বিশেষ নিবন্ধ
 

গোমাতার পর জিএসটি: কি চাইছে মোদি সরকার
শুভা দত্ত

ক্ষমতায় আসার আগে নরেন্দ্র মোদি রাজনৈতিক প্রচার সভায় যেসব কথা বলেছিলেন, যে সমস্ত প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন—তাতে দেশের আমজনতার মনে হয়েছিল, দেশে একটি বড় পরিবর্তন আসছে এবং সেই পরিবর্তনে গরিব মধ্যবিত্ত মানুষের ভালো হবে। নানান দুর্নীতিতে দিশেহারা আর্থিক সংস্কার কর্মসূচি রূপায়ণে দ্বিধান্বিত মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ মনমোহন সরকারের ওপর তখন দেশের মানুষ আস্থা অনেকটাই হারিয়ে ফেলেছেন, বিশেষত মূল্যবৃদ্ধির দাপটে জেরবার গরিব মধ্যবিত্ত কংগ্রেসের বিকল্প খুঁজতে তখন একরকম মরিয়া। বাম-অবাম মেশানো জগাখিচুড়ি তৃতীয় জোটের মধ্যে তেমন কোনও সম্ভাবনা খুঁজে পাচ্ছিলেন না দেশের মানুষ। ঠিক সেই সময় স্বচ্ছ ভারত, দুর্নীতিমুক্ত ভারতের শ্লোগান তুলে একেবারে হইহই রব তুলে দিয়েছিলেন আজকের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ঘুষ দুর্নীতির ব্যাপারে তাঁর সাফ জবাব ‘খাব না খেতেও দেব না’ তখন লোকের মুখে মুখে ফিরছে। মোদিজির বলিষ্ঠ নাটকীয় কন্ঠের ভাষণে স্বচ্ছ ভারত, একবিংশ শতাব্দীর আধুনিক প্রযুক্তির ভারতের স্বপ্নে একটু একটু করে আচ্ছন্ন হতে শুরু করেছে দেশ আর দেশের মানুষ তাঁর মধ্যে দেখতে শুরু করেছেন কংগ্রেসের যোগ্য বিকল্প। তারই পরিণতিতে ২০১৪ সালের ভোটে গেরুয়া ঝড় এবং দ্বিতীয়বারের জন্য দিল্লিতে মোদিজির নয়া বিজেপি-র নেতৃত্বে এনডিএ-র নতুন সরকারের পত্তনও হয়ে গেল বিপুল সংখ্যার গরিষ্ঠতায়। কংগ্রেস সমেত বাদবাকি দলগুলির অস্তিত্বটুকু বজায় রইলো সামান্য কটা আসনে।
সত্যি বলতে কী, গোটা দেশ তখন মোদিজিতে মোহিত। তাঁর কাছে মানুষের বিশেষত গরিব মধ্যবিত্তের প্রত্যাশার পারদ চড়তে চড়তে তখন আকাশ ছুঁয়েছে। প্রধানমন্ত্রীও মানুষের সেই প্রত্যাশার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে ভাষণ দিয়ে চলেছেন। কিন্তু, কয়েকটা মাস যেতে না যেতেই মোদি সরকারের কিছু সিদ্ধান্তে মানুষের সেই প্রত্যাশা কেমন যেন চুপসে যেতে লাগল। মোদিজির ঘনঘন বিদেশ সফর সোনার সুতোয় বোনা কোট আর তার পাশাপাশি ওঠানামার মধ্য দিয়ে পেট্রল ডিজেলের দাম, রান্নার গ্যাসের দাম, বাজারের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম, ওষুধপত্রের দাম, ট্রেনের টিকিটের দাম সার সমেত কৃষির নানান সরঞ্জামের দাম সবকিছুর নিঃশব্দ বেড়ে চলা এবং পিএফ সমেত স্বল্প সঞ্চয়গুলিতে সুদের হারের নিম্নগতি— দেশের সাধারণ মধ্যবিত্ত এবং গরিবের স্বচ্ছ ভারতের স্বপ্ন ফিকে করে দিতে শুরু করল। কংগ্রেসের বিকল্প যে কংগ্রেসের চেয়ে অনেক শক্ত শক্তি এবং তাঁরা যে কংগ্রেসের ফেলে যাওয়া আর্থিক সংস্কারের কর্মসূচি রূপায়ণ করতে দেশের মানুষের স্বার্থের কথা ভেবে তেমন কোনও সমঝোতা, কম্প্রোমাইজ করবেন না— সেটাও বুঝে গেল দেশ। সুতরাং, সাধারণের ভবিষ্যৎ যে কঠিনতর হতে যাচ্ছে এমন একটা চাপা শঙ্কাও ছড়ালো জনতার একাংশে। বিশেষজ্ঞদের অনেকে বলেন, দেশের মানুষের ওই আশাভঙ্গের কারণেই ক্ষমতায় আসার পর নানান রাজ্যের নির্বাচন উপনির্বাচনে মোদিজির দল বিজেপি লোকসভার দাপট ধরে রাখতে ব্যর্থ হয়েছে।
কিন্তু, উত্তরপ্রদেশের শেষ নির্বাচনী ফলের পর বিজেপি-র সমালোচক নিন্দুকদের মুখ বন্ধ। উপায় নেই। ওই ফলের পর আর কথা চলে? কী করে মুলায়ম মায়াবতীর রাজ্যে অমন গেরুয়া ঝড় সব হিসেব তছনছ করে দিয়ে গেল সে প্রসঙ্গে মুনিজনেরা অনেক মত দিয়েছেন। আমরা সেসব যাচ্ছি না। তবে, গোমাতার সেবা, গো-রক্ষা, গো-মাংস খাওয়া বন্ধ করতে বিজেপি-র উঠেপড়ে লাগা কট্টর হিন্দু-ভারতে কতটা প্রভাব ফেলেছে সেটা ওই ফলাফল থেকে যদি কেউ আঁচ করেন— একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যাবে কি? তারওপর গরুদের জন্য আধার কার্ডও নাকি করে দেবে সরকার! ভালো কথা। এবং তাতে ভারতের কিছু অংশে গেরুয়া বাহিনীর প্রভাব প্রতিপত্তি আরও বাড়লেও আশ্চর্যের কিছু নেই। কিন্তু, গোমাংস তো বহু মানুষের খাদ্য। সে খাদ্য থেকে তাঁদের বঞ্চিত করা কি যায়? মানুষের ব্যক্তিগত রুচি বিশেষ করে দৈনন্দিন খাবারদাবারের ব্যাপারে তাঁদের পছন্দ অপচ্ছন্দের ওপর কি সরকারি নিয়ন্ত্রণ চলে? তাছাড়া, গরু সমেত নানা পশুর চামড়া দিয়ে দেশে তো বিরাট শিল্প চলে, লাখো মানুষের কর্মসংস্থান হয়। সেসব বন্ধ করলে সাধারণ মানুষের পেটেই তো টান পড়বে। আরে, গরু কেনও যে কোনও গৃহপালিত জীবের প্রতি আমাদেরও যথেষ্ট মায়া মমতা আছে। কিন্তু, তাই বলে কি খাদ্য শৃঙ্খল, চর্মশিল্পের বিরাট বাজার— এসবের গুরুত্ব অস্বীকার করা যায়? বেআইনি সব সময়ই বেআইনি এবং তা রোধ করতে সরকার নিশ্চয়ই পদক্ষেপ করবে। বেআইনি গরু পাচার, গো-হত্যা অবশ্যই বন্ধ করা উচিৎ। তবে, বেআইনি ঠেকাবার নামে যদি আইনি কারবার এবং খাবারদাবারে হস্তক্ষেপ হয়, তাই নিয়ে মারধর খুনোখুনি হয়— তা কি সঠিক হয়? উত্তরপ্রদেশ জয়ের আগেই তো সে রাজ্যে গো-মাংস নিয়ে খুনের ঘটনা ঘটে গেছে। জয়ের পর অতি উৎসাহী গোরক্ষকদের দাপটে পড়ে কত মানুষ নাজেহাল হয়েছেন, ব্যবসাপাতি বন্ধ হয়েছে— সংখ্যার বিচারে তার হিসেবও তো নিতান্ত ছোট নয়। স্বচ্ছ ভারত, আধুনিক ভারত যাঁদের লক্ষ্য এহেন আচরণ চিন্তা কি তাঁদের মানায়? কী চাইছে মোদি সরকার! এবারে গরুকে অতিরিক্ত প্রাধান্য দিতে গিয়ে সাধারণ মানুষের ওপর নানা রকমের বিধিনিষেধ জারি করে কোন লক্ষ্য পূরণ করতে চাইছে বিজেপি? এসবের সঙ্গে স্বচ্ছ ভারত আধুনিক প্রযুক্তিতে বলীয়ান ভারত গড়ার সম্পর্কটাই-বা কি?
অবশ্য, কিছুদিন হল দেখা যাচ্ছে গো-মাতা নিয়ে মাতামাতিটা একটু হলেও যেন কমেছে। আসলে এখন যে জিএসটি অর্থাৎ পণ্য পরিষেবা কর নিয়ে শুরু হয়েছে মহাউদ্যোগ। সেখানে প্রাথমিকভাবে বিভিন্ন জিনিসপত্রের ওপর নতুন হারে ট্যাক্সের যে বহর দেখা যাচ্ছে তাতে গরিবের তো বটেই, সাধারণ মানুষেরও উৎফুল্ল হওয়ার কোনও কারণ দেখছি না। খাদ্য বস্ত্র বাসস্থান ওষুধপত্তর সবকিছুরই তো দাম বাড়বে বলে বলছেন তথ্যভিজ্ঞরা। ট্রেন প্লেনের টিকিট— তাও বাড়বে। তাহলে আর রইলটা কী? রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রথম থেকেই জিএসটি কাউন্সিলের এই করকাঠামো নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। কারণ, বিশেষজ্ঞরা অনেকেই বলছেন, জিএসটি লাগু হলে যে সাধারণ মানুষেরই চাপ বাড়বে তাই নয় ছোট ও মাঝারি শিল্পের ক্ষেত্রেও সমস্যা সৃষ্ট হবে। কিন্তু, বড়শিল্প সমেত দেশের ওপরতলায় বিশেষ অসুবিধে হবে না! বিভিন্ন স্যোশাল মিডিয়ায় তাই নাকি জিএসটি-র ‘উপকারিতা’ নিয়ে মজামস্করা টীকাটিপ্পনি শুরু হয়ে গেছে!
আসলে জিএসটি হলে এমন সব জিনিসের দাম বাড়বে বলা হচ্ছে যেগুলো সাধারণ সব ঘরেই অত্যাবশ্যকের তালিকাভুক্ত। যেমন বিমার প্রিমিয়াম, কেবল টেভি পরিষেবা, মোবাইলের রিচার্জ, ফ্ল্যাট, বৈদ্যুতিন জিনিসপত্র ইত্যাদি। সাধারণ মানুষ কানাঘুষোয় যা শুনছেন কাগজে মিডিয়ায় যা পড়ছেন তাতে জিএসটি ব্যাপারটা যে খুব ভালোভাবে বুঝছেন এমন নয়। কিন্তু, চতুর্দিকের হালহকিকৎ দেখে ভয় পাচ্ছেন। তাঁদের সংশয় একটাই— জিএসটি চালু হলে দৈনন্দিন খরচখরচা আরও বাড়বে নাতো! তাঁদের এই সংশয়টা আর এক প্রস্থ বাড়িয়ে দিচ্ছে জিএসটি সংক্রান্ত কিছু বিজ্ঞাপন যেখানে বলা হচ্ছে, এই ব্যবস্থা লাগুর আগেই কেনাকাটা সারুন। জিএসটি চালু হওয়ার পর কিনতে গেলে একই জিনিসের জন্য দাম বেশি দিতে হবে। সত্যি বলতে কী, জিএসটি নিয়ে এখন জনমনে যথেষ্ট বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে। তারওপর মমতা সরকার জিএসটি চালুর ব্যাপারে এখনও সম্মতি না দেওয়ায় লোকে ভাবছে নিশ্চয়ই ওতে গড়বড় আছে। ওতে রাজ্যের সাধারণ মানুষের খুব ভালো কিছু হবে না। সেজন্যই মুখ্যমন্ত্রী মমতা জিএসটি নিয়ে বিশেষ উৎসাহ দেখাচ্ছেন না। তাঁর অর্থমন্ত্রী দিল্লিতে সেই মনোভাব ব্যক্ত করেও এসেছেন।
বিশেষজ্ঞদের অনেকে এমনও বলছেন, জিএসটি পাকাপাকিভাবে চালু না হলেও বলাই যাবে না ওই কর ব্যবস্থায় কার ঠিক কতটা লাভ হল, দেশের উন্নয়নেই বা তা কতটা কাজে দিল। কিন্তু, একটা ব্যাপার পরিষ্কার- সাধারণ গরিব মধ্যবিত্তের জীবনধারণের খরচখরচা সবদিক থেকেই কিছু না কিছু বাড়বে। যদি তাই হয়— তাহলে তো আবার আশাভঙ্গ! সুদিনের আশায় পেট শুকিয়ে থাকতে চাইবেন ক’জন! একদিকে গোমাতার অর্চনা, তাকে রক্ষা করতে সব ভুলে ঝাঁপাঝাপি অন্যদিকে জিএসটি-র নামে কর বসিয়ে অতিরিক্ত টাকা আদায়- মোদি সরকার চাইছেনটা কী!? পথেঘাটে এমন বিস্ময় জড়ানো এই প্রশ্নটা তাই তো উঠতে শুরু করেছে। অস্বাভাবিক নয়। কারণ, ইতিমধ্যেই পিএফ স্বল্প সঞ্চয়ে সুদ কমায় সাধারণ মানুষ বিশেষত অবসরপ্রাপ্তরা বিপদে। তারওপর চারপাশে সবকিছুর দাম বেড়েই চলেছে। এর ওপর জিসিটি! আর এক প্রস্থ দাম বাড়ার আশঙ্কা। যাবে কোথায় মানুষ খাবে কী! সেজন্যই লোকে বলতে শুরু করেছে, আম মানুষের চেয়ে গরুর যদি দেশের সরকারের কাছে বেশি মূল্যবান হয়ে পড়ে তবে ভবিষ্যৎ নিয়ে সংশয় তৈরি হয় বৈকি। আম জনতার এই ক্ষোভ সামাল দিয়ে স্বচ্ছ ভারত, বিশ্বের সঙ্গে পাল্লা দেওয়া ঝাঁ-চকচকে প্রযুক্তির ভারতের রূপকারেরা শেষ পর্যন্ত কতটা সফল হন এখন সেটাই দেখার।
18th  June, 2017
লুক ইস্ট থেকে অ্যাক্ট ইস্ট: কী পেলাম
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

২০১৪ সালে ক্ষমতায় এসে ওই বছরই ১২ নভেম্বর আসিয়ান-ভারত যৌথ সম্মেলনের বক্তৃতায় নরেন্দ্র মোদি উল্লেখ করেছিলেন দেশের অভ্যন্তরে অর্থনৈতিক বিকাশ, শিল্পায়ন এবং বাণিজ্যের ক্ষেত্রে যেমন নতুন জোয়ার এসেছে তেমনি ভারতের বিদেশনীতিতে ‘লুক ইস্ট’ পলিসি ‘অ্যাক্ট ইস্ট’ পলিসিতে রূপান্তরিত হয়েছে।
বিশদ

বাংলার রসগোল্লা—মেড ইন চায়না
হারাধন চৌধুরী

আলী সাহেব বাঙালিকে শুনিয়েছিলেন তাঁর ঝান্ডুদার গল্প। পাঠক জানেন, ঝান্ডুদা মস্ত ব্যবসায়ী। যাচ্ছিলেন লন্ডন। বিলেতবাসী এক বন্ধুকন্যার জন্য সঙ্গে এনেছিলেন বাংলার টিনজাত কিছু রসগোল্লা। পথে ইতালির ভেনিস বন্দরে নামতে হয়। এরপর সেখানকার কাস্টমস অফিসে চেকিংয়ের সময় সেই কয়েক পাউন্ড রসগোল্লার জন্য যে আক্কেলগুড়ুম হবে তা তাঁর কল্পনায় ছিল না।
বিশদ

গুম-নিখোঁজ ও পরমানন্দ মন্ত্রণালয়
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়

বাংলাদেশে ‘লিট ফেস্ট’ শুরু ও শেষ হল। সেই কারণে কি না জানি না, অরুন্ধতী রায়ের দ্বিতীয় উপন্যাস ‘দ্য মিনিস্ট্রি অব আটমোস্ট হ্যাপিনেস’ হুট করে সংবাদপত্রে চর্চার কেন্দ্রে উঠে এল। এই মুহূর্তে বাংলাদেশের অত্যন্ত জনপ্রিয় সাহিত্যিক ও সাংবাদিক, আমার অতি ঘনিষ্ঠ ও প্রিয় আনিসুল হক এই উপন্যাসের বাংলা নাম দিয়েছেন ‘পরমানন্দ মন্ত্রণালয়’।
বিশদ

19th  November, 2017
লন্ডন, এডিনবরা এবং মমতা
শুভা দত্ত

দুর্গাপুজোর দিন যত এগিয়ে আসে, আনন্দটা তার সঙ্গে সমানুপাতিক হারে বাড়ে। এ আমাদের বাঙালি সংস্কৃতির চিরন্তন সত্য। আর মা দুর্গাকে ঘিরে সেই উৎসবের রামধনু রং ফিকে হতে শুরু করে নবমীর সন্ধ্যা থেকেই। আজ বাদে কাল দশমী। মায়ের ফিরে যাওয়ার পালা।
বিশদ

19th  November, 2017
চীনের প্রেসিডেন্ট বনাম ভারতের ডিফেন্স রিসার্চ
প্রশান্ত দাস

জিনপিং দেশের বিখ্যাত বিজ্ঞানীদের বললেন—আমাদের সমাজতন্ত্র দেশকে তরতর করে এগিয়ে নিয়ে চলেছে। এগিয়ে চলেছে আমাদের অর্থনীতি। কিন্তু গত পাঁচ বছরে আপনারা ক’টি অবিশ্বাস্য অস্ত্র দিতে পেরেছেন সেনাদের? ভারতের ডিআরডিও কী করে পৃথিবীতে দু’নম্বর রিসার্চ সেন্টার হল? কী নেই আপনাদের? যা যা চাই, তালিকা পাঠান। যতদিন না আমরা ডিআরডিও-কে ছাপিয়ে যেতে পারছি, ততদিন আমরা নিজেদের এশিয়ার মধ্যে এক নং বলতে পারব না।
বিশদ

18th  November, 2017
রাজ্যের লাইব্রেরিগুলিকে বাঁচাতেই হবে
পার্থজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

মনে পড়ছে গত ডিসেম্বরের কথা। বীরভূম জেলার সরকারি বইমেলার আয়োজন হয়েছিল সিউড়িতে, ইরিগেশন কলোনির মাঠে। আমি উদ্বোধক, মঞ্চে জেলার মন্ত্রীরা, সঙ্গত কারণেই উপস্থিত ছিলেন গ্রন্থাগারমন্ত্রীও। মঞ্চে বসেই সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীর সঙ্গে পরিচয়, আলাপচারিতা।
বিশদ

18th  November, 2017
মোদির আমলে শিশুদের খিদের যন্ত্রণা তীব্র, কারণ শিশু ও মহিলা উন্নয়নে গুরুত্ব কম
দেবনারায়ণ সরকার

কেন্দ্রীয় সরকারের গত ৩ বছরের বাজেটের তথ্য সার্বিকভাবে বিচার করলে দেখা যাচ্ছে কেন্দ্রীয় বাজেটে মোট ব্যয় যেখানে ২১ শতাংশের বেশি বেড়েছে (টাকার অঙ্কে অতিরিক্ত প্রায় ৩ লক্ষ ৫১ হাজার কোটি টাকা), সেখানে মহিলা ও শিশু উন্নয়নে ব্যয় কপর্দকও বাড়েনি, বরং প্রায় ১ শতাংশ কমেছে। একইভাবে মহিলা ও শিশু উন্নয়ন ব্যয় বাজেটের মোট ব্যয়ের ১ শতাংশের অনেক নীচে নেমেছে। মোদ্দা কথা হল, যে দেশের কেন্দ্রীয় বাজেটে মহিলা ও শিশু উন্নয়নের ব্যয় বাজেটে মোট ব্যয়ের ১ শতাংশেরও কম এবং এই ব্যয় মোদির জমানায় যেহেতু আরও কমছে, সেই দেশে রোজ রাতে খালি পেটে শুতে যাওয়া শিশুদের সংখ্যা ক্রমশ বৃদ্ধিটাই স্বাভাবিক। তাই ভারতে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে অপুষ্টিও।
বিশদ

17th  November, 2017
ডেঙ্গু: রাজনীতি ছেড়ে হাত মিলিয়ে কাজের সময়
অনিরুদ্ধ কর

অবিলম্বে একটা স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর বা নিয়মাবলী প্রকাশ করতে হবে সরকারের তরফে। সরকারি নির্দেশ মানতে বাধ্য সকল সরকারি বেসরকারি ও প্রাইভেট চিকিৎসা কেন্দ্র। অতীতের দিকে নজর দিলে দেখা যাবে বার্ড ফ্লু বা সোয়াইন ফ্লু-র সময় সরকারের তরফে এমন নিয়মাবলী প্রকাশ করা হয়েছিল। চিকিৎসাব্যবস্থায় কী কী থাকতে হবে এবং কোথায় থাকবে তাও বলে দেওয়া হয়েছিল। ফ্লু-র ওষুধ একমাত্র সরকার দিত। খোলাবাজারে মিলত না সেই ওষুধ। কারণ সেক্ষেত্রে ওষুধ নিয়ে কালোবাজারি এবং চড়া দামে ওষুধ বিক্রি হওয়ার আশঙ্কা থেকে যেত। এছাড়া একটি রাজ্যস্তরের কমিটি ছিল পর্যালোচনার জন্য।
বিশদ

17th  November, 2017
প্যারিস, পরিবেশ এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষী ভারত
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 পরিবেশ মানে হল যেখানে সেখানে থুতু না ফেলা। মন্তব্যটি আমারই এক ঘনিষ্ঠ বন্ধুর। এবং কী ভয়ঙ্কর সাবলীল স্বীকারোক্তি। যে দেশে ৩০ কোটি মানুষ এখনও দারিদ্রসীমার নীচে বসবাস করেন, যেখানে সাক্ষরতা বলতে বোঝানো হয় নিজের নাম সই করতে পারা, সেখানে সচেতনতার প্রাথমিক পাঠটা এমন একটা মন্তব্য দিয়ে শুরু করলে মন্দ কী!
বিশদ

16th  November, 2017
সার্ধশতবর্ষের শ্রদ্ধাঞ্জলি টেম্‌স থেকে গঙ্গা: ভগিনী নিবেদিতার দার্শনিক যাত্রা
জয়ন্ত কুশারী

 আয়ারল্যান্ডের স্বল্প জনবসতি শহর ডুং গানন। স্যামুয়েল রিচমন্ড নোবেল নামে এক ধর্মযাজক ও তাঁর ভক্তিমতী স্ত্রী মেরি ইসাবেল হ্যামিলটন বাস করেন এই শহরে। এঁরা সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের কাছে করজোড়ে প্রার্থনা করেন সুখপ্রসবে প্রথম সন্তানটি হলে তাঁরা ঈশ্বরের চরণেই সদ্যোজাতকে সমর্পণ করবেন।
বিশদ

16th  November, 2017
নোট বাতিল: উত্তরপ্রদেশের ভোট, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক এবং চে গুয়েভারা
শুভময় মৈত্র

নোট বাতিলের কারণ এবং ফল সংক্রান্ত আলোচনা দেখে, শুনে এবং পড়ে জনগণ এই বিষয়ে যথেষ্ট অবহিত, হয়তো বা কিছুটা ক্লান্তও বটে। বিজেপি সরকার কেন এই সিদ্ধান্ত নিলেন, এর কী কী ভুল ভ্রান্তি আছে, দেশের কী ক্ষতি হল, সাধারণ মানুষ ঠিক কতটা ভুগলেন এই নিয়ে আমরা যতটা আলোচনা করেছি সেই পরিমাণটা সময় এবং সম্পদের হিসেবে পাঁচশো আর হাজার টাকার মোট বাতিল নোটের মূল্যের থেকে বেশিও হয়ে যেতে পারে।
বিশদ

14th  November, 2017
বুকে লাল গোলাপের সেই মানুষটির কথা আজ খুব মনে পড়ছে
মোশারফ হোসেন

স্বপনদা বলত, পচার চাই। বুঝলে ভায়া, পচারটাই আসল। বাঁকুড়া মানুষ স্বপনদা র-ফলা উচ্চারণ করতে পারত না। তার মুখে ‘প্রচার’ শব্দটা ‘পচার’ হয়েই বেরত। আগ্রার ভঁপু চক্কোত্তিও একই কথা বলেছিলেন। ভঁপুবাবুর সঙ্গে আমার আলাপ হয়েছিল ১৯৯৩ সালে। এরকমই এক নভেম্বরে। উত্তরপ্রদেশের বিধানসভা ভোটের খবর করতে গিয়ে।
বিশদ

14th  November, 2017
একনজরে
 শ্রীনগর, ২০ নভেম্বর (পিটিআই): ফের কাশ্মীরে বাবা-মায়ের আবেদনে সাড়া দিয়ে বাড়ি ফিরল জঙ্গি সংগঠনে যোগ দেওয়া এক যুবক। দক্ষিণ কাশ্মীরের বাসিন্দা ওই যুবকের নাম, ঠিকানা ...

 বেজিং, ২০ নভেম্বর (পিটিআই): একাধিক পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম দূরপাল্লার নতুন ক্ষেপণাস্ত্র ‘ডংফেং-৪১’ সম্ভবত আগামী বছরই চীনের সেনা অস্ত্রভাণ্ডারে যুক্ত হতে চলেছে। এই ক্ষেপণাস্ত্রটি ‘ম্যাক ১০’-এর থেকে অনেক বেশি গতিসম্পন্ন। এটি একসঙ্গে ১০টি পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম। ...

বিএনএ, আসানসোল: ট্রেনে যাত্রীদের সুরক্ষা বাড়াতে ‘স্পেশাল টিম’ তৈরি করেছে আরপিএফ। সম্প্রতি আরপিএফের আইজি বিনোদ কুমার দাকা আসানসোলে বৈঠক করতে এসে টিম তৈরির ব্যাপারে নির্দেশ দিয়ে গিয়েছেন। রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, এই স্পেশাল টিমের কাজ হবে ট্রেনে অপরাধমূলক ঘটনা কমানো। ...

সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: আলিপুরদুয়ার জেলার বক্সা পাহাড়ের ১৩টি পাহাড়ি গ্রাম এবং সমতলে থাকা সান্তলাবাড়ি ও জয়ন্তীকে নিয়ে বক্সাদুয়ার নামে একটি আলাদা করে গ্রাম পঞ্চায়েত গঠনের দাবিতে বিজেপি আন্দোলনে নামার প্রস্তুতি নিয়েছে। ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

প্রেম-প্রণয়ে কিছু নতুনত্ব থাকবে যা বিশেষভাবে মনকে নাড়া দেবে। কোনও কিছু অতিরিক্ত আশা না করাই ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব টেলিভিশন দিবস
১৬৯৪: ফরাসি দার্শনিক ভলতেয়ারের জন্ম
১৯৭০: নোবেলজয়ী পদার্থবিদ চন্দ্রশেখর বেঙ্কটরামনের মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৪.২০ টাকা ৬৫.৮৮ টাকা
পাউন্ড ৮৪.৯০ টাকা ৮৭.৭৯ টাকা
ইউরো ৭৫.৪৪ টাকা ৭৮.০৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩০,১৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৮,৬৩৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৯,০৬৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪০,১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪০,২০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৪ অগ্রহায়ণ, ২০ নভেম্বর, সোমবার, দ্বিতীয়া রাত্রি ৯/৩৬, নক্ষত্র-জ্যেষ্ঠা রাত্রি ১২/৪৮, সূ উ ৫/৫৬/২৫, অ ৪/৪৮/৪, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৭/২৩ মধ্যে পুনঃ ৮/৫০ গতে ১১/০ মধ্যে। রাত্রি ঘ ৭/২৬ গতে ১০/৬ মধ্যে পুনঃ ২/২৭ গতে ৩/১৯ মধ্যে, বারবেলা ঘ ৭/১৮ গতে ৮/৪০ মধ্যে পুনঃ ২/৫ গতে ৩/২৬ মধ্যে, কালরাত্রি ৯/৪৪ গতে ১১/২২ মধ্যে।
৩ অগ্রহায়ণ, ২০ নভেম্বর, সোমবার, দ্বিতীয়া রাত্রি ৭/৪২/২৮, জ্যেষ্ঠানক্ষত্র ১১/৫৫/৩৬, সূ উ ৫/৫৬/৫৮, অ ৪/৪৬/৫৮, অমৃতযোগ দিবা ৭/২৩/৩৮, ৮/৫০/১৮-১১/০/১৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/২৪/৫৮-১০/৫৫/১৮, ২/২৫/৩৭-৩/১৮/১৮, বারবেলা ২/৪/২৮-৩/২৬/৪৩, কালবেলা ৭/১৮/১৩-৮/৩৯/২৮, কালরাত্রি ৯/৪৩/১৩-১১/২১/৫৮। 
৩০ শফর

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
 কালিয়াগঞ্জে দাশমুন্সি ভবন ঘুরে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় কালিয়াগঞ্জের দলীয় পার্টি অফিসে। এরপর সেখান থেকে নিয়ে আসা হয় রায়গঞ্জে। এখানে কংগ্রেস কার্যালয়ে অগুন্তি সমর্থক ও প্রিয়জনদের শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের পর অন্ত্যেষ্টির জন্য শ্মশানের উদ্দেশ্যে রওনা হবে।

07:25:00 PM

কলকাতায় গ্রেপ্তার ৩ জন আল কায়দা জঙ্গি
আজ কলকাতা স্টেশন থেকে ৩ জন আল কায়দা ...বিশদ

06:07:00 PM

 কালিয়াগঞ্জের উদ্দেশ্যে শেষযাত্রায় প্রিয়
প্রিয়রঞ্জনের মরদেহ দিয়ে হেলিকপ্টার পৌঁছাল রায়গঞ্জে। সেখান থেকে ...বিশদ

05:16:00 PM

  ফের সাংবাদিক খুন ত্রিপুরায়
মাস দুয়েকের মধ্যে ফের সাংবাদিক খুনের ঘটনা ঘটল ত্রিপুররায়। এবার ...বিশদ

05:13:45 PM

ট্রেনের সময়সূচি বদল 
ডাউন ট্রেন দেরিতে আসার কারণে

১৩০০৯ আপ হাওড়া-দেরাদুন ...বিশদ

04:02:00 PM