বিশেষ নিবন্ধ
 

গোমাতার পর জিএসটি: কি চাইছে মোদি সরকার
শুভা দত্ত

ক্ষমতায় আসার আগে নরেন্দ্র মোদি রাজনৈতিক প্রচার সভায় যেসব কথা বলেছিলেন, যে সমস্ত প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন—তাতে দেশের আমজনতার মনে হয়েছিল, দেশে একটি বড় পরিবর্তন আসছে এবং সেই পরিবর্তনে গরিব মধ্যবিত্ত মানুষের ভালো হবে। নানান দুর্নীতিতে দিশেহারা আর্থিক সংস্কার কর্মসূচি রূপায়ণে দ্বিধান্বিত মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ মনমোহন সরকারের ওপর তখন দেশের মানুষ আস্থা অনেকটাই হারিয়ে ফেলেছেন, বিশেষত মূল্যবৃদ্ধির দাপটে জেরবার গরিব মধ্যবিত্ত কংগ্রেসের বিকল্প খুঁজতে তখন একরকম মরিয়া। বাম-অবাম মেশানো জগাখিচুড়ি তৃতীয় জোটের মধ্যে তেমন কোনও সম্ভাবনা খুঁজে পাচ্ছিলেন না দেশের মানুষ। ঠিক সেই সময় স্বচ্ছ ভারত, দুর্নীতিমুক্ত ভারতের শ্লোগান তুলে একেবারে হইহই রব তুলে দিয়েছিলেন আজকের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ঘুষ দুর্নীতির ব্যাপারে তাঁর সাফ জবাব ‘খাব না খেতেও দেব না’ তখন লোকের মুখে মুখে ফিরছে। মোদিজির বলিষ্ঠ নাটকীয় কন্ঠের ভাষণে স্বচ্ছ ভারত, একবিংশ শতাব্দীর আধুনিক প্রযুক্তির ভারতের স্বপ্নে একটু একটু করে আচ্ছন্ন হতে শুরু করেছে দেশ আর দেশের মানুষ তাঁর মধ্যে দেখতে শুরু করেছেন কংগ্রেসের যোগ্য বিকল্প। তারই পরিণতিতে ২০১৪ সালের ভোটে গেরুয়া ঝড় এবং দ্বিতীয়বারের জন্য দিল্লিতে মোদিজির নয়া বিজেপি-র নেতৃত্বে এনডিএ-র নতুন সরকারের পত্তনও হয়ে গেল বিপুল সংখ্যার গরিষ্ঠতায়। কংগ্রেস সমেত বাদবাকি দলগুলির অস্তিত্বটুকু বজায় রইলো সামান্য কটা আসনে।
সত্যি বলতে কী, গোটা দেশ তখন মোদিজিতে মোহিত। তাঁর কাছে মানুষের বিশেষত গরিব মধ্যবিত্তের প্রত্যাশার পারদ চড়তে চড়তে তখন আকাশ ছুঁয়েছে। প্রধানমন্ত্রীও মানুষের সেই প্রত্যাশার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে ভাষণ দিয়ে চলেছেন। কিন্তু, কয়েকটা মাস যেতে না যেতেই মোদি সরকারের কিছু সিদ্ধান্তে মানুষের সেই প্রত্যাশা কেমন যেন চুপসে যেতে লাগল। মোদিজির ঘনঘন বিদেশ সফর সোনার সুতোয় বোনা কোট আর তার পাশাপাশি ওঠানামার মধ্য দিয়ে পেট্রল ডিজেলের দাম, রান্নার গ্যাসের দাম, বাজারের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম, ওষুধপত্রের দাম, ট্রেনের টিকিটের দাম সার সমেত কৃষির নানান সরঞ্জামের দাম সবকিছুর নিঃশব্দ বেড়ে চলা এবং পিএফ সমেত স্বল্প সঞ্চয়গুলিতে সুদের হারের নিম্নগতি— দেশের সাধারণ মধ্যবিত্ত এবং গরিবের স্বচ্ছ ভারতের স্বপ্ন ফিকে করে দিতে শুরু করল। কংগ্রেসের বিকল্প যে কংগ্রেসের চেয়ে অনেক শক্ত শক্তি এবং তাঁরা যে কংগ্রেসের ফেলে যাওয়া আর্থিক সংস্কারের কর্মসূচি রূপায়ণ করতে দেশের মানুষের স্বার্থের কথা ভেবে তেমন কোনও সমঝোতা, কম্প্রোমাইজ করবেন না— সেটাও বুঝে গেল দেশ। সুতরাং, সাধারণের ভবিষ্যৎ যে কঠিনতর হতে যাচ্ছে এমন একটা চাপা শঙ্কাও ছড়ালো জনতার একাংশে। বিশেষজ্ঞদের অনেকে বলেন, দেশের মানুষের ওই আশাভঙ্গের কারণেই ক্ষমতায় আসার পর নানান রাজ্যের নির্বাচন উপনির্বাচনে মোদিজির দল বিজেপি লোকসভার দাপট ধরে রাখতে ব্যর্থ হয়েছে।
কিন্তু, উত্তরপ্রদেশের শেষ নির্বাচনী ফলের পর বিজেপি-র সমালোচক নিন্দুকদের মুখ বন্ধ। উপায় নেই। ওই ফলের পর আর কথা চলে? কী করে মুলায়ম মায়াবতীর রাজ্যে অমন গেরুয়া ঝড় সব হিসেব তছনছ করে দিয়ে গেল সে প্রসঙ্গে মুনিজনেরা অনেক মত দিয়েছেন। আমরা সেসব যাচ্ছি না। তবে, গোমাতার সেবা, গো-রক্ষা, গো-মাংস খাওয়া বন্ধ করতে বিজেপি-র উঠেপড়ে লাগা কট্টর হিন্দু-ভারতে কতটা প্রভাব ফেলেছে সেটা ওই ফলাফল থেকে যদি কেউ আঁচ করেন— একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যাবে কি? তারওপর গরুদের জন্য আধার কার্ডও নাকি করে দেবে সরকার! ভালো কথা। এবং তাতে ভারতের কিছু অংশে গেরুয়া বাহিনীর প্রভাব প্রতিপত্তি আরও বাড়লেও আশ্চর্যের কিছু নেই। কিন্তু, গোমাংস তো বহু মানুষের খাদ্য। সে খাদ্য থেকে তাঁদের বঞ্চিত করা কি যায়? মানুষের ব্যক্তিগত রুচি বিশেষ করে দৈনন্দিন খাবারদাবারের ব্যাপারে তাঁদের পছন্দ অপচ্ছন্দের ওপর কি সরকারি নিয়ন্ত্রণ চলে? তাছাড়া, গরু সমেত নানা পশুর চামড়া দিয়ে দেশে তো বিরাট শিল্প চলে, লাখো মানুষের কর্মসংস্থান হয়। সেসব বন্ধ করলে সাধারণ মানুষের পেটেই তো টান পড়বে। আরে, গরু কেনও যে কোনও গৃহপালিত জীবের প্রতি আমাদেরও যথেষ্ট মায়া মমতা আছে। কিন্তু, তাই বলে কি খাদ্য শৃঙ্খল, চর্মশিল্পের বিরাট বাজার— এসবের গুরুত্ব অস্বীকার করা যায়? বেআইনি সব সময়ই বেআইনি এবং তা রোধ করতে সরকার নিশ্চয়ই পদক্ষেপ করবে। বেআইনি গরু পাচার, গো-হত্যা অবশ্যই বন্ধ করা উচিৎ। তবে, বেআইনি ঠেকাবার নামে যদি আইনি কারবার এবং খাবারদাবারে হস্তক্ষেপ হয়, তাই নিয়ে মারধর খুনোখুনি হয়— তা কি সঠিক হয়? উত্তরপ্রদেশ জয়ের আগেই তো সে রাজ্যে গো-মাংস নিয়ে খুনের ঘটনা ঘটে গেছে। জয়ের পর অতি উৎসাহী গোরক্ষকদের দাপটে পড়ে কত মানুষ নাজেহাল হয়েছেন, ব্যবসাপাতি বন্ধ হয়েছে— সংখ্যার বিচারে তার হিসেবও তো নিতান্ত ছোট নয়। স্বচ্ছ ভারত, আধুনিক ভারত যাঁদের লক্ষ্য এহেন আচরণ চিন্তা কি তাঁদের মানায়? কী চাইছে মোদি সরকার! এবারে গরুকে অতিরিক্ত প্রাধান্য দিতে গিয়ে সাধারণ মানুষের ওপর নানা রকমের বিধিনিষেধ জারি করে কোন লক্ষ্য পূরণ করতে চাইছে বিজেপি? এসবের সঙ্গে স্বচ্ছ ভারত আধুনিক প্রযুক্তিতে বলীয়ান ভারত গড়ার সম্পর্কটাই-বা কি?
অবশ্য, কিছুদিন হল দেখা যাচ্ছে গো-মাতা নিয়ে মাতামাতিটা একটু হলেও যেন কমেছে। আসলে এখন যে জিএসটি অর্থাৎ পণ্য পরিষেবা কর নিয়ে শুরু হয়েছে মহাউদ্যোগ। সেখানে প্রাথমিকভাবে বিভিন্ন জিনিসপত্রের ওপর নতুন হারে ট্যাক্সের যে বহর দেখা যাচ্ছে তাতে গরিবের তো বটেই, সাধারণ মানুষেরও উৎফুল্ল হওয়ার কোনও কারণ দেখছি না। খাদ্য বস্ত্র বাসস্থান ওষুধপত্তর সবকিছুরই তো দাম বাড়বে বলে বলছেন তথ্যভিজ্ঞরা। ট্রেন প্লেনের টিকিট— তাও বাড়বে। তাহলে আর রইলটা কী? রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রথম থেকেই জিএসটি কাউন্সিলের এই করকাঠামো নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। কারণ, বিশেষজ্ঞরা অনেকেই বলছেন, জিএসটি লাগু হলে যে সাধারণ মানুষেরই চাপ বাড়বে তাই নয় ছোট ও মাঝারি শিল্পের ক্ষেত্রেও সমস্যা সৃষ্ট হবে। কিন্তু, বড়শিল্প সমেত দেশের ওপরতলায় বিশেষ অসুবিধে হবে না! বিভিন্ন স্যোশাল মিডিয়ায় তাই নাকি জিএসটি-র ‘উপকারিতা’ নিয়ে মজামস্করা টীকাটিপ্পনি শুরু হয়ে গেছে!
আসলে জিএসটি হলে এমন সব জিনিসের দাম বাড়বে বলা হচ্ছে যেগুলো সাধারণ সব ঘরেই অত্যাবশ্যকের তালিকাভুক্ত। যেমন বিমার প্রিমিয়াম, কেবল টেভি পরিষেবা, মোবাইলের রিচার্জ, ফ্ল্যাট, বৈদ্যুতিন জিনিসপত্র ইত্যাদি। সাধারণ মানুষ কানাঘুষোয় যা শুনছেন কাগজে মিডিয়ায় যা পড়ছেন তাতে জিএসটি ব্যাপারটা যে খুব ভালোভাবে বুঝছেন এমন নয়। কিন্তু, চতুর্দিকের হালহকিকৎ দেখে ভয় পাচ্ছেন। তাঁদের সংশয় একটাই— জিএসটি চালু হলে দৈনন্দিন খরচখরচা আরও বাড়বে নাতো! তাঁদের এই সংশয়টা আর এক প্রস্থ বাড়িয়ে দিচ্ছে জিএসটি সংক্রান্ত কিছু বিজ্ঞাপন যেখানে বলা হচ্ছে, এই ব্যবস্থা লাগুর আগেই কেনাকাটা সারুন। জিএসটি চালু হওয়ার পর কিনতে গেলে একই জিনিসের জন্য দাম বেশি দিতে হবে। সত্যি বলতে কী, জিএসটি নিয়ে এখন জনমনে যথেষ্ট বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে। তারওপর মমতা সরকার জিএসটি চালুর ব্যাপারে এখনও সম্মতি না দেওয়ায় লোকে ভাবছে নিশ্চয়ই ওতে গড়বড় আছে। ওতে রাজ্যের সাধারণ মানুষের খুব ভালো কিছু হবে না। সেজন্যই মুখ্যমন্ত্রী মমতা জিএসটি নিয়ে বিশেষ উৎসাহ দেখাচ্ছেন না। তাঁর অর্থমন্ত্রী দিল্লিতে সেই মনোভাব ব্যক্ত করেও এসেছেন।
বিশেষজ্ঞদের অনেকে এমনও বলছেন, জিএসটি পাকাপাকিভাবে চালু না হলেও বলাই যাবে না ওই কর ব্যবস্থায় কার ঠিক কতটা লাভ হল, দেশের উন্নয়নেই বা তা কতটা কাজে দিল। কিন্তু, একটা ব্যাপার পরিষ্কার- সাধারণ গরিব মধ্যবিত্তের জীবনধারণের খরচখরচা সবদিক থেকেই কিছু না কিছু বাড়বে। যদি তাই হয়— তাহলে তো আবার আশাভঙ্গ! সুদিনের আশায় পেট শুকিয়ে থাকতে চাইবেন ক’জন! একদিকে গোমাতার অর্চনা, তাকে রক্ষা করতে সব ভুলে ঝাঁপাঝাপি অন্যদিকে জিএসটি-র নামে কর বসিয়ে অতিরিক্ত টাকা আদায়- মোদি সরকার চাইছেনটা কী!? পথেঘাটে এমন বিস্ময় জড়ানো এই প্রশ্নটা তাই তো উঠতে শুরু করেছে। অস্বাভাবিক নয়। কারণ, ইতিমধ্যেই পিএফ স্বল্প সঞ্চয়ে সুদ কমায় সাধারণ মানুষ বিশেষত অবসরপ্রাপ্তরা বিপদে। তারওপর চারপাশে সবকিছুর দাম বেড়েই চলেছে। এর ওপর জিসিটি! আর এক প্রস্থ দাম বাড়ার আশঙ্কা। যাবে কোথায় মানুষ খাবে কী! সেজন্যই লোকে বলতে শুরু করেছে, আম মানুষের চেয়ে গরুর যদি দেশের সরকারের কাছে বেশি মূল্যবান হয়ে পড়ে তবে ভবিষ্যৎ নিয়ে সংশয় তৈরি হয় বৈকি। আম জনতার এই ক্ষোভ সামাল দিয়ে স্বচ্ছ ভারত, বিশ্বের সঙ্গে পাল্লা দেওয়া ঝাঁ-চকচকে প্রযুক্তির ভারতের রূপকারেরা শেষ পর্যন্ত কতটা সফল হন এখন সেটাই দেখার।
18th  June, 2017
শিবাজি রাও গায়কোয়াড়ের দোলাচল
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়

 সাতষট্টি বছরের একজন মানুষ শেষ পর্যন্ত কী সিদ্ধান্ত নেবেন অথবা নেওয়া উচিত তা নিয়ে আমি বেশ ধন্দে পড়েছি। তবে আমার এই দোলাচল মোটেই আহামরি কিছু নয়, বড় যা তা হল একটা গোটা রাজ্যের মানুষের তাঁর দিকে ড্যাব ড্যাব করে চেয়ে থাকা। বিপুল দোলাচলে রাজ্যের সবার মনে। বিশদ

রথযাত্রায় শ্রীচৈতন্য ও শ্রীরামকৃষ্ণ
চৈতন্যময় নন্দ

 নীলাচলে দারুব্রহ্ম জগদীশ জগন্নাথদেবের সবচেয়ে বড় বিজয়োৎসব রথযাত্রা। আদিকাল থেকে এই সমারোহ চলে এসেছে এবং একে কেন্দ্র করে বহু ইতিবৃত্তের সৃষ্টি হয়েছে। আষাঢ় মাসের শুক্লা দ্বিতীয়া তিথিতে পুরীতে শ্রীমন্‌ জগন্নাথ রথে আরোহণ করেন।
বিশদ

24th  June, 2017
অনুপ্রবেশকারীদের মন্দিরে আশ্রয় প্রসঙ্গে
আলোলিকা মুখোপাধ্যায়

 নিউইয়র্ক শহরের কুইনস এলাকায় সমুদ্রের ধার ঘেঁষে রক অ্যাওয়ে বিচ। একদিন দেখা গেল মহাসাগরের ঢেউয়ের মাথায় নাচতে নাচতে ভাঙা নারকোল ভেসে আসছে। নারকোলের পিছু পিছু ইতস্তত বিক্ষিপ্ত গাঁদাফুলের মালা। সাহেব মেমরা সাঁতার কাটতে নেমে নারকোলের আধভাঙা মালা, পচা গাঁদার মালা দেখে জলপুলিশকে নালিশ করল। বিশদ

24th  June, 2017
সাঁওতাল বিদ্রোহ এবং সমাজের পরিবর্তন
বিষ্ণুপদ হেমরম

 ভারতের আদিবাসী জনগোষ্ঠীগুলির মধ্যে সাঁওতালরাই সংখ্যাগরিষ্ঠ। ব্রিটিশ ভারতে জল-জঙ্গল-জমিনের উপর অধিকার অক্ষুণ্ণ রাখতে এবং শোষণ ও নিপীড়নের প্রতিবাদে তারা সরকারের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছিল। সেটা আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছিল ১৮৫৫ সালের ৩০ জুন, বর্তমান সাঁওতাল পরগনার ভাগ্‌না঩ডিহির মাঠে। বিশদ

23rd  June, 2017
পাহাড় ও বাঙালি
সমৃদ্ধ দত্ত

 বিজেপি রাজ্য শাখা তথা তাদের কর্মী সমর্থকরা এখনও স্পষ্ট করে বলছেন না সামান্য একটা সিদ্ধান্ত। সেটি হল তাঁরা কি গোর্খাল্যান্ড সমর্থন করেন, নাকি করেন না? সহজ প্রশ্ন। সহজ উত্তর। অথচ সোজা উত্তর পাওয়া যাচ্ছে না। ভাসা ভাসা কথা। কারণ বিজেপি রাজ্য শাখা ও কর্মী সমর্থকরা অপেক্ষা করছেন তাঁদের হাইকমান্ড কী ঠিক করবেন তার উপর। একবার চিন্তা করে দেখুন, আমরা বাঙালি, আমাদের রাজ্য থেকে আমাদের প্রিয় দার্জিলিংকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হবে কি না তা ঠিক করতেও বিজেপির বাংলা শাখা দুজন গুজরাতের নেতার দিকে তাকিয়ে আছে। বিশদ

23rd  June, 2017
দুর্নীতির পরিবেশ, পরিবেশে দুর্নীতি
বিশ্বজিৎ মুখোপাধ্যায়

 ১৯৭০ দশকের বিশিষ্ট সমাজবিজ্ঞানী ও অর্থনীতিবিদ Gunnar Mydral-এর ‘এশিয়ান ড্রামা’ বইটির মূল প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল, এশিয়ার বুকে বিভিন্ন দেশে পরিকল্পনাগুলি ব্যর্থ হবার একটি অন্যতম কারণ দুর্নীতি। বিশদ

21st  June, 2017
এ যুগের নীলকণ্ঠদের মুক্তির উপায় কী?
স্বপন মণ্ডল

 পুরাণ মতে সমুদ্র মন্থনের মতো কষ্টসাধ্য কাজে সুরাসুর উভয়েই হাত লাগিয়েছিল। সমুদ্র মন্থনে অমৃতের সন্ধান যেমন পাওয়া গেল গরলও উঠে এল। অমৃতের ভাগীদার অনেকে কিন্তু গরলের ভাগীদার কেউ হতে চাইল না। কিন্তু এ গরল এমন গরল যে ধরিত্রীর যেখানে পড়বে সেখানেই বিষাক্ত হয়ে যাবে। বিশদ

21st  June, 2017
যোগদিবস: ভারতের লক্ষ্মীলাভের মস্ত সুযোগ
হরলাল চক্রবর্তী

 ২০১৫ সাল থেকে বিশ্বজুড়ে ২১ জুন মহা ধুমধামে ‘বিশ্ব-যোগদিবস’ পালিত হচ্ছে। সারা বিশ্বের প্রায় ২০০টি দেশ যোগদিবসের স্বীকৃতি দিয়েছে, ১৮০টি দেশ যোগে অংশগ্রহণ করেছে, এর মধ্যে কিছু ইসলামিক দেশও আছে। আশা করা যায়, এ বছর তা আরও বেশি সাফল্য পাবে।
বিশদ

20th  June, 2017



একনজরে
সংবাদদাতা, রামপুরহাট: তারাপীঠে ব্যতিক্রমী রথের দড়িতে টান দিতে শনিবারই দূরদূরান্ত থেকে কয়েক হাজার ভক্ত তারাপীঠ এসেছেন। সাধারণত জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রাকে রথে বসিয়ে রথযাত্রা উৎসব পালিত হয়। কিন্তু তারাপীঠে তারা মা-ই রথে আরোহন করেন। রথ, উলটো রথ দুই পর্যায়ের রথেই ...

 বেজিং, ২৪ জুন (পিটিআই): বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সাবমেরিন ডিটেক্টর আবিষ্কার করল চীন। আজ ‘দ্য চাইনিজ আকাদেমি অব সায়েন্সেস’-এর একদল বিজ্ঞানী এই দাবি করেছেন। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আগামী মরশুমেও মোহন বাগানের কোচ থাকছেন সঞ্জয় সেন। তাঁর কাছে অন্য কোনও ক্লাবের অফার ছিল না। মোহন বাগানও ‘এ’ লাইসেন্সধারী ভালো কোচ পেত না। শনিবার সঞ্জয় সেন স্বীকার করে নেন, ‘মোহন বাগানের এক শীর্ষ কর্তা আমাকে আগামী ...

 শ্রীনগর, ২৪ জুন (পিটিআই): ডিএসপি মহম্মদ আয়ুব পণ্ডিত খুনের ঘটনার বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করল জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ। সুপারিটেন্ডেন্ট পদমর্যাদার আধিকারিকের নেতৃত্বে এই দল গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন এক পুলিশকর্তা। ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাফল্য আসবে। প্রেম-প্রণয়ে আগ্রহ বাড়বে। তবে তা বাস্তবায়িত হওয়াতে সমস্যা আছে। লৌহ ও ... বিশদ



ইতিহাসে আজকের দিন

 ১৯০৩- ইংরেজ সাহিত্যিক জর্জ অরওয়েলের জন্ম
১৯৬০- কবি সুধীন্দ্রনাথ দত্তের মৃত্যু
১৯৭৪- অভিনেত্রী করিশ্মা কাপুরের জন্ম
১৯৭৫- প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী দেশে জরুরি অবস্থা জারি করলেন
২০০৯- মার্কিন পপ সংগীত শিল্পী মাইকেল জ্যাকসনের মৃত্যু




ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৭৫ টাকা ৬৫.৪৩ টাকা
পাউন্ড ৮০.৬৪ টাকা ৮৩.৪২ টাকা
ইউরো ৭০.৭৬ টাকা ৭৩.২৮ টাকা
24th  June, 2017
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৯,২২৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৭,৭২৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৮,১৪০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৯,১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৯,২০০ টাকা

দিন পঞ্জিকা

১০ আষাঢ়, ২৫ জুন, রবিবার, দ্বিতীয়া রাত্রি ১/২, পুনর্বসুনক্ষত্র রাত্রি ১১/২৫, সূ উ ৪/৫৭/৩৬, অ ৬/২০/৩৬, অমৃতযোগ ৬/৪৪-৯/২৫ পুনঃ ১২/৫-২/৪৫ রাত্রি ৭/৪৫ পুনঃ ১০/৩৫-১২/৪৩, বারবেলা ৯/৫৮-১/১৯, কালরাত্রি ১২/৫৯-২/১৯।

রথযাত্রা উৎসব
রাত্রি ১/৩৮/২৯ অম্বুবাচী নিবৃত্তিঃ

১০ আষাঢ়, ২৫ জুন, রবিবার, প্রতিপদ ৬/২১/২১ পরে দ্বিতীয়া রাত্রিশেষ ৪/৮/৫০, পুনর্বসুনক্ষত্র ২/৪৯/৪৫, সূ উ ৪/৫৪/৫৩, অ ৬/২২/১২, অমৃতযোগ দিবা ৪/৪২/৩১-৯/২৩/৫৯, ১২/৫/২৭-২/৪৬/৫৫ রাত্রি ৭/৪৬/৩৩, ১০/৩৫/১৬-১২/৪১/৪৮, বারবেলা ৯/৫৭/৩৮-১১/৩৮/৩৩, কালবেলা ১১/৩৮/৩৩-১/১৯/২৮, কালরাত্রি ১২/৫৭/৩৮-২/১৬/৪৩।

রথযাত্রা উৎসব
রাত্রি ১/৩৮/২৯ অম্বুবাচী নিবৃত্তিঃ
২৯ রমজান

ছবি সংবাদ


এই মুহূর্তে
গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বনগাঁর গনরাপোতা বাজার এলাকা থেকে ১৫০টি বিরল প্রজাতির কচ্ছপ উদ্ধার করল পুলিশ, গ্রেপ্তার ৬

10:20:00 AM

লখনউতে ১৪ বছর বয়সী এক পুলিশ অফিসারের কন্যার আত্মহত্যা, চাঞ্চল্য

10:16:00 AM

পাকিস্তানের বাহাওয়ালপুরে তেলের ট্যাঙ্কার থেকে আগুন লাগার ঘটনায় মৃত শতাধিক, গুরুতর জখম ৪০

10:14:00 AM

শহরে ট্রাফিকের হাল
আজ, রবিবার সকালে শহরের রাস্তাঘাটে যান চলাচল মোটের উপর স্বাভাবিক। ট্রাফিকের সামান্য চাপ রয়েছে এজেসি বসু রোড, ইএম বাইপাস, মা উড়ালপুল, পার্কস্ট্রিটের মতো গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলিতে। এদিন শহরে তেমন কোনও বড় মিটিং-মিছিলের খবর নেই। ফলে মোটামুটি সারাদিনই শহরের যান চলাচল স্বাভাবিক থাকবে বলেই মনে করা হচ্ছে। তবে আজ রথযাত্রাকে ঘিরে বেশ কয়েকটি রাস্তায় যানজট দেখা দিতে পারে। ইসকনের রথ অ্যালবার্ট রোড থেকে হাঙ্গারফোর্ড স্ট্রিট, এজেসি বোস রোড, শরৎ বসু রোড, হাজরা রোড, এসপি মুখার্জি রোড, আশুতোষ মুখার্জি রোড, চৌরঙ্গি রোড, এক্সাইড ক্রসিং, জওহরলাল নেহরু রোড, আউটরাম রোড হয়ে ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে এসে থামবে। ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে যে ক’দিন ইসকনের রথ থাকবে, সেই ক’দিন সেখানে প্রসাদ বিতরণ, নানা বিনোদনমূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। অন্যদিকে, মেট্রোর কাজের জন্য ২৯ জুন থেকে ৩ জুলাই পর্যন্ত বন্ধ থাকবে ব্রাবোর্ন রোড ফ্লাইওভার ব্রিজ। সেই সময় সমস্ত গাড়ি মহাত্মা গান্ধী রোড, পোস্তা ও স্ট্যান্ড রোড দিয়ে ঘুরিয়ে দেওয়া হবে। তার ফলে ওই এলাকাগুলিতে যানজট দেখা দিতে পারে। কলকাতা পুলিশ জানিয়েছে, মা ফ্লাইওভারের নতুন ফ্ল্যাংকের নির্মাণ কাজ চলায় আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত কড়েয়া রোড ও বেকবাগান রো'র মধ্যবর্তী সার্কাস এভিনিউ'র দক্ষিণ অভিমুখও বন্ধ থাকবে। তার জেরে ওই এলাকাতেও যানজটের সম্ভাবনা রয়েছে। ট্রাফিক সংক্রান্ত যে কোনও খবরাখবরের জন্য কলকাতা পুলিশের টোল ফ্রি নম্বর ১০৭৩-তে ফোন করুন।

10:02:00 AM

মধ্য জাপানে ভূমিকম্প, রিখটার স্কেলে ৫.২

09:38:00 AM

চীনে ভূমিধস, মৃত ১৫, নিখোঁজ শতাধিক

09:34:00 AM