বিশেষ নিবন্ধ
 

একটু ভেবে বলুন, বিষয়টা জুয়া
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়

সম্প্রতি পিঠোপিঠি দুটো খবর প্রকাশিত হয়েছে। একটা বিদেশের, অন্যটা দেশের। দুটো খবরই একে অন্যের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। নিশ্চয় অনেকেই খবর দুটো পড়েছেন। আমার কাছে দুটো খবরই বেশ ইন্টারেস্টিং লেগেছে। তাই এই নিবন্ধ।
আগে বিদেশের খবরটা বলি।
সৌদি যুবরাজ মাজেদ বিন আবদুল্লা বিন আবদুলাজিজ আল সৌদ দেশে-বিদেশে খুবই আলোচিত নাম। নানা ধরনের নেশা-ভাঙে তাঁর জুড়ি মেলা ভার। যৌন কেলেঙ্কারিও তাঁর পিছু ছাড়ে না। বৈভবের চূড়ায় বাস করেন বলে টাকা-পয়সা খোলামকুচির মতো ব্যবহার করেন। জুয়ায় বসলে যুবরাজের আর হুঁশ থাকে না। পারলে কৌপীনটাও হারাতে রাজি।
যুবরাজ সম্প্রতি মিশর দেশ বেড়াতে গিয়েছিলেন সপরিবারে। পরিবার মানে বিবি, বাচ্চাকাচ্চা, ফাইফরমাশ খাটার বাঁদি এবং নিজের কাছের খিদমতগার। বিবি আবার একটা দুটো নয়। নয় নয় করে ন’জন বিবি তাঁর।
মিশরের বিখ্যাত সিনাই গ্র্যান্ড ক্যাসিনোয় তিনি জুয়ায় বসলেন। পোকার। বেশিক্ষণ নয় মাত্র ছ’ঘণ্টায় তিনি হারলেন ৩৫ কোটি ৯০ লাখ ডলার! হারতে হারতে টাকা ফুরিয়ে গেলে যুবরাজ একে একে বাজি রাখলেন পাঁচ বিবিকে। হুঁশ ফিরল যখন, দেখলেন, মাত্র চার বিবি অবশিষ্ট! তাঁদের বগলদাবা করে ফিরে গেলেন দেশে।
ঘটনার পর ক্যাসিনোর ডিরেক্টর আলি শামুন জানান, অনেকেই পশু-পাখি, ঘোড়া-উট বাজি রেখে টাকা নেয়। পরে টাকা ফেরত দিয়ে সেসব ছাড়িয়েও নেয়। মেয়েমানুষ বা স্ত্রী বাজি রাখার ঘটনা একেবারেই যে ঘটে না তা নয়। তবে খুব কম। অনেক আরব দেশে এই নজির আছে। এমন কাজ আইনত সিদ্ধও। এ ক্ষেত্রে পাঁচ বউয়ের বিনিময়ে যুবরাজ আড়াই কোটি ডলার ক্যাসিনো থেকে ধার নেন। কিন্তু হেরে যাওয়ার পর টাকা দিয়ে বউ ফেরত না নিয়েই দেশে ফিরে গিয়েছেন।
এটা আপাতত মিশর সরকারের মাথাব্যথা। কী করবে তারা এখনও অজানা। যুবরাজ নিজে বা রয়্যাল ফ্যামিলির কেউ টাকা শোধ দিয়ে বিবিদের না ফেরালে কী হবে? মিশরের বিদেশমন্ত্রী সামেহ শোকরি বলেছেন, টাকা শোধ করলে পাঁচ বিবিকে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সৌদিতে পাঠানো হবে। সে বন্দোবস্ত সরকারই করবে। মাসকয়েক অপেক্ষাও তারা করবে সেজন্য।
কিন্তু কেউ যদি ধার শোধ করে তাঁদের ফেরত না নেন? তাহলে ইয়েমেন বা কাতারের আন্তর্জাতিক বাজারে পাঁচ বিবিকে নিলামে চড়ানো হবে। এখন মুশকিল হল, যে আরব দেশগুলি কাতারের সঙ্গে যাবতীয় সম্পর্ক ছেদ করেছে, মিশর তাদের অন্যতম। যুবরাজের ঘটনাটা ঘটেছে ওই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে। এর মানে কাতারের বাজার মিশরীয়দের জন্য বন্ধ। নিলামের জন্য খোলা থাকছে শুধু ইয়েমেন।
সৌদি নারীদের কপাল কত খারাপ, কিংবা নারী প্রগতি বা স্বাধীনতার বিষয় নিয়ে আমি আলোচনায় বসিনি। এই নিবন্ধের মূল বিষয় জুয়া। বিষয়টার সঙ্গে আমরা পরিচিত সেই মহাভারতের সময় থেকে। পাশা খেলার কাহিনি আমরা সবাই জানি। গল্প উপন্যাসেও আকছার এসেছে নানাবিধ জুয়া খেলার প্রসঙ্গ । সিনেমাতেও। জুয়ায় বড়লোকের বাউণ্ডুলে ছেলের জেরবার হওয়ার কত কাহিনি আমাদের চারদিকে ছড়িয়েছিটিয়ে আছে। সুপ্রতিষ্ঠিত বাপের সুন্দরী মেয়ের স্বামী তাস ও রেসের মাঠে হেরে হেরে ঘটিবাটি বেচে বস্তিতে উঠে গিয়েছেন, হাত পেতে পেতে স্ত্রীর সব সম্মান শেষ, এমন ঘটনাও ভূরি ভূরি। একটা সিনেমার ডায়লগ মনে পড়ে গেল। এমন এক অভাগীর উদ্দেশে এক বৃদ্ধা বলছেন, ‘অতি বড় সুন্দরী না পায় বর, অতি বড় ঘরনি না পায় ঘর।’
বিস্তারে যাওয়ার আগে দ্বিতীয় খবরটা বলি।
মে মাসের শেষ দিনে ভারতের আইন কমিশন একটা বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। তাতে বলা হয়েছে, বেটিং ও জুয়াকে আইনত সিদ্ধ করা উচিত কি না সে বিষয়ে জনগণ কমিশনের কাছে তাদের মত জানাক। যাঁরা সব ধরনের জুয়াকে আইনি তকমা দিতে চান, তাঁরা তাঁদের যুক্তি দিন। যাঁরা চান না, তাঁরাও তাঁদের যুক্তি দেখান। সব ধরনের যুক্তি বিবেচনা করে কমিশন তার মত জানাবে যাতে সরকার এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
আইন কমিশনের এই বিজ্ঞপ্তি জারি করার কারণও আছে। বছর খানেক আগে বিচারপতি রাজেন্দ্র মল লোধা ২০১৩ সালের আইপিএল-এ বেটিং ও স্পট ফিক্সিং কেলেঙ্কারির তদন্ত রিপোর্ট দেওয়ার সময় খেলাধুলোর ক্ষেত্রে বেটিংকে আইনি তকমা দেওয়ার সুপারিশ করেছিলেন। লোধা কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্ট ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের সংস্কারের কাজে হাত দেয়। সেই সময় সর্বোচ্চ আদালত বেটিংয়ের বিষয়টায় সরাসরি হস্তক্ষেপ করেনি। সুপ্রিম কোর্ট মনে করেছিল, এটা করতে গেলে আইন আনা দরকার। তা করার আগে আইন কমিশন বিষয়টা আরও ভালো করে পরীক্ষা করুক। ভালোমন্দ বিচার করুক। তারপর না হয় সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে। সুপ্রিম কোর্টের ওই অভিমতের পরেই মে মাসের ৩১ তারিখ আইন কমিশনের চেয়ারম্যান বিচারপতি বলবীর সিং চৌহান ওই বিজ্ঞপ্তি জারি করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বহুদিন ধরে দেশের বহু মিডিয়াতে বেটিং ও জুয়া নিয়ে লেখালেখি হচ্ছে। বলা হচ্ছে, বেটিং ও বিভিন্ন ধরনের জুয়া ভারতে নিষিদ্ধ হলেও প্রকাশ্যে অথবা গোপনে তা রমরম করে চলছে। কঠোর আইন সত্ত্বেও বন্ধ করা যাচ্ছে না। মূল পান্ডারা অনেকেই দেশের বাইরে থেকে এসব পরিচালনা করছে। অনলাইন জুয়া আর একটা বিষয় যা ঠেকানো প্রায় অসম্ভব। হাজার হাজার কোটি টাকা এই বেআইনি কারবারে খাটছে। বেটিং ও জুয়া সমান্তরাল একটা অর্থনীতি পর্যন্ত চালু করে দিয়েছে। আইনতভাবে রোজগারের টাকা বেআইনিভাবে চলা অনলাইন জুয়ায় দেশের বাইরে চলে গিয়ে কালো টাকায় পরিণত হচ্ছে। বহু পরিবার সর্বস্বান্ত হচ্ছে যেমন, বহু মানুষের কপালও ফিরে যাচ্ছে। জেলেও পচতে হচ্ছে কাউকে কাউকে। কিন্তু মোদ্দা কথা, জিনিসটা বন্ধ করা যাচ্ছে না।
জনগণের কাছে কমিশন বেশ কয়েকটা বিষয় জানতে চেয়েছে। যেমন, বেআইনিভাবে চলা বেটিং ও জুয়াকে আইনত সিদ্ধ ঘোষণা হলে ভালো না খারাপ? আইনগত তকমা দিলে মানুষ বেআইনি পথে হাঁটা ছাড়বে কি না। এতে সরকারের লাভ হবে ঠিকই, কিন্তু ভারতীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের ক্ষেত্রে তা খারাপ হবে কি না। বিষয়টা আইনি হলে সরকারের আয় বাড়বে যেমন, তেমনই কর্মসংস্থানের সুযোগও বেড়ে যাবে। এই দিকে কি তাহলে নজর দেওয়া প্রয়োজন? সব ধরনের জুয়াকে আইনি মর্যাদা দেওয়া নৈতিকতার দিক থেকে উচিত না অনুচিত? আইনি তকমা দেওয়া হলেও যাঁরা জুয়া খেলেন, তাঁরা যাতে সর্বস্বান্ত না হন সেজন্য কোনও রক্ষাকবচ রাখা যায় কি না। আইনি হলে বিদেশি কোম্পানিকে কি এদেশে জুয়া বা বেটিংয়ে অংশগ্রহণ করতে দেওয়া উচিত? এক কথায়, পক্ষে-বিপক্ষে যাবতীয় যুক্তি ও সুপারিশ জনগণকে দিতে বলা হয়েছে যাতে আইন কমিশন তার মনোভাব সরকারের কাছে পাঠাতে পারে। তারপর সেটা সরকারের বিষয়। তারা মনে করলে প্রয়োজনীয় আইন আনবে, মনে না করলে আনবে না।
খবরটা পড়ার পর থেকে আমি বিষয়টা নিয়ে ভেবেই চলেছি। আমাদের কলকাতায় রেসকোর্সে বারদুয়েক ঘোড়দৌড় দেখতে গিয়েছি। বেশ লেগেছিল পরিবেশটা। হাজার হাজার মানুষ বাজি ধরে জিতছে হারছে। কিন্তু হা হুতাশ চোখে পড়েনি। আমার এক বন্ধু কলেজ থেকেই এই নেশায় আচ্ছন্ন ছিল। বৃহস্পতি, শনি ও রবি সে রেসকোর্স যাবেই। বিয়ে-থা করেনি, সংসার ভাসিয়ে দেওয়ার অভিযোগও তাকে শুনতে হয়নি। কয়েকজনকে জানি, যাঁরা প্রতি মাসে নিয়ম করে গোছা গোছা লটারির টিকিট কেনেন। এটাও তো জুয়াই। কেউ কেউ নিশ্চয় টাকা পান। কাগজে তো দেখি অমুখ ফার্স্ট, তমুক সেকেন্ড, তুসুক থার্ড প্রাইজ পেয়েছে। আই লিগের সময় ইন্টারনেটে খেলার লাইভ স্কোর দেখতে গিয়ে দেখেছি একটা কোনায় ‘বেটিং চালু’ লেখা রয়েছে। একটা লাল বিন্দু জ্বলছে নিভছে। তার মানে বেটিং হয় যে না তা নয়। বেটিং বা স্পট ফিক্সিং কিংবা ম্যাচ ফিক্সিংয়ের দুনিয়াটা যে কী বিশাল তার কোনও আন্দাজ সাধারণ মানুষের জানার কথা নয়। আমি শুধু জানি, সবই জুয়ার রকমফের। ঘোড়ার দৌড় যেমন জুয়া, বেটিং যেমন, লটারিও তেমন।
আমি কোনওদিন লটারির টিকিট কাটিনি। মেধা বা শ্রমহীন রোজগারে কোনওদিন আগ্রহী হইনি। কিছু না করে টাকা কামানোয় কেন যেন মন কখনও সায় দেয়নি। কেন যেন আজও মনে হয়, লটারির ফার্স্ট প্রাইজের প্রতি কত মানুষের লোলুপ দৃষ্টি থাকে। কত সাধ, কত বাসনা, কত স্বপ্ন। এত মানুষকে বঞ্চিত করে যে জিতছে তার কি কখনও ভালো হতে পারে? আবার এ কথাও ভাবি, কত দুস্থ-দুঃখী মানুষ এই লটারির স্বপ্ন ফিরি করে সংসারের জোয়ালটা টেনে যাচ্ছেন!
সব ধরনের বেটিং যা কিনা জুয়ারই একটা রূপ, তাকে আইনি তকমা দেওয়া ঠিক কি না ভেবে আপনারা আইন কমিশনকে জানান। কমিশন তিরিশ দিন সময় দিয়েছে। আমার মত জানতে চাইলে বলতে পারি, আমি কোনও কিছু নিষিদ্ধ করার বিরুদ্ধে। দেশ, সমাজ, সংসারে ভালো ও মন্দ দুই-ই ছড়িয়েছিটিয়ে থাকে। প্রকৃত শিক্ষা মানুষকে সচেতন করে। বেশিরভাগ মানুষই ভালোকে গ্রহণ ও মন্দকে বর্জন করে। জোর করে কিছু চাপাতে গেলে কোনওদিন কোথাও ভালো হয় না। হতে পারে না।
18th  June, 2017
শিবাজি রাও গায়কোয়াড়ের দোলাচল
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়

 সাতষট্টি বছরের একজন মানুষ শেষ পর্যন্ত কী সিদ্ধান্ত নেবেন অথবা নেওয়া উচিত তা নিয়ে আমি বেশ ধন্দে পড়েছি। তবে আমার এই দোলাচল মোটেই আহামরি কিছু নয়, বড় যা তা হল একটা গোটা রাজ্যের মানুষের তাঁর দিকে ড্যাব ড্যাব করে চেয়ে থাকা। বিপুল দোলাচলে রাজ্যের সবার মনে। বিশদ

রথযাত্রায় শ্রীচৈতন্য ও শ্রীরামকৃষ্ণ
চৈতন্যময় নন্দ

 নীলাচলে দারুব্রহ্ম জগদীশ জগন্নাথদেবের সবচেয়ে বড় বিজয়োৎসব রথযাত্রা। আদিকাল থেকে এই সমারোহ চলে এসেছে এবং একে কেন্দ্র করে বহু ইতিবৃত্তের সৃষ্টি হয়েছে। আষাঢ় মাসের শুক্লা দ্বিতীয়া তিথিতে পুরীতে শ্রীমন্‌ জগন্নাথ রথে আরোহণ করেন।
বিশদ

24th  June, 2017
অনুপ্রবেশকারীদের মন্দিরে আশ্রয় প্রসঙ্গে
আলোলিকা মুখোপাধ্যায়

 নিউইয়র্ক শহরের কুইনস এলাকায় সমুদ্রের ধার ঘেঁষে রক অ্যাওয়ে বিচ। একদিন দেখা গেল মহাসাগরের ঢেউয়ের মাথায় নাচতে নাচতে ভাঙা নারকোল ভেসে আসছে। নারকোলের পিছু পিছু ইতস্তত বিক্ষিপ্ত গাঁদাফুলের মালা। সাহেব মেমরা সাঁতার কাটতে নেমে নারকোলের আধভাঙা মালা, পচা গাঁদার মালা দেখে জলপুলিশকে নালিশ করল। বিশদ

24th  June, 2017
সাঁওতাল বিদ্রোহ এবং সমাজের পরিবর্তন
বিষ্ণুপদ হেমরম

 ভারতের আদিবাসী জনগোষ্ঠীগুলির মধ্যে সাঁওতালরাই সংখ্যাগরিষ্ঠ। ব্রিটিশ ভারতে জল-জঙ্গল-জমিনের উপর অধিকার অক্ষুণ্ণ রাখতে এবং শোষণ ও নিপীড়নের প্রতিবাদে তারা সরকারের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছিল। সেটা আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছিল ১৮৫৫ সালের ৩০ জুন, বর্তমান সাঁওতাল পরগনার ভাগ্‌না঩ডিহির মাঠে। বিশদ

23rd  June, 2017
পাহাড় ও বাঙালি
সমৃদ্ধ দত্ত

 বিজেপি রাজ্য শাখা তথা তাদের কর্মী সমর্থকরা এখনও স্পষ্ট করে বলছেন না সামান্য একটা সিদ্ধান্ত। সেটি হল তাঁরা কি গোর্খাল্যান্ড সমর্থন করেন, নাকি করেন না? সহজ প্রশ্ন। সহজ উত্তর। অথচ সোজা উত্তর পাওয়া যাচ্ছে না। ভাসা ভাসা কথা। কারণ বিজেপি রাজ্য শাখা ও কর্মী সমর্থকরা অপেক্ষা করছেন তাঁদের হাইকমান্ড কী ঠিক করবেন তার উপর। একবার চিন্তা করে দেখুন, আমরা বাঙালি, আমাদের রাজ্য থেকে আমাদের প্রিয় দার্জিলিংকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হবে কি না তা ঠিক করতেও বিজেপির বাংলা শাখা দুজন গুজরাতের নেতার দিকে তাকিয়ে আছে। বিশদ

23rd  June, 2017
দুর্নীতির পরিবেশ, পরিবেশে দুর্নীতি
বিশ্বজিৎ মুখোপাধ্যায়

 ১৯৭০ দশকের বিশিষ্ট সমাজবিজ্ঞানী ও অর্থনীতিবিদ Gunnar Mydral-এর ‘এশিয়ান ড্রামা’ বইটির মূল প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল, এশিয়ার বুকে বিভিন্ন দেশে পরিকল্পনাগুলি ব্যর্থ হবার একটি অন্যতম কারণ দুর্নীতি। বিশদ

21st  June, 2017
এ যুগের নীলকণ্ঠদের মুক্তির উপায় কী?
স্বপন মণ্ডল

 পুরাণ মতে সমুদ্র মন্থনের মতো কষ্টসাধ্য কাজে সুরাসুর উভয়েই হাত লাগিয়েছিল। সমুদ্র মন্থনে অমৃতের সন্ধান যেমন পাওয়া গেল গরলও উঠে এল। অমৃতের ভাগীদার অনেকে কিন্তু গরলের ভাগীদার কেউ হতে চাইল না। কিন্তু এ গরল এমন গরল যে ধরিত্রীর যেখানে পড়বে সেখানেই বিষাক্ত হয়ে যাবে। বিশদ

21st  June, 2017
যোগদিবস: ভারতের লক্ষ্মীলাভের মস্ত সুযোগ
হরলাল চক্রবর্তী

 ২০১৫ সাল থেকে বিশ্বজুড়ে ২১ জুন মহা ধুমধামে ‘বিশ্ব-যোগদিবস’ পালিত হচ্ছে। সারা বিশ্বের প্রায় ২০০টি দেশ যোগদিবসের স্বীকৃতি দিয়েছে, ১৮০টি দেশ যোগে অংশগ্রহণ করেছে, এর মধ্যে কিছু ইসলামিক দেশও আছে। আশা করা যায়, এ বছর তা আরও বেশি সাফল্য পাবে।
বিশদ

20th  June, 2017



একনজরে
সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার:বিজেপির বিস্তারক কর্মসূচির মোকাবিলায় তৃণমূল কংগ্রেস বীরভুম জেলায় ইতিমধ্যেই পালটা বিস্তারক কর্মসূচি শুরু করেছে। এবার পঞ্চায়েত ভোটের আগাম প্রস্তুতি হিসাবে তৃণমূলের আলিপুরদুয়ার-১ ব্লক সভাপতি মনোরঞ্জন দে তাঁর ব্লকে বুথ ভিত্তিক খুলি বৈঠক শুরু করেছেন। ...

 শ্রীনগর, ২৪ জুন (পিটিআই): ডিএসপি মহম্মদ আয়ুব পণ্ডিত খুনের ঘটনার বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করল জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ। সুপারিটেন্ডেন্ট পদমর্যাদার আধিকারিকের নেতৃত্বে এই দল গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন এক পুলিশকর্তা। ...

 বেজিং, ২৪ জুন (পিটিআই): বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সাবমেরিন ডিটেক্টর আবিষ্কার করল চীন। আজ ‘দ্য চাইনিজ আকাদেমি অব সায়েন্সেস’-এর একদল বিজ্ঞানী এই দাবি করেছেন। ...

সংবাদদাতা, রামপুরহাট: তারাপীঠে ব্যতিক্রমী রথের দড়িতে টান দিতে শনিবারই দূরদূরান্ত থেকে কয়েক হাজার ভক্ত তারাপীঠ এসেছেন। সাধারণত জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রাকে রথে বসিয়ে রথযাত্রা উৎসব পালিত হয়। কিন্তু তারাপীঠে তারা মা-ই রথে আরোহন করেন। রথ, উলটো রথ দুই পর্যায়ের রথেই ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাফল্য আসবে। প্রেম-প্রণয়ে আগ্রহ বাড়বে। তবে তা বাস্তবায়িত হওয়াতে সমস্যা আছে। লৌহ ও ... বিশদ



ইতিহাসে আজকের দিন

 ১৯০৩- ইংরেজ সাহিত্যিক জর্জ অরওয়েলের জন্ম
১৯৬০- কবি সুধীন্দ্রনাথ দত্তের মৃত্যু
১৯৭৪- অভিনেত্রী করিশ্মা কাপুরের জন্ম
১৯৭৫- প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী দেশে জরুরি অবস্থা জারি করলেন
২০০৯- মার্কিন পপ সংগীত শিল্পী মাইকেল জ্যাকসনের মৃত্যু




ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৭৫ টাকা ৬৫.৪৩ টাকা
পাউন্ড ৮০.৬৪ টাকা ৮৩.৪২ টাকা
ইউরো ৭০.৭৬ টাকা ৭৩.২৮ টাকা
24th  June, 2017
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৯,২২৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৭,৭২৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৮,১৪০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৯,১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৯,২০০ টাকা

দিন পঞ্জিকা

১০ আষাঢ়, ২৫ জুন, রবিবার, দ্বিতীয়া রাত্রি ১/২, পুনর্বসুনক্ষত্র রাত্রি ১১/২৫, সূ উ ৪/৫৭/৩৬, অ ৬/২০/৩৬, অমৃতযোগ ৬/৪৪-৯/২৫ পুনঃ ১২/৫-২/৪৫ রাত্রি ৭/৪৫ পুনঃ ১০/৩৫-১২/৪৩, বারবেলা ৯/৫৮-১/১৯, কালরাত্রি ১২/৫৯-২/১৯।

রথযাত্রা উৎসব
রাত্রি ১/৩৮/২৯ অম্বুবাচী নিবৃত্তিঃ

১০ আষাঢ়, ২৫ জুন, রবিবার, প্রতিপদ ৬/২১/২১ পরে দ্বিতীয়া রাত্রিশেষ ৪/৮/৫০, পুনর্বসুনক্ষত্র ২/৪৯/৪৫, সূ উ ৪/৫৪/৫৩, অ ৬/২২/১২, অমৃতযোগ দিবা ৪/৪২/৩১-৯/২৩/৫৯, ১২/৫/২৭-২/৪৬/৫৫ রাত্রি ৭/৪৬/৩৩, ১০/৩৫/১৬-১২/৪১/৪৮, বারবেলা ৯/৫৭/৩৮-১১/৩৮/৩৩, কালবেলা ১১/৩৮/৩৩-১/১৯/২৮, কালরাত্রি ১২/৫৭/৩৮-২/১৬/৪৩।

রথযাত্রা উৎসব
রাত্রি ১/৩৮/২৯ অম্বুবাচী নিবৃত্তিঃ
২৯ রমজান

ছবি সংবাদ


এই মুহূর্তে
গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বনগাঁর গনরাপোতা বাজার এলাকা থেকে ১৫০টি বিরল প্রজাতির কচ্ছপ উদ্ধার করল পুলিশ, গ্রেপ্তার ৬

10:20:00 AM

লখনউতে ১৪ বছর বয়সী এক পুলিশ অফিসারের কন্যার আত্মহত্যা, চাঞ্চল্য

10:16:00 AM

পাকিস্তানের বাহাওয়ালপুরে তেলের ট্যাঙ্কার থেকে আগুন লাগার ঘটনায় মৃত শতাধিক, গুরুতর জখম ৪০

10:14:00 AM

শহরে ট্রাফিকের হাল
আজ, রবিবার সকালে শহরের রাস্তাঘাটে যান চলাচল মোটের উপর স্বাভাবিক। ট্রাফিকের সামান্য চাপ রয়েছে এজেসি বসু রোড, ইএম বাইপাস, মা উড়ালপুল, পার্কস্ট্রিটের মতো গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলিতে। এদিন শহরে তেমন কোনও বড় মিটিং-মিছিলের খবর নেই। ফলে মোটামুটি সারাদিনই শহরের যান চলাচল স্বাভাবিক থাকবে বলেই মনে করা হচ্ছে। তবে আজ রথযাত্রাকে ঘিরে বেশ কয়েকটি রাস্তায় যানজট দেখা দিতে পারে। ইসকনের রথ অ্যালবার্ট রোড থেকে হাঙ্গারফোর্ড স্ট্রিট, এজেসি বোস রোড, শরৎ বসু রোড, হাজরা রোড, এসপি মুখার্জি রোড, আশুতোষ মুখার্জি রোড, চৌরঙ্গি রোড, এক্সাইড ক্রসিং, জওহরলাল নেহরু রোড, আউটরাম রোড হয়ে ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে এসে থামবে। ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে যে ক’দিন ইসকনের রথ থাকবে, সেই ক’দিন সেখানে প্রসাদ বিতরণ, নানা বিনোদনমূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। অন্যদিকে, মেট্রোর কাজের জন্য ২৯ জুন থেকে ৩ জুলাই পর্যন্ত বন্ধ থাকবে ব্রাবোর্ন রোড ফ্লাইওভার ব্রিজ। সেই সময় সমস্ত গাড়ি মহাত্মা গান্ধী রোড, পোস্তা ও স্ট্যান্ড রোড দিয়ে ঘুরিয়ে দেওয়া হবে। তার ফলে ওই এলাকাগুলিতে যানজট দেখা দিতে পারে। কলকাতা পুলিশ জানিয়েছে, মা ফ্লাইওভারের নতুন ফ্ল্যাংকের নির্মাণ কাজ চলায় আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত কড়েয়া রোড ও বেকবাগান রো'র মধ্যবর্তী সার্কাস এভিনিউ'র দক্ষিণ অভিমুখও বন্ধ থাকবে। তার জেরে ওই এলাকাতেও যানজটের সম্ভাবনা রয়েছে। ট্রাফিক সংক্রান্ত যে কোনও খবরাখবরের জন্য কলকাতা পুলিশের টোল ফ্রি নম্বর ১০৭৩-তে ফোন করুন।

10:02:00 AM

মধ্য জাপানে ভূমিকম্প, রিখটার স্কেলে ৫.২

09:38:00 AM

চীনে ভূমিধস, মৃত ১৫, নিখোঁজ শতাধিক

09:34:00 AM