বিশেষ নিবন্ধ
 

বাংলাভাষাকে অবমাননা করে আর থাকা যাবে না বাংলায়
পার্থজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

ঢাকায়, শিলচরে বাংলাভাষার জন্য যতই রক্ত ঝরুক না কেন, এ বঙ্গের বাঙালি সমাজের অনেকের মনে বাংলাভাষার প্রতি অন্তর-উৎসারিত ভালোবাসা সত্যিই কি তৈরি হয়েছে? আলাদা করে বলার প্রয়োজন নেই যে, এ প্রশ্নের উত্তর নঞর্থক হবে! ভালোবাসা তো দূরের কথা, আমরা অনেকেই বাংলাভাষাকে কেন্দ্র করে অদ্ভুত এক হীনম্মন্যতায় ভুগি। ইংরেজিতে লেখার প্রয়োজন নেই, বাংলায় লিখলেই হয়, এমন ক্ষেত্রেও আমরা ইংরেজিতে লিখে থাকি। বাসে ইংরেজিতে চিঠি লেখার রেডিমেড বই ফেরি হতে দেখেছি। কাজ চালানোর মতো বাংলা যাদের জানা, তারাও চিঠিচাপাটি লিখতে হলে চেনা-জানা লোক ধরে। ব্যাংকে তো হামেশাই নজরে পড়ে, উইথড্রলস্লিপ পূরণ করার জন্য বাংলা অল্পবিস্তর লিখতে পড়তে জানা লোকও ইংরেজিতে লেখানোর জন্য একে-তাকে ধরে, কাকুতিমিনতি করে। কলকাতার দত্তবাগান থেকে হুগলির দশঘড়ায় ডাকে বা ক্যুরিয়ারে চিঠি পাঠাতে হলে আমরা কেউই প্রায় বাংলায় ঠিকানা লিখি না। পোস্ট অফিসে বা ক্যুরিয়ারে বাঙালি-অবাঙালি যে-ই কাজ করুক না কেন, বাংলাভাষা তার তো জানা জরুরি, নিদেনপক্ষে পড়তে লিখতে পারা চাই!
বাংলা মাধ্যমের অধিকাংশ স্কুলই এখন ছাত্রস্বল্পতায় ভুগছে। কোথাও কোথাও ‘দোয়াত আছে কালি নাই’-এর মতো স্কুল আছে ছাত্র নাই। মাস্টারমশায় দিদিমণিরা না পড়িয়ে বিনা মেহনতে পঞ্চাশ-ষাট হাজার টাকা মাসমাইনে নিয়ে যাচ্ছেন। এখন ইংরেজিমাধ্যম স্কুলে উচ্চবিত্ত-মধ্যবিত্ত শুধু নয়, নিম্নবিত্ত পরিবার থেকেও ভিড় করছে। বাবা-মা’রা পুলকিত মনে বিগলিত হয়ে সগর্বে সানন্দে ঘোষণা করে, তাদের ছেলেমেয়েদের বাংলা সেভাবে আসে না। কেউ কেউ আরও স্পষ্ট করে বলে, না, বাংলা তারা জানে না।
একথা শুনে কারও কারও নিশ্চিতভাবে মনে হতে পারে, সত্যিই ওরা দুর্ভাগা, উপেন্দ্রকিশোর-সুকুমার-অবনঠাকুর না পড়েই শৈশব-বাল্য ফুরিয়ে অকালেই কেমন বুড়িয়ে গেল। জাগে এখন ফলপাকড় নয়, ছেলেমেয়েরাও পাকছে। এ বঙ্গে যেসব বঙ্গসন্তান বাংলা না-জানার গর্বে গর্বিত, পড়াশোনা করে সাহেবি স্কুলে, সেসব হবু সাহেবদের পাশাপাশি যারা করেকম্মে খেতে এসে বছরের পর বছর এখানে রয়ে গিয়েও ছেলেমেয়েদের বাংলা শেখানোর তাগিদ অনুভব করেনি—এই দু’ধরনের মানুষজনের জন্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যথার্থ এক পদক্ষেপ নিতে চলেছেন। বাংলায় থাকলে বাংলা জানতে হবে। কম্পালসারি সাবজেক্ট বা এডিশনাল—যেভাবেই হোক বাংলা রাখতে হবে পাঠক্রমে। বাংলা ছিটেফোঁটাও না জেনে আর এ রাজ্যে পড়াশোনা করা যাবে না। বিদ্যালয়স্তরে বাংলা বাধ্যতামূলক। মুখ্যমন্ত্রী জরুরি কথাটি খুব স্পষ্ট করে, দৃঢ়তার সঙ্গে জানিয়ে দিয়েছেন। এমনটি তো অনেক আগেই হওয়া উচিত ছিল।
পাহাড়কে যারা পশ্চিমবঙ্গের বাইরে ভাবতে, সাইনবোর্ডে ঠিকানায় মিরিক-গোর্খাল্যান্ড বা কালিম্পং-গোর্খাল্যান্ড লিখতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছিল, তারা বাংলা পড়তে হবে শুনে যতই তর্জনগর্জন করুক না কেন, তাদের কাছে মাথা নত করার কোনও বাস্তব কারণ নেই। বাড়তি সম্ভ্রম দেখালে দড়িও যে সাপ হয়ে যায়, তা তো সেই ঘিসিং-জমানা থেকেই আমরা দেখে আসছি।
মাতৃভাষার প্রতি অন্য রাজ্যের মানুষ যে শ্রদ্ধা-সম্মান দেখায়, আমরা বাঙালিরা তা দেখাই না। আমাদের দেখে অন্য রাজ্য থেকে এরাজ্যে বসবাস করতে আসা প্রবাসী মানুষজন যদি বাংলাভাষাকে তুচ্ছ-অপাঙ্‌঩ক্তেয়, এমনকী হাবেভাবে ঘৃণা-প্রদর্শন করে, তা তেমন দোষের নয়, বরং এমনই তো স্বাভাবিক। মাতৃভাষা নিয়ে যে আবেগ ও স্পর্শকাতরতা প্রত্যাশিত, তা অমাদের আছে কি? নব প্রজন্মকে সাহেব-মেম বানানোর জন্য আমাদের চেষ্টার শেষ নেই। নিঃস্ব-রিক্ত হয়েও এ চেষ্টা চলতে থাকে নিরবচ্ছিন্নভাবে। মুখ্যমন্ত্রী যা ভেবেছেন, তা যদি বাস্তবায়িত হয়, বিদ্যালয়স্তরে বাংলা বাধ্যতামূলক হলে অন্তত বাংলাভাষাকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করার প্রবণতা খানিক কমবে। বাধ্য হয়েই বাংলা পড়বে। বাংলায় থেকে বাংলা ‘জানি না, বুঝি না’ বুক বাজিয়ে সদর্পে আর বলতে পারবে না। অল্পবয়েসিরা এখন ঠিকঠাক করে বাংলা বলতেও ভুলে গিয়েছে। অকারণে অপ্রয়োজনে ইংরেজি শব্দের ব্যবহার চলে যথেচ্ছ, শুধু শব্দ-ব্যবহার নয়, প্রায়শই বাক্যের ভগ্নাংশ ইংরেজিতে বলা হয়। এমনভাবে কথা বলতেই অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে তরুণ প্রজন্ম। টিভিতেও এভাবে ন্যাকামি সহযোগে কথা বলা হয় নানা অনুষ্ঠানে, বিশেষত সিনেমার লোকজন যখন সাক্ষাৎকার দেন বা অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন। তাদের এই ‘বাংরেজি’র দেদার অনুকরণ চলে।
বৃহত্তর তরুণ সমাজ এমনভাবে কথা বলাকেই এখন স্বাভাবিক ভাবে। বাংলাভাষা কতখানি মাধুর্যময়, তা তাদের আর জানা হয় না। এই না-জানার আড়ালে অভিভাবককুলেরও ভূমিকা রয়েছে। অভিভাবককুলের ভুলভাল চিন্তায় অভ্যস্ত হয়ে ওঠার পিছনে সমাজ-আবহাওয়াও অনেকাংশে দায়ী। ইংলিশ মিডিয়ামে পড়লে, ইংরেজি জানলে বড়সড়ো চাকরি, বিস্তর উপার্জন—এসব অর্থহীন ভাবনা মনে এখন শেকড় ছড়িয়েছে। ফলে দিনে দিনে বাংলা ভাষার প্রতি অনাদর-উপেক্ষা বেড়েই চলেছে। বাংলা জানি না, ইংরেজি জানি—এই অর্ধসত্যটিকে অহরহ জাহির করা হচ্ছে। বাঙালিয়ানা কোথায় লোপাট হয়েছে! সেই বেচারা বা বেচারিকে কে বোঝাবে, বাংলা তো নয়ই, ইংরেজিও তার ঠিকঠাক জানা হয়নি। মায়ের ভাষাকে যদি উপেক্ষা করে, অপাঙ্‌ক্তেয় ভাবে, তাহলে যে অন্য কোনও ভাষাই শেখা যায় না, এই চরম সত্যটি অনেকেই বুঝতে চায় না। ভাষার প্রতি ভালোবাসা না জাগ্রত হওয়ায় সুস্থ সংস্কৃতিভাবনাও বিকশিত হয় না। সবই কেমন এলোমেলো হয়ে এখন ঘেঁটে গিয়েছে। নিজের ভাষা ও সংস্কৃতির বিস্মরণ কতখানি আত্মঘাতী, নানা প্রেক্ষাপটে প্রমাণিত সত্য। তাই ঘরে বাইরে বাংলা ভাষার যে অবমাননা, তা বন্ধ হোক। ‘আমরি বাংলা ভাষা’-র প্রতি ভালোবাসা জাগুক। দায়ে পড়ে পরীক্ষা-বৈতরণি পেরনোর জন্য পড়া নয়, ভালোবেসে পড়ার বাতাবরণ তৈরি হলে বাংলা ভাষার মাধুর্য ও সৌন্দর্য সহজে অনুভব করা যাবে। বাংলাভাষার যে মহার্ঘ সাহিত্যভাণ্ডার, তার আস্বাদনও সম্ভব হবে।
মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী শিক্ষাবর্ষে সব স্কুলে বাংলা পড়ানো হবে। সর্বভারতীয় বোর্ড পাঠ্যসূচিতে বাংলা রাখবে না, সেটাই স্বাভাবিক, বাংলা অন্তর্ভুক্তির দায়িত্ব স্কুলকেই নিতে হবে। প্রয়োজনে স্কুল-কর্তৃপক্ষই পরীক্ষার ব্যবস্থা করবেন। মানে, কোনও অজুহাতই খাটবে না। বাংলা না পড়িয়ে, বাংলা সংস্কৃতিকে গোল্লায় পাঠিয়ে যেসব স্কুল মুনাফা লুঠছে, তাদের রাশ টানার পাশাপাশি বাংলাভাষার প্রতি তাদের যে ঘৃণ্য মনোভাব, তাও পালটাতে চাইছে সরকার। প্রাদেশিক ভাষাকে অবহেলা-অবমাননা করার শিক্ষা শিক্ষালয় থেকে, গৃহপরিবেশ থেকে অন্য কোনও রাজ্যে শিক্ষার্থী পায় না। ব্যতিক্রম বোধহয় আমাদের রাজ্য। পশ্চিমবঙ্গেও প্রাদেশিক ভাষা পড়তে হবে—নিঃসন্দেহে জরুরি সিদ্ধান্ত, প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ।
ইংরেজি পড়ুক, অন্য ভাষাও পড়ুক, বাংলাভাষাকে অবহেলায় দূরে সরিয়ে কোনও ভাষার পাঠই সফল হতে পারে না। বাংলাভাষাও গুরুত্ব পাক বঙ্গসন্তানের পাঠ্যসূচিতে। বঙ্গভাষী নয়, যারা বঙ্গবাসী, তারাও বাংলাভাষাকে জানুক, যথোচিত মর্যাদা ও সম্মান দিতে শিখুক। ত্রিভাষা রীতির পরিকল্পনা স্বপ্ন-বুদ্‌বুদের মতো হারিয়ে না গিয়ে দ্রুত রূপায়িত হোক। পথেঘাটে, কাজেকর্মে, সরকারিস্তরে—পঞ্চায়েত-পৌরসভা থেকে নবান্ন, সর্বত্রই আরও বেশি করে কি বাংলা ভাষা ব্যবহার করা যায় না?
নতুন প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা, চোখে-মুখে যাদের স্বপ্ন-প্রলেপ, তারা বাংলায় বাংলার গান গেয়ে উঠুক, বলুক, ‘আমি আমার আমিকে চিরদিন এই বাংলায় খুঁজে পাই...।’ দেখুক, একবার নয়, বারবার
বাংলার মুখ।
 লেখক শিশুসাহিত্যিক ও শিশুসাহিত্যের গবেষক
17th  June, 2017
রাজ্যের উদ্বেগজনক বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে কেন্দ্র এত উদাসীন কেন?
শুভা দত্ত

 ‘কেন্দ্রের বিমাতৃসুলভ আচরণ’ বলে একটা কথা একসময় খুব শোনা যেত। ইন্দিরা গান্ধীর আমলে তো বটেই, তার পরে তাঁর পুত্র রাজীব গান্ধী বা তাঁর পরের প্রধানমন্ত্রীদের আমলেও এ রাজ্যে ওই ‘বিমাতৃসুলভ আচরণ’ নিয়ে রাজনৈতিক হইচই যথেষ্ট হয়েছে।
বিশদ

20th  August, 2017
আহা, সেই নতুন ভারত ভয়মুক্ত হোক
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়

 স্বাধীনতা দিবসে লাল কেল্লা থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির চতুর্থ ভাষণ বেশ মন দিয়েই শুনলাম। স্বচ্ছ ভারত, স্মার্ট সিটি, মেক ইন ইন্ডিয়া, স্টার্ট আপ ইন্ডিয়া, জন ধন প্রকল্প, নমামি গঙ্গে, বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও, ডিজিটাল ইন্ডিয়া, কংগ্রেস মুক্ত ভারত, কালো টাকা ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কোমর-কষা লড়াই ইত্যাদি ইত্যাদি প্রতিজ্ঞা ও স্বপ্নের জাল গত চারটি ভাষণে শোনানোর পর সেদিন তিনি ‘নিউ ইন্ডিয়া’ বা নতুন ভারত গড়ার কথা শোনালেন।
বিশদ

20th  August, 2017
সফলতা বনাম সফলতা
অভিজিৎ তরফদার

 সংবাদপত্রের প্রথম পাতা আলো করে কোন ব্যক্তিরা শোভা পান? তাঁরা জনপ্রতিনিধি। তাঁরা দেশের আইনও প্রণয়ন করেন। দুর্জনে বলে তাঁদের এক চতুর্থাংশ বা তারও বেশিজনের নামে ফৌজদারি মামলা আছে। খুন-ধর্ষণ-ডাকাতি ইত্যাদি ভয়ানক সব অভিযোগে তাঁরা অভিযুক্ত। কিন্তু আমরা, আম জনতা, তাঁদের ফুল্লবিকশিত মুখশোভা সংবাদপত্রে দেখতেই অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছি।
বিশদ

19th  August, 2017
ভারত চীন যুদ্ধ হলে চীন পরাজিত হবে
প্রশান্ত দাস

 সারা ভারতজুড়ে এখন একটাই আলোচনা ঝড় তুলেছে—ডোকালাম নিয়ে চীন ভারতকে আক্রমণ করবে কি? চীন অনবরত ভারতকে চমকে চলেছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের মুখপত্র গ্যারিরস বলেছেন—কোনও দেশ যেন নিজেকে সর্বশক্তিমান না ভাবে। চীন এবং ভারত মুখোমুখি আলোচনায় বসে ব্যাপারটি মিটিয়ে নেয়।
বিশদ

19th  August, 2017
শুধুই প্রচার, রেজাল্ট কই!
সমৃদ্ধ দত্ত

 গোরখপুর থেকে ৪৩ কিলোমিটার দূরের জৈনপুর গ্রামের লক্ষ্মী আর শৈলেন্দ্র তিন সপ্তাহ বয়সি মেয়ের মৃতদেহ নিয়ে অনেক দেরি করে বাড়িতে ফিরতে পেরেছিল। গোরখপুরের হাসপাতালে অক্সিজেনের অভাবে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মেয়ে মারা যাওয়ার পর হাসপাতালের বাবুদের কাছে বারংবার ধমক খেতে হয়েছে তাঁদের।
বিশদ

18th  August, 2017
 কেন্দ্রের দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণেই মেডিকেল ভরতিতে রাজ্যের ছাত্রছাত্রীরা বঞ্চনার শিকার
গৌতম পাল

 নিট পরীক্ষার দায়িত্ব সিবিএসই-কে দিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার ক্ষমতাকে কেন্দ্রীভূত করেছে। নিট পরীক্ষায় যাঁরা বিষয় বিশেষজ্ঞ হিসাবে সাহায্য করেছেন তাঁরা অধিকাংশই দিল্লির কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, এবং বেশিরভাগই কেন্দ্রীয় সরকার পরিচালনাকারী একটি বড় রাজনৈতিক দলের সদস্য বা কাছের মানুষ। অথচ পশ্চিমবাংলার বা অন্যান্য রাজ্যের খ্যাতনামা যে সকল অধ্যাপক অত্যন্ত দক্ষতা এবং স্বচ্ছতার সঙ্গে রাজ্যের প্রবেশিকা পরীক্ষায় এ যাবৎ সাহায্য করে এসেছেন, সিবিএসই কিন্তু তাঁদেরকে নিটের সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করেনি, বা এই সম্পর্কে রাজ্যের কোনও মতামতও নেয়নি। অনেকেই বলছেন রাজ্যের পাঠ্যক্রম সংশোধন করে নিটের সমমানের করলেই রাজ্যের ছেলে-মেয়েরা নিটে ভালো র‌্যাংক করবে।
বিশদ

17th  August, 2017
স্বাধীনতার ৭০ বছর, নেতাতন্ত্র বনাম গণতন্ত্র?
হিমাংশু সিংহ

বিয়াল্লিশের ভারত ছাড়ো আন্দোলন আমি দেখিনি। ৪৭-এর ঐতিহাসিক স্বাধীনতা লাভের মুহূর্তে মধ্যরাতের জওহরলাল নেহরুর সেই ঐতিহাসিক ভাষণ চাক্ষুষ করার সুযোগও হয়নি। হওয়ার কথাও নয়, কারণ ওই ঘটনার প্রায় দু’দশক পর আমার জন্ম। সেদিনের কথা বইয়ে, ইতিহাসের পাতায় পড়েছি মাত্র।
বিশদ

15th  August, 2017
গভীর রাতের নাটক শেষে স্যালুট
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়

জেতা ম্যাচ কী করে হারতে হয়, এই নির্বাচন তার একটা বড় উদাহরণ হয়ে থাকবে। হারতে হারতে জিতে গিয়েছেন আহমেদ প্যাটেল। এই দুর্দিনে তাঁর জয় কংগ্রেসের মরা গাঙে বান হয়তো ডেকে আনবে না, তবে মনোবল সামান্য হলেও বাড়াবে। সোনিয়া গান্ধীর দলের এই দুর্দিনে এটাই বা কম কী? তবে আহমেদ প্যাটেল নন, অমিত শাহও নন, শেষ বিচারে আসল জয়ী নির্বাচন কমিশন। ভারতীয় গণতন্ত্রের সৌন্দর্য এটাই। ওই গভীর রাতে নির্বাচন কমিশনকেই তাই স্যালুট জানিয়েছি।
বিশদ

13th  August, 2017
স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে: কিছু প্রশ্ন
শুভা দত্ত

শুধু ভারত ছাড়ো কেন? রামনবমী রাখিবন্ধন পুজোপাঠ স্বাধীনতা দিবস প্রজাতন্ত্র—সবকিছুতেই এখন এত বেশি বেশি রাজনৈতিক দখলদারি শুরু হয়েছে যে, সাধারণ মানুষের পক্ষে উৎসবের মেজাজ ধরে রাখাই মুশকিল হচ্ছে। রাজনীতি ছাড়া যেন কিছু হতেই পারে না!
বিশদ

13th  August, 2017



একনজরে
বার্মিংহ্যাম, ২০ আগস্ট: তিন দিনেই প্রথম দিন-রাতের টেস্ট জিতে নিল ইংল্যান্ড। এজবাস্টনে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে চুরমার করে ইনিংস ও ২০৯ রানের বিশাল জয় পেয়েছে জো রুটের দল। প্রথম ইনিংসে ৮ উইকেটে ৫১৪ রানের বিশাল স্কোর খাড়া করেছিল ইংল্যান্ড। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: উত্তরবঙ্গের মালদহ, বালুরঘাট, রায়গঞ্জ, কালিয়াগঞ্জ, ইটাহার, কুশমুন্ডি, বাউল, পতিরাম, গঙ্গারামপুর সহ বিভিন্ন অঞ্চলে ভারত সেবাশ্রম সংঘ সম্প্রতি বন্যাদুর্গতদের ত্রাণের কাজ শুরু করেছে। রোজই সংঘের পক্ষ থেকে দুর্গতদের রান্না করা খাবার বিলি করা হচ্ছে। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ইতিমধ্যেই দক্ষিণ দমদম পুরসভা এলাকায় ডেঙ্গুতে আটজনের মৃত্যু হয়েছে, আক্রান্তের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়েছে। অবশেষে নড়েচড়ে বসল দক্ষিণ দমদম পুরসভা। পুরসভার যে সমস্ত ওয়ার্ডে ডেঙ্গুর প্রকোপ বেশি, সেখানে গাপ্পি মাছ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ...

 নয়াদিল্লি, ২০ আগস্ট (পিটিআই): ৭৩তম জন্মদিনে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীকে স্মরণ করল গোটা দেশ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ট্যুইটারে লিখলেন, ‘ জন্মদিনে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীকে ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার্থীদের ক্ষেত্রে ভাবনা-চিন্তা করে বিষয় নির্বাচন করলে ভালো হবে। প্রেম-প্রণয়ে বাধাবিঘ্ন থাকবে। কারও সঙ্গে মতবিরোধ ... বিশদ



ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৭৮- ভিনু মানকড়ের মৃত্যু
১৯৮৬- উসেইন বোল্টের জন্ম
১৯৯৫- সুব্রহ্মণ্যম চন্দ্রশেখরের মৃত্যু
২০০৬- ওস্তাদ বিসমিল্লা খানের মৃত্যু
১৯৭২- বন সংরক্ষণ আইন চালু


ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৩৫ টাকা ৬৫.০৩ টাকা
পাউন্ড ৮১.২৫ টাকা ৮৪.২১ টাকা
ইউরো ৭৩.৯৬ টাকা ৭৬.৫৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
19th  August, 2017
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) 29465
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) 27955
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) 28375
রূপার বাট (প্রতি কেজি) 39100
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) 39200
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
20th  August, 2017

দিন পঞ্জিকা

৪ ভাদ্র, ২১ আগস্ট, সোমবার, অমাবস্যা রাত্রি ১২/০, অশ্লেষানক্ষত্র দিবা ৩/৫১, সূ উ ৫/১৯/১৪, অ ৬/০/২৬, অমৃতযোগ দিবা ৭/০ পুনঃ ১০/২৩-১২/৫৬ রাত্রি ৬/৪৫-৯/১ পুনঃ ১১/১৭-২/১৮, বারবেলা ৬/৫৪-৮/২৯ পুনঃ ২/৫১-৪/২৬, কালরাত্রি ১০/১৫-১১/৪০। পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ (ভারতে অদৃশ্য)
৪ ভাদ্র, ২১ আগস্ট, সোমবার, অমাবস্যা রাত্রি ১২/৮/৯, অশ্লেষানক্ষত্র অপরাহ্ণ ৪/৫৪/৪০, সূ উ ৫/১৬/৪৮, অ ৬/২/২৪, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৮/৫৩, ১০/২৩/২-১২/৫৬/১০ রাত্রি ৬/৪৭/২২-৯/২/২০, ১১/১৭/১৭-২/১৭/১২, বারবেলা ২/৫১/০-৪/২৬/৪২, কালবেলা ৬/৫২/৩০-৮/২৮/১২, কালরাত্রি ১০/১৫/১৮-১১/৩৯/৩৬। পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ (ভারতে অদৃশ্য)
২৮ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
বন্যায় ৭ লক্ষ হেষ্টর চাষের জমি ক্ষতিগ্রস্থ: কৃষিমন্ত্রী

 বন্যায়য় উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গ মিলিয়ে ৭ লক্ষ হেক্টর চাষের জমি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। যার মধ্যেো ৪ লক্ষ জমি উত্তরের। কৃষিতে প্রাথমিক হিসেবে মোট ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৮০০ কোটি টাকা। যার মধ্যে উত্তরে ৫৩৪ কোটি ৫১ লক্ষ টাকাো জানালেন কৃষি মন্ত্রী পূর্ণেন্দু বসু।

05:24:00 PM

 তামিলনাড়ুর উপ মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ পনিরসেলভামের

 এআএিডিএমকে-র দুই শিবিরের সংযুক্তিকরণের পর তামিলনাড়ুর উপ মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিলেন পনিরসেলভাম

04:49:00 PM

বন্যার জন্য কেন্দ্রে কাছে উপযুক্ত প্যাকেজ চাইব: মমতা

কেন্দ্রের কাছে উপযুক্ত প্যাকেজের দাবি করতে চলেছে বলে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান গোটা রাজ্যে এবছর বন্যায় ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে ১৪ হাজার কোটি টাকা। কেবলমাত্র উত্তরবঙ্গেই মৃত্যু হয়েছে ৪৫ জনের। আর গোটা রাজ্যে ১৫২জনের। রাজ্যে ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের সংখ্যা দেড় কোটি ছাড়িয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, ত্রাণ নিয়ে কোনও সমস্যা নেই। পর্যাপ্ত পরিমাণে রয়েছে। তাই যতটা প্রয়োজন ততটাই ত্রাণ মিলবে। মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, অনেক সড়ক থেকেই জল নামতে শুরু করেছে, তাই যে সমস্ত সড়ক থেকে জল নেমে যাবে, সেখান দিয়েই ধীরে ধীরে ট্রাক পাঠানো হবে। কারণ অনেক ট্রাক পচনশীল দ্রব্য নিয়ে আটকে রয়েছে। পাশাপাশি এই বন্যার নামে যে সমস্ত অসাধু ব্যবসায়ী দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি করতে চেষ্টা করছেন তাদের বিরুদ্ধেও নজরদারি চালানো হবে বলে তিনি নির্দেশ দিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, জল নামলেই  বন্যা সংক্রান্ত রোগব্যাধির প্রতিষেধক এবং পানীয় জলের পথগুলিকে পরিশ্রুত করার ব্যবস্থাও নেওয়া হচ্ছে।

04:47:00 PM

সিলেবাস কমিটির প্রস্তাবে সিলমোহর রাজ্য সরকারের, সব ক্লাসে পড়তে হবে কন্যাশ্রী স্বীকৃতি, আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে প্রথম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পাঠ্যক্রমে কন্যাশ্রী

04:12:00 PM

বন্যায় দেড় কোটি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত: মুখ্যমন্ত্রী

04:10:07 PM

রাজ্যে যথেষ্ট পরিমানে ত্রান সামগ্রী মজুত রয়েছে: মুখ্যমন্ত্রী

04:10:06 PM