বিশেষ নিবন্ধ
 

বাংলাভাষাকে অবমাননা করে আর থাকা যাবে না বাংলায়
পার্থজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

ঢাকায়, শিলচরে বাংলাভাষার জন্য যতই রক্ত ঝরুক না কেন, এ বঙ্গের বাঙালি সমাজের অনেকের মনে বাংলাভাষার প্রতি অন্তর-উৎসারিত ভালোবাসা সত্যিই কি তৈরি হয়েছে? আলাদা করে বলার প্রয়োজন নেই যে, এ প্রশ্নের উত্তর নঞর্থক হবে! ভালোবাসা তো দূরের কথা, আমরা অনেকেই বাংলাভাষাকে কেন্দ্র করে অদ্ভুত এক হীনম্মন্যতায় ভুগি। ইংরেজিতে লেখার প্রয়োজন নেই, বাংলায় লিখলেই হয়, এমন ক্ষেত্রেও আমরা ইংরেজিতে লিখে থাকি। বাসে ইংরেজিতে চিঠি লেখার রেডিমেড বই ফেরি হতে দেখেছি। কাজ চালানোর মতো বাংলা যাদের জানা, তারাও চিঠিচাপাটি লিখতে হলে চেনা-জানা লোক ধরে। ব্যাংকে তো হামেশাই নজরে পড়ে, উইথড্রলস্লিপ পূরণ করার জন্য বাংলা অল্পবিস্তর লিখতে পড়তে জানা লোকও ইংরেজিতে লেখানোর জন্য একে-তাকে ধরে, কাকুতিমিনতি করে। কলকাতার দত্তবাগান থেকে হুগলির দশঘড়ায় ডাকে বা ক্যুরিয়ারে চিঠি পাঠাতে হলে আমরা কেউই প্রায় বাংলায় ঠিকানা লিখি না। পোস্ট অফিসে বা ক্যুরিয়ারে বাঙালি-অবাঙালি যে-ই কাজ করুক না কেন, বাংলাভাষা তার তো জানা জরুরি, নিদেনপক্ষে পড়তে লিখতে পারা চাই!
বাংলা মাধ্যমের অধিকাংশ স্কুলই এখন ছাত্রস্বল্পতায় ভুগছে। কোথাও কোথাও ‘দোয়াত আছে কালি নাই’-এর মতো স্কুল আছে ছাত্র নাই। মাস্টারমশায় দিদিমণিরা না পড়িয়ে বিনা মেহনতে পঞ্চাশ-ষাট হাজার টাকা মাসমাইনে নিয়ে যাচ্ছেন। এখন ইংরেজিমাধ্যম স্কুলে উচ্চবিত্ত-মধ্যবিত্ত শুধু নয়, নিম্নবিত্ত পরিবার থেকেও ভিড় করছে। বাবা-মা’রা পুলকিত মনে বিগলিত হয়ে সগর্বে সানন্দে ঘোষণা করে, তাদের ছেলেমেয়েদের বাংলা সেভাবে আসে না। কেউ কেউ আরও স্পষ্ট করে বলে, না, বাংলা তারা জানে না।
একথা শুনে কারও কারও নিশ্চিতভাবে মনে হতে পারে, সত্যিই ওরা দুর্ভাগা, উপেন্দ্রকিশোর-সুকুমার-অবনঠাকুর না পড়েই শৈশব-বাল্য ফুরিয়ে অকালেই কেমন বুড়িয়ে গেল। জাগে এখন ফলপাকড় নয়, ছেলেমেয়েরাও পাকছে। এ বঙ্গে যেসব বঙ্গসন্তান বাংলা না-জানার গর্বে গর্বিত, পড়াশোনা করে সাহেবি স্কুলে, সেসব হবু সাহেবদের পাশাপাশি যারা করেকম্মে খেতে এসে বছরের পর বছর এখানে রয়ে গিয়েও ছেলেমেয়েদের বাংলা শেখানোর তাগিদ অনুভব করেনি—এই দু’ধরনের মানুষজনের জন্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যথার্থ এক পদক্ষেপ নিতে চলেছেন। বাংলায় থাকলে বাংলা জানতে হবে। কম্পালসারি সাবজেক্ট বা এডিশনাল—যেভাবেই হোক বাংলা রাখতে হবে পাঠক্রমে। বাংলা ছিটেফোঁটাও না জেনে আর এ রাজ্যে পড়াশোনা করা যাবে না। বিদ্যালয়স্তরে বাংলা বাধ্যতামূলক। মুখ্যমন্ত্রী জরুরি কথাটি খুব স্পষ্ট করে, দৃঢ়তার সঙ্গে জানিয়ে দিয়েছেন। এমনটি তো অনেক আগেই হওয়া উচিত ছিল।
পাহাড়কে যারা পশ্চিমবঙ্গের বাইরে ভাবতে, সাইনবোর্ডে ঠিকানায় মিরিক-গোর্খাল্যান্ড বা কালিম্পং-গোর্খাল্যান্ড লিখতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছিল, তারা বাংলা পড়তে হবে শুনে যতই তর্জনগর্জন করুক না কেন, তাদের কাছে মাথা নত করার কোনও বাস্তব কারণ নেই। বাড়তি সম্ভ্রম দেখালে দড়িও যে সাপ হয়ে যায়, তা তো সেই ঘিসিং-জমানা থেকেই আমরা দেখে আসছি।
মাতৃভাষার প্রতি অন্য রাজ্যের মানুষ যে শ্রদ্ধা-সম্মান দেখায়, আমরা বাঙালিরা তা দেখাই না। আমাদের দেখে অন্য রাজ্য থেকে এরাজ্যে বসবাস করতে আসা প্রবাসী মানুষজন যদি বাংলাভাষাকে তুচ্ছ-অপাঙ্‌঩ক্তেয়, এমনকী হাবেভাবে ঘৃণা-প্রদর্শন করে, তা তেমন দোষের নয়, বরং এমনই তো স্বাভাবিক। মাতৃভাষা নিয়ে যে আবেগ ও স্পর্শকাতরতা প্রত্যাশিত, তা অমাদের আছে কি? নব প্রজন্মকে সাহেব-মেম বানানোর জন্য আমাদের চেষ্টার শেষ নেই। নিঃস্ব-রিক্ত হয়েও এ চেষ্টা চলতে থাকে নিরবচ্ছিন্নভাবে। মুখ্যমন্ত্রী যা ভেবেছেন, তা যদি বাস্তবায়িত হয়, বিদ্যালয়স্তরে বাংলা বাধ্যতামূলক হলে অন্তত বাংলাভাষাকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করার প্রবণতা খানিক কমবে। বাধ্য হয়েই বাংলা পড়বে। বাংলায় থেকে বাংলা ‘জানি না, বুঝি না’ বুক বাজিয়ে সদর্পে আর বলতে পারবে না। অল্পবয়েসিরা এখন ঠিকঠাক করে বাংলা বলতেও ভুলে গিয়েছে। অকারণে অপ্রয়োজনে ইংরেজি শব্দের ব্যবহার চলে যথেচ্ছ, শুধু শব্দ-ব্যবহার নয়, প্রায়শই বাক্যের ভগ্নাংশ ইংরেজিতে বলা হয়। এমনভাবে কথা বলতেই অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে তরুণ প্রজন্ম। টিভিতেও এভাবে ন্যাকামি সহযোগে কথা বলা হয় নানা অনুষ্ঠানে, বিশেষত সিনেমার লোকজন যখন সাক্ষাৎকার দেন বা অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন। তাদের এই ‘বাংরেজি’র দেদার অনুকরণ চলে।
বৃহত্তর তরুণ সমাজ এমনভাবে কথা বলাকেই এখন স্বাভাবিক ভাবে। বাংলাভাষা কতখানি মাধুর্যময়, তা তাদের আর জানা হয় না। এই না-জানার আড়ালে অভিভাবককুলেরও ভূমিকা রয়েছে। অভিভাবককুলের ভুলভাল চিন্তায় অভ্যস্ত হয়ে ওঠার পিছনে সমাজ-আবহাওয়াও অনেকাংশে দায়ী। ইংলিশ মিডিয়ামে পড়লে, ইংরেজি জানলে বড়সড়ো চাকরি, বিস্তর উপার্জন—এসব অর্থহীন ভাবনা মনে এখন শেকড় ছড়িয়েছে। ফলে দিনে দিনে বাংলা ভাষার প্রতি অনাদর-উপেক্ষা বেড়েই চলেছে। বাংলা জানি না, ইংরেজি জানি—এই অর্ধসত্যটিকে অহরহ জাহির করা হচ্ছে। বাঙালিয়ানা কোথায় লোপাট হয়েছে! সেই বেচারা বা বেচারিকে কে বোঝাবে, বাংলা তো নয়ই, ইংরেজিও তার ঠিকঠাক জানা হয়নি। মায়ের ভাষাকে যদি উপেক্ষা করে, অপাঙ্‌ক্তেয় ভাবে, তাহলে যে অন্য কোনও ভাষাই শেখা যায় না, এই চরম সত্যটি অনেকেই বুঝতে চায় না। ভাষার প্রতি ভালোবাসা না জাগ্রত হওয়ায় সুস্থ সংস্কৃতিভাবনাও বিকশিত হয় না। সবই কেমন এলোমেলো হয়ে এখন ঘেঁটে গিয়েছে। নিজের ভাষা ও সংস্কৃতির বিস্মরণ কতখানি আত্মঘাতী, নানা প্রেক্ষাপটে প্রমাণিত সত্য। তাই ঘরে বাইরে বাংলা ভাষার যে অবমাননা, তা বন্ধ হোক। ‘আমরি বাংলা ভাষা’-র প্রতি ভালোবাসা জাগুক। দায়ে পড়ে পরীক্ষা-বৈতরণি পেরনোর জন্য পড়া নয়, ভালোবেসে পড়ার বাতাবরণ তৈরি হলে বাংলা ভাষার মাধুর্য ও সৌন্দর্য সহজে অনুভব করা যাবে। বাংলাভাষার যে মহার্ঘ সাহিত্যভাণ্ডার, তার আস্বাদনও সম্ভব হবে।
মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী শিক্ষাবর্ষে সব স্কুলে বাংলা পড়ানো হবে। সর্বভারতীয় বোর্ড পাঠ্যসূচিতে বাংলা রাখবে না, সেটাই স্বাভাবিক, বাংলা অন্তর্ভুক্তির দায়িত্ব স্কুলকেই নিতে হবে। প্রয়োজনে স্কুল-কর্তৃপক্ষই পরীক্ষার ব্যবস্থা করবেন। মানে, কোনও অজুহাতই খাটবে না। বাংলা না পড়িয়ে, বাংলা সংস্কৃতিকে গোল্লায় পাঠিয়ে যেসব স্কুল মুনাফা লুঠছে, তাদের রাশ টানার পাশাপাশি বাংলাভাষার প্রতি তাদের যে ঘৃণ্য মনোভাব, তাও পালটাতে চাইছে সরকার। প্রাদেশিক ভাষাকে অবহেলা-অবমাননা করার শিক্ষা শিক্ষালয় থেকে, গৃহপরিবেশ থেকে অন্য কোনও রাজ্যে শিক্ষার্থী পায় না। ব্যতিক্রম বোধহয় আমাদের রাজ্য। পশ্চিমবঙ্গেও প্রাদেশিক ভাষা পড়তে হবে—নিঃসন্দেহে জরুরি সিদ্ধান্ত, প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ।
ইংরেজি পড়ুক, অন্য ভাষাও পড়ুক, বাংলাভাষাকে অবহেলায় দূরে সরিয়ে কোনও ভাষার পাঠই সফল হতে পারে না। বাংলাভাষাও গুরুত্ব পাক বঙ্গসন্তানের পাঠ্যসূচিতে। বঙ্গভাষী নয়, যারা বঙ্গবাসী, তারাও বাংলাভাষাকে জানুক, যথোচিত মর্যাদা ও সম্মান দিতে শিখুক। ত্রিভাষা রীতির পরিকল্পনা স্বপ্ন-বুদ্‌বুদের মতো হারিয়ে না গিয়ে দ্রুত রূপায়িত হোক। পথেঘাটে, কাজেকর্মে, সরকারিস্তরে—পঞ্চায়েত-পৌরসভা থেকে নবান্ন, সর্বত্রই আরও বেশি করে কি বাংলা ভাষা ব্যবহার করা যায় না?
নতুন প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা, চোখে-মুখে যাদের স্বপ্ন-প্রলেপ, তারা বাংলায় বাংলার গান গেয়ে উঠুক, বলুক, ‘আমি আমার আমিকে চিরদিন এই বাংলায় খুঁজে পাই...।’ দেখুক, একবার নয়, বারবার
বাংলার মুখ।
 লেখক শিশুসাহিত্যিক ও শিশুসাহিত্যের গবেষক
17th  June, 2017
শিবাজি রাও গায়কোয়াড়ের দোলাচল
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়

 সাতষট্টি বছরের একজন মানুষ শেষ পর্যন্ত কী সিদ্ধান্ত নেবেন অথবা নেওয়া উচিত তা নিয়ে আমি বেশ ধন্দে পড়েছি। তবে আমার এই দোলাচল মোটেই আহামরি কিছু নয়, বড় যা তা হল একটা গোটা রাজ্যের মানুষের তাঁর দিকে ড্যাব ড্যাব করে চেয়ে থাকা। বিপুল দোলাচলে রাজ্যের সবার মনে। বিশদ

রথযাত্রায় শ্রীচৈতন্য ও শ্রীরামকৃষ্ণ
চৈতন্যময় নন্দ

 নীলাচলে দারুব্রহ্ম জগদীশ জগন্নাথদেবের সবচেয়ে বড় বিজয়োৎসব রথযাত্রা। আদিকাল থেকে এই সমারোহ চলে এসেছে এবং একে কেন্দ্র করে বহু ইতিবৃত্তের সৃষ্টি হয়েছে। আষাঢ় মাসের শুক্লা দ্বিতীয়া তিথিতে পুরীতে শ্রীমন্‌ জগন্নাথ রথে আরোহণ করেন।
বিশদ

24th  June, 2017
অনুপ্রবেশকারীদের মন্দিরে আশ্রয় প্রসঙ্গে
আলোলিকা মুখোপাধ্যায়

 নিউইয়র্ক শহরের কুইনস এলাকায় সমুদ্রের ধার ঘেঁষে রক অ্যাওয়ে বিচ। একদিন দেখা গেল মহাসাগরের ঢেউয়ের মাথায় নাচতে নাচতে ভাঙা নারকোল ভেসে আসছে। নারকোলের পিছু পিছু ইতস্তত বিক্ষিপ্ত গাঁদাফুলের মালা। সাহেব মেমরা সাঁতার কাটতে নেমে নারকোলের আধভাঙা মালা, পচা গাঁদার মালা দেখে জলপুলিশকে নালিশ করল। বিশদ

24th  June, 2017
সাঁওতাল বিদ্রোহ এবং সমাজের পরিবর্তন
বিষ্ণুপদ হেমরম

 ভারতের আদিবাসী জনগোষ্ঠীগুলির মধ্যে সাঁওতালরাই সংখ্যাগরিষ্ঠ। ব্রিটিশ ভারতে জল-জঙ্গল-জমিনের উপর অধিকার অক্ষুণ্ণ রাখতে এবং শোষণ ও নিপীড়নের প্রতিবাদে তারা সরকারের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছিল। সেটা আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছিল ১৮৫৫ সালের ৩০ জুন, বর্তমান সাঁওতাল পরগনার ভাগ্‌না঩ডিহির মাঠে। বিশদ

23rd  June, 2017
পাহাড় ও বাঙালি
সমৃদ্ধ দত্ত

 বিজেপি রাজ্য শাখা তথা তাদের কর্মী সমর্থকরা এখনও স্পষ্ট করে বলছেন না সামান্য একটা সিদ্ধান্ত। সেটি হল তাঁরা কি গোর্খাল্যান্ড সমর্থন করেন, নাকি করেন না? সহজ প্রশ্ন। সহজ উত্তর। অথচ সোজা উত্তর পাওয়া যাচ্ছে না। ভাসা ভাসা কথা। কারণ বিজেপি রাজ্য শাখা ও কর্মী সমর্থকরা অপেক্ষা করছেন তাঁদের হাইকমান্ড কী ঠিক করবেন তার উপর। একবার চিন্তা করে দেখুন, আমরা বাঙালি, আমাদের রাজ্য থেকে আমাদের প্রিয় দার্জিলিংকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হবে কি না তা ঠিক করতেও বিজেপির বাংলা শাখা দুজন গুজরাতের নেতার দিকে তাকিয়ে আছে। বিশদ

23rd  June, 2017
দুর্নীতির পরিবেশ, পরিবেশে দুর্নীতি
বিশ্বজিৎ মুখোপাধ্যায়

 ১৯৭০ দশকের বিশিষ্ট সমাজবিজ্ঞানী ও অর্থনীতিবিদ Gunnar Mydral-এর ‘এশিয়ান ড্রামা’ বইটির মূল প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল, এশিয়ার বুকে বিভিন্ন দেশে পরিকল্পনাগুলি ব্যর্থ হবার একটি অন্যতম কারণ দুর্নীতি। বিশদ

21st  June, 2017
এ যুগের নীলকণ্ঠদের মুক্তির উপায় কী?
স্বপন মণ্ডল

 পুরাণ মতে সমুদ্র মন্থনের মতো কষ্টসাধ্য কাজে সুরাসুর উভয়েই হাত লাগিয়েছিল। সমুদ্র মন্থনে অমৃতের সন্ধান যেমন পাওয়া গেল গরলও উঠে এল। অমৃতের ভাগীদার অনেকে কিন্তু গরলের ভাগীদার কেউ হতে চাইল না। কিন্তু এ গরল এমন গরল যে ধরিত্রীর যেখানে পড়বে সেখানেই বিষাক্ত হয়ে যাবে। বিশদ

21st  June, 2017
যোগদিবস: ভারতের লক্ষ্মীলাভের মস্ত সুযোগ
হরলাল চক্রবর্তী

 ২০১৫ সাল থেকে বিশ্বজুড়ে ২১ জুন মহা ধুমধামে ‘বিশ্ব-যোগদিবস’ পালিত হচ্ছে। সারা বিশ্বের প্রায় ২০০টি দেশ যোগদিবসের স্বীকৃতি দিয়েছে, ১৮০টি দেশ যোগে অংশগ্রহণ করেছে, এর মধ্যে কিছু ইসলামিক দেশও আছে। আশা করা যায়, এ বছর তা আরও বেশি সাফল্য পাবে।
বিশদ

20th  June, 2017



একনজরে
 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: স্ত্রী ও শাশুড়ির বঁটির কোপে গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভরতি হলেন স্বামী। শুক্রবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে নিউটাউনের প্রমোদগড় বাজার এলাকায়। স্থানীয় সূত্রের খবর, পারিবারিক বিবাদের জেরে শুভঙ্কর সরকারের সঙ্গে বেশ কিছুদিন ধরেই তাঁর স্ত্রীর অশান্তি চলছিল। ...

 বেজিং, ২৪ জুন (পিটিআই): বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সাবমেরিন ডিটেক্টর আবিষ্কার করল চীন। আজ ‘দ্য চাইনিজ আকাদেমি অব সায়েন্সেস’-এর একদল বিজ্ঞানী এই দাবি করেছেন। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আগামী মরশুমেও মোহন বাগানের কোচ থাকছেন সঞ্জয় সেন। তাঁর কাছে অন্য কোনও ক্লাবের অফার ছিল না। মোহন বাগানও ‘এ’ লাইসেন্সধারী ভালো কোচ পেত না। শনিবার সঞ্জয় সেন স্বীকার করে নেন, ‘মোহন বাগানের এক শীর্ষ কর্তা আমাকে আগামী ...

সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার:বিজেপির বিস্তারক কর্মসূচির মোকাবিলায় তৃণমূল কংগ্রেস বীরভুম জেলায় ইতিমধ্যেই পালটা বিস্তারক কর্মসূচি শুরু করেছে। এবার পঞ্চায়েত ভোটের আগাম প্রস্তুতি হিসাবে তৃণমূলের আলিপুরদুয়ার-১ ব্লক সভাপতি মনোরঞ্জন দে তাঁর ব্লকে বুথ ভিত্তিক খুলি বৈঠক শুরু করেছেন। ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাফল্য আসবে। প্রেম-প্রণয়ে আগ্রহ বাড়বে। তবে তা বাস্তবায়িত হওয়াতে সমস্যা আছে। লৌহ ও ... বিশদ



ইতিহাসে আজকের দিন

 ১৯০৩- ইংরেজ সাহিত্যিক জর্জ অরওয়েলের জন্ম
১৯৬০- কবি সুধীন্দ্রনাথ দত্তের মৃত্যু
১৯৭৪- অভিনেত্রী করিশ্মা কাপুরের জন্ম
১৯৭৫- প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী দেশে জরুরি অবস্থা জারি করলেন
২০০৯- মার্কিন পপ সংগীত শিল্পী মাইকেল জ্যাকসনের মৃত্যু




ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৭৫ টাকা ৬৫.৪৩ টাকা
পাউন্ড ৮০.৬৪ টাকা ৮৩.৪২ টাকা
ইউরো ৭০.৭৬ টাকা ৭৩.২৮ টাকা
24th  June, 2017
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৯,২২৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৭,৭২৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৮,১৪০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৯,১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৯,২০০ টাকা

দিন পঞ্জিকা

১০ আষাঢ়, ২৫ জুন, রবিবার, দ্বিতীয়া রাত্রি ১/২, পুনর্বসুনক্ষত্র রাত্রি ১১/২৫, সূ উ ৪/৫৭/৩৬, অ ৬/২০/৩৬, অমৃতযোগ ৬/৪৪-৯/২৫ পুনঃ ১২/৫-২/৪৫ রাত্রি ৭/৪৫ পুনঃ ১০/৩৫-১২/৪৩, বারবেলা ৯/৫৮-১/১৯, কালরাত্রি ১২/৫৯-২/১৯।

রথযাত্রা উৎসব
রাত্রি ১/৩৮/২৯ অম্বুবাচী নিবৃত্তিঃ

১০ আষাঢ়, ২৫ জুন, রবিবার, প্রতিপদ ৬/২১/২১ পরে দ্বিতীয়া রাত্রিশেষ ৪/৮/৫০, পুনর্বসুনক্ষত্র ২/৪৯/৪৫, সূ উ ৪/৫৪/৫৩, অ ৬/২২/১২, অমৃতযোগ দিবা ৪/৪২/৩১-৯/২৩/৫৯, ১২/৫/২৭-২/৪৬/৫৫ রাত্রি ৭/৪৬/৩৩, ১০/৩৫/১৬-১২/৪১/৪৮, বারবেলা ৯/৫৭/৩৮-১১/৩৮/৩৩, কালবেলা ১১/৩৮/৩৩-১/১৯/২৮, কালরাত্রি ১২/৫৭/৩৮-২/১৬/৪৩।

রথযাত্রা উৎসব
রাত্রি ১/৩৮/২৯ অম্বুবাচী নিবৃত্তিঃ
২৯ রমজান

ছবি সংবাদ


এই মুহূর্তে
গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বনগাঁর গনরাপোতা বাজার এলাকা থেকে ১৫০টি বিরল প্রজাতির কচ্ছপ উদ্ধার করল পুলিশ, গ্রেপ্তার ৬

10:20:00 AM

লখনউতে ১৪ বছর বয়সী এক পুলিশ অফিসারের কন্যার আত্মহত্যা, চাঞ্চল্য

10:16:00 AM

পাকিস্তানের বাহাওয়ালপুরে তেলের ট্যাঙ্কার থেকে আগুন লাগার ঘটনায় মৃত শতাধিক, গুরুতর জখম ৪০

10:14:00 AM

শহরে ট্রাফিকের হাল
আজ, রবিবার সকালে শহরের রাস্তাঘাটে যান চলাচল মোটের উপর স্বাভাবিক। ট্রাফিকের সামান্য চাপ রয়েছে এজেসি বসু রোড, ইএম বাইপাস, মা উড়ালপুল, পার্কস্ট্রিটের মতো গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলিতে। এদিন শহরে তেমন কোনও বড় মিটিং-মিছিলের খবর নেই। ফলে মোটামুটি সারাদিনই শহরের যান চলাচল স্বাভাবিক থাকবে বলেই মনে করা হচ্ছে। তবে আজ রথযাত্রাকে ঘিরে বেশ কয়েকটি রাস্তায় যানজট দেখা দিতে পারে। ইসকনের রথ অ্যালবার্ট রোড থেকে হাঙ্গারফোর্ড স্ট্রিট, এজেসি বোস রোড, শরৎ বসু রোড, হাজরা রোড, এসপি মুখার্জি রোড, আশুতোষ মুখার্জি রোড, চৌরঙ্গি রোড, এক্সাইড ক্রসিং, জওহরলাল নেহরু রোড, আউটরাম রোড হয়ে ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে এসে থামবে। ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে যে ক’দিন ইসকনের রথ থাকবে, সেই ক’দিন সেখানে প্রসাদ বিতরণ, নানা বিনোদনমূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। অন্যদিকে, মেট্রোর কাজের জন্য ২৯ জুন থেকে ৩ জুলাই পর্যন্ত বন্ধ থাকবে ব্রাবোর্ন রোড ফ্লাইওভার ব্রিজ। সেই সময় সমস্ত গাড়ি মহাত্মা গান্ধী রোড, পোস্তা ও স্ট্যান্ড রোড দিয়ে ঘুরিয়ে দেওয়া হবে। তার ফলে ওই এলাকাগুলিতে যানজট দেখা দিতে পারে। কলকাতা পুলিশ জানিয়েছে, মা ফ্লাইওভারের নতুন ফ্ল্যাংকের নির্মাণ কাজ চলায় আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত কড়েয়া রোড ও বেকবাগান রো'র মধ্যবর্তী সার্কাস এভিনিউ'র দক্ষিণ অভিমুখও বন্ধ থাকবে। তার জেরে ওই এলাকাতেও যানজটের সম্ভাবনা রয়েছে। ট্রাফিক সংক্রান্ত যে কোনও খবরাখবরের জন্য কলকাতা পুলিশের টোল ফ্রি নম্বর ১০৭৩-তে ফোন করুন।

10:02:00 AM

মধ্য জাপানে ভূমিকম্প, রিখটার স্কেলে ৫.২

09:38:00 AM

চীনে ভূমিধস, মৃত ১৫, নিখোঁজ শতাধিক

09:34:00 AM