল সাংবিধানিক প্রধান হিসাবে যে-কোনও বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর মন্ত্রিপরিষদকে পরামর্শ দিতে পারেন। তবে, সেই পরামর্শ মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বের মন্ত্রিপরিষদ নেবে কি না সেই বিষয়ে চূড়ান্ত ক্ষমতা মন্ত্রিপরিষদের হাতেই রয়েছে। অর্থাৎ, বাদুড়িয়া কাণ্ডে রাজ্যপাল যদি কোনও পরামর্শ মুখ্যমন্ত্রীকে দিয়ে থাকেন, তবে সেই পরামর্শ মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিপরিষদ নেবে কি না তা একান্ত তাদের বিষয়।
সংবিধান অনুসারে কেন্দ্রের প্রতিনিধি হিসাবে রাজ্যপালকে রাজ্যের বিষয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে পাক্ষিক রিপোর্ট পাঠাতে হয়। ওই রিপোর্টে তৈরি করার সময় মুখ্যমন্ত্রী বা তাঁর মন্ত্রিপরিষদের যে-কোনও সদস্যের সঙ্গে তিনি কথা বলতে পারেন বা তথ্য সংগ্রহ করতে পারেন।
রাজ্যের অভিভাবক হিসাবে সমাজের বিভিন্ন অংশের সঙ্গে রাজ্যপালের যে সম্পর্ক থাকে, সেই সূত্রে কোনও বিষয় এলে তা সরকারের কানে পৌঁছে দেওয়া, গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সরকারকে প্রয়োজনে সাবধান করার ভূমিকা তাঁর রয়েছে। তবে এক্ষেত্রেও সাবধান বাণী মন্ত্রিপরিষদ গ্রহণ অথবা বর্জন করতে পারে। রাজ্যপালের পরামর্শ গ্রহণ করা মন্ত্রিপরিষদের কাছে বাধ্যতামূলক নয়।
চলতি বিতর্কে রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায় রাজ্যপালকে কটাক্ষ করে বলেছিলেন ‘রাজ্যপাল বিজেপির তোতা পাখি’। সুব্রতবাবুর বক্তব্যের রাজনৈতিক তাৎপর্য রয়েছে। আর এই কারণেই রাজ্যের সাংবিধানিক পদ নিয়ে স্বাধীনতার পর থেকে বারবার বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। উত্তরপ্রদেশের রাজ্যপাল ছিলেন সরোজিনী নাইডু। তিনি দুঃখ করে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুকে একটি চিঠিতে অভিযোগ করেছিলেন, রাজ্যপালের অবস্থা অনেকটা ‘সোনার খাঁচায় আবদ্ধ পাখির মতো’। তাঁর আরও অভিমত ছিল, কেন্দ্রকে একটি করে পাক্ষিক রিপোর্ট পাঠানো ছাড়া রাজ্যপালের কোনও কাজই নেই। রাজ্যপালের এইরকম পরিস্থিতি ১৯৬৭ সালের পর দ্রুত পরিবর্তন হতে দেখা যায়। ১৯৬৭ সালের নির্বাচনে কয়েকটি রাজ্যে অকংগ্রেসি সরকার প্রতিষ্ঠা হয়। তখন রাজ্যপালের ভূমিকায় কেন্দ্রের শাসক দলের রাজনৈতিক প্রভাব বারবার লক্ষ করা গিয়েছে। বিভিন্ন সময় রাজ্যপালের পদটিকে ব্যবহার করা হয়েছে রাজনৈতিক স্বার্থ সিদ্ধির জন্য।
সংবিধান অনুসারে রাজ্যপালের মূলত দুটি ভূমিকা—
(ক) রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান এবং (খ) কেন্দ্রের প্রতিনিধি। রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান হিসাবে রাজ্যপালের ভূমিকা সংবিধানে যেমন নির্দিষ্ট করে বলা হয়েছে তেমনি উদ্ভূত রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে তিনি স্ববিবেচনায় কাজ করতে পারেন। সংবিধানে বিধিবদ্ধ ক্ষমতার মধ্যে ১৬৩ ধারায় স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতাকেও (Discretionary Power) সংবিধানে নির্দিষ্ট করে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে সাংবিধানিক প্রধান হিসাবে স্ববিবেচনায় কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ পান তিনি। বিধানসভা নির্বাচনের মধ্য দিয়ে কোনও রাজনৈতিক দল বা জোট এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে ব্যর্থ হলে রাজ্যপাল সেক্ষেত্রে স্ববিবেচনায় ঠিক করেন কোন দল বা জোটকে মন্ত্রিসভা গঠনের জন্য তিনি ডাকবেন। আবার রাজ্যের বিধানসভায় কোনও বিল পাশ হওয়ার পর তিনি স্ববিবেচনা প্রয়োগ করতে পারেন। এক্ষেত্রে তিনি তিন ধরনের অবস্থান গ্রহণ করতে পারেন।
(ক) বিধানসভায় পাশ হওয়া বিল তৎক্ষণাৎ সই করতে পারেন। (খ) বিধানসভায় পাশ হওয়া বিল সই না করে ফেলে রাখতে পারেন। কারণ, সংবিধানে বলা হয়নি বিল পাশ হওয়ার পর কতদিনের মধ্যে রাজ্যপালকে সম্মতি জ্ঞাপন করতে হবে। (গ) সংবিধানের ২০১ ধারা অনুসারে রাজ্যপাল আইনসভায় গৃহীত বিলটিকে রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের জন্য সংরক্ষণ করতে পারেন। এক্ষেত্রে তিনি রাজ্যের মন্ত্রিসভার পরামর্শ গ্রহণ না-করে স্ববিবেচনা অনুসারে কাজ করতে পারেন।
এছাড়া কেন্দ্রকে যে রিপোর্ট তিনি পাঠান সেই রিপোর্টও স্ববিবেচনায় পাঠিয়ে থাকেন। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, কেন্দ্রের সাংবিধানিক প্রধান হিসাবে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা ৪২তম সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে যেভাবে বেঁধে দেওয়া হয়েছে, রাজ্যপালের নিয়মতান্ত্রিক ক্ষমতাটিকে কিন্তু সেভাবে বাঁধা হয়নি। ৪২তম সংবিধান সংশোধনীর মাধ্যমে স্পষ্ট বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি মন্ত্রিপরিষদের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য অনুরোধ করতে পারেন। কিন্তু দ্বিতীয়বার একই সিদ্ধান্ত এলে তিনি তা মেনে নিতে বাধ্য। সংবিধানে ক্ষেত্রবিশেষ রাজ্যপালদের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা দিলেও রাষ্ট্রপতিকে কিন্তু সামান্যতম স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা দেওয়া হয়নি। কিন্তু, কেন্দ্র এবং রাজ্য উভয় ক্ষেত্রে প্রকৃত ক্ষমতা নির্বাচিত মন্ত্রিপরিষদের হাতে ন্যস্ত। প্রকৃতপক্ষে যে পদ্ধতিতে রাজ্যপাল পদে নিয়োগ হচ্ছে তার মধ্যেই লুকিয়ে আছে রাজ্যপাল এবং মুখ্যমন্ত্রীর সম্পর্কের বিতর্ক। অভিজ্ঞতার নিরিখে বলা যায়, সমস্ত ক্ষেত্রে রাজ্যপালের নিয়োগ রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ফল।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, সংবিধান সভায় আমাদের তৎকালীন জাতীয় নেতৃবর্গ রাজ্যপাল নিয়োগের প্রশ্নে কিন্তু বিভক্ত ছিলেন। সংবিধান সভায় রাজ্যপাল নিয়োগের প্রশ্নে চার ধরনের প্রস্তাব এসেছিল—(ক) মার্কিন ব্যবস্থার অনুকরণে রাজ্যপালকে প্রত্যক্ষভাবে নির্বাচিত করা। (খ) রাজ্যের বিধানমণ্ডলী বা বিধানসভার দ্বারা রাজ্যপালকে নির্বাচিত করা। (গ) সংবিধান সভায় কেউ কেউ আবার বলেছিলেন বিধানসভা কর্তৃক নির্বাচিত চারজনের তালিকার মধ্যে থেকে রাষ্ট্রপতি একজনকে রাজ্যপাল হিসাবে মনোনীত করুন। (ঘ) মন্ত্রিসভার পরামর্শ অনুসারেই রাষ্ট্রপতি কর্তৃক রাজ্যপাল মনোনীত হবেন।
বলা বাহুল্য, সংবিধান সভার শেষ প্রস্তাবটি গৃহীত হয়েছিল। এতে চিরস্থায়ীভাবে ভারতীয় সংসদীয় ব্যবস্থায় রাজ্যপালের ভূমিকাকে কেন্দ্র করে বিতর্কও থেকে যায়।
ক্রমবর্ধমানভাবে রাজ্যপালের ভূমিকা যখন রাজনৈতিক প্রাধান্য পাচ্ছিল সেই সময়ে রাজ্যপাল পদে নিয়োগ নিয়ে নতুন ভাবনা উঠে আসতে দেখা গিয়েছে। ১৯৯১-এর ডিসেম্বরে আন্তঃরাজ্য পরিষদের বৈঠকে রাজ্যপাল নিয়োগের প্রশ্নে যেসব উল্লেখযোগ্য প্রস্তাব গৃহীত হয় তার মধ্যে ছিল—(ক) মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে রাজ্যপাল নিয়োগ করতে হবে। (খ) কেন্দ্র এবং রাজ্যে পৃথক দলের সরকার থাকলে সংশ্লিষ্ট দুটি দলের সঙ্গে সম্পর্কহীন ব্যক্তিকে রাজ্যপাল পদে আনতে হবে।
১৯৯৪ সালে এস আর বোম্মাই মামলার পর কেন্দ্রের শাসকদল রাজ্যপালকে দিয়ে মন্ত্রিসভা ভাঙার বিষয়ে সংযত হতে বাধ্য হয়েছে। সংবিধানের ৩৫৬ নং ধারা জারি করে মন্ত্রিপরিষদ ভাঙার ঘটনাও এখন কদাচিৎ ঘটে। এই অবস্থায় দলীয় নেতাদের রাজভবনে পাঠানোর উদ্যোগ বন্ধ হলেই রাজ্যপাল এবং রাজ্য মন্ত্রিসভার দ্বন্দ্ব আরও কমে আসার সম্ভাবনা থাকবে। রাজ্যপাল নিয়োগের জন্য বিধানসভায় পাঁচজনের একটি তালিকা প্রস্তুত করে রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো যেতে পারে। রাষ্ট্রপতি ওই তালিকা থেকে সংশ্লিষ্ট রাজ্যের জন্য রাজ্যপাল নিয়োগ করতে পারেন। সংসদীয় গণতন্ত্রকে সুচারুভাবে পরিচালনার জন্য রাজ্যপালের নিয়োগের পদ্ধতিতে পরিবর্তন জরুরি। বন্ধ হোক দলীয় নেতাকে রাজভবনে পাঠানোর দীর্ঘদিনের প্রথা। সংবিধান রচয়িতাদের ভাবনা অনুসারে রাজ্যপাল পদে অরাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের উপস্থিতিই কাম্য।
 লেখক রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক
11th  July, 2017
মারের জবাব মার! এ কোন রাজনীতির কথা বলে গেলেন অমিত শাহ
শুভা দত্ত

 একটা পা ভাঙলে দুটো পা ভেঙে দিন। একটা হাত ভাঙলে দুটো হাত। কয়েকদিন আগে পুরুলিয়ার জয়পুরে এক জনসভায় এমনই নিদান দিয়েছেন রাজ্য বিজেপি’র সভাপতি দিলীপ ঘোষ। বলা বাহুল্য, ওই জনসভা ছিল আসলে বিজেপি’র স্থানীয় নেতা কর্মী সমর্থকদের সমাবেশ।
বিশদ

17th  September, 2017
কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে সার্বিক শিক্ষাব্যবস্থার হাল-হকিকত
শমিত কর

সম্প্রতি দেশের মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকর জানিয়েছেন, ২০১৬-এর ১ জানুয়ারি থেকে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতনক্রম পুনর্বিন্যাসের জন্য যে সুপারিশ বকেয়া রয়েছে তা শীঘ্রই প্রকাশ করা হবে।
বিশদ

17th  September, 2017
আমেরিকায় অনিদ্রা রোগ ও চিকিৎসা 

আলোলিকা মুখোপাধ্যায়: অনিদ্রার উপসর্গকে তখনই রোগ বলা যায়, যখন রাতের ঘুমের জন্যে পর্যাপ্ত সময় থাকা সত্ত্বেও কারওর ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে। প্রতি রাতে ঘুম আসতে দেরি হয়। মাঝরাতে ঘুম ভেঙে গেলে বাকি রাত প্রায় জেগেই কেটে যায়। রাতের পর রাত গভীর ঘুমের পরিবর্তে একরকম তন্দ্রাচ্ছন্ন ভাব থাকে, যার ফলে শরীর ও মস্তিষ্ক বিশ্রাম পায় না। পর্যাপ্ত ঘুমের অভাবে শরীর অসুস্থ হয়ে পড়ে। বিশদ

16th  September, 2017
টানাপোড়েনের পুজো 

অনিতা অগ্নিহোত্রী: নিম্নমধ্যবিত্তের পুজোর দিনগুলোতে একটুখানি মনখারাপ মিশে থাকত কি আলো আর বাজনার পাশাপাশি বয়ে চলা তিরতিরে একটা খোলা জলের স্রোতের মতন? নাকি, আমরা ছোটবেলাতেও একটু বেশি বেশি ভাবতাম? অসচ্ছলতার উল্লেখ বাবা-মা যথাসাধ্য আমাদের কান এড়িয়েই করতেন, তবু স্প্লিনটারের টুকরো টাকরা তো গায়ে এসে পড়বেই, যদি কেউ দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে যুদ্ধ দেখতে চায়!
বিশদ

16th  September, 2017
ভুল স্বীকারের বিকল্প রাজনীতি
সমৃদ্ধ দত্ত

 আমাদের সবথেকে বেশি সমস্যা হয় প্রকাশ্যে দুটি কথা বলতে। ১) ‘‘আমার ভুল হয়েছে, হ্যাঁ, ওটা আমারই ভুল কিংবা আমি ভুল করেছি।’’ আর ২) ‘‘আমার ঠিক জানা নেই।’’ তাই আমরা প্রথমেই এককথায় ভুল স্বীকারের তুলনায় বরং অনেক বেশিক্ষণ ধরে চেষ্টা করি যা বলেছি বা করেছি সেটা শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত মরিয়া হয়ে জাস্টিফাই করে যেতে যে ঠিকই বলেছি বা ঠিকই করেছি। আবার একইভাবে কোনও প্রশ্নের জবাবে চট করে প্রথমেই জানি না বলতেও বাধো বাধো ঠেকে।
বিশদ

15th  September, 2017
কালী-বেদান্তী

স্বামী আত্মবোধানন্দ : স্বামী অভেদানন্দের অপর নাম ‘কালী-বেদান্তী’। আশৈশব তাঁর বেদান্ত-দর্শনের প্রতি আগ্রহ। বেদান্ত মতকে তিনি গভীর নিষ্ঠা ও অধ্যবসায়ের সঙ্গে সাধনার দ্বারা রপ্ত করে আয়ত্ত করেছিলেন। জাগতিক স্থূল চিন্তা-ভাবনাকে ছেড়ে তিনি সূক্ষ্ম বৈদান্তিক বিবেক-বিচারে ডুবে থাকতেন সারাক্ষণ।
বিশদ

14th  September, 2017
মহরম ও বিসর্জন একইদিনে কি একান্তই অসম্ভব?
মোশারফ হোসেন

 একটি নির্দিষ্ট পরিকল্পনা অনুযায়ী গাইডলাইন তৈরি করুক প্রশাসন। বাংলার শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষের উপর ভরসা রাখুক। একের আবেগকে সম্মান দিতে গিয়ে অন্যের আবেগ আঘাতপ্রাপ্ত হওয়া ঠিক নয়। মহরমের শোভাযাত্রা ও প্রতিমা বিসর্জন দুই-ই হোক। সময় বেঁধে। দশমীর সন্ধ্যা থেকে একাদশীর ভোর পর্যন্ত বিসর্জন চলুক। তারপর সকাল থেকে গোটা দিনটি বাদ দিয়ে রাত আটটার পর ফের বিসর্জন। মাঝের বারো-চৌদ্দো ঘণ্টা নির্বিঘ্নে মহরমের শোভাযাত্রা রাজপথ পরিক্রমা করুক। বিসর্জন এবং মহরম শোভাযাত্রা—দুইয়ের জন্যই প্রশাসন নির্দিষ্ট রুট বেঁধে দিক।
বিশদ

12th  September, 2017
ডোকলাম শিক্ষা: নতুন রণকৌশল জরুরি
গৌরীশংকর নাগ

 ডোকলাম বিতর্কের দ্বিমাসাধিক সময়ে যখন ভারতের প্রতিবেশীরা আগ্রহ নিয়ে তাকিয়েছিল ভারতের পদক্ষেপের দিকে, তখন বলাই বাহুল্য দুর্বল ও ক্ষুদ্র প্রতিবেশীর কাছ থেকে ভারত যে সমর্থন পেয়েছে সেই দায় নিউ দিল্লি ঝেড়ে ফেলতে পারবে না। ঠিক যেমন ভারতকে তার ভুল নেপালনীতির জন্য এখন মাশুল গুনতে হচ্ছে। এই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে নিউ দিল্লি যেভাবে নতুন করে ঘুঁটি সাজাতে চাইছে (মোদির ‘প্রতিবেশী দেশকে সর্বাধিক গুরুত্ব দাও’-এর নীতি প্রসঙ্গত লক্ষণীয়) তাতেই চীনের গাত্রদাহ বেড়ে যাবার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
বিশদ

12th  September, 2017
একনজরে
সুকান্ত বেরা: মহালয়া মানেই দুর্গাপুজোর কাউন্টডাউন শুরু। বড় পার্বন ঘিরে বাঙালি এখন উৎসবমুখর। ক্রিকেটের নন্দনকাননে ভারত-অস্ট্রেলিয়া দ্বিতীয় ওয়ান ডে ম্যাচ ঘিরে আগ্রহ কম শহরবাসীর। বাইশগজে ...

পল্লব চট্টোপাধ্যায়  কলকাতা: রাস্তার পাশে পূর্ত দপ্তরের জমি থেকে দোকানদারদের উচ্ছেদ করতে রাজ্য সরকারের দাবিকে কার্যত মান্যতা দিল কলকাতা হাইকোর্ট। যে নির্দেশ অনুসরণে আগামী দিনে রাজ্যের অন্যত্রও এমন পদক্ষেপ করা হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ...

ওয়াশিংটন, ১৯ সেপ্টেম্বর: উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে সামরিক বিকল্পের কথাও ভাবা শুরু করেছে পেন্টাগন। এর অর্থ আরও একটি যুদ্ধ। এমনই ইঙ্গিত দিয়েছেন আমেরিকার প্রতিরক্ষাসচিব জেমস ম্যাটিস। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এমনই ইঙ্গিত দেন। যদিও কী ধরনের বিকল্পের কথা ভাবা হচ্ছে, আমেরিকা ...

সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর: সোমবার রাতে ও মঙ্গলবার সকালে বিষ্ণুপুরের হুলামারা ও বিড়াইয়ে পৃথক পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল দু’জনের। প্রথম ঘটনায় লরির ধাক্কায় এক সাইকেল আরোহীর মৃত্যু হয়েছে। মৃতের নাম জান আলি চৌধুরি(৫৪)। তাঁর বাড়ি হুলামারা গ্রামেই। ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চতর বিদ্যায় সফলতা আসবে। সরকারি ক্ষেত্রে কর্মলাভের সম্ভাবনা। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাফল্য আসবে। প্রেম-প্রণয়ে মানসিক অস্থিরতা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

 ১৯১৯- অভিনেতা জহর রায়ের জন্ম
১৯২১- সাহিত্যিক বিমল করের জন্ম
১৯২৪- গায়িকা সুচিত্রা মিত্রের জন্ম
১৯৬৫- মহাকাশচারী সুনীতা উইলিয়ামসের জন্ম

19th  September, 2017
ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.২৫ টাকা ৬৪.৯৩ টাকা
পাউন্ড ৮৫.৭০ টাকা ৮৮.৬৩ টাকা
ইউরো ৭৫.২৭ টাকা ৭৭.৯২ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
19th  September, 2017
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩০,২০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৮,৬৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৯,০৮০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৯,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৯,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২ আশ্বিন, ১৯ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার, চতুর্দ্দশী, পূর্ব ফল্গুনী দং ৪৩/৫২ রাত্রি ঘ ১১/১, সূ উ ৫/২৭/৫৭, অ ৫/৩৩/১১, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/১৫ মধ্যে পুনঃ ৭/৪ গতে ১১/৭ মধ্যে। রাত্রি ঘ ৭/৫৭ গতে ৮/৪৫ মধ্যে পুনঃ ৯/৩২ গতে ১১/৫৪ মধ্যে পুনঃ ১/৩০ গতে ৩/৫ মধ্যে পুনঃ ৪/৪০ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৬/৫৮ গতে ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ১/১ গতে ২/৩১ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৩ গতে ৮/৩২ মধ্যে।
২ আশ্বিন, ১৯ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার, চতুর্দ্দশী, পূর্বফল্গুনীনক্ষত্র ১১/৩৮/৪৭, সূ উ ৫/২৬/২৮, অ ৫/৩৪/২৮, অমৃতযোগ দিবা ৬/১৫/০ মধ্যে, ৭/৩/৩২- ১১/৬/১২, রাত্রি ৭/৫৬/৫২-৮/৪৪/২০, ৯/৩১/৪৮-১১/৫৪/১২, ১/২৯/৮-৩/৪/৪, ৪/৩৯/০-৫/২৬/২৮, বারবেলা ৬/৫৭/২৮-৮/২৮/২৮, কালবেলা ১/১/২৮-২/৩২/২৮, কালরাত্রি ৭/৩/২৮-৮/৩২/২৮। 
২৭ জেলহজ্জ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
জম্মু ও কাশ্মীরের বানিহালে এসএসবি-র ক্যাম্পে জঙ্গি হামলা, এক জওয়ানের মৃত্যু 

09:32:00 PM

দুর্গাপুরে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে টিকা দেওয়ার পর ২ শিশুর মৃত্যু

08:28:00 PM

এগরাতে মদের দোকানে ভাঙচুর, আগুন

08:27:00 PM

পশ্চিম মেদিনীপুরের গড়বেতা এলাকার শিলাবতী নদীতে ভাসান দিতে এসে তলিয়ে গেল ২ ছাত্র

07:19:00 PM

ভাড়া বৃদ্ধির দাবিতে ধর্মঘটে সুন্দরবনের বোট মালিকরা
বিভিন্ন দাবি দাওয়ার ভিত্তিতে আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ...বিশদ

07:10:00 PM

খারাপ আবহাওয়ার জন্য মুম্বই বিমানবন্দর থেকে একাধিক উড়ান বাতিল
বুধবার খারাপ আবহাওয়ার জন্য মুম্বই বিমানবন্দর থেকে ৬৩টি ...বিশদ

06:23:00 PM

মহারাষ্ট্রে ব্যাপক বৃষ্টি, জলমগ্ন একাধিক এলাকা

06:20:00 PM